Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, একজন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
2019-08-29 00:37:15 @103.25.248.250
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও।
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও
2019-08-18 12:13:34 zulfeqar7740@...
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও।
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও
2019-08-18 12:13:32 zulfeqar7740@...
সালমান বিন রাবী বলেছেন:
উমর রা: বলেছেন,
: শিগ্রই আমির আর কর্মিদের অবির্ভাব হবে। তাদের নৈকট্য হবে ফিতনা। তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া হবে কুফর।

আমি বললাম,
: আল্লাহু আকবার! আরেকবার বলেন হে আমিরুল মু'মিনিন। আমি বুঝতে পরি নি।

উনি আবার একই কথা বললেন।

সালমান বিন রাবী বলেন,
: আল্লাহ বলেছেন, ফিতনা কতলের থেকেও খারাপ, সুরা বাকারা - ১৯১। আর ফিতনা আমার কাছে কতলের থেকে প্রীয়।
সালমান বিন রাবী বলেছেন:
উমর রা: বলেছেন,
: শিগ্রই আমির আর কর্মিদের অবির্ভাব হবে। তাদের নৈকট্য হবে ফিতনা। তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া হবে কুফর।

আমি বললাম,
: আল্লাহু আকবার! আরেকবার বলেন হে আমিরুল মু'মিনিন। আমি বুঝতে পরি নি।

উনি আবার একই কথা বললেন।

সালমান বিন রাবী বলেন,
: আল্লাহ বলেছেন, ফিতনা কতলের থেকেও খারাপ, সুরা বাকারা - ১৯১। আর ফিতনা আমার কাছে কতলের থেকে প্রীয়।
2019-08-10 12:02:04 @103.139.164.9
সালমান বিন রাবী বলেছেন:
উমর রা: বলেছেন,
: শিগ্রই আমির আর কর্মিদের অবির্ভাব হবে। তাদের নৈকট্য হবে ফিতনা। তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া হবে কুফর।

আমি বললাম,
: আল্লাহু আকবার! আরেকবার বলেন হে আমিরুল মু'মিনিন। আমি বুঝতে পরি নি।

উনি আবার একই কথা বললেন।

সালমান বিন রাবী বলেন,
: আল্লাহ বলেছেন, ফিতনা কতলের থেকেও খারাপ, সুরা বাকারা - ১৯১। আর ফিতনা আমার কাছে কতলের থেকে প্রীয়।
সালমান বিন রাবী বলেছেন:
উমর রা: বলেছেন,
: শিগ্রই আমির আর কর্মিদের অবির্ভাব হবে। তাদের নৈকট্য হবে ফিতনা। তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া হবে কুফর।

আমি বললাম,
: আল্লাহু আকবার! আরেকবার বলেন হে আমিরুল মু'মিনিন। আমি বুঝতে পরি নি।

উনি আবার একই কথা বললেন।

সালমান বিন রাবী বলেন,
: আল্লাহ বলেছেন, ফিতনা কতলের থেকেও খারাপ, সুরা বাকারা - ১৯১। আর ফিতনা আমার কাছে কতলের থেকে প্রীয়।
2019-08-10 12:01:07 @103.139.164.9
আব্দুল্লাহ বিন আমির উনার পিতা থেকে বর্ননা করছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

যে মারা গেলো কিন্তু সে কারো নেতৃত্ব মেনে চলতো না, তবে সে জাহেলিয়াতের মৃত্যু বরন করলো। আর যে এই বন্ধন করে ভঙ্গ করলো, সে ওজর খুজে পাবে না।
আব্দুল্লাহ বিন আমির উনার পিতা থেকে বর্ননা করছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

যে মারা গেলো কিন্তু সে কারো নেতৃত্ব মেনে চলতো না, তবে সে জাহেলিয়াতের মৃত্যু বরন করলো। আর যে এই বন্ধন করে ভঙ্গ করলো, সে ওজর খুজে পাবে না।
2019-08-10 12:00:40 @103.139.164.9
ইবনে সিরিন বলেছেন,
আমার কাছে এই কথা পৌছেছে যে সিরিয়ার ঐক্যকে কেউ নস্ট করতে পারবে না সিরিয়ার বেদুইনরা যা করবে তা ছাড়া।
ইবনে সিরিন বলেছেন,
আমার কাছে এই কথা পৌছেছে যে সিরিয়ার ঐক্যকে কেউ নস্ট করতে পারবে না সিরিয়ার বেদুইনরা যা করবে তা ছাড়া।
2019-08-10 12:00:33 @103.139.164.9
আবি বুরদাহ বলছেন,
মুহাম্মাদ ইবনে মুসলেমা রা: এর ঘরে গিয়ে আমি বললাম,
: আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন। এই সময় আপনি ঘরে আছেন। আপনি কেন মানুষের কাছে গিয়ে সৎ কাজের আদেশ আর অসৎ কাজের নিষেধ করছেন না?

উনি বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
অতি সত্বর ফিতনা, বিভাজন আর দ্বিমত দেখা দিবে। এরকম হলে তুমি তোমার তলোয়ার নিয়ে উহুদ পাহাড়ে চলে যাবে। এর পর এটা মারতে থাকবে যতক্ষন না তলোয়ার ভেঙ্গে যায়। এর পর বাসায় বসে থাকবে যতক্ষনা না তোমার কাছে কোনো অপরাধীর হাত অথবা মৃত্যুর লিখনি আসে।

এখন এটা হয়েছে। এজন্য আমাকে রাসুলুল্লাহ ﷺ যা করতে বলেছেন সেটা করেছি।
আবি বুরদাহ বলছেন,
মুহাম্মাদ ইবনে মুসলেমা রা: এর ঘরে গিয়ে আমি বললাম,
: আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন। এই সময় আপনি ঘরে আছেন। আপনি কেন মানুষের কাছে গিয়ে সৎ কাজের আদেশ আর অসৎ কাজের নিষেধ করছেন না?

উনি বললেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
অতি সত্বর ফিতনা, বিভাজন আর দ্বিমত দেখা দিবে। এরকম হলে তুমি তোমার তলোয়ার নিয়ে উহুদ পাহাড়ে চলে যাবে। এর পর এটা মারতে থাকবে যতক্ষন না তলোয়ার ভেঙ্গে যায়। এর পর বাসায় বসে থাকবে যতক্ষনা না তোমার কাছে কোনো অপরাধীর হাত অথবা মৃত্যুর লিখনি আসে।

এখন এটা হয়েছে। এজন্য আমাকে রাসুলুল্লাহ ﷺ যা করতে বলেছেন সেটা করেছি।
2019-08-10 12:00:24 @103.139.164.9
খালিদ বিন উরফুতাহ রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: হে খালেদ! শিগ্রই মতবিরোধের ঘটনা ঘটবে। বিভাজন দেখা দেবে। যখন সেটা হবে তখন তুমি কতল হয়ে যেতে পারলে হযে যাও, কিন্তু কতল করো না।
খালিদ বিন উরফুতাহ রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: হে খালেদ! শিগ্রই মতবিরোধের ঘটনা ঘটবে। বিভাজন দেখা দেবে। যখন সেটা হবে তখন তুমি কতল হয়ে যেতে পারলে হযে যাও, কিন্তু কতল করো না।
2019-08-10 11:59:50 @103.139.164.9
হুজাইফা রা: আমাদের বললেন,
: তখন তোমাদের কি হবে যখন আল্লাহ তায়ালা উম্মতে মুহাম্মদিকে ﷺ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন?
এক লোক বললো,
: আমারা অস্বিকার করলেও উনি দেয়া বন্ধ করে দেন না। আর আল্লাহ উম্মতে মুহাম্মদকে ﷺ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন?
: আল্লাহর কাছে মশার পাখা সমান দামও যার নেই, সেও যখন উনার উত্তরাধিকার পায় সেটা দেখেছো? উম্মতে মুহাম্মদি ﷺ কে আল্লাহ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন ঐ দিনে এটি কি এখন বিশ্বাস হয়?
হুজাইফা রা: আমাদের বললেন,
: তখন তোমাদের কি হবে যখন আল্লাহ তায়ালা উম্মতে মুহাম্মদিকে ﷺ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন?
এক লোক বললো,
: আমারা অস্বিকার করলেও উনি দেয়া বন্ধ করে দেন না। আর আল্লাহ উম্মতে মুহাম্মদকে ﷺ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন?
: আল্লাহর কাছে মশার পাখা সমান দামও যার নেই, সেও যখন উনার উত্তরাধিকার পায় সেটা দেখেছো? উম্মতে মুহাম্মদি ﷺ কে আল্লাহ নির্দেশনা ছাড়া করে দেবেন ঐ দিনে এটি কি এখন বিশ্বাস হয়?
2019-08-10 11:59:42 @103.139.164.9
আবি ইদরিস রা: বলেছেন:
ফিতনা হবে যেগুলোর ছায়া হবে গরুর চেহারার মত। অধিকাংশ মানুষ তাতে পড়ে ধ্বংশ হয়ে যাবে।
যারা আগেই এটাকে চিনবে তারা ছাড়া।
আবি ইদরিস রা: বলেছেন:
ফিতনা হবে যেগুলোর ছায়া হবে গরুর চেহারার মত। অধিকাংশ মানুষ তাতে পড়ে ধ্বংশ হয়ে যাবে।
যারা আগেই এটাকে চিনবে তারা ছাড়া।
2019-08-10 11:59:32 @103.139.164.9
রাসুলুল্লাহ ﷺ উনার হুজুরাত থেকে বের হলেন এবং বললেন:
আগুন জ্বালানো হয়েছে।
ফিতনা এসেছে যেন এটা রাতের অন্ধকার টুকরা।
আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে, তবে তোমরা হাসতে কম, কাদতে বেশি।
রাসুলুল্লাহ ﷺ উনার হুজুরাত থেকে বের হলেন এবং বললেন:
আগুন জ্বালানো হয়েছে।
ফিতনা এসেছে যেন এটা রাতের অন্ধকার টুকরা।
আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে, তবে তোমরা হাসতে কম, কাদতে বেশি।
2019-08-10 11:59:28 @103.139.164.9
আনাস বিন মালিক রা: বলেছেন,
: শিগ্রই প্রথমে রাজা-বাদশাহরা আসবে, এর পর আসবে স্বৈরাচাররা, এর পর আসবে ত্বাগুতরা।
আনাস বিন মালিক রা: বলেছেন,
: শিগ্রই প্রথমে রাজা-বাদশাহরা আসবে, এর পর আসবে স্বৈরাচাররা, এর পর আসবে ত্বাগুতরা।
2019-08-10 11:59:21 @103.139.164.9
ইবনে মাসউদ রা: আমাদের এগিয়ে নিয়ে চললেন। এর পর কাদিসিয়ার রাস্তায় নামলেন। বুস্তান শহরে প্রবেশ করলেন। উনার হাজত পূর্ন করলেন। এর পর উনি ওজু করলেন এবং মুজার উপর মসেহ করলেন। এর পর বের হলেন। উনার দাড়ি থেকে ফোটা ফোটা পানি পড়ছিলো।

আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের সমাধান দিন। মানুষ ফিতনাতে পড়ে যাচ্ছে, এই দিকে আমরা আপনার সাক্ষাৎ পবো নাকি পাবো না সেটা জানি না।

উনি বললেন,
: আল্লাহকে ভয় করো। এবং সবর কর। যতক্ষন না বিপদ চলে যায়। অথবা অসৎ লোকদের থেকে পরিত্রান পাও। আর তোমাদের উপর হুকুম জামাতের সংগে থাকা। কারন আল্লাহ মুহাম্মদ ﷺ এর উম্মতকে পথভ্রস্টতার উপর জামাতবদ্ধ করেন না।
ইবনে মাসউদ রা: আমাদের এগিয়ে নিয়ে চললেন। এর পর কাদিসিয়ার রাস্তায় নামলেন। বুস্তান শহরে প্রবেশ করলেন। উনার হাজত পূর্ন করলেন। এর পর উনি ওজু করলেন এবং মুজার উপর মসেহ করলেন। এর পর বের হলেন। উনার দাড়ি থেকে ফোটা ফোটা পানি পড়ছিলো।

আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের সমাধান দিন। মানুষ ফিতনাতে পড়ে যাচ্ছে, এই দিকে আমরা আপনার সাক্ষাৎ পবো নাকি পাবো না সেটা জানি না।

উনি বললেন,
: আল্লাহকে ভয় করো। এবং সবর কর। যতক্ষন না বিপদ চলে যায়। অথবা অসৎ লোকদের থেকে পরিত্রান পাও। আর তোমাদের উপর হুকুম জামাতের সংগে থাকা। কারন আল্লাহ মুহাম্মদ ﷺ এর উম্মতকে পথভ্রস্টতার উপর জামাতবদ্ধ করেন না।
2019-08-10 11:59:12 @103.139.164.9
ইবনে মাসউদ রা: আমাদের এগিয়ে নিয়ে চললেন। এর পর কাদিসিয়ার রাস্তায় নামলেন। বুস্তান শহরে প্রবেশ করলেন। উনার হাজত পূর্ন করলেন। এর পর উনি ওজু করলেন এবং মুজার উপর মসেহ করলেন। এর পর বের হলেন। উনার দাড়ি থেকে ফোটা ফোটা পানি পড়ছিলো।

আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের সমাধান দিন। মানুষ ফিতনাতে পড়ে যাচ্ছে, এই দিকে আমরা আপনার সাক্ষাৎ পবো নাকি পাবো না সেটা জানি না।

উনি বললেন,
: আল্লাহকে ভয় করো। এবং সবর কর। যতক্ষন না বিপদ চলে যায়। অথবা অসৎ লোকদের থেকে পরিত্রান পাও। আর তোমাদের উপর হুকুম জামাতের সংগে থাকা। কারন আল্লাহ মুহাম্মদ ﷺ এর উম্মতকে পথভ্রস্টতার উপর জামাতবদ্ধ করেন না।
ইবনে মাসউদ রা: আমাদের এগিয়ে নিয়ে চললেন। এর পর কাদিসিয়ার রাস্তায় নামলেন। বুস্তান শহরে প্রবেশ করলেন। উনার হাজত পূর্ন করলেন। এর পর উনি ওজু করলেন এবং মুজার উপর মসেহ করলেন। এর পর বের হলেন। উনার দাড়ি থেকে ফোটা ফোটা পানি পড়ছিলো।

আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের সমাধান দিন। মানুষ ফিতনাতে পড়ে যাচ্ছে, এই দিকে আমরা আপনার সাক্ষাৎ পবো নাকি পাবো না সেটা জানি না।

উনি বললেন,
: আল্লাহকে ভয় করো। এবং সবর কর। যতক্ষন না বিপদ চলে যায়। অথবা অসৎ লোকদের থেকে পরিত্রান পাও। আর তোমাদের উপর হুকুম জামাতের সংগে থাকা। কারন আল্লাহ মুহাম্মদ ﷺ এর উম্মতকে পথভ্রস্টতার উপর জামাতবদ্ধ করেন না।
2019-08-10 11:58:58 @103.139.164.9
সাইদ বিন জুবাই রা: কে জিজ্ঞাসা করা হলো,

: হে আবু আব্দুলুল্লাহ! মানুষের ধ্বংশ হবার আলামত কি?

বললেন,
: যখন তাদের উলামাগন ধ্বংশ হয়ে যায়।
সাইদ বিন জুবাই রা: কে জিজ্ঞাসা করা হলো,

: হে আবু আব্দুলুল্লাহ! মানুষের ধ্বংশ হবার আলামত কি?

বললেন,
: যখন তাদের উলামাগন ধ্বংশ হয়ে যায়।
2019-08-08 12:06:39 shsakib71069@...
জাইদ বিন থাবিত রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার বললেন,
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।

আমরা বললাম,
আমরা আশ্রয় চাইছি আল্লাহর কাছে, প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।
জাইদ বিন থাবিত রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার বললেন,
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।

আমরা বললাম,
আমরা আশ্রয় চাইছি আল্লাহর কাছে, প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।
2019-08-08 11:55:50 shsakib71069@...
হুজাইফা রা: বলেছেন:
তিনটা ফিতনা হবে। চতুর্থটা দাজ্জালের দিকে নিয়ে যাবে।
তখন কালো পাথর ছুড়ে মারা হবে। এবং অগ্নি পাথর ছুড়ে মারা হবে।
ঢেউয়ের মত অন্ধকার আসবে। সমুদ্রের ঢেউয়ের মত।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
তিনটা ফিতনা হবে। চতুর্থটা দাজ্জালের দিকে নিয়ে যাবে।
তখন কালো পাথর ছুড়ে মারা হবে। এবং অগ্নি পাথর ছুড়ে মারা হবে।
ঢেউয়ের মত অন্ধকার আসবে। সমুদ্রের ঢেউয়ের মত।
2019-08-08 10:56:27 shsakib71069@...
আব্দুল্লাহ রা: এর কাছে এক লোক এসে জিজ্ঞাসা করলেন:
: আমরা কখন পথ ভ্রস্ট হবো?
: যখন তোমাদের এমন আমির হবে যাদের অনুসরন করলে তারা তোমাদের পথভ্রস্ট করবে। এবং তাদের আবাধ্যতা করলে তারা তোমাদের কতল করবে।
আব্দুল্লাহ রা: এর কাছে এক লোক এসে জিজ্ঞাসা করলেন:
: আমরা কখন পথ ভ্রস্ট হবো?
: যখন তোমাদের এমন আমির হবে যাদের অনুসরন করলে তারা তোমাদের পথভ্রস্ট করবে। এবং তাদের আবাধ্যতা করলে তারা তোমাদের কতল করবে।
2019-07-21 13:20:40 @103.94.219.9
ইয়া'লি বিন আত্বা বলেছেন উনার পিতা থেকে:
আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর বাহনের লাগাম ধরে যাচ্ছিলাম।
উনি বললেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা বাইতুল্লাহকে ভেঙ্গে ফেলবে এমন ভাবে যে এর একটা পাথরের উপর একটা পাথরও থাকবে না?
: আমরা কি তখন ইসলামের উপর থাকবো?
: তোমরা ইসলামের উপরই থাকবে।
: এর পর কি হবে?
: এর পর এটাকে ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর করে বানানো হবে। যখন তুমি দেখবে,
মক্কার ভেতর দিয়ে সুড়ঙ্গ খোড়া হয়েছে,
এবং এর দালানগুলো পাহাড়ের মাথা থেকে উচু হয়ে গিয়েছে,
তখন জানবে ঘটনার ছায়া তোমার উপর চলে এসেছে।
ইয়া'লি বিন আত্বা বলেছেন উনার পিতা থেকে:
আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর বাহনের লাগাম ধরে যাচ্ছিলাম।
উনি বললেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা বাইতুল্লাহকে ভেঙ্গে ফেলবে এমন ভাবে যে এর একটা পাথরের উপর একটা পাথরও থাকবে না?
: আমরা কি তখন ইসলামের উপর থাকবো?
: তোমরা ইসলামের উপরই থাকবে।
: এর পর কি হবে?
: এর পর এটাকে ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর করে বানানো হবে। যখন তুমি দেখবে,
মক্কার ভেতর দিয়ে সুড়ঙ্গ খোড়া হয়েছে,
এবং এর দালানগুলো পাহাড়ের মাথা থেকে উচু হয়ে গিয়েছে,
তখন জানবে ঘটনার ছায়া তোমার উপর চলে এসেছে।
2019-07-14 15:11:16 @103.120.222.82
হুজাইফা রা: বলেছেন:
যে জামাত থেকে এক হাত দূরে চলে গেলো সে যেনো ইসলাম থেকে দূরে চলে গেলো।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
যে জামাত থেকে এক হাত দূরে চলে গেলো সে যেনো ইসলাম থেকে দূরে চলে গেলো।
2019-06-17 16:50:55 shsakib71069@...
হুজাইফা রা: বলেছেন,
মানুষের উপর এমন যুগ আসবে, ডুবন্ত মানুষের মত যে দোয়া করছে, সে ছাড়া আর কেউ তখন বাচতে পারবে না।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
মানুষের উপর এমন যুগ আসবে, ডুবন্ত মানুষের মত যে দোয়া করছে, সে ছাড়া আর কেউ তখন বাচতে পারবে না।
2019-06-17 16:50:55 shsakib71069@...
থারওয়ান বিন মিলহান বলছেন,
আমরা মসজিদে বসে ছিলাম। আমাদের কাছে আম্মার বিন ইয়াছিন রা: এলেন।
আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের রাসুলুল্লাহ ﷺ এর একটা হাদিস শুনান ফিতনার উপর।
বললেন,
: আমি শুনেছি রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমার পরে আমির-উমরা হবে যারা রাজ্য নিয়ে যুদ্ধ করবে। তাদের একদল অন্যদলকে হত্যা করবে।
আমরা বললাম,
: আপনার এই কথার বিপরতি কোনো কথা কেউ যদি আমাদের বলে তবে আমরা তাকে মিথ্যাবাদি বলবো।
: দেখ, শিগ্রই এটা হবে।
থারওয়ান বিন মিলহান বলছেন,
আমরা মসজিদে বসে ছিলাম। আমাদের কাছে আম্মার বিন ইয়াছিন রা: এলেন।
আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের রাসুলুল্লাহ ﷺ এর একটা হাদিস শুনান ফিতনার উপর।
বললেন,
: আমি শুনেছি রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমার পরে আমির-উমরা হবে যারা রাজ্য নিয়ে যুদ্ধ করবে। তাদের একদল অন্যদলকে হত্যা করবে।
আমরা বললাম,
: আপনার এই কথার বিপরতি কোনো কথা কেউ যদি আমাদের বলে তবে আমরা তাকে মিথ্যাবাদি বলবো।
: দেখ, শিগ্রই এটা হবে।
2019-06-10 09:14:18 shsakib71069@...
হাদিস - ১০৪
আয়শা রা: বলেছেন:

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
দুনিয়াতে যখন প্রকাশ্যে পাপাচার হবে তখন আল্লাহ পৃথিবীর মানুষের উপর দুঃখ অবতির্ন করবেন।

আমি বললাম:
ইয়া রাসুলুল্লাহ! ﷺ তাদের মাঝে আল্লাহর অনুসারীরা থাকলেও?

উনি ﷺ বললেন:
হ্যা। তবে এর পর তাদের পরিনতি আল্লাহর রহমত।
হাদিস - ১০৪
আয়শা রা: বলেছেন:

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
দুনিয়াতে যখন প্রকাশ্যে পাপাচার হবে তখন আল্লাহ পৃথিবীর মানুষের উপর দুঃখ অবতির্ন করবেন।

আমি বললাম:
ইয়া রাসুলুল্লাহ! ﷺ তাদের মাঝে আল্লাহর অনুসারীরা থাকলেও?

উনি ﷺ বললেন:
হ্যা। তবে এর পর তাদের পরিনতি আল্লাহর রহমত।
2019-06-10 09:09:48 shsakib71069@...
মুয়াজ বিন জাবাল রা: বলেছেন
: বাইতুল মুকাদ্দাসের উন্নয়নের হলে, ইয়াথরিব [মদিনা] ধ্বংশ হবে।
মালহামার জন্য রওনা দিলে পর কুসতুনতুনিয়া [ইস্তাম্বুল] জয় হবে।
কুসতুনতুনিয়া জয় হলে দাজ্জাল বের হবে।

এর পর উনার হাত দিয়ে লোকের কাধে বাড়ি দিয়ে বললেন
: ওয়াল্লাহ! এটা সত্য!
মুয়াজ বিন জাবাল রা: বলেছেন
: বাইতুল মুকাদ্দাসের উন্নয়নের হলে, ইয়াথরিব [মদিনা] ধ্বংশ হবে।
মালহামার জন্য রওনা দিলে পর কুসতুনতুনিয়া [ইস্তাম্বুল] জয় হবে।
কুসতুনতুনিয়া জয় হলে দাজ্জাল বের হবে।

এর পর উনার হাত দিয়ে লোকের কাধে বাড়ি দিয়ে বললেন
: ওয়াল্লাহ! এটা সত্য!
2019-06-10 09:07:50 shsakib71069@...
ইবনে সিরিন বলেছেন,
আমার কাছে এই কথা পৌছেছে যে সিরিয়ার ঐক্যকে কেউ নস্ট করতে পারবে না সিরিয়ার বেদুইনরা যা করবে তা ছাড়া।
ইবনে সিরিন বলেছেন,
আমার কাছে এই কথা পৌছেছে যে সিরিয়ার ঐক্যকে কেউ নস্ট করতে পারবে না সিরিয়ার বেদুইনরা যা করবে তা ছাড়া।
2019-06-10 09:04:21 shsakib71069@...
জাইদ বিন থাবিত রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার বললেন,
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।

আমরা বললাম,
আমরা আশ্রয় চাইছি আল্লাহর কাছে, প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।
জাইদ বিন থাবিত রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার বললেন,
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।

আমরা বললাম,
আমরা আশ্রয় চাইছি আল্লাহর কাছে, প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।
2019-06-10 09:00:45 shsakib71069@...
জাইদ বিন থাবিত রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার বললেন,
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।

আমরা বললাম,
আমরা আশ্রয় চাইছি আল্লাহর কাছে, প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।
জাইদ বিন থাবিত রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার বললেন,
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।

আমরা বললাম,
আমরা আশ্রয় চাইছি আল্লাহর কাছে, প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।
2019-06-10 08:56:17 @119.30.45.189
উমর রা: আবি মুসা রা: কে লিখে পাঠান,
স্বভাবতঃ মানুষ তাদের সুলতানকে অপছন্দ করে। তাই আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই আমার আর তোমার মাঝে ঘৃনা আসা থেকে,
দুনিয়া দ্বারা প্রভাবিত হওয়া থেকে,
মনের ইচ্ছার অনুসরন করা থেকে।

কাবিলাগুলো একটা অন্যটার বিরুদ্ধে লাগতে যাচ্ছে।
এটাই হলো অহংকার যে শয়তান থেকে আসে।
এরকম হলে: তখন তলোয়ার তলোয়ার, কতল কতল হবে।
তারা বলবে: হে ইসলামের পরিবার, হে ইসলামের পরিবার।
উমর রা: আবি মুসা রা: কে লিখে পাঠান,
স্বভাবতঃ মানুষ তাদের সুলতানকে অপছন্দ করে। তাই আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই আমার আর তোমার মাঝে ঘৃনা আসা থেকে,
দুনিয়া দ্বারা প্রভাবিত হওয়া থেকে,
মনের ইচ্ছার অনুসরন করা থেকে।

কাবিলাগুলো একটা অন্যটার বিরুদ্ধে লাগতে যাচ্ছে।
এটাই হলো অহংকার যে শয়তান থেকে আসে।
এরকম হলে: তখন তলোয়ার তলোয়ার, কতল কতল হবে।
তারা বলবে: হে ইসলামের পরিবার, হে ইসলামের পরিবার।
2019-06-10 08:54:56 @119.30.45.189
হুজাইফা রা: বলেছেন:
মানুষের উপর এমন একটা যুগ আসবে যখন কেউ রক্ষা পাবে না, সে ছাড়া যে দোয়া করছে, ডুবন্ত মানুষের দোয়ার মত।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
মানুষের উপর এমন একটা যুগ আসবে যখন কেউ রক্ষা পাবে না, সে ছাড়া যে দোয়া করছে, ডুবন্ত মানুষের দোয়ার মত।
2019-06-10 08:49:49 @119.30.45.189
হুজাইফা রা: বলেছেন:
মানুষের উপর এমন একটা যুগ আসবে যখন কেউ রক্ষা পাবে না, সে ছাড়া যে দোয়া করছে, ডুবন্ত মানুষের দোয়ার মত।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
মানুষের উপর এমন একটা যুগ আসবে যখন কেউ রক্ষা পাবে না, সে ছাড়া যে দোয়া করছে, ডুবন্ত মানুষের দোয়ার মত।
2019-06-10 08:49:28 @119.30.45.189
হুজাইফা রা: বলেছেন,
মানুষের উপর এমন যুগ আসবে, ডুবন্ত মানুষের মত যে দোয়া করছে, সে ছাড়া আর কেউ তখন বাচতে পারবে না।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
মানুষের উপর এমন যুগ আসবে, ডুবন্ত মানুষের মত যে দোয়া করছে, সে ছাড়া আর কেউ তখন বাচতে পারবে না।
2019-06-10 08:48:59 @119.30.45.189
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে।
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে। তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে।
2019-06-09 15:30:20 shsakib71069@...
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে।
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে। তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে।
2019-06-09 15:30:19 shsakib71069@...
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-05-30 10:15:40 @58.145.189.243
আনাস বিন মালিক রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন:
কাউছার হলো একটা নহর যেটা আমার রব আমাকে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন।
এতে অনেক ভালো কিছু আছে।
ওটা আমার হাউজ।

কিয়ামতের দিন এখান থেকে আমি আমার উম্মাহর জবাব দেবো।
এর পাত্রের সংখ্যা হলো তারকার সংখ্যার সমান।

কিছু আবদদের এখানে আসতে বাধা দেয়া হবে।

আমি বলবো: এরা তো আমার উম্মত!
আমাকে বলা হবে: আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কি করেছিলো।
আনাস বিন মালিক রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন:
কাউছার হলো একটা নহর যেটা আমার রব আমাকে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন।
এতে অনেক ভালো কিছু আছে।
ওটা আমার হাউজ।

কিয়ামতের দিন এখান থেকে আমি আমার উম্মাহর জবাব দেবো।
এর পাত্রের সংখ্যা হলো তারকার সংখ্যার সমান।

কিছু আবদদের এখানে আসতে বাধা দেয়া হবে।

আমি বলবো: এরা তো আমার উম্মত!
আমাকে বলা হবে: আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কি করেছিলো।
2019-05-29 02:55:35 @119.30.35.96
আনাস বিন মালিক রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন:
কাউছার হলো একটা নহর যেটা আমার রব আমাকে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন।
এতে অনেক ভালো কিছু আছে।
ওটা আমার হাউজ।

কিয়ামতের দিন এখান থেকে আমি আমার উম্মাহর জবাব দেবো।
এর পাত্রের সংখ্যা হলো তারকার সংখ্যার সমান।

কিছু আবদদের এখানে আসতে বাধা দেয়া হবে।

আমি বলবো: এরা তো আমার উম্মত!
আমাকে বলা হবে: আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কি করেছিলো।
আনাস বিন মালিক রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন:
কাউছার হলো একটা নহর যেটা আমার রব আমাকে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন।
এতে অনেক ভালো কিছু আছে।
ওটা আমার হাউজ।

কিয়ামতের দিন এখান থেকে আমি আমার উম্মাহর জবাব দেবো।
এর পাত্রের সংখ্যা হলো তারকার সংখ্যার সমান।

কিছু আবদদের এখানে আসতে বাধা দেয়া হবে।

আমি বলবো: এরা তো আমার উম্মত!
আমাকে বলা হবে: আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কি করেছিলো।
2019-05-29 02:55:26 @119.30.35.96
সুলাইমান বিন আমর বর্ননা করেছে উনার পিতা থেকে:
নবী ﷺ বিদায়ী হজ্জে বলেছেন,
: এটা কোন দিন?
তিন বার জিজ্ঞাসা করলেন।

লোকেরা জবাব দিলো,
: বড় হজ্জের দিন।

: নিশ্চই, তোমাদের রক্ত, মাল, সম্মান হারাম, যেরকম হারাম তোমাদের এই দিন, তোমাদের এই মাসে, তোমাদের এই শহরে।

সাবধান! অপরাধির অপরাধের দায়িত্ব শুধু তার উপর। পিতার অপরাধের দায়িত্ব সন্তানের উপর না, আবার সন্তানের অপরাধের দায়িত্ব পিতার উপর না।

সাবধান! হে উম্মতেরা আমি কি তোমাদের কাছে পৌছেছি?

তারা বললো,
: হ্যা।

উনি ﷺ বললেন,

: হে আল্লাহ! সাক্ষি থাকবেন।
তিন বার বললেন।
সুলাইমান বিন আমর বর্ননা করেছে উনার পিতা থেকে:
নবী ﷺ বিদায়ী হজ্জে বলেছেন,
: এটা কোন দিন?
তিন বার জিজ্ঞাসা করলেন।

লোকেরা জবাব দিলো,
: বড় হজ্জের দিন।

: নিশ্চই, তোমাদের রক্ত, মাল, সম্মান হারাম, যেরকম হারাম তোমাদের এই দিন, তোমাদের এই মাসে, তোমাদের এই শহরে।

সাবধান! অপরাধির অপরাধের দায়িত্ব শুধু তার উপর। পিতার অপরাধের দায়িত্ব সন্তানের উপর না, আবার সন্তানের অপরাধের দায়িত্ব পিতার উপর না।

সাবধান! হে উম্মতেরা আমি কি তোমাদের কাছে পৌছেছি?

তারা বললো,
: হ্যা।

উনি ﷺ বললেন,

: হে আল্লাহ! সাক্ষি থাকবেন।
তিন বার বললেন।
2019-05-17 12:15:23 azizharis7@...
হুজাইফা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন,

ফিতনা দেখা দিবে
অন্ধ ও বধির হয়ে যাওয়া মানুষদের জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকা হবে।

হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
2019-05-15 10:27:51 @103.84.255.194
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2019-05-11 17:06:34 @58.145.188.254

Execution time: 0.05 render + 0.00 s transfer.