Login | Register

নুয়াইম বিন হাম্মাদের: আল ফিতান

শাম এবং বনুল আব্বাছের মাঝে ঘটে যাওয়া ঘটনা ও সুফিয়ানীর আলোচনা

   

শাম এবং বনুল আব্বাছের মাঝে ঘটে যাওয়া ঘটনা ও সুফিয়ানীর আলোচনা

Double clicking on an arabic word shows its dictionary entry
হযরত ওজীন ইবনে আতা রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, চতুর্থ ফিৎনা মূলতঃ রিককাহ থেকে সূচনা হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৬৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٦٨
حدثنا الوليد بن مسلم عن أبي
حبيب
عن الوضين بن عطاء قال
الفتنة الرابعة بدؤها من الرقة
ওলীদ রহঃ জনৈক মুহাদ্দিস থেকে বর্ননা করেন, বনুল আব্বাছের মাঝে এখতেলাফের সূচনা হচ্ছে, খোরাসান থেকে একটি ঝান্ডার আত্নপ্রকাশ হওয়া। তখন তাদের মাঝে মানবিতুয জাফরানে তীব্র যুদ্ধ সংঘঠিত হবে। সেখানে অংশ গ্রহণকারী সকলে মারা যাবে। মানাবিতুয জাফরানের ঘটনা মানুষের কাছে পৌছলে, যখন তিনি পবিত্র মদীনাতে ঝর্নার মাঝামাঝি স্থানে অবস্থান করছিলেন। এক পর্যায়ে তাদের কাছে ধন সম্পদ, টাকা-পয়সা যার কাছে যা কিছু আছে সব নিয়ে বেড়িয়ে পড়বে। ফলে হাররান নামক এলাকায় এসে যাত্রা বিরতী করবে। এহেন পরিস্থিতিতে তাদের কাছে সংবাদ আসবে, পশ্চিমাদের জনৈক বাদশাহ হামলা করেছে। তার মোকাবেলা করার জন্য সৈন্য প্রেরন করলে তারা পরাজিত হবে এবং সে এবং তার সাথী বর্গ শাম দেশে গিয়ে আশ্রয় গ্রহন করবে। এ সময় আমমান জনৈক ঘোষক ঘোষনা করবে, “ধ্বংস হোক হিমস বাসীদের জন্য, যারা স্পষ্ট চোখ বিশিষ্ট হবে”। তখনই প্রত্যেক বিবাহিত এবং সন্তান ওয়ালী নারীগন গর্ভবতী হয়ে যাবে। এভাবে চলতে চলতে নাহার সম্বলিত এলাকায় এসে অবস্থান নিবে। সেখানে এক জালেম বাদশাহকে হত্যা করা হবে। এবং তার যাবতীয় সম্পদ তাকসীম করে দেয়া হবে। এরপর তারা হাররান নামক মদীনাতুল আসনামে এসে পৌছবে সেখানে বাসিন্দাদের পেট ফেড়ে ফেলা হবে এবং তাদের একতা বদ্ধতা নষ্ট করা হবে। আরেকটি বাহিনী মাশরিকের দিকে প্রেরন করা হবে এবং সেখানের বাসিন্দাদের কাছ থেকে বাধ্যতা মূলক ভাবে বাইয়াত নেয়া হবে। সেখানে দীর্ঘ আঠারো মাস পর্যন্ত অবস্থান করবে। এরপর খাবুরের দিকে যেতে থাকবে এবং সেখানেও দীর্ঘদিন থাকবে। এরপর মারবাজুস সূরের দিকে যাবে এবং সে এলাকাকে প্রচন্ড উত্ত্বপ্ত অবস্থায় রেখে আসবে। অতঃপর মাশরিক বাসিরা তাকে বর্জন করে পাহাড়ের ভিতরে চলে যাবে এবং সেখানে তার পরিবারের একজন তার সাথে গাদ্দারী করে তাকে হত্যা করবে তারপর মাশরিক বাহিনী এসে হাররান এবং রুনা নামক স্থানের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থান নিবে। এবং ঘরের মাঝখান থেকে জনৈক আমরাদের আত্ন প্রকাশ হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৬৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٦٩
حدثنا الوليد حدثني
محدث أن بدو اختلاف بني العباس راية تخرج من خراسان فتكون بينهم ملحمة بمنابت
الزعفران يقتل فيها من جميع الناس والقبائل فيبلغ الناس الوقعة التي كانت بمنابت
الزعفران وهو في المدينة الطاهرة بين الأنهار فيخرج بما كان جمع فيها من الأموال
حتى ينزل مدينة الأصنام يعني حران ثم يأتيه الخبر أن ملكا بالمغرب قد ثار فيبعث
إليه جنودا ينهزم عنهم حتى ينزل بمن معه الشام فينادي مناد من السماء الويل لبلد
حمص العين السنحة فتحتمل كل ذات بعل بعلها وكل ذات ابن ابنها ثم يمضي حتى ينزل بين
الأنهار فيقتل بها جبارا عظيما ويقسم بها ثم يمضي إلى مدينة الأصنام يعني حران
فيبقر فيها بطن صاحبها ويفض جموعه ويبعث إلى المشرق ويبايعهم كارها غير طايع ويقيم
بها ثمانية أشهر ثم يمضي إلى الخابور فيقيم به سبع سابوع ثم يمضي إلى مربض الثور
فيتركها رمضة ويعتزله صاحب المشرق إلى جبال الجوف ثم يغدر به رجل من بيته فيقتله ثم
يجيء صاحب المشرق حتى ينزل ما بين حران والرها ثم يخرج الأمرد من بيت الراس
হযরত আবু উমাইয়া কালবী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, কালো ঝান্ডা বাহীরা যুদ্ধে লিপ্ত হবেন, তাদের ভিতর থেকে সাত জনের একটা কাফেলার আত্নপ্রকাশ হবে। এবং গ্রাম বাসিদের কাছে তার সাহায্যের আবেদন করে লোক প্রেরন করবে। তারা সরাসরি অস্বীকার করবে। এদিকে বনুল আব্বাছের অভিভাবকত্ব গ্রহন কারীর কাছে তাবরিয়া নামক স্থানে তার আগমনের সংবাদ পৌছে যায়। তখন তার উদ্দেশ্যে বিশাল বাহিনী প্রেরন করে। তারা পরস্পরের মুখোমুখি হলে প্রত্যেক সৈন্য তার প্রতিপক্ষের উপর ঝাপিয়ে পড়বে দুই দলের প্রধানদ্বয়ও একে অপরের উপর আক্রমন করবে। এবং তাকে সবকিছু জানাবে। তখন খারেজী এবং তার সাথের লোকজন টীলার দিকে অবস্থিত বড়ই গাছের দিকে ধাবিত হবে এবং তার ছায়ায় আশ্রয় নিবে। এসময় গ্রাম বাসিরা এসে তার হাতে হাত রেখে বাইয়াত গ্রহন করবে এবং তার সাথে ভ্রমন করতে থাকবে। আফহাওয়ানা নামক স্থানে পৌছলে বুহাইরায়ে তাবরিয়্যাহ কাছাকাছি স্থানে তাদেরর মধ্যে তীব্র লড়াই হবে। তাদের রক্তে সমুদ্রের পানি পর্যন্ত লাল হয়ে যাবে। অতঃপর তারা পরাজিত হবে। জাবিয়া নামক স্থানে আবারো যুদ্ধ সংঘটিত হবে, যার কারনে জাবিয়া নামক স্থানের আশে পর্শের প্রায় পাঁচ মাইল পর্যন্ত এলাকা ধ্বংসস্তুপে পরিনত হবে। ঐ সময় দূরবর্তী এলাকার লোকজনের জন্য যেন আশীর্বাদ হবে। সেখানেও তারা পরাজিত হবে আবারো তারা দিমাশকে এসে মিলিত হবে। সেখানে উভয় দলের মাঝে ভয়াবহ লড়াই হবে। এক পর্যায়ে ঘোড়ার শরীরের অর্ধেক পর্যন্ত রক্তের মধ্যে ডুবে যাবে এবং তারা পরাজিত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٧٠
قال الوليد فأخبرني أبو عبدة المشجعي
عن أبي أمية الكلبي قال
بينما أصحاب الرايات السود يقتتلون فيما بينهم إذ خرج سابع سبعة فيبعث أهل القرى
يسألهم نصرته فيأبون عليه ويبلغ عامل بني العباس على طبرية مخرجه فيبعث إليه جمعا
عظيما فإذا واجهوه مالوا إليه بأجمعهم إلا صاحبهم الذي قادهم ينصرف إلى صاحبه
فيخبره ويميل الخارجي ومن معه إلى السدرة التي إلى جانب التل فينزل تحتها ويأتيه
أهل القرى فيبايعونه ويسير بهم فيلقاه صاحب طبرية عند الأقحوانة فيقاتله عند بحيرة
طبرية حتى تحمار عجراء البحيرة من دمائهم ثم يهزمهم ثم يجمعون له بالجابية جمعا
عظيما فويل لمن كان أهله من الجابية على خمسة أميال وطوبى لمن كان أهله خلف ذلك
فيهزمهم ثم يجمعون له بدمشق جمعا نحو من جمعهم الذي دخلوا به دمشق فيقتتلون هنالك
حتى تركض الخيل في الدم إلى ثنيها ثم يهزمهم
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাছ রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, মাশরিক বাহিনী থেকে এক লোকের আত্নপ্রকাশ হলে সে এলাকার বাদশাহ নিজের এলাকা ছেড়ে পলায়ন করবে এবং রিককাহ ও হাররান নামক এলাকায় তাদের মধ্যে তীব্র যুদ্ধ হবে। তখন কুরাইশের এক লোক তাকে হত্যা করবে এবং সে এলাকায় আবু সুফিয়ানের বংশধর থেকে এক লোক আত্নপ্রকাশ হবে। তাকে কুফর শাষক হাররান নামক এলাকায় হত্যা করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٧١
حدثنا الوليد قال أخبرني ابن
لهيعة عن أبي قبيل
عن ابن عباس رضى الله عنه قال يخرج رجل من المشرق فينفر منه
ملكهم فيقتل بين الرقة وحران يقتله رجل من قريش ويخرج من البرية من آل أبي سفيان
رجل من المغرب ويقتل ملك الكوفة بحران
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত সুবান রাযি থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, কিছু দিনের মধ্যে এমন এক খলীফা আত্নপ্রকাশ করবে, লোকজন যার হাতে বাইয়াত গ্রহনে অস্বীকৃতি জানাবে। এবং তার নায়েব তার দুশমন হয়ে যাবে। যার কারনে একাকী সফর করা বিহীন তার আর কোনো উপায় থাকবেনা এভাবে চলতে চলতে এক সময় তার দুশমনের উপর বিজয়ী হবে। ইরাক বাসিরা তাকে ইবায় ফিরিয়ে নিতে চাইলে সে অস্বীকতি জানাবে এবং বলবে এটা হচ্ছে, যুদ্ধের জন্য উপযুক্ত স্থান, যার কারনে তারা তাকে ছেড়ে চলে যাবে। তাদের মধ্য থেকে একজনকে নেতা নিযুক্ত করবে, সকলে তার কাছে যাবে এবং হিমস নগরীর হানাসিরা পাহাড়ে তার স্বাক্ষাৎ পাবে। শাম বাসিদের কাছে এসংবাদ পাঠানো হলে তারা একজনের সান্নিধ্যে জমায়েত হবে, তাদের সাথে ভয়াবহ একটি লড়াই হবে। এমন কি একলোক তার বাহনের উপর দাড়াতে চাইলে সে
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٧٢
حدثنا الوليد بن مسلم عن الأوزاعي
والوليد بن سليمان وعيسى بن موسى قالوا سمعنا ربيعة القصير يحدث عن أبي أسماء
الرحبي
عن ثوبان مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سيكون خليفة تقصر عن
بيعة الناس ثم يكون نائبه من عدو فلا يجد بدا من أن يسير بنفسه فيسير قيظهر على
عدوه فيريده أهل العراق على الرجوع إلى عراقهم فيأبى
ويقول هذه أرض
الجهاد فيخلعونه يولون عليهم رجلا فيسيرون إليه حتى يلقوه بالحص جبل حناصره فيبعث
إلى أهل الشام فيجتمعون له على قلب رجل واحد فيقتلهم بهم قتالا شديدا حتى أن الرجل
ليقوم على ركائبه فيكاد يعد رجال الفريقين ثم ينهزم أهل العراق فيطلبونهم حتى
يدخلونهم الكوفة فيقتلونهم بكل من أطاق حمل السلاح منهم فهزمهم ويقتلون من جرت
عليهم المواسي قيل لأبي أسماء ممن سمعه ثوبان أمن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال
فممن إذا
হযরত ওয়ালিদ ইবনে হিশাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন তারা সেখানে প্রচন্ড যুদ্ধ করবে। অতপর আমরা তাদের এভাবে বর্ণনা করলাম। যখন সুফিয়ানী তাদের নিয়ে বিদ্রোহ করবে, তখন উভয় দল ছত্রভঙ্গ হয়ে যাবে। এমনকি আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে কূফায় প্রবেশ করাবেন। ফলে দিনের প্রথমাংশ হবে তাদের জন্য। আর শেষাংশ হবে তাদের বিরুদ্ধে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٧٣
قال الوليد فأخبرني أبو عبد الله عن الوليد بن هشام قال
يقتتلون هنالك قتالا شديدا فبيناهم كذلك إذ ثار بهم السفياني فيهزم الفريقين
حتى يدخلهم الله الكوفة فيكون أول النهار له وآخره عليه
হযরত আবু নযর হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমার নিকট রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জনৈক সাহাবী রাযিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন ইরাকে জনৈক বাদশা অবস্থান নিবে। যার নিকট সিরিয়াবাসীরা বাইয়াত গ্রহণে অপছন্দ করবে। অতপর যা হবার তাই হবে। অতপর তার নিকট এখবর আসবে যে, তার শত্রু তার দিকে আসছে। অতপর সে তার দিকে যাবার কোন পথ পাবে না । অতপর পথ পাবে এবং তার দিকে সিরিয়া দিয়ে গমন করবে। পথিমধ্যে তার সাথে সাক্ষাৎ হবে এবং তাকে হত্যা করে দিবে। অতপর সে ইরাকবাসীদের যারা তাকে সাহায্য করবে তাদের বলবে, এটা আমার দেশ। এটা আমার যমিন। এটা আমার ভূমি। আর তোমরা তোমাদের দেশে ফিরে যাও। আমি তোমাদের থেকে অমুক্ষাপেক্ষী হতে চাই। ফলে তারা তাদের দেশে ফিরে যাবে। অতপর তারা বলবে আমরা তাকে বাদশা বানিয়েছি। আর আমরা তাকে সাহায্য করেছি। আর আমরা তাকে ব্যতীতই মানুষদের হত্যা করেছি। তার পরও সে আমাদের দেশ ছাড়া অন্য দেশ গ্রহণ করেছে। চলো আমরা সকলেই একত্র হই যাতে আমরা তার সাথে যুদ্ধ করতে পারি। সুতরাং তোমরা তার দিকে সফর কর। তিন লাখ সন্দেহপূর্ণ লোক থাকবে। অতপর তারা তার সাথে হিস নামক এলাকায় মিলিত হবে। অতপর তারা সেখানে যুদ্ধ করবে। আর সেখানে তাদের মাঝে প্রচন্ড যুদ্ধ হবে। এমন যুদ্ধ ইতিপূর্বে আরবদের মাঝে আর হয় নাই। তাদের উপর সবর ঢেলে দেওয়া হবে। তাদের থেকে সাহায্য উঠিয়ে নেয়া হবে। এমনকি একজন ব্যক্তি তাদের মাঝে দাড়াবে এবং যদি সে তাদেরকে গণনা করতে চায় তাহলে সে তাদের অবশিষ্ট লোকদের সংখ্যা কম হওয়ার কারণে সে গণনা করতে পারবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٧٤
حدثنا محمد بن
حمير عن نجيب بن السري عن أبي النضر قال حدثني رجل من أصحاب رسول الله صلى الله
عليه وسلم قال ينزل العراق ملك يكره أهل الشام على بيعته فيكون ما كان ثم يبلغه أن
عدوه قد سار إليه فلا يجد من المسير إليه بدا فيسير إليه بالشام فيلقاه فيهزمه
ويقتله ثم يقول لأهل نصرته من أهل العراق هذه بلادي وهذه أرضي ووطني ارجعوا إلى
بلادكم فقد استغنيت عنكم فيرجعون إلى بلادهم فيقولون نحن ملكناه ونحن نصرناه ونحن
قتلنا الناس دونه ثم اختار على بلادنا بلادا غيرها هلموا حتى نجمع له فنقاتله
فسيروا إليه وجمعهم يومئذ إخال ثلثمائة ألف حتى يلتقوا بالحص فيقتتلون فيه
فتكون بينهم ملحمة [ عظيمة ] لم تكن بين العرب مثلها يلقى عليهم الصبر
ويرفع عنهم النصر حتى إن الرجل ليقوم ينظر إلى الصفين فلو يشأ أن يحصيهم أحصاهم
لقلة من بقي منهم
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন যখন বনী আব্বাসের মধ্যে শেষ বার মতানৈক্যতা দেখা দিবে। আর সেটা হবে সুফইয়ানী ইবনে আকেলাতুল আকবাদের অবির্ভাবের পর। আর তাদের শেষের মতানৈক্যতার ভিতরে ধ্বংসযজ্ঞ থাকবে। আর তখন তোমরা ছানিয়্যা এর ঘটনা, সালিমার বড় দুই বসতির ঘটনা এবং হিসের ঘটনা যা অনেক বড় তার অপেক্ষা কর। আর তখন বনু আব্বাস ও পূর্বের অধিবাসীরা পরাজয় বরণ করবে। এমনকি তাদের মহিলাদের বন্দি করা হবে। এবং তারা কূফায় প্রবেশ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٧٥
حدثنا عبد الله بن مروان عن أرطاة عن تبيع
عن كعب
قال إذا وقع الإختلاف الآخر في بني العباس وذلك بعد خروج السفياني ابن آكلة الأكباد
وفي اختلافهم الآخر الفناء فحينئذ فانتظروا وقعة الثنية ووقعة التدمر قرية غربي
سليمة ووقعة بالحص عظيمة فتغلب بنوا العباس وأهل المشرق حتى تسبى نساؤهم ويدخلوا
الكوفة
হযরত ইয়াকুব ইবনে ইসহাক হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একজন লোক যে ফিতানের আলামত হবে। তিনি বলেন সে রিক্কায় অবস্থান নিবে। আর সে হবে আব্বাসীয় বংশভূত একজন লোক। অতপর সে সেখান দুই বছর অবস্থান করবে। অতপর সে রোমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। অতপর সে রোমের উপর যতটনা বিপদের কারণ হবে তার বেশী বিপদের কারণ হবে মুসলমানদের উপর। অতপর সে যুদ্ধ হতে রিক্কাতে ফিরে আসবে। অতপর তার নিকট পূর্বাঞ্চল হতে যা সে অপছন্দ করে তা তার নিকট আসবে। অতপর সে সিরক এ ফিরে যাবে। কিন্তু সে সেখান থেকে এর ফিরে আসবে না। অতপর তার পুত্র তার স্থলাভিষিক্ত হবে। আর তার মাথার উপরেই সুফইয়ানির অর্বিভাব হবে। এবং তার রাজত্ব কাটা পড়বে। (অর্থাত তার আমলেই সুফিয়ানী বের হবে। এবং তার মাধমেই তাদের রাজত্ব শেষ হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٧٦
حدثنا عبد الله بن مروان عمن حدثه عن يعقوب بن إسحاق وكان رجلا علامة في
الفتن
قال
ينزل الرقة رجل من
ولد العباس فيمكث فيها سنتين ثم يغزو الروم فتكون بليته على المسلمين أعظم من بليته
على الروم ثم يرجع من غزوة إلى الرقة فيأتيه من المشرق ما يكره فيرجع إلى الشرق فلا
يرجع منها ثم يولي ابنه فعلى رأسه يكون خروج السفياني وانقطاع ملكهم
হযরত নুযাইব ইবনে সিররী হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন পশ্চিমাদের থেকে একজন বাদশা নির্বাচিত হবে। সে উপদ্বীপের দিকে ভেগে প্রস্থান করবে। অতপর সিরিয়াবাসীদের নিকট সাহায্য কামনা করবে। অতপর তার সকলে তার নিকট জমায়েত হবে। অতপর পশ্চিমা অধিবাসীদের দিকে অগ্রসর হবে। তারা একটি পাহাড়ের নিকট একত্র হবে। যেই পাহাড়ের নাম হবে হিস। আর সেখানে অনেক আলেম কে হত্যা করা হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٧٧
حدثنا محمد بن حمير عن النجيب بن السري قال
يكون خليفة من المشرق يرتحل هاربا
إلى الجزيرة ثم يستغيث بأهل الشام فيجتمعون إليه ويقبل أهل المشرق فيلتقون بجبل
يقال له الحص فيقتل فيه عالم كثير
হযরত আলী ইবনে আবু তালেব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সুফইয়ানীকে ইরাকের সৈন্যদের উপর প্রেরণ করা হবে। বনু হারেসা এর একজন লোক। তার দুটি গাদরীর হবে। যাকে নামার অথবা কমার ইবনে আব্বাদ বলা হবে। সে হবে তার সম্মুখে বড় দেহ ওয়ালা একজন ব্যক্তি। সে হবে তার গোষ্ঠির মধ্যে দুই কাধের প্রসস্ততায় টেকো ও খাটো। অতপর তার সাথে যুদ্ধ করবে ঐসমস্ত লোক যারা সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলের অধিবাসী হবে। আরেক স্থানে আছে যে, তাকে বানিয়্যাহ বলা হবে। আর পূর্বাঞ্চলের যুদ্ধে হিমসের অধিবাসী ও তাদের সাহায্যকারীরা থাকবে। আর সেখানে সেদিন তাদের থেকে বিশাল বড় এক দল হবে। যারা তাদের সাথে যুদ্ধ করবে ঐ স্থানে যেটা দামেস্কের সাথে মিলানো। উহার প্রত্যেকটি তাদেরকে পরাজিত করবে। অতপর তারা দামেস্ক ও হিমস থেকে সুফইয়ানী সহকারে ভেগে যাবে। এবং তারা মিলিত হবে। আর পূর্বাঞ্চলের লোকজন এক স্থানে থাকবে যাকে ইয়াদাইন বলা হবে। যেটা হিমসের পূর্বাংশের সাথে মিলিত। আর ষেখানে পূর্বাঞ্চলের অধিবাসীদের থেকে তাদের চার তৃতীয়াংশ প্রায় সত্তর হাজার লোককে হত্যা করা হবে। অতপর তাদের উপর পিছন ফিরে পালায়ন করাটা আবশ্যক হয়ে পড়বে। আর যেই সৈন্যদলকে মাশরিক তথা পূর্বাঞ্চলের দিকে পাঠানো হয়েছিল তারা সফর করে ফিরে আসবে। এবং কূফায় অবস্থান নিবে। তারপর দেখা যাবে- কত রক্ত প্রবাহিত হয়েছে! কত উদর বিদীর্ণ হয়েছে! কত বন্ধু নিহত হয়েছে! কত সম্পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে! কত রক্তকে বৈধ মনে করা হয়েছে। (রক্ত প্রবাহিত হয়েছে।) অতপর সুফইয়ানী তার নিকট পত্র লিখবে যে, সে উহাকে চামড়া মুছে দেওয়ার মত মুছে দিয়ে সে হেজাজে তথা ঊপদ্বীপে সফর করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٧٨
حدثنا أبو المغيرة عن ابن عياش عمن
حدثه عن محمد بن جعفر قال
قال علي بن أبي طالب رضى الله عنه يبعث السفياني على
جيش العراق رجلا من بني حارثة له غدريرتان يقال له نمر أو قمر بن عباد رجلا جسيما
على مقدمته رجلا من قومه قصير أصلع عريض المنكبين فيقاتله من بالشام من أهل المشرق
وفي موضع يقال له البنية وأهل حمص في حرب المشرق وأنصارهم وبها يومئذ منهم جند عظيم
يقاتلهم فيما يلي دمشق كل ذلك يهزمهم ثم ينحاز من دمشق وحمص مع السفياني ويلتقون
وأهل المشرق في موضع يقال له اليدين مما يلي شرق حمص فيقتل بها نيف وسبعون ألفا
ثلاثة أرباعهم من أهل المشرق ثم تكون الدبرة عليهم ويسير الجيش الذي بعث إلى المشرق
حتى ينزلوا الكوفة فكم من دم مهراق وبطن مبقور ووليد مقتول ومال منهوب ودم مستحل ثم
يكتب إليه السفياني أن يسير إلى الحجاز بعد أن يعركها عرك الأديم
হযরত হারীস ইবনে উসমান হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি সালমান ইবনে সামীর আলহানী কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন কূফায় অবশ্যই অবশ্যই এমন একজন বাদশা অবস্থান নিবে যে, সে সিরিয়াবাসীদেরকে পরাজিত করবে। অতপর তাদের মাঝে এবং সিরিয়ার অধিবাসীদের মাঝে আগ্রহ হবে। আলীক বিশ শাম বলা হবে। কেননা সেটা হল বাইতুল মুকাদ্দাসের ভূমি। নবীগণের ভূমি। খলীফাদের আবাসস্থল। আর মাল সম্পদ তার দিকে টেনে আনবে। আর তার থেকে সৈন্যদল পৃথক করে দিবে। ফলে তাদের সাড়া দিবে। অতপর তাদের সাড়া দিবে তখন পূর্বাঞ্চলীয় লোকজন তার উপর প্রতিশোধ নিবে। তারা বলবে আমরা তার সাথে যুদ্ধ করেছি। আমরা আমাদের রক্তকণাকে, আমাদের নিজেদেরকে আমাদের মাল সম্পদকে বিপদের সম্মুখিন করেছি। আর এখন সে আমাদের উপর কর্তৃত্ব করছে। সুতরাং তাকে খতম কর। তিনি বলেন অতপর সিরিয়ার অধিবাসীরা কূফার দিকে অগ্রসর হবে। এবং তারা উহাকে চামড়া মুছে দেওয়ার মত মুছে দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٧٩
حدثنا
بقية بن الوليد عن حريز بن عثمان قال
سمعت سلمان بن سمير الألهاني يقول لينزلن
الكوفة خليفة يهزم أهل الشام ثم يرغب فيهم وفي الشام ويقال له عليك بالشام فإنها
أرض المقدس وأرص الأنبياء ومنزل الخلفاء وإليها كانت تجبى الأموال ومنها كانت تفرق
البعوث فيجيبهم فإذا أجابهم نقم عليه أهل المشرق فقالوا قاتلناه معه وخاطرنا
بدمائنا وأنفسنا وأموالنا فآثر علينا فاخلعوه قال فيسير أهل الشام إلى الكوفة فتعرك
عرك الأديم
হযরত ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আব্বাসীয় বংশধরের সপ্তম পুরুষ মানুষদের কে যুদ্ধের দিকে ডাকবে। আর মানুষ তার ডাকে যুদ্ধের দিকে সাড়া দিবে না। অতপর সে বলবে আমি তোমাদের মাঝে হযরত আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু ও হযরত ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু এর রীতিনীতি চালু করবো। আর যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সমান ভাগে ভাগ করে দিব। তখন তার নিজের ঘরের লোকজন বলবে তুমি কি আমাদেরকে আমাদের জীবন চলার পথ থেকে বের করে দিতে চাও? ফলে তারা তার কথার উপর অস্বীকৃতি জানাবে। অতপর সে তার ঘরের কয়েকজন লোককে হত্যা করবে। অতপর তারা তাদের মাঝে যে বিষয় থাকবে তার ভিতর মতানৈক্য করবে। আর ঐ সময়ই ফাহারের বংশধরের থেকে এক লোক বের হবে। সে বরবর লোকদেরকে একত্রিত করবে। অতপর মিসরের মিম্বার সমূহ দখল করবে। অতপর আবু সুফিয়ানের বংশধরের থেকে একজন লোক বের হবে। আর যখন ফাহারের বংশের লোকটির নিকট উক্ত ব্যক্তির বের হওয়ার খবর পৌছবে তখন তারা তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٨٠
حدثنا أبو عمر عن ابن لهيعة عن عبد الوهاب بن حسين
عن
محمد بن ثابت عن أبيه عن الحارث
عن ابن مسعود قال السابع من ولد العباس يدعو
الناس إلى العرك فلا يجيبونه إلى ذلك فيقول إني أسير فيكم بسيرة أبي بكر وعمر رضى
الله عنهما وأقسم الفيء يالسوية فيقول له أهل بيته أتريد أن تخرجنا من معايشنا
فيأبون عليه فيقتل من أهل بيته عدة فيختلفون فيما بينهم فعند ذلك يخرج رجل من ولد
فهر يجمع من بربر حتى يأخذ منابر مصر ثم يخرج رجل من ولد أبي سفيان فإذا بلغ الفهري
خروجه افترقوا ثلاث فرق إلى آخر الحديث
হযরত আলী হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন সিরিয়ায় সুফইয়ানীর অবির্ভাব হবে। অতপর তাদের মাঝে কিরকিসিয়া নামক এলাকায় একটি ঘটনা ঘটবে। অর্থাৎ যুদ্ধ হবে। এমনকি আকাশের পাখিরা ও হিংস্র জানোয়ার তাদের পচে গলে যাওয়া দূর্গন্ধ যুক্ত শরীর দ্বারা তাদের পেট পুর্তি করবে। অতপর তাদের পরবর্তীদের উপর প্রভাত হবে। আর তাদের থেকে একদল মানুষ খোরাসানে প্রবেশ করবে। আর এদিকে সুফইয়ানির সৈন্যদল খোরাসানের অধিবাসীদের খোজে অগ্রসর হবে। অতপর তারা কূফার শিয়া এ আলে মুহাম্মাদ নামক স্থানে যুদ্ধ করবে। অতপর খোরাসানের অধিবাসীরা মাহদী আলাইহিস সালামের খোজে বের হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٨١
حدثنا الوليد ورشدين عن ابن لهيعة
عن أبي قبيل عن أبي رومان
عن علي قال يظهر السفياني على الشام ثم يكون بينهم
وقعة بقرقيسيا حتى يشبع طير السماء وسباع الأرض من جيفهم ثم يفتق عليهم فتق من
خلفهم فيقبل طائفة منهم يدخلوا أرض خراسان وتقبل خيل السفياني في طلب أهل خراسان
فيقتلون شيعة آل محمد بالكوفة ثم يخرج أهل خراسان في طلب المهدي
হযরত আম্মার ইবনে ইয়সির রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ এর অনুসরণ করবে। অতপর তাদের দুজনের সৈন্যদল কিরকিসিয়া নামক স্থানের একটি নদীর কিনারায় মিলিত হবে। অতপর সেখানে ভীষণ বড় যুদ্ধ হবে। আর পশ্চিমাঞ্চলের লোকজন চলে যাবে। ফলে তাদের পুরুষদের হত্যা করা হবে। এবং তাদের মহিলাদের বন্দি করা হবে। অতপর কাইসে প্রত্যাবর্তন করবে। এমনকি সুফইয়ানীর দিকের উপদ্বীপে অবস্থান নিবে। অতপর ইয়ামানীর অনুসরণ করবে। অতপর আরীহা নামক স্থানে কইসীকে হত্যা করবে। অতপর তারা যা জমা করছে তা সুফইয়ানী লাভ করবে। অতপর কূফার দিকে অগ্রসর হবে। অতপর আলে মুহাম্মাদের সাহায্যকারীদের হত্যা করবে। অতপর সিরিয়ায় তিনটি ঝান্ডা উপর সুফইয়ানীর অবির্ভাব হবে। অতপর কিরকিসিয়ার পর তাদের একটি বড় ঘটনা ঘটবে। অতপর তাদের পরবর্তীদের প্রভাতের সূর্য্য উদয়টা তাদের উপর উদয় হবে। অতপর তাদের থেকে একটি দল সামনে অগ্রসর হবে। এমনকি তারা খোরাসানের যমিনে প্রবেশ করবে। অতপর সুফইয়ানীর সৈন্যদল রাত ও নদীর ন্যায় অগ্রসর হবে। তারা যার পাশ দিয়েই যাবে সব কিছু ধ্বংস করে দিবে। এবং নিঃশেষ করে দিবে। এমনকি তারা কূফায় প্রবেশ করবে। এবং মুহাম্মাদের পরিবার বর্গের সম্প্রদায়কে হত্যা করবে। অতপর প্রত্যেক ভাবে খোরাসানবাসীদের কে অনুসন্ধান করবে। আর খোরাসানাবাসীরা মাহদী আলাইহিস সালামের খোজে বের হবে। আর তারা তার জন্য দোয়া করবে। এবং তাকে সাহায্য করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٨٢
حدثنا
الوليد ورشدين عن ابن لهيعة عن أبي زرعة
عن عمار بن ياسر قال فيتبع عبدالله
عبدالله فتلتقي جنودهما بقرقيسيا على النهر فيكون قتال عظيم ويسير صاحب المغرب
فيقتل الرجال ويسبي النساء ثم يرجع في قيس حتى ينزل الجزيرة إلى السفياني فيتبع
اليماني فيقتل قيسا بأريحا ويحوز السفياني ما جمعوا ثم
يسير إلى الكوفة
فيقتل أعوان آل محمد ثم يظهر السفياني بالشام على الرايات الثلاث ثم يكون لهم وقعة
بعد قرقيسيا عظيمة ثم ينفتق عليهم فتق من خلفهم فيقبل طائفة منهم حتى يدخلوا أرض
خراسان وتقبل خيل السفياني كالليل والسيل فلا تمر بشيء إلا أهلكته وهدمته حتى
يدخلون الكوفة فيقتلون شيعة [ من ] آل محمد ثم يطلبون أهل خراسان في كل وجه ويخرج
أهل خراسان في طلب المهدي فيدعون له وينصرونه
হযরত সালমান ইবনে সামীর আলহানী থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন অচিরেই কূফাদে একজন খলীফা অবস্থান নিবে। আর পরাজয়ের ক্ষেত্রে সিরিয়াবাসীরা একমত হবে। অতপর তাদের মাঝে আগ্রহ হবে। আর তাকে বলা হবে, তোমার জন্য আবশ্যক হল যে, তুমি সিরিয়ার ভুমিতে অবস্থান করবে। কেননা সেটা পবিত্র ভুমি। নবীদের ভুমি। খলীফাদের আবাস ভুমি। আর তার দিকে ধন সম্পদ টেনে আনবে। তার থেকে সৈন্যরা পৃথক হয়ে যাবে। তখন সে তাদের কথা মেনে নিবে। আর যখন সে তাদের কথা মেনে নিবে তখনই আহলে মাশরিক তথা পূবাঞ্চলের অধিবাসীরা তার উপর বদলা নিবে। তখন তারা বলবে আমরা তার সাথে আমাদের রক্তকে আমাদের নিজেদেরকে, আমাদের মাল সম্পদকে বিপদে ফেলেছি। আর সে আমাদের উপর অন্যকে প্রাধান্য দিল। ফলে তারা তারা বিরোধিতা করবে। আর সিরিয়াবাসীরা কূফার দিকে চলে যাবে। আর সেদিন চামড়া মুছে দেয়ার ন্যায় প্রচন্ড যুদ্ধ করবে।** যখন তার প্রেরিতরা ইরাকে পৌছবে। তখন সুফইয়ানী হতে বাগদাদ ও মদীনাতুয যাওরাতে কি কি ঘটবে। আর তার ধংসযজ্ঞের ব্যাপারে যা আলোচনা হয়েছে ।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٨٣
حدثنا الحكم بن نافع عن
سعيد بن سنان
عن سلمان بن سمير الألهاني قال سينزل الكوفة خليفة وليوطين أهل
الشام هزيمة ثم يرغب فيهم ويقال له عليك بأرض الشام فإنهاا أرض المقدسة وأرض
الأنبياء ومنازل الخلفاء وإليها كانت تجبى الأموال ومنها كانت تفرق البعوث فيجيبهم
فإذا أجابهم نقم عليه أهل المشرق فيقولون خاطرنا معه بدمائنا وأنفسنا وأموالنا وآثر
علينا غيرنا فيخالفونه فيسير أهل الشام إلى الكوفة فيومئذ تعرك عرك الأديم
ما يكون من السفياني في جوف بغداد ومدينة الزوراء إذا بلغ بعثه العراق وما يذكر من خرابها

Execution time: 0.04 render + 0.00 s transfer.