Login | Register

নুয়াইম বিন হাম্মাদের: আল ফিতান

আমাক এবং কুস্তুনতিনিয়া বিজয়ের বাকি আলোচনা

   

আমাক এবং কুস্তুনতিনিয়া বিজয়ের বাকি আলোচনা

Double clicking on an arabic word shows its dictionary entry
হযরত শুরাইহ ইবনে উবাইদ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন:

আমি হযরত কাব রহঃ কে বলতে শুনেছি, বায়তুল মোকাদ্দাসের ধ্বংসের পর পরই কুস্তুনতিনিয়া আবাদ করা হবে। সেখানে অনেকে সম্মানিত এবং বড়ত্ব প্রদর্শন করবে, অতপর তাদেরকে বড়ত্ব প্রদর্শনকারী হিসেবে আহ্বান করা হবে। তখন সে বলবে আমার প্রভুর আরশ পানির উপর স্থাপন করা হয়েছে এবং আমিই সেটাকে পানির উপর প্রতিষ্ঠা করেছি।

অতঃপর আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের পূর্বে আযাব দেয়ার ওয়াদা করেছেন। এরপর আল্লাহ তাআলা বলেছেন, আমি অবশ্যই তখন তোমার অলঙ্কার, তোমার কাপড় এবং উড়না ছিনিয়ে নিব এবং তোমাকে এমন এলাকায় ছেড়ে দিব সেখানে মোরগ পর্যন্ত ডাকবেনা। তোমার এলাকায় শিয়াল ব্যতীত কোনো জীবজন্তু আবাদ হবেনা। সেখানে কোনো গাছপালা, পাথর, ঘাস বলতে কিছুই থাকবেনা এবং তোমার উপর আমি তিন প্রকারের আগুন অবতীর্ন করব। এক প্রকারের আগুন হবে আলকাতরার, দ্বিতীয় প্রকারের হবে দিয়শলাইয়ের এবং তৃতীয় প্রকারের আগুন হবে পেট্রোলের। এবং আমি টেকো মাথা এবং উদ্ভিদ বিহীন ভূখন্ডের অধিকারী করে ছাড়বো। আসমানের নিচে জমিনের উপরে তোমার সাথে কেউ থাকবেনা। তোমার চিৎকার এবং আহাজারী কোথাও পৌছবেনা। এবং আসমানের উপর আধিষ্ঠিত থাকব। যেহেতু সে দীর্ঘ দিন থেকে আল্লাহর সাথে শিরক করে আসছিল এবং আল্লাহ তাআলা ব্যতীত অন্যের উপাসনায় লিপ্ত ছিল।

যে প্রতিবেশী তার সৌন্দর্যে পাগল হয়ে বারবার তাকে সূর্যের সাথে দেখতে চেয়েছিল সে এসে তোমার দরজায় করাঘাত করবে। যারা তার মালিকানাধীন ঘরের দিকে পায়ে হেটে আসতে চেয়েছিল তারা আর কখনো দূর্বল হবেনা। যেহেতু তারা সেখানে প্রায় বারোজন বাদশাহর সম্পদ প্রাপ্ত হবে প্রত্যেকের সম্পদে বৃদ্ধিই পেতে থাকবে কোনো ধরনের কমতি হবে না। সেই সম্পদ গরুর সমতুল্য হবে, আর কারো কারো সম্পদ হবে শিশার তৈরি ঘোড়ার সমতুল্য। যেগুলোর মাথার উপর পানি প্রবাহিত থাকবে।

তাদের সম্পদগুলো ঢালের উপর রেখে বন্টন করা হবে এবং কুড়াল দ্বারা সেটা কর্তন করা হবে। তারা এমন অবস্থায় দিনাতিপাত করতে গেলে হঠাৎ করে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে ওয়াদাকৃত আগুন এসে যাবে। এ অবস্থা দেখে তারা সাধ্যমত মাল-সামানা বহন করে নিয়ে যাবে এবং ফরকাদুনা নামক স্থানে সেটা বন্টন করবে।

অতঃপর শামের দিক থেকে হঠাৎ সংবাদ এসে পৌছবে যে, দাজ্জালের আবির্ভাব হয়েছে, একথা শুনে তারা হাতের সবকিছু ছুড়ে ফেলে দিয়ে দৌড় দিবে এবং শামে পৌছে জানতে পারবে সংবাদটি প্রতারনা এবং মিথ্যা ছিল।

হাদীস বর্ননাকারী আবু আইউব রহঃ বলেন, শব্দটি হচ্ছে, নাফজাতুন। তিনি আরো বলেন, ঐ সময় যারা নিজেদের ঘরের দেয়ালের উপর দাড়াবে, তারা ভয়ে আতংকে প্রশ্রাব করে দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩১৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣١٣
حدثني أبو أيوب عن أرطاة عن شريح عن كعب
وبقية بن الوليد وأبو
المغيرة عن صفوان بن عمرو حدثنا شريح بن عبيد قال
سمعت كعب الحبر يقول سميت
القسطنطينية
بخراب بيت المقدس فتعززت وتجبرت
فدعيت المستكبرة
وقالت يكون عرش ربي
بني على الماء
فقد بنيت على الماء
فوعدها الله تعالى العذاب قبل يوم القيامة فقال
لأنزعن حليك وحريرك وخميرك ولأتركنك لا يصيح فيك ديك ولا أجعل لك عامرا إلا الثعالب
ولا نباتا إلا الحجارة والينبوت و
لأنزلن عليك ثلاث نيران
نار من زفت ونار من كبريت
ونار من نفط ولأتركنك جلحاء قرعاء لا يحول بينك وبين السماء شيء وليبلغن صوتك
ودخانك وأنا في السماء فإنه طال ما أشرك بالله تعالى فيها وعبد غيره وليقترعن فيها
بجوار ما يكدن يرين الشمس من حسنهن فلا يعجزن من بلغ منكم أن
يمشي منكم إلى بيت
بلاط ملكهم
فإنكم ستجدون فيه
كنز إثني عشر ملكا
من ملوكهم كلهم يزيد فيه ولا ينقص
منه على تماثيل بقر أو خيل من نحاس يجري على رؤسها الماء
فليقتسمن كنوزها كيلا
بالأترسة
وقطعا بالفؤس فإنكم منه على ذلك حتى يعجلكم النار التي وعدها الله
فتحتملون ما استطعتم من كنوزها
حتى تقتسموه بالفرقدونه
فيأتيكم آت من قبل الشام إن
الدجال قد خرج فترفضون ما في أيديكم فإذا بلغتم الشام وجدتم الأمر باطلا وإنما هي
نفجة كذب
وقال أبو أيوب نفجة وقال في الفرقدونه وقال لا يقوم رجل من بيته
إلى جدار من جدرك يبول عليك
হযরত কাব রহঃ বলতেন, যখন সবচেয়ে বড় যুদ্ধ, অর্থাৎ, রোমের যুদ্ধ সংগঠিত হবে, তখন তোমাদের এক তৃতীয়াংশ পলায়ন করে রোম বাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যাবে, দ্বিতীয় আরেক তৃতীয়াংশ বেরিয়ে পড়বে। আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে নিরাপদে রাখবেন। তবে আল্লাহ তাআলা তাদের অবশিষ্টদের প্রতি এক প্রকারের পাখি প্রেরন করবেন, যারা তাদের চোখ উপড়ে ফেলবে। ফলে বাকি লোকজন বিকৃতাবস্থায় পড়ে থাকবে। হে আল্লাহর বান্দাগন! তোমাদের কেউ এমন অবস্থার সম্মুখিন হলে নিজেকে কাপুরুষতা থেকে বাচিয়ে রেখে যেন পালানের নিচে এসে প্রবেশ করে। অথবা উক্ত পালানের খুটি শক্ত করে ধরবে এবং ধৈর্য্য ধারন করবে। যেহেতু আল্লাহ তাআলা এ তৃতীয় দলকে অবশ্যই সাহায্য করবেন। এটা তখনই হবে যখন তোমাদেরকে রোম বাহিনী দুর্বল করে ফেলবে এবং তোমাদের প্রতি তারা লোভী হয়ে উঠবে। রোমীরা বলবে সকাল হলেই তোমরা নিজেদের ঘোড়ার উপর আরোহন করতঃ মুসলমানদেরকে পিসে মাটির সাথে মিশে দাও, যেন এ জমিনে কেউ কখনো ইসলামের কথা বলতে না পারে। তার কথা শুনে আল্লাহ তাআলা খুবই রাগান্বীত হবেন এক পর্যায়ে চতুর্থ আসমানে থাকা আল্লাহর হাতিয়ারও আযাবকে সম্মোধন করে বলবেন, এ পৃথিবীতে একমাত্র আমার দ্বীন ইসলাম এবং আমিই বাকি থাকব। আর ইয়ামান বাসিও কাইস বাকি থাকবে। আজ আমি আমার বান্দাদেরকে অবশ্যই সাহায্য করব। আল্লাহ তাআলার দুই হাত দুই কাতারের উপর থাকবে। উক্ত হাতকে কোনো গোত্রের উপর প্রসারিত করলে তারা পরাজিত হয়ে পৃষ্টপ্রদর্শন করতে বাধ্য হয়। হে ইয়ামান বাসিরা! তোমরা কাইসের সাথে শত্রুতা পোষন করোনা। হে কাইস! তোমরা ইয়ামান বাসিকে ভালোবাসো। যেহেতু কাইস বাসির ব্যক্তিগতও চারিত্রিকভাবে উত্তম মানুষদের অন্তর্ভুক্ত। কসম সে সত্তার যার হাতে কাবের প্রান, হে ইয়ামান বাসিরা! কাইসও তোমরাই সেদিন ইসলাম ধর্মের উপর পুরোপুরি অবিচল থাকবে। সেদিন কাইস গোত্রের লোকজন অনেক দুশমনকে হত্যা করলেও দুশমনের কেউ তাদেরকে হত্যা করতে পারবেনা। তেমনিভাবে বনী আযদও শত্রুদেরকে হত্যা করবে, তবে তাদেরও কতক লোক মারা যাবে। আর লাখমও জুযাম গোত্রের লোকজনও শত্রুদেরকে হত্যা করবে এবং শত্রুরা তাদের কাউকে হত্যা করতে পারবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩১৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣١٤
قال صفوان وحدثني شريح بن عبيد وسليم بن
عامر الجبائرين
أن كعبا كان يقول إذا كانت الملحمة العظمى ملحمة الروم هربت
منكم ثلة فلحقت بالعدو خرجت ثلة أخرى فأسلموكم خسف الله ببعضهم وبعث على من بقي
منهم طيرا يخطف أبصارهم ثم تبقى الثلة الباقية فيا عباد الله
من أدرك ذلك منكم
فغلبته نفسه على الجبن
فليدخل تحت إكافة أو يمسك بعمود فسطاطه وليصبر فإن الله
تعالى ناصر الثلة الباقية وذلكم حين يستضعفكم الروم ويطمعون فيكم
يقول صاحب
الروم إذا أصبحتم فاركبوا على ذات حافر من الدواب ثم أوطؤهم وطئة واحدة لا يذكر هذا
الدين في الأرض أبدا يعني الإسلام
قال فيغضب الله تعالى عند ذلك حتى يكون في السماء
الرابعة وفيها سلاح الله وعذابه فيقول
لم يبق إلا أنا وديني الإسلام وأهل اليمن قيس
لأنصرن عبادي اليوم ويد الله بين الصفين إذا أمالها على قوم كانت الدبرة عليهم فيا
أهل اليمن لا تبغضوا قيسا ويا قيس أحبوا اهل اليمن فإن قيسا من خيار الناس أنفسا
وأخلاقا والذي نفس كعب بيده لا يجالد عن دين الإسلام يومئذ إلا أنتم يا أهل اليمن
وقيس وقيس يومئذ يقتلون الأعداء ولا يقتلون والأزد يقتلون الأعداء ويقتلون أو قال
ولا يقتلون ولخم وجذام يقتلون الأعداء ولا يقتلون
হযরত কাব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, সাবা এবং কাযের এর সন্তানদের হাতে কুস্তুনতিনিয়া নগরীর বিজয় হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩১৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣١٥
قال صفوان وأخبرني
شريح بن عبيد وأبو المثنى
عن كعب قال تفتح القسطنطينية على يدي ولد سبأ وولد
قاذر
বিশিষ্ট তাবেয়ী হযরত কাব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, অতিসত্তর ইয়াফা এলাকার ঘটনা সংঘঠিত হবে, যার মধ্যে মুসলমানগন তাদেরকে হত্যা করবে। যে যুদ্ধটি লাগাতার বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনিও রবিবার পর্যন্ত চলতে থাকবে। এরপর সোমবার দিন আল্লাহ তাআলা মুসলমানদেরকে বিজয়ী করবেন। হাদীস বর্ননাকারী হযরত সফওয়ান রহঃ বলেন, আমি এহাদীসটি সম্বন্ধে হযরত খালেদ ইবনে কায়সানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমার কাছে আমার পিতা হাদীস বর্ননা করেছেন, তিনি বলেন, ইয়াফা নগরীতে যখন আল্লাহ তাআলা রোম বাহিনীকে পরাজিত করবেন তখন তারা সেখান থেকে চলে গিয়ে আমাক নামক স্থানে সংঘটিত হবে। অতঃপর সে এলাকায় মারাতœক এক যুদ্ধ হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩১৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣١٦
حدثنا بقية عن صفوان عن شريح بن عبيد
عن كعب قال تكون
وقعة
بيافا
يقاتلهم المسلمون تقع الأربعاء والخميس والجمعة والسبت والأحد ثم
يفتح الله
للمسلمين يوم الإثنين
قال صفوان فسألت عن ذلك خالد بن كيسان فقال حدثني أبي قال
إذا هزم الله الروم من
يافا
,
ساروا حتى يجتمعوا
بالأعماق
فتكون الملحمة ملحمة
الأعماق
হযরত কাব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, অতিসত্তর তোমরা কায়সারিয়াতুর রোম আবাদ করবে তখন মুসলমানগন সে এলাকার পাহাড় গুলোকে রশিও পরিমাপের স্কেলের বিনিময়ে বিক্রি করবে। সে সময় পৃথিবীতে শান্তি এবং নিরাপত্বা এমন ভাবে বিরাজ করবে জনৈকা মহিলা একাকীভাবে তার গাধার উপর আরোহন করে বায়তুল মোকাদ্দাসের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে। একমাত্র তার সাথে পিছনে পিছনে তার কুকুরই আসবে। সে মহিলা লোকজনকে জিজ্ঞাসা করবে বায়তুল মোকাদ্দাসের সহজ রাস্তা কোনটি। এভাবে চলার পথে সে কাউকে ভয় করবেনা। লোকজনের কাছ থেকে কোনো প্রকারের আশংকা বোধ করবেনা, এমনকি হাতে কোনো লাঠিও রাখবেনা, যেটা থাকবে এক সময় সেটাকেও ফেলে দিবে। একমাত্র আল্লাহ তাআলা ছাড়া আর কাউকে ভয় করবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩১৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣١٧
حدثنا عبد القدوس عن صفوان عن شريح بن عبيد
عن كعب قال
ستعمر
قيسارية الروم
حتى يقسم المسلمون مرجها بالحبال والأذرع حتى تخرج المرأة تريد
بيت المقدس آمنة على حميرها يتبعها كلبها تسأل أي الدروب أقرب إلى بيت المقدس لا
تخاف شيئا ويأمن الناس وتلقى العصى
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর আবনুল আস রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, নিঃসন্দেহে তোমাদেরকে রোমবাহিনী ছিন্নভিন্ন করতে করতে বের করে দিবে। এমনকি তোমাদেরকে লাখমও জুযাম এলাকায় ছাউনি ফেলতে বাধ্য করবে। একপর্যায়ে তোমাদেরকে পৃথিবীর একপ্রান্তে কোনঠাসা হতে বাধ্য করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩১৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣١٨
حدثنا بقية عن صفوان عن حاتم بن حرب
عن عبد الله بن عمرو بن العاص قال لتخرجنكم الروم كفرا كفرا حتى يوردونكم
[
لخماو ] جذام حتى يجعلونكم في طنبوب من الأرض
হযরত কাব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আল্লাহ তাআলা শামবাসিদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করবেন, যখন রোম বাহিনীর সাথে তাদের মারাতœকক যুদ্ধ হবে। উক্ত যুদ্ধে রোম বাহিনীর আক্রমনে আহলে ইয়ামনের মুসলমানগন দুই দফায় আক্রান্ত হবে এবং প্রথম দফায় সত্তর হাজার এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় আশি হাজার ইয়ামানী মারা যাবে। তাদের তলোয়ার বহনকারী আলÑমাসাদ বলবে, আমরা হলাম সিঃসন্দেহে আল্লাহর বান্দা এবং আল্লাহর দুশমনদের সাথে আমরা যুদ্ধ করব। আল্লাহ তাআলা তাদের উপর থেকে মহামারী, দূর্ভিক্ষ এবং বালাÑমসিবত উঠিয়ে নিবেন। ফলে ঐ সময় শাম নগরী থেকে নিরাপদও ভালো আবাহওয়া বিশিষ্ট কোনো এলাকা থাকবেনা। অথচ কিছুুদিন আগেও শাম দেশ ছিল মহামারী, দুর্ভিক্ষও নানান ধরনের বালাÑমসিবতে জর্জরিত শহর
হাদীস বর্ননাকারী হযরত কাব রহঃ বলেন, নিঃসন্দেহে পশ্চিমাদের মধ্যে একজন বাদশাহ হবেন, যে বাদশাহ শামবাসিদেরকে এক হাজার বার উৎখাতের ওয়াদাবদ্ধ হবে। তার গননা শেষ হলে আল্লাহ তাআলা তার প্রতি তীব্র বাতাস প্রবাহিত করবেন, এক পর্যায়ে তারা উক্ত এলাকা ত্যাগ করে চলে যেতে থাকবে এবং তাদেরকে আল্লাহ তাআলা আক্কা এবং নাহরের মধ্যবর্তী এলাকায় আছড়ে ফেলবেন, অতঃপর সকল সৈন্য একে অপরকে সাহায্য করতে ব্যস্ত হয়ে যাবে। বর্ননাকারী বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সে নাহারটি কোনটি। জবাবে তিনি বললেন, মেহরাকুল আরনাত, অর্থাৎ হিমস নগরীর একটি ছোট্র নদী। আর উক্ত নদী আকরা এবং মসীসা স্থানের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে থাকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩১৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣١٩
حدثنا بقية حدثنا عبد
القدوس عن صفوان عن عامر ابن عبد الله أبي اليمان الهوزني
عن كعب قال
إن
الله تعالى يمد أهل الشام
إذا قاتلهم الروم في الملاحم بقطيعتين دفعة سبعين ألفا
ودفعة ثمانين ألفا
من أهل اليمن
حمائل سيوفهم المسد
يقولون نحن عباد الله حقا
حقا نقاتل أعداء الله
رفع الله عنهم الطاعون
والأوجاع والأوصاب حتى
لا يكون بلد
أبرأ من الشام
ويكون ما كان في الشام من تلك الأوجاع والطاعون في غيرها
قال كعب
و
إن بالمغرب لحمل الضان ملك
من ملوكهم
يعد لأهل الشام ألف قلع
وكلما أعدها
بعث الله
عليها قاصفا من الريح
حتى يأذن الله بخروجها فترسى ما بين عكا والنهر فيشغلوا كل
جندان يمد جندا
فسألته أي نهر هو
قال مهراق الأرنط نهر حمص ومهراقة ما بين
الأقرع إلى المصيصة
হযরত বশির ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াছার রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুলাহ ইবনে বুসর রাযিঃ আমার কান ধরে বলেন, হে ভাতিজা! হয়তো তুমি কুস্তুনতিনিয়া নগরীর বিজয়ের যুগ পেয়ে থাকবে। যদি তুমি সে এলাকার বিজয় পেয়ে যাও তাহলে সেখানের কোনো গনীমত গ্রহন করা থেকে বিরত থাকবে। কেননা কুস্তুনতিনিয়ার বিজয় এবং দাজ্জালের আবির্ভাবের মাঝখানে মাত্র সাত বৎসরের পার্থক্য থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩২০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٢٠
حدثنا بقية وأبو المغيرة عن بشير بن عبد الله بن
يسار قال
أخذ عبد الله بن بسر المزني صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم بأذني
فقال يا ابن أخي لعلك تدرك فتح قسطنطينية
فإياك إن أدركت فتحها أن تترك غنيمتك
منها
فإن بين فتحها وبين خروج الدجال
سبع سنين
হযরত ইয়াহ ইয়া ইবনে আবু আমর রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, রোম বাহিনী চল্লিশদিন পর্যন্ত বায়তুল মোকাদ্দাসে নাকুস স্থাপন করবে। এক পর্যায়ে মুসলমান এবং রোম বাহিনী ত’র পাহাড়ের পার্শে অবস্থিত এক পাহাড়ের পাদদেশে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। এযুদ্ধে রোম বাহিনীর কাছে মুসলমানগন পরাজিত হবে। তাদেরকে ধাওয়া করে আরীহা নামক এলাকা পর্যন্ত নিয়ে যাবে এরপর তাদেরকে দাউদ গেইট দিয়ে বের করে দিবে। এভাবে তারা মুসলমানদেরকে হত্যা করতে করতে সমুদ্রের পার্শে নিয়ে যাবে। যার কারনে বায়তুল মোকাদ্দাসের নিকটে একটি এলাকার নাম কিয়ামত পর্যন্ত আওদিয়াতুল জীফ হিসেবে উল্লেখ থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩২১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٢١
ضمرة عن يحيى بن أبي عمرو
السيباني قال
لتضربن الروم النواقيس ببيت المقدس أربعين يوما
حتى يلتقي بشر
المسلمين وبشر الروم بجبل طور زيتا
ثم تكون الدبرة للمسلمين على الروم فيخرجونهم
إلى باب أريحاء
ثم يخرجونهم من باب داود فلا يزال يقتلونهم
حتى يبلغوا بهم البحر
فتسمى فيما بينهم وبين بيت المقدس أودية الجيف إلى يوم القيامة
হযরত আবু কাবীল রহঃ একাধিক সাহাবায়ে কেরাম রাযিঃ থেকে বর্নিত, তারা বলেন, মুসলমান এবং রোম বাহিনীর মাঝখানে মারাতœক এক যুদ্ধ সংগঠিত হবে, এক পর্যায়ে মুসলমানগন তাদের প্রতি বিশাল এক বাহিনী কুস্তুসতুনিয়া নামক এলাকায় প্রেরন করবে। যারা মুসলমানদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবে। তখন হঠাৎ করে পিছন থেকে রোম বাসিরা মুসলমানদের উপর আক্রমন করে বসবে। অতঃপর মুসলমান এবং রোম বাহিনী সাজ সাজ রব নিয়ে একে অপরের উপর হামলা করবে। আল্লাহ তাআলা মুসলমানদেরকে রোম বাহিনীর বিরুদ্ধে সাহায্য করবেন এবং রোম বাহিনী নির্মম ভাবে পরাজিত হবে। এহেন পরিস্থিতিতে রোম বাহিনী থেকে একজন লোক দাড়িয়ে বলবে ক্রুশের জয় হয়েছে। তার কথা শুনে জনৈক মুসলমান চিৎকার করে বলে উঠবে, ক্রুশ নয় বরং আল্লাহ তাআলারই জয় হয়েছে। উভয়দল একে অপরের প্রতি তেড়ে আসবে এক পর্যায়ে মুসলমান লোকটি রোমী সৈন্যের দিকে এগিয়ে তার ঘাড়ে আঘাত করবে। একাজটি দেখার সাথে সাথে রোম বাহিনী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠবে। এবং কুস্তুনতিনিয়া এলাকার দিকে ফিরে যাবে এবং ঈমান গ্রহন করবে। মুমিন হওয়া সত্ত্বেও যখন তাদেরকে হত্যা করা হবে। তাদের হত্যা করা দেখে তারা অনুধাবন করবে যে, নিশ্চয় মুসলমানগন তাদের প্রত্যেককে হত্যা করে ফেলবে তখন রোম বাহিনী আশিজন লোকের নেতৃত্বে বিশাল এক কাফেলা প্রেরন করবে এবং প্রত্যেকের অধীনে বারো হাজার সৈন্য থাকবে। হাদীস বর্ননাকারী আবু কাবীল রহঃ বলেন, রোম বাহিনী প্রকাশ করলে তাদের সাথে মোকাবেলা করার কারো শক্তি থাকবেনা। সেদিন তাদের সাথে তুর্কী, বারজান এবং সাকালিবা সহ অনেক সৈন্য থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩২২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٢٢
حدثننا رشدين عن ابن لهيعة والليث بن سعد عن أبي قبيل
عن غير واحد من أصحاب
رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يكون بين المسلمين وبين الروم هدنة على أن
يبعث
المسلمون إليهم جيشا يكون بالقسطنطينية غوثا لهم
فيأتيهم عدو من ورائهم يقاتلونهم
فيخرج إليهم المسلمون والروم معهم فينصرهم الله عليهم ويهزمونهم ويقتلونهم
فيقول قائل من الروم غلب الصليب
ويقول قائل من المسلمين بل الله غلب
فيتراجع القوم ذلك بينهم فيقوم المسلم إلى الرومي فيضرب عنقه فتنتكث الروم حتى
إذا رجعوا إلى القسطنطينية وأمنوا قتلوهم وهم آمنون فإذا قتلوهم عرفوا أن المسليمن
سيطلبونهم بدمائهم فيخرج الروم على ثمانين غياية تحت كل غياية إثنا عشر ألفا
قال أبو قبيل فإذا جاءت الروم لم يكن للناس بعدهم قوام
ومعهم يومئذ الترك
وبرجان والسقالبة
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিঃ থেকে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেন, যখন দুই আতীক অর্থাৎ, আতীকুল আরব, আতীকুর রোম পৃথিবীর উপর নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে থাকবে তখন উভয়ের মাঝে মারাতœক যুদ্ধ সংগঠিত হতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩২৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٢٣
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن أبي قبيل
عن عبد الله
بن عمرو رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ملك العتيقان
عتيق العرب وعتيق الروم كانت على أيديهما الملاحم
হযরত মুহাজির ইবনে হাবীব রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, হিরাক্লিয়ার্সের পঞ্চম বংশের এক নেতৃত্বে মারাতœক যুদ্ধ সংগঠিত হবে। প্রথমে হিরাকল নের্তত্ব দিবে, এরপর তার ছেলে কিস্তাহ ইবনে হিরাকল, এরপর তার ছেলে কুস্তুনতিন ইবনে কিস্তাহ, এরপর তার ছেলে ইস্তেপার ইবনে কুস্তুনতিন। অতঃপর হেরাকলের বংশধর থেকে রোমের এক বাদশাহ আতœপ্রকাশ করবে, যে লাবুন এলাকার শাসক হবে। এরপর তার ছেলে শাসক হবে, অতঃপর ঐ ছেলের হাতে ক্ষমতা আসবে সে বাদশাহর যুগে কঠিন যুদ্ধ হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩২৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٢٤
حدثنا أبو المغيرة عن
أرطاة بن المنذر عن المهاجر بن حبيب
أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال
الخامس من آل هرقل الذي يكون على يديه
الملاحم وقد يملك هرقل ثم ابنه من
بعده قسطة بن هرقل ثم ابنه قسطنطين بن قسطة ثم ابنه اصطفار بن قسطنطين ثم خرج ملك
الروم من آل هرقل إلى لبون وولده من بعده وسيعود الملك من الخامس من آل هرقل الذي
تكون على يديه الملاحم
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আল্লাহ তা’আলা এ পৃথিবী সৃষ্টি করার পরে আসমানের নিচে সর্বপ্রথম এবং সকলের চেয়ে উত্তম যাকে হত্যা করা হয়েছে, সে হচ্ছে হাবিল ইব্নে আদম, যাকে তার ভাই কাবিল জুলুমের মাধ্যমে হত্যা করেছে। এরপর হচ্ছেন ঐসকল আম্বিয়ায়ে কেরাম যাদেরকে সেসব উম্মতের প্রতি প্রেরণ করা হয়েছিল তারা হত্যা করেছে। যখন তারা তাদের উম্মতকে একথা বলেছেন, আমাদের সকলের প্রভূ হচ্ছেন, আল্লাহ তা’আলা তোমরা সকলে তার ডাকে সাড়া দাও।
এরপর হচ্ছেন, ফেরআউনের পরিবারের মু’মিন লোকজন, এরপর হচ্ছেন, সুরায়ে ইয়াসিনে উল্লেখকৃত হওয়ারী। অতঃপর হযরত হামযা রাযিঃ এরপর বদর যুদ্ধে শহীদ হওয়া সাহাবায়ে কেরাম। অতঃপর ঔহুদ যুদ্ধে শহিদ হওয়া সাহাবায়ে কেরাম। তারপর হুদায়বিয়ার শহীদগণ, অতঃপর আহযাব যুদ্ধের সাহাবাগণ এরপর হুনাইন যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবায়ে কেরাম। এরপর রসূলুল্লাহ সাঃ এর ইন্তিকালের পর যাদেরকে খারেজীগণ হত্যা করবে। যে খারেজীগন মারাত্মক অপরাধের কাজে জড়িত ছিল। এরপর আল্লাহ্র রাস্তায় যুদ্ধরত মুজাহিদগণের যে কেউ হতে পারে। অতঃপর রোম বাহিনীর সাথে যুদ্ধ সংগঠিত হবে। উক্ত যুদ্ধে শহীদ হওয়া লোকজন বদর যুদ্ধে শহীদ হওয়া সাহাবায়ে কেরামের সমতুল্য হবে। এরপর তুর্কীদের সাথে যুদ্ধ হবে, তাদের শহীদগণ ওহুদ যুদ্ধের শহীদগণের সমতূল্য হবে। অতঃপর দাজ্জালের সাথে ব্যাপক যুদ্ধ হবে। সেই যুদ্ধের শহীদগণ হবে হুদাইবিয়ার শহীদগণের সমতুল্য। এরপর হবে ইয়াজুজ-মাজুজের সাথে যুদ্ধ, উক্ত যুদ্ধে যারা শহীদ হবেন তারা আহযাবের শহীদের সমতুল্য হবে। এরপর হবে ব্যাপক যুদ্ধ যার শহীদগণ হবেন হুনাইনের শহীদের সমপরিমান হবে। এসব যুদ্ধের পর মুসলমানদের মধ্যে কিয়ামত পর্যন্ত কোনো যুদ্ধ আর হবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩২৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٢٥
حدثنا مسلمة بن علي الدمشقي عن عبد الله بن
السائب عن أبي مدلج
عن عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى
الله عليه وسلم
خير قتلى قتلت
تحت ظل السماء مذ خلق الله تعالى خلقه أولهم هابيل
الذي قتله قابيل اللعين ظلما ثم قتلى الأنبياء الذين قتلهم أممهم المبعوثة إليهم
حين قالوا ربنا الله ودعوا إليه ثم مؤمن آل فرعون ثم
صاحب ياسين
ثم حمزة بن عبد
المطلب ثم قتلى بدر ثم قتلى أحد ثم قتلى الحديبية ثم قتلى الأحزاب ثم قتلى حنين ثم
قتلى تكون من بعدي يقتلهم خوارج مارقة فاجرة ثم أرجع يدك إلى ما شاء الله من
المجاهدين في سبيله حتى تكون
ملحمة الروم قتلاهم كقتلى بدر
ثم تكون
ملحمة الترك
قتلاهم كقتلى يوم أحد
ثم
ملحمة الدجال قتلاهم كقتلى يوم الحديبية
ثم
ملحمة يأجوج
ومأجوج قتلاهم كقتلى يوم الأحزاب
ثم
ملحمة الملاحم
قتلاهم كقتلى يوم حنين ثم لا
يكون بعد ذلك ملحمة في الإسلام لأهلها فيها إلى يوم ينفخ في الصور
হযরত আবু কুবাইল রহঃ কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তোমরা রোমীদের সাথে যুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী হবে, তখন তোমরা তার মাশরিকে অবস্থিত বড় এলাকায় প্রবেশ করবে। এরপর তোমরা সাত স্তর পাড়ি দিয়ে অষ্টম স্তরে অবশ্যই পৌঁছবে। যেহেতু তার নিচে হচ্ছে, হযরত মুসা আঃ এর লাঠি, হযরত ঈসা আঃ এর ইঞ্জিল এবং বায়তুল মোকাদ্দাসের অলংকারসমূহ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩২৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٢٦
حدثنا
الوليد ورشدين عن ابن لهيعة عن أبي قبيل قال
إذا افتتحتم رومية فادخلوا كنيستها
العظمى الشرقية من بابها
الشرقي
فاعتدوا سبع بلاطات ثم اقتلعوا الثامنة فإن
تحتها عصى موسى والإنجيل
طرية وحلي بيت المقدس
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, কুস্তুতিনিয়া নামক এলাকাটির বিজয় এমন একজন লোকের হাতে হবে, যার নাম হবে আমার নামের মত।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩২৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٢٧
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن أبي قبيل
عن عبد الله بن عمرو قال
يفتح القسطنطينية رجل اسمه اسمي
হযরত আব্দুল্লাহ ইব্নে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা কুস্তুনতুনিয়া এলাকায় তিন ধরনের যুদ্ধ সংগঠিত হবে। এক প্রকারের যুদ্ধ হচ্ছে, যার মধ্যে তোমরা বিভিন্ন ধরনের বালা-মসিবতের সম্মুখিন হবে। দ্বিতীয় যুদ্ধ তোমাদের মধ্যে এবং তাদের সাথে চুক্তি হবে। এক পযার্য়ে মুসলমানরা সেখানে মসজিদ স্থাপন করবে এবং কুস্তুনতুনিয়ার পিছনে থেকে তাদের সাথে যুদ্ধ করবে এরপর তারা সেদিকে ফিরে যেতে থাকবে। তৃতীয় যুদ্ধ হচ্ছে, যা আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে তাকবীরের মাধ্যমে বিজয়ী করবে । যেটা মোট তিনবার হবে। এক তৃতাংশ বিরান হয়ে যাবে, আরেক তৃতাংশ ডুবে মারা যাবে। বাকি এক তৃতাংশ বিভিন্ন ধরনের ধাতব্য বস্তু বন্টন করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩২৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٢٨
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن أبي قبيل
عن أبي فراس
عن عبد الله بن عمرو بن العاص قال
تغزون القسطنطينية ثلاث غزوات
فأما
غزوة واحدة
فتلقون بلاء وشدة و
الغزوة الثانية
يكون بينكم وبينهم صلح حتى يبتني
فيها المسلمون المساجد ويغزون معهم من وراء القسطنطينية ثم يرجعون إليها
والغزوة
الثالثة
يفتحها الله لكم بالتكبير فتكون على ثلاث أثلاث يخرب ثلثها ويحرق ثلثها
ويقسمون الثلث الباقي كيلا
হযরত আবু কুবাইল ও ইয়াসীর ইবনে আমর রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তারা বলেন ইস্কান্দারিয়া এবং আ’মাকের যুদ্ধ সংগঠিত হবে তাবারিস ইব্নে আসতিবইয়ান ইব্নে আখরাম ইবনে কুস্তুনতীন ইবনে হিরাকল এর হাতে। বর্ণনাকারী বলেন,আমি শুনতে পেয়েছি যে, নিঃসন্দেহে সে লোক হবে রোমবাসিদের অন্তর্ভুক্ত।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩২৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٢٩
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن أبي قبيل ويسير
بن عمرو
قالا ألأسكندرية وملاحم الأعماق على يدي طبارس بن أسطبيان بن الأخرم بن
قسطنطين بن هرقل قال وسمعت أنه برومية
হযরত হ্ওায়াল ইব্নে শুরাহীল রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত আব্দুল্লাহ ইব্নে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃকে বলতে শুনেছি, নিঃসন্দেহে আন্দালুসবাসি সমুদ্রের দিকে এগিয়ে আসবে। সমুদ্রে তাদের জাহাজের ধৈর্য থাকবে পঞ্চাশ মাইল এবং প্রস্ত থাকবে তের মাইল। এক পর্যায়ে তারা আ’শক নামক এলাকায় ছাউনি ফেলবে। বর্ণনাকারী ইবনে ওয়াহাব রহঃ বলেন সেটা জলে-স্থলে উভয় স্থানে হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৩০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٣٠
حدثنا ابو وهب ورشدين جميعا عن
ابن لهيعة عن أبي قبيل عن حيوئل بن شراحيل قال
سمعت عبد الله بن عمرو بن العاص
يقول إن
أهل الأندلس
يأتون في البحر وإن طول سفنهم في البحر خمسين ميلا وعرضها
ثلاثة عشر ميلا
حتى ينزلوا في الأعماق
وقال ابن وهب البر والبحر
হযরত আব্দুল্লাহ ইব্নে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, আন্দালুসে মুসলমানদের দুশমনদের একজন লোক থাকে যুলর্উ্ফ বলা হবে। মুশরিক গোত্রের লোকজন ব্যাপকভাবে জমায়েত হবে। আন্দালুসের মুসলমানদের মাঝে একথা প্রসিদ্ধ থাকবে যে, মুসলমানদের তাদের সাথে মোকাবেলা করার শক্তি নেই। যার কারণে অনেক মুসলমান পলায়ন করবে, ফলে শক্তিশালী মুসলমানগণ জাহাজের মাধ্যমে তানজাহ নামক এলকার দিকে চলে যেতে থাকবে এবং মুসলমানদের মধ্যে দুর্বলরাই একমাত্র থাকবে তাদের জামাআতের মাঝে যাদের কোনো জাহাজ থাকবে না তারা সে এলাকা অতিক্রম করে যাবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আল্লাহ তাআলা তাদের জন্য বন্য প্রাণী প্রেরন করবেন, যার কারণে আল্লাহ তা’আলা সমুদ্রের মধ্যে তাদের জন্য একটা সহজ পথ বের করে দিবেন। যার মাধ্যমে তারা সমুদ্র অতিক্রম করতে পারবে। যা লোকজন খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবে। তারা বন্য প্রাণী এর অনুসরণ করবে এবং তার অনুসরণ করে চলতে থাকবে, অতঃপর সমুদ্রের মাধ্যমে তারা আবারো ফিরে আসবে। এবং দুশমন তাদেরকে বাহনের উপর সওয়ার হয়ে হন্য হয়ে খুঁজতে থাকবে। একথা আফ্রিকাবাসি জানার পর তারা বের হয়ে আসবে এবং তাদের সাথে আন্দালুসের মুসলমানগণও বের হয়ে আসবে। এক পর্যায়ে তারা মিশরে পৌঁছে যাবে এবং দুশমনরা তাদের পিছু নিবে। যার কারণে তারা আহরাম থেকে পাঁচ মাইলের দুরত্বে থাকা মারবূত নামক এলাকায় ছাউনি ফেলবে। তারা সেখানে অবস্থান করার সাথে সাথে মুসলমানদের পতাকা হাতে একদল লোক এগিয়ে আসবে। আল্লাহ তাআলাও তাদেরকে কাফেরদের বিরুদ্ধে মুসলমানদেরকে সাহায্য করবেন এবং কাফেররা মারাত্মকভাবে পরাজিত হবে। মুসলমানগন ওবিয়্যাহ এলাকা পর্যন্ত প্রায় বিস্তৃত দশ মাইল এলাকা অবধি তাদেরকে ধাওয়া করে হত্যা করবে। মিশরবাসিরা দীর্ঘ সাত বৎসর পর্যন্ত তাদের সরঞ্জাম ও রসদপত্র বহন করতে থাকবে। এক পর্যায়ে যূল আরাফ নামক লোকটি পলায়ন করবে। তার সাথে একটি লিপিবদ্ধকৃত চিঠি থাকবে, যা না দেখেই সে মিশরে ফিরে আসবে। তখন চিঠিটা খুলে দেখবে, তবে তখন সে হবে একজন পরাজিত শাসক। তখন উল্লিখিত চিঠিতে ইসলাম ধর্মের আলোচনা দেখতে পাবে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে একথা লিখিত পাওয়ার পর সে মুসলমানদের কাছে নিরাপত্ত্বা প্রার্থণা করবে, সাথে সাথে যারা তার আবেদনে সাড়া দিয়ে ইসলাম গ্রহণ করবে তাদের জন্যও নিরপত্তা চাইবে। ফলে সে ইসলাম কবুল করতঃ মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।
এর পরের বৎসর হাব্্শা এলাকা থেকে একজন লোকের আত্মপ্রকাশ হবে। যাকে বলা হবে আসইয়াস, কিংবা আসবাস। সে বিশাল একদল সৈন্যের সমাগম করবে। যা অবলোকন করতঃ মুসলমানগণ আসওয়ান এলাকা থেকে পলায়ন করে চলে যাবে। যার কারণে সেখানে এবং তার আশ্বেপার্শ্বে কোনো মুসলমানকে পাওয়া যাবেনা। যারা ছিপে সকলে বিভিন্ন তাবু এবং হাবশা এলাকায় চলে যাবে। অনেকে আবার মান্ফ নগরীতে গিয়ে পৌঁছবে। কিছুদিন পর মুসলমানগণ সুসংগঠিত হয়ে পতাকা সহকারে এগিয়ে যাবে এবং আল্লাহ তাআলা কাফেরদের বিরুদ্ধে মুসলমানদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করবেন। ফলে তাদের সাথে কঠিন এক যুদ্ধের মাধ্যমে মুসলমানরা জয়লাভ করবে। সেদিন একেকজন হাবশিকে একটি জামার বিনিময়ে বিক্রি করা হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৩১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٣١
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن أبي قبيل عن عبدالله بن عمرو بن العاص أن رجلا من
أعداء المسلمين
بالأندلس
يقال له
ذو العرف
يجمع من قبائل الشرك جمعا عظيما يعرف من
بالأندلس من المسلمين أن لا طاقة لهم بهم فيهرب من بها من المسلمين فيسير أهل القوة
من المسلمين في السفن إلى طنجة ويبقى ضعفاؤهم وجماعتهم ليس لهم سفن يجيزون فيها
قال فيبعث الله لهم وعلا فييسر الله تعالى لهم في البحر طريقا فيجيزوه فيفطن له
الناس فيتبعون الوعل ويجيزون على أثره ثم يعود البحر على ما كان عليه قبل ذلك ويجيز
العدو في المراكب في طلبهم فإذا علم بهم أهل إفريقية خرجوا ومن كان بالأندلس من
المسلمين حتى يقدموا مصر ويتبعهم العدو حتى ينزلوا ما بين مريوط إلى الأهرام مسيرة
خمسة أبرد فتخرج إليهم راية المسلمين فينصرهم الله عليهم فيهزمونهم ويقتلونهم إلى
لوبية مسيرة عشر ليال قتلا فينقل أهل مصر أمتعاتهم بعجلهم وأداتهم سبع سنين فيهرب
ذو العرف ومعه
كتاب
كتب له ألا
ينظر فيه حتى يقدم مصر فينظر فيه وهو منهزم فيجد فيه ذكر الإسلام ويؤمر بالدخول فيه
فيسأل الأمان على نفسه وعلى من أجابه إلى الإسلام من أصحابه فيسلم ويصير من
المسلمين
فإذا كان من العام الثاني أقبل من الحبشة رجل يقال له أسيس أو أسبس
وقد جمع جمعا عظيما فيهرب المسلمون منهم من اسوان حتى لا يبقى بها ولا فيما دونها
أحد من المسلمين إلا قدم الفسطاط وتسير الحبشة
حتى ينزلوا منف فيخرج إليهم
المسلمون براياتهم فينصرهم الله عليهم فيقاتلونهم ويأسرونهم فيباع الأسود يومئذ
بعباءة
হযরত আবু মুহাম্মদ আল-জিন্নী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি তুবরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযিঃ কে বলতে শুনেছেন, আরব মুসলমানদের বিশাল একদল পুরোপুরিভাবে রোম বাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যাবে। আমি পুরোপুরিভাবে কথাটির ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের দানা-পানি, জায়গা-জমিন সবকিছুসহ।
তার কথা শুনে সুলাইম ইব্নে আতর রহঃ তাকে বললেন, হে আবু মুহাম্মদ! ইনশাআল্লাহ একথা শুনার সাথে সাথে তিনি রাগান্বিত হয়ে দাড়িয়ে গিয়ে বলবেন, হয়তোবা আল্লাহ তাআলা ইচ্ছা করেছেন এবং লিপিবদ্ধও করেছেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৩২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٣٢
حدثنا الوليد وابن وهب ورشدين عن ابن لهيعة عن الحارث بن يزيد عن
أبي محمد الجنبي
سمع عبد الله بن عمرو يقول ليلحقن من العرب بالروم قبائل
بأسرها
قلت وما أسرها
قال برعاتها وكلابها
فقال له سليم بن عتر إن شاء
الله يا أبا محمد فقام مغضبا
فقال قد شاء الله وكتبه
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইব্নে আমর ইবনুল আস্্ রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন মানুষ যুুল খালাছা নামক ভুতের উপাসনা করতে থাকবে তখনই শামবাসির ওপর রোমবাহিনী জয়লাভ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৩৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٣٣
حدثنا الوليد
عن الحارث بن عبيدة عن عبد الرحمن بن سلمان
عن عبد الله بن عمرو قال
إذا عبدت
ذو الخلصة
كان ظهور الروم على الشام
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবুহুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, যখন তীব্র যুদ্ধ সংগঠিত হবে দিমাশ্্ক নগরী থেকে বিরাট একদল মাওয়ালীর আত্মপ্রকাশ হবে। তখন তারাই হবে আরবের সবচেয়ে উত্তম আশ্বরোহি এবং আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত বাহিনী। তাদের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা মূলতঃ দ্বীন ইসলামের শক্তি বৃদ্ধি করবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৩৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٣٤
حدثنا الوليد عن عثمان بن أبي
العاتكة عن سليمان بن حبيب
عن أبي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى
الله عليه وسلم
إذا وقعت الملاحم
خرج بعث من دمشق من الموالي
هم أكرم العرب
فرسا وأجوده سلاحا يؤيد الله بهم الدين
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রোমীবাসিরা পথভ্রষ্ট না হলে সূর্য্যরে কান্নার আওয়াজ অবশ্যই তারা শুনে থাকতো।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৩৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٣٥
حدثنا الوليد بن مسلم عن
مروان بن جناح عن ابن حلبس
عن كعب قال لولا لغط أهل رومية لسمعتم وجبة الشمس
إذا وجبت
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খ্রীস্টানরা সর্বপ্রথম রোম শহরের উপর নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করবে। উক্ত এলাকার লোকজন কাফের না হলে নিঃসন্দেহে সূর্য্য অস্তমিত হওয়ার পর আল্লাহ্র দরবারে সিজদারত হয়ে কান্নাকাটি করার আওয়াজও শুনতে পারত।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৩৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٣٦
حدثنا الوليد عن ابن لهيعة عن أبي قبيل عن تبيع
عن كعب قال
أول مدينة كانت للنصرانية رومية ولولا كفر أهلها لسمع أهلها صليل الشمس حين تخر
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইব্্নে আমর ইবনুল আস রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রথমে যে কুস্তুনতিনিয়া নামক এলাকা জয়লাভ করা হবে, অতঃপর রোম বাহিনীর সাথে ভয়াবহ একযুদ্ধ হবে, এবং সে যুদ্ধে রোমবাহিনী মুসলমান বিপক্ষে জয়লাভ করবে।
হাদীস বর্ণনাকারী আবুকাবীল বলেন, মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ নামক একলোক আফ্রিকিয়্যারে শাসক নিযুক্ত হবে, যিনি মূলতঃ আসবে। এরপর আরেকজন বনি হাশেম থেকে আত্মপ্রকাশ করবে, যার নাম হবে ইস্বা ইবনে ইয়াযিদ, সে হবে রোম বাহিনীর নেতৃত্ব দান করে এবং তার হাত রোমের বিজয় নিশ্চিত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৩৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٣٧
حدثنا الوليد عن ابن لهيعة عن أبي قبيل عن عمير بن مالك
عن عبد الله
بن عمرو قال فتح القسطنطينية ثم تغزون رومية فيفتحها الله عليكم
قال أبو قبيل
ويلي إفريقية رجل من أهل اليمن يدعى محمد بن سعيد يكون بعده
رجل من بني هاشم
يقال
له
إصبع بن يزيد
وهو صاحب رومية و
هو الذي يفتحها
হযরত বকর ইবনে সুয়াদা রহঃ হিময়রের জনৈক শেখ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, অতিসত্ত্বর এই আফ্রিকী রামলায় তোমাদের সাথে তোমাদের দুশমনের য্দ্ধু হবে। সেদিন রোম বাহিনী আটশত জাহাজে করে তোমাদের দিকে ধেয়ে আসবে এবং এ রামলা এলাকায় তোমাদের সাথে তাদের তীব্র যুদ্ধ হবে এবং আল্লাহ তাআলা তাদেরকে পরাজিত করবেন। অতঃপর তাদের জাহাজগুলো তোমরা নিজেদের আয়ত্বে নিয়ে নিবে এবং তার উপর আরোহন পূর্বক তোমরা রোমিয়ার দিকে যেতে থাকবে। সেখানে এসে তোমরা তিনবার “আল্লাহু আকবর” বলবে। তোমাদের তাকবীরের আওয়াজে তাদের কেল্লা কেপে উঠবে। যার কারনে তৃতীয় তাকবীরে প্রায় একমাইল পরিমান ঝর্ণা প্রবাহিত হবে। যেটা দিয়ে তোমরা প্রবেশ করবে। এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর একটি মেঘমালা দ্বারা ছায়া দান করবেন। যদ্বারা তোমাদের আর কোনো কষ্ট ক্লেশ থাকবে না। এ অবস্থা তোমরা তোমাদের বিছানায় যাওয়া পর্যন্ত বাকি থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৩৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٣٨
حدثنا الوليد عن ابن
لهيعة عن بكر بن سوادة
عن شيخ من حمير قال ليكونن لكم من عدوكم بهذه الرملة
رملة إفريقية يوم
تقبل الروم في ثمان مائة سفينة
فيقاتلونكم على هذه الرملة
ثم يهزمهم [ الله ]
فتأخذون سفنهم فتركبوا بها إلى رومية
فإذا أتيتموها
كبرتم ثلاث تكبيرات ويرتج الحصن من تكبيركم فينهار في الثالثة قدر ميل فيدخلونها
فيرسل الله عليهم غمامة تغشاهم
فلا تنهنهكم حتى يدخلونها فلا تنجلي تلك الغبرة حتى
تكونوا على فرشهم
হযরত আব্দুল্লাহ ইব্্নে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সর্বমোট পাঁচ প্রকারের যুদ্ধ প্রকাশ হবে। তার থেকে দুইটি অহিবাহিত হলেও তিনটি এখনো বাকি আছে। তার প্রথম হচ্ছে, জাজিরার মালিকানা নিয়ে তুর্কিদের সাথে যুদ্ধ। দ্বিতীয়টি হল, আ’মাক এলাকার যুদ্ধ, তৃতীয় এবং সর্বশেষ যুদ্ধ হচ্ছে, দাজ্জালের সাথে সংগঠিত হওয়া যুদ্ধ। যার পরে আর কোনো যুদ্ধ হবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৩৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٣٩
حدثنا الوليد عن ابن لهيعة قال حدثنا أبو المغيرة عبيد
الله بن المغيرة
عن عبد الله بن عمرو قال الملاحم خمس مضى منها ثنتان وبقي ثلاث
فأولهن ملحمة الترك بالجزيرة وملحمة الأعماق وملحمة الدجال ليس بعدها ملحمة
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হঠাৎ করে রোমীদের মাঝে একজন লোকের আত্মপ্রকাশ হবে। যে পূর্ণ যৌবনে পদার্পন করেছে। যে যুবক রোমবাহিনীর মালিকানাধীন এলাকায় অবস্থানপূর্বক বলবে, অতিসত্ত্বর আমরা এদের উপর বিজরী হয়ে আমাদের ভুখন্ডকে তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিব এবং অবশ্যই অবশ্যই তাদেরকে হত্যা করব, আর যেসব এলাকা তারা আমাদের কাছ থেকে দখল করে নিয়েছে সেগুলো আমরা বিজরী হওয়ার মাধ্যমে তাদের হাত থেকে ছিনিয়ে নিব। না হয় তারা এমন ভাবে আঘাত করবে যদ্বারা আমার পায়ের নিচের মাটিও দখল করে ি নবে। এক পর্যায়ে সে সাত হাজার জাহাজের মাধ্যমে বিশাল এক বাহিনী তৈরি করে এগিয়ে যাবে। এভাবে চলতে চলতে আরীশ এবং আক্কা নামক স্থানের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছলে তার সকল জাহাজে আগুন লাগিয়ে দেয়া হবে। তখনই মিশর থেকে মিশরবাসিরা এবং শামদেশ থেকে শামবাসিরা বের হয়ে আসবে। সকলে এসে জাজিরাতুল আরবে জমায়েত হবে। এদিন হচ্ছে, সেদিন যেদিন সম্বন্ধে হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ বলতেন, যে নিকৃষ্টতম দিনে আরবদের ধ্বংস অনিবার্য। যেদিন সকলে যাবতীয় রসদপত্র নিয়ে নিকটবর্তী হবে। এভাবে জমায়েত হওয়া নিজের পরিবার এবং সম্পদ থেকে পছন্দনীয় হবে। আরবরা সবধরনের সাহায্য-সহযোগিতা কামনা করবে। এক পর্যায়ে তারা চলতে চলতে এন্তাকিয়ার আ’মাক এলাকায় গিয়ে পৌঁছবে। সেদিনই ভয়াবহ যুদ্ধ সংগঠিত হবে। যার কারণে ঘোড়ার অর্ধেক অংশ পর্যন্ত রক্তে ডুবে যাবে। প্রত্যেক দল থেকে আল্লাহ্ তাআলা সাহায্য বন্ধ করে দিবেন। অবস্থা এমন হবে যে, ফেরেশতারা বলবে, হে আল্লাহ! আপনার মুমিন বান্দাদেরকে সাহায্য কি করবেন না।
তাদেরকে জবাব দেয়া হবে যে, তাদের শহীদ আরো অধিক হারে হোক। উক্ত যুদ্ধে এক তৃতাংশ শহীদ হয়ে যাবে, এক তৃতাংশ ফিরে যাবে এবং অন্য এক তৃতাংশ ধৈর্য্যধারন করে থাকবে। আল্লাহ তাআলা ফিরে যাওয়্ াএক তৃতাংশকে ধসে দিবেন।
এহেন পরিস্থিতিতে রোমবাহিনীরা বলবে, তোমাদের প্রত্যেক অংশ এই এলাকা ত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত আমরা তোমাদেরকে হত্যা করতে থাকবে। তাদের কথা শুনে অনারবের লোকজন বলতে থাকবে আমরা ইসলাম গ্রহনের পর কুফরী কবুল করা থেকে আল্লাহ তাআলার দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। তখনই আল্লাহ তাআলা খুবই রাগান্বিত হয়ে উঠবেন এবং কাফেরদেরকে তলোয়ার দ্বারা হত্যা করা হবে এবং তীরের সাহায্যে মেরে ফেলা হবে। যার কারনে তাদের সংবাদ পৌঁছানোর জন্যও কেউ জীবিত থাকবেনা। এরপর মুসলমানগন সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকবে। প্রত্যেক শহরকে তারা আল্লাহু আকবর তাকবীর দ্বারা জয় করতে থাকবে। এভাবে বিজরী বেশে চলতে চলতে এক সময় রোমীদের এলাকায় এসে দেখবে তাদের শহরের গোটা এলাকা জনমানবশুন্য। ফলে আল্লাহ তাআলার সাহায্যে সেটাও জয় করবে। সেদিন অসংখ্য কুমারী নারী ধর্ষিতা হবে এবং টেনে টেনে গনীমতের মাল বন্টন করা হবে। তখনই তাদের কাছে সংবাদ পৌঁছবে, মসীহে দাজ্জালের আবির্ভাব হয়েছে। এ সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে তারা সকলে সেদিকে দৌড় দিবে এবং বায়তুল আলিয়া নামক স্থানে তারা দাজ্জালকে দেখতে পাবে। আর সেখানে আট হাজার নারী এবং বার হাজার লোককে শহীদ হওয়া অবস্থায় পাবে। তারা হচ্ছে, পৃথিবীর বুকে সর্বোত্তম লোক। তারা হবেন, অতিবাহিত হওয়া নেককার লোকদের ন্যায়। তারা এভাবে মেঘের ছায়া তলে অবস্থান করতে থাকবে, হঠাৎ সেই মেঘ সকালের দিকে কিছুটা ঘোমটা ছেড়ে বের হবে। তখন সকলে হযরত ঈসা আঃ কে তাদের সামনে উপস্থিত দেখতে পাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৪০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٤٠
حدثنا ابن وهب عن ابن لهيعة وليث بن سعد عن خالد بن يزيد عن سعيد بن أبي
هلال عن أبي سلمة
عن عبد الله بن عمرو بن العاص قال
ينشأ في الروم غلام يشب في
السنة شباب الغلام في عشر سنين
ويكون بأرض الروم تملكه الروم في أنفسها فيقول حتى
متى وقد غلبنا هؤلاء على مكان من أرضنا لأخرجن فلأقاتلنهم حتى أغلبهم على ما غلبوا
أو يغلبوني على ما بقي تحت قدمي فيخرج في سبعة آلاف سفينة حتى يكون بين عكا والعريش
ثم يضرم النار في سفنه
فيخرج أهل مصر من مصر وأهل الشام من الشام حتى يصيروا إلى
جزيرة العرب
فذلك اليوم الذي كان أبو هريرة يقول ويل للعرب من شر قد أقترب للحبل
والقتب يومئذ أحب إلى الرجل من أهله
وماله فتستعين العرب بأعرابها ثم
يسيرون حتى يبلغوا أعماق أنطاكية فتكون أعظم الملاحم حتى تخوض الخيل إلى ثننها
ويرفع الله النصر عن كل
حتى تقول الملائكة يا رب ألا تنصر عبادك المؤمنين
فيقول حتى يكثر شهداؤهم
فيقتل ثلث ويرجع ثلث ويصبر ثلث فيخسف الله بالثلث
الذي يرجع
وتقول الروم
لا نزال نقاتلكم حتى تخرجوا إلينا كل بضعة فيكم من غيركم
فتخرج العجم فتقول معاذ الله أن نخرج إلى الكفر بعد الإسلام فذلك حين يغضب الله
تعالى فيضرب بسيفه ويطعن برمحه فلا يبقى منهم مخبر إلا قتل ثم يمضون على وجوههم لا
يمرون على مدينة إلا فتحوها بالتكبير
حتى يأتوا مدينة الروم
فيجدون خليجها بطحاء
فيفتحها الله تعالى عليهم فيفتض يومئذ كذا وكذا عذراء وتقسم الغنائم مكايلة
بالغرائر
ثم يأتيهم أن المسيح قد خرج
فيقبلون حتى يلقوه
ببيت أيلياء
فيجدونه قد حضر
هنالك ثمانية آلاف امرأة واثنى عشر ألف مقاتل هم خير من بقى كصالح من مضى فبيناهم
تحت ضبابة من غمائم إذ تكشفت عنهم الضبابة مع الصبح فإذا بعيسى ابن مريم عليه
السلام بين ظهرانيهم
হযরত ইব্্নে আবু যর রহঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি হযরত আবু যরগিফারী রাযিঃ কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আমি স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাঃ কে এরশাদ করতে শুনেছি বনু উমাইয়ার নিকৃষ্টতম এক লোক মিশরের শাসকের উপর জয়লাভ করতঃ মিশরের শাসন ক্ষমতা দখল করবে। পরবর্তীতে তার হাত থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়া হবে এবং পূর্বের শাসক পলায়ন করে রোমের দিকে চলে যাবে। অতঃপর রোমবাহিনীকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য প্ররোচিত করবে। সেটিই হবে প্রথম যুদ্ধ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৪১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٤١
حدثنا ابن وهب عن ابن لهيعة عن كعب بن علقمة قال
سمعت أباتيم أو أبا تميم يقول
سمعت ابن أبي ذر يقول سمعت أبا ذر رضى الله عنه
يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول سيكون
من بني أمية رجل أخنس بمصر
يلي
سلطانا يغلب على سلطانه أو ينتزع منه
فيفر إلى الروم
فيأتي بالروم إلى أهل
الإسلام فذلك أول الملاحم
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তাকে বলতে শুনা গিয়েছে, তিনি বলেন, যখন তুমি দেখবে বা শুনতে পাবে যে, অত্যাচারী শাসকদের একজন অন্য আরেকজনের হাত থেকে শাসন ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছে এবং রোমের দিকে পলায়ন করবে, তাহলে সেটা হবে রোম বাহিনী এবং মুসলমানদের মাঝে সংগঠিত হওয়া সর্বপ্রথম যুদ্ধ।
তাকে বলা হলো, মিশরবাসিরা আক্রান্ত হবে, অথচ তারা আমাদের দ্বীনিভাই। জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ যখন তুমি মিশরবাসিদেরকে দেখতে পাবে যে, তাদের ইমামকে তাদেরই সামনে হত্যা করা হয়েছে, তাহলে তুমি সাধ্যমত সেখান থেকে বের হয়ে যাও এবং কক্ষনো শাহী ভবনের নিকটবর্তী হবে না। কেননা তাদের সহযোগিতার মাধ্যমে অনেক লোককে বন্দি করা হবে এবং গণহত্যা চালানো হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৪২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٤٢
قال كعب وحدثني مولى لعبد الله بن عمرو
عن عبد الله بن عمرو سمعه يقول إذا رأيت أو
سمعت برجل من أبناء الجبابرة بمصر
له سلطان يغلب على سلطانه
ثم يفر إلى الروم
فذلك أول الملاحم يأتي بالروم إلى أهل
الإسلام
فقيل له إن أهل مصر سيسبون فيما أخبرنا وهم إخواننا أحق ذلك
قال
نعم
إذا رأيت أهل مصر قد قتلوا إماما
بين أظهرهم فأخرج إن استطعت ولا تقرب القصر
فإنه بهم يحل السباء
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রোম এলাকা বিজয়কালীন পশ্চিমাদের পক্ষ থেকে ঝড়ের গতিতে বিশাল একটি বাহিনী এগিয়ে আসবে, যাদের সাথে কেউ মোকাবেলা করে বিজয়ী হতে পারবেনা, কোনো বাধা তাদের পথ রোধ করতে পারবেনা এবং কোনো কেল্লায় আশ্রয় নিয়ে তাদের থেকে কেউ বাচতে পারবে না, কোনো আত্মীয়তা তাদেরকে আপন উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুতি করতে পারবে না। এক পর্যায়ে তারা রোম এলাকা পদানত করে, সেটা জয় করবে।
হাদীস বর্ণনাকারী হযরত কা’ব রহঃ বলেন, সেখানে একটি ঐতিহাসিক গাছ থাকবে, কিতাবুল্লাহর ভাষ্য মতে সেই গাছের ছায়ায় প্রায় তিন হাজার লোকের অবস্থান হবে। যে লোক উক্ত গাছের সাথে নিজের হাতিয়ার বা তলোয়ারকে লটকিয়ে রাখবে কিংবা উক্ত গাছের সাথে নিজেদের ঘোড়া বেঁধে রাখবে তারা হবে আল্লাহ তাআলার নিকট সর্বোত্তম শহীদ। অতঃপর হযরত কা’ব রহঃ বলেন, নিকিয়া নামক এলাকার আগে উমুরিয়ার বিজয় হবে, নিকিয়া নগরী জয়লাভ করা হবে ঐতিহাসিক কুস্তুনতিনিয়ার পূর্বে এবং কুস্তুনতিনিয়া জয় করা হবে রোমিয়া এলাকার পূর্বে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৪৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٤٣
حدثنا ابن وهب عن معاوية بن صالح عن حدير بن كريب
عن جبير بن نفير عن يزيد بن شريح
عن كعب قال في
فتح رومية
يخرج
جيش من المغرب
بريح شرقية لا ينكسر لهم مقذاف ولا ينقطع لهم حبل ولا ينحرق لهم قلع ولا تنتقص لهم
قربة حتى يرسوا برومية فيفتحونها
قال كعب إن فيها لشجرة هي في
كتاب
الله مجلس ثلاثة آلاف فمن علق
فيها سلاحه أو ربط فيها فرسه فهو عند الله تعالى من أفضل الشهداء
قال كعب تفتح
عمورية
قبل
نيقية
ونيقية قبل
القسطنطينية
والقسطنطينية قبل
رومية
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে বসা ছিলাম, কেউ একজন রাসূলুল্লাহ সাঃ কে জিজ্ঞাসা করলেন যে, সর্বপ্রথম কোন শহর জয়লাভ করা হবে, রোমিয়া নাকি কুস্তুনতিনিয়া?
জবাবে রাসূলুল্লাহ বললেন, ইবনুল হেরকলের শহর অর্থাৎ, কুস্তুনতিনিয়া সর্বপ্রথম জয় করা হবে। এরপর অন্য শহরের পালা আসবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৪৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٤٤
حدثنا ابن وهب عن يحيى بن أيوب عن أبي قبيل
سمع عبد الله بن عمرو رضى الله
عنهما يقول كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فسئل أي المدينتين تفتح أول رومية
أو قسطنطينية
قال النبي صلى الله عليه وسلم مدينة ابن هرقل أول يعني
القسطنطينية
কিবাছ ইবনে রাযিন রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আলী ইবনে রিয়াহ রহঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইব্নে আমর রাযিঃ থেকে হাদীস বর্ণনা করেন, তিনি এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের সময় রোমানরা সংখ্যা অনেক বেশি থাকবে। একথা শুনে আমর ইবনুল আস রাযিঃ তাকে ধমক দিতে চাইলেন। এরপর হযরত আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ বললেন, তুমি যা বলছ তা যদি সত্য হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে তারা হবে পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে অত্যাচারী জাতি। তারা পরাজিত হবে মারাত্মক ভাবে দুর্ভিক্ষের সম্মুখিন হবে। সেখানে কল্যানজনক কাজ খুবই কম থাকবে।
যে কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে, সেটা হচ্ছে, বাদশাহর অত্যাচার না করা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৪৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٤٥
حدثنا ابن وهب عن قباث بن رزين اللخمي أن علي بن رياح حدثه
عن عبد الله بن عمرو قال تقوم الساعة والروم أكثر الناس وكان عمرو بن العاص
أراد أن ينتهره
ثم قال عمرو لئن قلت ذاك إنهم لأجبر الناس عند مصيبة وأسرعه
إفاقة بعد هزيمة وخيره لكبير وضعيف وأمنعه من ظلم الملوك
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত ইব্নে মুহাইরিজ রাযিঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন আহলে কারেস এর ধাপট মাত্র কিছুদিন চলবে এরপর রোমানদের মত তাদেরও আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। এ ধাপট মাত্র কয়েক যুগ পর্যন্ত থাকবে। তাদের সে যুগ চলে যাওয়ার পর আরেক দল এসে তাদের স্থলাভিষিক্ত হবে। যারা জলÑস্থলের অধিকারী হবে এবং দীর্ঘদিন বিভিন্ন ধরনের অপরাধ-অবিচার তারা করতে থাকবে। যতদিন পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা এ পৃথিবীতে কল্যান রাখতে ইচ্ছা, ততদিন পর্যন্ত এরা তোমাদের প্রতিবেশি ও সাথি হয়ে থাকবে। এরপর পৃথিবীতে নানান ধরনের অরাজকতা চলতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৪৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٤٦
حدثنا ابن وهب
عن عاصم بن حكيم عن يحيى بن أبي عمرو السيباني
عن ابن محيريز قال قال رسول الله
صلى الله عليه وسلم إنما فارس نطحة أو نطحتان ثم لا فارس بعد الروم ذات القرون كلما
ذهب قرن خلفهم قرن مكانه أصحاب صخر وبحر هيهات هيهات إلى آخر الدهر هم أصحابكم ما
كان في العيش خير
হযরত আবু কুবাইল রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোনো নবীর নামের সাথে মিল রয়েছে এমন একজনের হাতে কুস্তুনতিনিয়া নগরীর বিজয় হবে।
হাদীস বর্ণনাকারী ইব্্নে লেহইয়্যাহ রহঃ বলেন, তাদের কিতাবে লেখা রয়েছে যে, উক্ত নবীর নাম হবে সালেহ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৪৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٤٧
حدثنا ابن وهب عن ابن لهيعة عن أبي قبيل قال
الذي يفتح
القسطنطينية اسمه اسم نبي
قال ابن لهيعة ويروي في كتبهم يعني الروم أن اسمه
صالح
হযরত হুসাইম আয্যিয়াদী রহঃ থেকে বর্ণনা করা হয়েছে, তিনি বলেন, ইয়াব-সানের রশি, লেবনানের লাঠি এবং মারীছের লোহার সাহায্যে গ্রীক এলাকা জয় করা হবে। তোমরা সেখানে একটা তালাবদ্ধ কফিন প্রাপ্ত হবে। সেটা হস্তগত করার জন্য মিশরবাসি এবং শাম দেশের বাসিন্দাগন হামলা করে বসবে। শেষ পর্যন্ত মিশরবাসিরা পেয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৪৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٤٨
حدثنا ابن وهب عن ابن لهيعة عن قيس بن الحجاج عن خيثم الزيادي
قال تفتح
رومية
بحبال بيسان وخشب لبنان ومسامير مريس وتأخذون
سكينة التابوت
فيقترع عليها أهل الشام وأهل مصر فتطير لأهل مصر
হযরত মুস্তাউরিদ আল-কুরাশী রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের সময় রোমান ধর্মের অনুসারীরা সংখ্যায় অনেক বেশি হবে। এ হাদীস বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ এর কাছে পৌছলে তিনি বলেন, তুমি এ কেমন হাদীস বর্ণনা করছ, এ কথাটি কি আসলে রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন। জবাবে হযরত মুসতাউরিদ রাযিঃ বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে যা শুনেছি হুবহু তা বর্ননা করছি। এ কথা শুনে হযরত আমর ইবনুল আস রাযিঃ বলেন, তুমি যা বর্ণনা করছো তা যদি সত্য হয় তাহলে নিঃসন্দেহে তারা হবে ফিতনাকালীন খুবই বিচক্ষণ মানুষের অন্তর্ভুক্ত, মসিবতের সময় অধিক অবগত লোক এবং তাদের দুর্বল-মিসকীনদের সাথে উত্তম আচরণকারী।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৪৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٤٩
حدثنا ابن وهب عن عبد
الرحمن بن شريح عن عبد الكريم بن الحارث قال
قال المستورد القرشي رضى الله عنه
سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول تقوم الساعة والروم أكثر الناس
فبلغ
ذلك عمرو بن العاص فقال ما هذه الأحاديث التي تذكر عنك إنك تقولها عن النبي صلى
الله عليه وسلم
فقال له المستورد قلت الذي سمعت من رسول الله صلى الله عليه
وسلم
قال عمرو لئن قلت ذلك إنهم لأحلم الناس عند فتنة وأخبر الناس عند مصيبة
وخير الناس لمساكينهم وضعفائهم
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, হিরাক্্লের চতুর্থ ও পঞ্চম সন্তানদের থেকে একজনের হাতে হবে মারাত্মক যুদ্ধ, যার নাম হবে তাবারাহ্্ । হাদীস বর্ণনাকারী হযরত কা’ব রহঃ বলেন, যেদিন বনু হাশিমের একজন লোক আমীরের দায়িত্ব পালন করবেন। যেদিন ইয়ামানের দিক থেকে সত্তর হাজার জাহাজ বোঝায় করা যুদ্ধের রসদপাত্র এসে পৌছবে। তাদের তলোয়ার হবে মাসাদ গাছের সাথে লটকানো।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৫০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٥٠
حدثنا ابن وهب عن معاوية بن صالح عن حدير
بن كريب
عن كعب قال الملاحم على يدي رجل من أهل هرقل الرابع والخامس يقال له
طبارة
قال كعب وأمير الناس يومئذ رجل من بني هاشم يأتيه مدد اليمن سبعون ألفا
حمائل سيوفهم المسد
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু সা’লাবা খুশানী রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তুমি শামদেশের বাসিন্দাকে আহ্লে বায়তের একজনকে খুব বেশি মেহমানদারী করতে দেখবে মূলতঃ তখনই কুস্তুনতিনিয়া জয় হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৫১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٥١
حدثنا ابن وهب عن معاوية بن صالح عن عبد الرحمن
ابن جبير بن نفير عن أبيه
عن أبي ثعلبة الخشني صاحب رسول الله صلى الله عليه
وسلم ورضى الله عنه قال إذا رأيت الشام مأدبة أو مائدة ورجل وأهل بيته فعند ذلك فتح
القسطنطينية
وأظن ابن وهب قال مائده
হযরত কা’ব রহঃ কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ একদা বিভিন্ন যুদ্ধ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে যা বলেছেন আমি এখন সেগুলো তোমাদের সামনে তুলে ধরব। প্রায় বারজন শাসকের যুগে ফিতনা সংগঠিত হবে। তাদের মধ্যে রোমান বাদশাহ হবে সর্বকণিষ্ঠ এবং তার যুগে সবচেয়ে কম যুদ্ধ হবে। কিন্তু তারাই সবচেয়ে বেশি মানুষকে পথ ভ্রষ্টতার প্রতি ধাবিত করবে। এবং এরজন্য সাহায্য-সহযোগিতা করবে। হারামের দিকে নিয়ে যাবে। তখন ইসলামের কোনো সাহায্য করা হবে না। তবে যেদিন মুসলমানদের সাহায্যের লক্ষ্যে সানা এলাকার সৈন্যরা এগিয়ে আসবে, তখন খ্রীষ্টানদের সাহায্য করা হারাম হয়ে যাবে। ঐসময় জাজিরা এলাকায় ত্রিশ হাজারের বিশাল খ্রীষ্টান বাহিনীর সমাগম হবে । অন্যদিকে একলোক তাদের পক্ষ ত্যাগ করে বলবে,্ আমি খ্রীষ্টানদের সাহায্য করে যাব, যার কারণে প্রত্যেকে তাদের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারন করবে। সেদিন কেউ তার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। তার সাথে একটি ধারালো তলোয়ার থাকবে। ফলে তাকে কেউ কোনো আঘাতও করতে পারবেনা। তার স্থলে একজন দালাল থাকবে যেদিন যার উপরই তলোয়ার দ্বারা আঘাত করা হয়েছিল তাকে মারা যেতে হয়েছে। এক পর্যায়ে প্রত্যেকে একে অন্যকে সাহায্য করা হারাম মনে করেছে এবং উভয় দল ধৈর্য্যরে পরিচয় দিয়েছে। এক সময় প্রত্যেক দল অস্ত্রের মহড়া আরম্ভ করে দেয়। যাতে করে প্রতি পক্ষকে দুর্বল করতে সক্ষম হয় । যেদিন মুসলমানদের এক তৃতাংশ মারা যাবে, অন্য এক তৃতাংশ পলায়ন করবে। যার কারনে তার জমিনের সর্বনি¤œ স্তরে উপনীত হবে, যেখান থেকে কখনো জান্নাত তো দেখবেনা এমনকি জান্নাতীদেরকেরও দেখতে পাবেনা। আরেক তৃতাংশ ধৈর্য্যধারন করবে, তাদের লাগাতার তিনদিন পর্যন্ত পাহারা দিয়ে রাখা হবে। তাদের কেউ পলায়নকারী সাথীদের মত পলায়ন করবেনা। তৃতীয় দিন হলে তাদের একজন হঠাৎ দাড়িয়ে উচ্চস্বরে বলবে, হে মুসলমানগন! তোমরা কিসের জন্য অপেক্ষা করছ,দাড়াও এবং তোমাদের সাথীদের ন্যায় জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য প্রস্তুত হও। যখন তারা এভাবে এগিয়ে যাবে তখনই আল্লাহ তাআলারর পক্ষ থেকে নুসরাত বা সাহায্য আসবে। আল্লাহ তাআলা খ্রীষ্টানদের উপর ক্রোধ প্রকাশ করতে থাকবে। যার কারণে তাদেরকে তীর, তলোয়ার ও বল্লম দ্বারা হত্যা করা হবে। এরপর থেকে কিয়ামত পর্যন্ত কোনো খ্রীষ্টানদের পক্ষে অস্ত্রধারন করার আর কারো সাহস থাকবেনা। তাদেরকে মুসলমানরা যেখানে পাবে সেখানে হত্যা করতে থাকবে। যেদিন সব কেল্লা এবং শহর মুসলমানগন জয় করবে। এভাবে জয় করতে করতে একসময় কুস্তুন তিনিয়ানগরীতে এসে পৌছবে। অতঃপর সকলে আল্লাহ তাআলার বড়ত্ব, পবিত্রতা ও প্রশংসা করতে থাকবে। ফলে সেখানে বারটি বুরুজ ধ্বংস হয়ে যাবে এবং যেখানে নির্বিঘেœ প্রবেশ করবে। সেখানের যুবকদেরকে হত্যা করা হবে এবং নারীদের ইজ্জত লুন্টন করা হবে। আল্লাহ তাআলার নির্দেশক্রমে সেখানে থাকা ধনভান্ডার খুলে দেয়া হলে যার যা ইচ্ছা তা গ্রহণ করতঃ বাকিগুলো রেখে দেয়া হবে। উক্ত ভান্ডার থেকে সম্পদ গ্রহনকারী এবং বর্জনকারী উভয়দল লজ্জিত হবে।
একথা শুনার সাথে সাথে সকলে বলে উঠলো, উভয় গ্রুপের লজ্জা কীভাবে জমা হবে। জবাবে বলা হবে, সম্পদ গ্রহণকারীরা চিন্তিত ও লজ্জিত হবে, কেন আরো গ্রহণ করলোনা, অন্যদিকে বর্জনকারীগণও গ্রহন না করার কারণে খুবই পেরেশান হয়ে যাবে যে, কেন গ্রহণ করলোনা। একথ্ াশুনে সকলে বলল, নিঃসন্দেহে আপনি আখেরী যামানায় দুনিয়ার প্রতি আন্তরিক হয়ে যাবেন।
জবাবে তিনি বললেন, এটাও অবশ্যই শাদ্দাদ এবং দাজ্জালের আবির্ভাবের বৎসরগুলোতে সাহায্য করার উদ্দেেেশ্য হয়ে থাকবে। ঐসময় হঠাৎ প্রকাশ পাবে, তোমাদের শহরে দাজ্জালের আবির্ভাব হয়েছে। একথ্ াশুনে সকলে নিজের পরিবার-পরিজনের কাছে গিয়ে দেখতে পাবে যে, সংবাদটি ডাহা মিথ্যা বলেছে। তবে এরজন্য আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবেনা, বরং দ্রুত দাজ্জালের আবির্ভাব হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩৫২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٣٥٢
حدثنا ابن وهب عن عاصم بن حكيم
عن عمرو بن عبد الله
عن كعب قال ذكر سول الله صلى الله عليه وسلم الملحمة فسمي
الملحمة من عدد القوم وأنا أفسرها لكم إنه يحضرها إثنا عشر ملكا
ملك الروم أصغرهم
وأقلهم مقاتلة
ولكنهم كانوا هم الدعاة وهم دعوا تلك الأمم واستمدوا بهم
وحرام على
أحد يرى عليه حقا للإسلام أن لا ينصر الإسلام يومئذ وليبلغن مدد المسلمين يومئذ
صنعاء الجند
وحرام على أحد يرى عليه حقا للنصرانية أن لا ينصرها يومئذ و
لتمدنهم
يومئذ الجزيرة بثلثين ألف نصراني
فيترك الرجل فدانه يقول أذهب أنصر النصرانية
ويسلط
الحديد بعضه على بعض فما يضر رجلا يومئذ كان معه سيف لا يجدع الأنف ألا يكون مكانه
الصمصامة لا يضع سيفه يومئذ على درع ولا غيره إلا قطعه
وحرام على جيش أن يترك النصر
ويلقى الصبر على هؤلاء وعلى هؤلاء ويسلط الحديد بعضه على بعض ليشتد البلاء
فيقتل
يومئذ من المسلمين ثلث ويفر ثلث فيقعون في مهيل من الأرض يعني هوي لا يرون الجنة
ولا يرون أهليهم أبدا ويصبر ثلث فيحرسونهم ثلاثة أيام لا يفرون فر أصحابهم فإذا كان
يوم الثالث
قال رجل منهم يا أهل الإسلام ما تنتظرون قوموا فادخلوا الجنة
كما دخلها إخوانكم فيومئذ ينزل الله تعالى نصره ويغضب لدينه ويضرب بسيفه ويطعن
برمحه ويرمي بسهم
لا يحل لنصراني أن يحمل بعد ذلك اليوم سلاحا حتى تقوم الساعة
ويضرب المسلمون أقفاهم مدبرين لا يمرون بحصن إلا فتح ولا مدينة إلا فتحت
حتى يردوا
القسطنطينية فيكبرون الله ويقدسونه ويحمدونه فيهدم الله ما بين إثني عشر برجا
ويدخلها المسلمون فيومئذ يقتل مقاتلتها وتفتض عذراها ويأمرها الله فيظهر كنوزها
فآخذ وتارك فيندم الآخذ ويندم التارك
قالوا وكيف يجتمع ندامتهما
قال يندم
الآخذ أن لا يكون ازداد ويندم التارك ألا يكون أخذ
قالوا إنك لترغبنا في الدنيا
في آخر الزمان
قال إنه يكون ما أصابوا منها عونا لهم على سنين شداد وسنين
الدجال
قال ويأتيهم آت وهم فيها فيقول خرج الدجال في بلادكم
قال فينصرفون
حيارى فلا يجدونه خرج فلا يلبث إلا قليلا حتى يخرج

Execution time: 0.08 render + 0.01 s transfer.