Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
ওলীদ রহঃ কা’ব রহঃ হতে বর্ননা করেন,তিনি বলেন,হযরত মাহদি আঃ এর আগমনের পূর্বে পূর্বাকাশে জুলফি বিশিষ্ট একটি তাঁরকা উদিত হবে।
তিনি বলেন আমি শরীফ রহঃ থেকে বর্ননা করেছি,তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌছেছে,হযরত মাহদি আঃ এর আগমনের পূর্বে রমাযান মাসে মোট দুইবার সূর্য গ্রহন হবে।
ওলীদ রহঃ কা’ব রহঃ হতে বর্ননা করেন,তিনি বলেন,হযরত মাহদি আঃ এর আগমনের পূর্বে পূর্বাকাশে জুলফি বিশিষ্ট একটি তাঁরকা উদিত হবে।
তিনি বলেন আমি শরীফ রহঃ থেকে বর্ননা করেছি,তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌছেছে,হযরত মাহদি আঃ এর আগমনের পূর্বে রমাযান মাসে মোট দুইবার সূর্য গ্রহন হবে।
2019-10-23 18:39:35 @103.93.90.234
হযরত উমাইল আবনে হানী থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন যখন মানুষ দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যাবে, একটি প্রুপ এমন হবে যে, তারা আমানত আদায় করবে তাদের মধ্যে মুনাফেকী থাকবে না। আরকে গ্রুপ এমন হবে যে, তারা মুনাফেকী করবে, আমানত আদায় করবে না। অতপর যখন তারা উভয় গ্রুপ একত্র হয়ে যাবে, তখন তুমি ঐদিনই বা পরের দিন দাজ্জালকে দেখ। (দাজ্জালের অবির্ভাব হবে।)
হযরত উমাইল আবনে হানী থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন যখন মানুষ দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যাবে, একটি প্রুপ এমন হবে যে, তারা আমানত আদায় করবে তাদের মধ্যে মুনাফেকী থাকবে না। আরকে গ্রুপ এমন হবে যে, তারা মুনাফেকী করবে, আমানত আদায় করবে না। অতপর যখন তারা উভয় গ্রুপ একত্র হয়ে যাবে, তখন তুমি ঐদিনই বা পরের দিন দাজ্জালকে দেখ। (দাজ্জালের অবির্ভাব হবে।)
2019-10-22 11:00:06 @37.111.232.113
হযরত উমাইল আবনে হানী থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন যখন মানুষ দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যাবে, একটি প্রুপ এমন হবে যে, তারা আমানত আদায় করবে তাদের মধ্যে মুনাফেকী থাকবে না। আরকে গ্রুপ এমন হবে যে, তারা মুনাফেকী করবে, আমানত আদায় করবে না। অতপর যখন তারা উভয় গ্রুপ একত্র হয়ে যাবে, তখন তুমি ঐদিনই বা পরের দিন দাজ্জালকে দেখ। (দাজ্জালের অবির্ভাব হবে।)
হযরত উমাইল আবনে হানী থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন যখন মানুষ দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যাবে, একটি প্রুপ এমন হবে যে, তারা আমানত আদায় করবে তাদের মধ্যে মুনাফেকী থাকবে না। আরকে গ্রুপ এমন হবে যে, তারা মুনাফেকী করবে, আমানত আদায় করবে না। অতপর যখন তারা উভয় গ্রুপ একত্র হয়ে যাবে, তখন তুমি ঐদিনই বা পরের দিন দাজ্জালকে দেখ। (দাজ্জালের অবির্ভাব হবে।)
2019-10-22 11:00:06 @37.111.232.113
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেনÑ সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেন সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
2019-10-21 15:57:55 @103.84.158.220
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেনÑ সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেন সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
2019-10-21 15:57:52 @103.84.158.220
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয় ফিৎনা আল্লাহর শহরগুলোতে এমনভাবে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকবে তার লাগামকে সাড়ানো হবে। কারো জন্য তাকে জাগ্রত করা জায়েয হবেনা। ধ্বংস ঐসব ব্যক্তির জন্য যারা তার লাগাম ধরে টানাটানি করবে।
আবুয্ জাহিরিয়্যাহ বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ বলেন, নিঃসন্দেহে তোমরা এ জগতে নানান ধরনের বালা-মসিবত এবং ফিৎনা-ফাসাদই দেখতে পাবে। ধীরে ধীরে মানুষের যাবতীয় অবস্থা কঠিনই হতে থাকবে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয় ফিৎনা আল্লাহর শহরগুলোতে এমনভাবে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকবেদদদদতার লাগামকে সাড়ানো হবে। কারো জন্য তাকে জাগ্রত করা জায়েয হবেনা। ধ্বংস ঐসব ব্যক্তির জন্য যারা তার লাগাম ধরে টানাটানি করবে।
আবুয্ জাহিরিয়্যাহ বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ বলেন, নিঃসন্দেহে তোমরা এ জগতে নানান ধরনের বালা-মসিবত এবং ফিৎনা-ফাসাদই দেখতে পাবে। ধীরে ধীরে মানুষের যাবতীয় অবস্থা কঠিনই হতে থাকবে।
2019-10-12 09:31:28 @2402:8100:3806:738:4e6:c216:c3ec:3dd8
হযরত হুজায়ফা রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি একদিন আমেরকে বললেন, হে আমের! তুমি যা অবলোকন করছ যেগুলো যেন তোমাকে ধোকায় ফেলে না দেয়, হতে পারে এগুলো খুব দ্রুত তাদেরকে তাদের দ্বীন থেকে বের করে আনবে। যেমন,এক মহিলা অন্য মহিলার সামনে তার লজ্জাস্থানকে প্রকাশ করে থাকে।
হযরত হুজায়ফা রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি একদিন আমেরকে বললেন, হে আমের! তুমি যা অবলোকন করছ সেগুলো যেন তোমাকে ধোকায় ফেলে না দেয়, হতে পারে এগুলো খুব দ্রুত তাদেরকে তাদের দ্বীন থেকে বের করে আনবে। যেমন,এক মহিলা অন্য মহিলার সামনে তার লজ্জাস্থানকে প্রকাশ করে থাকে।
2019-10-11 14:49:11 @180.200.238.102
হযরত আবুল জিল্দ জিলান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় মুসলমানরা বিপদে আপতিত হবে পর মানুষ তাদের চতুর্দিকে ঘোরাঘুরি করতে থাকবে। ফলে মুসলমান কষ্টের কারণে ইহুদী ও খৃষ্টান হয়ে প্রত্যাবর্তন করবে।
হযরত আবুল জিল্দ জিলান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় মুসলমানরা বিপদে আপতিত হবার পর মানুষ তাদের চতুর্দিকে ঘোরাঘুরি করতে থাকবে। ফলে মুসলমান কষ্টের কারণে ইহুদী ও খৃষ্টান হয়ে প্রত্যাবর্তন করবে।
2019-10-11 14:46:50 @180.200.238.102
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2019-10-11 14:41:57 @180.200.238.102
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2019-10-11 14:41:18 @180.200.238.102
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2019-10-11 14:41:10 @180.200.238.102
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2019-10-11 14:40:57 @180.200.238.102
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2019-10-11 14:39:24 @180.200.238.102
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2019-10-11 14:38:56 @180.200.238.102
হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট কল্যাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করত। আর আমি ক্ষতিকর বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম এই ভয়ে যেন আমি তাতে লিপ্ত না হই। হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা এক সময় মুর্খতা ও মন্দের মধ্যে নিমজ্জিত ছিলাম অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে এই কল্যাণ (অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম) দান করেন। তবে কি কল্যাণের পর পুনরায় অকল্যাণ (ফিতনা-ফাসাদ) আসবে? রাসূল (সাঃ) বললেন হ্যাঁ, আসবে। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম সেই অকল্যাণের পরে কি আবার কল্যাণ আসবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ আসবে। তবে তা হবে ধোঁয়াযুক্ত। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সেই ধোঁয়া কি প্রকৃতির? তিনি বললেন, লোকেরা আমার সুন্নত বর্জন করে অন্য তরিকা গ্রহণ করবে এবং আমার পথ ছেড়ে লোকদেরকে অন্য পথে পরিচালিত করবে। তখন তুমি তাদের মধ্যে ভাল কাজও দেখতে পাবে এবং দেখতে পাবে মন্দ কাজও। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, সেই কল্যাণের পরও কি অকল্যাণ আসবে? তিনি বললেন হ্যাঁ, দোজখের দ্বারে দাঁড়িয়ে কতিপয় আহ্বানকারী লোকদেরকে সেই দিকে আহ্বান করবে। যারা তাদের আহ্বানে সাড়া দেবে তাদেরকে তারা জাহান্নামে নিক্ষেপ করে ছাড়বে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে তাদের পরিচয় জানিয়ে দিন। তিনি বললেন, তারা আমাদের মতোই মানুষ হবে এবং আমাদের ভাষায় কথা বলবে।
হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট কল্যাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করত। আর আমি ক্ষতিকর বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম এই ভয়ে যেন আমি তাতে লিপ্ত না হই। হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা এক সময় মুর্খতা ও মন্দের মধ্যে নিমজ্জিত ছিলাম অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে এই কল্যাণ (অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম) দান করেন। তবে কি কল্যাণের পর পুনরায় অকল্যাণ (ফিতনা-ফাসাদ) আসবে? রাসূল (সাঃ) বললেন হ্যাঁ, আসবে। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম সেই অকল্যাণের পরে কি আবার কল্যাণ আসবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ আসবে। তবে তা হবে ধোঁয়াযুক্ত। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সেই ধোঁয়া কি প্রকৃতির? তিনি বললেন, লোকেরা আমার সুন্নত বর্জন করে অন্য তরিকা গ্রহণ করবে এবং আমার পথ ছেড়ে লোকদেরকে অন্য পথে পরিচালিত করবে। তখন তুমি তাদের মধ্যে ভাল কাজও দেখতে পাবে এবং দেখতে পাবে মন্দ কাজও। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, সেই কল্যাণের পরও কি অকল্যাণ আসবে? তিনি বললেন হ্যাঁ, দোজখের দ্বারে দাঁড়িয়ে ককতিপয় আহ্বানকারী লোকদেরকে সেই দিকে আহ্বান করবে। যারা তাদের আহ্বানে সাড়া দেবে তাদেরকে তারা জাহান্নামে নিক্ষেপ করে ছাড়বে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে তাদের পরিচয় জানিয়ে দিন। তিনি বললেন, তারা আমাদের মতোই মানুষ হবে এবং আমাদের ভাষায় কথা বলবে।
2019-10-11 14:35:51 @180.200.238.102
হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম মাহদী কি হক বা সত্য? তিনি উত্তরে বললেন হক বা সত্য। তিনি বলেন আমি বললাম সে কাদের থেকে হবে? তিনি উত্তরে বললেন কুরাইশ থেকে। আমি বললাম কুরাইশের কোন শাখা হতে? তিনি উত্তরে বললেন বনী হাশেম হতে। আমি বললাম বনী হাশেমের কোন শাখা হতে? উত্তরে তিনি বলেন বনী আব্দুল মুত্তালিব হতে। আমি বললাম কোন আব্দুল মুত্তালিব হতে? উত্তরে তিনি বললেন ফাতেমা রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধর হতে।
হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম মাহদী কি হক বা সত্য? তিনি উত্তরে বললেন হক বা সত্য। তিনি বলেন আমি বললাম সে কাদের থেকে হবে? তিনি উত্তরে বললেন কুরাইশ থেকে। আমি বললাম কুরাইশের কোন শাখা হতে? তিনি উত্তরে বললেন বনী হাশেম হতে। আমি বললাম বনী হাশেমের কোন শাখা হতে? উত্তরে তিনি বলেন বনী আব্দুল মুত্তালিব হতে। আমি বললাম কোন আব্দুল মুত্তালিব হতে? উত্তরে তিনি বললেন ফাতেমা রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধর হতে।নঝঝঙঝঝজটছতপপঙঝঝজজজ
2019-10-11 14:13:06 @103.96.235.146
হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম মাহদী কি হক বা সত্য? তিনি উত্তরে বললেন হক বা সত্য। তিনি বলেন আমি বললাম সে কাদের থেকে হবে? তিনি উত্তরে বললেন কুরাইশ থেকে। আমি বললাম কুরাইশের কোন শাখা হতে? তিনি উত্তরে বললেন বনী হাশেম হতে। আমি বললাম বনী হাশেমের কোন শাখা হতে? উত্তরে তিনি বলেন বনী আব্দুল মুত্তালিব হতে। আমি বললাম কোন আব্দুল মুত্তালিব হতে? উত্তরে তিনি বললেন ফাতেমা রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধর হতে।
হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম মাহদী কি হক বা সত্য? তিনি উত্তরে বললেন হক বা সত্য। তিনি বলেন আমি বললাম সে কাদের থেকে হবে? তিনি উত্তরে বললেন কুরাইশ থেকে। আমি বললাম কুরাইশের কোন শাখা হতে? তিনি উত্তরে বললেন বনী হাশেম হতে। আমি বললাম বনী হাশেমের কোন শাখা হতে? উত্তরে তিনি বলেন বনী আব্দুল মুত্তালিব হতে। আমি বললাম কোন আব্দুল মুত্তালিব হতে? উত্তরে তিনি বললেন ফাতেমা রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধর হতে।নঝঝঙঝঝজটছতপপঙঝঝজজজ
2019-10-11 14:13:05 @103.96.235.146
হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম মাহদী কি হক বা সত্য? তিনি উত্তরে বললেন হক বা সত্য। তিনি বলেন আমি বললাম সে কাদের থেকে হবে? তিনি উত্তরে বললেন কুরাইশ থেকে। আমি বললাম কুরাইশের কোন শাখা হতে? তিনি উত্তরে বললেন বনী হাশেম হতে। আমি বললাম বনী হাশেমের কোন শাখা হতে? উত্তরে তিনি বলেন বনী আব্দুল মুত্তালিব হতে। আমি বললাম কোন আব্দুল মুত্তালিব হতে? উত্তরে তিনি বললেন ফাতেমা রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধর হতে।
হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম মাহদী কি হক বা সত্য? তিনি উত্তরে বললেন হক বা সত্য। তিনি বলেন আমি বললাম সে কাদের থেকে হবে? তিনি উত্তরে বললেন কুরাইশ থেকে। আমি বললাম কুরাইশের কোন শাখা হতে? তিনি উত্তরে বললেন বনী হাশেম হতে। আমি বললাম বনী হাশেমের কোন শাখা হতে? উত্তরে তিনি বলেন বনী আব্দুল মুত্তালিব হতে। আমি বললাম কোন আব্দুল মুত্তালিব হতে? উত্তরে তিনি বললেন ফাতেমা রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধর হতে।নঝঝঙঝঝজটছতপপঙঝঝজজজ
2019-10-11 14:13:04 @103.96.235.146
হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম মাহদী কি হক বা সত্য? তিনি উত্তরে বললেন হক বা সত্য। তিনি বলেন আমি বললাম সে কাদের থেকে হবে? তিনি উত্তরে বললেন কুরাইশ থেকে। আমি বললাম কুরাইশের কোন শাখা হতে? তিনি উত্তরে বললেন বনী হাশেম হতে। আমি বললাম বনী হাশেমের কোন শাখা হতে? উত্তরে তিনি বলেন বনী আব্দুল মুত্তালিব হতে। আমি বললাম কোন আব্দুল মুত্তালিব হতে? উত্তরে তিনি বললেন ফাতেমা রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধর হতে।
হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম মাহদী কি হক বা সত্য? তিনি উত্তরে বললেন হক বা সত্য। তিনি বলেন আমি বললাম সে কাদের থেকে হবে? তিনি উত্তরে বললেন কুরাইশ থেকে। আমি বললাম কুরাইশের কোন শাখা হতে? তিনি উত্তরে বললেন বনী হাশেম হতে। আমি বললাম বনী হাশেমের কোন শাখা হতে? উত্তরে তিনি বলেন বনী আব্দুল মুত্তালিব হতে। আমি বললাম কোন আব্দুল মুত্তালিব হতে? উত্তরে তিনি বললেন ফাতেমা রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধর হতে।জঝঝচজজজজটঝ
2019-10-11 14:02:15 @103.96.235.146
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত যু মিখবার রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব মূলতঃ হিমইয়ারবাসীদের কাছে ছিল, আল্লাহ তাআলা তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে কুরাইশদের হাতে অর্পণ করেছেন। অতিসত্ত্বর আবার তাদের কাছে ফিরে যাবে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত যু মিখবার রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব মূলতঃ হিমইয়ারবাসীদের কাছে ছিল, আল্লাহ তাআলা তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে কুরাইশদের হাতে অর্পণ করেছেন। অতিসত্ত্বর আবার তাদের কাছে ফিরে যাবে।জঝটঠ
2019-10-11 10:25:58 @103.96.235.146
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত সাফওয়ান ইবনে আমর রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ণনা করেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, আমার উম্মতের একদল লোক ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে এবং আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে বিজয়ী করবেন। এক পর্যায়ে তারা ভারতের সম্রাটকে শিকল দিয়ে বেঁধে নিয়ে আসবে। আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দিবেন এবং তারা শামের দিকে ফিরে যাবে। অতঃপর শাম দেশে হযরত ঈসা আঃ কে পেয়ে যাবে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত সাফওয়ান ইবনে আমর রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ণনা করেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, আমার উম্মতের একদল লোক ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে এবং আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে বিজয়ী করবেন। এক পর্যায়ে তারা ভারতের সম্রাটকে শিকল দিয়ে বেঁধে নিয়ে আসবে। আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দিবেন এবং তারা শামের দিকে ফিরে যাবে। অতঃপর শাম দেশে হযরত ঈসা আঃ কে পেয়ে যাবে। মুস্তাদরকে হাকিম ৩/৫১৪
2019-09-30 04:21:00 @45.252.53.18
হযরত শাফী বিন উবাইদ আল আসবাহী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ইস্কান্দরিয়ার দুটি যুদ্ধ রয়েছে। তন্মধ্যে এবটি বড় আরেকটি ছোট। সুতরাং বড়টি হলো মিনারার থেকে সমুদ্র এক বারিদ বা দুই বারিদ দূর হয়ে যাবে। অতপর যিলকর নাইনের গূচ্ছ সম্পদ বের হবে। তার গূচ্ছ সম্পদের নয়টি পূর্বে পশ্চিমে থাকবে।
হযরত শাফী বিন উবাইদ আল আসবাহী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ইস্কান্দরিয়ার দুটি যুদ্ধ রয়েছে। তন্মধ্যে একটি বড় আরেকটি ছোট। সুতরাং বড়টি হলো মিনারার থেকে সমুদ্র এক বারিদ বা দুই বারিদ দূর হয়ে যাবে। অতপর যুলকার নাইনের গূচ্ছ সম্পদ বের হবে। তার গূচ্ছ সম্পদের নয়টি পূর্বে পশ্চিমে থাকবে।
2019-09-28 16:56:07 @103.214.81.117
হযরত আমর ইবনুল আস রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি একবার ইসকান্দারিয়ায় ছিলেন। অতপর তাকে বলা হলো কতগুলো নৌকা দেখা যাচ্ছে। অতপর লেকজন ভীত সন্ত্রস্ত হলো। অতপর আমর ইবনুল আস রাযিয়াল্লাহু আনহু বরলেন তোমরা খোপা বাধো (তৈরী হও)। অতপর বরলেন কোন দিক থেকে দেখা যাচ্ছে? লোকজন বলল মিনারার দিক থেকে। অতপর তিনি বললেন নিশ্চিন্ত থাকো। আমার ভয় পশ্চিম দিক থেকে আসাকে।
হযরত আমর ইবনুল আস রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি একবার ইসকান্দারিয়ায় ছিলেন। অতপর তাকে বলা হলো কতগুলো নৌকা দেখা যাচ্ছে। অতপর লেfকজন ভীত সন্ত্রস্ত হলো। অতপর আমর ইবনুল আস রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন তোমরা খোপা বাধো (তৈরী হও)। অতপর বললেন কোন দিক থেকে দেখা যাচ্ছে? লোকজন বলল মিনারার দিক থেকে। অতপর তিনি বললেন নিশ্চিন্ত থাকো। আমার ভয় পশ্চিম দিক থেকে আসাকে।
2019-09-28 16:54:08 @103.214.81.117
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ একদা ভারতে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ‘তোমাদের পক্ষ থেকে একদল সৈন্য ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে আল্লাহ তা’আলা ভারতের বিপক্ষে তোমাদেরকে জয়লাভ করাবেন। তাদের সম্রাটকে শিকল দ্বারা বেধে বায়তুল মোকাদ্দাসে নিয়ে আসা হবে। তবে আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। এরপর তারা পূনরায় ভারতে ফিরে গিয়ে শাসনক্ষমতা চালাতে থাকবে এবং এ অবস্থায় হযরত ঈসা আঃ এর আগমন হবে। হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনার পর বলেন, আমি যদি ভারতের সেই যুদ্ধ পায় তাহলে আমি আমার যাবতীয় সম্পদ বিক্রি করে রসদাপত্র সংগ্রহ করার পর উক্ত যুদ্ধে শরীক হব। অতঃপর আল্লাহর সাহায্যে জয়লাভ করার পর আমি আযাদ আবু হুরায়রা হিসেবে ফিরে আসতাম। শাম নগরীতে আসার পর ঈসা ইবনে মারইয়াম আঃ এর সাক্ষাৎ যদি পেয়ে যেতাম তাহলে তার নিকটবর্তী হয়ে বলে দিতাম, আমি কিন্তু আপনার সান্নিধ্যার্জন করতে পেরেছি হে আল্লাহর রাসূল। হযরত আবু হুরায়ারার কথাটি শুনে রাসূলুল্লাহ সাঃ প্রথমে মুচকি হাসলেও পরে কিন্তু হেসে দিয়ে বললেন, ভালো ভালো।
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ একদা ভারতে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ‘তোমাদের পক্ষ থেকে একদল সৈন্য ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে আল্লাহ তা’আলা ভারতের বিপক্ষে তোমাদেরকে জয়লাভ করাবেন। তাদের সম্রাটকে শিকল দ্বারা বেধে বায়তুল মোকাদ্দাসে নিয়ে আসা হবে। তবে আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। এরপর তারা পূনরায় ভারতে ফিরে গিয়ে শাসনক্ষমতা চালাতে থাকবে এবং এ অবস্থায় হযরত ঈসা আঃ এর আগমন হবে। হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনার পর বলেন, আমি যদি ভারতের সেই যুদ্ধ পায় তাহলে আমি আমার যাবতীয় সম্পদ বিক্রি করে রসদপত্র সংগ্রহ করার পর উক্ত যুদ্ধে শরীক হব। অতঃপর আল্লাহর সাহায্যে জয়লাভ করার পর আমি আযাদ আবু হুরায়রা হিসেবে ফিরে আসতাম। শাম নগরীতে আসার পর ঈসা ইবনে মারইয়াম আঃ এর সাক্ষাৎ যদি পেয়ে যেতাম তাহলে তার নিকটবর্তী হয়ে বলে দিতাম, আমি কিন্তু আপনার সান্নিধ্যার্জন করতে পেরেছি হে আল্লাহর রাসূল। হযরত আবু হুরায়রার কথাটি শুনে রাসূলুল্লাহ সাঃ প্রথমে মুচকি হাসলেও পরে কিন্তু হেসে দিয়ে বললেন, ভালো ভালো।
2019-09-28 16:52:15 @103.214.81.117
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ একদা ভারতে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ‘তোমাদের পক্ষ থেকে একদল সৈন্য ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে আল্লাহ তা’আলা ভারতের বিপক্ষে তোমাদেরকে জয়লাভ করাবেন। তাদের সম্রাটকে শিকল দ্বারা বেধে বায়তুল মোকাদ্দাসে নিয়ে আসা হবে। তবে আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। এরপর তারা পূনরায় ভারতে ফিরে গিয়ে শাসনক্ষমতা চালাতে থাকবে এবং এ অবস্থায় হযরত ঈসা আঃ এর আগমন হবে। হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনার পর বলেন, আমি যদি ভারতের সেই যুদ্ধ পায় তাহলে আমি আমার যাবতীয় সম্পদ বিক্রি করে রসদাপত্র সংগ্রহ করার পর উক্ত যুদ্ধে শরীক হব। অতঃপর আল্লাহর সাহায্যে জয়লাভ করার পর আমি আযাদ আবু হুরায়রা হিসেবে ফিরে আসতাম। শাম নগরীতে আসার পর ঈসা ইবনে মারইয়াম আঃ এর সাক্ষাৎ যদি পেয়ে যেতাম তাহলে তার নিকটবর্তী হয়ে বলে দিতাম, আমি কিন্তু আপনার সান্নিধ্যার্জন করতে পেরেছি হে আল্লাহর রাসূল। হযরত আবু হুরায়ারার কথাটি শুনে রাসূলুল্লাহ সাঃ প্রথমে মুচকি হাসলেও পরে কিন্তু হেসে দিয়ে বললেন, ভালো ভালো।
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ একদা ভারতে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ‘তোমাদের পক্ষ থেকে একদল সৈন্য ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে আল্লাহ তা’আলা ভারতের বিপক্ষে তোমাদেরকে জয়লাভ করাবেন। তাদের সম্রাটকে শিকল দ্বারা বেধে বায়তুল মোকাদ্দাসে নিয়ে আসা হবে। তবে আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। এরপর তারা পূনরায় ভারতে ফিরে গিয়ে শাসনক্ষমতা চালাতে থাকবে এবং এ অবস্থায় হযরত ঈসা আঃ এর আগমন হবে। হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনার পর বলেন, আমি যদি ভারতের সেই যুদ্ধ পায় তাহলে আমি আমার যাবতীয় সম্পদ বিক্রি করে রসদপত্র সংগ্রহ করার পর উক্ত যুদ্ধে শরীক হব। অতঃপর আল্লাহর সাহায্যে জয়লাভ করার পর আমি আযাদ আবু হুরায়রা হিসেবে ফিরে আসতাম। শাম নগরীতে আসার পর ঈসা ইবনে মারইয়াম আঃ এর সাক্ষাৎ যদি পেয়ে যেতাম তাহলে তার নিকটবর্তী হয়ে বলে দিতাম, আমি কিন্তু আপনার সান্নিধ্যার্জন করতে পেরেছি হে আল্লাহর রাসূল। হযরত আবু হুরায়রার কথাটি শুনে রাসূলুল্লাহ সাঃ প্রথমে মুচকি হাসলেও পরে কিন্তু হেসে দিয়ে বললেন, ভালো ভালো।
2019-09-28 16:52:15 @103.214.81.117
হযরত আবু জা’ফর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্র্ণিত যে, তিনি বলেন অতপর ঈসার সময় মক্কায় মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবে। আর তার সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ঝান্ডা. তার জামা ও তার তরবারী থাকবে। (তার সাথে) নিদর্শন সমূহ, নূর বা আলো, বয়ান বা প্রকাশ্য আলামত থাকবে। অতপর যখন তিনি ঈসার নামাজ আদায় করবেন। তখন তার উচ্চ স্বর দ্বারা আওয়াজ করে সম্বোধন করে বলবেন- হে মানুষ সকল! আমি তোমাদের নিকট আল্লাহ তা’আলার আলোচনা করছি। এবং তোমাদের প্রভূর সামনে তোমাদের অবস্থান বর্ণনা করছি। আর তিনি হুজ্জত বা দলীল গ্রহন করেছেন। নবীগণ প্রেরণ করেছেন। কিতান অবতীর্ণ করেছেন। আর তোমদের এমর্মে আদেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তার সাথে কোন কিছুর শরীক বা অংশীদারিত্ব করিও না। আর তোমরা তার অনুগত্য তার তার রাসূলের অনুগত্যতা সর্বদা সংরক্ষণ করবে। কুরআন যা জীবিত করেছে তা তোমরা জীবিত করবে। আর কুরআন যা মৃত করেছে তা তোমরা মৃত করবে। আর তোমরা হেদায়াতের সাহায্যকারী হবে। আর তাকওয়া বা খোদা ভীতির সংরক্ষণকারী হবে। কেননা দুনিয়ার পতন ও ধ্বংস অতি নিকটবর্তী। আর পৃথীবিকে বিদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুতরাং আমি তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলা ও তার রাসূলের প্রতি, কিতাব অনুযায়ী আমল করার প্রতি. বাতিলকে ধ্বংস করার প্রতি, তার সুন্নাতকে জীবিত করার প্রতি আহবান করছি। অতপর তিনশত তেরো জন পুরুষ প্রকাশ পাবে। যা বদর যুদ্ধের সাহাবীদের পরিমান। অনির্দিষ্ট ভাবে শরৎকালের আওয়াজের ন্যায়। রাতের রুহবান তথা সন্ন্যাসীর ন্যায়। দিনের সিংহের ন্যায়। অতপর আল্লাহ তা’আলা মাহদী আলাইহিস সালামের জন্য হিজাজের ভূমি উন্মুক্ত করে দিবেন। বনি হাশেমের যারা কয়েদখানায় থাকবে তারা বের হতে চাইবে। আর কালো ঝান্ডাবাহী দল কূফায় অবস্থান নিবে। অতপর বাইয়াত গ্রহণের জন্য মাহদী আলাইহিস সালামের নিকট প্রতিনিধি প্রেরণ করবে। এবং মাহদী আলাইহিস সালাম তার সৈন্য দলকে দিকে দিকে পাঠাবেন। অন্যায় তার পরিবার সহ মারা যাবে। তার জন্য বাগান সোজা হয়ে দাড়ােেব। (শান্তি ফিরে আসবে।) আর আল্লাহা তা’আলা তার হাতে কুসতুনতুনিয়ার বিজয় দান করবেন।
হযরত আবু জা’ফর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্র্ণিত যে, তিনি বলেন অতপর ঈসার সময় মক্কায় মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবে। আর তার সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ঝান্ডা. তার জামা ও তার তরবারী থাকবে। (তার সাথে) নিদর্শন সমূহ, নূর বা আলো, বয়ান বা প্রকাশ্য আলামত থাকবে। অতপর যখন তিনি এশার নামাজ আদায় করবেন। তখন তার উচ্চ স্বর দ্বারা আওয়াজ করে সম্বোধন করে বলবেন- হে মানুষ সকল! আমি তোমাদের নিকট আল্লাহ তা’আলার আলোচনা করছি। এবং তোমাদের প্রভূর সামনে তোমাদের অবস্থান বর্ণনা করছি। আর তিনি হুজ্জত বা দলীল গ্রহন করেছেন। নবীগণ প্রেরণ করেছেন। কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। আর তোমাদের এমর্মে আদেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তার সাথে কোন কিছুর শরীক বা অংশীদারিত্ব করিও না। আর তোমরা তার অনুগত্য তার রাসূলের অনুগত্যতা সর্বদা সংরক্ষণ করবে। কুরআন যা জীবিত করেছে তা তোমরা জীবিত করবে। আর কুরআন যা মৃত করেছে তা তোমরা মৃত করবে। আর তোমরা হেদায়াতের সাহায্যকারী হবে। আর তাকওয়া বা খোদা ভীতির সংরক্ষণকারী হবে। কেননা দুনিয়ার পতন ও ধ্বংস অতি নিকটবর্তী। আর পৃথীবিকে বিদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুতরাং আমি তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলা ও তার রাসূলের প্রতি, কিতাব অনুযায়ী আমল করার প্রতি. বাতিলকে ধ্বংস করার প্রতি, তার সুন্নাতকে জীবিত করার প্রতি আহবান করছি। অতপর তিনশত তেরো জন পুরুষ প্রকাশ পাবে। যা বদর যুদ্ধের সাহাবীদের পরিমান। অনির্দিষ্ট ভাবে শরৎকালের আওয়াজের ন্যায়। রাতের রুহবান তথা সন্ন্যাসীর ন্যায়। দিনের সিংহের ন্যায়। অতপর আল্লাহ তা’আলা মাহদী আলাইহিস সালামের জন্য হিজাজের ভূমি উন্মুক্ত করে দিবেন। বনি হাশেমের যারা কয়েদখানায় থাকবে তারা বের হতে চাইবে। আর কালো ঝান্ডাবাহী দল কূফায় অবস্থান নিবে। অতপর বাইয়াত গ্রহণের জন্য মাহদী আলাইহিস সালামের নিকট প্রতিনিধি প্রেরণ করবে। এবং মাহদী আলাইহিস সালাম তার সৈন্য দলকে দিকে দিকে পাঠাবেন। অন্যায় তার পরিবার সহ মারা যাবে। তার জন্য বাগান সোজা হয়ে দাড়ােেব। (শান্তি ফিরে আসবে।) আর আল্লাহা তা’আলা তার হাতে কুসতুনতুনিয়ার বিজয় দান করবেন।
2019-09-28 15:04:56 @103.214.81.117
হযরত আবু জা’ফর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্র্ণিত যে, তিনি বলেন অতপর ঈসার সময় মক্কায় মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবে। আর তার সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ঝান্ডা. তার জামা ও তার তরবারী থাকবে। (তার সাথে) নিদর্শন সমূহ, নূর বা আলো, বয়ান বা প্রকাশ্য আলামত থাকবে। অতপর যখন তিনি ঈসার নামাজ আদায় করবেন। তখন তার উচ্চ স্বর দ্বারা আওয়াজ করে সম্বোধন করে বলবেন- হে মানুষ সকল! আমি তোমাদের নিকট আল্লাহ তা’আলার আলোচনা করছি। এবং তোমাদের প্রভূর সামনে তোমাদের অবস্থান বর্ণনা করছি। আর তিনি হুজ্জত বা দলীল গ্রহন করেছেন। নবীগণ প্রেরণ করেছেন। কিতান অবতীর্ণ করেছেন। আর তোমদের এমর্মে আদেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তার সাথে কোন কিছুর শরীক বা অংশীদারিত্ব করিও না। আর তোমরা তার অনুগত্য তার তার রাসূলের অনুগত্যতা সর্বদা সংরক্ষণ করবে। কুরআন যা জীবিত করেছে তা তোমরা জীবিত করবে। আর কুরআন যা মৃত করেছে তা তোমরা মৃত করবে। আর তোমরা হেদায়াতের সাহায্যকারী হবে। আর তাকওয়া বা খোদা ভীতির সংরক্ষণকারী হবে। কেননা দুনিয়ার পতন ও ধ্বংস অতি নিকটবর্তী। আর পৃথীবিকে বিদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুতরাং আমি তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলা ও তার রাসূলের প্রতি, কিতাব অনুযায়ী আমল করার প্রতি. বাতিলকে ধ্বংস করার প্রতি, তার সুন্নাতকে জীবিত করার প্রতি আহবান করছি। অতপর তিনশত তেরো জন পুরুষ প্রকাশ পাবে। যা বদর যুদ্ধের সাহাবীদের পরিমান। অনির্দিষ্ট ভাবে শরৎকালের আওয়াজের ন্যায়। রাতের রুহবান তথা সন্ন্যাসীর ন্যায়। দিনের সিংহের ন্যায়। অতপর আল্লাহ তা’আলা মাহদী আলাইহিস সালামের জন্য হিজাজের ভূমি উন্মুক্ত করে দিবেন। বনি হাশেমের যারা কয়েদখানায় থাকবে তারা বের হতে চাইবে। আর কালো ঝান্ডাবাহী দল কূফায় অবস্থান নিবে। অতপর বাইয়াত গ্রহণের জন্য মাহদী আলাইহিস সালামের নিকট প্রতিনিধি প্রেরণ করবে। এবং মাহদী আলাইহিস সালাম তার সৈন্য দলকে দিকে দিকে পাঠাবেন। অন্যায় তার পরিবার সহ মারা যাবে। তার জন্য বাগান সোজা হয়ে দাড়ােেব। (শান্তি ফিরে আসবে।) আর আল্লাহা তা’আলা তার হাতে কুসতুনতুনিয়ার বিজয় দান করবেন।
হযরত আবু জা’ফর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্র্ণিত যে, তিনি বলেন অতপর ঈসার সময় মক্কায় মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবে। আর তার সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ঝান্ডা. তার জামা ও তার তরবারী থাকবে। (তার সাথে) নিদর্শন সমূহ, নূর বা আলো, বয়ান বা প্রকাশ্য আলামত থাকবে। অতপর যখন তিনি এশার নামাজ আদায় করবেন। তখন তার উচ্চ স্বর দ্বারা আওয়াজ করে সম্বোধন করে বলবেন- হে মানুষ সকল! আমি তোমাদের নিকট আল্লাহ তা’আলার আলোচনা করছি। এবং তোমাদের প্রভূর সামনে তোমাদের অবস্থান বর্ণনা করছি। আর তিনি হুজ্জত বা দলীল গ্রহন করেছেন। নবীগণ প্রেরণ করেছেন। কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। আর তোমাদের এমর্মে আদেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তার সাথে কোন কিছুর শরীক বা অংশীদারিত্ব করিও না। আর তোমরা তার অনুগত্য তার রাসূলের অনুগত্যতা সর্বদা সংরক্ষণ করবে। কুরআন যা জীবিত করেছে তা তোমরা জীবিত করবে। আর কুরআন যা মৃত করেছে তা তোমরা মৃত করবে। আর তোমরা হেদায়াতের সাহায্যকারী হবে। আর তাকওয়া বা খোদা ভীতির সংরক্ষণকারী হবে। কেননা দুনিয়ার পতন ও ধ্বংস অতি নিকটবর্তী। আর পৃথীবিকে বিদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুতরাং আমি তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলা ও তার রাসূলের প্রতি, কিতাব অনুযায়ী আমল করার প্রতি. বাতিলকে ধ্বংস করার প্রতি, তার সুন্নাতকে জীবিত করার প্রতি আহবান করছি। অতপর তিনশত তেরো জন পুরুষ প্রকাশ পাবে। যা বদর যুদ্ধের সাহাবীদের পরিমান। অনির্দিষ্ট ভাবে শরৎকালের আওয়াজের ন্যায়। রাতের রুহবান তথা সন্ন্যাসীর ন্যায়। দিনের সিংহের ন্যায়। অতপর আল্লাহ তা’আলা মাহদী আলাইহিস সালামের জন্য হিজাজের ভূমি উন্মুক্ত করে দিবেন। বনি হাশেমের যারা কয়েদখানায় থাকবে তারা বের হতে চাইবে। আর কালো ঝান্ডাবাহী দল কূফায় অবস্থান নিবে। অতপর বাইয়াত গ্রহণের জন্য মাহদী আলাইহিস সালামের নিকট প্রতিনিধি প্রেরণ করবে। এবং মাহদী আলাইহিস সালাম তার সৈন্য দলকে দিকে দিকে পাঠাবেন। অন্যায় তার পরিবার সহ মারা যাবে। তার জন্য বাগান সোজা হয়ে দাড়ােেব। (শান্তি ফিরে আসবে।) আর আল্লাহা তা’আলা তার হাতে কুসতুনতুনিয়ার বিজয় দান করবেন।
2019-09-28 15:04:55 @103.214.81.117
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন্নি। কিন্তু একদিন রাসূল সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন।
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন্নি। কিন্তু একদিন রাসূল সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন
2019-09-21 22:46:46 @103.25.250.248
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন্নি। কিন্তু একদিন রাসূল সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন।
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন্নি। কিন্তু একদিন রাসূল সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন
2019-09-21 22:46:45 @103.25.250.248
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেনÑ সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেন সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
2019-09-20 15:21:43 @45.123.43.138
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেনÑ সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেন সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
2019-09-20 12:14:26 @103.25.249.244
হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন তার নিকট ইরাকের মানুষের দল ও সিরিয়ার সূফী-সাধকরা আসবে। অতপর তারা তার নিকট রুকুন ও মাকামের মাঝামাঝি স্থানে বাইয়াত গ্রহণ করবে। অতপর ইসলাম তার উটের ঘাড়ের সম্মুখভাগে সাক্ষাত করবে।

হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন তার নিকট ইরাকের মানুষের দল ও সিরিয়ার সূফী-সাধকরা আসবে। অতপর তারা তার নিকট রুকুন ও মাকামের মাঝামাঝি স্থানে বাইয়াত গ্রহণ করবে। অতপর ইসলাম তার উটের ঘাড়ের সম্মুখভাগে সাক্ষাত করবে।

2019-09-19 11:24:46 @116.58.202.222
হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন তার নিকট ইরাকের মানুষের দল ও সিরিয়ার সূফী-সাধকরা আসবে। অতপর তারা তার নিকট রুকুন ও মাকামের মাঝামাঝি স্থানে বাইয়াত গ্রহণ করবে। অতপর ইসলাম তার উটের ঘাড়ের সম্মুখভাগে সাক্ষাত করবে।

হযরত কাতাদা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন তার নিকট ইরাকের মানুষের দল ও সিরিয়ার সূফী-সাধকরা আসবে। অতপর তারা তার নিকট রুকুন ও মাকামের মাঝামাঝি স্থানে বাইয়াত গ্রহণ করবে। অতপর ইসলাম তার উটের ঘাড়ের সম্মুখভাগে সাক্ষাত করবে।

2019-09-19 11:24:44 @116.58.202.222
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, যখন পশ্চিম দিক থেকে ফিৎনা প্রকাশ পাওয়ার পাশাপাশি পূর্বদিক থেকেও ফিৎনা আসতে থাকে তখন তোমরা শাম দেশে গিয়ে আত্নরক্ষা কর।
ঐ মূহুর্তে জমিনের নিচের অংশ উপরিভাগ থেকে অনেক উত্তম।
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, যখন পশ্চিম দিক থেকে ফিৎনা প্রকাশ পাওয়ার পাশাপাশি পূর্বদিক থেকেও ফিৎনা আসতে থাকে তখন তোমরা শাম দেশে গিয়ে আত্নরক্ষা কর।
ঐ মূহুর্তে জমিনের নিচের অংশ উপরিভাগ থেকে অনেক উত্তম।
2019-09-18 22:20:20 @103.115.26.76
হযরত খালেদ ইব্নে মা’দান রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, অতিসত্ত্বর পূর্বদিক থেকে আগুনের তৈরি পিলারের ন্যায় এক নিদর্শন প্রকাশ পাবে। যেটা জমিনের সকলে দেখবে। তোমাদের কেউ এমন যুগ প্রাপ্ত হলে, সে যেন তার পরিবারের জন্য এক বৎসরের খোরাকী প্রস্তুত রাখে।
হযরত খালেদ ইব্নে মা’দান রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, অতিসত্ত্বর পূর্বদিক থেকে আগুনের তৈরি পিলারের ন্যায় এক নিদর্শন প্রকাশ পাবে। যেটা জমিনের সwকলে দেখবে। তোমাদের কেউ এমন যুগ প্রাপ্ত হলে, সে যেন তার পরিবারের জন্য এক বৎসরের খোরাকী প্রস্তুত রাখে।
2019-09-18 20:11:10 @103.115.26.76
হযরত আবু জাফর রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন বনু আব্বাছে রাজত্বের বিস্তৃতি খোরাছান পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছবে তখন পশ্চিমাকাশে আলোকিত একটি শিং জাতীয় বস্তু প্রকাশ পাবে। এভাবে আলামত পাওয়া যাওয়া নূহ আঃ এর কওমে পানিতে ডুবিয়ে মারার আগেও পাওয়া গিয়েছিল। তেমনিভাবে হযরত ইবরাহীম আঃ কে নমরূদ কর্তৃক আগুনে নিক্ষেপ করার আগেও প্রকাশ পেয়েছিল। যখন আল্লাহ তাআলা ফেরআউনকে তার দলবলসহ ধ্বংস করেছিলেন তখনও সেটা উদিত হয়েছিল, হুবহু সেটা দেখা গিয়েছিল যখন ইয়াহইয়া ইবনে যাকারিয়া আঃ কে শহীদ করা হয়েছিল। সুতরাং তোমরা সেই তারাটি দেখতে পেলে যাবতীয় ফেৎনার অনিষ্টতা থেকে আল্লাহ তাআলার দরবারে পানাহ চাও। সেই তারকাটি উদিত হয়েছিল, চন্দ্র-সূর্য গ্রহন নেয়ার পর। তারপর আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি,এক পর্যায়ে মিশরে আরকা’বাহিনীর আবির্ভাব হয়ে যায়।
হযরত আবু জাফর রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন বনু আব্বাছে রাজত্বের বিস্তৃতি খোরাছান পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছবে তখন পশ্চিমাকাশে আলোকিত একটি শিং জাতীয় বস্তু প্রকাশ পাবে। এভাবে আলামত পাওয়া যাওয়া নূহ আঃ এর কওমে পানিতে ডুবিয়ে মারার আগেও পাওয়া গিয়েছিল। তেমনিভাবে হযরত ইবরাহীম আঃ কে নমরূদ কর্তৃক আগুনে নিক্ষেপ করার আগেও প্রকাশ পেয়েছিল। যখন আল্লাহ তাআলা ফেরআউনকে তার দলবলসহ ধ্বংস করেছিলেন তখনও সেটা উদিত হয়েছিল, হুবহু সেটা দেখা গিয়েছিল যখন ইয়াহইয়া ইবনে যাকারিয়া আঃ কে শহীদ করা হয়েছিল। সুতরাং তোমরা pসেই তারাটি দেখতে পেলে যাবতীয় ফেৎনার অনিষ্টতা থেকে আল্লাহ তাআলার দরবারে পানাহ চাও। সেই তারকাটি উদিত হয়েছিল, চন্দ্র-সূর্য গ্রহন নেয়ার পর। তারপর আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি,এক পর্যায়ে মিশরে আরকা’বাহিনীর আবির্ভাব হয়ে যায়।
2019-09-18 19:32:46 @103.115.26.76
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন তিনি বলেন মানুষ একসাথে হজ্ব আদায় করবে। তারা একসাথে অন্য ইমামের উপর আরাফায় অবস্থান করবে। এরই মাঝে তারা মিনায় অবস্থান নিবে, আর তখনই তাদেরকে কুকুরের মত ধরবে। তখন তাদের গোত্রগুলি একে অপরের সাথে বিদ্রোহ শুরু করবে। অতপর তারা যুদ্ধ করবে। ফলে আকাবাতে তাদের রক্ত পৌছে যাবে। তখন তারা তাদের মঙ্গলের দিকে ভীতিগ্রস্থ হয়ে পড়বে। অতপর সে তাদের নিকট আসবে। আর তার চেহারা কা’বার দিকে লাগানো বা সংযুক্ত থাকবে। সে কাঁদবে কেমন যেন আমি তাকে ও তার চোখের পানি দেখছি। অতপর তারা বলবে আপনি আসুন। যাতে আমরা আপনাার নিকট বাইয়াত গ্রহন করতে পারি। অতপর সে বলবে, হায় তোমাদের আফসোস! এমন অঙ্গীকারের যা তোমরা ভঙ্গ করেছ। আর কতইনা রক্ত তোমরা ঝরিয়েছ। অতপর অনিচ্ছা সত্বেও তারা তার বাইয়াত গ্রহন করবে। যদি তোমরা তাকে পাও তাহলে তার নিকট বাইয়াত গ্রহন করিও। কেননা সে দুনিয়াতে মাহদী। আখেরাতেও মাহদী।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মানুষ একসাথে হজ্ব আদায় করবে। তারা একসাথে অন্য ইমামের উপর আরাফায় অবস্থান করবে। এরই মাঝে তারা মিনায় অবস্থান নিবে, আর তখনই তাদেরকে কুকুরের মত ধরবে। তখন তাদের গোত্রগুলি একে অপরের সাথে বিদ্রোহ শুরু করবে। অতপর তারা যুদ্ধ করবে। ফলে আকাবাতে তাদের রক্ত পৌছে যাবে। তখন তারা তাদের মঙ্গলের দিকে ভীতিগ্রস্থ হয়ে পড়বে। অতপর সে তাদের নিকট আসবে। আর তার চেহারা কা’বার দিকে লাগানো বা সংযুক্ত থাকবে। সে কাঁদবে কেমন যেন আমি তাকে ও তার চোখের পানি দেখছি। অতপর তারা বলবে আপনি আসুন। যাতে আমরা আপনাার নিকট বাইয়াত গ্রহন করতে পারি। অতপর সে বলবে, হায় তোমাদের আফসোস! এমন অঙ্গীকারের যা তোমরা ভঙ্গ করেছ। আর কতইনা রক্ত তোমরা ঝরিয়েছ। অতপর অনিচ্ছা সত্বেও তারা তার বাইয়াত গ্রহন করবে। যদি তোমরা তাকে পাও তাহলে তার নিকট বাইয়াত গ্রহন করিও। কেননা সে দুনিয়াতে মাহদী। আখেরাতেও মাহদী।
2019-09-18 16:58:08 @103.242.21.233
হযরত ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দ্বিতীয় আবু সুফিয়ানের পরিবারবর্গের থেকে একজন ব্যক্তিকে মাওসেম নামক এলাকার আমীর বা নেতা বানানো হবে। অতপর তার সাথে এক সৈন্যদল প্রেরণ করা হবে। অতপর তারা যখন মাওসেম নামক এলাকায় থাকবে তখন তারা আকাশ হতে এক সম্বোধনকারীর আওয়াজ শুনবে। (সম্বোধনকারী বলবে) তোমরা ভালভাবে জেনে রাখ যে, আমীর বা নেতা হল অমুক। আরেকজন সম্বোধনকারী যমিন থেকে সম্বোধন করে মিথ্যা বলবে। আকাশ থেকে সম্বোধনকারী সম্বোধন করে সত্য কথা বলবে। এভাবে বিষয়টি দীর্ঘ হবে। ফলে তারা উপলব্ধি করতে পারবে না যে, তারা কার অনুসরণ করবে। আর প্রকুতপক্ষে সত্য কথা বলবে যে সম্বোধনকারী আকাশে থাকবে। তার দ্বিতীয় আওয়াজটা যা সে আকাশ থেকে সম্বোধন করে প্রথম বার বলবে। যখন তোমরা উহা শুনবে তখন তোমরা ভালভাবে স্বরণ রাখবে যে. আল্লাহ তা’আলার কালিমা বা কথা হল উচ্চ। আর শয়তানের কালিমা হল নি¤œ।
হযরত ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দ্বিতীয় আবু সুফিয়ানের পরিবারবর্গের থেকে একজন ব্যক্তিকে মাওসেম নামক এলাকার আমীর বা নেতা বানানো হবে। অতপর তার সাথে এক সৈন্যদল প্রেরণ করা হবে। অতপর তারা যখন মাওসেম নামক এলাকায় থাকবে তখন তারা আকাশ হতে এক সম্বোধনকারীর আওয়াজ শুনবে। (সম্বোধনকারী বলবে) তোমরা ভালভাবে জেনে রাখ যে, আমীর বা নেতা হল অমুক। আরেকজন সম্বোধনকারী যমিন থেকে সম্বোধন করে মিথ্যা বলবে। আকাশ থেকে সম্বোধনকারী সম্বোধন করে সত্য কথা বলবে। এভাবে বিষয়টি দীর্ঘ হবে। ফলে তারা উপলব্ধি করতে পারবে না যে, তারা কার অনুসরণ করবে। আর প্রকুতপক্ষে সত্য কথা বলবে যে সম্বোধনকারী আকাশে থাকবে। তার দ্বিতীয় আওয়াজটা যা সে আকাশ থেকে সম্বোধন করে প্রথম বার বলবে। যখন তোমরা উহা শুনবে তখন তোমরা ভালভাবে স্বরণ রাখবে যে. আল্লাহ তা’আলার কালিমা বা কথা হল উচ্চ। আর শয়তানের কালিমা হল নিম্ন 
2019-09-18 16:50:24 @103.242.21.233
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত ওসমান রাযিঃ অবরুদ্ধ হওয়ার দিন তার ঘরে প্রবেশ করে বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনি আনন্দিত নাকি চিন্তিত? জবাবে তিনি বললেন, হে আবু হুরায়রা! তুমি কি খুশি হবে যে, আমি সকল মানুষকে হত্যা করি এবং তাদের সাথে আমাকেও। আমি বললাম, না এখানে তো খুশি হওয়ার কিছুই নেই। আমার কথা শুনে তিনি সহসা বলে উঠলেন, আল্লাহর কসম! যদি আমি একজন লোককেও হত্যা করি তাহলে যেন আমি সকল মানুষকে হত্যা করলাম। আবু হুরায়রা রাযিঃ বললেন, অতঃপর আমি ফিরে আসলাম এবং বিদ্রোহীদের সাথে যুদ্ধ করার চিন্তা ত্যাগ করলাম।
হাদীস বর্ণনাকারী হযরত আবু সালেহ রহঃ বলেন, হযরত ওসমান রাযিঃ কে যেদিন শহীদ করা হয় সেদিন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রাযিঃ বারবার বলে বেড়িয়েছেন, আল্লাহর কসম! তোমরা অযথা রক্তপাত করোনা, কেননা এর মাধ্যমে তোমরা আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে দূরে সরে যাবে।
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত ওসমান রাযিঃ অবরুদ্ধ হওয়ার দিন তার ঘরে প্রবেশ করে বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনি আনন্দিত নাকি চিন্তিত? জবাবে তিনি বললেন, হে আবু হুরায়রা! তুমি কি খুশি হবে যে, আমি সকল মানুষকে হত্যা করি এবং তাদের সাথে আমাকেও। আমি বললাম, না এখানে তো খুশি হওয়ার কিছুই নেই। আমার কথা শুনে তিনি সহসা বলে উঠলেন, আল্লাহর কসম! যদি আমি একজন লোককেও হত্যা করি তাহলে যেন আমি সকল মানুষকে হত্যা করলাম। আবু হুরায়রা রাযিঃ বললেন, অতঃপর আমি ফিরে আসলাম এবং বিদ্রোহীদের সাথে যুদ্ধ করার চিন্তা ত্যাগ করলাম।
হাদীস বর্ণনাকারী হযরত আবু সালেহ রহঃ বলেন, হযরত ওসমান রাযিঃ কে যেদিন শহীদ করা হয় সেদিন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রাযিঃ বারবার বলে বেড়িয়েছেন, আল্লাহর কসম! তোমরা অযথা রক্তপাত করোনা, কেননা এর মাধ্যমে তোমরা আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে দূরে সরে যাবে।
2019-09-17 19:39:55 @103.115.26.76
হযরত মুহাম্মদ ইব্নে সীরিন রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সংবাদ প্রাপ্ত হয়েছি, নিশ্চয় হযরত সা’দ রাযিঃ বলতেন, যখন থেকে আমি যেহাদ সম্বন্ধে বুঝতে আরম্ভ করি তখন থেকে আমি জেহাদ করতে থাকি। তবে এখন আমি আর যুদ্ধ করবোনা, যতক্ষণ পর্যন্ত আমাকে দুই চোখ, দুই ঠোঁট ও একটি মুখ বিশিষ্ট তলোয়ার এনে দিবেনা,যে তলোয়ার আমাকে চিহ্নিত করে দিবে, কে মুসলমান এবং কে কাফের।
হযরত মুহাম্মদ ইব্নে সীরিন রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সংবাদ প্রাপ্ত হয়েছি, নিশ্চয় হযরত সা’দ রাযিঃ বলতেন, যখন থেকে আমি যেহাদ সম্বন্ধে বুঝতে আরম্ভ করি তখন থেকে আমি জেহাদ করতে থাকি। তবে এখন আমি আর যুদ্ধ করবোনা, যতক্ষণ পর্যন্ত আমাকে দুই চোখ, দুই ঠোঁট ও একটি মুখp বিশিষ্ট তলোয়ার এনে দিবেনা,যে তলোয়ার আমাকে চিহ্নিত করে দিবে, কে মুসলমান এবং কে কাফের।
2019-09-17 19:36:08 @103.115.26.76

Execution time: 0.11 render + 0.01 s transfer.