Login | Register

নুয়াইম বিন হাম্মাদের: আল ফিতান

মাহদির পর যা হবে

   

মাহদির পর যা হবে

Double clicking on an arabic word shows its dictionary entry
হযরত দীনার ইবনে দীনার রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, নিঃসন্দেহে মাহদি মৃত্যুবরণ করলে মানুষের মাঝে ব্যাপক গনহত্যা দেখা দিবে এবং একে অন্যকে হত্যা করবে। অনারবদের জয়জয়কার হবে এবং ভয়াবহ যুদ্ধ-বিগ্রহ প্রকাশ পাবে। মানুষের মধ্যে কোনো শৃঙ্খলা এবং একতাবদ্ধতা থাকবেনা, এক পর্যায়ে দাজ্জালের আবির্ভাব হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৩৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٣٤
حدثنا بقية بن الوليد والوليد بن مسلم عن
أبي بكر بن أبي مريم حدثني يزيد بن سلمان عن دينار بن دينار قال
بلغني أن
المهدي إذا مات صار الأمر هرجا بين الناس ويقتل بعضهم بعضا وظهرت الأعاجم واتصلت
الملاحم فلا نظام ولا جماعة حتى يخرج الدجال
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মাহদির ইন্তেকাল হলে আহলে বাইতের জনৈক লোক মানুষের যিম্মাদারী গ্রহণ করবে। তার মাঝে ভালো-খারাপ সবকিছু থাকলেও তার ভালো কাজ থেকে খারাপ কাজ অনেক বেশি হবে। তিনি মানুষের উপর খুবই রাগান্বিত হবে এবং মানুষের একতাবদ্ধতার মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করতে থাকবে। তবে তার হুকুমতের স্থায়িত্ব থাকবে খুবই কম সময়ের জন্য। তার অবস্থা দেখে আহলে বাইতের অন্য আরেকজন লোক তার উপর হামলা করার মাধ্যমে তাকে হত্যা করবে। এরপর লোকজনের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ সংগঠিত হবে। এভাবে যুদ্ধ-বিগ্রহ চলার পর খুবই কম সংখ্যক মানুষ জীবিত থাকবে। এরপর আরো অনেক লোক মারা যাবে। অতঃপর পশ্চিমাদের মুজার গোত্রের আরেকজন লোক ক্ষমতা গ্রহণ করবে। সে মানুষকে কুফরীর প্রতি দাওয়াত দিবে এবং তাদের দ্বীন থেকে বের করে নিয়ে আসবে। দুই নাহ্্বের মাঝামাঝি যায়গায় তার সাথে ইয়ামান বাসিদের যুদ্ধ সংগঠিত হবে এবং আল্লাহ তাআলা ঐ লোক এবং তার সাথে থাকা সবাইকে পরাজিত করবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৩৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٣٥
حدثنا الوليد بن مسلم عمن
حدثه
عن كعب قال يموت المهدي موتا ثم يلي الناس بعده رجل من أهل بيته فيه خير
وشر وشره أكثر من خيره يغضب الناس يدعوهم إلى الفرقة بعد الجماعة بقاؤه قليل يثور
به رجل من أهل بيته فيقتله فيقتتل الناس بعده قتالا شديدا وبقاء الذي قتله بعده
قليل ثم يموت موتا ثم يليهم رجل من مضر من الشرق يكفر الناس ويخرجهم من دينهم يقاتل
أهل اليمن قتالا شديدا فيما بين النهرين فيهزمه الله ومن معه
হযরত ইবনে শিহাব যুহরী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মাহদি আঃ এর মৃত্যুর পর লোকজনের মাঝে ফেৎনা, বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধি পেতে থাকবে। ঐ সময় বনু মাখজুমের জনৈক লোক এগিয়ে এসে নিজের জন্য বাইয়াত গ্রহণ করতে থাকবে। কিছুদিন তার রাজত্ব চলার পর সে মানুষকে খাদ্য থেকে বঞ্চিত করবে। তার এসব কাজের কেউ বিরুদ্ধাচরণ করবেনা। এরপর মানুষের জন্য দান করা বন্ধ করে দিবে, কিন্তু তারপরও তার কাজের প্রতিবাদ করার মত কাউকে পাওয়া যাবেনা। একদিন বায়তুল মোকাদ্দাস পৌছলে সে এবং তার সাথিরা টালমাটাল হয়ে যাওয়া চাকার মত হয়ে যাবে। তার ঘরের মহিলারা উলঙ্গ প্রায় হয়ে স্বর্ণরূপা পরিধান করতঃ বাজারে ভ্রমণ করতে থাকবে। কিন্তু তাদেরকে সংশোধন করে দেয়ার মত কাউকে পাওয়া যাবেনা। ইয়ামান থেকে বনুকুজাআহ, মুয়হাজ্ব, হামদান, হিমইয়ার, আযদি, গাছদান এবং যারা তার কথা শুনেনা তাদের সকলকে বের করে দেয়ার নির্দেশ দিবে। এক পর্যায়ে তাদেরকে বের করা দেয়া হলে তারা এসে ফিলিস্তিনের এক পাহাড়ের চুড়ায় আশ্রয় নেয়। অন্যদিকে জাদীয়, লাখাম ও জুযাম এবং আরো অনেকে শাসকের এহেন আচরনে ক্ষুব্ধ হয়ে খাবার-পানি নিয়ে এগিয়ে আসবে। ইউসুফ আঃ যেমন তার ভাইদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছিলেন এরাও এসব লোকের সাহায্যে এগিয়ে আসবে। এমন মুহূর্তে হঠাৎ আসমান একটি গায়েবী আওয়াজ আসবে, যা কোনো মানুষ কিংবা জ্বিনের কণ্ঠ থাকবেনা। সে বলবে ‘তোমরা অমুকের হাতে বায়আত গ্রহণ করো, তোমরা হিজরতের পর পূনরায় পিছনে ফিরে যেয়োনা। তারা সকলে এদিক ওদিক দৃষ্টি দিয়ে কাউকে দেখতে পাবে না। এভাবে তিনবার গায়েবী আওয়াজ আসলে, তারা সকলে মানসূরের হাতে বায়আত গ্রহণ করবে। অতঃপর দশজনের একটি প্রতিনিধিদল মাখযূযির কাছে পাঠানো হলে তাদের নয়জনকে সে হত্যা করবে, কেবল একজনকে জীবিত রাখবে। এরপর পাঁচজনের আরেকটি দল প্রেরণ করলে তাদের চারজনকে হত্যা করে একজনকে জীবিত রাখা হবে। অতঃপর তিনজনের আরেকটি প্রতিনিধি পাঠানো হলে দুইজনকে হত্যা করে একজনকে জীবিত রাখা হবে। এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর মুসলমানরা তার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারন করবে এবং তার সাথীবর্গসহ তাকে হত্যা করা হবে। গোপনে পলায়নকারী ব্যতীত কেউ বাঁচতে পারবেনা। প্রত্যেক কুরাশীকে হত্যা করা হবে। তখন হাজারো তালাশ করেও একজন কুরাশী পাওয়া যাবেনা, যেমন বর্তমানে কেউ জুরহুম গোত্রের কাউকে তালাশ করে পাওয়া যাবেনা। ঠিক তেমনিভাবে কুরাইশ গোত্রের লোকজনকেও ব্যাপকভাবে হত্যা করা হলে, পরবর্তীতে আর তাদের কাউকে পাওয়া যাবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৩৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٣٦
حدثنا عبد
الله بن مروان عن سعيد بن يزيد التنوخي
عن الزهري قال يموت المهدي موتا ثم يصير
الناس بعده في فتنة ويقبل إليهم رجل من بني مخزوم فيبايع له فيمكث زمانا ثم يمنع
الرزق فلا يجد من يغير عليه ثم يمنع العطاء فلا يجد أحدا يغير عليه وهو ينزل بيت
المقدس فيكون هو وأصحابه مثل العجاجيل المريبة وتمشي نساؤهم ببطيطات الذهب وثياب لا
تواريهن فلا يجد من يغير عليه فيأمر بإخراج أهل اليمن قضاعة ومذحج وهمدان وحمير
والأزد
وغسان وجميع من يقال له من اليمن فيخرجهم حتى ينزلوا شعاب فلسطين
فيرجع إليهم جديس ولخم وجذام والناس غضبى من تلك الجبال بالطعام والشراب ليكون لهم
مغوثة كما كان يوسف مغوثة لإخوته إذ نادى مناد من السماء ليس بإنس ولا جان بايعوا
فلانا ولا ترجعوا على أعقابكم بعد الهجرة فينظرون فلا يعرفون الرجل ثم ينادي ثلاثا
ثم يبايع المنصور فيبعث عشرة وفد إلى المخزومي فيقتل تسعة ويدع واحدا ثم يبعث خمسة
فيقتل أربعة ويسرح واحدا ثم يبعث ثلاثة فيقتل اثنين ويدع واحدا فيسير إليه فينصره
الله عليه فيقتله الله ومن معه ولا ينفلت إلا الشريد ولا يدع قرشيا إلا قتله فيلتمس
إذ ذاك قرشي فلا يوجد كما يلتمس اليوم رجل من جرهم فلا يوجد فكذلك تقتل قريش فلا
يوجدوا بعدها
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, দুই নদীর মাঝামাঝি এলকায় ইয়ামানবাসীদের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ সংগঠিত হবে। এক পর্যায়ে যে এবং তার সাথে থাকা লোকজনকে আল্লাহ তাআলা পরাজিত করবেন। পশ্চিমাদের মাঝে এক প্রকার হত্যা আতঙ্ক বিরাজ করবে। তারা নদীর কিনারায় চলতে থাকলে পরাজিত হওয়ার সংবাদ প্রাপ্ত হবে। তাদের অশ্বরোহীর ইয়ামানের দিকে গিয়ে দুই নদীর মাঝামাঝি স্থানে ছাউনি ফেলবে। আল্লাহ তাআলা তাকে এবং তার সাথে থাকা লোকজনের প্রসিদ্ধি করাবেন। সকলে এক কালিমার উপর চুক্তি সম্পাদন করতঃ তারা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে শাম নগরীতে গিয়ে উপনীত হবে। সেখানে এক নেককার লোকের নেতৃত্বে কিছুদিন অবস্থান করবে। এরপর কায়স গোত্রের লোকজন তাদের উপর হামলা করলে তাদেরকে ইয়ামানবাসীরা হত্যা করবে। সকলে মনে করবে কায়স গোত্রের আর কেউ যেন বেঁচে নেই। অতঃপর ইয়ামানীদের জনৈক লোক দাড়িয়ে বলবে, আল্লাহ-আল্লাহ তোমাদের ভাই। এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর কায়সগোত্রের অবশিষ্ট লোকজন সফর করতে করতে দুই নদীর মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছে যাবে। সেখানে তাদের স্বগোত্রীয় অনেকে এসে জমায়েত হবে এবং বনু মাখযুসের একজনকে তাদের আমীর নিযুক্ত করা হবে। অন্যদিকে ইয়ামানের সেই আমীর মৃত্যুবরণ করলে কায়স বংশের লোকজন খুব খুশি হবে। কায়স গোত্রের সরদার মাখযুমী তার দলবল নিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হয়ে ফুরাত নদী পাড়ি দেয়া শেষ হলে সেই মাখযুমী মারা যাবে। যার কারণে ইয়ামানীরা এক এলাকায় অবস্থান করবে এবং কায়স গোত্রের লোকজন অন্যদিকে অবস্থান করবে। এ অবস্থা দেখে মাওয়ালীরা খুবই ক্ষুদ্ধ হবে। অবশ্যই এরা হবে সংখ্যায় অনেক বেশি। তারা বলবে চলুন দ্বীনদার একজনকে আমাদের আমীর নিযুক্ত করি। অতঃপর ইয়ামান, মুজার এবং মাওয়ালীদের একেকটি দল বায়তুল মোকাদ্দাসের দিকে প্রেরণ করবে। অতঃপর তারা কিতাবুল্লাহর তিলাওয়াত করে কল্যান কামনা করতে থাকবে। তারা মাওয়ালীদের একজন তাদের আমীর নিযুক্ত করতঃ ফিরে আসবে। শাম নগরী এবং তাদের লোকজনের জন্য ঐ লোকের রাজত্ব ধ্বংস ডেকে আনবে। অতঃপর তারা যুদ্ধের উদ্দেশ্যে মুজার এলাকার দিকে যেতে থাকবে। তবে পূর্বদিকের জনৈক লোক এগিয়ে আসবে, সে লোক হবে খুবই লম্বা এবং মোটাসোঁটা তার সাথে যার দেখা হবে তাকে হত্যা করবে এক পর্যায়ে বায়তুল মোকাদ্দাসে প্রবেশ করবে। হঠাৎ তার উপর একটি জানোয়ার চড়াও হলে মারা যাবে। যার কারণে পৃথিবী আবারো অনাচারে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। এরপর মুজার গোত্রের আরো একজন লোক আমীর নিযুক্ত হবে, যাকে কতিপয় ভালো লোকজন হত্যা করতে সামর্থ্য হবে। এরপর মুজারী, আম্মানী, কাহতানী গোত্রের জনৈক লোক আমীর হবে। যে মূলতঃ মাহদি চরিত্রে চরিত্রবান হবে এবং তার হাতে রোমানদের শহর জয় হবে। লেখক আবু আব্দুল্লাহ নুআঈম রহঃ বলেন, তিনি এক্্লা নামক এক গ্রাম থেকে বের হয়ে আসবেন, যে গ্রামটি সানা নামক শহর থেকে এক মারহালা পিছনে অবস্থিত, তার পিতা কুরাশি হলেও মাতা হবেন ইয়ামানী।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৩৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٣٧
حدثنا الوليد بن مسلم عمن حدثه
عن كعب قال يقاتل أهل
اليمن قتالا شديدا فيما بين النهرين فيهزمه الله ومن معه فما يروع أهل المشرق ومن
معه إلا بالقتلى يطفون على النهر فيعلمون بهزيمتهم فيقبل راكبهم إلى اليمن وهم نزول
بين النهرين فيظهره الله تعالى ومن معه فيصلح أمر الناس وتجتمع كلمتهم هنية ثم
يسيرون حتى ينزلوا الشام ويمكثون زمانا في ولاية صالحة ثم يثور بهم قيس فيقتلهم أهل
اليمن حتى يظن الظان أن لم يبق من قيس أحد ثم يقوم رجل من أهل اليمن فيقول الله
الله في إخوانكم الله والبقية فتسير قيس فيمن بقى منها حتى ينزلوا بين النهرين
فيجمعوا جمعا عظيما فيولون أمرهم رجلا من بني مخزوم ثم يموت والي اليمن فتفرح قيس
بموته فيسير المخزومي حتى إذا جاز آخرهم الفرات مات المخزومي
فيصير اليمن
على حده وقيس على حده فيغضب الموالي عن ذلك وهم أكثر الناس يومئذ فيقولون هلموا
نولي رجلا من أهل الدين فيبعثون رهطا من أهل اليمن ورهطا من مضر ورهطا من الموالي
إلى بيت المقدس فيتلون
كتاب
الله
تعالى ويسألونه الخيرة فيرجع أولئك الرهط وقد ولوا رجلا من الموالي فويل للناس
بالشام وأرضها من ولايته فيسير إلى مضر يريد قتالهم ثم يسير رجلا من أهل المغرب رجل
طويل جسيم عريض ما بين المنكبين فيقتل من لقي حتى يدخل بيت المقدس فتصيبه الدابة
فيموت موتا فتكون الدنيا شر ما كانت ثم يلي من بعده رجل من [ أهل ] مضر يقتل أهل
الصلاح ملعون مشؤم ثم يلي من بعده
المضري العماني القحطاني يسير بسيرة أخيه المهدي
وعلى يديه تفتح مدينة الروم
قال أبو عبد الله نعيم يخرج من قرية يقال لها يكلا
خلف صنعاء بمرحلة أبوه قرشي وأمه يمانية
হযরত আব্দুর রহমান ইবনে কায়স ইবনে জারের আস-সাদাফি রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, মাহদি ব্যতীত আর কেউ কাহতানী হবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৩৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٣٨
حدثنا الوليد عن ابن لهيعة عن
عبد الرحمن بن قيس بن جابر الصدفي قال
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما
القحطاني بدون المهدي
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত সংগঠিত হবেনা যতক্ষণ না কাহতান এলাকার এক লোক মানুষকে তার অধীন করবেন না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৩৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٣٩
حدثنا عبد الرزاق عن معمر عن ابن أبي ذئب عن سعيد
بن أبي سعيد المقبري
عن أبي هريرة رضى الله عنه قال لا تذهب الأيام والليالي
حتى يسوق الناس رجل من قحطان
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে কাহতান এলাকার জনৈক লোক তার শাসনের লাঠি দ্বারা মানুষকে তার অধীন করে নিবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৪০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٤٠
حدثنا عبد العزيز بن محمد الدراوردي عن
ثور بن زيد الديلي عن أبي الغيث
عن أبي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله
عليه وسلم قال لا تقوم الساعة حتى يخرج رجل من قحطان يسوق الناس بعصاه
মুত্তালিব ইব্্নে হানতাব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমীরুল মুমিনীন হযরত ওমর রাযিঃ প্রায় সময় বলতেন যারা মাখযুমীর খেলাফতের যুগ প্রাপ্ত হবে, যেন তাদের ধ্বংস হয়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৪১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٤١
حدثنا ابن ثور وعبد الرزاق عن معمر عن ابن طاوس عن المطلب بن حنطب قال
قال عمر
بن الخطاب رضى الله عنه لا أم لمن أدركته خلافة المخزومي
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত আলী রাযিঃ এরশাদ করেছেন, উক্ত ইয়ামানীর হাতে আ’কা যুগরার যুদ্ধ সংগঠিত হবে। এটা অবশ্যই তখনই হবে যখন হিরাকলের বংশধরদের পঞ্চমজন রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৪২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٤٢
حدثنا الوليد
عن معاوية بن يحيى عن أرطاة بن المنذر عن حكيم بن عمير عن تبيع
عن كعب قال
[
قال علي عليه السلام ] على يدي ذلك اليماني تكون ملحمة عكا الصغرى وذلك إذا ملك
الخامس من أهل هرقل
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক ইয়ামানী বিজরী হয়ে বায়তুল মোকাদ্দাসে কুরাইশকে হত্যা করবে এবং তার হাতেই ভয়াবহ যুদ্ধ সংগঠিত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৪৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٤٣
حدثنا الوليد عن يزيد بن سعيد عن يزيد بن أبي عطاء
عن كعب قال فيظهر اليماني ويقتل قريشا ببيت المقدس وعلى يديه تكون الملاحم
হযরত আব্দুল্লাহ ইব্্নে হাজ্জাজ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইব্নে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ হিসাব করে বলতেন প্রথমে জালেম শাসক হবে জাবের, অতঃপর মাহদি, এরপর মানসুর, অতঃপর সালাম, এরপর আমীরুল গজব আমীর নিযুক্ত হবে। এরপর যাদের সাধ্য রয়েছে, তারা যেন মৃত্যু বরণ করে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৪৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٤٤
حدثنا ابن وهب عن ابن لهيعة عن الحارث بن يزيد سمع عقبة بن راشد الصدفي
قال حدثنا عبد الله بن الحجاج قال
سمعت عبد الله بن عمرو بن العاص يعد الجبابرة
الجابر ثم المهدي ثم المنصور ثم السلام ثم أمير الغضب فمن قدر أن يموت بعد ذلك
فليمت
হযরত আব্দুল্লাহ ইব্্নে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হে ইয়ামান জাতিরা! তোমরা বলে থাক যে, নিঃ সন্দেহে মানসুর তোমাদের দলভুক্ত। কসম সে সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ! মানসূরের পিতা কুরাশী। ইচ্ছা করলে আমি তার ও তার বংশের লোকজনের নাম বলে দিতে পারব।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৪৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٤٥
حدثنا الوليد عن ابن لهيعة عن الحارث بن يزيد الحضرمي عن
الفضل بن عفيف الدؤلي
عن عبد الله بن عمرو أنه قال يا معشر اليمن تقولون إن
المنصور منكم والذي نفسي بيده إنه لقرشي أبوه ولو أشاء أن أسميه إلى أقصى جد هو له
لفعلت
হযরত আব্দুর রহমান ইব্্নে কায়স ইব্নে জাবের আস্্ সাদাফি রহঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশদ করেন, অতিসত্ত্বর আহলে বায়তের একজন লোক খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করবে, তিনি গোটা পৃথিবী ইনসাফে পরিপূর্ণ করে দেন, যেমন ইতিপূর্বে জুলুম-নির্যাতনে পরিপূর্ণ ছিল। এরপর জনৈক কাহতানী আমীর নিযুক্ত হবেন। কসম সে সত্ত্বার যিনি আমাকে হক্ব নিয়ে পাঠিয়েছেন, উক্ত কাহতানী পূর্বের শাসক থেকে খুবই নি¤œ মানের হয়ে থাকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৪৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٤٦
حدثنا ابن لهيعة عن عبد الرحمن بن قيس بن جابر الصدفي
أن رسول
الله صلى الله عليه وسلم قال سيكون من أهل بيتي رجل يملأ الأرض عدلا كما ملئت جورا
ثم يجيء بعده القحطاني والذي بعثني بالحق ما هو دونه
হযরত আরতাত্ রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উক্ত ইয়ামানী খলিফার হাতে এবং তার খেলাফতকালীন সময়ে রোমানদের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৪৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٤٧
حدثنا الوليد عن
جراح
عن أرطاة قال على يدي ذلك الخليفة اليماني وفي ولايته تفتح رومية
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, পৃথিবীতে দুইজন লোক জীবিত থাকলেও খেলাফতের দায়িত্ব কুরাইশের হাতে থাকবে। অন্য কারো হাতে যাবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৪৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٤٨
حدثنا سليمان بن داود عن عاصم بن محمد بن عبد الله بن عمر عن أبيه
عن ابن عمر
رضى الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يزال هذا الأمر في
قريش ما بقي في الناس رجلان
হযরত আওয়াম ইব্্নে হাওশাব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে সংবাদ পৌছেঁছে, হযরত আলী রাযিঃ বলেন কুরাইশের বিলুপ্তির পর অজ্ঞতা বিহীন পৃথিবীতে আর কিছুই থাকবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৪৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٤٩
حدثنا محمد بن يزيد عن العوام بن حوشب قال
بلغني أن عليا رضى الله عنه قال ليس بعد قريش إلا الجاهلية
হযরত আম্মার রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিঃ সন্দেহে মানুষের কাছে এমন এক যুগ আসবে, যখন পৃথিবীতে কোনো কুরাইশীকে পাওয়া যাবে তখন তার সাথে শিকার করতে গিয়ে সফল হওয়া গাধার মত আচরণ করা হবে এবং তার মাথায় পাগড়ি রাখা হবে। অতঃপর তার মাথা থেকে পাগড়ি ছিনিয়ে নিয়ে তাকে হত্যা করা হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৫০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٥٠
حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن زيد بن وهب
عن عمار قال ليأتين على الناس زمان
إذا وجد الرجل من قريش صنع به ما يصنع بحمار وحش إذا صيد وتوجد العمامة على رأسه
فتنزع عن رأسه ثم تضرب عنقه
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আলী রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা কোনো কুরাইশকে হত্যাকালীন লাঞ্ছিত এবং অপদস্ত করবেন, আমার ইচ্ছা হচ্ছে, তাদেরকে হত্যা করা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৫১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٥١
حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن عمرو بن مرة
عن أبي البختري
عن علي رضى الله عنه قال وددت أن النفس التي يذل الله عند قتلها
قريشا ويحزنها وقد قتلت
হযরত কা’বে আহবার রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন মানুষের মাঝে হত্যা ইত্যাদি বৃদ্ধি পাবে তখন লোকজন বলবে এ যুদ্ধ মূলতঃ কুরাইশদের সাথে সম্পৃক্ত। সুতরাং কুরাইশদেরকে হত্যা করলে তোমরা শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। একথা শুনার পর সকলে মিলে কুরাইশদেরকে এমন ভাবে হত্যা করবে, তাদের একজনও বাকি থাকবেনা। কিন্তু এরপর গিয়ে মানুষ পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যেমন জাহেলী যুগে লিপ্ত ছিল এবং গোলামদের একজন মানুষের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৫২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٥٢
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن أبي زرعة عن تبيع
عن كعب قال إذا كثر الهرج في الناس قال الناس إنما هذا القتال في قريش ولها
فاقتلوهم حتى تستريحوا فيقتلونهم حتى لا يبقى منهم أحد ويغزو الناس بعضهم بعضا كما
كانوا في جاهليتهم ويملك الناس رجل من الموالي
হযরত কা’বে আহবার রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন ইয়ামানী শাসন ক্ষমতায় বসবে, তখন বায়তুল মোকাদ্দাস এলাকা অসংখ্যা কুরাইশীকে হত্যা করা হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৫৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٥٣
حدثنا الوليد عن يزيد بن
سعيد عن يزيد بن أبي عطاء عن كعب قال إذاذ ظهر اليماني قتلت قريش يومئذ ببيت
المقدس
যু মিখবার রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে এরশাদ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বটি মূলতঃ হিমইয়ার গোত্রের কাছে ছিল, পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সেটা কুরাইশদের হাতে অর্পণ করা হয়। তবে কিছুদিনের মধ্যে আবার সেটা তাদের কাছে ফিরে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৫৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٥٤
حدثنا بقية وأبو المغيرة عن جرير عن راشد بن سعد عن أبي حي المؤذن
عن ذي مخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال كان هذا الأمر في حمير فنزعه
الله تعالى منهم وصيره في قريش وسيعود إليهم
হযরত আবু উমাইয়া আয্যিমারী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাকে খুবই চিন্তিত মনে হচ্ছে, কারণ কি? জবাবে তিনি বলেন, জিফারের কবরে একটি পাথর পাওয়া গিয়েছে, যার মধ্যে লেখা রয়েছে যে, তোমাদেরকে ক্ষমতা গ্রহনের এখতিয়ার দেয়া হলো, এরপর ক্ষমতা খুব ভালোভাবে পরিচালনা কর। তবে একদিন সেটা দুর্গন্ধময় হয়ে যাবে। যদি ভালো হয় তাহলে প্রশংসিত হবে এবং অনেক মর্যাদাবান হতে পারবে। এক সময় আযাদ হওয়া লোকজন ক্ষমতা ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠবে, কিন্তু ক্ষমতার মালিক হবে হিমইয়ার এলাকার সম্মানীত লোকজন, এরপর সমাজের নিকৃষ্টত লোকজন ক্ষমতা হাতে নিবে, অতঃপর পারস্যবাসিরা, অতঃপর কুরাইশ বংশের লোকজন, এরপর তীব্র যুদ্ধ সংগঠিত হবে। প্রত্যেকবার প্রায় অর্ধেক অর্ধেক লোকজন মারা যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৫৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٥٥
حدثنا عبد الملك بن
عبد الرحمن أبو هشام الذماري حدثنا عمر بن عبد الرحمن أبو أمية الذماري قال أراه
أدرك ذاك قال
وجد حجر في قبر بظفار مكتوب فيها بالمسند خورى وطربى كيل يسك رعل
وحمادى ونيلك جل ومحررى نح يثور عاد يكونن بك هجر لحمير الأخيار ثم الحبش الأشرار
ثم الفارس الأحرار ثم لقريش اتجار ثم حار محمار جنح حار وكل مرة ذن شعبتين زحرة
ومعدي زحرة عمه مخوار
হযররত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন ইয়ামানী ও বায়তুল মোকাদ্দাসের জিম্মাদারদের মাঝে তীব্র যুদ্ধ হবে তখন তোমরা কুরাইশের দিকে অগ্রসর হয়ে তাদেরকে হত্যা করবে। প্রত্যেক কুরাইশীকে এমনভাবে হত্যা করা হবে তাদের কেউ জীবিত থাকবেনা। এমন কি কখনো কোনো এলাকার মাটি খুঁড়তে গিয়ে জুতা পাওয়া গেলে বলা হবে এটা কুরাইশের জুতা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৫৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٥٦
حدثنا بقية وعبد القدوس عن أبي بكر عن المشيخة عن
كعب قال إذا قاتلت اليمن صاحب بيت المقدس أقبلوا على قريش فقتلوهم فلا [ يبقى
]
منهم أحد إلا قتلوه حتى يصاب نعل من نعالهم فيقال هذه نعل قرشي
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বনু জুরহুমের মধ্যে জনৈক লোকের হাতে শাসন ক্ষমতা ছিল, কিছুদিন পর তাদের মাঝে গৌরব এসে যায় এবং হিংসাপ্রবন হয়ে বাদশাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে করতে সকলে এমনভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে। কিছুদিনের মধ্যে কুরাইশরাও হিংসাত্মকভাবে তাদের বাদশাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে সকলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। এমনকি মক্কা-মদীনাসহ পৃথিবীর কোথাও কোনো কুরাইশী তালাশ করে পাওয়া যাবেনা। যেমন, বর্তমানে পৃথিবীর কোথাও বনু জুরহুমের কাউকে পাওয়া যায়না। অর্থাৎ , জুরহুম গোত্রের মত কুরাইশরাও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৫৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٥٧
حدثنا
بقية عن صفوان عن شريح بن عبيد
عن كعب قال كان الملك في جرهم فاستكبروا
فاقتتلوا بينهم تحاسدا على الملك حتى تفانوا ولتقتتلن قريش مثلها تحاسدا في الملك
حتى يلتمس الرجل من قريش بمكة والمدينة فلا يقدر عليه كما لا يقدر على رجل من جرهم
اليوم
হযরত আবু বকর আল-আব্্দী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, বায়তুল মোকাদ্দাস এলাকায় জনৈক বাদশাহ ছাউনি ফেলে গোটা বায়তুল মোকাদ্দাসকে মাড়তে থাকবে। এক পর্যায়ে সে তাজ পরিধান করবে। এ লোক মূলতঃ সেই রাজা যিনি ইয়ামানবাসীদেরকে তাদের এলাকা থেকে বের করে দিবে। আমি যেন স্বচক্ষে দেখছি, যে, একটি পাথরের উপর সে বসে থাকবে আর ইয়ামানীরা তাদের একজনকে প্রতিনিধি হিসেবে তার কাছে পাঠালে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হবে। দ্বিতীয়জন পাঠানো হলে তাকেও সেভাবে হত্যা করবে। তারা এ পরিস্থিতি দেখে সকলে একসাথে তার উপর আক্রমণ করে তাকে হত্যা করে ফেলবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৫৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٥٨
حدثنا ضمرة عن أبي محمد القرشي
عن أبي بكر الأزدي قال ينزل
بيت المقدس ملك فيطأه حتى يلبس التاج وهو الذي يخرج أهل اليمن وكأني أنظر إلى
الصخرة التي يجلس عليها صاحب اليمن فيبعثون إليه رجلا رسولا فيقتله ثم رجلا آخر
فيقتله فإذا رأو ذلك عقدوا لرجل منهم ثم ثاروا حتى ينتهوا إليه فيقتلونه
হযরত আরতাত রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মাহদি বায়তুল মোকাদ্দাস এসে পৌঁছবে এবং কিছুদিন পর তার এন্তেকাল হলে আহলে বায়তের জনৈক লোক খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। দীর্ঘদিন পর্যন্ত সে এই দায়িত্বে বহাল থাকবে, মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন চালাতে থাকবে। এক পর্যায়ে লোকজন বনু আব্বাছ এবং বনু ওমাইয়ার লোকজনের উপর বদ দোয়া দিতে থাকবে। হাদীস বর্ণনাকারী জিরাহ রহঃ বলেন, সে লোক প্রায় দুইশত বৎসর পর্যন্ত শাসন ক্ষমতায় থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৫৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٥٩
حدثنا الوليد بن مسلم عن جراح
عن أرطاة قال ينزل المهدي بيت
المقدس ثم يكون خلفاء من أهل بيته بعده تطول مدتهم ويتجبرون حتى يصلي الناس على بني
العباس وبني أمية مما يلقون منهم
قال جراح أجلهم نحو من مائتي سنة
হযরত আবু কুবাইল রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মাহদির পর আহলে বায়তের কোনো ইনসাফগার লোক শাসনক্ষমতার মালিক হবেনা। তাদের জুলুম নির্যাতনের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। এক পর্যায়ে মানুষ বনু আব্বাছকে গালি-গালাজ করতে থাকবে। তারা বলবে এরা যদি এখানে না এসে তাদের এলাকায় অবস্থান করত, কতইনা ভালো হত। মানুষের মাঝে এমন অবস্থা বিরাজ করতে থাকলে কুস্তুনতুনিয়ার গভর্নরের সাথে তারা যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে যাবে। তিনি একজন নেককার ও সৎ লোক থাকবে, মানুষকে ঈসা আঃ এর ধর্মের দাওয়াত দিবে। মোট কথা, আব্বাছি খেলাফতের সমাপ্তি না হওয়া পর্যন্ত মানুষের এমন খারাপ অবস্থা বাকি থাকবে। বনু আব্বাাছের রাজত্ব শেষ হয়ে আসলে হযরত মাহদির আগমন পর্যন্ত লোকজন বিভিন্ন ধরনের ফেৎনা-ফাসাদের মাঝে ডুবে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৬০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٦٠
حدثنا محمد بن عبد الله التيهرتي عن عبد السلام بن مسلمة
عن أبي قبيل قال لا
يكون بعد المهدي أحد من أهل بيته يعدل في الناس وليطولن جورهم على الناس بعد المهدي
حتى يصلي الناس على بني العباس ويقولون ياليتهم مكانهم فلا يزال الناس كذلك حتى
يغزوا مع واليهم القسطنطية وهو رجل صالح ليسلمها إلى عيسى بن مريم عليه السلام ولا
يزال الناس في رخاء مالم ينتقض ملك بني العباس فإذا انتقض ملكهم لم يزالوا في فتن
حتى يقوم المهدي
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত সংগঠিত হবেনা, যতক্ষণ জনৈক কুরাইশ খলিফা বায়তুল মোকাদ্দাসে এসে কুরাইশ বংশের সবাইকে সেখানে জমায়েত হতে নির্দেশ দিবেন। তাদের ঘরবাড়ি, অবস্থান সবই যেন সেখানে হবে। তারা তাদের নির্দেশে জয়লাভ করবে এবং ন¤্রতা প্রদর্শন করবে। এমনকি তারা তাদের ঘরবাড়ি স্বর্ণ-রূপা দ্বারা তৈরি করবে। ধীরে ধীরে অনেক শহর তাদের হাতে আসবে এবং মানুষ দ্বীনদার হয়ে যাবে। খেরাজ রহিত করা হবে এবং যুদ্ধ-বিগ্রহও হ্রাস পাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৬১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٦١
حدثنا الوليد عن يزيد بن سعيد عن يزيد بن أبي عطاء
السكسكي
عن كعب قال لا تنقضي الأيام حتى ينزل خليفة من قريش بيت المقدس يجمع
فيها [ جميع ] قومه من قريش منزلهم وقرارهم فيغلبون في أمرهم ويترفون في ملكهم حتى
يتخذوا اسكفات البيوت من ذهب
وفضة وتمت لهم البلاد وتدين لهم الأمم ويدر لهم
الخراج وتضع الحرب وأزارها
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, বনু হাশেমের জনৈক লোক বায়তুল মোকাদ্দাস এসে ছাউনি ফেলবে। তার নিরাপত্ত্বার দায়িত্বে বার হাজার সৈন্য মোতায়েন থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৬২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٦٢
حدثنا الوليد عن أبي بكر بن عبد الله عن
أبي الزاهرية
عن كعب قال ينزل رجل من بني هاشم بيت المقدس حرسه إثنا عشر ألفا
হযরত কা’ব রহঃ আরো বলেন, তার নিরাপত্ত্বার দায়িত্ব পালন করবে ছত্রিশ হাজার সৈন্যের বিশাল বাহিনী। বায়তুল মোকাদ্দাসের প্রতিটি রাস্তায় বার হাজার করে সৈন্য থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৬৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٦٣
حدثنا الوليد عن أبي النضر عمن حدثه
عن كعب قال حرسه ستة وثلاثون
ألفا على كل طريق لبيت المقدس إثنا عشر ألفا
হযরত রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঐ শাসক অনেক হায়াত পাবেন এবং জুলুমÑনির্যাতন করতে থাকবেন, শেষ সময়ে এসে তা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মজবুত করে নিবেন তার এবং তার সাথে থাকা লোকজন অঢেল সম্পদের মালিক হবে। তাদের পরিত্যক্ত সম্পদ হবে সকল মুসলমানের সম্পদ সমতূল্য। সে প্রসিদ্ধ সুন্নাতগুলোকে রহিত করতঃ নতুন এমন কিছু বেদআতের আহবান জানাবে যা ইতিপূর্বে ছিলনা। যিনা ব্যাপকতা লাভ করবে এবং প্রকাশ্যভাবে শরাব পান করা হবে। ওলামায়ে কেরামের সংখ্যা হ্রাস পেতে থাকবে। এমনকি একলোক ঘোড়ার উপর সওয়ার হয়ে বিভিন্ন শহর ঘুরে এমন কোন লোক পাবেনা যে একটি হাদীস বর্ণনা করতে পারে। ইসলাম তার প্রাথমিক অবস্থার ন্যায় দূর্বল আকার ধারণ করবে। সেদিন দ্বীনের উপর অটল থাকা আগুনের উত্তপ্ত কয়লা হাতে নেয়ার মত কঠিন হবে। তার নির্দেশ মত জনৈকা মহিলাকে স্বাজসজ্জা করানোর পর স্বর্ণের নুপুর পরিধান করানো হবে এবং পেট-পিট খোলা এমন পোশাক পরিধান করিয়ে পুলিশের বেষ্টনিতে শহরে ঘুরানো হবে। এ সম্বন্ধে কেউ মুখ খুললে তার গর্দান উড়িয়ে দেয়া হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৬৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٦٤
قال الوليد وأخبرني جراح
عن أرطاة فيطول عمره ويتجبر ويشتد حجابه في آخر زمانه وتكثر أمواله وأموال من
عنده حتى يصير مهزولهم كسمين سائر المسلمين ويطفىء سننا قد كانت معروفة ويبتدع
أشياء لم تكن ويظهر الزنى وتشرب الخمر علانية يخيف العلماء حتى إن الرجل ليركب
راحلته ثم يشخص إلى مصر من الأمصار لا يجد فيها رجلا يحدثه بحديث علم ويكون الإسلام
في زمانه غريبا كما بدأ غريبا فيومئذ المتمسك بدينه كالقابض على الجمرة وحتى يصير
من أمره أن يرسل بجارية في الأسواق عليها بطيطان من ذهب يعني الخفين ومعها شرط
عليها لباس لا يواريها مقبلة ومدبرة ولو تكلم في ذلك رجل كلمة صربت عنقه
আবু আব্দুর রহমান কাশেম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের এই মসজিদের আশ্বেপার্শ্বে এমন এক নারীকে ঘুরানো হবে যার কাপড়ের ভিতর থেকে লজ্জাস্থানে পশম দেখা যাবে। এসম্বন্ধে কেউ যদি বলে যে, আল্লাহর কসম এটা ইসলাম সর্মথন করে না, তখন মারা যাওয়া পর্যন্ত ঐ লোককে মাটিতে পাড়ানো হবে। আমি যদি সে লোক হতাম কতই ভালো হতো।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৬৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٦٥
قال الوليد فأخبرني عبد الرحمن بن يزيد بن جابر
عن القاسم أبي عبد الرحمن قال
ليطافن في مسجدكم هذا بجارية
يرى شعر قبلها من وراء ثوبها فليقولن رجل من الناس
والله ليس الهدى هذا فيوطأ ذلك الرجل حتى يموت فياليتني أنا ذلك الرجل
হযরত আরতাত রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঐ শাসকের যুগে ভুমিকম্প, বিকৃতি, ধসে যাওয়া সহ সবধরনের গজব আসবে। হে ইয়ামানবাসিরা! ইসলামের প্রথম যুগ তোমাদের অনুকুলে থাকলেও আখেরী যামানা কিন্তুু তোমাদের বিরুদ্ধে চলে যাবে। এমনকি শাম এবং হামরা থেকে ইয়ামানীদেরকে বের হতে নির্দেশ দেয়া হলে তারা বের হয়ে যাবে এবং রীফ নগরীর সর্বশেষ সীমানায় গিয়ে আশ্রয় নিবে, যেখান থেকে আর বিতাড়িত করা সম্ভব হবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৬৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٦٦
قال الوليد وأخبرني جراح
عن أرطاة قال يكون في زمانه رجف ومسخ وخسف أول زمانه
لكم يا أهل اليمن وآخره عليكم حتى يأمر بإخراج أهل اليمن [ من ] الشام والحمراء
فيخرجون حتى ينتهوا إلى أطراف الريف من حيث ما أخرجوا
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, ইলিয়া নামক প্রান্তরে লোকজন জমায়েত হয়ে যখন নাজার গোত্রের লোকজন বলবে হে নাজার! অন্যদিকে কাহতান গোত্রের লোকজন বলবে হে কাহতান! তখন ধৈর্য্য ফিরে আসবে, সাহায্য উঠে যাবে এবং একে অপরের উপর হাতিয়ার প্রয়োগ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৬৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٦٧
حدثنا الوليد عن
عمر بن محمد بن زيد بن عبد الله بن عمر
عن أبي هريرة رضى الله عنه قال إذا
اجتمع الناس بوادي إيلياء فقالت نزار يال نزار وقالت قحطان يالقحطان أنزل الصبر
ورفع النصر وسلط الحديد بعضه على بعض
হযরত আব্দুল্লাহ ইব্্নে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তুমি উল্লিখিত পরিস্থিতির সম্মুখিন হও তাহলে ইয়ামানবাসিদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও, কেননা তারা বিজয়ী হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৬৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٦٨
حدثنا الوليد عن ابن لهيعة عن أبي
قبيل عمن سمع عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما يقول إن أدركت ذاك كنت مع أهل اليمن
ولهم الغلبة
হযরত হুজায়ফা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিঃ সন্দেহে কায়স গোত্র গোপনে আল্লাহর দ্বীন তালাশ করতে থাকবে, এমনকি তারা অশ্বারোহী হয়ে চলতে থাকবে এবং কোনো পাহাড়-পর্বত তাদের জন্য বাধা হয়ে দাড়াবেনা, এরপর আমর ইবনুয্্ সালীকে বলা হলো, হে আবু মাহারিব! তুমি কায়স গোত্রের লোকজনকে শাম নগরীতে প্রবেশ করতে দেখলে তোমার মুক্তির উপায় খুজঁতে থাক।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৬৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٦٩
حدثنا ابن ثور وعبد الرزاق عن معمر عن وهب بن عبد الله عن
أبي الطفيل قال
سمعت حذيفة بن اليمان رضى الله عنه يقول لعمرو بن صليع
وعمرو بن صليع يقول له حدثنا
فقال حذيفة إن قيسا لا تنفك تبغي دين الله
سرا حتى يركبها الله بجنوده فلا يمنعون ذنب بطن تلعة ثم قال لعمرو يا أخا محارب إذا
رأيت قيسا توالت بالشام فخذ حذرك
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করবে তখন মুজার বাসিরা কুরাশীকে বলবে যা বায়তুল মোকাদ্দেসে ছিল, আল্লাহ তাআলা তোমাকে এমন কতক নিয়ামত দান করেছেন, যা ইতিপূর্বে কাউকে দান করা হয়নি যেগুলো শুধু তোমার পিতার সন্তানদের মাঝে ব্যয় করবে। সেখানে অবস্থানরত ইয়ামানী বলবে তোমরা ইয়ামান চলে যাও। আর যারা পারাসিক থাকবে তারা যেন এন্তাকিয়ায় চলে যায়। আমরা তাদের জন্য তিনটি বিষয় নির্ধারণ করেছি। কেউ সেটা না মানলে তাকে হত্যা করা হবে। বর্ণনাকারী বলেন, ইয়ামানীরা যাব্্রা চলে যাবে এবং পারসিকরা এন্তাকিয়া চলে যাবে। এহেন পরিস্থিতিতে যাব্্রা নামক এলাকায় অবস্থানরত ইয়ামানীরা শুনতে পাবে রাত্রে কেউ ডাক দিচ্ছে যে, হে মানসূর! হে মানসূর! উক্ত আওয়াজের দিকে কতক লোক দৌড়ে গেলে কাউকে দেখতে পায়না। এভাবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাত্রেও আওয়াজ শুনতে পায়। বর্ণনাকারী বলেন, তারা জমায়েত হয়ে বলবে,হে লোক সকল! তোমরা কি হিজরতের পর আবারো আরবে ফিরে যাবে, তাহলে তো তোমরা পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে। তোমরা তোমাদের লোকজন ও মুজাহিদকে আহবান জানাবে এবং তোমাদের হিজরতের স্থান এবং কবরাস্থানের দিকে ফিরে যাবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তারা এক লোককে তাদের আমীর নিযুক্ত্ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৭০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٧٠
حدثنا الوليد عن يزيد بن سعيد عن يزيد
بن أبي عطاء
عن كعب قال إذا وضعت الحرب أوزارها قالت مضر للقرشي الذي ببيت
المقدس إن الله أعطاك مالم يعط أحدا فاقتصر به على بني أبيك
فيقول من كان من
أهل اليمن فليلحق بيمنه ومن كان من أهل الأعاجم فليلحق بأنطاكية وقد أجلناكم ثلاثا
فمن لم يفعل ذلك فقد حل بدمه
قال فتلحق اليمن بزبراء والأعاجم بإنطاكية
قال
فبينما اليمانيون بزبراءإذ سمعوا مناديا ينادي من الليل يا منصور يا منصور فيخرج
الناس إلى الصوت فلا يجدون أحدا ثم ينادي الليلة الثانية ثم الثالثة
قال
فيجتمعون فيقولون يا أيها الناس أترجعون إلى الأعرابية بعد الهجرة وترجعون على
أعقابك وتدعون مجاهدكم وخططكم ودار هجرتكم ومقابر موتاكم
قال فيولون عليهم رجلا
হযরত আরতাত রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তারা জমায়েত হয়ে দেখবে কার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করা যায়। এমন চিন্তা-ফিকির চলা অবস্থায় হঠাৎ তারা একটি আওয়াজ শুনতে পাবে, যে আওয়াজ কোনো মানুষেরও নয় ্আবার কোনো জ্বিনেরও নয়। যেখান থেকে বলা হবে, তোমরা অমুকের হাতে বাইয়াত হও। কিন্তু সে লোক হবে ইয়ামানী খলীফা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৭১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٧١
قال الوليد فأخبرني جراح عن أرطاة قال
فيجتمعون وينظرون لمن يبايعون
فبيناهم كذلك إذ سمعوا صوتا ما قاله إنس ولا جان بايعوا فلانا باسمه ليس من ذي ولا
ذو ولكنه خليفة يماني
হযরত কাবে আহবার রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঐ খলীফা হবেন ইয়ামানী কুরাশী এক সময় তিনি সমাজের গোত্রপতি ছিলেন। তারা ঐসব লোক যারা একসময় বায়তুল মোকাদ্দাস থেকে বের হয়ে গিয়েছিল। এটা যেন ইয়ামানের বাদশাহ্্ তুব্বার বক্তব্যের প্রতিধ্বনি।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৭২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٧٢
قال الوليد قال كعب إنه يماني قرشي وهو أمير
العصب والعصب فيه انتقاص أهل اليمن ومن تبعهم من سائر الذين خرجوا من بيت المقدس
وذلك قول تبع ... وبالشطر أحبه من قومنا ... تعود بالملك بعد الكرب ... هذا الخلف
العابر يفض ... الجموع وجمع العصب
...
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়ামানীরা প্রায় প্রাথমিক অবস্থায় বের হয়ে লাখাম এবং জুযাম এলাকায় ছাউনি ফেলবে। উভয় গোত্রের লোকজন ইয়ামানীদের জীবন-যাপনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাহায্য-সহযোগিতা করবে। এক পর্যায়ে তারা সকলে এলাকার হয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১৭৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١١٧٣
حدثنا أبو بكر عن أبي بكر بن عبد
الله عن أبي الزاهرية حدير بن كريب
عن كعب قال فيخرج أهل اليمن إلى مقدم الأرض
فينزلون على لخم وجذام
فيواسونهم في معايشهم حتى يكونوا فيها سواء

Execution time: 0.07 render + 0.01 s transfer.