Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
সুলাইমান বিন আমর বর্ননা করেছে উনার পিতা থেকে:
নবী ﷺ বিদায়ী হজ্জে বলেছেন,
: এটা কোন দিন?
তিন বার জিজ্ঞাসা করলেন।

লোকেরা জবাব দিলো,
: বড় হজ্জের দিন।

: নিশ্চই, তোমাদের রক্ত, মাল, সম্মান হারাম, যেরকম হারাম তোমাদের এই দিন, তোমাদের এই মাসে, তোমাদের এই শহরে।

সাবধান! অপরাধির অপরাধের দায়িত্ব শুধু তার উপর। পিতার অপরাধের দায়িত্ব সন্তানের উপর না, আবার সন্তানের অপরাধের দায়িত্ব পিতার উপর না।

সাবধান! হে উম্মতেরা আমি কি তোমাদের কাছে পৌছেছি?

তারা বললো,
: হ্যা।

উনি ﷺ বললেন,

: হে আল্লাহ! সাক্ষি থাকবেন।
তিন বার বললেন।
সুলাইমান বিন আমর বর্ননা করেছে উনার পিতা থেকে:
নবী ﷺ বিদায়ী হজ্জে বলেছেন,
: এটা কোন দিন?
তিন বার জিজ্ঞাসা করলেন।

লোকেরা জবাব দিলো,
: বড় হজ্জের দিন।

: নিশ্চই, তোমাদের রক্ত, মাল, সম্মান হারাম, যেরকম হারাম তোমাদের এই দিন, তোমাদের এই মাসে, তোমাদের এই শহরে।

সাবধান! অপরাধির অপরাধের দায়িত্ব শুধু তার উপর। পিতার অপরাধের দায়িত্ব সন্তানের উপর না, আবার সন্তানের অপরাধের দায়িত্ব পিতার উপর না।

সাবধান! হে উম্মতেরা আমি কি তোমাদের কাছে পৌছেছি?

তারা বললো,
: হ্যা।

উনি ﷺ বললেন,

: হে আল্লাহ! সাক্ষি থাকবেন।
তিন বার বললেন।
2019-05-17 12:15:23 azizharis7@...
হুজাইফা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন,

ফিতনা দেখা দিবে
অন্ধ ও বধির হয়ে যাওয়া মানুষদের জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকা হবে।

হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
2019-05-15 10:27:51 @103.84.255.194
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2019-05-11 17:06:34 @58.145.188.254
হুজাইফা রা: বলেছেন:
তিনটা জিনিস দিয়ে ফিতনা বাড়বে।

এমন লোকের হাতে রক্তপাত বৃদ্ধির কারনে, যে ফিতনা বাড়ুক সেটা চায় না, বরং তলোয়ার দ্বারা কমাতে চায়।
এমন খতিবের কারনে যে সবকিছু নিজের দিকে ডাকে।
এবং প্রশংসিত শরিফ লোকের কারনে।

এর পর রক্তপাত যখন বেড়ে যাবে, তখন সেটা তাদেরকে ফেলে দেবে।
এরপর তাদেরকে উপড়ে ফেলবে এবং তাদের নিকট যা ছিলো সেটা তাদের ক্ষতি করবে।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
তিনটা জিনিস দিয়ে ফিতনা বাড়বে।

এমন লোকের হাতে রক্তপাত বৃদ্ধির কারনে, যে ফিতনা বাড়ুক সেটা চায় না, বরং তলোয়ার দ্বারা কমাতে চায়।
এমন খতিবের কারনে যে সবকিছু নিজের দিকে ডাকে।
এবং প্রশংসিত শরিফ লোকের কারনে।

এর পর রক্তপাত যখন বেড়ে যাবে, তখন সেটা তাদেরকে ফেলে দেবে।
এরপর তাদেরকে উপড়ে ফেলবে এবং তাদের নিকট যা ছিলো সেটা তাদের ক্ষতি করবে।
2019-03-31 20:01:06 @2607:fb90:78e:113a:0:5:3133:2001
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2019-03-25 12:44:06 tanvir.civil.aust@...
আবি মুসা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
তোমাদের পরে এমন দিন আসবে যখন অজ্ঞতা নেমে আসবে। ইলম তুলে নেয়া হবে। আর হারজ বেড়ে যাবে।

সবাই জিজ্ঞাসা করলো:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, হারজ কি?

উনি ﷺ বললেন:
কতল করা।
আবি মুসা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
তোমাদের পরে এমন দিন আসবে যখন অজ্ঞতা নেমে আসবে। ইলম তুলে নেয়া হবে। আর হারজ বেড়ে যাবে।

সবাই জিজ্ঞাসা করলো:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, হারজ কি?

উনি ﷺ বললেন:
কতল করা।
2019-03-05 19:28:23 @163.47.156.214
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও।
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও।
2019-03-05 19:26:16 @163.47.156.214
ইবনে হানাফিয়া বলেছেন:
যদি আলী রা: আমাদের ...
ইবনে হানাফিয়া বলেছেন:
যদি আলী রা: আমাদের ...
2019-02-08 01:01:55 @37.111.228.90
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
আরবদের ধ্বংশ নিকটবর্তি এই খারাপ জিনিসটার কারনে -- যুবক ছেলেদের আমির হওয়া।
যদি তাদের আনুগত্য করে তবে তাদের আগুনে প্রবেশ করিয়ে দেবে।
আর যদি তাদের বিরোধিতা করে তবে তাদের গলা কেটে ফেলবে।
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
আরবদের ধ্বংস নিকটবর্তি এই খারাপ জিনিসটার কারনে -- যুবক ছেলেদের আমির হওয়া।
যদি তাদের আনুগত্য করে তবে তাদের আগুনে প্রবেশ করিয়ে দেবে।
আর যদি তাদের বিরোধিতা করে তবে তাদের গলা কেটে ফেলবে।
2018-12-28 12:44:42 @124.6.234.130
খালিদ বিন সুবাই বা সুবাই বিন খালিদ বলছেন:
আমি কুফায় আসলাম। সেখানে অনেক বাহনের ডাক শুনতে পারলাম। আমি কুফার মসজিদে গেলাম। একজন লোক আসলেন এবং সমস্ত লোক উনার চারদিকে জমে গেলেন।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: উনি কে?
জবাব দিলো: হুজাইফা বিন ইয়ামান।

আমি উনার পাশে বসে পড়লাম। উনি বললেন:
মানুষজনেরা নবী ﷺ কে ভালো জিনিষ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন। আমি জিজ্ঞাসা করতাম খারাপ সম্পর্কে।

আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম:
: ইয়া রাসুলুল্লাহ, দেখছেন আমরা এখন যে ভালোর মাঝে আছি। এর আগে কি খারাপ ছিলো? আর এর পরে কি খারাপ আসবে?
উনি ﷺ বললেন:
: হ্যা।
: এর থেকে রক্ষা কিসে?
: তলোয়ারে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, তলোয়ারের পরে কি কিছু বাকি থাকবে?
: হ্যা। এর পর সন্ধি।
: সন্ধির পরে?
: বিশৃংখলার দিকে ডাক দেয়া হবে। যদি তুমি তখন কোনো খলিফাকে দেখো, তবে তার আনুগত্য করবে। যদিও সে তোমার পিঠে বেত্রাঘাত করে, আর তোমার মাল কেড়ে নেয়। আর যদি খলিফা না থাকে, তবে পালাও যতক্ষন না তোমার মউত আসে এই অবস্থায় যে তুমি গাছ কামড়ে ধরে আছো।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ এর পর কি হবে?
: দাজ্জাল বের হবে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, দাজ্জাল কি নিয়ে আসবে?
: সে আসবে আগুন আর ঝর্না নিয়ে। যে তার আগুনে পড়বে সে পুরস্কার পাবে, তার গুনাহ কমে যাবে। যে তার ঝর্নায় পড়বে, তার পুরস্কার কমে যাবে, সে গুনাহ পাবে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, দাজ্জালের পর কি?
: তোমাদের কোন একজন ঘোড়ায় জিন চড়িয়ে তাতে উঠার সময় পাবে না, কিয়ামত চলে আসবে।
খালিদ বিন সুবাই বা সুবাই বিন খালিদ বলছেন:
আমি কুফায় আসলাম। সেখানে অনেক বাহনের ডাক শুনতে পারলাম। আমি কুফার মসজিদে গেলাম। একজন লোক আসলেন এবং সমস্ত লোক উনার চারদিকে জমে গেলেন।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: উনি কে?
জবাব দিলো: হুজাইফা বিন ইয়ামান।

আমি উনার পাশে বসে পড়লাম। উনি বললেন:
মানুষজনেরা নবী ﷺ কে ভালো জিনিষ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন। আমি জিজ্ঞাসা করতাম খারাপ সম্পর্কে।

আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম:
: ইয়া রাসুলুল্লাহ, দেখছেন আমরা এখন যে ভালোর মাঝে আছি। এর আগে কি খারাপ ছিলো? আর এর পরে কি খারাপ আসবে?
উনি ﷺ বললেন:
: হ্যা।
: এর থেকে রক্ষা কিসে?
: তলোয়ারে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, তলোয়ারের পরে কি কিছু বাকি থাকবে?
: হ্যা। এর পর সন্ধি।
: সন্ধির পরে?
: বিশৃংখলার দিকে ডাক দেয়া হবে। যদি তুমি তখন কোনো খলিফাকে দেখো, তবে তার আনুগত্য করবে। যদিও সে তোমার পিঠে বেত্রাঘাত করে, আর তোমার মাল কেড়ে নেয়। আর যদি খলিফা না থাকে, তবে পালাও যতক্ষন না তোমার মউত আসে এই অবস্থায় যে তুমি গাছ কামড়ে ধরে আছো।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ এর পর কি হবে?
: দাজ্জাল বের হবে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, দাজ্জাল কি নিয়ে আসবে?
: সে আসবে আগুন আর ঝর্না নিয়ে। যে তার আগুনে পড়বে সে পুরস্কার পাবে, তার গুনাহ কমে যাবে। যে তার ঝর্নায় পড়বে, তার পুরস্কার কমে যাবে, সে গুনাহ পাবে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, দাজ্জালের পর কি?
: তোমাদের কোন একজন ঘোড়ায় জিন চড়িয়ে তাতে উঠার সময় পাবে না, কিয়ামত চলে আসবে।
2018-11-14 16:54:25 @103.120.202.227
হুজাইফা রা: এবং আবু মাসউদ রা: মসজিদে বসে ছিলেন। ঐ সময়ে কুফাবাসীরা সাইদ ইবনে আস রা: কে মাত্র বহিস্কার করেছে।

এক লোক উনাদের দুজনের কাছে আসলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন,
: আপনাদের কি জিনিস আটকিয়ে রেখেছে? অথচ সমস্ত মানুষ বেরিয়ে পড়েছে! ওয়াল্লাহ আমরাই সুন্নাহর উপর আছি।

তারা জবাব দিলো,
: তোমরা কি করে সুন্নাহর উপর আছো, যেখানে তোমরা তোমাদের ইমামকে বহিস্কার করেছো? ওয়াল্লাহ তোমরা সুন্নাহর উপর নেই যতক্ষন না তোমাদের নেতারা দুঃখ প্রকাশ করে জনগনকে নসিহা করে।

: যদি নেতারা দুঃখ প্রকাশ না করে, এবং জনগনকে নসিহা না করে -- তবে আমাদের কি বলেবেন?

: তবে আমরা বেরিয়ে যাবো, এবং তোমাদের বিদায় জানাবো।
হুজাইফা রা: এবং আবু মাসউদ রা: মসজিদে বসে ছিলেন। ঐ সময়ে কুফাবাসীরা সাইদ ইবনে আস রা: কে মাত্র বহিস্কার করেছে।

এক লোক উনাদের দুজনের কাছে আসলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন,
: আপনাদের কি জিনিস আটকিয়ে রেখেছে? অথচ সমস্ত মানুষ বেরিয়ে পড়েছে! ওয়াল্লাহ আমরাই সুন্নাহর উপর আছি।

তারা জবাব দিলো,
: তোমরা কি করে সুন্নাহর উপর আছো, যেখানে তোমরা তোমাদের ইমামকে বহিস্কার করেছো? ওয়াল্লাহ তোমরা সুন্নাহর উপর নেই যতক্ষন না তোমাদের নেতারা দুঃখ প্রকাশ করে জনগনকে নসিহা করে।

: যদি নেতারা দুঃখ প্রকাশ না করে, এবং জনগনকে নসিহা না করে -- তবে আমাদের কি বলেবেন?

: তবে আমরা বেরিয়ে যাবো, এবং তোমাদের বিদায় জানাবো।
2018-11-08 20:39:56 @116.193.135.215
আলী রা: বলেছেন:
ইসলাম কমে যেতে থাকবে।
এমন কি "আল্লাহ, আল্লাহ" বলার মত মানুষ থাকবে না।
এ অবস্থা হলে দ্বীনের এক শীর্ষ নেতা দাড়িয়ে যাবে তার পাপ নিয়ে।
এর পর মানুষ বেরিয়ে তার চারিদিকে জড়ো হত থাকবে যেভাবে শরৎ কালে মেঘ জমা হয়।
ওয়াল্লাহ! আমি তাদের আমিরের নাম জানি এবং তাদের ঘোড়ার জাতও জানি।
আলী রা: বলেছেন:
ইসলাম কমে যেতে থাকবে।
এমন কি "আল্লাহ, আল্লাহ" বলার মত মানুষ থাকবে না।
এ অবস্থা হলে দ্বীনের এক শীর্ষ নেতা দাড়িয়ে যাবে তার পাপ নিয়ে।
এর পর মানুষ বেরিয়ে তার চারিদিকে জড়ো হত থাকবে যেভাবে শরৎ কালে মেঘ জমা হয়।
ওয়াল্লাহ! আমি তাদের আমিরের নাম জানি এবং তাদের ঘোড়ার জাতও জানি।
2018-10-28 22:40:14 @119.30.47.73
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলছেন,
যখন উথমান রা: এর বিরোধিতায় মানুষ বিভক্ত হয়ে গেলো তখন আমার পিতা দাড়িয়ে গেলেন।
রাতে নামাজ পড়লেন।
এর পর ঘুমালেন।
তাকে বলা হলো,
: দাড়াও! আর আল্লার কাছে চাও যেন উনি তোমাকে ফিতনা থেকে রক্ষা করেন। যে ফিতনা থেকে উনি উনার নেক বান্দাদের রক্ষা করেন।

উনি দাড়ালেন।
এক সময় অসুস্থ হয়ে গেলেন।
মৃত্যু পর্যন্ত উনাকে আর বের হতে দেখি নি।
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলছেন,
যখন উথমান রা: এর বিরোধিতায় মানুষ বিভক্ত হয়ে গেলো তখন আমার পিতা দাড়িয়ে গেলেন।
রাতে নামাজ পড়লেন।
এর পর ঘুমালেন।
তাকে বলা হলো,
: দাড়াও! আর আল্লার কাছে চাও যেন উনি তোমাকে ফিতনা থেকে রক্ষা করেন। যে ফিতনা থেকে উনি উনার নেক বান্দাদের রক্ষা করেন।

উনি দাড়ালেন।
এক সময় অসুস্থ হয়ে গেলেন।

 
মৃত্যু পর্যন্ত উনাকে আর বের হতে দেখি নি।
2018-10-28 22:39:48 @119.30.47.73
হুজাইফা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ কে মানুষ ভালো জিনিষ নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেন। আমি খারাপ জিনিষ নিয়ে জিজ্ঞাসা করতাম। ভালো গুলো সম্পর্কে [মানুষদের কাছ থেকে] জেনে নিতাম যেগুলো শুনিনি।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: 'ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
উনি ﷺ জবাব দিলেন, "হ্যা হুজাইফা! আল্লাহর কিতাব, এতে যা আছে তা অনুসরন করবে।"

আমি এটা তিন বার জিজ্ঞাসা করেছিলাম।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: "ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
উনি ﷺ জবাব দিলেন, "ফিতনা আর খারাপ"
: ঐ খারাপের পর কি ভালো আসবে?
: হ্যা, হুজাইফা! আল্লাহর কিতাব, এতে যা আছে তা অনুসরন করবে।" তিনবার বললেন।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: "ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
জবাব দিলেন, "অন্ধ আর বধির ফিতনা। তখন [কিছু লোক] মানুষকে জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকবে। হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ কে মানুষ ভালো জিনিষ নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেন। আমি খারাপ জিনিষ নিয়ে জিজ্ঞাসা করতাম। ভালো গুলো সম্পর্কে [মানুষদের কাছ থেকে] জেনে নিতাম যেগুলো শুনিনি।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: 'ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
উনি ﷺ জবাব দিলেন, "হ্যা হুজাইফা! আল্লাহর কিতাব, এতে যা আছে তা অনুসরন করবে।"

আমি এটা তিন বার জিজ্ঞাসা করেছিলাম।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: "ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
উনি ﷺ জবাব দিলেন, "ফিতনা আর খারাপ"
: ঐ খারাপের পর কি ভালো আসবে?
: হ্যা, হুজাইফা! আল্লাহর কিতাব, এতে যা আছে তা অনুসরন করবে।" তিনবার বললেন।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: "ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
জবাব দিলেন, "অন্ধ আর বধির ফিতনা। তখন [কিছু লোক] মানুষকে জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকবে। হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
2018-10-28 22:12:40 @119.30.47.73
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলছেন,
যখন উথমান রা: এর বিরোধিতায় মানুষ বিভক্ত হয়ে গেলো তখন আমার পিতা দাড়িয়ে গেলেন।
রাতে নামাজ পড়লেন।
এর পর ঘুমালেন।
তাকে বলা হলো,
: দাড়াও! আর আল্লার কাছে চাও যেন উনি তোমাকে ফিতনা থেকে রক্ষা করেন। যে ফিতনা থেকে উনি উনার নেক বান্দাদের রক্ষা করেন।

উনি দাড়ালেন।
এক সময় অসুস্থ হয়ে গেলেন।
মৃত্যু পর্যন্ত উনাকে আর বের হতে দেখি নি।
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলছেন,
যখন উথমান রা: এর বিরোধিতায় মানুষ বিভক্ত হয়ে গেলো তখন আমার পিতা দাড়িয়ে গেলেন।
রাতে নামাজ পড়লেন।
এর পর ঘুমালেন।
তাকে বলা হলো,
: দাড়াও! আর আল্লার কাছে চাও যেন উনি তোমাকে ফিতনা থেকে রক্ষা করেন। যে ফিতনা থেকে উনি উনার নেক বান্দাদের রক্ষা করেন।

উনি দাড়ালেন।
এক সময় অসুস্থ হয়ে গেলেন।
মৃত্যু পর্যন্ত উনাকে আর বের হতে দেখি নি।
2018-10-18 17:57:32 @103.91.232.3
ইবনে হানাফীয়া রা: বলেছেন:
আল্লাহ রহম করুন ঐ লোকের উপর যে
তার হাত গুটিয়ে রাখে,
জিহ্বাকে আটকিয়ে রাখে,
অন্তরকে চাহিদাশূন্য রাখে
নিজের ঘরে বসে থাকে
আর তার নিজ দায়িত্ব নিজের উপর।
সে কিয়ামতের দিন ঐ লোকদের সাথে থাকবে, যাদেরকে ভালোবাসা হবে।
সাবধান! মুমিনদের তলোয়ার তাদের দিকে সবচেয়ে দ্রুত আসে।
সাবধান! বিজয় হক্বের জন্য। আল্লাহ তায়ালা যখন চান দিবেন।
ইবনে হানাফীয়া রা: বলেছেন:
আল্লাহ রহম করুন ঐ লোকের উপর যে
তার হাত গুটিয়ে রাখে,
জিহ্বাকে আটকিয়ে রাখে,
অন্তরকে চাহিদাশূন্য রাখে
নিজের ঘরে বসে থাকে
আর তার নিজ দায়িত্ব নিজের উপর।
সে কিয়ামতের দিন ঐ লোকদের সাথে থাকবে, যাদেরকে ভালোবাসা হবে।
সাবধান! মুমিনদের তলোয়ার তাদের দিকে সবচেয়ে দ্রুত আসে।
সাবধান! বিজয় হক্বের জন্য। আল্লাহ তায়ালা যখন চান দিবেন।
2018-09-25 09:18:16 @43.245.123.89
মুসলিম ইবনু আবু বাকরাহ (রাঃ) হতে তার পিতা তিনি বলেন, 
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয়ই ফিতনা আসবে। তখন বসে থাকা ব্যক্তির চেয়ে শয়নকারী এবং দাড়ানো ব্যক্তির চেয়ে হেঁটে চলা ব্যক্তি উত্তম হবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। এ ব্যাপারে আপনি আমাকে কি নির্দেশ দেন। তিনি বললেন, যার উট আছে, সে যেন তার উটের সঙ্গে, যার বকরী আছে, সে তার বকরীর সঙ্গে এবং যার জমি আছে সে তার জমি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। তিনি প্রশ্ন করলেন, যার এসবের কিছুই নেই? তিনি বললেন, সে যেন তার তলোয়ারের দিকে মনোনিবেশ করে এবং পাথরের আঘাতে তরবারির ধার চূর্ণ করে দেয়, অতঃপর যথাসাধ্য চেষ্টা করে সেই ফিতনা হতে মুক্তি পাওয়ার।



2018-07-14 18:47:23 @103.52.140.65
সায়িদ বলেছেন যে,
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নি
মুসলিম ইবনু আবু বাকরাহ (রাঃ) হতে তার পিতা তিনি বলেন, 
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয়ই ফিতনা আসবে। তখন বসে থাকা ব্যক্তির চেয়ে শয়নকারী এবং দাড়ানো ব্যক্তির চেয়ে হেঁটে চলা ব্যক্তি উত্তম হবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। এ ব্যাপারে আপনি আমাকে কি নির্দেশ দেন। তিনি বললেন, যার উট আছে, সে যেন তার উটের সঙ্গে, যার বকরী আছে, সে তার বকরীর সঙ্গে এবং যার জমি আছে সে তার জমি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। তিনি প্রশ্ন করলেন, যার এসবের কিছুই নেই? তিনি বললেন, সে যেন তার তলোয়ারের দিকে মনোনিবেশ করে এবং পাথরের আঘাতে তরবারির ধার চূর্ণ করে দেয়, অতঃপর যথাসাধ্য চেষ্টা করে সেই ফিতনা হতে মুক্তি পাওয়ার।

2018-07-14 18:46:26 @103.52.140.65
উম্মে সালমা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
রুকন ও মাকাম এর মাঝে এক জন লোকের কাছে মানুষ বায়াত দেবে।
তাদের সংখ্যা হবে বদরের লোকদের সমান।
উনার কাছে ইরাক থেকে একটি দল এবং সিরিয়া থেকে আবদালগন আসবেন।
তাদেরকে সিরিয়া বাসীদের মাঝ থেকে একটা বাহিনী এসে আক্রমন করবে।
বাইদাহতে তারা ভুমি ধ্বসে পড়বে।
এর পর কুরাইশ বংশের এক লোক তাদের আক্রমন করবে যে কিনা কলব গোত্রের।
তার সাথে যুদ্ধ হবে এবং আল্লাহ তাদের বিজয়ী করবেন।

এর পর উনি ﷺ বলেন,
সে লোক ব্যর্থ, যে কলবের গনিমত নিতে ব্যর্থ।
উম্মে সালমা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
রুকন ও মাকাম এর মাঝে এক জন লোকের কাছে মানুষ বায়াত দেবে।
তাদের সংখ্যা হবে বদরের লোকদের সমান।
উনার কাছে ইরাক থেকে একটি দল এবং সিরিয়া থেকে আবদালগন আসবেন।
তাদেরকে সিরিয়া বাসীদের মাঝ থেকে একটা বাহিনী এসে আক্রমন করবে।
বাইদাহতে তারা ভুমি ধ্বসে পড়বে।
এর পর কুরাইশ বংশের এক লোক তাদের আক্রমন করবে যে কিনা কলব গোত্রের।
তার সাথে যুদ্ধ হবে এবং আল্লাহ তাদের বিজয়ী করবেন।

এর পর উনি ﷺ বলেন,
সে লোক ব্যর্থ, যে কলবের গনিমত নিতে ব্যর্থ।
2018-04-27 22:05:45 mdhedayet.nk@...
হুজাইফা রা: লোকদের বলছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা দ্বীনের ব্যপারে এরকম উদার হয়ে যাবে, যেমন এক মহিলা কবুল বলার পর উদার হয়ে যায়। তার কাছে যে আসে তাকে মানা করে না?

: আমরা জানি না।

: কিন্তু ওয়াল্লাহ! আমি জানি। তোমরা সেদিন থাকবে অক্ষম আর অসৎ হবার মাঝে।

ঐ কওম থেকে এক লোক বললেন,

: এর অক্ষমতাকে ঘৃনা করে তা থেকে দূরে থাকতে হবে।

হুজাইফা রা: তখন ঐ লোকের গায়ে কয়েকবার আঘাত করলেন। এর পর বললেন,

: যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে। যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে।
হুজাইফা রা: লোকদের বলছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা দ্বীনের ব্যপারে এরকম উদার হয়ে যাবে, যেমন এক মহিলা কবুল বলার পর উদার হয়ে যায়। তার কাছে যে আসে তাকে মানা করে না?

: আমরা জানি না।

: কিন্তু ওয়াল্লাহ! আমি জানি। তোমরা সেদিন থাকবে অক্ষম আর অসৎ হবার মাঝে।

ঐ কওম থেকে এক লোক বললেন,

: এর অক্ষমতাকে ঘৃনা করে তা থেকে দূরে থাকতে হবে।

হুজাইফা রা: তখন ঐ লোকের গায়ে কয়েকবার আঘাত করলেন। এর পর বললেন,

: যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে। যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে।
2018-04-27 21:57:26 mdhedayet.nk@...
মুজাহিদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
কিয়ামতের আগে রাতের আধার টুকরার মত ফিতনা দেখা দিবে।
সকালে এক জন মুমিন থাকবে, তো সন্ধায় সে কাফির হয়ে যাবে।
সন্ধায় মুমিন থাকবে, তো সকালে কাফির হয়ে যাবে।
মানুষ তার দ্বীনকে দুনিয়ার মালের বিনিময়ে বিক্রি করে দেবে।
মুজাহিদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
কিয়ামতের আগে রাতের আধার টুকরার মত ফিতনা দেখা দিবে।
সকালে এক জন মুমিন থাকবে, তো সন্ধায় সে কাফির হয়ে যাবে।
সন্ধায় মুমিন থাকবে, তো সকালে কাফির হয়ে যাবে।
মানুষ তার দ্বীনকে দুনিয়ার মালের বিনিময়ে বিক্রি করে দেবে।
2018-04-16 10:10:35 @103.200.36.201
আবু সাইদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
আবু সাইদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
2018-03-10 15:13:20 @103.77.60.18
আবি মুসা রা: বলেছেন,
উনি ﷺ আমাদেরকে খুতবা দিলেন এবং বললেন,
সাবধান! তোমাদের পেছনে আধার রাত্রির টুকরার মত ফিতনা আছে।
তখন এক লোক সকালে মু'মিন থাকবে তো সন্ধায় কাফির হবে।
সন্ধায় কাফির থাকলে সকালে মু'মিন হবে।
ঐ সময়ে বসে থাকা লোক দাড়ানো লোকের থেকে ভালো।
দাড়ানো লোক হেটে চলা লোকের থেকে ভালো।
হেটে চলা লোক আরোহী থেকে ভালো।

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো:
আমাদের কি করতে বলেন?

উনি ﷺ বললেন,
বাসায় বসে থাকবে।
আবি মুসা রা: বলেছেন,
উনি ﷺ আমাদেরকে খুতবা দিলেন এবং বললেন,
সাবধান! তোমাদের পেছনে আধার রাত্রির টুকরার মত ফিতনা আছে।
তখন এক লোক সকালে মু'মিন থাকবে তো সন্ধায় কাফির হবে।
সন্ধায় কাফির থাকলে সকালে মু'মিন হবে।
ঐ সময়ে বসে থাকা লোক দাড়ানো লোকের থেকে ভালো।
দাড়ানো লোক হেটে চলা লোকের থেকে ভালো।
হেটে চলা লোক আরোহী থেকে ভালো।

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো:
আমাদের কি করতে বলেন?

উনি ﷺ বললেন,
বাসায় বসে থাকবে।
2018-02-28 01:53:03 @117.58.242.163
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"ং
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2018-02-21 17:07:03 @58.84.33.65
আসিম আল বাজালি বলেছেন,
: তোমাদের মালামাল থেকে তোমরা মুক্ত হও যখন তোমরা দেখবে
শাবান মাসে একটা নিদর্শন,
রমজানে দুটো হটাৎ প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা,
শাওয়াল মাসে মানুষের দলে দলে বিভক্ত হয়ে যাওয়া,
জিলকদ মাসে যুদ্ধ ও বিশৃংখলা,
আর জিলহজ্জ মাসে ধংশ বা বিচার।।
আসিম আল বাজালি বলেছেন,
: তোমাদের মালামাল থেকে তোমরা মুক্ত হও যখন তোমরা দেখবে
শাবান মাসে একটা নিদর্শন,
রমজানে দুটো হটাৎ প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা,
শাওয়াল মাসে মানুষের দলে দলে বিভক্ত হয়ে যাওয়া,
জিলকদ মাসে যুদ্ধ ও বিশৃংখলা,
আর জিলহজ্জ মাসে ধংশ বা বিচার।।
2018-01-09 14:30:27 @2402:1980:104:460c:c4ba:cb25:5ac:dde7
শাকিক বলেছেন:
হুজাইফা রা: বলেছেন:
আমরা ওমর রা: এর সাথে বসে ছিলাম। উনি জিজ্ঞাসা করলেন:
"তোমাদের মাঝে কে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর ফিতনা সম্পর্কিত হাদিস মুখস্ত করে রেখেছো যেভাবে উনি বলেছিলেন?"

বললাম, "আমি।"

: তুমি তো দুঃসাহসী। কিভাবে?

: আমি শুনেছি রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: একজন মানুষের ফিতনা হলো তার পরিবার, তার মাল, সে নিজে, তার সন্তান আর তার প্রতিবেশি। এর ক্ষমা হলো রোজা আর সদকা।

: আমি এটা জানতে চাইনি। আমি জানতে চাইছি ওটা সম্পর্কে যেটার ঢেউ হবে সমূদ্রের ঢেউয়ের মত।

: তাতে আপনার আর তার কি আমিরুল মু'মিনিন? আপনার আর তার মাঝে একটা দরজা আছে, বন্ধ।

: দরজাটা কি ভাঙ্গা হবে নাকি খুলা হবে?

: না। বরং ভাঙ্গা হবে।

: সেটা হলে, চেস্টা করলেও সেই দরজা আর কখনো বন্ধ করতে পারবে না।

আমরা হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করলাম,
: ওমর রা: কি জানতেন দরজাটা কে?

: হ্যা। যে রকম আমি জানি রাতের পরে দিন। আমি উনাকে এমন হাদিস বর্ননা করেছি যেটাতে প্রশ্ন তোলার মত কিছু ছিলো না।

শাকিক বলছেন:
আমরা ভয় পেলাম হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করতে, ঐ দরজাটা আসলে কে? তাই আমরা মাসরুককে বললাম, আপনি বরং উনাকে জিজ্ঞাসা করেন।

উনি জিজ্ঞাসা করলেন।

হুজাইফা রা: জবাব দিলেন: "ওমর।"
শাকিক বলেছেন:
হুজাইফা রা: বলেছেন:
আমরা ওমর রা: এর সাথে বসে ছিলাম। উনি জিজ্ঞাসা করলেন:
"তোমাদের মাঝে কে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর ফিতনা সম্পর্কিত হাদিস মুখস্ত করে রেখেছো যেভাবে উনি বলেছিলেন?"

বললাম, "আমি।"

: তুমি তো দুঃসাহসী। কিভাবে?

: আমি শুনেছি রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: একজন মানুষের ফিতনা হলো তার পরিবার, তার মাল, সে নিজে, তার সন্তান আর তার প্রতিবেশি। এর ক্ষমা হলো রোজা আর সদকা।

: আমি এটা জানতে চাইনি। আমি জানতে চাইছি ওটা সম্পর্কে যেটার ঢেউ হবে সমূদ্রের ঢেউয়ের মত।

: তাতে আপনার আর তার কি আমিরুল মু'মিনিন? আপনার আর তার মাঝে একটা দরজা আছে, বন্ধ।

: দরজাটা কি ভাঙ্গা হবে নাকি খুলা হবে?

: না। বরং ভাঙ্গা হবে।

: সেটা হলে, চেস্টা করলেও সেই দরজা আর কখনো বন্ধ করতে পারবে না।

আমরা হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করলাম,
: ওমর রা: কি জানতেন দরজাটা কে?

: হ্যা। যে রকম আমি জানি রাতের পরে দিন। আমি উনাকে এমন হাদিস বর্ননা করেছি যেটাতে প্রশ্ন তোলার মত কিছু ছিলো না।

শাকিক বলছেন:
আমরা ভয় পেলাম হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করতে, ঐ দরজাটা আসলে কে? তাই আমরা মাসরুককে বললাম, আপনি বরং উনাকে জিজ্ঞাসা করেন।

উনি জিজ্ঞাসা করলেন।

হুজাইফা রা: জবাব দিলেন: "ওমর।"
2017-12-21 12:57:27 @202.134.13.142
আলী রা: বলেছেন,
এই উম্মার জন্য আল্লাহ তায়ালা পাচটি ফিতনা রেখেছেন।
সর্বসাধারনদের ফিতনা,
এর পর বিশেষ ব্যক্তিদের ফিতনা,
এর পর সর্বসাধারনদের ফিতনা,
এর পর বিশেষ ব্যক্তিদের ফিতনা,
এর পর ঢেউয়ের মত ফিতনা, সমূদ্রের ঢেউয়ের মত।
মানুষ তাতে সাতার কাটবে গরু-ছাগলের মত।
আলী রা: বলেছেন,
এই উম্মার জন্য আল্লাহ তায়ালা পাচটি ফিতনা রেখেছেন।
সর্বসাধারনদের ফিতনা,
এর পর বিশেষ ব্যক্তিদের ফিতনা,
এর পর সর্বসাধারনদের ফিতনা,
এর পর বিশেষ ব্যক্তিদের ফিতনা,
এর পর ঢেউয়ের মত ফিতনা, সমূদ্রের ঢেউয়ের মত।
মানুষ তাতে সাতার কাটবে গরু-ছাগলের মত।
2017-12-18 19:46:39 @116.193.135.208
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলেছেন,
আমরা একসময় রাসুলুল্লাহ ﷺ এর চারদিকে বসা ছিলাম।
উনি ﷺ ফিতনার কথা আলোচনা করলেন বা অন্য কেউ প্রসংগ তুললো।
তিনি ﷺ বললেন,

: যখন দেখবে মানুষ তাদের ওয়াদা ভঙ্গ করছে,
আমানত খিয়ানত করছে,
এবং এই রকম হয়ে গিয়েছে
বলে উনি উনার আংগুলগুলো একে অন্যটার ভেতর ঢুকালেন।

তখন আমি দাড়িয়ে উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম,
: ঐ সময়ে আমি কি করবো? আল্লাহ আমাকে আপনার মুক্তিপন বানান।

উনি ﷺ আমাকে বললেন,
: তখন নিজের বাসায় থাকবে,
নিজের জিহ্বাকে সংযত রাখবে,
যেটা জানো সেটা গ্রহন করবে,
যেটা খারাপ জানো, করো সেটা পরিত্যগ করবে,
তোমার দায়িত্ব শুধু তোমার নিজের বিষয় দেখা,
আর জনসাধারনের কাজ পরিত্যগ করবে।
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলেছেন,
আমরা একসময় রাসুলুল্লাহ ﷺ এর চারদিকে বসা ছিলাম।
উনি ﷺ ফিতনার কথা আলোচনা করলেন বা অন্য কেউ প্রসংগ তুললো।
তিনি ﷺ বললেন,

: যখন দেখবে মানুষ তাদের ওয়াদা ভঙ্গ করছে,
আমানত খিয়ানত করছে,
এবং এই রকম হয়ে গিয়েছে
বলে উনি উনার আংগুলগুলো একে অন্যটার ভেতর ঢুকালেন।

তখন আমি দাড়িয়ে উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম,
: ঐ সময়ে আমি কি করবো? আল্লাহ আমাকে আপনার মুক্তিপন বানান।

উনি ﷺ আমাকে বললেন,
: তখন নিজের বাসায় থাকবে,
নিজের জিহ্বাকে সংযত রাখবে,
যেটা জানো সেটা গ্রহন করবে,
যেটা খারাপ জানো,  সেটা পরিত্যাগ  করবে,
তোমার দায়িত্ব শুধু তোমার নিজের বিষয় দেখা,
আর জনসাধারনের কাজ পরিত্যাগ করবে। 
2017-11-19 18:46:43 @36.255.189.18
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"ং
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"ং
2017-11-19 18:41:31 @36.255.189.18
আবু সাইদ খুদরী রা: লোকদেরকে বলেছেন,
: সাবধান! অন্ধ কতল আর জাহেলিয়াতের উপর মৃত্যু থেকে।
: অন্ধ কতল কি?
: যখন বলা হয় হে অমুকের লোক! হে অমুকের বংশ!
: আর জাহেলিয়াতের মৃত্যু কি?
: তুমি যদি মারা যাও এমন অবস্থায় যে তোমার কোনো ইমাম নেই।
আবু সাইদ খুদরী রা: লোকদেরকে বলেছেন,
: সাবধান! অন্ধ কতল আর জাহেলিয়াতের উপর মৃত্যু থেকে।
: অন্ধ কতল কি?
: যখন বলা হয় হে অমুকের লোক! হে অমুকের বংশ!
: আর জাহেলিয়াতের মৃত্যু কি?
: তুমি যদি মারা যাও এমন অবস্থায় যে তোমার কোনো ইমাম নেই।
2017-11-12 23:35:21 9sirazul@...
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
যখন উসমান রা: উনার কাছে হুকুম পাঠালেন মদিনার দিকে বেরিয়ে যেতে।
তখন মানুষেরা উনার কাছে আসলো।

তারা তাকে বললো:
দাড়ান। আপনি বের হবেন না। আমরা আপনাকে নিষেধ করছি।
উনার কাছ থেকে আপনার কাছে অপছন্দনীয় কিছু আসবে না।

আব্দুল্লাহ বললেন:
শিগ্রি ঘটনা ঘটবে এবং ফিতনা দেখা দিবে।
আমি এটা পছন্দ করি না যে আমি প্রথম এটা খুলবো, অথচ উনি আমার আনুগত্য প্রাপ্য।

মানুষ এর পর একে একে চলে গেল এবং উনি বের হলেন।
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
যখন উসমান রা: উনার কাছে হুকুম পাঠালেন মদিনার দিকে বেরিয়ে যেতে।
তখন মানুষেরা উনার কাছে আসলো।

তারা তাকে বললো:
দাড়ান। আপনি বের হবেন না। আমরা আপনাকে নিষেধ করছি।
উনার কাছ থেকে আপনার কাছে অপছন্দনীয় কিছু আসবে না।

আব্দুল্লাহ বললেন:
শিগ্রি ঘটনা ঘটবে এবং ফিতনা দেখা দিবে।
আমি এটা পছন্দ করি না যে আমি প্রথম এটা খুলবো, অথচ উনি আমার আনুগত্য প্রাপ্য।

মানুষ এর পর একে একে চলে গেল এবং উনি বের হলেন।
2017-11-12 23:34:56 9sirazul@...
সাল্লাম বিন শুরাহবিল বলেছেন,
আবি হারথামা বলেছেন,

উনার ভেড়াটা মল ত্যগ করছিলো। এটা দেখে উনি উনার দাসীকে বললেন,

হে জারদা, এই গোবর গুলো আমাকে একটা হাদিসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে যেটা আমি আমিরুল মু'মিনিনের কাছ থেকে শুনেছিলাম। আমি তখন উনার সাথে কারবালায় ছিলাম। আমরা একটা গাছের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম যার নিচে হরিনের গোবর ছিলো। উনি সেখান থেকে এক মুঠ তুলে নিয়ে এর গন্ধ শুকলেন এবং বললেন,

এর পিঠ থেকে সত্তর হাজার লোক হাশরের ময়দানে উঠে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
সাল্লাম বিন শুরাহবিল বলেছেন,
আবি হারথামা বলেছেন,

উনার ভেড়াটা মল ত্যগ করছিলো। এটা দেখে উনি উনার দাসীকে বললেন,

হে জারদা, এই গোবর গুলো আমাকে একটা হাদিসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে যেটা আমি আমিরুল মু'মিনিনের কাছ থেকে শুনেছিলাম। আমি তখন উনার সাথে কারবালায় ছিলাম। আমরা একটা গাছের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম যার নিচে হরিনের গোবর ছিলো। উনি সেখান থেকে এক মুঠ তুলে নিয়ে এর গন্ধ শুকলেন এবং বললেন,

এর পিঠ থেকে সত্তর হাজার লোক হাশরের ময়দানে উঠে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
2017-11-06 11:00:27 @202.134.13.141
হুজাইফা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন,

ফিতনা দেখা দিবে।
অন্ধ ও বধির হয়ে যাওয়া মানুষদের জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকা হবে।

হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন,

ফিতনা দেখা দিবে
অন্ধ ও বধির হয়ে যাওয়া মানুষদের জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকা হবে।

হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
2017-08-10 23:51:25 @43.245.123.9

হুজাইফা বিন ইয়ামান রা: বলেছেন,

ফিতনা হবে,
মানুষ দাড়িয়ে তার নাকে আঘাত করতে থাকবে যতক্ষন না সেটা চলে যায়।

এর পর আরেকটা ফিতনা হবে
মানুষ দাড়িয়ে তার নাকে আঘাত করতে থাকবে যতক্ষন না সেটা চলে যায়।

এর পর আরেকটা ফিতনা হবে
মানুষ দাড়িয়ে তার নাকে আঘাত করতে থাকবে যতক্ষন না সেটা চলে যায়।

এর পর পঞ্চম ফিতনা হবে, এর আঘাত হবে প্রচন্ড। পৃথিবীতে এমন ভাবে ছড়িয়ে পড়বে যেভাবে পানি ছড়িয়ে পড়ে।

2017-08-08 07:33:41 habib@...

আবি মিজলাজ বলেছেন, এক লোক বলছে,

হে বনু তামিমের বংশধর! উমর বিন খাত্তাব রা: তাদের এক বছর দান করা নিষেধ করে দিয়েছিলেন, এর পরের বছর থেকে উনি নিজের থেকে দান করা আরম্ভ করেন।

2017-08-08 07:33:22 habib@...
আলী ইবনে আবি তালিব রা: বলেছেন,
তোমাদের মাঝে যে সেই জামানা পাবে সে যেন বর্শা দিয়ে আঘাত না করে।
বা তলোয়ার দিয়ে আঘাত না করে।
বা পাথর ছুড়ে না মারে।
বরং সবর করবে, কারন শেষ পুরষ্কার মুত্তাকিদের।
2017-08-08 07:32:59 habib@...
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলেছেন,
ফিতনা দেখা দিবে। আরবদের উপর ফোটায় ফোটায় পড়বে।
সে সময় কতলকারী জাহান্নামে যাবে।
সে সময় জিহ্বা, তলোয়ারের আঘাত থেকেও প্রচন্ড হবে।
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলেছেন,
ফিতনা দেখা দিবে। আরবদের উপর ফোটায় ফোটায় পড়বে।
সে সময় কতলকারী জাহান্নামে যাবে।
সে সময় জিহ্বা, তলোয়ারের আঘাত থেকেও প্রচন্ড হবে।
2017-07-02 10:44:46 @202.191.125.174
মুহাম্মদ বিন মাসলামা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে একটা তলোয়ার দিয়ে বললেন:

এটা দিয়ে তুমি মুশরিকদের কতল কর, যাদের কতল করা হয়।
আর যখন দেখবে মানুষদের একদল অন্যদলকে মারছে -- বা এরকম কোনো কথা বললেন,
তখন এটা নিয়ে তুমি পাথরের কাছে চলে যাও এবং এটা দিয়ে পাথরের উপর মারতে থাকো যতক্ষন না এটা ভেঙ্গে যায়।

এর পর নিজেকে নিজের বাসায় আটকে রাখো যতক্ষন না তোমার কাছে খারাপ কোনো হাত আসে বা মৃত্যুর লিখনি চলে আসে।
মুহাম্মদ বিন মাসলামা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে একটা তলোয়ার দিয়ে বললেন:

এটা দিয়ে তুমি মুশরিকদের কতল কর, যাদের কতল করা হয়।
আর যখন দেখবে মানুষদের একদল অন্যদলকে মারছে -- বা এরকম কোনো কথা বললেন,
তখন এটা নিয়ে তুমি পাথরের কাছে চলে যাও এবং এটা দিয়ে পাথরের উপর মারতে থাকো যতক্ষন না এটা ভেঙ্গে যায়।

এর পর নিজেকে নিজের বাসায় আটকে রাখো যতক্ষন না তোমার কাছে খারাপ কোনো হাত আসে বা মৃত্যুর লিখনি চলে আসে।
2017-06-14 22:46:50 @103.230.106.6
এক ব্যক্তি হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করলো,
: যখন মুসুল্লিদের কতল করা হবে তখন আমি কি করবো?
: নিজের বাসায় ঢুকে যাবে।
: সে যদি আমার বাসায় ঢুকে পড়ে তখন কি করবো?
: বলে দিবে, আমি তোমাকে হত্যা করবো না, আমি রাব্বুল আলামিন আল্লাহকে ভয় করি।
এক ব্যক্তি হুজাইফা রা: কে জিজ্ঞাসা করলো,
: যখন মুসুল্লিদের কতল করা হবে তখন আমি কি করবো?
: নিজের বাসায় ঢুকে যাবে।
: সে যদি আমার বাসায় ঢুকে পড়ে তখন কি করবো?
: বলে দিবে, আমি তোমাকে হত্যা করবো না, আমি রাব্বুল আলামিন আল্লাহকে ভয় করি।
2017-06-05 22:13:49 @220.247.166.121
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"ং
2017-05-14 14:34:37 @119.30.39.165

Execution time: 0.07 render + 0.01 s transfer.