Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত ____________
__________

কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ রইল, এডিট করার সিস্টেমটা বন্দ করুন। নাহলে যে কেউ অনুবাদ চেইঞ্জ করে দিবে      
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত ____________
__________

      
2019-03-25 12:17:23 tanvir.civil.aust@...
নিশ্চয়ই আল্লাহ সবরকারীদের () সাথেই থাকেন (ইন্নালাহা মাআস সাবেরিন) ইবনে কুররা তার পিতা কুররা ইবনে হায়দা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সঃ থেকে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সঃ এরশাদ করেন, শামবাসী ধ্বংস হলে আমার উম্মতের জন্য তেমন কোনো কল্যান বয়ে আনবে না।
নিশ্চয়ই আল্লাহ সবরকারীদের (ধৈর্যশীলদের) সাথেই থাকেন (ইন্নালাহা মাআস সাবেরিন) ইবনে কুররা তার পিতা কুররা ইবনে হায়দা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সঃ থেকে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সঃ এরশাদ করেন, শামবাসী ধ্বংস হলে আমার উম্মতের জন্য তেমন কোনো কল্যান বয়ে আনবে না।
2019-03-22 22:39:48 @119.30.39.38
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত ____________
__________

ইন্ননাইলাইহি অনুবাদ ত যে কেউ চেইঞ্জ করে দিচ্ছে। অনায়েসে 
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত ____________
__________

কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ রইল, এডিট করার সিস্টেমটা বন্দ করুন। নাহলে যে কেউ অনুবাদ চেইঞ্জ করে দিবে      
2019-03-22 22:34:34 @119.30.39.38
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত 


ইন্ননাইলাইহি অনুবাদ ত যে কেউ চেইঞ্জ করে দিচ্ছে। অনায়েসে 
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত ____________
__________

ইন্ননাইলাইহি অনুবাদ ত যে কেউ চেইঞ্জ করে দিচ্ছে। অনায়েসে 
2019-03-22 22:31:10 @119.30.39.38
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত 


ইন্ননাইলাইহি অনুবাদ ত যে কেউ চেইঞ্জ করে দিচ্ছে। অনায়েসে 
2019-03-22 22:30:47 @119.30.39.38
নিশ্চয়ই আল্লাহ সবরকারীদের (ধৈর্যশীলদের) সাথেই থাকেন (ইন্নালাহা মাআস সাবেরিন) ইবনে কুররা তার পিতা কুররা ইবনে হায়দা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সঃ থেকে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সঃ এরশাদ করেন, শামবাসী ধ্বংস হলে আমার উম্মতের জন্য তেমন কোনো কল্যান বয়ে আনবে না।
নিশ্চয়ই আল্লাহ সবরকারীদের () সাথেই থাকেন (ইন্নালাহা মাআস সাবেরিন) ইবনে কুররা তার পিতা কুররা ইবনে হায়দা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সঃ থেকে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সঃ এরশাদ করেন, শামবাসী ধ্বংস হলে আমার উম্মতের জন্য তেমন কোনো কল্যান বয়ে আনবে না।
2019-03-22 22:24:59 @119.30.39.38
হযরত ইবনুল হানাফিয়্যাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, খোরাসান থেকে কালো ঝান্ডাবাহী দল এবং সুআঈব ইবনে সালেহ ও মাহদী আঃ এর আত্নপ্রকাশ আর মাহদী আঃ এর হাতে ক্ষমতা আসা বাহাত্তর মাসের মধ্যেই সংঘটিত হবে।
হযরত ইবনুল হানাফিয়্যাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, খোরাসান থেকে কালো ঝান্ডাবাহী দল এবং সুআঈব ইবনে সালেহ ও ইমাম মাহদী আঃ এর আত্নপ্রকাশ আর মাহদী আঃ এর হাতে ক্ষমতা আসা বাহাত্তর মাসের মধ্যেই সংঘটিত হবে।
2019-03-22 22:21:52 @119.30.39.38
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনু ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে ফিতনা প্রকাশ পাবে, যদ্বারা মানুষের জ্ঞান লোপ পাওয়ার উপক্রম হবে। এমনকি তখন অনেক তালাশ করেও কোনো জ্ঞানী লোক পাওয়া যাবেনা। এরপর রাসূলুল্লাহ সাঃ তৃতীয় প্রকার ফিতনার কথা উল্লেখ করেছেন।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনু ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে, যদ্বারা মানুষের জ্ঞান লোপ পাওয়ার উপক্রম হবে। এমনকি তখন অনেক তালাশ করেও কোনো জ্ঞানী লোক পাওয়া যাবেনা। এরপর রাসূলুল্লাহ সাঃ তৃতীয় প্রকার ফিতনার কথা উল্লেখ করেছেন।
2019-03-12 19:08:30 @103.197.49.94
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনু ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে, যদ্বারা মানুষের জ্ঞান লোপ পাওয়ার উপক্রম হবে। এমনকি তখন অনেক তালাশ করেও কোনো জ্ঞানী লোক পাওয়া যাবেনা। এরপর রাসূলুল্লাহ সাঃ তৃতীয় প্রকার ফিতনার কথা উল্লেখ করেছেন।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনু ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে ফিতনা প্রকাশ পাবে, যদ্বারা মানুষের জ্ঞান লোপ পাওয়ার উপক্রম হবে। এমনকি তখন অনেক তালাশ করেও কোনো জ্ঞানী লোক পাওয়া যাবেনা। এরপর রাসূলুল্লাহ সাঃ তৃতীয় প্রকার ফিতনার কথা উল্লেখ করেছেন।
2019-03-12 19:08:16 @103.197.49.94
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেনÑ সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেন সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
2019-03-11 19:13:23 @202.56.5.249
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন কেমনযেন আমি বাকা গ্রন্থি ও শীর্ণ দুই পায়ের গোছা বিশিষ্ট এক ব্যক্তিকে দেখতেছি যে তার হাতুড়ি নিয়ে কা’বার উপরে বসে আছে। আর সেই উহা ধ্বংস করবে।
অধ্যায়
তুর্কি সম্পর্কে
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন কেমনযেন আমি বাকা গ্রন্থি ও শীর্ণ দুই পায়ের গোছা বিশিষ্ট এক ব্যক্তিকে দেখতেছি যে তার হাতুড়ি নিয়ে কা’বার উপরে বসে আছে। আর সেই উহা ধ্বংস করবে।

2019-03-10 12:45:21 @141.0.8.58
র্কুয ইবনে আল্কামা খুযায়ী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ এর কাছে এক লোক জানতে চাইল ইসলামের কি কোনো শেষ রয়েছে? জবাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বললেন হ্যাঁ, আরব বা অনারব যে কোনো এলাকার কারো ঘরের সদস্যদের প্রতি আল্লাহ তাআলা কল্যাণ কামনা করলে তাদেরকে তিনি ইসলামের অন্তর্ভুক্ত 

র্কুয ইবনে আল্কামা খুযায়ী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ এর কাছে এক লোক জানতে চাইল ইসলামের কি কোনো শেষ রয়েছে? জবাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বললেন হ্যাঁ, আরব বা অনারব যে কোনো এলাকার কারো ঘরের সদস্যদের প্রতি আল্লাহ তাআলা কল্যাণ কামনা করলে তাদেরকে তিনি ইসলামের অন্তর্ভুক্ত 

2019-03-05 17:50:46 @43.245.120.202
হযরত যামরা ইবনে হাবীব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জুবাইর ইবনে নুফাইর রা. কে বলতে শুনেছি যে, ইয়াজুজু মাজুজ তিন প্রকারের হবে। এক প্রকার হল- চিরহরিৎ বৃক্ষবিশেষ ও শুরবাইন (শারবীন) বৃক্ষবিশেষের মতো লম্বা হবে। আবু জাফর বলেন, আযর হল গাছের মতো। আকাশের দিকে একশত গজ বা একশত বিশ গজ অথবা এর থেকে কম বেশি উঠে। (লম্বা হয়।) আরেক প্রকার হল- তাদের লম্ব ও প্রস্থ সমান। শেষ প্রকার হল- পুরুষরা তাদের এক কান বিছানা বানায়। আরেক কান গায়ে জড়ায়। উক্ত কান দ্বারা সমস্ত শরীর ঢেকে রাখে।
হযরত যামরা ইবনে হাবীব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জুবাইর ইবনে নুফাইর রা. কে বলতে শুনেছি যে, ইয়াজুজু মাজুজ তিন প্রকারের হবে। এক প্রকার হল- চিরহরিৎ বৃক্ষবিশেষ ও শুরবাইন (শারবীন) বৃক্ষবিশেষের মতো লম্বা হবে। আবু জাফর বলেন, আযর হল গাছের মতো। আকাশের দিকে একশত গজ বা একশত বিশ গজ অথবা এর থেকে কম বেশি উঠে। (লম্বা হয়।) আরেক প্রকার হল- তাদের লম্বা ও প্রস্থ সমান। শেষ প্রকার হল- পুরুষরা তাদের এক কান বিছানা বানায়। আরেক কান গায়ে জড়ায়। উক্ত কান দ্বারা সমস্ত শরীর ঢেকে রাখে।
2019-03-05 13:54:53 @202.56.5.249
হযরত যামরা ইবনে হাবীব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জুবাইর ইবনে নুফাইর রা. কে বলতে শুনেছি যে, ইয়াজুজু মাজুজ তিন প্রকারের হবে। এক প্রকার হল- চিরহরিৎ বৃক্ষবিশেষ ও শুরবাইন (শারবীন) বৃক্ষবিশেষের মতো লম্বা হবে। আবু জাফর বলেন, আযর হল গাছের মতো। আকাশের দিকে একশত গজ বা একশত বিশ গজ অথবা এর থেকে কম বেশি উঠে। (লম্বা হয়।) আরেক প্রকার হল- তাদের লম্ব ও প্রস্থ সমান। শেষ প্রকার হল- পুরুষরা তাদের এক কান বিছানা বানায়। আরেক কান গায়ে জ
ড়ায়। উক্ত কান দ্বারা সমস্ত শরীর ঢেকে রাখে।
হযরত যামরা ইবনে হাবীব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জুবাইর ইবনে নুফাইর রা. কে বলতে শুনেছি যে, ইয়াজুজু মাজুজ তিন প্রকারের হবে। এক প্রকার হল- চিরহরিৎ বৃক্ষবিশেষ ও শুরবাইন (শারবীন) বৃক্ষবিশেষের মতো লম্বা হবে। আবু জাফর বলেন, আযর হল গাছের মতো। আকাশের দিকে একশত গজ বা একশত বিশ গজ অথবা এর থেকে কম বেশি উঠে। (লম্বা হয়।) আরেক প্রকার হল- তাদের লম্ব ও প্রস্থ সমান। শেষ প্রকার হল- পুরুষরা তাদের এক কান বিছানা বানায়। আরেক কান গায়ে জড়ায়। উক্ত কান দ্বারা সমস্ত শরীর ঢেকে রাখে।
2019-03-05 13:54:44 @202.56.5.249
হযরত আরতাত রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একজন ব্যক্তি ব্যাতীত আর কেউ তাদের থেকে বেচে থাকবে না। আল্লাহ তা’আলা তার চেহারাকে তার পিছনের দিকে ঘুরিয়ে দিবেন। সে (উল্টা দিকে) হাটবে যেমন সে পূর্বে তার সামনের দিকে সোজা ভাবে হাটতো।** মাহদী ও তার অবির্ভাব সম্পর্কে শেষ অধ্যায়।
হযরত আরতাত রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একজন ব্যক্তি ব্যাতীত আর কেউ তাদের থেকে বেচে থাকবে না। আল্লাহ তা’আলা তার চেহারাকে তার পিছনের দিকে ঘুরিয়ে দিবেন। সে (উল্টা দিকে) হাটবে যেমন সে পূর্বে তার সামনের দিকে সোজা ভাবে হাটতো।** মাহদী ও তার অবির্ভাব সম্পর্কে শেষ অধ্যায়।
2019-02-27 16:53:00 @103.99.182.34
হযরত যুবায়ের ইবনে আদী আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আগামীতে তোমাদের উপর যে বছর আসবে তা অতীত অপেক্ষা আরো মন্দ হবে। একথাগুলো আমি তোমাদের নবী (সাঃ) হতে শুনেছি।
হযরত যুবায়ের ইবনে আদী আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আগামীতে তোমাদের উপর যে বছর আসবে তা অতীত অপেক্ষা আরো মন্দ হবে। একথাগুলো আমি তোমাদের নবী (সাঃ) হতে শুনেছি। 
2019-02-27 14:38:49 @116.58.200.79
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।
2019-02-24 09:55:44 @42.0.4.226
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনু আব্বাসের মহিলাদেরকে আটক করা হবে। এবং তাদেরকে দামেস্কের গ্রামে নেওয়া হ
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনু আব্বাসের মহিলাদেরকে আটক করা হবে। এবং তাদেরকে দামেস্কের গ্রামে নেওয়া হবে।
2019-02-22 00:10:14 @103.79.216.66
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনু আব্বাসের মহিলাদেরকে আটক করা হবে। এবং তাদেরকে দামেস্কের গ্রামে নেওয়া হবে।
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনু আব্বাসের মহিলাদেরকে আটক করা হবে। এবং তাদেরকে দামেস্কের গ্রামে নেওয়া হ
2019-02-22 00:09:56 @103.79.216.66
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।
2019-02-19 23:24:16 @141.0.8.235
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন তাদের নিকট উহা বিজিত হওয়ার পর খবর আসবে। অর্থাৎ কুস্তুনতুনিয়া বিজয়। তখন তারা তাাদের হাতে যা থাকবে তা ফেলে দিবে এবং তারা বাহির হবে। তখন তারা এটাকে ভূল পাবে। তার পরেই দাজ্জাল বাহির হবে। তার সাথে সমুদ্রের দিকে উর্বরতা সংযুক্ত থাকবে। অতপর সে বাহির হবে।
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন তাদের নিকট উহা বিজিত হওয়ার পর খবর আসবে। অর্থাৎ কুস্তুনতুনিয়া বিজয়। তখন তারা তাাদের হাতে যা থাকবে তা ফেলে দিবে এবং তারা বাহির হবে। তখন তারা এটাকে ভূল পাবে। তার পরেই দাজ্জাল বাহির হবে। তার সাথে সমুদ্রের দিকে উর্বরতা সংযুক্ত থাকবে। অতপর সে বাহির হবে।
2019-02-18 01:24:47 @42.0.6.242
হযরত আবু নোমান আবু উবাইদ এবং বশীর ইবনে সাঈদ , তারা উভয়জন বলেন, প্রথমতঃ নবুওয়ত ও রহমত হিসেবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা চলতে থাকবে, অতঃপর সেটা খেলাফত এবং রহমত হিসেবে পরিবর্তন হবে। অতঃপর এমন কতক বাদশাহর আত্নপ্রকাশ হবে, যারা পরস্পরের বিরোধীতায় লিপ্ত হবে। তারা বিভিন্ন ধরনের জুলুস ও বিশৃঙ্খলায় জড়িয়ে পড়বে। এ সকল বাদশাহ শরাব পান ও রেশমী কাপড় পরিধান করাকে বৈধ মনে করার পাশাপাশি যিনাকেও হালাল জানবে। এরপরও তারা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রিযিক ও সাহায্য প্রাপ্ত হবে।
ঈদ , তারা উভয়জন বলেন, প্রথমতঃ নবুওয়ত ও রহমত হিসেবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা চলতে থাকবে, অতঃপর সেটা খেলাফত এবং রহমত হিসেবে পরিবর্তন হবে। অতঃপর এমন কতক বাদশাহর আত্নপ্রকাশ হবে, যারা পরস্পরের বিরোধীতায় লিপ্ত হবে। তারা বিভিন্ন ধরনের জুলুস ও বিশৃঙ্খলায় জড়িয়ে পড়বে। এ সকল বাদশাহ শরাব পান ও রেশমী কাপড় পরিধান করাকে বৈধ মনে করার পাশাপাশি যিনাকেও হালাল জানবে। এরপরও তারা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রিযিক ও সাহায্য প্রাপ্ত হবে।
2019-02-10 16:23:40 @36.255.53.86
হযরত আবু নোমান আবু উবাইদ এবং বশীর ইবনে সাঈদ রহঃ থেকে বর্ণিত, তারা উভয়জন বলেন, প্রথমতঃ নবুওয়ত ও রহমত হিসেবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা চলতে থাকবে, অতঃপর সেটা খেলাফত এবং রহমত হিসেবে পরিবর্তন হবে। অতঃপর এমন কতক বাদশাহর আত্নপ্রকাশ হবে, যারা পরস্পরের বিরোধীতায় লিপ্ত হবে। তারা বিভিন্ন ধরনের জুলুস ও বিশৃঙ্খলায় জড়িয়ে পড়বে। এ সকল বাদশাহ শরাব পান ও রেশমী কাপড় পরিধান করাকে বৈধ মনে করার পাশাপাশি যিনাকেও হালাল জানবে। এরপরও তারা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রিযিক ও সাহায্য প্রাপ্ত হবে।
হযরত আবু নোমান আবু উবাইদ এবং বশীর ইবনে সাঈদ , তারা উভয়জন বলেন, প্রথমতঃ নবুওয়ত ও রহমত হিসেবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা চলতে থাকবে, অতঃপর সেটা খেলাফত এবং রহমত হিসেবে পরিবর্তন হবে। অতঃপর এমন কতক বাদশাহর আত্নপ্রকাশ হবে, যারা পরস্পরের বিরোধীতায় লিপ্ত হবে। তারা বিভিন্ন ধরনের জুলুস ও বিশৃঙ্খলায় জড়িয়ে পড়বে। এ সকল বাদশাহ শরাব পান ও রেশমী কাপড় পরিধান করাকে বৈধ মনে করার পাশাপাশি যিনাকেও হালাল জানবে। এরপরও তারা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রিযিক ও সাহায্য প্রাপ্ত হবে।
2019-02-10 16:22:06 @36.255.53.86
হযরত ইয়াহইয়া ইবনে আবু আমর আশ শায়বানী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত কাব রহঃ কে বলতে শুনেছি, এই উম্মতের প্রথম ভাগে নবুওয়ত এবং রহমত থাকবে, অতঃপর সেটা খেলাফত এবং রহমতে প্রবর্তন হবে। এরপর সুলতান এবং রহমতের সাথে সংশ্লিষ্ট জিম্মাদার থাকলেও পরবর্তীতে জালেম বাদশাহ ক্ষমতসীন হবে। এ রকম বাদশাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করলে জমিনের ভিতরের অংশ উপরের অংশ থেকে উত্তম হবে।
হযরত ইয়াহইয়া ইবনে আবু আমর আশ শায়বানী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত কাব রহঃ কে বলতে শুনেছি, এই উম্মতের প্রথম ভাগে নবুওয়ত এবং রহমত থাকবে, অতঃপর সেটা খেলাফত এবং রহমতে প্রবর্তন হবে। এরপর সুলতান এবং রহমতের সাথে সংশ্লিষ্ট জিম্মাদার থাকলেও পরবর্তীতে জালেম বাদশাহ ক্ষমতসীন হবে। এ রকম বাদশাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করলে জমিনের ভিতরের অংশ উপরের  ত্তম হবে।
2019-02-10 16:20:38 @36.255.53.86
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম স
ম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
2019-02-06 15:13:21 @103.111.8.4
হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন চতূর্থ ফিতনা বা যুদ্ধ বার মাস স্থায়ী হবে। যখন অবসান হবে তখন অবসান হবে। (অবসানের সময়ে অবসান হবে।) আর স্বর্ণের পাহাড় থেকে ফুরাতকে খুলে দেওয়া হবে। অতপর তার উপর প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে।
হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন চতূর্থ ফিতনা বা যুদ্ধ বার বছর স্থায়ী হবে। যখন অবসান হবে তখন অবসান হবে। (অবসানের সময়ে অবসান হবে।) আর স্বর্ণের পাহাড় থেকে ফুরাতকে খুলে দেওয়া হবে। অতপর তার উপর প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে।
2019-02-02 12:56:52 @27.131.12.150
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, পৃথিবীর মূল বা মাথা হচ্ছে, শাম দেশে, তার উভয় ডানা হচ্ছে, মিশর এবং ইরাকে এবং লেজ হচ্ছে, হেজাজ ভুমিতে। আর সেই লেজের উপর বাজ পাখিরা মলত্যাগ করবে।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, পৃথিবীর মূল বা মাথা হচ্ছে, শাম দেশে, তার উভয় ডানা হচ্ছে, মিশর এবং ইরাকে এবং লেজ হচ্ছে, হেজাজ ভুমিতে। আর সেই লেজের উপর বাজ পাখিরা মলত্যাগ
 করবে।
2019-02-01 21:51:33 @118.179.76.221
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন, বনু আব্বাছের ধ্বংস হবে, একটি এমন তারকার সময়,যা মধ্যবর্তি স্থানে প্রকাশ পাবে।অতঃপর বিভিন্ন ধরনের দূর্বলতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে।এসব কিছু হবে মূলতঃ রমযান মাসে। লালিমা প্রকাশ পাবে রমাযান মাসের পাঁচ তারিখ বিশ তারিখের মধ্যে।আর বিকট শব্দ প্রকাশ হবে রমাযানের পনের তারিখ থেকে বিশ তারিখের মধ্যে আর দুর্বল ও রুগ্নতার আবির্ভাব হবে বিশ রমাযান থেকে চব্বিশ রমাযানের মধ্যবর্তি সময়ের মধ্যে।অতঃপর এমন একটি তারকা উদিত হবে,যার আলো হবে চন্দ্রের আলোর ন্যায়।এরপর উক্ত তারকা সাপের ন্যায় কুন্ডুলি পাকাতে থাকবে।যার কারনে তার উভয় মাথা একটা আরেকটার সাথে মিলিত হওয়ার উপক্রম হবে।
দীর্ঘকার রাত্রে দুইবার ভুমিকম্প হওয়া এবং আসমান থেকে জমিনের দিকে যে তারকাটি নিক্ষিপ্ত হবে,তার সাথে থাকবে বিকট আওয়াজ।
এক পর্যায়ে সেটা পূর্বাকাশে গিয়ে পতিত হবে। যদ্বারা মানুষ বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবতের সম্মুখিন হবে।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন, বনু আব্বাছের ধ্বংস হবে, একটি এমন তারকার সময়,যা মধ্যবর্তি স্থানে প্রকাশ পাবে।অতঃপর বিভিন্ন ধরনের দূর্বলতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে।এসব কিছু হবে মূলতঃ রমযান মাসে। লালিমা প্রকাশ পাবে রমাযান মাসের পাঁচ তারিখ বিশ তারিখের মধ্যে।আর বিকট শব্দ প্রকাশ হবে রমাযানের পনের তারিখ থেকে বিশ তারিখের মধ্যে আর দুর্বল ও রুগ্নতার আবির্ভাব হবে বিশ রমাযান থেকে চব্বিশ রমাযানের মধ্যবর্তি সময়ের মধ্যে।অতঃপর এমন একটি তারকা উদিত হবে,যার আলো হবে চন্দ্রের আলোর ন্যায়।এরপর উক্ত তারকা সাপের ন্যায় কুন্ডুলি পাকাতে থাকবে।যার কারনে তার উভয় মাথা একটা আরেকটার সাথে মিলিত হওয়ার উপক্রম হবে।
দীর্ঘকার রাত্রে দুইবার ভুমিকম্প হওয়া এবং আসমান থেকে জমিনের দিকে যে তারকাটি নিক্ষিপ্ত হবে,তার সাথে থাকবে বিকট আওয়াজ।
এক পর্যায়ে সেটা পূর্বাকাশে গিয়ে পতিত হবে। যদ্বারা মানুষ বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবতের সম্মুখিন হবে।
2019-01-30 17:22:51 @45.118.60.51
হযরত কাসীর ইবনে র্মুরা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রমযান মাসে সত্তর বৎসর যাবত নতুন ঘটনাবলী সংঘটিত হওয়ার নিদশর্নের অপেক্ষা করছি।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।
হযরত কাসীর ইবনে র্মুরা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রমযান মাসে সত্তর বৎসর যাবত নতুন ঘটনাবলী সংঘটিত হওয়ার নিদশর্নের অপেক্ষা করছি। তগহহ
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।
2019-01-29 15:08:20 @141.0.8.236
হযরত কাসির ইব্নে মুররা আল হাজরনী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রমাযান মাসে আসমানে বিভিন্ন আলামত প্রকাশ পেতে থাকলে মানুষের মাঝে ব্যাপক এখতেলাফ দেখা দিবে । তুমি এমন অবস্থা প্রাপ্ত হলে তোমার সাধ্যানুযায়ী খাবারের মজুদ করে রাখ।
হযরত কাসির ইব্নে মুররা আল হাজরনী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রমাযান মাসে আসমানে বিভিন্ন আলামত প্রকাশ পেতে থাকলে মানুষের মাঝে ব্যাপক এখতেলাফ দেখা দিবে । তুমি এমন অবস্থা িপপ্রাপ্ত হলে তোমার সাধ্যানুযায়ী খাবারের মজুদ করে রাখ।
2019-01-29 15:07:40 @141.0.8.236
হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট কল্যাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করত। আর আমি ক্ষতিকর বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম এই ভয়ে যেন আমি তাতে লিপ্ত না হই। হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা এক সময় মুর্খতা ও মন্দের মধ্যে নিমজ্জিত ছিলাম অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে এই কল্যাণ (অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম) দান করেন। তবে কি কল্যাণের পর পুনরায় অকল্যাণ (ফিতনা-ফাসাদ) আসবে? রাসূল (সাঃ) বললেন হ্যাঁ, আসবে। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম সেই অকল্যাণের পরে কি আবার কল্যাণ আসবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ আসবে। তবে তা হবে ধোঁয়াযুক্ত। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সেই ধোঁয়া কি প্রকৃতির? তিনি বললেন, লোকেরা আমার সুন্নত বর্জন করে অন্য তরিকা গ্রহণ করবে এবং আমার পথ ছেড়ে লোকদেরকে অন্য পথে পরিচালিত করবে। তখন তুমি তাদের মধ্যে ভাল কাজও দেখতে পাবে এবং দেখতে পাবে মন্দ কাজও। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, সেই কল্যাণের পরও কি অকল্যাণ আসবে? তিনি বললেন হ্যাঁ, দোজখের দ্বারে দাঁড়িয়ে কতিপয় আহ্বানকারী লোকদেরকে সেই দিকে আহ্বান করবে। যারা তাদের আহ্বানে সাড়া দেবে তাদেরকে তারা জাহান্নামে নিক্ষেপ করে ছাড়বে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে তাদের পরিচয় জানিয়ে দিন। তিনি বললেন, তারা আমাদের মতোই মানুষ হবে এবং আমাদের ভাষায় কথা বলবে।
হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট কল্যাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করত। আর আমি ক্ষতিকর বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম এই ভয়ে যেন আমি তাতে লিপ্ত না হই। হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা এক সময় মুর্খতা ও মন্দের মধ্যে নিমজ্জিত ছিলাম অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে এই কল্যাণ (অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম) দান করেন। তবে কি কল্যাণের পর পুনরায় অকল্যাণ (ফিতনা-ফাসাদ) আসবে? রাসূল (সাঃ) বললেন হ্যাঁ, আসবে। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম সেই অকল্যাণের পরে কি আবার কল্যাণ আসবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ আসবে। তবে তা হবে ধোঁয়াযুক্ত। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সেই ধোঁয়া কি প্রকৃতির? তিনি বললেন, লোকেরা আমার সুন্নত বর্জন করে অন্য তরিকা গ্রহণ করবে এবং আমার পথ ছেড়ে লোকদেরকে অন্য পথে পরিচালিত করবে। তখন তুমি তাদের মধ্যে ভাল কাজও দেখতে পাবে এবং দেখতে পাবে মন্দ কাজও। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, সেই কল্যাণের পরও কি অকল্যাণ আসবে? তিনি বললেন হ্যাঁ, দোজখের দ্বারে দাঁড়ি হাদিস - ২৯
য়ে কতিপয় আহ্বানকারী লোকদেরকে সেই দিকে আহ্বান করবে। যারা তাদের আহ্বানে সাড়া দেবে তাদেরকে তারা জাহান্নামে নিক্ষেপ করে ছাড়বে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে তাদের পরিচয় জানিয়ে দিন। তিনি বললেন, তারা আমাদের মতোই মানুষ হবে এবং আমাদের ভাষায় কথা বলবে।
2019-01-28 16:37:41 @103.210.18.211
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর জন্য এমন এক বিজয়ার্জন হয়েছে, যা ইতিপূর্বে কখনো হয়নি। এরপর আমি তাকে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাঃ আপনাকে বিজয় এসে মোবারকবাদ জানায়। আপনি এ যুদ্ধে খুব ভালোভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, নিঃসন্দেহে, কসম সেই সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ, হে হুজায়ফা! ছয় নিদর্শন রয়েছে, যার প্রথমটি হচ্ছে, আমার মৃত্যুবরণ করা। একথা শুনে আমি বললাম, ইন্নালিল্লাহী ..... । এরপর হচ্ছে, বায়তুল মোকাদ্দাসের বিজয়, এরপর, এমন এক ফেৎনা, যার মধ্যে বড় দুই দলের মধ্যে মারাত্মক যুদ্ধ সংগঠিত হবে। প্রায় গনহত্যার রূপ নিবে। উভয় দলের দাবি হবে এক। এরপর তোমাদের প্রতি গনহারে মৃত্যুবরণ করা ধেয়ে আসবে, যেমন মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে ছাগল গনহারে মারা যায়। অতঃপর মানুষের মধ্যে ব্যাপকহারে সম্পদ বৃদ্ধি পাবে, কেউ কাউকে একশত দীনার দান করলেও কম মনে করে গ্রহণকরতে অস্বীকৃতি জানাবে। এরপর বনু আসফারের বাদশাহদের সন্তানদের মধ্যে এক শিশু জন্মলাভ করবে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! বলুন আসফার কারা, জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, বনুল আসফার হচ্ছে রোমানরা। শিশুটি দ্রুত গতিতে বেড়ে উঠতে থাকবে । একটি শিশু একমাসে যতটুকু বেড়ে উঠে এ শিশুটি একদিনে অতটুকু পরিমান বাড়বে। অন্য শিশু এক বৎসরে যে পরিমান বৃদ্ধি পায় এ শিশুটি এক মাসে ততটুকু পরিমান বৃদ্ধি পাবে। শিশুটি বালেগ হলে সকলে তাকে এতবেশি মহব্বত এবং অনুসরণ করবে যা ইতিপূর্বে কোনো রাজা-বাদশাহকে করা হয়নি। একদিন সে তার গোত্রের লোকজনের মাঝখানে দাড়িয়ে বলবে, এখনো কি আরবদের এই দলকে ত্যাগ করার সময় আসেনি। যারা সর্বদা তোমাদের পক্ষ থেকে এক প্রকার সহানুভুতি পেয়ে আসছে অথচ আমরা সংখ্যায় তাদের চেয়ে অনেক বেশি এবং জলভাগ ও স্থলভাগে আমাদের রসদপত্র অনেক। সুতরাং আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কবে তাদের সঙ্গ আমরা ত্যাগ করব। আমি তোমাদেরকে এমন কত বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করছি, যা তোমরা স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছ। একথাগুলো বলার এক পর্যায়ে তাদের মুরব্বীদের কয়েকজন দাড়িয়ে বলতে লাগলেন, হ্যাঁ, তোমার কথা ঠিক এবং সিদ্ধান্ত তোমার উপর ন্যস্ত করলাম।
নেতাদের সমর্থন পেয়ে সে বলে উঠল, আমরা সকলে একথার শপথ গ্রহণ করতে হবে যে, আরবদেরকে নিঃশেষ করে দেয়া ছাড়া আমরা তাদের সঙ্গ ত্যাগ করবোনা। অতঃপর তারা রোম দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সৈন্য প্রেরনের জন্য আবেদন জানাবে। তারা আশি প্লাটুন সৈন্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন প্রত্যেক প্লাটুনের পতাকার অধীনে বার হাজার যোদ্ধা থাকবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তার কাছে সাত লক্ষ ছয় শত যোদ্ধা এসে উপস্থিত হবে। প্রত্যেক জাযিরাতে আবারো লিখে পাঠাবে, যেন জাহাজের ব্যবস্থা করা হয়। এভাবে তিনশত জাহাজ প্রস্তুত হয়ে যাবে। একদিন সেই এবং তার সৈন্য রসদপত্র সহ জাহাজে আরোহন করবে। যার ফলে এন্তাকিয়া এবং আরীশের মাঝামাঝি জায়গায় শুধু তাদেরকেই দেখা যাবে।
তবে সেদিন খলীফা অনেক ঘোড়া এবং অসংখ্য রসদপত্র প্রেরণ করবেন, এক পর্যায়ে তাদের সামনে একজন দাড়িয়ে বলবেন, “তোমরা কি উপলব্ধি করছ, আমি তোমাদেরকে নিজেদের সিদ্ধান্তের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। আমি কিন্তু কঠিন এক মুহূর্ত দেখতে পাচ্ছি, আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তার ওয়াদা পূর্ণ করবেন, এবং সকল দ্বীনের উপর আমাদের দ্বীনকে প্রাধান্যতা দিবেন। তবে এখন আমাদের সম্মুখে বিরাট এক মসিবত উপস্থিত। আমি একথা ভালো মনে করছি যে, আমি এবং আমার সাথে যারা রয়েছে সকলে রাসূলুল্øাহ সাঃ এর মদীনায় ফিরে যাব, এরপর ইয়ামানসহ অন্যান্য আরব দেশে লিখে পাঠাব। নিঃসন্দেহে একথা সত্য যে, যারা আল্লাহকে সাহায্য করে আল্লাহ তাআলা তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন, কাফেরদের এ ভুখন্ড ছেড়ে গেলেও তারা আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবেনা, হয়তো দেখা যাবে সেটা পুনরায় তোমাদের জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। এমর্মে রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, তারা বের হয়ে যাবে এবং আমার শহরে এসে পৌঁছবে, যার নাম হবে তাইবা। সেখানে মুসলমানরা অবস্থান করবে। বিভিন্ন দেশ থেকে তারা মদীনায় এসে অন্যান্য আরব দেশে সাহায্য চেয়ে সংবাদ পাঠাবে। এভাবে মদীনায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিশাল সৈন্য বাহিনীর জমায়েত হবে। যা মদীনাতে সংকুলান হবেনা। এরপর তারা খালি হাতে ঐক্যবদ্ধভাবে বের হয়ে ইমামের হাতে মৃত্যুর উপর বাইয়াত গ্রহণ করবে। অর্থাৎ বিজয় কিংবা মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধের ময়দানে দৃঢ়তার সহিত অবস্থান করার বাইয়াত গ্রহন করবে। এভাবে বাইয়াত করার পর প্রত্যেকে তলোয়ারের খাপ ভেঙ্গেঁ ফেলবে এবং কোনো প্রকারের লৌহবর্ম পরিধান করা ছাড়া সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
মুসলমানদের এ অবস্থা দেখে রোমানদের স¤্রাট বলে উঠবে, মুসলমানরা এ ভূখন্ড দখল করার জন্য মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আসছে। তারা জীবনবাজি রেখে তোমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। এখন আমি তাদের কাছে লিখে পাঠাব যে, তাদের হাতে বন্দি যেসব অনারব রোমান রয়েছে তাদেরকে যেন আমার হাতে তুলে দেয়া হয়, তারা একথার উপর রাজী হলে, আমরা তাদের এ ভূখন্ডকে তাদের জন্য ছেড়ে দিব, এই এলাকা আমাদের কোনো প্রয়োজন নেই। তারা একথার উপর একমত হলে, আমি সেটা সানন্দে গ্রহন করব, অন্যথায় তাদের সাথে যুদ্ধ করব। যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ আমাদের এবং তাদের মাঝে একটা ফায়সালা করেন। তাদের এ সিদ্ধান্ত মুসলমানদের সুলতানের কাছে পৌঁছলে তিনি রোমান স¤্রাটকে বলে পাঠাবেন, আমাদের কাছে অনারব যেসব রোমান রয়েছে, যদি তারা রোমানদের কাছে ফিরে যেতে চায় তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই, তারা সেচ্ছায় চলে যেতে পারে।
একথা শুনে ঐসব অনারব রোমানদের একজন দাড়িয়ে ঘোষণা করল, ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্মকে গ্রহণ করা থেকে আমরা আল্লাহর কাছে মাফ চাচ্ছি”। অতঃপর তারাও আগের মুসলমানদের ন্যায় মৃত্যুর উপর বাইয়াদ গ্রহণ করবেন। এবং মুসলমানদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামনে অগ্রসর হতে থাকবে। মুসলমানদের অগ্রযাত্রা আল্লাহর দুশমনগন দেখতে পেয়ে অত্যন্ত আগ্রহী ও ক্রুদ্ধ হয়ে উঠবে এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। অতঃপর মুসলমানরা তাদের তলোয়ার উন্মোক্ত করে তালোয়ারের খাপ সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গেঁ ফেলবে। এদিকে আল্লাহ তাআলা তার দুশমনের উপর যথেষ্ট রাগান্বীত হবে। এক পর্যায়ে মুসলমানরা কাফেরদেরকে এত ব্যাপকভাবে হত্যা করবে, যার কারনে ঘোড়ার অর্ধেক অংশ পর্যন্ত রক্তে ডুবে যাবে। এরপর তাদের যারা বাকি থাকবে তারা রাত্র-দিন সফর করে তাইবার দিকে যেতে থাকবে। ফলে তারা মনে করবে যে, সত্যিই তারা দূর্বল হয়ে গিয়েছে। এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা তাদের প্রতি এক ধরনের তীব্র বাতাস প্রবাহিত করলে তাদের পূর্বের স্থানে ফেরৎ যাবে। এরপর মুহাজিরদের হাতে তাদেরকে এমনভাবে হত্যা করা হবে, তাদের মৃত্যু সংবাদ পৌঁছানোর জন্যও কেউ বাকি থাকবেনা। হে হোজায়ফা! মূলতঃ এটিই হচ্ছে, তীব্র যুদ্ধ। তারা দীর্ঘদিন জীবিত থাকবে, এরপর তাদের কাছে সংবাদ আসবে যে, দাজ্জালের আবির্ভাব হয়েছে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর জন্য এমন এক বিজয়ার্জন হয়েছে, যা ইতিপূর্বে কখনো হয়নি। এরপর আমি তাকে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাঃ আপনাকে বিজয় এসে মোবারকবাদ জানায়। আপনি এ যুদ্ধে খুব ভালোভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, নিঃসন্দেহে, কসম সেই সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ, হে হুজায়ফা! ছয় নিদর্শন রয়েছে, যার প্রথমটি হচ্ছে, আমার মৃত্যুবরণ করা। একথা শুনে আমি বললাম, ইন্নালিল্লাহী ..... । এরপর হচ্ছে, বায়তুল মোকাদ্দাসের বিজয়, এরপর, এমন এক ফেৎনা, যার মধ্যে বড় দুই দলের মধ্যে মারাত্মক যুদ্ধ সংগঠিত হবে। প্রায় গনহত্যার রূপ নিবে। উভয় দলের দাবি হবে এক। এরপর তোমাদের প্রতি গনহারে মৃত্যুবরণ করা ধেয়ে আসবে, যেমন মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে ছাগল গনহারে মারা যায়। অতঃপর মানুষের মধ্যে ব্যাপকহারে সম্পদ বৃদ্ধি পাবে, কেউ কাউকে একশত দীনার দান করলেও কম মনে করে গ্রহণকরতে অস্বীকৃতি জানাবে। এরপর বনু আসফারের বাদশাহদের সন্তানদের মধ্যে এক শিশু জন্মলাভ করবে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! বলুন আসফার কারা, জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, বনুল আসফার হচ্ছে রোমানরা। শিশুটি দ্রুত গতিতে বেড়ে উঠতে থাকবে । একটি শিশু একমাসে যতটুকু বেড়ে উঠে এ শিশুটি একদিনে অতটুকু পরিমান বাড়বে। অন্য শিশু এক বৎসরে যে পরিমান বৃদ্ধি পায় এ শিশুটি এক মাসে ততটুকু পরিমান বৃদ্ধি পাবে। শিশুটি বালেগ হলে সকলে তাকে এতবেশি মহব্বত এবং অনুসরণ করবে যা ইতিপূর্বে কোনো রাজা-বাদশাহকে করা হয়নি। একদিন সে তার গোত্রের লোকজনের মাঝখানে দাড়িয়ে বলবে, এখনো কি আরবদের এই দলকে ত্যাগ করার সময় আসেনি। যারা সর্বদা তোমাদের পক্ষ থেকে এক প্রকার সহানুভুতি পেয়ে আসছে অথচ আমরা সংখ্যায় তাদের চেয়ে অনেক বেশি এবং জলভাগ ও স্থলভাগে আমাদের রসদপত্র অনেক। সুতরাং আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কবে তাদের সঙ্গ আমরা ত্যাগ করব। আমি তোমাদেরকে এমন কত বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করছি, যা তোমরা স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছ। একথাগুলো বলার এক পর্যায়ে তাদের মুরব্বীদের কয়েকজন দাড়িয়ে বলতে লাগলেন, হ্যাঁ, তোমার কথা ঠিক এবং সিদ্ধান্ত তোমার উপর ন্যস্ত করলাম।
নেতাদের সমর্থন পেয়ে সে বলে উঠল, আমরা সকলে একথার শপথ গ্রহণ করতে হবে যে, আরবদেরকে নিঃশেষ করে দেয়া ছাড়া আমরা তাদের সঙ্গ ত্যাগ করবোনা। অতঃপর তারা রোম দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সৈন্য প্রেরনের জন্য আবেদন জানাবে। তারা আশি প্লাটুন সৈন্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন প্রত্যেক প্লাটুনের পতাকার অধীনে বার হাজার যোদ্ধা থাকবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তার কাছে সাত লক্ষ ছয় শত যোদ্ধা এসে উপস্থিত হবে। প্রত্যেক জাযিরাতে আবারো লিখে পাঠাবে, যেন জাহাজের ব্যবস্থা করা হয়। এভাবে তিনশত জাহাজ প্রস্তুত হয়ে যাবে। একদিন সেই এবং তার সৈন্য রসদপত্র সহ জাহাজে আরোহন করবে। যার ফলে এন্তাকিয়া এবং আরীশের মাঝামাঝি জায়গায় শুধু তাদেরকেই দেখা যাবে।
তবে সেদিন খলীফা অনেক ঘোড়া এবং অসংখ্য রসদপত্র প্রেরণ করবেন, এক পর্যায়ে তাদের সামনে একজন দাড়িয়ে বলবেন, “তোমরা কি উপলব্ধি করছ, আমি তোমাদেরকে নিজেদের সিদ্ধান্তের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। আমি কিন্তু কঠিন এক মুহূর্ত দেখতে পাচ্ছি, আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তার ওয়াদা পূর্ণ করবেন, এবং সকল দ্বীনের উপর আমাদের দ্বীনকে প্রাধান্যতা দিবেন। তবে এখন আমাদের সম্মুখে বিরাট এক মসিবত উপস্থিত। আমি একথা ভালো মনে করছি যে, আমি এবং আমার সাথে যারা রয়েছে সকলে রাসূলুল্øাহ সাঃ এর মদীনায় ফিরে যাব, এরপর ইয়ামানসহ অন্যান্য আরব দেশে লিখে পাঠাব। নিঃসন্দেহে একথা সত্য যে, যারা আল্লাহকে সাহায্য করে আল্লাহ তাআলা তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন, কাফেরদের এ ভুখন্ড ছেড়ে গেলেও তারা আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবেনা, হয়তো দেখা যাবে সেটা পুনরায় তোমাদের জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। এমর্মে রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, তারা বের হয়ে যাবে এবং আমার শহরে এসে পৌঁছবে, যার নাম হবে তাইবা। সেখানে মুসলমানরা অবস্থান করবে। বিভিন্ন দেশ থেকে তারা মদীনায় এসে অন্যান্য আরব দেশে সাহায্য চেয়ে সংবাদ পাঠাবে। এভাবে মদীনায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিশাল সৈন্য বাহিনীর জমায়েত হবে। যা মদীনাতে সংকুলান হবেনা। এরপর তারা খালি হাতে ঐক্যবদ্ধভাবে বের হয়ে ইমামের হাতে মৃত্যুর উপর বাইয়াত গ্রহণ করবে। অর্থাৎ বিজয় কিংবা মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধের ময়দানে দৃঢ়তার সহিত অবস্থান করার বাইয়াত গ্রহন করবে। এভাবে বাইয়াত করার পর প্রত্যেকে তলোয়ারের খাপ ভেঙ্গেঁ ফেলবে এবং কোনো প্রকারের লৌহবর্ম পরিধান করা ছাড়া সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
মুসলমানদের এ অবস্থা দেখে রোমানদের স¤্রাট বলে উঠবে, মুসলমানরা এ ভূখন্ড দখল করার জন্য মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আসছে। তারা জীবনবাজি রেখে তোমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। এখন আমি তাদের কাছে লিখে পাঠাব যে, তাদের হাতে বন্দি যেসব অনারব রোমান রয়েছে তাদেরকে যেন আমার হাতে তুলে দেয়া হয়, তারা একথার উপর রাজী হলে, আমরা তাদের এ ভূখন্ডকে তাদের জন্য ছেড়ে দিব, এই এলাকা আমাদের কোনো প্রয়োজন নেই। তারা একথার উপর একমত হলে, আমি সেটা সানন্দে গ্রহন করব, অন্যথায় তাদের সাথে যুদ্ধ করব। যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ আমাদের এবং তাদের মাঝে একটা ফায়সালা করেন। তাদের এ সিদ্ধান্ত মুসলমানদের সুলতানের কাছে পৌঁছলে তিনি রোমান স¤্রাটকে বলে পাঠাবেন, আমাদের কাছে অনারব যেসব রোমান রয়েছে, যদি তারা রোমানদের কাছে ফিরে যেতে চায় তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই, তারা সেচ্ছায় চলে যেতে পারে।
একথা শুনে ঐসব অনারব রোমানদের একজন দাড়িয়ে ঘোষণা করল, ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্মকে গ্রহণ করা থেকে আমরা আল্লাহর কাছে মাফ চাচ্ছি”। অতঃপর তারাও আগের মুসলমানদের ন্যায় মৃত্যুর উপর বাইয়াদ গ্রহণ করবেন। এবং মুসলমানদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামনে অগ্রসর হতে থাকবে। মুসলমানদের অগ্রযাত্রা আল্লাহর দুশমনগন দেখতে পেয়ে অত্যন্ত আগ্রহী ও ক্রুদ্ধ হয়ে উঠবে এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। অতঃপর মুসলমানরা তাদের তলোয়ার উন্মোক্ত করে তালোয়ারের খাপ সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গেঁ ফেলবে। এদিকে আল্লাহ তাআলা তার দুশমনের উপর যথেষ্ট রাগান্বীত হবে। এক পর্যায়ে মুসলমানরা কাফেরদেরকে এত ব্যাপকভাবে হত্যা করবে, যার কারনে ঘোড়ার অর্ধেক অংশ পর্যন্ত রক্তে ডুবে যাবে। এরপর তাদের যারা বাকি থাকবে তারা রাত্র-দিন সফর করে তাইবার দিকে যেতে থাকবে। ফলে তারা মনে করবে যে, সত্যিই তারা দূর্বল হয়ে গিয়েছে। এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা তাদের প্রতি এক ধরনের তীব্র বাতাস প্রবাহিত করলে তাদের পূর্বের স্থানে ফেরৎ যাবে। এরপর মুহাজিরদের হাতে তাদেরকে এমনভাবে হত্যা করা হবে, তাদের মৃত্যু সংবাদ পৌঁছানোর জন্যও কেউ বাকি থাকবেনা। হে হোজায়ফা! মূলতঃ এটিই হচ্ছে, তীব্র যুদ্ধ। তারা দীর্ঘদিন জীবিত থাকবে, এরপর তাদের কাছে সংবাদ আসবে যে, দাজ্জালের আবির্ভাব হয়েছে।
2019-01-20 23:20:24 @103.204.245.49
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।ঔঔঔঔ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।
2019-01-20 22:23:48 @111.65.60.46
আবু আব্দুর রহমান কাশেম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের এই মসজিদের আশ্বেপার্শ্বে এমন এক নারীকে ঘুরানো হবে যার কাপড়ের ভিতর থেকে লজ্জাস্থানে পশম দেখা যাবে। এসম্বন্ধে কেউ যদি বলে যে, আল্লাহর কসম এটা ইসলাম সর্মথন করে না, তখন মারা যাওয়া পর্যন্ত ঐ লোককে মাটিতে পাড়ানো হবে। আমি যদি সে লোক হতাম কতই ভালো হতো।
আবু আব্দুর রহমান কাশেম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের এই মসজিদের আশ্বেপার্শ্বে এমন এক নারীকে ঘুরানো হবে যার কাপড়ের ভিতর থেকে লজ্জাস্থানে পশম দেখা যাবে। এসম্বন্ধে কেউ যদি বলে যে, আল্লাহর কসম এটা ইসলাম সর্মথন করে না, তখন মারা যাওয়া পর্যন্ত ঐ লোককে মাটিতে পাড়ানো হবে। আমি যদি সে লোক হতাম কতই ভালো হতো।
2019-01-19 02:21:20 @58.97.141.136
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল (ﷺ) সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন নি। কিন্তু একদিন রাসূল (ﷺ) সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল (ﷺ) সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন নি। কিন্তু একদিন রাসূল (ﷺ) সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন।
2019-01-08 12:39:07 @27.147.255.245
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল (ﷺ) সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন নি। কিন্তু একদিন রাসূল (ﷺ) সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন।
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল (ﷺ) সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন নি। কিন্তু একদিন রাসূল (ﷺ) সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন
2019-01-08 12:38:59 @27.147.255.245
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।ঔঔঔঔ
2019-01-05 17:15:50 @37.111.226.103
দ্বিতীয় সুত্র থেকে আলী (রা:) থেকে একই হাদিস বর্নিত হয়েছে। বাকি কই
দ্বিতীয় সুত্র থেকে আলী (রা:) থেকে একই হাদিস বর্নিত হয়েছে। 
2018-12-28 01:31:16 @45.33.129.226
হযরত আবুযর আব্দুর রহমান ইবনে ফুজালা রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন কাবিল তার ভাই হাবিলকে হত্যা করে তখন তার জ্ঞান সম্পূর্ণরূপে লোপ পেয়েছিল এবং তার অন্তর একেবারে বুদ্ধি শুন্য হয়ে গিয়েছিল। যার জন্য যে মৃত্যু পর্যন্ত পেরেশান ছিল।
হযরত আবুযর আব্দুর রহমান ইবনে ফুজালা রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন কাবিল তার ভাই হাবিলকে হত্যা করে তখন তার জ্ঞান সম্পূর্ণরূপে লোপ পেয়েছিল এবং তার অন্তর একেবারে বুদ্ধি শুন্য হয়ে গিয়েছিল। যার জন্য সে মৃত্যু পর্যন্ত পেরেশান ছিল।
2018-12-28 01:28:37 @45.33.129.226
হযরত আউন ইবনে আব্দুল্লাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, নিঃসন্দেহে অনেক লোক এমন রয়েছে, যারা গুনাহের স্থলে উপস্থিত থেকে ও সেটা অপছন্দ করার কারনে যেন সেই লোক সেখানে উপস্থিত ছিল। পক্ষান্তরে কেউ উক্ত গুনাহের স্থলে অনুপস্থিত থেকে যদি সেটার উপর রাযি থাকে তাহলে যেন সে লোক উক্ত গুনাহের কাজে উপস্থিত ছিল।
হযরত আউন ইবনে আব্দুল্লাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, নিঃসন্দেহে অনেক লোক এমন রয়েছে, যারা গুনাহের স্থলে উপস্থিত থেকে ও সেটা অপছন্দ করার কারনে যেন সেই লোক সেখানে অনুপস্থিত ছিল। পক্ষান্তরে কেউ উক্ত গুনাহের স্থলে অনুপস্থিত থেকে যদি সেটার উপর রাযি থাকে তাহলে যেন সে লোক উক্ত গুনাহের কাজে উপস্থিত ছিল।
2018-12-25 09:18:16 @202.94.164.134

Execution time: 0.06 render + 0.01 s transfer.