Login | Register

Edit Log

Previously Was Has Been Updated To
হযরত আব্দুর রহমান তার মাতা থেকে বর্ণনা করেন, তার মাতা ছিনের বৃদ্ধা। তিনি বলেন আমি (আমার মাতাকে) ইবনে যুবাইরের যুদ্ধের কথা বললাম যে, এটা এমন একটি যুদ্ধ যাতে মানুষ হালাক বা বরবাদ হয়েছে। তখন তিনি আমাকে বললেন হে বৎস! কখনো নয়। বরং উহার পরে এমন এক যুদ্ধ হবে (অনেক) মানুষ বরবাদ হবে। তাদের যুদ্ধ থামবে না, আর এরই মাঝে আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে তোমাদের উপর অমুক ব্যক্তি। (তোমাদের আমীর অমুক ব্যক্তি।)
হযরত আব্দুর রহমান তার মাতা থেকে বর্ণনা করেন, তার মাতা ছিলেন বৃদ্ধা। তিনি বলেন আমি (আমার মাতাকে) ইবনে যুবাইরের যুদ্ধের কথা বললাম যে, এটা এমন একটি যুদ্ধ যাতে মানুষ হালাক বা বরবাদ হয়েছে। তখন তিনি আমাকে বললেন হে বৎস! কখনো নয়। বরং উহার পরে এমন এক যুদ্ধ হবে (অনেক) মানুষ বরবাদ হবে। তাদের যুদ্ধ থামবে না, আর এরই মাঝে আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে তোমাদের উপর অমুক ব্যক্তি। (তোমাদের আমীর অমুক ব্যক্তি।)
2020-01-19 10:10:20 @37.111.248.48
হযরত ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দ্বিতীয় আবু সুফিয়ানের পরিবারবর্গের থেকে একজন ব্যক্তিকে মাওসেম নামক এলাকার আমীর বা নেতা বানানো হবে। অতপর তার সাথে এক সৈন্যদল প্রেরণ করা হবে। অতপর তারা যখন মাওসেম নামক এলাকায় থাকবে তখন তারা আকাশ হতে এক সম্বোধনকারীর আওয়াজ শুনবে। (সম্বোধনকারী বলবে) তোমরা ভালভাবে জেনে রাখ যে, আমীর বা নেতা হল অমুক। আরেকজন সম্বোধনকারী যমিন থেকে সম্বোধন করে মিথ্যা বলবে। আকাশ থেকে সম্বোধনকারী সম্বোধন করে সত্য কথা বলবে। এভাবে বিষয়টি দীর্ঘ হবে। ফলে তারা উপলব্ধি করতে পারবে না যে, তারা কার অনুসরণ করবে। আর প্রকুতপক্ষে সত্য কথা বলবে যে সম্বোধনকারী আকাশে থাকবে। তার দ্বিতীয় আওয়াজটা যা সে আকাশ থেকে সম্বোধন করে প্রথম বার বলবে। যখন তোমরা উহা শুনবে তখন তোমরা ভালভাবে স্বরণ রাখবে যে. আল্লাহ তা’আলার কালিমা বা কথা হল উচ্চ। আর শয়তানের কালিমা হল নি¤œ।
হযরত ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দ্বিতীয় আবু সুফিয়ানের পরিবারবর্গের থেকে একজন ব্যক্তিকে মাওসেম নামক এলাকার আমীর বা নেতা বানানো হবে। অতপর তার সাথে এক সৈন্যদল প্রেরণ করা হবে। অতপর তারা যখন মাওসেম নামক এলাকায় থাকবে তখন তারা আকাশ হতে এক সম্বোধনকারীর আওয়াজ শুনবে। (সম্বোধনকারী বলবে) তোমরা ভালভাবে জেনে রাখ যে, আমীর বা নেতা হল অমুক। আরেকজন সম্বোধনকারী যমিন থেকে সম্বোধন করে মিথ্যা বলবে। আকাশ থেকে সম্বোধনকারী সম্বোধন করে সত্য কথা বলবে। এভাবে বিষয়টি দীর্ঘ হবে। ফলে তারা উপলব্ধি করতে পারবে না যে, তারা কার অনুসরণ করবে। আর প্রকুতপক্ষে সত্য কথা বলবে যে সম্বোধনকারী আকাশে থাকবে। তার দ্বিতীয় আওয়াজটা যা সে আকাশ থেকে সম্বোধন করে প্রথম বার বলবে। যখন তোমরা উহা শুনবে তখন তোমরা ভালভাবে স্বরণ রাখবে যে. আল্লাহ তা’আলার কালিমা বা কথা হল উচ্চ। আর শয়তানের কালিমা হল নিম্ন।
2020-01-19 10:09:50 @37.111.248.48
হযরত মুজাহিদ (রঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, অন্ধকার রাত্রির টুকরোর মত ফিতনা দেখা দিবে। সে সময় সকালে একজন মুমিন হলে বিকালে কাফের হয়ে যাবে। বিকালে মুমিন হলে সকালে কাফের হয়ে যাবে। তাদের মধ্যে কেউ পার্থিব সামান্য সামগ্রির বিনিময়ে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে।
হযরত মুজাহিদ (রঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, অন্ধকার রাত্রির টুকরোর মত ফিতনা দেখা দিবে। সে সময় সকালে একজন মুমিন হলে বিকালে কাফের হয়ে যাবে। বিকালে মুমিন হলে সকালে কাফের হয়ে যাবে। তাদের মধ্যে কেউ পার্থিব সামান্য সামগ্রির বিনিময়ে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে।
2020-01-19 07:21:33 @37.111.237.209
হযরত মুজাহিদ (রঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, অন্ধকার রাত্রির টুকরোর মত ফিতনা দেখা দিবে। সে সময় সকালে একজন মুমিন হলে বিকালে কাফের হয়ে যাবে। বিকালে মুমিন হলে সকালে কাফের হয়ে যাবে। তাদের মধ্যে কেউ পার্থিব সামান্য সামগ্রির বিনিময়ে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে।
2020-01-19 07:21:29 @37.111.237.209
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, ফিৎনা ও খারাপিকে মোট সত্তর ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। তার থেকে ঊনসত্তর ভাগ হচ্ছে বর্বর জাতির মধ্যে, আর মাত্র এক অংশ হচ্ছে অন্য সকল মানুষের মধ্যে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, ফিৎনা ও খারাপিকে মোট সত্তর ভাগে0 বিভক্ত করা হয়েছে। তার থেকে ঊনসত্তর ভাগ হচ্ছে বর্বর জাতির মধ্যে, আর মাত্র এক অংশ হচ্ছে অন্য সকল মানুষের মধ্যে।
2020-01-19 07:13:24 @103.115.26.88
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি মিশর বাসীদেরকে বলেন, যখন মাশরিক বাসীদের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে কোনো পয়গাম আসে, যার মধ্যে আব্দুল্লাহ আমীরুল মুমিনীনের পক্ষ হতে বক্তব্য থাকবে, তখন তোমরা অন্য আরেকটি পয়গামের অপেক্ষা করতে থাকো। সেটা আসবে মুলতঃ আমীরুল মুমিনীন আব্দুল্লাহ আব্দুর রহমান কর্তৃক প্রেরিত হয়ে মাগরিব বাসীদের পক্ষ থেকে আসবে। শপথ সেই সত্ত্বার যার হাতে হোজাইফার জীবন রয়েছ, তোমরা এবং তাদের মধ্যে ব্রিজের নিকটে তুমুল যুদ্ধ হবে। তারা তোমাদেরকে কাফের আখ্যায়িত করে মিশর এবং শাম দেশ থেকে বের করে দিবে। এহেন পরিস্থিতিতে পঁচিশটি দেরহাম নিয়ে জনৈকা আরবী নারী দিমাশকের গেইটে তোমাদের অনুস্বরণ করবে।
pবিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি মিশর বাসীদেরকে বলেন, যখন মাশরিক বাসীদের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে কোনো পয়গাম আসে, যার মধ্যে আব্দুল্লাহ আমীরুল মুমিনীনের পক্ষ হতে বক্তব্য থাকবে, তখন তোমরা অন্য আরেকটি পয়গামের অপেক্ষা করতে থাকো। সেটা আসবে মুলতঃ আমীরুল মুমিনীন আব্দুল্লাহ আব্দুর রহমান কর্তৃক প্রেরিত হয়ে মাগরিব বাসীদের পক্ষ থেকে আসবে। শপথ সেই সত্ত্বার যার হাতে হোজাইফার জীবন রয়েছ, তোমরা এবং তাদের মধ্যে ব্রিজের নিকটে তুমুল যুদ্ধ হবে। তারা তোমাদেরকে কাফের আখ্যায়িত করে মিশর এবং শাম দেশ থেকে বের করে দিবে। এহেন পরিস্থিতিতে পঁচিশটি দেরহাম নিয়ে জনৈকা আরবী নারী দিমাশকের গেইটে তোমাদের অনুস্বরণ করবে।
2020-01-19 07:03:28 @103.115.26.88
শুরাইহ ইবনে উবাইদ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, একদিন হযরত মোয়াবিয়া রাযিঃ কা’বকে হিমস এবং দিমাশক সম্বন্ধে জিঞ্জাসা করলে তিনি জবাব দিলেন, দিমাশক হচ্ছে, রোম দেশের মুসলমানদের আশ্রয়স্থল সেখানের ষাঁড় রাখার স্থান হিমসের বড় এলাকার চেয়েও উত্তম।
কেউ যদি দাজ্জাল থেকে মুক্তির আশা করে সে যেন আবু ফাতরাছ নামক ঝর্নার পার্শ্বে গিয়ে আশ্রয় গ্রহন করে। যদি তুমি খুলাফাদের সমান মর্যাদা লাভ করতে চাও তাহলে দিমাশকে অবস্থান কর। আর যদি জিহাদ এবং কষ্ট শিকার করতে চাও তাহলে হিমস নামক এলাকাতে অবস্থান করতে থাক। বর্ননাকারী সাফওয়ান বলেন, আমাদেরকে আবুজ জাহিরিয়্যাহ রহঃ হযরত কা’ব থেকে বর্ননা করেন, যুদ্ধবিগ্রহ কালীন মুসলমানদের আশ্রয়স্থল হচ্ছে, দিমাশক। দাজ্জাল থেকে মুক্তির স্থান থেকে আবু ফাতরাছ ঝর্না আর তূর পাহাড় হচ্ছে, ইয়াজুজ-মাজুজ থেকে আশ্রয় গ্রহনের একমাত্র জায়গা।
শুরাইহ ইবনে উবাইদ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, একদিন হযরত মোয়াবিয়া রাযিঃ কা’বকে হিমস এবং দিমাশক সম্বন্ধে জিঞ্জাসা করলে তিনি জবাব দিলেন, দিমাশক হচ্ছে, রোম দেশের মুসলমানদের আশ্রয়স্থল সেখানের ষাঁড় রাখার স্থান হিমসের বড় এলাকার চেয়েও উত্তম।
কেউ যদি দাজ্জাল থেকে মুক্তির আশা করে সে যেন আবু ফাতরাছ নামক ঝর্নার পার্শ্বে গিয়ে আশ্রয় গ্রহন করে। যদি তুমি খুলাফাদের সমান মর্যাদা লাভ করতে চাও তাহলে দিমাশকে অবস্থান কর। আর যদি জিহাদ এবং কষ্ট শিকার করতে চাও তাহলে হিমস নামক এলাকাতে অবস্থান করতে থাক। বর্ননাকারী সাফওয়ান বলেন, আমাদেরকে আবুজ জাহিরিয়্যাহ রহঃ হযরত কা’ব থেকে বর্ননা করেন, যুদ্ধবিগ্রহ কালীন মুসলমানদের আশ্রয়স্থল হচ্ছে, দিমাশক। দাজ্জাল থেকে মুক্তির স্থান থেকে আবু ফাতরাছ ঝর্না আর তূর পাহাড় হচ্ছে, ইয়াজুজ-মাজুজ থেকে আশ্রয় গ্রহনের একমাত্র জায়গা।
2020-01-19 05:44:20 @103.115.26.88
আবু যর গিফারী রাযিঃ হতে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ননা করেন, তিনি এরশাদ করেন, পৃথিবীতে সর্বপ্রথম মিশর এবং ইরাক ধ্বংস হয়ে যাবে।
হে আবু যর! যখন তুমি দেখতে পাবে, বাতি-ঘরের উচ্চতা সিলা পর্যন্ত পৌছে গিয়েছে তাহলে শাম দেশকে আকড়িয়ে ধরবে। আমি বললাম, যদি তারা আমাকে যেখান থেকে বের করেও দেয় তাহলেও কি আমি সেখানে যাবো?
জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাকে তারা যেখানে তাড়িয়ে নিয়ে যায় সেখানে চলে যেতে সংকোচবোধ করোনা।
আবু যর গিফারী রাযিঃ হতে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ননা করেন, তিনি এরশাদ করেন, পৃথিবীতে সর্বপ্রথম মিশর এবং ইরাক ধ্বংস হয়ে যাবে।
হে আবু যর! যখন তুমি দেখতে পাবে, বাতি-ঘরের উচ্চতা সিলা পর্যন্ত পৌছে গিয়েছে তাহলে শাম দেশকে আকড়িয়ে ধরবে। আমি বললাম, যদি তারা আমাকে যেখান থেকে বের করেও দেয় তাহলেও কি আমি সেখানে যাবো?
জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাকে তারা যেখানে তাড়িয়ে নিয়ে যায় সেখানে চলে যেতে সংকোচবোধ করোনা।
2020-01-19 05:43:01 @103.115.26.88
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, হিমস হচ্ছে, ঐসব সৈন্যদের অন্তর্ভুক্ত, যাদের শহীদগন সত্তর জনের জন্য সুপারিশ করবেন, দিমাশক বাসীরা হচ্ছেন, যাদেরকে জান্নাতে সবুজ কাপড় দ্বারা পরিচিত করা যাবে। অন্য দিকে জর্দানের সৈন্যরা কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া পাবেন।
ফিলিস্তিনের অধিবাসীরা হচ্ছেন, যাদের দিকে আল্লাহ তা’আলা দৈনিক দু’বার দৃষ্টি দিয়ে থাকেন।
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, হিমস হচ্ছে, ঐসব সৈন্যদের অন্তর্ভুক্ত, যাদের শহীদগন সত্তর জনের জন্য সুপারিশ করবেন, দিমাশক বাসীরা হচ্ছেন, যাদেরকে জান্নাতে সবুজ কাপড় দ্বারা পরিচিত করা যাবে। অন্য দিকে জর্দানের সৈন্যরা কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া পাবেন।
ফিলিস্তিনের অধিবাসীরা হচ্ছেন, যাদের দিকে আল্লাহ তা’আলা দৈনিক দু’বার দৃষ্টি দিয়ে থাকেন।
2020-01-19 05:42:21 @103.115.26.88
আব্দুল্লাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, উল্লেখিত ফিৎনাকালীন কোনো অবস্থাতেই কেউ মুক্তি পাবেনা তবে যারা অবরোধকালীন ধৈর্য ধারন করবে তাদের মুক্তির কিছুটা আশা করা যেতে পারে। সুফিয়ানীদের জন্য নির্ধারিত আশ্রয়স্থল, যেটা মূলতঃ আল্লাহ তাআলার রহমতের মাধ্যমে নির্ধারিত। অনারবের তিনটি শহর, প্রথমতঃ প্রশস্ত উপত্যকার পার্শ্বে অবস্থিত শহর, যার নাম হচ্ছে, এন্তাকিয়া।
দ্বিতীয় শহর হচ্ছে, যেটা ফুরস হিসেবে প্রসিদ্ধ।
তৃতীয় আরেকটি শহর যেটা। সামিসাত নামে পরিচিত। তাছাড়া অন্য আরেকটি এলাকা হচ্ছে, এমন এক পাহড়, যা রোম বাসীদের আশ্রয়স্থল হিসেবে সমৃদ্ধ, যার নাম হচ্ছে, আল-মুতাক।
আব্দুল্লাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, উল্লেখিত ফিৎনাকালীন কোনো অবস্থাতেই কেউ মুক্তি পাবেনা তবে যারা অবরোধকালীন ধৈর্য ধারন করবে তাদের মুক্তির কিছুটা আশা করা যেতে পারে। সুফিয়ানীদের জন্য নির্ধারিত আশ্রয়স্থল, যেটা মূলতঃ আল্লাহ তাআলার রহমতের মাধ্যমে নির্ধারিত। অনারবের তিনটি শহর, প্রথমতঃ প্রশস্ত উপত্যকার পার্শ্বে অবস্থিত শহর, যার নাম হচ্ছে, এন্তাকিয়া।
দ্বিতীয় শহর হচ্ছে, যেটা ফুরস হিসেবে প্রসিদ্ধ।
তৃতীয় আরেকটি শহর যেটা। সামিসাত নামে পরিচিত। তাছাড়া অন্য আরেকটি এলাকা হচ্ছে, এমন এক পাহড়, যা রোম বাসীদের আশ্রয়স্থল হিসেবে সমৃদ্ধ, যার নাম হচ্ছে, আল-মুতাক।
2020-01-19 05:41:52 @103.115.26.88
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, যখন চতুর্দিক থেকে ফিৎনা ধেঁয়ে আসবে তখন তুমি শীতকালীন পিঁপড়ার ন্যায় নিজের আত্নরক্ষার জন্য একটি স্থান খুঁজতে থাক।
তবে সেটা হতে হবে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে। বিন্দু মাত্রও প্রকাশ পেতে পারবেনা। এধরনের ফিৎনা থেকে আত্নরক্ষার সর্বোত্তম স্থান হচ্ছে, মদীনা হেজাজএবং তার পার্শ্বের অন্যান্য এলাকা খুবই উত্তম অন্য এলাকা থেকে
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, যখন চতুর্দিক থেকে ফিৎনা ধেঁয়ে আসবে তখন তুমি শীতকালীন পিঁপড়ার ন্যায় নিজের আত্নরক্ষার জন্য একটি স্থান খুঁজতে থাক।
তবে সেটা হতে হবে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে। বিন্দু মাত্রও প্রকাশ পেতে পারবেনা। এধরনের ফিৎনা থেকে আত্নরক্ষার সর্বোত্তম স্থান হচ্ছে, মদীনা হেজাজএবং তার পার্শ্বের অন্যান্য এলাকা খুবই উত্তম অন্য এলাকা থেকে
2020-01-19 05:39:49 @103.115.26.88
সাহাবী হযরতয আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ হতে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন যখন পূর্ব-পশ্চিম উভয় দিক থেকে ফিৎনা আসতে থাকবে তখন সে ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেনা, তবে ঐ লোকের বাঁচার আশা করা যায়, যে খুবই গোপনীয়তার সাথে জীবন যাপন করে। জনসমক্ষে আসলেও কেউ চিনতে পারেনা, কোথাও বসার পর উঠে চলে গেলে তাকে খোঁজা হয়না।
আর ঐ ব্যক্তির মুক্তির আশা করা যায়, যে, পানিতে ডুবন্ত মানুষের ন্যায় শেষ আর্তনাদ হিসেবে ক্ষিনস্বরে সাহায্যের আকুতি জানাতে থাকে।
এ দুই দল ব্যতীত অন্য কেউ বাঁচতে পারবেনা।
সাহাবী হযরতয আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ হতে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন যখন পূর্ব-পশ্চিম উভয় দিক থেকে ফিৎনা আসতে থাকবে তখন সে ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেনা, তবে ঐ লোকের বাঁচার আশা করা যায়, যে খুবই গোপনীয়তার সাথে জীবন যাপন করে। জনসমক্ষে আসলেও কেউ চিনতে পারেনা, কোথাও বসার পর উঠে চলে গেলে তাকে খোঁজা হয়না।
আর ঐ ব্যক্তির মুক্তির আশা করা যায়, যে, পানিতে ডুবন্ত মানুষের ন্যায় শেষ আর্তনাদ হিসেবে ক্ষিনস্বরে সাহায্যের আকুতি জানাতে থাকে।
এ দুই দল ব্যতীত অন্য কেউ বাঁচতে পারবেনা।
2020-01-19 05:39:33 @103.115.26.88
সাহাবী হযরতয আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ হতে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন যখন পূর্ব-পশ্চিম উভয় দিক থেকে ফিৎনা আসতে থাকবে তখন সে ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেনা, তবে ঐ লোকের বাঁচার আশা করা যায়, যে খুবই গোপনীয়তার সাথে জীবন যাপন করে। জনসমক্ষে আসলেও কেউ চিনতে পারেনা, কোথাও বসার পর উঠে চলে গেলে তাকে খোঁজা হয়না।
আর ঐ ব্যক্তির মুক্তির আশা করা যায়, যে, পানিতে ডুবন্ত মানুষের ন্যায় শেষ আর্তনাদ হিসেবে ক্ষিনস্বরে সাহায্যের আকুতি জানাতে থাকে।
এ দুই দল ব্যতীত অন্য কেউ বাঁচতে পারবেনা।
সাহাবী হযরতয আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ হতে বর্ননা করেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন যখন পূর্ব-পশ্চিম উভয় দিক থেকে ফিৎনা আসতে থাকবে তখন সে ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেনা, তবে ঐ লোকের বাঁচার আশা করা যায়, যে খুবই গোপনীয়তার সাথে জীবন যাপন করে। জনসমক্ষে আসলেও কেউ চিনতে পারেনা, কোথাও বসার পর উঠে চলে গেলে তাকে খোঁজা হয়না।
আর ঐ ব্যক্তির মুক্তির আশা করা যায়, যে, পানিতে ডুবন্ত মানুষের ন্যায় শেষ আর্তনাদ হিসেবে ক্ষিনস্বরে সাহায্যের আকুতি জানাতে থাকে।
এ দুই দল ব্যতীত অন্য কেউ বাঁচতে পারবেনা।
2020-01-19 05:36:52 @103.115.26.88
Hjjju
2020-01-17 23:49:03 @103.110.160.213
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হিম্স নগরীতে কুজাআ এবং হিমইয়ারবাসিদের মাঝে তীব্র যুদ্ধ সংগঠিত হবে। উক্ত যুদ্ধ হবে মূলতঃ ধূসর বর্ণের একটি খচ্চরকে নিয়ে। এক পর্যায়ে কুজাআ বংশের লোকজন ফুরাত নদীর পার্শ্বে হিমইয়ারবাসির উপর হামলা করবে। অতঃপর রুস্তুনের বাজারে উভয় দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে যাবে। দুটি ঘোড়া বাজারের দুই দিক থেকে এগিয়ে আসলেও কেউ কাউকে দেখবেনা, এটা অবশ্যই ঘরবাড়ি এবং দেয়াল ইত্যাদি স্থাপনের পূর্বে। আমরা খুবই আশ্চর্য্য হয়েছি, এটা কীভাবে হতে পারে যে, একজন অন্য জনকে দেখা ব্যতীত বাজারের দিকে দুইটি ঘোড়া এগিয়ে আসবে। অথচ তখন সেখানে কোনো ধরনের দেয়াল ছিলনা। এক পর্যায়ে সেখানে ঘরবাড়ি-দেয়াল ইত্যাদি বানানো হয়েছে। অতঃপর আমরা জানতে পারি যে, সেটা ছিল যে হাদীসের ব্যাখ্যা যা আমরা এতদিন পর্যন্ত শুনে আসছিলাম । তার বাস্তবতা হচ্ছে, দুই দল অশ্বারোহীর মাঝে তীব্র যুদ্ধ সংগঠিত হবে, অতঃপর কুতুনের গলি থেকে একজন সুলতান বের হয়ে আসবে। অন্যদিকে সাফওয়ানের ভাষ্যমতে তিনি একটি ধূসর বর্ণের উন্নতজাতের ঘোড়ার উপর আরোহন করে এগিয়ে আসবে, অতঃপর খচ্চরের দখল নেয়ার জন্য লটারীর ব্যবস্থা করবে। এরপর উভয়দল লজ্জিত হয়ে ফিরে যাবে। ধ্বংস হোক আদ গোত্রের জন্য, যারা আইম থেকে এগিয়ে আসবে, এবং আইম গোত্রের জন্য ও ধ্বংস যারা আদ এলাকা থেকে এগিয়ে আসবে। আদ গোত্র হচ্ছে, হিময়ারের অন্তর্ভুক্ত এবং আইম গোত্র কুজাআর একটা অংশ। সাফওয়ানের হাদীসে এসেছে, ঐ সময়ই কুজাআ ধ্বংস হয়ে যাবে।
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হিম্স নগরীতে কুজাআ এবং হিমইয়ারবাসিদের মাঝে তীব্র যুদ্ধ সংগঠিত হবে। উক্ত যুদ্ধ হবে মূলতঃ ধূসর বর্ণের একটি খচ্চরকে নিয়ে। এক পর্যায়ে কুজাআ বংশের লোকজন ফুরাত নদীর পার্শ্বে হিমইয়ারবাসির উপর হামলা করবে। অতঃপর রুস্তুনের বাজারে উভয় দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে যাবে। দুটি ঘোড়া বাজারের দুই দিক থেকে এগিয়ে আসলেও কেউ কাউকে দেখবেনা, এটা অবশ্যই ঘরবাড়ি এবং দেয়াল ইত্যাদি স্থাপনের পূর্বে। আমরা খুবই আশ্চর্য্য হয়েছি, এটা কীভাবে হতে পারে যে, একজন অন্য জনকে দেখা ব্যতীত বাজারের দিকে দুইটি ঘোড়া এগিয়ে আসবে। অথচ তখন সেখানে কোনো ধরনের দেয়াল ছিলনা। এক পর্যায়ে সেখানে ঘরবাড়ি-দেয়াল ইত্যাদি বানানো হয়েছে। অতঃপর আমরা জানতে পারি যে, সেটা ছিল যে হাদীসের ব্যাখ্যা যা আমরা এতদিন পর্যন্ত শুনে আসছিলাম । তার বাস্তবতা হচ্ছে, দুই দল অশ্বারোহীর মাঝে তীব্র যুদ্ধ সংগঠিত হবে, অতঃপর কুতুনের গলি থেকে একজন সুলতান বের হয়ে আসবে। অন্যদিকে সাফওয়ানের ভাষ্যমতে তিনি একটি ধূসর বর্ণের উন্নতজাতের ঘোড়ার উপর আরোহন করে এগিয়ে আসবে, অতঃপর খচ্চরের দখল নেয়ার জন্য লটারীর ব্যবস্থা করবে। এরপর উভয়দল লজ্জিত হয়ে ফিরে যাবে। ধ্বংস হোক আদ গোত্রের জন্য, যারা আইম থেকে এগিয়ে আসবে, এবং আইম গোত্রের জন্য ও ধ্বংস যারা আদ এলাকা থেকে এগিয়ে আসবে। আদ গোত্র হচ্ছে, হিময়ারের অন্তর্ভুক্ত এবং আইম গোত্র কুজাআর একটা অংশ। সাফওয়ানের হাদীসে এসেছে, ঐ সময়ই কুজাআ ধ্বংস হয়ে যাবে। bhhu
2020-01-17 23:46:16 @103.110.160.213
হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযি বলেন, হে আবুততোফাইল! তোমার কি অবস্থা হবে, যখন আমাদের উপর বিভিন্ন ধরণের ফিতনা আসতে থাকবে। তখন সর্বোত্তম মানুষ হবে প্রত্যেক ধনী লোক যারা তাদের ধনাঢ্যতা গোপন রাখবে।
অতঃপর আবুত্ তোফাইল রহঃ বলেন, তখন কি অবস্থা হবে, নিশ্চয় সেটা আমাদের প্রতি এমন দার করা যদ্বারা মানুষ নিম্নস্তরে পতিত হবে এবং নিক্ষিপ্ত হবে অনেক গভীরে।
হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযি বলেন, হে আবুততোফাইল! তোমার কি অবস্থা হবে, যখন আমাদের উপর বিভিন্ন ধরণের ফিতনা আসতে থাকবে। তখন সর্বোত্তম মানুষ হবে প্রত্যেক ধনী লোক যারা তাদের ধনাঢ্যতা গোপন রাখবে।
অতঃপর আবুত্ তোফাইল রহঃ বলেন, তখন কি অবস্থা হবে, নিশ্চয় সেটা আমাদের প্রতি এমন দার করা যদ্বারা মানুষ নিম্নস্তরে পতিত হবে এবং নিক্ষিপ্ত হবে অনেক গভীরে।
2020-01-17 04:50:05 @103.115.26.94
হযরত আবু উমামা আল বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সা, বলেন যখন দাজ্জাল বাহির হবে, তখন দাজ্জাল ডানে ধ্বংসজজ্ঞ চালাবে এবং বামেও ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। হে আল্লাহর বান্দাগণ তোমরা নত হও। কেননা দাজ্জাল সে শুরু করবে। অতপর সে বলবে আমি নবী। ( নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) অথচ আমার পরে কোন নবী নেই। অতপর সে গুণগাণ করবে। অতপর সে বলবে আমি তোমাদের রব বা প্রতিপালক। (নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) অধচ তোমরা তোমাদের রব বা প্রতিপালককে মৃত্যুর পূর্বে দেখতে পাবে না। আর দাজ্জাল হবে অন্ধ। অথচ তোমাদের রব অন্ধ নন। আর দাজ্জালের দুই চক্ষুর মধ্যখানে কাফের লেখা থাকবে। যা প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তিই পড়তে পারবে। আর দাজ্জালের ফিতনা সমূহ থেকে হল- তার সাথে একটি জান্নাত ও একটি জাহান্নাম থাকবে। (আর বাস্তবতা হল) তার জাহান্নাম হল জান্নাত। আর তার জান্নাত হল জাহান্নাম। সুতরাং যে ব্যক্তি তার জাহান্নাম কর্তৃক নির্যাতিত হয় সে যেন সূরা কাহাফের প্রথমাংশ তেলাওয়াত করে। আর যেন আল্লাহ তা’লার নিকট সাহায্য কামনা করে যাতে করে দাজ্জালের আগুন বা জাহান্নাম তার উপর ঠান্ডা ও শান্তি দায়ক হয়। যেমনিভাবে আগুণ ঠান্ডা ও শান্তি দায়ক হয়েছিল ইবরাহীম আ. এর উপর । আর দাজ্জালের ফিতনা থেকে আরেকটি হল- তার সাথে অনেক শয়তান থাকবে। উক্ত শয়তানগুলি তার জন্য মানুষের আকৃতি ধারণ করবে। অতপর দাজ্জাল এক বেদুইন বা গ্রাম্য ব্যক্তির নিকট এসে বলবে (যারা পিতা মাতা মারা গেছে।) তুমি বল তো, যদি আমি তোমার পিতা মাতাকে ফিরিয়ে আনি তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব হিসাবে সাক্ষ দিবে। বেদুইন লোকটি উত্তরে বলবে হ্যাঁ। অতপর তর শয়তানগুলি উক্ত বেদুইন লোকের পিতা মাতার আকৃতি ধারণ করবে। অতপর উক্ত শয়তান দুটি বলবে, হে আমার সন্তান তুমি তাকে (দাজ্জালকে) অনুসরণ কর। কেননা সে তোমার রব বা প্রতিপালক। দাজ্জালের আরো ফিতনা হল- একজন মানুষের উপর কব্জা করে নিবে। ফলে তাকে হত্যা করবে এবং জীবিত করবে। এবং তারপর আর ফিরে আসবে না। ঐ মানুষ ব্যতীত অন্য মানুষের উপর কোন কাজ করতে পারবে না। দাজ্জাল বলবে, তোমরা আমার বান্দাকে দেখ, আমি তাকে এখন জীবিত করছি। আর সে ধারণা করে আমি ব্যতীত তার অন্য রব আছে। অতপর তাকে জীবিত করবে। অতপর দাজ্জাল তাকে বলবে, তোমার রব কে? তার উত্তরে লোকটি বলবে আমার রব হল আল্লাহ। আর তুই আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল। আর তার আরেকটি ফিতনা হল- সে এক কেদুইনকে বলবে, তুমি বল তো, যদি আমি তোমার উটকে জীবিত করি তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব হিসাবে সাক্ষ্য দিবে? উত্তরে লোকটি বলবে হ্যাঁ। অতপর তার জন্য শয়তান তার উটের আকৃুত ধারণ করবে। আর তার আরেকটি ফিতনা হল- সে আকাশকে বৃষ্টির জন্য আদেশ করবে। ফলে আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ হবে। আর যমিনকে ফসল উৎপন্নের আদেশ দিবে। ফলে যমিন ফসল উৎপন্ন করবে। আর সে জীবিতদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে,তার তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে। ফলে তাদের সমস্ত গবাদি পশু ধ্বংস হয়ে যাবে। এবং সে এমনকিছু জীবিতদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে যারা তাকে সত্যায়ন করবে। তখন সে তাদের জন্য আকাশকে বৃষ্টি বর্ষণের এবং যমিনকে ফসল উৎপন্নের আদেশ দিবে। ফলে তাদের গবাদিপশু গুলি ঐদিন রিষ্টপুষ্ট হবে। মোটাতাজা হবে। পশুর কোমর লম্বা। এবং পশুর ওলান হবে পরিপূর্ণ বা ভরা।
হযরত আবু উমামা আল বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সা, বলেন যখন দাজ্জাল বাহির হবে, তখন দাজ্জাল ডানে ধ্বংসজজ্ঞ চালাবে এবং বামেও ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। হে আল্লাহর বান্দাগণ তোমরা নত হও। কেননা দাজ্জাল সে শুরু করবে। অতপর সে বলবে আমি নবী। ( নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) অথচ আমার পরে কোন নবী নেই। অতপর সে গুণগাণ করবে। অতপর সে বলবে আমি তোমাদের রব বা প্রতিপালক। (নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) অধচ তোমরা তোমাদের রব বা প্রতিপালককে মৃত্যুর পূর্বে দেখতে পাবে না। আর দাজ্জাল হবে অন্ধ। অথচ তোমাদের রব অন্ধ নন। আর দাজ্জালের দুই চক্ষুর মধ্যখানে কাফের লেখা থাকবে। যা প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তিই পড়তে পারবে। আর দাজ্জালের ফিতনা সমূহ থেকে হল- তার সাথে একটি জান্নাত ও একটি জাহান্নাম থাকবে। (আর বাস্তবতা হল) তার জাহান্নাম হল জান্নাত। আর তার জান্নাত হল জাহান্নাম। সুতরাং যে ব্যক্তি তার জাহান্নাম কর্তৃক নির্যাতিত হয় সে যেন সূরা কাহাফের প্রথমাংশ তেলাওয়াত করে। আর যেন আল্লাহ তা’লার নিকট সাহায্য কামনা করে যাতে করে দাজ্জালের আগুন বা জাহান্নাম তার উপর ঠান্ডা ও শান্তি দায়ক হয়। যেমনিভাবে আগুণ ঠান্ডা ও শান্তি দায়ক হয়েছিল ইবরাহীম আ. এর উপর । আর দাজ্জালের ফিতনা থেকে আরেকটি হল- তার সাথে অনেক শয়তান থাকবে। উক্ত শয়তানগুলি তার জন্য মানুষের আকৃতি ধারণ করবে। অতপর দাজ্জাল এক বেদুইন বা গ্রাম্য ব্যক্তির নিকট এসে বলবে (যারা পিতা মাতা মারা গেছে।) তুমি বল তো, যদি আমি তোমার পিতা মাতাকে ফিরিয়ে আনি তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব হিসাবে সাক্ষ দিবে। বেদুইন লোকটি উত্তরে বলবে হ্যাঁ। অতপর তর শয়তানগুলি উক্ত বেদুইন লোকের পিতা মাতার আকৃতি ধারণ করবে। অতপর উক্ত শয়তান দুটি বলবে, হে আমার সন্তান তুমি তাকে (দাজ্জালকে) অনুসরণ কর। কেননা সে তোমার রব বা প্রতিপালক। দাজ্জালের আরো ফিতনা হল- একজন মানুষের উপর কব্জা করে নিবে। ফলে তাকে হত্যা করবে এবং জীবিত করবে। এবং তারপর আর ফিরে আসবে না। ঐ মানুষ ব্যতীত অন্য মানুষের উপর কোন কাজ করতে পারবে না। দাজ্জাল বলবে, তোমরা আমার বান্দাকে দেখ, আমি তাকে এখন জীবিত করছি। আর সে ধারণা করে আমি ব্যতীত তার অন্য রব আছে। অতপর তাকে জীবিত করবে। অতপর দাজ্জাল তাকে বলবে, তোমার রব কে? তার উত্তরে লোকটি বলবে আমার রব হল আল্লাহ। আর তুই আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল। আর তার আরেকটি ফিতনা হল- সে এক কেদুইনকে বলবে, তুমি বল তো, যদি আমি তোমার উটকে জীবিত করি তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব হিসাবে সাক্ষ্য দিবে? উত্তরে লোকটি বলবে হ্যাঁ। অতপর তার জন্য শয়তান তার উটের আকৃুত ধারণ করবে। আর তার আরেকটি ফিতনা হল- সে আকাশকে বৃষ্টির জন্য আদেশ করবে। ফলে আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ হবে। আর যমিনকে ফসল উৎপন্নের আদেশ দিবে। ফলে যমিন ফসল উৎপন্ন করবে। আর সে জীবিতদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে,তার তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে। ফলে তাদের সমস্ত গবাদি পশু ধ্বংস হয়ে যাবে। এবং সে এমনকিছু জীবিতদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে যারা তাকে সত্যায়ন করবে। তখন সে তাদের জন্য আকাশকে বৃষ্টি বর্ষণের এবং যমিনকে ফসল উৎপন্নের আদেশ দিবে। ফলে তাদের গবাদিপশু গুলি ঐদিন রিষ্টপুষ্ট হবে। মোটাতাজা হবে। পশুর কোমর লম্বা। এবং পশুর ওলান হবে পরিপূর্ণ বা ভরা।
2020-01-16 12:07:53 @103.242.20.255
হযরত আরইয়ান ইবনে হাইসামা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি একবার হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট প্রতিনিধি হিসাবে গেলাম। আমি তার সামনে ছিলাম। আর এরই মাঝে একজন লোক তার নিকট আসলো। তার উপর দুটি কাপড় ছিল। হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে সাদর সম্ভাষণ জানালেন এবং তার সাথে তার খাটে বসালেন। তখন আমি প্রশ্ন করলাম, হে আমীরুল মুমিনীন! এই ব্যক্তি কে? উত্তরে তিনি বললেন, তুমি কি তাকে চিন না? ইনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রাযিয়াল্লাহু আনহু। (বর্ণনাকারী) বলেন আমি বললাম, এই সেই ব্যক্তি যিনি একথা বলেন যে, একশত বছর পর মানুষ জিবীত থাকবে না। তিনি বলেন তিনি আমার নিকট আসলেন, (এবং বললেন) আমি কি তোমার নিকট এটা বলেছি? নিশ্চই আমরা তাদেরকে পাব, যারা একশত (বছর) পর অনেক লম্বা যুগ জীবন যাপন করবে। কিন্তু এই (বর্তমান) জাতি একশত ত্রিশ বছর আলোকিত করবে (জীবন যাপন করবে)।
হযরত আরইয়ান ইবনে হাইসামা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি একবার হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট প্রতিনিধি হিসাবে গেলাম। আমি তার সামনে ছিলাম। আর এরই মাঝে একজন লোক তার নিকট আসলো। তার উপর দুটি কাপড় ছিল। হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে সাদর সম্ভাষণ জানালেন এবং তার সাথে তার খাটে বসালেন। তখন আমি প্রশ্ন করলাম, হে আমীরুল মুমিনীন! এই ব্যক্তি কে? উত্তরে তিনি বললেন, তুমি কি তাকে চিন না? ইনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রাযিয়াল্লাহু আনহু। (বর্ণনাকারী) বলেন আমি বললাম, এই সেই ব্যক্তি যিনি একথা বলেন যে, একশত বছর পর মানুষ জিবীত থাকবে না। তিনি বলেন তিনি আমার নিকট আসলেন, (এবং বললেন) আমি কি তোমার নিকট এটা বলেছি? নিশ্চই আমরা তাদেরকে পাব, যারা একশত (বছর) পর অনেক লম্বা যুগ জীবন যাপন করবে। কিন্তু এই (বর্তমান) জাতি একশত ত্রিশ বছর আলোকিত করবে (জীবন যাপন করবে)। -checking
2020-01-16 00:20:40 @103.35.168.169
হযরত আবু হুরাইরা রাযিঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে আমার ওম্মতের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা সংঘটিত হবে। প্রথমতঃ পরস্পর মারামারি, হানাহানি বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয়তঃ মানুষকে হত্যা করা এবং মানুষের সম্পদ বৈধ মনে করা হবে।
তৃতীয়তঃ মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ এবং বিনা ব্যভিচার ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থতঃ অন্ধ বধিরের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশে যাবে।
হযরত আবু হুরাইরা রাযিঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে আমার ওম্মতের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা সংঘটিত হবে। প্রথমতঃ পরস্পর মারামারি, হানাহানি বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয়তঃ মানুষকে হত্যা করা এবং মানুষের সম্পদ বৈধ মনে করা হবে।
তৃতীয়তঃ মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ এবং যিনা ব্যভিচার ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থতঃ অন্ধ বধিরের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশে যাবে।
2020-01-14 03:32:20 @141.0.9.38
হযরত হুয়ান ইবনে আমর রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তুয়ানার যুদ্ধে আমরা রোম ভুখন্ডে প্রবেশ করে একটি উঁচু টিলাতে অবস্থান করি। এক পর্যায়ে আমি আমার সাথীদের বাহন থেকে একটি বাহনের মাথা উঁচু করে ধরি। আর আমার সাথীরা তাদের বাহনের জন্য দানা-পানির ব্যবস্থা করতে যায়। এমন অবস্থায় হঠাৎ শুনলাম কেউ যেন বলছে “আস্সালামু আলাইকা ওয়ারাহমাতুল্লাহ” সালামের আওয়াজ শুনে দেখলাম সাদা কাপড় পরিহিত এক লোক। আমি সালামের জবাব দিলে তিনি বললেন, তুমি কি আহমদের উম্মতের অর্ন্তভুক্ত আমি হ্যাঁ সূচক উত্তর দিলে তিনি বললেন, তোমাদে ধৈর্য্যধারন করতে হবে। কেননা এ উম্মত মুলতঃ উম্মতে মারহুমা হতে গণ্য। আল্লাহ তাআলা তাদের উপর পাঁচ ধরনের ফিৎনা রেখেছেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরজ করেছেন।
অতঃপর আমি বললাম, সেগুলোর নাম উল্লেখ করুন। তিনি বললেন, পাঁচটির একটি হচ্ছে, তাদের নবীর মৃত্যুবরণ করা, যাকে কিতাবুল্লাহর ভাষায় বাগ্তাহ্ বা হঠাৎ বলা হয়েছে। অতঃপর হযরত ওসমান রাযিঃ এর শাহাদাত বরণ করা। যেটা কিতাবুল্লাহ ‘যক্ষ্মা’ --- বা বধির ফিৎনা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এরপর হচ্ছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাযিঃ এর ফিৎনা যা কিতাবুল্লাহর ভাষায় আল আমইমা বা অন্ধফিৎনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তারপর হলো, ইবনুল আসআছ এর ফিৎনা। যাকে কিতাবুল্লাহতে আল বুতাইরা বা বেজোড় ফিৎনা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অতঃপর এ বলে চলে যেতে লাগল, “ছালাম বাকি রইল, ছালাম বাকি রইল”। সে কীভাবে চলে গেল আমি কিন্তু জানতে পারলামনা।
হযরত হুয়ান ইবনে আমর রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তুয়ানার যুদ্ধে আমরা রোম ভুখন্ডে প্রবেশ করে একটি উঁচু টিলাতে অবস্থান করি। এক পর্যায়ে আমি আমার সাথীদের বাহন থেকে একটি বাহনের মাথা উঁচু করে ধরি। আর আমার সাথীরা তাদের বাহনের জন্য দানা-পানির ব্যবস্থা করতে যায়। এমন অবস্থায় হঠাৎ শুনলাম কেউ যেন বলছে “আস্সালামু আলাইকা ওয়ারাহমাতুল্লাহ” সালামের আওয়াজ শুনে দেখলাম সাদা কাপড় পরিহিত এক লোক। আমি সালামের জবাব দিলে তিনি বললেন, তুমি কি আহমদের উম্মতের অর্ন্তভুক্ত আমি হ্যাঁ সূচক উত্তর দিলে তিনি বললেন, তোমাদে ধৈর্য্যধারন করতে হবে। কেননা এ উম্মত মুলতঃ উম্মতে মারহুমা হতে গণ্য। আল্লাহ তাআলা তাদের উপর পাঁচ ধরনের ফিৎনা রেখেছেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরজ করেছেন।
অতঃপর আমি বললাম, সেগুলোর নাম উল্লেখ করুন। তিনি বললেন, পাঁচটির একটি হচ্ছে, তাদের নবীর মৃত্যুবরণ করা, যাকে কিতাবুল্লাহর ভাষায় বাগ্তাহ্ বা হঠাৎ বলা হয়েছে। অতঃপর হযরত ওসমান রাযিঃ এর শাহাদাত বরণ করা। যেটা কিতাবুল্লাহ ‘যক্ষ্মা’ --- বা বধির ফিৎনা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এরপর হচ্ছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাযিঃ এর ফিৎনা যা কিতাবুল্লাহর ভাষায় আল আমইমা বা অন্ধফিৎনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তারপর হলো, ইবনুল আসআছ এর ফিৎনা। যাকে কিতাবুল্লাহতে আল বুতাইরা বা বেজোড় ফিৎনা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অতঃপর এ বলে চলে যেতে লাগল, “ছালাম বাকি রইল, ছালাম বাকি রইল”। সে কীভাবে চলে গেল আমি কিন্তু জানতে পারলামনা।
2020-01-14 03:19:39 @141.0.9.151
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন যেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাকের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকার করে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা করে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন যেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাফের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকাল হবে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা হবে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
2020-01-14 03:16:29 @141.0.9.151
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন যেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাকের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকার করে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা করে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন যেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাফের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকার করে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা করে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
2020-01-14 03:15:41 @141.0.9.151
হযরত হুজায়ফা রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি একদিন আমেরকে বললেন, হে আমের! তুমি যা অবলোকন করছ যেগুলো যেন তোমাকে ধোকায় ফেলে না দেয়, হতে পারে এগুলো খুব দ্রুত তাদেরকে তাদের দ্বীন থেকে বের করে আনবে। যেমন,এক মহিলা অন্য মহিলার সামনে তার লজ্জাস্থানকে প্রকাশ করে থাকে।
হযরত হুজায়ফা রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি একদিন আমেরকে বললেন, হে আমের! তুমি যা অবলোকন করছ সেগুলো যেন তোমাকে ধোকায় ফেলে না দেয়, হতে পারে এগুলো খুব দ্রুত তাদেরকে তাদের দ্বীন থেকে বের করে আনবে। যেমন,এক মহিলা অন্য মহিলার সামনে তার লজ্জাস্থানকে প্রকাশ করে থাকে।
2020-01-14 03:08:43 @141.0.9.151
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন (কিয়ামাতের আলামত হল) দাজ্জাল, ইয়াজুযÑমাজুয, দাব্বাহ, পশ্চিম দিক হতে সূর্য্যদয়।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন (কিয়ামাতের আলামত হল) দাজ্জাল, ইয়াজুয-মাজুয, দাব্বাহ, পশ্চিম দিক হতে সূর্য্যদয়।
2020-01-13 01:18:02 @37.111.238.48
হযরত কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় মানুষের উপর এমন যুগ আসবে যে, মুমিন ব্যক্তি তার ঈমানের ব্যাপারে অপমানবোধ করবে। যেমন আজকাল পাপিষ্ট তার পাপের ব্যাপারে অপমান বোধ করে। এমনকি যে কোন ব্যক্তিকে বলা হবে যে, তুমি মুমিন, ফকীহ। (ফিক্হশাস্ত্রবিদ)
হযরত কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় মানুষের উপর এমন যুগ আসবে -gggযে, মুমিন ব্যক্তি তার ঈমানের ব্যাপারে অপমানবোধ করবে। যেমন আজকাল পাপিষ্ট তার পাপের ব্যাপারে অপমান বোধ করে। এমনকি যে কোন ব্যক্তিকে বলা হবে যে, তুমি মুমিন, ফকীহ। (ফিক্হশাস্ত্রবিদ)
2020-01-11 22:24:57 @103.230.107.47
হযরত কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় মানুষের উপর এমন যুগ আসবে যে, মুমিন ব্যক্তি তার ঈমানের ব্যাপারে অপমানবোধ করবে। যেমন আজকাল পাপিষ্ট তার পাপের ব্যাপারে অপমান বোধ করে। এমনকি যে কোন ব্যক্তিকে বলা হবে যে, তুমি মুমিন, ফকীহ। (ফিক্হশাস্ত্রবিদ)
হযরত কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় মানুষের উপর এমন যুগ আসবে -gggযে, মুমিন ব্যক্তি তার ঈমানের ব্যাপারে অপমানবোধ করবে। যেমন আজকাল পাপিষ্ট তার পাপের ব্যাপারে অপমান বোধ করে। এমনকি যে কোন ব্যক্তিকে বলা হবে যে, তুমি মুমিন, ফকীহ। (ফিক্হশাস্ত্রবিদ)
2020-01-11 22:24:52 @103.230.107.47
হযরত আবু হুমায়দ (রহঃ) বলেন, আমি হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) কে বলছে শুনেছি যে, অবশ্যই তোমাদের উপর এমন দিন আসবে, যে তোমাদের মধ্যে কেউ যখনা তার কোন ভাইয়ের কবরের পাশ দিয়ে হাটবে, তখন সে বলতে থাকবে হায়! আমি যদি তার স্থানে হতাম।
হযরত আবু হুমায়দ (রহঃ) বলেন, আমি হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) কে বলছে শুনেছি যে, অবশ্যই তোমাদের উপর এমন দিন আসবে, যে তোমাদের মধ্যে কেউ যখন তার কোন ভাইয়ের কবরের পাশ দিয়ে হাটবে, তখন সে বলতে থাকবে হায়! আমি যদি তার স্থানে হতাম।
2020-01-10 12:04:10 @42.110.216.109
হযরত আব্দুুল্লাহ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন আল্লাহ তা’আলা ইয়াজুজ মাজুজকে নিয়ে যাবেন। তখন আল্লাহ তা’আলা তীব্র ঠান্ডা বাতাশ প্রেরণ করবেন। যা যমিনের উপরে একজন মুমিন বান্দাকেও ছাড়বে না; বরং উক্ত বাতাশ দ্বারা প্রত্যেকের রুহ কবজ করা হবে। অতপর খারাব লোকদের উপর কিয়ামাত সংগঠিত হবে। তারপর সিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে। ফলে আকাশ ও যমিনে কোন সৃষ্টিজীব থাকবে না, বরং প্রত্যেকেই মৃত্যু বরণ করবে। তবে আল্লাহ তা’আলা যাকে চান। (তাকে বাচিয়ে রাখবেন।) অতপর দুই ফুঁৎকারের মধ্যে আল্লাহ তা’আলা যা চান তাই হবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা মানুষের মনীর মতো মনী প্রেরণ করবেন। উক্ত মনী হতে তাদের (মানুষের) শরীর, গোস্ত জন্মাবে ।
হযরত আব্দুুল্লাহ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন আল্লাহ তা’আলা ইয়াজুজ মাজুজকে নিয়ে যাবেন। তখন আল্লাহ তা’আলা তীব্র ঠান্ডা বাতাশ প্রেরণ করবেন। যা যমিনের উপরে একজন মুমিন বান্দাকেও ছাড়বে না; বরং উক্ত বাতাশ দ্বারা প্রত্যেকের রুহ কবজ করা হবে। অতপর খারাপ লোকদের উপর কিয়ামাত সংগঠিত হবে। তারপর সিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে। ফলে আকাশ ও যমিনে কোন সৃষ্টিজীব থাকবে না, বরং প্রত্যেকেই মৃত্যু বরণ করবে। তবে আল্লাহ তা’আলা যাকে চান। (তাকে বাচিয়ে রাখবেন।) অতপর দুই ফুঁৎকারের মধ্যে আল্লাহ তা’আলা যা চান তাই হবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা মানুষের মনীর মতো মনী প্রেরণ করবেন। উক্ত মনী হতে তাদের (মানুষের) শরীর, গোস্ত জন্মাবে ।
2020-01-10 08:18:16 @119.30.41.192
হযরত আবু উমামা আল বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, দাজ্জালের স্থায়ীত্বের সময় হবে চল্লিশ দিন। সুতরাং এক দিন হবে এক বছরের সমান। এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে এক মাসের সমান এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে এক শপ্তাহের সমান এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে দীর্ঘ সময়ের এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। আর তার শেষ দিন হবে কাগজে আগুণের স্ফুলিঙ্গের সময়ের মত। এমনকি এক ব্যক্তি সকাল বেলায় মদীনার এক গেট দিয়ে প্রবেশ করবে আর সে অন্য গেটে পৌছতে পারবে না তার পূর্বেই সূর্যাস্ত হয়ে যাবে। তারা বললেন হে আল্লাহ রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা সেই ক্ষুদ্র সময়গুলিতে কিভাবে নামাজ আদায় করবো? উত্তরে তিনি বললেন তোমরা সে সময়গুলোতে নামাজের সময় নির্ধারণ করবে যেমনিভাবে বর্তমান দীর্ঘ সময়ে করে থাক। অতপর নামাজ আদায় করবে।
হযরত আবু উমামা আল বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, দাজ্জালের স্থায়ীত্বের সময় হবে চল্লিশ দিন। সুতরাং এক দিন হবে এক বছরের সমান। এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে এক মাসের সমান এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে এক শপ্তাহের সমান এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে দীর্ঘ সময়ের এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। আর তার শেষ দিন হবে কাগজে আগুণের স্ফুলিঙ্গের সময়ের মত। এমনকি এক ব্যক্তি সকাল বেলায় মদীনার এক গেট দিয়ে প্রবেশ করবে আর সে অন্যঘর গেটে পৌছতে পারবে না তার পূর্বেই সূর্যাস্ত হয়ে যাবে। তারা বললেন হে আল্লাহ রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা সেই ক্ষুদ্র সময়গুলিতে কিভাবে নামাজ আদায় করবো? উত্তরে তিনি বললেন তোমরা সে সময়গুলোতে নামাজের সময় নির্ধারণ করবে যেমনিভাবে বর্তমান দীর্ঘ সময়ে করে থাক। অতপর নামাজ আদায় করবে।
2020-01-09 09:33:56 @203.80.191.138
হযরত আবু উমামা আল বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, দাজ্জালের স্থায়ীত্বের সময় হবে চল্লিশ দিন। সুতরাং এক দিন হবে এক বছরের সমান। এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে এক মাসের সমান এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে এক শপ্তাহের সমান এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে দীর্ঘ সময়ের এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। আর তার শেষ দিন হবে কাগজে আগুণের স্ফুলিঙ্গের সময়ের মত। এমনকি এক ব্যক্তি সকাল বেলায় মদীনার এক গেট দিয়ে প্রবেশ করবে আর সে অন্য গেটে পৌছতে পারবে না তার পূর্বেই সূর্যাস্ত হয়ে যাবে। তারা বললেন হে আল্লাহ রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা সেই ক্ষুদ্র সময়গুলিতে কিভাবে নামাজ আদায় করবো? উত্তরে তিনি বললেন তোমরা সে সময়গুলোতে নামাজের সময় নির্ধারণ করবে যেমনিভাবে বর্তমান দীর্ঘ সময়ে করে থাক। অতপর নামাজ আদায় করবে।
হযরত আবু উমামা আল বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, দাজ্জালের স্থায়ীত্বের সময় হবে চল্লিশ দিন। সুতরাং এক দিন হবে এক বছরের সমান। এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে এক মাসের সমান এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে এক শপ্তাহের সমান এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। এভাবে এক দিন হবে দীর্ঘ সময়ের এবং আরেক দিন তার চেয়ে কম। আর তার শেষ দিন হবে কাগজে আগুণের স্ফুলিঙ্গের সময়ের মত। এমনকি এক ব্যক্তি সকাল বেলায় মদীনার এক গেট দিয়ে প্রবেশ করবে আর সে অন্যঘর গেটে পৌছতে পারবে না তার পূর্বেই সূর্যাস্ত হয়ে যাবে। তারা বললেন হে আল্লাহ রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা সেই ক্ষুদ্র সময়গুলিতে কিভাবে নামাজ আদায় করবো? উত্তরে তিনি বললেন তোমরা সে সময়গুলোতে নামাজের সময় নির্ধারণ করবে যেমনিভাবে বর্তমান দীর্ঘ সময়ে করে থাক। অতপর নামাজ আদায় করবে।
2020-01-09 09:33:38 @203.80.191.138
হযরত আবু হুরাইরা রাযিঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে আমার ওম্মতের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা সংঘটিত হবে। প্রথমতঃ পরস্পর মারামারি, হানাহানি বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয়তঃ মানুষকে হত্যা করা এবং মানুষের সম্পদ বৈধ মনে করা হবে।
তৃতীয়তঃ মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ এবং বিনা ব্যভিচার ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থতঃ অন্ধ বধিরের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশে যাবে।
হযরত আবু হুরাইরা রাযিঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে আমার ওম্মতের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা সংঘটিত হবে। প্রথমতঃ পরস্পর মারামারি, হানাহানি বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয়তঃ মানুষকে হত্যা করা এবং মানুষের সম্পদ বৈধ মনে করা হবে।
তৃতীয়তঃ মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ এবং যেনা ব্যভিচার ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থতঃ অন্ধ বধিরের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশে যাবে।
2020-01-08 14:53:10 @42.110.205.9
হযরত আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকেত বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে চারটি ফিতনা হবে। আর চতুর্থবার হবে ধ্বংশ (মৃত্যু)।
হযরত আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে চারটি ফিতনা হবে। আর চতুর্থবার হবে ধ্বংশ (মৃত্যু)।
2020-01-08 14:46:42 @42.110.205.9
হযরত আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকেত বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে চারটি ফিতনা হবে। আর চতুর্থবার হবে ধ্বংশ (মৃত্যু)।
হযরত আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে চারটি ফিতনা হবে। আর চতুর্থবার হবে ধ্বংশ (মৃত্যু)।
2020-01-08 14:46:23 @42.110.205.9
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, যখন পশ্চিম দিক থেকে ফিৎনা প্রকাশ পাওয়ার পাশাপাশি পূর্বদিক থেকেও ফিৎনা আসতে থাকে তখন তোমরা শাম দেশে গিয়ে আত্নরক্ষা কর।
ঐ মূহুর্তে জমিনের নিচের অংশ উপরিভাগ থেকে অনেক উত্তম।
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, যখন পশ্চিম দিক থেকে ফিৎনা প্রকাশ পাওয়ার পাশাপাশি পূর্বদিক থেকেও ফিৎনা আসতে থাকে তখন তোমরা শাম দেশে গিয়ে আত্নরক্ষা কর।
ঐ মূহুর্তে জমিনের নিচের অংশ উপরিভাগ থেকে অনেক উত্তম।
2020-01-07 12:01:21 @27.147.242.183
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত ভাষণ দিলেন। উক্ত ভাষণে কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু ঘটবে তার সমস্ত কিছুই বর্ণনা করেন। তাঁর সেই ভাষণটি যারা ভুলে যাওয়ার তারা ভুলে গিয়েছে।
Bismillah হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত ভাষণ দিলেন। উক্ত ভাষণে কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু ঘটবে তার সমস্ত কিছুই বর্ণনা করেন। তাঁর সেই ভাষণটি যারা ভুলে যাওয়ার তারা ভুলে গিয়েছে।
2020-01-06 17:11:17 @103.25.250.248
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন অতি সত্ত্বর এমন এক যুগ আসবে যখন মুসলমানদের জন্য সর্বোত্তম সম্পদ হবে বকরির পাল, যার সাথে সেই মুনলমান পর্বতের উচু স্থানে অবস্থান করবে। যেখানে বৃষ্টি ও দানা পানির সু ব্যবস্থা থাকবে এবং সে লোক তার দ্বীন সহকারে যাবতীয় ফেৎনা থেকে পালিয়ে থাকতে পারবে।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন অতি সত্ত্বর এমন এক যুগ আসবে যখন মুসলমানদের জন্য সর্বোত্তম সম্পদ হবে বকরির পাল, যার সাথে সেই মুসলমান পর্বতের উচু স্থানে অবস্থান করবে। যেখানে বৃষ্টি ও দানা পানির সু ব্যবস্থা থাকবে এবং সে লোক তার দ্বীন সহকারে যাবতীয় ফেৎনা থেকে পালিয়ে থাকতে পারবে।
2020-01-05 17:42:03 @103.115.26.91
হযরত আবু হুরাইরা রা. রাসূল সা. হতে বর্ণনা করে বলেন, হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. অবতরণ করবেন এবং চল্লিশ বছর জীবিত থাকবেন।
হযরত আবু হুরাইরা রা. রাসূল (সা.) হতে বর্ণনা করে বলেন, হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. অবতরণ করবেন এবং চল্লিশ বছর জীবিত থাকবেন।
2020-01-05 16:31:35 @109.177.64.26
হযরত আবু হুরাইরা রা. রাসূল সা. হতে বর্ণনা করে বলেন, হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. অবতরণ করবেন এবং চল্লিশ বছর জীবিত থাকবেন।
হযরত আবু হুরাইরা রা. রাসূল (সা.) হতে বর্ণনা করে বলেন, হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. অবতরণ করবেন এবং চল্লিশ বছর জীবিত থাকবেন।
2020-01-05 16:31:27 @109.177.64.26
সিলা ইবনে যুরার রহঃ বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ কে বলতে শুনেছেন। তাঁকে একজন লোক বলল, “দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটেছে”। একথা শুনে হযরত হোজাইফা রাযিঃ বললেন, না আল্লাহর কসম! সেটা কক্ষনো হতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের মাঝে আল্লাহর রাসূল সাঃ এর সাহাবায়ে কেরাম উপস্থিত থাকবেন, ততক্ষণ দাজ্জাল আসতে পারে না। বিশেষ এক গোত্র দাজ্জালের আগমনের আশা করলেও তার আগমন ঘটবেনা। এমনকি কারো কারো নিকট দাজ্জালের আবির্ভাব এতই প্রিয় হবে, যেমন তীব্র গরমের দিন মানুষের কাছে ঠান্ডা পানি পান করা খুবই প্রিয় হয়। এক পর্যায়ে হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বললেন, হে উম্মতে মুহাম্মদিয়া! অতিসত্ত্বর তোমাদের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা প্রকাশ পাবে। তার মধ্যে এককিট হচ্ছে, সাদা-কালো মিশ্রিত ফিতনা। আরেকটি হলো, অন্ধকারাচ্ছন্ন ফিতনা। তৃতীয়টি হচ্ছে, অমুক অমুক ফিতনা। আর চতুর্থ ফিতনা তোমাদেরকে দাজ্জালের প্রতি ঠেলে দিবে, অতঃপর উক্ত সমতল ভূমিতে দুই দল যুদ্ধে বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে পড়বে। আমার জানা নেই উভয় দল থেকে কোন দল সত্য বা হক্বের উপর রয়েছে এবং আমার তূণীরের তীর দ্বারা আমি উভয় দলের কোন দলকে সাহায্য করব।
সিলা ইবনে যুরার রহঃ বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ কে বলতে শুনেছেন। তাঁকে একজন লোক বলল, “দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটেছে”। একথা শুনে হযরত হোজাইফা রাযিঃ বললেন, না আল্লাহর কসম! সেটা কক্ষনো হতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের মাঝে আল্লাহর রাসূল সাঃ এর সাহাবায়ে কেরাম উপস্থিত থাকবেন, ততক্ষণ দাজ্জাল আসতে পারে না। বিশেষ এক গোত্র দাজ্জালের আগমনের আশা করলেও তার আগমন ঘটবেনা। এমনকি কারো কারো নিকট দাজ্জালের আবির্ভাব এতই প্রিয় হবে, যেমন তীব্র গরমের দিন মানুষের কাছে ঠান্ডা পানি পান করা খুবই প্রিয় হয়। এক পর্যায়ে হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বললেন, হে উম্মতে মুহাম্মদিয়া! অতিসত্ত্বর তোমাদের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা প্রকাশ পাবে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে, সাদা-কালো মিশ্রিত ফিতনা। আরেকটি হলো, অন্ধকারাচ্ছন্ন ফিতনা। তৃতীয়টি হচ্ছে, অমুক অমুক ফিতনা। আর চতুর্থ ফিতনা তোমাদেরকে দাজ্জালের প্রতি ঠেলে দিবে, অতঃপর উক্ত সমতল ভূমিতে দুই দল যুদ্ধে বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে পড়বে। আমার জানা নেই উভয় দল থেকে কোন দল সত্য বা হক্বের উপর রয়েছে এবং আমার তূণীরের তীর দ্বারা আমি উভয় দলের কোন দলকে সাহায্য করব।
2020-01-05 08:42:37 @103.83.164.178
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন যেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাকের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকার করে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা করে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন সেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাকের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকার করে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা করে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
2020-01-05 08:18:22 @103.83.164.178

Execution time: 0.06 render + 0.01 s transfer.