Login | Register

নুয়াইম বিন হাম্মাদের: আল ফিতান

বর্বর জাতি কর্তৃক ফাসাদ সৃষ্টি হওয়া এবং মিশর ও শামের ভূখন্ডে তাদের যুদ্ধ করা আর তাদের কিছু অনিষ্টতার বর্ননা  

   

বর্বর জাতি কর্তৃক ফাসাদ সৃষ্টি হওয়া এবং মিশর ও শামের ভূখন্ডে তাদের যুদ্ধ করা আর তাদের কিছু অনিষ্টতার বর্ননা  

Double clicking on an arabic word shows its dictionary entry
হযরত আবু কাবীল রহঃ বলেন, নিঃসন্দেহে পশ্চিমারা এবং ফুজাআ ও মারওয়ানের সন্তানগণ শাম দেশের মূল ভুখন্ডে কালো পতাকার নিচে সমবেত হবে। বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি একদা মিসর বাসীকে সম্বোধন করে বলেন, হে মিশরীগণ! যখন পশ্চিমাদের পক্ষ থেকে তোমাদের দিকে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আসবে এবং তারা পুলের উপর থাকা অবস্থায় তোমাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে। তোমাদের এবং তাদের মিলিয়ে প্রায় সত্তর হাজার যোদ্ধা হবে। সে তোমাদেরকে মিশর এবং শাম দেশ থেকে লাঞ্চিত অবস্থায় কাফের আখ্যায়িত করে বের করে দিবে। ঐপরিস্থিতিতে জনৈকা আরবী মহিলা পঁচিশ দেরহাম নিয়ে দিমাশকের গেইটে অবস্থান করবে। অতঃপর পশ্চিমারা হিমস নগরীতে প্রবেশ করে দীর্ঘ আঠার মাস পর্যন্ত অবস্থান করবে। এদিন গুলোতে তারা যাবতীয় সম্পদ বিলি করবে এবং নারী-পুরুষদেরকে নির্বিচারে হত্যা করবে। কিছুদিন পর আসমানের নিচে অবস্থানরত নিকৃষ্ট লোকদের অন্যতম একজন তাদের প্রতি ধেয়ে আসবে এবং তাদের সাথে যুদ্ধ করে তাদেরকে পরাজিত করবে। এক পর্যায়ে তার হিমস নগরী ছেড়ে দিয়ে মিশরের ভুখন্ডে প্রবেশ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৬৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٦٤
عبد الله التيهرتي عن عبد السلام بن مسلمة
سمع أبا قبيل يقول إن صاحب المغرب
وبني مروان وقضاعة تجتمع على الرايات السود في بطن الشام
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি একদা মিসর বাসীকে সম্বোধন করে বলেন, হে মিশরীগণ! যখন পশ্চিমাদের পক্ষ থেকে তোমাদের দিকে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আসবে এবং তারা পুলের উপর থাকা অবস্থায় তোমাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে। তোমাদের এবং তাদের মিলিয়ে প্রায় সত্তর হাজার যোদ্ধা হবে। সে তোমাদেরকে মিশর এবং শাম দেশ থেকে লাঞ্চিত অবস্থায় কাফের আখ্যায়িত করে বের করে দিবে। ঐপরিস্থিতিতে জনৈকা আরবী মহিলা পঁচিশ দেরহাম নিয়ে দিমাশকের গেইটে অবস্থান করবে। অতঃপর পশ্চিমারা হিমস নগরীতে প্রবেশ করে দীর্ঘ আঠার মাস পর্যন্ত অবস্থান করবে। এদিনগুলোতে তারা যাবতীয় সম্পদ বিলি করবে এবং নারী-পুরুষদেরকে নির্বিচারে হত্যা করবে। কিছুদিন পর আসমানের নিচে অবস্থানরত নিকৃষ্ট লোকদের অন্যতম একজন তাদের প্রতি ধেয়ে আসবে এবং তাদের সাথে যুদ্ধ করে তাদেরকে পরাজিত করবে। এক পর্যায়ে তার হিমস নগরী ছেড়ে দিয়ে মিশরের ভুখন্ডে প্রবেশ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৬৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٦٥
بن مروان عن أبيه عن عبد الله العمري عن القاسم بن محمد
عن حذيفة أنه قال لأهل
مصر إذا جاءكم
عبد الله بن عبد الرحمن من المغرب
أقتتلتم أنتم وهم عن القنطرة فيكون
بينكم سبعون ألفا من القتلى و
ليخرجنكم من أرض مصر وأرض الشام كفرا
كفرا ولتباعن
المرأة العربية على درج دمشق بخمسة وعشرين درهما ثم يدخلون أرض حمص فيقيمون ثمانية
عشر شهرا يقتسمون فيها الأموال ويقتلون فيها الذكر والأنثى
ثم يخرج عليهم رجل شر
من
أظلته السماء
فيقتلهم فهزمهم
حتى يدخلهم أرض مصر
হযরত মাসলামা ইবনে আব্দুল মালিক থেকে বর্নিত তিনি এরশাদ করেন, পশ্চিমার বাসিন্দাগণ হিমস নগরীকে দীর্ঘ ষোলমাস পর্যন্ত দখল করে রাখবে। বর্ননাকারী সাকার বলেন, আমি সাঈদ ইবনে মোহাজিরকে বলতে শুনেছি, যখন পশ্চিমা ফিৎনা ব্যাপক আকার ধারন করবে তখন তুমি ইয়ামানের দিকে চলে যাও। কেননা, ঐ মুহূর্তে ইয়ামান ছাড়া অন্য কোনো দেশ তাদের হাত থেক রক্ষা পাবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৬৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٦٦
عن الصقر بن رستم سمع مسلمة بن عبد الملك يقول يملك أهل المغرب حمص ستة عشر شهرا
قال الصقر وسمعت سعيد بن مهاجر الوصابي يقول إذا كانت فتنة المغرب فشد قبال
نعليك إلى اليمن فإنه لا يحرزكم منها أرض غيرها
প্রসিদ্ধ সাহাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন মাগরিব বাসীরা মিশর ভুখন্ডে প্রবেশ করে এতক্ষন পর্যন্ত অবস্থান করবে। মিশরের আদিবসিকে হত্যা করবে এবং বন্দি করবে। সে সময় অনেক ক্রন্দনকারী মহিলা তাদের সম্ভ্রম লুন্ঠিত হওয়ার কারনে বিলাপ করতে থাকবে, অনেকে কান্নাকাটি করবে তাদের সম্মানহানী হওয়ার কারনে। আবার অনেকে কাঁদবে তাদের পুরুষদেরকে হত্যা করার কারনে। আবার কেউ কেউ বিলাপ করতে থাকবে মৃত্যু ও কবরকে আলিঙ্গন করার জন্য।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৬৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٦٧
عن أبيه عن العمري عن القاسم بن محمد
عن حذيفة قال
إذا دخل أهل المغرب أرض مصر
فأقاموا فيها كذا وكذا تقتل
وتسبي أهلها يومئذ تقوم النائحات فباكية تبكي على
استحلال فروجها
وباكية تبكي على ذلها بعد عزها وباكية تبكي على قتل رجالها وباكية
تبكي شوقا إلى قبورها
হযরত আবু ওয়াহাব আল কালাঈ থেকে বর্নিত তিনি বলেন, যখন পশ্চিমারা দখল করার নিয়তে এগিয়ে আসবে, তাদের সাথে মোকাবেলা করার জন্য আরবরাও ধেয়ে আসবে। এক পর্যায়ে সকল আরবগন শাম দেশে এসে চারটি পতাকার অধীনে সমবেত হবে। একটি পতাকা হবে কুরাইশ এবং তাদের অনুগতদের, দ্বিতীয়টি হবে কাইস এবং তাদের অধিনস্থদের, তৃতীয়টি হবে কাইয়ান এবং তাদের অনুসারীদের এবং চতুর্থটি হবে কুজাআ গোত্রের। আরবরা কুরাইশদেরকে বলবে এগিয়ে যাও এবং তোমাদের রাজত্বের জন্য যুদ্ধ কর। এক পর্যায়ে কুরাইশরা এগিয়ে যাবে এবং তীব্র ভাবে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, তবে এতে কোন লাভ হবেনা। অতঃপর কাইস গোত্র এগিয়ে আসবে, তাতেও কোনো উপকার হবেনা। এতটুকু পর্যন্ত বলে বর্ননাকারী আবু ওয়াহাব রহঃ হযরত খালেদ ইবনে জহীর আল-কালবী রহঃ এর কাধে হাত রেখে বললেন, অতঃপর আমি তোমাকে এবং তোমার গোত্র আল বালাকুল বুকা কে দেখলাম তারা বিজয় বেশে ফিরে আসছে। ওলীদ বলেন, সেদিন একমাত্র কুজায়া গোত্রই পশ্চিমাদেরকে পরাজিত করে জয়লাভ করবে। তাদের সাথে অনেকে থাকবে যারা ইতোমধ্যে তাদের অনুস্বরণ করছিল এবং তারা বিভিন্ন গোত্রের দিকে যেতে থাকবে এবং মাশরিক বাসীদের সাথেও যুদ্ধ করতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৬৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٦٨
عن أبي وهب الكلاعي قال
إذا خرج أهل المغرب
فاشتد أمرهم خرجت عليهم العرب
فتجتمع العرب كلها في أرض الشام
على أربع رايات راية لقريش وما لف لفها وراية لقيس
وما لف لفها وراية لليمن وما لف لفها وراية لقضاعة وما لف لفها فتقول العرب لقريش
تقدموا فقاتلوا على ملككم أو دعوا فتقدم قريش فتقال فلا تصنع شيئا ثم تقدم قيس
فتقاتل فلا تصنع شيئا ثم تقدم اليمن فلا تصنع شيئا ثم ضرب أبو وهب منكب خالد بن
ظهير الكلبي ثم قال رايتك وراية قومك البلق البقع هو يومئذ والله يظهر عليهم
قال الوليد قضاعة يومئذ تظهر على أهل المغرب ومنهم من يتبعه
ثم يستقبل
القبائل فيقاتل أهل المشرق
ইবনে শিহাব যুহরী থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, ফিৎনা কালীন যুগে কালো এবং হলুদ ঝান্ডা বিশিষ্ট লোকজন পরস্পরের সাথে মিলিত হয়ে যুদ্ধ করতে থাকবে। এক পর্যায়ে তারা ফিলিস্তিন নগরীতে আসবে। অতঃপর মাশরিকদের থেকে সুফিয়ানী নামক জনৈক লোক বের হয়ে আসবে। পশ্চিমারা জর্ডানে এসে পৌছলে তাদের নেতা হঠাৎ করে মারা যাবে এবং তারা তিন দলে বিভক্ত হয়ে পড়বে। একদল যেদিক এসেছিল সেদিকে ফেরত যাবে, অন্যদল হজ্বের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে এবং আরেকদল সেখানেই থেকে যাবে। এক পর্যায়ে তাদের সাথে সুফিয়ানীর যুদ্ধ হবে। মাগরিব বাসীদের অবশিষ্টাংশ পরাজিত হয়ে তার অধীন হয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৬৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٦٩
يلتقي أصحاب الرايات السود وأصحاب الرايات الصفر فيقتتلون حتى يأتوا فلسطين
فيخرج على أهل المشرق السفياني
فإذا نزل أهل المغرب الأردن مات صاحبهم فيفترقون
ثلاث فرق فرقة ترجع من حيث جاءت وفرقة تحج وفرقة تثبت فيقاتلهم السفياني فهزمهم
فيدخلون في طاعته
হযরত মুহাম্মদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন মাগরিব বাসিদের প্রাথমিক দল দিমাশকের মসজিদে প্রবেশ করবে। তারা সেখানে প্রবেশ করে মসজিদের সৌন্দর্য্য ও কারুকার্য গুলো দেখে আশ্চর্য্য প্রকাশ করতে থাকবে। হঠাৎ করে ভুমকম্প আরম্ভ হবে, যার ফলে দিমাশকের মসজিদের পশ্চিম পার্শ্বে গভীর গর্ত হয়ে যাবে এবং হারাস্তা নামক গ্রাম নিচের দিকে ধ্বসে পড়বে। এহেন পরেস্থিতিতে সুফিয়ানীরা প্রকাশ পাবে এবং তাদের সাথে যুদ্ধ করবে আর তাদেরকে মিশরের দিকে ধাওয়া করবে। কিছুদিন পর আবারো সে আসবে এবং মাশরিক বাসিদের সাথে যুদ্ধ করে তাদেরকে ইরাকের দিকে পাঠিয়ে দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٧٠
الكريم أبي أمية
عن محمد بن الحنفية قال يدخل أوائل
أهل المغرب
مسجد دمشق
فبيناهم [ كذلك ] ينظرون في أعاجيبه إذ رجفت الأرض فانقعر غربي مسجدها ويخسف بقرية
يقال لها حرستا
ثم يخرج عند ذلك السفياني
فيقتلهم حتى يدخلهم مصر
ثم
يرجع فيقاتل
أهل المشرق حتى يردهم إلى العراق
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, যখন বর্বর জাতির আবির্ভাব ঘটবে তখন তারা মিশরে এসে ঘাটি ফেলবে। তারা দুই দলে বিভক্ত হয়ে একদল থাকবে মিশরে এবং আরেক দল অবস্থান নিবে ফিলিস্তিনে। এভাবে চলতে চলতে এক পর্যায়ে তারা হিমস নামক এলাকায় এসে পৌছবে। তখনই তাদের উপর মসিবতের পাহাড় নেমে আসবে। লাগাতার চল্লিশ দিন তাদের উপর বরফ বর্ষণ হবে। তারপর ধ্বংস হয়ে যাওয়ার উপক্রম হবে। এক পর্যায়ে তারা হিমস নগরী জয় করবে এবং সেখানে প্রবেশ করে আবারো বের হয়ে গিয়ে পশ্চিম গেইট এবং ব্রিজের মাঝামাঝি জায়গায় অবস্থান গ্রহন করবে। যে ব্রিজটি বাজারের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত। এরপর সেখান থেকে ফিরে এসে বুহাইরায়ে ফামিয়া কিংবা তার কাছাকাছি স্থানে অবস্থান নিবে। অতঃপর কিছুলোক তাদের গতিরোধ করবে এবং তাদের সাথে তীব্রভাবে যুদ্ধ করবে। তাদের নেতা থাকবে ইসমাঈল আঃ এর সন্তানদের একজন। উম্মুল আরব নামক এক গ্রামে মূলতঃ তারা যুদ্ধে লিপ্ত হবে। অতঃপর হঠাৎ করে একলোক তীব্র গতিতে ধেয়ে আসবে এবং আযাদদেরকে হত্যা করবে এবং কিছু লোককে বন্দি করে ফেলবে আর মহিলাদের পেট চিরে বাচ্চা বের করে আনবে উক্ত দল মোট দুই বার পরাজিত হবে এবং সমূলে ধ্বংস হয়ে যাবে। তাদেরকে কুরাইশের এক সাহসী নারী জবেহ করতে থাকবে এবং ইতোমধ্যে যারা বনু হাশেমের মহিলাদের পেট চিরে বাচ্চা বের করেছিল তাদের পেট চিরে ফেলবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٧١
المنذر عن تبيع
عن كعب قال
إذا خرج البربر فنزلوا مصر
كان بينهم
وقعتان وقعة
بمصر ووقعة بفلسطين
وفيما بين ذلك حتى ينزلوا حمص فويل لها منهم
فيصيبهم فيها ثلج
شديد
أربعين ليلة فيكاد يفنيهم ثم يفتحونها ويدخلونها فيخرجون منها ما بين [ الباب ] الغربي إلى القنطرة التي وسط السوق ثم يرتحلون منها فينزلون ببحيرة فامية أو
دونها بفرسخ
فيخرج عليهم الناس فيقلونهم
.
قائدهم رجل من ولد إسماعيل يقتلون
في قرية يقال لها أم العرب
.
ثم يثور ثائر فيقتل الحرية ويسبي الذرية ويبقر بطون
النساء ويهزم الجماعة مرتين ثم يهلك
.
ولتذبحن امرأة من قريش وفيها تبقر بطون من تبقر
من نساء بني هاشم
হযরত যুহরী রহঃ থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, কালো ঝান্ডাবাহকরা যখন পরস্পর এখতেলাফ করতে থাকবে তখন হলুদ ঝান্ডাবাহীর আবির্ভাব ঘটবে। এবং তারা মিশরবাসীর ব্রিজের কাছে এসে জমায়েত হবে। যার কারনে মাশরিক বাসিরা মাগরিবদের সাথে মোট সাতবার যুদ্ধ করবে। একপর্যায়ে মাশরিক বাসীরা পরাজিত হয়ে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে। এবং তারা রামাল্লা নামক স্থানে গিয়ে অবস্থান করবে। কোনো একটা বিষয় নিয়ে পশ্চিমা এবং শাম বাসিদদের মাঝে মতানৈক্য দেখা দিলে পশ্চিমারা খুবই রাগান্নিত হয়ে বলবে, আমরা তো তোমাদেরকে সাহায্য করতে এসেছিলাম, অথচ তোমরা আমাদের সাথে এমন আচরন করলে। আল্লাহর কসম! এখনই আমরা তোমাদেরকে মাশরিক বাসিদের হাতে ছেড়ে দিব। একথা শুনে শামের বাসিন্দাদের হুশ ফিরে এলো যে, আমরা সংখ্যায় অনেক কম। এহেন মুহূর্তে সুফিয়ানীর আবির্ভাব ঘটবে এবং শাম বাসীকে তার আনুগত্য স্বীকার করবে, আর তারা সুফিয়ানীর নেতৃত্বে মাশরিক বাসিদের সাথে যুদ্ধ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٧٢
عن الزهري قال إذا اختلفت الرايات السود فيما بينهم أتاهم الرايات الصفر
فيجتمعون في قنطرة أهل مصر فيقتتل أهل المشرق وأهل المغرب سبعا ثم تكون الدبرة على
أهل المشرق حتى ينزلوا الرملة فيقع بين أهل الشام وأهل المغرب شيء فيغضب أهل المغرب
فيقولون إنا جئنا لننصركم ثم تفعلون ما يفعلون والله لنخلن بينكم وبين أهل المشرق
فينبهونكم لقلة أهل الشام يومئذ في أعينهم
.
ثم يخرج السفياني ويتبعه أهل الشام
فيقاتل أهل المشرق
হিমস বাসিরা বর্বর জাতির জন্য শামের বাসিন্দাদের তুলনায় কঠোর হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٧٣
أهل حمص
أشقى أهل الشام بالبربر
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, শাম দেশের বাসিন্দারা বড়ই নিরাপদ এবং ভাগ্যবান তাদের সৈন্যরা যারা হলুদ ঝান্ডার অধিকারী। তেমনি ভাবে দিমাশকের অধিবাসিরাও। শাম বাসিদের মধ্যে নিকৃষ্টতম বাসিন্দা এবং নিকৃষ্টতম সৈন্য হচ্ছে, হিমস বাসিরা। অতিসত্ত্বর তারা শাম দেশে এমন ভাবে প্রবেশ করবে যেমন, পানি কলসিতে প্রবেশ করে থাকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٧٤
عن
كعب قال أسلم أهل الشام وأسعد أجنادها بالرايات الصفر أهل دمشق وأشقى أهل الشام
وأجنادها أهل حمص وأنهم ليغمرن الشام كما يغمر الماء القربة
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, কসম সে সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ! অতি স্বত্তর হিমস নগরীতে বর্বর বাহিনী প্রবেশ করবে। তাদের সর্বশেষ দল সেখানের বাসিন্দাদের ঘরের দরজার লক খুকে ফেলবে এবং তাদের একটা অংশ ফিলিস্তিনে অবস্থান নিবে। অতঃপর তারা হিমস থেকে বের হয়ে বুহাইরায়ে ফামিয়া কিংবা তার থেকে এক মাইলের কাছাকাছি এলাকায় চলে যাবে। তখন তাদের দিকে বাহিরের একজন ধেয়ে আসবে এবং তাদেরকে হত্যা করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٧٥
بن مسلم عن عبد الجبار بن رشيد الأزدي عن أبيه عن ربيعة القصير عن تبيع
عن كعب
قال والذي نفسي بيده ليخربن البربر حمص آخر عركتين الآخرة منها ينزعون مسامير أبواب
أهلها ويكون لهم وقعة بفلسطين ثم يسيرون من حمص إلى بحيرة فامية أو دونهاا بفرسخ
فيخرج عليهم خارجي فيقتلهم
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, যখন পশ্চিমারা মিশর বাসির উপর জয়লাভ করবে তখন শাম বাসিদের জন্য জমিনের নিচের অংশ উত্তম উপরের অংশ থেকে। বড়ই দূর্ভাগ্য ফিলিস্তিন এবং জর্দানের সৈন্যদের জন্য। এদিকে হিমস শহর বর্বর জাতি দ্বারা মারাত্নক ভাবে আক্রান্ত হবে। তাদের তলোয়ার দ্বারা আতর এবং কিন্দার এক লেংড়া লোকের ঘরের দরজায় আঘাত করা হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٧٦
الله عن يزيد بن سندي
عن كعب قال إذا ظهر المغرب على مصر فبطن الأرض يومئذ خير
من ظهرها لأهل الشام ويل للجندين جند فلسطين والأردن وبلد حمص من بربر يضربون
بسيوفهم إلى باب للعطر و
صاحب المغرب رجل من كنده أعرج
হাসসান রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, কখনো বলা হয়ে থাকে সে, যখন হলুদ ঝান্ডার অধিকারীগন মিশর পর্যন্ত পৌছে যাবে তখন তোমরা নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে সেখান থেকে পালায়ন কর। আর তোমার কাছে এসংবাদ পৌছে যে, তারা শাম দেশে চলে এসেছে তখন তুমি তোমার সাধ্যমত আসমানের নিচে নিরাপদ কোনো স্থান তালাশ করে নাও আথবা তার জন্য নিজের সবকিছু ব্যয় করতে হলেও কর।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٧٧
الأوزاعي عن حسان أو غيره قال
يقال إذا بلغت الرايات الصفر مصر فاهرب في الأرض
جهدك هربا فإذا بلغك أنهم نزلوا الشام وهي السره فإن استطعت أن تلتمس سلما في
السماء أو نفقا في الأرض فافعل
হযরত হাসসান ইবনে আতিয়াহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, যখন তোমরা হলুদ ঝান্ডাবাহি লোকজনকে দেখতে পাবে তখন জমিনের উপরের আংশের তুলনায় নিচের আংশ আনেক উত্তম ও নিরাপদ হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٧٨
الأوزاعي
عن حسان بن عطية قال كان يقال إذا رأيتم الرايات الصفر فبطن الأرض
يومئذ خير من ظهرها
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, বর্বরজাতি লুকানো জাহাজ থেকে অবতরন করে উম্মুক্ত তলোয়ার নিয়ে হিমসের দিকে এগিয়ে যেতে থাকবে। এক পর্যায়ে হিমস নগরীতে প্রবেশ করবে। তখন বর্বর জাতির লক্ষন হবে, তাদের মুখে থাকবে, ইয়া হিমস! ইয়া হিমস!!
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٧٩
عن كعب
قال
ينزل البربر من السفن
الجون ثم يخرجون بأسيافهم يستنون حتى يدخلوا حمص وبلغني
أن شعارهم يومئذ يا حمص يا حمص
কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন বর্বর জাতি হিমস থেকে বের হয়ে ফামিয়ার দিকে যেতে থাকবে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে পাকড়াও করবেন এবং তাদের সাওয়ারীকে একধরনের মহামারীতে আক্রান্ত করবেন, যদ্বারা তাদের প্রতিটি সাওয়ারী সমূলে ধ্বংস হয়ে যাবে অতঃপর তাদেরকে মুতান এবং বাতানের প্রতি দেশান্তর করা হবে, যার কারনে তার মাশরিকের কালো পাহাড়ের পাদদেশে পলায়ন করে লুকিয়ে থাকবে। এ অবস্থা দেখে মুসলমানরা তাদের পিছু নিবে এবং উভয়ের মাঝে তীব্র লড়াই সংঘটিত হবে। এমনকি মুসলমানদের একজন তাদের সত্তর জনকে পর্যন্ত হত্যা করবে। প্রান নিয়ে তাদের সামান্যই ফেরত যেতে পারবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٨٠
حدثني محدث
عن كعب قال إذا خرج البربر من حمص إلى فاميه أرحلهم الله و
بعث على
دوابهم داء
فلا يبقى منها شيء إلا نفق ثم نفاهم بالموتان والبطن فيهربون إلى مشارق
الجبل الأسود ليختفوا فيه فيتبعهم المسلمون فيقتلونهم مقتلة عظيمة حتى إن الرجل
الواحد منهم ليقتل منهم السبعين فما دون ذلك فلا يفلت منهم إلا القليل
হযরত তাবী রহঃ কা’ব থেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, যখন তুমি হলুদ ঝান্ডা বাহী দলকে ইস্কান্দারিয়া অবস্থান করতে দেখবে অতঃপর তারা সুররাতাশ শামে আসবে তখনই হারাস্তা নামক দিমাশকের একটি জনপদ ধূলিস্যাৎ হয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٨١
عن كعب قال
إذا رأيت الرايات الصفر
نزلت الأسكندرية
ثم نزلوا سرة الشام فعند ذلك يخسف بقرية من قرى دمشق يقال لها
حرستا
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, নিঃসন্দেহে মিশরবাসীরা রশির বিনিময়ে জুন নামক এলাকাকে তাকসীম করবে। সেটা না হয় নীলনদের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারনে অথবা তীব্র ভাবে প্রবাহিত হয়ে ডুবে যাওয়ার কারনে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٨٢
عن كعب قال
ليقتسمن
أهل مصر
الجون بالحبال بينهم وذلك لحسور
نيلهم
أو مدة
فيغرقهم
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, হাজ্জাজ বিন ইউসুফ কা’বা শরীফে আক্রমন করা কালীন আমি হযরত আব্দরল্লাহ ইবনে ওমরের কাছে গেলে তিনি বললেন, যখন মাশরিকের দিক থেকে কালো ঝান্ডাবাহী এবং মাগরিবের দিক থেকে হলুদ ঝান্ডাবাহী এসে দিমাশকে মিলিত হবে তখনই বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবত একেরপর এক প্রকাশ হতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٨٣
عن أبيه قال دخلت على عبد
الله بن عمر حين نزل الحجاج بالكعبة فسمعته يقول إذا أقبلت
الرايات السود من المشرق
و
الرايات الصفر من المغرب
حتى يلتقوا في سره الشام يعني دمشق فهنالك البلاء هنالك
البلاء
পূর্বের হাদীসের ন্যায়।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٨٤
عن امرأة أبيه قالت سمعت أباه يقول مثل ذلك
হযরত নাজীব ইবনুছ্ছরি থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, পশ্চিমাদের পক্ষ থেকে দুটি দল বের হবে। তার থেকে একটি কানতারাতুল ফুসতাতে পৌছে তাদের ঘোড়াগুলোকে বাঁধবে। অন্যদলটি বের হবে শাম দেশের দিকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٨٥
عن نجيب بن السري قال
لأهل المغرب خرجتان
خرجة ينتهون
إلى قنطرة الفسطاط
يربطون
خيولهم فيها
وخرجة أخرى إلى الشام
হযরত বকর ইবনে সুওয়াদা রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, একদা হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রাযিঃ জনৈক মিশরীকে বললেন, নিঃসন্দেহে তোমাদের উপর আন্দুলুসের অধিবাসিরা হামলা করবে এবং ওসীম নামক স্থানে তাদের সাথে তোমাদের তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٨٦
بكر بن سوادة قال
قال عمر بن الخطاب رضى الله عنه لرجل من
أهل مصر ليأتينكم أهل
الأندلس
حتى يقاتلونكم بوسيم
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত ওকবা ইবনে আমের জুহুনী রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, যখন পশ্চিমারা বের হবে তখন রোমবাসিরা তাদের পিছু নিবে এবং ইস্কান্দারিয়া, মিশর ও শামের পার্শ্বে উভয়ের মাঝে তীব্র যুদ্ধ হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٨٧
الكوفة عن أبي شريح قال حدثني أبو الخير اليزني
عن عقبة بن عامر الجهني قال
إذا
خرج أهل المغرب
خلفت الروم على المغرب
فتخرب عند ذلك الأسكندرية ومصر وساحل الشام
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাছ রাযিং থেকে বর্নিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, যখন মাশরিক ও মাগরিব থেকে ফিৎনা প্রকাশ পেয়ে শাম দেশের মূল ভুখন্ডে জমায়েত হবে তখন জমিনের নিচের অনেক উত্তম হবে উপরের অংশ থেকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٨٨
عن ابن
عباس رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا أقبلت فتنة من المشرق وفتنة
من المغرب فالتقوا ببطن الشام فبطن الأرض يومئذ خير من ظهرها
হযরত আব্দুল্লাহ রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি একদিন তার ঘরের ছাদে উঠে কূফা নগরীর দিকে দৃষ্টিনিক্ষেপ করে বললেন, অতি সত্ত্বর মাগরিবের দিক থেকে আগত এক জাতি উক্ত শহরকে মারাত্নক বিরান ভূমিতে পরিণত করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٨٩
سعيد وأخبرني أيوب بن شعيب عن الأعمش عن أبي عبيدة
عن عبد الله أنه صعد داره
فنظر إلى الكوفة فقال أعظم بها خربة من قوم يحيطون بها يأتون من قبل المغرب
নাজীব ইবনুসসারী রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, পশ্চিমাদেরকে সাথে নিয়ে আব্দুর রহমানের আবির্ভাব হবে। অথচ ইতোমধ্যে রোম বাসিরা ইস্কান্দারিয়ার উপর নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে। তারা সেখানের দখল বজায় রাখবে। অতঃপর তাদের সাথে যুদ্ধ হবে এবং তারা মারাত্নক ভাবে পরাজিত হয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٩٠
يخرج عبد الرحمن بأهل
المغرب
وقد
استولت الروم على الأسكندرية
فهم فيها فيقاتلونهم فيهزمونهم وينفونهم
عنها
হযরত সাফওয়ান তারা কতিপয় শেখ থেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, রোমবাসিদের যারা হিমস নগরীতে বসবাস করবে তারা সর্বদা বর্বর জাতির আক্রমনের ব্যাপারে ভীত বর্বর জাতির আক্রমন থেকে মুক্তির চেষ্টা কর।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٩١
عن مشيخته قال كان الروم الذين كانوا
بحمص يتخوفون عليها البربر ويقولون ويلك يا تمرة من بربر يعنون ويلك يا حمص من بربر
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত তিনি বলেন শাম দেশের ভূখন্ডে যখন কালো ও হলুদ ঝান্ডা বহন কারীরা একত্রিত তখন মাটির ভিতরের অংশ উপরের অংশ থেকে অনেক উত্তম হবে। হাদীস বর্ননাকারী সাফওয়ান বলেন, হিমসের গেইট থেকে বর্বর জাতিরা তারা ব্যতীত অন্য সবাইকে বের করে দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯২ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٩٢
عن كعب قال إذا التفت
الرايات السود والرايات الصفر في سره الشام فبطن الأرض خير من ظهرها
قال صفوان
لينزعن البربر أبواب حمص عما سواها
ইবনে শিহাব যুহরী রহঃ থেকে বর্নিত তিনি বলেন, যখন মাশরিক এবং মাগরিবের বাসিন্দাগন হলুদ ঝান্ডার অধীনে মিশরে একত্রিত হবে যখন কান তারার নিকটে তাদের মধ্যে সাতবার যুদ্ধ হবে। অতঃপর তারা রামাল্লায় চলে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯৩ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٩٣
يزيد
عن الزهري قال إذا اجتمع أهل المشرق وأهل المغرب برايات صفر بمصر فيقتتلون
عند القنطرة سبعا ثم يبلغون الرملة
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, ফেহর গোত্র থেকে জনৈক লোক বের হয়ে বর্বর জাতির সাথে মিলিত হবে। অতঃপর আবু সুফিয়ানের সন্তানদের থেকে জনৈক লোক প্রকাশ পাবে। যখন ফেহরের লোকটি তার আগমনের সংবাদ পাবে তখন তারা তিন দলে বিভক্ত হয়ে যাবে। একদল ফিরে যাবে। দ্বিতীয়দল তার সাথে অটল থাকবে এবং শাম দেশের দিকে চলে যাবে। অন্য আরেকদল হেজাজের দিকে যেতে থাকবে। এক পর্যায়ে আনসান নামক ভুখন্ডে শামবাসিদের সাথে তাদের স্বাক্ষাত হবে এবং বর্বর জাতি পরাজিত হবে। অতঃপর শাম বাসীরা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯৪ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٩٤
الوهاب بن حسين عن محمد بن ثابت عن أبيه عن الحارث
عن ابن مسعود قال إذا خرج
رجل من فهر يجمع بربر
خرج رجل من ولد أبي سفيان
فإذا بلغ الفهري خروجه افترقوا ثلاث
فرق فرقة يرجعون وفرقة تثبت معه يسيرون إلى الشام وفرقة إلى الحجاز فيلتقون في وادي
العنصل بالشام
فهزم البربر
ثم يقاتل أهل الشام
হযরত আরতাত রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, যখন কালো এবং হলুদ ঝান্ডার অধিকারীরা শাম দেশের পাদদেশে মিলিত হবে, তখন যেন সেখানে অবস্থান কারীদের জন্য পরাজিত সৈন্যদের পক্ষ থেকে কঠিন বিপদ এসে পড়বে এটা সামাল দিতে না দিতেই পূনরায় তারা বিজয়ীদের দ্বারা আক্রান্ত হবে। অভিশপ্ত জাতি হিসেবে তাদের জন্য ধ্বংস ডেকে আনবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯৫ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٩٥
مروان
عن أرطاة قال إذا اصطكت الرايات الصفر والسود في سره الشام
فالويل
لساكنها من الجيش المهزوم
ثم
الويل لها من الجيش الهازم
ويل لهم من المشوه الملعون
হযরত আরতাত ইবনুল মুনজির থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, বর্বর জাতি এসে ফিলিস্তিন এবং জর্দানের মাঝামাঝি জায়গায় ঘাঁটি করবে। অতঃপর তাদের মাশরিক এবং শামের সম্মিলিত বাহিনী তাদের দিকে এগিয়ে ধাবিত হয়ে জাবিয়া নামক স্থানে অবস্থান গ্রহন করবে। এক পর্যায়ে সাখার এর সন্তানদের থেকে একজন দুর্বলচিত্তে প্রকাশ পাবে এবং বায়ছানের পাহাড়ে পশ্চিমাদের সাথে তার সাক্ষাত হবে। অতঃপর তাদেরকে বায়ছান থেকে বিতাড়িত করবে। তারা আবারো পরেরদিন পরস্পরের সাথে দেখা হবে এবং সেখান থেকে তাদেরকে বিতাড়িত করবে। এক পর্যায়ে তারা পিছন থেকে মারাত্নক ভাবে আক্রান্ত হবে। তৃতীয়দিন তারা আবারো মিলিত হবে এবং তাদেরকে আইনুর রীহ পর্যন্ত ধাওয়া করবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে হঠাৎ তাদের নেতার মৃত্যু হবে এবং তারা তিনদলে বিভক্ত হয়ে পড়বে। একদল নিজেদের এলাকায় ফিরে যাবে, আরেকদল হিজায ভূমিতে গিয়ে আশ্রয় নিবে এবং অন্যদলটি চলে যাবে সাখরা নামক স্থানে। তারা অন্য দলের খোজে চলতে থাকবে এক পর্যয়ে ফাতাক নামক এলাকার পর্বতের চুড়ায় উপনীত হবে এবং যেখানে তাদের দেখা মিলবে। সেখান থেকে তাদেরকে সাখরা নামক ভুখন্ডের দিকে ইঙ্গিত করা হবে। অতঃপর শাম এবং মাশরিক বাহিনী একে অপরের প্রতি আন্তরিক হয়ে উঠবে, এবং উভয়ে একস্থানে মিলিত হবে। তখন তাদেরকে জাবিয়া এবং খারিবার মাঝামাঝি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে। তখনই তাদের মাঝে ভয়ানক এক যুদ্ধ হবে, যার কারনে তাদের ঘোড়া রক্ত সাগরে হাবুডুবু খেতে এবং শাম বাসিরা তাদের সর্দারকে হত্যা করবে। আর তাদেরকে সাখরা পর্যন্ত ধাওয়া করে নিয়ে যাবে। তাদের দিমাশকে নিয়ে গিয়ে হাত-পা কর্তন করা হবে। এক পর্যায়ে মাশরিকের দিক থেকে কালো ঝান্ডাবিশিষ্ট একটি বাহিনী প্রকাশ পাবে, যারা কুফা নগরীতে এসে অবস্থআন করবে এবং তাদের সর্দার সেখানে আত্নগোপন করবে। যার কারনে তার অবস্থান চিহ্নিত করা মুশকিল হয়ে যাবে। ফলে উক্ত বাহিনী শংকিত অবস্থায় দিনাতি পাত করতে থাকবে। অতঃপর বতনুল ওয়াদী নামক স্থানে আত্নগোপন করা একলোক হঠাৎ করে আত্নপ্রকাশ করে উক্ত বাহিনীর হাল ধরবে। তার আত্নপ্রকাশের মূল কারন হচ্ছে, সাখার বাসিরা তার পরিবারের সাথে কৃত কর্মের প্রতিশোধ নেয়া। ফলে সে মাশরিক বাহিনীকে নিয়ে শামের দিকে যেতে যেতে সাখরা ভূখন্ডে এসে উপনীত হবে। তার উদ্দেশ্য কিন্তু এ শহরই ছিল। এহেন পরিস্থিতিতে তার দিকে পশ্চিমা বাহিনীও ধেয়ে আসবে। তারা উভয় দল হিমস নগরীর একটি পাহাড়ে মিলিত হবে। তাদের এ যুদ্ধে অনেক জ্ঞানী লোক মারা যাবে। এক পর্যায়ে মাশরিক বাহিনী পলায়ন করতে থাকলে সাখরা বাহিনী তাদের পিছু নিবে। এবং দুই নদীর সংযোগস্থলের পার্শ্বে কার কিসিয়া নামক স্থানে তাকে পেয়ে যাবে এবং উভয়ে মিলিত হবে। তাদের উপর কঠিন বিপদ নেমে আসলে, যার কারনে মাশরিকীদের থেকে প্রায় দশ জনের সাত জনকে হত্যা করা হয়। এবং সাখারী বাহিনী কূফা নগরীতে প্রবেশ করবে, যার কারনে তাদের উপর ভুমি কম্পের আঘাত নেমে আসবে এবং পশ্চিমাদের থেকে এক লোক মাশরিক বাহিনী যেদিকে রয়েছে সেদিকে যেতে থাকবে, তার সামনে তাদের বন্দিদেরকে উপস্থিত করতে বলবে। এভাবে কথাবার্তা চলতে থাকবে। হঠাৎ মক্কা নগরীতে মাহদী আঃ এর আগমনের সংবাদ আসবে। তার বিরুদ্ধে কূফা নগরী থেকে একটি বাহিনী আত্ন প্রকাশ করলে তাদের গোটা দলকে মাটিতে ধসে দেয়া হবে। বর্ননাকারী হযরত আরতাত রহঃ বলেন, মাসরিক এবং মাগরিব বাহিনী ব্রীজের পাদদেশে সাতদিন পর্যন্ত অবস্থান করবে, অতঃপর তারা আরীশা নামক স্থানে আবারো স্বাক্ষাত করবে। এক পর্যায়ে মাশরিক বাহিনী পৃষ্ট প্রদর্শন করে জর্দান এসে পৌঁছবে। সেখানে পৌছার সাথে সাথে সুফিয়ানী আত্ন প্রকাশ করবে। ইতোমধ্যে হিমসে অবস্থান কারী রোম বসিরা বর্বর জাতির আক্রমনের ব্যাপারে ভীত সন্ত্রস্থ থাকবে এবং তারা বলবে, হে তামরা! বর্বর দ্বারা তোমাদের ধ্বংস হোক। এখানে তামরা দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, হিমস এলাকা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٩٦
عن أرطاة بن المنذر
قال يجيء البربر حتى
ينزلوا بين فلسطين والأردن
فتسير إليهم جموع المشرق والشام حتى ينزلوا الجابية
ويخرج
رجل من ولد صخر
في ضعف فيلقى جيوش المغرب على ثنية بيسان فيردعهم عنها ثم
يلقاهم من الغد فيردعهم عنها فينحازون وراءها ثم يلقاهم في اليوم الثالث فيردعهم
إلى عين الريح
فيأتيهم موت رئيسهم فيفترقون ثلاث فرق
فرقة ترتد على أعقابها وفرقة
تلحق بالحجاز وفرقة تلحق بالصخري فيسير إلى بقية جموعهم حتى يأتي ثنية فتق قيلتقون
عليها فيدال عليهم الصخري ثم تعطف إلى جموع المشرق والشام فتلقاهم فيدال عليهم ما
بين الجابية والخربة حتى تخوض الخيل في الدماء و
يقتل أهل الشام رئيسهم وينحازون إلى
الصخري
فيدخل دمشق فيمثل بها و
تخرج رايات من المشرق
مسوده فتنزل الكوفة فيتوارى
رئيسهم فيها فلا يدرى موضعه فيتحين ذلك الجيش ثم يخرج رجل كان مختفيا في بطن الوادي
فيلي أمر ذلك الجيش وأصل مخرجه غضب مما صنع الصخري بأهل بيته
فيسير بجنود المشرق
نحو الشام
ويبلغ الصخري مسيره إليه فيتوجه بجنود أهل المغرب إليه فيلتقون بجبل [ أهل ] الحص فيهلك بينهما عالم كثير ويولي المشرقي منصرفا ويتبعه الصخري
فيدركه بقرقيسيا عند مجمع النهرين فيلتقيان فيفرغ عليهم الصبر
فيقتل من جنود
المشرقي من كل عشرة سبعة ثم يدخل جنود الصخري الكوفة
فيسوم أهلها
الخسف
ويوجه جندا
من أهل المغرب إلى من بإزائه من جنود المشرق فيأتونه بسبيهم فإنه لعلى ذلك إذ يأتيه
خبر ظهور المهدي بمكة
فيقطع إليه من الكوفة بعثا
يخسف به
.
قال أرطاة ويكون بين
أهل المغرب وأهل المشرق بقنطرة الفسطاط سبعة أيام ثم يلتقون بالعريش فتكون الدبرة
على أهل المشرق حتى يبلغوا الأردن ثم يخرج عليهم السفياني بعد وكان الروم الذين
كانوا بحمص كانوا يتخوفون عليها البربر ويقولون ويلك يا تمرة من بربر
হযরত নাজীব রহঃ বর্নিত, তিনি বলেন, পশ্চিমাদের থেকে আব্দুর রহমান নামক একলোক আত্নপ্রকাশ করবে। ইতোমধ্যে রোম বাসিরা ইস্কান্দারিয়ার উপর নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে স্বক্ষম হয়েছে। তারা সেখানে থাকা কালীন তাদের সাথে ভয়ানক যুদ্ধ হবে এবং তারা পরাজিত হয়ে উক্ত এলাকা থেকে বিতাড়িত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯৭ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٩٧
يخرج عبد الرحمن بأهل المغرب وقد استولت الروم
على
الأسكندرية
وهم فيها فيقاتلونهم فيهزمونهم وينفونهم عنها
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আ’স রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, খারাপি ও অকল্যানকে সত্তর ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, তার থেকে উনসত্তর ভাগ থাকবে বর্বর জাতির মধ্যে এবং মাত্র এক ভাগ হচ্ছে গোটা জাতির মধ্যে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯৮ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٩٨
بن سعيد عن أبي هانىء قال حدثنا أبو عبد الرحمن الحبلي
عن عبد الله بن عمرو رضى
الله عنهما قال قسم الشر سبعين جزء فجعل تسعة وستون في البربر وجزء في سائر الناس
হযরত বিসর ইবনে আব্দুল্লাহ কতিপয় শেখ থেকে বর্ননা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, বর্বর জাতির নারীগন তাদের পুরুষদের থেকে অনেক ভালো। তাদের প্রতি একজন নবী পাঠানো হলে তারা তাকে হত্যা করলে ও বর্বর জাতির নরীগন তার আনুগত্য শিকার করে এবং তাকে সুন্দর ভাবে দাফন করে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯৯ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٧٩٩
سمعت بعض
أشياخنا يقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نساء البربر خير من رجالهم بعث
فيهم نبي فقتلوه فولينه النساء فدفنه
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আনাস বিন মালেক রাযিঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, একদা আমি বর্বর বংশীয় আমার এক কর্মচারীকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে গেলে তিনি বললেন, নিঃসন্দেহে এদের বংশে আমার পূর্বে একজন নবী এসেছিলেন, কিন্তু তারা তাকে হত্যা করে তার গোশতকে আগুন দ্বারা পাক করে ভক্ষন করেছিল এবং তার শোরবাগুলো পান করেছিল।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮০০ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٠٠
الرحمن عن عنبسة بن عبد الرحمن عن شبيب بن بشر
عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال
أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعي وصيف بربري فقال النبي صلى الله عليه وسلم
إن قوم هذا أتاهم تنبي قبلي فذبحوه وطبخوه فأكلوا لحمه وشربوا مرقه
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্নিত, তিনি এরশাদ করেন, যখন কালো এবং হলুদ ঝান্ডাবাহী বাহিনী শামদেশের পার্শ্বে পরস্পর মিলিত হবে তখন মাটির নিচের অংশ তার উপরের অংশ থেকে অনেক উত্তম হবে। হদীস বর্ননাকারী সাফওয়ান বলেন, অতিসত্ত্বর বর্বরজাতি হিমস নগরীর গেইটকে ভেঙ্গে ফেলবে। এ অবস্থাটা পূর্বের অবস্থার চেয়ে আরো মারাত্নক হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮০১ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ٨٠١
عن كعب قال إذا التقت الرايات السود
والصفر في سره الشام فبطن الأرض خير من ظهرها
قال صفوان لينزعن البربر أبواب
حمص فضلا عما سواه
صفة السفياني واسمه ونسبه

Execution time: 0.21 render + 0.01 s transfer.