Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
৩৬৯৪৫
2019-12-29 00:25:37 @141.0.9.208
আব্দুল্লাহ রা: এর কাছে এক লোক এসে জিজ্ঞাসা করলেন:
: আমরা কখন পথ ভ্রস্ট হবো?
: যখন তোমাদের এমন আমির হবে যাদের অনুসরন করলে তারা তোমাদের পথভ্রস্ট করবে। এবং তাদের আবাধ্যতা করলে তারা তোমাদের কতল করবে।
আব্দুল্লাহ রা: এর কাছে এক লোক এসে জিজ্ঞাসা করলেন:
: আমরা কখন পথ ভ্রস্ট হবো?
: যখন তোমাদের এমন আমির হবে যাদের অনুসরন করলে তারা তোমাদের পথভ্রস্ট করবে। এবং তাদের আবাধ্যতা করলে তারা তোমাদের কতল করবে।
2019-11-17 15:42:20 @103.216.57.198
আসমা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার মদিনার উচু ঘরগুলোর মাঝে একটা উচু ঘরে দাড়ালেন এবং বললেন,
তোমরা কি দেখছো যা আমি দেখছি?
আমি ফিতনার দেখছি তোমাদের বাসাগুলোর মাঝ দিয়ে পড়ছে, যেমন করে বৃস্টি ঐ জায়গায় পড়ে।
আসমা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার মদিনার উচু ঘরগুলোর মাঝে একটা উচু ঘরে দাড়ালেন ঋদ্ধএবং বললেন,
তোমরা কি দেখছো যা আমি দেখছি?
আমি ফিতনার দেখছি তোমাদের বাসাগুলোর মাঝ দিয়ে পড়ছে, যেমন করে বৃস্টি ঐ জায়গায় পড়ে।
2019-11-10 16:37:58 @103.242.22.250
কুরযি বিন আলকামা আল-খুজাই বলেছেন:
এক লোক বললেন:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, ইসলামের কি সমাপ্তি আছে?

উনি ﷺ বললেন,
: হ্যা। যখন আল্লাহ তায়ালা কোনো আরব বা অনারব কোনো পরিবারের ভালো চান তখন উনি তাদের ইসলামে প্রবেশ করান।
: এর পর?
: এর পর ফিতনা যেটা ছায়ার মত ঢেকে ফেলবে। সে সময়ে সিংহরা গড়িয়ে পড়ে যাবে। তোমাদের এক দল অন্য দলের গলায় আঘাত করবে।

সিংহ হলো: জীবিত লোক যারা জেগে উঠবে, এর পর আবার গড়িয়ে পড়বে।
কুরযি বিন আলকামা আল-খুজাই বলেছেন:
এক লোক বললেন:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, ইসলামের কি সমাপ্তি আছে?

উনি ﷺ বললেন,
: হ্যা। যখন আল্লাহ তায়ালা কোনো আরব বা অনারব কোনো পরিবারের ভালো চান তখন উনি তাদের ইসলামে প্রবেশ করান।
: এর পর?
: এর পর ফিতনা যেটা ছায়ার মত ঢেকে ফেলবে। সে সময়ে সিংহরা গড়িয়ে পড়ে যাবে। তোমাদের এক দল অন্য দলের গলায় আঘাত করবে।

সিংহ হলো: জীবিত লোক যারা জেগে উঠবে, এর পর আবার গড়িয়ে পড়বে।
2019-11-10 16:37:45 @103.242.22.250
আবু জর রা: বলছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন
: হে আবু যর। যখন তুমি দেখবে মানুষ একে অন্যকে কতল করছে এমন কি "হিজারাতু জাইত" পর্যন্ত রক্তে ডুবে গিয়েছে তখন তুমি কি করবে?
: আল্লাহ আর উনার রাসুল ভালো জানেন।
: তুমি নিজের বাসায় ঢুকে যাবে।
: আমি কি অস্ত্র বহন করবো না?
: যদি এটা তোমার বিষয় হয়।
: তখন আমি কি করবো, ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ ?
: যদি ভয় পাও সূর্যরশ্মি তোমাকে পরাজিত করছে তবে তোমার জামার অংশ দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলবে। সে তোমার আর তার নিজের পাপের বোঝা নেবে।
আবু জর রা: বলছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন
: হে আবু যর। যখন তুমি দেখবে মানুষ একে অন্যকে কতল করছে এমন কি "হিজারাতু জাইত" পর্যন্ত রক্তে ডুবে গিয়েছে তখন তুমি কি করবে?
: আল্লাহ আর উনার রাসুল ভালো জানেন।
: তুমি নিজের বাসায় ঢুকে যাবে।
: আমি কি অস্ত্র বহন করবো না?
: যদি এটা তোমার বিষয় ।
: তখন আমি কি করবো, ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ ?
: যদি ভয় পাও সূর্যরশ্মি তোমাকে পরাজিত করছে তবে তোমার জামার অংশ দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলবে। সে তোমার আর তার নিজের পাপের বোঝা নেবে। মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা-36424
2019-11-02 12:58:12 @45.249.102.24
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:26 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:26 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:26 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:26 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:26 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:25 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:25 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:25 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:25 @103.67.156.225
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
2019-10-30 20:37:54 @103.67.156.225
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
2019-10-30 20:37:54 @103.67.156.225
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
2019-10-30 20:37:54 @103.67.156.225
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
2019-10-30 20:37:54 @103.67.156.225
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
2019-10-30 20:37:53 @103.67.156.225
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
2019-10-30 20:37:53 @103.67.156.225
ইবনে আমর রা: বলেছেন:
যখন দেখবে কুরাইশরা ঘর ভেঙ্গে ফেলছে,
এবং এর পর আবার বানাচ্ছে এবং সুসজ্জিত করছে,
তাহলে তুমি মরে যেতে পারলে মরে যেও।
ইবনে আমর রা: বলেছেন:
যখন দেখবে কুরাইশরা ঘর ভেঙ্গে ফেলছে,
এবং এর পর আবার বানাচ্ছে এবং সুসজ্জিত করছে,
তাহলে তুমি মরে যেতে পারলে মরে যেও।
2019-10-29 19:27:54 @103.135.78.180
সালমান বিন রাবী বলেছেন:
উমর রা: বলেছেন,
: শিগ্রই আমির আর কর্মিদের অবির্ভাব হবে। তাদের নৈকট্য হবে ফিতনা। তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া হবে কুফর।

আমি বললাম,
: আল্লাহু আকবার! আরেকবার বলেন হে আমিরুল মু'মিনিন। আমি বুঝতে পরি নি।

উনি আবার একই কথা বললেন।

সালমান বিন রাবী বলেন,
: আল্লাহ বলেছেন, ফিতনা কতলের থেকেও খারাপ, সুরা বাকারা - ১৯১। আর ফিতনা আমার কাছে কতলের থেকে প্রীয়।
সালমান বিন রাবী বলেছেন:
উমর রা: বলেছেন,
: শিগ্রই আমির আর কর্মিদের অবির্ভাব হবে। তাদের নৈকট্য হবে ফিতনা। তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া হবে কুফর।

আমি বললাম,
: আল্লাহু আকবার! আরেকবার বলেন হে আমিরুল মু'মিনিন। আমি বুঝতে পরি নি।

উনি আবার একই কথা বললেন।

সালমান বিন রাবী বলেন,
: আল্লাহ বলেছেন, ফিতনা কতলের থেকেও খারাপ, সুরা বাকারা - ১৯১। আর ফিতনা আমার কাছে কতলের থেকে প্রীয়।
2019-10-29 18:51:03 @103.135.78.180
আবি বুরদাহ বলছেন,
মুহাম্মাদ ইবনে মুসলেমা রা: এর ঘরে গিয়ে আমি বললাম,
: আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন। এই সময় আপনি ঘরে আছেন। আপনি কেন মানুষের কাছে গিয়ে সৎ কাজের আদেশ আর অসৎ কাজের নিষেধ করছেন না?

উনি বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
অতি সত্বর ফিতনা, বিভাজন আর দ্বিমত দেখা দিবে। এরকম হলে তুমি তোমার তলোয়ার নিয়ে উহুদ পাহাড়ে চলে যাবে। এর পর এটা মারতে থাকবে যতক্ষন না তলোয়ার ভেঙ্গে যায়। এর পর বাসায় বসে থাকবে যতক্ষনা না তোমার কাছে কোনো অপরাধীর হাত অথবা মৃত্যুর লিখনি আসে।

এখন এটা হয়েছে। এজন্য আমাকে রাসুলুল্লাহ ﷺ যা করতে বলেছেন সেটা করেছি।
আবি বুরদাহ বলছেন,
মুহাম্মাদ ইবনে মুসলেমা রা: এর ঘরে গিয়ে আমি বললাম,
: আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন। এই সময় আপনি ঘরে আছেন। আপনি কেন মানুষের কাছে গিয়ে সৎ কাজের আদেশ আর অসৎ কাজের নিষেধ করছেন না?

উনি বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
অতি সত্বর ফিতনা, বিভাজন আর দ্বিমত দেখা দিবে। এরকম হলে তুমি তোমার তলোয়ার নিয়ে উহুদ পাহাড়ে চলে যাবে। এর পর এটা মারতে থাকবে যতক্ষন না তলোয়ার ভেঙ্গে যায়। এর পর বাসায় বসে থাকবে যতক্ষনা না তোমার কাছে কোনো অপরাধীর হাত অথবা মৃত্যুর লিখনি আসে।

এখন এটা হয়েছে। এজন্য আমাকে রাসুলুল্লাহ ﷺ যা করতে বলেছেন সেটা করেছি।
2019-10-29 18:40:23 @103.135.78.180
আবি বুরদাহ বলছেন,
মুহাম্মাদ ইবনে মুসলেমা রা: এর ঘরে গিয়ে আমি বললাম,
: আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন। এই সময় আপনি ঘরে আছেন। আপনি কেন মানুষের কাছে গিয়ে সৎ কাজের আদেশ আর অসৎ কাজের নিষেধ করছেন না?

উনি বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
অতি সত্বর ফিতনা, বিভাজন আর দ্বিমত দেখা দিবে। এরকম হলে তুমি তোমার তলোয়ার নিয়ে উহুদ পাহাড়ে চলে যাবে। এর পর এটা মারতে থাকবে যতক্ষন না তলোয়ার ভেঙ্গে যায়। এর পর বাসায় বসে থাকবে যতক্ষনা না তোমার কাছে কোনো অপরাধীর হাত অথবা মৃত্যুর লিখনি আসে।

এখন এটা হয়েছে। এজন্য আমাকে রাসুলুল্লাহ ﷺ যা করতে বলেছেন সেটা করেছি।
আবি বুরদাহ বলছেন,
মুহাম্মাদ ইবনে মুসলেমা রা: এর ঘরে গিয়ে আমি বললাম,
: আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন। এই সময় আপনি ঘরে আছেন। আপনি কেন মানুষের কাছে গিয়ে সৎ কাজের আদেশ আর অসৎ কাজের নিষেধ করছেন না?

উনি বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
অতি সত্বর ফিতনা, বিভাজন আর দ্বিমত দেখা দিবে। এরকম হলে তুমি তোমার তলোয়ার নিয়ে উহুদ পাহাড়ে চলে যাবে। এর পর এটা মারতে থাকবে যতক্ষন না তলোয়ার ভেঙ্গে যায়। এর পর বাসায় বসে থাকবে যতক্ষনা না তোমার কাছে কোনো অপরাধীর হাত অথবা মৃত্যুর লিখনি আসে।

এখন এটা হয়েছে। এজন্য আমাকে রাসুলুল্লাহ ﷺ যা করতে বলেছেন সেটা করেছি।
2019-10-29 18:39:32 @103.135.78.180
হুজাইফা রা: আমাদের বললেন,
: তখন তোমাদের কি হবে যখন আল্লাহ তায়ালা উম্মতে মুহাম্মদিকে ﷺ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন?
এক লোক বললো,
: আমারা অস্বিকার করলেও উনি দেয়া বন্ধ করে দেন না। আর আল্লাহ উম্মতে মুহাম্মদকে ﷺ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন?
: আল্লাহর কাছে মশার পাখা সমান দামও যার নেই, সেও যখন উনার উত্তরাধিকার পায় সেটা দেখেছো? উম্মতে মুহাম্মদি ﷺ কে আল্লাহ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন ঐ দিনে এটি কি এখন বিশ্বাস হয়?
হুজাইফা রা: আমাদের বললেন,
: তখন তোমাদের কি হবে যখন আল্লাহ তায়ালা উম্মতে মুহাম্মদিকে ﷺ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন?
এক লোক বললো,
: আমারা অস্বিকার করলেও উনি দেয়া বন্ধ করে দেন না। আর আল্লাহ উম্মতে মুহাম্মদকে ﷺ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন?
: আল্লাহর কাছে মশার পাখা সমান দামও যার নেই, সেও যখন উনার উত্তরাধিকার পায় সেটা দেখেছো? উম্মতে মুহাম্মদি ﷺ কে আল্লাহ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন ঐ দিনে এটি কি এখন বিশ্বাস হয়?
2019-10-29 18:36:30 @103.135.78.180
আবি ইদরিস রা: বলেছেন:
ফিতনা হবে যেগুলোর ছায়া হবে গরুর চেহারার মত। অধিকাংশ মানুষ তাতে পড়ে ধ্বংশ হয়ে যাবে।
যারা আগেই এটাকে চিনবে তারা ছাড়া।
আবি ইদরিস রা: বলেছেন:
ফিতনা হবে যেগুলোর ছায়া হবে গরুর চেহারার মত। অধিকাংশ মানুষ তাতে পড়ে ধ্বংশ হয়ে যাবে।
যারা আগেই এটাকে চিনবে তারা ছাড়া।
2019-10-29 18:35:27 @103.135.78.180
ইবনে মাসউদ রা: আমাদের এগিয়ে নিয়ে চললেন। এর পর কাদিসিয়ার রাস্তায় নামলেন। বুস্তান শহরে প্রবেশ করলেন। উনার হাজত পূর্ন করলেন। এর পর উনি ওজু করলেন এবং মুজার উপর মসেহ করলেন। এর পর বের হলেন। উনার দাড়ি থেকে ফোটা ফোটা পানি পড়ছিলো।

আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের সমাধান দিন। মানুষ ফিতনাতে পড়ে যাচ্ছে, এই দিকে আমরা আপনার সাক্ষাৎ পবো নাকি পাবো না সেটা জানি না।

উনি বললেন,
: আল্লাহকে ভয় করো। এবং সবর কর। যতক্ষন না বিপদ চলে যায়। অথবা অসৎ লোকদের থেকে পরিত্রান পাও। আর তোমাদের উপর হুকুম জামাতের সংগে থাকা। কারন আল্লাহ মুহাম্মদ ﷺ এর উম্মতকে পথভ্রস্টতার উপর জামাতবদ্ধ করেন না।
ইবনে মাসউদ রা: আমাদের এগিয়ে নিয়ে চললেন। এর পর কাদিসিয়ার রাস্তায় নামলেন। বুস্তান শহরে প্রবেশ করলেন। উনার হাজত পূর্ন করলেন। এর পর উনি ওজু করলেন এবং মুজার উপর মসেহ করলেন। এর পর বের হলেন। উনার দাড়ি থেকে ফোটা ফোটা পানি পড়ছিলো।

আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের সমাধান দিন। মানুষ ফিতনাতে পড়ে যাচ্ছে, এই দিকে আমরা আপনার সাক্ষাৎ পবো নাকি পাবো না সেটা জানি না।

উনি বললেন,
: আল্লাহকে ভয় করো। এবং সবর কর। যতক্ষন না বিপদ চলে যায়। অথবা অসৎ লোকদের থেকে পরিত্রান পাও। আর তোমাদের উপর হুকুম জামাতের সংগে থাকা। কারন আল্লাহ মুহাম্মদ ﷺ এর উম্মতকে পথভ্রস্টতার উপর জামাতবদ্ধ করেন না।
2019-10-29 18:33:43 @103.135.78.180
জারির বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন,
: মানুষ শান্ত হোক।
এর পর মানুষ শান্ত হলে বললেন,
: আমি তোমাদের আশংকা জানাচ্ছি যেটা আমি ভবিষ্যতে দেখছি। তোমরা আমার পরে কুফরিতে ফিরে যাবে। এক দল লোক অন্য দলের গলায় আঘাত করে।
জারির বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন,
: মানুষ শান্ত হোক।
এর পর মানুষ শান্ত হলে বললেন,
: আমি তোমাদের আশংকা জানাচ্ছি যেটা আমি ভবিষ্যতে দেখছি। তোমরা আমার পরে কুফরিতে ফিরে যাবে। এক দল লোক অন্য দলের গলায় আঘাত করে।
2019-10-29 15:50:54 @103.135.78.180
হুজাইফা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন,

ফিতনা দেখা দিবে
অন্ধ ও বধির হয়ে যাওয়া মানুষদের জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকা হবে।

হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন,

ফিতনা দেখা দিবে
অন্ধ ও বধির হয়ে যাওয়া মানুষদের জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকা হবে।
হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
2019-10-29 00:15:35 @103.135.78.180
সাইদ বিন যাইদ রা: বলেছেন:
আমরা নবী ﷺ এর সংগে বসে ছিলাম।
উনি ফিতনার কথা আলোচনা করলেন এবং ঐ সময়ের বিপদের প্রচন্ডতা বর্ননা করলেন।

আমরা বললাম:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, যদি এটা আমরা পাই তাহলে এটা তো আমাদের ধংশ করে দেবে।

উনি বললেন:
না! বরং, কতল হয়ে যাওয়া তোমাদের জন্য যথেষ্ট।

সাইদ রা: বলছেন:
আমি দেখেছি আমার ভাইদের কতল হয়ে যেতে।
সাইদ বিন যাইদ রা: বলেছেন:
আমরা নবী ﷺ এর সংগে বসে ছিলাম।
উনি ফিতনার কথা আলোচনা করলেন এবং ঐ সময়ের বিপদের প্রচন্ডতা বর্ননা করলেন।
আমরা বললাম:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, যদি এটা আমরা পাই তাহলে এটা তো আমাদের ধংশ করে দেবে।

উনি বললেন:
না! বরং, কতল হয়ে যাওয়া তোমাদের জন্য যথেষ্ট।

সাইদ রা: বলছেন:
আমি দেখেছি আমার ভাইদের কতল হয়ে যেতে।
2019-10-29 00:10:51 @103.135.78.180
কুরযি বিন আলকামা আল-খুজাই বলেছেন:
এক লোক বললেন:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, ইসলামের কি সমাপ্তি আছে?

উনি ﷺ বললেন,
: হ্যা। যখন আল্লাহ তায়ালা কোনো আরব বা অনারব কোনো পরিবারের ভালো চান তখন উনি তাদের ইসলামে প্রবেশ করান।
: এর পর?
: এর পর ফিতনা যেটা ছায়ার মত ঢেকে ফেলবে। সে সময়ে সিংহরা গড়িয়ে পড়ে যাবে। তোমাদের এক দল অন্য দলের গলায় আঘাত করবে।

সিংহ হলো: জীবিত লোক যারা জেগে উঠবে, এর পর আবার গড়িয়ে পড়বে।
কুরযি বিন আলকামা আল-খুজাই বলেছেন:
এক লোক বললেন:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, ইসলামের কি সমাপ্তি আছে?

উনি ﷺ বললেন,
: হ্যা। যখন আল্লাহ তায়ালা কোনো আরব বা অনারব কোনো পরিবারের ভালো চান তখন উনি তাদের ইসলামে প্রবেশ করান।
: এর পর?
: এর পর ফিতনা যেটা ছায়ার মত ঢেকে ফেলবে। সে সময়ে সিংহরা গড়িয়ে পড়ে যাবে। তোমাদের এক দল অন্য দলের গলায় আঘাত করবে।

সিংহ হলো: জীবিত লোক যারা জেগে উঠবে, এর পর আবার গড়িয়ে পড়বে।
2019-10-29 00:01:07 @103.135.78.180
কুরযি বিন আলকামা আল-খুজাই বলেছেন:
এক লোক বললেন:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, ইসলামের কি সমাপ্তি আছে?

উনি ﷺ বললেন,
: হ্যা। যখন আল্লাহ তায়ালা কোনো আরব বা অনারব কোনো পরিবারের ভালো চান তখন উনি তাদের ইসলামে প্রবেশ করান।
: এর পর?
: এর পর ফিতনা যেটা ছায়ার মত ঢেকে ফেলবে। সে সময়ে সিংহরা গড়িয়ে পড়ে যাবে। তোমাদের এক দল অন্য দলের গলায় আঘাত করবে।

সিংহ হলো: জীবিত লোক যারা জেগে উঠবে, এর পর আবার গড়িয়ে পড়বে।
কুরযি বিন আলকামা আল-খুজাই বলেছেন:
এক লোক বললেন:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, ইসলামের কি সমাপ্তি আছে?

উনি ﷺ বললেন,
: হ্যা। যখন আল্লাহ তায়ালা কোনো আরব বা অনারব কোনো পরিবারের ভালো চান তখন উনি তাদের ইসলামে প্রবেশ করান।
: এর পর?
: এর পর ফিতনা যেটা ছায়ার মত ঢেকে ফেলবে। সে সময়ে সিংহরা গড়িয়ে পড়ে যাবে। তোমাদের এক দল অন্য দলের গলায় আঘাত করবে।

সিংহ হলো: জীবিত লোক যারা জেগে উঠবে, এর পর আবার গড়িয়ে পড়বে।
2019-10-29 00:01:07 @103.135.78.180
কুরযি বিন আলকামা আল-খুজাই বলেছেন:
এক লোক বললেন:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, ইসলামের কি সমাপ্তি আছে?

উনি ﷺ বললেন,
: হ্যা। যখন আল্লাহ তায়ালা কোনো আরব বা অনারব কোনো পরিবারের ভালো চান তখন উনি তাদের ইসলামে প্রবেশ করান।
: এর পর?
: এর পর ফিতনা যেটা ছায়ার মত ঢেকে ফেলবে। সে সময়ে সিংহরা গড়িয়ে পড়ে যাবে। তোমাদের এক দল অন্য দলের গলায় আঘাত করবে।

সিংহ হলো: জীবিত লোক যারা জেগে উঠবে, এর পর আবার গড়িয়ে পড়বে।
কুরযি বিন আলকামা আল-খুজাই বলেছেন:
এক লোক বললেন:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, ইসলামের কি সমাপ্তি আছে?

উনি ﷺ বললেন,
: হ্যা। যখন আল্লাহ তায়ালা কোনো আরব বা অনারব কোনো পরিবারের ভালো চান তখন উনি তাদের ইসলামে প্রবেশ করান।
: এর পর?
: এর পর ফিতনা যেটা ছায়ার মত ঢেকে ফেলবে। সে সময়ে সিংহরা গড়িয়ে পড়ে যাবে। তোমাদের এক দল অন্য দলের গলায় আঘাত করবে।

সিংহ হলো: জীবিত লোক যারা জেগে উঠবে, এর পর আবার গড়িয়ে পড়বে।
2019-10-29 00:01:06 @103.135.78.180
আবু জর রা: বলছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন
: হে আবু যর। যখন তুমি দেখবে মানুষ একে অন্যকে কতল করছে এমন কি "হিজারাতু জাইত" পর্যন্ত রক্তে ডুবে গিয়েছে তখন তুমি কি করবে?
: আল্লাহ আর উনার রাসুল ভালো জানেন।
: তুমি নিজের বাসায় ঢুকে যাবে।
: আমি কি অস্ত্র বহন করবো না?
: যদি এটা তোমার বিষয় হয়।
: তখন আমি কি করবো, ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ ?
: যদি ভয় পাও সূর্যরশ্মি তোমাকে পরাজিত করছে তবে তোমার জামার অংশ দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলবে। সে তোমার আর তার নিজের পাপের বোঝা নেবে।
আবু জর রা: বলছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন
: হে আবু যর। যখন তুমি দেখবে মানুষ একে অন্যকে কতল করছে এমন কি "হিজারাতু জাইত" পর্যন্ত রক্তে ডুবে গিয়েছে তখন তুমি কি করবে?
: আল্লাহ আর উনার রাসুল ভালো জানেন।
: তুমি নিজের বাসায় ঢুকে যাবে।
: আমি কি অস্ত্র বহন করবো না?
: যদি এটা তোমার বিষয় হয়।
: তখন আমি কি করবো, ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ ?
: যদি ভয় পাও সূর্যরশ্মি তোমাকে পরাজিত করছে তবে তোমার জামার অংশ দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলবে। সে তোমার আর তার নিজের পাপের বোঝা নেবে।
2019-10-28 23:59:28 @103.135.78.180
হুজাইফা রা: বলেছেন,
ফিতনা হবে।
থামবে, আবার আরম্ভ হবে।
তুমি যদি এটা থেমে থাকার সময়ে মরে যেতে পারো, তবে তাই করো।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
ফিতনা হবে।
থামবে, আবার আরম্ভ হবে।
তুমি যদি এটা থেমে থাকার সময়ে মরে যেতে পারো, তবে তাই করো।
2019-09-18 22:00:50 @103.115.26.76
হুজাইফা রা: বলেছেন,
ফিতনা হবে।
থামবে, আবার আরম্ভ হবে।
তুমি যদি এটা থেমে থাকার সময়ে মরে যেতে পারো, তবে তাই করো।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
ফিতনা হবে।
থামবে, আবার আরম্ভ হবে।
তুমি যদি এটা থেমে থাকার সময়ে মরে যেতে পারো, তবে তাই করো।
2019-09-18 22:00:49 @103.115.26.76
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, একজন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
2019-08-29 00:37:15 @103.25.248.250
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও।
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও
2019-08-18 12:13:34 zulfeqar7740@...
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও।
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও
2019-08-18 12:13:32 zulfeqar7740@...
সালমান বিন রাবী বলেছেন:
উমর রা: বলেছেন,
: শিগ্রই আমির আর কর্মিদের অবির্ভাব হবে। তাদের নৈকট্য হবে ফিতনা। তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া হবে কুফর।

আমি বললাম,
: আল্লাহু আকবার! আরেকবার বলেন হে আমিরুল মু'মিনিন। আমি বুঝতে পরি নি।

উনি আবার একই কথা বললেন।

সালমান বিন রাবী বলেন,
: আল্লাহ বলেছেন, ফিতনা কতলের থেকেও খারাপ, সুরা বাকারা - ১৯১। আর ফিতনা আমার কাছে কতলের থেকে প্রীয়।
সালমান বিন রাবী বলেছেন:
উমর রা: বলেছেন,
: শিগ্রই আমির আর কর্মিদের অবির্ভাব হবে। তাদের নৈকট্য হবে ফিতনা। তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া হবে কুফর।

আমি বললাম,
: আল্লাহু আকবার! আরেকবার বলেন হে আমিরুল মু'মিনিন। আমি বুঝতে পরি নি।

উনি আবার একই কথা বললেন।

সালমান বিন রাবী বলেন,
: আল্লাহ বলেছেন, ফিতনা কতলের থেকেও খারাপ, সুরা বাকারা - ১৯১। আর ফিতনা আমার কাছে কতলের থেকে প্রীয়।
2019-08-10 12:02:04 @103.139.164.9

Execution time: 0.05 render + 0.00 s transfer.