Login | Register

নুয়াইম বিন হাম্মাদের: আল ফিতান

মানুষের মধ্যে বালা মসিবত অধিকহারে দেখা গেলে মৃত্যু কামনা করার ব্যাপারে শিথিলতা প্রসঙ্গে

   

মানুষের মধ্যে বালা মসিবত অধিকহারে দেখা গেলে মৃত্যু কামনা করার ব্যাপারে শিথিলতা প্রসঙ্গে

Double clicking on an arabic word shows its dictionary entry
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামত সংঘটিত হবেনা যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো মানুষ অন্যের কবরের পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করার সময় বালা-মসিবত ও ফিতনার কারণে এ আশা করবেনা যে, হায়! আমি যদি এ কবরের বাসিন্দা হতাম!
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৪১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٤١
حدثنا محمد بن الحارث البحراني عن محمد بن عبد الرحمن البيلماني
عن أبيه
عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا
تقوم الساعة حتى يمر الرجل على القبر فيقول لوددت أني مكان صاحبه لما يلقى الناس من
الفتن
হযরত আবু হুমায়দ (রহঃ) বলেন, আমি হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) কে বলছে শুনেছি যে, অবশ্যই তোমাদের উপর এমন দিন আসবে, যে তোমাদের মধ্যে কেউ যখনা তার কোন ভাইয়ের কবরের পাশ দিয়ে হাটবে, তখন সে বলতে থাকবে হায়! আমি যদি তার স্থানে হতাম।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৪২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٤٢
حدثنا ابن وهب عن يونس قال حدثني أبو حميد مولى مسافع قال
سمعت
أبا هريرة رضي الله عنه يقول ليأتين عليكم يوم يمشي أحدكم إلى قبر أخيه فيقول يا
ليتني مكانه
হযরত আব্দুল্লাহ রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে এমন এক যুগ আসবে, মানুষ কারো কবরে এসে সেখানে শুয়ে পড়বে এবং বলতে থাকবে, হায়! আমি যদি এ কবরের একজন সদস্য হতাম! এটা অবশ্যই আল্লাহ তাআলার সাথে অগ্রীম সাক্ষাতের আশায় নয়, বরং সেটা হবে মারাত্মক মারাত্মক বালা-মসিবদ দেখার কারণে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৪৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٤٣
حدثنا ابن مهدي ووكيع عن سفيان عن سلمة بن كهيل عن أبي
الزعراء
عن عبد الله قال يأتي على الناس زمان يأتي الرجل القبر فيضطجع عليه
فيقول يا ليتني مكان صاحبه ما به حبا للقاء الله ولكن لما يرى من شدة البلاء
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল সাঃ বলেছেন, ততদিন পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতদিন না কোন ব্যক্তি তার কোন ভাইয়ের কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে। অতঃপর বলতে থাকবে হায়! আফসুস যদি আমি তোমার জায়গায় হতাম, (তাহলে কতইনা ভাল হত)।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৪৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٤٤
حدثنا عبد الرزاق عن معمر عن الزهري قال
قال ابو هريرة رضي الله عنه
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تقوم الساعة حتى يمر الرجل بقبر أخيه فيقول يا
ليتني مكانك
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মানুষের উপর এমন যমানা আসবে যে, তখন তাতে তাদের কারো কাছে উত্তপ্ত গরমের দিনে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করার চেয়ে মৃত্যু বরণ করা বেশি পছন্দ করবে, অতঃপর সে মৃত্যুবরণ করবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৪৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٤٥
حدثنا عبد الوهاب الثقفي عن يحيى بن سعيد قال أخبرني
الزبرقان
عن أبي هريرة قال ليأتين على الناس زمان الموت فيه أحب إلى أحدهم من
الغسل بالماء البارد في اليوم القائظ ثم لا يموت
হযরত আব্দুল্লাহ রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে এমন এক যুগ আসবে, মানুষ অন্যদের কবরে এসে পশুর ন্যায় গড়াগড়ি খেতে থাকবে এবং খুবই আশাবাদি হয়ে বলবে,হায়! আমি যদি একবরের বাসিন্দা হতাম! এটা অবশ্যই আল্লাহ তাআলা সাথে সাক্ষাতের আশায় নয়,বরং এটা হচ্ছে,মারাত্মক বালা-মসিবতের সম্মুখিন হওয়ার কারণে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৪৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٤٦
حدثنا ابو معاوية عن
الأعمش عن إبراهيم
عن عبد الله قال ليأتين على الناس زمان يجيء الرجل القبر
فيتمرغ عليه كما تتمرغ الدابة يتمنى ان يكون فيه مكان صاحبه ليس به حبا للقاء الله
يعني لما يرى من البلاء
ভিন্ন সুত্রে উপরের হাদিস বর্নিত হয়েছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৪৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٤٧
حدثنا ابن مهدي عن سفيان عن الأعمش عن إبراهيم عن
عبد الله نحوه
হযরত আব্দুল্লাহ রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি এরশাদ করেন, কিয়ামত হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত না মানুষ কোনো কবরের কাছে এসে চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায গড়াগড়ি দিয়ে বলবেনা যে, হায়! আমি যদি একবরের বাসিন্দা হতাম।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৪৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٤٨
حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن أبي صالح
عن أبي هريرة
قال لا تقوم الساعة حتى يأتي الرجل القبر فيتمرغ عليه كما تتمرغ الدابة يتمنى أن
يكون مكان صاحبه
হযরত আবতাত ইবনে মুনজির, আবু আশুরা আলহাজরামী থেকে বর্ণন করেন, তিনি বলেন, যদি তোমাদের হায়াত দীর্ঘ হয়, তাহলে তোমাদের হয়তো তার ভাইয়ের কবরে এসে তার থেকে উপকৃত হতে চেষ্টা করবে এবং বলবে, হায়! আমি যদি তোমার স্থলে হতাম তাহলে অবশ্যই মুক্তি পেয়ে যেতাম।
তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আবু আযবাহ! গোত্রে নতুন কোনো সন্তান জন্মলাভ করলে তাকেও কি ঐ ফিতনা গ্রাস করে নিবে। জবাবে তিনি বললেন, এক প্রান্ত হতে তোমাদেরকে দুশমন হাতছানি দিয়ে ডাকতে থাকবে। এহেন পরিস্থিতিতে অন্য প্রান্ত হতে দুশমনের আরেকদল হামলা করে বসবে। তখন তোমাদের হুশ থাকবেনা যে, কোন দুশমন থেকে পলায়ন করবে। তখনই মূলতঃ উল্লিখিত সূরত প্রকাশ পাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৪৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٤٩
حدثنا جنادة بن عيسى الأزدي وأبو أيوب عن أرطاة بن
المنذر
عن أبي عذبة الحضرمي قال إن طال بكم عمر فيوشك بالرجل منكم أن يأتي قبر
أخيه فيتمعك عليه ويقول يا ليتني كنت مكانك قد
نجوت قد نجوت
فقال غلام
حدث من القوم وعم ذاك يا أبا عذبة
قال تدعون إلى عدو من ناحية فبينما أنتم كذلك
إذ دعيتم إلى عدو آخر فلا تدرون إلى أي عدوكم تنفرون فيومئذ يكون ذلك
আবু আযবা হাজরামী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি তোমাদের সামান্য একটু হায়াত বৃদ্ধি পায় তাহলে হয়তো এমন অবস্থা হবে, তোমাদের কেউ তার বন্ধুর কবরে এসে উক্ত কবরবাসীর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে বলবে, হায়! আমি যদি তোমার স্থলে হতাম তাহলে নিঃসন্দেহে মুক্তি পেয়ে যেতাম।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٠
حدثنا بقية وعبد القدوس عن صفوان بن عمرو عن عمرو بن سليم الحضرمي
عن أبي عذبة
الحضرمي قال إن طال بكم عمر قليل فليوشك بالرجل أن يأتي قبر حميمه فيتمعك عليه يقول
يا ليتني مكانك قد نجوت قد نجوت فذكر نحو الحديث الأول
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন, অতিসত্ত্বর সমুদ্র এত বেশি কঠিন হবে, যার কারণে তার উপর কোনো জাহাজ চলতে পারবেনা এবং তেমনিভাবে স্থলভাগও এমন কঠিন হয়ে উঠবে ফলে কেউ তার উপর দিয়ে অতিক্রম করে নিজের ঘর পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥١
حدثنا بقية بن
الوليد عن أبي بكر بن أبي مريم عن المشيخة
عن كعب قال يوشك أن يستصعب البحر حتى
لا تجري فيه جارية ويستصعب البر حتى لا يستطيع أحد يأوي إلى بيت
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযি রাযি বলেন, নিঃসন্দেহে মানুষের মাঝে এমন এক যুগ আসবে, যখন মানুষ বিভিন্ন ধরনের বালা-মসিবতের সম্মুখিন হওয়ার কারণে আকাঙ্খা করবে যে এবং তার পরিবার যেন বোঝাই করা মালবাহি জাহাজে আরোহন করবে এবং উক্ত জাহাজটি সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গমালা সমুদ্রে দুলতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢
حدثنا
ابن وهب ورشدين جميعا عن ابن لهيعة عن عياش بن عباس عن أبي عبد الرحمن الحبلي
عن عبد الله بن عمرو رضي لله عنهما قال ليأتين على الناس زمان يتمنى المرء أنه
في فلك مشحون هو وأهله يموج بهم في البحر من شدة ما في الأرض من البلاء
হযরত আব্দ্ল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আমরাযি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মানুষের মাঝে এমন এক যুগ আসবে, সম্মানী, সম্পদশালী ও পরিবার-পরিজন ওয়ালা লোক পর্যন্ত মৃত্যু কামনা করবে যেহেতু তারা তাদের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের পক্ষ থেকে নানান ধরনের বালা-মসিবদের সম্মুখিন হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٣
حدثنا رشدين عن ابن لهيعة عن حفص بن الوليد عن هلال بن عبد الرحمن القرشي
عن
عبد الله بن عمرو سمعه يقول يأتي على الناس زمان يتمنى الرجل ذو الشرف والمال
والولد الموت مما يرى من البلاء من ولاتهم
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত মু’তাজ ইবনে জাবাল রাযি, থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা এ পৃথিবীতে শুধুমাত্র ফিতনা ও বালা-মসিবতই দেখতে পাবে। যেকোনো বিষয় ধীরে ধীরে কঠিন হতে থাকবে। নেতৃত্বাস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে কঠোরতাই দেখতে পাবে। এমন বিষয় দেখবে যা তোমাদেরকে ভীতিকর করে তুলবে। কিন্তু তার পরবর্তী ধাপ এর থেকে আরো কঠিন ও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٤
حدثنا أبو المغيرة وبقية
عن صفوان بن عمرو عن عمرو بن قيس السكوني عن عاصم بن حميد
عن معاذ بن جبل رضي
الله عنه قال لن تروا من الدنيا إلا بلاء وفتنة ولن يزداد الأمر إلا شدة ولن تروا
من الأئمة إلا غلظة ولن تروا أمرا يهولكم إلا حقره بعده أشد منه
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এমন সময় আসন্ন হবে যে, ওলামাগনের নিকট লাল বর্ণের স্বর্ণের চেয়েও মৃত্যু বেশী পছন্দনীয় হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٥
حدثنا
مخلد بن حسين عن هشام عن محمد
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال يوشك أن يكون
الموت أحب إلى العلماء من الذهبة الحمراء
হযরত উমায়র ইবনে ইসহাক বলেন, আমরা আলোচনা করতে ছিলাম যে, মানুষের থেকে সর্ব প্রথম ভালোবাসা (বন্ধুত্য) উঠে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٦
حدثنا حسين بن حسن البصري عن
ابن عون
عن عمير بن إسحاق قال كنا نتحدث أن أول ما يرفع عن الناس الألفة
হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাঃ থেকে ফিতনার আলোচনা শুনেছি। অতঃপর আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ তা কখন হবে? রাসূল সাঃ বললেন, যখন কোন ব্যক্তি তাব বন্ধু থেকে নিরাপদ পাবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٧
حدثنا ابن مبارك عن معمر عن إسحاق بن راشد عن عمرو بن وابصة الأسدي عن
أبيه
عن ابن مسعود رضي الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر
فتنة
فقلت يا رسول الله متى ذلك
فقال إذا لم يأمن الرجل جليسه
হযরত হামাম ইবনে ওতাইবা রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে এমন এক যুগ আসবে যদ্বারা কোনো বিজ্ঞলোকে চক্ষু শীতল হবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٨
حدثنا وكيع عن مالك بن مغول
عن الحكم بن عتيبة قال كان يأتي على الناس زمان لا
يقر فيه عين الحكيم
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত যোয়ায ইবনে জাবাল রাযি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তোমরা দেখবে বিনা অপরাধে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে, মিথ্যার কারণে মানুষকে টাকা-পয়সা দেয়া হচ্ছে, আর মানুষের মধ্যে নাস্তিক মুরতাদ হওয়া, সন্দেহ করা ও অভিশাপ দেয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে তখন তোমাদের মধ্যে যারা মারা যেতে চাও তারা যেন মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٩
حدثنا ابن عيينة وابن فضيل جميعا عن حصين عن سالم
بن أبي الجعد
عن معاذ بن جبل رضي الله عنه قال إذا رأيتم الدم يسفك بغير حقه
والمال يعطى على الكذب وظهر الشك والتلاعن وكانت الردة فمن استطاع أن يموت فليمت
হযরত আবু সালামা (রহঃ) বলেন, আমি হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, মানুষের উপর এমন এক যমানা আসবে যে, তখন আলেমের কাছে লাল স্বর্ণের চেয়েও মৃত্যু বেশী পছন্দনীয় হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٠
حدثنا عيسى بن يونس عن الأوزاعي عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة
سمع
أبا هريرة يقول يوشك أن يأتي على الناس زمان يكون الموت أحب إلى العالم من الذهبة
الحمراء
হযরত যায়েদ ইবনে ওয়াহাব রাযি থেকে বর্ণিত, তিনি হযরত আব্দুল্লাহ রাযি কে বলতে শুনেছেন, নিঃসন্দেহে ফিতনা ধীরে ধীরে একের পর এক আসতে থাকবে। উক্ত ফিতনার সময় যারা মারা যেতে চায় তারা যেন মৃত্যু গ্রহণ করে নেয়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦١
حدثنا ابن مهدي عن سفيان عن الأعمش عن زيد بن وهب
سمع عبد
الله أن الفتنة وقفات وبعثات فمن استطاع أن يموت في وقفاتها فليفعل
হযরত যায়েদ ইববে ওয়াহাব বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি এরশাদ করেন ঃ ফিতনার স্থিতিশীলতা হচ্ছে, যখন তরবারিকে খাপবদ্ধ করা হয় আর ফিতনার তীব্রতা হচ্ছে, যখন তরবারিকে খাপমুক্ত করে নাঁঙ্গা করা হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٢
قال
سفيان وأخبرنا الحارث بن حصيرة عن زيد بن وهب عن حذيفة قال وقفاتها إذا غمد السيف
وبعثاتها إذا سل السيف
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোযাইফা রাযি হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফিতনার জন্য কিছুটা স্থিতিশীলতা ও কিছুটা তীব্রতা রয়েছে। এ ধরনের তীব্র ফিতনার সময় কেউ মৃত্যুবরণ করতে চাইলে যেন মৃত্যুকে গ্রহণ করে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٣
حدثنا ابن مبارك عن زائدة عن الأعمش عن زيد بن وهب
عن حذيفة قال للفتنة وقفات وبعثات فمن استطاع منكم أن يموت في وقفاتها فليفعل
হযরত আবু উসমান রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি এর সাথে বসা ছিলাম হঠাৎ তার উপর চড়–ই পাখির মল এসে পড়লে তিনি যেগুলোকে তার আঙ্গুল উঠিয়ে নিয়ে বললেন, আমার কাছে আমার পরিবার-পরিজন ও সন্তান-সন্তুতি মৃত্যুবরণ করা এর থেকেও অনেক সহজ। এরপর বর্ণনাকারী বললেন,আল্লাহর কসম! তাঁর একথার দ্বারা কি উদ্দেশ্য আমরা বুঝতে পারলামনা।এক পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের ফিতনা আসতে থাকল। অতঃপর আমরা বললাম, এটা সেই ফিতনা তাদের উপর পতিত হতে থাকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٤
حدثنا أبو خالد الأحمر سليمان بن حيان الكوفي عن عاصم الأحول عن أبي
عثمان قال
كنا عند عبد الله بن مسعود جلوسا إذ وقع عليه خرؤ عصفور فقال ها
بأصبعه ثم قال لموت ولدي وأهلي أهون علي من هذا
قال فوالله ما درينا ما أراد
بذلك حتى وقعت الفتن فقلنا هذا حدر عليهم
হযরত আবুল আহওয়াছ রহঃ বলেন, একদা আমরা বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি এর ঘরে গিয়ে দেখি তার সন্তানদেরকে নিয়ে তিনি বসে আছেন। তার ছেলেগুলো দেখতে উজ্জ্বল দিনারের ন্যায় সুন্দর। তাদের সৌন্দর্য দেখে আমরা খুবই আশ্চর্য হতে থাকলাম। অতঃপর হযরত আব্দুল্লাহ আমাদেরকে বললেন, মনে হয় তোমরা এদের কারণে আমার উপর ইর্ষান্বীত হয়েছ, জবাবে আমরা বললাম, আল্লাহর কসম! নিঃসন্দেহে এমন ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ইর্ষা করবে। আমাদের কথা শুনে তিনি তার ছোট্ট ঘরটির ছাদের দিকে মাথা উঠালেন। এদিকে ঘরের জীর্ণ ছাদে কিছু পাখি বাসা বেঁধেছে এবং উক্ত বাসায় ডিমও দিয়েছে। অতঃ তিনি বললেন, কসম যে সত্ত্বার যার হাতে আমার জীবন! আমার এ সন্তানদের কবরে মাটি দেয়া আমার নিকট অনেক-অনেক পছন্দনীয় এদের উপর ঐ হিংস্র পাখির বাসাগুলো পতিত হয়ে তাদের ডিম ভেঙ্গেঁ যাওয়া থেকে। উক্ত হাদীসের বর্ণনকারী হযরত ইবনুল মোবারক বলেন, এটা মূলতঃ তাদের উপর আসন্ন ফিতনার ভয়ে বলেছেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٥
حدثنا ابن مبارك عن المبارك بن
فضالة عن الحسن سمعه يقول أخبرني أبو الأحوص قال
دخلنا على ابن مسعود وعنده
بنون له غلمان كأنهم الدنانير حسنا فجعلنا نتعجب من حسنهم فقال عبد الله كأنكم
تغبطونني بهم
قلنا والله إن مثل هؤلاء غبط بهم الرجل المسلم فرفع رأسه إلى سقف
بيت له قصير وقد عشش فيه الخطاف وباض فيه فقال والذي نفسي بيده لأن أكون قد نفضت
يدي عن تراب قبورهم أحب إلي من أن يخر عش هذا الخطاف فينكسر بيضه
قال ابن مبارك
خوفا عليهم من الفتن
হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযি বলেন, হে আবুততোফাইল! তোমার কি অবস্থা হবে, যখন আমাদের উপর বিভিন্ন ধরণের ফিতনা আসতে থাকবে। তখন সর্বোত্তম মানুষ হবে প্রত্যেক ধনী লোক যারা তাদের ধনাঢ্যতা গোপন রাখবে।
অতঃপর আবুত্ তোফাইল রহঃ বলেন, তখন কি অবস্থা হবে, নিশ্চয় সেটা আমাদের প্রতি এমন দার করা যদ্বারা মানুষ নিম্নস্তরে পতিত হবে এবং নিক্ষিপ্ত হবে অনেক গভীরে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٦
حدثنا عبد الوهاب عن يحيى بن سعيد أن أبا الزبير
اخبره أن أبا الطفيل حدثه أن
حذيفة بن اليمان قال كيف أنت وفتنة أفضل الناس
فيها كل غني خفي
فقال ابن الطفيل كيف وإنما هو عطاء أحدنا يطرح به كل مطرح
ويرمي به كل مرمى
فقال حذيفة كن إذا كابن مخاض لا حلوبة فيحلب ولا ركوبة فيركب
হযরত নোমান ইবনে মোকাররিনি রহঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসুলুল্লাহ যা, এরশাদ করেছেন, ফিতনা এবং যুদ্ধবিগ্রহকালীন যারা এবাদতের ওপর অটল থাকবে তারা আমার প্রতি হিজরত করার প্রতিদান প্রাপ্ত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٧
حدثنا أبو بكر بن عياش عن أبان قال سمعت أبا إياس معاوية بن قرة يذكر
عن النعمان بن مقرن رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم العبادة
في الهرج والفتنة كالهجرة إلي
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলার কাছে অতি পছন্দনীয় বস্তু হচ্ছে ‘আল গুরাবা’। অর্থাৎ গরীব-মিসকীনগণ। তার কাছে গুরাবা কারা জানতে চাইলে জবাবে তিনি বললেন, যারা তাদের দ্বীনসহকারে এদিক সেদিক পলায়ন ও আত্মগোপন করতে থাকবে, এক পর্যায়ে হযরত ঈসা ইবনে মারইয়ম আঃ এর সাথে মিলিত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٨
حدثنا ابن مبارك عن محمد بن مسلم قال سمعت
عثمان بن أوس يحدث عن سليم بن هرمز
عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما قال أحب
شيء إلى الله تعالى الغرباء
قيل أي شيء
الغرباء
قال ا
لذين يفرون بدينهم
يجمعون إلى عيسى بن مريم عليه السلام
ما يذكر من ندامة القوم من أصحاب
النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم في الفتنة وبعد انقضائها وما تقدم إليهم فيها
হযরত কিনানা রাযি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রবীয়ার অধীন থাকাকালীন একদা হয়রত যুবাইর রাযি ও তার কিছু আসহাব কে সাথে নিয়ে আমাদের কাছে আসলেন। এদিকে আমদের গোত্রপতিগণ আলী রাযি এর সাথে মিলিত হলেন, এবং আমরা সকলে একত্রিত হয়ে পরামর্শ করছিলাম। আমাদের কেউ কেউ বলল, হয়তবা আমরা এর সাথে গিয়ে থাকলে আমাদের সরদারগণ আলীর সাথে থাকবে। তখন আমরা তাদের সাথে কিভাবে মোকাবেলা করব! আমরা আবার বললাম, আমরা মোকাবেলার জন্য বের হলে উভয় দল যখন একে অপরের সামনা সামনি হবে তখন আমরা তাদের সাথে মিলিত হয়ে যাব। আবার আমাদের কেউ কেউ পরামর্শ দিল, এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত হতে পারছিনা। তাহলে এমন হতে পারে যে, আমরা তাদের কাছে অনুমতি প্রার্থনা করব, অনুমতি মিললে আমরা নিরাপদে পৌঁছে যেতে পারব। না হয় আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকব। এক পর্যায়ে আমাদের দলবল সহকারে হযরত যোবাইর রাযি, এর কাছে এসে বললাম, আমাদের মুসলমানগণ কাদের সাথে থাকবে। জবাবে তিনি বললেন, কেন! তাদের মাওলার সাথে থাকব। তার কথা শুনে আমরা বললাম, আমাদের মওলাগণ হযরত আলীর সাথে রয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এটা শুনে তার অবস্থা এমন হল যেন আমরা তার মুখে পাথর নিক্ষেপ করলাম। এরপর বেশ কিছুক্ষন চুপ থেকে বললেন, আমরা এটাকেই ভয় করে আসছিলাম।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٦٩
حدثنا ابن المبارك عن عبد الله بن شوذب قال سمعت مالك بن دينار عن أبي
محمد
عن أبي كنانة قال قدم علينا الزبير وأصحابه ونحن مملكون لربيعة فلحق
سادتنا بعلي فاجتمعنا وقلنا عسى أن يخرجنا هؤلاء ويجيء سادتنا مع علي وكيف نقاتلهم
ثم قلنا نخرج فإذا التقيا لحقنا بهم ثم قال بعضنا لا نأمن ألا نطيق ذلك ولكن
نستأذنهم فإن أذنوا لنا انطلقنا آمنين وإلا كنا على رأينا فأتينا الزبير بن العوام
بجماعتنا
فقلنا له مع من تكون العبيد قال مع مواليهم قلنا فإن موالينا مع علي
قال وكأنما ألقمناه حجرا فمكثنا ساعة
ثم قال لقد حذرنا هذا
হযরত আবু সালেহ থেকে বর্ণিত, যখন হযরত আলী রাযি কিছু বাহাদুর পুরুষের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করলেন, তখন বললেন, এ ধরনের ঘটনা সংঘটিত হওয়ার বিশ বৎসর পূর্বে মৃত্যুবরণ করাটাই আমার নিকট অতি পছন্দনীয় ছিল।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٧٠
حدثنا
أبو معاوية عن الأعمش عن أبي صالح
أن عليا رضي الله عنه قال حين أخذت السيوف
مأخذها من الرجال لوددت أني مت قبل هذا بعشرين سنة
হযরত হাসান থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, হযরত আলী রা. ধারণা করেন, তিনি যে আমল করেছেন কোন আমলই করেননি। এবং আম্মার রা. ধারণা করেন তিনি যে আমল করেছেন কেমন যেন কোন আমলই করেননি। অনুরূপ ত্বলহা রা.ও ভয় করেন তিনি যে আমল করেছেন কেমন যেন কোন আমলই করেননি। এবং যুবায়ের রা. ও তদ্রুপ ধারণা করেন তিনি যে আমল করেছেন কেমন যেন কোন আমলই করেননি। তারা সকলে এমন এক জাতির নিকট আবতরণ করলেন যাদের গ্রন্থসমূহ সুসজ্জিত, আখেরাতবাসী। তখন তারা এদের মাঝে যুদ্ধ বাধিয়ে দিলেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٧١
حدثنا ابن المبارك عن
ابن شوذب عن أبي التياح
عن الحسن قال لود علي أنه لم يعمل ما عمل ولود عمار أنه
لم يعمل ما عمل ولود طلحة أنه لم يعمل ما عمل ولود الزبير أنه لم يعمل ما عمل هبطوا
على قوم متوشحي مصاحفهم أهل آخره فسيفوا بينهم
হযরত ঈসা ইবনে উমর থেকে বর্ণিত তিনি বলেন আমি এক বৃদ্ধ ব্যক্তি কে আমর ইবনে র্মুরার নিকট হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন আব্দুল্লাহ আমর বলেন আমি তাঁকে ব্যতিত আর কারো নিকট এই বিষয়ে বার বার বলতে দেখিনি, আমি এই আয়াত পড়তেছিলাম “ নিশ্চয় আপনি মৃত্যবরণ করবেন এবং তারা ও মৃত্যবরণ করবে অতপর কিয়ামত দিবসে তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ঝগড়া করবে। (যুমার:৩১) আর আমার ধারণা ছিল, এটা আহলে কিতাবদের সম্পর্কে, এক পর্যায়ে আমাদের কতিপয় লোক কতিপয় লোকদের চেহারায় তরবারী দ্বারা আঘাত আনল তখন আমাদের বুঝতে আর বাকি রইল না যে এটা আমাদের মধ্যে হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٧٢
حدثنا ابن المبارك عن
عيسى بن عمر قال سمعت شيخا يحدث عمرو بن مرة قال
قال عبد الله بن عمر ولم أره
أحال على أحد دونه كنت أقرأ هذه الآية إنك ميت وإنهم ميتون ثم إنكم يوم القيامة عند
ربكم تختصمون وكنت أرى أنها في أهل الكتاب حتى كبح بعضنا وجوه بعض بالسيوف فعرفنا
أنها فينا
হযরত হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি আল্লাহ বাণী বলেন “ এবং সেই বিপর্যয়কে ভয় কর, যা বিশেষভাবে তোমাদের মধ্যে যারা জুলুম করে কেবল তাদেরকেই আক্রান্ত করবে না।” বলেন আল্লাহর শপথ, নিশ্চয়ই জাতি জানে যখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয়, আর তা হল, এই ফিৎনার সাথে একদল লোক রুক্ষভাষা ব্যবহার করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٧٣
حدثنا ابن المبارك عن يزيد بن إبراهيم
عن الحسن في قوله
تعالى واتقوا فتنة لا تصيبن الذين ظلموا منكم خاصة قال والله لقد علم أقوام حين
نزلت أنه يشخص لها فوج
হযরত কয়েস বিন উবাদ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি হযরত আলী রা. কে বললাম, এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম কি আপনাকে কোন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেনে? তখন তিনি বলেন, এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সা. আমাকে এমন কোন প্রতিশ্রুতি দেননি যা মানুষের সাথে করেননি। তবে মানুষ হযরত উসমান রা. এর উপর আক্রমন করে শহিদ করে ফেলেন। তাই তাদের এ কর্ম খুবই খারাপ এবং আমার কর্মও খারাপ। তখন আমি দেখলাম এ ব্যাপারে আমি বেশী হকদার, তাই আমি তার উপর লাফিয়ে পড়লাম। সুতরাং আল্লাহ তায়ালাই এ ব্যাপারে সর্বজ্ঞ যে আমরা ভুল করেছি না সঠিক করেছি।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٧٤
حدثنا ابن المبارك عن معمر عن علي بن زيد بن جدعان
عن الحسن
عن قيس بن عباد قال قلت لعلي رضي الله عنه أعهد إليك رسول الله صلى
الله عليه وسلم في هذا الأمر شيئا
فقال ما عهد إلي في ذلك عهدا لم يعهده إلى
الناس ولكن الناس وثبوا على عثمان رضي الله عنه فقتلوه فكانوا فيه أسوأ صنيعا وأسوأ
فعلا مني فرأيت أني أحق بها فوثبت عليها فالله أعلم أخطأنا أو أصبنا
আলী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম নেতৃত্বের ব্যাপারে আমাদের কোন সিদ্ধান্ত দেননি যার উপর আমরা আমল করব। এ বিষয়টি আমি নিজে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সুতরাং যদি তা সঠিক হয় তাহলে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর যদি তা ভুল প্রমানিত হয় তাহলে এর দায়িত্ব আমাদের উপর বর্তাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٧٥
حدثنا عبد الرزاق عن سفيان عن الأسود بن قيس عن رجل
عن علي رضي الله عنه قال ما
عهد إلينا في الإمارة عهدا نأخذ به إنما هو شيء رأيته فإن يك صوابا فمن الله وإن يك
خطأ فمن قبل أنفسنا
আবু হাশেম আল কাসেম বিন কাসির থেকে বর্ণিত আমাদেরকে কয়েস খারেফি বর্ণনা করেন যে, তিনি হযরত আলী রা. কে বলতে শুনেছে তিনি বলেন, আমাদেরকে হযরত আবু বকর রা. ্ও হযরত উমর রা. এর পরবর্তীতে এক ফিৎনা গ্রাস করেছে। আর তা উহা যা আল্লাহ তাআলা চেয়েছেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٧٦
حدثنا ابن المبارك عن سفيان عن أبي هاشم القاسم بن
كثير حدثنا قيس الخارفي
سمع عليا يقول أصابتنا فتنة بعد أبي بكر وعمر رضى الله
عنهما فهو ما شاء الله
মুহাম্মাদ বিন উবাইদুল্লাহ বর্ণনা করেন, আমি আবুদ্দুহাকে হাসান ইবনে আলী রা. থেকে আলোচনা করতে শুনেছি, তিনি সুলাইমান ইবনে সুরাদকে বলেন আমি আলী রা. কে দেখেছি যখন যুদ্ধ তীব্রবেগে লেগে গেল তখন তিনি আমার নিকট আশ্রয় নিয়ে বললেন, হে হাসান! হায় আফসোস যদি এর বিশ বৎসর পূর্বে আমি ইন্তেকাল করতাম।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٧٧
حدثنا ابن المبارك عن شعبة حدثنا محمد بن عبيد
الله الثقفي قال سمعت أبا الضحى يذكر عن الحسن بن علي أنه قال لسليمان بن صرد
لقد رأيت عليا حين اشتد القتال وهو يلوذ بي ويقول يا حسن لوددت أني مت قبل هذا
بعشرين سنة
হযরত তামীম ইবনে সালামা রা. বলেন, আমাকে সুলাইমান ইবনে সুরাদ আল খুযায়ী বলেন আমাকে হাসান ইবনে আলী রা. বলেন আমি আলী রা. কে দেখলাম যখন পুরুষের মাঝে তরবারী উঠে পড়ল তখন তিনি আমার নিকট সাহায্য চেয়ে বললেন হে হাসান! হায় আফসোস আমি যদি এই দিনের বিশ বৎসর পূর্বে ইন্তেকাল করতাম।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٧٨
حدثنا ابن المبارك عن عيسى بن عمر قال حدثني حوط بن يزيد قال
حدثني نمير بن سلمة قال حدثني سليمان بن صرد الخزاعي قال
قال لي حسن بن علي رضى
الله عنهما لقد رأيت عليا حين أخذت السيوف مأخذها من الرجال يتغوث بي يغوثا ويقول
يا حسن ليتني مت قبل هذا اليوم بعشرين سنة
হযরত সুলাইমান ইবনে সুরাদ থেকে বর্ণিত তিনি হযরত হাসান ইবনে আলী রা. থেকে বর্ননা করে বলেন, আমীরুল মুনিীনন এক বিষয়ে ইচ্ছা পোষণ করেছেন। তখন ঐ বিষয়টি পর্যায়ক্রমে আসতে লাগল। তখন তিনি আর কোন উপায় খুজে পেলেন না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٧٩
حدثنا ابن المبارك عن جرير بن حازم قال حدثني محمد بن عبد الله بن أبي
يعقوب الضبي عن عمه عن سليمان بن صرد
عن حسن بن علي قال أراد أمير المؤمنين علي
أمرا فتتابعت الأمور فلم يجد منزعا
হযরত সুলাইমান ইবনে সুরাদ থেকে বর্ণিত তিনি হযরত হাসান ইবনে আলী রা. থেকে বর্ননা করেন, হযরত হাসান বলেন, আমি হযরত আলী রা. কে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, তখন তিনি তরবারীর প্রতি দৃষ্টি দিলেন যখন মানুষকে পাকড়াও করে ফেলেছে। হে হাসান এগুলো সবই আমাদের মাঝে ঘটছে। হায় আফসোস! যদি আমি বিশ অথবা চল্লিশ বৎসর পূর্বে ইন্তেকাল করতাম।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৮০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٨٠
حدثنا محمد بن يزيد عن العوام بن حوشب
عن رجل حدثه عن سليمان بن صرد عن حسن بن علي
سمع عليا رضى الله عنه يقول حين
نظر إلى السيوف قد أخذت القوم يا حسن أكل هذا فينا ليتني مت فبل هذا بعشرين أو
أربعين سنة

Execution time: 0.06 render + 0.00 s transfer.