Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
রাসুলুল্লাহ সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
রাসুলুল্লাহ সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
2021-09-24 22:48:09 @202.134.14.145
হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন চতূর্থ ফিতনা বা যুদ্ধ আঠারো মাস দীর্ঘস্থায়ী হবে। অতপর যখন অবসান ঘটবে তখন অবসান ঘটবে। (অবসানের সময়ে অবসান ঘটবে।) আর ফুরাত নদীকে স্বর্ণের পাহাড় হতে খুলে দেওয়া হবে। আর উম্মত বা জাতি উহার উপর ঝুঁকে পড়বে। অতপর প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে।

হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন চতূর্থ ফিতনা বা যুদ্ধ আঠারো মাস দীর্ঘস্থায়ী হবে। অতপর যখন অবসান ঘটবে তখন অবসান ঘটবে। (অবসানের সময়ে অবসান ঘটবে।) আর ফুরাত নদীকে স্বর্ণের পাহাড় হতে খুলে দেওয়া হবে। আর উম্মত বা জাতি উহার উপর ঝুঁকে পড়বে। অতপর প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে।

2021-09-17 17:54:55 @27.147.214.49
আবু আম্মার হযরত হোজাইফা রাযিঃ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, তিনি বলেন, মানুষের মাঝে এমন একযুগ আসবে, সকালে মানুষ বিচক্ষণ থাকবে, সন্ধ্যা হতে হতে সে পরিপূর্ণরূপে বোকা হয়ে যাবে।
আবু আম্মার হযরত হোজাইফা রাযিঃ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মানুষের মাঝে এমন একযুগ আসবে, সকালে মানুষ বিচক্ষণ থাকবে, সন্ধ্যা হতে হতে সে পরিপূর্ণরূপে বোকা হয়ে যাবে।
2021-09-12 19:34:58 @103.25.251.247
হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাযিঃ এর এক গোলাম বলেন, আমি একদিন হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ কে দেখলাম, যে অবস্থায় তিনি কতক বাচ্চাকে একথা বলতে শুনেছেন, “পরবর্তীতে অবস্থা খুবই ভয়াবহ হবে”। একথা শুনার সাথে সাথে হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ বলে উঠলেন,কসম যে সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ, কিয়ামতের দিন পর্যন্ত আরো অনেক কঠিন ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখিন হতে হবে।
হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাযিঃ এর এক গোলাম বলেন, আমি একদিন হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ কে দেখলাম, যে অবস্থায় তিনি কতক বাচ্চাকে একথা বলতে শুনেছেন, “পরবর্তীতে অবস্থা খুবই ভয়াবহ হবে”। একথা শুনার সাথে সাথে হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ বলে উঠলেন,কসম যে সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ, কিয়ামতের দিন পর্যন্ত আরো অনেক কঠিন ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখিন হতে হবে।...
2021-09-12 08:26:39 @70.26.155.192
হযরত আওফ রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে, হযরত আলী রাযিঃ এরশাদ করেছেন, এমন এক যুগ আসবে যে যুগে মুসলমানরাই হবে উম্মতের সব চেয়ে নিকৃষ্টতম ব্যক্তি। এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, সেসময় মুসলমানরা শিয়ালের ধূর্ত অবস্থা পলায়নের ন্যায় পলায়ন করবে।
হযরত আওফ রহঃ থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে, হযরত আলী রাযিঃ এরশাদ করেছেন , এমন এক যুগ আসবে যে যুগে মুসলমানরাই হবে উম্মতের সব চেয়ে নিকৃষ্টতম ব্যক্তি । এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন , সেসময় মুসলমানরা শিয়ালের ধূর্ত অবস্থা পলায়নের ন্যায় পলায়ন করবে ।
2021-09-05 10:51:18 @103.166.153.56
হযরত আওফ রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে, হযরত আলী রাযিঃ এরশাদ করেছেন, এমন এক যুগ আসবে যে যুগে মুসলমানরাই হবে উম্মতের সব চেয়ে নিকৃষ্টতম ব্যক্তি। এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, সেসময় মুসলমানরা শিয়ালের ধূর্ত অবস্থা পলায়নের ন্যায় পলায়ন করবে।
হযরত আওফ রহঃ থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে, হযরত আলী রাযিঃ এরশাদ করেছেন , এমন এক যুগ আসবে যে যুগে মুসলমানরাই হবে উম্মতের সব চেয়ে নিকৃষ্টতম ব্যক্তি । এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন , সেসময় মুসলমানরা শিয়ালের ধূর্ত অবস্থা পলায়নের ন্যায় পলায়ন করবে ।
2021-09-05 10:50:15 @103.166.153.56
হযরত আওফ রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে, হযরত আলী রাযিঃ এরশাদ করেছেন, এমন এক যুগ আসবে যে যুগে মুসলমানরাই হবে উম্মতের সব চেয়ে নিকৃষ্টতম ব্যক্তি। এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, সেসময় মুসলমানরা শিয়ালের ধূর্ত অবস্থা পলায়নের ন্যায় পলায়ন করবে।
হযরত আওফ রহঃ থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে, হযরত আলী রাযিঃ এরশাদ করেছেন , এমন এক যুগ আসবে যে যুগে মুসলমানরাই হবে উম্মতের সব চেয়ে নিকৃষ্টতম ব্যক্তি । এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন , সেসময় মুসলমানরা শিয়ালের ধূর্ত অবস্থা পলায়নের ন্যায় পলায়ন করবে ।
2021-09-05 10:49:21 @103.166.153.56
হযরত ইব্রাহীম রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, একজন লোক দ্বীনের সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থান করে, যতক্ষণ না সে, কাউকে নাহক্বভাবে হত্যা না করে, যদি কাউকে নাহক্বভাবে হত্যা করে তাহলে তার কাছ থেকে লজ্জা ইত্যাদি ছিনিয়ে নেয়া হয়।
হযরত ইব্রাহীম রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন , একজন লোক দ্বীনের সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থান করে, যতক্ষণ না সে , কাউকে নাহক্বভাবে হত্যা না করে, যদি কাউকে নাহক্বভাবে হত্যা করে তাহলে তার কাছ থেকে লজ্জা ইত্যাদি ছিনিয়ে নেয়া হয় ।
2021-09-04 19:14:09 @103.166.153.56
হযরত ইব্রাহীম রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, একজন লোক দ্বীনের সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থান করে, যতক্ষণ না সে, কাউকে নাহক্বভাবে হত্যা না করে, যদি কাউকে নাহক্বভাবে হত্যা করে তাহলে তার কাছ থেকে লজ্জা ইত্যাদি ছিনিয়ে নেয়া হয়।
হযরত ইব্রাহীম রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন , একজন লোক দ্বীনের সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থান করে, যতক্ষণ না সে , কাউকে নাহক্বভাবে হত্যা না করে, যদি কাউকে নাহক্বভাবে হত্যা করে তাহলে তার কাছ থেকে লজ্জা ইত্যাদি ছিনিয়ে নেয়া হয় ।
2021-09-04 19:14:02 @103.166.153.56
হযরত যায়েদ ইব্নে আসলাম রহঃ জনৈক সাহাবা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামায আদায় করল, অতঃপর আল্লাহর ওয়াস্তে তার প্রতিবেশিদের কেউ তাকে আশ্রয় দিবেনা। কেননা যদি কেউ তাকে আশ্রয় দেয়, আল্লাহ তাআলা তাকে তালাশ করে নিয়ে আসবেন, অতঃপর তাকে উপুড় করে জাহান্নামের মাঝখানে নিক্ষেপ করবেন।
হযরত যায়েদ ইব্নে আসলাম রহঃ জনৈক সাহাবা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামায আদায় করল, অতঃপর আল্লাহর ওয়াস্তে তার প্রতিবেশিদের কেউ তাকে আশ্রয় দিবেনা। কেননা যদি কেউ তাকে আশ্রয় দেয়, আল্লাহ তাআলা তাকে তালাশ করে নিয়ে আসবেন, অতঃপর তাকে উপুড় করে জাহান্নামের মাঝখানে নিক্ষেপ করবেন ।
2021-09-04 18:51:25 @103.166.153.56
হযরত যায়েদ ইব্নে আসলাম রহঃ জনৈক সাহাবা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামায আদায় করল, অতঃপর আল্লাহর ওয়াস্তে তার প্রতিবেশিদের কেউ তাকে আশ্রয় দিবেনা। কেননা যদি কেউ তাকে আশ্রয় দেয়, আল্লাহ তাআলা তাকে তালাশ করে নিয়ে আসবেন, অতঃপর তাকে উপুড় করে জাহান্নামের মাঝখানে নিক্ষেপ করবেন।
হযরত যায়েদ ইব্নে আসলাম রহঃ জনৈক সাহাবা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামায আদায় করল, অতঃপর আল্লাহর ওয়াস্তে তার প্রতিবেশিদের কেউ তাকে আশ্রয় দিবেনা। কেননা যদি কেউ তাকে আশ্রয় দেয়, আল্লাহ তাআলা তাকে তালাশ করে নিয়ে আসবেন, অতঃপর তাকে উপুড় করে জাহান্নামের মাঝখানে নিক্ষেপ করবেন ।
2021-09-04 18:50:59 @103.166.153.56
হযরত আরত্বাত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, মাহদী চল্লিশ বছর জিবিত থাকবে।
হযরত আরত্বাত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, মাহদী চল্লিশ বছর জিবিত থাকবে।ল
2021-09-03 06:56:27 @27.147.191.156
হযরত মাতারুল ওয়ারাক হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন অকাট্ট ভাবে আল্লাহ তা’আলা কুফুরী করার পরই মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবেন।
হযরত মাতারুল ওয়ারাক হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন অকাট্ট ভাবে আল্লাহ তা’আলার কুফুরী করার পরই মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবেন।
2021-08-30 21:39:05 @103.23.205.246
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, বায়তুল মোকাদ্দাসের একজন বাদশাহ ভারতের দিকে সৈন্য প্রেরণ করবে এবং সেখানের যাবতীয় সম্পদ ছিনিয়ে নিবে। ঐ সময় ভারত বায়তুল মোকাদ্দাসের একটি অংশ হয়ে যাবে। তখন তার সামনে ভারতের সৈন্য বাহিনী গ্রেফতার অবস্থায় পেশ করা হবে। প্রায় গোটা পৃথিবী তার শাসনের অধীনে থাকবে। ভারতে তাদের অবস্থান দাজ্জালের আবির্ভাব হওয়া পর্যন্ত থাকবে।
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, বায়তুল মোকাদ্দাসের একজন বাদশাহ ভারতের দিকে সৈন্য প্রেরণ করবে এবং সেখানের যাবতীয় সম্পদ ছিনিয়ে নিবে। ঐ সময় ভারত বায়তুল মোকাদ্দাসের একটি অংশ হয়ে যাবে। তখন তার সামনে ভারতের সৈন্য বাহিনী গ্রেফতার অবস্থায় পেশ করা হবে। প্রায় গোটা পৃথিবী তার শাসনের অধীনে থাকবে।
2021-08-25 21:45:44 @157.119.48.214
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, বায়তুল মোকাদ্দাসের একজন বাদশাহ ভারতের দিকে সৈন্য প্রেরণ করবে এবং সেখানের যাবতীয় সম্পদ ছিনিয়ে নিবে। ঐ সময় ভারত বায়তুল মোকাদ্দাসের একটি অংশ হয়ে যাবে। তখন তার সামনে ভারতের সৈন্য বাহিনী গ্রেফতার অবস্থায় পেশ করা হবে। প্রায় গোটা পৃথিবী তার শাসনের অধীনে থাকবে। ভারতে তাদের অবস্থান দাজ্জালের আবির্ভাব হওয়া পর্যন্ত থাকবে।
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, বায়তুল মোকাদ্দাসের একজন বাদশাহ ভারতের দিকে সৈন্য প্রেরণ করবে এবং সেখানের যাবতীয় সম্পদ ছিনিয়ে নিবে। ঐ সময় ভারত বায়তুল মোকাদ্দাসের একটি অংশ হয়ে যাবে। তখন তার সামনে ভারতের সৈন্য বাহিনী গ্রেফতার অবস্থায় পেশ করা হবে। প্রায় গোটা পৃথিবী তার শাসনের অধীনে থাকবে। ভারতে তাদের অবস্থান দাজ্জালের আবির্ভাব হওয়া পর্যন্ত থাকবে
2021-08-25 21:45:28 @157.119.48.214
হযরত সাফওয়ান থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, হিমস বিজয়ে অংশ গ্রহনকারীদের কেউ কেউ বলেন, হিমস শহর বসবাসকারী কতিপয় রোমের বাসিন্দা সর্বদা বর্বর জাতি কর্তৃক আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে শঙ্কিত থাকতো এবং তারা বলতো সাফওয়ান হিমস শহরেকে তামরা করে নাম করন করার পর বলতেন হে তাম্রা বর্বর জাতি কর্তৃক তোমার ধ্বংস হোক।
হযরত সাফওয়ান থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, হিমস বিজয়ে অংশ গ্রহনকারীদের কেউ কেউ বলেন, হিমস শহর বসবাসকারী কতিপয় রোমের বাসিন্দা সর্বদা বর্বর জাতি কর্তৃক আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে শঙ্কিত থাকতো এবং তারা বলতো সাফওয়ান হিমস শহরেকে তামরা করে নাম করন করার পর বলতেন হে তাম্রা বর্বর জাতি কর্তৃক তোমার ধ্বংস হোক
2021-08-24 20:26:13 @43.245.120.122
হযরত আউন ইবনে আব্দুল্লাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, নিঃসন্দেহে অনেক লোক এমন রয়েছে, যারা গুনাহের স্থলে উপস্থিত থেকে ও সেটা অপছন্দ করার কারনে যেন সেই লোক সেখানে উপস্থিত ছিল। পক্ষান্তরে কেউ উক্ত গুনাহের স্থলে অনুপস্থিত থেকে যদি সেটার উপর রাযি থাকে তাহলে যেন সে লোক উক্ত গুনাহের কাজে উপস্থিত ছিল।
হযরত আউন ইবনে আব্দুল্লাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, নিঃসন্দেহে অনেক লোক এমন রয়েছে, যারা গুনাহের স্থলে উপস্থিত থেকে ও সেটা অপছন্দ করার কারনে যেন সেই লোক সেখানে অনুপস্থিত ছিল। পক্ষান্তরে কেউ উক্ত গুনাহের স্থলে অনুপস্থিত থেকে যদি সেটার উপর রাযি থাকে তাহলে যেন সে লোক উক্ত গুনাহের কাজে উপস্থিত ছিল।
2021-08-23 03:10:21 @103.199.84.121
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, জনৈক শাসক রোমানদের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করবে। তাৎক্ষণিৎভাবে কেউ তার বিরোধিতা করবেনা এবং ভবিষ্যতেও এমন কোনো আশঙ্কা নেই। তিনি তার সৈন্যদেরকে নিয়ে সামনে অগ্রসর হতে হতে একটি এলাকায় কিছু দিনের জন্য ছাউনি ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন, গেইটের মধ্যে লেখা থাকবে, নিশ্চয় মুমিনদেরকে আদন এলাকা থেকে সাহায্য করা হবে যা তাদের উটের উপর প্রকাশ পাবে। এভাবে তারা চলতে থাকবে এবং দশজনকে হত্যা করবে। এভাবে চলতে গিয়ে তারা নিজেদের রসদপত্র থেকে ভক্ষণ করেছে এবং রাত্র ব্যতীত কোনো বস্তুই তাদের জন্য বাঁধা হয়নি। তাদের তীর, তলোয়ার কামান ইত্যাদি সর্বদা প্রস্তুত অবস্থায় থাকবে। এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা তাদের উপর পরাজয় চাপিয়ে দিবেন। তখন এমন এক যুদ্ধ সংগঠিত হবে যা সাধারণতঃ দেখা যায়না, ভবিষ্যতেও দেখা যাবে কিনা সন্দেহ। অবস্থা এমন হবে যে, কোনো একটি পাখি তার ডানার সাহায্যে উড়তে থাকলে মৃত মানুষের দুর্গন্ধের কারণে মারা যাবে। সে দিনের শহীদদের জন্য দুটি অবস্থা হবে, একটি হচ্ছে, পূর্বে শাহাদাত বরণ করা শহীদদের মত হবে। অথবা সেদিন মুমিনদের জন্য এমন অবস্থা হবে যা পূর্বে অতিবাহিত হওয়া মুমিনদের ন্যায় হবে। তাদের আর কখনো আগমন হবেনা। আর অবশিষ্ট লোকজন দাজ্জালের সাথে মোকাবেলা করবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারী মুহাম্মদ ইবনে সীরিন রহঃ বলেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হাদীসটি বর্ণনা করতে গিয়ে বলতেন। যদি আমি উক্ত যুগ পর্যন্ত জীবিত থাকি, আর সে যুদ্ধে যোগ দেয়ার মত কোনো শক্তি আমার মাঝে মজুদ না থাকে তাহলে আমি একটি খাটিয়ার উপর রেখে সেটা বহন করে যুদ্ধে দু দলের ঠিক মাঝখানে রেখে দিবো।
মুহাম্মদ ইব্নে সীরিন রহঃ বলেন, হযরত কা’বে আহবার রহঃ বলতেন, আল্লাহর কসম! খ্রীস্টানদের মাঝে দুটি গণহত্যা হবে, তার একটি চলে গিয়েছে, অন্যটি এখনো বাকি আছে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, জনৈক শাসক রোমানদের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করবে। তাৎক্ষণিৎভাবে কেউ তার বিরোধিতা করবেনা এবং ভবিষ্যতেও এমন কোনো আশঙ্কা নেই। তিনি তার সৈন্যদেরকে নিয়ে সামনে অগ্রসর হতে হতে একটি এলাকায় কিছু দিনের জন্য ছাউনি ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন, গেইটের মধ্যে লেখা থাকবে, নিশ্চয় মুমিনদেরকে আদন এলাকা থেকে সাহায্য করা হবে যা তাদের উটের উপর প্রকাশ পাবে। এভাবে তারা চলতে থাকবে এবং দশজনকে হত্যা করবে। এভাবে চলতে গিয়ে তারা নিজেদের রসদপত্র থেকে ভক্ষণ করেছে এবং রাত্র ব্যতীত কোনো বস্তুই তাদের জন্য বাঁধা হয়নি। তাদের তীর, তলোয়ার কামান ইত্যাদি সর্বদা প্রস্তুত অবস্থায় থাকবে। এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা তাদের উপর পরাজয় চাপিয়ে দিবেন। তখন এমন এক যুদ্ধ সংগঠিত হবে যা সাধারণতঃ দেখা যায়না, ভবিষ্যতেও দেখা যাবে কিনা সন্দেহ। অবস্থা এমন হবে যে, কোনো একটি পাখি তার ডানার সাহায্যে উড়তে থাকলে মৃত মানুষের দুর্গন্ধের কারণে মারা যাবে। সে দিনের শহীদদের জন্য দুটি অবস্থা হবে, একটি হচ্ছে, পূর্বে শাহাদাত বরণ করা শহীদদের মত হবে। অথবা সেদিন মুমিনদের জন্য এমন অবস্থা হবে যা পূর্বে অতিবাহিত হওয়া মুমিনদের ন্যায় হবে। তাদের আর কখনো আগমন হবেনা। আর অবশিষ্ট লোকজন দাজ্জালের সাথে মোকাবেলা করবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারী মুহাম্মদ ইবনে সীরিন রহঃ বলেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হাদীসটি বর্ণনা করতে গিয়ে বলতেন। যদি আমি উক্ত যুগ পর্যন্ত জীবিত থাকি, আর সে যুদ্ধে যোগ দেয়ার মত কোনো শক্তি আমার মাঝে মজুদ না থাকে তাহলে আমি একটি খাটিয়ার উপর রেখে সেটা বহন করে যুদ্ধে দু দলের ঠিক মাঝখানে রেখে দিবো।
মুহাম্মদ ইব্নে সীরিন রহঃ বলেন, হযরত কা’বে আহবার রহঃ বলতেন, আল্লাহর কসম! খ্রীস্টানদের মাঝে দুটি গণহত্যা হবে, তার একটি চলে গিয়েছে, অন্যটি এখনো বাকি আছে।
2021-08-20 21:29:48 @103.154.48.97
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, জনৈক শাসক রোমানদের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করবে। তাৎক্ষণিৎভাবে কেউ তার বিরোধিতা করবেনা এবং ভবিষ্যতেও এমন কোনো আশঙ্কা নেই। তিনি তার সৈন্যদেরকে নিয়ে সামনে অগ্রসর হতে হতে একটি এলাকায় কিছু দিনের জন্য ছাউনি ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন, গেইটের মধ্যে লেখা থাকবে, নিশ্চয় মুমিনদেরকে আদন এলাকা থেকে সাহায্য করা হবে যা তাদের উটের উপর প্রকাশ পাবে। এভাবে তারা চলতে থাকবে এবং দশজনকে হত্যা করবে। এভাবে চলতে গিয়ে তারা নিজেদের রসদপত্র থেকে ভক্ষণ করেছে এবং রাত্র ব্যতীত কোনো বস্তুই তাদের জন্য বাঁধা হয়নি। তাদের তীর, তলোয়ার কামান ইত্যাদি সর্বদা প্রস্তুত অবস্থায় থাকবে। এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা তাদের উপর পরাজয় চাপিয়ে দিবেন। তখন এমন এক যুদ্ধ সংগঠিত হবে যা সাধারণতঃ দেখা যায়না, ভবিষ্যতেও দেখা যাবে কিনা সন্দেহ। অবস্থা এমন হবে যে, কোনো একটি পাখি তার ডানার সাহায্যে উড়তে থাকলে মৃত মানুষের দুর্গন্ধের কারণে মারা যাবে। সে দিনের শহীদদের জন্য দুটি অবস্থা হবে, একটি হচ্ছে, পূর্বে শাহাদাত বরণ করা শহীদদের মত হবে। অথবা সেদিন মুমিনদের জন্য এমন অবস্থা হবে যা পূর্বে অতিবাহিত হওয়া মুমিনদের ন্যায় হবে। তাদের আর কখনো আগমন হবেনা। আর অবশিষ্ট লোকজন দাজ্জালের সাথে মোকাবেলা করবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারী মুহাম্মদ ইবনে সীরিন রহঃ বলেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হাদীসটি বর্ণনা করতে গিয়ে বলতেন। যদি আমি উক্ত যুগ পর্যন্ত জীবিত থাকি, আর সে যুদ্ধে যোগ দেয়ার মত কোনো শক্তি আমার মাঝে মজুদ না থাকে তাহলে আমি একটি খাটিয়ার উপর রেখে সেটা বহন করে যুদ্ধে দু দলের ঠিক মাঝখানে রেখে দিবো।
মুহাম্মদ ইব্নে সীরিন রহঃ বলেন, হযরত কা’বে আহবার রহঃ বলতেন, আল্লাহর কসম! খ্রীস্টানদের মাঝে দুটি গণহত্যা হবে, তার একটি চলে গিয়েছে, অন্যটি এখনো বাকি আছে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, জনৈক শাসক রোমানদের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করবে। তাৎক্ষণিৎভাবে কেউ তার বিরোধিতা করবেনা এবং ভবিষ্যতেও এমন কোনো আশঙ্কা নেই। তিনি তার সৈন্যদেরকে নিয়ে সামনে অগ্রসর হতে হতে একটি এলাকায় কিছু দিনের জন্য ছাউনি ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন, গেইটের মধ্যে লেখা থাকবে, নিশ্চয় মুমিনদেরকে আদন এলাকা থেকে সাহায্য করা হবে যা তাদের উটের উপর প্রকাশ পাবে। এভাবে তারা চলতে থাকবে এবং দশজনকে হত্যা করবে। এভাবে চলতে গিয়ে তারা নিজেদের রসদপত্র থেকে ভক্ষণ করেছে এবং রাত্র ব্যতীত কোনো বস্তুই তাদের জন্য বাঁধা হয়নি। তাদের তীর, তলোয়ার কামান ইত্যাদি সর্বদা প্রস্তুত অবস্থায় থাকবে। এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা তাদের উপর পরাজয় চাপিয়ে দিবেন। তখন এমন এক যুদ্ধ সংগঠিত হবে যা সাধারণতঃ দেখা যায়না, ভবিষ্যতেও দেখা যাবে কিনা সন্দেহ। অবস্থা এমন হবে যে, কোনো একটি পাখি তার ডানার সাহায্যে উড়তে থাকলে মৃত মানুষের দুর্গন্ধের কারণে মারা যাবে। সে দিনের শহীদদের জন্য দুটি অবস্থা হবে, একটি হচ্ছে, পূর্বে শাহাদাত বরণ করা শহীদদের মত হবে। অথবা সেদিন মুমিনদের জন্য এমন অবস্থা হবে যা পূর্বে অতিবাহিত হওয়া মুমিনদের ন্যায় হবে। তাদের আর কখনো আগমন হবেনা। আর অবশিষ্ট লোকজন দাজ্জালের সাথে মোকাবেলা করবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারী মুহাম্মদ ইবনে সীরিন রহঃ বলেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হাদীসটি বর্ণনা করতে গিয়ে বলতেন। যদি আমি উক্ত যুগ পর্যন্ত জীবিত থাকি, আর সে যুদ্ধে যোগ দেয়ার মত কোনো শক্তি আমার মাঝে মজুদ না থাকে তাহলে আমি একটি খাটিয়ার উপর রেখে সেটা বহন করে যুদ্ধে দু দলের ঠিক মাঝখানে রেখে দিবো।dfh ehr 
মুহাম্মদ ইব্নে সীরিন রহঃ বলেন, হযরত কা’বে আহবার রহঃ বলতেন, আল্লাহর কসম! খ্রীস্টানদের মাঝে দুটি গণহত্যা হবে, তার একটি চলে গিয়েছে, অন্যটি এখনো বাকি আছে।
2021-08-20 21:29:41 @103.154.48.97
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন অতি সত্ত্বর এমন এক যুগ আসবে যখন মুসলমানদের জন্য সর্বোত্তম সম্পদ হবে বকরির পাল, যার সাথে সেই মুনলমান পর্বতের উচু স্থানে অবস্থান করবে। যেখানে বৃষ্টি ও দানা পানির সু ব্যবস্থা থাকবে এবং সে লোক তার দ্বীন সহকারে যাবতীয় ফেৎনা থেকে পালিয়ে থাকতে পারবে।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন অতি সত্ত্বর এমন এক যুগ আসবে যখন মুসলমানদের জন্য সর্বোত্তম সম্পদ হবে বকরির পাল, যার সাথে সেই মুসলমান পর্বতের উচু স্থানে অবস্থান করবে। যেখানে বৃষ্টি ও দানা পানির সু ব্যবস্থা থাকবে এবং সে লোক তার দ্বীন সহকারে যাবতীয় ফেৎনা থেকে পালিয়ে থাকতে পারবে।
2021-08-15 17:03:57 @103.155.118.238
হযরত দীনার ইবনে দীনার রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, নিঃসন্দেহে মাহদি মৃত্যুবরণ করলে মানুষের মাঝে ব্যাপক গনহত্যা দেখা দিবে এবং একে অন্যকে হত্যা করবে। অনারবদের জয়জয়কার হবে এবং ভয়াবহ যুদ্ধ-বিগ্রহ প্রকাশ পাবে। মানুষের মধ্যে কোনো শৃঙ্খলা এবং একতাবদ্ধতা থাকবেনা, এক পর্যায়ে দাজ্জালের আবির্ভাব হবে।
হযরত দীন দীন দীন থেকে বর্ণিত, তিনি এরশ করেন, আম ক াছে সংব পৌঁছেছে যে, নিঃসন্দেহে ম মৃত্যুবরণ ম ম াদ দিবে একে অন্যকে হত্য অন ​​-বিগ্রহ
2021-08-15 13:45:41 @103.92.214.22
হযরত হুজাইফা রাযিঃ এরশাদ করেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, আমার ওম্মতের মধ্যে এমন তিনশত লোক প্রকাশ পাবে যাদের সাথে তিনশত পতাকা থাকবে, যদ্বারা তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যাবে। বংশীয়ভাবে এরা খুবই পরিচিত হবে। তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের কথা প্রকাশ করলেও যুদ্ধ করবে সুন্নাতের বিপরীত পথভ্রষ্টার উপর।
17হযরত হুজাইফা রাযিঃ এরশাদ করেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, আমার ওম্মতের মধ্যে এমন তিনশত লোক প্রকাশ পাবে যাদের সাথে তিনশত পতাকা থাকবে, যদ্বারা তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যাবে। বংশীয়ভাবে এরা খুবই পরিচিত হবে। তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের কথা প্রকাশ করলেও যুদ্ধ করবে সুন্নাতের বিপরীত পথভ্রষ্টার উপর।
2021-08-10 05:05:12 @103.96.70.36
হযরত মাসলামা ইবনে আব্দুল মালিক রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি কুস্তুনতুনিয়া বা ইস্তাম্বুল নগরীতে পৌঁছলে একজন যুবক তার কাছে এগিয়ে আসে, যুবকটি পরনে উত্তম পোশাক এবং উন্নত মানের ঘোড়ার উপর সওয়ার। সে এসে বলল “আমি তাবারিস”।
তার কথা শুনে মাসলামা তাকে খুব সম্মান করলেন, তাকে কাছে টেনে নিলেন এরপর তাবারিস নামক লোকটি মুসলিম আররুমির কাছে পাঠিয়ে দিলেন। তিনি ছিলেন বনু সরওয়ানের একজন গোলাম, যাকে রোমনদের থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হয়েছে। মুসলিম আর রুমিকে বলা হলো, এ লোকটি দাবি করছে সে নাকি ‘তাবারিছ’।
এ কথা শুনে সে বলে উঠল, লোকটি মারাত্মক মিথ্যাবাদি। আমি তাবারিসকে খুব ভালোভাবেই চিনি। সে যদি দশ হাজার লোকের মাঝেও হয় অবশ্যই আমি তাকে বের করে আনব। তাবারিস হচ্ছে, একজন মোটা প্রকৃতির লোক, প্রশস্ত কপাল বিশিষ্ট, তার দাঁতগুলো হবে খুবই বিশ্রিভাবে বের হওয়া। তার বয়স ষাট বৎসর হবে। পানি পান করার সময় দাঁতগুলো দৃশ্যায়ন হবে। আমরা আমাদের এলাকায় উট খাওয়া ছেড়ে দিলে সে বলবে আমাদের এলাকায় এসে যাও ইচ্ছামত উটের গোশ্ত খেতে পারবে। তার কথা শুনে বিশাল একদল সেদিকে এগিয়ে যাবে, ইতিপূর্বে সেই রকম হয়নি। তারা এসে আ’মাক নামক এলাকায় পৌঁছবে এবং মুসলমানরাও সেখানে পৌঁছে যাবে। তারা সাহায্য কামনা করলে ইয়ামানের পক্ষ থেকে সাহায্য এসে পৌঁছবে। যারা ইসলামের সাহায্য করবে এবং জাজিরা ও শামের খ্রীস্টানদেরকে সাহায্য করবে। মুসলমানরা খ্রীস্টানদের দিকে এগিয়ে তাদের কাছ থেকে সাহায্য সহযোগিতা উঠিয়ে নেয়া হবে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে তাদের উপর ধৈর্য্য নেমে আসবে। এ দিকে তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধাস্ত্র স্থাপন করে রাখবে। কারো সাথে তলোয়ার থাকলে তার কোনো ক্ষতি হবেনা তার নাক-কান কাটা যাবেনা, তার অবস্থান গোপন রাখতে হবেনা, বরং যেখানে ইচ্ছা সেখানে প্রকাশ্যভাবে চলাফেরা করতে পারবে। মুসলমানদের আরেকদল লাঞ্ছিত-অপদস্থ হয়ে ফেরৎ আসবে, যার কারণে তারা নি¤œস্তরে উপনীত হবে। জান্নাত তো কখনো দেখবেনা, জান্নাতে বাসিন্দাদেরকেও দেখবেনা। অন্য আরেকদল জান-প্রাণ দিয়ে যুদ্ধ করবে, তাদের উপর আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সাহায্য নেমে আসবে। সে সময় তারাই হবে জমিনের বুকে সর্বশেষ শহীদ। ইতিপূর্বে যারা অতিবাহিত হয়েছে কিংবা পরবর্তীতে আসবে তাদের থেকে এরা সত্তরগুণ সওয়াব বেশি প্রাপ্ত হবে। বাকি লোকদের জন্য সামান্যমাত্র প্রতিদান থাকবে। উভয় দল একত্রিত হলে ব্যক্তি ঝান্ডা উচিয়ে ধরবেন তাকে হত্যা করা হবে, অতঃপর আরেকজন, অতঃপর আরেকজন, এভাবে কিছুক্ষণ চলার পর কোঁকড়ানো চুলবিশিষ্ট জনৈক লোক ঝান্ডা ধারন করবে, যার কপালটি সামান্য বাঁকা প্রকৃতির হবে। তাকে আল্লাহ পাক বিজয়ী করবেন। এবং কাফেরদের হত্যা ও পরাজিত করবেন। তাদেরকে একজন লোক মুসলমানদের ঝান্ডা ধারনকারীর অনুসরন করবে, মূলতঃ সে ছিল কাফেরদের ঝান্ডাবাহক। যে ঝান্ডা সে ছাড়া আর কেউ বহন করেনি। এক পর্যায়ে তারা সমুদ্রের কাছে এসে পৌঁছবে, সেখানে পৌছে ওজু করতে গেলে তাদের কাছ থেকে পানি অনেক দূরে সরে যাবে। আবারো পানির কাছে গেলে পানি দূরে চলে যাবে। এ অবস্থা দেখে তার সওয়ারীর কাছে ফিরে আসবে এবং সমুদ্র পাড়ি দিয়ে দিবে। সমুদ্রের পানি তখন দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে, এক ভাগ তার ডান পার্শ্বে থাকবে, আরেকভাগ থাকবে বাম পার্শ্বে। এক পর্যায়ে সে তার সাথীদেরকে সমুদ্র পাড়ি দিতে নির্দেশ দিয়ে বলবে, আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য সমুদ্রের বুকে পানিকে দুইভাগ করে রাস্তা করে দিয়েছেন, যেমন বনী ইসরাঈলের জন্য করা হয়েছিল। তারা সকলে একসাথে সমুদ্র পাড়ি দিবে। এরপর সমুদ্রের পার্শ্বে পরিস্কার এক স্থানে একটি ঝর্ণার আত্মপ্রকাশ হবে।
হাদীস বর্ণনাকারী আবু যুরআ বলেন, উক্ত ঝর্ণাটি আমি স্বচক্ষে দেখেছি এবং সে ঝর্ণা থেকে ওজুও করেছি। সেই পানি থেকে কেউ ওজু করলে সাথে সাথে দুই রাকাত নামাযও আদায় করে। ঐ ঝান্ডা বাহক তার সাথীদেরকে বলবে, এটা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেয়া একটি বিষয়। একথা শুনার সাথে সাথে সকলে তাকবীর দিয়ে উঠবে এবং সে তাদেরকে আল্লাহ তা’রীফ ও তাহলীল করতে বললে সকলে সেটা বাস্তবায়ন করবে। এরপর বারটি বুরুজ তাদের দিকে হেলে মাটিতে পতিত হবে। সকলে সেখানে প্রবেশ করে তাদের যুবকদেরকে হত্যা করবে এবং গনীমতের মাল বন্টন করবে। সে এলাকাকে এমনভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে দিবে কখনো সেটা আর আবাদ হবেনা।
হযরত মাসলামা ইবনে আব্দুল মালিক রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি কুস্তুনতুনিয়া বা ইস্তাম্বুল নগরীতে পৌঁছলে একজন যুবক তার কাছে এগিয়ে আসে, যুবকটি পরনে উত্তম পোশাক এবং উন্নত মানের ঘোড়ার উপর সওয়ার। সে এসে বলল “আমি তাবারিস”।
তার কথা শুনে মাসলামা তাকে খুব সম্মান করলেন, তাকে কাছে টেনে নিলেন এরপর তাবারিস নামক লোকটি মুসলিম আররুমির কাছে পাঠিয়ে দিলেন। তিনি ছিলেন বনু সরওয়ানের একজন গোলাম, যাকে রোমনদের থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হয়েছে। মুসলিম আর রুমিকে বলা হলো, এ লোকটি দাবি করছে সে নাকি ‘তাবারিছ’।
এ কথা শুনে সে বলে উঠল, লোকটি মারাত্মক মিথ্যাবাদি। আমি তাবারিসকে খুব ভালোভাবেই চিনি। সে যদি দশ হাজার লোকের মাঝেও হয় অবশ্যই আমি তাকে বের করে আনব। তাবারিস হচ্ছে, একজন মোটা প্রকৃতির লোক, প্রশস্ত কপাল বিশিষ্ট, তার দাঁতগুলো হবে খুবই বিশ্রিভাবে বের হওয়া। তার বয়স ষাট বৎসর হবে। পানি পান করার সময় দাঁতগুলো দৃশ্যায়ন হবে। আমরা আমাদের এলাকায় উট খাওয়া ছেড়ে দিলে সে বলবে আমাদের এলাকায় এসে যাও ইচ্ছামত উটের গোশ্ত খেতে পারবে। তার কথা শুনে বিশাল একদল সেদিকে এগিয়ে যাবে, ইতিপূর্বে সেই রকম হয়নি। তারা এসে আ’মাক নামক এলাকায় পৌঁছবে এবং মুসলমানরাও সেখানে পৌঁছে যাবে। তারা সাহায্য কামনা করলে ইয়ামানের পক্ষ থেকে সাহায্য এসে পৌঁছবে। যারা ইসলামের সাহায্য করবে এবং জাজিরা ও শামের খ্রীস্টানদেরকে সাহায্য করবে। মুসলমানরা খ্রীস্টানদের দিকে এগিয়ে তাদের কাছ থেকে সাহায্য সহযোগিতা উঠিয়ে নেয়া হবে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে তাদের উপর ধৈর্য্য নেমে আসবে। এ দিকে তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধাস্ত্র স্থাপন করে রাখবে। কারো সাথে তলোয়ার থাকলে তার কোনো ক্ষতি হবেনা তার নাক-কান কাটা যাবেনা, তার অবস্থান গোপন রাখতে হবেনা, বরং যেখানে ইচ্ছা সেখানে প্রকাশ্যভাবে চলাফেরা করতে পারবে। মুসলমানদের আরেকদল লাঞ্ছিত-অপদস্থ হয়ে ফেরৎ আসবে, যার কারণে তারা নিস্তরে উপনীত হবে। জান্নাত তো কখনো দেখবেনা, জান্নাতে বাসিন্দাদেরকেও দেখবেনা। অন্য আরেকদল জান-প্রাণ দিয়ে যুদ্ধ করবে, তাদের উপর আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সাহায্য নেমে আসবে। সে সময় তারাই হবে জমিনের বুকে সর্বশেষ শহীদ। ইতিপূর্বে যারা অতিবাহিত হয়েছে কিংবা পরবর্তীতে আসবে তাদের থেকে এরা সত্তরগুণ সওয়াব বেশি প্রাপ্ত হবে। বাকি লোকদের জন্য সামান্যমাত্র প্রতিদান থাকবে। উভয় দল একত্রিত হলে ব্যক্তি ঝান্ডা উচিয়ে ধরবেন তাকে হত্যা করা হবে, অতঃপর আরেকজন, অতঃপর আরেকজন, এভাবে কিছুক্ষণ চলার পর কোঁকড়ানো চুলবিশিষ্ট জনৈক লোক ঝান্ডা ধারন করবে, যার কপালটি সামান্য বাঁকা প্রকৃতির হবে। তাকে আল্লাহ পাক বিজয়ী করবেন। এবং কাফেরদের হত্যা ও পরাজিত করবেন। তাদেরকে একজন লোক মুসলমানদের ঝান্ডা ধারনকারীর অনুসরন করবে, মূলতঃ সে ছিল কাফেরদের ঝান্ডাবাহক। যে ঝান্ডা সে ছাড়া আর কেউ বহন করেনি। এক পর্যায়ে তারা সমুদ্রের কাছে এসে পৌঁছবে, সেখানে পৌছে ওজু করতে গেলে তাদের কাছ থেকে পানি অনেক দূরে সরে যাবে। আবারো পানির কাছে গেলে পানি দূরে চলে যাবে। এ অবস্থা দেখে তার সওয়ারীর কাছে ফিরে আসবে এবং সমুদ্র পাড়ি দিয়ে দিবে। সমুদ্রের পানি তখন দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে, এক ভাগ তার ডান পার্শ্বে থাকবে, আরেকভাগ থাকবে বাম পার্শ্বে। এক পর্যায়ে সে তার সাথীদেরকে সমুদ্র পাড়ি দিতে নির্দেশ দিয়ে বলবে, আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য সমুদ্রের বুকে পানিকে দুইভাগ করে রাস্তা করে দিয়েছেন, যেমন বনী ইসরাঈলের জন্য করা হয়েছিল। তারা সকলে একসাথে সমুদ্র পাড়ি দিবে। এরপর সমুদ্রের পার্শ্বে পরিস্কার এক স্থানে একটি ঝর্ণার আত্মপ্রকাশ হবে।
হাদীস বর্ণনাকারী আবু যুরআ বলেন, উক্ত ঝর্ণাটি আমি স্বচক্ষে দেখেছি এবং সে ঝর্ণা থেকে ওজুও করেছি। সেই পানি থেকে কেউ ওজু করলে সাথে সাথে দুই রাকাত নামাযও আদায় করে। ঐ ঝান্ডা বাহক তার সাথীদেরকে বলবে, এটা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেয়া একটি বিষয়। একথা শুনার সাথে সাথে সকলে তাকবীর দিয়ে উঠবে এবং সে তাদেরকে আল্লাহ তা’রীফ ও তাহলীল করতে বললে সকলে সেটা বাস্তবায়ন করবে। এরপর বারটি বুরুজ তাদের দিকে হেলে মাটিতে পতিত হবে। সকলে সেখানে প্রবেশ করে তাদের যুবকদেরকে হত্যা করবে এবং গনীমতের মাল বন্টন করবে। সে এলাকাকে এমনভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে দিবে কখনো সেটা আর আবাদ হবেনা।
2021-08-07 16:15:39 @202.4.124.33
হযরত সারজ আল ইয়ারমূকী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি তাওরাতে একথা পেয়েছি যে, নিশ্চয় এই উম্মতের মধ্যে বারো জন জিম্মাদার তাদের জিম্মাদারী পালন করবেন। তাদের একজন নবী হবেন। এভাবে তাদের সময় ফুরিয়ে আসলে তারা গুমরাহী ও পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত হয়ে যাবে এবং তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে মারামারি ওযুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে।
হযরত সারজ আল ইয়ারমূকী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি তাওরাতে একথা পেয়েছি যে, নিশ্চয় এই উম্মতের মধ্যে বারো জন জিম্মাদার তাদের জিম্মাদারী পালন করবেন। তাদের একজন নবী হবেন। এভাবে তাদের সময় ফুরিয়ে আসলে তারা গুমরাহী ও পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত হয়ে যাবে এবং তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে মারামারি ও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে।
2021-07-14 05:24:42 @103.87.233.254
হযরত তালহা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আওফ রহঃ বলেন, আমি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ কে বলতে শুনেছি, তখন আমরা সেখনে কয়েক জন কুরাইশ উপস্থিত ছিলাম, আমাদের প্রত্যেকে কাব ইবনে লুআই এর বংশধর থেকে ছিলাম। তিনি বলেন, হে বনু কাব! তোমাদের থেকে মোট বারোজন খলীফা রাষ্রীয় ক্ষমতা গ্রহণ করবেন।
হযরত তালহা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আওফ রহঃ বলেন, আমি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ কে বলতে শুনেছি, তখন আমরা সেখানে কয়েক জন কুরাইশ উপস্থিত ছিলাম, আমাদের প্রত্যেকে কাব ইবনে লুআই এর বংশধর থেকে ছিলাম। তিনি বলেন, হে বনু কাব! তোমাদের থেকে মোট বারোজন খলীফা রাষ্রীয় ক্ষমতা গ্রহণ করবেন।
2021-07-14 05:24:14 @103.87.233.254
ইবরাহীম ইবনে আবু আবলা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট হাদীস পৌঁছেছে যে, নিঃসন্দেহে কিয়ামত এতন কিছু লোকের উপর সংঘটিত হবে, যাদের জ্ঞান হবে চড়–ই পাখির জ্ঞানের ন্যায়।
ইবরাহীম ইবনে আবু আবলা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট হাদীস পৌঁছেছে যে, নিঃসন্দেহে কিয়ামত এমন কিছু লোকের উপর সংঘটিত হবে, যাদের জ্ঞান হবে চড়ুই পাখির জ্ঞানের ন্যায়।
2021-07-14 05:22:35 @103.87.233.254
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর এন্তেকালের পচিশ বৎসর পর পর্যন্ত আরবের উম্মানের মাঁথা ঘুরতে থাকবে। এরপর বিভিন্ন ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে, যার মধ্যে গণহত্যা থেকে শুরু করে সবকিছুই ঘটবে। এরপর মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ও নিরপত্তা অনুভব হবে। এক পর্যায়ে তারা ঘুরতে ঘুরতে লাটিমের মত স্থীর হয়ে যাবে। এরপর এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে যা মূলত ব্যাপক হত্যার রূপ নিবে। আমি কিতাবুল্লাহতে উক্ত ফিতনা সম্বন্ধে পেয়েছি, যেটা এমন অন্ধকারচ্ছন্ন ফিতনা যা প্রত্যেক মর্যাদা সম্পন্ন লোককে গ্রাস করে নিবে।
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর এন্তেকালের পঁচিশ বৎসর পর পর্যন্ত আরবের উম্মানের মাঁথা ঘুরতে থাকবে। এরপর বিভিন্ন ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে, যার মধ্যে গণহত্যা থেকে শুরু করে সবকিছুই ঘটবে। এরপর মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ও নিরপত্তা অনুভব হবে। এক পর্যায়ে তারা ঘুরতে ঘুরতে লাটিমের মত স্থীর হয়ে যাবে। এরপর এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে যা মূলত ব্যাপক হত্যার রূপ নিবে। আমি কিতাবুল্লাহতে উক্ত ফিতনা সম্বন্ধে পেয়েছি, যেটা এমন অন্ধকারচ্ছন্ন ফিতনা যা প্রত্যেক মর্যাদা সম্পন্ন লোককে গ্রাস করে নিবে।
2021-07-14 05:20:54 @103.87.233.254
আরতাত ইবনুল মুনযির রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বক্তব্য আমাদের নিকট পৌঁেছছে, তিনি এরশাদ করেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে লাগাতার ভাবে চার প্রকারের ফিৎনা দেখা দিবে। প্রথমতঃ তাদের উপর এমনভাবে বালা-মসিবত আসতে থাকবে, যার কারণে মুমিনগণ বলতে থাকবে, এইতো আমি মরে গেলাম! এরপর সেটা কিছুটা হালকা হয়ে যাবে। দ্বিতীয়তঃ এত বেশি তীব্রতার সাথে ফিতনা আসতে থাকবে, যার ফলে প্রত্যেক মু’মিন মৃত্যুর প্রহর গুনবে, এরপর একটু হালকা হবে। তৃতীয়তঃ একের পর এক ফিতনা আসতে থাকবে। মনে হবে যেন ফিতনা থেকে কিছুটা মুক্ত হতে পেরেছি, কিন্তু পরক্ষণে সেটা আবারো তীব্রভাবে আসবে। চতুর্থ ফিতনা এমনভাবে প্রকাশ পাবে, যার কারণে মানুষ ইসলাম ত্যাগ করতে বাধ্য হবে। এমন অবস্থার সম্মুখিন হলে মানুষ ইমাম এবং জামাআত ও একতাবদ্ধতাবিহীন দিগি¦দিক শুন্য হয়ে ছুটতে থাকবে। অতঃপর মসীহে দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। এরপর সূর্য্য পশ্চিম দিকে উদিত হওয়া ও কিয়ামতের মাঝখানে বাহাত্তর জন দাজ্জাল প্রকাশ পাবে। তাদের মধ্যে অনেক এমন হবে যার অনুসরণকারী হবে মাত্র একজন।
আরতাত ইবনুল মুনযির রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বক্তব্য আমাদের নিকট পৌঁছেছে, তিনি এরশাদ করেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে লাগাতার ভাবে চার প্রকারের ফিৎনা দেখা দিবে। প্রথমতঃ তাদের উপর এমনভাবে বালা-মসিবত আসতে থাকবে, যার কারণে মুমিনগণ বলতে থাকবে, এইতো আমি মরে গেলাম! এরপর সেটা কিছুটা হালকা হয়ে যাবে। দ্বিতীয়তঃ এত বেশি তীব্রতার সাথে ফিতনা আসতে থাকবে, যার ফলে প্রত্যেক মু’মিন মৃত্যুর প্রহর গুনবে, এরপর একটু হালকা হবে। তৃতীয়তঃ একের পর এক ফিতনা আসতে থাকবে। মনে হবে যেন ফিতনা থেকে কিছুটা মুক্ত হতে পেরেছি, কিন্তু পরক্ষণে সেটা আবারো তীব্রভাবে আসবে। চতুর্থ ফিতনা এমনভাবে প্রকাশ পাবে, যার কারণে মানুষ ইসলাম ত্যাগ করতে বাধ্য হবে। এমন অবস্থার সম্মুখিন হলে মানুষ ইমাম এবং জামাআত ও একতাবদ্ধতাবিহীন দিগিবিদিক শুন্য হয়ে ছুটতে থাকবে। অতঃপর মসীহে দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। এরপর সূর্য্য পশ্চিম দিকে উদিত হওয়া ও কিয়ামতের মাঝখানে বাহাত্তর জন দাজ্জাল প্রকাশ পাবে। তাদের মধ্যে অনেক এমন হবে যার অনুসরণকারী হবে মাত্র একজন।
2021-07-14 05:20:08 @103.87.233.254
হযরত আবু হুরাইরা রাযিঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে আমার ওম্মতের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা সংঘটিত হবে। প্রথমতঃ পরস্পর মারামারি, হানাহানি বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয়তঃ মানুষকে হত্যা করা এবং মানুষের সম্পদ বৈধ মনে করা হবে।
তৃতীয়তঃ মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ এবং বিনা ব্যভিচার ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থতঃ অন্ধ বধিরের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশে যাবে।
হযরত আবু হুরাইরা রাযিঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে আমার উম্মতের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা সংঘটিত হবে। প্রথমতঃ পরস্পর মারামারি, হানাহানি বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয়তঃ মানুষকে হত্যা করা এবং মানুষের সম্পদ বৈধ মনে করা হবে।
তৃতীয়তঃ মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ এবং জিনা ব্যভিচার ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থতঃ অন্ধ বধিরের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশে যাবে।
2021-07-14 05:18:49 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লা (সাঃ) থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
2021-07-14 05:16:40 @103.87.233.254

Execution time: 0.06 render + 0.00 s transfer.