Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
সায়িদ বলেছেন যে,
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নি
সায়িদ বলেছেন যে,
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নি
2017-02-17 13:20:32 sumonmiasu@...
মুসলিম বিন আবি বকর উনার পিতা থেকে বর্ননা করেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

শিগ্রই ফিতনা দেখা দিবে।
ঐ সময় শুয়ে থাকা লোক বসে থাকা লোকের থেকে ভালো হবে।
বসে থাকা লোক দাড়িয়ে থাকা লোকের থেকে ভালো হবে।
দাড়িয়ে থাকা লোক হেটে চলা লোকের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক বাহনে চলা লোকের থেকে ভালো হবে।

তখন একজন জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ: ঐ সময়ে আমাদের কি করতে বলেন?

উনি ﷺ বললেন:
ঐ সময়ে, যার উট আছে সে যেন তার উটের সাথে থাকে।
যার ভেড়া আছে সে যেন তার ভেড়ার সাথে থাকে।
যার জমি আছে সে যেন তার জমির সাথে থাক।

যার এগুলো কিছুই নেই সে যেন তার তলোয়ার নিয়ে বেরিয়ে যায়।
এর পর ধারালো দিক দিয়ে পাথরের উপর আঘাত করতে থাকে।
এর পর যখন পালাতে পারবে তখন যেন পালিয়া যায়।
2017-02-17 08:28:55 @210.48.217.8
আব্দুল্লাহ বিন ওমর রা: বলেছেন,
মূর্তির চারদিকে মহিলাদের পেছন ঘুরার পুর্ব পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না।
আব্দুল্লাহ বিন ওমর রা: বলেছেন,
মূর্তির চারদিকে মহিলাদের নিতম্ভ ঘুরার পুর্ব পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না।
2017-01-01 17:52:38 habib@...
আব্দুল্লাহ বিন ওমর রা: বলেছেন,
মূর্তির চারদিকে মহিলাদের পিঠ ঘুরার পুর্ব পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না।
আব্দুল্লাহ বিন ওমর রা: বলেছেন,
মূর্তির চারদিকে মহিলাদের পেছন ঘুরার পুর্ব পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না।
2017-01-01 17:52:29 habib@...
আব্দুল্লাহ বিন ওমর রা: বলেছেন,
মূর্তির চারদিকে মহিলাদের পিঠ ঘুরার পুর্ব পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না।
2017-01-01 17:50:35 habib@...
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে।
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে।
2016-12-07 12:44:15 @92.99.226.233
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2016-11-13 08:07:49 @160.202.144.254
হুজাইফা রা: বলেছেন,
যে জামাত থেকে এক হাত দূরে চলে গেলো, সে নিজের গলা থেকে ইসলামের বেড়িকে খুলে ফেললো।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
যে জামাত থেকে এক হাত দূরে চলে গেলো, সে নিজের গলা থেকে ইসলামের বেড়িকে খুলে ফেললো।
2016-10-16 19:44:03 @210.48.222.13
উবাদহ ইবনে সাবিত লোকদের বলেছেন:
: আমি যাকে ভালোবাসি তার জন্য আমি কামনা করি মালে স্বল্পতা আর দ্রুত মৃত্যু।

লোকেরা বললো,
: ভালোবাসার পাত্রের জন্য এটা কি ধরনের আকাংখা?
: আমি ভয় পাই যদি তোমাদের হায়াত দীর্ঘ হয় তবে যদি তাদেরকে তোমরা অনুসরন করো তবে তোমরা আগুনে প্রবেশ করবে, আর যদি তাদের বিরোধিতা কর তবে তোমাদের কতল করা হবে।
: আমাদের বলুন তারা কে? আমরা তাদের চোখ কানা করে দেবো অথবা আমরা তাদের মুখে মাটি মাখিয়ে দেবো।
: যদি তুমি তাদের পাও তবে তারাই তোমার চোখ কানা করে দেবে, এবং তোমাদের মুখে মাটি লাগিয়ে দেবে।
উবাদহ ইবনে সাবিত লোকদের বলেছেন:
: আমি যাকে ভালোবাসি তার জন্য আমি কামনা করি মালে স্বল্পতা আর দ্রুত মৃত্যু।
লোকেরা বললো,
: ভালোবাসার পাত্রের জন্য এটা কি ধরনের আকাংখা?
উনি বললেন,
: আমি ভয় পাই যে, যদি তোমাদের হায়াত দীর্ঘ হয় তবে, তোমরা এমন লোক পাবে, যাদের অনুসরন করলে তোমরা আগুনে প্রবেশ করবে, আর বিরোধিতা করলে তোমাদের কতল করা হবে।
: আমাদের বলুন তারা কে? তাদের চোখ আমরা কানা করে দেবো, অথবা তাদের মুখে মাটি মাখিয়ে দেবো।
: তুমি তাদের পেলে, তারাই তোমার চোখ কানা করে দেবে, আর তোমাদের মুখে মাটি লাগিয়ে দেবে।
2016-08-25 21:18:47 habib@...
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
আরবদের ধ্বংশ নিকটবর্তি এই খারাপ জিনিসটার কারনে: যুবক ছেলেদের আমির হওয়া।
যদি তাদের আনুগত্য করে তবে তাদের আগুনে প্রবেশ করিয়ে দেবে।
আর যদি তাদের বিরোধিতা করে তবে তাদের গলা কেটে ফেলবে।
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
আরবদের ধ্বংশ নিকটবর্তি এই খারাপ জিনিসটার কারনে -- যুবক ছেলেদের আমির হওয়া।
যদি তাদের আনুগত্য করে তবে তাদের আগুনে প্রবেশ করিয়ে দেবে।
আর যদি তাদের বিরোধিতা করে তবে তাদের গলা কেটে ফেলবে।
2016-08-25 21:15:01 habib@...
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
: আল্লার কাছে আশ্রয় চাও, নেতৃত্বে সত্তর থেকে। আর আমির অল্প বয়সী ছেলেদের থেকে।
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
: আল্লার কাছে আশ্রয় চাও, নেতৃত্বে সত্তর থেকে। আর অল্প বয়সী ছেলেদের আমির হওয়া থেকে।
2016-08-25 21:14:37 habib@...
আলী রা: বলেছেন
: আমি যেন দেখতে পাচ্ছি হাবশার সেই লোককে, টাক মাথা, চ্যপ্টা ছোটো কান, চিকন পা এর উপর বসে আছে এবং একে ভাঙ্গছে।
আলী রা: বলেছেন
: আমি যেন দেখতে পাচ্ছি হাবশার সেই লোককে, টাক মাথা, চ্যপ্টা ছোটো কান, চিকন পা -- এর উপর বসে আছে এবং একে ভাঙ্গছে।
2016-08-25 21:12:24 habib@...
মুজাহিদ বলেছেন:
ইবনে জুবাইর রা: যখন সেটা ভাঙ্গার সময় একত্রিত হন, তখন আমরা তিনজন মিনায় বেরিয়ে যাই, এবং আযাবের অপেক্ষা করতে থাকি।
মুজাহিদ বলেছেন:
ইবনে জুবাইর রা: যখন সেটা ভাঙ্গার সময় একত্রিত হন, তখন আমরা তিনজন মিনায় বেরিয়ে যাই, এবং আযাবের জন্য অপেক্ষা করতে থাকি।
2016-08-25 21:12:01 habib@...
আবু জিনাদ বলেছেন:
আমি তখন গোলাম ছিলাম। আমি আমার মালিকের সাথে বের হলাম। ভিড় ঠেলে হুজাইফা রা: এর কাছে গেলাম। উনি তখন বলছিলেন,

: নবী ﷺ এর সমস্ত শিক্ষা থেকে যদি কোনো লোক একটা কথাই বলতে থাকে, তবে সেটা মুনাফেকির দিকে যাবে।
আমি তোমাদের একটি বয়ানে শুনেছি বক্তা চার বার বলেছে: তোমরা সৎ কাজের আদেশ দাও আর অসৎ কাজের নিষেধ কর, এবং একে অন্যকে ভালো কাজে উৎসাহ দাও। তা না হলে তোমাদের সবার উপর আল্লাহ একসাথে আজাব পঠাবেন। এবং তোমাদের মাঝে সবচেয়ে খারাপ লোকদের তোমাদের আমির বানাবেন। এর পর তোমরা ভালোর জন্য দোয়া করবে কিন্তু সে দোয়ার কবুল করা হবে না।
আবু জিনাদ বলেছেন:
আমি তখন গোলাম ছিলাম। আমি আমার মালিকের সাথে বের হলাম। ভিড় ঠেলে হুজাইফা রা: এর কাছে গেলাম। উনি তখন বলছিলেন,

: নবী ﷺ এর সমস্ত শিক্ষা থেকে যদি কোনো লোক একটা কথাকেই বলতে থাকে, তবে সেটা মুনাফেকির দিকে যাবে।
আমি তোমাদের একটি বয়ানে শুনেছি বক্তা চার বার বলেছে: তোমরা সৎ কাজের আদেশ দাও আর অসৎ কাজের নিষেধ কর, এবং একে অন্যকে ভালো কাজে উৎসাহ দাও। তা না হলে তোমাদের সবার উপর আল্লাহ একসাথে আজাব পঠাবেন। এবং তোমাদের মাঝে সবচেয়ে খারাপ লোকদের তোমাদের আমির বানাবেন। এর পর তোমরা ভালোর জন্য দোয়া করবে কিন্তু সে দোয়ার কবুল করা হবে না।
2016-08-25 21:11:04 habib@...
আবু মুসা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
মুসলিমরা যদি তাদের তলোয়ার নিয়ে মুখো মুখি হয় এবং তাদের কেউ একজন তার সঙ্গীকে হত্যা করে তবে তাদের দুজনই জাহান্নামে যাবে।

লোকেরা বললো,
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ ! হত্যাকারীর জন্য বুঝলাম। নিহত কি কারনে?

বললেন,
: সে চাচ্ছিলো তার সঙ্গীকে কতল করতে।
আবু মুসা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
মুসলিমরা যদি তাদের তলোয়ার নিয়ে মুখো মুখি হয় এবং তাদের কেউ একজন তার সঙ্গীকে হত্যা করে তবে তাদের দুজনই জাহান্নামে যাবে।

লোকেরা বললো,
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ ! হত্যাকারী কেন যাবে বুঝলাম। কিন্তু নিহত কি কারনে যাবে?

উনি ﷺ বললেন,
: সেও চাচ্ছিলো তার সঙ্গীকে কতল করতে।
2016-08-25 21:07:29 habib@...
উবাইদিল্লাহ বিন কাব রা: বলেছেন:
আমি উম্মে সালমা রা: এর সংগে ছিলাম। তখন হারিথ বিন আবি রাবিয়া রা: এবং আব্দুল্লাহ বিন সাফওয়ান রা: আসলেন। উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন ঐ বাহিনীর কথা যারা মাটিতে ধ্বসে পড়বে। এটা আব্দুল্লাহ বিন জুবারই রা: এর যুগে।

তখন উম্মে সালমা র: বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

বাইতুল্লাহ একজন অশ্রয় নিবে। তার কাছে একটা দল পাঠানো হবে। তারা যখন বাইদাহতে থাকবে তখন ভুমি তাদের গ্রাস করে নিবে।

আমরা তখন উনাকে ﷺ কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম,
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ যদি তাদের সাথে অনিচ্ছুক কেউ থাকে?
: তাদের সাথে সেও ধ্বসে পড়বে। কিন্তু কিয়ামতের দিন তাকে তার নিয়তের উপর তোলা হবে।

আবু জাফর বলছেন: এই বাইদা হলো মদিনাতে যেটা।
উবাইদিল্লাহ বিন কাব রা: বলেছেন:
আমি উম্মে সালমা রা: এর সংগে ছিলাম। তখন হারিথ বিন আবি রাবিয়া রা: এবং আব্দুল্লাহ বিন সাফওয়ান রা: আসলেন। উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন ঐ বাহিনীর কথা যারা মাটিতে ধ্বসে পড়বে। এটা আব্দুল্লাহ বিন জুবারই রা: এর যুগে।

তখন উম্মে সালমা র: বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

বাইতুল্লাহ একজন অশ্রয় নিবে। তার কাছে একটা দল পাঠানো হবে। তারা যখন বাইদাহতে থাকবে তখন ভুমি তাদের গ্রাস করে নিবে।

আমরা তখন উনাকে ﷺ কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম,
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ যদি তাদের সাথে অনিচ্ছুক কেউ থাকে?
: তাদের সাথে সেও ধ্বসে পড়বে। কিন্তু কিয়ামতের দিন তাকে তার নিয়তের উপর তোলা হবে।

আবু জাফর বলছেন: এই বাইদা হলো মদিনার বাইদাহ।
2016-08-25 21:06:30 habib@...
উবাইদিল্লাহ বিন কাব রা: বলেছেন:
আমি উম্মে সালমা রা: এর সংগে ছিলাম। তখন হারিথ বিন আবি রাবিয়া রা: এবং আব্দুল্লাহ বিন সাফওয়ান রা: আসলেন। উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন ঐ বাহিনীর কথা যারা মাটিতে ধ্বসে পড়বে। এটা আব্দুল্লাহ বিন জুবারই রা: এর যুগে।

তখন উম্মে সালমা র: বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

বাইতুল্লাহ একজন অশ্রয় নিবে। তার কাছে একটা দল পাঠানো হবে। তারা যখন বাইদাহতে থাকবে তখন ভুমি তাদের গ্রাস করে নিবে।

আমরা তখন উনাকে ﷺ কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম,
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ যদি তাদের সাথে অনিচ্ছুক কেউ থাকলে?
: তাদের সাথে সেও ধ্বসে পড়বে। কিন্তু কিয়ামতের দিন তাকে তার নিয়তের উপর তোলা হবে।

আবু জাফর বলছেন: এই বাইদা হলো মদিনাতে যেটা।
উবাইদিল্লাহ বিন কাব রা: বলেছেন:
আমি উম্মে সালমা রা: এর সংগে ছিলাম। তখন হারিথ বিন আবি রাবিয়া রা: এবং আব্দুল্লাহ বিন সাফওয়ান রা: আসলেন। উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন ঐ বাহিনীর কথা যারা মাটিতে ধ্বসে পড়বে। এটা আব্দুল্লাহ বিন জুবারই রা: এর যুগে।

তখন উম্মে সালমা র: বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

বাইতুল্লাহ একজন অশ্রয় নিবে। তার কাছে একটা দল পাঠানো হবে। তারা যখন বাইদাহতে থাকবে তখন ভুমি তাদের গ্রাস করে নিবে।

আমরা তখন উনাকে ﷺ কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম,
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ যদি তাদের সাথে অনিচ্ছুক কেউ থাকে?
: তাদের সাথে সেও ধ্বসে পড়বে। কিন্তু কিয়ামতের দিন তাকে তার নিয়তের উপর তোলা হবে।

আবু জাফর বলছেন: এই বাইদা হলো মদিনাতে যেটা।
2016-08-25 21:06:04 habib@...
উবাইদিল্লাহ বিন কাব রা: বলেছেন:
আমি উম্মে সালমা রা: এর সংগে ছিলাম। তখন হারিথ বিন আবি রাবিয়া রা: এবং আব্দুল্লাহ বিন সাফওয়ান রা: আসলেন। উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন ঐ বাহিনীর কথা যারা মাটিতে ধ্বসে পড়বে। এটা আব্দুল্লাহ বিন জুবারই রা: এর যুগে।

তখন উম্মে সালমা র: বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

বাইতুল্লাহ একজন অশ্রয় নিবে। তার কাছে একটা দল পাঠানো হবে। তারা যখন বাইদাহ তে থাকবে তখন ভুমি তাদের গ্রাস করে নিবে।

আমরা তখন উনাকে ﷺ কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম,
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ যদি তাদের সাথে অনিচ্ছুক কেউ থাকলে?
: তাদের সাথে সেও ধ্বসে পড়বে। কিন্তু কিয়ামতের দিন তাকে তার নিয়তের উপর তোলা হবে।

আবু জাফর বলছেন: এই বাইদা হলো মদিনাতে যেটা।
উবাইদিল্লাহ বিন কাব রা: বলেছেন:
আমি উম্মে সালমা রা: এর সংগে ছিলাম। তখন হারিথ বিন আবি রাবিয়া রা: এবং আব্দুল্লাহ বিন সাফওয়ান রা: আসলেন। উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন ঐ বাহিনীর কথা যারা মাটিতে ধ্বসে পড়বে। এটা আব্দুল্লাহ বিন জুবারই রা: এর যুগে।

তখন উম্মে সালমা র: বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

বাইতুল্লাহ একজন অশ্রয় নিবে। তার কাছে একটা দল পাঠানো হবে। তারা যখন বাইদাহতে থাকবে তখন ভুমি তাদের গ্রাস করে নিবে।

আমরা তখন উনাকে ﷺ কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম,
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ যদি তাদের সাথে অনিচ্ছুক কেউ থাকলে?
: তাদের সাথে সেও ধ্বসে পড়বে। কিন্তু কিয়ামতের দিন তাকে তার নিয়তের উপর তোলা হবে।

আবু জাফর বলছেন: এই বাইদা হলো মদিনাতে যেটা।
2016-08-25 21:05:50 habib@...
উমর রা: এর কাছে এক লোক বললো,
: হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই।
এটা শুনে ওমর রা: বললেন,
: হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে না বুঝা থেকে আশ্রয় চাই। তুমি কি পছন্দ করবে যদি আল্লাহ মাল সন্তান না দেন? তোমাদের যে কেউ ফিতনা থেকে রক্ষা চাওয়ার দোয়া করলে যেন এর পথভ্রস্টতা থেকে দোয়া করে।
উমর রা: এর কাছে এক লোক বললো,
: হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই।
এটা শুনে ওমর রা: বললেন,
: হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে না বুঝা থেকে আশ্রয় চাই। তুমি কি এটা পছন্দ করবে যে আল্লাহ তায়ালা তোমাকে মাল ও সন্তান দেবেন না? বরং তোমাদের যে কেউ ফিতনা থেকে রক্ষা চাইতে হলে, সে দোয়া যেন এর পথভ্রস্টতা রক্ষার দোয়া করে।
2016-08-25 21:01:34 habib@...
আবু হুরাইরা রা: আবু কাতাদা রা: কে বলছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এক লোক রুকন আর মাকামের মাঝে বায়াত নিবে।
এবই এই ঘর তারা বংশ ছাড়া অন্য কারো জন্য হালাল করা হবে না।
এবং যখন সেটা হালাল করা হবে, তখন অমাকে আরবদের ধ্বংশের কথা আর জিজ্ঞাসা করবেন না।
এর পর হাবশিরা আসবে এবং এটা ধ্বংশস্তুবে পরিনত করবে।
এর পর এই শহর আর কখনোই আবাদ হবে না
হাবশিরাই এই ঘরের ধ্বন-সম্পদকে বাহির করেব।
2016-08-25 19:07:53 habib@...
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
যে আনুগত্য পরিহার করলো
আর জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো
এর পর মারা গেলো
সে যেন জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে অন্ধ পতাকার নিচে বের হলো
নিজের গোত্রের পক্ষে রাগাহ্নিত অবস্থায়
বা তার গোত্রেকে সাহায্য করলো
বা তার গোত্রের দিকে আহ্বান করলো
এর পর মারা গেলো, সে জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে আমার উম্মতের বিরুদ্ধে বের হলো
ভাল মন্দ লোকদেরকে বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য
এবং মু'মিনদেরকে সে পৃথক করলো না
এবং কোনো চুক্তিকে সে সম্মান করলো না
সে আমার কেউ না, আর আমিও তার কেউ না।
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
যে আনুগত্য পরিহার করলো
আর জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো
এর পর মারা গেলো
সে যেন জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে অন্ধ পতাকার নিচে বের হলো
নিজের গোত্রের পক্ষে রাগাহ্নিত অবস্থায়
বা নিজ গোত্রেকে সাহায্য করলো
বা নিজ গোত্রের দিকে আহ্বান করলো
এবং সে নিহত হলো, সে জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে আমার উম্মতের বিরুদ্ধে বের হলো
ভাল মন্দ লোকদেরকে বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য
এবং মু'মিনদেরকে সে পৃথক করলো না
এবং কোনো চুক্তিকে সে সম্মান করলো না
সে আমার কেউ না, আর আমিও তার কেউ না।
2016-08-25 19:02:46 habib@...
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
যে আনুগত্য পরিহার করলো
আর জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো
এর পর মারা গেলো
সে যেন জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে অন্ধ পতাকার নিচে বের হলো
নিজের গোত্রের পক্ষে রাগাহ্নিত অবস্থায়
বা তার গোত্রেকে সাহায্য করলো
বা তার গোত্রের দিকে আহ্বান করলো
এর পর মারা গেলো, সে জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে আমার উম্মতের বিরুদ্ধে বের হলো
এর ভাল এবং মন্দ লোকদেকে আঘাত করার জন্য
এবং এর মাঝে কে মু'মিন সেটা পৃথক করলো না
এবং চুক্তিকে সম্মান করলো না
সে আমার কেউ না, আর আমিও তার কেউ না।
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
যে আনুগত্য পরিহার করলো
আর জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো
এর পর মারা গেলো
সে যেন জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে অন্ধ পতাকার নিচে বের হলো
নিজের গোত্রের পক্ষে রাগাহ্নিত অবস্থায়
বা তার গোত্রেকে সাহায্য করলো
বা তার গোত্রের দিকে আহ্বান করলো
এর পর মারা গেলো, সে জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে আমার উম্মতের বিরুদ্ধে বের হলো
ভাল মন্দ লোকদেরকে বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য
এবং মু'মিনদেরকে সে পৃথক করলো না
এবং কোনো চুক্তিকে সে সম্মান করলো না
সে আমার কেউ না, আর আমিও তার কেউ না।
2016-08-25 19:00:08 @103.58.74.146
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
যে আনুগত্য পরিহার করলো
আর জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো
এর পর মারা গেলো
সে যেন জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে অন্ধ পতাকার নিচে বের হলো নিজের গোত্রের পক্ষে রাগাহ্নিত অবস্থায়
বা তার গোত্রেকে সাহায্য করার জন্য
বা তার গোত্রের দিকে আহ্বান করলো
এর পর মারা গেলো, সে জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে আমার উম্মতের বিরুদ্ধে বের হলো
এর ভাল এবং মন্দ লোকদের আঘাত করার জন্য
এবং এর মাজে কে মু'মিন সেটা পৃথক করলো না
এবং চুক্তিকে সম্মান করলো না
সে আমার কেউ না, আর আমিও তার কেউ না।
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
যে আনুগত্য পরিহার করলো
আর জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো
এর পর মারা গেলো
সে যেন জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে অন্ধ পতাকার নিচে বের হলো
নিজের গোত্রের পক্ষে রাগাহ্নিত অবস্থায়
বা তার গোত্রেকে সাহায্য করলো
বা তার গোত্রের দিকে আহ্বান করলো
এর পর মারা গেলো, সে জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে আমার উম্মতের বিরুদ্ধে বের হলো
এর ভাল এবং মন্দ লোকদেকে আঘাত করার জন্য
এবং এর মাঝে কে মু'মিন সেটা পৃথক করলো না
এবং চুক্তিকে সম্মান করলো না
সে আমার কেউ না, আর আমিও তার কেউ না।
2016-08-25 18:14:58 @103.58.74.146
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
যে আনুগত্য পরিহার করলো
আর জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো
এর পর মারা গেলো, সে যেন জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে অন্ধের পতাকার নিচে বের হলো
তার গোত্রে পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য
বা তার গোত্রকে সমর্থন করার জন্য
বা তার গোত্রের দিকে আহ্বান করলো
এর পর মারা গেলো, সে জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে আমার উম্মতের বিরুদ্ধে বের হলো
এর ভাল এবং মন্দ লোকদের আঘাত করার জন্য
এবং এর মাজে কে মু'মিন সেটা পৃথক করলো না
এবং চুক্তিকে সম্মান করলো না
সে আমার কেউ না, আর আমিও তার কেউ না।
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
যে আনুগত্য পরিহার করলো
আর জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো
এর পর মারা গেলো
সে যেন জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে অন্ধ পতাকার নিচে বের হলো নিজের গোত্রের পক্ষে রাগাহ্নিত অবস্থায়
বা তার গোত্রেকে সাহায্য করার জন্য
বা তার গোত্রের দিকে আহ্বান করলো
এর পর মারা গেলো, সে জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে আমার উম্মতের বিরুদ্ধে বের হলো
এর ভাল এবং মন্দ লোকদের আঘাত করার জন্য
এবং এর মাজে কে মু'মিন সেটা পৃথক করলো না
এবং চুক্তিকে সম্মান করলো না
সে আমার কেউ না, আর আমিও তার কেউ না।
2016-08-25 18:13:43 @103.58.74.146
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
যে আনুগত্য পরিহার করলো
আর জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো
এর পর মারা গেলো, সে যেন জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে অন্ধের পতাকার নিচে বের হলো
তার গোত্রে পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য
বা তার গোত্রকে সমর্থন করার জন্য
বা তার গোত্রের দিকে আহ্বান করলো
এর পর মারা গেলো, সে জাহেলিয়াতের উপর মরলো।

আর যে আমার উম্মতের বিরুদ্ধে বের হলো
এর ভাল এবং মন্দ লোকদের আঘাত করার জন্য
এবং এর মাজে কে মু'মিন সেটা পৃথক করলো না
এবং চুক্তিকে সম্মান করলো না
সে আমার কেউ না, আর আমিও তার কেউ না।
2016-08-24 17:36:35 @103.58.74.146

Execution time: 0.04 render + 0.00 s transfer.