Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
2021-05-06 19:55:32 @37.111.218.44
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2021-05-06 19:51:55 @37.111.218.44
হযরত আরতাত রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একজন ব্যক্তি ব্যাতীত আর কেউ তাদের থেকে বেচে থাকবে না। আল্লাহ তা’আলা তার চেহারাকে তার পিছনের দিকে ঘুরিয়ে দিবেন। সে (উল্টা দিকে) হাটবে যেমন সে পূর্বে তার সামনের দিকে সোজা ভাবে হাটতো।** মাহদী ও তার অবির্ভাব সম্পর্কে শেষ অধ্যায়।
হযরত আরতাত রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একজন ব্যক্তি ব্যাতীত আর কেউ তাদের থেকে বেচে থাকবে না। আল্লাহ তা’আলা তার চেহারাকে তার পিছনের দিকে ঘুরিয়ে দিবেন। সে (উল্টা দিকে) হাটবে যেমন সে পূর্বে তার সামনের দিকে সোজা ভাবে হাটতো।** মাহদী ও তার অবির্ভাব সম্পর্কে শেষ অধ্যায়।
2021-04-30 20:09:12 @178.152.85.63
হযরত আব্দুল্লাহ রা. রাসূল সা. হতে বর্ণনা করে বলেন, যখন ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. অবতরণ করবেন এবং দাজ্জাালকে হত্যা করা হবে। তখন তারা সূর্য্য পশ্চিম দিকে উঠার রাত্রি পর্যন্ত এবং দাব্বাতুল আরদ বের হওয়ার চল্লিশ বছর পর পর্যন্ত জীবন যাপন করবে। (উক্ত সময়ের মধ্যে) কোন ব্যক্তি মৃতু্যু বরণ করবে না, অসুস্থও হবে না। লোক তার ছাগল ও চতুস্পদ জন্তুকে বলবে, তোমরা যাও এবং অমুক অমুক জায়গায় বিচরণ কর। আর অমুক অমুক সময় ফিরে এসো। প্রাণী দুই শস্য ক্ষেতে মাঝ দিয়ে যাবে অথচ তা থেকে একটি শস্য দানাও খাবে না। এবং পায়ের খুর দ্বারা কাঠও ভাাঙ্গবে না। সাপ, বিচ্ছু প্রকাশ্যে থাকবে অথচ কাউকে কষ্ট দিবে না। মানুষ এক সা’ বা এক মুদ গম বা যব নিয়ে যমিনের উপর ছড়িয়ে দিবে কোন চাষ করতে হবে না, কষ্টও করতে হবে না। তখন এক মুদের মধ্যে সাতশত মুদ প্রবেশ করবে। (এক মুদে সাতশত মুদ ফসল হবে।)
হযরত আব্দুল্লাহ রা. রাসূল সা. হতে বর্ণনা করে বলেন, যখন ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. অবতরণ করবেন এবং দাজ্জাালকে হত্যা করা হবে। তখন তারা সূর্য্য পশ্চিম দিকে উঠার রাত্রি পর্যন্ত এবং দাব্বাতুল আরদ বের হওয়ার চল্লিশ বছর পর পর্যন্ত জীবন যাপন করবে। (উক্ত সময়ের মধ্যে) কোন ব্যক্তি মৃত্যু বরণ করবে না, অসুস্থও হবে না। লোক তার ছাগল ও চতুস্পদ জন্তুকে বলবে, তোমরা যাও এবং অমুক অমুক জায়গায় বিচরণ কর। আর অমুক অমুক সময় ফিরে এসো। প্রাণী দুই শস্য ক্ষেতে মাঝ দিয়ে যাবে অথচ তা থেকে একটি শস্য দানাও খাবে না। এবং পায়ের খুর দ্বারা কাঠও ভাঙ্গবে না। সাপ, বিচ্ছু প্রকাশ্যে থাকবে অথচ কাউকে কষ্ট দিবে না। মানুষ এক সা’ বা এক মুদ গম বা যব নিয়ে যমিনের উপর ছড়িয়ে দিবে কোন চাষ করতে হবে না, কষ্টও করতে হবে না। তখন এক মুদের মধ্যে সাতশত মুদ প্রবেশ করবে। (এক মুদে সাতশত মুদ ফসল হবে।)
2021-04-30 00:17:09 @103.152.103.9
হযরত তুবাই রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঈসা আ. ও তার সাথীরা ইয়াজুজ মা’জুজের পরে বাইতুল মাকদাসে প্রস্থান করবে। অতপর তারা বলবে, এখন যুদ্ধ তার হাতিয়ার রেখে দিয়েছে। (যুদ্ধ শেষ হলো।) অতপর আল্লাহ তা’আলার ইচ্ছায় যমিন তার ভিতরে দুনিয়ার শুরু থেকে থাকা গুপ্তধন বের করে দিবে। অতপর ঈসা আ. ও মুমিনগণ বাইতুল মাকদাসে অনেক বছর জীবন যাপন করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা এমন বাতাশ প্রেরণ করবেন যা রুহ কবজ করে নিবে।
হযরত তুবাই রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঈসা আ. ও তার সাথীরা ইয়াজুজ মা’জুজের পরে বাইতুল মাকদাসে প্রস্থান করবে। অতপর তারা বলবে, এখন যুদ্ধ তার হাতিয়ার রেখে দিয়েছে (যুদ্ধ শেষ হলো।) অতপর আল্লাহ তা’আলার ইচ্ছায় যমিন তার ভিতরে দুনিয়ার শুরু থেকে থাকা গুপ্তধন বের করে দিবে। অতপর ঈসা আ. ও মুমিনগণ বাইতুল মাকদাসে অনেক বছর জীবন যাপন করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা এমন বাতাস প্রেরণ করবেন যা রুহ কবজ করে নিবে।
2021-04-30 00:15:49 @103.152.103.9
হযরত তুবাই রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঈসা আ. ও তার সাথীরা ইয়াজুজ মা’জুজের পরে বাইতুল মাকদাসে প্রস্থান করবে। অতপর তারা বলবে, এখন যুদ্ধ তার হাতিয়ার রেখে দিয়েছে। (যুদ্ধ শেষ হলো।) অতপর আল্লাহ তা’আলার ইচ্ছায় যমিন তার ভিতরে দুনিয়ার শুরু থেকে থাকা গুপ্তধন বের করে দিবে। অতপর ঈসা আ. ও মুমিনগণ বাইতুল মাকদাসে অনেক বছর জীবন যাপন করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা এমন বাতাশ প্রেরণ করবেন যা রুহ কবজ করে নিবে।
হযরত তুবাই রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঈসা আ. ও তার সাথীরা ইয়াজুজ মা’জুজের পরে বাইতুল মাকদাসে প্রস্থান করবে। অতপর তারা বলবে, এখন যুদ্ধ তার হাতিয়ার রেখে দিয়েছে। (যুদ্ধ শেষ হলো।) অতপর আল্লাহ তা’আলার ইচ্ছায় যমিন তার ভিতরে দুনিয়ার শুরু থেকে থাকা গুপ্তধন বের করে দিবে। অতপর ঈসা আ. ও মুমিনগণ বাইতুল মাকদাসে অনেক বছর জীবন যাপন করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা এমন বাতাস প্রেরণ করবেন যা রুহ কবজ করে নিবে।
2021-04-30 00:15:22 @103.152.103.9
হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আলী হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন মক্কায় আশ্রয়প্রার্থী যখন ভুমি ধসের কথা শুনবে তখন সে বার হাজার লোকের সাথে বের হবে। যাদের মাঝে আবযাল থাকবে। এমনকি তারা ঈলায় অবস্থান নিবে। অতপর যে ব্যক্তি সৈন্য প্রেরণ করেছে যখন তার নিকট ঈলার খবর পৌছবে। জীবনের কসম! তখন আল্লাহ তা’আলা এই ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাকে উপদেশ ও দৃষ্টান্ত বানাবেন। উক্ত ব্যক্তির উপর উহাই পৌছবে যা তাদের উপর পৌছেছিল। অতপর তারা যমিনে ধসে যাবে। আর এটাই হল উপদেশ। আর সুফইয়ানী তার দিকে অনুগত্যতা আদায় করবে। অতপর সে বের হবে এমনকি একজন কালবী লোকের সাথে সাক্ষাত ঘটবে। আর তারা হল তার সময়। অতপর তারা তার নিকট লজ্জিত হবে তাদের কৃত কর্মের কারণে। এবং তারা বলবে আল্লাহ তা’আলা আপনাকে পরিধেয় পরিধান করিয়েছেন। আর তুমি তা অপসৃত করছ। অতপর সে বলবে- তোমাদের কি আমি কি তাকে বাইয়াত হতে অব্যহতি দিব ? অতপর তারা বলবে হ্যা। অতপর তার নিকট ঈলা হতে লোকজন আসবে। অতপর সে বলবে- তোমরা কি আমাকে কম করে দিয়েছ? অতপর সে বলবে- আমি এটা করবো না। সে বলবে- তাই? সে তাকে বলবে- তুমি কি চাও, আমি তোমাকে পদচ্যুত করে দেই? (বাইয়াত হতে বের করে দেই?) অতপর সে বলবে হ্যা। ফলে সে তাকে পদচ্যুত করে দিবে। (বাইয়াত থেকে বের করে দিবে।) অতপর সে বলবে- এই ব্যক্তি আমার আনুগত্যতা ছিন্ন করেছে। অতপর তাকে সে সময় হত্যা করার আদেশ দিবে। অতপর তাকে ঈলার শান বাধানো পাথরের উপর যবাহ করা হবে। অতপর সে কালবের দিকে সফর করবে। অতপর তাদের লুণ্ঠন করা হবে। সুতরাং ধোকাবাজ হল যে কালবে লুণ্ঠনের দিন ধোকা দিবে।
হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আলী হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন মক্কায় আশ্রয়প্রার্থী যখন ভুমি ধসের কথা শুনবে তখন সে বার হাজার লোকের সাথে বের হবে। যাদের মাঝে আবযাল থাকবে। এমনকি তারা ঈলায় অবস্থান নিবে। অতপর যে ব্যক্তি সৈন্য প্রেরণ করেছে যখন তার নিকট ঈলার খবর পৌছবে। জীবনের কসম! তখন আল্লাহ তা’আলা এই ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাকে উপদেশ ও দৃষ্টান্ত বানাবেন। উক্ত ব্যক্তির উপর উহাই পৌছবে যা তাদের উপর পৌছেছিল। অতপর তারা যমিনে ধসে যাবে। আর এটাই হল উপদেশ। আর সুফইয়ানী তার দিকে অনুগত্যতা আদায় করবে। অতপর সে বের হবে এমনকি একজন কালবী লোকের সাথে সাক্ষাত ঘটবে। আর তারা হল তার সময়। অতপর তারা তার নিকট লজ্জিত হবে তাদের কৃত কর্মের কারণে। এবং তারা বলবে আল্লাহ তা’আলা আপনাকে পরিধেয় পরিধান করিয়েছেন। আর তুমি তা অপসৃত করছ। অতপর সে বলবে- তোমাদের কি আমি কি তাকে বাইয়াত হতে অব্যহতি দিব ? অতপর তারা বলবে হ্যা। অতপর তার নিকট ঈলা হতে লোকজন আসবে। অতপর সে বলবে- তোমরা কি আমাকে কম করে দিয়েছ? অতপর সে বলবে- আমি এটা করবো না। সে বলবে- তাই? সে তাকে বলবে- তুমি কি চাও, আমি তোমাকে পদচ্যুত করে দেই? (বাইয়াত হতে বের করে দেই?) অতপর সে বলবে হ্যা। ফলে সে তাকে পদচ্যুত করে দিবে। (বাইয়াত থেকে বের করে দিবে।) অতপর সে বলবে- এই ব্যক্তি আমার আনুগত্যতা ছিন্ন করেছে। অতপর তাকে সে সময় হত্যা করার আদেশ দিবে। অতপর তাকে ঈলার শান বাধানো পাথরের উপর যবাহ করা হবে। অতপর সে কালবের দিকে সফর করবে। অতপর তাদের লুণ্ঠন করা হবে। সুতরাং ধোকাবাজ হল যে কালবে লুণ্ঠনের দিন ধোকা 
2021-04-21 05:33:00 @8.25.96.35
হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আলী হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন মক্কায় আশ্রয়প্রার্থী যখন ভুমি ধসের কথা শুনবে তখন সে বার হাজার লোকের সাথে বের হবে। যাদের মাঝে আবযাল থাকবে। এমনকি তারা ঈলায় অবস্থান নিবে। অতপর যে ব্যক্তি সৈন্য প্রেরণ করেছে যখন তার নিকট ঈলার খবর পৌছবে। জীবনের কসম! তখন আল্লাহ তা’আলা এই ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাকে উপদেশ ও দৃষ্টান্ত বানাবেন। উক্ত ব্যক্তির উপর উহাই পৌছবে যা তাদের উপর পৌছেছিল। অতপর তারা যমিনে ধসে যাবে। আর এটাই হল উপদেশ। আর সুফইয়ানী তার দিকে অনুগত্যতা আদায় করবে। অতপর সে বের হবে এমনকি একজন কালবী লোকের সাথে সাক্ষাত ঘটবে। আর তারা হল তার সময়। অতপর তারা তার নিকট লজ্জিত হবে তাদের কৃত কর্মের কারণে। এবং তারা বলবে আল্লাহ তা’আলা আপনাকে পরিধেয় পরিধান করিয়েছেন। আর তুমি তা অপসৃত করছ। অতপর সে বলবে- তোমাদের কি আমি কি তাকে বাইয়াত হতে অব্যহতি দিব ? অতপর তারা বলবে হ্যা। অতপর তার নিকট ঈলা হতে লোকজন আসবে। অতপর সে বলবে- তোমরা কি আমাকে কম করে দিয়েছ? অতপর সে বলবে- আমি এটা করবো না। সে বলবে- তাই? সে তাকে বলবে- তুমি কি চাও, আমি তোমাকে পদচ্যুত করে দেই? (বাইয়াত হতে বের করে দেই?) অতপর সে বলবে হ্যা। ফলে সে তাকে পদচ্যুত করে দিবে। (বাইয়াত থেকে বের করে দিবে।) অতপর সে বলবে- এই ব্যক্তি আমার আনুগত্যতা ছিন্ন করেছে। অতপর তাকে সে সময় হত্যা করার আদেশ দিবে। অতপর তাকে ঈলার শান বাধানো পাথরের উপর যবাহ করা হবে। অতপর সে কালবের দিকে সফর করবে। অতপর তাদের লুণ্ঠন করা হবে। সুতরাং ধোকাবাজ হল যে কালবে লুণ্ঠনের দিন ধোকা দিবে।
হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আলী হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন মক্কায় আশ্রয়প্রার্থী যখন ভুমি ধসের কথা শুনবে তখন সে বার হাজার লোকের সাথে বের হবে। যাদের মাঝে আবযাল থাকবে। এমনকি তারা ঈলায় অবস্থান পরিধান করিয়েছেন। আর তুমি তা অপসৃত করছ। অতপর সে বলবে- তোমাদের কি আমি কি তাকে বাইয়াত হতে অব্যহতি দিব ? অতপর তারা বলবে হ্যা। অতপর তার নিকট ঈলা হতে লোকজন আসবে। 
2021-04-21 05:32:44 @8.25.96.35
হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন চতূর্থ ফিতনা বা যুদ্ধ আঠারো মাস দীর্ঘস্থায়ী হবে। অতপর যখন অবসান ঘটবে তখন অবসান ঘটবে। (অবসানের সময়ে অবসান ঘটবে।) আর ফুরাত নদীকে স্বর্ণের পাহাড় হতে খুলে দেওয়া হবে। আর উম্মত বা জাতি উহার উপর ঝুঁকে পড়বে। অতপর প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে।

হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন চতূর্থ ফিতনা বা যুদ্ধ আঠারো মাস দীর্ঘস্থায়ী হবে। অতপর যখন অবসান ঘটবে তখন অবসান ঘটবে। (অবসানের সময়ে অবসান ঘটবে।) আর ফুরাত নদীকে স্বর্ণের পাহাড় হতে খুলে দেওয়া হবে। আর উম্মত বা জাতি উহার উপর ঝুঁকে পড়বে। অতপর প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে।

2021-04-20 23:32:34 @123.108.244.189
শুরাইহ ইবনে উবাইদ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, একদিন হযরত মোয়াবিয়া রাযিঃ কা’বকে হিমস এবং দিমাশক সম্বন্ধে জিঞ্জাসা করলে তিনি জবাব দিলেন, দিমাশক হচ্ছে, রোম দেশের মুসলমানদের আশ্রয়স্থল সেখানের ষাঁড় রাখার স্থান হিমসের বড় এলাকার চেয়েও উত্তম।
কেউ যদি দাজ্জাল থেকে মুক্তির আশা করে সে যেন আবু ফাতরাছ নামক ঝর্নার পার্শ্বে গিয়ে আশ্রয় গ্রহন করে। যদি তুমি খুলাফাদের সমান মর্যাদা লাভ করতে চাও তাহলে দিমাশকে অবস্থান কর। আর যদি জিহাদ এবং কষ্ট শিকার করতে চাও তাহলে হিমস নামক এলাকাতে অবস্থান করতে থাক। বর্ননাকারী সাফওয়ান বলেন, আমাদেরকে আবুজ জাহিরিয়্যাহ রহঃ হযরত কা’ব থেকে বর্ননা করেন, যুদ্ধবিগ্রহ কালীন মুসলমানদের আশ্রয়স্থল হচ্ছে, দিমাশক। দাজ্জাল থেকে মুক্তির স্থান থেকে আবু ফাতরাছ ঝর্না আর তূর পাহাড় হচ্ছে, ইয়াজুজ-মাজুজ থেকে আশ্রয় গ্রহনের একমাত্র জায়গা।
শুরাইহ ইবনে উবাইদ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, একদিন হযরত মোয়াবিয়া রাযিঃ কা’বকে হিমস এবং দিমাশক সম্বন্ধে জিঞ্জাসা করলে তিনি জবাব দিলেন, দিমাশক হচ্ছে, রোম দেশের মুসলমানদের আশ্রয়স্থল সেখানের ষাঁড় রাখার স্থান হিমসের বড় এলাকার চেয়েও উত্তম।
কেউ যদি দাজ্জাল থেকে মুক্তির আশা করে সে যেন আবু ফাতরাছ নামক ঝর্নার পার্শ্বে গিয়ে আশ্রয় গ্রহন করে। যদি তুমি খুলাফাদের সমান মর্যাদা লাভ করতে চাও তাহলে দিমাশকে অবস্থান কর। আর যদি জিহাদ এবং কষ্ট শিকার করতে চাও তাহলে হিমস নামক এলাকাতে অবস্থান করতে থাক। বর্ননাকারী সাফওয়ান বলেন, আমাদেরকে আবুজ জাহিরিয়্যাহ রহঃ হযরত কা’ব থেকে বর্ননা করেন, যুদ্ধবিগ্রহ কালীন মুসলমানদের আশ্রয়স্থল হচ্ছে, দিমাশক। দাজ্জাল থেকে মুক্তির স্থান থেকে আবু ফাতরাছ ঝর্না আর তূর পাহাড় হচ্ছে, ইয়াজুজ-মাজুজ থেকে আশ্রয় গ্রহনের একমাত্র জায়গা।
2021-04-08 22:08:36 @103.112.151.2
শুরাইহ ইবনে উবাইদ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, একদিন হযরত মোয়াবিয়া রাযিঃ কা’বকে হিমস এবং দিমাশক সম্বন্ধে জিঞ্জাসা করলে তিনি জবাব দিলেন, দিমাশক হচ্ছে, রোম দেশের মুসলমানদের আশ্রয়স্থল সেখানের ষাঁড় রাখার স্থান হিমসের বড় এলাকার চেয়েও উত্তম।
কেউ যদি দাজ্জাল থেকে মুক্তির আশা করে সে যেন আবু ফাতরাছ নামক ঝর্নার পার্শ্বে গিয়ে আশ্রয় গ্রহন করে। যদি তুমি খুলাফাদের সমান মর্যাদা লাভ করতে চাও তাহলে দিমাশকে অবস্থান কর। আর যদি জিহাদ এবং কষ্ট শিকার করতে চাও তাহলে হিমস নামক এলাকাতে অবস্থান করতে থাক। বর্ননাকারী সাফওয়ান বলেন, আমাদেরকে আবুজ জাহিরিয়্যাহ রহঃ হযরত কা’ব থেকে বর্ননা করেন, যুদ্ধবিগ্রহ কালীন মুসলমানদের আশ্রয়স্থল হচ্ছে, দিমাশক। দাজ্জাল থেকে মুক্তির স্থান থেকে আবু ফাতরাছ ঝর্না আর তূর পাহাড় হচ্ছে, ইয়াজুজ-মাজুজ থেকে আশ্রয় গ্রহনের একমাত্র জায়গা।
শুরাইহ ইবনে উবাইদ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, একদিন হযরত মোয়াবিয়া রাযিঃ কা’বকে হিমস এবং দিমাশক সম্বন্ধে জিঞ্জাসা করলে তিনি জবাব দিলেন, দিমাশক হচ্ছে, রোম দেশের মুসলমানদের আশ্রয়স্থল সেখানের ষাঁড় রাখার স্থান হিমসের বড় এলাকার চেয়েও উত্তম।
কেউ যদি দাজ্জাল থেকে মুক্তির আশা করে সে যেন আবু ফাতরাছ নামক ঝর্নার পার্শ্বে গিয়ে আশ্রয় গ্রহন করে। যদি তুমি খুলাফাদের সমান মর্যাদা লাভ করতে চাও তাহলে দিমাশকে অবস্থান কর। আর যদি জিহাদ এবং কষ্ট শিকার করতে চাও তাহলে হিমস নামক এলাকাতে অবস্থান করতে থাক। বর্ননাকারী সাফওয়ান বলেন, আমাদেরকে আবুজ জাহিরিয়্যাহ রহঃ হযরত কা’ব থেকে বর্ননা করেন, যুদ্ধবিগ্রহ কালীন মুসলমানদের আশ্রয়স্থল হচ্ছে, দিমাশক। দাজ্জাল থেকে মুক্তির স্থান থেকে আবু ফাতরাছ ঝর্না আর তূর পাহাড় হচ্ছে, ইয়াজুজ-মাজুজ থেকে আশ্রয় গ্রহনের একমাত্র জায়গা।
2021-04-08 22:08:33 @103.112.151.2
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মানুষের জন্য এমন এক যুগ আসবে যে যুগে তাদের উত্তম বাসস্থান হবে গ্রাম।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মানুষের জন্য এমন এক যুগ আসবে যে যুগে তাদের উত্তম 
2021-04-02 16:00:58 @103.134.25.82
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, শাম দেশে মোট তিন ধরনের ফিৎনা দেখা দিবে। একটি ফিৎনা হচ্ছে, অবাধ রক্তপাতের ফিৎনা, দ্বিতীয় ফিৎনা হচ্ছে, আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন ও সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ফিৎনা। উক্ত ফিৎনার সাথে সম্পৃক্ত হবে মারিবের ফিৎনা, যা মূলতঃ অন্ধ ফিৎনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
কা’ব রহঃৎনা, যা মূলতঃ অন্ধ ফিৎনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
2021-03-19 18:21:27 @103.99.251.150
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, শাম দেশে মোট তিন ধরনের ফিৎনা দেখা দিবে। একটি ফিৎনা হচ্ছে, অবাধ রক্তপাতের ফিৎনা, দ্বিতীয় ফিৎনা হচ্ছে, আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন ও সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ফিৎনা। উক্ত ফিৎনার সাথে সম্পৃক্ত হবে মারিবের ফিৎনা, যা মূলতঃ অন্ধ ফিৎনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, শাম দেশে মোট তিন ধরনের ফিৎনা দেখা দিবে। একটি ফিৎনা হচ্ছে, অবাধ রক্তপাতের ফিৎনা, দ্বিতীয় ফিৎনা হচ্ছে, আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন ও সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ফিৎনা। উক্ত ফিৎনার সাথে সম্পৃক্ত হবে মাগরিবের ফিৎনা, যা মূলতঃ অন্ধ ফিৎনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
2021-03-19 18:21:10 @103.99.251.150
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, শাম দেশে মোট তিন ধরনের ফিৎনা দেখা দিবে। একটি ফিৎনা হচ্ছে, অবাধ রক্তপাতের ফিৎনা, দ্বিতীয় ফিৎনা হচ্ছে, আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন ও সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ফিৎনা। উক্ত ফিৎনার সাথে সম্পৃক্ত হবে মারিবের ফিৎনা, যা মূলতঃ অন্ধ ফিৎনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, শাম দেশে মোট তিন ধরনের ফিৎনা দেখা দিবে। একটি ফিৎনা হচ্ছে, অবাধ রক্তপাতের ফিৎনা, দ্বিতীয় ফিৎনা হচ্ছে, আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন ও সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ফিৎনা। উক্ত ফিৎনার সাথে সম্পৃক্ত হবে মাগরিবের ফিৎনা, যা মূলতঃ অন্ধ ফিৎনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
2021-03-17 14:54:55 @103.99.251.150
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, শাম দেশে মোট তিন ধরনের ফিৎনা দেখা দিবে। একটি ফিৎনা হচ্ছে, অবাধ রক্তপাতের ফিৎনা, দ্বিতীয় ফিৎনা হচ্ছে, আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন ও সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ফিৎনা। উক্ত ফিৎনার সাথে সম্পৃক্ত হবে মারিবের ফিৎনা, যা মূলতঃ অন্ধ ফিৎনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, শাম দেশে মোট তিন ধরনের ফিৎনা দেখা দিবে। একটি ফিৎনা হচ্ছে, অবাধ রক্তপাতের ফিৎনা, দ্বিতীয় ফিৎনা হচ্ছে, আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন ও সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ফিৎনা। উক্ত ফিৎনার সাথে সম্পৃক্ত হবে মাগরিবের ফিৎনা, যা মূলতঃ অন্ধ ফিৎনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করবে।
2021-03-17 10:51:51 @103.99.251.150
ইবনে শিহাব যুহরী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, জনৈক লোক একটি ফোড়ায় আক্রান্ত হয়ে কূফা থেকে পলায়ন করতে গিয়ে মারা যাবে। পরবর্তীতে তার পিতার নামের একজন লোক তাদের জিম্মাদারী গ্রহন করবে। তার নাম হবে আলী আট হরফ বিশিষ্ট। নেতিক তাহীন লোক, পায়ের গোছা গোশতহীন বিশিষ্ট, মাথার উপরী ভাগ ন্যাড়া কোটরা গত বিশিষ্ট চক্ষুদ্বয় তারপর লোকজন ধ্বংস হয়ে যাবে।
ইবনে শিহাব যুহরী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, জনৈক লোক একটি ফোড়ায় আক্রান্ত হয়ে কূফা থেকে পলায়ন করতে গিয়ে মারা যাবে। পরবর্তীতে তার পিতার নামের একজন লোক তাদের জিম্মাদারী গ্রহন করবে। তার নাম হবে  আট হরফ বিশিষ্ট। নেতিক তাহীন লোক, পায়ের গোছা গোশতহীন বিশিষ্ট, মাথার উপরী ভাগ ন্যাড়া কোটরা গত বিশিষ্ট চক্ষুদ্বয় তারপর লোকজন ধ্বংস হয়ে যাবে।
2021-03-14 10:29:46 @103.99.251.150
ইবনে শিহাব যুহরী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, জনৈক লোক একটি ফোড়ায় আক্রান্ত হয়ে কূফা থেকে পলায়ন করতে গিয়ে মারা যাবে। পরবর্তীতে তার পিতার নামের একজন লোক তাদের জিম্মাদারী গ্রহন করবে। তার নাম হবে আলী আট হরফ বিশিষ্ট। নেতিক তাহীন লোক, পায়ের গোছা গোশতহীন বিশিষ্ট, মাথার উপরী ভাগ ন্যাড়া কোটরা গত বিশিষ্ট চক্ষুদ্বয় তারপর লোকজন ধ্বংস হয়ে যাবে।
ইবনে শিহাব যুহরী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, জনৈক লোক একটি ফোড়ায় আক্রান্ত হয়ে কূফা থেকে পলায়ন করতে গিয়ে মারা যাবে। পরবর্তীতে তার পিতার নামের একজন লোক তাদের জিম্মাদারী গ্রহন করবে। তার নাম হবে  আট হরফ বিশিষ্ট। নেতিক তাহীন লোক, পায়ের গোছা গোশতহীন বিশিষ্ট, মাথার উপরী ভাগ ন্যাড়া কোটরা গত বিশিষ্ট চক্ষুদ্বয় তারপর লোকজন ধ্বংস হয়ে যাবে।
2021-03-14 10:29:44 @103.99.251.150
হযরত আরতাত রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন তুর্কী, রোম এবং খাসাফ জাতি দিমাশকের এক প্রান্তরে জমায়েত হবে এবং দিমাশকের মসজিদের পশ্চিম প্রান্তে আরেকদল ভুপাতিত হবে তখনই শাম দেশে আরকা, আসহাফ এবং সুফিয়ানীদের তিনটি ঝান্ডা প্রকাশ পাবে। দিমাশক এলাকাকে জনৈক লোক অবরুদ্ধ করে রাখবে। এক পর্যায়ে সেই লোক এবং তার সাথীদেরকে হত্যা করা হলে বনু সুফিয়ান থেকে আরো দুইজন লোকের আত্ন প্রকাশ হবে। তখন যেন দ্বিতীয় বিজয় পাওয়া গেল। অতঃপর যখন আরকা গোত্রের লোকজন মিশর থেকে এগিয়ে আসবে তখনই সুফিয়ানী তার সৈন্যদের সাহায্যে তাদের সামনে আত্নপ্রকাশ করবে। রোম এবং তুর্কীরা মিলে কারকায়সিয়া নামক স্থানে তাদেরকে হত্যা করবে এবং তাদের গোশত দ্বারা জঙ্গলে বাঘ-ভল্লুকরা তৃপ্ত হবে।
হযরত আরতাত রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন তুর্কী, রোম এবং খাসাফ জাতি দিমাশকের এক প্রান্তরে জমায়েত হবে এবং দিমাশকের মসজিদের পশ্চিম প্রান্তে আরেকদল ভুপাতিত হবে তখনই শাম দেশে আরকা, আসহাফ এবং সুফিয়ানীদের তিনটি ঝান্ডা প্রকাশ পাবে। দিমাশক এলাকাকে জনৈক লোক অবরুদ্ধ করে রাখবে। এক পর্যায়ে সেই লোক এবং তার সাথীদেরকে হত্যা করা হলে বনু সুফিয়ান থেকে আরো দুইজন লোকের আত্ন প্রকাশ হবে। তখন যেন দ্বিতীয় বিজয় পাওয়া গেল। অতঃপর যখন আরকা গোত্রের লোকজন মিশর থেকে এগিয়ে আসবে তখনই সুফিয়ানী তার সৈন্যদের সাহায্যে তাদের সামনে আত্নপ্রকাশ করবে। রোম এবং তুর্কীদের কারকায়সিয়া নামক স্থানে হত্যা করা হবে এবং তাদের গোশত দ্বারা জঙ্গলে বাঘ-ভল্লুকরা তৃপ্ত হবে।
2021-03-11 13:01:10 @103.99.251.150
হযরত আরতাত রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন তুর্কী, রোম এবং খাসাফ জাতি দিমাশকের এক প্রান্তরে জমায়েত হবে এবং দিমাশকের মসজিদের পশ্চিম প্রান্তে আরেকদল ভুপাতিত হবে তখনই শাম দেশে আরকা, আসহাফ এবং সুফিয়ানীদের তিনটি ঝান্ডা প্রকাশ পাবে। দিমাশক এলাকাকে জনৈক লোক অবরুদ্ধ করে রাখবে। এক পর্যায়ে সেই লোক এবং তার সাথীদেরকে হত্যা করা হলে বনু সুফিয়ান থেকে আরো দুইজন লোকের আত্ন প্রকাশ হবে। তখন যেন দ্বিতীয় বিজয় পাওয়া গেল। অতঃপর যখন আরকা গোত্রের লোকজন মিশর থেকে এগিয়ে আসবে তখনই সুফিয়ানী তার সৈন্যদের সাহায্যে তাদের সামনে আত্নপ্রকাশ করবে। রোম এবং তুর্কীরা মিলে কারকায়সিয়া নামক স্থানে তাদেরকে হত্যা করবে এবং তাদের গোশত দ্বারা জঙ্গলে বাঘ-ভল্লুকরা তৃপ্ত হবে।
হযরত আরতাত রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন তুর্কী,রোম দিমাশকের এক প্রান্তরে জমায়েত হবে এবং দিমাশকের মসজিদের পশ্চিম প্রান্তে আরেকদল ভুপাতিত হবে তখনই শাম দেশে আরকা, আসহাফ এবং সুফিয়ানীদের তিনটি ঝান্ডা প্রকাশ পাবে। দিমাশক এলাকাকে জনৈক লোক অবরুদ্ধ করে রাখবে। এক পর্যায়ে সেই লোক এবং তার সাথীদেরকে হত্যা করা হলে বনু সুফিয়ান থেকে আরো দুইজন লোকের আত্ন প্রকাশ হবে। তখন যেন দ্বিতীয় বিজয় পাওয়া গেল। অতঃপর যখন আরকা গোত্রের লোকজন মিশর থেকে এগিয়ে আসবে তখনই সুফিয়ানী তার সৈন্যদের সাহায্যে তাদের সামনে আত্নপ্রকাশ করবে। রোম এবং তুর্কীরা মিলে কারকায়সিয়া নামক স্থানে তাদেরকে হত্যা করবে এবং তাদের গোশত দ্বারা জঙ্গলে বাঘ-ভল্লুকরা তৃপ্ত হবে।
2021-03-11 12:58:22 @103.99.251.150
হযরত আরতাত রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন তুর্কী, রোম এবং খাসাফ জাতি দিমাশকের এক প্রান্তরে জমায়েত হবে এবং দিমাশকের মসজিদের পশ্চিম প্রান্তে আরেকদল ভুপাতিত হবে তখনই শাম দেশে আরকা, আসহাফ এবং সুফিয়ানীদের তিনটি ঝান্ডা প্রকাশ পাবে। দিমাশক এলাকাকে জনৈক লোক অবরুদ্ধ করে রাখবে। এক পর্যায়ে সেই লোক এবং তার সাথীদেরকে হত্যা করা হলে বনু সুফিয়ান থেকে আরো দুইজন লোকের আত্ন প্রকাশ হবে। তখন যেন দ্বিতীয় বিজয় পাওয়া গেল। অতঃপর যখন আরকা গোত্রের লোকজন মিশর থেকে এগিয়ে আসবে তখনই সুফিয়ানী তার সৈন্যদের সাহায্যে তাদের সামনে আত্নপ্রকাশ করবে। রোম এবং তুর্কীরা মিলে কারকায়সিয়া নামক স্থানে তাদেরকে হত্যা করবে এবং তাদের গোশত দ্বারা জঙ্গলে বাঘ-ভল্লুকরা তৃপ্ত হবে।
হযরত আরতাত রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন তুর্কী,রোম দিমাশকের এক প্রান্তরে জমায়েত হবে এবং দিমাশকের মসজিদের পশ্চিম প্রান্তে আরেকদল ভুপাতিত হবে তখনই শাম দেশে আরকা, আসহাফ এবং সুফিয়ানীদের তিনটি ঝান্ডা প্রকাশ পাবে। দিমাশক এলাকাকে জনৈক লোক অবরুদ্ধ করে রাখবে। এক পর্যায়ে সেই লোক এবং তার সাথীদেরকে হত্যা করা হলে বনু সুফিয়ান থেকে আরো দুইজন লোকের আত্ন প্রকাশ হবে। তখন যেন দ্বিতীয় বিজয় পাওয়া গেল। অতঃপর যখন আরকা গোত্রের লোকজন মিশর থেকে এগিয়ে আসবে তখনই সুফিয়ানী তার সৈন্যদের সাহায্যে তাদের সামনে আত্নপ্রকাশ করবে। রোম এবং তুর্কীরা মিলে কারকায়সিয়া নামক স্থানে তাদেরকে হত্যা করবে এবং তাদের গোশত দ্বারা জঙ্গলে বাঘ-ভল্লুকরা তৃপ্ত হবে।
2021-03-11 12:58:21 @103.99.251.150
হযরত মাতারুল ওয়ারাক হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন অকাট্ট ভাবে আল্লাহ তা’আলা কুফুরী করার পরই মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবেন।
হযরত মাতারুল ওয়ারাক হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন অকাট্ট ভাবে আল্লাহ তা’আলার কুফুরী করার পরই মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবেন।
2021-03-07 17:07:25 @103.25.250.251
রাসুলুল্লাহ সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
রাসুলুল্লাহ সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
2021-03-05 19:24:31 @116.58.203.118
হযরত আবু সাঈদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন হযরত মাহদী সাত, আটানব্বই বছর রাজত্ব করবে।
হযরত আবু সাঈদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন হযরত মাহদী সাত, আট বছর রাজত্ব করবে।
2021-03-03 21:40:26 @182.48.68.205
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন তাদের নিকট উহা বিজিত হওয়ার পর খবর আসবে। অর্থাৎ কুস্তুনতুনিয়া বিজয়। তখন তারা তাাদের হাতে যা থাকবে তা ফেলে দিবে এবং তারা বাহির হবে। তখন তারা এটাকে ভূল পাবে। তার পরেই দাজ্জাল বাহির হবে। তার সাথে সমুদ্রের দিকে উর্বরতা সংযুক্ত থাকবে। অতপর সে বাহির হবে।
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন তাদের নিকট উহা বিজিত হওয়ার পর খবর আসবে। অর্থাৎ কুস্তুনতুনিয়া বিজয়। তখন তারা তাদের হাতে যা থাকবে তা ফেলে দিবে এবং তারা বাহির হবে। তখন তারা এটাকে ভূল পাবে। তার পরেই দাজ্জাল বাহির হবে। তার সাথে সমুদ্রের দিকে উর্বরতা সংযুক্ত থাকবে। অতপর সে বাহির হবে।
2020-11-17 15:20:27 nrjhnsheikh@...
হযরত হিশাম ইবনে আমের হতে বর্ণিত যে, আমি রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, আদম আ. এর সৃষ্টি হতে কিয়ামত সংগঠিত হওয়া পর্যন্ত বড় বিষয় (ফিতনা) হলো দাজ্জাল।

2020-11-16 19:51:54 @103.147.162.118
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
2020-11-14 20:08:40 @103.129.236.248
হযরত উবাইদ ইবনে উমাইর হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন অনেক দল মানুষ দাজ্জালের সাথী হবে তারা বলবে আমরা দাজ্জালের সঙ্গ দিয়েছি অথচ আমরা জানি যে, দাজ্জাল কাফের। তবুও আমরা তার সঙ্গ দিয়েছি যাতে আমরা তার খাদ্য থেকে খেতে পারি এবং গাছ থেকে বাঁচতে পারি। অতপর যখন আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর গযব নাযিল করবেন তখন তাদের সকলের উপর গযর নাযিল করবেন।
হযরত উবাইদ ইবনে উমাইর হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন অনেক দল মানুষ দাজ্জালের সাথী হবে তারা বলবে আমরা দাজ্জালের সঙ্গ দিয়েছি, অথচ আমরা জানি যে, দাজ্জাল কাফের। তবুও আমরা তার সঙ্গ দিয়েছি যাতে আমরা তার খাদ্য থেকে খেতে পারি এবং গাছ থেকে বাঁচতে পারি। অতপর যখন আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর গযব নাযিল করবেন তখন তাদের সকলের উপর গযর নাযিল করবেন।
2020-11-09 21:06:09 @103.129.236.248
হযরত কা’ব রহঃ থেকে কর্নিত, তিনি কলেন, আমাক নামক স্থানে তীব্র যুদ্ধ সংঘঠিত হবে, তখন সাহায্যÑসহযোগিতা তুলে নেয়া হবে, মানুষ ধৈর্য হারা হয়ে যাবে এবং উভয় পক্ষ পরস্পরের প্রতি ভারী অস্ত্র প্রদর্শন করবে। সর্বত্রে এত বেশি রক্ত পাত হবে লাগাতার তিনদিন পর্যন্ত ঘোড়ার অর্ধেক পর্যন্ত রক্তের মধ্যে ডুবে থাকবে। এক মাত্র রাত্র ব্যতীত যুদ্ধ থেকে কোনো জিনিসই তাদেরকে বিরত রাখতে পারবেনা। এমন মুহূর্তে একদল লোক ঘোষনা করবে, ইসলাম একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, এখন সে মেয়াদ শেষ পর্যায়ে এসে পৌছেছে, সুতরাং তোমরা সকলে তোমাদের বাপদাদার দ্বীন এবং জন্মস্থানে ফিরে যাও। অতঃপর একথা শুনে অনেকে কাফের ও মুরতাদ হয়ে যাবে। তবে তখনও মুহাজিরদে বংশধর গন তাদে দ্বীনের উপর অটল থাকবে, এবং তাদের একজন ঘোষনা করবে হে লোক সকল! তোমরা কি দেখছনা, এরা কি বলছে!! চলো আমরা আল্লাহ তাআলার দ্বীনের সাথে একাত¦তা পোষন করব। কিন্তু একজনও তার অনুসরন করবেনা। এক পর্যায়ে সে একাই তাদের দিকে এগিয়ে যাবে। তারা তাকে পাকড়াও করারপর হত্যা করে উপরে তাদের বর্শার সাথে ঝুলিয়ে রাখবে। যার কারনে তার রক্ত দ্বারা তাদের গোটা শরীর রন্জিত হয়ে যাবে। অতঃপর তাদেরকে আল্লাহ তাআলা পরাজিত করবেন।
হযরত কা’ব রহঃ থেকে কর্নিত, তিনি বলেন, আমাক নামক স্থানে তীব্র যুদ্ধ সংঘঠিত হবে, তখন সাহায্যÑসহযোগিতা তুলে নেয়া হবে, মানুষ ধৈর্য হারা হয়ে যাবে এবং উভয় পক্ষ পরস্পরের প্রতি ভারী অস্ত্র প্রদর্শন করবে। সর্বত্র এত বেশি রক্ত পাত হবে যে লাগাতার তিনদিন পর্যন্ত ঘোড়ার অর্ধেক পর্যন্ত রক্তের মধ্যে ডুবে থাকবে। এক মাত্র রাত্র ব্যতীত যুদ্ধ থেকে কোনো জিনিসই তাদেরকে বিরত রাখতে পারবেনা। এমন মুহূর্তে একদল লোক ঘোষনা করবে, ইসলাম একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, এখন সে মেয়াদ শেষ পর্যায়ে এসে পৌছেছে, সুতরাং তোমরা সকলে তোমাদের বাপদাদার দ্বীন এবং জন্মস্থানে ফিরে যাও। অতঃপর একথা শুনে অনেকে কাফের ও মুরতাদ হয়ে যাবে। তবে তখনও মুহাজিরদের  বংশধর গন তাদে দ্বীনের উপর অটল থাকবে, এবং তাদের একজন ঘোষনা করবে হে লোক সকল! তোমরা কি দেখছনা, এরা কি বলছে!! চলো আমরা আল্লাহ তাআলার দ্বীনের সাথে একাত্ততা পোষন করব। কিন্তু একজনও তার অনুসরন করবেনা। এক পর্যায়ে সে একাই তাদের দিকে এগিয়ে যাবে। তারা তাকে পাকড়াও করারপর হত্যা করে উপরে তাদের বর্শার সাথে ঝুলিয়ে রাখবে। যার কারনে তার রক্ত দ্বারা তাদের গোটা শরীর রন্জিত হয়ে যাবে। অতঃপর তাদেরকে আল্লাহ তাআলা পরাজিত করবেন।
2020-11-04 22:57:17 @103.129.236.248
হযরত আবু আব্দুল্লাহ নুআইস রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বাকিয়্যাহকে বলতে শুনেছি, তিনি এরশাদ করেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে একবার কোমর বেঁধে ঘুমাতে দেখে জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! কি ব্যাপার আপনাকে কোমর বাধা অবস্থায় দেখা যাচ্ছে?

জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমরা সকলে ঈসা ইবনে মারইয়ামের সহযোগিতা করার প্রস্তুতি গ্রহণ কর।
হযরত আবু আব্দুল্লাহ নুআইস রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বাকিয়্যাহকে বলতে শুনেছি, তিনি এরশাদ করেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে একবার কোমর বেঁধে ঘুমাতে দেখে জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! কি ব্যাপার আপনাকে কোমর বাধা অবস্থায় দেখা যাচ্ছে?

জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমরা সকলে ঈসা ইবনে মারইয়ামের সহযোগিতা করার প্রস্তুতি গ্রহণ কর।
2020-11-04 22:30:33 @103.129.236.248
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ একদা ভারতে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ‘তোমাদের পক্ষ থেকে একদল সৈন্য ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে আল্লাহ তা’আলা ভারতের বিপক্ষে তোমাদেরকে জয়লাভ করাবেন। তাদের সম্রাটকে শিকল দ্বারা বেধে বায়তুল মোকাদ্দাসে নিয়ে আসা হবে। তবে আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। এরপর তারা পূনরায় ভারতে ফিরে গিয়ে শাসনক্ষমতা চালাতে থাকবে এবং এ অবস্থায় হযরত ঈসা আঃ এর আগমন হবে। হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনার পর বলেন, আমি যদি ভারতের সেই যুদ্ধ পায় তাহলে আমি আমার যাবতীয় সম্পদ বিক্রি করে রসদাপত্র সংগ্রহ করার পর উক্ত যুদ্ধে শরীক হব। অতঃপর আল্লাহর সাহায্যে জয়লাভ করার পর আমি আযাদ আবু হুরায়রা হিসেবে ফিরে আসতাম। শাম নগরীতে আসার পর ঈসা ইবনে মারইয়াম আঃ এর সাক্ষাৎ যদি পেয়ে যেতাম তাহলে তার নিকটবর্তী হয়ে বলে দিতাম, আমি কিন্তু আপনার সান্নিধ্যার্জন করতে পেরেছি হে আল্লাহর রাসূল। হযরত আবু হুরায়ারার কথাটি শুনে রাসূলুল্লাহ সাঃ প্রথমে মুচকি হাসলেও পরে কিন্তু হেসে দিয়ে বললেন, ভালো ভালো।
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ একদা ভারতের আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ‘তোমাদের পক্ষ থেকে একদল সৈন্য ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে আল্লাহ তা’আলা ভারতের বিপক্ষে তোমাদেরকে জয়লাভ করাবেন। তাদের সম্রাটকে শিকল দ্বারা বেধে বায়তুল মোকাদ্দাসে নিয়ে আসা হবে। তবে আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। এরপর তারা পূনরায় ভারতে ফিরে গিয়ে শাসনক্ষমতা চালাতে থাকবে এবং এ অবস্থায় হযরত ঈসা আঃ এর আগমন হবে। হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনার পর বলেন, আমি যদি ভারতের সেই যুদ্ধ পাই তাহলে আমি আমার যাবতীয় সম্পদ বিক্রি করে রসদপত্র সংগ্রহ করার পর উক্ত যুদ্ধে শরীক হব। অতঃপর আল্লাহর সাহায্যে জয়লাভ করার পর আমি আযাদ আবু হুরায়রা হিসেবে ফিরে আসতাম। শাম নগরীতে আসার পর ঈসা ইবনে মারইয়াম আঃ এর সাক্ষাৎ যদি পেয়ে যেতাম তাহলে তার নিকটবর্তী হয়ে বলে দিতাম, আমি কিন্তু আপনার সান্নিধ্যার্জন করতে পেরেছি হে আল্লাহর রাসূল। হযরত আবু হুরায়ারার কথাটি শুনে রাসূলুল্লাহ সাঃ প্রথমে মুচকি হাসলেও পরে কিন্তু হেসে দিয়ে বললেন, ভালো ভালো।
2020-11-03 22:18:46 @103.129.236.248
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ একদা ভারতে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ‘তোমাদের পক্ষ থেকে একদল সৈন্য ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে আল্লাহ তা’আলা ভারতের বিপক্ষে তোমাদেরকে জয়লাভ করাবেন। তাদের সম্রাটকে শিকল দ্বারা বেধে বায়তুল মোকাদ্দাসে নিয়ে আসা হবে। তবে আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। এরপর তারা পূনরায় ভারতে ফিরে গিয়ে শাসনক্ষমতা চালাতে থাকবে এবং এ অবস্থায় হযরত ঈসা আঃ এর আগমন হবে। হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনার পর বলেন, আমি যদি ভারতের সেই যুদ্ধ পায় তাহলে আমি আমার যাবতীয় সম্পদ বিক্রি করে রসদাপত্র সংগ্রহ করার পর উক্ত যুদ্ধে শরীক হব। অতঃপর আল্লাহর সাহায্যে জয়লাভ করার পর আমি আযাদ আবু হুরায়রা হিসেবে ফিরে আসতাম। শাম নগরীতে আসার পর ঈসা ইবনে মারইয়াম আঃ এর সাক্ষাৎ যদি পেয়ে যেতাম তাহলে তার নিকটবর্তী হয়ে বলে দিতাম, আমি কিন্তু আপনার সান্নিধ্যার্জন করতে পেরেছি হে আল্লাহর রাসূল। হযরত আবু হুরায়ারার কথাটি শুনে রাসূলুল্লাহ সাঃ প্রথমে মুচকি হাসলেও পরে কিন্তু হেসে দিয়ে বললেন, ভালো ভালো।
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ একদা ভারতের আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ‘তোমাদের পক্ষ থেকে একদল সৈন্য ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে আল্লাহ তা’আলা ভারতের বিপক্ষে তোমাদেরকে জয়লাভ করাবেন। তাদের সম্রাটকে শিকল দ্বারা বেধে বায়তুল মোকাদ্দাসে নিয়ে আসা হবে। তবে আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। এরপর তারা পূনরায় ভারতে ফিরে গিয়ে শাসনক্ষমতা চালাতে থাকবে এবং এ অবস্থায় হযরত ঈসা আঃ এর আগমন হবে। হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনার পর বলেন, আমি যদি ভারতের সেই যুদ্ধ পাই তাহলে আমি আমার যাবতীয় সম্পদ বিক্রি করে রসদপত্র সংগ্রহ করার পর উক্ত যুদ্ধে শরীক হব। অতঃপর আল্লাহর সাহায্যে জয়লাভ করার পর আমি আযাদ আবু হুরায়রা হিসেবে ফিরে আসতাম। শাম নগরীতে আসার পর ঈসা ইবনে মারইয়াম আঃ এর সাক্ষাৎ যদি পেয়ে যেতাম তাহলে তার নিকটবর্তী হয়ে বলে দিতাম, আমি কিন্তু আপনার সান্নিধ্যার্জন করতে পেরেছি হে আল্লাহর রাসূল। হযরত আবু হুরায়ারার কথাটি শুনে রাসূলুল্লাহ সাঃ প্রথমে মুচকি হাসলেও পরে কিন্তু হেসে দিয়ে বললেন, ভালো ভালো।
2020-11-03 22:17:56 @103.129.236.248
জমরাহ ইবনে হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মাহদীর হায়াত হলো ত্রিশ বছর।
জমরাহ ইবনে হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মাহদীর হায়াত হলো ত্রিশ বছর
2020-11-01 16:17:21 @103.55.145.80
জমরাহ ইবনে হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মাহদীর হায়াত হলো ত্রিশ বছর।
জমরাহ ইবনে হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মাহদীর হায়াত হলো ত্রিশ বছর।gh
2020-11-01 16:17:11 @103.55.145.80
হযরত আলী ইবনে আবু তালেব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যদি কম হয় তাহলে বার হাজার (মানুষ) তাদের নিয়ে সফর করবে। তাদের নিদর্শন হবে টিলা (এর মত)। এমনকি তার সাথে সুফইয়ানীর সাক্ষাত হবে। অতপর সে বলবে তোমরা ইবনে আ’মার দিকে বের হয়ে যাও। এমনকি সে তার জয়ধ্বনী করবে। অতপর সে তার দিকে বের হবে। এবং তার জয়ধ্বনী করবে। অতপর তার নিকট ক্ষমতা তার নিকট হস্তান্তর করবে। এবং তার আনুগত্য স্বীকার করে নিবে। অতপর যখন সুফইয়ানী তার সাথীদের নিকট প্রত্যাবর্তন করবে তখন কালবী তার তিরস্কার করবে। অতপর সে ফিরে আসবে যাতে সে তাকে পদত্যাগ করতে পারে। এবং পদত্যাগ করাবে। এবং সে এবং সুফইয়ানীর সৈন্যদের মাঝে সাতটি ঝান্ডার উপর যুদ্ধ হবে। আর প্রত্যেক ঝান্ডার মালিকই তার নিজের জন্য ক্ষমতার আশা করবে। অতপর মাহদী আলাইহিস সালাম তাদের সকলকে পরাস্ত করবেন।হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন মাহরুম হল ঐ ব্যক্তি যে কালবের লুণ্ঠনের দিনে মাহরুম হবে।
হযরত আলী ইবনে আবু তালেব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যদি কম হয় তাহলে বার হাজার (মানুষ) নিয়ে ইমাম আল মাহাদী সফর করবে। তাদের নিদর্শন হবে টিলা (এর মত)। এমনকি তার সাথে সুফইয়ানীর সাক্ষাত হবে। অতপর সে বলবে তোমরা ইবনে আ’মার দিকে বের হয়ে যাও। এমনকি সে তার জয়ধ্বনী করবে। অতপর সে তার দিকে বের হবে। এবং তার জয়ধ্বনী করবে। অতপর তার নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। এবং তার আনুগত্য স্বীকার করে নিবে। অতপর যখন সুফইয়ানী তার সাথীদের নিকট প্রত্যাবর্তন করবে তখন কালবী তার তিরস্কার করবে। অতপর সে ফিরে আসবে যাতে সে তাকে পদত্যাগ করতে পারে। এবং পদত্যাগ করাবে। এবং সে এবং সুফইয়ানীর সৈন্যদের মাঝে সাতটি ঝান্ডার উপর যুদ্ধ হবে। আর প্রত্যেক ঝান্ডার মালিকই তার নিজের জন্য ক্ষমতার আশা করবে। অতপর মাহদী আলাইহিস সালাম তাদের সকলকে পরাস্ত করবেন।হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন মাহরুম হল ঐ ব্যক্তি যে কালবের লুণ্ঠনের দিনে মাহরুম হবে।
 আল ফিতান হাদিস নং ১০১৩ 
2020-10-30 21:52:56 @103.129.236.251
হযরত মুহাদ্দিস হতে বর্র্ণিত যে, মাহদী আলাইহিস সালাম, সুফইয়ানী ও কালবী ব্যক্তি বাইতুল মুকাদ্দাসে যুদ্ধ করবে। যখন সে বাইয়াত প্রত্যাখ্যান করবে। অতপর সুফইয়ানীকে বন্দি করে আনা হবে। অতপর বাবে রিহহাতে তাকে যবাহ করা হবে। অতপর তাদের মহিলাদের ও তাদের পশুকে দামেস্কের সিড়ির নিকটে বিক্রি করা হবে।
হযরত মুহাদ্দিস হতে বর্নিত যে, মাহদী আলাইহিস সালাম, সুফইয়ানী ও কালবী ব্যক্তির সাথে বাইতুল মুকাদ্দাসে যুদ্ধ করবে। যখন সে (সুফইয়ানী) বাইয়াত প্রত্যাখ্যান করবে। অতপর সুফইয়ানীকে বন্দি করে আনা হবে। অতপর বাবে রিহহাতে তাকে যবাহ করা হবে। অতপর তাদের মহিলাদের ও তাদের পশুকে দামেস্কের সিড়ির নিকটে বিক্রি করা হবে।
2020-10-30 21:33:46 @103.129.236.251
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন ব্যবসা বাণিজ্য ও পথ ঘাট বন্ধ হয়ে যাবে। আর অনেক যুদ্ধ বিগ্রহ হবে। তখন বিভিন্ন দিকের উলামাদের থেকে সাত জন পুরুষ অনির্দিষ্ট ভাবে বের হবে। তাদের প্রত্যেকেই তিনশত দশোধিক লোককে বাইয়াত করবে। এমনকি তারা সকলেই মক্কায় একত্রিত হবে। অতপর সাতজন মিলিত হবে। অতপর তাদের কতিপয় একে অন্যকে জিজ্ঞাসা করবে যে, তোমাদের কে নিয়ে এসেছে? অতপর তারা উত্তরে বলবে আমরা ঐ ব্যক্তির অনুসন্ধানে এসেছি যার তার হাত দ্বারা এই যুদ্ধকে ধ্বংস করে দিবেন। যার মাধ্যমে কুসতুনতুনিয়া বিজিত হবে। আমরা তাকে তার নাম দ্বারা, তার পিতার নাম দ্বারা, তার মাতার নাম দ্বারা, এবং তার চেহার আকৃতি দ্বারা চিনবো। অতপর উক্ত সাতজন উক্ত ব্যাপারে একমত পোষণ করবে। অতপর তারা তাকে অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকট মক্কায় পৌছবে। অতপর তারা তাকে উদ্দেশ্য করে বলবে আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। উত্তরে সে বলবে, না। বরং আমি আনসারীদের একজন পুরুষ। এমনকি তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর জ্ঞানী ও আহলে মা’রেফা তথা পন্ডিতের নিকট তার ব্যাপারে স্পষ্ট হয়ে যাবে। অতপর বলা হবে, সে তোমাদের ঐ সাথী যাকে তোমরা অনুসন্ধান করছ। অতপর মদীনায় মিলিত হবে। অতপর তারা মদীনায় তাকে অনুসন্ধান করবে। পরে তারা মক্কার দিকে তারা একে অপরে বিরোধীতা করবে। অতপর তারা তাকে মক্কায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকটে পৌছবে। অতপর তারা তাকে বলবে- আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। আপনার মাতা অমুকের মেয়ে অমুক। আর আপনার মাঝে এমন এমন নিদর্শন রয়েছে। আর আপনি আমাদের থেকে একবার পালিয়ে গেছেন। সুতরাং আপনি আপনার হাত প্রসারিত করুন। আমরা আপনার হতে বাইয়াত গ্রহণ করবো। তখন সে বলবে- আমি তোমাদের সাথী নই। আমি অমুক আনসারীর পুত্র অমুক। আমার সাথে আস। আমি তোমাদের সাথীর খবর দিচ্ছি। এমনকি সে তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর তারা তকে মদীনায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা পরস্পরে মক্কার দিকে বিরোধীতা করবে। অতপর তারা মক্কায় রুকুনের কাছে তার নিকট পৌছবে। অতপর তারা বলবে যদি আপনি আপনার হাত প্রসারিত না করেন যাতে আমরা বাইয়াত গ্রহণ করতে পারি তাহলে আমাদের গুনাহ আপনার উপর ও আমাদের রক্ত আপনার গর্দানে। এ হল আসকার সুফইয়ানী। যে আমাদের অনুসন্ধানে সম্মুখে হয়েছিল। তাদের উপরে (নেতৃত্বে) জারম হতে একজন লোক থাকবে। অতপর সে রুকুন ও মাকামের মাঝামাঝি স্থানে বসবে। অতপর তার হাত প্রসারিত করবে। অতপর তারা তার জন্য বাইয়াত গ্রহণ করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা মানুষের অন্তরে তার মুহাব্বাত বা ভালবাসা ঢেলে দিবেন। অতপর সে এমন এক জাতির সাথে সফর করবে যারা দিনের বেলায় সিংহের মত। আর রাতের বেলায় সন্ন্যাসী।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাঃ থেকে বর্নিত তিনি বলেন, যখন ব্যবসা বাণিজ্য ও পথ ঘাট বন্ধ হয়ে যাবে। আর অনেক যুদ্ধ বিগ্রহ হবে। তখন বিভিন্ন দিকের উলামাদের থেকে সাত জন পুরুষ অনির্দিষ্ট ভাবে বের হবে। তাদের প্রত্যেকেই তিনশত দশোধিক লোককে বাইয়াত করবে। এমনকি তারা সকলেই মক্কায় একত্রিত হবে। তাদের কতিপয় একে অন্যকে জিজ্ঞাসা করবে যে, তোমাদের কে নিয়ে এসেছে? তারা উত্তরে বলবে আমরা ঐ ব্যক্তির অনুসন্ধানে এসেছি যার হাত দ্বারা এই যুদ্ধকে ধ্বংস করে দিবেন। যার মাধ্যমে কুসতুনতুনিয়া বিজিত হবে। আমরা তাকে তার নাম, তার পিতার নাম, তার মাতার নাম দ্বারা, এবং তার চেহার আকৃতি দ্বারা চিনবো। অতপর উক্ত সাতজন উক্ত ব্যাপারে একমত পোষণ করবে। এবং তারা তাকে অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকট মক্কায় পৌছবে। তারা তাকে উদ্দেশ্য করে বলবে আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। উত্তরে সে বলবে, না। বরং আমি আনসারীদের একজন পুরুষ। এমনকি তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর জ্ঞানী ও আহলে মা’রেফা তথা পন্ডিতের নিকট তার ব্যাপারে স্পষ্ট হয়ে যাবে। অতপর বলা হবে, সে তোমাদের ঐ সাথী যাকে তোমরা অনুসন্ধান করছ। অতপর মদীনায় মিলিত হবে। অতপর তারা মদীনায় তাকে অনুসন্ধান করবে। পরে তারা মক্কার দিকে একে অপরে বিরোধীতা করবে।তারা তাকে মক্কায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকটে পৌছবে। তারা তাকে বলবে- আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। আপনার মাতা অমুকের মেয়ে অমুক। আর আপনার মাঝে এমন এমন নিদর্শন রয়েছে। আর আপনি আমাদের থেকে একবার পালিয়ে গেছেন। সুতরাং আপনি আপনার হাত প্রসারিত করুন। আমরা আপনার হতে বাইয়াত গ্রহণ করবো। সে বলবে- আমি তোমাদের সাথী নই। আমি অমুক আনসারীর পুত্র অমুক। আমার সাথে আস। আমি তোমাদের সাথীর খবর দিচ্ছি। এমনকি সে তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর তারা তকে মদীনায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা পরস্পরে মক্কার দিকে বিরোধীতা করবে। তারা মক্কায় রুকুনের কাছে তার নিকট পৌছবে। অতপর তারা বলবে যদি আপনি আপনার হাত প্রসারিত না করেন যাতে আমরা বাইয়াত গ্রহণ করতে পারি তাহলে আমাদের গুনাহ আপনার উপর ও আমাদের রক্ত আপনার গর্দানে। এ হল আসকার সুফইয়ানী। যে আমাদের অনুসন্ধানে সম্মুখে হয়েছিল। তাদের উপরে (নেতৃত্বে) জারম হতে একজন লোক থাকবে। অতপর সে রুকুন ও মাকামের মাঝামাঝি স্থানে বসবে। তার হাত প্রসারিত করবে। তারা তার জন্য বাইয়াত গ্রহণ করবে।  আল্লাহ তা’আলা মানুষের অন্তরে তার মুহাব্বাত বা ভালবাসা ঢেলে দিবেন। অতপর সে এমন এক জাতির সাথে সফর করবে যারা দিনের বেলায় সিংহের মত। আর রাতের বেলায় সন্ন্যাসী।
2020-10-29 23:28:31 @103.129.236.251
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন ব্যবসা বাণিজ্য ও পথ ঘাট বন্ধ হয়ে যাবে। আর অনেক যুদ্ধ বিগ্রহ হবে। তখন বিভিন্ন দিকের উলামাদের থেকে সাত জন পুরুষ অনির্দিষ্ট ভাবে বের হবে। তাদের প্রত্যেকেই তিনশত দশোধিক লোককে বাইয়াত করবে। এমনকি তারা সকলেই মক্কায় একত্রিত হবে। অতপর সাতজন মিলিত হবে। অতপর তাদের কতিপয় একে অন্যকে জিজ্ঞাসা করবে যে, তোমাদের কে নিয়ে এসেছে? অতপর তারা উত্তরে বলবে আমরা ঐ ব্যক্তির অনুসন্ধানে এসেছি যার তার হাত দ্বারা এই যুদ্ধকে ধ্বংস করে দিবেন। যার মাধ্যমে কুসতুনতুনিয়া বিজিত হবে। আমরা তাকে তার নাম দ্বারা, তার পিতার নাম দ্বারা, তার মাতার নাম দ্বারা, এবং তার চেহার আকৃতি দ্বারা চিনবো। অতপর উক্ত সাতজন উক্ত ব্যাপারে একমত পোষণ করবে। অতপর তারা তাকে অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকট মক্কায় পৌছবে। অতপর তারা তাকে উদ্দেশ্য করে বলবে আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। উত্তরে সে বলবে, না। বরং আমি আনসারীদের একজন পুরুষ। এমনকি তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর জ্ঞানী ও আহলে মা’রেফা তথা পন্ডিতের নিকট তার ব্যাপারে স্পষ্ট হয়ে যাবে। অতপর বলা হবে, সে তোমাদের ঐ সাথী যাকে তোমরা অনুসন্ধান করছ। অতপর মদীনায় মিলিত হবে। অতপর তারা মদীনায় তাকে অনুসন্ধান করবে। পরে তারা মক্কার দিকে তারা একে অপরে বিরোধীতা করবে। অতপর তারা তাকে মক্কায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকটে পৌছবে। অতপর তারা তাকে বলবে- আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। আপনার মাতা অমুকের মেয়ে অমুক। আর আপনার মাঝে এমন এমন নিদর্শন রয়েছে। আর আপনি আমাদের থেকে একবার পালিয়ে গেছেন। সুতরাং আপনি আপনার হাত প্রসারিত করুন। আমরা আপনার হতে বাইয়াত গ্রহণ করবো। তখন সে বলবে- আমি তোমাদের সাথী নই। আমি অমুক আনসারীর পুত্র অমুক। আমার সাথে আস। আমি তোমাদের সাথীর খবর দিচ্ছি। এমনকি সে তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর তারা তকে মদীনায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা পরস্পরে মক্কার দিকে বিরোধীতা করবে। অতপর তারা মক্কায় রুকুনের কাছে তার নিকট পৌছবে। অতপর তারা বলবে যদি আপনি আপনার হাত প্রসারিত না করেন যাতে আমরা বাইয়াত গ্রহণ করতে পারি তাহলে আমাদের গুনাহ আপনার উপর ও আমাদের রক্ত আপনার গর্দানে। এ হল আসকার সুফইয়ানী। যে আমাদের অনুসন্ধানে সম্মুখে হয়েছিল। তাদের উপরে (নেতৃত্বে) জারম হতে একজন লোক থাকবে। অতপর সে রুকুন ও মাকামের মাঝামাঝি স্থানে বসবে। অতপর তার হাত প্রসারিত করবে। অতপর তারা তার জন্য বাইয়াত গ্রহণ করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা মানুষের অন্তরে তার মুহাব্বাত বা ভালবাসা ঢেলে দিবেন। অতপর সে এমন এক জাতির সাথে সফর করবে যারা দিনের বেলায় সিংহের মত। আর রাতের বেলায় সন্ন্যাসী।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাঃ থেকে বর্নিত যে, তিনি বলেন যখন ব্যবসা বাণিজ্য ও পথ ঘাট বন্ধ হয়ে যাবে। আর অনেক যুদ্ধ বিগ্রহ হবে। তখন বিভিন্ন দিকের উলামাদের থেকে সাত জন পুরুষ অনির্দিষ্ট ভাবে বের হবে। তাদের প্রত্যেকেই তিনশত দশোধিক লোককে বাইয়াত করবে। এমনকি তারা সকলেই মক্কায় একত্রিত হবে। অতপর সাতজন মিলিত হবে। অতপর তাদের কতিপয় একে অন্যকে জিজ্ঞাসা করবে যে, তোমাদের কে নিয়ে এসেছে? অতপর তারা উত্তরে বলবে আমরা ঐ ব্যক্তির অনুসন্ধানে এসেছি যার তার হাত দ্বারা এই যুদ্ধকে ধ্বংস করে দিবেন। যার মাধ্যমে কুসতুনতুনিয়া বিজিত হবে। আমরা তাকে তার নাম দ্বারা, তার পিতার নাম দ্বারা, তার মাতার নাম দ্বারা, এবং তার চেহার আকৃতি দ্বারা চিনবো। অতপর উক্ত সাতজন উক্ত ব্যাপারে একমত পোষণ করবে। অতপর তারা তাকে অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকট মক্কায় পৌছবে। অতপর তারা তাকে উদ্দেশ্য করে বলবে আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। উত্তরে সে বলবে, না। বরং আমি আনসারীদের একজন পুরুষ। এমনকি তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর জ্ঞানী ও আহলে মা’রেফা তথা পন্ডিতের নিকট তার ব্যাপারে স্পষ্ট হয়ে যাবে। অতপর বলা হবে, সে তোমাদের ঐ সাথী যাকে তোমরা অনুসন্ধান করছ। অতপর মদীনায় মিলিত হবে। অতপর তারা মদীনায় তাকে অনুসন্ধান করবে। পরে তারা মক্কার দিকে একে অপরে বিরোধীতা করবে।তারা তাকে মক্কায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকটে পৌছবে। তারা তাকে বলবে- আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। আপনার মাতা অমুকের মেয়ে অমুক। আর আপনার মাঝে এমন এমন নিদর্শন রয়েছে। আর আপনি আমাদের থেকে একবার পালিয়ে গেছেন। সুতরাং আপনি আপনার হাত প্রসারিত করুন। আমরা আপনার হতে বাইয়াত গ্রহণ করবো। সে বলবে- আমি তোমাদের সাথী নই। আমি অমুক আনসারীর পুত্র অমুক। আমার সাথে আস। আমি তোমাদের সাথীর খবর দিচ্ছি। এমনকি সে তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর তারা তকে মদীনায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা পরস্পরে মক্কার দিকে বিরোধীতা করবে। অতপর তারা মক্কায় রুকুনের কাছে তার নিকট পৌছবে। অতপর তারা বলবে যদি আপনি আপনার হাত প্রসারিত না করেন যাতে আমরা বাইয়াত গ্রহণ করতে পারি তাহলে আমাদের গুনাহ আপনার উপর ও আমাদের রক্ত আপনার গর্দানে। এ হল আসকার সুফইয়ানী। যে আমাদের অনুসন্ধানে সম্মুখে হয়েছিল। তাদের উপরে (নেতৃত্বে) জারম হতে একজন লোক থাকবে। অতপর সে রুকুন ও মাকামের মাঝামাঝি স্থানে বসবে। তার হাত প্রসারিত করবে। তারা তার জন্য বাইয়াত গ্রহণ করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা মানুষের অন্তরে তার মুহাব্বাত বা ভালবাসা ঢেলে দিবেন। অতপর সে এমন এক জাতির সাথে সফর করবে যারা দিনের বেলায় সিংহের মত। আর রাতের বেলায় সন্ন্যাসী।
2020-10-29 23:16:50 @103.129.236.251
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন ব্যবসা বাণিজ্য ও পথ ঘাট বন্ধ হয়ে যাবে। আর অনেক যুদ্ধ বিগ্রহ হবে। তখন বিভিন্ন দিকের উলামাদের থেকে সাত জন পুরুষ অনির্দিষ্ট ভাবে বের হবে। তাদের প্রত্যেকেই তিনশত দশোধিক লোককে বাইয়াত করবে। এমনকি তারা সকলেই মক্কায় একত্রিত হবে। অতপর সাতজন মিলিত হবে। অতপর তাদের কতিপয় একে অন্যকে জিজ্ঞাসা করবে যে, তোমাদের কে নিয়ে এসেছে? অতপর তারা উত্তরে বলবে আমরা ঐ ব্যক্তির অনুসন্ধানে এসেছি যার তার হাত দ্বারা এই যুদ্ধকে ধ্বংস করে দিবেন। যার মাধ্যমে কুসতুনতুনিয়া বিজিত হবে। আমরা তাকে তার নাম দ্বারা, তার পিতার নাম দ্বারা, তার মাতার নাম দ্বারা, এবং তার চেহার আকৃতি দ্বারা চিনবো। অতপর উক্ত সাতজন উক্ত ব্যাপারে একমত পোষণ করবে। অতপর তারা তাকে অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকট মক্কায় পৌছবে। অতপর তারা তাকে উদ্দেশ্য করে বলবে আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। উত্তরে সে বলবে, না। বরং আমি আনসারীদের একজন পুরুষ। এমনকি তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর জ্ঞানী ও আহলে মা’রেফা তথা পন্ডিতের নিকট তার ব্যাপারে স্পষ্ট হয়ে যাবে। অতপর বলা হবে, সে তোমাদের ঐ সাথী যাকে তোমরা অনুসন্ধান করছ। অতপর মদীনায় মিলিত হবে। অতপর তারা মদীনায় তাকে অনুসন্ধান করবে। পরে তারা মক্কার দিকে তারা একে অপরে বিরোধীতা করবে। অতপর তারা তাকে মক্কায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকটে পৌছবে। অতপর তারা তাকে বলবে- আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। আপনার মাতা অমুকের মেয়ে অমুক। আর আপনার মাঝে এমন এমন নিদর্শন রয়েছে। আর আপনি আমাদের থেকে একবার পালিয়ে গেছেন। সুতরাং আপনি আপনার হাত প্রসারিত করুন। আমরা আপনার হতে বাইয়াত গ্রহণ করবো। তখন সে বলবে- আমি তোমাদের সাথী নই। আমি অমুক আনসারীর পুত্র অমুক। আমার সাথে আস। আমি তোমাদের সাথীর খবর দিচ্ছি। এমনকি সে তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর তারা তকে মদীনায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা পরস্পরে মক্কার দিকে বিরোধীতা করবে। অতপর তারা মক্কায় রুকুনের কাছে তার নিকট পৌছবে। অতপর তারা বলবে যদি আপনি আপনার হাত প্রসারিত না করেন যাতে আমরা বাইয়াত গ্রহণ করতে পারি তাহলে আমাদের গুনাহ আপনার উপর ও আমাদের রক্ত আপনার গর্দানে। এ হল আসকার সুফইয়ানী। যে আমাদের অনুসন্ধানে সম্মুখে হয়েছিল। তাদের উপরে (নেতৃত্বে) জারম হতে একজন লোক থাকবে। অতপর সে রুকুন ও মাকামের মাঝামাঝি স্থানে বসবে। অতপর তার হাত প্রসারিত করবে। অতপর তারা তার জন্য বাইয়াত গ্রহণ করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা মানুষের অন্তরে তার মুহাব্বাত বা ভালবাসা ঢেলে দিবেন। অতপর সে এমন এক জাতির সাথে সফর করবে যারা দিনের বেলায় সিংহের মত। আর রাতের বেলায় সন্ন্যাসী।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু ঋ বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন ব্যবসা বাণিজ্য ও পথ ঘাট বন্ধ হয়ে যাবে। আর অনেক যুদ্ধ বিগ্রহ হবে। তখন বিভিন্ন দিকের উলামাদের থেকে সাত জন পুরুষ অনির্দিষ্ট ভাবে বের হবে। তাদের প্রত্যেকেই তিনশত দশোধিক লোককে বাইয়াত করবে। এমনকি তারা সকলেই মক্কায় একত্রিত হবে। অতপর সাতজন মিলিত হবে। অতপর তাদের কতিপয় একে অন্যকে জিজ্ঞাসা করবে যে, তোমাদের কে নিয়ে এসেছে? অতপর তারা উত্তরে বলবে আমরা ঐ ব্যক্তির অনুসন্ধানে এসেছি যার তার হাত দ্বারা এই যুদ্ধকে ধ্বংস করে দিবেন। যার মাধ্যমে কুসতুনতুনিয়া বিজিত হবে। আমরা তাকে তার নাম দ্বারা, তার পিতার নাম দ্বারা, তার মাতার নাম দ্বারা, এবং তার চেহার আকৃতি দ্বারা চিনবো। অতপর উক্ত সাতজন উক্ত ব্যাপারে একমত পোষণ করবে। অতপর তারা তাকে অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকট মক্কায় পৌছবে। অতপর তারা তাকে উদ্দেশ্য করে বলবে আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। উত্তরে সে বলবে, না। বরং আমি আনসারীদের একজন পুরুষ। এমনকি তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর জ্ঞানী ও আহলে মা’রেফা তথা পন্ডিতের নিকট তার ব্যাপারে স্পষ্ট হয়ে যাবে। অতপর বলা হবে, সে তোমাদের ঐ সাথী যাকে তোমরা অনুসন্ধান করছ। অতপর মদীনায় মিলিত হবে। অতপর তারা মদীনায় তাকে অনুসন্ধান করবে। পরে তারা মক্কার দিকে তারা একে অপরে বিরোধীতা করবে। অতপর তারা তাকে মক্কায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা তার নিকটে পৌছবে। অতপর তারা তাকে বলবে- আপনি তো অমুকের পুত্র অমুক। আপনার মাতা অমুকের মেয়ে অমুক। আর আপনার মাঝে এমন এমন নিদর্শন রয়েছে। আর আপনি আমাদের থেকে একবার পালিয়ে গেছেন। সুতরাং আপনি আপনার হাত প্রসারিত করুন। আমরা আপনার হতে বাইয়াত গ্রহণ করবো। তখন সে বলবে- আমি তোমাদের সাথী নই। আমি অমুক আনসারীর পুত্র অমুক। আমার সাথে আস। আমি তোমাদের সাথীর খবর দিচ্ছি। এমনকি সে তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। অতপর তারা তকে মদীনায় অনুসন্ধান করবে। অতপর তারা পরস্পরে মক্কার দিকে বিরোধীতা করবে। অতপর তারা মক্কায় রুকুনের কাছে তার নিকট পৌছবে। অতপর তারা বলবে যদি আপনি আপনার হাত প্রসারিত না করেন যাতে আমরা বাইয়াত গ্রহণ করতে পারি তাহলে আমাদের গুনাহ আপনার উপর ও আমাদের রক্ত আপনার গর্দানে। এ হল আসকার সুফইয়ানী। যে আমাদের অনুসন্ধানে সম্মুখে হয়েছিল। তাদের উপরে (নেতৃত্বে) জারম হতে একজন লোক থাকবে। অতপর সে রুকুন ও মাকামের মাঝামাঝি স্থানে বসবে। অতপর তার হাত প্রসারিত করবে। অতপর তারা তার জন্য বাইয়াত গ্রহণ করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা মানুষের অন্তরে তার মুহাব্বাত বা ভালবাসা ঢেলে দিবেন। অতপর সে এমন এক জাতির সাথে সফর করবে যারা দিনের বেলায় সিংহের মত। আর রাতের বেলায় সন্ন্যাসী।
2020-10-29 23:06:01 @103.129.236.251
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একবার যুদ্ধ হবে। আর মানুষ একসাথে নামাজ আদায় করবে। তারা একসাথে হজ্ব আদায় করবে। তারা একসাথে আরাফায় অবস্থান করবে। তারা একসাথে কুরবানি করবে। অতপর তাদের মাঝে কুকুরের ন্যায় অশান্ত হয়ে উঠবে। ফলে তারা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। এমনকি আকাবাতে তাদের রক্ত পৌছে যাবে। আর নির্দোষ ব্যক্তি দেখবে যে, তার নির্দোষতা তাকে মুক্তি দিতে পারবে না। আর পৃথক হওয়া ব্যািক্ত দেথবে যে, তার পৃথকীটা তাকে কোন উপকার আসবে না। অতপর তারা এক যুবক ব্যক্তিকে অপছন্দ করতে চাইবে। যার পিঠ রুকুনের সাথে ঠেকানো থাকবে। তার কাঁধের গোস্ত আওয়াজ করবে। পৃথীবিতে তাকে মাহদী বলা হবে। আর সে আকাশেও মাহদী। সুতরাং তাকে যে পাবে সে যেন তাকে অনুসরণ করে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একবার যুদ্ধ হবে। আর মানুষ একসাথে নামাজ আদায় করবে। তারা একসাথে হজ্ব আদায় করবে। তারা একসাথে আরাফায় অবস্থান করবে। তারা একসাথে কুরবানি করবে। অতপর তাদের মাঝে কুকুরের ন্যায় অশান্ত হয়ে উঠবে। ফলে তারা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। এমনকি আকাবাতে তাদের রক্ত পৌছে যাবে। আর নির্দোষ ব্যক্তি দেখবে যে, তার নির্দোষতা তাকে মুক্তি দিতে পারবে না। আর পৃথক হওয়া ব্যাক্তি দেথবে যে, তার পৃথকীটা তাকে কোন উপকার আসবে না। অতপর তারা এক যুবক ব্যক্তিকে অপছন্দ করতে চাইবে। যার পিঠ রুকুনের সাথে ঠেকানো থাকবে। তার কাঁধের গোস্ত আওয়াজ করবে। পৃথীবিতে তাকে মাহদী বলা হবে। আর সে আকাশেও মাহদী। সুতরাং তাকে যে পাবে সে যেন তাকে অনুসরণ করে।
2020-10-29 22:54:40 @103.129.236.251

Execution time: 0.06 render + 0.00 s transfer.