Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
আবু বকর ইবনে আবু মারিয়ম রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি তার কতিপয় শেখ থেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, সুফিয়ানীকে স্বপ্নে দেখানো হবে যে, অমুক স্থানের দিকে তুমি বের হও। ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে সে কাউকে দেখতে পাবে। দ্বিতীয় দিনও এভাবে দেখানো হবে, তৃতীয়বার তাকে বলা হবে, দাড়াও এবং বের হয়ে দেখ তোমার দরজায় কে দাড়িয়ে, তৃতীয় বার স্বপ্নে দেখার পর সে দৌড়দিয়ে ঘরের দরজায় গিয়ে দেখতে পাবে সাত/নয়জন লোক একটি পতাকা নিয়ে অপক্ষা করছে। তারা তাকে দেখে বলবে, আমরা আপনার সাথী হতে চাই। অতঃপর তিনি তাদেরকে নিয়ে বের হয়ে গেলেন, অন্যদিকে ওয়াদিউল ইয়াবিছ নামক গ্রামের অনেক লোক তার অনুস্বরণ করতে লাগল। এক পর্যায়ে দিমাশকের রাজা তার মোকাবেলার জন্য বের হয়ে আসবে এবং তাদের মধ্যে ভয়ানক যুদ্ধ সংগঠিত হয়। যখন তিনি তার ঝন্ডার দিকে দৃষ্টি দেয়ার সাথে সাথে পরাজিত হয়ে যায়। সেদিন দিমাশকের রাজা হবেন বনুল আব্বাছের জিম্মাদার।
আবু বকর ইবনে আবু মারিয়ম রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি তার কতিপয় শেখ থেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, সুফিয়ানীকে স্বপ্নে দেখানো হবে যে, অমুক স্থানের দিকে তুমি বের হও। ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে সে কাউকে দেখতে পাবে। দ্বিতীয় দিনও এভাবে দেখানো হবে, তৃতীয়বার তাকে বলা হবে, দাড়াও এবং বের হয়ে দেখ তোমার দরজায় কে দাড়িয়ে, তৃতীয় বার স্বপ্নে দেখার পর সে দৌড়দিয়ে ঘরের দরজায় গিয়ে দেখতে পাবে সাত/নয়জন লোক একটি পতাকা নিয়ে অপক্ষা করছে। তারা তাকে দেখে বলবে, আমরা আপনার সাথী হতে চাই। অতঃপর তিনি তাদেরকে নিয়ে বের হয়ে গেলেন, অন্যদিকে ওয়াদিউল ইয়াবিছ নামক গ্রামের অনেক লোক তার অনুস্বরণ করতে লাগল। এক পর্যায়ে দিমাশকের রাজা তার মোকাবেলার জন্য বের হয়ে আসবে এবং তাদের মধ্যে ভয়ানক যুদ্ধ সংগঠিত হয়। যখন তিনি তার ঝন্ডার দিকে দৃষ্টি দেয়ার সাথে সাথে পরাজিত হয়ে যায়। সেদিন দিমাশকের রাজা হবেন বনুল আব্বাছের জিম্মাদার। যে তাকে 
2022-07-16 12:54:59 @103.83.15.66
হযরত আবুল মুহাল্লাবও আবু উসমান রাযি থেকে বর্নিত, তারা উভয়জন বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, যে লোক ফেৎনা কালীন উটের বহর লালন পালন করবে, কিংবা বিশাল সম্পদ গড়ে তুলবে গরীব কিংবা নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার ভয়ে, সে কিয়ামতের দিন আত্নসাৎকারী হিসেবে আল্লাহ তাআলার সাথে সাক্ষাৎ করবে।
হযরত আবুল মুহাল্লাবও আবু উসমান রাযি থেকে বর্নিত, তারা উভয়জন বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, যে লোক ফেৎনা কালীন উটের বহর লালন পালন করবে, কিংবা বিশাল সম্পদ গড়ে তুলবে গরীব কিংবা নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার ভয়ে, সে কিয়ামতের দিন আত্নসাৎকারী হিসেবে আল্লাহ তাআলার সাথে সাক্ষাৎ করবে
2022-07-01 19:28:08 @78.100.203.106
হযরত সুআইদ ইবনে গফলা রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে হযরত ওমর রাযি. বলেছেন, হয়তো তুমি যাবতীয় ফেৎনার সম্মুখিন হবে, তখন আমীরের কথা শুনবে এবং আনুগত্য করবে। যদিও তোমাদের উপর কোনো নিগ্রোÑগোলামকে আমীর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। সে যদি তোমাকে প্রহার করে তাহলে ধৈর্য্য ধারন করো, কিংবা যদি তোমাকে বঞ্চিত করে অথবা তোমার উপর জুলুম করে তাহলেও সবুর করো। যদি সে দ্বীনি কোনো বিষয়ে তোমার কাছ থেকে কেসাস নিতে চায় তাহলে বলো, আমি সর্বাগ্রে তোমার অনুকরন করবো। প্রয়োজনে আমার রক্ত প্রবাহিত করবো, তবে দ্বীনের উপর যেন কোনো আঘাত না আসে।
হযরত সুআইদ ইবনে গফলা রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে হযরত ওমর রাযি. বলেছেন, হয়তো তুমি যাবতীয় ফেৎনার সম্মুখিন হবে, তখন আমীরের কথা শুনবে এবং আনুগত্য করবে। যদিও তোমাদের উপর কোনো নিগ্রোÑগোলামকে আমীর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। সে যদি তোমাকে প্রহার করে তাহলে ধৈর্য্য ধারন করো, কিংবা যদি তোমাকে বঞ্চিত করে অথবা তোমার উপর জুলুম করে তাহলেও সবুর করো। যদি সে দ্বীনি Sকোনো বিষয়ে তোমার কাছ থেকে কেসাস নিতে চায় তাহলে বলো, আমি সর্বাগ্রে তোমার অনুকরন করবো। প্রয়োজনে আমার রক্ত প্রবাহিত করবো, তবে দ্বীনের উপর যেন কোনো আঘাত না আসে।
2022-06-22 10:43:11 @103.77.16.61
হযরত আলী ইব্নে আবু তালের রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তোমরা কালো পতাকা বিশিষ্ট বাহিনী দেখতে পাবে তখন তোমরা মাটিকে আকড়ে ধরে থাকবে, হাত-পা নাড়া চড়া করা যাবেনা। একপর্যায়ে দুর্বল জাতিরা জয়লাভ করবে। লোহার ধাতব্য অংশের ন্যায় তাদের অন্তরে কোনো রেখাপাত হবেনা। তারাই হবে ক্ষমতাসীন। যারা কোনো ওয়াদা, অঙ্গীকার পূরন করবেনা। তারা মানুষকে হক্বের দিকে আহবান জানালেও তাদের মাঝে হক্বের লেশমাত্র থাকবেনা। তাদের নাম হবে উপনাম বিশিষ্ট, নিসবত হবে গ্রামের দিকে, তাদের জ্ঞান-বুদ্ধি নারীদের জ্ঞান-বুদ্ধির ন্যায় দুর্বল হবে। এক সময় তারা পরস্পরের সাথে সংঘাতে লিপ্ত হবে। এরপর যাকে ইচ্ছা, আল্লাহ তাআলা তাকে বিজয়ী করবেন।
হযরত আলী ইব্নে আবু তালের রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তোমরা কালো পতাকা বিশিষ্ট বাহিনী দেখতে পাবে তখন তোমরা মাটিকে আকড়ে ধরে থাকবে, হাত-পা নাড়া চড়া করা যাবেনা। একপর্যায়ে এই দুর্বল জাতিরা জয়লাভ করবে। লোহার ধাতব্য অংশের ন্যায় তাদের অন্তরে কোনো রেখাপাত হবেনা। তারাই হবে ক্ষমতাসীন। যারা কোনো ওয়াদা, অঙ্গীকার পূরন করবেনা। তারা মানুষকে হক্বের দিকে আহবান জানালেও তাদের মাঝে হক্বের লেশমাত্র থাকবেনা। তাদের নাম হবে উপনাম বিশিষ্ট, নিসবত হবে গ্রামের দিকে, তাদের জ্ঞান-বুদ্ধি নারীদের জ্ঞান-বুদ্ধির ন্যায় দুর্বল হবে। এক সময় তারা পরস্পরের সাথে সংঘাতে লিপ্ত হবে। এরপর যাকে ইচ্ছা, আল্লাহ তাআলা তাকে বিজয়ী করবেন।
2022-06-14 12:54:35 @103.76.243.7
আমের রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনে আশআছ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু বিষয় প্রকাশ পাবে, যদ্বারা বোকা ও নির্বোধ লোক ও ঞ্জানীকে পথপ্রদর্শন করতে চেষ্টা করবে।
আমের রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনে আশআছ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু 
বিষয় প্রকাশ পাবে, যদ্বারা বোকা ও নির্বোধ লোক ও ঞ্জানীকে পথপ্রদর্শন করতে চেষ্টা করবে।
2022-06-12 22:45:28 @103.156.223.13
আমের রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনে আশআছ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু বিষয় প্রকাশ পাবে, যদ্বারা বোকা ও নির্বোধ লোক ও ঞ্জানীকে পথপ্রদর্শন করতে চেষ্টা করবে।
আমের রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনে আশআছ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু 
বিষয় প্রকাশ পাবে, যদ্বারা বোকা ও নির্বোধ লোক ও ঞ্জানীকে পথপ্রদর্শন করতে চেষ্টা করবে।
2022-06-12 22:44:52 @103.156.223.13
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, শাম দেশে মোট তিন ধরনের ফিৎনা দেখা দিবে। একটি ফিৎনা হচ্ছে, অবাধ রক্তপাতের ফিৎনা, দ্বিতীয় ফিৎনা হচ্ছে, আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন ও সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ফিৎনা। উক্ত ফিৎনার সাথে সম্পৃক্ত হবে মারিবের ফিৎনা, যা মূলতঃ অন্ধ ফিৎনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, শাম দেশে মোট তিন ধরনের ফিৎনা দেখা দিবে। একটি ফিৎনা হচ্ছে, অবাধ রক্তপাতের ফিৎনা, দ্বিতীয় ফিৎনা হচ্ছে, আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন ও সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ফিৎনা। উক্ত 
ফিৎনার সাথে সম্পৃক্ত হবে মারিবের ফিৎনা, যা মূলতঃ অন্ধ ফিৎনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
2022-05-24 19:28:09 @103.173.152.62
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পর কিয়ামাত সংগঠিত হওয়া পর্যন্ত চারটি ফিতনা হবে। প্রথম ফিতনা হল পাঁচ, দ্বিতীয়টি বিশ, তৃতীয়টি বিশ, চতূর্থটি দাজ্জাল।
 কিয়ামাত সংগঠিত হওয়া পর্ হবে। প্রথম ফিতনা হল পাঁচ, দ্বিতীয়টি বিশ, তৃতীয়টি বিশ, চতূর্থটি দাজ্জাল।
2022-05-24 02:12:41 @37.224.168.240
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পর কিয়ামাত সংগঠিত হওয়া পর্যন্ত চারটি ফিতনা হবে। প্রথম ফিতনা হল পাঁচ, দ্বিতীয়টি বিশ, তৃতীয়টি বিশ, চতূর্থটি দাজ্জাল।
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পর কিয়ামাত সংগঠিত হওয়া পর্ হবে। প্রথম ফিতনা হল পাঁচ, দ্বিতীয়টি বিশ, তৃতীয়টি বিশ, চতূর্থটি দাজ্জাল।
2022-05-24 02:12:23 @37.224.168.240
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থি সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থি সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
2022-05-15 10:58:26 @103.14.72.124
হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসীর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত হল- যখন তুর্কি জাতি তোমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়বে। আর তোমাদের ঐ খলীফা মারা যাবে যে মাল সম্পদ জমা করেছিল। আর তার পরে দূর্বল একজন শাসক তার স্থলাভিষিক্ত হবে। দ্ইু বছর পর তার বাইয়াত নষ্ট হয়ে যাবে। দামেস্কের মসজিদের পূর্ব দিকের দুটি দেয়াল ধসে যাবে। সিরিয়া হতে তিনটি দলের বহিপ্রকাশ। পূর্ব দিকের অধিবাসীদের মিসরের দিকে যাওয়া। আর সেটা সুফইয়ানীর আমারত বা নিদর্শন।
হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসীর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত হলঃ-
(1)যখন তুর্কি জাতি তোমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়বে। 
(2)আর তোমাদের ঐ খলীফা মারা যাবে যে মাল ও সম্পদ জমা করেছিল। 
(3)আর তার পরে দূর্বল একজন শাসক তার স্থলাভিষিক্ত হবে।
(4)দুই বছর পর তার বাইয়াত নষ্ট হয়ে যাবে। 
(5)দামেস্কের মসজিদের পূর্ব দিকের দুটি দেয়াল ধসে যাবে। (6)সিরিয়া হতে তিনটি দলের বহিঃপ্রকাশ। 
(7)পূর্ব দিকের অধিবাসীদের মিসরের দিকে যাওয়া। আর সেটা সুফইয়ানীর উত্থানের আলামত বা নিদর্শন।
2022-05-14 22:02:43 @103.175.132.183
হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসীর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত হল- যখন তুর্কি জাতি তোমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়বে। আর তোমাদের ঐ খলীফা মারা যাবে যে মাল সম্পদ জমা করেছিল। আর তার পরে দূর্বল একজন শাসক তার স্থলাভিষিক্ত হবে। দ্ইু বছর পর তার বাইয়াত নষ্ট হয়ে যাবে। দামেস্কের মসজিদের পূর্ব দিকের দুটি দেয়াল ধসে যাবে। সিরিয়া হতে তিনটি দলের বহিপ্রকাশ। পূর্ব দিকের অধিবাসীদের মিসরের দিকে যাওয়া। আর সেটা সুফইয়ানীর আমারত বা নিদর্শন।
হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসীর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত হলঃ-
(1)যখন তুর্কি জাতি তোমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়বে। 
(2)আর তোমাদের ঐ খলীফা মারা যাবে যে মাল ও সম্পদ জমা করেছিল। 
(3)আর তার পরে দূর্বল একজন শাসক তার স্থলাভিষিক্ত হবে।
(4)দুই বছর পর তার বাইয়াত নষ্ট হয়ে যাবে। 
(5)দামেস্কের মসজিদের পূর্ব দিকের দুটি দেয়াল ধসে যাবে। (6)সিরিয়া হতে তিনটি দলের বহিঃপ্রকাশ। 
(7)পূর্ব দিকের অধিবাসীদের মিসরের দিকে যাওয়া। আর সেটা সুফইয়ানীর আমারত বা নিদর্শন।
2022-05-14 22:00:07 @103.175.132.183
হযরত আবু আওয়াম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
হযরত আবু আওয়াম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে
2022-05-11 14:54:13 @37.111.226.224
হযরত আবু আওয়াম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
হযরত আবু আওয়াম হতে অনুরূপ বর্ণিতহয়েছিল।
2022-05-11 14:53:45 @37.111.226.224
হযরত ইবনে ওহাব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি আবু ফারেস থেকে শুনেছি যে, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমাকে বলতে শুনেছি যে, মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত বা নিদর্শন হলÑ খোলা প্রান্তর সৈন্য সহকারে ধসে যাওয়া। আর সেটাই মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত।
হযরত ইবনে ওহাব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি আবু ফারেস থেকে শুনেছি যে, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমাকে বলতে শুনেছি যে, মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত বা নিদর্শন হল খোলা প্রান্তর সৈন্য সহকারে ধসে যাওয়া। আর সেটাই মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত।
2022-04-30 00:11:16 @123.253.65.7
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন যেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাকের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকার করে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা করে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন যেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাফের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকার করে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা করে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
2022-04-22 23:09:23 @103.242.217.54
আব্দল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কল্যান তোমাদের সাথে থাকবে, যতক্ষন পর্যন্ত তোমাদেরর গ্রাম বাসিরা শহরবাসীদের থেকে অমুখাপেক্ষি থাকবে। যদিতারা তোমাদের কাছে আসে তাহলে তোমরা তাদেরকে নিষেধ করোনা। যেহেতু তোমাদের কাছে সম্পদের ছড়াছড়ি থাকবে। তারা বলবে, দীর্ঘদিন থেকে আমরা ক্ষুধার্ত, অথচ তোমরা তৃপ্ত সহকারে খেয়ে যাচ্ছ এবং দীর্ঘদিন হতে আমরা কষ্ট শিকার করে যাচ্ছি অথচ তোমরা সাচ্ছন্দবোধ করে যাচ্ছ। অতঃপর আজকে আমরা তোমাদের সহানুভূতি দেখাচ্ছি।
আব্দল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কল্যান তোমাদের সাথে থাকবে, যতক্ষন পর্যন্ত তোমাদেরর গ্রাম বাসিরা শহরবাসীদের থেকে অমুখাপেক্ষি থাকবে। যদিতারা তোমাদের কাছে আসে তাহলে তোমরা তাদেরকে নিষেধ করোনা। যেহেতু তোমাদের কাছে সম্পদের ছড়াছড়ি থাকবে। তারা বলবে, দীর্ঘদিন থেকে আমরা ক্ষুধার্ত, অথচ তোমরা তৃপ্ত সহকারে খেয়ে যাচ্ছ এবং দীর্ঘদিন হতে আমরা কষ্ট শিকার করে যাচ্ছি অথচ তোমরা সাচ্ছন্দবোধ করে যাচ্ছ। অতঃপর আজকে আমরা তোমাদের সহানুভূতি দেখাচ্ছি।titan jhh
2022-04-13 01:49:13 @211.186.131.232
হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একদিন রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বললাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনার পররর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার এই দায়িত্ব কী ভাবে আদায় করা হবে। জবাবে তিনি বললেন, তোমার গোত্রে যতক্ষন কল্যান থাকবে ততক্ষন সেই দায়িত্ব পালনের যোগ্য তারাই হবে। অতঃপর ধ্বংস প্রাপ্ত হবে? জবাবে তিনি বললেন, তোমার গোত্র। আমি জানতে চাইলাম সেটা কেমনে? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, মৃত্যু তাদেরকে গ্রাস করে নিবে। এবং মানুষ তাদের বিরুদ্ধে হিংসাত্নক হয়ে উঠবে।
রাসূলুল্লাহ সাঃ এর পরবর্তী খলীফা বাদশাহর তালিকা
হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একদিন রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বললাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনার পররর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার এই দায়িত্ব কী ভাবে আদায় করা হবে। জবাবে তিনি বললেন, তোমার গোত্রে যতক্ষন কল্যান থাকবে ততক্ষন সেই দায়িত্ব পালনের যোগ্য তারাই হবে। অতঃপর ধ্বংস প্রাপ্ত হবে? জবাবে তিনি বললেন, তোমার গোত্র। আমি জানতে চাইলাম সেটা কেমনে? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, মৃত্যু তাদেরকে গ্রাস করে নিবে। এবং মানুষ তাদের বিরুদ্ধে হিংসাত্নক হয়ে উঠবে।
রাসূলুল্লাহ সাঃ এর পরবর্তী খলীফা বাদশাহর তালিকা
2022-03-29 20:20:03 @203.76.220.248
হযরত হুয়ান ইবনে আমর রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তুয়ানার যুদ্ধে আমরা রোম ভুখন্ডে প্রবেশ করে একটি উঁচু টিলাতে অবস্থান করি। এক পর্যায়ে আমি আমার সাথীদের বাহন থেকে একটি বাহনের মাথা উঁচু করে ধরি। আর আমার সাথীরা তাদের বাহনের জন্য দানা-পানির ব্যবস্থা করতে যায়। এমন অবস্থায় হঠাৎ শুনলাম কেউ যেন বলছে “আস্সালামু আলাইকা ওয়ারাহমাতুল্লাহ” সালামের আওয়াজ শুনে দেখলাম সাদা কাপড় পরিহিত এক লোক। আমি সালামের জবাব দিলে তিনি বললেন, তুমি কি আহমদের উম্মতের অর্ন্তভুক্ত আমি হ্যাঁ সূচক উত্তর দিলে তিনি বললেন, তোমাদে ধৈর্য্যধারন করতে হবে। কেননা এ উম্মত মুলতঃ উম্মতে মারহুমা হতে গণ্য। আল্লাহ তাআলা তাদের উপর পাঁচ ধরনের ফিৎনা রেখেছেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরজ করেছেন।
অতঃপর আমি বললাম, সেগুলোর নাম উল্লেখ করুন। তিনি বললেন, পাঁচটির একটি হচ্ছে, তাদের নবীর মৃত্যুবরণ করা, যাকে কিতাবুল্লাহর ভাষায় বাগ্তাহ্ বা হঠাৎ বলা হয়েছে। অতঃপর হযরত ওসমান রাযিঃ এর শাহাদাত বরণ করা। যেটা কিতাবুল্লাহ ‘যক্ষ্মা’ --- বা বধির ফিৎনা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এরপর হচ্ছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাযিঃ এর ফিৎনা যা কিতাবুল্লাহর ভাষায় আল আমইমা বা অন্ধফিৎনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তারপর হলো, ইবনুল আসআছ এর ফিৎনা। যাকে কিতাবুল্লাহতে আল বুতাইরা বা বেজোড় ফিৎনা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অতঃপর এ বলে চলে যেতে লাগল, “ছালাম বাকি রইল, ছালাম বাকি রইল”। সে কীভাবে চলে গেল আমি কিন্তু জানতে পারলামনা।
হযরত হুয়ান ইবনে আমর রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তুয়ানার যুদ্ধে আমরা রোম ভুখন্ডে প্রবেশ করে একটি উঁচু টিলাতে অবস্থান করি। এক পর্যায়ে আমি আমার সাথীদের বাহন থেকে একটি বাহনের মাথা উঁচু করে ধরি। আর আমার সাথীরা তাদের বাহনের জন্য দানা-পানির ব্যবস্থা করতে যায়। এমন অবস্থায় হঠাৎ শুনলাম কেউ যেন বলছে “আস্সালামু আলাইকা ওয়ারাহমাতুল্লাহ” সালামের আওয়াজ শুনে দেখলাম সাদা কাপড় পরিহিত এক লোক। আমি সালামের জবাব দিলে তিনি বললেন, তুমি কি আহমদের উম্মতের অর্ন্তভুক্ত আমি হ্যাঁ সূচক উত্তর দিলে তিনি বললেন, তোমাদে ধৈর্য্যধারন করতে হবে। কেননা এ উম্মত মুলতঃ উম্মতে মারহুমা হতে গণ্য। আল্লাহ তাআলা তাদের উপর পাঁচ ধরনের ফিৎনা রেখেছেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরজ করেছেন।
অতঃপর আমি বললাম, সেগুলোর নাম উল্লেখ করুন। তিনি বললেন, পাঁচটির একটি হচ্ছে, তাদের নবীর মৃত্যুবরণ করা, যাকে কিতাবুল্লাহর ভাষায় বাগ্তাহ্ বা হঠাৎ বলা হয়েছে। অতঃপর হযরত ওসমান রাযিঃ এর শাহাদাত বরণ করা। যেটা কিতাবুল্লাহ ‘যক্ষ্মা’ --- বা বধির ফিৎনা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এরপর হচ্ছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাযিঃ এর ফিৎনা যা কিতাবুল্লাহর ভাষায় আল আমইমা বা অন্ধফিৎনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তারপর হলো, ইবনুল আসআছ এর ফিৎনা। যাকে কিতাবুল্লাহতে আল বুতাইরা বা বেজোড় ফিৎনা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অতঃপর এ বলে চলে যেতে লাগল, “ছালাম বাকি রইল, ছালাম বাকি রইল”। সে কীভাবে চলে গেল আমি কিন্তু জানতে পারলামনা।
2022-03-01 22:30:47 @103.67.157.36
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থি সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থি সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
2022-03-01 22:27:42 @103.67.157.36
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
2022-03-01 22:11:46 @103.67.157.36
হযরত আবুল আলিয়া রহঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তাসতুর নামক এলাকা বিজয় হয়,তখন আমরা হরমুজের স্টোর রুমে একটা জিনিষ পেলাম, দেখলাম, খাটিয়ার উপর রাখা একটি লাশের মাথার পার্শ্বে একটা লিখিত কিছু রেখে দেয়া আছে। ধারনা করা হয় এটা হযরত দানিয়াল আঃ এর লাশ।
অতঃপর আমরা সেটাকে আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওমর রাযিঃ এর কাছে পাঠিয়ে দিলাম। হযরত আবুল আলিয়া বলেন, আরবদের থেকে আমিই সেটাকে সর্বপ্রথম পাঠ করি। পরবর্তীতে লিখিত কাগজগুলোকে কা’ব এর নিকট পাঠানো হলো তিনি সেগুলো আরবী ভাষায় অনুবাদকালে, দেখা গেল; হযরত দানিয়াল আঃ এর সাথে থাকা কাগজের মধ্যে যাবতীয় সব ফিৎনার বর্ণনা স্পষ্টভাবে রয়েছে।
হযরত আবুল আলিয়া রহঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তাসতুর নামক এলাকা বিজয় হয়,তখন আমরা হরমুজের স্টোর রুমে একটা জিনিষ পেলাম, দেখলাম, খাটিয়ার উপর রাখা একটি লাশের মাথার পার্শ্বে একটা লিখিত কিছু রেখে দেয়া আছে। ধারনা করা হয় এটা হযরত দানিয়াল আঃ এর লাশ।
অতঃপর আমরা সেটাকে আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওমর রাযিঃ এর কাছে পাঠিয়ে দিলাম। হযরত আবুল আলিয়া বলেন, আরবদের থেকে আমিই সেটাকে সর্বপ্রথম পাঠ করি। পরবর্তীতে লিখিত কাগজগুলোকে কা’ব এর নিকট পাঠানো হলো তিনি সেগুলো আরবী ভাষায় অনুবাদকালে, দেখা গেল; হযরত দানিয়াল আঃ এর সাথে থাকা কাগজের মধ্যে যাবতীয় সব ফিৎনার বর্ণনা স্পষ্টভাবে রয়েছে।
2022-03-01 22:11:24 @103.67.157.36
হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আলী হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন অচিরেই মক্কার আশ্রয়প্রার্থীর দিকে সত্তর হাজার সৈন্য প্রেরণ করা হবে। তাদের সম্মুখে কইসের এক ব্যক্তি থাকবে। এমনকি যখন তারা ছানিয়া পৌছবে তখন তাদের শেষ ব্যক্তি প্রবেশ করবে। আর সেখান থেকে তাদের প্রথম জন বের হবে না। হযরত জীবরাঈল আলাইহিস সালাম খোলা প্রান্তরকে ডেকে বলবেনÑ হে খোলা প্রান্তর! হে খোলা প্রান্তর!! তার আওয়াজ পূর্বে পশ্চিমে সকলেই শুনবে। তাদেরকে গ্রাস কর। ফলে তাদের কোন মঙ্গল থাকবে না। পাহাড়ে অবস্থানরত একমাত্র ছাগলের রাখাল ব্যতীত তাদের ধ্বংসের কোন প্রকাশ্য আলামত থাকবে না। কেননা যখন তারা মাটিতে দেবে যাবে তখন সে তাদেরকে দেখবে। অতপর সে তাদের ব্যাপারে সকলকে সংবাদ দিবে। যখন আশ্রয়প্রার্থী তাদের ব্যাপারে শুনতে পাবে তখন সে বের হয়ে যাবে।
হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আলী হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন অচিরেই মক্কার আশ্রয়প্রার্থীর দিকে সত্তর হাজার সৈন্য প্রেরণ করা হবে। তাদের সম্মুখে কইসের এক ব্যক্তি থাকবে। এমনকি যখন তারা ছানিয়া পৌছবে তখন তাদের শেষ ব্যক্তি প্রবেশ করবে। আর সেখান থেকে তাদের প্রথম জন বের হবে না। হযরত জীবরাঈল আলাইহিস সালাম খোলা প্রান্তরকে ডেকে বলবেন হে খোলা প্রান্তর! হে খোলা প্রান্তর!! তার আওয়াজ পূর্বে পশ্চিমে সকলেই শুনবে। তাদেরকে গ্রাস কর। ফলে তাদের কোন মঙ্গল থাকবে না। পাহাড়ে অবস্থানরত একমাত্র ছাগলের রাখাল ব্যতীত তাদের ধ্বংসের কোন প্রকাশ্য আলামত থাকবে না। কেননা যখন তারা মাটিতে দেবে যাবে তখন সে তাদেরকে দেখবে। অতপর সে তাদের ব্যাপারে সকলকে সংবাদ দিবে। যখন আশ্রয়প্রার্থী তাদের ব্যাপারে শুনতে পাবে তখন সে বের হয়ে যাবে।
2022-02-21 12:37:49 @103.138.172.66
হযরত ইবনে ওহাব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি আবু ফারেস থেকে শুনেছি যে, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমাকে বলতে শুনেছি যে, মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত বা নিদর্শন হলÑ খোলা প্রান্তর সৈন্য সহকারে ধসে যাওয়া। আর সেটাই মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত।
হযরত ইবনে ওহাব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি আবু ফারেস থেকে শুনেছি যে, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমাকে বলতে শুনেছি যে, মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত বা নিদর্শন হলো খোলা প্রান্তর সৈন্য সহকারে ধসে যাওয়া। আর সেটাই মাহদী আলাইহিস সালামের অবির্ভাবের আলামত।
2022-02-21 12:37:35 @103.138.172.66
হযরত আবু আরদা আল-আশজাঈ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু উমাইয়া আল-কলবী রহঃ ইয়াযিদ ইবনে আব্দুল মালিকের খেলাফতের সময় আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদেরকে এমন একজন শেখ হাদীস বয়ান করেছেন, যিনি জাহেলী যুগও প্রাপ্ত হয়েছেন, বয়সের কারণে যার উভয় চোখের ভ্রু খসে পড়েছে। এমন একজন শেখের কাছে যুগের অবস্থা সম্বন্ধে করলে তিনি আমাদেরকে বনু উমাইয়ার ব্যাপারে খবর দিয়েছেন। এমন কি মরওয়ান ইবনে হাকাম খলীফা হওয়ার কথাও বলেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, কিছুদিন পর জাযিরা দিক থেকে কালো ঝান্ডাবাহী একদল সৈন্যের আত্মপ্রকাশ ঘটবে, যারা তোমাদের উপর রক্ত বন্যা প্রবাহিত করবে। এক পর্যায়ে তারা দিনের তৃতীয় প্রহরে দিমাশ্কে প্রবেশ করবে। দিমাশ্কবাসীদের থেকে দয়া-মায়া উঠিয়ে নেয়া হবে। পরবর্তীতে সেই দয়ামায়া আবারো ফিরে আসবে। তাদের অস্ত্রসস্ত্র ভুলুণ্টিত হয়ে যাবে, অতঃপর তারা সফর করতে থাকবে, এক পর্যায়ে তাদের সফর পশ্চিমে গিয়ে খতম হবে।
কিছুদিন পর জাযিরা দিক থেকে কালো ঝান্ডাবাহী একদল সৈন্যের আত্মপ্রকাশ ঘটবে, যারা তোমাদের উপর রক্ত বন্যা প্রবাহিত করবে। এক পর্যায়ে তারা দিনের তৃতীয় প্রহরে দিমাশ্কে প্রবেশ করবে। দিমাশ্কবাসীদের থেকে দয়া-মায়া উঠিয়ে নেয়া হবে। পরবর্তীতে সেই দয়ামায়া আবারো ফিরে আসবে। তাদের অস্ত্রসস্ত্র ভুলুণ্টিত হয়ে যাবে, অতঃপর তারা সফর করতে থাকবে, এক পর্যায়ে তাদের সফর পশ্চিমে গিয়ে খতম হবে।
2022-02-10 15:07:11 @123.108.246.34
হযরত ইবনুল হানাফিয়্যাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, খোরাসান থেকে কালো ঝান্ডাবাহী দল এবং সুআঈব ইবনে সালেহ ও মাহদী আঃ এর আত্নপ্রকাশ আর মাহদী আঃ এর হাতে ক্ষমতা আসা বাহাত্তর মাসের মধ্যেই সংঘটিত হবে।
হযরত ইবনুল হানাফিয়্যাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, খোরাসান থেকে কালো ঝান্ডাবাহী দল এবং সুআঈব ইবনে সালেহ ও মাহদী আঃ এর আত্নপ্রকাশ আর মাহদী আঃ এর হাতে ক্ষমতা আসা বাহাত্তর মাসের মধ্যেই সংঘটিত হ
2022-02-09 01:48:31 @103.151.104.183
ওলীদ রহঃ কা’ব রহঃ হতে বর্ননা করেন,তিনি বলেন,হযরত মাহদি আঃ এর আগমনের পূর্বে পূর্বাকাশে জুলফি বিশিষ্ট একটি তাঁরকা উদিত হবে।
তিনি বলেন আমি শরীফ রহঃ থেকে বর্ননা করেছি,তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌছেছে,হযরত মাহদি আঃ এর আগমনের পূর্বে রমাযান মাসে মোট দুইবার সূর্য গ্রহন হবে।
ওলীদ রহঃ কা’ব রহঃ হতে বর্ননা করেন,তিনি বলেন,হযরত মাহদি আঃ এর আগমনের পূর্বে পূর্বাকাশে জুলফি বিশিষ্ট একটি তাঁরকা উদিত হবে।
তিনি বলেন আমি শরীফ রহঃ থেকে বর্ননা করেছি,তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌছেছে,হযরত মাহদি আঃ এর আগমনের পূর্বে রমাযান মাসে মোট দুইবার সূর্য গ্রহন হবে।
2022-02-06 00:11:41 @103.91.129.71
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি একদিন ‘সিফ্ফীন’ নামক এলাকায় রাস্তার মধ্যে কিছু পাথর দেখতে পেয়ে হঠাৎ করে দাড়িয়ে পড়লেন এবং উক্ত পাথর খন্ডকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকলেন। তার অবস্থা দেখে সফরসঙ্গীদের একজন বলল, হে আবু ইসহাক! এভাবে কি দেখছেন?
জবাবে তিনি বলেন, উক্ত পাথরের যে বৈশিষ্ট রয়েছে সেটা আমি কিতাবে দেখতে পেরেছি যে, উক্ত পাথরের জন্য বণী ইসরাঈল নয় বার যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে নিজেদের ধ্বংস ডেকে এনেছে এবং নিঃসন্দেহে আরবরাও অতিসত্ত্বর দশমবারে যুদ্ধে লিপ্ত হবে এবং ধ্বংস হয়ে যাবে, অথবা পাথরগুলো ছুড়ে মারতে হবে, যেমন বনী ইসরাঈল গণ ছুড়ে মেরেছিল।
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি একদিন ‘সিফ্ফীন’ নামক এলাকায় রাস্তার মধ্যে কিছু পাথর দেখতে পেয়ে হঠাৎ করে দাড়িয়ে পড়লেন এবং উক্ত পাথর খন্ডকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকলেন। তার অবস্থা দেখে সফরসঙ্গীদের একজন বলল, হে আবু ইসহাক! এভাবে কি দেখছেন?
জবাবে তিনি বলেন, উক্ত পাথরের যে বৈশিষ্ট রয়েছে সেটা আমি কিতাবে দেখতে পেরেছি যে, উক্ত পাথরের জন্য বণী ইসরাঈল নয় বার যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে নিজেদের ধ্বংস ডেকে এনেছে এবং নিঃসন্দেহে আরবরাও অতিসত্ত্বর দশমবারে যুদ্ধে লিপ্ত হবে এবং ধ্বংস হয়ে যাবে, অথবা পাথরগুলো ছুড়ে মারতে হবে, যেমন বনী ইসরাঈল গণ ছুড়ে মেরেছিল।
2022-02-05 18:16:06 @203.202.242.254
হযরত হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাঃ বলেছেন, ফিতনা সংঘটিত হবে। অতঃপর জামাত হবে। অতঃপর ফিতনা হবে, অতঃপর জামাত হবে। অতঃপর এমন ফিতনা হবে যেখানে পুরুষদের বুদ্ধি থেমে যাবে।
হযরত হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাঃ বলেছেন, ফিতনা সংঘটিত হবে। অতঃপর জামাত হবে। অতঃপর ফিতনা হবে, অতঃপর জামাত হবে।অতঃপর এমন ফিতনা হবে যেখানে পুরুষদের বুদ্ধি থেমে যাবে।
2022-02-05 12:46:20 @203.202.242.254
হযরত হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাঃ বলেছেন, ফিতনা সংঘটিত হবে। অতঃপর জামাত হবে। অতঃপর ফিতনা হবে, অতঃপর জামাত হবে। অতঃপর এমন ফিতনা হবে যেখানে পুরুষদের বুদ্ধি থেমে যাবে।
হযরত হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাঃ বলেছেন, ফিতনা সংঘটিত হবে। অতঃপর জামাত হবে। অতঃপর ফিতনা হবে, অতঃপর জামাত হবে।অতঃপর এমন ফিতনা হবে যেখানে পুরুষদের বুদ্ধি থেমে যাবে।
2022-02-05 12:46:13 @203.202.242.254
হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন চতূর্থ ফিতনা বা যুদ্ধ আঠারো মাস দীর্ঘস্থায়ী হবে। অতপর যখন অবসান ঘটবে তখন অবসান ঘটবে। (অবসানের সময়ে অবসান ঘটবে।) আর ফুরাত নদীকে স্বর্ণের পাহাড় হতে খুলে দেওয়া হবে। আর উম্মত বা জাতি উহার উপর ঝুঁকে পড়বে। অতপর প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে।

হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন চতূর্থ ফিতনা বা যুদ্ধ আঠারো মাস দীর্ঘস্থায়ী হবে। অতপর যখন অবসান ঘটবে তখন অবসান ঘটবে। (অবসানের সময়ে অবসান ঘটবে।) আর ফুরাত নদীকে স্বর্ণের পাহাড় হতে খুলে দেওয়া হবে। আর উম্মত বা জাতি উহার উপর ঝুঁকে পড়বে। অতপর প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে।

2022-02-01 15:01:52 @203.202.242.254
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে,
2022-01-27 12:27:49 @103.141.64.1
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত:
একবার তারা তাদের গণীমতের মাল ভাগাভাগি করছিলেন। এমতবস্থায় তাদের নিকট দাজ্জাল বাহির হওয়ার খবর পৌছল। উনি বললেন, সে মিথ্যা বলেছে তোমরা যা পার নিয়ে নাও। কারণ তোমরা ছয় বছর বসবাস করতে পারবে। অতপর দাজ্জাল সপ্তম বছরে বের হবে।
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত:
একবার তারা তাদের গণীমতের মাল ভাগাভাগি করছিলেন। এমতবস্থায় তাদের নিকট দাজ্জাল বাহির হওয়ারহীহর খবর পৌছল। উনি বললেন, সে মিথ্যা বলেছে তোমরা যা পার নিয়ে নাও। কারণ তোমরা ছয় বছর বসবাস করতে পারবে। অতপর দাজ্জাল সপ্তম বছরে বের হবে।
2022-01-24 13:40:26 @103.85.158.215
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পর কিয়ামাত সংগঠিত হওয়া পর্যন্ত চারটি ফিতনা হবে। প্রথম ফিতনা হল পাঁচ, দ্বিতীয়টি বিশ, তৃতীয়টি বিশ, চতূর্থটি দাজ্জাল।
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পর কিয়ামাত সংগঠিত হওয়া পর্যন্ত চারটি ফিতনা হবে। প্রথম ফিতনা হল পাঁচ, দ্বিতীয়টি বিশ, তৃ354534534।
2022-01-24 12:01:07 @103.49.202.170
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, তোমরা নিজেদেরকে ফেৎনা থেকে বাচিয়ে রাখ। আল্লাহ্্র কসম! যদি কেউ ফেৎনার সম্মুখিন হয় তাহলে সেটা তাকে ¯্রােতের ন্যায় ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। উক্ত ফেৎনা খুবই সুন্দরভাবে এগিয়ে আসলেও সবকিছু নিঃশেষ করে ফিরে যাবে। তোমরা কেউ এ ধরনের ফেৎনার সম্মুখিন হলে তোমাদের ঘরের ভিতরেই অবস্থান করতে থাকবে, তোমাদের তালোয়ারের তীক্ষ্মতাকে নষ্ট করে ফেলবে এবং ধনুকের ছিলা কেটে টুকরো টুকরো করবে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ
করেন, তোমরা নিজেদেরকে ফেৎনা থেকে বাচিয়ে রাখ। আল্লাহ্্র কসম! যদি কেউ
ফেৎনার সম্মুখিন হয় তাহলে সেটা তাকে ¯্রােতের ন্যায় ভাসিয়ে নিয়ে যাবে।
উক্ত ফেৎনা খুবই সুন্দরভাবে এগিয়ে আসলেও সবকিছু নিঃশেষ করে ফিরে যাবে।
তোমরা কেউ এ ধরনের ফেৎনার সম্মুখিন হলে তোমাদের ঘরের ভিতরেই অবস্থান করতে
থাকবে, তোমাদের তালোয়ারের তীক্ষ্মতাকে নষ্ট করে ফেলবে এবং ধনুকের ছিলা কেটে
টুকরো টুকরো করবে।
2022-01-20 05:47:10 @27.147.205.46
হযরত আরতাত রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একজন ব্যক্তি ব্যাতীত আর কেউ তাদের থেকে বেচে থাকবে না। আল্লাহ তা’আলা তার চেহারাকে তার পিছনের দিকে ঘুরিয়ে দিবেন। সে (উল্টা দিকে) হাটবে যেমন সে পূর্বে তার সামনের দিকে সোজা ভাবে হাটতো।** মাহদী ও তার অবির্ভাব সম্পর্কে শেষ অধ্যায়।
হযরত আরতাত রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একজন ব্যক্তি ব্যাতীত আর কেউ তাদের থেকে বেচে থাকবে না। আল্লাহ তা’আলা তার চেহারাকে তার পিছনের দিকে ঘুরিয়ে দিবেন। সে (উল্টা দিকে) হাটবে যেমন সে পূর্বে তার সামনের দিকে সোজা ভাবে হাটতো।** মাহদী ও তার অবির্ভাব সম্পর্কে শেষ অধ্যায়।
2022-01-17 17:08:45 @2401:4900:129b:18e6:f341:77ec:a836:4719
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2021-11-29 19:10:32 @103.195.1.204
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, কিয়ামতের পূর্বে যখন যুগ পরস্পর নিকটে এসে যাবে তোমাদের কাছে কালো, বুড়ো ধরনের একটি উট এসে বসবে ফিতনার রূপ ধারণ করে। যেন মনে হবে সেটা অন্ধকারে ছেয়ে যাওয়া রাত্রের একটি টুকরা।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, কিয়ামতের পূর্বে যখন যুগ পরস্পর নিকটে এসে যাবে তোমাদের কাছে কালো, বুড়ো ধরনের একটি উট এসে বসবে ফিতনার রূপ ধারণ করে। যেন মনে হবে সেটা অন্ধকারে ছেয়ে যাওয়া রাত্রের একটি টুকরা।....  Sn shakil,,,,,
2021-11-16 18:48:24 @37.111.192.50
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন, বনু আব্বাছের ধ্বংস হবে, একটি এমন তারকার সময়,যা মধ্যবর্তি স্থানে প্রকাশ পাবে।অতঃপর বিভিন্ন ধরনের দূর্বলতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে।এসব কিছু হবে মূলতঃ রমযান মাসে। লালিমা প্রকাশ পাবে রমাযান মাসের পাঁচ তারিখ বিশ তারিখের মধ্যে।আর বিকট শব্দ প্রকাশ হবে রমাযানের পনের তারিখ থেকে বিশ তারিখের মধ্যে আর দুর্বল ও রুগ্নতার আবির্ভাব হবে বিশ রমাযান থেকে চব্বিশ রমাযানের মধ্যবর্তি সময়ের মধ্যে।অতঃপর এমন একটি তারকা উদিত হবে,যার আলো হবে চন্দ্রের আলোর ন্যায়।এরপর উক্ত তারকা সাপের ন্যায় কুন্ডুলি পাকাতে থাকবে।যার কারনে তার উভয় মাথা একটা আরেকটার সাথে মিলিত হওয়ার উপক্রম হবে।
দীর্ঘকার রাত্রে দুইবার ভুমিকম্প হওয়া এবং আসমান থেকে জমিনের দিকে যে তারকাটি নিক্ষিপ্ত হবে,তার সাথে থাকবে বিকট আওয়াজ।
এক পর্যায়ে সেটা পূর্বাকাশে গিয়ে পতিত হবে। যদ্বারা মানুষ বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবতের সম্মুখিন হবে।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন, বনু আব্বাছের ধ্বংস হবে, একটি এমন তারকার সময়,যা মধ্যবর্তি স্থানে প্রকাশ পাবে।অতঃপর বিভিন্ন ধরনের দূর্বলতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে।এসব কিছু হবে মূলতঃ রমযান মাসে। লালিমা প্রকাশ পাবে রমাযান মাসের পাঁচ তারিখ বিশ তারিখের মধ্যে।আর বিকট শব্দ প্রকাশ হবে রমাযানের পনের তারিখ থেকে বিশ তারিখের মধ্যে আর দুর্বল ও রুগ্নতার আবির্ভাব হবে বিশ রমাযান থেকে চব্বিশ রমাযানের মধ্যবর্তি সময়ের মধ্যে।অতঃপর এমন একটি তারকা উদিত হবে,যার আলো হবে চন্দ্রের আলোর ন্যায়।এরপর উক্ত তারকা সাপের ন্যায় কুন্ডুলি পাকাতে থাকবে।যার কারনে তার উভয় মাথা একটা আরেকটার সাথে মিলিত হওয়ার উপক্রম হবে।
দীর্ঘকার রাত্রে দুইবার ভুমিকম্প হওয়া এবং আসমান থেকে জমিনের দিকে যে তারকাটি নিক্ষিপ্ত হবে,তার সাথে থাকবে বিকট আওয়াজ।
এক পর্যায়ে সেটা পূর্বাকাশে গিয়ে পতিত হবে। যদ্বারা মানুষ বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবতের সম্মুখিন হবে।......  Sn shakil,,
2021-11-16 18:06:56 @58.145.189.242
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন, বনু আব্বাছের ধ্বংস হবে, একটি এমন তারকার সময়,যা মধ্যবর্তি স্থানে প্রকাশ পাবে।অতঃপর বিভিন্ন ধরনের দূর্বলতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে।এসব কিছু হবে মূলতঃ রমযান মাসে। লালিমা প্রকাশ পাবে রমাযান মাসের পাঁচ তারিখ বিশ তারিখের মধ্যে।আর বিকট শব্দ প্রকাশ হবে রমাযানের পনের তারিখ থেকে বিশ তারিখের মধ্যে আর দুর্বল ও রুগ্নতার আবির্ভাব হবে বিশ রমাযান থেকে চব্বিশ রমাযানের মধ্যবর্তি সময়ের মধ্যে।অতঃপর এমন একটি তারকা উদিত হবে,যার আলো হবে চন্দ্রের আলোর ন্যায়।এরপর উক্ত তারকা সাপের ন্যায় কুন্ডুলি পাকাতে থাকবে।যার কারনে তার উভয় মাথা একটা আরেকটার সাথে মিলিত হওয়ার উপক্রম হবে।
দীর্ঘকার রাত্রে দুইবার ভুমিকম্প হওয়া এবং আসমান থেকে জমিনের দিকে যে তারকাটি নিক্ষিপ্ত হবে,তার সাথে থাকবে বিকট আওয়াজ।
এক পর্যায়ে সেটা পূর্বাকাশে গিয়ে পতিত হবে। যদ্বারা মানুষ বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবতের সম্মুখিন হবে।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন, বনু আব্বাছের ধ্বংস হবে, একটি এমন তারকার সময়,যা মধ্যবর্তি স্থানে প্রকাশ পাবে।অতঃপর বিভিন্ন ধরনের দূর্বলতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে।এসব কিছু হবে মূলতঃ রমযান মাসে। লালিমা প্রকাশ পাবে রমাযান মাসের পাঁচ তারিখ বিশ তারিখের মধ্যে।আর বিকট শব্দ প্রকাশ হবে রমাযানের পনের তারিখ থেকে বিশ তারিখের মধ্যে আর দুর্বল ও রুগ্নতার আবির্ভাব হবে বিশ রমাযান থেকে চব্বিশ রমাযানের মধ্যবর্তি সময়ের মধ্যে।অতঃপর এমন একটি তারকা উদিত হবে,যার আলো হবে চন্দ্রের আলোর ন্যায়।এরপর উক্ত তারকা সাপের ন্যায় কুন্ডুলি পাকাতে থাকবে।যার কারনে তার উভয় মাথা একটা আরেকটার সাথে মিলিত হওয়ার উপক্রম হবে।
দীর্ঘকার রাত্রে দুইবার ভুমিকম্প হওয়া এবং আসমান থেকে জমিনের দিকে যে তারকাটি নিক্ষিপ্ত হবে,তার সাথে থাকবে বিকট আওয়াজ।
এক পর্যায়ে সেটা পূর্বাকাশে গিয়ে পতিত হবে। যদ্বারা মানুষ বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবতের সম্মুখিন হবে।
2021-10-22 19:31:47 @103.152.102.77

Execution time: 0.07 render + 0.00 s transfer.