Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
উম্মে সালমা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
রুকন ও মাকাম এর মাঝে এক জন লোকের কাছে মানুষ বায়াত দেবে।
তাদের সংখ্যা হবে বদরের লোকদের সমান।
উনার কাছে ইরাক থেকে একটি দল এবং সিরিয়া থেকে আবদালগন আসবেন।
তাদেরকে সিরিয়া বাসীদের মাঝ থেকে একটা বাহিনী এসে আক্রমন করবে।
বাইদাহতে তারা ভুমি ধ্বসে পড়বে।
এর পর কুরাইশ বংশের এক লোক তাদের আক্রমন করবে যে কিনা কলব গোত্রের।
তার সাথে যুদ্ধ হবে এবং আল্লাহ তাদের বিজয়ী করবেন।

এর পর উনি ﷺ বলেন,
সে লোক ব্যর্থ, যে কলবের গনিমত নিতে ব্যর্থ।
উম্মে সালমা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
রুকন ও মাকাম এর মাঝে এক জন লোকের কাছে মানুষ বায়াত দেবে।
তাদের সংখ্যা হবে বদরের লোকদের সমান।
উনার কাছে ইরাক থেকে একটি দল এবং সিরিয়া থেকে আবদালগন আসবেন।
তাদেরকে সিরিয়া বাসীদের মাঝ থেকে একটা বাহিনী এসে আক্রমন করবে।
বাইদাহতে তারা ভুমি ধ্বসে পড়বে।
এর পর কুরাইশ বংশের এক লোক তাদের আক্রমন করবে যে কিনা কলব গোত্রের।
তার সাথে যুদ্ধ হবে এবং আল্লাহ তাদের বিজয়ী করবেন।

এর পর উনি ﷺ বলেন,
সে লোক ব্যর্থ, যে কলবের গনিমত নিতে ব্যর্থ।
2018-04-27 22:05:45 mdhedayet.nk@...
হুজাইফা রা: লোকদের বলছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা দ্বীনের ব্যপারে এরকম উদার হয়ে যাবে, যেমন এক মহিলা কবুল বলার পর উদার হয়ে যায়। তার কাছে যে আসে তাকে মানা করে না?

: আমরা জানি না।

: কিন্তু ওয়াল্লাহ! আমি জানি। তোমরা সেদিন থাকবে অক্ষম আর অসৎ হবার মাঝে।

ঐ কওম থেকে এক লোক বললেন,

: এর অক্ষমতাকে ঘৃনা করে তা থেকে দূরে থাকতে হবে।

হুজাইফা রা: তখন ঐ লোকের গায়ে কয়েকবার আঘাত করলেন। এর পর বললেন,

: যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে। যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে।
হুজাইফা রা: লোকদের বলছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা দ্বীনের ব্যপারে এরকম উদার হয়ে যাবে, যেমন এক মহিলা কবুল বলার পর উদার হয়ে যায়। তার কাছে যে আসে তাকে মানা করে না?

: আমরা জানি না।

: কিন্তু ওয়াল্লাহ! আমি জানি। তোমরা সেদিন থাকবে অক্ষম আর অসৎ হবার মাঝে।

ঐ কওম থেকে এক লোক বললেন,

: এর অক্ষমতাকে ঘৃনা করে তা থেকে দূরে থাকতে হবে।

হুজাইফা রা: তখন ঐ লোকের গায়ে কয়েকবার আঘাত করলেন। এর পর বললেন,

: যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে। যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে।
2018-04-27 21:57:26 mdhedayet.nk@...
মুজাহিদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
কিয়ামতের আগে রাতের আধার টুকরার মত ফিতনা দেখা দিবে।
সকালে এক জন মুমিন থাকবে, তো সন্ধায় সে কাফির হয়ে যাবে।
সন্ধায় মুমিন থাকবে, তো সকালে কাফির হয়ে যাবে।
মানুষ তার দ্বীনকে দুনিয়ার মালের বিনিময়ে বিক্রি করে দেবে।
মুজাহিদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
কিয়ামতের আগে রাতের আধার টুকরার মত ফিতনা দেখা দিবে।
সকালে এক জন মুমিন থাকবে, তো সন্ধায় সে কাফির হয়ে যাবে।
সন্ধায় মুমিন থাকবে, তো সকালে কাফির হয়ে যাবে।
মানুষ তার দ্বীনকে দুনিয়ার মালের বিনিময়ে বিক্রি করে দেবে।
2018-04-16 10:10:35 @103.200.36.201
আবু সাইদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
আবু সাইদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
2018-03-10 15:13:20 @103.77.60.18
আবি মুসা রা: বলেছেন,
উনি ﷺ আমাদেরকে খুতবা দিলেন এবং বললেন,
সাবধান! তোমাদের পেছনে আধার রাত্রির টুকরার মত ফিতনা আছে।
তখন এক লোক সকালে মু'মিন থাকবে তো সন্ধায় কাফির হবে।
সন্ধায় কাফির থাকলে সকালে মু'মিন হবে।
ঐ সময়ে বসে থাকা লোক দাড়ানো লোকের থেকে ভালো।
দাড়ানো লোক হেটে চলা লোকের থেকে ভালো।
হেটে চলা লোক আরোহী থেকে ভালো।

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো:
আমাদের কি করতে বলেন?

উনি ﷺ বললেন,
বাসায় বসে থাকবে।
আবি মুসা রা: বলেছেন,
উনি ﷺ আমাদেরকে খুতবা দিলেন এবং বললেন,
সাবধান! তোমাদের পেছনে আধার রাত্রির টুকরার মত ফিতনা আছে।
তখন এক লোক সকালে মু'মিন থাকবে তো সন্ধায় কাফির হবে।
সন্ধায় কাফির থাকলে সকালে মু'মিন হবে।
ঐ সময়ে বসে থাকা লোক দাড়ানো লোকের থেকে ভালো।
দাড়ানো লোক হেটে চলা লোকের থেকে ভালো।
হেটে চলা লোক আরোহী থেকে ভালো।

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো:
আমাদের কি করতে বলেন?

উনি ﷺ বললেন,
বাসায় বসে থাকবে।
2018-02-28 01:53:03 @117.58.242.163
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"ং
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2018-02-21 17:07:03 @58.84.33.65
আসিম আল বাজালি বলেছেন,
: তোমাদের মালামাল থেকে তোমরা মুক্ত হও যখন তোমরা দেখবে
শাবান মাসে একটা নিদর্শন,
রমজানে দুটো হটাৎ প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা,
শাওয়াল মাসে মানুষের দলে দলে বিভক্ত হয়ে যাওয়া,
জিলকদ মাসে যুদ্ধ ও বিশৃংখলা,
আর জিলহজ্জ মাসে ধংশ বা বিচার।।
আসিম আল বাজালি বলেছেন,
: তোমাদের মালামাল থেকে তোমরা মুক্ত হও যখন তোমরা দেখবে
শাবান মাসে একটা নিদর্শন,
রমজানে দুটো হটাৎ প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা,
শাওয়াল মাসে মানুষের দলে দলে বিভক্ত হয়ে যাওয়া,
জিলকদ মাসে যুদ্ধ ও বিশৃংখলা,
আর জিলহজ্জ মাসে ধংশ বা বিচার।।
2018-01-09 14:30:27 @2402:1980:104:460c:c4ba:cb25:5ac:dde7
শাকিক বলেছেন:
হুজাইফা রা: বলেছেন:
আমরা ওমর রা: এর সাথে বসে ছিলাম। উনি জিজ্ঞাসা করলেন:
"তোমাদের মাঝে কে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর ফিতনা সম্পর্কিত হাদিস মুখস্ত করে রেখেছো যেভাবে উনি বলেছিলেন?"

বললাম, "আমি।"

: তুমি তো দুঃসাহসী। কিভাবে?

: আমি শুনেছি রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: একজন মানুষের ফিতনা হলো তার পরিবার, তার মাল, সে নিজে, তার সন্তান আর তার প্রতিবেশি। এর ক্ষমা হলো রোজা আর সদকা।

: আমি এটা জানতে চাইনি। আমি জানতে চাইছি ওটা সম্পর্কে যেটার ঢেউ হবে সমূদ্রের ঢেউয়ের মত।

: তাতে আপনার আর তার কি আমিরুল মু'মিনিন? আপনার আর তার মাঝে একটা দরজা আছে, বন্ধ।

: দরজাটা কি ভাঙ্গা হবে নাকি খুলা হবে?

: না। বরং ভাঙ্গা হবে।

: সেটা হলে, চেস্টা করলেও সেই দরজা আর কখনো বন্ধ করতে পারবে না।

আমরা হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করলাম,
: ওমর রা: কি জানতেন দরজাটা কে?

: হ্যা। যে রকম আমি জানি রাতের পরে দিন। আমি উনাকে এমন হাদিস বর্ননা করেছি যেটাতে প্রশ্ন তোলার মত কিছু ছিলো না।

শাকিক বলছেন:
আমরা ভয় পেলাম হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করতে, ঐ দরজাটা আসলে কে? তাই আমরা মাসরুককে বললাম, আপনি বরং উনাকে জিজ্ঞাসা করেন।

উনি জিজ্ঞাসা করলেন।

হুজাইফা রা: জবাব দিলেন: "ওমর।"
শাকিক বলেছেন:
হুজাইফা রা: বলেছেন:
আমরা ওমর রা: এর সাথে বসে ছিলাম। উনি জিজ্ঞাসা করলেন:
"তোমাদের মাঝে কে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর ফিতনা সম্পর্কিত হাদিস মুখস্ত করে রেখেছো যেভাবে উনি বলেছিলেন?"

বললাম, "আমি।"

: তুমি তো দুঃসাহসী। কিভাবে?

: আমি শুনেছি রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: একজন মানুষের ফিতনা হলো তার পরিবার, তার মাল, সে নিজে, তার সন্তান আর তার প্রতিবেশি। এর ক্ষমা হলো রোজা আর সদকা।

: আমি এটা জানতে চাইনি। আমি জানতে চাইছি ওটা সম্পর্কে যেটার ঢেউ হবে সমূদ্রের ঢেউয়ের মত।

: তাতে আপনার আর তার কি আমিরুল মু'মিনিন? আপনার আর তার মাঝে একটা দরজা আছে, বন্ধ।

: দরজাটা কি ভাঙ্গা হবে নাকি খুলা হবে?

: না। বরং ভাঙ্গা হবে।

: সেটা হলে, চেস্টা করলেও সেই দরজা আর কখনো বন্ধ করতে পারবে না।

আমরা হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করলাম,
: ওমর রা: কি জানতেন দরজাটা কে?

: হ্যা। যে রকম আমি জানি রাতের পরে দিন। আমি উনাকে এমন হাদিস বর্ননা করেছি যেটাতে প্রশ্ন তোলার মত কিছু ছিলো না।

শাকিক বলছেন:
আমরা ভয় পেলাম হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করতে, ঐ দরজাটা আসলে কে? তাই আমরা মাসরুককে বললাম, আপনি বরং উনাকে জিজ্ঞাসা করেন।

উনি জিজ্ঞাসা করলেন।

হুজাইফা রা: জবাব দিলেন: "ওমর।"
2017-12-21 12:57:27 @202.134.13.142
আলী রা: বলেছেন,
এই উম্মার জন্য আল্লাহ তায়ালা পাচটি ফিতনা রেখেছেন।
সর্বসাধারনদের ফিতনা,
এর পর বিশেষ ব্যক্তিদের ফিতনা,
এর পর সর্বসাধারনদের ফিতনা,
এর পর বিশেষ ব্যক্তিদের ফিতনা,
এর পর ঢেউয়ের মত ফিতনা, সমূদ্রের ঢেউয়ের মত।
মানুষ তাতে সাতার কাটবে গরু-ছাগলের মত।
আলী রা: বলেছেন,
এই উম্মার জন্য আল্লাহ তায়ালা পাচটি ফিতনা রেখেছেন।
সর্বসাধারনদের ফিতনা,
এর পর বিশেষ ব্যক্তিদের ফিতনা,
এর পর সর্বসাধারনদের ফিতনা,
এর পর বিশেষ ব্যক্তিদের ফিতনা,
এর পর ঢেউয়ের মত ফিতনা, সমূদ্রের ঢেউয়ের মত।
মানুষ তাতে সাতার কাটবে গরু-ছাগলের মত।
2017-12-18 19:46:39 @116.193.135.208
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলেছেন,
আমরা একসময় রাসুলুল্লাহ ﷺ এর চারদিকে বসা ছিলাম।
উনি ﷺ ফিতনার কথা আলোচনা করলেন বা অন্য কেউ প্রসংগ তুললো।
তিনি ﷺ বললেন,

: যখন দেখবে মানুষ তাদের ওয়াদা ভঙ্গ করছে,
আমানত খিয়ানত করছে,
এবং এই রকম হয়ে গিয়েছে
বলে উনি উনার আংগুলগুলো একে অন্যটার ভেতর ঢুকালেন।

তখন আমি দাড়িয়ে উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম,
: ঐ সময়ে আমি কি করবো? আল্লাহ আমাকে আপনার মুক্তিপন বানান।

উনি ﷺ আমাকে বললেন,
: তখন নিজের বাসায় থাকবে,
নিজের জিহ্বাকে সংযত রাখবে,
যেটা জানো সেটা গ্রহন করবে,
যেটা খারাপ জানো, করো সেটা পরিত্যগ করবে,
তোমার দায়িত্ব শুধু তোমার নিজের বিষয় দেখা,
আর জনসাধারনের কাজ পরিত্যগ করবে।
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলেছেন,
আমরা একসময় রাসুলুল্লাহ ﷺ এর চারদিকে বসা ছিলাম।
উনি ﷺ ফিতনার কথা আলোচনা করলেন বা অন্য কেউ প্রসংগ তুললো।
তিনি ﷺ বললেন,

: যখন দেখবে মানুষ তাদের ওয়াদা ভঙ্গ করছে,
আমানত খিয়ানত করছে,
এবং এই রকম হয়ে গিয়েছে
বলে উনি উনার আংগুলগুলো একে অন্যটার ভেতর ঢুকালেন।

তখন আমি দাড়িয়ে উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম,
: ঐ সময়ে আমি কি করবো? আল্লাহ আমাকে আপনার মুক্তিপন বানান।

উনি ﷺ আমাকে বললেন,
: তখন নিজের বাসায় থাকবে,
নিজের জিহ্বাকে সংযত রাখবে,
যেটা জানো সেটা গ্রহন করবে,
যেটা খারাপ জানো,  সেটা পরিত্যাগ  করবে,
তোমার দায়িত্ব শুধু তোমার নিজের বিষয় দেখা,
আর জনসাধারনের কাজ পরিত্যাগ করবে। 
2017-11-19 18:46:43 @36.255.189.18
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"ং
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"ং
2017-11-19 18:41:31 @36.255.189.18
আবু সাইদ খুদরী রা: লোকদেরকে বলেছেন,
: সাবধান! অন্ধ কতল আর জাহেলিয়াতের উপর মৃত্যু থেকে।
: অন্ধ কতল কি?
: যখন বলা হয় হে অমুকের লোক! হে অমুকের বংশ!
: আর জাহেলিয়াতের মৃত্যু কি?
: তুমি যদি মারা যাও এমন অবস্থায় যে তোমার কোনো ইমাম নেই।
আবু সাইদ খুদরী রা: লোকদেরকে বলেছেন,
: সাবধান! অন্ধ কতল আর জাহেলিয়াতের উপর মৃত্যু থেকে।
: অন্ধ কতল কি?
: যখন বলা হয় হে অমুকের লোক! হে অমুকের বংশ!
: আর জাহেলিয়াতের মৃত্যু কি?
: তুমি যদি মারা যাও এমন অবস্থায় যে তোমার কোনো ইমাম নেই।
2017-11-12 23:35:21 9sirazul@...
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
যখন উসমান রা: উনার কাছে হুকুম পাঠালেন মদিনার দিকে বেরিয়ে যেতে।
তখন মানুষেরা উনার কাছে আসলো।

তারা তাকে বললো:
দাড়ান। আপনি বের হবেন না। আমরা আপনাকে নিষেধ করছি।
উনার কাছ থেকে আপনার কাছে অপছন্দনীয় কিছু আসবে না।

আব্দুল্লাহ বললেন:
শিগ্রি ঘটনা ঘটবে এবং ফিতনা দেখা দিবে।
আমি এটা পছন্দ করি না যে আমি প্রথম এটা খুলবো, অথচ উনি আমার আনুগত্য প্রাপ্য।

মানুষ এর পর একে একে চলে গেল এবং উনি বের হলেন।
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
যখন উসমান রা: উনার কাছে হুকুম পাঠালেন মদিনার দিকে বেরিয়ে যেতে।
তখন মানুষেরা উনার কাছে আসলো।

তারা তাকে বললো:
দাড়ান। আপনি বের হবেন না। আমরা আপনাকে নিষেধ করছি।
উনার কাছ থেকে আপনার কাছে অপছন্দনীয় কিছু আসবে না।

আব্দুল্লাহ বললেন:
শিগ্রি ঘটনা ঘটবে এবং ফিতনা দেখা দিবে।
আমি এটা পছন্দ করি না যে আমি প্রথম এটা খুলবো, অথচ উনি আমার আনুগত্য প্রাপ্য।

মানুষ এর পর একে একে চলে গেল এবং উনি বের হলেন।
2017-11-12 23:34:56 9sirazul@...
সাল্লাম বিন শুরাহবিল বলেছেন,
আবি হারথামা বলেছেন,

উনার ভেড়াটা মল ত্যগ করছিলো। এটা দেখে উনি উনার দাসীকে বললেন,

হে জারদা, এই গোবর গুলো আমাকে একটা হাদিসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে যেটা আমি আমিরুল মু'মিনিনের কাছ থেকে শুনেছিলাম। আমি তখন উনার সাথে কারবালায় ছিলাম। আমরা একটা গাছের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম যার নিচে হরিনের গোবর ছিলো। উনি সেখান থেকে এক মুঠ তুলে নিয়ে এর গন্ধ শুকলেন এবং বললেন,

এর পিঠ থেকে সত্তর হাজার লোক হাশরের ময়দানে উঠে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
সাল্লাম বিন শুরাহবিল বলেছেন,
আবি হারথামা বলেছেন,

উনার ভেড়াটা মল ত্যগ করছিলো। এটা দেখে উনি উনার দাসীকে বললেন,

হে জারদা, এই গোবর গুলো আমাকে একটা হাদিসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে যেটা আমি আমিরুল মু'মিনিনের কাছ থেকে শুনেছিলাম। আমি তখন উনার সাথে কারবালায় ছিলাম। আমরা একটা গাছের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম যার নিচে হরিনের গোবর ছিলো। উনি সেখান থেকে এক মুঠ তুলে নিয়ে এর গন্ধ শুকলেন এবং বললেন,

এর পিঠ থেকে সত্তর হাজার লোক হাশরের ময়দানে উঠে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
2017-11-06 11:00:27 @202.134.13.141
হুজাইফা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন,

ফিতনা দেখা দিবে।
অন্ধ ও বধির হয়ে যাওয়া মানুষদের জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকা হবে।

হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন,

ফিতনা দেখা দিবে
অন্ধ ও বধির হয়ে যাওয়া মানুষদের জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকা হবে।

হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
2017-08-10 23:51:25 @43.245.123.9

হুজাইফা বিন ইয়ামান রা: বলেছেন,

ফিতনা হবে,
মানুষ দাড়িয়ে তার নাকে আঘাত করতে থাকবে যতক্ষন না সেটা চলে যায়।

এর পর আরেকটা ফিতনা হবে
মানুষ দাড়িয়ে তার নাকে আঘাত করতে থাকবে যতক্ষন না সেটা চলে যায়।

এর পর আরেকটা ফিতনা হবে
মানুষ দাড়িয়ে তার নাকে আঘাত করতে থাকবে যতক্ষন না সেটা চলে যায়।

এর পর পঞ্চম ফিতনা হবে, এর আঘাত হবে প্রচন্ড। পৃথিবীতে এমন ভাবে ছড়িয়ে পড়বে যেভাবে পানি ছড়িয়ে পড়ে।

2017-08-08 07:33:41 habib@...

আবি মিজলাজ বলেছেন, এক লোক বলছে,

হে বনু তামিমের বংশধর! উমর বিন খাত্তাব রা: তাদের এক বছর দান করা নিষেধ করে দিয়েছিলেন, এর পরের বছর থেকে উনি নিজের থেকে দান করা আরম্ভ করেন।

2017-08-08 07:33:22 habib@...
আলী ইবনে আবি তালিব রা: বলেছেন,
তোমাদের মাঝে যে সেই জামানা পাবে সে যেন বর্শা দিয়ে আঘাত না করে।
বা তলোয়ার দিয়ে আঘাত না করে।
বা পাথর ছুড়ে না মারে।
বরং সবর করবে, কারন শেষ পুরষ্কার মুত্তাকিদের।
2017-08-08 07:32:59 habib@...
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলেছেন,
ফিতনা দেখা দিবে। আরবদের উপর ফোটায় ফোটায় পড়বে।
সে সময় কতলকারী জাহান্নামে যাবে।
সে সময় জিহ্বা, তলোয়ারের আঘাত থেকেও প্রচন্ড হবে।
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলেছেন,
ফিতনা দেখা দিবে। আরবদের উপর ফোটায় ফোটায় পড়বে।
সে সময় কতলকারী জাহান্নামে যাবে।
সে সময় জিহ্বা, তলোয়ারের আঘাত থেকেও প্রচন্ড হবে।
2017-07-02 10:44:46 @202.191.125.174
মুহাম্মদ বিন মাসলামা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে একটা তলোয়ার দিয়ে বললেন:

এটা দিয়ে তুমি মুশরিকদের কতল কর, যাদের কতল করা হয়।
আর যখন দেখবে মানুষদের একদল অন্যদলকে মারছে -- বা এরকম কোনো কথা বললেন,
তখন এটা নিয়ে তুমি পাথরের কাছে চলে যাও এবং এটা দিয়ে পাথরের উপর মারতে থাকো যতক্ষন না এটা ভেঙ্গে যায়।

এর পর নিজেকে নিজের বাসায় আটকে রাখো যতক্ষন না তোমার কাছে খারাপ কোনো হাত আসে বা মৃত্যুর লিখনি চলে আসে।
মুহাম্মদ বিন মাসলামা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে একটা তলোয়ার দিয়ে বললেন:

এটা দিয়ে তুমি মুশরিকদের কতল কর, যাদের কতল করা হয়।
আর যখন দেখবে মানুষদের একদল অন্যদলকে মারছে -- বা এরকম কোনো কথা বললেন,
তখন এটা নিয়ে তুমি পাথরের কাছে চলে যাও এবং এটা দিয়ে পাথরের উপর মারতে থাকো যতক্ষন না এটা ভেঙ্গে যায়।

এর পর নিজেকে নিজের বাসায় আটকে রাখো যতক্ষন না তোমার কাছে খারাপ কোনো হাত আসে বা মৃত্যুর লিখনি চলে আসে।
2017-06-14 22:46:50 @103.230.106.6
এক ব্যক্তি হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করলো,
: যখন মুসুল্লিদের কতল করা হবে তখন আমি কি করবো?
: নিজের বাসায় ঢুকে যাবে।
: সে যদি আমার বাসায় ঢুকে পড়ে তখন কি করবো?
: বলে দিবে, আমি তোমাকে হত্যা করবো না, আমি রাব্বুল আলামিন আল্লাহকে ভয় করি।
এক ব্যক্তি হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করলো,
: যখন মুসুল্লিদের কতল করা হবে তখন আমি কি করবো?
: নিজের বাসায় ঢুকে যাবে।
: সে যদি আমার বাসায় ঢুকে পড়ে তখন কি করবো?
: বলে দিবে, আমি তোমাকে হত্যা করবো না, আমি রাব্বুল আলামিন আল্লাহকে ভয় করি।
2017-06-05 22:13:49 @220.247.166.121
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"ং
2017-05-14 14:34:37 @119.30.39.165
জাইদ বিন উথাইয়ি বলেছেন:
হুজাইফা রা: বলেছেন,
: তোমরা তখন কি করবে যখন তোমাদের কাছে অন্যে হক চাবে তখন তোমরা তাকে দিয়ে দেবে, কিন্তু তোমাদের হক তোমাদেরকে দিতে তারা আস্বিকার করবে?

লোকেরা জবাব দিলো,
: আমরা সবর করবো।

হুজাইফা রা: বললেন,
: তোমরা প্রবেশ করেছো! কাবার রবের শপথ।
জাইদ বিন উথাইয়ি বলেছেন:
হুজাইফা রা: বলেছেন,
: তোমরা তখন কি করবে যখন তোমাদের কাছে অন্যে হক চাবে তখন তোমরা তাকে দিয়ে দেবে, কিন্তু তোমাদের হক তোমাদেরকে দিতে তারা আস্বিকার করবে?

লোকেরা জবাব দিলো,
: আমরা সবর করবো।

হুজাইফা রা: বললেন,
: তোমরা প্রবেশ করেছো! কাবার রবের শপথ।
2017-05-08 16:15:01 @116.58.202.143
আবু সাইদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
আবু সাইদ রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
2016-08-25 00:56:44 habib@...
আবু সাইদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
আবু সাইদ রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
2016-08-25 00:55:29 habib@...
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2016-08-24 18:08:33 @::1
সায়িদ রা: বলেছেন:
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নি
সায়িদ রা: বলেছেন:
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নাই।
2016-08-24 16:00:58 @::1
সায়িদ বলেছেন যে,
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নি
সায়িদ রা: বলেছেন:
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নি
2016-08-24 15:59:57 @::1
মুসলিম বিন আবি বকর উনার পিতা থেকে বর্ননা করেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

শিগ্রই ফিতনা দেখা দিবে।
ঐ সময় শুয়ে থাকা লোক বসে থাকা লোকের থেকে ভালো হবে।
বসে থাকা লোক দাড়িয়ে থাকা লোকের থেকে ভালো হবে।
দাড়িয়ে থাকা লোক হেটে চলা লোকের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক বাহনে চলা লোকের থেকে ভালো হবে।

তখন একজন জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ: ঐ সময়ে আমাদের কি করতে বলেন?

উনি ﷺ বললেন:
ঐ সময়ে, যার উট আছে সে যেন তার উটের সাথে থাকে।
যার ভেড়া আছে সে যেন তার ভেড়ার সাথে থাকে।
যার জমি আছে সে যেন তার জমির সাথে থাক।

যার এগুলো কিছুই নেই সে যেন তার তলোয়ার নিয়ে বেরিয়ে যায়।
এর পর ধারালো দিক দিয়ে পাথরের উপর আঘাত করতে থাকে।
এর পর যখন পালাতে পারবে তখন যেন পালিয়া যায়।
মুসলিম বিন আবি বকর উনার পিতা থেকে বর্ননা করেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

শিগ্রই ফিতনা দেখা দিবে।
ঐ সময় শুয়ে থাকা লোক বসে থাকা লোকের থেকে ভালো হবে।
বসে থাকা লোক দাড়িয়ে থাকা লোকের থেকে ভালো হবে।
দাড়িয়ে থাকা লোক হেটে চলা লোকের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক বাহনে চলা লোকের থেকে ভালো হবে।

তখন একজন জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ: ঐ সময়ে আমাদের কি করতে বলেন?

উনি ﷺ বললেন:
ঐ সময়ে, যার উট আছে সে যেন তার উটের সাথে থাকে।
যার ভেড়া আছে সে যেন তার ভেড়ার সাথে থাকে।
যার জমি আছে সে যেন তার জমির সাথে থাকে।

যার এগুলো কিছুই নেই সে যেন তার তলোয়ার নিয়ে বেরিয়ে যায়।
এর পর ধারালো দিক দিয়ে পাথরের উপর আঘাত করতে থাকে।
এর পর যখন পালাতে পারবে তখন যেন পালিয়া যায়।
2016-08-24 15:59:25 @::1

Execution time: 0.12 render + 0.01 s transfer.