Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
আবু সাইদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
আবু সাইদ রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
2016-08-25 00:56:44 habib@...
আবু সাইদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
আবু সাইদ রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
এটা হতে যাচ্ছে যে কোনো মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে ভেড়া যেটা নিয়ে সে ভালো লাগা কোনো পাহাড়ে চলে যাবে যেখানে বৃস্টি পড়ে। তার দ্বীন নিয়ে ফিতনা থেকে পলানোর জন্য।
2016-08-25 00:55:29 habib@...
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2016-08-24 18:08:33 @::1
সায়িদ রা: বলেছেন:
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নি
সায়িদ রা: বলেছেন:
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নাই।
2016-08-24 16:00:58 @::1
সায়িদ বলেছেন যে,
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নি
সায়িদ রা: বলেছেন:
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নি
2016-08-24 15:59:57 @::1
মুসলিম বিন আবি বকর উনার পিতা থেকে বর্ননা করেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

শিগ্রই ফিতনা দেখা দিবে।
ঐ সময় শুয়ে থাকা লোক বসে থাকা লোকের থেকে ভালো হবে।
বসে থাকা লোক দাড়িয়ে থাকা লোকের থেকে ভালো হবে।
দাড়িয়ে থাকা লোক হেটে চলা লোকের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক বাহনে চলা লোকের থেকে ভালো হবে।

তখন একজন জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ: ঐ সময়ে আমাদের কি করতে বলেন?

উনি ﷺ বললেন:
ঐ সময়ে, যার উট আছে সে যেন তার উটের সাথে থাকে।
যার ভেড়া আছে সে যেন তার ভেড়ার সাথে থাকে।
যার জমি আছে সে যেন তার জমির সাথে থাক।

যার এগুলো কিছুই নেই সে যেন তার তলোয়ার নিয়ে বেরিয়ে যায়।
এর পর ধারালো দিক দিয়ে পাথরের উপর আঘাত করতে থাকে।
এর পর যখন পালাতে পারবে তখন যেন পালিয়া যায়।
মুসলিম বিন আবি বকর উনার পিতা থেকে বর্ননা করেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

শিগ্রই ফিতনা দেখা দিবে।
ঐ সময় শুয়ে থাকা লোক বসে থাকা লোকের থেকে ভালো হবে।
বসে থাকা লোক দাড়িয়ে থাকা লোকের থেকে ভালো হবে।
দাড়িয়ে থাকা লোক হেটে চলা লোকের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক বাহনে চলা লোকের থেকে ভালো হবে।

তখন একজন জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ: ঐ সময়ে আমাদের কি করতে বলেন?

উনি ﷺ বললেন:
ঐ সময়ে, যার উট আছে সে যেন তার উটের সাথে থাকে।
যার ভেড়া আছে সে যেন তার ভেড়ার সাথে থাকে।
যার জমি আছে সে যেন তার জমির সাথে থাকে।

যার এগুলো কিছুই নেই সে যেন তার তলোয়ার নিয়ে বেরিয়ে যায়।
এর পর ধারালো দিক দিয়ে পাথরের উপর আঘাত করতে থাকে।
এর পর যখন পালাতে পারবে তখন যেন পালিয়া যায়।
2016-08-24 15:59:25 @::1

Execution time: 0.03 render + 0.00 s transfer.