Login | Register

নুয়াইম বিন হাম্মাদের: আল ফিতান

দাজ্জালের অবির্ভাব ও তার আকৃতি, এবং দাজ্জালের হাতে যে যে ফাসাদ সংগঠিত হবে

   

দাজ্জালের অবির্ভাব ও তার আকৃতি, এবং দাজ্জালের হাতে যে যে ফাসাদ সংগঠিত হবে

Double clicking on an arabic word shows its dictionary entry
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সর্বপ্রথম দাজ্জাল যে পানি ফিরিয়ে দিবে তা হলো বসরার উচু পাহাড়ের মূলের পানি। এবং তার নিকটের দিকে অনেক অতিক্রমকৃতে পানি। অর্থাৎ রমল আর সেটাই প্রথম পানি যা দাজ্জাল সর্বপ্রথম ফিরিয়ে দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫০৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٠٧
حدثنا عبد الصمد
بن عبد الوارث عن حماد بن سلمة عن علي بن زيد عن أبي عثمان
عن كعب قال أول ماء
يرده الدجال سنام جبل مشرف على البصرة وماء إلى جنبه كثير الساف يعني الرمل هو أول
ماء يرده الدجال
হযরত ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু হযরত আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করে বলেন যে, আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন দাজ্জাল পূর্বদিকের এলাকা হতে বাহির হবে। যাকে খোরাসান বলা হয় ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫০৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٠٨
حدثنا أبو إسحاق الأقرع عن همام عن قتادة عن عكرمة عن
ابن عباس
عن أبي بكر رضى الله عنه قال يخرج الدجال من قبل المشرق من أرض يقال
لها خراسان
হযরত সুলাইমান ইবনে ঈসা বলেন যে, আমার নিকট এখবর পৌছেছে যে, দাজ্জাল সমুদ্রের উপদ্বীপ আসবাহান থেকে বাহির হবে। যাকে মাতূলাহু বলা হয়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫০৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٠٩
حدثنا يحيى بن سعيد العطار عن سليمان بن عيسى قال
بلغني
أن الدجال يخرج من جزيرة أصبهان في البحر يقال لها ماطوله
হযরত ইবনে তাউস তার পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেন যে, দাজ্জাল ইরাক থেকে বাহির হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١٠
حدثنا عبد
الرزاق عن معمر عن ابن طاوس عن ابيه قال
يخرج الدجال من العراق
হযরত হাইসাম ইবনে আসওয়াদ বলেন যে, আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন আর তিনি হযরত মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু এর নিকটে ছিলেন। তোমদের পূর্বের স্থান তোমরা চিন? যাকে কূসা বলা হয়্ যার অধিকাংশ জায়গা অনাবাদি। আমি বললাম হ্যাঁ। তিনি বললেন সেখান থেকে দাজ্জাল বাহির হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١١
حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن أبي قيس عن الهيثم بن الأسود قال
قال لي عبد
الله بن عمرو وهو عند معاوية تعرفون أرضا قبلكم يقال لها كوثا كثيرة السباخ
قلت
نعم
قال منها يخرج الدجال
হযরত হুযাইফা ইবনে ইয়ামান রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, দাজ্জাল বাহির হবে। অতপর ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١٢
حدثنا ضمرة حدثنا عبد الله بن شوذب عن
أبي التياح عن خالد بن سبيع
عن حذيفة بن اليمان رضى الله عنه قال سمعت رسول
الله صلى الله عليه وسلم يقول يخرج الدجال ثم عيسى ابن مريم عليه السلام
হযরত আবু সাদেক তিনি আব্দুল্লাহ হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন সর্বপ্রথম যে অধিবাসীদের দাজ্জাল ভীতি প্রদর্শন করবে তারা হলো কূফার অধিবাসী।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١٣
حدثنا عبد الرزاق وابن مهدي عن سفيان عن سلمة ابن كهيل عن أبي صادق
عن عبد الله
قال أول أهل أبيات يفزعهم الدجال أهل الكوفة
হযরত আসমা বিনতে ইয়াযিদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একবার রাসূল সা, আমার ঘরে ছিলেন। তখন তিনি দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। এপ্রসঙ্গে বললেন, দাজ্জালের সব থেকে বড় ফিতনা হলো সে এক বেদুইনের নিকট এসে বলবে, বল তো যদি আমি তোমার মৃত উটগুলি জীবতি করি, তাহলে তুমি কি বিশ্বাস করবে যে, আমি তোমার রব? সে বলবে হ্যাঁ, তখন শয়তান তার উটের আকৃতিতে উত্তম স্তন এবং মোটা তাজা কুঁজবিশিষ্ট অবস্থায় সম্মুখে উপস্থিত হবে। অতপর দাজ্জাল এমন এক ব্যক্তির নিকট আসবে, যার ভ্রাতা ও পিতা মারা গেছে। তাকে বলবে তুমি বল তো, যদি আমি তোমার পিতা ও ভ্রাতাকে জীবিত করি, তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব বলে বিশ্বাস করবে না? সে বলবে হ্যাঁ। তখন শযতান তার পিতা ও ভ্রাতর অবিকল আক্রতি ধারণ করে আসবে। অতপর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন প্রয়োজনে বাহিরে গেলেন এবং ফিরে আসলেন। এদিকে দাজ্জালের এই সমস্ত তান্ডবের কথা শুনে উপস্থিত লোকেরা ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়লো। আসম রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন তখন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দরজার উভয় বাজুতে হাত রেখে বললেন হে আসমা কি হয়েছে? আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনায় আপনি তো আমাদের কলিজা বাহির করে ফেলেছেন। তখন তিনি বললেন (এতে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নাই। কেননা) সে যদি বাহির হয় আর আমি জীবিত থাকি তখন আমিই দলীল প্রমাণের দ্বারা তাকে প্রতিরোধ করবো, আর যদি আমি জীবিত না থাকি তখন প্রত্যক মুমেনের সাহায্যকারী হিসেবে আল্লাহ তা’লাই হবেন আমার স্থলাভিষিক্ত। আসমা রাযিয়াল্লাহু আনহু বেেলন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কসম আমাদের অব¯া’ হল আমরা আটার খামির তৈরী করি এবং রুটি প্রস্তুত করে অবস হতে না হতেই পুনরায় ক্ষুধায় অস্থির হয়ে পড়ি। সুতরাং সেই দূভিক্ষের সময় মুমেনদের অবস্থা কিরূপ হবে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের ক্ষুধা নিবারণের জন্য সেই বস্তুই যথেষ্ট হবে যা আকাশবাসীদের জন্য যথেষ্ট হয়ে থাকে । আর তা হলো তাসবীহ ও তাকদীস। (অর্থাৎ, আল্লাহর যিকর ও পবিত্রতা বর্ণনা করা)।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١٤
حدثنا عبد الرزاق عن معمر
عن قتادة عن شهر بن حوشب
عن أسماء بنت يزيد الأنصارية رضى الله عنها قالت كان
رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي فذكر الدجال فقال إن من أشد فتنة أنه يأتي
الأعرابي فيقول أرأيت إن أحييت إبلك ألست تعلم أني ربك فيقول نعم قال فتمثل له
الشياطين نحو إبله كأحسن ما تكون ضروعا وأعظمه أسنمة ويأتي الرجل وقد مات أبوه ومات
أخوه فيقول أرأيت إن أحييت لك أباك وأخاك ألست تعلم أني ربك فيقول بلى فتتمثل له
الشياطين نحو أبيه وأخيه
ثم خرج النبي صلى الله عليه وسلم لحاجة ثم رجع والقوم
في اهتمام وغم بما حدثهم
قال فأخذ بلحمتي الباب
وقال مهيم أسماء
فقالت أسماء يا رسول الله لقد خلعت أفئدتنا بذكر الدجال
فقال إن يخرج وأنا
فيكم حي فأنا حجيجيه وإلا فإن ربي خليفتي على كل مؤمن
فقالت أسماء يا رسول الله
والله إنا لنعجن عجينتنا فما نختبزها حتى نجوع فكيف بالمؤمنين يومئذ
قال يجزيهم
ما يجزي اهل السماء التسبيح والتقديس
হযরত আবু যা’রা হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একবার আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট দাজ্জালের আলোচনা করা হল। তখন আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন হে মানুষ সকল, তোমরা বিভেদ করছ? (জেনে রাখ) দাজ্জালের বাহির হওয়ার সময় মানুষ তিন দলে ভাগ হবে। একদল দাজ্জালকে অনূসরণ করবে। একদল তাদের পূর্বপুরুষদের যমি আকড়ে বসে থাকবে। সুগন্ধিযুক্ত গাছের জন্মানোর স্থানের মত। আরেক দল ফুরাত নদীর তীরে অবস্থান নিবে। তারা যুদ্ধ করবে। তারা দাজ্জালের সাথে যুদ্ধ করবে। এমনকি সকল মুমিনগণ সিরিয়ার পশ্চিমে একত্র হবে। অতপর তার অগ্রভাগকে তার দিকে পাঠাবে। তাদের মধ্যে একজন সুদর্শন বা সাদা কালো দাগ বিশিষ্ট ঘোড়সোয়ার থাকবে। অতপর তার যুদ্ধ করবে। এবং তাদের থেকে একজন মানুষও ফিরে আসবে না। সালামা বলেন রবীয়া ইবনে নাজেদ থেকে আবু সাদেক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন সুদর্শনধারী ঘোড়া। অতপর আব্দুল্লাহ বলেন আহলে কিতাবগণ ধারণা করে যে, মাসীহ ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. অবতরণ করবেন এবং তাকে হত্যা করবেন। আবু যারআ’ বলেন আমি আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু কে আহলে কিতারদের বিষয়ে কথা বলতে শুনি নাই। তবে একথা ব্যতীত যে, তিনি বলেন অতপর ইয়াজুয মাজুয বাহির হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١٥
حدثنا عبد الله بن نمير وعبد الله
بن المبارك قالا أخبرنا سفيان الثوري حدثنا سلمة بن كهيل
عن أبي الزعراء قال
ذكر الدجال عند عبد الله بن مسعود فقال عبد الله تفترقون أيها الناس لخروجه ثلاث
فرق فرقة تتبعه وفرقة تلحق بأرض آبائها بمنابت الشيح وفرقة تأخذ شط الفرات يقاتلهم
ويقاتلونه حتى يجتمع المؤمنون بغرب الشام فيبعثون إليه طليعة منهم فارس على فرس
أشقر أو أبلق فيقتلون فلا يرجع منهم بشر
قال سلمة فحدثني أبو صادق عن ربيعة بن
ناجد أن عبد الله بن مسعود قال فرس أشقر ثم قال عبد الله ويزعم أهل الكتاب
أن المسيح عيسى ابن مريم عليه
السلام ينزل فيقتله
قال أبو الزعراء ما سمعت عبد الله يذكر عن أهل الكتاب
حديثا غير هذا قال ثم يخرج يأجوج
ومأجوج
হযরত আবু উমামা আল বাহেলী রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সা, বলেন যখন দাজ্জাল বাহির হবে, তখন দাজ্জাল ডানে ধ্বংসজজ্ঞ চালাবে এবং বামেও ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। হে আল্লাহর বান্দাগণ তোমরা নত হও। কেননা দাজ্জাল সে শুরু করবে। অতপর সে বলবে আমি নবী। ( নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) অথচ আমার পরে কোন নবী নেই। অতপর সে গুণগাণ করবে। অতপর সে বলবে আমি তোমাদের রব বা প্রতিপালক। (নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) অধচ তোমরা তোমাদের রব বা প্রতিপালককে মৃত্যুর পূর্বে দেখতে পাবে না। আর দাজ্জাল হবে অন্ধ। অথচ তোমাদের রব অন্ধ নন। আর দাজ্জালের দুই চক্ষুর মধ্যখানে কাফের লেখা থাকবে। যা প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তিই পড়তে পারবে। আর দাজ্জালের ফিতনা সমূহ থেকে হল- তার সাথে একটি জান্নাত ও একটি জাহান্নাম থাকবে। (আর বাস্তবতা হল) তার জাহান্নাম হল জান্নাত। আর তার জান্নাত হল জাহান্নাম। সুতরাং যে ব্যক্তি তার জাহান্নাম কর্তৃক নির্যাতিত হয় সে যেন সূরা কাহাফের প্রথমাংশ তেলাওয়াত করে। আর যেন আল্লাহ তা’লার নিকট সাহায্য কামনা করে যাতে করে দাজ্জালের আগুন বা জাহান্নাম তার উপর ঠান্ডা ও শান্তি দায়ক হয়। যেমনিভাবে আগুণ ঠান্ডা ও শান্তি দায়ক হয়েছিল ইবরাহীম আ. এর উপর । আর দাজ্জালের ফিতনা থেকে আরেকটি হল- তার সাথে অনেক শয়তান থাকবে। উক্ত শয়তানগুলি তার জন্য মানুষের আকৃতি ধারণ করবে। অতপর দাজ্জাল এক বেদুইন বা গ্রাম্য ব্যক্তির নিকট এসে বলবে (যারা পিতা মাতা মারা গেছে।) তুমি বল তো, যদি আমি তোমার পিতা মাতাকে ফিরিয়ে আনি তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব হিসাবে সাক্ষ দিবে। বেদুইন লোকটি উত্তরে বলবে হ্যাঁ। অতপর তর শয়তানগুলি উক্ত বেদুইন লোকের পিতা মাতার আকৃতি ধারণ করবে। অতপর উক্ত শয়তান দুটি বলবে, হে আমার সন্তান তুমি তাকে (দাজ্জালকে) অনুসরণ কর। কেননা সে তোমার রব বা প্রতিপালক। দাজ্জালের আরো ফিতনা হল- একজন মানুষের উপর কব্জা করে নিবে। ফলে তাকে হত্যা করবে এবং জীবিত করবে। এবং তারপর আর ফিরে আসবে না। ঐ মানুষ ব্যতীত অন্য মানুষের উপর কোন কাজ করতে পারবে না। দাজ্জাল বলবে, তোমরা আমার বান্দাকে দেখ, আমি তাকে এখন জীবিত করছি। আর সে ধারণা করে আমি ব্যতীত তার অন্য রব আছে। অতপর তাকে জীবিত করবে। অতপর দাজ্জাল তাকে বলবে, তোমার রব কে? তার উত্তরে লোকটি বলবে আমার রব হল আল্লাহ। আর তুই আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল। আর তার আরেকটি ফিতনা হল- সে এক কেদুইনকে বলবে, তুমি বল তো, যদি আমি তোমার উটকে জীবিত করি তাহলে কি তুমি আমাকে তোমার রব হিসাবে সাক্ষ্য দিবে? উত্তরে লোকটি বলবে হ্যাঁ। অতপর তার জন্য শয়তান তার উটের আকৃুত ধারণ করবে। আর তার আরেকটি ফিতনা হল- সে আকাশকে বৃষ্টির জন্য আদেশ করবে। ফলে আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ হবে। আর যমিনকে ফসল উৎপন্নের আদেশ দিবে। ফলে যমিন ফসল উৎপন্ন করবে। আর সে জীবিতদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে,তার তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে। ফলে তাদের সমস্ত গবাদি পশু ধ্বংস হয়ে যাবে। এবং সে এমনকিছু জীবিতদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে যারা তাকে সত্যায়ন করবে। তখন সে তাদের জন্য আকাশকে বৃষ্টি বর্ষণের এবং যমিনকে ফসল উৎপন্নের আদেশ দিবে। ফলে তাদের গবাদিপশু গুলি ঐদিন রিষ্টপুষ্ট হবে। মোটাতাজা হবে। পশুর কোমর লম্বা। এবং পশুর ওলান হবে পরিপূর্ণ বা ভরা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١٦
حدثنا ضمرة بن ربيعة حدثنا يحيى بن ابي عمرو السيباني عن عمرو بن
عبد الله الحضرمي
عن أبي أمامة الباهلي رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى
الله عليه وسلم إذا خرج الدجال عاث يمينا وعاث شمالا يا عباد الله فأنيبوا فإنه
يبتدي
فيقول أنا نبي ولا نبي بعدي ثم يثني
فيقول أنا ربكم ولن تروا ربكم
حتى تموتوا وإنه أعور وليس ربكم بأعور وإن بين عينيه مكتوب كافر يقرأه كل مؤمن وإن
من فتنته أن معه جنة ونار فناره جنة وجنته نار فمن ابتلى بناره فليقرأ بفواتح سورة
الكهف وليستغث بالله تكون عليه بردا وسلاما كما كانت النار على إبراهيم عليه السلام
بردا وسلاما وإن من فتنتة أن معه شياطين تمثل له على صور الناس فيأتي الأعرابي
فيقول أرأيت إن بعثت لك أباك وأمك أتشهد أني ربك
فيقول نعم
فتمثل له
شياطينه على صورة أبيه وأمه فيقولان له
يا بني اتبعه فإنه ربك
وإن من فتنتة
أن يسلط على نفس فيقتلها ويحييها ولن يعود لها بعد ذلك ولن يصنع ذلك بنفس غيرها
يقول
انظروا عبدي فإني أبعثه الآن فيزعم أن له ربا غيري فيبعثه
فيقول له من
ربك
فيقول له ربي الله وأنت الدجال عدو الله
وإن من فتنته يقول
للأعرابي أرأيت إن بعثت لك إبلك أتشهد أني ربك
فيقول نعم فتمثل له الشياطين على
صورة إبله وإن من فتنته أن يأمر السماء أن تمطر فتمطر ويأمر الأرض أن تنبت فتنبت
وأن يمر بالحي فيكذبونه فلا تبقى لهم سائمة إلا هلكت ويمر بالحي فيصدقونه فيأمر
السماء أن تمطر لهم والأرض أن تنبت لهم فتنبت فتروح إليهم مواشيهم من يومهم ذلك
أعظم ما كانت وأسمنه أمده خواصر وادره ضروعا
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন দাজ্জাল আরদানে অবস্থান করবে, তখন সে তূর ও ছাবুর পাহাড়কে, এবং জুদী পাহাড়কে ডাকবে। তখন উক্ত পাহাড়গুলি নড়াচড়া করবে আর তা মানুষ দেখতে থাকবে। যেমনিভাবে দুটি ষাঁড় ও ছাগল নড়াচড়া করে। অতপর দাজ্জাল উক্ত পাহাড় দুটিকে নিজের জায়গায় আসার আদেশ দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١٧
حدثنا بقية بن الوليد عن
صفوان بن عمرو عن شريح بن عبيد
عن كعب قال إذا نزل الدجال الأردن دعا بجبل طور
وثابور وجبل الجودي حتى ينتطحن والناس ينظرون إليهما كما تنتطح الثورين أو الكبشين
ويقول عودا مكانكما
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল বাহির হবে। আর তার সাথে ইয়াহুদিদের একদল সৈন্য ও কয়েক শ্রেণী মানুষ থাকবে। দাজ্জালের সাথে জান্নাত ও জাহান্নাম থাকবে। এবং এমন কিছু লোক থাকবে যাদেরকে দাজ্জাল হত্যা করবে ও জীবিত করবে। তার সাথে খাদ্যের পাহাড় ও পানির নদী থাকবে। আর আমি তোমাদের নিকট তার আকৃতি বর্ণনা করছি- সে বাহির হবে এক চক্ষু মিলানো অবস্থায়। তার কপালে কাফের লেখা থাকবে। প্রত্যেক ব্যক্তিই পড়তে পারবে চাই সে ভালভাবে পড়তে পারুক বা না পারুক। আর তার জান্নাত হল জাহান্নাম। আর তার জাহান্নাম হল জান্নাত। আর সে হল মসীহ কাযযাব বা মিথ্যাবদী। ইয়াহুদিদের দশ হাজার মহিলা তার অনুসরণ করবে। অতপর একব্যক্তিকে দয়া করা হবে সে তার তার নির্বোধকে তার অনুসরণ করতে নিষেধ করবে। আর সেদিন কুরআন দ্বারা শক্তি তার উপর থাকবে। আর তার শান হল কঠিন পরীক্ষা। আল্লাহ তা’আলা পৃথিবীর পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে শয়তান প্রেরণ করবেন। তখন তারা তাকে বলবে তুমি যা চাও তাতে আমাদের সাহায্য কামনা কর। অতপর সে বলবে তোমরা যাও আর মানুষদের এখবর দাও যে, আমি তাদের রব। আর আমি তাদের নিকট আমার জান্নাত ও জাহান্নাম নিয়ে আসব। অতপর শয়তানগুলি ঐ খবর ছড়ানোর জন্য চলে যাবে এবং একশ এর বেশী শয়তান এক ব্যক্তির কাছে যাবে। অতপর উক্ত ব্যক্তির পিতা, সন্তান, বোন, মনিব, ব›ন্ধুর আকৃতি ধারণ করবে। অতপর তারা তাকে বলবে হে অমুক আমাদেরকে চিনেছ? তখন উক্ত ব্যক্তি বলবে হ্যাঁ। ইনি আমার পিতা. ইনি আমার মাতা, ইনি আমার বোন, এবং ইনি আমার ভাই। অতপর লোকটি বলবে তোমাদের খবর কি? তখন তারা বলবে তুমি কেমন আছ? তোমার কি খরব আমাদের তা জানাও। তখন লোকটি বলবে আমরা খবর পেয়েছি যে, আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল বাহির হয়েছে। তখন শয়তানগুলি তাকে বলবে খবরদার একথা বলোনা। কেনান সে তোমাদের রব। সে তোমাদের মধ্যে ফায়সালা করতে চান। এটা তার জন্নাত, এটা জাহান্নাম যা তিনি সাথে করে নিয়ে এসেছেন। আর তার সাথে আছে নদী, খাবার। ফলে তার সাথে পূর্বের খাবারই থাকবে। তবে আল্লাহ তা’আলা যা চান। তখন লোকটি বলবে তোমরা মিথ্যা কথা বলছ। তোমরা শয়তান ছাড়া আর কেউ নও। আর সে; সে তো মহামিথ্যাবাদী আর এখবর আমরা পেয়েছি। কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদের ব্যাপারে আমাদেরকে বলে দিয়েছেন। শুধু তাই নয় আমাদেরকে সতর্ক করেছেন এবং ভালভাবে খবর দিয়েছেন। সুতরাং তোমাদের জন্য কোন শুভ কামনা নেই। তোমরা হল্ েশয়তান। আর সে হল আল্লাহর শত্রু। আর আল্লাহ তা’আলা ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. কে পাঠাবেন এমনকি তিনি দাজ্জালকে হত্যা করবেন। অতপর শয়তানরা অপদস্থ হবে ও দ্রুত পালাবে। অতপর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন আমি একথা তোমাদেরকে বলছি যাতে তোমরা উপলব্ধি ও ভালভাবে ও মন দিয়ে বুঝতে পার। আর একথাগুলো তোমরা তোমাদের পরবর্তী লোকদের নিকট বর্ণনা করবে। এভাবে একে অপরের কাছে বর্ণনা করবে। কেননা তার তথা দাজ্জালের ফিতনা হল সব থেকে বড় ফিতনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١٨
حدثنا سويد بن عبد العزيز عن إسحاق بن عبد الله بن
أبي فروة عن مكحول عن حذيفة
وابن شابور عن النعمان بن المنذر عن مكحول
عن
حذيفة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يخرج الدجال عدو الله
ومعه جنود من اليهود وأصناف الناس معه جنة ونار ورجال يقتلهم ثم يحييهم معه جبل من
ثريد ونهر من ماء وإني سأنعت لكم نعته أن يخرج ممسوح العين في جبهته مكتوب كافر
يقرأه كل من يحسن الكتاب
ومن لا
يحسن فجنته نار وناره جنة وهو المسيح الكذاب ويتبعه من نساء اليهود ثلاثة عشر آلاف
امرأة فرحم رجلا منع سفيهته أن
تتبعه والقوة عليه يومئذ بالقرآن فإن شأنه
بلاء شديد يبعث الله الشياطين من مشارق الأرض ومغاربها
فيقولون له استعن بنا
على ما شئت
فيقول لهم انطلقوا فأخبروا الناس أني ربهم وأني قد جئتهم بجنتي
وناري فتنطلق الشياطين فيدخل على الرجل أكثر من مائة شيطان فيتمثلون له بصورة والده
وولده وإخوته ومواليه ورقيقه
فيقولون يا فلان أتعرفنا
فيقول لهم الرجل نعم
هذا أبي وهذه أمي وهذه أختي وهذا أخي ويقول الرجل ما نبأكم
فيقولون بل أنت
فأخبرنا ما نبؤك
فيقول الرجل إنا قد أخبرنا أن عدو الله الدجال قد خرج
فتقول له الشياطين مهلا لا تقل هذا فإنه ربكم يريد القضاء فيكم هذه جنته قد جاء
بها وناره ومعه الأنهار والطعام فلا طعام إلا ما كان قبله إلا ما شاء الله
فيقول الرجل كذبتم ما أنتم إلا شياطين وهو الكذاب قد بلغنا أن رسول الله صلى
الله عليه وسلم قد حدث حديثكم وحذرنا وأنبأنا به فلا مرحبا بكم أنتم الشياطين وهو
عدو الله وليسوقن الله عيسى ابن مريم حتى يقتله فيخسؤا فينقلبوا خائبين
ثم قال
رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما أحدثكم هذه لتعقلوه وتفقهوه وتعوه وأعملوا عليه
وحدثوا به من خلفكم فليحدث الآخر الآخر فإن فتنته أشد
الفتن
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জালের দুই বাহু হবে মাংশপেশী ওয়ালা। আঙ্গুল হবে খাটো খাটো। ঘাড় বিহীন। এক চক্ষু থাকবে মিলানো। (এক চক্ষু বিহীন। ) তার দুই চক্ষুর মাঝখানে লেখা থাকবে কাফের ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١٩
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن إسماعيل بن
إبراهيم عن أبي فراس
عن عبد الله بن عمرو قال الدجال أزب الذراعين قصير البنان
ممسوح القفا ممسوح العين مكتوب بين عينيه كافر
হযরত লাকীত ইবনে মালেক হতে বর্ণিত যে, দাজ্জালের বাহির হওয়ার দিন মুমিন থাকবে বার হাজার পুরুষ এবং সাত হাজার মহিলা ও সাতশ বা আটশ মহিলা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢٠
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة
عن بكر بن سوادة
حدثني لقيط بن مالك أن المؤمنين يوم يخرج الدجال إثنا عشر ألف
رجل وسبعة آلاف امرأة وسبع مائة أو ثمان مائة امرأة
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জালের অবির্ভাবের পূর্বাভাস হল- নিমরান থেকে বার হাজার লোক দ্রুত ও ক্ষিপ্ত বেগ হবে । এক ব্যক্তি বলল তাদের সাথে কে পারবে। তিনি বলেন আল্লাহ ব্যতীত কেউ পারবে না ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢١
قال بكر بن سوادة
وأخبرني صالح بن حيوان
عن عبد الله بن عمرو قال مقدمة الدجال سبعون ألفا أسرع
وأجرأ من النمران
فقال رجل من يستطيع هؤلاء
فقال لا أحد إلا الله
হযরত হাইছাম ইবনে মালেক তায়ী থেকে বর্ণিত যে, তিনি কথা উঠালেন এবং বলেন ইরাকে দাজ্জালের সাথে এমন দুইশত লোকের সাথে দেখা হবে যারা তার ন্যায়পরায়ণতার প্রশংসা করবে। আর মানুষদেরকে তার দিকে আনবে। অথপর একদিন দাজ্জাল মিম্বারে উঠবে এবং সেখানে খুতবা দিবে। অতপর তাদের সামনে আসবে। এবং তাদেরকে বলবে, তোমাদের খবর কি, তোমরা কি তোমাদের রব কে চিন? এক ব্যক্তি তাকে প্রশ্ন করবে, তাহলে আমাদের রব কে? উত্তরে দাজ্জাল বলবে আমি। তখন মানুষের মধ্য থেকে এক আল্লাহর বান্দা অস্বীকার করবে। তিনি বলেন অতপর তাকে পাকড়াও করবে ও হত্যা করবে। আর তার উপর আকাশ হতে দুজন ফেরেশতা নেমে আসবে। অতপর তাদের একজন তখন তাকে বলবে। সে বলবে আমি তোমাদের রব এটা মিথ্যা কথা। আর তাকে তার সাথী বলবে সে তার সাথীকে সত্য কথা বলেছে। অতপর যাকে আল্লাহ তা’আলা হিদায়াত দান করেন তাকে আটুট রাখেন। আর ফেরেশতা তার সাথীকে সত্য কথা বলেছে। আর যাকে আল্লাহ তা’আলা পথভ্রষ্ঠ করতে চান তাকে সন্দিহান করে দেন। অতপর তিনি বলেন ফেরেশতা তার সাথীকে সত্য কথা বলেছে। আর দাজ্জাল তার ভ্রষ্ঠতার দিকে লক্ষ করে সত্য কথাই বলেছে। অতপর দাজ্জাল ছড়িয়ে যাবে। এবং যে তার কথায় সাড়া দিবে তার জন্য আকাশকে বৃষ্টি দিতে বলবে। আর যে তার বিরোধীতা করবে কাবে ধ্বংস করে দিবে। আর তাদের সকল মাল সম্পদ দাজ্জালের অনুসরণ করবে। ও ইয়াহুদিদের বড় এক অংশ তার অনুসরণ করবে। আর মুসলমানদের সব কিছু কম হয়ে যাবে। এবং তাদের উপর (পৃথীবি) সংকুচিত হয়ে যাবে। এমনকি অনেক সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিবারে সন্ধ্যার খাবারে থাকবে একটি ছাগল।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢٢
حدثنا عبد القدوس عن إسماعيل بن عياش عن أبي بكر بن أبي مريم الغساني
حدثني
الهيثم بن مالك الطائي رفع الحديث قال يلي الدجال بالعراق سنتين يحمد فيها عدله
وتشرأب الناس إليه فيصعد يوما المنبر فيخطب بها ثم يقبل عليهم
فيقول لهم ما آن
لكم أن تعرفوا ربكم
فيقول له قائل ومن ربنا
فيقول أنا
فينكر منكر
من الناس من عباد الله قوله فيأخذه فيقتله وينزل عليه ملكان من السماء فيقول أحدهما
له حين يقول أنا ربكم كذب ويقول له صاحبه صدق مصدقا لصاحبه فمن أراد الله به الهدى
ثبته وعلم أن الملك إنما يصدق صاحبه ومن أراد الله ضلالته شبه عليه فقال إن الملك
حين يصدق صاحبه إنما يصدق الدجال ترتيبا لضلالته ثم يسير الدجال فمن أجابه امر
السماء فأمطرتهم ومن خالفه أصبحوا وقد تبعت أموالهم كلها الدجال وجل تبعه اليهود
والأعراب ويقتر على المسلمين ويضيق عليهم حتى يبلغهم الجهد وحتى أن أهل البيت لهم
العدد تعشيهم العنز الواحدة
হযরত হাসসান ইবনে আতীয়া হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জালের ফিতনা থেকে বার হাজার পুরুষ ও সাত হাজার মহিলা নাজাত পাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢٣
حدثنا أبو المغيرة عن الأوزاعي
عن حسان
بن عطية قال ينجو من الدجال إثنا عشر ألف رجل وسبعة آلاف امرأة
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যে ব্যক্তি দাজ্জালের ফিতনা তে ধৈর্য্য ধারণ করবে তার ফিতনায় পতিত হবে না। সে আর কখনো জীবিত মৃত অবস্থায় ফিতনার মধ্যে পড়বে না। আর যে ব্যক্তি দাজ্জালকে পাবে অথচ তার অনুসরণ করবে না, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। আর যখন কোন ব্যক্তি খালেছ থাকবে আর দাজ্জালকে এক বার মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে, সে বলবে তুমি কে সেটা আমি ভাল করেই জানি। তুমি তো দাজ্জাল। অতপর সে সূরা কাহাফের প্রথমাংশ তেলাওয়াত করবে। আর দাজ্জাল তাকে তার ফিতনায় ফেলতে পারবে না। তার জন্য উক্ত আয়াতগুলি দাজ্জাল থেকে তাবীজের মত হবে। সুতরাং সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যে দাজ্জালের ফিতনা, বিপদ ও হীনতার পূর্বে তার ঈমান নিয়ে নাজাত পেল। আর যে তাকে পাবে সে যেন মুহাস্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উত্তম সাথীদের মত দাজ্জালের বিরুদ্ধে দন্ডায়মান থাকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢٤
حدثنا
بقية وأبو المغيرة عن صفوان بن عمرو عن شريح بن عبيد
عن كعب قال من صبر على
فتنة الدجال لم يفتتن ولم يفتن أبدا حيا ولا ميتا ومن أدركه ولم يتبعه وجبت له
الجنة وإذا أخلص الرجل وكذب الدجال مرة واحدة
قال قد علمت من أنت أنت الدجال ثم
قرأ فاتحة سورة الكهف ولم يستطع أن يفتنه وكانت له تلك الآية كالتميمة من الدجال
فطوبى لمن نجا بإيمانه قبل فتن الدجال وهوانه وصغاره وليدركن الدجال أقواما مثل
خيار أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم
মাকদাম ইবনে মা’দিয়াকারুবা, আমর ইবনে আসওয়াদ ও কাসীর আবনে মাররা সকলেই বলেন দাজ্জাল কোন মানুষ নয়। বরং সমুদ্রের তীরের সে হল শয়তান। যে সত্তর চক্র দ্বারা প্রত্যায়িত। তাকে কি সুলাইমুন প্রত্যায়ণ করেছে না অন্য কেউ। যখন তার প্রথম উদ্ভব হবে তখন আল্লাহ তা’আলা তার থেকে প্রতি বছর এক চক্র বিচ্ছিন্ন করবেন। অতপর যখন সে প্রকাশ পাবে তখন তার নিকটে দুজন এমন লোক আসবে যাদের দুই কানের মধ্যখানে চল্লিশ গজ বিরাট জায়গা হবে। আর সেটা হল দ্রুত গতির আরোহণকারীর এক ফরসাখ দূরত্ব। অতপর তার পিঠে তামার তৈরী একটি মিম্বর বসাবে। অতপর তার উপর বসবে। তারপর জ্বিনদের অনেক দল তার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করবে। তারা তার জন্য যমিনের গুপ্তধন বাহির করে আনবে। তার জন্য তারা মানুষদের হত্যা করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢٥
حدثنا الحكم بن نافع البهراني
قال حدثني ابو عبد الله الكلاعي صاحب كعب عن يزيد بن حمير ويزيد بن شريح وجبير بن
نفير والمقدام بن معدي كرب وعمرو بن الأسود وكثير بن مرة قالوا جميعا
ليس
الدجال إنسان إنما هو شيطان في بعض جزائر البحر موثق بسبعين حلقة لا يعلم من أوثقه
أسليمن أم غيره فإذا كان أول ظهوره فك الله عنه في كل عام حلقة فإذا برز أتته أتان
عرض ما بين أذنيها أربعون ذرعا بذراع الجبار وذلك فرسخ للراكب المحث فيضع على ظهرها
منبرا من نحاس ويقعد عليه فتبايعه قبائل الجن ويخرجون له كنوز الأرض ويقتلون له
الناس
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জাল হল একজন মানুষ তাকে এক মহিলা জন্মদান করবে। তার সম্পর্কে তাওরাত ইঞ্জিলে কোন কথা নেই। তবে আম্বিয়া আ. এর কিতাব সমূহে তার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। সে মিসরের এক গ্রামে জন্মগ্রহণ করবে। যাকে কওস বলা হয়। তার জন্ম ও বাহির হওয়ার মধ্যে ত্রিশ বছরের পার্থক্য হবে। যখন সে প্রকাশ হবে তখন ইদরীস ও খানুক চিৎকার করতে করতে মাদায়েন ও গ্রাম সমূহে বাহির হবে। তারা বলবে দাজ্জাল বাহির হয়ে গেছে। অতপর যখন সিরিয়ারর অধিবাসীদের নিকট দাজ্জালের বাহির হওয়ার সংবাদ আসবে তখন তারা পূর্ব দিকে চলে যাবে। অতপর দামেস্কের পূর্ব দিকের গেটের নিকট অবস্থান নিবে। অতপর খুজবে কিন্তু তার উপর পারবে না। অতপর কিসওয়া নদীর নিকটে যে মিনারা আছে তার নিকটে দেখা যাবে। অতপর খুজবে। কিন্তু তারা জানবে না যে কোথায় চলে গেছে, তারা আর পাবে না। ফলে ভুলে যাবে, এবং এবিষয় টাকে অপছন্দ করবে। অতপর পূর্ব দিকে আসবে। সেখানে প্রকাশ পাবে ও ন্যায়পরায়নতার সাথে বিচার করবে। অতপর খেলাফত কায়েম করবে। ফলে অনুসরণ করবে। আর সেটা মাসীহ এর বাহির হওয়ার সময়। আর সে অন্ধ ও কুষ্ঠরোগীদের ভাল করবেন। এমনকি লোকজন আশ্চার্যবোধ করবে। অতপর সেহেরের আবির্ভাব হবে আর সে নবুওয়াতের দাবী করবে। অতপর মানুষ তার থেকে পৃথক হয়ে যাবে। আর তাকে সিরিয়ারর অধিবাসীগণ পৃথক করে দিবে। আর পূর্ব দিকের অধিবাসীগণ তিন ভাগে বিভক্ত হবে। একভাগ সিারিয়ায় অবস্থান করবে। একভাগ আরবে অকস্থান করবে। আরেক ভাগ তার সাথে অবস্থান করবে। অতপর সে তাদেরকে নিয়ে সামনে আসবে যারা তার সাথে থাকবে। কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তারা হল চল্লিশ হাজার লোক। আর কতক আলেম বলেন তারা হল সত্তর হাজার লোক। অতপর অনেক জাতি আসবে। তাদেরকে আহলে সিরিয়ারর উপর গ্রহণ করবে। অতপর তারা তার অনুগত হবে। এবং তার দিকে সমস্ত ইয়াহুদিদের একত্র করবে। অতপর সিরিয়ারর দিকে যাবে। যার প্রারম্ভিকা হল- পূর্ব দিকের অনেকগুলি দল তাদের সাথেগ্রাম্য ও থাকবে। তার তাদের উপর প্রভাব ফেলবে। ফলে সিরিয়াবাসীরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে। এবং পাহাড়ের দিকে হিংশ্র প্রাণীদের আবাসস্থলে পালাবে। তাদের মধ্যে থাকবে বার হাজার পুরুষ ও সাত হাজার মহিলা। তাদের অধিকাংশ বালকা পাহাড়ের দিকে যাবে। তারা সেখানে নিরাপদে থাকবে। তাবে তারা লবনাক্ত গাছ ব্যতীত আর কিছু খাওয়ার মত জিনিস পাবে না। কারণ প্রাণীগুলি তাদের থেকে সমতল ভূমিতে চলে যাবে। তাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও থাকবে যে কুস্ততুনতুনিয়ায় আসবে। আর সেখানে বসবাস করবে। অতপর তারা পাঠাবে এবং তারা দ্রুত সামনের দিকে আসতে থাকবে। এমনকি তারা আবু ফিতরাস নদীর (নিকটে) জর্দান নামক অঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান নিবে। দাজ্জাল থেকে ভেগে আসা প্রত্যেক ব্যক্তি তাদের কাছে দ্রুত জমা আসবে। এবং তারা মিনারার নিকটে জর্দানের উক্ত সীমান্তবর্তী এলাকায় দাজ্জালের বিরুদ্ধে অস্তসস্ত্র প্রস্তুত করবে। অতপর দাজ্জাল আসবে। এবং সে রাস্তার সমস্ত প্রতিবন্ধকতা ধ্বংস করে দিবে। অতপর পূর্ব জর্দানে অবস্থান নিবে। আর সে তাদেরকে চল্লিশ দিন আটকে রাখবে। অতপর সে আবু ফাতরাস নদীকে আদেশ দিবে, ফলে তা তার দিকে জারি হবে। অতপর সে বলবে ফিরে যাও। ফলে তা নিজের জায়গায় পুনরায় ফিরে যাবে। অতপর সে বলবে শুকিয়ে যাও। ফলে তা শুকিয়ে যাবে। সে ছওর পাহাড় ও তূর পাহাড়ের গাছকে নড়াচড়ার আদেশ দিবে। ফলে তা নড়াচড়া করবে। আর সে বাতাশকে সসুদ্র থেকে মেষ বয়ে আনার আদেশ করবে। ফলে তা যমিনে বৃষ্টি বর্ষণ করবে, তারপর ফসল উৎপন্ন হবে। আর সে বড় শয়তান তার বংশধরদের তার অনুসরণের আদেশ দিবে। ফলে উক্ত শয়তানগুলি তার জন্য যমিন থেকে গুপ্তধন বাহির করে আনবে। এমনকি তারা এমন কোন বিরান অঞ্চল বা যমি দিয়ে যাবে না, যেখানে কোন গুপ্তধন পাবে না। আর তার সাথে জ্বীনদের দল থাকবে যারা তাদের (মানুষদের) মৃত ব্যক্তির আকৃতি ধারণ করবে। অতপর (আকৃতি ধারণকৃত) বন্ধু তার বন্ধুকে বলবে, তুমি তো মৃতু বরণ করেছিলে? আর তুমি জীবিত হয়ে গেছো!! তৃতীয় দিন সমুদ্র পানির নিচে চলে যাবে। তার হাটু পর্যন্ত পৌছবে না। ফলে মুমিন মুনাফেক এবং কাফেরের মাঝে পার্থক্য হয়ে যাবে।তার সামনে দাড়িয়ে থাকার চেয়ে পালানো ভালো হবে। সেদিন বক্তার জন্য একটি কথা যা দ্বারা ছাওয়াবের আশা করা হয় তা দুনিয়ার বলিকণার পরিমান হবে। আর মানুষ কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। সুতরাং তাদের মধ্যে যে নিহত হবে সে তাদের কবর গাড় কালো অন্ধকার রাত্রে আলোকিত করবে। হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন যখন মুমিনগণ দেখবে যে, তারা তাকে ও তার সাথীদের হত্যা করতে পারছে না। তখন তারা জর্দানের সেই সীমান্তবর্তী এলাকায় চলে যাবে যেখানে বাইতুল মুকাদ্দাস অবস্থিত। সেখানে আল্লাহ তা’আলা তাদের ফলের মধ্যে বরকত দিবেন। এবং অল্প খাদ্যে ভক্ষণকারী পেট পূর্তি করে খাবে। খানার ভিতর অনেক বরকত থাকার কারণে। তারা সেখানে তারা রুটি ও যাইতুন দ্বারা পরিতৃপ্ত হবে। তারপর দাজ্জাল তাদের পিছু নিবে। তার নিকট দুজন ফেরেশতা আসবে। অতপর দাজ্জাল বলবে আমি রব। অতপর তাদের একজন তাকে বলবে তুমি মিথ্যা বলছো। তাদের আরেকজন তার সাথীকে বলবে তুমি সত্য বলছো। আর দাজ্জালের গুণাগুণ হল- তার দুই রানের মাঝখানে বেশী ব্যবধান হবে। লালচে, কণ্ঠ বিভিন্নতা, ডান চক্ষু মিলানো। তার এক হাত অন্য হাত হতে বড় হবে। সে তার লম্বা হাতটা সমুদ্রে ডুবাবে। তা সমুদ্রের তলদেশে পৌছবে। ফলে সেখান থেকে মাছ বাহির হবে। পৃথীবির শেষ বা তার চেয়ে কম দুই দিনে সফর করবে। তার কদম হবে তার দৃষ্টি সমান। পাহাড়, নদী, মেঘ তার অনুগত হবে। পাহাড় আসবে অতপর সে পাহাড়কে চালাবে, এক দিনে তার ফসল পাবে। আর সে পাহাড়কে বলবে, রাস্তা থেকে সরে যাও। ফলে সরে যাবে। এবং যমিনের দিকে আসবে। অতপর বলবে স্বর্ণ অলংকার যা তোমার মধ্যে আছে, বাহির কর। ফলে পাহাড় তা মৌমাছি ও পঙ্গপালের ন্যায় নিক্ষেপ করে করে বাহির করে দিবে। আর তার সাথে থাকবে পানির নদী, আগুনের নদী. সবুজ শ্যামল জান্নাত, লাল আগুনের জাহান্নাম। আর বাস্তবিক পক্ষে তার জাহান্নাম হল জান্নাত। আর তার জান্নাত হল জাহান্নাম। যদি কেউ রুটির পাহাড়ও তার আগুনে নিক্ষেপ করে তাহলে পুড়বে না। আলিয়ার নিকট একবার প্রকাশ পাবে। আরেকবার দামেস্কের বাবে। আরেকবার আবু ফাতরাস নদীর নিকটে। এবং ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. অবতরণ করবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢٦
قال الحكم بن نافع وحدثني جراح عمن حدثه
عن كعب قال الدجال
بشر ولدته امرأة ولم ينزل شأنه في التوراة والإنجيل ولكن ذكر في كتب الأنبياء يولد
في قرية بمصر يقال لها قوس يكون بين مولده ومخرجه ثلاثون سنة فإذا ظهر خرج إدريس
وخنوك يصرخان في المدائن والقرى
إن الدجال قد خرج فإذا أقبل أهل الشام لخروجه
توجه نحو المشرق ثم ينزل عند باب دمشق الشرقي ثم يلتمس فلا يقدر عليه ثم يرى عند
المنارة التي عند نهر الكسوة ثم يطلب فلا يدري أين سلك فينسى كره ثم يأتي المشرق
فيظهر ويعدل ثم يعطى الخلافة فيستخلف وذلك عند خروج المسيح ويبريء الأكمه والأبرص
حتى يتعجب الناس ثم يظهر السحر ويدعي النبوة فيفترق عنه الناس
ويفارقه أهل
الشام فيفترق أهل المشرق ثلاث فرق فرقة تلحق بالشام وفرقة تلحق بالأعراب وفرقة تلحق
به فيقبل بمن معه
قال كعب وهم اربعون ألفا وقال بعض العلماء سبعون ألفا ويأتي
الأمم فيستمدهم على أهل الشام فيجيبونه وتجمع اليه اليهود جميعا فيسير نحو الشام
مقدمته العصابة المشرقية معهم أعراب جدس عليهم الطيالسة فيفزع أهل الشام فيهربون
إلى الجبال ومأوى السباع إثنا عشر ألفا من الرجال وسبعة آلاف امرأة عامتهم إلى جبل
البلقاء قد اعتصموا به لا يجدون ما يأكلون غير شجر الملح وتهرب عنهم السباع إلى
السهل ومنهم من يأتي القسطنطينية فيسكنها ثم يتراسلون فيقبلون سراعا حتى ينزلوا
غربي الأردن عن نهر أبي فطرس ينطوي إليهم كل فار من الدجال ويعبؤن مسلحة عند
المنارة التي غربي الأردن ويقبل الدجال فيهبط من عقبة أفيق فينزل شرقي الأردن
فيحصرهم أربعين يوما فيأمر نهر أبي فطرس فيسيل إليه ثم يقول ارجع فيرجع إلى مكانه
ويقول أيبس فييبس ويأمر جبل ثور وجبل طور زيتا أن ينتطحا فينتطحان ويأمر الريح
فتثير السحاب من البحر فتمطر الأرض فتنبت ويأمر إبليس الأكبر ذريته باتباعه فيظهرون
له الكنوز فلا يمرون بخربة ولا أرض فيها كنز إلا نبذ إليه كنزه ومعه قبيل من الجن
فيتشبهون بموتاهم فيقول الحميم لحميمه ألم أمت وقد حييت ويخوض البحر في اليوم ثلاث
خوضات فلا يبلغ حقويه فيتميز المؤمنون والمنافقون والكافرون والهرب عنه خير من
المقام بين يديه للمتكلم يومئذ بكلمة يخلص بها من الأجر كعدد رمل الدنيا ويقاتل
الناس على الكفر فمن قتل منهم أضاءت قبورهم في الليلة المظلمة والليل الدامس
قال كعب فإذا رأى المؤمنون أنهم لا يستطيعون قتله ولا أصحابه
ساروا
غربي الأردن التي ببيت المقدس فيبارك لهم في ثمرها ويشبع الآكل من الشيء اليسير
لعظيم بركتها ويشبعون فيها من الخبز والزيت ويتبعهم الدجال ويأتيه ملكان
فيقول
أنا الرب
فيقول له أحدهما كذبت
ويقول الآخر لصاحبه صدقت
وصفته أنه أفحج
أصهب مختلف الحلق مطموس العين اليمنى إحدى يديه أطول من الأخرى يغمس الطويلة منها
في البحر فيبلغ قعره فتخرج من الحيتان يسير أقصى الأرض وأدناها في يومين خطوته مد
بصره وتسخر له الجبال والأنهار والسحاب ويأتي الجبل فيقوده ويدرك زرعه في يوم ويقول
للجبال تنحي عن الطريق فتفعل ويجيء إلى الأرض فيقول أخرجي ما فيك من الذهب فتلفظه
كاليعاسيب وكأعين الجراد ومعه نهر ماء ونهر نار وجنة خضراء ونار حمراء فناره جنة
وجنته نار وجبل من خبز من ألقاه في ناره لم يحترق يظهر عند عالية مرة وعلى باب دمشق
مرة وعند نهر أبي فطرس مرة وينزل عيسى ابن مريم عليه السلام
হযরত আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করে বলেন যে, দাজ্জালের গাধার দুই কানের মাঝখানে চল্লিশ গজ ব্যবধান হবে। আর তার গাধার কদম সাধারণত কদমে তিন দিনের সমান। সে তার গাধার উপরে সমুদ্রে প্রবেশ করবে যেমন নাকি তোমাদের কেউ তার ঘোড়ার উপর থাকা অবস্থায় ছোট নদীতে প্রবেশ করে। সে বলবে আমি সমগ্র পৃথীবির রব। এই সূর্য্য আমার অনুমতিতে চলে। তোমরা কি চাও যে, আমি তা বন্দি করে দেই। অতপর সে সূর্য্যকে বন্দি করে দিবে ফলে এক দিন এক মাস ও জুম’আর সমান হবে। অতপর সে বলবে তোমরা কি চাও যে, আমি তা তোমাদের জন্য জারি করে দেই? তখন লোকজন বলবে হ্যাঁ। তখন এক দিন এক ঘন্টার সমান হয়ে যাবে। অতপর তার নিকট একজন মহিলা আসবে। সে বলবে হে প্রভু, আমার সন্তানকে জীবিত করে দিন। আমার স্বামীকে জীবিত করে দিন। এমনকি মহিলা শয়তানের সাথে গলা মিশাবে। শয়তানের সাথে সহবাস করবে। তাদের নিকট সকল শয়তান আসবে। আর তার নিকট গ্রাম্য লোক এসে বলবে হে আমাদের রব আমাদের ছাগলগুলি আমাদের উটগুলি জীবিত করে দাও। তখন শয়তানগুলি তাদের ছাগল ও উটের বয়স, মোটাতাজা ও প্রচুর চর্বি সহকারে যে অবস্থায় ছাগল ও উট তাদের থেকে পৃথক হয়েছিল সেরূপ আকৃতি ধারণ করবে। তখন তারা বলবে ইনি যদি আমাদের রব না হতেন তাহলে তো তিনি আমাদের মৃত উট ও ছাগল জীবিত করতে পারতেন না। তার সাথে গরম গোস্ত তরকারি ঝোল থাকবে। যা ঠান্ডা হবে না। আর তার সাথে থাকবে প্রবাহিত নদী। সবুজ শ্যামল ও অনেক বাগান বিশিষ্ট পাহাড়। আগুণ ও ধোঁয়ার পাহাড়। সে বলবে এটা আমার জান্নাত। এটা আমার জাহান্নাম। এটা আমার খাবার। এটা আমার পানীয়। আর ইয়াসা তার সাথে থাকবে সে মানুষদের সতর্ক করতে থাকবে। আর সে বলবে, এটা (দাজ্জাল) মাসীহ মহা মিথ্যাবাদী। অতএব তাকে ত্যাগ কর। আল্লাহর লা’নত দাজ্জালের উপর। আল্লাহ তা’আলা তাকে দ্রুত ও গোপনে তাকে সম্পদ দিবেন। তার সাথে দাজ্জাল মিলিত হবে। যখন দাজ্জাল বলবে আমি পৃথীবির রব। তখন মানুষগণ বলবে তুমি মিথ্যা বলছ। তখন ইয়াসা বলবে মানুষ সত্য কথা বলেছে। অতপর সে মক্কায় যাবে। আর সেখান এক বিরাট মাখলূক দেখবে। অতপর সে বলবে তুমি কে? আর এই দাজ্জাল তোমাদের নিকট এসেছে। অতপর সে বলবে আমি মিকাঈল। আল্লাহ তা’আলা আমাকে পাঠিয়েছেন, যাতে আমি তাকে তার হারাম থেকে বিরত রাখতে পারি। এবং সে মদীনায় যাবে। আর সেখানেও এক মহান মাখলূক দেখতে পাবে। অতপর সে বলবে তুমি কে? এই দাজ্জাল তোমার নিকট এসেছে। উত্তরে সে বলবে আমি জিবরাঈল। আল্লাহ তা’আলা আমাকে পাঠিয়েছেন, যাতে আমি দাজ্জালকে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হরম থেকে বিরত রাখতে পারি। অতপর দাজ্জাল মক্কায় যাবে। যখন দাজ্জাল মিকাঈল আ. কে দেখবে তখন ভেগে পালাবে। আর হারামে প্রবেশ করবে না। অতপর দাজ্জাল একটি চিৎকার দিবে। ফলে মক্কার থেকে পুরুষ মুনাফেক ও মহিলা মুনাফেক তার দিকে বাহির হয়ে আসবে। অতপর দাজ্জাল মাদিনায় যাবে। আর যখন সেখানে জিবরাঈল আ. কে দেখবে তখন ভেগে পালাবে। অতপর দাজ্জাল একটি চিৎকার দিবে। ফলে মদীনা থেকে তার দিকে পুরুষ মুনাফেক ও মহিলা মুনাফেক বাহির হয়ে আসবে। আর যে দলের হাতে আল্লাহ তা’আলা কুস্তুনতুনিয়ার জয় দিয়েছেন এবং বাইতুল মুকাদ্দাসের মুয্সয্চুলমানদের থেকে যারা তাদের সাতে সমন্বিত হয়েছেন, তাদের নিকট একজন সতর্ককারী আসবে। তারা বলবে এই হল দাজ্জাল। তোমাদের নিকট এসেছে। অতপর তারা বলবে তোমরা বস। কেননা আমরা তাকে হত্যা করতে চাই। অতপর সে বলবে বরং তোমরা মানুসের নিকট তার বাহির হওয়ার খবর আসা পর্যন্ত ফিরে যাও। অতপর সে যখন ফিরবে তখন দাজ্জাল তার সাথে শামিল হবে। অতপর সে বলবে এই হল সেই ব্যক্তি যে ধারণা করে যে, আমি তার সাথে পারব না। সুতরাং তোমরা তাকে অত্যন্ত খারাপ ভাবে হত্যা করা। ফলে তারা অস্ত্র নিয়ে ছড়িয়ে পরবে। অতপর দাজ্জাল বলবে যদি আমি তোমাদের জন্য তাকে জীবিত করি তাহলে তোমরা কি আমাকে রব হিসাবে মেনে নিবে? অতপর তারা বলবে আমরা জানি যে, তুমি আমাদের রব। আর আমরা এটা পছন্দ করি যে, আমাদের একীন বা বিশ্বাস বাড়াবো। অতপর সে বলবে হ্যাঁ। অতপর আল্লাহ তা’আলার অনুমতিতে একজন জীবিত হবে। আর আল্লাহ তা’আলা দাজ্জালকে উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত আর কাউকে জীবিত করার অনুমতি দিবেন না। অতপর দাজ্জাল বলবে আমি কি তোমাকে মৃত্যু দান করিনি? অতপর তোমাকে জীবিত করেছি। সুতরাং আমি তোমার রব। অতপর লোকটি বলবে এখন তুমি একীন বা বিশ্বাস বাড়িয়েছ। আমি হলাম ঐ ব্যক্তি যাাকে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ সুসংবাদ দিয়েছেন যে, তুমি আমাকে হত্যা করবে তারপর আল্ল্হা তা’আলা অনুমতি ক্রমে জীবিত করবে। আল্লাহ তা’আলা আমাকে ব্যতীত আর কাউকে তোমার জন্য জীবিত করবেন না। অতপর সে সতর্ককারীর চামড়ার উপর লোহ বা তামার পাত স্পর্শ করবে। কিন্তু তাদের অস্ত্র দ্বারা তার কোন চাল কাজে আসবে না। কোন তরবারী এবং কোন চাকু এবং কোন পাথর তাকে মারতে পারবে না। বরং তার থেকে ফিরে আসবে। তার থেকে তার কোন ক্ষতি হবে না। অতপর দাজ্জাল বলবে তাকে আমার জাহান্নামে নিক্ষেপ কর। অতপর আল্লাহ তা’আলা উক্ত পাহাড় (দাজ্জালের জাহান্নাম) কে সতর্ককারীর উপর সবুজ শ্যামল বাগানে পরিবর্তন করে দিবেন। অতপর জনগণ তাতে সন্দেহ পোষণ করেবে এবং প্রতিযোগিতা মুলক ভাবে বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে যাবে। যখন তারা আফিকের গিরিপথে উঠবে, তখন তার ছায়া তাদের উপর পড়বে। তখন তারা তাদের ধনুকে তীর সংযোজন করবে তাকে হত্যা করার জন্য। সেদিন মুসলমানগণ নিঃস্ব বা অভাবগ্রস্থ হয়ে যাবে। (মুসলমানদের থেকে) যে হাটু গেড়ে বসবে বা উপবেশন করবে সে ক্ষুধার কারণে হাটু গেড়ে বসবে বা ক্ষধার কারণে উপবেশন করবে। অতপর তার একজন ঘোষণাকারীর ডাক শুনবে যে, হে লোক সকল তোমাদের নিকট সাহাজ্য এসে গেছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢٧
حدثنا أبو
عمر عن ابن لهيعة عن عبد الوهاب بن حسين عن محمد بن ثابت عن أبيه عن الحارث
عن
عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بين أذني حمار الدجال أربعون ذراعا وخطوة
حماره مسيرة ثلاثة أيام يخوض البحر على حماره كما يخوض
أحدكم الساقية على
فرسه يقول أنا رب العالمين وهذه الشمس تجري بإذني أفتريدون أن أحبسها فتحبس الشمس
حتى يجعل اليوم كالشهر والجمعة ويقول أتريدون أن أسيرها لكم
فيقولون نعم فيجعل
اليوم كالساعة وتأتيه المرأة فتقول يا رب أحيي ابني وأحيي زوجي حتى أنها تعانق
شيطانا وتنكح شيطانا وبيوتهم مملوءة شياطين ويأتيه الأعراب فيقولون يا ربنا أحيي
لنا غنمنا وإبلنا فيعطيهم شياطين أمثال غنمهم وإبلهم سواء بالسن والسمة على حال ما
فارقوها عليه مكتنزة شحما
يقولون لو لم يكن هذا ربنا لم يحي لنا موتانا من
الإبل والغنم ومعه جبل من مرق وعراق اللحم حار لا يبرد ونهر جار وجبل من جنان وخضرة
وجبل من نار ودخان
يقول هذه جنتي وهذه ناري وهذا طعامي وهذا شرابي
واليسع
معه ينذر الناس ويقول هذا المسيح الكذاب فاحذروه لعنه الله
يعطيه الله من
السرعة والخفة مالا يلحقه الدجال
فإذا قال أنا رب العالمين
قال له الناس
كذبت
ويقول اليسع صدق الناس فيمر بمكة فإذا هو بخلق عظيم
فيقول من أنتم فإن
هذا الدجال قد أتاك
فيقول أنا ميكائيل بعثني الله تعالى أن أمنعه من حرمه ويمر
بالمدينة فإذا هو بخلق عظيم
فيقول من أنت هذا الدجال قد أتاك
فيقول أنا
جبريل بعثني الله تعالى لأمنعه من حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم
ويمر
الدجال بمكة فإذا رأى ميكائيل ولى هاربا ولا يدخل الحرم فيصيح صيحة فيخرج إليه من
مكة كل منافق ومنافقه
ثم يمر بالمدينة فإذا رأى جبريل ولى هاربا فيصيح صيحة
فيخرج إليه من المدينة كل منافق ومنافقة ويأتي النذير إلى الجماعة التي فتح الله
على أيديهم القسطنطينية ومن تألف إليهم من المسلمين ببيت المقدس
يقولون هذا
الدجال قد أتاكم
فيقولون اجلس فإنا نريد قتاله
فيقول بل أرجع حتى أخبر
الناس بخروجه فإذا انصرف تناوله الدجال
ثم يقول هذا الذي يزعم أني لم أكن أقدر
عليه فاقتلوه شر قتلة فينشر بالمناشير
ثم يقول إن أنا أحييته لكم تعلمون أني
ربكم
فيقولون قد نعلم أنك ربنا وأحب إلينا نزداد يقينا
فيقول نعم فيقوم
بإذن الله تعالى لا يأذن الله لنفس غيرها للدجال أن يحييها
فيقول أليس قد أمتك
ثم أحييتك فأنا ربك
فيقول الآن ازددت يقينا أنا الذي بشرني رسول الله صلى الله
عليه وسلم أنك تقتلني ثم أحيا بإذن الله تعالى لا يحيى الله لك نفسا غيري فيضع على
جلد النذير صفائح من نحاس فلا يحيك فيه شيء من سلاحهم لا بضرب سيف ولا سكين
ولا حجر إلا تحول عنه ولم يضره منه شيء
فيقول اطرحوه في ناري ويحول الله
[
تعالى ] ذلك الجبل على النذير جنانا خضرة فيشك الناس فيه ويبادر إلى بيت المقدس
فإذا صعد على عقبة أفيق وقع ظله على المسلمين فيوترون قسيهم لقتاله فأقوى المسلمين
يومئذ من برك باركا أو جلس جالسا من الجوع والضعف ويسمعون النداء يا أيها الناس قد
أتاكم الغوث
হযরত হাসান থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন সেদিন মুমিনদের খাদ্য হবে আল্লহ তা’আলার তাসবীহ এবং তাহলীল এবং আল্ল্হা তা’আলার তাহমীদ বা প্রশংসা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢٨
حدثنا ابن فضيل عن ابن أبي سفيان عن الحسن قال
قال رسول الله صلى
الله عليه وسلم طعام المؤمنين يومئذ التسبيح والتهليل والتحميد
হযরত উবাইদ ইবনে উমাইর আল লাইসী থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জাল বাহির হবে। আর তাকে এমন একদল মানুস অনুসরণ করবে যারা বলবে আমরা সাক্ষ্য দেই যে, সে (দাজ্জাল) কাফের। আর আমরা তাকে অনুসরণ করি যাতে আমরা তার খাদ্য থেকে খেতে পারি। আর আমরা গাছ থেকে রক্ষা পেতে পারি। আর যখন আল্লাহ তা’আলা গযব নাযিল করবেন তখন তাদের সকলের উপর ( দাজ্জাল ও তাকে কাফের স্বীকৃতি দানকারী দল) গযব নাযিল করবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢٩
حدثنا
عبدة بن سليمان عن هشام بن عروة عن وهب بن كيسان
عن عبيد بن عمير الليثي قال
يخرج الدجال فيتبعه ناس يقولون نحن نشهد أنه كافر وإنما نتبعه لنأكل من طعامه ونرعى
من الشجر فإذا نزل غضب الله نزل عليهم جميعا
হযরত মুয়াম্মার বলেন যে, আমার নিকট এখবর পৌছেছে যে, দাজ্জাল তার গলায় একটি তামার পাত রাখবে। আর আমার নিকট এখবরও পৌছেছে যে, যেই সতেজতা দাজ্জাল হত্যা করবে তা পুনরায় আবার জীবিত করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣٠
حدثنا عبد الرزاق حدثنا
معمر قال
بلغني انه يجعل على حلقه صفيحة من نحاس وبلغني أن الخضر الذي يقتله
الدجال ثم يحييه
হযরত মুয়াম্মার বলেন যে, তার নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আবু কাসীর বর্ণনা করে বলেছেন যে, সাধারণ ভাবে যারা দাজ্জালের অনুসরণ করবে তারা হল ইস্পাহানের ইহুদি।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣١
قال معمر وأخبرني يحيى بن أبي كثير يرويه قال
عامة
من يتبع الدجال يهود أصبهان
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন দাজ্জালের বাম চক্ষু হবে কানা। মাথার চুল হবে অত্যাধিক। তার সাথে একটি জান্নাত ও একটি জাহান্নাম থাকবে। (আর বাস্তবিক পক্ষে) তার জাহন্নাম হল জান্নত এবং তার জান্নাত হল জাহান্নাম।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣٢
حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن أبي وائل
عن حذيفة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الدجال أعور العين
اليسرى جفال الشعر معه جنة ونار فناره جنة وجنته نار
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জালের বাহির হওয়াটা আমার নিকট পুরুষ ছাগলের গোস্তের চেয়ে আগ্রহের কিছু নয়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣٣
حدثنا وكيع عن
إسماعيل ابن أبي خالد عن حكيم بن جابر
عن حذيفة قال ما خروج الدجال عندي بأكرث
من تيس اللحام
হযরত আবু ওয়ায়েল থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জালের অধিকাংশ অনুসারী হবে ইহুদি এবং মাওয়ামেসের সন্তান।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣٤
حدثنا وكيع عن سفيان عن واصل الأحدب
عن أبي وائل قال
أكثر تبع الدجال اليهود وأولاد الموامس
হযরত উবাইদ ইবনে উমাইর হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন অনেক দল মানুষ দাজ্জালের সাথী হবে তারা বলবে আমরা দাজ্জালের সঙ্গ দিয়েছি অথচ আমরা জানি যে, দাজ্জাল কাফের। তবুও আমরা তার সঙ্গ দিয়েছি যাতে আমরা তার খাদ্য থেকে খেতে পারি এবং গাছ থেকে বাঁচতে পারি। অতপর যখন আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর গযব নাযিল করবেন তখন তাদের সকলের উপর গযর নাযিল করবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣٥
حدثنا أبو معاوية عن هشام بن
عروة عن وهب بن كيسان
عن عبيد بن عمير قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم
ليصبحن الدجال أقوام يقولون إنا لنصحبه وإنا لنعلم أنه كافر ولكنا نصحبه نأكل من
الطعام ونرعى من الشجر فإذا نزل غضب الله تعالى عليهم كلهم
হযরত ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন দাজ্জালের এক চক্ষু হবে নিঃশ্চিন্থ আরেক চক্ষু হবে রক্ত মিশ্রিত কেমন যেন গোলাপ। আর তার সাথে দুটি পাহাড় চলবে একটি পাহাড় হল নদী ও ফলমূল এর আরেকটি পাহাড় হল ধোঁয়া ও আগুনের। সে চুলকে খন্ড বিখন্ড করার মত সূর্য্যকে খন্ড বিখন্ড করবে। এবং পাখিকে বাতাশে সামিল করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣٦
حدثنا الحكم
بن نافع عن سعيد بن سنان عن أبي الزاهرية عن كثير بن مرة
عن ابن عمر رضى الله
عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الدجال إحدى عينيه مطموسة والأخرى ممزوجة
بالدم كأنها الزهرة ويسير معه جبلان جبل من أنهار وثمار وجبل دخان ونار يشق الشمس
كما يشق الشعرة ويتناول الطير في الهواء
হযরত ছালেম হতে বর্ণিত যে, তিনি হযরত ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা কে বলতে শুনেছেন যে, রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন আমি এক ব্যক্তিকে (স্বপ্নে) দেখেছি, যার গায়ের রং লাল। চুলগুলি কোকড়ানো। ডান চক্ষু কানা। তোমার দেখা মানুষের মধ্যে ইবনে কাতানের সাথে সাদৃশ্য পূর্ণ। ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন অতপর আমি জিজ্ঞাসা করলাম এই লোকটি কে? উত্তরে বলা হল মাসীহ দাজ্জাল।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣٧
حدثنا ابن وهب عن حنظلة سمع
سالما
سمع ابن عمر رضى الله عنهما يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أريت
رجلا [ أ ] حمر جعد الرأس أعور عين اليمين أشبه من رأيت به ابن قطن فسألت من هذا
فقيل المسيح الدجال
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন মানুষের যুদ্ধ বিগ্রহ হল পাঁচটি। দুটি অতিবাহিত হয়ে গেছে। আর বাকী তিনটি এই উম্মতের মধ্যে সংঘঠিত হবে। আর তা হল তুর্কের যুদ্ধ। আরেকটি হল রোমের যুদ্ধ। আরেকটি হল দাজ্জালের যুদ্ধ। আর দাজ্জালের যুদ্ধের পর আর কোন যুদ্ধ নেই।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣٨
حدثنا ابن علية عن عوف عن أبي المغيرة القواس
عن
عبد الله بن عمرو قال ملاحم الناس خمس فثنتان قد مضتا وثلاث في هذه الأمة ملحمة
الترك وملحمة الروم وملحمة الدجال ليس بعد ملحمة الدجال ملحمة
হযরত আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জালের গাধার কান সত্তর হাজার লোককে ছায়া দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣٩
حدثنا
عبدة وكيع عن مسعر عن عبد الملك بن ميسرة عن حوط العبدي
عن عبد الله قال أذن
حمار الدجال تظل سبعين ألفا
হযরত আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, দাজ্জালের গাধার কানের ছায়ায় সত্তর হাজার লোক ছায়া গ্রহণ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৪০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٤٠
حدثنا عبد الرزاق عن سفيان عن الأعمش عن عبد
الملك بن ميسرة الزراد عن حوط العبدي
عن عبد الله قال يستظل في ظل أذن حمار
الدجال سبعون ألفا
হযরত আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জালের গাধার কান সত্তর হাজার লোককে ছায়া দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৪১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٤١
حدثنا محمد بن جعفر عن شعبة عن عبد الملك بن ميسرة عن
حوط عن عبد الله قال أذن حمار الدجال تظل سبعين الفا
হযরত ছালেম তার পিতা থেকে তার পিতা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করে বলেন যে, একবার রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার সাহাবী সহকারে ইবনে ছাইয়াদের পাশ দিয়ে গেলেন। আর সাহাবীগণের মধ্যে হযরত উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন। আর ঐসময় ইবনে ছাইয়াদ অন্যান্য বালকদের সাথে বনী মাগালার টিলার নিকটে খেলাধুলা করতে ছিল। আর সে ছিল বালক। কিন্তু সে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আগমন অনুভব করতে পারে নাই, অবশেষে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার পিঠে হাত মারলেন এবং বললেন তুমি কি সাক্ষ্য প্রদান কর যে, আমি আল্লাহর রাসূল? তখন ইবনে ছাইয়াদ রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দিকে দেখল। এবং বলল আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি উম্মীদের রাসূল। অতপর ইবনে ছাইয়াদ রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলল, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে, আমি আল্লাহর রাসূল? অতপর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন আমি আল্লাহ ও তার রাসূলদের প্রতি ঈমান এনেছি। অতপর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন তোমার নিকট কি আসে? ইবনে ছাইয়াদ বলল আমার নিকট সত্যবাদী (ফেরেশতা) ও মিথ্যাবাদী (শয়তান) আসে। অতপর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন তোমার নিকট প্রকৃত ব্যাপার এলোমেলো হয়ে গেছে। অতপর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন আমি (আমার অন্তরে) একটি বিষয় তোমার নিকট গোপন করেছি। (যদি পার তাহলে বল) (আর বর্ণনাকারী বলেন) আর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার থেকে يوم تأتي السماء بدخان مبين গোপন রাখলেন। ইবনে ছাইয়াদ বলল উহা হল দাখ বা ধোঁয়া। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন তুমি দূর হও। তুমি কখনও নিজের সীমার বাহিরে যেতে পারবে না। তখন উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন হে আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে অনুমতি প্রদান করুন আমি তার গর্দানে মেরে দেই (হত্যা করে দেই)।অতঃপর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন এই যদি সেই (দাজ্জাল) হয় তাহলে তুমি তাকে কব্জা করতে সক্ষম হবে না। আর যদি সে (দাজ্জাল) না হয় তাহলে তার হত্যা করায় তোমার কোন কল্যাণ নেই।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৪২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٤٢
حدثنا عبد الرزاق
عن معمر عن الزهري عن سالم
عن أبيه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه مر
بابن صياد في نفر من أصحابه فيهم عمر رضى الله عنه وهو يلعب مع الغلمان عند أطم بني
مغالة وهو غلام فلم يشعر حتى ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ظهره بيده
ثم قال أتشهد أني رسول الله
فنظر إليه ابن صياد وقال أشهد أنك رسول
الأميين
ثم قال ابن صياد للنبي صلى الله عليه وسلم أتشهد أني رسول الله
فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم آمنت بالله وبرسله
ثم قال له رسول
الله صلى الله عليه وسلم ما يأتيك
قال ابن صياد يأتيني صادق وكاذب
فقال
رسول الله صلى الله عليه وسلم خلط عليك الأمر
ثم قال رسول الله صلى الله عليه
وسلم قد خبأت لك خبيئا وخبأ له يوم تأتي السماء بدخان مبين
قال ابن صياد هو
الدخ
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اخسأ فلن تعدو قدرك
قال عمر يا رسول
الله ائذن لي فأضرب عنقه
فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن يكن هو فلن تسلط
عليه وإلا يكن هو فلا خير لك في قتله
হযরত ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন একদিন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত উবাই ইবনে কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু বৃক্ষ বাগানের দিকে রওয়ানা দিলেন। যেখানে ইবনে ছাইয়াদ ছিল। এমনকি যখন তারা বাগানে প্রবেশ করলেন। তখন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খেজুর গাছের আড়ালে লুকিয়ে অগ্রসর হলেন, তাঁর লক্ষ্য ছিল ইবনে ছাইয়াদ তাঁকে দেখার পূর্বে তিনি তার কিছু কথা শুনে নিবেন। আর তখন ইবনে ছাইয়াদ একখানা চাদর জড়িয়ে তার বিছানায় শোয়া ছিল এবং গুনগুন শব্দ করতেছিল। তখন ইবনে ছাইয়াদের মা দেথতে পেল যে, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খেজুর গাছের আড়ালে আছেন। অতপর সে ইবনে ছাইয়াদকে ডাকল, হে সাফ আর এটা তার নাম। এইযে মুহাম্মাদ! অতপর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন যদি তার মা তাকে ডাক না দিত তাহলে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যেত।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৪৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٤٣
قال الزهري قال ابن عمر رضى الله
عنه
انطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبي بن كعب رضى الله عنه يؤمان النخل
التي فيه ابن صياد حتى إذا دخلا النخل طفق رسول الله صلى الله عليه وسلم يتقي بجذوع
النخل وهو يختل ابن صياد لأن يسمع [ من ] ابن صياد شيئا قبل أن
يراه وابن
صياد مضطجع على فراش في قطيفة له فيها زمزمة فرأت أم ابن صياد رسول الله صلى الله
عليه وسلم وهو يتقي بجذوع النخل
فقالت أبي صاف وهو اسمه هذا محمد
فقال رسول
الله صلى الله عليه وسلم لو تركته بين
হুসাইন ইবনে আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার ইবনে ছাইয়াদের থেকে ’দুখান’ গোপন করেন। অথবা তাকে যা তিনি গোপন করেছেন তা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। উত্তরে ইবনে ছাইয়াদ বলল ’দাখ’। অতপর রাসুূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন তুমি দূর হও। তুমি কখনও নিজের সীমার বাহিরে যেতে পারবে না। অতপর যখন ইবনে ছাইয়াদ চলে গেল, তখন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন যে, সে কি উত্তর দিয়েছে? তখন তাদের কেউ বলল ’দাখ’। আর কেউ বলল ’যবাহ’ অথবা ’দাখ’। অতপর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন আমি তোমাদের মধ্যে থাকা অবস্থায় তোমরা মতানৈক্যতা করছ। সুতরাং তোমরা আমার পরে প্রচন্ড মতানৈক্যতায় পড়বে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৪৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٤٤
قال الزهري عن سنان بن أبي سنان
سمع حسين بن علي رضى الله عنهما يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خبأ لابن
صياد دخانا أو سأله عما خبأ له
فقال دخ
فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم
إخسأ فلن تعدو قدرك فلما ولى
قال النبي ما قال
قال بعضهم دخ وقال بعضهم ذبح
أو دخ
فقال النبي صلى الله عليه وسلم قد اختلفتم وأنا بين أظهركم فأنتم بعدي
أشد اختلافا
হযরত হিশাম ইবনে আরওয়া তার পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেন যে, ইবনে ছাইয়াদের জন্ম হবে অন্ধ ও খতনা করা অবস্থায়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৪৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٤٥
قال معمر عن هشام بن عروة
عن أبيه قال ولد ابن صياد
أعور مختن
হযরত আবু বাকরা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বণিত যে, তিনি বলেন মুসাইলামার ক্ষেত্রে অধিকাংশ মানুষ রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একথা বলার পূর্বে তার ভিতর কিছু আছে। অতপর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুতবা দেয়ার জন্য দাড়ালেন। অতপর বললেন, পর কথা হল এইযে, এই ব্যক্তি যার ব্যাপারে তোমরা বেশী করছ। সে হল ত্রিশজন বড় মিথ্যাবাদীদের মধ্যে একজন বড় মিথ্যাবাদী। যারা মাসীহ এর সামনে বাহির হবে। আর সে একমাত্র মদীনা ব্যতীত পৃথীবির প্রত্যেকটি এলাকায় যাবে এবং তার প্রত্যেক ছিদ্র দিয়ে ভয় দেখাবে। দুইজন ফেরেশতা মদীনাকে প্রতিরক্ষা করবে মাসীহ এর ভয় থেকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৪৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٤٦
قال معمر قال الزهري عن طلحة بن عبد الله بن عوف
عن أبي
بكرة قال أكثر الناس في مسيلمة قبل أن يقول رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه شيئا
فقام النبي صلى الله عليه وسلم خطيبا
فقال أما بعد ففي شأن هذا الرجل
[
الذي ] قد أكثرتم فيه وإنه لكذاب من ثلاثين كذابا يخرجون بين يدي المسيح وأنه ليس
من بلدة إلا يبلغها رعب المسيح إلا المدينة على كل نقب من أنقابها ملكان يذبان عنها
رعب المسيح

Execution time: 0.06 render + 0.01 s transfer.