Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর জন্য এমন এক বিজয়ার্জন হয়েছে, যা ইতিপূর্বে কখনো হয়নি। এরপর আমি তাকে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাঃ আপনাকে বিজয় এসে মোবারকবাদ জানায়। আপনি এ যুদ্ধে খুব ভালোভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, নিঃসন্দেহে, কসম সেই সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ, হে হুজায়ফা! ছয় নিদর্শন রয়েছে, যার প্রথমটি হচ্ছে, আমার মৃত্যুবরণ করা। একথা শুনে আমি বললাম, ইন্নালিল্লাহী ..... । এরপর হচ্ছে, বায়তুল মোকাদ্দাসের বিজয়, এরপর, এমন এক ফেৎনা, যার মধ্যে বড় দুই দলের মধ্যে মারাত্মক যুদ্ধ সংগঠিত হবে। প্রায় গনহত্যার রূপ নিবে। উভয় দলের দাবি হবে এক। এরপর তোমাদের প্রতি গনহারে মৃত্যুবরণ করা ধেয়ে আসবে, যেমন মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে ছাগল গনহারে মারা যায়। অতঃপর মানুষের মধ্যে ব্যাপকহারে সম্পদ বৃদ্ধি পাবে, কেউ কাউকে একশত দীনার দান করলেও কম মনে করে গ্রহণকরতে অস্বীকৃতি জানাবে। এরপর বনু আসফারের বাদশাহদের সন্তানদের মধ্যে এক শিশু জন্মলাভ করবে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! বলুন আসফার কারা, জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, বনুল আসফার হচ্ছে রোমানরা। শিশুটি দ্রুত গতিতে বেড়ে উঠতে থাকবে । একটি শিশু একমাসে যতটুকু বেড়ে উঠে এ শিশুটি একদিনে অতটুকু পরিমান বাড়বে। অন্য শিশু এক বৎসরে যে পরিমান বৃদ্ধি পায় এ শিশুটি এক মাসে ততটুকু পরিমান বৃদ্ধি পাবে। শিশুটি বালেগ হলে সকলে তাকে এতবেশি মহব্বত এবং অনুসরণ করবে যা ইতিপূর্বে কোনো রাজা-বাদশাহকে করা হয়নি। একদিন সে তার গোত্রের লোকজনের মাঝখানে দাড়িয়ে বলবে, এখনো কি আরবদের এই দলকে ত্যাগ করার সময় আসেনি। যারা সর্বদা তোমাদের পক্ষ থেকে এক প্রকার সহানুভুতি পেয়ে আসছে অথচ আমরা সংখ্যায় তাদের চেয়ে অনেক বেশি এবং জলভাগ ও স্থলভাগে আমাদের রসদপত্র অনেক। সুতরাং আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কবে তাদের সঙ্গ আমরা ত্যাগ করব। আমি তোমাদেরকে এমন কত বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করছি, যা তোমরা স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছ। একথাগুলো বলার এক পর্যায়ে তাদের মুরব্বীদের কয়েকজন দাড়িয়ে বলতে লাগলেন, হ্যাঁ, তোমার কথা ঠিক এবং সিদ্ধান্ত তোমার উপর ন্যস্ত করলাম।
নেতাদের সমর্থন পেয়ে সে বলে উঠল, আমরা সকলে একথার শপথ গ্রহণ করতে হবে যে, আরবদেরকে নিঃশেষ করে দেয়া ছাড়া আমরা তাদের সঙ্গ ত্যাগ করবোনা। অতঃপর তারা রোম দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সৈন্য প্রেরনের জন্য আবেদন জানাবে। তারা আশি প্লাটুন সৈন্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন প্রত্যেক প্লাটুনের পতাকার অধীনে বার হাজার যোদ্ধা থাকবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তার কাছে সাত লক্ষ ছয় শত যোদ্ধা এসে উপস্থিত হবে। প্রত্যেক জাযিরাতে আবারো লিখে পাঠাবে, যেন জাহাজের ব্যবস্থা করা হয়। এভাবে তিনশত জাহাজ প্রস্তুত হয়ে যাবে। একদিন সেই এবং তার সৈন্য রসদপত্র সহ জাহাজে আরোহন করবে। যার ফলে এন্তাকিয়া এবং আরীশের মাঝামাঝি জায়গায় শুধু তাদেরকেই দেখা যাবে।
তবে সেদিন খলীফা অনেক ঘোড়া এবং অসংখ্য রসদপত্র প্রেরণ করবেন, এক পর্যায়ে তাদের সামনে একজন দাড়িয়ে বলবেন, “তোমরা কি উপলব্ধি করছ, আমি তোমাদেরকে নিজেদের সিদ্ধান্তের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। আমি কিন্তু কঠিন এক মুহূর্ত দেখতে পাচ্ছি, আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তার ওয়াদা পূর্ণ করবেন, এবং সকল দ্বীনের উপর আমাদের দ্বীনকে প্রাধান্যতা দিবেন। তবে এখন আমাদের সম্মুখে বিরাট এক মসিবত উপস্থিত। আমি একথা ভালো মনে করছি যে, আমি এবং আমার সাথে যারা রয়েছে সকলে রাসূলুল্øাহ সাঃ এর মদীনায় ফিরে যাব, এরপর ইয়ামানসহ অন্যান্য আরব দেশে লিখে পাঠাব। নিঃসন্দেহে একথা সত্য যে, যারা আল্লাহকে সাহায্য করে আল্লাহ তাআলা তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন, কাফেরদের এ ভুখন্ড ছেড়ে গেলেও তারা আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবেনা, হয়তো দেখা যাবে সেটা পুনরায় তোমাদের জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। এমর্মে রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, তারা বের হয়ে যাবে এবং আমার শহরে এসে পৌঁছবে, যার নাম হবে তাইবা। সেখানে মুসলমানরা অবস্থান করবে। বিভিন্ন দেশ থেকে তারা মদীনায় এসে অন্যান্য আরব দেশে সাহায্য চেয়ে সংবাদ পাঠাবে। এভাবে মদীনায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিশাল সৈন্য বাহিনীর জমায়েত হবে। যা মদীনাতে সংকুলান হবেনা। এরপর তারা খালি হাতে ঐক্যবদ্ধভাবে বের হয়ে ইমামের হাতে মৃত্যুর উপর বাইয়াত গ্রহণ করবে। অর্থাৎ বিজয় কিংবা মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধের ময়দানে দৃঢ়তার সহিত অবস্থান করার বাইয়াত গ্রহন করবে। এভাবে বাইয়াত করার পর প্রত্যেকে তলোয়ারের খাপ ভেঙ্গেঁ ফেলবে এবং কোনো প্রকারের লৌহবর্ম পরিধান করা ছাড়া সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
মুসলমানদের এ অবস্থা দেখে রোমানদের স¤্রাট বলে উঠবে, মুসলমানরা এ ভূখন্ড দখল করার জন্য মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আসছে। তারা জীবনবাজি রেখে তোমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। এখন আমি তাদের কাছে লিখে পাঠাব যে, তাদের হাতে বন্দি যেসব অনারব রোমান রয়েছে তাদেরকে যেন আমার হাতে তুলে দেয়া হয়, তারা একথার উপর রাজী হলে, আমরা তাদের এ ভূখন্ডকে তাদের জন্য ছেড়ে দিব, এই এলাকা আমাদের কোনো প্রয়োজন নেই। তারা একথার উপর একমত হলে, আমি সেটা সানন্দে গ্রহন করব, অন্যথায় তাদের সাথে যুদ্ধ করব। যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ আমাদের এবং তাদের মাঝে একটা ফায়সালা করেন। তাদের এ সিদ্ধান্ত মুসলমানদের সুলতানের কাছে পৌঁছলে তিনি রোমান স¤্রাটকে বলে পাঠাবেন, আমাদের কাছে অনারব যেসব রোমান রয়েছে, যদি তারা রোমানদের কাছে ফিরে যেতে চায় তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই, তারা সেচ্ছায় চলে যেতে পারে।
একথা শুনে ঐসব অনারব রোমানদের একজন দাড়িয়ে ঘোষণা করল, ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্মকে গ্রহণ করা থেকে আমরা আল্লাহর কাছে মাফ চাচ্ছি”। অতঃপর তারাও আগের মুসলমানদের ন্যায় মৃত্যুর উপর বাইয়াদ গ্রহণ করবেন। এবং মুসলমানদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামনে অগ্রসর হতে থাকবে। মুসলমানদের অগ্রযাত্রা আল্লাহর দুশমনগন দেখতে পেয়ে অত্যন্ত আগ্রহী ও ক্রুদ্ধ হয়ে উঠবে এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। অতঃপর মুসলমানরা তাদের তলোয়ার উন্মোক্ত করে তালোয়ারের খাপ সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গেঁ ফেলবে। এদিকে আল্লাহ তাআলা তার দুশমনের উপর যথেষ্ট রাগান্বীত হবে। এক পর্যায়ে মুসলমানরা কাফেরদেরকে এত ব্যাপকভাবে হত্যা করবে, যার কারনে ঘোড়ার অর্ধেক অংশ পর্যন্ত রক্তে ডুবে যাবে। এরপর তাদের যারা বাকি থাকবে তারা রাত্র-দিন সফর করে তাইবার দিকে যেতে থাকবে। ফলে তারা মনে করবে যে, সত্যিই তারা দূর্বল হয়ে গিয়েছে। এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা তাদের প্রতি এক ধরনের তীব্র বাতাস প্রবাহিত করলে তাদের পূর্বের স্থানে ফেরৎ যাবে। এরপর মুহাজিরদের হাতে তাদেরকে এমনভাবে হত্যা করা হবে, তাদের মৃত্যু সংবাদ পৌঁছানোর জন্যও কেউ বাকি থাকবেনা। হে হোজায়ফা! মূলতঃ এটিই হচ্ছে, তীব্র যুদ্ধ। তারা দীর্ঘদিন জীবিত থাকবে, এরপর তাদের কাছে সংবাদ আসবে যে, দাজ্জালের আবির্ভাব হয়েছে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর জন্য এমন এক বিজয়ার্জন হয়েছে, যা ইতিপূর্বে কখনো হয়নি। এরপর আমি তাকে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাঃ আপনাকে বিজয় এসে মোবারকবাদ জানায়। আপনি এ যুদ্ধে খুব ভালোভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, নিঃসন্দেহে, কসম সেই সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ, হে হুজায়ফা! ছয় নিদর্শন রয়েছে, যার প্রথমটি হচ্ছে, আমার মৃত্যুবরণ করা। একথা শুনে আমি বললাম, ইন্নালিল্লাহী ..... । এরপর হচ্ছে, বায়তুল মোকাদ্দাসের বিজয়, এরপর, এমন এক ফেৎনা, যার মধ্যে বড় দুই দলের মধ্যে মারাত্মক যুদ্ধ সংগঠিত হবে। প্রায় গনহত্যার রূপ নিবে। উভয় দলের দাবি হবে এক। এরপর তোমাদের প্রতি গনহারে মৃত্যুবরণ করা ধেয়ে আসবে, যেমন মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে ছাগল গনহারে মারা যায়। অতঃপর মানুষের মধ্যে ব্যাপকহারে সম্পদ বৃদ্ধি পাবে, কেউ কাউকে একশত দীনার দান করলেও কম মনে করে গ্রহণকরতে অস্বীকৃতি জানাবে। এরপর বনু আসফারের বাদশাহদের সন্তানদের মধ্যে এক শিশু জন্মলাভ করবে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! বলুন আসফার কারা, জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, বনুল আসফার হচ্ছে রোমানরা। শিশুটি দ্রুত গতিতে বেড়ে উঠতে থাকবে । একটি শিশু একমাসে যতটুকু বেড়ে উঠে এ শিশুটি একদিনে অতটুকু পরিমান বাড়বে। অন্য শিশু এক বৎসরে যে পরিমান বৃদ্ধি পায় এ শিশুটি এক মাসে ততটুকু পরিমান বৃদ্ধি পাবে। শিশুটি বালেগ হলে সকলে তাকে এতবেশি মহব্বত এবং অনুসরণ করবে যা ইতিপূর্বে কোনো রাজা-বাদশাহকে করা হয়নি। একদিন সে তার গোত্রের লোকজনের মাঝখানে দাড়িয়ে বলবে, এখনো কি আরবদের এই দলকে ত্যাগ করার সময় আসেনি। যারা সর্বদা তোমাদের পক্ষ থেকে এক প্রকার সহানুভুতি পেয়ে আসছে অথচ আমরা সংখ্যায় তাদের চেয়ে অনেক বেশি এবং জলভাগ ও স্থলভাগে আমাদের রসদপত্র অনেক। সুতরাং আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কবে তাদের সঙ্গ আমরা ত্যাগ করব। আমি তোমাদেরকে এমন কত বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করছি, যা তোমরা স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছ। একথাগুলো বলার এক পর্যায়ে তাদের মুরব্বীদের কয়েকজন দাড়িয়ে বলতে লাগলেন, হ্যাঁ, তোমার কথা ঠিক এবং সিদ্ধান্ত তোমার উপর ন্যস্ত করলাম।
নেতাদের সমর্থন পেয়ে সে বলে উঠল, আমরা সকলে একথার শপথ গ্রহণ করতে হবে যে, আরবদেরকে নিঃশেষ করে দেয়া ছাড়া আমরা তাদের সঙ্গ ত্যাগ করবোনা। অতঃপর তারা রোম দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সৈন্য প্রেরনের জন্য আবেদন জানাবে। তারা আশি প্লাটুন সৈন্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন প্রত্যেক প্লাটুনের পতাকার অধীনে বার হাজার যোদ্ধা থাকবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তার কাছে সাত লক্ষ ছয় শত যোদ্ধা এসে উপস্থিত হবে। প্রত্যেক জাযিরাতে আবারো লিখে পাঠাবে, যেন জাহাজের ব্যবস্থা করা হয়। এভাবে তিনশত জাহাজ প্রস্তুত হয়ে যাবে। একদিন সেই এবং তার সৈন্য রসদপত্র সহ জাহাজে আরোহন করবে। যার ফলে এন্তাকিয়া এবং আরীশের মাঝামাঝি জায়গায় শুধু তাদেরকেই দেখা যাবে।
তবে সেদিন খলীফা অনেক ঘোড়া এবং অসংখ্য রসদপত্র প্রেরণ করবেন, এক পর্যায়ে তাদের সামনে একজন দাড়িয়ে বলবেন, “তোমরা কি উপলব্ধি করছ, আমি তোমাদেরকে নিজেদের সিদ্ধান্তের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। আমি কিন্তু কঠিন এক মুহূর্ত দেখতে পাচ্ছি, আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তার ওয়াদা পূর্ণ করবেন, এবং সকল দ্বীনের উপর আমাদের দ্বীনকে প্রাধান্যতা দিবেন। তবে এখন আমাদের সম্মুখে বিরাট এক মসিবত উপস্থিত। আমি একথা ভালো মনে করছি যে, আমি এবং আমার সাথে যারা রয়েছে সকলে রাসূলুল্øাহ সাঃ এর মদীনায় ফিরে যাব, এরপর ইয়ামানসহ অন্যান্য আরব দেশে লিখে পাঠাব। নিঃসন্দেহে একথা সত্য যে, যারা আল্লাহকে সাহায্য করে আল্লাহ তাআলা তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন, কাফেরদের এ ভুখন্ড ছেড়ে গেলেও তারা আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবেনা, হয়তো দেখা যাবে সেটা পুনরায় তোমাদের জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। এমর্মে রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, তারা বের হয়ে যাবে এবং আমার শহরে এসে পৌঁছবে, যার নাম হবে তাইবা। সেখানে মুসলমানরা অবস্থান করবে। বিভিন্ন দেশ থেকে তারা মদীনায় এসে অন্যান্য আরব দেশে সাহায্য চেয়ে সংবাদ পাঠাবে। এভাবে মদীনায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিশাল সৈন্য বাহিনীর জমায়েত হবে। যা মদীনাতে সংকুলান হবেনা। এরপর তারা খালি হাতে ঐক্যবদ্ধভাবে বের হয়ে ইমামের হাতে মৃত্যুর উপর বাইয়াত গ্রহণ করবে। অর্থাৎ বিজয় কিংবা মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধের ময়দানে দৃঢ়তার সহিত অবস্থান করার বাইয়াত গ্রহন করবে। এভাবে বাইয়াত করার পর প্রত্যেকে তলোয়ারের খাপ ভেঙ্গেঁ ফেলবে এবং কোনো প্রকারের লৌহবর্ম পরিধান করা ছাড়া সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
মুসলমানদের এ অবস্থা দেখে রোমানদের স¤্রাট বলে উঠবে, মুসলমানরা এ ভূখন্ড দখল করার জন্য মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আসছে। তারা জীবনবাজি রেখে তোমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। এখন আমি তাদের কাছে লিখে পাঠাব যে, তাদের হাতে বন্দি যেসব অনারব রোমান রয়েছে তাদেরকে যেন আমার হাতে তুলে দেয়া হয়, তারা একথার উপর রাজী হলে, আমরা তাদের এ ভূখন্ডকে তাদের জন্য ছেড়ে দিব, এই এলাকা আমাদের কোনো প্রয়োজন নেই। তারা একথার উপর একমত হলে, আমি সেটা সানন্দে গ্রহন করব, অন্যথায় তাদের সাথে যুদ্ধ করব। যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ আমাদের এবং তাদের মাঝে একটা ফায়সালা করেন। তাদের এ সিদ্ধান্ত মুসলমানদের সুলতানের কাছে পৌঁছলে তিনি রোমান স¤্রাটকে বলে পাঠাবেন, আমাদের কাছে অনারব যেসব রোমান রয়েছে, যদি তারা রোমানদের কাছে ফিরে যেতে চায় তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই, তারা সেচ্ছায় চলে যেতে পারে।
একথা শুনে ঐসব অনারব রোমানদের একজন দাড়িয়ে ঘোষণা করল, ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্মকে গ্রহণ করা থেকে আমরা আল্লাহর কাছে মাফ চাচ্ছি”। অতঃপর তারাও আগের মুসলমানদের ন্যায় মৃত্যুর উপর বাইয়াদ গ্রহণ করবেন। এবং মুসলমানদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামনে অগ্রসর হতে থাকবে। মুসলমানদের অগ্রযাত্রা আল্লাহর দুশমনগন দেখতে পেয়ে অত্যন্ত আগ্রহী ও ক্রুদ্ধ হয়ে উঠবে এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। অতঃপর মুসলমানরা তাদের তলোয়ার উন্মোক্ত করে তালোয়ারের খাপ সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গেঁ ফেলবে। এদিকে আল্লাহ তাআলা তার দুশমনের উপর যথেষ্ট রাগান্বীত হবে। এক পর্যায়ে মুসলমানরা কাফেরদেরকে এত ব্যাপকভাবে হত্যা করবে, যার কারনে ঘোড়ার অর্ধেক অংশ পর্যন্ত রক্তে ডুবে যাবে। এরপর তাদের যারা বাকি থাকবে তারা রাত্র-দিন সফর করে তাইবার দিকে যেতে থাকবে। ফলে তারা মনে করবে যে, সত্যিই তারা দূর্বল হয়ে গিয়েছে। এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা তাদের প্রতি এক ধরনের তীব্র বাতাস প্রবাহিত করলে তাদের পূর্বের স্থানে ফেরৎ যাবে। এরপর মুহাজিরদের হাতে তাদেরকে এমনভাবে হত্যা করা হবে, তাদের মৃত্যু সংবাদ পৌঁছানোর জন্যও কেউ বাকি থাকবেনা। হে হোজায়ফা! মূলতঃ এটিই হচ্ছে, তীব্র যুদ্ধ। তারা দীর্ঘদিন জীবিত থাকবে, এরপর তাদের কাছে সংবাদ আসবে যে, দাজ্জালের আবির্ভাব হয়েছে।
2019-01-20 23:20:24 @103.204.245.49
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।ঔঔঔঔ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।
2019-01-20 22:23:48 @111.65.60.46
আবু আব্দুর রহমান কাশেম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের এই মসজিদের আশ্বেপার্শ্বে এমন এক নারীকে ঘুরানো হবে যার কাপড়ের ভিতর থেকে লজ্জাস্থানে পশম দেখা যাবে। এসম্বন্ধে কেউ যদি বলে যে, আল্লাহর কসম এটা ইসলাম সর্মথন করে না, তখন মারা যাওয়া পর্যন্ত ঐ লোককে মাটিতে পাড়ানো হবে। আমি যদি সে লোক হতাম কতই ভালো হতো।
আবু আব্দুর রহমান কাশেম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের এই মসজিদের আশ্বেপার্শ্বে এমন এক নারীকে ঘুরানো হবে যার কাপড়ের ভিতর থেকে লজ্জাস্থানে পশম দেখা যাবে। এসম্বন্ধে কেউ যদি বলে যে, আল্লাহর কসম এটা ইসলাম সর্মথন করে না, তখন মারা যাওয়া পর্যন্ত ঐ লোককে মাটিতে পাড়ানো হবে। আমি যদি সে লোক হতাম কতই ভালো হতো।
2019-01-19 02:21:20 @58.97.141.136
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল (ﷺ) সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন নি। কিন্তু একদিন রাসূল (ﷺ) সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল (ﷺ) সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন নি। কিন্তু একদিন রাসূল (ﷺ) সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন।
2019-01-08 12:39:07 @27.147.255.245
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল (ﷺ) সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন নি। কিন্তু একদিন রাসূল (ﷺ) সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন।
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল (ﷺ) সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন নি। কিন্তু একদিন রাসূল (ﷺ) সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন
2019-01-08 12:38:59 @27.147.255.245
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।ঔঔঔঔ
2019-01-05 17:15:50 @37.111.226.103
দ্বিতীয় সুত্র থেকে আলী (রা:) থেকে একই হাদিস বর্নিত হয়েছে। বাকি কই
দ্বিতীয় সুত্র থেকে আলী (রা:) থেকে একই হাদিস বর্নিত হয়েছে। 
2018-12-28 01:31:16 @45.33.129.226
হযরত আবুযর আব্দুর রহমান ইবনে ফুজালা রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন কাবিল তার ভাই হাবিলকে হত্যা করে তখন তার জ্ঞান সম্পূর্ণরূপে লোপ পেয়েছিল এবং তার অন্তর একেবারে বুদ্ধি শুন্য হয়ে গিয়েছিল। যার জন্য যে মৃত্যু পর্যন্ত পেরেশান ছিল।
হযরত আবুযর আব্দুর রহমান ইবনে ফুজালা রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন কাবিল তার ভাই হাবিলকে হত্যা করে তখন তার জ্ঞান সম্পূর্ণরূপে লোপ পেয়েছিল এবং তার অন্তর একেবারে বুদ্ধি শুন্য হয়ে গিয়েছিল। যার জন্য সে মৃত্যু পর্যন্ত পেরেশান ছিল।
2018-12-28 01:28:37 @45.33.129.226
হযরত আউন ইবনে আব্দুল্লাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, নিঃসন্দেহে অনেক লোক এমন রয়েছে, যারা গুনাহের স্থলে উপস্থিত থেকে ও সেটা অপছন্দ করার কারনে যেন সেই লোক সেখানে উপস্থিত ছিল। পক্ষান্তরে কেউ উক্ত গুনাহের স্থলে অনুপস্থিত থেকে যদি সেটার উপর রাযি থাকে তাহলে যেন সে লোক উক্ত গুনাহের কাজে উপস্থিত ছিল।
হযরত আউন ইবনে আব্দুল্লাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, নিঃসন্দেহে অনেক লোক এমন রয়েছে, যারা গুনাহের স্থলে উপস্থিত থেকে ও সেটা অপছন্দ করার কারনে যেন সেই লোক সেখানে অনুপস্থিত ছিল। পক্ষান্তরে কেউ উক্ত গুনাহের স্থলে অনুপস্থিত থেকে যদি সেটার উপর রাযি থাকে তাহলে যেন সে লোক উক্ত গুনাহের কাজে উপস্থিত ছিল।
2018-12-25 09:18:16 @202.94.164.134
হযরত আবু উমাইয়া আল-কলবী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জাহেলী যুগ প্রাপ্ত হয়েছে এমন একজন শেখ আমাদেরকে বর্ণনা করেন, যার বয়সের ভারে চোখের উপরের অংশ দুই চোখের উপর এসে পড়েছে। তিনি বলেন, কালো ঝান্ডা বাহীরা প্রজাদের উপর কঠোরতা প্রদর্শন করবে। এক পর্যায়ে তারা পরস্পরের সাথে মতবিরোধে জড়িয়ে পড়বে এবং একে অন্যের বিরোধীতা করতে থাকবে। যার কারণে তারা তিন দলে বিভক্ত হয়ে যাবে। একদল নিজেদেরকে বনু ফাতেমা দাবী করবে, আরেক দল বনু আব্বাছ দাবি করবে। তবে আরেকদল নিজেদের দাবি করবে। বর্ণনাকারী বলেন, নিজেদের বলতে কি বুঝায়? জবাবে তিনি বলেন, আমি জানিনা, আমি এমনই শুনেছি।
হযরত আবু উমাইয়া আল-কলবী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জাহেলী যুগ প্রাপ্ত হয়েছে এমন একজন শেখ আমাদেরকে বর্ণনা করেন, যার বয়সের ভারে চোখের উপরের অংশ দুই চোখের উপর এসে পড়েছে। তিনি বলেন, কালো ঝান্ডা বাহীরা প্রজাদের উপর কঠোরতা প্রদর্শন করবে। এক পর্যায়ে তারা পরস্পরের সাথে মতবিরোধে জড়িয়ে পড়বে এবং একে অন্যের বিরোধীতা করতে থাকবে। যার কারণে তারা তিন দলে বিভক্ত হয়ে যাবে। একদল নিজেদেরকে বনু ফাতেমা দাবী করবে, আরেক দল  আব্বাছ দাবি করবে। তবে আরেকদল নিজেদের দাবি করবে। বর্ণনাকারী বলেন, নিজেদের বলতে কি বুঝায়? জবাবে তিনি বলেন, আমি জানিনা, আমি এমনই শুনেছি।
2018-11-15 08:58:36 @103.221.255.6
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, যখন চতুর্দিক থেকে ফিৎনা ধেঁয়ে আসবে তখন তুমি শীতকালীন পিঁপড়ার ন্যায় নিজের আত্নরক্ষার জন্য একটি স্থান খুঁজতে থাক।
তবে সেটা হতে হবে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে। বিন্দু মাত্রও প্রকাশ পেতে পারবেনা। এধরনের ফিৎনা থেকে আত্নরক্ষার সর্বোত্তম স্থান হচ্ছে, মদীনা হেজাজএবং তার পার্শ্বের অন্যান্য এলাকা খুবই উত্তম অন্য এলাকা থেকে
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, যখন চতুর্দিক থেকে ফিৎনা ধেঁয়ে আসবে তখন তুমি শীতকালীন পিঁপড়ার ন্যায় নিজের আত্নরক্ষার জন্য একটি স্থান খুঁজতে থাক।
তবে সেটা হতে হবে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে। বিন্দু মাত্রও প্রকাশ পেতে পারবেনা। এধরনের ফিৎনা থেকে আত্নরক্ষার সর্বোত্তম স্থান হচ্ছে, মদীনা হেজাজএবং তার পার্শ্বের অন্যান্য এলাকা খুবই উত্তম অন্য এলাকা থেকে
2018-11-13 11:45:26 @103.109.213.2
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত
2018-11-08 19:46:07 @103.31.177.110
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
2018-10-31 18:44:21 @180.211.243.150
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন যখন তুমি কুরাইশের আচরনে আরববাসীকে লজ্জিত হতে দেখবে,সমাজের বিত্তবানদেরকে লজ্জিত হতে দেখবে, অতঃপর আরববাসীদের এবং সমাজের বিত্তবানদের কারনে পৃথিবীর মুসলমানদেরকে অপমান হতে দেখবে তাহলে বুঝতে হবে তোমাকে কিয়ামতের যাবতীয় আলামত গ্রাস করে নিয়েছে। উক্ত হাদীসে বর্ননাকারী কুরাইব রহঃ বলেন, আমি আবুইসহাককে বললাম হযরত হোজাইফ ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ তো আমাদেরকে আহমারাইন সম্বন্ধে বলেছেন, সেটা কি জিনিস। জবাবে তিনি বললেন, সেটা তখনই হবে যখন কলমের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যাবে এবং কেউ আর সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনাকারী থাকবেন।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন যখন তুমি কুরাইশের আচরনে আরববাসীকে,সমাজের বিত্তবানদেরকে লজ্জিত হতে দেখবে, অতঃপর আরববাসীদের এবং সমাজের বিত্তবানদের কারনে পৃথিবীর মুসলমানদেরকে অপমান হতে দেখবে তাহলে বুঝতে হবে তোমাকে কিয়ামতের যাবতীয় আলামত গ্রাস করে নিয়েছে। উক্ত হাদীসে বর্ননাকারী কুরাইব রহঃ বলেন, আমি আবুইসহাককে বললাম হযরত হোজাইফ ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ তো আমাদেরকে আহমারাইন সম্বন্ধে বলেছেন, সেটা কি জিনিস। জবাবে তিনি বললেন, সেটা তখনই হবে যখন কলমের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যাবে এবং কেউ আর সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনাকারী থাকবেন।
2018-10-26 08:35:29 @103.205.134.78
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন যখন তুমি কুরাইশের আচরনে আরববাসীকে লজ্জিত হতে দেখবে,সমাজের বিত্তবানদেরকে লজ্জিত হতে দেখবে, অতঃপর আরববাসীদের এবং সমাজের বিত্তবানদের কারনে পৃথিবীর মুসলমানদেরকে অপমান হতে দেখবে তাহলে বুঝতে হবে তোমাকে কিয়ামতের যাবতীয় আলামত গ্রাস করে নিয়েছে। উক্ত হাদীসে বর্ননাকারী কুরাইব রহঃ বলেন, আমি আবুইসহাককে বললাম হযরত হোজাইফ ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ তো আমাদেরকে আহমারাইন সম্বন্ধে বলেছেন, সেটা কি জিনিস। জবাবে তিনি বললেন, সেটা তখনই হবে য্খন কলমের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যাবে এবং কেউ আর সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনাকারী থাকবেন।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন যখন তুমি কুরাইশের আচরনে আরববাসীকে লজ্জিত হতে দেখবে,সমাজের বিত্তবানদেরকে লজ্জিত হতে দেখবে, অতঃপর আরববাসীদের এবং সমাজের বিত্তবানদের কারনে পৃথিবীর মুসলমানদেরকে অপমান হতে দেখবে তাহলে বুঝতে হবে তোমাকে কিয়ামতের যাবতীয় আলামত গ্রাস করে নিয়েছে। উক্ত হাদীসে বর্ননাকারী কুরাইব রহঃ বলেন, আমি আবুইসহাককে বললাম হযরত হোজাইফ ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ তো আমাদেরকে আহমারাইন সম্বন্ধে বলেছেন, সেটা কি জিনিস। জবাবে তিনি বললেন, সেটা তখনই হবে যখন কলমের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যাবে এবং কেউ আর সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনাকারী থাকবেন।
2018-10-26 08:34:32 @103.205.134.78
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন যখন তুমি কুরাইশের আচরনে আরববাসীকে লজ্জিত হতে দেখবে, অতঃপর সমাজের বিত্তবানদেরকে লজ্জিত হতে দেখবে আরববাসীদের কারনে এবং পৃথিবীর মুসলমানদেরকে অপমান হতে দেখবে সমাজের বিত্তবানদের কারনে তাহলে বুঝতে হবে তোমাকে কিয়ামতের যাবতীয় আলামত গ্রাস করে নিয়েছে। উক্ত হাদীসে বর্ননাকারী কুরাইব রহঃ বলেন, আমি আবুইসহাককে বললাম হযরত হোজাইফ ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ তো আমাদেরকে আহমারাইন সম্বন্ধে বলেছেন, সেটা কি জিনিস। জবাবে তিনি বললেন, সেটা তখনই হবে য্খন কলমের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যাবে এবং কেউ আর সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনাকারী থাকবেন।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন যখন তুমি কুরাইশের আচরনে আরববাসীকে লজ্জিত হতে দেখবে,সমাজের বিত্তবানদেরকে লজ্জিত হতে দেখবে, অতঃপর আরববাসীদের এবং সমাজের বিত্তবানদের কারনে পৃথিবীর মুসলমানদেরকে অপমান হতে দেখবে তাহলে বুঝতে হবে তোমাকে কিয়ামতের যাবতীয় আলামত গ্রাস করে নিয়েছে। উক্ত হাদীসে বর্ননাকারী কুরাইব রহঃ বলেন, আমি আবুইসহাককে বললাম হযরত হোজাইফ ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ তো আমাদেরকে আহমারাইন সম্বন্ধে বলেছেন, সেটা কি জিনিস। জবাবে তিনি বললেন, সেটা তখনই হবে য্খন কলমের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যাবে এবং কেউ আর সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনাকারী থাকবেন।
2018-10-26 08:34:01 @103.205.134.78
হযরত জাহহাক রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে নাযাল ইবনে সাবুরা রহঃ বলেন, আমি কি তোমাকে এমন একটি হাদীস বর্ননা করবোনা যেটা আমি আবুল হাসান আলী ইবনে আবু তালেব রাযিঃ থেকে শুনেছি, আমি বললাম হ্যা অবশ্যই। তিনি বলেন আমি তাকে বলতে শুনেছি, প্রত্যেক উম্মতের জন্য বিপক হচ্ছে, বনু উমাইয়া।
হযরত জাহহাক রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে নাযাল ইবনে সাবুরা রহঃ বলেন, আমি কি তোমাকে এমন একটি হাদীস বর্ননা করবোনা যেটা আমি আবুল হাসান আলী ইবনে আবু তালেব রাযিঃ থেকে শুনেছি, আমি বললাম হ্যা অবশ্যই। তিনি বলেন আমি তাকে বলতে শুনেছি, প্রত্যেক উম্মতের জন্য বিপদ হচ্ছে, বনু উমাইয়া।
2018-10-26 02:38:11 @103.106.238.161
হযরত আবু উমামা বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। অতপর উম্মে শারীক রাযিয়াল্লাহু আনহা বললেন ইয়া রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেদিন মুসলমানগণ কোথায় থাকবে। তিনি বললেন বাইতুল মুকাদ্দাসে। সে বাহির হবে এমনকি তাদেরকে ঘিরে ধরবে। আর সেদিন মুসলমানদের নেতা হবে একজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি। অতপর বলা হল ফজরের নামাজ আদায় করবে। অতপর যখন তাকবীর দিবে ও তাতে প্রবেশ করবে তখন ঈসা ইবনে মারিয়াম আলাইহস সালাম অবতরণ করবেন। যখন ঐ ব্যক্তি তাকে দেখবে তাকে চিনবে। তখন সে পিছনে ফিরে আসবে। অতপর ঈনা আলাইহিস সালাম অগ্রসর হবেন। অতপর তিনি তার হাত তার কাধে রাখবেন এবং বলবেন আপনি নামাজ পড়ান। কেননা আপনার জন্যই নামাজ প্রস্তুত করা হয়েছে। অতপর ঈসা আলাইহিস সালাম তার পিছনে নামাজ আদায় করবেন। অতপর বলবেন, দরজা খুলে দাও। ফলে তার দরজা খুলে দিবে। আর সেদিন দাজ্জালের সাথে সত্তর হাজার ইহুদি থাকবে। তারা প্রত্যেকেই থাকবে অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত। অতপর যখন সে ঈসা আলাইহিস সলামকে দেখবে তখন সে চুপসে যাবে যেমন নাকি সীসা চুপসে যায় এবং পানিতে লবন বিলীন হয়ে যায়। অতপর সে পালিয়ে বাহির হয়ে যাবে। তখন ঈসা আলাইহিস সালাম বলবেন নিশ্চই তোমার মাধ্যে আমার জন্য মার আছে। আমাকে তা থেকে বিরত করিও না। অতপর তিনি তাকে পাবেন ও হত্যা করে দিবেন। এরপর পৃথীবিতে আর এমন কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না, যার দ্বারা ইহুদিরা আত্মগোপন করবে। বরং তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলা বলে দিবেন। প্রত্যেক পাথর, প্রত্যেক গাছ, প্রত্যেক প্রাণীই বলবে হে আল্লাহর বান্দা মুসলিম! এইযে ইহুদি। তাকে হত্যা কর। তবে ঝাউ গাছ ব্যতীত। কেননা সেটা তাদের গাছ। সুতরাং সেটা কোন কথা বলবে না। আর ঈসা হবে আমার উম্মতের মধ্যে বিচারক, ন্যায়পরায়ণ, ন্যায় পরায়ণ ইমাম। তিনি ক্রুশকে চূর্ণবিচূর্ণ করবেন। শুকর হত্যা করবেন। (গাইরে মুসলিমদের উপর) জিযিয়া ধার্য্য করবেন। তিনি সদকা গ্রহণ করবেন না। ছাগলের উপর ধাবিত হবেন না। শত্রুতা, ক্রোধ উঠিয়ে নেয়া হবে। প্রত্যেক প্রাণীর উষ্ণতা উঠিয়ে নেয়া হবে। এমনকি ছোট বাচ্চা তার হাত বিষধর (প্রাণীর গুহায়) ঢুকিয়ে  দিবে, কিন্ত তাকে তা দংশন করবে না। আর ছোট শিশুর সাথে সিংহের দেখা হবে কিন্তু সিংহ তাকে কোন ক্ষতি করবে না। আর কেমন যেন গরুর পালে সিংহ পালের কুকুর। এমনিভাবে সাপ ছাগলের পালের ভিতর কেমন যেন ছাগলের পালের কুকুর। আর সমস্ত দুনিয়ায় ইসলাম ভরে যাবে। আর কাফেরদের থেকে তাদের রাজ্য ছিনিয়ে নেয়া হবে। ফলে পৃথীবিতে ইসলামের রাজ্য ব্যতীত অন্য কোন রাজ্য থাকবে না। আর যমিনের রৌপ্যের জাগরণ হবে। ফলে যমিনে তার ফসল ফলাবে যেমন নাকি হযরত আদম আলাইহিস সালামের সময় ছিল। দলে দলে মানুষ একটি আঙ্গুরের থোকার নিকট জমায়েত হবে। আর তা থেকেই সবাই খেয়ে পরিতৃপ্ত হয়ে খাবে। এমনি ভাবে দলে দলে মানুষ একটি আনারের নিকট জমায়েত হবে। আর তা থেকে সকলেই খেয়ে পরিতৃপ্ত হয়ে যাবে। এমনি ভাবে অন্যান্য মাল সম্পদে জাগরণ ঘটবে। আর খুব কম মূল্যে ঘোড়া পাওয়া যাবে।
হযরত আবু উমামা বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। অতপর উম্মে শারীক রাযিয়াল্লাহু আনহা বললেন ইয়া রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেদিন মুসলমানগণ কোথায় থাকবে। তিনি বললেন বাইতুল মুকাদ্দাসে। সে বাহির হবে এমনকি তাদেরকে ঘিরে ধরবে। আর সেদিন মুসলমানদের নেতা হবে একজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি। অতপর বলা হল ফজরের নামাজ আদায় করবে। অতপর যখন তাকবীর দিবে ও তাতে প্রবেশ করবে তখন ঈসা ইবনে মারিয়াম আলাইহস সালাম অবতরণ করবেন। যখন ঐ ব্যক্তি তাকে দেখবে তাকে চিনবে। তখন সে পিছনে ফিরে আসবে। অতপর ঈসা আলাইহিস সালাম অগ্রসর হবেন। অতপর তিনি তার হাত তার কাধে রাখবেন এবং বলবেন আপনি নামাজ পড়ান। কেননা আপনার জন্যই নামাজ প্রস্তুত করা হয়েছে। অতপর ঈসা আলাইহিস সালাম তার পিছনে নামাজ আদায় করবেন। অতপর বলবেন, দরজা খুলে দাও। ফলে তার দরজা খুলে দিবে। আর সেদিন দাজ্জালের সাথে সত্তর হাজার ইহুদি থাকবে। তারা প্রত্যেকেই থাকবে অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত। অতপর যখন সে ঈসা আলাইহিস সলামকে দেখবে তখন সে চুপসে যাবে যেমন নাকি সীসা চুপসে যায় এবং পানিতে লবন বিলীন হয়ে যায়। অতপর সে পালিয়ে বাহির হয়ে যাবে। তখন ঈসা আলাইহিস সালাম বলবেন নিশ্চই তোমার মাধ্যে আমার জন্য মার আছে। আমাকে তা থেকে বিরত করিও না। অতপর তিনি তাকে পাবেন ও হত্যা করে দিবেন। এরপর পৃথীবিতে আর এমন কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না, যার দ্বারা ইহুদিরা আত্মগোপন করবে। বরং তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলা বলে দিবেন। প্রত্যেক পাথর, প্রত্যেক গাছ, প্রত্যেক প্রাণীই বলবে হে আল্লাহর বান্দা মুসলিম! এইযে ইহুদি। তাকে হত্যা কর। তবে ঝাউ গাছ ব্যতীত। কেননা সেটা তাদের গাছ। সুতরাং সেটা কোন কথা বলবে না। আর ঈসা হবে আমার উম্মতের মধ্যে বিচারক, ন্যায়পরায়ণ, ন্যায় পরায়ণ ইমাম। তিনি ক্রুশকে চূর্ণবিচূর্ণ করবেন। শুকর হত্যা করবেন। (গাইরে মুসলিমদের উপর) জিযিয়া ধার্য্য করবেন। তিনি সদকা গ্রহণ করবেন না। ছাগলের উপর ধাবিত হবেন না। শত্রুতা, ক্রোধ উঠিয়ে নেয়া হবে। প্রত্যেক প্রাণীর উষ্ণতা উঠিয়ে নেয়া হবে। এমনকি ছোট বাচ্চা তার হাত বিষধর (প্রাণীর গুহায়) ঢুকিয়ে  দিবে, কিন্ত তাকে তা দংশন করবে না। আর ছোট শিশুর সাথে সিংহের দেখা হবে কিন্তু সিংহ তাকে কোন ক্ষতি করবে না। আর কেমন যেন গরুর পালে সিংহ পালের কুকুর। এমনিভাবে সাপ ছাগলের পালের ভিতর কেমন যেন ছাগলের পালের কুকুর। আর সমস্ত দুনিয়ায় ইসলাম ভরে যাবে। আর কাফেরদের থেকে তাদের রাজ্য ছিনিয়ে নেয়া হবে। ফলে পৃথীবিতে ইসলামের রাজ্য ব্যতীত অন্য কোন রাজ্য থাকবে না। আর যমিনের রৌপ্যের জাগরণ হবে। ফলে যমিনে তার ফসল ফলাবে যেমন নাকি হযরত আদম আলাইহিস সালামের সময় ছিল। দলে দলে মানুষ একটি আঙ্গুরের থোকার নিকট জমায়েত হবে। আর তা থেকেই সবাই খেয়ে পরিতৃপ্ত হয়ে খাবে। এমনি ভাবে দলে দলে মানুষ একটি আনারের নিকট জমায়েত হবে। আর তা থেকে সকলেই খেয়ে পরিতৃপ্ত হয়ে যাবে। এমনি ভাবে অন্যান্য মাল সম্পদে জাগরণ ঘটবে। আর খুব কম মূল্যে ঘোড়া পাওয়া যাবে।
2018-10-21 19:58:27 @116.193.135.208
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
2018-10-14 12:45:46 @103.67.158.101
হযরত ঈসা ইবনে সুলাইমান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমার নিকট এখবর পৌছেছে যে, যখন হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. দাজ্জালকে হত্যা করবে এবং বাইতুল মাকদাসে অবস্থান করবে। তখন ইয়াজুজ মাজুজ প্রকাশ পাবে। আর তারা হল চব্বিশটি জাতি। (তারা হল) ইয়াজুজ, মাজুজ, ইয়ানাজীজু, জাজ, গাসলাইয়্যূন, সাবতিয়্যূন, ফাযনাইয়্যূন, ক্বওতানিয়্যূন, যারা এককান গায়ে জড়ায় আরেককান বিছানা বানায়, যাতিয়্যূন, কানয়ানিয়্যূন, দাফরাইয়্যূন, খাখূঈন, আনতারিয়্যূন, মাগাশিঊন এবং রুঊসুল কিলাব। সুতরাং তাদের সমষ্টি হল চব্বিশ জাতি। তারা যাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে, চাই মৃত হোক বা জীবিত, তাদের খেয়ে যাবে। যে পানির পাশ দিয়ে যাবে তা পান করে যাবে। তাদের প্রথমে আগমণকারীরা তাবরিয়া জলাশয়ের পানি পান করে ফেলবে। আর তাদের শেষে আগমণকারীরা সেখানে পানি পাবে না। অবশেষে তারা আরিহা নামক স্থানে একত্র হবে। যখন ঈসা আ. (তাদের ব্যাপারে) শুনবেন, তখন তিনি ও তার মুমিন সাথীরা প্রস্তরখন্ড দ্বারা আশ্রয়গ্রহণ করবে। অতপর তাদের মধ্যে একজন বক্তা দাড়াবে। অতপর সে আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করবে এবং তাাঁর গুণগান গাইবে। এবং বলবে, হে আল্লাহ! আপনার অনূস্বরণে অল্প সাহায্য করুন। আপনার গুনাহ (থেকে পরহেজ থাকার) বেশি সাহায্য করুন। কেউ কি প্রতিনিধি আছেন? তখন জুরহুম থেকে একজন প্রতিনিধি হবে। গাসসান হতে একজন প্রতিনিধি হবে। অবশেষে তারা দুইজন গিরিপথের নিচে নামবে। তারপর গাসসানী ব্যক্তি নিচে নামবে, তখন জুরহুমী ব্যক্তি তাকে বলবে, ওখানে ছিলাম না।
হযরত ঈসা ইবনে সুলাইমান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমার নিকট এখবর পৌছেছে যে, যখন হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. দাজ্জালকে হত্যা করবে এবং বাইতুল মাকদাসে অবস্থান করবে। তখন ইয়াজুজ মাজুজ প্রকাশ পাবে। আর তারা হল চব্বিশটি জাতি। (তারা হল) ইয়াজুজ, মাজুজ, ইয়ানাজীজু, জাজ, গাসলাইয়্যূন, সাবতিয়্যূন, ফাযনাইয়্যূন, ক্বওতানিয়্যূন, যারা এককান গায়ে জড়ায় আরেককান বিছানা বানায়, যাতিয়্যূন, কানয়ানিয়্যূন, দাফরাইয়্যূন, খাখূঈন, আনতারিয়্যূন, মাগাশিঊন এবং রুঊসুল কিলাব। সুতরাং তাদের সমষ্টি হল চব্বিশ জাতি। তারা যাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে, চাই মৃত হোক বা জীবিত, তাদের খেয়ে যাবে। যে পানির পাশ দিয়ে যাবে তা পান করে যাবে। তাদের প্রথমে আগমণকারীরা তাবরিয়া জলাশয়ের পানি পান করে ফেলবে। আর তাদের শেষে আগমণকারীরা সেখানে পানি পাবে না। অবশেষে তারা আরিহা নামক স্থানে একত্র হবে। যখন ঈসা আ. (তাদের ব্যাপারে) শুনবেন, তখন তিনি ও তার মুমিন সাথীরা প্রস্তরখন্ড দ্বারা আশ্রয়গ্রহণ করবে। অতপর তাদের মধ্যে একজন বক্তা দাড়াবে। অতপর সে আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করবে এবং তাাঁর গুণগান গাইবে। এবং বলবে, হে আল্লাহ! আপনার অনূস্বরণে অল্প সাহায্য করুন। আপনার গুনাহ (থেকে পরহেজ থাকার) বেশি সাহায্য করুন। কেউ কি প্রতিনিধি আছেন? তখন জুরহুম থেকে একজন প্রতিনিধি হবে। গাসসান হতে একজন প্রতিনিধি হবে। অবশেষে তারা দুইজন গিরিপথের নিচে নামবে। তারপর গাসসানী ব্যক্তি নিচে নামবে, তখন জুরহুমী ব্যক্তি তাকে বলবে, ওখানে ছিলাম না।...
2018-10-06 02:18:56 @103.112.63.18
ডা. জাকির নায়েকের পরিচয়ঃ
===================
ডা. জাকির নায়েক ভারতের বিখ্যাত শহর (মুম্বাই) এ ১৯৬৫ সালের ১৮ অক্টোবর জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি এ শহরে খ্রিস্টান মিশনারি স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেন। অতঃপর মুম্বাই এ হিন্দুদের দ্বারা পরিচালিত কৃষ্ণ চন্দ্র চলের ‘রাম কলেজ’ থেকে এইচ, এস,সি, পাশ করেন। তারপর মুম্বাই এর ‘ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ’ থেকে এম,বি,বি,এস, ডিগ্রী অর্জন করে ডাক্তার হন।
জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত তিনি কোনো দ্বীনী মকতব/মাদরাসা বা খানকায় লেখা-পড়া করেননি। যার ফলে দ্বীনী বিষয়ে সরাসরি কুরআন হাদীস বুঝার বা তা থেকে উপকৃত হওয়ার যোগ্যতা তিনি লাভ করতে পারেননি।
ঘটনাচক্রে ১৯৯৪ সালে মুম্বাই শহরে দ্বীনের এক দাঈ ডা. আহমাদ দীদাতের সাথে তার সাক্ষাৎ হয়। সে তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ডাক্তারী পেশা ছেড়ে দিয়ে দ্বীনী বই-পত্র চর্চার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেন। তবে তিনি তার দ্বীন চর্চা কোনো যোগ্য আলেমের বাতলানো পদ্ধতিতে করেননি। বরং নিজে যেভাবে ভালো মনে করতেন, সে ভাবে করেছেন। (সূত্রঃ হাকীকতে জাকির নায়েক, পৃ. ৩০-৩২সায়্যিদ খালিক সাজিদ বুখারী কৃত)
হক্কানী আলেম-উলামাদের সুহবতে গিয়ে দ্বীনের সহীহ জ্ঞান লাভ না করার ফলে দ্বীনের প্রচারের ক্ষেত্রে তার দ্বারা লাভের চেয়ে ক্ষতিই ছড়াচ্ছে বেশি।
নিম্নে দ্বীন সম্পর্কে তার কিছু ভ্রান্তি তুলে ধরা হলোঃ
আল্লাহ তা‘আলা সম্পর্কে ভ্রান্তিঃ
===================
ডা. সাহেব বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলাকে ব্রহ্ম ও বিষ্ণু প্রভৃতি নামে ডাকা যাবে। (লেকচার সমগ্র, ১/২৬৫ পিস পাবলিকেশন্স, ঢাকা থেকে প্রকাশিত)
ইসলাম বলেঃ আল্লাহ তা‘আলাকে তার সত্তাগত নাম হিসেবে ‘আল্লাহ’ নামে ডাকতে হবে। আর যদি তাকে তার গুণগত নামে ডাকা হয়, তাহলে তিনি নিজের জন্য যে সকল নাম নির্ধারণ করেছেন, সে নামেই তাকে ডাকতে হবে। (যেমন রাহমান,রাহিম,গা
ফ্ফার,সাত্তার, রায্যাক ইত্যাদি।) (সূরা বনী ইসরাঈল-১১০, সূরা ত্বহা-৮, সূরা আ’রাফ-১৮০,সূরা হাশর-২৪,বুখারী-২৭৩৬)
নবী সম্পর্কে ভ্রান্তিঃ
============
ডা. সাহেব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হায়াতুন্নবী হওয়ার আক্বীদাকে অস্বীকার করেন। (লেকচার সমগ্রক চার সমগ্র-৫/৯৫)
অথচ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদা হলো, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং অন্যান্য নবীগণ আ. ইন্তিকালের পর কবরের মধ্যে জীবিত অবস্থায় আছেন। যদিও সেটা হুবহু দুনিয়ার মতো নয়। (মুসলিম-২/১৭৮, মুসনাদে আহমাদ-৩/১৫৬)
সাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে ভ্রান্ত বক্তব্যঃ
=======================
ডা, সাহেব বলেনঃ ‘পরবর্তীতে যখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তিকাল করলেন, আর লোকজন তখন তার কথাগুলোর উদ্বৃতি দিতে শুরু করলো এবং কেউ কেউ এমন কথাও বলতে শুরু করলো, যা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হয়তো বলেননি। (লেকচার ৫/৭৬)
অথচ ইসলাম বলে, সাহাবারা হলেন সত্যের মাপকাঠি। (সূরা বাকারা-৮) এবং হাদীসে তাদের সকলকে ন্যায় পরায়ণ বলা হয়েছে।
কুরআন সম্পর্কে নাপাক কথাঃ
===================
ডা. সাহেব বলেনঃ কুরআন স্পর্শ করতে উযূর প্রয়োজন নেই। বিনা উযূতে কুরআন স্পর্শ করতে পারবে এবং সূরা ওয়াকিয়ার ৮৯ নং আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা দেন। (লেকচার -২/৬২৬)
অথচ বিনা উযূতে কুরআন স্পর্শ করা যাবে না। এ ব্যাপারে উল্লেখিত আয়াত ছাড়াও হাদীসে স্পষ্ট বর্ণনা আছে যে, একমাত্র পবিত্র ব্যক্তি কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ১/১৪৩) ছোট বা বড় নাপাক ওয়ালা ব্যক্তি কুরআন স্পর্শ করতে পারবে না।
হুর সম্পর্কে মন্তব্যঃ
============
ডা. সাহেব বলেনঃ হুর পুরুষ এবং মহিলা উভয় প্রকারের হবে। পুরুষ হুর জান্নাতী নারীদেরকে পাবে, আর মহিলা হুর জান্নাতী পুরুষদেরকে পাবে। (লেকচার সমগ্র -১/৩৫৯)
অথচ কুরআন হাদীসের আলোচনা দ্বারা বুঝা যায় যে, হুর দ্বারা নারীসঙ্গিনী উদ্দেশ্য, পুরুষ হুর বলতে কিছু নেই। (সূরা রাহমান-৭২, তাফসীরে জালালাইন-পৃ.৪৪৬, তাফসীরে কুরতুবী-১১/৬১৪, তিরমিযী-২/৮০)
ডা. জাকির নায়েক কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ভুল মাসায়েল
==================================
(১) ডা. সাহেব বলেনঃ একসঙ্গে তিন তালাক দিলে, তাতে এক তালাক পতিত হবে।
অথচ কুরআন শরীফ ও বুখারী শরীফসহ অসংখ্য সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে, কেউ তার স্ত্রীকে একসঙ্গে তিন তালাক দিলে (যদিও তা গুনাহের কাজ) তিন তালাক পতিত হবে। এবং হালালার পর পুনরায় বিবাহ ব্যতীত তাদের দেখা-সাক্ষাত, মেলা-মেশা সব কিছু যিনা হিসেবে গণ্য হবে। এ ব্যাপারে সমস্ত ফুকাহায়ে কেরাম ও মুফতিয়ানে কেরাম একমত। (সূরা বাকারা-আয়াত নং, আবু দাউদ শরীফ-১/২৯৮)
(২) ডা. সাহেব বলেনঃ ফযরের আযান শুরু হলেও সাহরী করার ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় রয়েছে, হাতে যে খাবার রয়েছে, তা শেষ করার সুযোগ রয়েছে। হতে পারে তা এক গ্লাস পানি বা পাত্রের বাকী অল্প খাবার। (লেকচার সমগ্র ৩/৩২৪)
ডা. সাহেবের উপরোক্ত মাসায়েল কুরআন-হাদীসের সাথে একেবারেই সাংঘর্ষিক। কারণ, কুরআন ও হাদীস দ্বারা বুঝা যায় সাহরী খাওয়া সুবহে সাদিকের পূর্বেই শেষ হতে হবে।
সুবহে সাদিকের পর সামান্য কিছু খেলেও রোযা নষ্ট হয়ে যাবে। (সুরা বাকারা-৮৭)
(৩) ডা. সাহেব বলেনঃ মহিলাদের চেহারা ঢেকে রাখা আবশ্যিক নয়। তাদের মুখে নেকাব দেওয়া ফরয নয়। (লেকচার সমগ্রঃ ১/
১৪.১৭৫.৩৬৬.৪৪৮, ৫/১৬৯)
অথচ ইসলামের হুকুম হলো, নিকাব বা হিজাব দ্বারা তাদের চেহারা ঢেকে রাখতে হবে। (সূরা আহযাব-৫৩/৫৯)
(৪) ডা. সাহেব বলেনঃ ‘পোশাক যদি হারাম না হয়, সব শর্ত পূরণ করে, তাহলে আপনি কোর্তা, প্যান্ট, শার্ট যেটা পরে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, সেটা পরতে পারেন।’ (লেক. -২/৫৫০)
ডা. সাহেবের উপরোক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ মনগড়া। কেননা, ইসলামে বাহ্যিক লেবাস-পোশাকের গুরুত্ব অপরিসীম। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পোশাকের ক্ষেত্রে কাফিরদের বেশ-ভূষা গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। হাদীস শরীফে এসেছে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তাদের (বিধর্মীদের) সাদৃশ্যতা অবলম্বন করবে, সে তাদের দলভুক্ত। (মুসনাদে আহমাদ- হা.নং১১৯৯)
আর একথা সকলের নিকট স্পষ্ট যে, পোশাকের ক্ষেত্রে প্যান্ট-শার্ট বিধর্মীদের পোশাকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
(৫) ডা. সাহেব বলেনঃ জুম‘আর দিনে আগে ঈদের নামায আদায় করলে পরে জুম‘আর নামায আদায় করা আর না করা ঐচ্ছিক ব্যাপার। (লেকচার সমগ্র ৫/৪৭৬)
অথচ ইসলামের বিধান হল, পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও জুম‘আর নামায অপরিহার্য ফরয হুকুম। অন্য কোনো আমলের দ্বারা এগুলোর হুকুম শিথিল হবে না। তাই জুম‘আর দিন ঈদ হলে ঈদের নামায পড়লে ও জুম‘আর নামায অবশ্যই পড়তে হবে। (সুনানে দারা কুতনী পৃ. ৩৩৫, নাইলুল আওতার ৩/২২৪)
(৬) ডা. সাহেব বলেনঃ যখন তোমরা সফর করবে, তখন তোমরা দুই ওয়াক্তের নামায একসাথে পড়তে পারো। সফরের সময় কেউ এভাবে সালাত আদায় করলে, আমার কোনো আপত্তি থাকবে না। (লেক. ২/৪৩)
এক্ষেত্রে তিনি পবিত্র কোরআনের অপব্যাখ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। অথচ হানাফী মাযহাবে এ হাদীসের অর্থ, এক ওয়াক্তকে আরেক ওয়াক্তে নিয়ে পড়া নয়। কারণ, তা হারাম ও কবীরা গুনাহ। হাদীসের আসল ব্যাখ্যা হলো, যান বাহন থেকে বারবার উঠা-নামার ঝামেলা এড়াতে ওয়াক্তের শেষের দিকে একবার অবতরণ করে, সেই ওয়াক্তের নামায পড়ে নিবে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে দ্বিতীয় ওয়াক্ত এসে গেলে সেটাও পড়ে নিবে। তাহলে একই অবতরণে দুই ওয়াক্ত নামায পড়া হলেও প্রতিটি তার ওয়াক্তমত পড়া হয়।
(৭) ডা. সাহেব বলেনঃ আমাদেরকে ইসলামী শরীআহ মেনে এরকম সিনেমা বানাতে হবে, যেটা কুরআন হাদীসের বিরুদ্ধে যাবে না। শরীআহ মেনেই বানাবো। শুধু সিনেমাই নয়, আমাদের নাটক বানাতে হবে, ডকুমেন্টারিও বানাতে হবে। (লেকচার সমগ্র, ২/২৩১)
অথচ ইসলামী শরী‘আতে সিনেমা-নাটক সম্পূর্ণরূপে হারাম। কেননা, ছবি ছাড়া এগুলো তৈরী অসম্ভব। আর প্রাণীর ছবির ব্যাপারে হাদীস শরীফে এসেছে, কেয়ামতের দিন ছবি অঙ্কনকারীকে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। (বুখারী শরীফ)
(৮) ডা. সাহেব বলেনঃ মাসিক চলাকালীন নারীগণ নামায, রোযা, কাবাঘর তাওয়াফ এবং ইতিকাফ ছাড়া আর সব ইবাদত করতে পারবে। ঋতুবর্তী নারী রমযানের শেষ দিন যা করতে পারবে তা হলো, ঐ সময়টি সে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারে। এ ছাড়া আর যে কাজ তারা করতে পারে তা হলো, তারা সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ্, আল্লাহু আকবার ইত্যাদি পড়বে এবং তারা কুরআন তেলাওয়াত করতে পারে। (লেক, ৫/৩৮৯)
অথচ হাদীস শরীফে স্পষ্ট এসেছে, ﺍﻟﺤﺎﺋﺾ ﻭﺍﻟﺠﻨﺐ ﻻ ﻳﻘﺮﺃ ﺍﻟﻘﺮﺃﻥ অর্থাৎ হায়েযা মহিলা এবং নাপাক ব্যাক্তি যেন কুরআনের কোনো অংশ পাঠ না করে । (বুখারী, মুসলিম)
এ কারণে মাযহাব চতুষ্টয়ের মধ্যে এ ব্যাপারে ইজমা (ঐক্যমত) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, হায়েযা মহিলা বা যার উপর গোসল ফরয তাদের জন্য কুরআন তিলাওয়াত হারাম।
(৯) ডা. সাহেব মাযহাবের ইমামের তাকলীদের প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করে এ সম্পর্কে তার ভ্রান্ত মত জনগণের সামনে তুলে ধরেন। ইমামে আ’যম আবু হানীফা (রহ.) সহ অনেক ইমাম ও সালাফকে বিষাক্ত শব্দের নিশানা বানিয়েছেন। (লেকচার সমগ্র)
(১০) ডা. সাহেব প্রথমে পরষ্পর বিরোধী কিছু হাদীস এবং আছার তুলে ধরে বলেনঃ সুতরাং তারাবীহ্ যত রাকা‘আত খুশী তত রাকা‘আত আদায় করা যাবে। (লেকচার সমগ্রকচার সমগ্র৫/২৪৭)
অথচ হাদীস শরীফে স্পষ্ট এসেছে, ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে, ‘নিশ্চয় নবীজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযানে ২০ রাকা‘আত (তারাবীহ্) এবং বিতর পড়তেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-২/২৮৬)
আর তারাবীহ্ ২০ রাকা‘আত এ ব্যাপারে মাযহাব চতুষ্টয়ের সকল ইমাম ঐক্যমত পোষণ করেন যে, তারাবীহ্ এর নামায ২০ রাকা‘আতের কম পড়া যাবে না। মালেকী মাযহাবে ৩৬ রাকা‘আত তারাবীহ্। তবে কোনো ইমামই ৮ রাকা‘আত তারাবীহ্ পড়াকে বৈধ বলেননি। তাহলে ডা. সাহেব এর কথা কীভাবে সহীহ হতে পারে ?
Apni doctor jakir naik somporke olta palta onek kotha bolechen , othocho onar kotha ei rokom noy , beshi barabari kora valo na 

2018-10-02 19:16:11 @116.193.135.151
হযরত আমেরে শাবী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি মুসতালিক বংশের এক লোক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি এরশাদ করে

একদিন আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে জানতে চাইলাম যে, হযরত ওমর এর মৃত্যুর পর আমার গোত্রের লোকজন কাকে যাকাত প্রদান করবে?

জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমরা ওমরের পর ওসমান ইবনে আফফানকে যাকাত দিবে।
হযরত আমেরে শাবী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি মুসতালিক বংশের এক লোক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি এরশাদ করে

একদিন আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে জানতে চাইলাম যে, হযরত ওমর এর মৃত্যুর পর আমার গোত্রের লোকজন কাকে যাকাত প্রদান করবে?

জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমরা ওমরের পর ওসমান ইবনে আফফানকে যাকাত দিবে।এ খানে লেখা জায় কেন
2018-09-26 13:06:40 @103.114.36.213
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাদের সামনে ভারত যুদ্ধ সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এক পর্যায়ে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে, যদি আমার উক্ত যুদ্ধে অংশ গ্রহণের সুযোগ হয় তাহলে এরজন্য আমার জান-মাল সবকিছু কোরবানী দিয়ে দিব। সেখানে আমি যদি শহীদ হয়ে যায় তাহলে আমি হব উত্তম শহীদদের একজন, আর গাজী হয়ে ফিরে আসলে আমি হয়ে যাব স্বাধীন আবু হুরায়রা।
2018-09-16 02:06:23 @103.95.208.217
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাদের সামনে ভারত যুদ্ধ সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এক পর্যায়ে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে, যদি আমার উক্ত যুদ্ধে অংশ গ্রহণের সুযোগ হয় তাহলে এরজন্য আমার জান-মাল সবকিছু কোরবানী দিয়ে দিব। সেখানে আমি যদি শহীদ হয়ে যায় তাহলে আমি হব উত্তম শহীদদের একজন, আর গাজী হয়ে ফিরে আসলে আমি হয়ে যাব স্বাধীন আবু হুরায়রা।
2018-09-16 02:05:40 @103.95.208.217
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সম্মানিতা স্ত্রী উম্মুল মু’মিনীন হযরত হাফসা রাযিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, এই ঘর উদ্দেশ্য করে পশ্চিম দিক হতে এক দল সৈন্য এখানে আগমন করবে। এমনকি যখন তারা খোলা প্রান্তরে থাকবে তখন উক্ত প্রান্তর তাদের নিয়ে ধসে যাবে। অতপর উক্ত সৈন্য দলের ইমাম বা নেতা সেখানে ফিরে যাবে যাতে সে দেখতে পারে যে, তার জাতি কি কাজ করেছে। তখন তাদেরও ঐ পরিনতি ঘটবে যা ইতি পূর্বে তাদের ঘটেছে। আর তাদের পরবর্তীদের তাদের সাথে সাক্ষাৎ ঘটবে। যাতে সে দেখতে পারে যে, তারা কি করেছে। তাদেরও ঐ পরিনতি ঘটবে যা ইতি পূর্বে তাদের ঘটেছে। অতপর যে ব্যক্তি উহাকে পুনারায় করতে চাইবে তার ঐ পরিনতিই হবে যা তাদের হয়েছে। অতপর আল্লাহ ত’আলা তার ইচ্ছা অনুযায়ী সকল বিষয় প্রেরণ করবেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সম্মানিতা স্ত্রী উম্মুল মু’মিনীন হযরত হাফসা রাযিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, এই ঘর উদ্দেশ্য করে পশ্চিম দিক হতে এক দল সৈন্য এখানে আগমন করবে। এমনকি যখন তারা খোলা প্রান্তরে থাকবে তখন উক্ত প্রান্তর তাদের নিয়ে ধসে যাবে। অতপর উক্ত সৈন্য দলের ইমাম বা নেতা সেখানে ফিরে যাবে যাতে সে দেখতে পারে যে, তার জাতি কি কাজ করেছে। তখন তাদেরও ঐ পরিনতি ঘটবে যা ইতি পূর্বে তাদের ঘটেছে। আর তাদের পরবর্তীদের তাদের সাথে সাক্ষাৎ ঘটবে। যাতে সে দেখতে পারে যে, তারা কি করেছে। তাদেরও ঐ পরিনতি ঘটবে যা ইতি পূর্বে তাদের ঘটেছে। অতপর যে ব্যক্তি উহাকে পুনারায় করতে চাইবে তার ঐ পরিনতিই হবে যা তাদের হয়েছে। অত
2018-09-15 19:32:57 @116.58.204.132
হযরত আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করে বলেন যে, দাজ্জালের গাধার দুই কানের মাঝখানে চল্লিশ গজ ব্যবধান হবে। আর তার গাধার কদম সাধারণত কদমে তিন দিনের সমান। সে তার গাধার উপরে সমুদ্রে প্রবেশ করবে যেমন নাকি তোমাদের কেউ তার ঘোড়ার উপর থাকা অবস্থায় ছোট নদীতে প্রবেশ করে। সে বলবে আমি সমগ্র পৃথীবির রব। এই সূর্য্য আমার অনুমতিতে চলে। তোমরা কি চাও যে, আমি তা বন্দি করে দেই। অতপর সে সূর্য্যকে বন্দি করে দিবে ফলে এক দিন এক মাস ও জুম’আর সমান হবে। অতপর সে বলবে তোমরা কি চাও যে, আমি তা তোমাদের জন্য জারি করে দেই? তখন লোকজন বলবে হ্যাঁ। তখন এক দিন এক ঘন্টার সমান হয়ে যাবে। অতপর তার নিকট একজন মহিলা আসবে। সে বলবে হে প্রভু, আমার সন্তানকে জীবিত করে দিন। আমার স্বামীকে জীবিত করে দিন। এমনকি মহিলা শয়তানের সাথে গলা মিশাবে। শয়তানের সাথে সহবাস করবে। তাদের নিকট সকল শয়তান আসবে। আর তার নিকট গ্রাম্য লোক এসে বলবে হে আমাদের রব আমাদের ছাগলগুলি আমাদের উটগুলি জীবিত করে দাও। তখন শয়তানগুলি তাদের ছাগল ও উটের বয়স, মোটাতাজা ও প্রচুর চর্বি সহকারে যে অবস্থায় ছাগল ও উট তাদের থেকে পৃথক হয়েছিল সেরূপ আকৃতি ধারণ করবে। তখন তারা বলবে ইনি যদি আমাদের রব না হতেন তাহলে তো তিনি আমাদের মৃত উট ও ছাগল জীবিত করতে পারতেন না। তার সাথে গরম গোস্ত তরকারি ঝোল থাকবে। যা ঠান্ডা হবে না। আর তার সাথে থাকবে প্রবাহিত নদী। সবুজ শ্যামল ও অনেক বাগান বিশিষ্ট পাহাড়। আগুণ ও ধোঁয়ার পাহাড়। সে বলবে এটা আমার জান্নাত। এটা আমার জাহান্নাম। এটা আমার খাবার। এটা আমার পানীয়। আর ইয়াসা তার সাথে থাকবে সে মানুষদের সতর্ক করতে থাকবে। আর সে বলবে, এটা (দাজ্জাল) মাসীহ মহা মিথ্যাবাদী। অতএব তাকে ত্যাগ কর। আল্লাহর লা’নত দাজ্জালের উপর। আল্লাহ তা’আলা তাকে দ্রুত ও গোপনে তাকে সম্পদ দিবেন। তার সাথে দাজ্জাল মিলিত হবে। যখন দাজ্জাল বলবে আমি পৃথীবির রব। তখন মানুষগণ বলবে তুমি মিথ্যা বলছ। তখন ইয়াসা বলবে মানুষ সত্য কথা বলেছে। অতপর সে মক্কায় যাবে। আর সেখান এক বিরাট মাখলূক দেখবে। অতপর সে বলবে তুমি কে? আর এই দাজ্জাল তোমাদের নিকট এসেছে। অতপর সে বলবে আমি মিকাঈল। আল্লাহ তা’আলা আমাকে পাঠিয়েছেন, যাতে আমি তাকে তার হারাম থেকে বিরত রাখতে পারি। এবং সে মদীনায় যাবে। আর সেখানেও এক মহান মাখলূক দেখতে পাবে। অতপর সে বলবে তুমি কে? এই দাজ্জাল তোমার নিকট এসেছে। উত্তরে সে বলবে আমি জিবরাঈল। আল্লাহ তা’আলা আমাকে পাঠিয়েছেন, যাতে আমি দাজ্জালকে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হরম থেকে বিরত রাখতে পারি। অতপর দাজ্জাল মক্কায় যাবে। যখন দাজ্জাল মিকাঈল আ. কে দেখবে তখন ভেগে পালাবে। আর হারামে প্রবেশ করবে না। অতপর দাজ্জাল একটি চিৎকার দিবে। ফলে মক্কার থেকে পুরুষ মুনাফেক ও মহিলা মুনাফেক তার দিকে বাহির হয়ে আসবে। অতপর দাজ্জাল মাদিনায় যাবে। আর যখন সেখানে জিবরাঈল আ. কে দেখবে তখন ভেগে পালাবে। অতপর দাজ্জাল একটি চিৎকার দিবে। ফলে মদীনা থেকে তার দিকে পুরুষ মুনাফেক ও মহিলা মুনাফেক বাহির হয়ে আসবে। আর যে দলের হাতে আল্লাহ তা’আলা কুস্তুনতুনিয়ার জয় দিয়েছেন এবং বাইতুল মুকাদ্দাসের মুসলমানদের থেকে যারা তাদের সাতে সমন্বিত হয়েছেন, তাদের নিকট একজন সতর্ককারী আসবে। তারা বলবে এই হল দাজ্জাল। তোমাদের নিকট এসেছে। অতপর তারা বলবে তোমরা বস। কেননা আমরা তাকে হত্যা করতে চাই। অতপর সে বলবে বরং তোমরা মানুসের নিকট তার বাহির হওয়ার খবর আসা পর্যন্ত ফিরে যাও। অতপর সে যখন ফিরবে তখন দাজ্জাল তার সাথে শামিল হবে। অতপর সে বলবে এই হল সেই ব্যক্তি যে ধারণা করে যে, আমি তার সাথে পারব না। সুতরাং তোমরা তাকে অত্যন্ত খারাপ ভাবে হত্যা করা। ফলে তারা অস্ত্র নিয়ে ছড়িয়ে পরবে। অতপর দাজ্জাল বলবে যদি আমি তোমাদের জন্য তাকে জীবিত করি তাহলে তোমরা কি আমাকে রব হিসাবে মেনে নিবে? অতপর তারা বলবে আমরা জানি যে, তুমি আমাদের রব। আর আমরা এটা পছন্দ করি যে, আমাদের একীন বা বিশ্বাস বাড়াবো। অতপর সে বলবে হ্যাঁ। অতপর আল্লাহ তা’আলার অনুমতিতে একজন জীবিত হবে। আর আল্লাহ তা’আলা দাজ্জালকে উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত আর কাউকে জীবিত করার অনুমতি দিবেন না। অতপর দাজ্জাল বলবে আমি কি তোমাকে মৃত্যু দান করিনি? অতপর তোমাকে জীবিত করেছি। সুতরাং আমি তোমার রব। অতপর লোকটি বলবে এখন তুমি একীন বা বিশ্বাস বাড়িয়েছ। আমি হলাম ঐ ব্যক্তি যাাকে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ সুসংবাদ দিয়েছেন যে, তুমি আমাকে হত্যা করবে তারপর আল্ল্হা তা’আলা অনুমতি ক্রমে জীবিত করবে। আল্লাহ তা’আলা আমাকে ব্যতীত আর কাউকে তোমার জন্য জীবিত করবেন না। অতপর সে সতর্ককারীর চামড়ার উপর লোহ বা তামার পাত স্পর্শ করবে। কিন্তু তাদের অস্ত্র দ্বারা তার কোন চাল কাজে আসবে না। কোন তরবারী এবং কোন চাকু এবং কোন পাথর তাকে মারতে পারবে না। বরং তার থেকে ফিরে আসবে। তার থেকে তার কোন ক্ষতি হবে না। অতপর দাজ্জাল বলবে তাকে আমার জাহান্নামে নিক্ষেপ কর। অতপর আল্লাহ তা’আলা উক্ত পাহাড় (দাজ্জালের জাহান্নাম) কে সতর্ককারীর উপর সবুজ শ্যামল বাগানে পরিবর্তন করে দিবেন। অতপর জনগণ তাতে সন্দেহ পোষণ করেবে এবং প্রতিযোগিতা মুলক ভাবে বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে যাবে। যখন তারা আফিকের গিরিপথে উঠবে, তখন তার ছায়া তাদের উপর পড়বে। তখন তারা তাদের ধনুকে তীর সংযোজন করবে তাকে হত্যা করার জন্য। সেদিন মুসলমানগণ নিঃস্ব বা অভাবগ্রস্থ হয়ে যাবে। (মুসলমানদের থেকে) যে হাটু গেড়ে বসবে বা উপবেশন করবে সে ক্ষুধার কারণে হাটু গেড়ে বসবে বা ক্ষধার কারণে উপবেশন করবে। অতপর তার একজন ঘোষণাকারীর ডাক শুনবে যে, হে লোক সকল তোমাদের নিকট সাহাজ্য এসে গেছে।
হযরত আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করে বলেন যে, দাজ্জালের গাধার দুই কানের মাঝখানে চল্লিশ গজ ব্যবধান হবে। আর তার গাধার কদম সাধারণত কদমে তিন দিনের সমান। সে তার গাধার উপরে সমুদ্রে প্রবেশ করবে যেমন নাকি তোমাদের কেউ তার ঘোড়ার উপর থাকা অবস্থায় ছোট নদীতে প্রবেশ করে। সে বলবে আমি সমগ্র পৃথীবির রব। এই সূর্য্য আমার অনুমতিতে চলে। তোমরা কি চাও যে, আমি তা বন্দি করে দেই। অতপর সে সূর্য্যকে বন্দি করে দিবে ফলে এক দিন এক মাস ও জুম’আর সমান হবে। অতপর সে বলবে তোমরা কি চাও যে, আমি তা তোমাদের জন্য জারি করে দেই? তখন লোকজন বলবে হ্যাঁ। তখন এক দিন এক ঘন্টার সমান হয়ে যাবে। অতপর তার নিকট একজন মহিলা আসবে। সে বলবে হে প্রভু, আমার সন্তানকে জীবিত করে দিন। আমার স্বামীকে জীবিত করে দিন। এমনকি মহিলা শয়তানের সাথে গলা মিশাবে। শয়তানের সাথে সহবাস করবে। তাদের নিকট সকল শয়তান আসবে। আর তার নিকট গ্রাম্য লোক এসে বলবে হে আমাদের রব আমাদের ছাগলগুলি আমাদের উটগুলি জীবিত করে দাও। তখন শয়তানগুলি তাদের ছাগল ও উটের বয়স, মোটাতাজা ও প্রচুর চর্বি সহকারে যে অবস্থায় ছাগল ও উট তাদের থেকে পৃথক হয়েছিল সেরূপ আকৃতি ধারণ করবে। তখন তারা বলবে ইনি যদি আমাদের রব না হতেন তাহলে তো তিনি আমাদের মৃত উট ও ছাগল জীবিত করতে পারতেন না। তার সাথে গরম গোস্ত তরকারি ঝোল থাকবে। যা ঠান্ডা হবে না। আর তার সাথে থাকবে প্রবাহিত নদী। সবুজ শ্যামল ও অনেক বাগান বিশিষ্ট পাহাড়। আগুণ ও ধোঁয়ার পাহাড়। সে বলবে এটা আমার জান্নাত। এটা আমার জাহান্নাম। এটা আমার খাবার। এটা আমার পানীয়। আর ইয়াসা তার সাথে থাকবে সে মানুষদের সতর্ক করতে থাকবে। আর সে বলবে, এটা (দাজ্জাল) মাসীহ মহা মিথ্যাবাদী। অতএব তাকে ত্যাগ কর। আল্লাহর লা’নত দাজ্জালের উপর। আল্লাহ তা’আলা তাকে দ্রুত ও গোপনে তাকে সম্পদ দিবেন। তার সাথে দাজ্জাল মিলিত হবে। যখন দাজ্জাল বলবে আমি পৃথীবির রব। তখন মানুষগণ বলবে তুমি মিথ্যা বলছ। তখন ইয়াসা বলবে মানুষ সত্য কথা বলেছে। অতপর সে মক্কায় যাবে। আর সেখান এক বিরাট মাখলূক দেখবে। অতপর সে বলবে তুমি কে? আর এই দাজ্জাল তোমাদের নিকট এসেছে। অতপর সে বলবে আমি মিকাঈল। আল্লাহ তা’আলা আমাকে পাঠিয়েছেন, যাতে আমি তাকে তার হারাম থেকে বিরত রাখতে পারি। এবং সে মদীনায় যাবে। আর সেখানেও এক মহান মাখলূক দেখতে পাবে। অতপর সে বলবে তুমি কে? এই দাজ্জাল তোমার নিকট এসেছে। উত্তরে সে বলবে আমি জিবরাঈল। আল্লাহ তা’আলা আমাকে পাঠিয়েছেন, যাতে আমি দাজ্জালকে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হরম থেকে বিরত রাখতে পারি। অতপর দাজ্জাল মক্কায় যাবে। যখন দাজ্জাল মিকাঈল আ. কে দেখবে তখন ভেগে পালাবে। আর হারামে প্রবেশ করবে না। অতপর দাজ্জাল একটি চিৎকার দিবে। ফলে মক্কার থেকে পুরুষ মুনাফেক ও মহিলা মুনাফেক তার দিকে বাহির হয়ে আসবে। অতপর দাজ্জাল মাদিনায় যাবে। আর যখন সেখানে জিবরাঈল আ. কে দেখবে তখন ভেগে পালাবে। অতপর দাজ্জাল একটি চিৎকার দিবে। ফলে মদীনা থেকে তার দিকে পুরুষ মুনাফেক ও মহিলা মুনাফেক বাহির হয়ে আসবে। আর যে দলের হাতে আল্লাহ তা’আলা কুস্তুনতুনিয়ার জয় দিয়েছেন এবং বাইতুল মুকাদ্দাসের মুয্সয্চুলমানদের থেকে যারা তাদের সাতে সমন্বিত হয়েছেন, তাদের নিকট একজন সতর্ককারী আসবে। তারা বলবে এই হল দাজ্জাল। তোমাদের নিকট এসেছে। অতপর তারা বলবে তোমরা বস। কেননা আমরা তাকে হত্যা করতে চাই। অতপর সে বলবে বরং তোমরা মানুসের নিকট তার বাহির হওয়ার খবর আসা পর্যন্ত ফিরে যাও। অতপর সে যখন ফিরবে তখন দাজ্জাল তার সাথে শামিল হবে। অতপর সে বলবে এই হল সেই ব্যক্তি যে ধারণা করে যে, আমি তার সাথে পারব না। সুতরাং তোমরা তাকে অত্যন্ত খারাপ ভাবে হত্যা করা। ফলে তারা অস্ত্র নিয়ে ছড়িয়ে পরবে। অতপর দাজ্জাল বলবে যদি আমি তোমাদের জন্য তাকে জীবিত করি তাহলে তোমরা কি আমাকে রব হিসাবে মেনে নিবে? অতপর তারা বলবে আমরা জানি যে, তুমি আমাদের রব। আর আমরা এটা পছন্দ করি যে, আমাদের একীন বা বিশ্বাস বাড়াবো। অতপর সে বলবে হ্যাঁ। অতপর আল্লাহ তা’আলার অনুমতিতে একজন জীবিত হবে। আর আল্লাহ তা’আলা দাজ্জালকে উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত আর কাউকে জীবিত করার অনুমতি দিবেন না। অতপর দাজ্জাল বলবে আমি কি তোমাকে মৃত্যু দান করিনি? অতপর তোমাকে জীবিত করেছি। সুতরাং আমি তোমার রব। অতপর লোকটি বলবে এখন তুমি একীন বা বিশ্বাস বাড়িয়েছ। আমি হলাম ঐ ব্যক্তি যাাকে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ সুসংবাদ দিয়েছেন যে, তুমি আমাকে হত্যা করবে তারপর আল্ল্হা তা’আলা অনুমতি ক্রমে জীবিত করবে। আল্লাহ তা’আলা আমাকে ব্যতীত আর কাউকে তোমার জন্য জীবিত করবেন না। অতপর সে সতর্ককারীর চামড়ার উপর লোহ বা তামার পাত স্পর্শ করবে। কিন্তু তাদের অস্ত্র দ্বারা তার কোন চাল কাজে আসবে না। কোন তরবারী এবং কোন চাকু এবং কোন পাথর তাকে মারতে পারবে না। বরং তার থেকে ফিরে আসবে। তার থেকে তার কোন ক্ষতি হবে না। অতপর দাজ্জাল বলবে তাকে আমার জাহান্নামে নিক্ষেপ কর। অতপর আল্লাহ তা’আলা উক্ত পাহাড় (দাজ্জালের জাহান্নাম) কে সতর্ককারীর উপর সবুজ শ্যামল বাগানে পরিবর্তন করে দিবেন। অতপর জনগণ তাতে সন্দেহ পোষণ করেবে এবং প্রতিযোগিতা মুলক ভাবে বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে যাবে। যখন তারা আফিকের গিরিপথে উঠবে, তখন তার ছায়া তাদের উপর পড়বে। তখন তারা তাদের ধনুকে তীর সংযোজন করবে তাকে হত্যা করার জন্য। সেদিন মুসলমানগণ নিঃস্ব বা অভাবগ্রস্থ হয়ে যাবে। (মুসলমানদের থেকে) যে হাটু গেড়ে বসবে বা উপবেশন করবে সে ক্ষুধার কারণে হাটু গেড়ে বসবে বা ক্ষধার কারণে উপবেশন করবে। অতপর তার একজন ঘোষণাকারীর ডাক শুনবে যে, হে লোক সকল তোমাদের নিকট সাহাজ্য এসে গেছে।
2018-09-15 14:41:58 @43.245.123.72
হযরত ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন তিনশত পাঁচ বছর হবে তখন বড় একচি বিষয় ঘটবে যাতে যদি তারা ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে হিরার দ্বারা ধ্বং হবে। আর যদি বেঁচে যায় তাহলে ঈসা আলাইহিস সালাম। আর যখন সত্তর বছর হবে তখন তোমরা এমন কিছু হতে দেখবে যা তোমরা প্রত্যাখান কর।
হযরত ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন তিনশত পাঁচ বছর হবে তখন বড় একচি বিষয় ঘটবে যাতে যদি তারা ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে হিরার দ্বারা ধ্বং হবে। আর যদি বেঁচে যায় তাহলে ঈসা আলাইহিস সালাম। আর যখন সত্তর বছর হবে তখন তোমরা এমন কিছু হতে দেখবে যা তোমরা প্রত্যাখান কর। hi
2018-09-09 02:20:49 @180.211.153.95
ডা. জাকির নায়েকের পরিচয়ঃ
===================
ডা. জাকির নায়েক ভারতের বিখ্যাত শহর (মুম্বাই) এ ১৯৬৫ সালের ১৮ অক্টোবর জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি এ শহরে খ্রিস্টান মিশনারি স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেন। অতঃপর মুম্বাই এ হিন্দুদের দ্বারা পরিচালিত কৃষ্ণ চন্দ্র চলের ‘রাম কলেজ’ থেকে এইচ, এস,সি, পাশ করেন। তারপর মুম্বাই এর ‘ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ’ থেকে এম,বি,বি,এস, ডিগ্রী অর্জন করে ডাক্তার হন।
জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত তিনি কোনো দ্বীনী মকতব/মাদরাসা বা খানকায় লেখা-পড়া করেননি। যার ফলে দ্বীনী বিষয়ে সরাসরি কুরআন হাদীস বুঝার বা তা থেকে উপকৃত হওয়ার যোগ্যতা তিনি লাভ করতে পারেননি।
ঘটনাচক্রে ১৯৯৪ সালে মুম্বাই শহরে দ্বীনের এক দাঈ ডা. আহমাদ দীদাতের সাথে তার সাক্ষাৎ হয়। সে তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ডাক্তারী পেশা ছেড়ে দিয়ে দ্বীনী বই-পত্র চর্চার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেন। তবে তিনি তার দ্বীন চর্চা কোনো যোগ্য আলেমের বাতলানো পদ্ধতিতে করেননি। বরং নিজে যেভাবে ভালো মনে করতেন, সে ভাবে করেছেন। (সূত্রঃ হাকীকতে জাকির নায়েক, পৃ. ৩০-৩২সায়্যিদ খালিক সাজিদ বুখারী কৃত)
হক্কানী আলেম-উলামাদের সুহবতে গিয়ে দ্বীনের সহীহ জ্ঞান লাভ না করার ফলে দ্বীনের প্রচারের ক্ষেত্রে তার দ্বারা লাভের চেয়ে ক্ষতিই ছড়াচ্ছে বেশি।
নিম্নে দ্বীন সম্পর্কে তার কিছু ভ্রান্তি তুলে ধরা হলোঃ
আল্লাহ তা‘আলা সম্পর্কে ভ্রান্তিঃ
===================
ডা. সাহেব বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলাকে ব্রহ্ম ও বিষ্ণু প্রভৃতি নামে ডাকা যাবে। (লেকচার সমগ্র, ১/২৬৫ পিস পাবলিকেশন্স, ঢাকা থেকে প্রকাশিত)
ইসলাম বলেঃ আল্লাহ তা‘আলাকে তার সত্তাগত নাম হিসেবে ‘আল্লাহ’ নামে ডাকতে হবে। আর যদি তাকে তার গুণগত নামে ডাকা হয়, তাহলে তিনি নিজের জন্য যে সকল নাম নির্ধারণ করেছেন, সে নামেই তাকে ডাকতে হবে। (যেমন রাহমান,রাহিম,গা
ফ্ফার,সাত্তার, রায্যাক ইত্যাদি।) (সূরা বনী ইসরাঈল-১১০, সূরা ত্বহা-৮, সূরা আ’রাফ-১৮০,সূরা হাশর-২৪,বুখারী-২৭৩৬)
নবী সম্পর্কে ভ্রান্তিঃ
============
ডা. সাহেব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হায়াতুন্নবী হওয়ার আক্বীদাকে অস্বীকার করেন। (লেকচার সমগ্রক চার সমগ্র-৫/৯৫)
অথচ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদা হলো, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং অন্যান্য নবীগণ আ. ইন্তিকালের পর কবরের মধ্যে জীবিত অবস্থায় আছেন। যদিও সেটা হুবহু দুনিয়ার মতো নয়। (মুসলিম-২/১৭৮, মুসনাদে আহমাদ-৩/১৫৬)
সাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে ভ্রান্ত বক্তব্যঃ
=======================
ডা, সাহেব বলেনঃ ‘পরবর্তীতে যখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তিকাল করলেন, আর লোকজন তখন তার কথাগুলোর উদ্বৃতি দিতে শুরু করলো এবং কেউ কেউ এমন কথাও বলতে শুরু করলো, যা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হয়তো বলেননি। (লেকচার ৫/৭৬)
অথচ ইসলাম বলে, সাহাবারা হলেন সত্যের মাপকাঠি। (সূরা বাকারা-৮) এবং হাদীসে তাদের সকলকে ন্যায় পরায়ণ বলা হয়েছে।
কুরআন সম্পর্কে নাপাক কথাঃ
===================
ডা. সাহেব বলেনঃ কুরআন স্পর্শ করতে উযূর প্রয়োজন নেই। বিনা উযূতে কুরআন স্পর্শ করতে পারবে এবং সূরা ওয়াকিয়ার ৮৯ নং আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা দেন। (লেকচার -২/৬২৬)
অথচ বিনা উযূতে কুরআন স্পর্শ করা যাবে না। এ ব্যাপারে উল্লেখিত আয়াত ছাড়াও হাদীসে স্পষ্ট বর্ণনা আছে যে, একমাত্র পবিত্র ব্যক্তি কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ১/১৪৩) ছোট বা বড় নাপাক ওয়ালা ব্যক্তি কুরআন স্পর্শ করতে পারবে না।
হুর সম্পর্কে মন্তব্যঃ
============
ডা. সাহেব বলেনঃ হুর পুরুষ এবং মহিলা উভয় প্রকারের হবে। পুরুষ হুর জান্নাতী নারীদেরকে পাবে, আর মহিলা হুর জান্নাতী পুরুষদেরকে পাবে। (লেকচার সমগ্র -১/৩৫৯)
অথচ কুরআন হাদীসের আলোচনা দ্বারা বুঝা যায় যে, হুর দ্বারা নারীসঙ্গিনী উদ্দেশ্য, পুরুষ হুর বলতে কিছু নেই। (সূরা রাহমান-৭২, তাফসীরে জালালাইন-পৃ.৪৪৬, তাফসীরে কুরতুবী-১১/৬১৪, তিরমিযী-২/৮০)
ডা. জাকির নায়েক কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ভুল মাসায়েল
==================================
(১) ডা. সাহেব বলেনঃ একসঙ্গে তিন তালাক দিলে, তাতে এক তালাক পতিত হবে।
অথচ কুরআন শরীফ ও বুখারী শরীফসহ অসংখ্য সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে, কেউ তার স্ত্রীকে একসঙ্গে তিন তালাক দিলে (যদিও তা গুনাহের কাজ) তিন তালাক পতিত হবে। এবং হালালার পর পুনরায় বিবাহ ব্যতীত তাদের দেখা-সাক্ষাত, মেলা-মেশা সব কিছু যিনা হিসেবে গণ্য হবে। এ ব্যাপারে সমস্ত ফুকাহায়ে কেরাম ও মুফতিয়ানে কেরাম একমত। (সূরা বাকারা-আয়াত নং, আবু দাউদ শরীফ-১/২৯৮)
(২) ডা. সাহেব বলেনঃ ফযরের আযান শুরু হলেও সাহরী করার ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় রয়েছে, হাতে যে খাবার রয়েছে, তা শেষ করার সুযোগ রয়েছে। হতে পারে তা এক গ্লাস পানি বা পাত্রের বাকী অল্প খাবার। (লেকচার সমগ্র ৩/৩২৪)
ডা. সাহেবের উপরোক্ত মাসায়েল কুরআন-হাদীসের সাথে একেবারেই সাংঘর্ষিক। কারণ, কুরআন ও হাদীস দ্বারা বুঝা যায় সাহরী খাওয়া সুবহে সাদিকের পূর্বেই শেষ হতে হবে।
সুবহে সাদিকের পর সামান্য কিছু খেলেও রোযা নষ্ট হয়ে যাবে। (সুরা বাকারা-৮৭)
(৩) ডা. সাহেব বলেনঃ মহিলাদের চেহারা ঢেকে রাখা আবশ্যিক নয়। তাদের মুখে নেকাব দেওয়া ফরয নয়। (লেকচার সমগ্রঃ ১/
১৪.১৭৫.৩৬৬.৪৪৮, ৫/১৬৯)
অথচ ইসলামের হুকুম হলো, নিকাব বা হিজাব দ্বারা তাদের চেহারা ঢেকে রাখতে হবে। (সূরা আহযাব-৫৩/৫৯)
(৪) ডা. সাহেব বলেনঃ ‘পোশাক যদি হারাম না হয়, সব শর্ত পূরণ করে, তাহলে আপনি কোর্তা, প্যান্ট, শার্ট যেটা পরে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, সেটা পরতে পারেন।’ (লেক. -২/৫৫০)
ডা. সাহেবের উপরোক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ মনগড়া। কেননা, ইসলামে বাহ্যিক লেবাস-পোশাকের গুরুত্ব অপরিসীম। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পোশাকের ক্ষেত্রে কাফিরদের বেশ-ভূষা গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। হাদীস শরীফে এসেছে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তাদের (বিধর্মীদের) সাদৃশ্যতা অবলম্বন করবে, সে তাদের দলভুক্ত। (মুসনাদে আহমাদ- হা.নং১১৯৯)
আর একথা সকলের নিকট স্পষ্ট যে, পোশাকের ক্ষেত্রে প্যান্ট-শার্ট বিধর্মীদের পোশাকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
(৫) ডা. সাহেব বলেনঃ জুম‘আর দিনে আগে ঈদের নামায আদায় করলে পরে জুম‘আর নামায আদায় করা আর না করা ঐচ্ছিক ব্যাপার। (লেকচার সমগ্র ৫/৪৭৬)
অথচ ইসলামের বিধান হল, পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও জুম‘আর নামায অপরিহার্য ফরয হুকুম। অন্য কোনো আমলের দ্বারা এগুলোর হুকুম শিথিল হবে না। তাই জুম‘আর দিন ঈদ হলে ঈদের নামায পড়লে ও জুম‘আর নামায অবশ্যই পড়তে হবে। (সুনানে দারা কুতনী পৃ. ৩৩৫, নাইলুল আওতার ৩/২২৪)
(৬) ডা. সাহেব বলেনঃ যখন তোমরা সফর করবে, তখন তোমরা দুই ওয়াক্তের নামায একসাথে পড়তে পারো। সফরের সময় কেউ এভাবে সালাত আদায় করলে, আমার কোনো আপত্তি থাকবে না। (লেক. ২/৪৩)
এক্ষেত্রে তিনি পবিত্র কোরআনের অপব্যাখ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। অথচ হানাফী মাযহাবে এ হাদীসের অর্থ, এক ওয়াক্তকে আরেক ওয়াক্তে নিয়ে পড়া নয়। কারণ, তা হারাম ও কবীরা গুনাহ। হাদীসের আসল ব্যাখ্যা হলো, যান বাহন থেকে বারবার উঠা-নামার ঝামেলা এড়াতে ওয়াক্তের শেষের দিকে একবার অবতরণ করে, সেই ওয়াক্তের নামায পড়ে নিবে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে দ্বিতীয় ওয়াক্ত এসে গেলে সেটাও পড়ে নিবে। তাহলে একই অবতরণে দুই ওয়াক্ত নামায পড়া হলেও প্রতিটি তার ওয়াক্তমত পড়া হয়।
(৭) ডা. সাহেব বলেনঃ আমাদেরকে ইসলামী শরীআহ মেনে এরকম সিনেমা বানাতে হবে, যেটা কুরআন হাদীসের বিরুদ্ধে যাবে না। শরীআহ মেনেই বানাবো। শুধু সিনেমাই নয়, আমাদের নাটক বানাতে হবে, ডকুমেন্টারিও বানাতে হবে। (লেকচার সমগ্র, ২/২৩১)
অথচ ইসলামী শরী‘আতে সিনেমা-নাটক সম্পূর্ণরূপে হারাম। কেননা, ছবি ছাড়া এগুলো তৈরী অসম্ভব। আর প্রাণীর ছবির ব্যাপারে হাদীস শরীফে এসেছে, কেয়ামতের দিন ছবি অঙ্কনকারীকে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। (বুখারী শরীফ)
(৮) ডা. সাহেব বলেনঃ মাসিক চলাকালীন নারীগণ নামায, রোযা, কাবাঘর তাওয়াফ এবং ইতিকাফ ছাড়া আর সব ইবাদত করতে পারবে। ঋতুবর্তী নারী রমযানের শেষ দিন যা করতে পারবে তা হলো, ঐ সময়টি সে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারে। এ ছাড়া আর যে কাজ তারা করতে পারে তা হলো, তারা সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ্, আল্লাহু আকবার ইত্যাদি পড়বে এবং তারা কুরআন তেলাওয়াত করতে পারে। (লেক, ৫/৩৮৯)
অথচ হাদীস শরীফে স্পষ্ট এসেছে, ﺍﻟﺤﺎﺋﺾ ﻭﺍﻟﺠﻨﺐ ﻻ ﻳﻘﺮﺃ ﺍﻟﻘﺮﺃﻥ অর্থাৎ হায়েযা মহিলা এবং নাপাক ব্যাক্তি যেন কুরআনের কোনো অংশ পাঠ না করে । (বুখারী, মুসলিম)
এ কারণে মাযহাব চতুষ্টয়ের মধ্যে এ ব্যাপারে ইজমা (ঐক্যমত) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, হায়েযা মহিলা বা যার উপর গোসল ফরয তাদের জন্য কুরআন তিলাওয়াত হারাম।
(৯) ডা. সাহেব মাযহাবের ইমামের তাকলীদের প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করে এ সম্পর্কে তার ভ্রান্ত মত জনগণের সামনে তুলে ধরেন। ইমামে আ’যম আবু হানীফা (রহ.) সহ অনেক ইমাম ও সালাফকে বিষাক্ত শব্দের নিশানা বানিয়েছেন। (লেকচার সমগ্র)
(১০) ডা. সাহেব প্রথমে পরষ্পর বিরোধী কিছু হাদীস এবং আছার তুলে ধরে বলেনঃ সুতরাং তারাবীহ্ যত রাকা‘আত খুশী তত রাকা‘আত আদায় করা যাবে। (লেকচার সমগ্রকচার সমগ্র৫/২৪৭)
অথচ হাদীস শরীফে স্পষ্ট এসেছে, ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে, ‘নিশ্চয় নবীজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযানে ২০ রাকা‘আত (তারাবীহ্) এবং বিতর পড়তেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-২/২৮৬)
আর তারাবীহ্ ২০ রাকা‘আত এ ব্যাপারে মাযহাব চতুষ্টয়ের সকল ইমাম ঐক্যমত পোষণ করেন যে, তারাবীহ্ এর নামায ২০ রাকা‘আতের কম পড়া যাবে না। মালেকী মাযহাবে ৩৬ রাকা‘আত তারাবীহ্। তবে কোনো ইমামই ৮ রাকা‘আত তারাবীহ্ পড়াকে বৈধ বলেননি। তাহলে ডা. সাহেব এর কথা কীভাবে সহীহ হতে পারে ?
ডা. জাকির নায়েকের পরিচয়ঃ
===================
ডা. জাকির নায়েক ভারতের বিখ্যাত শহর (মুম্বাই) এ ১৯৬৫ সালের ১৮ অক্টোবর জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি এ শহরে খ্রিস্টান মিশনারি স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেন। অতঃপর মুম্বাই এ হিন্দুদের দ্বারা পরিচালিত কৃষ্ণ চন্দ্র চলের ‘রাম কলেজ’ থেকে এইচ, এস,সি, পাশ করেন। তারপর মুম্বাই এর ‘ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ’ থেকে এম,বি,বি,এস, ডিগ্রী অর্জন করে ডাক্তার হন।
জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত তিনি কোনো দ্বীনী মকতব/মাদরাসা বা খানকায় লেখা-পড়া করেননি। যার ফলে দ্বীনী বিষয়ে সরাসরি কুরআন হাদীস বুঝার বা তা থেকে উপকৃত হওয়ার যোগ্যতা তিনি লাভ করতে পারেননি।
ঘটনাচক্রে ১৯৯৪ সালে মুম্বাই শহরে দ্বীনের এক দাঈ ডা. আহমাদ দীদাতের সাথে তার সাক্ষাৎ হয়। সে তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ডাক্তারী পেশা ছেড়ে দিয়ে দ্বীনী বই-পত্র চর্চার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেন। তবে তিনি তার দ্বীন চর্চা কোনো যোগ্য আলেমের বাতলানো পদ্ধতিতে করেননি। বরং নিজে যেভাবে ভালো মনে করতেন, সে ভাবে করেছেন। (সূত্রঃ হাকীকতে জাকির নায়েক, পৃ. ৩০-৩২সায়্যিদ খালিক সাজিদ বুখারী কৃত)
হক্কানী আলেম-উলামাদের সুহবতে গিয়ে দ্বীনের সহীহ জ্ঞান লাভ না করার ফলে দ্বীনের প্রচারের ক্ষেত্রে তার দ্বারা লাভের চেয়ে ক্ষতিই ছড়াচ্ছে বেশি।
নিম্নে দ্বীন সম্পর্কে তার কিছু ভ্রান্তি তুলে ধরা হলোঃ
আল্লাহ তা‘আলা সম্পর্কে ভ্রান্তিঃ
===================
ডা. সাহেব বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলাকে ব্রহ্ম ও বিষ্ণু প্রভৃতি নামে ডাকা যাবে। (লেকচার সমগ্র, ১/২৬৫ পিস পাবলিকেশন্স, ঢাকা থেকে প্রকাশিত)
ইসলাম বলেঃ আল্লাহ তা‘আলাকে তার সত্তাগত নাম হিসেবে ‘আল্লাহ’ নামে ডাকতে হবে। আর যদি তাকে তার গুণগত নামে ডাকা হয়, তাহলে তিনি নিজের জন্য যে সকল নাম নির্ধারণ করেছেন, সে নামেই তাকে ডাকতে হবে। (যেমন রাহমান,রাহিম,গা
ফ্ফার,সাত্তার, রায্যাক ইত্যাদি।) (সূরা বনী ইসরাঈল-১১০, সূরা ত্বহা-৮, সূরা আ’রাফ-১৮০,সূরা হাশর-২৪,বুখারী-২৭৩৬)
নবী সম্পর্কে ভ্রান্তিঃ
============
ডা. সাহেব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হায়াতুন্নবী হওয়ার আক্বীদাকে অস্বীকার করেন। (লেকচার সমগ্রক চার সমগ্র-৫/৯৫)
অথচ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদা হলো, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং অন্যান্য নবীগণ আ. ইন্তিকালের পর কবরের মধ্যে জীবিত অবস্থায় আছেন। যদিও সেটা হুবহু দুনিয়ার মতো নয়। (মুসলিম-২/১৭৮, মুসনাদে আহমাদ-৩/১৫৬)
সাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে ভ্রান্ত বক্তব্যঃ
=======================
ডা, সাহেব বলেনঃ ‘পরবর্তীতে যখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তিকাল করলেন, আর লোকজন তখন তার কথাগুলোর উদ্বৃতি দিতে শুরু করলো এবং কেউ কেউ এমন কথাও বলতে শুরু করলো, যা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হয়তো বলেননি। (লেকচার ৫/৭৬)
অথচ ইসলাম বলে, সাহাবারা হলেন সত্যের মাপকাঠি। (সূরা বাকারা-৮) এবং হাদীসে তাদের সকলকে ন্যায় পরায়ণ বলা হয়েছে।
কুরআন সম্পর্কে নাপাক কথাঃ
===================
ডা. সাহেব বলেনঃ কুরআন স্পর্শ করতে উযূর প্রয়োজন নেই। বিনা উযূতে কুরআন স্পর্শ করতে পারবে এবং সূরা ওয়াকিয়ার ৮৯ নং আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা দেন। (লেকচার -২/৬২৬)
অথচ বিনা উযূতে কুরআন স্পর্শ করা যাবে না। এ ব্যাপারে উল্লেখিত আয়াত ছাড়াও হাদীসে স্পষ্ট বর্ণনা আছে যে, একমাত্র পবিত্র ব্যক্তি কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ১/১৪৩) ছোট বা বড় নাপাক ওয়ালা ব্যক্তি কুরআন স্পর্শ করতে পারবে না।
হুর সম্পর্কে মন্তব্যঃ
============
ডা. সাহেব বলেনঃ হুর পুরুষ এবং মহিলা উভয় প্রকারের হবে। পুরুষ হুর জান্নাতী নারীদেরকে পাবে, আর মহিলা হুর জান্নাতী পুরুষদেরকে পাবে। (লেকচার সমগ্র -১/৩৫৯)
অথচ কুরআন হাদীসের আলোচনা দ্বারা বুঝা যায় যে, হুর দ্বারা নারীসঙ্গিনী উদ্দেশ্য, পুরুষ হুর বলতে কিছু নেই। (সূরা রাহমান-৭২, তাফসীরে জালালাইন-পৃ.৪৪৬, তাফসীরে কুরতুবী-১১/৬১৪, তিরমিযী-২/৮০)
ডা. জাকির নায়েক কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ভুল মাসায়েল
==================================
(১) ডা. সাহেব বলেনঃ একসঙ্গে তিন তালাক দিলে, তাতে এক তালাক পতিত হবে।
অথচ কুরআন শরীফ ও বুখারী শরীফসহ অসংখ্য সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে, কেউ তার স্ত্রীকে একসঙ্গে তিন তালাক দিলে (যদিও তা গুনাহের কাজ) তিন তালাক পতিত হবে। এবং হালালার পর পুনরায় বিবাহ ব্যতীত তাদের দেখা-সাক্ষাত, মেলা-মেশা সব কিছু যিনা হিসেবে গণ্য হবে। এ ব্যাপারে সমস্ত ফুকাহায়ে কেরাম ও মুফতিয়ানে কেরাম একমত। (সূরা বাকারা-আয়াত নং, আবু দাউদ শরীফ-১/২৯৮)
(২) ডা. সাহেব বলেনঃ ফযরের আযান শুরু হলেও সাহরী করার ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় রয়েছে, হাতে যে খাবার রয়েছে, তা শেষ করার সুযোগ রয়েছে। হতে পারে তা এক গ্লাস পানি বা পাত্রের বাকী অল্প খাবার। (লেকচার সমগ্র ৩/৩২৪)
ডা. সাহেবের উপরোক্ত মাসায়েল কুরআন-হাদীসের সাথে একেবারেই সাংঘর্ষিক। কারণ, কুরআন ও হাদীস দ্বারা বুঝা যায় সাহরী খাওয়া সুবহে সাদিকের পূর্বেই শেষ হতে হবে।
সুবহে সাদিকের পর সামান্য কিছু খেলেও রোযা নষ্ট হয়ে যাবে। (সুরা বাকারা-৮৭)
(৩) ডা. সাহেব বলেনঃ মহিলাদের চেহারা ঢেকে রাখা আবশ্যিক নয়। তাদের মুখে নেকাব দেওয়া ফরয নয়। (লেকচার সমগ্রঃ ১/
১৪.১৭৫.৩৬৬.৪৪৮, ৫/১৬৯)
অথচ ইসলামের হুকুম হলো, নিকাব বা হিজাব দ্বারা তাদের চেহারা ঢেকে রাখতে হবে। (সূরা আহযাব-৫৩/৫৯)
(৪) ডা. সাহেব বলেনঃ ‘পোশাক যদি হারাম না হয়, সব শর্ত পূরণ করে, তাহলে আপনি কোর্তা, প্যান্ট, শার্ট যেটা পরে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, সেটা পরতে পারেন।’ (লেক. -২/৫৫০)
ডা. সাহেবের উপরোক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ মনগড়া। কেননা, ইসলামে বাহ্যিক লেবাস-পোশাকের গুরুত্ব অপরিসীম। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পোশাকের ক্ষেত্রে কাফিরদের বেশ-ভূষা গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। হাদীস শরীফে এসেছে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তাদের (বিধর্মীদের) সাদৃশ্যতা অবলম্বন করবে, সে তাদের দলভুক্ত। (মুসনাদে আহমাদ- হা.নং১১৯৯)
আর একথা সকলের নিকট স্পষ্ট যে, পোশাকের ক্ষেত্রে প্যান্ট-শার্ট বিধর্মীদের পোশাকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
(৫) ডা. সাহেব বলেনঃ জুম‘আর দিনে আগে ঈদের নামায আদায় করলে পরে জুম‘আর নামায আদায় করা আর না করা ঐচ্ছিক ব্যাপার। (লেকচার সমগ্র ৫/৪৭৬)
অথচ ইসলামের বিধান হল, পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও জুম‘আর নামায অপরিহার্য ফরয হুকুম। অন্য কোনো আমলের দ্বারা এগুলোর হুকুম শিথিল হবে না। তাই জুম‘আর দিন ঈদ হলে ঈদের নামায পড়লে ও জুম‘আর নামায অবশ্যই পড়তে হবে। (সুনানে দারা কুতনী পৃ. ৩৩৫, নাইলুল আওতার ৩/২২৪)
(৬) ডা. সাহেব বলেনঃ যখন তোমরা সফর করবে, তখন তোমরা দুই ওয়াক্তের নামায একসাথে পড়তে পারো। সফরের সময় কেউ এভাবে সালাত আদায় করলে, আমার কোনো আপত্তি থাকবে না। (লেক. ২/৪৩)
এক্ষেত্রে তিনি পবিত্র কোরআনের অপব্যাখ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। অথচ হানাফী মাযহাবে এ হাদীসের অর্থ, এক ওয়াক্তকে আরেক ওয়াক্তে নিয়ে পড়া নয়। কারণ, তা হারাম ও কবীরা গুনাহ। হাদীসের আসল ব্যাখ্যা হলো, যান বাহন থেকে বারবার উঠা-নামার ঝামেলা এড়াতে ওয়াক্তের শেষের দিকে একবার অবতরণ করে, সেই ওয়াক্তের নামায পড়ে নিবে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে দ্বিতীয় ওয়াক্ত এসে গেলে সেটাও পড়ে নিবে। তাহলে একই অবতরণে দুই ওয়াক্ত নামায পড়া হলেও প্রতিটি তার ওয়াক্তমত পড়া হয়।
(৭) ডা. সাহেব বলেনঃ আমাদেরকে ইসলামী শরীআহ মেনে এরকম সিনেমা বানাতে হবে, যেটা কুরআন হাদীসের বিরুদ্ধে যাবে না। শরীআহ মেনেই বানাবো। শুধু সিনেমাই নয়, আমাদের নাটক বানাতে হবে, ডকুমেন্টারিও বানাতে হবে। (লেকচার সমগ্র, ২/২৩১)
অথচ ইসলামী শরী‘আতে সিনেমা-নাটক সম্পূর্ণরূপে হারাম। কেননা, ছবি ছাড়া এগুলো তৈরী অসম্ভব। আর প্রাণীর ছবির ব্যাপারে হাদীস শরীফে এসেছে, কেয়ামতের দিন ছবি অঙ্কনকারীকে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। (বুখারী শরীফ)
(৮) ডা. সাহেব বলেনঃ মাসিক চলাকালীন নারীগণ নামায, রোযা, কাবাঘর তাওয়াফ এবং ইতিকাফ ছাড়া আর সব ইবাদত করতে পারবে। ঋতুবর্তী নারী রমযানের শেষ দিন যা করতে পারবে তা হলো, ঐ সময়টি সে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারে। এ ছাড়া আর যে কাজ তারা করতে পারে তা হলো, তারা সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ্, আল্লাহু আকবার ইত্যাদি পড়বে এবং তারা কুরআন তেলাওয়াত করতে পারে। (লেক, ৫/৩৮৯)
অথচ হাদীস শরীফে স্পষ্ট এসেছে, ﺍﻟﺤﺎﺋﺾ ﻭﺍﻟﺠﻨﺐ ﻻ ﻳﻘﺮﺃ ﺍﻟﻘﺮﺃﻥ অর্থাৎ হায়েযা মহিলা এবং নাপাক ব্যাক্তি যেন কুরআনের কোনো অংশ পাঠ না করে । (বুখারী, মুসলিম)
এ কারণে মাযহাব চতুষ্টয়ের মধ্যে এ ব্যাপারে ইজমা (ঐক্যমত) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, হায়েযা মহিলা বা যার উপর গোসল ফরয তাদের জন্য কুরআন তিলাওয়াত হারাম।
(৯) ডা. সাহেব মাযহাবের ইমামের তাকলীদের প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করে এ সম্পর্কে তার ভ্রান্ত মত জনগণের সামনে তুলে ধরেন। ইমামে আ’যম আবু হানীফা (রহ.) সহ অনেক ইমাম ও সালাফকে বিষাক্ত শব্দের নিশানা বানিয়েছেন। (লেকচার সমগ্র)
(১০) ডা. সাহেব প্রথমে পরষ্পর বিরোধী কিছু হাদীস এবং আছার তুলে ধরে বলেনঃ সুতরাং তারাবীহ্ যত রাকা‘আত খুশী তত রাকা‘আত আদায় করা যাবে। (লেকচার সমগ্রকচার সমগ্র৫/২৪৭)
অথচ হাদীস শরীফে স্পষ্ট এসেছে, ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে, ‘নিশ্চয় নবীজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযানে ২০ রাকা‘আত (তারাবীহ্) এবং বিতর পড়তেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-২/২৮৬)
আর তারাবীহ্ ২০ রাকা‘আত এ ব্যাপারে মাযহাব চতুষ্টয়ের সকল ইমাম ঐক্যমত পোষণ করেন যে, তারাবীহ্ এর নামায ২০ রাকা‘আতের কম পড়া যাবে না। মালেকী মাযহাবে ৩৬ রাকা‘আত তারাবীহ্। তবে কোনো ইমামই ৮ রাকা‘আত তারাবীহ্ পড়াকে বৈধ বলেননি। তাহলে ডা. সাহেব এর কথা কীভাবে সহীহ হতে পারে ?
Apni doctor jakir naik somporke olta palta onek kotha bolechen , othocho onar kotha ei rokom noy , beshi barabari kora valo na 
2018-09-07 22:32:19 @103.242.21.245
ভিন্ন সুত্রে উপরের হাদিস বর্নিত হয়েছে।
ডা. জাকির নায়েকের পরিচয়ঃ
===================
ডা. জাকির নায়েক ভারতের বিখ্যাত শহর (মুম্বাই) এ ১৯৬৫ সালের ১৮ অক্টোবর জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি এ শহরে খ্রিস্টান মিশনারি স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেন। অতঃপর মুম্বাই এ হিন্দুদের দ্বারা পরিচালিত কৃষ্ণ চন্দ্র চলের ‘রাম কলেজ’ থেকে এইচ, এস,সি, পাশ করেন। তারপর মুম্বাই এর ‘ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ’ থেকে এম,বি,বি,এস, ডিগ্রী অর্জন করে ডাক্তার হন।
জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত তিনি কোনো দ্বীনী মকতব/মাদরাসা বা খানকায় লেখা-পড়া করেননি। যার ফলে দ্বীনী বিষয়ে সরাসরি কুরআন হাদীস বুঝার বা তা থেকে উপকৃত হওয়ার যোগ্যতা তিনি লাভ করতে পারেননি।
ঘটনাচক্রে ১৯৯৪ সালে মুম্বাই শহরে দ্বীনের এক দাঈ ডা. আহমাদ দীদাতের সাথে তার সাক্ষাৎ হয়। সে তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ডাক্তারী পেশা ছেড়ে দিয়ে দ্বীনী বই-পত্র চর্চার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেন। তবে তিনি তার দ্বীন চর্চা কোনো যোগ্য আলেমের বাতলানো পদ্ধতিতে করেননি। বরং নিজে যেভাবে ভালো মনে করতেন, সে ভাবে করেছেন। (সূত্রঃ হাকীকতে জাকির নায়েক, পৃ. ৩০-৩২সায়্যিদ খালিক সাজিদ বুখারী কৃত)
হক্কানী আলেম-উলামাদের সুহবতে গিয়ে দ্বীনের সহীহ জ্ঞান লাভ না করার ফলে দ্বীনের প্রচারের ক্ষেত্রে তার দ্বারা লাভের চেয়ে ক্ষতিই ছড়াচ্ছে বেশি।
নিম্নে দ্বীন সম্পর্কে তার কিছু ভ্রান্তি তুলে ধরা হলোঃ
আল্লাহ তা‘আলা সম্পর্কে ভ্রান্তিঃ
===================
ডা. সাহেব বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলাকে ব্রহ্ম ও বিষ্ণু প্রভৃতি নামে ডাকা যাবে। (লেকচার সমগ্র, ১/২৬৫ পিস পাবলিকেশন্স, ঢাকা থেকে প্রকাশিত)
ইসলাম বলেঃ আল্লাহ তা‘আলাকে তার সত্তাগত নাম হিসেবে ‘আল্লাহ’ নামে ডাকতে হবে। আর যদি তাকে তার গুণগত নামে ডাকা হয়, তাহলে তিনি নিজের জন্য যে সকল নাম নির্ধারণ করেছেন, সে নামেই তাকে ডাকতে হবে। (যেমন রাহমান,রাহিম,গা
ফ্ফার,সাত্তার, রায্যাক ইত্যাদি।) (সূরা বনী ইসরাঈল-১১০, সূরা ত্বহা-৮, সূরা আ’রাফ-১৮০,সূরা হাশর-২৪,বুখারী-২৭৩৬)
নবী সম্পর্কে ভ্রান্তিঃ
============
ডা. সাহেব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হায়াতুন্নবী হওয়ার আক্বীদাকে অস্বীকার করেন। (লেকচার সমগ্রক চার সমগ্র-৫/৯৫)
অথচ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদা হলো, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং অন্যান্য নবীগণ আ. ইন্তিকালের পর কবরের মধ্যে জীবিত অবস্থায় আছেন। যদিও সেটা হুবহু দুনিয়ার মতো নয়। (মুসলিম-২/১৭৮, মুসনাদে আহমাদ-৩/১৫৬)
সাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে ভ্রান্ত বক্তব্যঃ
=======================
ডা, সাহেব বলেনঃ ‘পরবর্তীতে যখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তিকাল করলেন, আর লোকজন তখন তার কথাগুলোর উদ্বৃতি দিতে শুরু করলো এবং কেউ কেউ এমন কথাও বলতে শুরু করলো, যা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হয়তো বলেননি। (লেকচার ৫/৭৬)
অথচ ইসলাম বলে, সাহাবারা হলেন সত্যের মাপকাঠি। (সূরা বাকারা-৮) এবং হাদীসে তাদের সকলকে ন্যায় পরায়ণ বলা হয়েছে।
কুরআন সম্পর্কে নাপাক কথাঃ
===================
ডা. সাহেব বলেনঃ কুরআন স্পর্শ করতে উযূর প্রয়োজন নেই। বিনা উযূতে কুরআন স্পর্শ করতে পারবে এবং সূরা ওয়াকিয়ার ৮৯ নং আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা দেন। (লেকচার -২/৬২৬)
অথচ বিনা উযূতে কুরআন স্পর্শ করা যাবে না। এ ব্যাপারে উল্লেখিত আয়াত ছাড়াও হাদীসে স্পষ্ট বর্ণনা আছে যে, একমাত্র পবিত্র ব্যক্তি কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ১/১৪৩) ছোট বা বড় নাপাক ওয়ালা ব্যক্তি কুরআন স্পর্শ করতে পারবে না।
হুর সম্পর্কে মন্তব্যঃ
============
ডা. সাহেব বলেনঃ হুর পুরুষ এবং মহিলা উভয় প্রকারের হবে। পুরুষ হুর জান্নাতী নারীদেরকে পাবে, আর মহিলা হুর জান্নাতী পুরুষদেরকে পাবে। (লেকচার সমগ্র -১/৩৫৯)
অথচ কুরআন হাদীসের আলোচনা দ্বারা বুঝা যায় যে, হুর দ্বারা নারীসঙ্গিনী উদ্দেশ্য, পুরুষ হুর বলতে কিছু নেই। (সূরা রাহমান-৭২, তাফসীরে জালালাইন-পৃ.৪৪৬, তাফসীরে কুরতুবী-১১/৬১৪, তিরমিযী-২/৮০)
ডা. জাকির নায়েক কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ভুল মাসায়েল
==================================
(১) ডা. সাহেব বলেনঃ একসঙ্গে তিন তালাক দিলে, তাতে এক তালাক পতিত হবে।
অথচ কুরআন শরীফ ও বুখারী শরীফসহ অসংখ্য সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে, কেউ তার স্ত্রীকে একসঙ্গে তিন তালাক দিলে (যদিও তা গুনাহের কাজ) তিন তালাক পতিত হবে। এবং হালালার পর পুনরায় বিবাহ ব্যতীত তাদের দেখা-সাক্ষাত, মেলা-মেশা সব কিছু যিনা হিসেবে গণ্য হবে। এ ব্যাপারে সমস্ত ফুকাহায়ে কেরাম ও মুফতিয়ানে কেরাম একমত। (সূরা বাকারা-আয়াত নং, আবু দাউদ শরীফ-১/২৯৮)
(২) ডা. সাহেব বলেনঃ ফযরের আযান শুরু হলেও সাহরী করার ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় রয়েছে, হাতে যে খাবার রয়েছে, তা শেষ করার সুযোগ রয়েছে। হতে পারে তা এক গ্লাস পানি বা পাত্রের বাকী অল্প খাবার। (লেকচার সমগ্র ৩/৩২৪)
ডা. সাহেবের উপরোক্ত মাসায়েল কুরআন-হাদীসের সাথে একেবারেই সাংঘর্ষিক। কারণ, কুরআন ও হাদীস দ্বারা বুঝা যায় সাহরী খাওয়া সুবহে সাদিকের পূর্বেই শেষ হতে হবে।
সুবহে সাদিকের পর সামান্য কিছু খেলেও রোযা নষ্ট হয়ে যাবে। (সুরা বাকারা-৮৭)
(৩) ডা. সাহেব বলেনঃ মহিলাদের চেহারা ঢেকে রাখা আবশ্যিক নয়। তাদের মুখে নেকাব দেওয়া ফরয নয়। (লেকচার সমগ্রঃ ১/
১৪.১৭৫.৩৬৬.৪৪৮, ৫/১৬৯)
অথচ ইসলামের হুকুম হলো, নিকাব বা হিজাব দ্বারা তাদের চেহারা ঢেকে রাখতে হবে। (সূরা আহযাব-৫৩/৫৯)
(৪) ডা. সাহেব বলেনঃ ‘পোশাক যদি হারাম না হয়, সব শর্ত পূরণ করে, তাহলে আপনি কোর্তা, প্যান্ট, শার্ট যেটা পরে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, সেটা পরতে পারেন।’ (লেক. -২/৫৫০)
ডা. সাহেবের উপরোক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ মনগড়া। কেননা, ইসলামে বাহ্যিক লেবাস-পোশাকের গুরুত্ব অপরিসীম। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পোশাকের ক্ষেত্রে কাফিরদের বেশ-ভূষা গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। হাদীস শরীফে এসেছে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তাদের (বিধর্মীদের) সাদৃশ্যতা অবলম্বন করবে, সে তাদের দলভুক্ত। (মুসনাদে আহমাদ- হা.নং১১৯৯)
আর একথা সকলের নিকট স্পষ্ট যে, পোশাকের ক্ষেত্রে প্যান্ট-শার্ট বিধর্মীদের পোশাকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
(৫) ডা. সাহেব বলেনঃ জুম‘আর দিনে আগে ঈদের নামায আদায় করলে পরে জুম‘আর নামায আদায় করা আর না করা ঐচ্ছিক ব্যাপার। (লেকচার সমগ্র ৫/৪৭৬)
অথচ ইসলামের বিধান হল, পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও জুম‘আর নামায অপরিহার্য ফরয হুকুম। অন্য কোনো আমলের দ্বারা এগুলোর হুকুম শিথিল হবে না। তাই জুম‘আর দিন ঈদ হলে ঈদের নামায পড়লে ও জুম‘আর নামায অবশ্যই পড়তে হবে। (সুনানে দারা কুতনী পৃ. ৩৩৫, নাইলুল আওতার ৩/২২৪)
(৬) ডা. সাহেব বলেনঃ যখন তোমরা সফর করবে, তখন তোমরা দুই ওয়াক্তের নামায একসাথে পড়তে পারো। সফরের সময় কেউ এভাবে সালাত আদায় করলে, আমার কোনো আপত্তি থাকবে না। (লেক. ২/৪৩)
এক্ষেত্রে তিনি পবিত্র কোরআনের অপব্যাখ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। অথচ হানাফী মাযহাবে এ হাদীসের অর্থ, এক ওয়াক্তকে আরেক ওয়াক্তে নিয়ে পড়া নয়। কারণ, তা হারাম ও কবীরা গুনাহ। হাদীসের আসল ব্যাখ্যা হলো, যান বাহন থেকে বারবার উঠা-নামার ঝামেলা এড়াতে ওয়াক্তের শেষের দিকে একবার অবতরণ করে, সেই ওয়াক্তের নামায পড়ে নিবে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে দ্বিতীয় ওয়াক্ত এসে গেলে সেটাও পড়ে নিবে। তাহলে একই অবতরণে দুই ওয়াক্ত নামায পড়া হলেও প্রতিটি তার ওয়াক্তমত পড়া হয়।
(৭) ডা. সাহেব বলেনঃ আমাদেরকে ইসলামী শরীআহ মেনে এরকম সিনেমা বানাতে হবে, যেটা কুরআন হাদীসের বিরুদ্ধে যাবে না। শরীআহ মেনেই বানাবো। শুধু সিনেমাই নয়, আমাদের নাটক বানাতে হবে, ডকুমেন্টারিও বানাতে হবে। (লেকচার সমগ্র, ২/২৩১)
অথচ ইসলামী শরী‘আতে সিনেমা-নাটক সম্পূর্ণরূপে হারাম। কেননা, ছবি ছাড়া এগুলো তৈরী অসম্ভব। আর প্রাণীর ছবির ব্যাপারে হাদীস শরীফে এসেছে, কেয়ামতের দিন ছবি অঙ্কনকারীকে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। (বুখারী শরীফ)
(৮) ডা. সাহেব বলেনঃ মাসিক চলাকালীন নারীগণ নামায, রোযা, কাবাঘর তাওয়াফ এবং ইতিকাফ ছাড়া আর সব ইবাদত করতে পারবে। ঋতুবর্তী নারী রমযানের শেষ দিন যা করতে পারবে তা হলো, ঐ সময়টি সে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারে। এ ছাড়া আর যে কাজ তারা করতে পারে তা হলো, তারা সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ্, আল্লাহু আকবার ইত্যাদি পড়বে এবং তারা কুরআন তেলাওয়াত করতে পারে। (লেক, ৫/৩৮৯)
অথচ হাদীস শরীফে স্পষ্ট এসেছে, ﺍﻟﺤﺎﺋﺾ ﻭﺍﻟﺠﻨﺐ ﻻ ﻳﻘﺮﺃ ﺍﻟﻘﺮﺃﻥ অর্থাৎ হায়েযা মহিলা এবং নাপাক ব্যাক্তি যেন কুরআনের কোনো অংশ পাঠ না করে । (বুখারী, মুসলিম)
এ কারণে মাযহাব চতুষ্টয়ের মধ্যে এ ব্যাপারে ইজমা (ঐক্যমত) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, হায়েযা মহিলা বা যার উপর গোসল ফরয তাদের জন্য কুরআন তিলাওয়াত হারাম।
(৯) ডা. সাহেব মাযহাবের ইমামের তাকলীদের প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করে এ সম্পর্কে তার ভ্রান্ত মত জনগণের সামনে তুলে ধরেন। ইমামে আ’যম আবু হানীফা (রহ.) সহ অনেক ইমাম ও সালাফকে বিষাক্ত শব্দের নিশানা বানিয়েছেন। (লেকচার সমগ্র)
(১০) ডা. সাহেব প্রথমে পরষ্পর বিরোধী কিছু হাদীস এবং আছার তুলে ধরে বলেনঃ সুতরাং তারাবীহ্ যত রাকা‘আত খুশী তত রাকা‘আত আদায় করা যাবে। (লেকচার সমগ্রকচার সমগ্র৫/২৪৭)
অথচ হাদীস শরীফে স্পষ্ট এসেছে, ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে, ‘নিশ্চয় নবীজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযানে ২০ রাকা‘আত (তারাবীহ্) এবং বিতর পড়তেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-২/২৮৬)
আর তারাবীহ্ ২০ রাকা‘আত এ ব্যাপারে মাযহাব চতুষ্টয়ের সকল ইমাম ঐক্যমত পোষণ করেন যে, তারাবীহ্ এর নামায ২০ রাকা‘আতের কম পড়া যাবে না। মালেকী মাযহাবে ৩৬ রাকা‘আত তারাবীহ্। তবে কোনো ইমামই ৮ রাকা‘আত তারাবীহ্ পড়াকে বৈধ বলেননি। তাহলে ডা. সাহেব এর কথা কীভাবে সহীহ হতে পারে ?
2018-09-07 15:26:00 @202.134.13.128
আবু উমাইয়া আল-কালবী রহঃ তার এমন এক শেখ থেকে বর্ননা করেন যিনি জাহেলী যুগকে পেয়েছিলেন, তিনি এরশাদ করেন, সুফিয়ানী মূলতঃ শামদেশের পশ্চিম দিকের আন্দারা নামক একটি গ্রাম থেকে সাতজন লোক সহকারে প্রকাশ পাবে।rwerwqe
আবু উমাইয়া আল-কালবী রহঃ তার এমন এক শেখ থেকে বর্ননা করেন যিনি জাহেলী যুগকে পেয়েছিলেন, তিনি এরশাদ করেন, সুফিয়ানী মূলতঃ শামদেশের পশ্চিম দিকের আন্দারা নামক একটি গ্রাম থেকে সাতজন লোক সহকারে প্রকাশ পাবে।
2018-09-05 19:07:23 @163.53.149.206
আবু উমাইয়া আল-কালবী রহঃ তার এমন এক শেখ থেকে বর্ননা করেন যিনি জাহেলী যুগকে পেয়েছিলেন, তিনি এরশাদ করেন, সুফিয়ানী মূলতঃ শামদেশের পশ্চিম দিকের আন্দারা নামক একটি গ্রাম থেকে সাতজন লোক সহকারে প্রকাশ পাবে।
আবু উমাইয়া আল-কালবী রহঃ তার এমন এক শেখ থেকে বর্ননা করেন যিনি জাহেলী যুগকে পেয়েছিলেন, তিনি এরশাদ করেন, সুফিয়ানী মূলতঃ শামদেশের পশ্চিম দিকের আন্দারা নামক একটি গ্রাম থেকে সাতজন লোক সহকারে প্রকাশ পাবে।rwerwqe
2018-09-05 19:06:36 @163.53.149.206
হযরত হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন ফিতনা মানুষের অন্তরে প্রবেশ করে, তখন সেই অন্তর তাকে প্রথমবার স্থান দেয়না তাতে একটি সাদা দাগ লিখা হয়। আর যে অন্তর প্রথমবার তাকে স্থান দেয়, তখন তাতে একটি কালো দাগ লিখা হয়। অতঃপর আবার ফিতনা মানুষের অন্তরে প্রবেশ করে, যদি তাকে স্থান না দেয়, যেমন প্রথমবারে দেয়নি, তখন তাতে একটি সাদা পড়ে। আর যদি তাকে স্থান দেয় যেমন প্রথমবারে দিয়েছিল, তখন তাতে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর পুনরায় ফিতনা মানুষের অন্তরে প্রবেশ করে, যদি তাকে স্থান না দেয়, যেমন আগের দুইবার দেয়নি,তখন তাতে আরো বেশী সাদা ও বেশী স্বচ্ছ দাগ পড়ে। ফলে কখনো ফিতনা তাকে কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। আর যদি তাকে স্থান দেয় যেমন প্রথম দুই বার দিয়েছিল, তখন তাতে একটি কালো দাগ পড়ে বরং পুরো অন্তর একেবারে বেশী কয়লার মত কালো হয়ে যায়। অতঃপর পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া হবে। ফলে তা ভালকে ভাল জানার এবং মন্দকে মন্দ জানার ক্ষমতা রাখেনা।
2018-08-29 23:39:35 @37.111.233.69
ইব্নে মা’দান রহঃ থেকে বর্নত,তিনি বলেন, যখন তোমরা আকাশে রমাযান মাসে মাশরেক থেকে আগুনের কিছু পিলার প্রকাশ পেতে দেখবে,তখন সাধ্যমত খাবার জোগাড় করে রাখবে।কেননা তার পরবর্তী বৎসর হচ্ছে দুর্ভিক্ষের বৎসর।
ইব্নে মা’দান রহঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন, যখন তোমরা আকাশে রমাযান মাসে মাশরেক থেকে আগুনের কিছু পিলার প্রকাশ পেতে দেখবে,তখন সাধ্যমত খাবার জোগাড় করে রাখবে।কেননা তার পরবর্তী বৎসর হচ্ছে দুর্ভিক্ষের বৎসর।
2018-08-26 05:00:49 @89.148.63.121
হোজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন,নিঃসন্দেহে আমার উম্মত ধ্বংস হবে না,যতক্ষন পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামাউয, তামাউল এবং মাআমু প্রকাশ পাবেনা।হোজায়ফা রাযিঃবলেন,আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইায়া রাসূলুল্লাহ তামাউয কি জিনিস? উাত্তরে তিনি বললেন,আমি দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার পার ইসলামের ক্ষেত্রে মানুষের মাঝে যে স্বজনপ্রীতি প্রকাশ পাবে সেটাই হচ্ছে, তামাউয। অতঃপর আমি “তামাউল” সম্বন্ধে জানতে চাইলে তিনি বললেন, এক গোত্র আরেক গোত্রের বিরুদ্ধে এমনভাবে লেলিয়ে পড়বে,যদ্বারা মনে করবে।এরপর আমি মাআমু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, মাআমু হচ্ছে, এক শহরের লোকজন অন্য শহরের প্রতি যুদ্ধ করার জন্য ধেয়ে আসবে।
হোজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্নিত,তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন,নিঃসন্দেহে আমার উম্মত ধ্বংস হবে না,যতক্ষন পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামাউয, তামাউল এবং মাআমু প্রকাশ পাবেনা।হোজায়ফা রাযিঃবলেন,আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইায়া রাসূলুল্লাহ তামাউয কি জিনিস? উত্তরে তিনি বললেন,আমি দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার পার ইসলামের ক্ষেত্রে মানুষের মাঝে যে স্বজনপ্রীতি প্রকাশ পাবে সেটাই হচ্ছে, তামাউয। অতঃপর আমি “তামাউল” সম্বন্ধে জানতে চাইলে তিনি বললেন, এক গোত্র আরেক গোত্রের বিরুদ্ধে এমনভাবে লেলিয়ে পড়বে,যদ্বারা মনে করবে।এরপর আমি মাআমু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, মাআমু হচ্ছে, এক শহরের লোকজন অন্য শহরের প্রতি যুদ্ধ করার জন্য ধেয়ে আসবে।
2018-08-26 04:59:07 @89.148.63.121
মুহাদ্দিস আবুল হওসা রহঃ বিশিষ্ট তাবেঈ হযরত তাউস রহঃ থেকে হাদীস বর্ননা করেন,তিনি বলেন, অতিসত্ত্বর তিন ধরনের ভুমিকম্প সংঘটিত হাবে।ইয়ামানে মারাত্নক ভমিকম্প দেখা দিবে, শামদেশে এর চেয়েও কঠিন ভুমিকম্প সংঘটিত হবে।
আরেকটি কম্পন হবে মাশরিকের দিকে।সেটিই হবে মূলতঃ সমূলে নিপাতকারী।অন্য বর্ননা দ্বারা বুঝা যায়,ইয়ামান এবং শামে ভুমিকম্প হবে,মাশরিকে নয়।
মুহাদ্দিস আবুল হওসা রহঃ বিশিষ্ট তাবেঈ হযরত তাউস রহঃ থেকে হাদীস বর্ননা করেন,তিনি বলেন, অতিসত্ত্বর তিন ধরনের ভুমিকম্প সংঘটিত হবে।ইয়ামানে মারাত্নক ভমিকম্প দেখা দিবে, শামদেশে এর চেয়েও কঠিন ভুমিকম্প সংঘটিত হবে।
আরেকটি কম্পন হবে মাশরিকের দিকে।সেটিই হবে মূলতঃ সমূলে নিপাতকারী।অন্য বর্ননা দ্বারা বুঝা যায়,ইয়ামান এবং শামে ভুমিকম্প হবে,মাশরিকে নয়।
2018-08-26 04:55:55 @89.148.63.121
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থি সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থি সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
2018-08-01 14:29:27 @119.10.175.81
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2018-07-14 22:26:26 @203.76.221.35
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত গেলে
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত
2018-07-12 21:57:49 @119.30.35.59
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত গেলে
2018-07-12 21:57:39 @119.30.35.59
হযরত যামরা ইবনে হাবীব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জুবাইর ইবনে নুফাইর রা. কে বলতে শুনেছি যে, ইয়াজুজু মাজুজ তিন প্রকারের হবে। এক প্রকার হল- চিরহরিৎ বৃক্ষবিশেষ ও শুরবাইন (শারবীন) বৃক্ষবিশেষের মতো লম্বা হবে। আবু জাফর বলেন, আযর হল গাছের মতো। আকাশের দিকে একশত গজ বা একশত বিশ গজ অথবা এর থেকে কম বেশি উঠে। (লম্বা হয়।) আরেক প্রকার হল- তাদের লম্ব ও প্রস্থ সমান। শেষ প্রকার হল- পুরুষরা তাদের এক কান বিছানা বানায়। আরেক কান গায়ে জড়ায়। উক্ত কান দ্বারা সমস্ত শরীর ঢেকে রাখে।
হযরত যামরা ইবনে হাবীব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জুবাইর ইবনে নুফাইর রা. কে বলতে শুনেছি যে, ইয়াজুজু মাজুজ তিন প্রকারের হবে। এক প্রকার হল- চিরহরিৎ বৃক্ষবিশেষ ও শুরবাইন (শারবীন) বৃক্ষবিশেষের মতো লম্বা হবে। আবু জাফর বলেন, আযর হল গাছের মতো। আকাশের দিকে একশত গজ বা একশত বিশ গজ অথবা এর থেকে কম বেশি উঠে। (লম্বা হয়।) আরেক প্রকার হল- তাদের লম্ব ও প্রস্থ সমান। শেষ প্রকার হল- পুরুষরা তাদের এক কান বিছানা বানায়। আরেক কান গায়ে জ
ড়ায়। উক্ত কান দ্বারা সমস্ত শরীর ঢেকে রাখে।
2018-06-28 11:22:25 @58.145.190.240

Execution time: 0.06 render + 0.02 s transfer.