Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইব্নে আব্বাস রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, তার কাছে সর্বমোট বারোজন খলীফার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এইসব খলীফার পর শাসক ও বাদশাহ্্রা দেশ পরিচালনা করবেন। হযরত আব্দুল্লাহ ইব্্নে আব্বাস রাযিঃ বলেন, আল্লাহর কসম! এরপর খেলাফতে দায়িত্বপ্রাপ্ত হবেন, সিফাহ্্, মানসুর এবং মাহদি। উক্ত মাহ্দিই খেলাফতের দায়িত্ব হযরত ঈসা ইব্্নে মারইয়াম আঃ এর হাতে দিয়ে যাবেন।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইব্নে আব্বাস রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, তার কাছে সর্বমোট বারোজন খলীফার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এইসব খলীফার পর শাসক ও বাদশাহ্্রা দেশ পরিচালনা করবেন। হযরত আব্দুল্লাহ ইব্্নে আব্বাস রাযিঃ বলেন, আল্লাহর কসম! এরপর খেলাফতে দায়িত্বপ্রাপ্ত হবেন, সিফাহ্্, মানসুর এবং মাহদি।সে খেলাফতের দায়িত্ব হযরত ঈসা ইব্্নে মারইয়াম আঃ এর হাতে দিয়ে যাবেন।
2019-08-22 11:11:45 @103.216.57.86
হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আলী হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন মক্কায় আশ্রয়প্রার্থী যখন ভুমি ধসের কথা শুনবে তখন সে বার হাজার লোকের সাথে বের হবে। যাদের মাঝে আবযাল থাকবে। এমনকি তারা ঈলায় অবস্থান নিবে। অতপর যে ব্যক্তি সৈন্য প্রেরণ করেছে যখন তার নিকট ঈলার খবর পৌছবে। জীবনের কসম! তখন আল্লাহ তা’আলা এই ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাকে উপদেশ ও দৃষ্টান্ত বানাবেন। উক্ত ব্যক্তির উপর উহাই পৌছবে যা তাদের উপর পৌছেছিল। অতপর তারা যমিনে ধসে যাবে। আর এটাই হল উপদেশ। আর সুফইয়ানী তার দিকে অনুগত্যতা আদায় করবে। অতপর সে বের হবে এমনকি একজন কালবী লোকের সাথে সাক্ষাত ঘটবে। আর তারা হল তার সময়। অতপর তারা তার নিকট লজ্জিত হবে তাদের কৃত কর্মের কারণে। এবং তারা বলবে আল্লাহ তা’আলা আপনাকে পরিধেয় পরিধান করিয়েছেন। আর তুমি তা অপসৃত করছ। অতপর সে বলবে- তোমাদের কি আমি কি তাকে বাইয়াত হতে অব্যহতি দিব ? অতপর তারা বলবে হ্যা। অতপর তার নিকট ঈলা হতে লোকজন আসবে। অতপর সে বলবে- তোমরা কি আমাকে কম করে দিয়েছ? অতপর সে বলবে- আমি এটা করবো না। সে বলবে- তাই? সে তাকে বলবে- তুমি কি চাও, আমি তোমাকে পদচ্যুত করে দেই? (বাইয়াত হতে বের করে দেই?) অতপর সে বলবে হ্যা। ফলে সে তাকে পদচ্যুত করে দিবে। (বাইয়াত থেকে বের করে দিবে।) অতপর সে বলবে- এই ব্যক্তি আমার আনুগত্যতা ছিন্ন করেছে। অতপর তাকে সে সময় হত্যা করার আদেশ দিবে। অতপর তাকে ঈলার শান বাধানো পাথরের উপর যবাহ করা হবে। অতপর সে কালবের দিকে সফর করবে। অতপর তাদের লুণ্ঠন করা হবে। সুতরাং ধোকাবাজ হল যে কালবে লুণ্ঠনের দিন ধোকা দিবে।
হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আলী হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন মক্কায় আশ্রয়প্রার্থী যখন ভুমি ধসের কথা শুনবে তখন সে বার হাজার লোকের সাথে বের হবে। যাদের মাঝে আবযাল থাকবে। এমনকি তারা ঈলায় অবস্থান নিবে। অতপর যে ব্যক্তি সৈন্য প্রেরণ করেছে যখন তার নিকট ঈলার খবর পৌছবে। জীবনের কসম! তখন আল্লাহ তা’আলা এই ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাকে উপদেশ ও দৃষ্টান্ত বানাবেন। উক্ত ব্যক্তির উপর উহাই পৌছবে যা তাদের উপর পৌছেছিল। অতপর তারা যমিনে ধসে যাবে। আর এটাই হল উপদেশ। আর সুফইয়ানী তার দিকে অনুগত্যতা আদায় করবে। অতপর সে বের হবে এমনকি একজন কালবী লোকের সাথে সাক্ষাত ঘটবে। আর তারা হল তার সময়। অতপর তারা তার নিকট লজ্জিত হবে তাদের কৃত কর্মের কারণে। এবং তারা বলবে আল্লাহ তা’আলা আপনাকে পরিধেয় পরিধান করিয়েছেন। আর তুমি তা অপসৃত করছ। অতপর সে বলবে- তোমাদের কি আমি কি তাকে বাইয়াত হতে অব্যহতি দিব ? অতপর তারা বলবে হ্যা। অতপর তার নিকট ঈলা হতে লোকজন আসবে। অতপর সে বলবে- তোমরা কি আমাকে কম করে দিয়েছ? অতপর সে বলবে- আমি এটা করবো না। সে বলবে- তাই? সে তাকে বলবে- তুমি কি চাও, আমি তোমাকে পদচ্যুত করে দেই? (বাইয়াত হতে বের করে দেই?) অতপর সে বলবে হ্যা। ফলে সে তাকে পদচ্যুত করে দিবে। (বাইয়াত থেকে বের করে দিবে।) অতপর সে বলবে- এই ব্যক্তি আমার আনুগত্যতা ছিন্ন করেছে। অতপর তাকে সে সময় হত্যা করার আদেশ দিবে। অতপর তাকে ঈলার শান বাধানো পাথরের উপর যবাহ করা হবে। অতপর সে কালবের দিকে সফর করবে। অতপর তাদের লুণ্ঠন করা হবে। সুতরাং ধোকাবাজ হল যে কালবে লুণ্ঠনের দিন ধোকা 
2019-08-20 23:59:37 @103.231.161.163
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
2019-08-20 10:13:25 @103.254.94.206
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাছ রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, একবার তিনি দ্রুত গতিতে চলছিলেন অন্ধ হয়ে যাওয়ার পর। যার ফলে বিভিন্ন এলাকা অতিক্রম করছিলেন, অতঃপর তিনি বললেন ‘ইরাম’ কোথায় অবস্থিত?
আমি বললাম, ইরাম হচ্ছে, মাগরিবের দিকে বার মাইলের দুরত্বে। তিনি বললেন, সিরাহ এবং আমার মাঝে কতটুকু দুরত্ব। উত্তরে আমি বললাম উভয়ের মাঝে এতটুকু দুরত্ব রয়েছে। তিনি জানতে চাইলেন সূর এবং করীনের সাথে আমার জানাশুনা রয়েছে কিনা? আমি জবাবে বললাম, হ্যাঁ উভয় এলাকা সম্বন্ধে জানাশুনা রয়েছে। অতঃপর তিনি বললেন, সেদিকে যাওয়ার কি কোনো সুযোগ রয়েছে? আমি ‘না’ করলে তিনি কারণ জানতে চইলেন জবাবে আমি বললাম, উভয়টা এমন এক ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত যার নিজের শহরে কোনো ধরনের মুল্যায়ন নেই। উভয়টা আক্রান্ত হয়েছে তার এক ঘনিষ্ট আত্নীয়ের মাধ্যমে এবং সেগুলো মূলতঃ তাদের সামনে বিদ্যমান। যার কারনে তাদের জন্য কোনো অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়নি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কে? আমি জবাব দিলাম, সে হচ্ছে, রুহ ইবনে যি’না। একথা শুনে তিনি কিছুক্ষন চুপ করে থাকলেন। এ অবস্থা দেখে আমি বললাম, আপনার জিজ্ঞাসার ফলে আমি জবাব দিলাম, জানার বিষয় হচ্ছে, সেগুলো কি হতে পারে। তিনি বললেন, যেন আমি আখেরী যামানার কাছাকাছি নক্ষত্রের ন্যায়। নিঃসন্দেহে সেদিন মুসলমানদের জন্য সর্বোত্তম স্থান এবং ভদ্রস্থান হচ্ছে, সূর এবং করীন।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাছ রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, একবার তিনি দ্রুত গতিতে চলছিলেন অন্ধ হয়ে যাওয়ার পর। যার ফলে বিভিন্ন এলাকা অতিক্রম করছিলেন, অতঃপর তিনি বললেন ‘ইরাম’ কোথায় অবস্থিত?
আমি বললাম, ইরাম হচ্ছে, মাগরিবের দিকে বার মাইলের দুরত্বে। তিনি বললেন, সিরাহ এবং আমার মাঝে কতটুকু দুরত্ব। উত্তরে আমি বললাম উভয়ের মাঝে এতটুকু দুরত্ব রয়েছে। তিনি জানতে চাইলেন সূর এবং করীনের সাথে আমার জানাশুনা রয়েছে কিনা? আমি জবাবে বললাম, হ্যাঁ উভয় এলাকা সম্বন্ধে জানাশুনা রয়েছে। অতঃপর তিনি বললেন, সেদিকে যাওয়ার কি কোনো সুযোগ রয়েছে? আমি ‘না’ করলে তিনি কারণ জানতে চইলেন জবাবে আমি বললাম, উভয়টা এমন এক ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত যার নিজের শহরে কোনো ধরনের মুল্যায়ন নেই। উভয়টা আক্রান্ত হয়েছে তার এক ঘনিষ্ট আত্নীয়ের মাধ্যমে এবং সেগুলো মূলতঃ তাদের সামনে বিদ্যমান। যার কারনে তাদের জন্য কোনো অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়নি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কে? আমি জবাব দিলাম, সে হচ্ছে, রুহ ইবনে যি’না। একথা শুনে তিনি কিছুক্ষন চুপ করে থাকলেন। এ অবস্থা দেখে আমি বললাম, আপনার জিজ্ঞাসার ফলে আমি জবাব দিলাম, জানার বিষয় হচ্ছে, সেগুলো কি হতে পারে। তিনি বললেন, যেন আমি আখেরী যামানার কাছাকাছি নক্ষত্রের ন্যায়। নিঃসন্দেহে সেদিন মুসলমানদের জন্য সর্বোত্তম স্থান এবং ভদ্রস্থান হচ্ছে, সূর এবং করীন।
2019-08-20 01:23:21 @51.253.97.156
সাহাবী হযরতয আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ হতে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন যখন পূর্ব-পশ্চিম উভয় দিক থেকে ফিৎনা আসতে থাকবে তখন সে ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেনা, তবে ঐ লোকের বাঁচার আশা করা যায়, যে খুবই গোপনীয়তার সাথে জীবন যাপন করে। জনসমক্ষে আসলেও কেউ চিনতে পারেনা, কোথাও বসার পর উঠে চলে গেলে তাকে খোঁজা হয়না।
আর ঐ ব্যক্তির মুক্তির আশা করা যায়, যে, পানিতে ডুবন্ত মানুষের ন্যায় শেষ আর্তনাদ হিসেবে ক্ষিনস্বরে সাহায্যের আকুতি জানাতে থাকে।
এ দুই দল ব্যতীত অন্য কেউ বাঁচতে পারবেনা।
সাহাবী হযরতয আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ হতে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন যখন পূর্ব-পশ্চিম উভয় দিক থেকে ফিৎনা আসতে থাকবে তখন সে ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেনা, তবে ঐ লোকের বাঁচার আশা করা যায়, যে খুবই গোপনীয়তার সাথে জীবন যাপন করে। জনসমক্ষে আসলেও কেউ চিনতে পারেনা, কোথাও বসার পর উঠে চলে গেলে তাকে খোঁজা হয়না।
আর ঐ ব্যক্তির মুক্তির আশা করা যায়, যে, পানিতে ডুবন্ত মানুষের ন্যায় শেষ আর্তনাদ হিসেবে ক্ষিনস্বরে সাহায্যের আকুতি জানাতে থাকে।
এ দুই দল ব্যতীত অন্য কেউ বাঁচতে পারবেনা।
2019-08-20 00:12:53 @51.253.97.156
সাহাবী হযরতয আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ হতে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন যখন পূর্ব-পশ্চিম উভয় দিক থেকে ফিৎনা আসতে থাকবে তখন সে ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেনা, তবে ঐ লোকের বাঁচার আশা করা যায়, যে খুবই গোপনীয়তার সাথে জীবন যাপন করে। জনসমক্ষে আসলেও কেউ চিনতে পারেনা, কোথাও বসার পর উঠে চলে গেলে তাকে খোঁজা হয়না।
আর ঐ ব্যক্তির মুক্তির আশা করা যায়, যে, পানিতে ডুবন্ত মানুষের ন্যায় শেষ আর্তনাদ হিসেবে ক্ষিনস্বরে সাহায্যের আকুতি জানাতে থাকে।
এ দুই দল ব্যতীত অন্য কেউ বাঁচতে পারবেনা।
সাহাবী হযরতয আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ হতে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন যখন পূর্ব-পশ্চিম উভয় দিক থেকে ফিৎনা আসতে থাকবে তখন সে ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেনা, তবে ঐ লোকের বাঁচার আশা করা যায়, যে খুবই গোপনীয়তার সাথে জীবন যাপন করে। জনসমক্ষে আসলেও কেউ চিনতে পারেনা, কোথাও বসার পর উঠে চলে গেলে তাকে খোঁজা হয়না।
আর ঐ ব্যক্তির মুক্তির আশা করা যায়, যে, পানিতে ডুবন্ত মানুষের ন্যায় শেষ আর্তনাদ হিসেবে ক্ষিনস্বরে সাহায্যের আকুতি জানাতে থাকে।
এ দুই দল ব্যতীত অন্য কেউ বাঁচতে পারবেনা।
2019-08-20 00:12:53 @51.253.97.156
হযরত আবু হুরাইরা রাযিঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে আমার ওম্মতের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা সংঘটিত হবে। প্রথমতঃ পরস্পর মারামারি, হানাহানি বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয়তঃ মানুষকে হত্যা করা এবং মানুষের সম্পদ বৈধ মনে করা হবে।
তৃতীয়তঃ মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ এবং বিনা ব্যভিচার ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থতঃ অন্ধ বধিরের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশে যাবে।
হযরত আবু হুরাইরা রাযিঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে আমার ওম্মতের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা সংঘটিত হবে। প্রথমতঃ পরস্পর মারামারি, হানাহানি বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয়তঃ মানুষকে হত্যা করা এবং মানুষের সম্পদ বৈধ মনে করা হবে।
তৃতীয়তঃ মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ এবং বিনা ব্যভিচার ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থতঃ অন্ধ বধিরের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশে যাবে।
2019-08-19 12:30:30 @116.58.201.20
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, ঘোর অন্ধকার রাত্রির টুকরোর মত ফিতনা একের পর এক আসতেই থাকবে। তা তোমাদের কাছে গরুর চেহারার ন্যায় একই রকম মনে হবে। লোকেরা জানবেনা যে কোন টা কি কারণে হচ্ছে।
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, ঘোর অন্ধকার রাত্রির টুকরোর মত ফিতনা একের পর এক আসতেই থাকবে। তা তোমাদের কাছে গরুর চেহারার ন্যায় একই রকম মনে হবে। লোকেরা জানবেনা যেকোন টা কি কারণে হচ্ছে।
2019-08-18 23:32:34 @103.110.163.74
হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাযিঃ এর এক গোলাম বলেন, আমি একদিন হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ কে দেখলাম, যে অবস্থায় তিনি কতক বাচ্চাকে একথা বলতে শুনেছেন, “পরবর্তীতে অবস্থা খুবই ভয়াবহ হবে”। একথা শুনার সাথে সাথে হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ বলে উঠলেন,কসম যে সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ, কিয়ামতের দিন পর্যন্ত আরো অনেক কঠিন ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখিন হতে হবে।
হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাযিঃ এর এক গোলাম বলেন, আমি একদিন হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ কে দেখলাম, যে অবস্থায় তিনি কতক বাচ্চাকে একথা বলতে শুনেছেন, “পরবর্তীতে অবস্থা খুবই ভয়াবহ হবে”। একথা শুনার সাথে সাথে হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ বলে উঠলেন, কসম সে সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ, কিয়ামতের দিন পর্যন্ত আরো অনেক কঠিন ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখিন হতে হবে।
2019-08-16 19:44:45 @141.0.8.141
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত সাফওয়ান ইবনে আমর রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ণনা করেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, আমার উম্মতের একদল লোক ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে এবং আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে বিজয়ী করবেন। এক পর্যায়ে তারা ভারতের সম্রাটকে শিকল দিয়ে বেঁধে নিয়ে আসবে। আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দিবেন এবং তারা শামের দিকে ফিরে যাবে। অতঃপর শাম দেশে হযরত ঈসা আঃ কে পেয়ে যাবে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত সাফওয়ান ইবনে আমর রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ণনা করেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, আমার উম্মতের একদল লোক ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে এবং আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে বিজয়ী৭ করবেন। এক পর্যায়ে তারা ভারতের সম্রাটকে শিকল দিয়ে বেঁধে নিয়ে আসবে। আল্লাহ তাআলা তাদের যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দিবেন এবং তারা শামের দিকে ফিরে যাবে। অতঃপর শাম দেশে হযরত ঈসা আঃ কে পেয়ে যাবে।
2019-08-16 15:54:05 @119.30.47.139
হযরত আবু কুবাইল রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনী হাশেমের এক ব্যক্তি বাদশা হবে। অতপর সে বনী উমাইয়াকে হত্যা করবে। এমনকি তাদের মাঝে দূর্বল ব্যতীত কেউ জীবিত থাকবে না। তাদের ব্যতীত অন্য কাউকে সে হত্যা করবে না। অতপর বনী উমাইয়া হতে এক ব্যক্তি বের হবে। সে প্রত্যেক এক ব্যক্তির পরিবর্তে দুই জনকে হত্যা করবে। এমনকি বনী হাশেমের মহিলা ব্যতীত কেউ জীবিত থাকবে না। অতপর মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবে।
2019-08-12 23:02:48 @157.119.186.38
হযরত আবু কুবাইল রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনী হাশেমের এক ব্যক্তি বাদশা হবে। অতপর সে বনী উমাইয়াকে হত্যা করবে। এমনকি তাদের মাঝে দূর্বল ব্যতীত কেউ জীবিত থাকবে না। তাদের ব্যতীত অন্য কাউকে সে হত্যা করবে না। অতপর বনী উমাইয়া হতে এক ব্যক্তি বের হবে। সে প্রত্যেক এক ব্যক্তির পরিবর্তে দুই জনকে হত্যা করবে। এমনকি বনী হাশেমের মহিলা ব্যতীত কেউ জীবিত থাকবে না। অতপর মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবে।
হযরত আবু কুবাইল রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনী হাশেমের এক ব্যক্তি বাদশা হবে। অতপর সে বনী উমাইয়াকে হত্যা করবে। এমনকি তাদের মাঝে দূর্বল ব্যতীত কেউ জীবিত থাকবে না। তাদের ব্যতীত অন্য কাউকে সে হত্যা করবে না। অতপর বনী উমাইয়া হতে এক ব্যক্তি বের হবে। সে প্রত্যেক এক ব্যক্তির পরিবর্তে দুই জনকে হত্যা করবে। এমনকি বনী হাশেমের মহিলা ব্যতীত কেউ জীবিত থাকবে না। অতপর মাহদী আলাইহিস সালাম বের হবে
2019-08-12 23:01:31 @157.119.186.38
হযরত হুযাইফা বা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন। এই ফিতনা গরুর ন্যায়। তাতে বহু মানুষ ধ্বংশ হবে। তবে যারা পূর্বেই এ সম্পর্কে অবগতি লাভ করবে তারা ধ্বংশ হবে না।
হযরত হুযাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন। এই ফিতনা গরুর ললাটের ন্যায়। তাতে বহু মানুষ ধ্বংস হবে। তবে যারা পূর্বেই এ সম্পর্কে অবগত থাকবে, তারা ধ্বংস হবে না।
2019-08-08 22:46:48 @37.111.238.1
হযরত হুযাইফা বা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন। এই ফিতনা গরুর ন্যায়। তাতে বহু মানুষ ধ্বংশ হবে। তবে যারা পূর্বেই এ সম্পর্কে অবগতি লাভ করবে তারা ধ্বংশ হবে না।
হযরত হুযাইফা বা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন। এআ ফিতনা গরুর ললাটের ন্যায়। তাতে বহু মানুষ ধ্বংস হবে। তবে যারা পূর্বেই এ সম্পর্কে অবগতি লাভ করবে তারা ধ্বংস হবে না।
2019-08-08 22:45:18 @37.111.238.1
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন নিশ্চই আল্লাহ তা’আলার ফেরেশতাগণ মদীনাকে প্রত্যেক দিক হতে ঘিরে রেখেছে। মদীনায় এমন কোন ছিদ্র পথ নেই যেখানে কোন ফেলেশতা তার তরবারী প্রসারিত করে উপস্থিত নেই। অর্থাৎ প্রত্যেক পথেই ফেরেশতা নিয়োজিত আছে। সুতরাং তোমরা আল্লাহ তা’আলার ঐসমস্ত ফেরেশতাদের ভাগিয়ে দিও না, যারা তোমাদের ঘিরে আছে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন নিশ্চই আল্লাহ তা’আলার ফেরেশতাগণ মদীনাকে প্রত্যেক দিক হতে ঘিরে রেখেছে। মদীনায় এমন কোন ছিদ্র পথ নেই যেখানে কোনফেরে
শতা তার তরবারী প্রসারিত করে উপস্থিত নেই। অর্থাৎ প্রত্যেক পথেই ফেরেশতা নিয়োজিত আছে। সুতরাং তোমরা আল্লাহ তা’আলার ঐসমস্ত ফেরেশতাদের ভাগিয়ে দিও না, যারা তোমাদের ঘিরে আছে।
2019-08-06 22:02:44 @141.0.8.82
রাসুলুল্লাহ সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
রাসুলুল্লাহ সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
2019-08-05 15:59:17 @103.106.242.134
হযরত ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সাতষট্টি সনে মূল্যস্ফীতি (দূর্ভিক্ষ), আটষট্টি সনে মৃত্যু, আর উনসত্তর সনে মতানৈক্যতা হবে। আর একশত সত্তর সনে তারা লুণ্ঠন করবে। আর সত্তর সনের পর আমার বংশের এক ব্যক্তির সময়ে (সকল কিছু বৃদ্ধি পাবে) এমনকি তখন নেয়ামত দ্বিগুণ হয়ে যাবে, ফল-মূলও দ্বিগুণ হবে। আর মানুষ সকল ব্যবসায়ের প্রতি ঝুকে যাবে। অতপর হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সময়ের অবস্থা কেমন হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন তোমাদের প্রতিপালকের দয়া, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দাওয়াত।
হযরত ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সাতষট্টি সনে মূল্যস্ফীতি (দূর্ভিক্ষ), আটষট্টি সনে মৃত্যু, আর উনসত্তর সনে মতানৈক্যতা হবে। আর একশত সত্তর সনে তারা লুণ্ঠন করবে। আর সত্তর সনের পর আমার বংশের এক ব্যক্তির সময়ে (সকল কিছু বৃদ্ধি পাবে) এমনকি তখন নেয়ামত দ্বিগুণ হয়ে যাবে, ফল-মূলও দ্বিগুণ হবে। আর মানুষ সকল ব্যবসায়ের প্রতি ঝুকে যাবে। অতপর হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সময়ের অবস্থা কেমন হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন তোমাদের প্রতিপালকের দয়া, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দাওয়াত। 
please check ur system. Anyone can edit ur content. 
Regards 
minhajrk@gmail.com
2019-08-03 15:39:52 @37.111.236.252
হযরত ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সাতষট্টি সনে মূল্যস্ফীতি (দূর্ভিক্ষ), আটষট্টি সনে মৃত্যু, আর উনসত্তর সনে মতানৈক্যতা হবে। আর একশত সত্তর সনে তারা লুণ্ঠন করবে। আর সত্তর সনের পর আমার বংশের এক ব্যক্তির সময়ে (সকল কিছু বৃদ্ধি পাবে) এমনকি তখন নেয়ামত দ্বিগুণ হয়ে যাবে, ফল-মূলও দ্বিগুণ হবে। আর মানুষ সকল ব্যবসায়ের প্রতি ঝুকে যাবে। অতপর হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সময়ের অবস্থা কেমন হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন তোমাদের প্রতিপালকের দয়া, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দাওয়াত।
হযরত ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সাতষট্টি সনে মূল্যস্ফীতি (দূর্ভিক্ষ), আটষট্টি সনে মৃত্যু, আর উনসত্তর সনে মতানৈক্যতা হবে। আর একশত সত্তর সনে তারা লুণ্ঠন করবে। আর সত্তর সনের পর আমার বংশের এক ব্যক্তির সময়ে (সকল কিছু বৃদ্ধি পাবে) এমনকি তখন নেয়ামত দ্বিগুণ হয়ে যাবে, ফল-মূলও দ্বিগুণ হবে। আর মানুষ সকল ব্যবসায়ের প্রতি ঝুকে যাবে। অতপর হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সময়ের অবস্থা কেমন হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন তোমাদের প্রতিপালকের দয়া, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দাওয়াত। test
2019-08-03 15:37:48 @37.111.236.252
হযরত ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সাতষট্টি সনে মূল্যস্ফীতি (দূর্ভিক্ষ), আটষট্টি সনে মৃত্যু, আর উনসত্তর সনে মতানৈক্যতা হবে। আর একশত সত্তর সনে তারা লুণ্ঠন করবে। আর সত্তর সনের পর আমার বংশের এক ব্যক্তির সময়ে (সকল কিছু বৃদ্ধি পাবে) এমনকি তখন নেয়ামত দ্বিগুণ হয়ে যাবে, ফল-মূলও দ্বিগুণ হবে। আর মানুষ সকল ব্যবসায়ের প্রতি ঝুকে যাবে। অতপর হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সময়ের অবস্থা কেমন হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন তোমাদের প্রতিপালকের দয়া, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দাওয়াত।
হযরত ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সাতষট্টি সনে মূল্যস্ফীতি (দূর্ভিক্ষ), আটষট্টি সনে মৃত্যু, আর উনসত্তর সনে মতানৈক্যতা হবে। আর একশত সত্তর সনে তারা লুণ্ঠন করবে। আর সত্তর সনের পর আমার বংশের এক ব্যক্তির সময়ে (সকল কিছু বৃদ্ধি পাবে) এমনকি তখন নেয়ামত দ্বিগুণ হয়ে যাবে, ফল-মূলও দ্বিগুণ হবে। আর মানুষ সকল ব্যবসায়ের প্রতি ঝুকে যাবে। অতপর হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সময়ের অবস্থা কেমন হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন তোমাদের প্রতিপালকের দয়া, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দাওয়াত। test
2019-08-03 15:37:39 @37.111.236.252
হযরত ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দ্বিতীয় আবু সুফিয়ানের পরিবারবর্গের থেকে একজন ব্যক্তিকে মাওসেম নামক এলাকার আমীর বা নেতা বানানো হবে। অতপর তার সাথে এক সৈন্যদল প্রেরণ করা হবে। অতপর তারা যখন মাওসেম নামক এলাকায় থাকবে তখন তারা আকাশ হতে এক সম্বোধনকারীর আওয়াজ শুনবে। (সম্বোধনকারী বলবে) তোমরা ভালভাবে জেনে রাখ যে, আমীর বা নেতা হল অমুক। আরেকজন সম্বোধনকারী যমিন থেকে সম্বোধন করে মিথ্যা বলবে। আকাশ থেকে সম্বোধনকারী সম্বোধন করে সত্য কথা বলবে। এভাবে বিষয়টি দীর্ঘ হবে। ফলে তারা উপলব্ধি করতে পারবে না যে, তারা কার অনুসরণ করবে। আর প্রকুতপক্ষে সত্য কথা বলবে যে সম্বোধনকারী আকাশে থাকবে। তার দ্বিতীয় আওয়াজটা যা সে আকাশ থেকে সম্বোধন করে প্রথম বার বলবে। যখন তোমরা উহা শুনবে তখন তোমরা ভালভাবে স্বরণ রাখবে যে. আল্লাহ তা’আলার কালিমা বা কথা হল উচ্চ। আর শয়তানের কালিমা হল নি¤œ।
হযরত ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দ্বিতীয় আবু সুফিয়ানের পরিবারবর্গের থেকে একজন ব্যক্তিকে মাওসেম নামক এলাকার আমীর বা নেতা বানানো হবে। অতপর তার সাথে এক সৈন্যদল প্রেরণ করা হবে। অতপর তারা যখন মাওসেম নামক এলাকায় থাকবে তখন তারা আকাশ হতে এক সম্বোধনকারীর আওয়াজ শুনবে। (সম্বোধনকারী বলবে) তোমরা ভালভাবে জেনে রাখ যে, আমীর বা নেতা হল অমুক। আরেকজন সম্বোধনকারী যমিন থেকে সম্বোধন করে মিথ্যা বলবে। আকাশ থেকে সম্বোধনকারী সম্বোধন করে সত্য কথা বলবে। এভাবে বিষয়টি দীর্ঘ হবে। ফলে তারা উপলব্ধি করতে পারবে না যে, তারা কার অনুসরণ করবে। আর প্রকুতপক্ষে সত্য কথা বলবে যে সম্বোধনকারী আকাশে থাকবে। তার দ্বিতীয় আওয়াজটা যা সে আকাশ থেকে সম্বোধন করে প্রথম বার বলবে। যখন তোমরা উহা শুনবে তখন তোমরা ভালভাবে স্বরণ রাখবে যে. আল্লাহ তা’আলার কালিমা বা কথা হল উচ্চ। আর শয়তানের কালিমা হল নি/
2019-07-31 13:08:49 @103.94.219.22
হযরত ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দ্বিতীয় আবু সুফিয়ানের পরিবারবর্গের থেকে একজন ব্যক্তিকে মাওসেম নামক এলাকার আমীর বা নেতা বানানো হবে। অতপর তার সাথে এক সৈন্যদল প্রেরণ করা হবে। অতপর তারা যখন মাওসেম নামক এলাকায় থাকবে তখন তারা আকাশ হতে এক সম্বোধনকারীর আওয়াজ শুনবে। (সম্বোধনকারী বলবে) তোমরা ভালভাবে জেনে রাখ যে, আমীর বা নেতা হল অমুক। আরেকজন সম্বোধনকারী যমিন থেকে সম্বোধন করে মিথ্যা বলবে। আকাশ থেকে সম্বোধনকারী সম্বোধন করে সত্য কথা বলবে। এভাবে বিষয়টি দীর্ঘ হবে। ফলে তারা উপলব্ধি করতে পারবে না যে, তারা কার অনুসরণ করবে। আর প্রকুতপক্ষে সত্য কথা বলবে যে সম্বোধনকারী আকাশে থাকবে। তার দ্বিতীয় আওয়াজটা যা সে আকাশ থেকে সম্বোধন করে প্রথম বার বলবে। যখন তোমরা উহা শুনবে তখন তোমরা ভালভাবে স্বরণ রাখবে যে. আল্লাহ তা’আলার কালিমা বা কথা হল উচ্চ। আর শয়তানের কালিমা হল নি¤œ।
হযরত ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দ্বিতীয় আবু সুফিয়ানের পরিবারবর্গের থেকে একজন ব্যক্তিকে মাওসেম নামক এলাকার আমীর বা নেতা বানানো হবে। অতপর তার সাথে এক সৈন্যদল প্রেরণ করা হবে। অতপর তারা যখন মাওসেম নামক এলাকায় থাকবে তখন তারা আকাশ হতে এক সম্বোধনকারীর আওয়াজ শুনবে। (সম্বোধনকারী বলবে) তোমরা ভালভাবে জেনে রাখ যে, আমীর বা নেতা হল অমুক। আরেকজন সম্বোধনকারী যমিন থেকে সম্বোধন করে মিথ্যা বলবে। আকাশ থেকে সম্বোধনকারী সম্বোধন করে সত্য কথা বলবে। এভাবে বিষয়টি দীর্ঘ হবে। ফলে তারা উপলব্ধি করতে পারবে না যে, তারা কার অনুসরণ করবে। আর প্রকুতপক্ষে সত্য কথা বলবে যে সম্বোধনকারী আকাশে থাকবে। তার দ্বিতীয় আওয়াজটা যা সে আকাশ থেকে সম্বোধন করে প্রথম বার বলবে। যখন তোমরা উহা শুনবে তখন তোমরা ভালভাবে স্বরণ রাখবে যে. আল্লাহ তা’আলার কালিমা বা কথা হল উচ্চ। আর শয়তানের কালিমা হল নি/
2019-07-31 13:08:38 @103.94.219.22
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2019-07-30 14:44:54 @103.67.157.173
আবু ইদরীস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি, আবু সালেহ এবং আবু মুসলিম একসাথে ছিলাম। তারা দুইজনের একজন অপরকে বলল, তোমরা কি কোনো বিষয়ের ভয় করছ? তারা বলল, আমরা মানুষের লোভ সম্বন্ধে শংকিত। অতঃপর আমি বললাম, এমন লোভ একমাত্র আখেরী যামানার মানুষের মাঝে প্রকাশ পাবে।
উত্তরে তার বলল, তুমি ঠিকই বলেছ, কেউ লোভবিহীন কখনো ছিনতাই ডাকাতী করতে পারেনা এবং মানুষ সবচেয়ে বেশি ছিনতাই ইত্যাদির সম্মুখিন হবে একমাত্র ইসলামের ক্ষেত্রে। নিঃসন্দেহে যাবতীয় ফিৎনা ফাসাদ ইসলামের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে এবং উক্ত ফিৎনা আখেরী যামানাতেই ব্যাপক আকার ধারন করবে।
আবু ইদরীস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি, আবু সালেহ এবং আবু মুসলিম একসাথে ছিলাম। তারা দুইজনের একজন অপরকে বলল, তোমরা কি কোনো বিষয়ের ভয় করছ? তারা বলল, আমরা মানুষের লোভ সম্বন্ধে শংকিত। অতঃপর আমি বললাম, এমন লোভ একমাত্র আখেরী যামানার মানুষের মাঝে প্রকাশ পাবে।
উত্তরে তার বলল, তুমি ঠিকই বলেছ, কেউ লোভবিহীন কখনো ছিনতাই ডাকাতী করতে পারেনা এবং মানুষ সবচেয়ে বেশি ছিনতাই ইত্যাদির সম্মুখিন হবে একমাত্র ইসলামের ক্ষেত্রে। নিঃসন্দেহে যাবতীয় ফিৎনা ফাসাদ ইসলামের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে এবং উক্ত ফিৎনা আখেরী যামানাতেই ব্যাপক আকার ধারন করবে।
2019-07-30 14:29:06 @103.67.157.173
হযরত কাইসান রাওয়াসী কাসসার থেকে বর্ণিত আর তিনি গ্রহণযোগ্য রাবী ছিলেন তিনি বলেন আমার মাওলা (আযাদকৃত গোলাম) আমার নিকট বর্ণনা করে বলেন যে, আমি হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি যে, ততক্ষণ পর্যন্ত মাগতী বের হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না তিন জনকে হত্যা করা হয়। তিন জন মারা যায়। এবং তিন জন জীবিত থাকবে।
হযরত কাইসান রাওয়াসী কাসসার থেকে বর্ণিত আর তিনি গ্রহণযোগ্য রাবী ছিলেন তিনি বলেন আমার মাওলা (আযাদকৃত গোলাম) আমার নিকট বর্ণনা করে বলেন যে, আমি হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি যে, ততক্ষণ পর্যন্ত মাহদি বের হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না তিন জনকে হত্যা করা হয়। তিন জন মারা যায়। এবং তিন জন জীবিত থাকবে।
2019-07-30 11:14:57 @103.90.0.90
হযরত কাইসান রাওয়াসী কাসসার থেকে বর্ণিত আর তিনি গ্রহণযোগ্য রাবী ছিলেন তিনি বলেন আমার মাওলা (আযাদকৃত গোলাম) আমার নিকট বর্ণনা করে বলেন যে, আমি হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি যে, ততক্ষণ পর্যন্ত মাগতী বের হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না তিন জনকে হত্যা করা হয়। তিন জন মারা যায়। এবং তিন জন জীবিত থাকবে।
হযরত কাইসান রাওয়াসী কাসসার থেকে বর্ণিত আর তিনি গ্রহণযোগ্য রাবী ছিলেন তিনি বলেন আমার মাওলা (আযাদকৃত গোলাম) আমার নিকট বর্ণনা করে বলেন যে, আমি হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি যে, ততক্ষণ পর্যন্ত মাহদি বের হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না তিন জনকে হত্যা করা হয়। তিন জন মারা যায়। এবং তিন জন জীবিত থাকবে।
2019-07-30 11:14:41 @103.90.0.90
হযরত আলা ইবনে মুহাম্মদ কালবী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন দিনের শুরুতে আব্বাসী খলীফাদের কোনো খলীফা আমীরুল মুমিনীন আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ এর পক্ষ থেকে কোনো পয়গাম পাঠ করা হবে, তাহলে দিনের শেষ ভাগে তোমাদের প্রতি প্রেরিত অন্য আরেকটি পয়গাম যা আসবে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমামান আমীরুল মুমিনপনের পক্ষ থেকে তার জন্য অপেক্ষা করতে থাক।
2019-07-29 17:29:09 @182.160.118.57
হযরত আলা ইবনে মুহাম্মদ কালবী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন দিনের শুরুতে আব্বাসী খলীফাদের কোনো খলীফা আমীরুল মুমিনীন আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ এর পক্ষ থেকে কোনো পয়গাম পাঠ করা হবে, তাহলে দিনের শেষ ভাগে তোমাদের প্রতি প্রেরিত অন্য আরেকটি পয়গাম যা আসবে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমামান আমীরুল মুমিনপনের পক্ষ থেকে তার জন্য অপেক্ষা করতে থাক।
হযরত আলা ইবনে মুহাম্মদ কালবী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন দিনের শুরুতে আব্বাসী খলীফাদের কোনো খলীফা আমীরুল মুমিনীন আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ এর পক্ষ থেকে কোনো পয়গাম পাঠ করা হবে, তাহলে দিনের শেষ ভাগে তোমাদের প্রতি প্রেরিত অন্য আরেকটি পয়গাম যা আসবে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমামান আমীরুল মুমিনপনের পক্ষ থেকে তার জন্য অপেক্ষা করতে থাক
2019-07-29 17:28:36 @182.160.118.57
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
2019-07-29 08:42:47 @103.60.160.208
সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, চতূর্থ ফিৎনা হচ্ছে, অন্ধকার অন্ধত্বপূর্ন ফিৎনা, যা সমুদ্রের ঢেউয়ের ন্যায় উত্তাল হয়ে আসবে, আরব অনারবের কোনো ঘর বাকি থাকবেনা, প্রত্যেক ঘরেই উক্ত ফিৎনা প্রবেশ করবে। যদ্বারা তারা লাঞ্ছিত অপদস্ত হয়ে যাবে। যে ফিৎনাটি শাম দেশে চক্কর দিতে থাকলেও রাত্রিযাপন করবে ইরাকে। তার হাত পা দ্বারা আরব ভুখন্ডের ভিতরে বিচরন করতে থাকবে। উক্ত ফিৎনা এ উম্মতের সাথে চামড়ার সাথে চামড়া মিশ্রিত হওয়ার ন্যায় মিশ্রিত হয়ে যাবে। তখন বালা মুসিবত এত ব্যাপক ও মারাত্নক আকার ধারন করবে যদ্বারা মানুষ ভালো খারাপ নির্নয় করতে সক্ষম হবেনা। ঐ মুহুর্তে কেউ উক্ত ফিৎনা থামানোর ও সাহস রাখবেনা। একদিকে একটু শান্তির সুবাতাস বইলেও অন্যদিকে তীব্র আকার ধারন করবে। সকালে কেউ মুসলমান থাকলেও সন্ধা হতে হতে সে কাফের হয়ে যাবে। উক্ত ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেন, কিন্তু শুধু ঐ লোক বাঁচতে পারে, যে সমুদ্রে ডুবন্ত ব্যক্তির ন্যায়। করুন সুরে আকুতি জানাতে থাকে। সেটা প্রায় বারো বৎসর পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে। এক পর্যায়ে সকলের কাছে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে উঠবে। ইতোমধ্যে ফুরাত নদীতে স্বর্নের একটি ব্রিজ প্রকাশ পাবে। যা দখল করার জন্য সকলে যুদ্ধে জড়িয়ে যাবে এবং প্রতি নয় জনের সাতজন মারা পড়বে।
সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, চতূর্থ ফিৎনা হচ্ছে, অন্ধকার অন্ধত্বপূর্ন ফিৎনা, যা সমুদ্রের ঢেউয়ের ন্যায় উত্তাল হয়ে আসবে, আরব অনারবের কোনো ঘর বাকি থাকবেনা, প্রত্যেক ঘরেই উক্ত ফিৎনা প্রবেশ করবে। যদ্বারা তারা লাঞ্ছিত অপদস্ত হয়ে যাবে। যে ফিৎনাটি শাম দেশে চক্কর দিতে থাকলেও রাত্রিযাপন করবে ইরাকে। তার হাত পা দ্বারা আরব ভুখন্ডের ভিতরে বিচরন করতে থাকবে। উক্ত ফিৎনা এ উম্মতের সাথে চামড়ার সাথে চামড়া মিশ্রিত হওয়ার ন্যায় মিশ্রিত হয়ে যাবে। তখন বালা মুসিবত এত ব্যাপক ও মারাত্নক আকার ধারন করবে যদ্বারা মানুষ ভালো খারাপ নির্নয় করতে সক্ষম হবেনা। ঐ মুহুর্তে কেউ উক্ত ফিৎনা থামানোয়র ও সাহস রাখবেনা। একদিকে একটু শান্তির সুবাতাস বইলেও অন্যদিকে তীব্র আকার ধারন করবে। সকালে কেউ মুসলমান থাকলেও সন্ধা হতে হতে সে কাফের হয়ে যাবে। উক্ত ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেন, কিন্তু শুধু ঐ লোক বাঁচতে পারে, যে সমুদ্রে ডুবন্ত ব্যক্তির ন্যায়। করুন সুরে আকুতি জানাতে থাকে। সেটা প্রায় বারো বৎসর পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে। এক পর্যায়ে সকলের কাছে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে উঠবে। ইতোমধ্যে ফুরাত নদীতে স্বর্নের একটি ব্রিজ প্রকাশ পাবে। যা দখল করার জন্য সকলে যুদ্ধে জড়িয়ে যাবে এবং প্রতি নয় জনের সাতজন মারা পড়বে।
2019-07-28 22:39:35 @37.111.238.71
আবু ইদরীস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি, আবু সালেহ এবং আবু মুসলিম একসাথে ছিলাম। তারা দুইজনের একজন অপরকে বলল, তোমরা কি কোনো বিষয়ের ভয় করছ? তারা বলল, আমরা মানুষের লোভ সম্বন্ধে শংকিত। অতঃপর আমি বললাম, এমন লোভ একমাত্র আখেরী যামানার মানুষের মাঝে প্রকাশ পাবে।
উত্তরে তার বলল, তুমি ঠিকই বলেছ, কেউ লোভবিহীন কখনো ছিনতাই ডাকাতী করতে পারেনা এবং মানুষ সবচেয়ে বেশি ছিনতাই ইত্যাদির সম্মুখিন হবে একমাত্র ইসলামের ক্ষেত্রে। নিঃসন্দেহে যাবতীয় ফিৎনা ফাসাদ ইসলামের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে এবং উক্ত ফিৎনা আখেরী যামানাতেই ব্যাপক আকার ধারন করবে।
আবু ইদরীস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি, আবু সালেহ এবং আবু মুসলিম একসাথে ছিলাম। তারা দুইজনের একজন অপরকে বলল, তোমরা কি কোনো বিষয়ের ভয় করছ? তারা বলল, আমরা মানুষের লোভ সম্বন্ধে শংকিত। অতঃপর আমি বললাম, এমন লোভ একমাত্র আখেরী যামানার মানুষের মাঝে প্রকাশ পাবে।
উত্তরে তার বলল, তুমি ঠিকই বলেছ, কেউ লোভবিহীন কখনো ছিনতাই ডাকাতী করতে পারেনা এবং মানুষ সবচেয়ে বেশি ছিনতাই ইত্যাদির সম্মুখিন হবে একমাত্র ইসলামের ক্ষেত্রে। নিঃসন্দেহে যাবতীয় ফিৎনা ফাসাদ ইসলামের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে এবং উক্ত ফিৎনা আখেরী যামানাতেই ব্যাপক আকার ধারন করবে।
2019-07-26 15:29:47 @43.245.122.18
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেনÑ সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না,্ এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক https://habibur.com/kitab/nuaim/list/?filter-part=34 সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেনÑ সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
2019-07-23 22:22:00 @37.111.227.126
হযরত আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সা. রলেছেন যে, তোমাদের অবস্থা কেমন হবে, যখন হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. তোমাদের মাজে অবতরণ করবে। অথবা তিনি বলেছেন- তোমাদের হতে তোমাদের নেতা।
হযরত আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সা. রলেছেন যে, তোমাদের অবস্থা কেমন হবে, যখন হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. তোমাদের মাঝে অবতরণ করবে। অথবা তিনি বলেছেন- তোমাদের হতে তোমাদের নেতা।
2019-07-18 18:09:53 @37.111.198.95
হযরত আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন এমন একটি জায়গা আছে যার নাম হল বসরা বা বসীরা, যেখানে বনু কানতুরের লোকজন অবস্থান নিবে। এমনকি তারা একটি নদীতে নামবে যার নাম হল গাছ ওয়ালা দাজলা। তখন মানুষ তিনভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। একদল উহার মূলের সাথে মিলিত হবে। ফলে তারা হালাক বা ধ্বংস হবে। আরেকদল তাদের নিজেদের আকড়ে ধরবে। ফলে তারা কুফুরী করবে। এবং আরেকদল যারা তাদের পরিবারদিগকে পিছনে রাখবে। ফলে তারা তাদের সাথে যুদ্ধ করবে। আর আল্লাহ তা’আলা তাদের অবশিষ্টদের উপর বিজয় দান করবেন।
হযরত আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন এমন একটি জায়গা আছে যার নাম হল বসরা বা বসীরা, যেখানে বনু কানতুরের লোকজন অবস্থান নিবে। এমনকি তারা একটি নদীতে নামবে যার নাম হল গাছ ওয়ালা দাজলা। তখন মানুষ তিনভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। একদল উহার মূলের সাথে মিলিত হবে। ফলে তারা হালাক বা ধ্বংস হবে। আরেকদল তাদের নিজেদের আকড়ে ধরবে। ফলে তারা কুফুরী করবেk। এবং আরেকদল যারা তাদের পরিবারদিগকে পিছনে রাখবে। ফলে তারা তাদের সাথে যুদ্ধ করবে। আর আল্লাহ তা’আলা তাদের অবশিষ্টদের উপর বিজয় দান করবেন।
2019-07-08 04:32:45 @163.172.165.8
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের ইমামকে হত্যা করবেনা এবং তোমরা অযথা তোমাদের তলোয়ার পরিচালনা করবেনা। এপৃথিবীর মালিক বনে যাবে নিকৃষ্টতম লোকজন।
2019-07-06 01:30:15 @103.66.177.252
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত মুআম ইবনে জাবাল রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিঃ সন্দেহে তোমরা দুনিয়াতে ফিৎনা ফাসাদ এবং বালা-মসিবতই দেখতে পাবে। ধীরে ধীরে মোয়ামালা কঠিন থেকে কঠিনতর হতে থাকবে। যেসব বালা মসিবতগুলো তোমাদের কাছে ভয়াবহ এবং মারাত্মক মনে হবে কিন্তু তোমাদের পরবর্তীদের কাছে খুবই সহজলভ্য মনে হবে, যেহেতু তারা এর থেকে আরো কঠিন বিপদ আপদের সম্মুখিন হবে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত মুআজ ইবনে জাবাল রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিঃ সন্দেহে তোমরা দুনিয়াতে ফিৎনা ফাসাদ এবং বালা-মসিবতই দেখতে পাবে। ধীরে ধীরে মোয়ামালা কঠিন থেকে কঠিনতর হতে থাকবে। যেসব বালা মসিবতগুলো তোমাদের কাছে ভয়াবহ এবং মারাত্মক মনে হবে কিন্তু তোমাদের পরবর্তীদের কাছে খুবই সহজলভ্য মনে হবে, যেহেতু তারা এর থেকে আরো কঠিন বিপদ আপদের সম্মুখিন হবে।
2019-07-05 06:03:44 @103.66.177.252
হাসান বসরী রহঃ থেকে বর্নিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজের নিষেধ করবে অন্যথায় আল্লাহ তাআলা তোমাদের বিরুদ্ধে অনারব থেকে এমন এক দুশমন পাঠাবেন, যারা তোমাদের ঘাড়ের উপর আক্রমন করবে এবং তোমাদের যাবতীয় সম্পদ ভক্ষন করে নিয়ে যাবে।
অন্যথায় তোমরা দৃঢ় পদক্ষেপকারী সিংহের আকার ধারন করবে।
হাসান বসরী রহঃ থেকে বর্নিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজের নিষেধ করবে অন্যথায় আল্লাহ তাআলা তোমাদের বিরুদ্ধে অনারব থেকে এমন এক দুশমন পাঠাবেন, যারা তোমাদের ঘাড়ের উপর আক্রমন করবে এবং তোমাদের যাবতীয় সম্পদ ভক্ষন করে নিয়ে যাবে।
অন্যথায় তোমরা দৃঢ় পদক্ষেপকারী সিংহের আকার ধারন করবে।
2019-07-05 05:20:17 @141.0.9.142
মাকদাম ইবনে মা’দিয়াকারুবা, আমর ইবনে আসওয়াদ ও কাসীর আবনে মাররা সকলেই বলেন দাজ্জাল কোন মানুষ নয়। বরং সমুদ্রের তীরের সে হল শয়তান। যে সত্তর চক্র দ্বারা প্রত্যায়িত। তাকে কি সুলাইমুন প্রত্যায়ণ করেছে না অন্য কেউ। যখন তার প্রথম উদ্ভব হবে তখন আল্লাহ তা’আলা তার থেকে প্রতি বছর এক চক্র বিচ্ছিন্ন করবেন। অতপর যখন সে প্রকাশ পাবে তখন তার নিকটে দুজন এমন লোক আসবে যাদের দুই কানের মধ্যখানে চল্লিশ গজ বিরাট জায়গা হবে। আর সেটা হল দ্রুত গতির আরোহণকারীর এক ফরসাখ দূরত্ব। অতপর তার পিঠে তামার তৈরী একটি মিম্বর বসাবে। অতপর তার উপর বসবে। তারপর জ্বিনদের অনেক দল তার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করবে। তারা তার জন্য যমিনের গুপ্তধন বাহির করে আনবে। তার জন্য তারা মানুষদের হত্যা করবে।
মাকদাম ইবনে মা’দিয়াকারুবা, আমর ইবনে আসওয়াদ ও কাসীর আবনে মাররা সকলেই বলেন দাজ্জাল কোন মানুষ নয়। বরং সমুদ্রের তীরের সে হল শয়তান। যে সত্তর চক্র দ্বারা প্রত্যায়িত। তাকে কি সুলাইমুন প্রত্যায়ণ করেছে না অন্য কেউ। যখন তার প্রথম উদ্ভব হবে তখন আল্লাহ তা’আলা তার থেকে প্রতি বছর এক চক্র বিচ্ছিন্ন করবেন। অতপর যখন সে প্রকাশ পাবে তখন তার নিকটে দুজন এমন লোক আসবে যাদের দুই কানের মধ্যখানে চল্লিশ গজ বিরাট জায়গা হবে। আর সেটা হল দ্রুত গতির আরোহণকারীর এক ফরসাখ দূরত্ব। অতপর তার পিঠে তামার তৈরী একটি মিম্বর বসাবে। অতপর তার উপর বসবে। তারপর জ্বিনদের অনেক দল তার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করবে। তারা তার জন্য যমিনের গুপ্তধন বাহির করে আনবে। তার জন্য তারা মানুষদের হত্যা করবে।
2019-06-24 15:49:00 mdrafiqulislam01738@...
হযরত হাসসান ইবনে আতীয়া হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জালের ফিতনা থেকে বার হাজার পুরুষ ও সাত হাজার মহিলা নাজাত পাবে।
হযরত হাসসান ইবনে আতীয়া হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জালের ফিতনা থেকে বার হাজার পুরুষ ও সাত হাজার মহিলা নাজাত পাবে।
2019-06-24 15:48:46 mdrafiqulislam01738@...
হযরত আবু উমামা আল বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সা, বলেন যখন দাজ্জাল বাহির হবে, তখন দাজ্জাল ডানে ধ্বংসজজ্ঞ চালাবে এবং বামেও ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। হে আল্লাহর বান্দাগণ তোমরা নত হও। কেননা দাজ্জাল সে শুরু করবে। অতপর সে বলবে আমি নবী। ( নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) অথচ আমার পরে কোন নবী নেই। অতপর সে গুণগাণ করবে। অতপর সে বলবে আমি তোমাদের রব বা প্রতিপালক। (নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) অধচ তোমরা তোমাদের রব বা প্রতিপালককে মৃত্যুর পূর্বে দেখতে পাবে না। আর দাজ্জাল হবে অন্ধ। অথচ তোমাদের রব অন্ধ নন। আর দাজ্জালের দুই চক্ষুর মধ্যখানে কাফের লেখা থাকবে। যা প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তিই পড়তে পারবে। আর দাজ্জালের ফিতনা সমূহ থেকে হল- তার সাথে একটি জান্নাত ও একটি জাহান্নাম থাকবে। (আর বাস্তবতা হল) তার জাহান্নাম হল জান্নাত। আর তার জান্নাত হল জাহান্নাম। সুতরাং যে ব্যক্তি তার জাহান্নাম কর্তৃক নির্যাতিত হয় সে যেন সূরা কাহাফের প্রথমাংশ তেলাওয়াত করে। আর যেন আল্লাহ তা’লার নিকট সাহায্য কামনা করে যাতে করে দাজ্জালের আগুন বা জাহান্নাম তার উপর ঠান্ডা ও শান্তি দায়ক হয়। যেমনিভাবে আগুণ ঠান্ডা ও শান্তি দায়ক হয়েছিল ইবরাহীম আ. এর উপর । আর দাজ্জালের ফিতনা থেকে আরেকটি হল- তার সাথে অনেক শয়তান থাকবে। উক্ত শয়তানগুলি তার জন্য মানুষের আকৃতি ধারণ করবে। অতপর দাজ্জাল এক বেদুইন বা গ্রাম্য ব্যক্তির নিকট এসে বলবে (যারা পিতা মাতা মারা গেছে।) তুমি বল তো, যদি আমি তোমার পিতা মাতাকে ফিরিয়ে আনি তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব হিসাবে সাক্ষ দিবে। বেদুইন লোকটি উত্তরে বলবে হ্যাঁ। অতপর তর শয়তানগুলি উক্ত বেদুইন লোকের পিতা মাতার আকৃতি ধারণ করবে। অতপর উক্ত শয়তান দুটি বলবে, হে আমার সন্তান তুমি তাকে (দাজ্জালকে) অনুসরণ কর। কেননা সে তোমার রব বা প্রতিপালক। দাজ্জালের আরো ফিতনা হল- একজন মানুষের উপর কব্জা করে নিবে। ফলে তাকে হত্যা করবে এবং জীবিত করবে। এবং তারপর আর ফিরে আসবে না। ঐ মানুষ ব্যতীত অন্য মানুষের উপর কোন কাজ করতে পারবে না। দাজ্জাল বলবে, তোমরা আমার বান্দাকে দেখ, আমি তাকে এখন জীবিত করছি। আর সে ধারণা করে আমি ব্যতীত তার অন্য রব আছে। অতপর তাকে জীবিত করবে। অতপর দাজ্জাল তাকে বলবে, তোমার রব কে? তার উত্তরে লোকটি বলবে আমার রব হল আল্লাহ। আর তুই আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল। আর তার আরেকটি ফিতনা হল- সে এক কেদুইনকে বলবে, তুমি বল তো, যদি আমি তোমার উটকে জীবিত করি তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব হিসাবে সাক্ষ্য দিবে? উত্তরে লোকটি বলবে হ্যাঁ। অতপর তার জন্য শয়তান তার উটের আকৃুত ধারণ করবে। আর তার আরেকটি ফিতনা হল- সে আকাশকে বৃষ্টির জন্য আদেশ করবে। ফলে আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ হবে। আর যমিনকে ফসল উৎপন্নের আদেশ দিবে। ফলে যমিন ফসল উৎপন্ন করবে। আর সে জীবিতদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে,তার তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে। ফলে তাদের সমস্ত গবাদি পশু ধ্বংস হয়ে যাবে। এবং সে এমনকিছু জীবিতদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে যারা তাকে সত্যায়ন করবে। তখন সে তাদের জন্য আকাশকে বৃষ্টি বর্ষণের এবং যমিনকে ফসল উৎপন্নের আদেশ দিবে। ফলে তাদের গবাদিপশু গুলি ঐদিন রিষ্টপুষ্ট হবে। মোটাতাজা হবে। পশুর কোমর লম্বা। এবং পশুর ওলান হবে পরিপূর্ণ বা ভরা।
হযরত আবু উমামা আল বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সা, বলেন যখন দাজ্জাল বাহির হবে, তখন দাজ্জাল ডানে ধ্বংসজজ্ঞ চালাবে এবং বামেও ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। হে আল্লাহর বান্দাগণ তোমরা নত হও। কেননা দাজ্জাল সে শুরু করবে। অতপর সে বলবে আমি নবী। ( নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) অথচ আমার পরে কোন নবী নেই। অতপর সে গুণগাণ করবে। অতপর সে বলবে আমি তোমাদের রব বা প্রতিপালক। (নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) অধচ তোমরা তোমাদের রব বা প্রতিপালককে মৃত্যুর পূর্বে দেখতে পাবে না। আর দাজ্জাল হবে অন্ধ। অথচ তোমাদের রব অন্ধ নন। আর দাজ্জালের দুই চক্ষুর মধ্যখানে কাফের লেখা থাকবে। যা প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তিই পড়তে পারবে। আর দাজ্জালের ফিতনা সমূহ থেকে হল- তার সাথে একটি জান্নাত ও একটি জাহান্নাম থাকবে। (আর বাস্তবতা হল) তার জাহান্নাম হল জান্নাত। আর তার জান্নাত হল জাহান্নাম। সুতরাং যে ব্যক্তি তার জাহান্নাম কর্তৃক নির্যাতিত হয় সে যেন সূরা কাহাফের প্রথমাংশ তেলাওয়াত করে। আর যেন আল্লাহ তা’লার নিকট সাহায্য কামনা করে যাতে করে দাজ্জালের আগুন বা জাহান্নাম তার উপর ঠান্ডা ও শান্তি দায়ক হয়। যেমনিভাবে আগুণ ঠান্ডা ও শান্তি দায়ক হয়েছিল ইবরাহীম আ. এর উপর । আর দাজ্জালের ফিতনা থেকে আরেকটি হল- তার সাথে অনেক শয়তান থাকবে। উক্ত শয়তানগুলি তার জন্য মানুষের আকৃতি ধারণ করবে। অতপর দাজ্জাল এক বেদুইন বা গ্রাম্য ব্যক্তির নিকট এসে বলবে (যারা পিতা মাতা মারা গেছে।) তুমি বল তো, যদি আমি তোমার পিতা মাতাকে ফিরিয়ে আনি তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব হিসাবে সাক্ষ দিবে। বেদুইন লোকটি উত্তরে বলবে হ্যাঁ। অতপর তর শয়তানগুলি উক্ত বেদুইন লোকের পিতা মাতার আকৃতি ধারণ করবে। অতপর উক্ত শয়তান দুটি বলবে, হে আমার সন্তান তুমি তাকে (দাজ্জালকে) অনুসরণ কর। কেননা সে তোমার রব বা প্রতিপালক। দাজ্জালের আরো ফিতনা হল- একজন মানুষের উপর কব্জা করে নিবে। ফলে তাকে হত্যা করবে এবং জীবিত করবে। এবং তারপর আর ফিরে আসবে না। ঐ মানুষ ব্যতীত অন্য মানুষের উপর কোন কাজ করতে পারবে না। দাজ্জাল বলবে, তোমরা আমার বান্দাকে দেখ, আমি তাকে এখন জীবিত করছি। আর সে ধারণা করে আমি ব্যতীত তার অন্য রব আছে। অতপর তাকে জীবিত করবে। অতপর দাজ্জাল তাকে বলবে, তোমার রব কে? তার উত্তরে লোকটি বলবে আমার রব হল আল্লাহ। আর তুই আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল। আর তার আরেকটি ফিতনা হল- সে এক কেদুইনকে বলবে, তুমি বল তো, যদি আমি তোমার উটকে জীবিত করি তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব হিসাবে সাক্ষ্য দিবে? উত্তরে লোকটি বলবে হ্যাঁ। অতপর তার জন্য শয়তান তার উটের আকৃুত ধারণ করবে। আর তার আরেকটি ফিতনা হল- সে আকাশকে বৃষ্টির জন্য আদেশ করবে। ফলে আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ হবে। আর যমিনকে ফসল উৎপন্নের আদেশ দিবে। ফলে যমিন ফসল উৎপন্ন করবে। আর সে জীবিতদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে,তার তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে। ফলে তাদের সমস্ত গবাদি পশু ধ্বংস হয়ে যাবে। এবং সে এমনকিছু জীবিতদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে যারা তাকে সত্যায়ন করবে। তখন সে তাদের জন্য আকাশকে বৃষ্টি বর্ষণের এবং যমিনকে ফসল উৎপন্নের আদেশ দিবে। ফলে তাদের গবাদিপশু গুলি ঐদিন রিষ্টপুষ্ট হবে। মোটাতাজা হবে। পশুর কোমর লম্বা। এবং পশুর ওলান হবে পরিপূর্ণ বা ভরা।
2019-06-24 15:48:11 mdrafiqulislam01738@...
হযরত হাইসাম ইবনে আসওয়াদ বলেন যে, আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন আর তিনি হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু এর নিকটে ছিলেন। তোমদের পূর্বের স্থান তোমরা চিন? যাকে কূসা বলা হয়্ যার অধিকাংশ জায়গা অনাবাদি। আমি বললাম হ্যাঁ। তিনি বললেন সেখান থেকে দাজ্জাল বাহির হবে।
হযরত হাইসাম ইবনে আসওয়াদ বলেন যে, আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন আর তিনি হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু এর নিকটে ছিলেন। তোমদের পূর্বের স্থান তোমরা চিন? যাকে কূসা বলা হয়্ যার অধিকাংশ জায়গা অনাবাদি। আমি বললাম হ্যাঁ। তিনি বললেন সেখান থেকে দাজ্জাল বাহির হবে।
2019-06-24 15:47:42 mdrafiqulislam01738@...

Execution time: 0.07 render + 0.01 s transfer.