Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
হুজাইফা রা: বলেছেন:
তিনটা ফিতনা হবে। চতুর্থটা দাজ্জালের দিকে নিয়ে যাবে।
তখন কালো পাথর ছুড়ে মারা হবে। এবং অগ্নি পাথর ছুড়ে মারা হবে।
ঢেউয়ের মত অন্ধকার আসবে। সমুদ্রের ঢেউয়ের মত।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
তিনটা ফিতনা হবে। চতুর্থটা দাজ্জালের দিকে নিয়ে যাবে।
তখন কালো পাথর ছুড়ে মারা হবে। এবং অগ্নি পাথর ছুড়ে মারা হবে।
ঢেউয়ের মত অন্ধকার আসবে। সমুদ্রের ঢেউয়ের মত।
2020-04-05 05:37:27 @119.30.41.81
হুজাইফা রা: বলেছেন,
ফিতনার কাছে যে কেউ গেলে আমি তার ব্যপারে ভয় পাই।
শুধু মুহাম্মদ বিন মাসলামা রা: ছাড়া।

আমি শুনেছি রাসুলুল্লাহ ﷺ উনাকে বলেছেন: ফিতনা তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
ফিতনার কাছে যে কেউ গেলে আমি তার ব্যপারে ভয় পাই।
শুধু মুহাম্মদ বিন মাসলামা রা: ছাড়া।

আমি শুনেছি রাসুলুল্লাহ ﷺ উনাকে বলেছেন: ফিতনা তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।
2020-04-04 20:39:48 @103.115.26.86
ইয়া'লি বিন আত্বা বলেছেন উনার পিতা থেকে:
আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর বাহনের লাগাম ধরে যাচ্ছিলাম।
উনি বললেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা বাইতুল্লাহকে ভেঙ্গে ফেলবে এমন ভাবে যে এর একটা পাথরের উপর একটা পাথরও থাকবে না?
: আমরা কি তখন ইসলামের উপর থাকবো?
: তোমরা ইসলামের উপরই থাকবে।
: এর পর কি হবে?
: এর পর এটাকে ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর করে বানানো হবে। যখন তুমি দেখবে,
মক্কার ভেতর দিয়ে সুড়ঙ্গ খোড়া হয়েছে,
এবং এর দালানগুলো পাহাড়ের মাথা থেকে উচু হয়ে গিয়েছে,
তখন জানবে ঘটনার ছায়া তোমার উপর চলে এসেছে।
ইয়া'লি বিন আত্বা বলেছেন উনার পিতা থেকে:
আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর বাহনের লাগাম ধরে যাচ্ছিলাম।
উনি বললেন,
: তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে যখন তোমরা বাইতুল্লাহকে ভেঙ্গে ফেলবে এমন ভাবে যে এর একটা পাথরের উপর একটা পাথরও থাকবে না?
: আমরা কি তখন ইসলামের উপর থাকবো?
: তোমরা ইসলামের উপরই থাকবে।
: এর পর কি হবে?
: এর পর এটাকে ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর করে বানানো হবে। যখন তুমি দেখবে,
মক্কার ভেতর দিয়ে সুড়ঙ্গ খোড়া হয়েছে,
এবং এর দালানগুলো পাহাড়ের মাথা থেকে উচু হয়ে গিয়েছে,
তখন জানবে ঘটনার ছায়া তোমার উপর চলে এসেছে।
2020-04-04 20:38:02 @103.115.26.86
ইবনে আমর রা: বলেছেন:
যখন দেখবে কুরাইশরা ঘর ভেঙ্গে ফেলছে,
এবং এর পর আবার বানাচ্ছে এবং সুসজ্জিত করছে,
তাহলে তুমি মরে যেতে পারলে মরে যেও।
ইবনে আমর রা: বলেছেন:
যখন দেখবে কুরাইশরা ঘর ভেঙ্গে ফেলছে,
এবং এর পর আবার বানাচ্ছে এবং সুসজ্জিত করছে,
তাহলে তুমি মরে যেতে পারলে মরে যেও।
2020-04-04 20:37:25 @103.115.26.86
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: কাবা যে ভাঙ্গবে সে হবে হাটু থেকে নিচ ছোট পা বিশিষ্ট হাবশার লোক।
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: কাবা যে ভাঙ্গবে সে হবে হাটু থেকে নিচ ছোট পা বিশিষ্ট হাবশার লোক।
2020-04-04 20:36:12 @103.115.26.86
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: কাবা যে ভাঙ্গবে সে হবে হাটু থেকে নিচ ছোট পা বিশিষ্ট হাবশার লোক।
আবু হুরাইরা রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: কাবা যে ভাঙ্গবে সে হবে হাটু থেকে নিচ ছোট পা বিশিষ্ট হাবশার লোক।
2020-04-04 20:36:09 @103.115.26.86
মুয়াজ বিন জাবাল রা: বলেছেন
: বাইতুল মুকাদ্দাসের উন্নয়নের হলে, ইয়াথরিব [মদিনা] ধ্বংশ হবে।
মালহামার জন্য রওনা দিলে পর কুসতুনতুনিয়া [ইস্তাম্বুল] জয় হবে।
কুসতুনতুনিয়া জয় হলে দাজ্জাল বের হবে।

এর পর উনার হাত দিয়ে লোকের কাধে বাড়ি দিয়ে বললেন
: ওয়াল্লাহ! এটা সত্য!
মুয়াজ বিন জাবাল রা: বলেছেন
: বাইতুল মুকাদ্দাসের উন্নয়নের হলে, ইয়াথরিব [মদিনা] ধ্বংশ হবে।
মালহামার জন্য রওনা দিলে পর কুসতুনতুনিয়া [ইস্তাম্বুল] জয় হবে।
কুসতুনতুনিয়া জয় হলে দাজ্জাল বের হবে।

এর পর উনার হাত দিয়ে লোকের কাধে বাড়ি দিয়ে বললেন
: ওয়াল্লাহ! এটা সত্য!
2020-04-04 20:30:48 @103.115.26.86
আব্দুল্লাহ বিন আমির উনার পিতা থেকে বর্ননা করছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

যে মারা গেলো কিন্তু সে কারো নেতৃত্ব মেনে চলতো না, তবে সে জাহেলিয়াতের মৃত্যু বরন করলো। আর যে এই বন্ধন করে ভঙ্গ করলো, সে ওজর খুজে পাবে না।
আব্দুল্লাহ বিন আমির উনার পিতা থেকে বর্ননা করছেন:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

যে মারা গেলো কিন্তু সে কারো নেতৃত্ব মেনে চলতো না, তবে সে জাহেলিয়াতের মৃত্যু বরন করলো। আর যে এই বন্ধন করে ভঙ্গ করলো, সে ওজর খুজে পাবে না।
2020-04-04 20:27:21 @103.115.26.86
খালিদ বিন উরফুতাহ রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: হে খালেদ! শিগ্রই মতবিরোধের ঘটনা ঘটবে। বিভাজন দেখা দেবে। যখন সেটা হবে তখন তুমি কতল হয়ে যেতে পারলে হযে যাও, কিন্তু কতল করো না।
খালিদ বিন উরফুতাহ রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: হে খালেদ! শিগ্রই মতবিরোধের ঘটনা ঘটবে। বিভাজন দেখা দেবে। যখন সেটা হবে তখন তুমি কতল হয়ে যেতে পারলে হযে যাও, কিন্তু কতল করো না।
2020-04-04 20:26:23 @103.115.26.86
খালিদ বিন উরফুতাহ রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: হে খালেদ! শিগ্রই মতবিরোধের ঘটনা ঘটবে। বিভাজন দেখা দেবে। যখন সেটা হবে তখন তুমি কতল হয়ে যেতে পারলে হযে যাও, কিন্তু কতল করো না।
খালিদ বিন উরফুতাহ রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: হে খালেদ! শিগ্রই মতবিরোধের ঘটনা ঘটবে। বিভাজন দেখা দেবে। যখন সেটা হবে তখন তুমি কতল হয়ে যেতে পারলে হযে যাও, কিন্তু কতল করো না।
2020-04-04 20:26:23 @103.115.26.86
খালিদ বিন উরফুতাহ রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: হে খালেদ! শিগ্রই মতবিরোধের ঘটনা ঘটবে। বিভাজন দেখা দেবে। যখন সেটা হবে তখন তুমি কতল হয়ে যেতে পারলে হযে যাও, কিন্তু কতল করো না।
খালিদ বিন উরফুতাহ রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: হে খালেদ! শিগ্রই মতবিরোধের ঘটনা ঘটবে। বিভাজন দেখা দেবে। যখন সেটা হবে তখন তুমি কতল হয়ে যেতে পারলে হযে যাও, কিন্তু কতল করো না।
2020-04-04 20:26:23 @103.115.26.86
খালিদ বিন উরফুতাহ রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: হে খালেদ! শিগ্রই মতবিরোধের ঘটনা ঘটবে। বিভাজন দেখা দেবে। যখন সেটা হবে তখন তুমি কতল হয়ে যেতে পারলে হযে যাও, কিন্তু কতল করো না।
খালিদ বিন উরফুতাহ রা: বলেছেন,
নবী ﷺ বলেছেন,
: হে খালেদ! শিগ্রই মতবিরোধের ঘটনা ঘটবে। বিভাজন দেখা দেবে। যখন সেটা হবে তখন তুমি কতল হয়ে যেতে পারলে হযে যাও, কিন্তু কতল করো না।
2020-04-04 20:26:22 @103.115.26.86
ইবনে মাসউদ রা: আমাদের এগিয়ে নিয়ে চললেন। এর পর কাদিসিয়ার রাস্তায় নামলেন। বুস্তান শহরে প্রবেশ করলেন। উনার হাজত পূর্ন করলেন। এর পর উনি ওজু করলেন এবং মুজার উপর মসেহ করলেন। এর পর বের হলেন। উনার দাড়ি থেকে ফোটা ফোটা পানি পড়ছিলো।

আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের সমাধান দিন। মানুষ ফিতনাতে পড়ে যাচ্ছে, এই দিকে আমরা আপনার সাক্ষাৎ পবো নাকি পাবো না সেটা জানি না।

উনি বললেন,
: আল্লাহকে ভয় করো। এবং সবর কর। যতক্ষন না বিপদ চলে যায়। অথবা অসৎ লোকদের থেকে পরিত্রান পাও। আর তোমাদের উপর হুকুম জামাতের সংগে থাকা। কারন আল্লাহ মুহাম্মদ ﷺ এর উম্মতকে পথভ্রস্টতার উপর জামাতবদ্ধ করেন না।
ইবনে মাসউদ রা: আমাদের এগিয়ে নিয়ে চললেন। এর পর কাদিসিয়ার রাস্তায় নামলেন। বুস্তান শহরে প্রবেশ করলেন। উনার হাজত পূর্ন করলেন। এর পর উনি ওজু করলেন এবং মুজার উপর মসেহ করলেন। এর পর বের হলেন। উনার দাড়ি থেকে ফোটা ফোটা পানি পড়ছিলো।

আমরা উনাকে বললাম,
: আমাদের সমাধান দিন। মানুষ ফিতনাতে পড়ে যাচ্ছে, এই দিকে আমরা আপনার সাক্ষাৎ পবো নাকি পাবো না সেটা জানি না।

উনি বললেন,
: আল্লাহকে ভয় করো। এবং সবর কর। যতক্ষন না বিপদ চলে যায়। অথবা অসৎ লোকদের থেকে পরিত্রান পাও। আর তোমাদের উপর হুকুম জামাতের সংগে থাকা। কারন আল্লাহ মুহাম্মদ ﷺ এর উম্মতকে পথভ্রস্টতার উপর জামাতবদ্ধ করেন না।
2020-04-04 20:24:58 @103.115.26.86
হুজাইফা রা: বলেছেন:
আমি যদি তোমাদের বলি যা আমি জানি, তবে তোমরা তিন ভাগে ভাগ হয়ে যাবে।

এক ভাগ আমাকে কতল করবে।
এক ভাগ আমাকে কোনো সাহায্য করবে না।
আর এক ভাগ আমাকে মিথ্যাবাদী বলবে।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
আমি যদি তোমাদের বলি যা আমি জানি, তবে তোমরা তিন ভাগে ভাগ হয়ে যাবে।

এক ভাগ আমাকে কতল করবে।
এক ভাগ আমাকে কোনো সাহায্য করবে না।
আর এক ভাগ আমাকে মিথ্যাবাদী বলবে।
2020-04-04 20:18:53 @103.115.26.86
হুজাইফা রা: বলেছেন:
যে জামাত থেকে এক হাত দূরে চলে গেলো সে যেনো ইসলাম থেকে দূরে চলে গেলো।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
যে জামাত থেকে এক হাত দূরে চলে গেpলো সে যেনো ইসলাম থেকে দূরে চলে গেলো।
2020-04-04 17:21:19 @103.115.26.86
হুজাইফা রা: বলেছেন:
তিনটা ফিতনা হবে। চতুর্থটা দাজ্জালের দিকে নিয়ে যাবে।
তখন কালো পাথর ছুড়ে মারা হবে। এবং অগ্নি পাথর ছুড়ে মারা হবে।
ঢেউয়ের মত অন্ধকার আসবে। সমুদ্রের ঢেউয়ের মত।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
তিনটা ফিতনা হবে। চতুর্থটা দাজ্জালের দিকে নিয়ে যাবে।
তখন কালো পাথর ছুড়ে মারা হবে। এবং অগ্নি পাথর ছুড়ে মারা হবে।
ঢেউয়ের মত অন্ধকার আসবে। সমুদ্রের ঢেউয়ের মত।
2020-04-04 17:17:16 @103.115.26.86
হুজাইফা রা: বলেছেন:
চাবুকের ফিতনা হবে তলোয়ারের ফিতনা থেকেও প্রচন্ড।

জিজ্ঞাসা করা হলো:
কিভাবে?

বললেন:
মানুষকে চাবুক দিয়ে মারা হবে যতক্ষন না সে কাঠের তক্তায় আরোহন করে।
হুজাইফা রা: বলেছেন:
চাবুকের ফিতনা হবে তলোয়ারের ফিতনা থেকেও প্রচন্ড।

জিজ্ঞাসা করা হলো:
কিভাবে?

বললেন:
মানুষকে চাবুক দিয়ে মারা হবে যতক্ষন না সে কাঠের তক্তায় আরোহন করে।
2020-04-04 17:16:56 @103.115.26.86
হুজাইফা রা: বলেছেন,
ফিতনা হবে।
থামবে, আবার আরম্ভ হবে।
তুমি যদি এটা থেমে থাকার সময়ে মরে যেতে পারো, তবে তাই করো।
হুজাইফা রা: বলেছেন,
ফিতনা হবে।
থামবে, আবার আরম্ভ হবে।
তুমি যদি এটা থেমে থাকার সময়ে মরে যেতে পারো, তবে তাই করো।
2020-04-04 17:12:01 @103.115.26.86
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতুজামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"
ৃৃ্্্গজ
আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2020-03-10 10:31:20 @103.237.39.249
আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: বলেছেন,
এই ঘর থেকে আনন্দিত হয়ে নাও যতক্ষন না এটার উন্নয়ন হয়।
দুই বার এর উন্নয়ন হবে এবং ভেঙ্গে ফেলা হবে।
তৃতীয়বার এর উন্নয়ন হবে।
আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: বলেছেন,
এই ঘর থেকে আনন্দিত হয়ে নাও যতক্ষন না এটার উন্নয়ন হয়।
দুই বার এর উন্নয়ন হবে এবং ভেঙ্গে ফেলা হবে।
তৃতীয়বার এর উন্নয়ন হবে।
2020-02-25 15:24:38 @103.109.57.83
জাইদ বিন উথাইয়ি বলেছেন:
হুজাইফা রা: বলেছেন,
: তোমরা তখন কি করবে যখন তোমাদের কাছে অন্যে হক চাবে তখন তোমরা তাকে দিয়ে দেবে, কিন্তু তোমাদের হক তোমাদেরকে দিতে তারা আস্বিকার করবে?

লোকেরা জবাব দিলো,
: আমরা সবর করবো।

হুজাইফা রা: বললেন,
: তোমরা প্রবেশ করেছো! কাবার রবের শপথ।
জাইদ বিন উথাইয়ি বলেছেন:
হুজাইফা রা: বলেছেন,ল
: তোমরা তখন কি করবে যখন তোমাদের কাছে অন্যে হক চাবে তখন তোমরা তাকে দিয়ে দেবে, কিন্তু তোমাদের হক তোমাদেরকে দিতে তারা আস্বিকার করবে?

লোকেরা জবাব দিলো,
: আমরা সবর করবো।

হুজাইফা রা: বললেন,
: তোমরা প্রবেশ করেছো! কাবার রবের শপথ।
2020-02-09 21:24:10 @2402:1980:333:13f:9080:141b:612f:43
জাইদ বিন উথাইয়ি বলেছেন:
হুজাইফা রা: বলেছেন,
: তোমরা তখন কি করবে যখন তোমাদের কাছে অন্যে হক চাবে তখন তোমরা তাকে দিয়ে দেবে, কিন্তু তোমাদের হক তোমাদেরকে দিতে তারা আস্বিকার করবে?

লোকেরা জবাব দিলো,
: আমরা সবর করবো।

হুজাইফা রা: বললেন,
: তোমরা প্রবেশ করেছো! কাবার রবের শপথ।
জাইদ বিন উথাইয়ি বলেছেন:
হুজাইফা রা: বলেছেন,ল
: তোমরা তখন কি করবে যখন তোমাদের কাছে অন্যে হক চাবে তখন তোমরা তাকে দিয়ে দেবে, কিন্তু তোমাদের হক তোমাদেরকে দিতে তারা আস্বিকার করবে?

লোকেরা জবাব দিলো,
: আমরা সবর করবো।

হুজাইফা রা: বললেন,
: তোমরা প্রবেশ করেছো! কাবার রবের শপথ।
2020-02-09 21:24:08 @2402:1980:333:13f:9080:141b:612f:43
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, অথচ আপনার চাচাত ভাই (তৎকালীন বাদশাহ) আমাদের হুকুম করে "অন্যের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর অন্যদের হত্যা করার ব্যপারে।" অথচ আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা অন্যের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।" (অথ্যাৎ শাসকের নাজায়েজ হুকুম মানবে না কিন্তু বিদ্রোহও করবে না )

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2020-02-09 14:10:19 obayda1757@...
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, অথচ আপনার চাচাত ভাই আমাদের হুকুম করে "অন্যের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর অন্যদের হত্যা করার ব্যপারে।" অথচ আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা অন্যের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।" (অথ্যাৎ শাসকের নাজায়েজ হুকুম মানবে না কিন্তু বিদ্রোহও করবে না )

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2020-02-09 14:09:53 obayda1757@...
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, "আমি হলাম আপনার চাচার ছেলে। আমাদের বলুন নিজেদের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর নিজেদের হত্যা না করার ব্যপারে। যেমন আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা তোমাদের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
আব্দুর রহমান বিন আবদু রাব্বিল কাবা বলেছেন:

আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর রা: এর কাছে এলাম, উনি কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন
উনার চারদিকে অনেক মানুষ জমেছিলো। 

একবার আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সফরে ছিলাম

একটা মনজিলে থামার পরে, আমাদের মাঝে কেউ তাবু টাংগানো আরম্ভ করলো, কেউ তীর চালনা প্রতিযোগিতা আরম্ভ করলো, কেউ বা জন্তুগুলো নিয়ে দৌড় আরম্ভ করলো।

এই অবস্থায় একজন ডাক দিলেন, "আসসালাতু জামিয়া"। আমরা শুনে সবাই একত্রিত হলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার আগের সব নবী উম্মতদের বলে দিয়ে গিয়েছেন কোনটা তাদের জন্য ভালো, আর কোনটা তাদের জন্য খারাপ। এটা জানানো ছিলো তাদের উপর আল্লাহর হক।

এই উম্মতের প্রথম যুগের মানুষেদের সঠিক পথে রাখা হবে। আর শেষ যুগের মানুষদের উপর বিপদাপদ এবং তারা যা অপছন্দ করে সেগুলো আসবে।

এর পর ফিতনা এত বাড়বে যে মু'মিন বলবেন "এটাতে আমি ধ্বংশ হয়ে যাবো"
এর পর ফিতনা চলে যাবে।
এর পর ফিতনার আবার বাড়বে।
মু'মিন বলবে "না, বরং এবার।"

তোমাদের মাঝে যে চায় আগুন থেকে বাচতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে, সে যেন আল্লাহ আর আখিরাতের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু বরন করে। এবং নিজে যেটা পেতে পছন্দ করে, সেটা যেন মানুষের জন্য পছন্দ করে।

যে লোক কোনো ইমামকে বায়াত দিলো তার হাত ও অন্তর দিয়ে, সে যেন তার আদেশ পালন করে যতটুকু পারে। এবং অন্য কেউ এসে চ্যলেঞ্জ করলে তোমরা তার ঘাড়ে আঘাত করবে।"

আমি মানুষের মাঝ থেকে মাথা বের করে জিজ্ঞাসা করলাম, "আমি আল্লাহ নামে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছেন?"

উনি উনার দু হাত দিয়ে উনার কান দেখালেন এবং বললেন, "আমি এই দুই কান দিয়ে শুনেছি এবং অন্তর দিয়ে খেয়াল করেছি।"

আমি বললাম, অথচ আপনার চাচাত ভাই আমাদের হুকুম করে "অন্যের মাল অবৈধ ভাবে খাওয়া আর অন্যদের হত্যা করার ব্যপারে।" অথচ আল্লাহ বলেছেন -- তোমরা অন্যের মাল নিজেরা অবৈধ ভাবে ভোগ করো না, এবং ভোগ করার জন্য বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না'..." সুরা বাকার ১৮৮ নং আয়াত তিলওয়াত করলেন শেষ পর্যন্ত।

উনি দুই হাত একত্র করলেন এবং মুখের উপর রাখলেন। এর পর হাত কিছুটা নামিয়ে বললেন: "আল্লাহর অনুসরনের ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য হবে। আর আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে তাদের অবাধ্য হবে।"

আব্দুল্লাহ বিন উমার রা: রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকেও একই কথা বর্ননা করেছেন। তিনি যোগ করেছেন "এই উম্মতের শেষ যুগে একের পর এক ফিতনা দেখা যাবে যার পরেরটা আগেরটার থেকে বড় হবে।"
2020-02-09 14:04:53 obayda1757@...
৩৬৯৪৫
2019-12-29 00:25:37 @141.0.9.208
আব্দুল্লাহ রা: এর কাছে এক লোক এসে জিজ্ঞাসা করলেন:
: আমরা কখন পথ ভ্রস্ট হবো?
: যখন তোমাদের এমন আমির হবে যাদের অনুসরন করলে তারা তোমাদের পথভ্রস্ট করবে। এবং তাদের আবাধ্যতা করলে তারা তোমাদের কতল করবে।
আব্দুল্লাহ রা: এর কাছে এক লোক এসে জিজ্ঞাসা করলেন:
: আমরা কখন পথ ভ্রস্ট হবো?
: যখন তোমাদের এমন আমির হবে যাদের অনুসরন করলে তারা তোমাদের পথভ্রস্ট করবে। এবং তাদের আবাধ্যতা করলে তারা তোমাদের কতল করবে।
2019-11-17 15:42:20 @103.216.57.198
আসমা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার মদিনার উচু ঘরগুলোর মাঝে একটা উচু ঘরে দাড়ালেন এবং বললেন,
তোমরা কি দেখছো যা আমি দেখছি?
আমি ফিতনার দেখছি তোমাদের বাসাগুলোর মাঝ দিয়ে পড়ছে, যেমন করে বৃস্টি ঐ জায়গায় পড়ে।
আসমা রা: বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার মদিনার উচু ঘরগুলোর মাঝে একটা উচু ঘরে দাড়ালেন ঋদ্ধএবং বললেন,
তোমরা কি দেখছো যা আমি দেখছি?
আমি ফিতনার দেখছি তোমাদের বাসাগুলোর মাঝ দিয়ে পড়ছে, যেমন করে বৃস্টি ঐ জায়গায় পড়ে।
2019-11-10 16:37:58 @103.242.22.250
কুরযি বিন আলকামা আল-খুজাই বলেছেন:
এক লোক বললেন:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, ইসলামের কি সমাপ্তি আছে?

উনি ﷺ বললেন,
: হ্যা। যখন আল্লাহ তায়ালা কোনো আরব বা অনারব কোনো পরিবারের ভালো চান তখন উনি তাদের ইসলামে প্রবেশ করান।
: এর পর?
: এর পর ফিতনা যেটা ছায়ার মত ঢেকে ফেলবে। সে সময়ে সিংহরা গড়িয়ে পড়ে যাবে। তোমাদের এক দল অন্য দলের গলায় আঘাত করবে।

সিংহ হলো: জীবিত লোক যারা জেগে উঠবে, এর পর আবার গড়িয়ে পড়বে।
কুরযি বিন আলকামা আল-খুজাই বলেছেন:
এক লোক বললেন:
ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ, ইসলামের কি সমাপ্তি আছে?

উনি ﷺ বললেন,
: হ্যা। যখন আল্লাহ তায়ালা কোনো আরব বা অনারব কোনো পরিবারের ভালো চান তখন উনি তাদের ইসলামে প্রবেশ করান।
: এর পর?
: এর পর ফিতনা যেটা ছায়ার মত ঢেকে ফেলবে। সে সময়ে সিংহরা গড়িয়ে পড়ে যাবে। তোমাদের এক দল অন্য দলের গলায় আঘাত করবে।

সিংহ হলো: জীবিত লোক যারা জেগে উঠবে, এর পর আবার গড়িয়ে পড়বে।
2019-11-10 16:37:45 @103.242.22.250
আবু জর রা: বলছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন
: হে আবু যর। যখন তুমি দেখবে মানুষ একে অন্যকে কতল করছে এমন কি "হিজারাতু জাইত" পর্যন্ত রক্তে ডুবে গিয়েছে তখন তুমি কি করবে?
: আল্লাহ আর উনার রাসুল ভালো জানেন।
: তুমি নিজের বাসায় ঢুকে যাবে।
: আমি কি অস্ত্র বহন করবো না?
: যদি এটা তোমার বিষয় হয়।
: তখন আমি কি করবো, ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ ?
: যদি ভয় পাও সূর্যরশ্মি তোমাকে পরাজিত করছে তবে তোমার জামার অংশ দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলবে। সে তোমার আর তার নিজের পাপের বোঝা নেবে।
আবু জর রা: বলছেন,
রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাকে বলেছেন
: হে আবু যর। যখন তুমি দেখবে মানুষ একে অন্যকে কতল করছে এমন কি "হিজারাতু জাইত" পর্যন্ত রক্তে ডুবে গিয়েছে তখন তুমি কি করবে?
: আল্লাহ আর উনার রাসুল ভালো জানেন।
: তুমি নিজের বাসায় ঢুকে যাবে।
: আমি কি অস্ত্র বহন করবো না?
: যদি এটা তোমার বিষয় ।
: তখন আমি কি করবো, ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ ?
: যদি ভয় পাও সূর্যরশ্মি তোমাকে পরাজিত করছে তবে তোমার জামার অংশ দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলবে। সে তোমার আর তার নিজের পাপের বোঝা নেবে। মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা-36424
2019-11-02 12:58:12 @45.249.102.24
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:26 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:26 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:26 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:26 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:26 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:25 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:25 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:25 @103.67.156.225
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
হুজাইফা রা: সুরা তৌবার ১২ নং আয়াত পাঠ করলেন,
অর্থ: আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে

এর পর বললেন,
: পরবর্তিতে এই আয়াতে যাদের কথা আছে তাদের সাথে আর যুদ্ধ হয় নি।
2019-10-30 20:38:25 @103.67.156.225
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
হুজাইর বিন রাবী বলেছেন:
ইমরান বিন হুসাইন আমাকে বললেন,
তোমার কওম এসেছিলো, এর পর এই বিষয়ে কম করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছিলো।

আমি বললাম,
আমি তাদের মাঝে থাকি, তবে তাদের অনুসারি না।

উনি বললেন,
তাহলে আমার পক্ষ থেকে তাদের জানিয়ে দিও যে, এক জন হাবশি গোলাম হয়ে পাহাড়ের চুড়ায় ছাগল পালন করা যতক্ষন না আমার মৃত্যু আসে, আমার কাছে বেশি প্রিয়, কোনো কাতারে ভুল কোনো তীর নিক্ষেপ বা আঘাত করার থেকে।
2019-10-30 20:37:54 @103.67.156.225

Execution time: 0.10 render + 0.00 s transfer.