Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
আব্দুল্লাহ রা: এর কাছে এক লোক এসে জিজ্ঞাসা করলেন:
: আমরা কখন পথ ভ্রস্ট হবো?
: যখন তোমাদের এমন আমির হবে যাদের অনুসরন করলে তারা তোমাদের পথভ্রস্ট করবে। এবং তাদের আবাধ্যতা করলে তারা তোমাদের কতল করবে।
আব্দুল্লাহ রা: এর কাছে এক লোক এসে জিজ্ঞাসা করলেন:
: আমরা কখন পথ ভ্রস্ট হবো?
: যখন তোমাদের এমন আমির হবে যাদের অনুসরন করলে তারা তোমাদের পথভ্রস্ট করবে। এবং তাদের আবাধ্যতা করলে তারা তোমাদের কতল করবে।
2019-07-21 13:20:40 @103.94.219.9
ইয়া'লি বিন আত্বা বলেছেন উনার পিতা থেকে:
আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর বাহনের লাগাম ধরে যাচ্ছিলাম।
উনি বললেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা বাইতুল্লাহকে ভেঙ্গে ফেলবে এমন ভাবে যে এর একটা পাথরের উপর একটা পাথরও থাকবে না?
: আমরা কি তখন ইসলামের উপর থাকবো?
: তোমরা ইসলামের উপরই থাকবে।
: এর পর কি হবে?
: এর পর এটাকে ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর করে বানানো হবে। যখন তুমি দেখবে,
মক্কার ভেতর দিয়ে সুড়ঙ্গ খোড়া হয়েছে,
এবং এর দালানগুলো পাহাড়ের মাথা থেকে উচু হয়ে গিয়েছে,
তখন জানবে ঘটনার ছায়া তোমার উপর চলে এসেছে।
ইয়া'লি বিন আত্বা বলেছেন উনার পিতা থেকে:
আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর বাহনের লাগাম ধরে যাচ্ছিলাম।
উনি বললেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা বাইতুল্লাহকে ভেঙ্গে ফেলবে এমন ভাবে যে এর একটা পাথরের উপর একটা পাথরও থাকবে না?
: আমরা কি তখন ইসলামের উপর থাকবো?
: তোমরা ইসলামের উপরই থাকবে।
: এর পর কি হবে?
: এর পর এটাকে ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর করে বানানো হবে। যখন তুমি দেখবে,
মক্কার ভেতর দিয়ে সুড়ঙ্গ খোড়া হয়েছে,
এবং এর দালানগুলো পাহাড়ের মাথা থেকে উচু হয়ে গিয়েছে,
তখন জানবে ঘটনার ছায়া তোমার উপর চলে এসেছে।
2019-07-14 15:11:16 @103.120.222.82
হুজাইফা রা: বলেছেন:
যে জামাত থেকে এক হাত দূরে চলে গেলো সে যেনো ইসলাম থেকে দূরে চলে গেলো।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
যে জামাত থেকে এক হাত দূরে চলে গেলো সে যেনো ইসলাম থেকে দূরে চলে গেলো।
2019-06-17 16:50:55 shsakib71069@...
হুজাইফা রা: বলেছেন,
মানুষের উপর এমন যুগ আসবে, ডুবন্ত মানুষের মত যে দোয়া করছে, সে ছাড়া আর কেউ তখন বাচতে পারবে না।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
মানুষের উপর এমন যুগ আসবে, ডুবন্ত মানুষের মত যে দোয়া করছে, সে ছাড়া আর কেউ তখন বাচতে পারবে না।
2019-06-17 16:50:55 shsakib71069@...
থারওয়ান বিন মিলহান বলছেন,
আমরা মসজিদে বসে ছিলাম। আমাদের কাছে আম্মার বিন ইয়াছিন রা: এলেন।
আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের রাসুলুল্লাহ ﷺ এর একটা হাদিস শুনান ফিতনার উপর।
বললেন,
: আমি শুনেছি রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমার পরে আমির-উমরা হবে যারা রাজ্য নিয়ে যুদ্ধ করবে। তাদের একদল অন্যদলকে হত্যা করবে।
আমরা বললাম,
: আপনার এই কথার বিপরতি কোনো কথা কেউ যদি আমাদের বলে তবে আমরা তাকে মিথ্যাবাদি বলবো।
: দেখ, শিগ্রই এটা হবে।
থারওয়ান বিন মিলহান বলছেন,
আমরা মসজিদে বসে ছিলাম। আমাদের কাছে আম্মার বিন ইয়াছিন রা: এলেন।
আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের রাসুলুল্লাহ ﷺ এর একটা হাদিস শুনান ফিতনার উপর।
বললেন,
: আমি শুনেছি রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমার পরে আমির-উমরা হবে যারা রাজ্য নিয়ে যুদ্ধ করবে। তাদের একদল অন্যদলকে হত্যা করবে।
আমরা বললাম,
: আপনার এই কথার বিপরতি কোনো কথা কেউ যদি আমাদের বলে তবে আমরা তাকে মিথ্যাবাদি বলবো।
: দেখ, শিগ্রই এটা হবে।
2019-06-10 09:14:18 shsakib71069@...
হাদিস - ১০৪
আয়শা রা: বলেছেন:

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
দুনিয়াতে যখন প্রকাশ্যে পাপাচার হবে তখন আল্লাহ পৃথিবীর মানুষের উপর দুঃখ অবতির্ন করবেন।

আমি বললাম:
ইয়া রাসুলুল্লাহ! ﷺ তাদের মাঝে আল্লাহর অনুসারীরা থাকলেও?

উনি ﷺ বললেন:
হ্যা। তবে এর পর তাদের পরিনতি আল্লাহর রহমত।
হাদিস - ১০৪
আয়শা রা: বলেছেন:

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
দুনিয়াতে যখন প্রকাশ্যে পাপাচার হবে তখন আল্লাহ পৃথিবীর মানুষের উপর দুঃখ অবতির্ন করবেন।

আমি বললাম:
ইয়া রাসুলুল্লাহ! ﷺ তাদের মাঝে আল্লাহর অনুসারীরা থাকলেও?

উনি ﷺ বললেন:
হ্যা। তবে এর পর তাদের পরিনতি আল্লাহর রহমত।
2019-06-10 09:09:48 shsakib71069@...
মুয়াজ বিন জাবাল রা: বলেছেন
: বাইতুল মুকাদ্দাসের উন্নয়নের হলে, ইয়াথরিব [মদিনা] ধ্বংশ হবে।
মালহামার জন্য রওনা দিলে পর কুসতুনতুনিয়া [ইস্তাম্বুল] জয় হবে।
কুসতুনতুনিয়া জয় হলে দাজ্জাল বের হবে।

এর পর উনার হাত দিয়ে লোকের কাধে বাড়ি দিয়ে বললেন
: ওয়াল্লাহ! এটা সত্য!
মুয়াজ বিন জাবাল রা: বলেছেন
: বাইতুল মুকাদ্দাসের উন্নয়নের হলে, ইয়াথরিব [মদিনা] ধ্বংশ হবে।
মালহামার জন্য রওনা দিলে পর কুসতুনতুনিয়া [ইস্তাম্বুল] জয় হবে।
কুসতুনতুনিয়া জয় হলে দাজ্জাল বের হবে।

এর পর উনার হাত দিয়ে লোকের কাধে বাড়ি দিয়ে বললেন
: ওয়াল্লাহ! এটা সত্য!
2019-06-10 09:07:50 shsakib71069@...
ইবনে সিরিন বলেছেন,
আমার কাছে এই কথা পৌছেছে যে সিরিয়ার ঐক্যকে কেউ নস্ট করতে পারবে না সিরিয়ার বেদুইনরা যা করবে তা ছাড়া।
ইবনে সিরিন বলেছেন,
আমার কাছে এই কথা পৌছেছে যে সিরিয়ার ঐক্যকে কেউ নস্ট করতে পারবে না সিরিয়ার বেদুইনরা যা করবে তা ছাড়া।
2019-06-10 09:04:21 shsakib71069@...
জাইদ বিন থাবিত রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার বললেন,
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।

আমরা বললাম,
আমরা আশ্রয় চাইছি আল্লাহর কাছে, প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।
জাইদ বিন থাবিত রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার বললেন,
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।

আমরা বললাম,
আমরা আশ্রয় চাইছি আল্লাহর কাছে, প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।
2019-06-10 09:00:45 shsakib71069@...
জাইদ বিন থাবিত রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার বললেন,
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।

আমরা বললাম,
আমরা আশ্রয় চাইছি আল্লাহর কাছে, প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।
জাইদ বিন থাবিত রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার বললেন,
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।

আমরা বললাম,
আমরা আশ্রয় চাইছি আল্লাহর কাছে, প্রকাশ পাওয়া আর গোপন থাকা ফিতনা থেকে।
2019-06-10 08:56:17 @119.30.45.189
উমর রা: আবি মুসা রা: কে লিখে পাঠান,
স্বভাবতঃ মানুষ তাদের সুলতানকে অপছন্দ করে। তাই আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই আমার আর তোমার মাঝে ঘৃনা আসা থেকে,
দুনিয়া দ্বারা প্রভাবিত হওয়া থেকে,
মনের ইচ্ছার অনুসরন করা থেকে।

কাবিলাগুলো একটা অন্যটার বিরুদ্ধে লাগতে যাচ্ছে।
এটাই হলো অহংকার যে শয়তান থেকে আসে।
এরকম হলে: তখন তলোয়ার তলোয়ার, কতল কতল হবে।
তারা বলবে: হে ইসলামের পরিবার, হে ইসলামের পরিবার।
উমর রা: আবি মুসা রা: কে লিখে পাঠান,
স্বভাবতঃ মানুষ তাদের সুলতানকে অপছন্দ করে। তাই আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই আমার আর তোমার মাঝে ঘৃনা আসা থেকে,
দুনিয়া দ্বারা প্রভাবিত হওয়া থেকে,
মনের ইচ্ছার অনুসরন করা থেকে।

কাবিলাগুলো একটা অন্যটার বিরুদ্ধে লাগতে যাচ্ছে।
এটাই হলো অহংকার যে শয়তান থেকে আসে।
এরকম হলে: তখন তলোয়ার তলোয়ার, কতল কতল হবে।
তারা বলবে: হে ইসলামের পরিবার, হে ইসলামের পরিবার।
2019-06-10 08:54:56 @119.30.45.189
হুজাইফা রা: বলেছেন:
মানুষের উপর এমন একটা যুগ আসবে যখন কেউ রক্ষা পাবে না, সে ছাড়া যে দোয়া করছে, ডুবন্ত মানুষের দোয়ার মত।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
মানুষের উপর এমন একটা যুগ আসবে যখন কেউ রক্ষা পাবে না, সে ছাড়া যে দোয়া করছে, ডুবন্ত মানুষের দোয়ার মত।
2019-06-10 08:49:49 @119.30.45.189
হুজাইফা রা: বলেছেন:
মানুষের উপর এমন একটা যুগ আসবে যখন কেউ রক্ষা পাবে না, সে ছাড়া যে দোয়া করছে, ডুবন্ত মানুষের দোয়ার মত।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
মানুষের উপর এমন একটা যুগ আসবে যখন কেউ রক্ষা পাবে না, সে ছাড়া যে দোয়া করছে, ডুবন্ত মানুষের দোয়ার মত।
2019-06-10 08:49:28 @119.30.45.189
হুজাইফা রা: বলেছেন,
মানুষের উপর এমন যুগ আসবে, ডুবন্ত মানুষের মত যে দোয়া করছে, সে ছাড়া আর কেউ তখন বাচতে পারবে না।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
মানুষের উপর এমন যুগ আসবে, ডুবন্ত মানুষের মত যে দোয়া করছে, সে ছাড়া আর কেউ তখন বাচতে পারবে না।
2019-06-10 08:48:59 @119.30.45.189
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে।
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে। তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে।
2019-06-09 15:30:20 shsakib71069@...
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে।
আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: আব্দুল্লাহ রা: বলেছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে। তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন ফিতনার কাপড় তোমাদের পড়ানো হবে?
অল্প বয়সীরা সে সময় সীমা ছাড়াবে, এবং বয়স্করা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মানুষ এটাকে সুন্নাহ হিসাবে নিবে।
এর মাঝে কিছু পরিবর্তন করলে মানুষ বলবে, "তুমি সুন্নাহকে বদলাচ্ছো।"

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো,
: এটা কখন হবে, আবি আব্দুর রহমান?

: যখন তোমাদের মাঝে লিখাপড়া জানা লোক বেড়ে যাবে কিন্তু বিশ্বস্ত লোক কমে যাবে।
যখন তোমাদের মাঝে নেতা বেড়ে যাবে কিন্তু ফকিহ কমে যাবে।
যখন তোমরা আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার সন্ধান করবে।
2019-06-09 15:30:19 shsakib71069@...
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-05-30 10:15:40 @58.145.189.243
আনাস বিন মালিক রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন:
কাউছার হলো একটা নহর যেটা আমার রব আমাকে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন।
এতে অনেক ভালো কিছু আছে।
ওটা আমার হাউজ।

কিয়ামতের দিন এখান থেকে আমি আমার উম্মাহর জবাব দেবো।
এর পাত্রের সংখ্যা হলো তারকার সংখ্যার সমান।

কিছু আবদদের এখানে আসতে বাধা দেয়া হবে।

আমি বলবো: এরা তো আমার উম্মত!
আমাকে বলা হবে: আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কি করেছিলো।
আনাস বিন মালিক রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন:
কাউছার হলো একটা নহর যেটা আমার রব আমাকে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন।
এতে অনেক ভালো কিছু আছে।
ওটা আমার হাউজ।

কিয়ামতের দিন এখান থেকে আমি আমার উম্মাহর জবাব দেবো।
এর পাত্রের সংখ্যা হলো তারকার সংখ্যার সমান।

কিছু আবদদের এখানে আসতে বাধা দেয়া হবে।

আমি বলবো: এরা তো আমার উম্মত!
আমাকে বলা হবে: আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কি করেছিলো।
2019-05-29 02:55:35 @119.30.35.96
আনাস বিন মালিক রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন:
কাউছার হলো একটা নহর যেটা আমার রব আমাকে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন।
এতে অনেক ভালো কিছু আছে।
ওটা আমার হাউজ।

কিয়ামতের দিন এখান থেকে আমি আমার উম্মাহর জবাব দেবো।
এর পাত্রের সংখ্যা হলো তারকার সংখ্যার সমান।

কিছু আবদদের এখানে আসতে বাধা দেয়া হবে।

আমি বলবো: এরা তো আমার উম্মত!
আমাকে বলা হবে: আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কি করেছিলো।
আনাস বিন মালিক রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন:
কাউছার হলো একটা নহর যেটা আমার রব আমাকে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন।
এতে অনেক ভালো কিছু আছে।
ওটা আমার হাউজ।

কিয়ামতের দিন এখান থেকে আমি আমার উম্মাহর জবাব দেবো।
এর পাত্রের সংখ্যা হলো তারকার সংখ্যার সমান।

কিছু আবদদের এখানে আসতে বাধা দেয়া হবে।

আমি বলবো: এরা তো আমার উম্মত!
আমাকে বলা হবে: আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কি করেছিলো।
2019-05-29 02:55:26 @119.30.35.96
সুলাইমান বিন আমর বর্ননা করেছে উনার পিতা থেকে:
নবী ﷺ বিদায়ী হজ্জে বলেছেন,
: এটা কোন দিন?
তিন বার জিজ্ঞাসা করলেন।

লোকেরা জবাব দিলো,
: বড় হজ্জের দিন।

: নিশ্চই, তোমাদের রক্ত, মাল, সম্মান হারাম, যেরকম হারাম তোমাদের এই দিন, তোমাদের এই মাসে, তোমাদের এই শহরে।

সাবধান! অপরাধির অপরাধের দায়িত্ব শুধু তার উপর। পিতার অপরাধের দায়িত্ব সন্তানের উপর না, আবার সন্তানের অপরাধের দায়িত্ব পিতার উপর না।

সাবধান! হে উম্মতেরা আমি কি তোমাদের কাছে পৌছেছি?

তারা বললো,
: হ্যা।

উনি ﷺ বললেন,

: হে আল্লাহ! সাক্ষি থাকবেন।
তিন বার বললেন।
সুলাইমান বিন আমর বর্ননা করেছে উনার পিতা থেকে:
নবী ﷺ বিদায়ী হজ্জে বলেছেন,
: এটা কোন দিন?
তিন বার জিজ্ঞাসা করলেন।

লোকেরা জবাব দিলো,
: বড় হজ্জের দিন।

: নিশ্চই, তোমাদের রক্ত, মাল, সম্মান হারাম, যেরকম হারাম তোমাদের এই দিন, তোমাদের এই মাসে, তোমাদের এই শহরে।

সাবধান! অপরাধির অপরাধের দায়িত্ব শুধু তার উপর। পিতার অপরাধের দায়িত্ব সন্তানের উপর না, আবার সন্তানের অপরাধের দায়িত্ব পিতার উপর না।

সাবধান! হে উম্মতেরা আমি কি তোমাদের কাছে পৌছেছি?

তারা বললো,
: হ্যা।

উনি ﷺ বললেন,

: হে আল্লাহ! সাক্ষি থাকবেন।
তিন বার বললেন।
2019-05-17 12:15:23 azizharis7@...
হুজাইফা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন,

ফিতনা দেখা দিবে
অন্ধ ও বধির হয়ে যাওয়া মানুষদের জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকা হবে।

হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
2019-05-15 10:27:51 @103.84.255.194
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2019-05-11 17:06:34 @58.145.188.254
হুজাইফা রা: বলেছেন:
তিনটা জিনিস দিয়ে ফিতনা বাড়বে।

এমন লোকের হাতে রক্তপাত বৃদ্ধির কারনে, যে ফিতনা বাড়ুক সেটা চায় না, বরং তলোয়ার দ্বারা কমাতে চায়।
এমন খতিবের কারনে যে সবকিছু নিজের দিকে ডাকে।
এবং প্রশংসিত শরিফ লোকের কারনে।

এর পর রক্তপাত যখন বেড়ে যাবে, তখন সেটা তাদেরকে ফেলে দেবে।
এরপর তাদেরকে উপড়ে ফেলবে এবং তাদের নিকট যা ছিলো সেটা তাদের ক্ষতি করবে।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
তিনটা জিনিস দিয়ে ফিতনা বাড়বে।

এমন লোকের হাতে রক্তপাত বৃদ্ধির কারনে, যে ফিতনা বাড়ুক সেটা চায় না, বরং তলোয়ার দ্বারা কমাতে চায়।
এমন খতিবের কারনে যে সবকিছু নিজের দিকে ডাকে।
এবং প্রশংসিত শরিফ লোকের কারনে।

এর পর রক্তপাত যখন বেড়ে যাবে, তখন সেটা তাদেরকে ফেলে দেবে।
এরপর তাদেরকে উপড়ে ফেলবে এবং তাদের নিকট যা ছিলো সেটা তাদের ক্ষতি করবে।
2019-03-31 20:01:06 @2607:fb90:78e:113a:0:5:3133:2001
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। আমি শুনলাম উনি বলছেন:

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2019-03-25 12:44:06 tanvir.civil.aust@...
আবি মুসা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
তোমাদের পরে এমন দিন আসবে যখন অজ্ঞতা নেমে আসবে। ইলম তুলে নেয়া হবে। আর হারজ বেড়ে যাবে।

সবাই জিজ্ঞাসা করলো:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, হারজ কি?

উনি ﷺ বললেন:
কতল করা।
আবি মুসা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
তোমাদের পরে এমন দিন আসবে যখন অজ্ঞতা নেমে আসবে। ইলম তুলে নেয়া হবে। আর হারজ বেড়ে যাবে।

সবাই জিজ্ঞাসা করলো:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, হারজ কি?

উনি ﷺ বললেন:
কতল করা।
2019-03-05 19:28:23 @163.47.156.214
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও।
হুজাইফা রা: বর্ননা করেছেন আবি মুসা রা: থেকে:
নবী ﷺ বলেছেন:
তোমাদের ধনুক ভেঙ্গে ফেলো, অর্থাৎ ফিতনার সময়।
আর ধনুকের তারগুলো কেটে ফেলো।
আর নিজেদেরকে বাসায় আবদ্ধ করে ফেলো।
এবং সে সময় আদমের সন্তানদের মাঝে উত্তম জনের মত হয়ে যাও।
2019-03-05 19:26:16 @163.47.156.214
ইবনে হানাফিয়া বলেছেন:
যদি আলী রা: আমাদের ...
ইবনে হানাফিয়া বলেছেন:
যদি আলী রা: আমাদের ...
2019-02-08 01:01:55 @37.111.228.90
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
আরবদের ধ্বংশ নিকটবর্তি এই খারাপ জিনিসটার কারনে -- যুবক ছেলেদের আমির হওয়া।
যদি তাদের আনুগত্য করে তবে তাদের আগুনে প্রবেশ করিয়ে দেবে।
আর যদি তাদের বিরোধিতা করে তবে তাদের গলা কেটে ফেলবে।
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন:
আরবদের ধ্বংস নিকটবর্তি এই খারাপ জিনিসটার কারনে -- যুবক ছেলেদের আমির হওয়া।
যদি তাদের আনুগত্য করে তবে তাদের আগুনে প্রবেশ করিয়ে দেবে।
আর যদি তাদের বিরোধিতা করে তবে তাদের গলা কেটে ফেলবে।
2018-12-28 12:44:42 @124.6.234.130
খালিদ বিন সুবাই বা সুবাই বিন খালিদ বলছেন:
আমি কুফায় আসলাম। সেখানে অনেক বাহনের ডাক শুনতে পারলাম। আমি কুফার মসজিদে গেলাম। একজন লোক আসলেন এবং সমস্ত লোক উনার চারদিকে জমে গেলেন।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: উনি কে?
জবাব দিলো: হুজাইফা বিন ইয়ামান।

আমি উনার পাশে বসে পড়লাম। উনি বললেন:
মানুষজনেরা নবী ﷺ কে ভালো জিনিষ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন। আমি জিজ্ঞাসা করতাম খারাপ সম্পর্কে।

আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম:
: ইয়া রাসুলুল্লাহ, দেখছেন আমরা এখন যে ভালোর মাঝে আছি। এর আগে কি খারাপ ছিলো? আর এর পরে কি খারাপ আসবে?
উনি ﷺ বললেন:
: হ্যা।
: এর থেকে রক্ষা কিসে?
: তলোয়ারে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, তলোয়ারের পরে কি কিছু বাকি থাকবে?
: হ্যা। এর পর সন্ধি।
: সন্ধির পরে?
: বিশৃংখলার দিকে ডাক দেয়া হবে। যদি তুমি তখন কোনো খলিফাকে দেখো, তবে তার আনুগত্য করবে। যদিও সে তোমার পিঠে বেত্রাঘাত করে, আর তোমার মাল কেড়ে নেয়। আর যদি খলিফা না থাকে, তবে পালাও যতক্ষন না তোমার মউত আসে এই অবস্থায় যে তুমি গাছ কামড়ে ধরে আছো।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ এর পর কি হবে?
: দাজ্জাল বের হবে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, দাজ্জাল কি নিয়ে আসবে?
: সে আসবে আগুন আর ঝর্না নিয়ে। যে তার আগুনে পড়বে সে পুরস্কার পাবে, তার গুনাহ কমে যাবে। যে তার ঝর্নায় পড়বে, তার পুরস্কার কমে যাবে, সে গুনাহ পাবে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, দাজ্জালের পর কি?
: তোমাদের কোন একজন ঘোড়ায় জিন চড়িয়ে তাতে উঠার সময় পাবে না, কিয়ামত চলে আসবে।
খালিদ বিন সুবাই বা সুবাই বিন খালিদ বলছেন:
আমি কুফায় আসলাম। সেখানে অনেক বাহনের ডাক শুনতে পারলাম। আমি কুফার মসজিদে গেলাম। একজন লোক আসলেন এবং সমস্ত লোক উনার চারদিকে জমে গেলেন।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: উনি কে?
জবাব দিলো: হুজাইফা বিন ইয়ামান।

আমি উনার পাশে বসে পড়লাম। উনি বললেন:
মানুষজনেরা নবী ﷺ কে ভালো জিনিষ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন। আমি জিজ্ঞাসা করতাম খারাপ সম্পর্কে।

আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম:
: ইয়া রাসুলুল্লাহ, দেখছেন আমরা এখন যে ভালোর মাঝে আছি। এর আগে কি খারাপ ছিলো? আর এর পরে কি খারাপ আসবে?
উনি ﷺ বললেন:
: হ্যা।
: এর থেকে রক্ষা কিসে?
: তলোয়ারে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, তলোয়ারের পরে কি কিছু বাকি থাকবে?
: হ্যা। এর পর সন্ধি।
: সন্ধির পরে?
: বিশৃংখলার দিকে ডাক দেয়া হবে। যদি তুমি তখন কোনো খলিফাকে দেখো, তবে তার আনুগত্য করবে। যদিও সে তোমার পিঠে বেত্রাঘাত করে, আর তোমার মাল কেড়ে নেয়। আর যদি খলিফা না থাকে, তবে পালাও যতক্ষন না তোমার মউত আসে এই অবস্থায় যে তুমি গাছ কামড়ে ধরে আছো।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ এর পর কি হবে?
: দাজ্জাল বের হবে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, দাজ্জাল কি নিয়ে আসবে?
: সে আসবে আগুন আর ঝর্না নিয়ে। যে তার আগুনে পড়বে সে পুরস্কার পাবে, তার গুনাহ কমে যাবে। যে তার ঝর্নায় পড়বে, তার পুরস্কার কমে যাবে, সে গুনাহ পাবে।
: ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, দাজ্জালের পর কি?
: তোমাদের কোন একজন ঘোড়ায় জিন চড়িয়ে তাতে উঠার সময় পাবে না, কিয়ামত চলে আসবে।
2018-11-14 16:54:25 @103.120.202.227
হুজাইফা রা: এবং আবু মাসউদ রা: মসজিদে বসে ছিলেন। ঐ সময়ে কুফাবাসীরা সাইদ ইবনে আস রা: কে মাত্র বহিস্কার করেছে।

এক লোক উনাদের দুজনের কাছে আসলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন,
: আপনাদের কি জিনিস আটকিয়ে রেখেছে? অথচ সমস্ত মানুষ বেরিয়ে পড়েছে! ওয়াল্লাহ আমরাই সুন্নাহর উপর আছি।

তারা জবাব দিলো,
: তোমরা কি করে সুন্নাহর উপর আছো, যেখানে তোমরা তোমাদের ইমামকে বহিস্কার করেছো? ওয়াল্লাহ তোমরা সুন্নাহর উপর নেই যতক্ষন না তোমাদের নেতারা দুঃখ প্রকাশ করে জনগনকে নসিহা করে।

: যদি নেতারা দুঃখ প্রকাশ না করে, এবং জনগনকে নসিহা না করে -- তবে আমাদের কি বলেবেন?

: তবে আমরা বেরিয়ে যাবো, এবং তোমাদের বিদায় জানাবো।
হুজাইফা রা: এবং আবু মাসউদ রা: মসজিদে বসে ছিলেন। ঐ সময়ে কুফাবাসীরা সাইদ ইবনে আস রা: কে মাত্র বহিস্কার করেছে।

এক লোক উনাদের দুজনের কাছে আসলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন,
: আপনাদের কি জিনিস আটকিয়ে রেখেছে? অথচ সমস্ত মানুষ বেরিয়ে পড়েছে! ওয়াল্লাহ আমরাই সুন্নাহর উপর আছি।

তারা জবাব দিলো,
: তোমরা কি করে সুন্নাহর উপর আছো, যেখানে তোমরা তোমাদের ইমামকে বহিস্কার করেছো? ওয়াল্লাহ তোমরা সুন্নাহর উপর নেই যতক্ষন না তোমাদের নেতারা দুঃখ প্রকাশ করে জনগনকে নসিহা করে।

: যদি নেতারা দুঃখ প্রকাশ না করে, এবং জনগনকে নসিহা না করে -- তবে আমাদের কি বলেবেন?

: তবে আমরা বেরিয়ে যাবো, এবং তোমাদের বিদায় জানাবো।
2018-11-08 20:39:56 @116.193.135.215
আলী রা: বলেছেন:
ইসলাম কমে যেতে থাকবে।
এমন কি "আল্লাহ, আল্লাহ" বলার মত মানুষ থাকবে না।
এ অবস্থা হলে দ্বীনের এক শীর্ষ নেতা দাড়িয়ে যাবে তার পাপ নিয়ে।
এর পর মানুষ বেরিয়ে তার চারিদিকে জড়ো হত থাকবে যেভাবে শরৎ কালে মেঘ জমা হয়।
ওয়াল্লাহ! আমি তাদের আমিরের নাম জানি এবং তাদের ঘোড়ার জাতও জানি।
আলী রা: বলেছেন:
ইসলাম কমে যেতে থাকবে।
এমন কি "আল্লাহ, আল্লাহ" বলার মত মানুষ থাকবে না।
এ অবস্থা হলে দ্বীনের এক শীর্ষ নেতা দাড়িয়ে যাবে তার পাপ নিয়ে।
এর পর মানুষ বেরিয়ে তার চারিদিকে জড়ো হত থাকবে যেভাবে শরৎ কালে মেঘ জমা হয়।
ওয়াল্লাহ! আমি তাদের আমিরের নাম জানি এবং তাদের ঘোড়ার জাতও জানি।
2018-10-28 22:40:14 @119.30.47.73
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলছেন,
যখন উথমান রা: এর বিরোধিতায় মানুষ বিভক্ত হয়ে গেলো তখন আমার পিতা দাড়িয়ে গেলেন।
রাতে নামাজ পড়লেন।
এর পর ঘুমালেন।
তাকে বলা হলো,
: দাড়াও! আর আল্লার কাছে চাও যেন উনি তোমাকে ফিতনা থেকে রক্ষা করেন। যে ফিতনা থেকে উনি উনার নেক বান্দাদের রক্ষা করেন।

উনি দাড়ালেন।
এক সময় অসুস্থ হয়ে গেলেন।
মৃত্যু পর্যন্ত উনাকে আর বের হতে দেখি নি।
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলছেন,
যখন উথমান রা: এর বিরোধিতায় মানুষ বিভক্ত হয়ে গেলো তখন আমার পিতা দাড়িয়ে গেলেন।
রাতে নামাজ পড়লেন।
এর পর ঘুমালেন।
তাকে বলা হলো,
: দাড়াও! আর আল্লার কাছে চাও যেন উনি তোমাকে ফিতনা থেকে রক্ষা করেন। যে ফিতনা থেকে উনি উনার নেক বান্দাদের রক্ষা করেন।

উনি দাড়ালেন।
এক সময় অসুস্থ হয়ে গেলেন।

 
মৃত্যু পর্যন্ত উনাকে আর বের হতে দেখি নি।
2018-10-28 22:39:48 @119.30.47.73
হুজাইফা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ কে মানুষ ভালো জিনিষ নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেন। আমি খারাপ জিনিষ নিয়ে জিজ্ঞাসা করতাম। ভালো গুলো সম্পর্কে [মানুষদের কাছ থেকে] জেনে নিতাম যেগুলো শুনিনি।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: 'ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
উনি ﷺ জবাব দিলেন, "হ্যা হুজাইফা! আল্লাহর কিতাব, এতে যা আছে তা অনুসরন করবে।"

আমি এটা তিন বার জিজ্ঞাসা করেছিলাম।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: "ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
উনি ﷺ জবাব দিলেন, "ফিতনা আর খারাপ"
: ঐ খারাপের পর কি ভালো আসবে?
: হ্যা, হুজাইফা! আল্লাহর কিতাব, এতে যা আছে তা অনুসরন করবে।" তিনবার বললেন।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: "ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
জবাব দিলেন, "অন্ধ আর বধির ফিতনা। তখন [কিছু লোক] মানুষকে জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকবে। হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ কে মানুষ ভালো জিনিষ নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেন। আমি খারাপ জিনিষ নিয়ে জিজ্ঞাসা করতাম। ভালো গুলো সম্পর্কে [মানুষদের কাছ থেকে] জেনে নিতাম যেগুলো শুনিনি।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: 'ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
উনি ﷺ জবাব দিলেন, "হ্যা হুজাইফা! আল্লাহর কিতাব, এতে যা আছে তা অনুসরন করবে।"

আমি এটা তিন বার জিজ্ঞাসা করেছিলাম।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: "ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
উনি ﷺ জবাব দিলেন, "ফিতনা আর খারাপ"
: ঐ খারাপের পর কি ভালো আসবে?
: হ্যা, হুজাইফা! আল্লাহর কিতাব, এতে যা আছে তা অনুসরন করবে।" তিনবার বললেন।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: "ইয়া রাসুলুল্লাহ এই ভালোর পরে কি কোনো মন্দ আসবে?"
জবাব দিলেন, "অন্ধ আর বধির ফিতনা। তখন [কিছু লোক] মানুষকে জাহান্নামের দরজার দিকে ডাকবে। হুজাইফা! তুমি যদি গাছের শেকড় কামড় দেয়া অবস্থায় মরেও যাও তবে সেটা তোমার জন্য ভালো, ঐ লোকদের কাউকে অনুসরন করা থেকে।
2018-10-28 22:12:40 @119.30.47.73
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলছেন,
যখন উথমান রা: এর বিরোধিতায় মানুষ বিভক্ত হয়ে গেলো তখন আমার পিতা দাড়িয়ে গেলেন।
রাতে নামাজ পড়লেন।
এর পর ঘুমালেন।
তাকে বলা হলো,
: দাড়াও! আর আল্লার কাছে চাও যেন উনি তোমাকে ফিতনা থেকে রক্ষা করেন। যে ফিতনা থেকে উনি উনার নেক বান্দাদের রক্ষা করেন।

উনি দাড়ালেন।
এক সময় অসুস্থ হয়ে গেলেন।
মৃত্যু পর্যন্ত উনাকে আর বের হতে দেখি নি।
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা: বলছেন,
যখন উথমান রা: এর বিরোধিতায় মানুষ বিভক্ত হয়ে গেলো তখন আমার পিতা দাড়িয়ে গেলেন।
রাতে নামাজ পড়লেন।
এর পর ঘুমালেন।
তাকে বলা হলো,
: দাড়াও! আর আল্লার কাছে চাও যেন উনি তোমাকে ফিতনা থেকে রক্ষা করেন। যে ফিতনা থেকে উনি উনার নেক বান্দাদের রক্ষা করেন।

উনি দাড়ালেন।
এক সময় অসুস্থ হয়ে গেলেন।
মৃত্যু পর্যন্ত উনাকে আর বের হতে দেখি নি।
2018-10-18 17:57:32 @103.91.232.3
ইবনে হানাফীয়া রা: বলেছেন:
আল্লাহ রহম করুন ঐ লোকের উপর যে
তার হাত গুটিয়ে রাখে,
জিহ্বাকে আটকিয়ে রাখে,
অন্তরকে চাহিদাশূন্য রাখে
নিজের ঘরে বসে থাকে
আর তার নিজ দায়িত্ব নিজের উপর।
সে কিয়ামতের দিন ঐ লোকদের সাথে থাকবে, যাদেরকে ভালোবাসা হবে।
সাবধান! মুমিনদের তলোয়ার তাদের দিকে সবচেয়ে দ্রুত আসে।
সাবধান! বিজয় হক্বের জন্য। আল্লাহ তায়ালা যখন চান দিবেন।
ইবনে হানাফীয়া রা: বলেছেন:
আল্লাহ রহম করুন ঐ লোকের উপর যে
তার হাত গুটিয়ে রাখে,
জিহ্বাকে আটকিয়ে রাখে,
অন্তরকে চাহিদাশূন্য রাখে
নিজের ঘরে বসে থাকে
আর তার নিজ দায়িত্ব নিজের উপর।
সে কিয়ামতের দিন ঐ লোকদের সাথে থাকবে, যাদেরকে ভালোবাসা হবে।
সাবধান! মুমিনদের তলোয়ার তাদের দিকে সবচেয়ে দ্রুত আসে।
সাবধান! বিজয় হক্বের জন্য। আল্লাহ তায়ালা যখন চান দিবেন।
2018-09-25 09:18:16 @43.245.123.89
মুসলিম ইবনু আবু বাকরাহ (রাঃ) হতে তার পিতা তিনি বলেন, 
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয়ই ফিতনা আসবে। তখন বসে থাকা ব্যক্তির চেয়ে শয়নকারী এবং দাড়ানো ব্যক্তির চেয়ে হেঁটে চলা ব্যক্তি উত্তম হবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। এ ব্যাপারে আপনি আমাকে কি নির্দেশ দেন। তিনি বললেন, যার উট আছে, সে যেন তার উটের সঙ্গে, যার বকরী আছে, সে তার বকরীর সঙ্গে এবং যার জমি আছে সে তার জমি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। তিনি প্রশ্ন করলেন, যার এসবের কিছুই নেই? তিনি বললেন, সে যেন তার তলোয়ারের দিকে মনোনিবেশ করে এবং পাথরের আঘাতে তরবারির ধার চূর্ণ করে দেয়, অতঃপর যথাসাধ্য চেষ্টা করে সেই ফিতনা হতে মুক্তি পাওয়ার।



2018-07-14 18:47:23 @103.52.140.65
সায়িদ বলেছেন যে,
ফিতনা দেখা দেবে।
তখন বসে থাকা লোক, দাড়ানোদের থেকে ভালো হবে।
দাড়ানো লোক, হেটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
হেটে চলা লোক, ছুটে চলাদের থেকে ভালো হবে।
ছুটে চলা লোক, সাওয়ারিদের থেকে ভালো হবে।
সাওয়ারিরা, পদস্থদের থেকে ভালো হবে।

বর্ননাকারীদের মাঝে আবিদা এটাকে মারফু [ মানে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কথা ] হিসাবে বর্ননা করেছেন কিন্তু আব্দুল আ'লা মারফু হিসাবে বর্ননা করেন নি
মুসলিম ইবনু আবু বাকরাহ (রাঃ) হতে তার পিতা তিনি বলেন, 
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয়ই ফিতনা আসবে। তখন বসে থাকা ব্যক্তির চেয়ে শয়নকারী এবং দাড়ানো ব্যক্তির চেয়ে হেঁটে চলা ব্যক্তি উত্তম হবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। এ ব্যাপারে আপনি আমাকে কি নির্দেশ দেন। তিনি বললেন, যার উট আছে, সে যেন তার উটের সঙ্গে, যার বকরী আছে, সে তার বকরীর সঙ্গে এবং যার জমি আছে সে তার জমি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। তিনি প্রশ্ন করলেন, যার এসবের কিছুই নেই? তিনি বললেন, সে যেন তার তলোয়ারের দিকে মনোনিবেশ করে এবং পাথরের আঘাতে তরবারির ধার চূর্ণ করে দেয়, অতঃপর যথাসাধ্য চেষ্টা করে সেই ফিতনা হতে মুক্তি পাওয়ার।

2018-07-14 18:46:26 @103.52.140.65
উম্মে সালমা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
রুকন ও মাকাম এর মাঝে এক জন লোকের কাছে মানুষ বায়াত দেবে।
তাদের সংখ্যা হবে বদরের লোকদের সমান।
উনার কাছে ইরাক থেকে একটি দল এবং সিরিয়া থেকে আবদালগন আসবেন।
তাদেরকে সিরিয়া বাসীদের মাঝ থেকে একটা বাহিনী এসে আক্রমন করবে।
বাইদাহতে তারা ভুমি ধ্বসে পড়বে।
এর পর কুরাইশ বংশের এক লোক তাদের আক্রমন করবে যে কিনা কলব গোত্রের।
তার সাথে যুদ্ধ হবে এবং আল্লাহ তাদের বিজয়ী করবেন।

এর পর উনি ﷺ বলেন,
সে লোক ব্যর্থ, যে কলবের গনিমত নিতে ব্যর্থ।
উম্মে সালমা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
রুকন ও মাকাম এর মাঝে এক জন লোকের কাছে মানুষ বায়াত দেবে।
তাদের সংখ্যা হবে বদরের লোকদের সমান।
উনার কাছে ইরাক থেকে একটি দল এবং সিরিয়া থেকে আবদালগন আসবেন।
তাদেরকে সিরিয়া বাসীদের মাঝ থেকে একটা বাহিনী এসে আক্রমন করবে।
বাইদাহতে তারা ভুমি ধ্বসে পড়বে।
এর পর কুরাইশ বংশের এক লোক তাদের আক্রমন করবে যে কিনা কলব গোত্রের।
তার সাথে যুদ্ধ হবে এবং আল্লাহ তাদের বিজয়ী করবেন।

এর পর উনি ﷺ বলেন,
সে লোক ব্যর্থ, যে কলবের গনিমত নিতে ব্যর্থ।
2018-04-27 22:05:45 mdhedayet.nk@...
হুজাইফা রা: লোকদের বলছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা দ্বীনের ব্যপারে এরকম উদার হয়ে যাবে, যেমন এক মহিলা কবুল বলার পর উদার হয়ে যায়। তার কাছে যে আসে তাকে মানা করে না?

: আমরা জানি না।

: কিন্তু ওয়াল্লাহ! আমি জানি। তোমরা সেদিন থাকবে অক্ষম আর অসৎ হবার মাঝে।

ঐ কওম থেকে এক লোক বললেন,

: এর অক্ষমতাকে ঘৃনা করে তা থেকে দূরে থাকতে হবে।

হুজাইফা রা: তখন ঐ লোকের গায়ে কয়েকবার আঘাত করলেন। এর পর বললেন,

: যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে। যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে।
হুজাইফা রা: লোকদের বলছেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা দ্বীনের ব্যপারে এরকম উদার হয়ে যাবে, যেমন এক মহিলা কবুল বলার পর উদার হয়ে যায়। তার কাছে যে আসে তাকে মানা করে না?

: আমরা জানি না।

: কিন্তু ওয়াল্লাহ! আমি জানি। তোমরা সেদিন থাকবে অক্ষম আর অসৎ হবার মাঝে।

ঐ কওম থেকে এক লোক বললেন,

: এর অক্ষমতাকে ঘৃনা করে তা থেকে দূরে থাকতে হবে।

হুজাইফা রা: তখন ঐ লোকের গায়ে কয়েকবার আঘাত করলেন। এর পর বললেন,

: যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে। যেভাবে তুমি এ থেকে দূরে থাকলে।
2018-04-27 21:57:26 mdhedayet.nk@...
মুজাহিদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
কিয়ামতের আগে রাতের আধার টুকরার মত ফিতনা দেখা দিবে।
সকালে এক জন মুমিন থাকবে, তো সন্ধায় সে কাফির হয়ে যাবে।
সন্ধায় মুমিন থাকবে, তো সকালে কাফির হয়ে যাবে।
মানুষ তার দ্বীনকে দুনিয়ার মালের বিনিময়ে বিক্রি করে দেবে।
মুজাহিদ রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
কিয়ামতের আগে রাতের আধার টুকরার মত ফিতনা দেখা দিবে।
সকালে এক জন মুমিন থাকবে, তো সন্ধায় সে কাফির হয়ে যাবে।
সন্ধায় মুমিন থাকবে, তো সকালে কাফির হয়ে যাবে।
মানুষ তার দ্বীনকে দুনিয়ার মালের বিনিময়ে বিক্রি করে দেবে।
2018-04-16 10:10:35 @103.200.36.201

Execution time: 0.10 render + 0.01 s transfer.