Login | Register

নুয়াইম বিন হাম্মাদের: আল ফিতান

বাগদাদ এবং “যাওয়া” শহরে সুফইয়ানীর ধ্বংশের বর্ননা

   

বাগদাদ এবং “যাওয়া” শহরে সুফইয়ানীর ধ্বংশের বর্ননা

Double clicking on an arabic word shows its dictionary entry
হযরত আবু জা’ফর রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন সুফইয়ানী আবকাত, মানসূর, কিনদি, তূর্ক, ও রোমে প্রকাশ পাবে তখন সে বের হবে এবং কূফার দিকে যাবে। অতপর চিকিৎসা বা আরোগ্য ওয়ালা উথিত হবে। আর সেখানেই হালাকু আব্দুল্লাহ থাকবে। আর সে অপসারিতকে অপসারিত করবে। আর সে মদীনয়ে যাহরার অধিবাসীদের অজ্ঞাতে তাদের মাঝে সম্পৃক্ত হয়ে যাবে। অতপর শহরে চাপ সৃষ্টির কারণে আখওয়াছ তথা ছোট চোখ বিশিষ্ট হওয়া প্রকাশ পাবে। ফলে সেখানে অনেক বড় একটা যুদ্ধ হবে। আর সে যুদ্ধে আব্বাসের বংশধরের ছয় জন নেতাকে হত্যা করা হবে। আর সেখানে বড় হত্যাযজ্ঞ হবে। অতপর সে কূফার দিকে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٨٤
حدثنا أبو عثمان عن جابر عن أبي جعفر قال
إذا ظهر
السفياني على الأبقع وعلى المنصور والكندي والترك والروم خرج وصار إلى العراق ثم
يطلع القرن ذو الشفاء فعند ذلك هلاك عبد الله ويخلع المخلوع وينتسب [ إلى ] أقوام
في مدينة الزوراء على جهل فيظهر الأخوص على مدينة عنوة فيقتل بها مقتلة عظيمة ويقتل
ستة أكبش من آل العباس ويذبح فيها ذبحا صبرا ثم يخرج إلى الكوفة
হযরত ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন যখন সুফইয়ানী ফুরাত পার হবে এবং এমন এক জায়গায় পৌছবে যার নাম হবে আকের কূফা। আল্লাহ তা’আলা তার অন্তর থেকে ঈমানকে মুছে দিবেন। আর সেখানে একটি নদীর দিকে যে নদীর নাম হবে দাজীল। উক্ত নদীর নির্জন প্রান্তরে সত্তর হাজার তরবারীধারী লোককে সে হত্যা করবে। আর তাদের ব্যতীত তাদের থেকে বেশী লোক থাকবে না। অতপর তারা বাইতুয যাহাব তথা স্বর্ণের ঘরের উপর প্রকাশ পাবে। অতপর তারা যুদ্ধ করবে এবং ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। অতপর তারা মহিলাদের পে চিড়বে বা ফাড়বে। তারা বলবে হয়তো সে কোন গোলাম কর্তৃক গর্ভবতী হয়েছে। আর দাজলার পাড়ে র্মারা এর দিকে মহিলাগণ কুরাইশদের নিকট সাহায্য কামনা করবে। সুফুনের অধিবাসীদেরকে তারা ডাকবে যাতে তাদেরকে উঠিয়ে নেয় এবং যাতে তারা তাদেরকে মানুষের সাথে সাক্ষাত করাতে পারে। আর তারা বনু হাশেমের উপর শত্রুতার কারণে তাদেরকে উঠাবে না। আর তোমরা বনু হাশেমের সাথে শত্রুতা পোষণ করিও না। কেননা তাদের থেকেই রহমতের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আর তাদের থেকে জান্নাতে পাখি হবে। আর মহিলাদের অবস্থা হল যখন রাত গভীর বা অন্ধকার হবে তখন তারা উহার গর্ত সমূহে আশ্রয় গ্রহণ করবে যে গর্তগুলো থাকবে ফাসেকদের থেকে লুকায়িত থাকবে। অতপর তাদের নিকট সাহায্য আসবে। এমনকি তারা (সাহায্য) সুফইয়ানীর সাথে যে সমস্ত মহিলা ও সন্তান সন্ততী থাকবে তাদেরকে বাগদাদ ও কুফা থেকে উদ্ধার করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٨٥
حدثنا
أبو عمر عن ابن لهيعة عن عبد الوهاب بن حسين عن محمد بن ثابت عن أبيه عن الحارث
عن ابن مسعود رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا عبر السفياني
الفرات وبلغ موضعا يقال له عاقر قوفا محى الله تعالى الإيمان من قلبه فيقتل بها إلى
نهر يقال له الدجيل سبعين ألفا متقلدين سيوفا محلاه وما سواهم أكثر منهم فيظهرون
على بيت الذهب فيقتلون المقاتلة والأبطال ويبقرون بطون النساء يقولون لعلها حبلى
بغلام وتستغيث نسوة من قريش على شط الدجلة إلى المارة من أهل السفن يطلبن إليهم أن
يحملوهن حتى يلقوهن إلى الناس فلا يحملوهن بغضا لبني هاشم فلا تبغضوا بني هاشم فإن
منهم نبي الرحمة ومنهم الطيار في الجنة فأما
النساء فإذا جهنم الليل أوين
إلى أغورها مكانا مخافة الفساق ثم يأتيهم المدد من النصرة حتى يستنقذوا ما مع
السفياني من الذراري والنساء من بغداد والكوفة
হযরত ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন তার বংশধরের থেকে এক লোক পূর্বাঞ্চলের নদী সমূহের মধ্য থেকে একটি নদীর উপর অবস্থান নিবে। যার নাম হবে আব্দুল ইলাহ বা আব্দুল্লাহ। উক্ত নদীর উপর দুইটি শহর গড়ে উঠবে। আর উক্ত দুটি শহরের মাঝখান দিয়ে নদী বইবে। আর যখন আল্লাহা তা’আলা তার রাজত্বের অবসানের অনুমতি দিবেন এবং তার মেয়াদ কাল শেষ করে দিবেন, তখন আল্লাহ তা’আলা উহার দুটির একটিতে কোন এক রাত্রে আগুণ পাঠাবে। ফলে গাড় কালো ও অন্ধকার হয়ে যাবে। সব কিছু জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিবে। কেমন যেন ঐ স্থানে কোন কিছুই ছিল না। আর সকাল হবে আর সবাই আশ্চার্যান্তিত হবে। কিভাবে সবকিছু চলে গেল । সেদিন শুধু দিনের শুভ্রতাই থাকবে। এমনকি আল্লাহ তা’আলা সেদিন সেখানে প্রত্যেক অহংকারী দাম্ভিককে একত্র করবেন। অতপর আল্লাহ তা’আলা তাদের সকলকে সহ উক্ত শহর দাবিয়ে দিবেন। আল্লাহ তা’আলার কথন হা-মীম, আইন সীন ক্বাফ। আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে দৃঢ় ভাবে প্রত্যয়িত এবং ফায়সালা। আর আইন (অক্ষর দ্বারা উদ্দেশ্য হল) আযাব। আর সীন ( এর ক্ষেত্রে) বলা হয় অচিরেই নিক্ষিপ্ত হবে, উক্ত দুটির উপর পতিত হবে। অর্থাৎ উক্ত দুটি শহরের উপর ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٨٦
حدثنا عبد القدوس حدثنا
أرطاة بن المنذر عمن حدثه عن ابن عباس
أن حذيفة رضى الله عنهما قال لينزلن رجل
من أهل بيته يقال له عبد الإله أو عبد الله على نهر من أنهار المشرق تبنى عليها
مدينتان يشق النهر بينهما فإذا أذن الله تعالى في زوال ملكهم وانقطاع مدتهم بعث
الله على أحديهما ليلا نارا فاصبح سوداء مظلمة قد احترقت كأنها لم تكن [ في
]
مكانها وتصبح صاحبتها متعجبة كيف أفلتت فما [ يكون ] إلا بياض يومها حتى يجمع الله
فيها كل جبار عنيد ثم يخسف الله بها وبهم جميعا فذلك قوله تعالى حم عسق عزيمة من
الله وقضاء والعين عذاب والسين يقول سيكون قذف واقع بهما يعني المدينتين
হযরত আব্দুর রহমান ইবনে গানাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দুই জন বাঁদী মহিলা তাড়াতাড়ি আটা পিষতে যাতার নিকট বসবে। তাদের এক জন যমিনে ধসে যাবে আর অন্য জন দেখতে থাকবে। আর অচিরেই তারা উভয়ে পাশাপাশি জীবিত থাকবে। আর তাদের দই জনের মাঝে একটি নদী চিরবে বা সৃষ্টি হবে। আর তারা উভয়ে সেখান থেকে পান করবে। তারা একে অপরকে পাবে। সময়ের মধ্য হতে তাদের দুই জন এমন একটি দিনে উপস্থিহ হবে যে দিনে তাদের একজনকে নিয়ে যমিন ধসে যাবে। আরেকজন তা দেথতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٨٧
حدثنا غير واحد عن عبد الحميد بن بهرام عن شهر بن حوشب
عن عبد الرحمن بن غنم
قال توشك أمتان أن تقعدان على ثفال رحا يطحنان يخسف بإحداهما والأخرى تنظر وسيكون
حيان متجاوران يشق بينهما نهر يسقيان منه جميعا يقتبس بعضهم من بعض فيصبحان يوما من
الأيام قد خسف بإحداهما والأخرى تنظر
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি, হযরত ওমর, হযরত আলী, হযরত ইবনে মাসউদ, হযরত আবু কা’ব, হযরত ইবনে আব্বাস ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কতিপয় সাহাবী রাযিয়াল্লাহু আনহুম হা-মীম. আইন, সীন, ক্বাফ সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে প্রশ্ন করলেন। অতপর হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন (আরবী অক্ষর) আইন দ্বারা আযাব বা শাস্তি উদ্দেশ্য। এমনি ভাবে সীন দ্বারা সুন্নাত ও জামা’আত উদ্দেশ্য। আর ক্বাফ দ্বারা এমন একটি দল উদ্দেশ্য যারা শেষ যমানায় অপবাদ ছড়াবে। অতপর হযরত ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন হা-মীম দ্বারা কারা উদ্দেশ্য? তিনি বললেন মদীনায় একটি স্থানের নাম যাওরা সেখানে হযরত আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধরের থেকে কিছু লোক থাকবে। আর সেখানে একটি ভীষণ যুদ্ধ হবে। আর সেখানেই কিয়ামত সংগঠিত হবে। অতপর ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন আমাদের মাঝে এমন কিছু নেই। তবে ক্বাফ দ্বারা উদ্দেশ্য হল নিক্ষেপ ও ধসে যাওয়া হবে। হযরত ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বললেন তুমি তাফসীর সঠিক করেছ। আর ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু মা’না (তা’বীর) ঠিক করেছে। সুতরাং ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর সঠিকতাকে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এমনকি হযরত ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু সহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অনেক সাহাবায়ে কিরাম হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে যা শুনেছেন তা থেকে তার দিকে প্রত্যাবর্তন করেছেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٨٨
حدثنا نوح بن أبي مريم عن مقاتل بن
سليمان عن عطاء
عن عبيد بن عمير
عن حذيفة أنه سئل عن هم عسق وعمر وعلي
وابن مسعود وأبي كعب وابن عباس وعدة من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم رضى
الله عنهم حضور فقال حذيفة
العين عذاب والسين السنة والمجاعة والقاف قوم يقذفون
في آخر الزمان
فقال له عمر رضى الله عنه ممن هم
قال من ولد العباس في مدينة
يقال لها الزوراء يقتل فيها مقتلة عظيمة وعليهم تقوم الساعة
فقال ابن عباس ليس
ذلك فينا ولكن القاف قذف وخسف يكون
قال عمر لحذيفة أما أنت أصبت التفسير وأصاب
ابن عباس المعنى فأصابت ابن عباس الحمى حتى عاده عمر وعدة من أصحاب رسول الله صلى
الله عليه وسلم مما سمع من حذيفة
হযরত আবান ইবনে ওলীদ ইবনে উকবা ইবনে আবু মুঈত হতে বর্ণিত যে, তিনি হযরত ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছেন যে, সুফইয়ানী বের হবে অতপর যুদ্ধ করবে। এমনকি মহিলাদের পেট চিড়বে। এবং ছোট শিশুদেরকে কড়াই এর মধ্যে টগবগে গরমের মধ্যে জ্বাল দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٨٩
حدثنا الوليد عن أبي عبد الله عن الوليد
بن هشام المعيطي عن أبان بن الوليد بن عقبة بن أبي معيط
سمع ابن عباس رضى الله
عنه يقول يخرج السفياني فيقاتل حتى يبقر بطون النساء ويغلي الأطفال في المراجل
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন বনু আব্বাসের মহিলাদেরকে আটক করা হবে। এবং তাদেরকে দামেস্কের গ্রামে নেওয়া হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৯০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٩٠
حدثنا عبد الله بن مروان عن أرطاة عن تبيع
عن كعب قال تسبى نساء بني
العباس حتى يوردهن قرى دمشق
হযরত আরতাত থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন ফুরাতের উপর শহর স্থাপণ করা হবে। আর সেটা হল নুফুক আর নিক্বাফ (যা দ্রুত শেষ হয় যা। আর পাখির চক্ষু)। আর যখন দামেস্কের ছয় মাইল দূরে শহর স্থাপণ করা হবে তখন তোমরা যুদ্ধের জন্য সংকল্প কর।** সুফইয়ানীর প্রবেশ ও কূফায় তার সাথীগণ
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৯১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٩١
حدثنا ابن حمير
عن أرطاة قال إذا
بنيت مدينة على الفرات فهو النفق والنقاف وإذا بنيت مدينة على ستة أميال من دمشق
فتحزموا للملاحم
دخول السفياني وأصحابه الكوفة

Execution time: 0.03 render + 0.00 s transfer.