Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেনÑ সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেন সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
2019-06-13 20:33:05 @103.121.104.69
রাসুলুল্লাহ সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
রাসুলুল্লাহ সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
2019-06-12 19:09:02 md.foysal43211@...
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনু ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে, যদ্বারা মানুষের জ্ঞান লোপ পাওয়ার উপক্রম হবে। এমনকি তখন অনেক তালাশ করেও কোনো জ্ঞানী লোক পাওয়া যাবেনা। এরপর রাসূলুল্লাহ সাঃ তৃতীয় প্রকার ফিতনার কথা উল্লেখ করেছেন।
উপক্রম হবে। এমনকি তখন অনেক তালাশ করেও কোনো জ্ঞানী লোক পাওয়া যাবেনা। এরপর রাসূলুল্লাহ সাঃ তৃতীয় প্রকার ফিতনার কথা উল্লেখ করেছেন।
2019-06-10 15:28:08 @37.111.235.170
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনু ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে, যদ্বারা মানুষের জ্ঞান লোপ পাওয়ার উপক্রম হবে। এমনকি তখন অনেক তালাশ করেও কোনো জ্ঞানী লোক পাওয়া যাবেনা। এরপর রাসূলুল্লাহ সাঃ তৃতীয় প্রকার ফিতনার কথা উল্লেখ করেছেন।
 ফিতনা প্রকাশ পাবে, যদ্বারা মানুষের জ্ঞান লোপ পাওয়ার উপক্রম হবে। এমনকি তখন অনেক তালাশ করেও কোনো জ্ঞানী লোক পাওয়া যাবেনা। এরপর রাসূলুল্লাহ সাঃ তৃতীয় প্রকার ফিতনার কথা উল্লেখ করেছেন।
2019-06-10 15:27:18 @37.111.235.170
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাদের সামনে ভারত যুদ্ধ সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এক পর্যায়ে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে, যদি আমার উক্ত যুদ্ধে অংশ গ্রহণের সুযোগ হয় তাহলে এরজন্য আমার জান-মাল সবকিছু কোরবানী দিয়ে দিব। সেখানে আমি যদি শহীদ হয়ে যায় তাহলে আমি হব উত্তম শহীদদের একজন, আর গাজী হয়ে ফিরে আসলে আমি হয়ে যাব স্বাধীন আবু হুরায়রা।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাদের সামনে ভারত যুদ্ধ সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এক পর্যায়ে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে, যদি আমার উক্ত যুদ্ধে অংশ গ্রহণের সুযোগ হয় তাহলে এরজন্য আমার জান-মাল সবকিছু কোরবানী দিয়ে দিব। সেখানে আমি যদি শহীদ হয়ে যায় তাহলে আমি হব উত্তম শহীদদের একজন, আর গাজী হয়ে ফিরে আসলে আমি হয়ে যাব স্বাধীন আবু হুরায়রা।jjjj
2019-06-02 16:41:40 @43.250.80.58
হযরত শুরাইহ ইবনে উবাইদ হতে বর্ণিত যে, রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার সাথীদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করতেন। অতপর বলতেন হে মানুষ সকল তোমরা ভালোভাবে জেনে রাখ, তোমরা ততক্ষন পর্যন্ত তোমাদের রবের সাথ সাক্ষাত করতে পারেবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমরা মৃত্যুবরণ করো। আরা তোমাদের রব অন্ধ নন। নিশ্চই দাজ্জাল আল্লাহ তা’লার উপর মিথ্যা আরোপ করবে। তার এক চক্ষু হবে সমান। অর্থাৎ একেবারে ভিতরেু ডুবে থাকবেনা এবং বাহিরেও উঠে থাকবে না । তার দুই চক্ষুর মাঝখানে কাফের লেখা থাকবে। যেটা প্রত্যেক মুমনিই পড়তে পারবে। আমি তোমাদের মর্ধে থাকা অবস্থায় যদি সে বের হয় তাহলে আমি তোমাদের মধ্যে দলিল প্রমাণ সহ বিজয়ী হবো। আর যদি আমর পরে বের হয় তাহলে প্রত্যেকে দলিল প্রমাণ সহকারে মোকাবেলা করবে। আর আল্লাহ আমার খলিফা প্রত্যেক মুসলমানের উপর। তোমাদের মধ্যে যার তার (দাজ্জালের) সাথে সাক্ষাত হয় সে যেন সূরা কাহাফের প্রথমাংশ পড়ে।
হযরত শুরাইহ ইবনে উবাইদ হতে বর্ণিত যে, রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার সাথীদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করতেন। অতপর বলতেন হে মানুষ সকল তোমরা ভালোভাবে জেনে রাখ, তোমরা ততক্ষন পর্যন্ত তোমাদের রবের সাথ সাক্ষাত করতে পারেবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমরা মৃত্যুবরণ করো। আরা তোমাদের রব অন্ধ নন। নিশ্চই দাজ্জাল আল্লাহ তা’লার উপর মিথ্যা আরোপ করবে। তার এক চক্ষু হবে সমান। অর্থাৎ একেবারে ভিতরেু ডুবে থাকবেনা এবং বাহিরেও উঠে থাকবে না । তার দুই চক্ষুর মাঝখানে কাফের লেখা থাকবে। যেটা প্রত্যেক মুমনিই পড়তে পারবে। আমি তোমাদের মর্ধে থাকা অবস্থায় যদি সে বের হয় তাহলে আমি তোমাদের মধ্যে দলিল প্রমাণ সহ বিজয়ী হবো। আর যদি আমার পরে বের হয় তাহলে প্রত্যেকে দলিল প্রমাণ সহকারে মোকাবেলা করবে। আর আল্লাহ আমার খলিফা প্রত্যেক মুসলমানের উপর। তোমাদের মধ্যে যার তার (দাজ্জালের) সাথে সাক্ষাত হয় সে যেন সূরা কাহাফের প্রথমাংশ পড়ে।
2019-06-01 11:05:49 @103.87.248.214
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন কেমনযেন আমি বাকা গ্রন্থি ও শীর্ণ দুই পায়ের গোছা বিশিষ্ট এক ব্যক্তিকে দেখতেছি যে তার হাতুড়ি নিয়ে কা’বার উপরে বসে আছে। আর সেই উহা ধ্বংস করবে।
অধ্যায়
তুর্কি সম্পর্কে
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন কেমনযেন আমি বাকা গ্রন্থি ও শীর্ণ দুই পায়ের গোছা বিশিষ্ট এক ব্যক্তিকে দেখতেছি যে তার হাতুড়ি নিয়ে কা’বার উপরে বসে আছে। আর সেই উহা ধ্বংস করবে।
2019-05-28 12:35:11 @141.0.9.243
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন কেমনযেন আমি বাকা গ্রন্থি ও শীর্ণ দুই পায়ের গোছা বিশিষ্ট এক ব্যক্তিকে দেখতেছি যে তার হাতুড়ি নিয়ে কা’বার উপরে বসে আছে। আর সেই উহা ধ্বংস করবে।
অধ্যায়
তুর্কি সম্পর্কে
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন কেমনযেন আমি বাকা গ্রন্থি ও শীর্ণ দুই পায়ের গোছা বিশিষ্ট এক ব্যক্তিকে দেখতেছি যে তার হাতুড়ি নিয়ে কা’বার উপরে বসে আছে। আর সেই উহা ধ্বংস করবে।
2019-05-28 12:35:10 @141.0.9.243
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন কেমনযেন আমি বাকা গ্রন্থি ও শীর্ণ দুই পায়ের গোছা বিশিষ্ট এক ব্যক্তিকে দেখতেছি যে তার হাতুড়ি নিয়ে কা’বার উপরে বসে আছে। আর সেই উহা ধ্বংস করবে।
অধ্যায়
তুর্কি সম্পর্কে
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন কেমনযেন আমি বাকা গ্রন্থি ও শীর্ণ দুই পায়ের গোছা বিশিষ্ট এক ব্যক্তিকে দেখতেছি যে তার হাতুড়ি নিয়ে কা’বার উপরে বসে আছে। আর সেই উহা ধ্বংস করবে।
2019-05-28 12:35:10 @141.0.9.243
হযরত হাসান বসরী রহ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কসম সেই সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রান! আমার সাহাবায়ে কেরাম থেকে কিছু লোককে কিয়মতের দিন আমার সামনে পেশ করা হবে। তাদের দেখার সাথে সাথে আমি চিনতে পারব, তবে কিছুক্ষন পর আমার এবং তাদের মাঝে পর্দা সৃষ্টি হয়ে যাবে। এ অবস্থা দেখে আমি বলব, হে আমার রব! আমার সাহাবী, আমার সাহাবী! আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে জবাব আসবে, তাদের সম্বন্ধে তুমি জানোনা, তোমার পর তারা কেমন বেদআত ওকার্যক্রম আবিস্কার করেছিল।
সূরা আল-আনফাল:33 - অথচ আল্লাহ কখনই তাদের উপর আযাব নাযিল করবেন না যতক্ষণ আপনি তাদের মাঝে অবস্থান করবেন। তাছাড়া তারা যতক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে আল্লাহ কখনও তাদের উপর আযাব দেবেন না।
2019-05-27 15:23:33 @103.217.111.57
হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাহাড় থেকে ফুরাত (নদী) কে খুলে দেওয়া হবে। অতপর সেখানে প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে। যদি তোমরা উক্ত ঘটনা পাও, তাহলে তোমরা উহার নিকটবর্তী হইও না।
হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন ফুরাত নদী স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাহাড় উন্মোচন করে দিবে। অতপর সেখানে প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে। যদি তোমরা উক্ত ঘটনা পাও, তাহলে তোমরা উহার নিকটবর্তী হইও না।
2019-05-27 11:30:43 @141.0.9.19
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেনÑ সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,এমতাবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেনÑ সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
2019-05-26 00:09:37 @141.0.9.245
হযরত শুরাইহ ইবনে উবাইদ রহঃ বলেন আমি হযরত কাব রহঃ কে বলতে শুনেছি তিনি এরশাদ করেন, একদিন আমি হযরত আবু যর গিফারী রাযিঃ এর সাথে স্বাক্ষাৎ করি, যখন তিনি ক্রন্দনরত অবস্থায় আবু এরবাজ এর মজলিসের পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন, হযরত কাব বললেন, হে আবু যর! তোমার কান্নাকাটি করার কারন কি? জবাবে তিনি বললেন আমি আমার দ্বীনের কারনে কান্নাকাটি করছি। তার কথা শুনে হযরত কাব রহঃ বললেন, আপনি তো রাসূলুল্লাহ সাঃ কে হারিয়েছেন অনেক পূর্বে, অথচ কাদছেন আজকে। বর্তমানে লোজ খুবই ভাল অবস্থায় রয়েছে এবং ইসলাম সতুন ভাবে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যা ইহুদীদের দরজায় গিয়ে মাযবালা নামক স্থানে স্থীর হয়েছে। অতঃপর হযরত কাব রহঃ বললেন, হে আবু যর! এ শহরের বাসিন্দাদের উপর এমন একদিন আসবে যেদিন তাদের উপকুল এলাকা থেকে এমন মারাতœক এক আতংক ছড়িয়ে পড়বে, যার কারনে সকলে তাদের দুশমনদের হামলে পড়বে এবং আকাবায়ে সুলাইমানে পরস্পরের সাথে স্বাক্ষাত হবে। তখন তারা একে অপরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে এবং আল্লাহ তাআলা তাদেরকে পরাজিত করবেন। ঐ সময় সে শহরের জনপদ এবং পাহাড়ি এলাকায় তাদেরকে হত্যা করা হবে। তারা এমন অবস্থায় দিনাতিপাত করবে, এক পর্য়ায়ে তাদের কাছে সংবাদ আসবে যে, মুহাজিরদের রেখে আসা পরিবার ও ছেলে-সন্তানদের উপর এদের একদল হামলা করে তাদের ঘরের ফটক বন্দ করে দিয়েছে। একথা শুনার পরপর তারা সেদিকে যেতে থাকবে এবং নিজেদের শহরকে রক্ষার জন্য তারা প্রানপন ভাবে এগিয়ে যাবে এবং আল্লাহ তাআলা তাদেরকে বিজয়ী করবেন। যদি সেদিন এ শহর বাসিরা জানতে পারতো তাদের এলাকায় বিদ্যমান গীর্জায় কি ধরনের লাভ রয়েছে তাহলে তারা তৈল জাতীয় পদার্থ এনে সেখানকার গাছপালা গুলোতে ঢেলে দিতো। যখন আল্লাহ তাআলা তাদেরকে বিজয়ী করলেন তখন সেখানে একটু বুঝমান যাকে পাওয়া গিয়েছে তাকেই হত্যা করা হয়েছে। এমন কি মুহাজিরগন এমন নাসারাদেরকে হত্যা করতে বাধ্য হয়েছে, যারা উভয়জন এক সময় এক মায়ের উভয় স্তন নিয়ে ঝগড়া করেছিল। এত ব্যাপক ভাবে হত্যা করা হবে, যার কারনে হিমস নগরী থেকে বের হওয়া পানির নালা দ্বারা পানির পরিবর্তে রক্ত প্রবাহিত হবে, যার সাথে কোনো বস্তু মিশ্রিত হবেনা।
হযরত শুরাইহ ইবনে উবাইদ রহঃ বলেন আমি হযরত কাব রহঃ কে বলতে শুনেছি তিনি এরশাদ করেন, একদিন আমি হযরত আবু যর গিফারী রাযিঃ এর সাথে স্বাক্ষাৎ করি, যখন তিনি ক্রন্দনরত অবস্থায় আবু এরবাজ এর মজলিসের পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন, হযরত কাব বললেন, হে আবুö যর! তোমার কান্নাকাটি করার কারন কি? জবাবে তিনি বললেন আমি আমার দ্বীনের কারনে কান্নাকাটি করছি। তার কথা শুনে হযরত কাব রহঃ বললেন, আপনি তো রাসূলুল্লাহ সাঃ কে হারিয়েছেন অনেক পূর্বে, অথচ কাদছেন আজকে। বর্তমানে লোজ খুবই ভাল অবস্থায় রয়েছে এবং ইসলাম সতুন ভাবে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যা ইহুদীদের দরজায় গিয়ে মাযবালা নামক স্থানে স্থীর হয়েছে। অতঃপর হযরত কাব রহঃ বললেন, হে আবু যর! এ শহরের বাসিন্দাদের উপর এমন একদিন আসবে যেদিন তাদের উপকুল এলাকা থেকে এমন মারাতœক এক আতংক ছড়িয়ে পড়বে, যার কারনে সকলে তাদের দুশমনদের হামলে পড়বে এবং আকাবায়ে সুলাইমানে পরস্পরের সাথে স্বাক্ষাত হবে। তখন তারা একে অপরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে এবং আল্লাহ তাআলা তাদেরকে পরাজিত করবেন। ঐ সময় সে শহরের জনপদ এবং পাহাড়ি এলাকায় তাদেরকে হত্যা করা হবে। তারা এমন অবস্থায় দিনাতিপাত করবে, এক পর্য়ায়ে তাদের কাছে সংবাদ আসবে যে, মুহাজিরদের রেখে আসা পরিবার ও ছেলে-সন্তানদের উপর এদের একদল হামলা করে তাদের ঘরের ফটক বন্দ করে দিয়েছে। একথা শুনার পরপর তারা সেদিকে যেতে থাকবে এবং নিজেদের শহরকে রক্ষার জন্য তারা প্রানপন ভাবে এগিয়ে যাবে এবং আল্লাহ তাআলা তাদেরকে বিজয়ী করবেন। যদি সেদিন এ শহর বাসিরা জানতে পারতো তাদের এলাকায় বিদ্যমান গীর্জায় কি ধরনের লাভ রয়েছে তাহলে তারা তৈল জাতীয় পদার্থ এনে সেখানকার গাছপালা গুলোতে ঢেলে দিতো। যখন আল্লাহ তাআলা তাদেরকে বিজয়ী করলেন তখন সেখানে একটু বুঝমান যাকে পাওয়া গিয়েছে তাকেই হত্যা করা হয়েছে। এমন কি মুহাজিরগন এমন নাসারাদেরকে হত্যা করতে বাধ্য হয়েছে, যারা উভয়জন এক সময় এক মায়ের উভয় স্তন নিয়ে ঝগড়া করেছিল। এত ব্যাপক ভাবে হত্যা করা হবে, যার কারনে হিমস নগরী থেকে বের হওয়া পানির নালা দ্বারা পানির পরিবর্তে রক্ত প্রবাহিত হবে, যার সাথে কোনো বস্তু মিশ্রিত হবেনা।
2019-05-21 07:08:26 @103.200.37.166
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের ইমামকে হত্যা করবেনা এবং তোমরা অযথা তোমাদের তলোয়ার পরিচালনা করবেনা। এপৃথিবীর মালিক বনে যাবে নিকৃষ্টতম লোকজন।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের ইমামকে হত্যা করবেনা এবং তোমরা অযথা তোমাদের তলোয়ার পরিচালনা করবেনা। এ পৃথিবীর মালিক বনে যাবে নিকৃষ্টতম লোকজন।
2019-05-16 18:25:35 @42.0.5.229
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের ইমামকে হত্যা করবেনা এবং তোমরা অযথা তোমাদের তলোয়ার পরিচালনা করবেনা। এপৃথিবীর মালিক বনে যাবে নিকৃষ্টতম লোকজন।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের ইমামকে হত্যা করবেনা এবং তোমরা অযথা তোমাদের তলোয়ার পরিচালনা করবেনা। এ পৃথিবীর মালিক বনে যাবে নিকৃষ্টতম লোকজন।
2019-05-16 18:25:35 @42.0.5.229
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থি সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থিত সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
2019-05-16 18:23:38 @42.0.5.229
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থি সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থিত সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
2019-05-16 18:23:38 @42.0.5.229
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন যেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাকের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকার করে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা করে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন যেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাফের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকাল করে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা করে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
2019-05-16 18:21:39 @42.0.5.229
হযরত ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন সংরক্ষিত এলাকা হল মক্কা, মদীনা, ইলয়া, এবং নাজরান। এক রাত্রে নাজরানে সত্তর হাজার ফেরেশতা অবতরণ করে। এবং পরিখা বাসীদের উপর সালাম বর্ষণ করে। এবং তারা ফিরে যায় আর কখনো ফিরে আসে না।
হযরত ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন সংরক্ষিত এলাকা হল মক্কা, মদীনা, ইলয়া, এবং নাজরান। এক রাত্রে নাজরানে সত্তর হাজার ফেরেশতা অবতরণ করে। এবং পরিখা বাসীদের উপর সালাম বর্ষণ করে। এবং তারা ফিরে যায় আর কখনো ফিরে আসে না
2019-05-16 15:16:15 @27.147.227.213
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, অতি নিকটবর্তী হওয়া ফেৎনার অনিষ্টতাকালীন আরবদের ধ্বংস অনিবার্য। নিজের হাতকে কন্ট্রোলকারী লোকই মূলতঃ সফলকাম।
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, অতি নিকটবর্তী হওয়া ফেৎনার অনিষ্টতাকালীন আরবদের ধ্বংস অনিবার্য। নিজের হাতকে নিয়ন্ত্রণকারী মূলতঃ সফলকাম।
2019-05-13 20:55:10 @119.30.35.97
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, অতি নিকটবর্তী হওয়া ফেৎনার অনিষ্টতাকালীন আরবদের ধ্বংস অনিবার্য। নিজের হাতকে কন্ট্রোলকারী লোকই মূলতঃ সফলকাম।
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, অতি নিকটবর্তী হওয়া ফেৎনার অনিষ্টতাকালীন আরবদের ধ্বংস অনিবার্য। নিজের হাতকে নিয়ন্ত্রণকারী মূলতঃ সফলকাম।
2019-05-13 20:55:10 @119.30.35.97
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, অতি নিকটবর্তী হওয়া ফেৎনার অনিষ্টতাকালীন আরবদের ধ্বংস অনিবার্য। নিজের হাতকে কন্ট্রোলকারী লোকই মূলতঃ সফলকাম।
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, অতি নিকটবর্তী হওয়া ফেৎনার অনিষ্টতাকালীন আরবদের ধ্বংস অনিবার্য। নিজের হাতকে নিয়ন্ত্রণকারী মূলতঃ সফলকাম।
2019-05-13 20:55:10 @119.30.35.97
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, অতি নিকটবর্তী হওয়া ফেৎনার অনিষ্টতাকালীন আরবদের ধ্বংস অনিবার্য। নিজের হাতকে কন্ট্রোলকারী লোকই মূলতঃ সফলকাম।
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, অতি নিকটবর্তী হওয়া ফেৎনার অনিষ্টতাকালীন আরবদের ধ্বংস অনিবার্য। নিজের হাতকে নিয়ন্ত্রণকারী মূলতঃ সফলকাম।
2019-05-13 20:55:09 @119.30.35.97
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মাহদী আলাইহিস সালামের বের হওয়ার আলামত হল আল উয়াতুন। যেটা পশ্চিম দিক থেকে আসবে। যার উপর কিনদার একজন খোড়া ব্যক্তি থাকবে।
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মাহদী আলাইহিস সালামের বের হওয়ার আলামত হল আল উয়াতুন।যেটা পশ্চিম দিক থেকে আসবে। যার উপর কিনদার একজন খোড়া ব্যক্তি থাকবে।
2019-05-11 18:03:00 @37.111.224.23
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মাহদী আলাইহিস সালামের বের হওয়ার আলামত হল আল উয়াতুন। যেটা পশ্চিম দিক থেকে আসবে। যার উপর কিনদার একজন খোড়া ব্যক্তি থাকবে।
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মাহদী আলাইহিস সালামের বের হওয়ার আলামত হল আল উয়াতুন। যেটা দিক থেকে আসবে। যার উপর কিনদার একজন খোড়া ব্যক্তি থাকবে।
2019-05-11 18:02:33 @37.111.224.23
হযরত আবু হোরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, আমার পরে তোমাদের নিকট চার ধরনের ফিতনার আগমন ঘটবে। তার মধ্যে চতুর্থ ফিতনা হচ্ছে, লাগাতার বধীর,অন্ধত্বের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশ্রিত হয়ে থাকবে। এমনকি এসময় অসৎ কাজকে সৎ মনে করা হবে এবং অসৎ কাজকে সৎ কাজ মনে করা হবে। তাদের অন্ত সমূহ এমনভাবে মৃত্যুবরণ করবে যেমন তাদের শরীর মারা যায়।
হযরত আবু হোরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, আমার পরে তোমাদের নিকট চার ধরনের ফিতনার আগমন ঘটবে। তার মধ্যে চতুর্থ ফিতনা হচ্ছে, লাগাতার বধীর, অন্ধত্বের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশ্রিত হয়ে থাকবে। এমনকি এসময় অসৎ কাজকে সৎ মনে করা হবে এবং অসৎ কাজকে সৎ কাজ মনে করা হবে। তাদের অন্তর  সমূহ এমনভাবে মৃত্যুবরণ করবে যেমন তাদের শরীর মারা যায়।
2019-05-11 01:25:39 owntion@...
হযরত আবু হোরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, আমার পরে তোমাদের নিকট চার ধরনের ফিতনার আগমন ঘটবে। তার মধ্যে চতুর্থ ফিতনা হচ্ছে, লাগাতার বধীর,অন্ধত্বের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশ্রিত হয়ে থাকবে। এমনকি এসময় অসৎ কাজকে সৎ মনে করা হবে এবং অসৎ কাজকে সৎ কাজ মনে করা হবে। তাদের অন্ত সমূহ এমনভাবে মৃত্যুবরণ করবে যেমন তাদের শরীর মারা যায়।
হযরত আবু হোরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, আমার পরে তোমাদের নিকট চার ধরনের ফিতনার আগমন ঘটবে। তার মধ্যে চতুর্থ ফিতনা হচ্ছে, লাগাতার বধীর, অন্ধত্বের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশ্রিত হয়ে থাকবে। এমনকি এসময় অসৎ কাজকে সৎ মনে করা হবে এবং অসৎ কাজকে সৎ কাজ মনে করা হবে। তাদের অন্ত সমূহ এমনভাবে মৃত্যুবরণ করবে যেমন তাদের শরীর মারা যায়।
2019-05-11 01:25:05 owntion@...
হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পঞ্চম ফিতনা হলো, অন্ধ ফিতনা,পূর্ণ বধির ফিতনা,তাতে মানুষ চতুষ্পদ প্রাণীর মত হবে।
হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পঞ্চম ফিতনা হলো, অন্ধ ফিতনা, পূর্ণ বধির ফিতনা, তাতে মানুষ চতুষ্পদ প্রাণীর মত হবে।
2019-05-11 01:23:32 owntion@...
হযরত আবু ওয়ায়েল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ কে বলতে শুনেছি, হে লোক সকল! নিঃ সন্দেহে তোমাদের মাঝে এমন এক ফিতনা প্রকাশ পাবে, যা পরস্পর মহব্বত ভালোবাসাকে নষ্ট করে দিবে, তখন খুবই ধৈর্য্যশীল লোক পর্যন্ত ছোট্ট শিশুর ন্যায় অধৈর্য্য হয়ে যাবে।
তোমাদের মধ্যে এমন অস্থিরতা যা মূলতঃ পেটের পীড়ার আকার ধারণ করবে আর সেটা থেকে মুক্তির কোনো উপায় খুঁজে পাওয়া যাবেনা।
হযরত আবু ওয়ায়েল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ কে বলতে শুনেছি, হে লোক সকল! নিঃসন্দেহে তোমাদের মাঝে এমন এক ফিতনা প্রকাশ পাবে, যা পরস্পর মহব্বত ভালোবাসাকে নষ্ট করে দিবে, তখন খুবই ধৈর্য্যশীল লোক পর্যন্ত ছোট্ট শিশুর ন্যায় অধৈর্য্য হয়ে যাবে।
তোমাদের মধ্যে এমন অস্থিরতা যা মূলতঃ পেটের পীড়ার আকার ধারণ করবে আর সেটা থেকে মুক্তির কোনো উপায় খুঁজে পাওয়া যাবেনা।
2019-05-11 01:22:24 owntion@...
ভিন্ন সুত্রে উপরের হাদিস বনর্িত হয়েছে।
ভিন্ন সুত্রে উপরের হাদিস বর্নিত  হয়েছে।
2019-05-10 21:23:09 owntion@...
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর এন্তেকালের পচিশ বৎসর পর পর্যন্ত আরবের উম্মানের মাঁথা ঘুরতে থাকবে। এরপর বিভিন্ন ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে, যার মধ্যে গণহত্যা থেকে শুরু করে সবকিছুই ঘটবে। এরপর মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ও নিরপত্তা অনুভব হবে। এক পর্যায়ে তারা ঘুরতে ঘুরতে লাটিমের মত স্থীর হয়ে যাবে। এরপর এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে যা মূলত ব্যাপক হত্যার রূপ নিবে। আমি কিতাবুল্লাহতে উক্ত ফিতনা সম্বন্ধে পেয়েছি, যেটা এমন অন্ধকারচ্ছন্ন ফিতনা যা প্রত্যেক মর্যাদা সম্পন্ন লোককে গ্রাস করে নিবে।
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর এন্তেকালের পচিশ বৎসর পর পর্যন্ত আরবের উম্মাতের মাথা ঘুরতে থাকবে। এরপর বিভিন্ন ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে, যার মধ্যে গণহত্যা থেকে শুরু করে সবকিছুই ঘটবে। এরপর মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ও নিরপত্তা অনুভব হবে। এক পর্যায়ে তারা ঘুরতে ঘুরতে লাটিমের মত স্থীর হয়ে যাবে। এরপর এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে যা মূলত ব্যাপক হত্যার রূপ নিবে। আমি কিতাবুল্লাহতে উক্ত ফিতনা সম্বন্ধে পেয়েছি, যেটা এমন অন্ধকারচ্ছন্ন ফিতনা যা প্রত্যেক মর্যাদা সম্পন্ন লোককে গ্রাস করে নিবে।
2019-05-10 21:22:43 owntion@...
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর এন্তেকালের পচিশ বৎসর পর পর্যন্ত আরবের উম্মানের মাঁথা ঘুরতে থাকবে। এরপর বিভিন্ন ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে, যার মধ্যে গণহত্যা থেকে শুরু করে সবকিছুই ঘটবে। এরপর মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ও নিরপত্তা অনুভব হবে। এক পর্যায়ে তারা ঘুরতে ঘুরতে লাটিমের মত স্থীর হয়ে যাবে। এরপর এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে যা মূলত ব্যাপক হত্যার রূপ নিবে। আমি কিতাবুল্লাহতে উক্ত ফিতনা সম্বন্ধে পেয়েছি, যেটা এমন অন্ধকারচ্ছন্ন ফিতনা যা প্রত্যেক মর্যাদা সম্পন্ন লোককে গ্রাস করে নিবে।
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর এন্তেকালের পচিশ বৎসর পর পর্যন্ত আরবের উম্মাতের মাঁথা ঘুরতে থাকবে। এরপর বিভিন্ন ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে, যার মধ্যে গণহত্যা থেকে শুরু করে সবকিছুই ঘটবে। এরপর মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ও নিরপত্তা অনুভব হবে। এক পর্যায়ে তারা ঘুরতে ঘুরতে লাটিমের মত স্থীর হয়ে যাবে। এরপর এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে যা মূলত ব্যাপক হত্যার রূপ নিবে। আমি কিতাবুল্লাহতে উক্ত ফিতনা সম্বন্ধে পেয়েছি, যেটা এমন অন্ধকারচ্ছন্ন ফিতনা যা প্রত্যেক মর্যাদা সম্পন্ন লোককে গ্রাস করে নিবে।
2019-05-10 21:22:33 owntion@...
হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, আমার পরে বহু ফিতনা সংঘটিত হবে। তন্মধ্যে একটি হলো, ‘ফিতনায়ে আহলাম’ তাতে পলায়ন হবে, (অর্থাৎ পরস্পরের মধ্যে এমন শত্র“তা দেখা দেবে যে, একে অন্য হতে পলায়ন করতে থাকবে।) এবং তাতে ছিনতাই হবে। অতঃপর এর পরে এমন ফিতনা সংঘটিত হবে যা তার চেয়েও আরো ভয়াভহ হবে, তারপর এমন ফিতনা হবে যে, যখন বলা হবে ফিতনা শেষ হয়ে গেছে, তখন তা এত প্রসারিত হবে যে, প্রত্যেক ঘরে তা প্রবেশ করবেই। এবং প্রত্যেক মুসলমানকে আঘাত করবেই। এরপর আমার বংশধর থেকে কোন এক ব্যক্তি আবির্ভূত হবে।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, আমার পরে বহু ফিতনা সংঘটিত হবে। তন্মধ্যে একটি হলো, ‘ফিতনায়ে আহলাম’ তাতে পলায়ন হবে, (অর্থাৎ পরস্পরের মধ্যে এমন শত্রুতা দেখা দেবে যে, একে অন্য হতে পলায়ন করতে থাকবে।) এবং তাতে ছিনতাই হবে। অতঃপর এর পরে এমন ফিতনা সংঘটিত হবে যা তার চেয়েও আরো ভয়াবহ হবে, তারপর এমন ফিতনা হবে যে, যখন বলা হবে ফিতনা শেষ হয়ে গেছে, তখন তা এত প্রসারিত হবে যে, প্রত্যেক ঘরে তা প্রবেশ করবেই। এবং প্রত্যেক মুসলমানকে আঘাত করবেই। এরপর আমার বংশধর থেকে কোন এক ব্যক্তি আবির্ভূত হবে।
2019-05-10 21:21:04 owntion@...
হযরত আব্দুলাহ ইবনে যবীর গাফেকী (রহঃ) বলেন, আমি হযরত আলী (রাঃ) বলতে শুনেছি যে, চার ধরনের ফিতনা হবে। ১. ‘ফিতনাতুস সাররা’; (অর্থাৎ প্রাচুর্যের কারণে বিলাসিতায় লিপ্ত হয়ে পড়ার ফিতনা, ২. ‘ফিতনাতু র্দরা’ (অর্থাৎ দরিদ্রতার কারণে কষ্টে নিমজ্জিত হয়ে পড়ার ফিতনা), ৩. ‘এই রূপ ফিতনা’ এ কথা বলে তিনি স্বর্ণের খনির কথা আলোচনা করলেন। অতঃপর নবী করীম সাঃ এর বংশধর থেকে এমন এক ব্যক্তি আবির্ভূত হবেন, যার হাতে আল্লাহ তায়ালা তাদের ক্ষমত ন্যাস্ত করবেন।
হযরত আব্দুলাহ ইবনে যবীর গাফেকী (রহঃ) বলেন, আমি হযরত আলী (রাঃ) বলতে শুনেছি যে, চার ধরনের ফিতনা হবে। ১. ‘ফিতনাতুস সাররা’; (অর্থাৎ প্রাচুর্যের কারণে বিলাসিতায় লিপ্ত হয়ে পড়ার ফিতনা, ২. ‘ফিতনাতু র্দরা’ (অর্থাৎ দরিদ্রতার কারণে কষ্টে নিমজ্জিত হয়ে পড়ার ফিতনা), ৩. ‘এই রূপ ফিতনা’ এ কথা বলে তিনি স্বর্ণের খনির কথা আলোচনা করলেন। অতঃপর নবী করীম সাঃ এর বংশধর থেকে এমন এক ব্যক্তি আবির্ভূত হবেন, যার হাতে আল্লাহ তায়ালা তাদের ক্ষমতা ন্যাস্ত করবেন।
2019-05-10 21:20:09 owntion@...
হযরত উমাইর ইবনে হানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ বলেছেন, ‘ফিতনায়ে আহলাস’ হলো,তাতে পলায়ন হবে। (অর্থাৎ পরস্পরের মধ্যে এমন শত্র“তা দেখা দিবে যে, একে অন্য হতে পলায়ন করতে থাকবে।) এবং ছিনতাই হবে। ‘ফিতনাতুস সাবরা’ (অর্থাৎ ধরেন প্রাচুর্যের কারণে বিলাসিতায় লিপ্ত হয়ে পড়ার ফিতনা), উক্ত ফিতনার ধোঁয়া কোন এক ব্যক্তির পায়ের নিচ হতে নির্গত হবে। (অর্থাৎ সেই ব্যক্তিই উক্ত ফিতনার নায়ক হবে।) সে আমার খানদানের লোক বলে দাবি করবে,অথচ সে আমার আপনজনদের মধ্যে হবেনা। প্রকৃতপক্ষে পরহেজগার লোকই হলেন আমার বন্ধু। অতঃপর লোকেরা এক ব্যক্তির উপর ক্ষমতা অর্পনে একমত হবে, তারপর আরম্ভ হবে অন্ধকারাচ্ছন্ন ফিতনা। যখন বলা হবে ফিতনা শেষ হয়ে গেছে, তখন তা এত প্রসারিত হবে যে, আরবের এমন কোন ঘর অবশিষ্ট থাকবে না। যেখানে তারা প্রবেশ করবেনা, (অর্থাৎ প্রতিটি ঘরে তা প্রবেশ করবেই। আর মানুষ তখন এমন ভাবে লড়াই করতে থাকবে যে, সে একথা জানবেনা যে, সেকি সত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করছে? নাকি বাতিলের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এভাবে সব সময় তা চলতে থাকবে। অবশেষে সকল মানুষ দু’টি তাবুতে (দলে) বিভক্ত হয়ে যাবে। একটি দল হবে ঈমানের,এখানে মুনাফেকী থাকবে না। আর অপর দলটি হবে মুনাফেকীর যার মধ্যে ঈমান থাকবে না। যখন উভয়টি একত্রিত হবে, তখন তুমি দাজ্জালের আগমন প্রত্যক্ষ কর, সে ঐ দিনই অথবা পরের দিন আবির্ভূত হবে।
হযরত উমাইর ইবনে হানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ বলেছেন, ‘ফিতনায়ে আহলাস’ হলো, তাতে পলায়ন হবে। (অর্থাৎ পরস্পরের মধ্যে এমন শত্রুতা দেখা দিবে যে, একে অন্য হতে পলায়ন করতে থাকবে।) এবং ছিনতাই হবে। ‘ফিতনাতুস সাবরা’ (অর্থাৎ ধরেন প্রাচুর্যের কারণে বিলাসিতায় লিপ্ত হয়ে পড়ার ফিতনা), উক্ত ফিতনার ধোঁয়া কোন এক ব্যক্তির পায়ের নিচ হতে নির্গত হবে। (অর্থাৎ সেই ব্যক্তিই উক্ত ফিতনার নায়ক হবে।) সে আমার খানদানের লোক বলে দাবি করবে, অথচ সে আমার আপনজনদের মধ্যে হবেনা। প্রকৃতপক্ষে পরহেজগার লোকই হলেন আমার বন্ধু। অতঃপর লোকেরা এক ব্যক্তির উপর ক্ষমতা অর্পনে একমত হবে, তারপর আরম্ভ হবে অন্ধকারাচ্ছন্ন ফিতনা। যখন বলা হবে ফিতনা শেষ হয়ে গেছে, তখন তা এত প্রসারিত হবে যে, আরবের এমন কোন ঘর অবশিষ্ট থাকবে না। যেখানে তারা প্রবেশ করবেনা, (অর্থাৎ প্রতিটি ঘরে তা প্রবেশ করবেই। আর মানুষ তখন এমন ভাবে লড়াই করতে থাকবে যে, সে একথা জানবেনা যে, সেকি সত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করছে? নাকি বাতিলের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এভাবে সব সময় তা চলতে থাকবে। অবশেষে সকল মানুষ দু’টি তাবুতে (দলে) বিভক্ত হয়ে যাবে। একটি দল হবে ঈমানের, এখানে মুনাফেকী থাকবে না। আর অপর দলটি হবে মুনাফেকীর যার মধ্যে ঈমান থাকবে না। যখন উভয়টি একত্রিত হবে, তখন তুমি দাজ্জালের আগমন প্রত্যক্ষ কর, সে ঐ দিনই অথবা পরের দিন আবির্ভূত হবে।
2019-05-10 21:19:16 owntion@...
আরতাত ইবনুল মুনযির রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বক্তব্য আমাদের নিকট পৌঁেছছে, তিনি এরশাদ করেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে লাগাতার ভাবে চার প্রকারের ফিৎনা দেখা দিবে। প্রথমতঃ তাদের উপর এমনভাবে বালা-মসিবত আসতে থাকবে, যার কারণে মুমিনগণ বলতে থাকবে, এইতো আমি মরে গেলাম! এরপর সেটা কিছুটা হালকা হয়ে যাবে। দ্বিতীয়তঃ এত বেশি তীব্রতার সাথে ফিতনা আসতে থাকবে, যার ফলে প্রত্যেক মু’মিন মৃত্যুর প্রহর গুনবে, এরপর একটু হালকা হবে। তৃতীয়তঃ একের পর এক ফিতনা আসতে থাকবে। মনে হবে যেন ফিতনা থেকে কিছুটা মুক্ত হতে পেরেছি, কিন্তু পরক্ষণে সেটা আবারো তীব্রভাবে আসবে। চতুর্থ ফিতনা এমনভাবে প্রকাশ পাবে, যার কারণে মানুষ ইসলাম ত্যাগ করতে বাধ্য হবে। এমন অবস্থার সম্মুখিন হলে মানুষ ইমাম এবং জামাআত ও একতাবদ্ধতাবিহীন দিগি¦দিক শুন্য হয়ে ছুটতে থাকবে। অতঃপর মসীহে দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। এরপর সূর্য্য পশ্চিম দিকে উদিত হওয়া ও কিয়ামতের মাঝখানে বাহাত্তর জন দাজ্জাল প্রকাশ পাবে। তাদের মধ্যে অনেক এমন হবে যার অনুসরণকারী হবে মাত্র একজন।
আরতাত ইবনুল মুনযির রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বক্তব্য আমাদের নিকট পোঁছেছে, তিনি এরশাদ করেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে লাগাতার ভাবে চার প্রকারের ফিৎনা দেখা দিবে। প্রথমতঃ তাদের উপর এমনভাবে বালা-মসিবত আসতে থাকবে, যার কারণে মুমিনগণ বলতে থাকবে, এইতো আমি মরে গেলাম! এরপর সেটা কিছুটা হালকা হয়ে যাবে। দ্বিতীয়তঃ এত বেশি তীব্রতার সাথে ফিতনা আসতে থাকবে, যার ফলে প্রত্যেক মু’মিন মৃত্যুর প্রহর গুনবে, এরপর একটু হালকা হবে। তৃতীয়তঃ একের পর এক ফিতনা আসতে থাকবে। মনে হবে যেন ফিতনা থেকে কিছুটা মুক্ত হতে পেরেছি, কিন্তু পরক্ষণে সেটা আবারো তীব্রভাবে আসবে। চতুর্থ ফিতনা এমনভাবে প্রকাশ পাবে, যার কারণে মানুষ ইসলাম ত্যাগ করতে বাধ্য হবে। এমন অবস্থার সম্মুখিন হলে মানুষ ইমাম এবং জামাআত ও একতাবদ্ধতাবিহীন দিগবিদিক শূূন্য  হয়ে ছুটতে থাকবে। অতঃপর মসীহে দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। এরপর সূর্য্য পশ্চিম দিকে উদিত হওয়া ও কিয়ামতের মাঝখানে বাহাত্তর জন দাজ্জাল প্রকাশ পাবে। তাদের মধ্যে অনেক এমন হবে যার অনুসরণকারী হবে মাত্র একজন।
2019-05-10 21:16:35 owntion@...
হযরত আবু হুরাইর রাযিঃ বলেন একদিন রাসূলুল্লাহ সাঃ নিম্নের আয়াতটি তিলাওয়াত করেন।
----------------------- অর্থাৎ, তোমাদেরকে তিনি দলে উপদলে বিভক্ত করে পরস্পর মুখোমুখী দাড় করাবেন । (সূরা আনআম ৬৫)
এরপর রাসূলুল্লহ সাঃ বললেন, আমার উম্মতের মধ্যে চারটি ফিতনা প্রকাশ পাবে। প্রথম ফিতনা যখন দেখা দিবে, তখন মানুষকে হত্যা করা হালাল মনে করা হবে। দ্বিতীয় ফিতনা এমন আকার ধারন করবে, মানুষ অন্যকে হত্যা করা এবং অন্যের সম্পদ দখল করাকে বৈধ জানবে। তৃতীয় ফিত্নাকালীন হত্যা, ডাকাতি এবং ধর্ষণ ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থ ফিতনা হচ্ছে অন্ধকারাচ্ছন্ন অন্ধ ফিতনা, যা সমুদ্রের ঢেউয়ের বিস্তৃত হয়ে আছড়ে পড়বে। আরবের প্রত্যেক ঘরকে উক্ত ফিতনা গ্রাস করে নিবে।
হযরত আবু হুরাইরা রাযিঃ বলেন একদিন রাসূলুল্লাহ সাঃ নিম্নের আয়াতটি তিলাওয়াত করেন।
----------------------- অর্থাৎ, তোমাদেরকে তিনি দলে উপদলে বিভক্ত করে পরস্পর মুখোমুখী দাড় করাবেন । (সূরা আনআম ৬৫)
এরপর রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, আমার উম্মতের মধ্যে চারটি ফিতনা প্রকাশ পাবে। প্রথম ফিতনা যখন দেখা দিবে, তখন মানুষকে হত্যা করা হালাল মনে করা হবে। দ্বিতীয় ফিতনা এমন আকার ধারন করবে, মানুষ অন্যকে হত্যা করা এবং অন্যের সম্পদ দখল করাকে বৈধ জানবে। তৃতীয় ফিত্নাকালীন হত্যা, ডাকাতি এবং ধর্ষণ ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থ ফিতনা হচ্ছে অন্ধকারাচ্ছন্ন অন্ধ ফিতনা, যা সমুদ্রের ঢেউয়ের বিস্তৃত হয়ে আছড়ে পড়বে। আরবের প্রত্যেক ঘরকে উক্ত ফিতনা গ্রাস করে নিবে।
2019-05-10 21:12:31 owntion@...
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে তোমাদের মাঝে চার ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে। এক. এমন ফিতনা যার মধ্যে লোকজন মানুষ হত্যা করাকে বৈধ মনে করবে।
দুই. মানুষ হত্যা এবং অন্যের সম্পদকে হালাল মনে করা হবে।
তিন. এমন ফিতনা যার মধ্যে মানুষ হত্যাকরা অন্যের সম্পদ দখল করা এবং বিনা-ব্যভিচারকে বৈধ মনে করা হবে।
চার. অন্ধ-বধিরের ফিতনা, যা ব্যাপক আকার ধারন করবে। সমুদ্রের ঢেউয়ের তীব্রভাবে আসতে থাকবে। কেউ তার থেকে মুক্তির কোনো উপায় খুজে পাবে না। যে ফিতনা শাম দেশকে অবরুদ্ধ করে রাখবে এবং ইরাকেও গ্রাস করবে। উক্ত ফিতনার হাত-পা দ্বারা জাযিরাতুন আরবকে শড়াতে থাকবে। তখন বিভিন্ন ধরনের বালা-মসিবত মানুষের শরীরের সাথে এমনভাবে মিশ্রিত হয়ে যাবে, যেমন চামড়া শরীরের সাথে মিশে যায়। এহেন পরিস্থিতিতে উক্ত ফিতনা প্রতিরোধ করার মত শক্তি কারো থাকবেনা। অতঃপর উক্ত ফিতনা সম্বন্ধে পরিপূর্ণ অবগত হওয়ার পূর্বেই ঝড়ের গতিতে চূর্ণবিচূর্ণ করে অন্যদিকে বের হয়ে যাবে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে তোমাদের মাঝে চার ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে। এক. এমন ফিতনা যার মধ্যে লোকজন মানুষ হত্যা করাকে বৈধ মনে করবে।
দুই. মানুষ হত্যা এবং অন্যের সম্পদকে হালাল মনে করা হবে।
তিন. এমন ফিতনা যার মধ্যে মানুষ হত্যাকরা অন্যের সম্পদ দখল করা এবং বিনা-ব্যভিচারকে বৈধ মনে করা হবে।
চার. অন্ধ-বধিরের ফিতনা, যা ব্যাপক আকার ধারন করবে। সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো তীব্রভাবে আসতে থাকবে। কেউ তার থেকে মুক্তির কোনো উপায় খুজে পাবে না। যে ফিতনা শাম দেশকে অবরুদ্ধ করে রাখবে এবং ইরাকেও গ্রাস করবে। উক্ত ফিতনার হাত-পা দ্বারা জাযিরাতুন আরবকে শড়াতে থাকবে। তখন বিভিন্ন ধরনের বালা-মসিবত মানুষের শরীরের সাথে এমনভাবে মিশ্রিত হয়ে যাবে, যেমন চামড়া শরীরের সাথে মিশে যায়। এহেন পরিস্থিতিতে উক্ত ফিতনা প্রতিরোধ করার মত শক্তি কারো থাকবেনা। অতঃপর উক্ত ফিতনা সম্বন্ধে পরিপূর্ণ অবগত হওয়ার পূর্বেই ঝড়ের গতিতে চূর্ণবিচূর্ণ করে অন্যদিকে বের হয়ে যাবে।
2019-05-10 21:10:59 owntion@...
হযরত আলী রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এ উম্মতের জন্য পাঁচ প্রকার ফিৎনা নির্ধারন করা হয়েছে, যার মধ্যে একটি হচ্ছে, সর্বদা অন্ধ,বধির হিসেবে থাকার ফিৎনা।
হযরত আলী রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এ উম্মতের জন্য পাঁচ প্রকার ফিৎনা নির্ধারন করা হয়েছে, যার মধ্যে একটি হচ্ছে, সর্বদা অন্ধ, বধির হিসেবে থাকার ফিৎনা।
2019-05-10 20:53:26 owntion@...
হযরত আওফ ইবনে মালেক আশজারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) আমাকে বললেন, হে আওফা কিয়ামতের পূর্বের ছয়টি নির্দেশনকে তুমি গণনা করে রাখ। (১) আমার ওফাত। (হযরত আওফ বলেন) একথা আমাকে কাদিয়ে দিল। তখন রাসূল (সাঃ) আমাকে চুপ করিয়ে দিলেন। অতঃপর রাসূল (সাঃ) বললেন বলো এক, (২) বায়তুল মুকাদ্দস বিজয়, (রাসূল (সাঃ) বললেন বলো দুই। (৩) ব্যাপক মহামারী যা আমার উম্মতের মধ্যে বকরির মাড়কের ন্যায় দেখা দিবে। (রাসূল (সাঃ) বললেন) বলো তিন। (৪) আমার উম্মতের মধ্যে ফিতনা সংঘটিত হবে এবং বিরাট আকার ধারন করবে। (রাসূল সাঃ বললেন) বলো চার। (৫) তোমাদের মধ্যে ধন সম্পদের এত প্রাচুর্য হবে যে, কোন ব্যক্তিকে একশত দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) প্রদান করলেও সে (এটাকে নগন্য মনে করে) অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবে। (রাসূল সাঃ বললেন) বলো পাঁচ। (৬) বনুল আসফার (রোমবা) দের সাথে তোমাদের একটি সন্ধিচুক্তি হবে। অতঃপর তারা তোমাদের নিকট গিয়ে তোমাদেরকে হত্যা করবে এবং মুসলমানরা তখন এমন ভূমিতে থাকবে যাকে মদীনার নিম্নাঞ্চল বলা হয় এবং তাকে দামেস্ক (নগরী) ও বলা হয় (যা সিরিয়ার রাজধানী)।
হযরত আওফ ইবনে মালেক আশজারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) আমাকে বললেন, হে আওফা কিয়ামতের পূর্বের ছয়টি নির্দেশনকে তুমি গণনা করে রাখ। (১) আমার ওফাত। (হযরত আওফ বলেন) একথা আমাকে কাঁঁদিয়ে দিল। তখন রাসূল (সাঃ) আমাকে চুপ করিয়ে দিলেন। অতঃপর রাসূল (সাঃ) বললেন বলো এক, (২) বায়তুল মুকাদ্দস বিজয়, (রাসূল (সাঃ) বললেন) বলো দুই। (৩) ব্যাপক মহামারী যা আমার উম্মতের মধ্যে বকরির মাড়কের ন্যায় দেখা দিবে। (রাসূল (সাঃ) বললেন) বলো তিন। (৪) আমার উম্মতের মধ্যে ফিতনা সংঘটিত হবে এবং বিরাট আকার ধারন করবে। (রাসূল সাঃ বললেন) বলো চার। (৫) তোমাদের মধ্যে ধন সম্পদের এত প্রাচুর্য হবে যে, কোন ব্যক্তিকে একশত দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) প্রদান করলেও সে (এটাকে নগন্য মনে করে) অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবে। (রাসূল সাঃ বললেন) বলো পাঁচ। (৬) বনুল আসফার (রোমবা) দের সাথে তোমাদের একটি সন্ধিচুক্তি হবে। অতঃপর তারা তোমাদের নিকট গিয়ে তোমাদেরকে হত্যা করবে এবং মুসলমানরা তখন এমন ভূমিতে থাকবে যাকে মদীনার নিম্নাঞ্চল বলা হয় এবং তাকে দামেস্ক (নগরী) ও বলা হয় (যা সিরিয়ার রাজধানী)।
2019-05-10 20:49:00 owntion@...

Execution time: 0.16 render + 0.01 s transfer.