Login | Register

নুয়াইম বিন হাম্মাদের: আল ফিতান

বছর, মাস, যুগ হতে ফিতনার সময় সম্পর্কে

   

বছর, মাস, যুগ হতে ফিতনার সময় সম্পর্কে

Double clicking on an arabic word shows its dictionary entry
হযরত আবু আওয়াম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৩৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٣٦
حدثنا ضمرة عن ابن شوذب عن أبي التياح عن
أبيه عن أبي العوام مثله
হযরত মাস্তুরিদ ইবনে শাদ্দাদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন প্রত্যেক উম্মতেরই নির্দিষ্ট একটি সময় রয়েছে। আর আমার উম্মতের সময় হল একশত বছর। সুতরাং যখন আমার উম্মতের উপর একশত বছর অতিবাহিত হয়ে যাবে তখন তাদের উপর আল্লাহ তা’আলা যা অঙ্গিকার করেছেন তা আসবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৩৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٣٧
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب
عن حديج بن عمرو
عن المستورد بن شداد رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله
عليه وسلم يقول
لكل أمة أجل
وإن
لأمتي مئة سنة
فإذا مر على أمتي مئة سنة أتاها ما
وعدها الله
হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন উম্মতে মুহাম্মাদী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রাজত্ব তার মৃত্যুর পর একশত সাতষট্টি বছর একত্রিশ দিন পর্যন্ত থাকবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর অবসন্নতা চাপায়ে দিবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৩৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٣٨
قال ابن لهيعة وأخبرني رجل عن الهجنع عن غالب بن الهذيل عن
جويرية بنت شمر
عن علي قال سلطان أمة محمد صلى الله عليه وسلم بعد وفاته
مئة
سنة وسبع وستين سنة
وأحد وثلاثين يوما حتى يسلط الله عليهم الوهن
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পর কিয়ামাত সংগঠিত হওয়া পর্যন্ত চারটি ফিতনা হবে। প্রথম ফিতনা হল পাঁচ, দ্বিতীয়টি বিশ, তৃতীয়টি বিশ, চতূর্থটি দাজ্জাল।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৩৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٣٩
حدثنا
رشدين عن ابن لهيعة عن عبد العزيز بن صالح
عن حذيفة قال
الفتن
بعد رسول الله صلى الله عليه
وسلم إلى أن تقوم الساعة أربع
فتن فالأولى خمس والثانية عشرون والثالثة عشرون
والرابعة الدجال
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মাওলা হযরত সাফীনা রাযিয়াল্লাহু আনহ হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন আমার উম্মতের খেলাফাত থাকবে ত্রিশ বছর। অতপর তারা উহা ধারণা করবে। উহা শেষ হয়েছে হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু এর ওলায়াতের (রাজত্বের) মাধ্যমে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৪০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٤٠
حدثنا محمد بن يزيد الواسطي عن العوام بن حوشب عن
سعيد بن جهمان
عن سفينة مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رسول الله صلى
الله عليه وسلم قال الخلافة في أمتي ثلاثين سنة فحسبوا ذلك فكان تمام ذلك ولاية علي
رضى الله عنه
হযরত আবু উমাইয়া কালবী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু এর মৃত্যুর পর যখন মানুষ মতানৈক্যতা করল। আর যখন ইবনে যুবাইর রাযিয়াল্লাহু আনহু (সময়ের) এর ফিতনা হল তখন আমাদের নিকট একজন প্রবীন বৃদ্ধ আসলো। যার দুই চোখে পর্দা পড়ে গেছে। আর সে জাহিলিয়্যাতের যুগও পেয়েছে। তখন আমরা বললাম আমাদেরকে আমাদের এই সময় সম্পর্কে খবর দিন। তিনি বললেন নিশ্চই এই বিষয়টি বনু উমাইয়া বংশের এক ব্যক্তির দিকে হবে। যে তোমাদের সাথে বাইশ বছরে মিলিত হবে। অতপর খলীফাগণ মৃত্যু বরণ করবে। তারা ছিন্নিয়াতে ইয়াসীরাতে (অল্প সময়ের মাঝে) একে অপরের অনুসরণ করবে। অতপর এমন একজন ব্যক্তি আসবে যার আলামত তার চোখে। অর্থাৎ হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক। সে এমনভাবে মাল সম্পদ জমা করবে যে এমনভাবে অন্যকেউ জমা করে নাই। সে উনিশ বছর ও কিছুকাল জীবিত থাকবে। অতপর সে মৃত্যুবরণ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৪১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٤١
حدثنا الوليد بن مسلم عن أبي عبدة المشجعي عن أبي أمية
الكلبي قال
لما اختلف الناس بعد موت معاوية وفتنة ابن الزبير أتينا شيخا قديما
قد سقط حاجباه على عينيه قد أدرك الجاهلية
فقلنا أخبرنا عن زماننا هذا
قال
إن هذا الأمر سيصير إلى رجل من بني أمية يليكم اثنين وعشرين سنة ثم يموت خلفاء
يتتابعون في سنيات يسيرة ثم رجل علامته في عينه يعني
هشام بن عبد الملك
يجمع المال
جمعا لم يجمعه أحد يعيش تسعة عشر سنة وشيئا ثم يموت
হযরত মুয়াবিয়া ইবনে সালেহ হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমার নিকট কতিপয় প্রবীন এ হাদীস বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যখন আমার উম্মতের উপর একশত পঁচিশ বছর আসবে (অতিবাহিত হবে), তখন যুদ্ধ হবে। আর ঐসমস্ত বিষয়ও ঘটবে যা শেষ যামানায় বলা হয়েছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৪২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٤٢
حدثنا رشدين عن
معاوية بن صالح قال حدثني بعض المشيخة
أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا
أتى على أمتي
خمس وعشرين ومئة سنة
كانت الملاحم وكل ما يذكر في آخر الزمان
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু এর পর এক ব্যক্তি এক মহিলার গর্ভের, (তার সন্তানের) দুগ্ধ পান করানোর, ও তার সন্তানের তত্তাবধায়ক হবে। এবং পরে আরেকজন মালিক হবে যে, কিছুই হবে না। এমনকি ধ্বংস হয়ে যাবে। অত:পর তীমা হতে একটি লোক হবে যে তার সময়ে উপস্থিত হবে, সে তাকে ও তার সন্তানকে পঞ্চাশ বছর তত্ত্বাবধায়ন করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৪৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٤٣
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب
عن كعب قال بعد
معاوية رجل يلي حمل امرأة وفصالها ولدها ويملك آخر لا يكون شيء حتى يهلك ثم يكون
رجل من تيماء قد حضر أجله يلي هو وولده خمسين سنة
হযরত তাবি’ হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনু উমাইয়ার শেষ খলীফার রাজত্বের সময়সীমা হবে দুই বছর। সে উহাতে পৌছবে না এবং সে আঠারো মাস অতিক্রম করতে পারবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৪৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٤٤
قال ابن لهيعة عن ابن
قوذر عن ابي صالح
عن تبيع قال آخر خليفة من بني أمية سلطانه سنتين لا يبلغ ذلك
لا يجاوز ثمانية عشر شهرا
হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে এই হাদীসের সকল রাবী বলেন যে, একশত পঁচিশ বছর পর আরবদের জন্য আফসোস।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৪৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٤٥
حدثنا رشدين عن جرير بن حازم عن الحسن عن أبي
هريرة
وعبد الرزاق وابن ثور عن معمر عن طارق عن منذر الثوري عن محمد بن علي قال
عبد الرزاق أراه ذكر عليا وابن وهب عن ابن لهيعة عن حمزة بن أبي حمزة النصيبي عن
أبي هريرة قالوا
كلهم ويل للعرب بعد الخمس والعشرين والمئة سنة
হযরত মুহাম্মাদ ইবনে হানাফীয়া হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনু আব্বাস সাতানব্বই বা নিরানব্বই সালে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে যাবে। আর দুইশত বছরে হযরত মাহদী দাড়াবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৪৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٤٦
حدثنا
أبو يوسف المقدسي عن فطر عن محمد بن الحنفية قال يتشعب أمر بني العباس في سنة سبع
وتسعين أو تسع وتسعين ويقوم المهدي سنة مئتين
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনু আব্বাস নয়শত মাস রাজত্ব করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৪৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٤٧
حدثنا الوليد بن مسلم قال
قال كعب
يملك بنو العباس تسع مئة شهر
হযরত আবুল জালদ হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দুইজন ব্যক্তি মালিক (বাদশা) হবে। এক ব্যক্তি যার জন্ম বাহাত্তর সনে বনু হাশেম গোত্রে হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৪৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٤٨
حدثنا الوليد بن مسلم قال
حدثنا أبو إسحاق الأقرع عن سليمان بن كثير أبي داود الواسطي عن حاتم بن أبي صغيرة
عن ابن بحر
عن أبي الجلد قال يملك رجلان رجل وولده من بني هاشم اثنين وسبعين
سنة
হযরত আবু সাঈদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন হযরত মাহদী সাত, আটানব্বই বছর রাজত্ব করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৪৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٤٩
حدثنا أبو معاوية عن موسى الجهني عن زيد العمي عن أبي الصديق عن أبي
سعيد
ومحمد بن مروان عن عمارة بن أبي حفصة عن زيد العمي عن أبي الصديق
عن
أبي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يملك المهدي سبع ثمان تسع سنين
হযরত সাব্বাহ হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সে উনচল্লিশ বছর অবস্থান করবে এবং বনু হাশেম সত্তর বছর অবস্থান করবে। আর রাওযাসের ধ্বংস ও হাশেমীদের মধ্যে পার্থক্য হবে সত্তর বছরের।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৫০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٥٠
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن أبي زرعة عن صباح قال
يمكث تسع وثلاثين سنة بني
هاشم سبعون سنة
وبين خراب روذس والهاشمي سبعون سنة
হযরত ওয়ালীদ বলেন আমি দানিয়ালের উপর পড়লাম। তিনি বলেন এই উম্মতের সমস্ত ব্যাপার তাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পর হতে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম পর্যন্ত দুইশত চোয়াত্তর বছরের মধ্যে হবে। আর উহা হতে বনু উমাইয়াদের জন্য আশি বছর বা তার চেয়ে বেশি কিছু হবে। আর বারজন বাদশার জন্য হবে একশত বছর। আর জাব্বারীনগণ চল্লিশ বছর রাজত্ব করবে। আর মানুষ বাকী থাকবে আর তাদের জন্য সাত বছর কেউ থাকবে না। অতপর পরবর্তী সাত বছরে দাজ্জাল বের হবে। এবং তারপর হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আলাইহিস সালাম বের হবে তখন হবে চল্লিশ বছর। (এই হল মোট দুইশত চোয়াত্তর বছর।)
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৫১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٥١
قال الوليد وقرأت
على دانيال قال جميع شأن هذه الأمة بعد نبيها محمد صلى الله عليه وسلم إلى عيسى
أربع وسبعين ومئتي سنة لبني أمية من ذلك حقب ثمانون سنة والمتسلطون وهم إثنا عشر
لهم مئة سنة ويملك الجبارون أربعين سنة ويبقى الناس لا أحد لهم سبع سنين ويخرج
الدجال سبع سنين ويخرج عيسى ابن مريم عليه السلام فيكون أربعين سنة
হযরত আবু হামযা নযর ইবনে শামীত হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন ঐসময় হতে যখন হককে ছিনিয়ে নেয়া হবে আর তাদের আহলদের নিকট পৌছানো হবে। এক হাজার তিনশত পয়ত্রিশ দিন। এক হাজার দিন এবং দুইশত দিন এবং পাঁচ দিন। সুসংবাদ ঐব্যক্তির জন্য যে বিপদের মধ্যে উহার উপর ধৈর্যধারণ করে আমীর যুল তাজের সাথে। আর সে হল সৎকাজকারী। আর এর মধ্যে যে আছে, তার ব্যাপরে তিনি বলেন, আমি বললাম তুমি প্রথম সময় থেকে চল্লিশ দিন কমাতে পারবে না। তিনি বলেন উক্ত সময়ের মধ্যে কম্পন, মিথ্যা আরোপ, ও ভূমিধস থাকবে। অতপর একজন ন্যায় পরায়ন ইমাম অতপর একজন উচ্চ ইমাম অতপর আরেকজন ন্যায় পরায়ন ইমাম। তারা সকলেই বিশ বছর ও কিছু সময় রাজত্ব করবে। অতপর একজন ন্যায় পরায়ন ইমাম বা নেতা পনের বছর রাজত্ব করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৫২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٥٢
حدثنا الوليد عن صدقة بن يزيد عن ابي حمزة النضر ابن شميط قال
من حين ينزع الحق
فيدفع إلى أهله ألف يوم وثلثمائة وخمس وثلاثين يوما ألف يوم ومئتي يوم وخمسة يوما
طوبى لمن صبر عليه
يعصب البلاء فيه
بالأمير ذي التاج
فصاحب البر
فمن بينهما قال
قلت فما لك نقصت من العدة الأولى أربعين يوما
قال فيها الرجف والقذف والخسف
ثم
إمام عادل
ثم
إمام عال
ثم
إمام عدل
يملكون جميعا بضعا وعشرين سنة ثم
إمام عدل
خمس عشرة سنة
হযরত হাইসাম ইবনে আসওয়াদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন নিশ্চই একশত বিশ বছর ভালোর পর খারাব আসবে। আর কোনো ব্যক্তি জানে না যে, উহার শুরুর প্রবেশ কখন হবে। (প্রথম লক্ষণ কখন দেখা যাবে।)
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৫৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٥٣
حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن أبي قيس عن الهيثم ابن
الأسود قال
سمعت عبد الله بن عمرو يقول إن الأشرار بعد الأخيار عشرين ومئة سنة
لا يدري أحد من الناس متى يدخل أولها
হযরত ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মাওয়ালী হতে এক ব্যক্তি বের হয়ে অতিক্রম করবে। আর তারা বনু হাশেমের দিকে ডাকবে। হযরত আব্দুল্লাহ দাবী করেন যে, সে চল্লিশ বছর মিলিত হবে অতপর ধ্বংস হয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৫৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٥٤
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن عبد
العزيز بن صالح عن علي بن رباح
عن ابن مسعود قال يخرج رجل من الموالي يمر ويدعو
إلى بني هاشم يدعى عبد الله يلي أربع سنين ثم يهلك
হযরত ইয়াযিদ ইবনে আব হাবীব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, সাতত্রিশ বছরে সুফইয়ানীর প্রকাশ ঘটবে। আর তার রাজত্ব থাকবে আঠাশ মাস। আর যদি সে উনচল্লিশ সনে বের হয় তাহলে তার রাজত্ব হবে নয় মাস।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৫৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٥٥
حدثنا رشدين عن ابن
لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب قال
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم
خروج السفياني
سنة سبع وثلاثين
كان ملكه ثمانية وعشرين شهرا وإن خرج في
تسع وثلاثين
كان ملكه تسعة
أشهر
হযরত ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যদি সুফইয়ানীর প্রকাশটা সাতত্রিশ সনে হয়। ......
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৫৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٥٦
قال ابن لهيعة واخبرني عبد العزيز بن صالح عن عكرمة
عن ابن
عباس قال إن كان خروج السفياني من سبع وثلاثين
হযরত আবু হারুন হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি নওফকে বললাম যে, নিশ্চই আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে, সত্তরের পর অল্পসংখ্যাক মানুষই বসবাস করবে। অতপর তিনি বলেন নিশ্চই আমি তাদের পাবো যারা উহার পর দীর্ঘ সময় জীবন যাপন করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৫৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٥٧
حدثنا عبد الصمد بن عبد
الوارث عن حماد بن سلمة عن أبي هارون قال
قلت لنوف إن عبد الله بن عمرو يقول لا
يلبث الناس بعد السبعين إلا قليلا
فقال إني لأجدهم يعيشون بعد ذلك زمانا
طويلا
হযরত সা’দ ইবনে আবু ওয়াক্কাস রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন আমি নিশ্চই এটা আশা করি যে, আমার উম্মত আমার প্রতিপালকের নিকট অক্ষম হবে না যে, তাদের অর্ধদিবস বিলম্ব করা হবে। হযরত সা’দ রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন অর্ধদিবস মানে পাঁচশত বছর।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৫৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٥٨
حدثنا بقية بن الوليد وأبو المغيرة عن أبي بكر بن أبي مريم عن راشد بن
سعد
عن سعد بن أبي وقاص رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إني
لأرجو أن لا تعجز أمتي عند ربي أن يؤخرهم نصف يوم قال سعد نصف يوم خمس مئة سنة
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন তোমাদের অপদস্থতা হল এমন একটি ফিতনা বা যুদ্ধ যা অন্ধকার রাত্রের একটি অংশের ন্যায়। যা থেকে উহার পূর্ব ও উহার পশ্চিম কিছুই রক্ষা পাবে না। তবে ঐসমস্ত লোক রক্ষা পাবে যারা লেবানান ও ত সমুদ্রের মধ্যবর্তী স্থানের ছায়ায় আশ্রয় গ্রহণ করবে। সুতরাং তারা অন্যদের থেকে নিরাপদ হবে। আর এটা ঐসময় ঘটবে যখন আমার এই ঘর জ্বালিয়ে দেয়া হবে। আর (আামার ঘর) পোড়ানো হবে একশত বাইশ সনে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৫৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٥٩
حدثنا بقية عن صفوان عن سعيد بن خالد حدثه عن مطر أبي خالد مولى أم حكيم
بنت أبي هاشم
عن كعب قال أظلتكم فتنة كقطع الليل المظلم لا ينجو منها شرقها ولا
غربها
إلا من استظل بظل لبنان
فيما بينه وبين البحر فهم أسلم من غيرهم وذلك إذا
احترقت داري هذه واحترقت سنة اثنتين وعشرين ومئة
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াসার রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে বাসার রাযিয়াল্লাহু আনহু এর থেকে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন কুস্তুনতুনিয়ার বিজয় ও দাজ্জালের অবির্ভাবের মধ্যে সাত বছরের ব্যবধান হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৬০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٦٠
حدثنا أبو
المغيرة عن بشير بن عبد الله بن يسار
سمع عبد الله بن بسر صاحب رسول الله صلى
الله عليه وسلم قال
بين فتح القسطنطينية وبين خروج الدجال سبع سنين
হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন চতূর্থ ফিতনা আঠারো (মাস) স্থায়ী হবে। অতপর স্বর্ণের পাহাড় হতে ফুরাত নদীকে আবদ্ধ করা হবে। অতপর তারা উহার উপর যুদ্ধ করবে। এমনকি তারা ঐসময় পর্যন্ত যুদ্ধ করবে যতক্ষণ পর্যন্তনা প্রত্যেক নয় জনে সাত জন হত্যা করা হয়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৬১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٦١
حدثنا يحيى بن سعيد العطار عن ضرار بن عمرو عن إسحاق بن أبي فروة
عن أبي هريرة
رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال
الفتنة الرابعة
تقيم ثمانية عشر
ثم تحسر الفرات عن جبل من ذهب
فيقتتلوا عليه حتى يقتل من كل تسعة سبعة
হযরত বাহীর ইবনে সা’দ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সাইদা হতে সিরিয়ার উপরের দিকে একটি ফিতনা বের হবে যা তাদের মাঝে চার বছর দীর্ঘায়ীত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৬২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٦٢
حدثنا يحيى بن سعيد عن معاوية
بن يحيى عن بحير بن سعد قال
تخرج
فتنة من صيدا إلى أعالي الشام فتلبث فيهم أربع
سنين
হযরত ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, পয়ত্রিশ বা ছত্রিশ বা সাতত্রিশ সনে ইসলামের চাক্কি ঘুরবে। যদি তারা ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে যে ধ্বংস হয়েছে তার রাস্তার ন্যায়। আর যদি পূর্ণ হয় তাহলে সত্তর বছর। তারা বললেন হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি দিয়ে অতিবাহিত হবে? বা কি দিয়ে বাকী থাকবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন অবশিষ্ট থাকার মত কিছুই থাকবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৬৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٦٣
حدثنا يحيى بن سعيد عن أبي معاوية شيبان النحوي وهو ابن عبد الرحمن
عن منصور بن المعتمر عن ربعي بن حراش عن البراء بن ناجية الكاهلي
عن ابن مسعود
رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ستزول رحا الإسلام لخمس وثلاثين
أو ست وثلاثين أو سبع وثلاثين سنة فإن يهلكوا فكسبيل من هلك فإن تم فسبعين عاما
قالوا يا رسول الله بما مضى أو بما بقى
قال لا بما بقى
হযরত আবব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বলেন নিশ্চই তুমি হিয়াযাল আরাযীতে কোন যমিন ক্রয়ের ব্যাপারে আমার সাথে পরামর্শ করেছিলে আর আমি তা ক্রয়ে নিষেধ করেছিলাম। আর যদি উক্ত যমিতে তোমার কোন প্রয়োজন থাকে তাহলে তুমি তা ক্রয় কর। কেননা তা অচিরেই চল্লিশ জনের উপর সন্ধি ও জামা’আতের (কারণ) হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৬৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٦٤
حدثنا
يحيى بن سعيد العطار عن أيوب بن خوط عن حميد بن هلال العدوي عن عبد الله بن معقل
عن عبد الله بن سلام أنه قال لعلي إنك كنت شاورتني في أرض تشتريها حياز الأراضي
فنهيتك فإن كان لك بها حاجة فاشتريها فإنه سيكون على رأس الأربعين صلح وجماعة
হযরত ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন অচিরেই পয়ত্রিশ সনে ইসলামের চাক্কি ঘুরবে। যদি তারা ধ্বংস হয় তাহলে যে ধ্বংস হয়েছে তার রাস্তা। আর যদি তারা বাকী থাকে তাহলে উহার সত্তর বছর পূর্বে বা সত্তর বছর পর। তিনি বলেন বরং উহার সত্তর বছর পর।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৬৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٦٥
حدثنا يحيى بن سعيد عن إسماعيل بن عياش عن عطاء ابن عجلان عن منصور
بن المعتمر عن البراء بن ناجية
عن ابن مسعود رضى الله عنه عن النبي صلى الله
عليه وسلم قال ستدور رحا الإسلام لخمس وثلاثين سنة فإن يهلكوا فسبيل من هلك وإن
يبقوا فسبعين
قبلها أو سبعين بعدها قال بل سبعين بعدها
হযরত ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সাতষট্টি সনে মূল্যস্ফীতি (দূর্ভিক্ষ), আটষট্টি সনে মৃত্যু, আর উনসত্তর সনে মতানৈক্যতা হবে। আর একশত সত্তর সনে তারা লুণ্ঠন করবে। আর সত্তর সনের পর আমার বংশের এক ব্যক্তির সময়ে (সকল কিছু বৃদ্ধি পাবে) এমনকি তখন নেয়ামত দ্বিগুণ হয়ে যাবে, ফল-মূলও দ্বিগুণ হবে। আর মানুষ সকল ব্যবসায়ের প্রতি ঝুকে যাবে। অতপর হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন হে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সময়ের অবস্থা কেমন হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন তোমাদের প্রতিপালকের দয়া, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দাওয়াত।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৬৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٦٦
حدثنا يحيى
بن سعيد عن يحيى بن بكير عن القاسم بن محمد عن إبراهيم بن عبد الله بن الحسن قال
في سنة
سبع وستين
الغلاء و
ثمان وستين
الموت و
في تسع وستين
اختلاف وفي
سبعين
ومئة
يسلبون ثم
بعد السبعين
رجلا من من أهلي حتى يضعف العطاء وتضعف الثمرة في زمانه
ويرغب الناس في التجارة
فقال حذيفة ما بال أهل ذلك الزمان يا رسول الله
قال
رحمة ربكم ودعوة نبيكم صلى الله عليه وسلم
হযরত যুবাইর ইবনে নুফাইর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলা হল হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সামনে কি ঘটবে তার ব্যাপারে আমাদেরকে অবহিত করুন। তখন উত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন আমি তোমাদেরকে তোমাদের নবীর পর সল্প সময়ে মতানৈক্যতার ব্যাপারে অবহিত করছি। আর একশত তেত্রিশ সনে হালীম তথা ধৈর্যশীল ব্যক্তি তার সন্তানের ব্যাপারে খুশি হবে না। আর একশত পঞ্চাশ সনে পাপাচারিতার প্রকাশ পাবে। এমননিভাবে একশত ষাট সনে তারা দুই বছরের খাদ্য জমা করবে। আর ছিষট্টিতে আন নাজা আন নাজা তথা মুক্তি মুক্তি। আর একশত নব্বইতে রাজাদের রাজত্ব কেড়ে নেয়া হবে। আর আশি নব্বই পর্যন্ত গুনাহগারদের উপর বিপদ আপদ আসবে। আর একশত বিরাশি সনে পাথর দ্বারা ঢেকে দেয়া, ভূমি ধস, বিকৃতি, দুইশত খারাবীর আত্মপ্রকাশ, মানুষ তাদের বাজারে থাকাবস্থায় হঠাৎ তাদের উপর আযাবের ফয়সালা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৬৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٦٧
حدثنا يحيى بن سعيد عن
غالب بن عبيد الله عن يحيى بن أبي عمرو السيباني عن جبير بن نفير قال
قيل يا
رسول الله أخبرنا بما يكون
فقال أخبركم أن بعد نبيكم صلى الله عليه وسلم
اختلافا بسنين يسيرة فأما الثلاث والثلاثون ومئة فالحليم لا يفرح بولده والخمسين
ومئة تظهر الزنادقة والستين ومئة ادخروا طعام حولين والست والستين النجا النجا
والتسعين والمئة تسلب الملوك ملكها إلى الثمانين إلى التسعين البلاء على أهل
المعاصي والثنتين والتسعين ومئة الحصب بالحجارة وخسف ومسخ وظهور الفواحش المئتين
القضاء عذاب يفجأ الناس في أسواقهم
হযরত যুবাইর ইবনে নুফাইর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, আমার পঁচিশ বছর পর আমার সাহাবীদের মধ্যে মতানৈক্যতা হবে। তারা একে অপরকে হত্যা করবে। আর একশত পঁচিশ বছরে তীব্র অনাহার দেখা দিবে। আর উমাইয়াগণ তাদের খলীফাকে হত্যা করবে। একশত তেত্রিশ বছরে তোমাদের একজন তার সন্তানের প্রতিপালনের চেয়ে উত্তম ভাবে কুকুরের ছানা প্রতিপালন করবে। একশত পঞ্চাশ বছরে পাপাচারিতা বৃদ্ধি পাবে। একশত ষাট বছরে এক বছর বা দুই বছরের জন্য দূর্ভিক্ষ দেখা দিবে। সুতরাং যে ব্যক্তি উহা পাবে সে যেন খাদ্য জমা করে রাখে। আর তারকা পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে চূর্ণ বিচূর্ণ হবে। একটি পতনের শব্দ হবে যে শব্দ সকলেই শুনবে। একশত ছিষট্টি বছরে যার পৃথক পৃথক ঋণ থাকবে সে যেন তা একত্রিত করে নেয়। যার কন্যা থাকবে সে যেন উক্ত কন্যার বিবাহ দিয়ে দেয়। আর যে ব্যক্তি অবিবাহিত অবস্থায় থাকবে সে যেন বিবাহ করা থেকে ধৈর্যধারণ করে। আর যে ব্যক্তির স্ত্রী থাকবে সে যেন তার থেকে পৃথক থাকে। একশত সত্তর বছরে রাজাদের থেকে তাদের রাজত্ব কেড়ে নেয়া হবে। (একশত) আশি বছরে বিপদ আপদ আসবে। (একশত) নব্বই বছরে ধ্বংস হবে। আর দুইশত বছরে কাযা তথা কিয়ামাত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৬৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٦٨
حدثنا يحيى بن سعيد عن فلان بن حجاج
عن يحيى بن أبي عمرو عن جبير بن نفير قال
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم
اختلاف أصحابي بعدي بخمس وعشرين سنة يقتل بعضهم بعضا الخمس والعشرين والمائة جوع
شديد وتقتل بنو أمية خليفتها ثلاث وثلاثين ومئة يربي أحدكم جرو كلب خير من ولد
يربيه الخمسين ومئة ظهور الزنادقة والستين ومئة جوع سنة أو سنتين فمن أدرك ذلك
فليدخر من الطعام
وينتقض شهاب من المشرق
إلى المغرب
وهدة
يسمعها كل أحد
سنة ست
وستين ومئة
من كان له دين متفرق فليجمعه ومن كان له بنت فليزوجها ومن كان أعزبا
فليصبر عن التزويج ومن كانت له زوجة
فليعتزل
عنها السبعين والمئة سلب الملوك ملكها
الثمانين البلاء التسعين الفناء المئتين القضاء
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন একশত পঞ্চাশ বছরে (সনে) তোমাদের সন্তানদের মধ্যে উত্তম হবে কন্যা সন্তান।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৬৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٦٩
حدثنا يحيى بن سعيد
عن محمد الأسدي عن الأعمش عن أبي وائل
عن حذيفة رضى الله عنه عن النبي صلى الله
عليه وسلم قال سنة خمسين ومئة خير أولادكم البنات
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে তার ক্রয়কৃত জমিনের নিকটবর্তী জমিনের জন্য পরামর্শ দেন। অতপর তিনি বললেন এখন চল্লিশ বছরের শুরু। আর অচিরেই উহার আশপাশে সন্ধি হবে। সুতরাং তুমি উহা ক্রয় কর। আর হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু এর জামাআ’ত চল্লিশ বছরের শুরুতে হয়েছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৭০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٧٠
حدثنا ابن المبارك عن
سليمان بن المغيرة عن حميد بن هلال عن عبد الله بن معقل
عن عبد الله بن سلام أن
عليا استأمره في أرض بجنب أرضه يشتريها
فقال هذه رأس أربعين سنة سيكون عندها
صلح فاشترها وكان جماعة معاوية عند رأس الأربعين
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একশত বছর বনু উমাইয়া বনু মারওয়ানের মালিক হবে। আর তখন থেকে কিছুটা সময় এবং ষাট বছর তাদের উপর কঠিন্যতা আবর্তিত হবে; তাদের ছেড়ে যাবে না। এমনকি তারা তাদের হাত দিয়ে দূর করবে। অতপর তারা উহা প্রতিহত করতে চাইবে। কিন্তু তারা তা পারবে না। যখনই তারা উহাকে এক দিক দিয়ে প্রতিহত করবে অন্য দিক দিয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। এমনকি আল্লাহ তা’আলা তাদের ধ্বংস করে দিবেন। তারা শুরু করবে মীম দ্বারা এবং শেষও করবে মীম দ্বারা। অতপর তাদের রিহার ঘূর্ণন শেষ হবে ও তাদের রাজত্ব খতম হবে। এমনকি তাদের এক খলীফাকে বিচ্যুত করা হবে। ফলে সে যুদ্ধ করবে এবং তার দুটি সওয়ারীকে হত্যা করা হবে। অতপর গাধা (ওয়ালা) সুন্দর উপদ্বীপের দিকে অগ্রসর হবে। আর উহার সাথে থাকবে শয়তান ও জওফের নিকৃষ্ট মানুষ। আর সে হল মারওয়ান। সুতরাং তার হতে আকাকিল ধ্বংস হবে অর্থাৎ শহর ধ্বংস হবে। আর তার হতে হবে কম্পণ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৭১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٧١
حدثنا عبد الله بن
مروان عن أرطاة بن المنذر قال حدثني تبيع
عن كعب قال ملك بني أمية مئة عام لبني
مروان من ذلك نيف وستون عاما عليهم حائط من حديد لا يرام حتى ينزعوه بأيديهم ثم
يريدون سده فلا يستطيعون كلما سدوه من ناحية انهدم من ناحية أخرى حتى يهلكهم الله
يفتتحون بميم ويختتمون بميم فينقضي دوران رحاهم ويسقط ملكهم ولا يسقط ملكهم حتى
يخلع خليفة منهم فيقتل ويقتل حملاه ويقبل حمار الجزيرة الأصهب معه الشيطان وشرار
الناس من الجوف وهو مروان فيكون على يديه هدم الأكاليل يعني هدم المدن ويكون على
يديه الرجف
হযরত ইরইয়ান ইবনে হাইসাম হতে বর্ণিত যে, তিনি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছেন যে, আর আমি তাকে বললাম, তুমি ধারণা কর যে, সত্তর বছরের মাথায় কিয়ামাত সংগঠিত হবে। অতপর তিনি বললেন তারা আমার উপর মিথ্যা আরোপ করে। আসলে বিষয়টি এরুপ নয়। আমি বললাম কিন্তু আপনিতো বলেছেন যে, সত্তরের সময়ই কঠিন্যতা ও বড় বড় বিষয় সংগঠিত হবে। আর ঐসময় পর্যন্ত কিয়ামাত সংগঠিত হবে না, যতক্ষণ পর্যন্তনা আরব ঐ জিনিসের ইবাদাত করে যার ইবাদাত তার পূর্বপূরুষগণ করেছিল। আর তা একশত বিশ বছরে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৭২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٧٢
حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث عن حماد بن سلمة عن علي
بن زيد عن العريان بن الهيثم
سمع عبد الله بن عمرو يقول وقلت له تزعم أن الساعة
تقوم على رأس السبعين
فقال إنهم يكذبون علي ليس هكذا قلت ولكن قلت لا يكون
السبعين إلا كان عندها شدائد وأمور عظام وإن الساعة لا تقوم حتى تعبد العرب ما كانت
تعبد آباؤها عشرين ومئة سنة
হযরত ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনী ঈসরাইলের ন্যায় উম্মতে মুহাম্মাদী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময় হলো তিনশত বছর।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৭৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٧٣
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن قيس بن شريح عن
حنش الصنعاني
عن ابن عباس قال أجل أمة محمد صلى الله عليه وسلم ثلاثمئة سنة
كبني إسرائيل
হযরত আবু হাসসান বুনা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন নিশ্চই বনু আব্বাসের হতে যে তিনজন বাদশা বা মালিক হবে, তাদের নাম হবে আইন (দিয়ে)।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৭৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٧٤
حدثنا ضمرة عن أبي حسان بونة قال
لا بد من أن يملك من
بني العباس ثلاثة أول أسمائهم عين
হযরত ইবনে আইয়াস রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমাদের নিকট আমার মাশাইখগণ হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেছেন। আর তাদের একজন (বর্ণনাকারীদের) আরেকজনের উপর বেশী বর্ণনা করেছেন। আর তারা সকলেই বলেছেন যে, হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু এক জ্ঞানী রাহেবের নিকট একত্রিত হলেন যাকে নুসু’ বলা হত। আর সে আলেম ও (পূর্ববর্তী কিতাবসমুহের) পাঠক ছিল। অতপর তারা দুনিয়ার বিষয়ে এবং দুনিয়ার মধ্যে যা বিরাজ আছে তা নিয়ে আলোচনা করলেন। অতপর নুসু’ বলল হে কা’ব! একজন নবী প্রকাশ পাবে, যার একটি দ্বীন বা ধর্ম থাকবে। আর তার উক্ত দ্বীন সমস্ত দ্বীন বা ধর্মের উপর প্রকাশ পাবে। অতপর নুসু’ হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু কে উদ্দেশ্য করে বলল হে কা’ব আমাকে তাদের রাজত্ব সম্পর্কে অবহিত কর। (তাহলে) আমি তোমাকে সত্যায়ন করবো। এবং তোমার ধর্মে প্রবেশ করবো। (তোমার ধর্ম গ্রহণ করবো)। অতপর হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন আমি তাওরাত কিতাবে পেয়েছি যে, তাদের থেকে বারজন বাদশা হবে। তাদের প্রথমজন হবে সত্যবাদী আর সে মৃত্যুবরণ করবে। অতপর পৃথককারী যুদ্ধ করবে। অতপর আমীর বা নেতা যুদ্ধ করবে। অতপর প্রধান রাজা বা বাদশা মৃত্যুবরণ করবে। অতপর আহরাস ওয়ালা মৃত্যুবরণ করবে। অতপর অহংকারকারী মৃত্যুবরণ করবে। অতপর আসব ওয়ালা আর সে হল বাদশাদের শেষজন যে মারা যাবে। অতপর আলামত বা নিদর্শণ ওয়ালা ব্যক্তি বাদশা হবে এবং মারা যাবে। নুশু বলল, এখন আমাকে বধিরদের ফিতনা সম্পর্কে খবর দাও। যারা সেখানে রক্তপাত করবে এবং সেখানে অনেক বালা মুসিবত হবে। হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন উহা তখন ঘটবে যখন ইবনে মাহেক যাহবিয়ানকে হত্যা করা হবে। আর তার হত্যার সময় বালা মুসিবত পড়ে যাবে। (থেমে যাবে।) আর সুচ্ছন্দতা বেড়ে যাবে। আর উহা প্রজ্জলিত করবে এমন এক কওম যারা বুদ্ধিমান ও অনুগামী। (তারা সুখ শান্তি ভোগ করবে।) আর তখন তাদের জন্য নিদর্শন ওয়ালার পরিবার হতে চারজন বাদশা নিযুক্ত হবে। দুইজন বাদশা এমন যাদের জন্য কিতাব পড়া হবে না। আর একজন বাদশা তার বিছানাতে মারা যাবে। তার অবস্থান হবে অল্প সময়ের জন্য। (বাদশা হিসেবে সে অল্প সময় পাবে।) আরেকজন বাদশা যে জওফের দিক হতে আসবে। আর তার দুই হাতে থাকবে বালা মুসিবত। আর তার হতে মুকুট চূর্ণ বিচূর্ণ হবে। আর সে চার মাস হিমসে অবস্থান করবে। অতপর তার যমিন বা দেশ হতে তার দিকে ভীতি আসবে ফলে সে সেখানে থেকে প্রস্থান করবে। আর তখন জওফের উপর বালা মুসিবত আপতিত হবে। আর যখন তা ঘটবে তখন তাদের মাঝে বিশৃংখলা সৃষ্টি হবে এবং তাদের উপর বনু আব্বাসের ফিতনা আবর্তিত হবে। তারা এগারজন অশ্বারোহী পূর্বদিকে প্রেরণ করবে। আর আল্লাহ তা’আলা তাদের কাজে সন্তুষ্ট থাকবেন না। ফলে আল্লাহ তা’আলা তাদের দ্বারা ঐসময়ের লোকজনকে পরীক্ষা করবেন। ফলে আরবের প্রত্যেক অধিবাসীদের উপর তাদের শিবির প্রবেশ করবে। ফলে তারা পূর্বদিক হতে বিয়ের বরের ন্যায় দ্রুত চলে যাবে। আর সে সময়ই তাদের কালো পতাকা প্রকাশিত হবে। যারা তাদের ঘোড়া সিরিয়ার যাইতুন গাছের সাথে মিলিত করবে। আর আল্লাহ তা’আলা তাদের হাত দিয়ে প্রত্যেক অহংকারী ও তাদের শত্রুকে হত্যা করবেন। এমনকি তাদের অধিবাসীদের হতে আত্মগোপনকারী ও পালয়নকারী ব্যতীত কেউ জীবিত থাকবে না। (তখন) তিনজন মানসূর, সিফাহ, ও মাহদীর প্রকাশ হবে। নুশু বলল তাহলে কে তাদের নেতা ও তাদের বিষয়ের দায়িত্বশীল হবে? তিনি বললেন যারা চলে ও বসবাস করে সৈন্যদের মত। আর সে সময় সিফাহ পূর্বঞ্চলবাসীদের উপর লাঞ্চনা ও হীনতা চাপিয়ে দিবে। যা আরিমাকে (গোত্র) পয়তাল্লিশ সকাল মিলিত করবে। (পয়তাল্লিশ দিন স্থায়ী হবে।) অতপর তাদের মাঝে সত্তর হাজার তরবারী (ওয়ালা সৈন্য) প্রবেশ করবে। তাদের প্রতীকি নিশান থাকবে কোষমুক্ত, উচু উচু। অতপর সিফাহ এর জন্য দুটি ঘটনা হবে। একটি ঘটনা বা যুদ্ধ হবে পূর্বাঞ্চলে। আরেকটি হবে জওফে। অতপর যুদ্ধ তার আওযার (পোষাক) রেখে দিবে। (যুদ্ধ থেমে যাবে।) নুশু বলল আর কতদিন তাদের রাজত্ব স্থায়ী হবে? হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন সাতের মধ্যে নয়। আর তাদের জন্য উহার শেষে আছে অমঙ্গল। নুশু বলল তাদের ধ্বংসের আলামত কি? তিনি বললেন উহার আলামত হল পূর্বাঞ্চলে দূর্ভিক্ষ, পশ্চিাঞ্চলে পতন, জওফে রক্তিমাকার হওয়া, কিবলাতে ফাসীর মৃত্যুবরণ। অতপর ঐসময়ের অধিবাসীগণ সিফাহ এর জন্য অজ্ঞতা একত্রিত করবে। তারা তাদের ধর্মকে অহেতুক ও খেলাচ্ছলে গ্রহণ করবে। তারা উহা (ধর্ম) দিনার দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করবে। এমনকি যখন তারা এমন হবে যে তারা তাদের শত্রুকে দেখবে আর এটা ধারণা করবে যে শত্রুরা এখনই তাদের দেশের উপর আক্রমণ করবে তখন তাদের শয়তানী শক্তির (বিদ্রোহীতার) মুল ব্যক্তি আসবে। উহার পূর্বে কেউ তাকে চিনতো না। সে হবে মাঝারি গড়নের, চূলগুলো কোঁকড়ানো, তার চক্ষু হবে কোটারগত, চোখের ভ্রু হবে মিলিত, হলুদবর্ণের। এমনকি যখন সে উক্ত বছরের শেষে যে বছরে ঐসময়ের অধিবাসীরা সফাহের জন্য জমা করেছিল তখন মানসূর মারা যাবে। আর তখন একটি মাত্র শহরে ব্যতীত তারা সবাই পৃথক হয়ে যাবে। অতপর যখন তাদের নিকট খবর পৌঁছবে তখন তারা যেমন ছিল তেমনভাবে মারামারি করবে। অতপর তারা আব্দুল্লাহর জন্য বাইয়াত গ্রহণ করবে। অতপর সুফইয়ানী প্রত্যাবর্তণ করবে। আর সে পশ্চিাঞ্চলের একটি দলের মাধ্যমে তাদেরকে নিজের দিকে ডাকবে। ফলে তারা তার জন্য এমনভাবে জমা করবে যা ইতিপূর্বে কেউ কারো জন্য করে নাই। অতপর সে কূফা হতে একটি সৈন্যদল বিচ্ছিন্ন করে দিবে। আর তখন বসরা হতে কোন সৈন্যদল হবে না। আর তখনই তাদের অধিকাংশ লোক আগুনে পুড়ে পানিতে ডুবে মারা যাবে। আর ঐসময় কুফাতে ভূমিধস হবে। আর দুটি জামাআত একটি স্থানে মিলিত হবে। যে স্থানকে কিরকিসিয়া বলা হয়। আর তখন সবর পৃথক হয়ে যাবে, তাদের থেকে সাহায্য উঠিয়ে নেয়া হবে এমনকি তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। আর যদি পশ্চিমদিক (সৈন্য) প্রেরণ হয় তাহলে ছোট যুদ্ধ বা ঘটনা হবে। আর ঐসময় আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহর জন্য আফসোস! আর আমি তোমাদের উপর ঐসময়ের সফরের পতাকার ভয় পাইতেছি। যখন তারা পশ্চিম হতে মিসরে এসে অবস্থান নিবে তখন তাদের জন্য দুটি ঘটনা ঘটবে। একটি ঘটনা বা যুদ্ধ ঘটবে ফিলিস্তিনে আরেকটি সিরিয়াতে। অতপর কুরাইশের এক মহিলাকে হত্যা করার পর তাদের উপর মুহাজিরগণ ধাবিত হবে। যদি আমি চাই তাহলে তার নামকরণ করতে পারবো। অতপর তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। অতপর একজন বিদ্রোহী বিদ্রোহ করবে। যাকে আব্দুল্লাহ বলা হবে। সৃষ্টিজগতের নিকৃষ্ট। সে তার বিষয়কে হিমসে প্রদীপণ করবে। সে দামেস্কে আগুন প্রজ্জলিত করবে। আর সে ফিলিস্তিনে বের হবে এবং যে তার বিরোধীতা করবে সে তার উপর প্রকাশ (বিজয় লাভ করবে) পাবে। আর তার হাতেই পূর্বাঞ্চলের অধিবাসীরা ধ্বংস হবে। আর তার আহবান হবে নিকৃষ্টতম আহবান। আর তার হত্যা হবে নিকৃষ্টতম হত্যা। সে এক মহিলার গর্ভের মালিক হবে। সে তিনটি সৈন্যদল সহকারে বের হয়ে কূফানে যাবে। তারা সেখানে তারা কাইসের ঘরবাড়ীতে পৌছবে। তারা সেদিন হতে নিস্কৃতির কামনা করবে। আরেক দল যাবে মক্কা ও মদীনাতে আর সেখানে তাদের উপর ভূমি ধস আসবে। (তারা মাটির নিচে চলে যাবে।) তাদের হতে জুহাইনা গোত্রের দুইজন ব্যক্তি ব্যতিত কেউই বাচতে পারবে না। তাদের মধ্য হতে একজন সিরিয়াতে প্রত্যাবর্তন করবে আরেকজন মক্কার দিকে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯৭৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٩٧٥
وأبو المغيرة عن ابن عياش قال حدثنا مشايخنا عن كعب يزيد أحدهما على صاحبه في الحديث قالوا
اجتمع كعب الأحبار وراهب يقال له نشوع وكان عالما قارئا للكتب فتذاكرا أمر الدنيا وما هو كائن فيها
فقال نشوع يا كعب يظهر نبي له دين يظهر دينه على الدين كله
فقال له نشوع أخبرني عن ملوكهم يا كعب أصدقك وأدخل في دينك
فقال كعب أجد في التوراة يملك منهم
إثنا عشر ملكا
أولهم صديق يموت موتا ثم
الفاروق
يقتل قتلا ثم الأمير يقتل ثم رأس الملوك يموت موتا ثم صاحب الأحراس يموت موتا ثم جبار يموت موتا ثم صاحب العصب وهو آخر الملوك يموت موتا ثم يملك صاحب العلامة يموت موتا
قال نشوع فأخبرني عن فتنتهم الصماء الذي تسفك فيها الدماء ويكثر فيها البلاء
قال كعب ذلك يكون إذا قتل ابن ماحق الذهبيات فعند قتله يسقط البلاء ويرفع الرخاء يشتعلها قوم متفقهون متواضعون فيكون لهم عند ذلك أربعة ملوك من اهل بيت صاحب العلامة ملكان لا يقرأ لهما كتاب وملك يموت على فراشه ويكون مكثه قليل وملك يجيء من قبل الجوف وعلى يديه يكون البلاء وعلى يديه تكسر الأكاليل يقيم على حمص أربعة أشهر ثم يأتيه الفزع من قبل أرضه فمرتحل منها فيقع البلاء بالجوف فإذا كان ذلك وقع الهرج بينهم ووقعت فتنة بني العباس يبعثون أحد عشر راكبا إلى المشرق فلا يرضى الله أعمالهم يبتلى بهم أهل ذلك الزمان فلا يبقى أهل بيت في العرب إلا دخلت عليهم مضربهم يزفون من المشرق زف العروس وعند ذلك تظهر راياتهم رايات سود يربطون خيولهم بزيتون الشام يقتل الله على أيديهم كل جبار أو عدو لهم حتى لا يبقى إلا هارب أو مختف من أهل بيتهم يكون ثلاثة
المنصور والسفاح والمهدي
وقال نشوع فمن يكون قادتهم وولاة أمرهم
قال الذين يمشون أفواجا ويلبسون أفواجا وعند ذلك يسوم أهل المغرب الخسف السفاح يرابط أرم خمس وأربعين صباحا ثم يدخلها سبعون ألف سيفا مسلولة شعارهم أمت أمت ثم يكون بعد ذلك للسفاح وقعتان وقعة في المغرب وأخرى في الجوف ثم تضع الحرب أوزارها
قال نشوع وكم يمكث ملكهم
قال كعب تسعا في سبع ويكون لهم في آخر ذلك الويل
قال نشوع فما آية هلاكهم
قال قحط في المشرق وهدة في المغرب وحمرة في الجوف وموت فاشي في القبلة
ثم يجتمع للسفاح ظلمة أهل ذلك الزمان يتخذون دينهم هزوا ولعبا يبيعونه بالدنانير والدراهم حتى إذا كانوا حيث يننظرون إلى عدوهم وظنوا أنهم مواقعوا بلادهم أقبل رأس طاغيتهم لم يكن يعرف قبل ذلك رجل ربعة جعد الشعر غائر العينين مشرف الحاجبين مصفار حتى إذا كان إلى المنصور في آخر تلك السنة التي يجتمع فيها أهل ذلك الزمان للسفاح مات المنصور وهم متفرقون في غير بلدة فإذا جاءهم الخبر ضربوا حيث كانوا
فبايعوا لعبد الله فيرجع السفياني فيدعوا إلى نفسه بجماعة أهل المغرب فيجتمعون له مالم يجتمعوا لأحد قط ثم انه يقطع بعثا من الكوفة فإن لم يكن البعث من البصرة فعند ذلك يهلك عامتهم من الحرق والغرق وعند ذلك يكون بالكوفة خسف ويلتقي الجمعان بأرض يقال لها قرقيسيا فيفرغ عليهما الصبر ويرفع عنهما النصر حتى يتفانوا وإن يكن البعث قبل المغرب كانت وقعة الصغرى فويل عند ذلك لعبد الله بن عبد الله وأخاف عليكم [ عند ذلك من ] الرايات الصفر إذا نزلوا من المغرب مصر لهم وقعتان وقعة بفلسطين والأخرى بالشام ثم تميل عليهم المهاجرون بعد أن تذبح امرأة من قريش لو أشاء أن أسميها سميتها فيهلكون.
ثم يثور ثائر يقال له عبد الله أخبث البرية يشتعل أمره بحمص ويوقد بدمشق ويخرج بفلسطين يظهر على من ناوأه يهلك على يديه أهل المشرق ودعوته شر دعوة وقتلاه شر قتلى يملك حمل امرأة يخرج على ثلاثة جيوش إلى كوفان يصيبون بها أبياتا من قيس يستنقذون من يومهم وجيش إلى مكة والمدينة فيصيبهم خسف لا يفلت منهم إلا رجلان من جهينة رجل يرجع إلى الشام ورجل ينطلق إلى مكة

Execution time: 0.22 render + 0.01 s transfer.