Login | Register

নুয়াইম বিন হাম্মাদের: আল ফিতান

ইয়াজুজ মাজুজদের আবির্ভাব

   

ইয়াজুজ মাজুজদের আবির্ভাব

Double clicking on an arabic word shows its dictionary entry
হযরত কা’ব রা. হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলা ইয়াজুজ মাজুজদের তিন ভাগে সৃষ্টি করেছেন। প্রথমভাগ: বিশেষ বৃক্ষের কাঠের ন্যায়। দ্বিতীয়ভাগ: তারা লম্বায় চারগজ, অনুরুপ পার্শে¦ও। আরা শক্তিশালী। তৃতীয়ভাগ: তারা তাদের এক কানকে বিছানা বানিয়ে শয়ন করে, আরেক কান গায়ে জড়ায়। আর তারা তাদের মহিলাদের সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার সময় যা বের হয় তা খায়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬২৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٢٦
حدثنا بقية عن صفوان عن
شريح بن عبيد
عن كعب قال خلق الله يأجوج ومأجوج ثلاثة أصناف صنف أجسامهم كالأرز
وصنف أربع أذرع وعرضهم [ مثل ] أقوياهم وصنف يفترشون آذانهم ويلتحفون الأخرى
ويأكلون مشائم نسائهم
হযরত কা’ব রা. হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, ইয়াজুজ মাজুজের আশ্রয়স্থল হল তূর পাহাড়। আর তাদের যুদ্ধ হল দামেস্কে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬২৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٢٧
حدثنا بقية عن صفوان حدثنا أبو الزاهرية
عن
كعب قال المعقل من يأجوج ومأجوج الطور ومن الملاحم دمشق
হযরত কা’ব রা. হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, মানুষের থেকে ইয়াজুজ মাজুজকে সাত দলে বেশি হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬২৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٢٨
حدثنا بقية عن
صفوان حدثني المشيخة
عن كعب قال يفضل الناس يأجوج ومأجوج بسبعة نفر
হযরত কা’ব রা. হতে বর্ণিত যে. তিনি বলেন, ইয়াজুজ মাজুজের জন্য নিচের যে দরজা খোলা হবে, সেটা চৌকাঠ চব্বিশ গজ প্রসস্ত হবে। বর্শার ফলক তা গোপন রাখবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬২৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٢٩
قال صفوان وحدثني أبو المثنى الأملوكي
عن كعب قال عرض أسفكة باب يأجوج ومأجوج
الذي يفتح لهم السفلى أربعة وعشرون ذراعا تخفيها أسنة رماحهم
হযরত ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, পৃথিবী সাত ভাগে বিভক্ত। উহার ছয় ভাগ ইয়াজুজ মাজুজ এর জন্য। আর বাকী কিছু অংশ সমস্ত সৃষ্টিজীবের জন্য। হযরত হাসসান ইবনে আতিয়া বলেন, ইয়াজুজ মাজুজ দুই জাতিতে বিভক্ত। আর প্রত্যেক জাতিতে একলাখ জাতি। একজাতি অন্য জাতির সাথে সাদৃশ্য নয়। কোন পুরুষ তার সন্তানদের একশত চক্ষু না দেখা পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣٠
حدثنا ابن
وهب عن مسلمة بن علي وموسى بن شيبة عن الأوزاعي عن حسان بن عطية
عن ابن عباس
قال الأرض سبعة أجزاء فستة أجزاء منها يأجوج ومأجوج وجزء فيه ساير الأرض
وقال
حسان بن عطية يأجوج ومأجوج أمتان في كل أمة مائة ألف
أمة لا يشبه أمة أخرى
لا يموت الرجل منهم حتى ينظر في مائة عين من ولده
হযরত যায়েদ ইবনে আসলাম তার পিতা হতে বর্ণনা করে বলেন, নিশ্চই রাসূল সা. বলেছেন যে, নিশ্চই ইয়াজুজ মাজুজ বের হবে। তাদের প্রথমজন তাবরিয়ার জলাশয় দিয়ে বের হবে। অতপর তারা তা পান করে ফেলবে। অতপর তাদের শেষজন সেখানে আসবে আর তারা বলবে, কেমনযেন এখানে একবার পানি ছিল। যখন তারা পৃথিবীতে শক্তিশালী হয়ে উঠবে, তখন তারা বলবে আমরা পৃথিবীতে শক্তিশালী হয়েছি, সুতরাং আসো আমরা আসমানবাসীদের সাথে যুদ্ধ করি। তখন সাহাবীগণ প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! মুসলমানগণ কোথায় থাকবে? রাসূল সা. উত্তরে বললেন, তারা দূর্গ বানাবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা মেঘ প্রেরণ করবেন যাকে আনান বলা হয়। আর এরুপ নামই আল্লাহ তা’আলার নিকটে। অতপর তারা (উক্ত মেঘ লক্ষ করে) তীর নিক্ষেপ করবে। আর তাদের তীরগুলো রক্তমিশ্রীত অবস্থায় নিচে পড়বে। অতপর তারা বলবে, আমরা আল্লাহ কে হত্যা করেছি। অথচ আল্লাহ তা’আলাই তাদের হত্যাকারী। অতপর তারা যতক্ষণ আল্লাহ তা’আলা চান জীবন যাপন করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা মেঘের কাছে অহী পাঠাবেন ফলে মেঘ তাদের উপর উটের নাকের কীটের মতো একপ্রকার কীট বর্ষণ করবে। উক্ত কীটগুলো বের হয়ে তাদের প্রত্যেকের ঘাড়ে ধরবে এবং তাকে হত্যা করে দিবে। তাদের এঅবস্থা যখন হবে তখন মুসলমানদের মধ্য হতে এক ব্যক্তি বলবে, আমার জন্য দরজাটা খুলে দাও, আমি বের হয়ে আল্লাহ শত্রুরা কি করেছে তা দেখবো। হয়তো আল্লাহ তা’আলা তাদের ধ্বংস করে দিয়েছেন। অতপর সে বের হয়ে তাদের নিকটে এসে তাদেরকে মৃত দাড়ানো অবস্থায় পাবে। তারা একে অপরের উপরে থাকবে। অতপর সে আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করবে এবং তার সাথীদের ডেকে বলবে, আল্লাহ তা’আলা তাদের ধ্বংস করে দিয়েছেন। অতপর আল্লাহ তা’আলা বৃষ্টি প্রেরণ করে তাদের হতে পৃথিবী ধৌত করবেন। তিনি বলেন, অতপর মুসলমানগণ তাদের তীর ধনুক দিয়ে এত এত বছর আগুণ জ্বালাবে। আর মুসলমানদের জন্তু তাদের মৃতদেহ হতে খাবে। এবং তাদের উপর মোটা তাজা হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣١
حدثنا ابن وهب حدثنا
زيد بن أسلم
عن أبيه قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن يأجوج ومأجوج
حين يخرجون يخرج أولهم في بالبحيرة بحيرة طبرية فيشربونها ثم يأتي آخرهم عليها
فيقولون كأنه كان هاهنا مرة ماء فإذا غلبوا على الأرض
قالوا قد غلبنا على الأرض
تعالوا نقاتل أهل السماء
فقالوا يا رسول الله فأين يكون المسلمون
قال
يتحصنون فيرسل الله سحابا يقال لها العنان وكذلك اسمه عند الله فيرمونه بنبالهم
فتسقط نبالهم مختضبة دما فيقولون قد قتلنا الله والله قاتلهم فيمكثوا ما شاء الله
فيوحي الله تعالى إلى السحاب فتمطر عليهم دودا كالنغف نغف الإبل يخرج منها فتأخذ كل
واحدة في عنق واحد منهم فتقتله فبيناهم على ذلك إذ قال رجل من المسلمين
افتحوا
لي الباب أخرج أنظر ما فعلوا أعداء الله لعل الله يكون قد أهلكهم فيخرج فإذا جاءهم
وجدهم قياما موتى بعضهم على بعض فيحمد الله وينادي إلى أصحابه
إن الله قد
أهلكهم فيبعث الله مطرا فيغسل الأرض منهم
قال فيستوقد المسلمون بقسيهم ونبلهم
كذا وكذا سنة وتأكل مواشي المسلمين من جيفهم فتشكر عليهم وتلين
হযরত কতাদা রা. হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, এক লোক রাসূল সা. কে বলল, হে আল্লাহর রাসূল সা. আমি ইয়াজুজ মাজুজের জীর্ণ কাপড় দেখেছি। আর মানুষ আমাকে মিথ্যাবাদী বলছে। রাসূল সা. জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কিভাবে দেখেছ? উত্তরে সাহাবী বলল, আমি তা দেখেটি ডোরাকাটা সজ্জিত এর মাতো। রাসূল সা. বললেন, তুমি সত্য বলেছ। ঐ সত্বার কসম! যার হাতে আমার প্রাণ, আমি তাদের জীর্ণ পোষাক দেখেছি স্বর্ণের ইটের এবং সীসার ইটের।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣٢
حدثنا ابن وهب عن مسلمة بن علي عن سعيد بن بشير
عن قتادة قال قال رجل يا رسول
الله قد رأيت ردم يأجوج ومأجوج وإن الناس يكذبوني
قال النبي صلى الله عليه وسلم
كيف رأيته
قال رأيته كالبرد المحبر
قال صدقت والذي نفسي بيده لقد رأيته [ و
]
ردمه لبنة من ذهب ولبنة من رصاص
হযরত তুবাই হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. দাজ্জালকে হত্যা করবেন। তখন আল্লাহ তা’আলা তার নিকট অহী প্রেরণ করবেন। এ বলে যে, আপনি ও আপনার সাথে মুমিনদের যারা রয়েছে তাদের নিয়ে তুর পাহাড়ে চলে যান। কেননা আমার বান্দা বের হয়েছে। আমি ব্যতীত অন্য কেই তাদের বশে আনতে পারবে না। সেদিন শিশু ও নারী ব্যতীত মুমিনগণ বার দলে বিভক্ত হবে। অতপর ইয়াজুজ মাজুজ বের হয়ে প্রত্যেক উচু ভুমি দিয়ে চলবে। তারা যে পানির উপর দিয়ে যাবে তা শেষ করে দিবে। আর সেদিন পানি কম হয়ে যাবে। দাজ্জালের বের হওয়ার জায়গা নিচে নেমে যাবে এমনকি তারা তাবরিয়ার জলাশয় পর্যন্ত শেষ করবে। তাদের শেষজন বলবে, এখানে একবার পানি ছিল। অতপর তারা একে অপরের সামনে আসবে এবং বলবে, আর কতক্ষণ, আমরাতো পৃথিবীবাসীদের পরাভূত করেছি। চলো আমরা আসমানবাসীদের সাথে যুদ্ধ করি। অতপর তারা তাদের তীর আকাশের দিকে তীর নিক্ষেপ করবে। আর তাদের তীর রক্তমাখা অবস্থায় ফিরে আসবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর নাগাফ নামের পোকা প্রেরণ করবেন। (উক্ত পোকাগুলো) তাদের ঘাড়ে ধরবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা তাদের ধ্বংস করে দিবেন। এমনকি যমিন তাদের মৃতদেহের গন্ধে গন্ধময় হয়ে যাবে। মুমিনগণ যেখানে থাকবে, সেখানেই তাদের কষ্ট বা আযাবের কথা মুমিনদের নিকট পৌছবে। অতপর মুমিনগণ হযরত ঈসা ইবনে মাররিয়াম আ. এর নিকট আসবে এবং বলবে, নিশ্চই আমরা বাতাশ পাচ্ছি যার উপর আমাদের ধৈর্যধারণ নেই। (আমরা ধৈর্যধারণ করতে পারবো না।) আর আমাদের শক্তিও নেই। অতপর ঈসা আ. ও মুমিনগণ তার প্রতিপালকের কাছে দুআ’ করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা আবাবিল পাখি প্রেরণ করবেন। তা তাদেরকে বহন করে যমিনের দূরে নিক্ষেপ করবে। এমনকি তাদের চর্বি ও রক্ত হতে ঝিনুকের ন্যায় হয়ে যাবে। অতপর তারা অনেক বছর জীবিত থাকবে। তাদের হাতিয়ার হতে জ্বালানোর কাষ্ঠ বানাবে। করবে। অতপর তারা সাত বছর জীবিত থাকবে। তারপর আল্লাহ তা’আলা মুমিনদের রূহ কবজের জন্য বাতাশ প্রেরণ করবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣٣
حدثنا أبو أيوب عن أرطاة عن أبي عامر
حدثه
عن تبيع قال إذا قتل عيسى ابن مريم الدجال أوحى الله تعالى إليه أن انطلق
أنت ومن معك من المؤمنين إلى الطور فإنه قد خرج عباد لي لا يطيقهم أحد غيري
والمؤمنون يومئذ إثنا عشر ألفا سوى الذراري والنساء ويخرج يأجوج ومأجوج وهم من كل
حدب ينسلون لا يمرون على ماء إلا نزفوه والماء يومئذ قليل قد غار عند مخرج الدجال
حتى ينتهوا إلى بحيرة طبرية
فيقول آخرهم لقد كان هاهنا مرة ماء ثم إنه يقبل
بعضهم على بعض
فيقولون حتى متى وقد قهرنا أهل الأرض فهلموا فلنقاتل أهل السماء
فيرمون بنشابهم نحو السماء فترجع نشابهم مختضبة دما فيبعث الله عليهم داء يقال له
النغف يأخذ في أعناقهم فيهلكهم الله حتى
إن الأرض لتنتن من جيفهم حتى يبلغ
أذاهم المؤمنين حيث هم فيقبل المؤمنون إلى عيسى
فيقولون إنا لنجد ريحا ما لنا
عليه صبرا وما لنا عليه طاقة
فيدعوا عيسى ربه والمؤمنون فيبعث الله عليهم طيرا
أبابيل فتحملهم حتى تلقيهم في مهامة من الأرض حتى تصير كالصدفة من دمائهم وشحومهم
فيلبث الناس سنوات يحتطبون من سلاحهم ثم يلبثون سبع سنين ثم يبعث الله ريحا في قبض
أرواح المؤمنين
হযরত যামরা ইবনে হাবীব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জুবাইর ইবনে নুফাইর রা. কে বলতে শুনেছি যে, ইয়াজুজু মাজুজ তিন প্রকারের হবে। এক প্রকার হল- চিরহরিৎ বৃক্ষবিশেষ ও শুরবাইন (শারবীন) বৃক্ষবিশেষের মতো লম্বা হবে। আবু জাফর বলেন, আযর হল গাছের মতো। আকাশের দিকে একশত গজ বা একশত বিশ গজ অথবা এর থেকে কম বেশি উঠে। (লম্বা হয়।) আরেক প্রকার হল- তাদের লম্ব ও প্রস্থ সমান। শেষ প্রকার হল- পুরুষরা তাদের এক কান বিছানা বানায়। আরেক কান গায়ে জড়ায়। উক্ত কান দ্বারা সমস্ত শরীর ঢেকে রাখে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣٤
حدثنا أبو أيوب وعبد القدوس ويحيى بن سعيد عن أرطاة عن
ضمرة بن حبيب قال
سمعت جبير بن نفير يقول إن يأجوج ومأجوج ثلاثة أصناف صنف
طولهم كالأرز والشربين
قال أبو جعفر الأرز هو شيء شبه الشجر كذا ذاهب في السماء
مائة ذراع أو عشرين ومائة ذراع أقل أو أكثر
وصنف طولهم وعرضهم سواء وصنف يفترش
الرجل منهم أذنه ويلتصق بالأخرى فيغطي بها سائر جسده
হযরত কা’ব রা. হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন নিশ্চই ড্রাগন বা দানব জীবিত হয়ে স্থলভাগে বসবাসকারীদের কষ্ট দিবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা দানবকে স্থল থেকে জলে নিক্ষেপ করবেন। অতপর যখন জলভাগের প্রাণীরা চিৎকার করবে, তখন আল্লাহ তা’আলা এমন প্রাণী প্রেরণ করবেন যা দানবকে জলভাগ থেকে স্তলভাগে ইয়াজুজ মাজুজের নিকট নিয়ে যাবে। অতপর উক্ত দানবকে তাদের জন্য খাবার বানাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣٥
حدثنا أبو المغيرة
عن إسماعيل بن عياش عن أبي بكر بن أبي مريم الغساني حدثني أشياخنا
عن كعب قال
إن التنين يكون حية فيؤذي أهل البر من أهل الأرض فيلقيها الله من البر إلى البحر
فإذا صاحت دواب البحر منه بعث الله عليه من ينقله من البحر إلى الأرض إلى يأجوج
ومأجوج فيجعله رزقا لهم
হযরত আযদাদ ইবনে আফলাহ আল মাকরাই’ হতে বর্ণিত যে, তিনি এবং জাবের ইবনে আযদাদ আল মাকরাই’ কালীলের রাহেত (যুদ্ধ) শেষে তাদের বাড়ীতে ফিরতে ছিলেন। অর্থাৎ গাযওয়ার পর উহাকে রাহেত বলা হয়। তখন জাবের তাকে বলল, তুমি কি আমর বিকালীর সাথে সাক্ষাত করবে? তিনি বললেন, হ্যা। তিনি বলেন, অতপর আমরা গেলাম এবং তার বাড়ীতে প্রবেশ করলাম। আমরা সেখানে একটি দল পেলাম যারা তাকে ঘিরে বসে আছে। আর তিনি তাদের সাথে বসে কথা বলতেছেন। অতপর এক ব্যক্তি দানব সম্পর্কে কথা বলল। অতপর আমর বললেন, তোমরা কি জান, দানব কেমন হবে? দানব একটি সাপ হবে, আর তা অন্য সাপের উপর আক্রমণ করে খেয়ে ফেলবে। অতপর অনেক সাপ খেয়ে বড় হবে এবং ফুলে যাবে। অতপর উহার বিষ বাড়বে এমনকি দগ্ধ হয়ে যাবে। যখন দানব স্থলভাগের প্রাণীদের উপর আক্রমন করবে তখন আল্লাহ তা’আলা তার পায়ের গোছা ধ্বংস করে দিবেন। অতপর তা নদীতে চলে যাবে। যাতে সে অশ্রু প্রবাহিত করতে পারে। অতপর নদীর স্রোত উহাকে আঘাত করবে এমনকি (নদী থেকে বের করে) সাগরে প্রবেশ করাবে। তারপর উহা স্থলভাগের প্রাণীদের সাথে যে আচরণ করেছিল ঠিক সেই আচরণই সমুদের প্রাণীদের সাথে করবে। অতপর দানব বড় হবে এবং উহার বিষ বাড়বে। এমনকি সমুদ্রের প্রাণীরা আল্লাহ তা’আলার নিকট এর থেকে বাচার জন্য চিৎকার করবে। অতপর আল্লাহ ত’আলা দানবের নিকট একজন ফেরেশতা প্রেরণ করবেন। উক্ত ফেরেশতা উহাকে নিক্ষেপ করে উহার মাথা পানি থেকে বের করবে। অতপর মেঘ ও বজ্র উহার নিকটবর্তী হয়ে উহাকে বহন করে ইয়াজুজ মাজুজের নিকট ফেলবে। এগুলো ইয়াজুজ মাজুজের খাদ্য হবে। উট, গরু যেভাবে জবাই করা হয় ঠিক সেভাবে তারা তা জবাই করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣٦
حدثنا بقية وعبد القدوس عن صفوان بن عمرو عن
حوشب بن سيف المعافري
حدثني أزداد بن أفلح المقرائي أنه كان هو وجابر بن أزداد
المقرائي منصرفين إلى منزلهما بعد راهط بقليل يعني بعد غزوة يقال لها راهط
فقال
له جابر هل لك في زيارة عمرو البكالي
قال نعم
قال فانطلقنا حتى دخلنا منزله
فوجدنا الجند قد عادوه وهو قاعد يحدثهم فذكر رجل التنين
فقال عمرو هل تدرون كيف
يكون [ التنين
]
قالوا وكيف يكون
قال يكون حية تعدو على حية فتأكلها ثم
تصير تأكل الحيات وتعظم وتنتفخ وتزداد في حمتها حتى تحرق فإذا عدت على دواب الأرض
فأهلكتها ساقها الله حتى تأتي نهرا لتعبره فيضربها تيار المار حتى يدخلها البحر
فتصنع في دواب البحر كما صنعت في دواب الأرض فتعظم وتزداد في حمتها حتى تعج دواب
البحر منها إلى الله فيبعث الله إليها ملكا فيرميها حتى تخرج رأسها من الماء ثم
يدني إليها السحاب
والبرق وحتى يحملها فيلقيها إلى يأجوج ومأجوج تكون
أرزاقهم فيجتزرونها كما يجتزرون الإبل والبقر
হযরত কা’ব রা. এরুপই বর্ণিত হয়েছে। তবে তার রেওয়ায়েতে একথাগুলো বেশি আছে- তাদের নিকট সমুদ্র থাকবে। যার নাম হল- রক্তের সমুদ্র। সেখানে দানব থাকবে। আর তাদের মধ্যে কেউ তাদের মহিলাদের সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার সময় যা বের হয় তা খাবে। বনি আদমের সমষ্টির আধিক্যের উপর। তারা বনি আদমের চেয়ে সাত দলে বেশি হবে। পৃথিবী সমুদ্র অধিক করবে না, তবে ষাঁড়ের বাসস্থান দ্বারা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣٧
قال أبو المغيرة فأخبرني
إسماعيل بن عياش عن صفوان حدثني شريح بن عبيد عن كعب مثل ذلك
وزاد فيه قال
وعندهم بحر يقال له بحر الدم فيه نتن وإن منهم لمن يأكل مشائم نسائهم على كثرة جمع
بني آدم ما يكثرهم بنو آدم إلا بسبعة نفر ولا يكثر الأرض البحر إلا بمربض ثور
হযরত কা’ব রা. হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, ইয়াজুজ মাজুজ বের হবে এবং তারা প্রত্যেক উচু জায়গা হতে দ্রুত আসবে। তাদের কোন বাদশা থাকবে না, শাসকও থাকবে না। তাদের মাথার উপর দিয়ে পাখি উড়বে। তবে তাদেরকে কাটতে পারবে না। এমনকি উহা কম্পন দিবে ও পড়ে যাবে। অতপর তারা উহা গ্রহণ করবে। তারপর তাদের আগে আগমণকারীরা তাবরীয়ার জলাশয়ে যাবে এবং উহার পানি যেভাবে আছে তা পান করে নিবে। তাদের পরে আগমনকারীরা আসবে এবং তাদের বল্লম সেখানে প্রবেশ করাবে। অতপর তারা বলবে এখাবে একবার পানি ছিল। তিনি বলেন, অতপর হযরত ঈসা আ. বলবেন, তোমাদের নিকট একটি জাতি এসেছে, যাদের সাথে আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আর কেউ পারবেনা। অতপর তিনি তার সাথীদের নিয়ে তূর পাহাড়ের দিকে চলে যাবেন। সেখানে তারা ক্ষুধার্ত থাকবে, এমনকি গাধার মাথার মূলা একশত দিরহাম হবে। তিনি বলেন, ইয়াজুজ মাজুজ বলবে, আমরা দুনিয়াবসীদের হত্যা করে ফেলেছি। চলো আমরা আসমনবাসীদের হত্যা করি। অতপর তারা আকাশে তীর ও বল্লম নিক্ষেপ করবে। আর তা রক্তমাখা অবস্থায় ফিরে আসবে। তখন তারা বলবে, আমরা আসমানবাসীদের হত্যা করেছি। অতপর হযরত ঈসা আ. ও মুমিনগণ তাদের জন্য বদদোয়া করবে এবং তাদেরকে আহ্বান করবে। তখন মাত্র বিশজন তার ডাকে সাড়া দিবে। তখন তাদের প্রত্যেক ব্যক্তি এভাবে এভাবে ঝুলবে। তাদের একজনও রেহাই পাবে না। অতপর হযরত ঈসা আ. ও মুমিনগণ (আল্লাহ তা’আলার নিকট) দোয়া করবে। ফলে আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর আবাবিল প্রেরণ করবেন। তাদের ঘাড় হবে বুখতের ঘাড়ের (গরুর মতো এক ধরণের পশুর ঘাড়ের মতো।) মতো। আর উহার আবাস স্থল হল বাতাশে। বাতাশেই ডিম পাড়ে। আর উহার ডিম বাচ্চা ফোটার পূর্বে এক বছর বাতাশেই থাকে। আর যখন উহা বাচ্চা ফোটায় তখন বাতাশে উড়তে থাকে। অতপর উহা উড়তে থাকে এমনকি তাদের বাসস্থান তথা যেখান থেকে ডিম পড়েছিল সেখানে উড়ে যায়। অতপর তারা তাদের শরীর বহন করে। অতপর আবাবিল ইয়াজুজ মাজুজদের পৃথিবীর গর্তে ও ও নরম স্থানে নিক্ষেপ করবে। অতপর আল্লাহ তা’আরা মুমিনদের উপর বৃষ্টি প্রেরণ করে তাদের (ইয়াজুজ মাজুজ) হতে পৃথিবী পবিত্র করবেন। আর তা মসৃনের মতো হয়ে যাবে। আর পৃথিবী নূহ আ. এর যমানায় যেমন ছিল, তেমনের মতো ফিরে যাবে। আর তখন প্রত্যেক উম্মত আত্মসমার্পন করবে। এমনকি হিংসপ্রাণী ও বন্যপ্রানীও আত্মসমার্পন করবে। প্রত্যেক কাটাওয়ালা বস্তু হতে কাটা সরিয় নেয়া হবে। (তখন) মানুষ, সাপ, বাঘ, সিংহ ও ছাগল একত্রে খানা খাবে। ছোট বালক সিংহের পিঠে আরোহন করবে। এবং সে তার হাতে সাপ উলট পালট করবে। আর একথাই বলা হয়েছে, আল্লাহ তা’আলা এ কালামে- আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে, সবকিছ আল্লাহ তা’আলার জন্য ইচ্ছায় অনিচ্ছায় আত্মসমার্পন করে। একগুচ্ছ আঙ্গুরের থোকা ও একটি বেদানা হতে একদল খাবে। লোকজন চাষ করবে এবং ফসল সংগৃহীত করবে। সে তার চাষ হতে খাবে। একটি দুধ দানকারী পশু পরিবারকে দুধ পান করাবে। এমনিভাবে গরু ছাগলও। স্বর্ণ, রৌপ্য মূলহীন হয়ে যাবে। এমনকি এক ব্যক্তি একশত দিনর নিয়ে ঘুরবে কিন্তু, সে তা গ্রহণ করার কাউকে পাবে না। মহিলা তার অলংকার বহন করবে কিন্তু, সে কোন চোর, দর্শনকারী, (হস্ত) প্রসারিতকারী এবং কব্জাকারী পাবে না। লোকজন ঘরে ফিরে যাবে, আর তখন তার সাথে লাঠি ও পাথর তার ঘরে যা হয়েছে সে ব্যাপারে কথা বলবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣٨
حدثنا الحكم بن نافع عن جراح عمن حدثه
عن كعب قال يخرج يأجوج ومأجوج
وهم من كل حدب ينسلون ليس لهم ملك ولا سلطان فيسير الطير على رؤوسهم فلا يقطعهم حتى
يرجف فيسقط فيؤخذ ويمر أوائلهم ببحيرة طبرية وماؤها كهيئتة فيشربونها ويأتيهم آخرهم
فيركزون فيها رماحهم
ويقولون قد كان فيها مرة ماء
قال فيقول عيسى لقد
جاءتكم أمة لا يطيقها إلا الله ويأتي بأصحابه الطور فيجوعون حتى يبلغ رأس حمار مائة
دينار
قال ويقول يأجوج ومأجوج قد قتلنا أهل الأرض فتعالوا نقاتل أهل السماء
فيرمون السماء بنبالهم ونشابهم فترجع [ إلى عندهم ] فترجع مختضبة دما
فيقولون قد قتلنا أهل السماء فيدعوا عيسى والمؤمنون عليهم ويندبهم فلا
ينتدب غير عشرين رجلا فيتعلق كل رجل منهم كذا كذا فلا يفلت منهم أحد
فيدعوا
عيسى والمؤمنون فيرسل الله عليهم الأبابيل أعناقهم كأعناق البخت ومسكنها في الهواء
وتبيض في الهواء ويمكث بيضها في الهواء سنة قبل أن يفرخ وإذا يفقس يهوى في الهواء
ويطير حتى يرتفع إلى أمكنتها التي سقطت منها فيحتمل أجسامهم فيقذفهم في أخدود ومهبل
من الأرض وينزل الله عليهم مطرا فيطهر منهم الأرض وتصير كالزلفة وتعود كما كانت زمن
نوح وتسلم يومئذ كل أمة حتى السباع والوحش وتنزع الحمات من كل ذات حمة وتأكل
الأدمية والحية والذئب والأسد والشاة جميعا ويركب الغلام ظهر الأسد ويقلب في كف
الحية وهو قوله تعالى وله أسلم من في السموات والأرض طوعا وكرها وإليه يرجعون ويأكل
من العنقود والرمانة النفر ويزرع الرجل ويحصد ويأكل من زرعه في يوم وتروي اللقحة
أهل البيت والبقرة والشاة كذلك ويهون الذهب والفضة حتى إن الرجل ليحمل المائة دينار
فلا يجد من يقبلها منه وتحمل المرأة حليها فلا تجد سارقا ولا ناظر ولا باسطا ولا
قابضا وينصرف الرجل إلى منزله فيحدثه العصا والحجر بما كان من أهله
হযরত ঈসা ইবনে সুলাইমান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমার নিকট এখবর পৌছেছে যে, যখন হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. দাজ্জালকে হত্যা করবে এবং বাইতুল মাকদাসে অবস্থান করবে। তখন ইয়াজুজ মাজুজ প্রকাশ পাবে। আর তারা হল চব্বিশটি জাতি। (তারা হল) ইয়াজুজ, মাজুজ, ইয়ানাজীজু, জাজ, গাসলাইয়্যূন, সাবতিয়্যূন, ফাযনাইয়্যূন, ক্বওতানিয়্যূন, যারা এককান গায়ে জড়ায় আরেককান বিছানা বানায়, যাতিয়্যূন, কানয়ানিয়্যূন, দাফরাইয়্যূন, খাখূঈন, আনতারিয়্যূন, মাগাশিঊন এবং রুঊসুল কিলাব। সুতরাং তাদের সমষ্টি হল চব্বিশ জাতি। তারা যাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে, চাই মৃত হোক বা জীবিত, তাদের খেয়ে যাবে। যে পানির পাশ দিয়ে যাবে তা পান করে যাবে। তাদের প্রথমে আগমণকারীরা তাবরিয়া জলাশয়ের পানি পান করে ফেলবে। আর তাদের শেষে আগমণকারীরা সেখানে পানি পাবে না। অবশেষে তারা আরিহা নামক স্থানে একত্র হবে। যখন ঈসা আ. (তাদের ব্যাপারে) শুনবেন, তখন তিনি ও তার মুমিন সাথীরা প্রস্তরখন্ড দ্বারা আশ্রয়গ্রহণ করবে। অতপর তাদের মধ্যে একজন বক্তা দাড়াবে। অতপর সে আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করবে এবং তাাঁর গুণগান গাইবে। এবং বলবে, হে আল্লাহ! আপনার অনূস্বরণে অল্প সাহায্য করুন। আপনার গুনাহ (থেকে পরহেজ থাকার) বেশি সাহায্য করুন। কেউ কি প্রতিনিধি আছেন? তখন জুরহুম থেকে একজন প্রতিনিধি হবে। গাসসান হতে একজন প্রতিনিধি হবে। অবশেষে তারা দুইজন গিরিপথের নিচে নামবে। তারপর গাসসানী ব্যক্তি নিচে নামবে, তখন জুরহুমী ব্যক্তি তাকে বলবে, ওখানে ছিলাম না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣٩
حدثنا يحيى بن سعيد حدثني سليمان بن عيسى قال
بلغني أن عيسى ابن مريم عليه
السلام إذا قتل الدجال ونزل بيت المقدس ظهر يأجوج ومأجوج وهم أربعة وعشرون أمة
يأجوج ومأجوج وبناجيج والحج والعسلانين والسبتيين والفزانيين والعوطنيين وهو
الذي يلتحف أذنه ويفترش الأخرى والرطنيين والكنعانيين والدفرانيين
والخاخونين والأنطارنين والمغاشنين ورؤس الكلاب فجميعهم أربعة وعشرون أمة لا يمرون
بحي ولا ميت إلا أكلوه ولا ماء إلا شربوه ويشرب أولهم ماء بحيرة الطبرية ويمر آخرهم
فلا يجدون ماء حتى يجتمعوا ببطن أريحاء فإذا سمع عيسى فزع إلى الصخرة ومن معه من
المؤمنين فيقوم عليهم خطيبا فيحمد الله ويثني عليه
ويقول اللهم انصر القليل في
طاعتك على الكثير في معصيتك هل من منتدب فينتدب رجل من جرهم ورجل من غسان حتى ينزلا
أسفل العقبة فينزل الغساني
فيقول له الجرهمي لست هناك
হযরত জুবাইর ইবনে নুফাইর রা. রাসূল সা. হতে বর্ণনা করে বলেন যে, ইয়াজুজ মাজুজ হতে মুসলমানদের দূর্গ হবে তূর পাহাড়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤٠
حدثنا بقية عن
ابن أبي مريم
عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير عن النبي صلى الله عليه وسلم قال
معقل المسلمين من يأجوج ومأجوج الطور
হযরত কা’ব রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ইয়াজুজ মাজুজের বের হওয়ার সময় হবে, তখন তারা এতটুকু পরিমান খনন করবে যে, তারা তাদের নিকটবর্তী লোকদের কুঠারের আঘাতের আওয়াজ শুনতে পাবে। অতপর যখন রাত আসে, তখন তারা বলে, আমরা আগামীকাল খুলবো এবং বাহির হবো। অতপর আল্লাহ তা’আলা উহাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেন। অতপর তারা (পুনরায়) এতটুকু পরিমান খনন করবে যে, তারা তাদের নিকটবর্তী লোকদের কুঠারের আঘাতের আওয়াজ শুনতে পাবে। অতপর যখন রাত আসে, তখন তারা বলে, আমরা আগামীকাল খুলবো এবং বাহির হবো। অতপর আল্লাহ তা’আলা উহাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেন। তারা (পুনরায়) এতটুকু পরিমান খনন করবে যে, তারা তাদের নিকটবর্তী লোকদের কুঠারের আঘাতের আওয়াজ শুনতে পাবে। অতপর যখন রাত আসে, তখন তৃতীয়বারে তাদের একজনের যবানে আলাøাহ তা’আলা (ইলকা করবেন) দান করবেন যার ফলে সে বলবে, যদি আল্লাহ তা’আলা চান, তাহলে আগামীকাল আমরা বের হবো। পরবর্তী দিন তারা খনন করবে, তখন তারা আগের দিন রেখেছিল তেমনি পাবে। অতপর তারা খনন করবে এবং বের হয়ে আসবে। অতপর তাদের প্রথম দল তাবরিয়ার জলাশয়ের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে এবং উহার পানি পান করে ফেলবে। অতপর তাদের দ্বিতীয়দল উহার মাটি চাটবে। অতপর তাদের তৃতীয়দল বলবে, এখানে একবার পানি ছিল। মানুষ তাদের থেকে পালয়ন করবে। তাদের জন্য কেউ দাড়াবে না। তিনি বলেন, অতপর তারা তাদের তীরন্দাজ দিয়ে আকাশে তীর নিক্ষেপ করবে। অতপর উক্ত তীরগুলো রক্তমাখা অবস্থায় ফিরে আসবে। তখন তারা বলবে, আমরা দুনিয়াবাসী ও আকাশবাসীদের হত্যা করেছি। অতপর হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. তাদের জন্য বদদোয়া করে বলবেন, হে আল্লাহ! তাদের সাথে আমাদের শক্তি ও সামর্থ নেই। আপনি যেখাবে চান, তাদের ব্যাপারে আমাদের জন্য যথেষ্ঠ হোন। অতপর আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর পোকা চাপিয়ে দিবেন। যাকে নাগাফ বলা হয়। তা তাদের ঘাড় ছিড়ে খাবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা পাখি প্রেরণ করবেন, যা তাদেরকে তাদের ঠোট দিয়ে ধরে নিয়ে সমুদ্রে নিক্ষেপ করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা ঝর্ণা (প্রচুর বৃষ্টি) প্রেরণ করবেন, যা পৃথিবী ও পৃথিবীর উদ্ভিত কে পবিত্র করবে। অবশেষে একটি আনার হতে ’সাকান’ পরিতৃপ্ত হবে। হযরত কা’ব রা. বলেন, সাকান হল- ঘরবওয়ালারা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤١
حدثنا عبد الرزاق عن معمر عن أيوب
عن أبي الضيف
عن كعب قال إذا كان عند خروج يأجوج ومأجوج حفروا حتى يسمع الذين
يلونهم قرع فؤوسهم فإذا كان الليل
قالوا نحن غدا نفتح ونخرج فيعيده الله كما
كان فيحفرون حتى يسمع الذين يلونهم قرع فؤوسهم فإذا كان الليل
قالوا نحن غدا
نفتح ونخرج فيعيده الله كما كان [ فيحفرون
]
حتى [ يسمع ] الذين يلونهم قرع
فؤوسهم فإذا كان الليل ألقى [ الله ] على لسان رجل منهم في الثالثة
فيقول نحن
غدا نخرج إن شاء الله فيحفرون من الغد فيجدونه كما تركوه فيحفرون ثم يخرجون فتمر
الزمرة الأولى منهم بالبحيرية الطبرية فيشربون ماءها ثم الزمرة الثانية فيلحسون
طينها ثم الزمرة الثالثة فيقولون قد كان هاهنا مرة ماء ويفر الناس منهم فلا يقوم
لهم شيء
قال ثم يرمون نشابهم إلى السماء فترجع مخضبة بالدماء
فيقولون قد
قتلنا أهل الأرض وأهل السماء فيدعو عليهم عيسى ابن مريم
فيقول اللهم لا طاقة
لنا بهم ولا يدين فاكفناهم بما شئت فيسلط الله عليهم دوابا يقال لها النغف فتفرس
رقابهم ويبعث الله طيرا تأخذهم بمناقيرها فترميهم في البحر ويبعث الله عينا يقال
لها الحياة فتطهر الأرض وتنبتها حتى إن الرمانة ليشبع منها السكن [ قال كعب
]
والسكن أهل البيت
হযরত ওয়াহাব ইবনে জাবের আল খাইওয়াই রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত আমর ইবনে আস রা. কে ইয়াজুজ মাজুজ সম্পের্ক আলোচনা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, কোন পুরুষ তার বংশে একহাজার সন্তার হওয়ার পূর্বে সে মারা যায় না। আর তাদের পরে তিন জাতি আছে। যাদের সংখ্যা একমাত্র আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আর কেউ জানেনা। (তিন জাতি হল)- মানসাক, তাওয়ীল, তারীস।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤٢
حدثنا عبد الرزاق عن معمر عن أبي إسحاق عن وهب بن جابر
الخيواني قال
سمعت عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما يذكر يأجوج ومأجوج
فقال ما يموت الرجل منهم حتى يولد من صلبه ألف [ رجل ] وإن من ورائهم لثلاث أمم ما
يعلم عددهم إلا الله منسك وتأويل وتأريس
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়াজুজ মাজুজের পুরুষরা একহাজার বা তার থেকে বেশি সন্তান-সন্ততি রেখে মারা যায়। হযরত ওয়াকী’ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাবে তিনি তার সনদে আমর ইবনে মাইমুনের কথা উল্লেখ করেন নাই।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤٣
حدثنا وكيع وعبدة بن سليمان
عن زكريا عن الشعبي عن عمرو بن ميمون
عن عبد الله بن سلام قال لا يموت الرجل من
يأجوج ومأجوج إلا ترك ألف ذري فصاعدا
إلا أن وكيعا لم يذكر عمرو بن ميمون
হযরত যায়নাব বিনতে জাহাশ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সা. চেহারা লাল অবস্থায় ঘুম থেকে উঠলেন। আর তিনি বলতেছেন, আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আর কোন মা’বুদ নাই। আরবদের জন্য আফসোস! অনিষ্ট ঘনিয়ে এসেছে। আজ এভাবে ইয়াজুজ মাজুজের প্রাচীর খোলা হয়েছে। আর সুফিয়ান দশবার বেধেছে। অতপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে সৎ লোক থাকা সত্বেও আমরা ধ্বংস হয়ে যাবো? তিনি উত্তরে বললেন, হ্যাঁ, যখন মন্দ বেশি হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤٤
حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن عروة عن زينب ابنة أبي سلمة عن أم حبيبة
عن زينب ابنة جحش رضي الله عنها قالت استيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم من
النوم وهو محمر وجهه وهو يقول لاإله إلا الله ويل للعرب من شر قد اقترب فتح اليوم
من ردم يأجوج ومأجوج مثل هذه وعقد سيفان عشرا
فقلت يا رسول الله نهلك وفينا
الصالحون
قال نعم إذا كثر الخبث
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. হতে বর্ণিত, তিনি দাজ্জালের অভির্ভাব, ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. এর অবতরণ, হযরত ঈসা আ. কর্তৃক দাজ্জালের হত্যার ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। (এ প্রসঙ্গে আলোচনার পর) তিনি বলেন, অতপর ইয়াজুজ মাজুজ তরঙ্গের মতো পৃথিবীতে আসবে এবংং ধ্বংসলীলা চালাবে। অতপর হযরত আব্দূল্লাহ রা. এআয়াত পড়লেন, ’অতপর তারা প্রত্যেক উচু জায়গা হতে আসবে।’ সূরা- আম্বিয়া, ৯৬। অতপর আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর এই রকম উটের নাকে পোঁকার মতো পোঁকা পাঠাবেন। তা তাদের কানে ও নাকে ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করবে। ফলে তারা মৃত্যু বরণ করবে। অতপর তাদের কারণে যমিন দূর্গন্ধ হয়ে যাবে। অতপর আল্লাহ তা’আলার নিকট উচ্চস্বরে দোয়া করবে। ফলে আল্লাহ তা’আলা তাদের থেকে পৃথিবীকে পবিত্র করবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤٥
حدثنا ابن نمير عن سفيان عن سلمة بن
كهيل عن أبي الزعراء
عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه أنه ذكر خروج الدجال
ونزول عيسى ابن مريم وقتله الدجال
قال ثم يخرج يأجوج ومأجوج فيموجون في الأرض
فيفسدوا فيها
قال ثم قرأ عبد الله وهم من كل حدب ينسلون
قال فيبعث الله
عليهم دابة مثل هذا النغف فتلج في أسماعهم ومناخرهم فيموتون منها فتنتن الأرض منهم
فتجأر إلى الله فيطهر الله الأرض منهم
হযরত আবু যাহেরা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়াজুজ মাজুজ মানুষদের তুর পাহাড়ে অবরুদ্ধ করে রাখবে। এমনকি ঘাড়ের মাথার মূল্য একশত দিনার হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤٦
حدثنا بقية بن الوليد وأبو
المغيرة عن أبي بكر بن أبي مريم
عن أبي الزاهرية قال يحصر الناس يأجوج ومأجوج
في الطور حتى يكون رأس الثور خير من مائة دينار
হযরত কা’ব এবং শুরাইহ ইবনে উবাইদ রা. হতে বর্ণিত, তারা বলেন, ইয়াজুজ মাজুজ তিন প্রকার। একপ্রকার- তাদের উচ্চতা আরয গাছের মতো। আরেক প্রকার- তাদের উচ্চতা ও প্রশস্ততা সমান। আরেক প্রকার- তাদের প্রত্যেকে তাদের এক কান বিছানা বানায় এবং আরেক কান সারা শরীরে জড়ায়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤٧
حدثنا ابن وهب عن معاوية
بن صالح عن يحيى بن جابر وحدير بن كريب
عن كعب وشريح بن عبيد قالا يأجوج ومأجوج
ثلاثة أصناف صنف طوله كالأرز وصنف طوله وعرضه سواء وصنف يفترش أحدهم أذنه ويلتحف
الأخرى ويغطي سائر جسده
হযরত কা’ব রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়াজুজ মাজুজের সময় মানুষের দূর্গ হবে তূরে সাইনা পর্বত।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤٨
حدثنا ابن وهب عن معاوية بن صالح عن يحيى بن
جابر وحدير بن كريب
عن كعب قال معقل الناس يوم يأجوج ومأجوج بطور سينا
হযরত হাসসান ইবনে আতিয়া রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়াজুজ মাজুজ দুটি জাতি। প্রত্যেক জাতিতে একলাখ জাতি। যা অন্য জাতির সাথে সাদৃশ্য নয়। সন্তান সন্ততি একশত চোখ না দেখা পর্যণÍ কোন লোক মারা যায় না। অর্থাৎ একশত সন্তান।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤٩
حدثنا أبو المغيرة عن الأوزاعي
عن حسان بن عطية قال يأجوج ومأجوج أمتان في كل
أمة مائة ألف لا تشبه أمة الأخرى ولا يموت الرجل حتى ينظر في مائة عين من ولده يعني
مائة من الولد
হযরত ইবনে উমর রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সা. বলেছেন, আমার উম্মত অনুগ্রহপ্রাপ্ত। তাদের উপর আখেরাতে কোন শাস্তি নেই। তাদের শাস্তি দুনিয়াতে। ভূমিকম্প ও বিপদ-আপদ। যখন কিয়ামাত হবে, তখন আমার উম্মতের প্রত্যেক ব্যক্তিকে আল্লাহ তা’আলা ইয়াজুজ মাজুজ হতে একজন কাফের ব্যক্তি দিবেন। অতপর বলা হবে, এটা তোমার জাহান্নাম হতে মুক্তিপণ। অতপর একব্যক্তি প্রশ্ন করলো- হে আল্লাহর রাসূল সা. তাহলে কিসাস কোথায়? তখন রাসূল সা. চুপ থাকলেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥٠
حدثنا ابن وهب عن مسلمة بن علي عن عبد الرحمن بن يزيد
عن ابن شهاب
عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم
أمتي أمة مرحومة لا عذاب عليها في الآخرة عذابها في الدنيا الزلازل والبلاء فإذا
كان يوم القيامة أعطى الله كل رجل من أمتي رجلا من الكفار من يأجوج ومأجوج فيقال
هذا فداؤك من النار
فقال رجل يا رسول الله فأين القصاص
فسكت
হযরত ইবনে মাসউদ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন ইয়াজুজ মাজুজ হতে প্রত্যেক ব্যক্তি একহাজার সন্তান সন্ততি বা তার থেকে বেশি রেখে মারা যায়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥١
حدثنا عيسى بن يونس عن زكريا عن عامر حدثني عمرو بن ميمون
عن ابن
مسعود قال لا يموت من يأجوج رجل إلا ترك ألف ذري فصاعدا
হযরত আতিয়া ইবনে কাইস এবং যামরা রা. হতে বর্ণিত, তারা বলেন, যমিন সমুদ্র হতে বেশি প্রসস্ত ষাড়ের বাসস্থান দ্বারা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥٢
حدثنا عبد
القدوس عن أبي بكر عن عطية بن قيس وضمرة
قالا الأرض أوسع من البحر بمربض ثور
হযরত ইবনে আব্বাস রা. রাসূল সা. হতে বর্ণনা করে বলেন, যখন আল্লাহ তা’আলা আমাকে উঠিয়ে নিয়েছিলেন, তখন আমাকে ইয়াজুজ মাজুজের নিকট পাঠালেন। অতপর আমি তাদের আল্লাহ তা’আলার দ্বীন ও তাঁর অনুগত্যের প্রতি আহবান করলাম। আর তারা আমার ডাকে অস্বীকৃতি জানালো। সুতরাং তারা আদম আ. এবং ইবলিসের সন্তান যারা অপরাধ করে, তাদের সাথে জাহান্নামে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥٣
حدثنا نوح بن أبي مريم عن مقاتل بن حيان عن عكرمة
عن ابن عباس رضي
الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بعثني الله تعالى حين أسري بي إلى
يأجوج ومأجوج فدعوتهم إلى دين الله وإلى عبادته فأبوا أن يجيبوني فهم في النار مع
من عصى من ولد آدم وولد إبليس
হযরত ওয়াহাব ইবনে মানবাহ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রোম হল প্রথম নিদর্শন। অতপর দাজ্জাল। তৃতীয় হল ইয়াজুজ মাজুজ। অতপর ঈসা আ.।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥٤
حدثنا أبو المغيرة عن ابن عياش عن شيخ
عن وهب بن منبه قال الروم أول الآيات ثم الدجال والثالثة يأجوج ومأجوج ثم عيسى
হযরত আব্দুল্লাহ রা. রাসূল সা. হতে বর্ণনা করে বলেন, যখন ঈসা আ. দাজ্জালকে হত্যা করবে এবং তার সাথে যারা থাকবে, তারা অবস্থান করবে। এমনকি ইয়াজুজ মাজুজের দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হবে। তখন তারা তরঙ্গায়িত হয়ে যমিনে এসে ধ্বংসলীলা চালাবে। তা যে জিনিসের পাশ দিয়েই অতিক্রম করবে তা নষ্ট ও ধ্বংস করে দিবে। তারা যে পানি, ঝর্ণা, নদীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে তা শেষ করে দিবে। সুতরাং যার নিকট একথা পৌছবে, সে যেন কখনো দূর্গ, সিরিয়ার শহর, উপদ্বীপ ধ্বংস না করে। কেননা ইয়াজুজ মাজুজ হতে মুসলমানদের দূর্গ হবে তুরে সাইনা পাহাড়। অতপর মানুষ আল্লাহ তা’আলার নিকট ইয়াজুজ মাজুজের ধ্বংস কামনা করবে। তাদের দোয়ায় সাড়া দেয়া হবে না। তূরে সাইনার অধিবাসী এবং যাদের হাতে আল্লাহ তা’আলা কুস্তুনতুনিয়া বিজয় দান করেছেন, তারা দোয়া করবে। ফলে আল্লাহ তা’আলা তাদের জন্য চার পা বিশিষ্ট প্রাণী পাঠাবেন। অতপর তা তাদের কানের মধ্যে প্রবেশ করবে। ফলে সকলেই মারা যাবে। অতপর যমিন তাদের গন্ধে দূর্গন্ধ হয়ে যাবে। তাদের দূর্গন্ধ মানুষকে তাদের জীবিত থাকার চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট দিবে। ফলে তারা আল্লাহ তা’আলার নিকট বৃষ্টি কামনা করবে। তখন আল্লাহ তা’আলা ডান দিক হতে ধূলিময় বাতাশ প্রেরণ করবেন। যা মানুষের উপর প্রচন্ড অন্ধকার ও ধোঁয়াময় হবে। এবং মুমিনদের সর্দি হবে। তখন তারা তাদের প্রতিপালকের নিকট প্রর্থনা করবে। এবং তূরে সাইনাবাসীরাও দোয়া করবে। ফলে আল্লাহ তা’আলা তিন দিন পর তাদের যা হয়েছে তা দূর করে দিবেন। আর ইয়াজুজ মাজুজকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করা হয়েছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥٥
حدثنا أبو عمر عن ابن لهيعة عن عبد الوهاب بن حسين عن محمد بن ثابت عن
أبيه عن الحارث
عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا قتل عيسى
الدجال ومن معه مكث الناس حتى يكسر سد يأجوج ومأجوج فيموجون في الأرض ويفسدون لا
يمرون بشيء إلا أفسدوه وأهلكوه ولا يمرون بماء ولا عين ولا نهر إلا نزفوه ويمرون
بالدجلة والفرات فمن كان منهم أسفل الدجلة أو أسفل الفرات
قال قد كان هاهنا مرة
ماء فمن بلغه هذا الحديث فلا يهدمن حصنا ولا مدينة بالشام ولا بالجزيرة فإنه حصن
للمسلمين من يأجوج ومأجوج طور سينا فيستغيث الناس بربهم بهلاك يأجوج ومأجوج فلا
يستجاب لهم وأهل طور سينا وهم الذين فتح الله على أيديهم القسطنطينية فيدعون ربهم
فيبعث الله لهم دابة ذات قوائم أربعين فتدخل في آذانهم فيصبحوا موتى أجمعين فتنتن
الأرض منهم فيؤذي الناس نتنهم أشد عليهم منه إذ كانوا أحياء فيستغيثون بالله فيبعث
الله ريحا يمانية غبراء فتصير على الناس غمى ودخانا شديدا وتقع على
المؤمنين الزكمة فيستغيثون بربهم ويدعو أهل طور سينا فيكشف الله ما بهم بعد
ثلاثة أيام وقد قذفت يأجوج ومأجوج في البحر
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়াজুজ মাজুজের প্রথমজনেরা দাজলা নদীর মতো নদীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে। অতপর তাদের শেষজনেরাও সেখান দিয়ে অতিক্রম করবে আর বলবে, এখানে একবার পানি ছিল। তাদের কোন পুরুষ একহাজার বা তার থেকে বেশি সন্তান সন্ততি রাখা ব্যতীত মৃত্রু বরণ করে না। তাদের পরে তিনিিট জাতি। তাদের সংখ্যা আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আর কেউ জানে না। (তিনটি জাতি হল)- তাওয়ীল, তারীস এবং নাসীক অথবা নাসাক। সনদে শু’বা হতে সন্দেহ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥٦
حدثنا محمد بن جعفر عن شعبة
عن أبي إسحاق سمع وهب بن جابر
عن عبد الله بن عمرو قال إن يأجوج ومأجوج يمر
أولهم بنهر مثل الدجلة فيمرآخرهم فيقولون قد كان في هذه مرة ماء ولا يموت رجل منهم
إلا [ و ] ترك من ذريته ألفا فصاعدا ومن بعدهم ثلاث أمم ولا يعلم عدتهم إلا الله
تأويل وتأريس وناسك أونسك الشك من شعبة
হযরত আব্দুুল্লাহ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন আল্লাহ তা’আলা ইয়াজুজ মাজুজকে নিয়ে যাবেন। তখন আল্লাহ তা’আলা তীব্র ঠান্ডা বাতাশ প্রেরণ করবেন। যা যমিনের উপরে একজন মুমিন বান্দাকেও ছাড়বে না; বরং উক্ত বাতাশ দ্বারা প্রত্যেকের রুহ কবজ করা হবে। অতপর খারাব লোকদের উপর কিয়ামাত সংগঠিত হবে। তারপর সিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে। ফলে আকাশ ও যমিনে কোন সৃষ্টিজীব থাকবে না, বরং প্রত্যেকেই মৃত্যু বরণ করবে। তবে আল্লাহ তা’আলা যাকে চান। (তাকে বাচিয়ে রাখবেন।) অতপর দুই ফুঁৎকারের মধ্যে আল্লাহ তা’আলা যা চান তাই হবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা মানুষের মনীর মতো মনী প্রেরণ করবেন। উক্ত মনী হতে তাদের (মানুষের) শরীর, গোস্ত জন্মাবে ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥٧
حدثنا ابن نمير وابن مبارك عن
سفيان الثوري عن سلمة بن كهيل حدثه عن أبي الزعراء
عن عبد الله أن قال أذا أذهب
الله بيأجوج ومأجوج أرسل الله ريحا زمهريرا باردة فلا تذر على وجه الأرض مؤمنا إلا
قبض بتلك الريح ثم تقوم الساعة على شرار الناس ثم ينفخ في الصور فلا يبقى خلق لله
في السموات والأرض إلامات إلا من شاء ربك ثم يكون بين النفختين ما شاء الله ثم يرسل
الله منيا كمني الرجال تنبت جسمانهم ولحمانهم من ذلك الماء
হযরত তুবাই’ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. ও তার সাথীবর্গরা ইয়াজুজ মাজুজ হতে ফিরে বাইতুল মাকদাসে যাবে, তখন তারা বাইতুল মাকদাসে অনেক বছর থাকবে। (অতপর) তারা এক দিক হতে বিশৃংখল ধূলিময় কিছু দেখবে। অতপর তারা তাদের কতককে তা দেখার জন্য পাঠাবে যে, সেটা কি? আর সেটা হল বাতাশ, যা আল্লাহ তা’আলা মুমিনদের রুহ কবজ করার জন্য প্রেরণ করেছেন। আর সেটাই হল শেষ দল, যা মুমিনদের রুহ কবজ করা হবে। আর তাদের পরে মানূুষ একশত বছর জীবিত থাকবে। তারা দ্বীন ও সুন্নাহ চিনবে না। তারা একে অন্যের উপর গাধার ন্যায় আক্রমন করবে। তাদের উপর কিয়ামাত সংগঠিত হবে। আর তারা বাজারে ক্রয় বিক্রয় করতে থাকবে, কথা বার্তা, মেলা মেশা করতে থাকবে, ফলে তারা তাদের পরিবারের নিকট ফিরে যাবার সুযোগ পাবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥٨
حدثنا بقية
بن الوليد وأبوه حيوة شريح بن يزيد الحضرمي وجنادة بن عيسى الأزدي وأبو أيوب عن
أرطاة بن المنذر
قال حدثنا أبو عامر الألهاني عن تبيع عن كعب وقال بعض
هؤلاء عن تبيع لم يذكر كعبا
قال إذا انصرف عيسى ابن مريم والمؤمنون من يأجوج
ومأجوج إلى بيت المقدس فلبثوا سنوات ببيت المقدس رأو كهيئة الهرج والغبار من الجوف
فيبعثون بعضهم في ذلك لينظر ما هو فإذا هي ريح بعثها الله لقبض أرواح المؤمنين فتلك
آخر عصابة تقبض من المؤمنين ويبقى الناس بعدهم مئة عام لا يعرفون دينا ولا سنة
يتهاجرون تهارج الحمير عليهم تقوم الساعة وهم في أسواقهم يبتعون ويتبايعون وينتجون
ويلحفون فلا يستطيعون توصية ولا إلى أهلهم يرجعون
হযরত হুযাইফাতুল ইয়ামান রা. রাসূল সা. হতে বর্ণনা করে বলেন, হযরত ঈসা আ. এর পর কোন ব্যক্তির ঘোড়া সন্তান জন্ম দিলে সে উক্ত অশ্বশাবকের উপর আরোহন করতে পারবে না। এমনকি কিয়ামাত সংগঠিত হয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥٩
حدثنا ضمرة عن أبن
شوذب عن أبي التياح عن خالد بن سبيع
عن حذيفة بن اليمان رضي الله عنه عن النبي
صلى الله عليه وسلم قال لو أن رجلا أنتج فرسا لم يركب مهرها بعد عيسى حتى تقوم
الساعة
হযরত আবু হুরাইরা ও আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা. হতে বর্ণিত, তারা বলেন, অতপর আল্লাহ তা’আলা ইয়াজুজ মাজুজের পর একটি ভালো বাতাশ প্রেরণ করে হযরত ঈসা আ. ও তার সাথীদের এবং দুনিয়ার সকল মুমিনদের রুহ কবজ করবেন। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা. বলেন, অবশিষ্ট কাফেরগণ একশত বছর জীবিত থাকবে। আর তারা হল পূর্ব ও পরের সকল সৃষ্টিজীবের থেকে নিন্দনীয়। হযরত আবু হুরাইরা রা. বলেন, মুমিনগণের পর কোন কাফের স্থায়ী হবে না, বরং তাদের উপর কিয়ামাত সংগঠিত হবে। তার একথা বলার কারণ হল, রাসূল সা. এর এই বাণী- আমার উম্মতের একটি দল আল্লাহ তা’আলার আদেশে সর্বদা হকের উপর যুদ্ধ করবে। তাদের বিরোধীতাকারীদের বিরোধীতা তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। যখনই একটি দল চলে যাবে, আরেকটি দল সৃষ্টি হবে। এমনকি কিয়ামাত সংগঠিত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৬০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٦٠
حدثنا الحكم بن نافع عن جراح عن أرطاة عمن حدثه عن كعب قال
قال أبو هريرة وعبد الله بن عمرو ثم يرسل الله بعد يأجوج ومأجوج ريحا طيبة
فتقبض روح عيسى وأصحابه وكل مؤمن على وجه الأرض
قال عبد الله بن عمرو يبقى
بقايا الكفار وهم شرار الخلق من الأولين والآخرين مئة سنة
وقال أبو هريرة ليس
للكفار بقاء بعد المؤمنين حتى تقوم عليهم
الساعة وذلك لقول رسول الله صلى
الله عليه وسلم لا تزال عصابة من أمتي يقاتلون على الحق قائمين بأمر الله لا يضرهم
خلاف من خالفهم كلما ذهب حزب نشأ آخرون حتى تقوم الساعة
হযরত কা’ব রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়াজুজ মাজুজের পর মানুষ দশ বছর স্বাচ্ছন্দ, উর্বর ও শান্তিতে বসবাস করবে। এমনকি দুইজন ব্যক্তি একটি ডালিম বহন করবে। তারা আঙ্গুরের একথোকা বহন করবে। অতপর তারা এভাবে দশ বছর বসবাস করবে। অতপর আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর একটি ভালো বাতাশ প্রেরণ করবেন। তা একজন মুমিনকেও ছাড়বে না, বরং প্রত্যেকের রুহ কবজ করবে। অতপর অবশিষ্ট মানুষরা চরণক্ষেত্রে গাধার ন্যায় একে অপরের উপর আক্রমন করবে। আর তাদের ঐঅবস্থার উপরই তাদের উপর আল্লাহ তা’আলার হুকুম ও কিয়ামাত আসবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৬১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٦١
حدثنا بقية بن
الوليد وأبو المغيرة عن أبي بكر بن أبي مريم عن أبي الزاهرية
عن كعب قال يمكث
الناس بعد يأجوج ومأجوج في الرخاء والخصب والدعة عشر سنين حتى إن الرجلين ليحملان
الرمانة الواحدة ويحملان بينهما العنقود الواحد من العنب فيمكثون على ذلك عشر حجج
ثم يبعث الله تعالى ريحا طيبة فلا تدع مؤمنا إلا قبضت روحه ثم يبقى الناس بعد ذلك
يتهارجون كما تهارج الحمير في المروج فيأتيهم أمر الله والساعة وهم على ذلك
হযরত ওয়াহাব ইবনে মানবাহ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (কিয়ামাতের নিদর্শন সমূহ হল) রোম, অতপর দাজ্জাল, অতপর ইয়াজুজ মাজুজ, অতপর হযরত ঈসা আ., অতপর ধোঁয়া।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৬২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٦٢
حدثنا أبو المغيرة عن ابن عياش عن شيخ من حضرموت
عن وهب بن منبه قال
الروم ثم الدجال ثم يأجوج ومأجوج ثم عيسى ثم الدخان
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকজন হযরত ঈসা আ. এর সাথে সুখ শান্তিতে বাস করার কিছু সময় (বছর) পর, ডান দিক হতে একটি বাতাশ আসবে। উহার স্পর্শ রেশমের স্পর্শের ন্যায়। উহার বাতাশ মিশকের ন্যায়। তা প্রত্যেক মুসলমানের রুহ কবজ করে নিবে। অতপর লোকজন বলবে, আমরা কতদিন এই দ্বীনের উপর থাকবো? অতপর তারা তাদের পূর্বপুরুষের ধর্মে ফিরে যাবে। এমনকি তারা তাদের পূর্বপুরুষরা যে জিনিসের ইবাদাত করতো, সে সকল জিনিসের ইবাদাত করবে। আর একথার ইঙ্গিতই হযরত আবু হুরাইরা রা. এর এবক্তব্যÑ কেমনযেন আমি ওয়াদ গোত্রের নিতম্ব মোটা মহিলাদের সাথে, যারা বিশৃংখলা করেছে এবং যুল খালাসা (একটি মূর্তি) এর ইবাদাত করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৬৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٦٣
حدثنا ابن وهب عن
ابن لهيعة والليث بن سعد عن خالد بن يزيد عن سعيد بن أبي هلال عن أبي سلمة
عن
عبد الله بن عمرو قال [ بعد ] ما ينعم الناس مع عيسى عليه السلام زمانا تقبل ريح
يمانية مسها مس الخز وريحها ريح المسك فتستخرج روح كل مسلم ثم يقول الناس حتى متى
نحن على هذا الدين فيرجعون إلى دين الآباء حتى يعبدوا ما كان يعبد آباؤهم فذلك
قول أبي هريرة كأني بأليات نساء دوس قد اصطفقت يعبدون ذي الخلصة
হযরত আবু হুরাইরা রা. রাসূল সা. হতে বর্ণনা করে বলেন, আল্লাহ তা’আলা ডান দিক হতে একটি বাতাশ প্রেরণ করবেন। যা ফেনার থেকেও নরম (আরামদায়ক), মধূর চেয়ে মিষ্টি হবে। উক্ত বাতাশ এমন কোন ব্যক্তিকে ছাড়বে না যার অন্তরে কুরআন শরীফের একটি আয়াতও আছে, বরং তা নিয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৬৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٦٤
حدثنا ابن وهب عن حيوة عن أبي صخر عن يزيد بن عبد الله بن قسيط
عن أبي هريرة
رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يرسل الله ريحا من اليمن ألين من
الزبد وأحلى من العسل فلا تترك رجلا في قلبه آية من القرآن إلا ذهبت بها
হযরত হুযাইফাতুল ইয়ামান রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইসলাম পাঠ করা হবে, যেমনিভাবে পাঠ করা হয় কাপড়ের অলংকার। এমনকি (মানুষ) জানবে না, রোজা কি, সদকাহ কি, ইবাদাত কি। একরাত্রে আল্লাহ তা’আলার কিতাব উঠিয়ে নেয়া হবে। ফলে পৃথিবীতে একটি কুরআন শরীফের একটি আয়াতও রাখা হবে না। মানুষ হতে অধিক ঘোরাফেরাকারী অবশিষ্ট থাকবে। তাদের মধ্যে থাকবে, অতিবৃদ্ধ এবং অতিঅক্ষম। তারা বলবে, আমরা আমাদের পুর্বপুরুষদের ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এই কালিমার উপর পেয়েছি। সুতরাং আমরাও তা বলবো। তাকে সিলাহ ইবনে যুফার বললেন, তিনি তার সাথে বসা ছিলেন। (তিনি বললেন,) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ কি ফায়দা দিবে? তারাতো রোজা কি, সদকাহ কি, ইবাদাত কি, জানেনা। হযরত হুযাইফা রা. তার থেকে তিনবার মাথা ঘুরিয়ে নিলেন। এবং বললেন, হে সিলাহ! তা তাদের দুইবার বা তিনবার মুক্তি দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৬৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٦٥
حدثنا أبو معاوية حدثني أبو مالك الأشجعي عن ربعي ابن حراش
عن حذيفة بن اليمان
قال يدرس الإسلام كما يدرس وشي الثوب حتى لا يدرى ما صيام ولا صدقة ولا نسك ويسرى
على
كتاب
الله تعالى في ليلة فلا
يترك في الأرض منه آية وتبقى طوائف من الناس فيهم الشيخ الكبير والعجوز الكبيرة
يقولون أدركنا آباءنا على هذه الكلمة لا إله إلا الله فنحن نقولها
قال له صلة
بن زفر وهو جالس معه وما تغني عنهم لا إله إلا الله وهم لا يدرون ما صيام ولا صدقة
ولا نسك فأعرض عنه حذيفة ثلاثا
ثم قال يا صلة هي تنجيهم مرتين أو ثلاثا

Execution time: 0.23 render + 0.01 s transfer.