Login | Register

নুয়াইম বিন হাম্মাদ: আল ফিতান

Double clicking on an arabic word shows its dictionary entry
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন দাজ্জাল হল একজন মানুষ তাকে এক মহিলা জন্মদান করবে। তার সম্পর্কে তাওরাত ইঞ্জিলে কোন কথা নেই। তবে আম্বিয়া আ. এর কিতাব সমূহে তার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। সে মিসরের এক গ্রামে জন্মগ্রহণ করবে। যাকে কওস বলা হয়। তার জন্ম ও বাহির হওয়ার মধ্যে ত্রিশ বছরের পার্থক্য হবে। যখন সে প্রকাশ হবে তখন ইদরীস ও খানুক চিৎকার করতে করতে মাদায়েন ও গ্রাম সমূহে বাহির হবে। তারা বলবে দাজ্জাল বাহির হয়ে গেছে। অতপর যখন সিরিয়ারর অধিবাসীদের নিকট দাজ্জালের বাহির হওয়ার সংবাদ আসবে তখন তারা পূর্ব দিকে চলে যাবে। অতপর দামেস্কের পূর্ব দিকের গেটের নিকট অবস্থান নিবে। অতপর খুজবে কিন্তু তার উপর পারবে না। অতপর কিসওয়া নদীর নিকটে যে মিনারা আছে তার নিকটে দেখা যাবে। অতপর খুজবে। কিন্তু তারা জানবে না যে কোথায় চলে গেছে, তারা আর পাবে না। ফলে ভুলে যাবে, এবং এবিষয় টাকে অপছন্দ করবে। অতপর পূর্ব দিকে আসবে। সেখানে প্রকাশ পাবে ও ন্যায়পরায়নতার সাথে বিচার করবে। অতপর খেলাফত কায়েম করবে। ফলে অনুসরণ করবে। আর সেটা মাসীহ এর বাহির হওয়ার সময়। আর সে অন্ধ ও কুষ্ঠরোগীদের ভাল করবেন। এমনকি লোকজন আশ্চার্যবোধ করবে। অতপর সেহেরের আবির্ভাব হবে আর সে নবুওয়াতের দাবী করবে। অতপর মানুষ তার থেকে পৃথক হয়ে যাবে। আর তাকে সিরিয়ারর অধিবাসীগণ পৃথক করে দিবে। আর পূর্ব দিকের অধিবাসীগণ তিন ভাগে বিভক্ত হবে। একভাগ সিারিয়ায় অবস্থান করবে। একভাগ আরবে অকস্থান করবে। আরেক ভাগ তার সাথে অবস্থান করবে। অতপর সে তাদেরকে নিয়ে সামনে আসবে যারা তার সাথে থাকবে। কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তারা হল চল্লিশ হাজার লোক। আর কতক আলেম বলেন তারা হল সত্তর হাজার লোক। অতপর অনেক জাতি আসবে। তাদেরকে আহলে সিরিয়ারর উপর গ্রহণ করবে। অতপর তারা তার অনুগত হবে। এবং তার দিকে সমস্ত ইয়াহুদিদের একত্র করবে। অতপর সিরিয়ারর দিকে যাবে। যার প্রারম্ভিকা হল- পূর্ব দিকের অনেকগুলি দল তাদের সাথেগ্রাম্য ও থাকবে। তার তাদের উপর প্রভাব ফেলবে। ফলে সিরিয়াবাসীরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে। এবং পাহাড়ের দিকে হিংশ্র প্রাণীদের আবাসস্থলে পালাবে। তাদের মধ্যে থাকবে বার হাজার পুরুষ ও সাত হাজার মহিলা। তাদের অধিকাংশ বালকা পাহাড়ের দিকে যাবে। তারা সেখানে নিরাপদে থাকবে। তাবে তারা লবনাক্ত গাছ ব্যতীত আর কিছু খাওয়ার মত জিনিস পাবে না। কারণ প্রাণীগুলি তাদের থেকে সমতল ভূমিতে চলে যাবে। তাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও থাকবে যে কুস্ততুনতুনিয়ায় আসবে। আর সেখানে বসবাস করবে। অতপর তারা পাঠাবে এবং তারা দ্রুত সামনের দিকে আসতে থাকবে। এমনকি তারা আবু ফিতরাস নদীর (নিকটে) জর্দান নামক অঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান নিবে। দাজ্জাল থেকে ভেগে আসা প্রত্যেক ব্যক্তি তাদের কাছে দ্রুত জমা আসবে। এবং তারা মিনারার নিকটে জর্দানের উক্ত সীমান্তবর্তী এলাকায় দাজ্জালের বিরুদ্ধে অস্তসস্ত্র প্রস্তুত করবে। অতপর দাজ্জাল আসবে। এবং সে রাস্তার সমস্ত প্রতিবন্ধকতা ধ্বংস করে দিবে। অতপর পূর্ব জর্দানে অবস্থান নিবে। আর সে তাদেরকে চল্লিশ দিন আটকে রাখবে। অতপর সে আবু ফাতরাস নদীকে আদেশ দিবে, ফলে তা তার দিকে জারি হবে। অতপর সে বলবে ফিরে যাও। ফলে তা নিজের জায়গায় পুনরায় ফিরে যাবে। অতপর সে বলবে শুকিয়ে যাও। ফলে তা শুকিয়ে যাবে। সে ছওর পাহাড় ও তূর পাহাড়ের গাছকে নড়াচড়ার আদেশ দিবে। ফলে তা নড়াচড়া করবে। আর সে বাতাশকে সসুদ্র থেকে মেষ বয়ে আনার আদেশ করবে। ফলে তা যমিনে বৃষ্টি বর্ষণ করবে, তারপর ফসল উৎপন্ন হবে। আর সে বড় শয়তান তার বংশধরদের তার অনুসরণের আদেশ দিবে। ফলে উক্ত শয়তানগুলি তার জন্য যমিন থেকে গুপ্তধন বাহির করে আনবে। এমনকি তারা এমন কোন বিরান অঞ্চল বা যমি দিয়ে যাবে না, যেখানে কোন গুপ্তধন পাবে না। আর তার সাথে জ্বীনদের দল থাকবে যারা তাদের (মানুষদের) মৃত ব্যক্তির আকৃতি ধারণ করবে। অতপর (আকৃতি ধারণকৃত) বন্ধু তার বন্ধুকে বলবে, তুমি তো মৃতু বরণ করেছিলে? আর তুমি জীবিত হয়ে গেছো!! তৃতীয় দিন সমুদ্র পানির নিচে চলে যাবে। তার হাটু পর্যন্ত পৌছবে না। ফলে মুমিন মুনাফেক এবং কাফেরের মাঝে পার্থক্য হয়ে যাবে।তার সামনে দাড়িয়ে থাকার চেয়ে পালানো ভালো হবে। সেদিন বক্তার জন্য একটি কথা যা দ্বারা ছাওয়াবের আশা করা হয় তা দুনিয়ার বলিকণার পরিমান হবে। আর মানুষ কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। সুতরাং তাদের মধ্যে যে নিহত হবে সে তাদের কবর গাড় কালো অন্ধকার রাত্রে আলোকিত করবে। হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন যখন মুমিনগণ দেখবে যে, তারা তাকে ও তার সাথীদের হত্যা করতে পারছে না। তখন তারা জর্দানের সেই সীমান্তবর্তী এলাকায় চলে যাবে যেখানে বাইতুল মুকাদ্দাস অবস্থিত। সেখানে আল্লাহ তা’আলা তাদের ফলের মধ্যে বরকত দিবেন। এবং অল্প খাদ্যে ভক্ষণকারী পেট পূর্তি করে খাবে। খানার ভিতর অনেক বরকত থাকার কারণে। তারা সেখানে তারা রুটি ও যাইতুন দ্বারা পরিতৃপ্ত হবে। তারপর দাজ্জাল তাদের পিছু নিবে। তার নিকট দুজন ফেরেশতা আসবে। অতপর দাজ্জাল বলবে আমি রব। অতপর তাদের একজন তাকে বলবে তুমি মিথ্যা বলছো। তাদের আরেকজন তার সাথীকে বলবে তুমি সত্য বলছো। আর দাজ্জালের গুণাগুণ হল- তার দুই রানের মাঝখানে বেশী ব্যবধান হবে। লালচে, কণ্ঠ বিভিন্নতা, ডান চক্ষু মিলানো। তার এক হাত অন্য হাত হতে বড় হবে। সে তার লম্বা হাতটা সমুদ্রে ডুবাবে। তা সমুদ্রের তলদেশে পৌছবে। ফলে সেখান থেকে মাছ বাহির হবে। পৃথীবির শেষ বা তার চেয়ে কম দুই দিনে সফর করবে। তার কদম হবে তার দৃষ্টি সমান। পাহাড়, নদী, মেঘ তার অনুগত হবে। পাহাড় আসবে অতপর সে পাহাড়কে চালাবে, এক দিনে তার ফসল পাবে। আর সে পাহাড়কে বলবে, রাস্তা থেকে সরে যাও। ফলে সরে যাবে। এবং যমিনের দিকে আসবে। অতপর বলবে স্বর্ণ অলংকার যা তোমার মধ্যে আছে, বাহির কর। ফলে পাহাড় তা মৌমাছি ও পঙ্গপালের ন্যায় নিক্ষেপ করে করে বাহির করে দিবে। আর তার সাথে থাকবে পানির নদী, আগুনের নদী. সবুজ শ্যামল জান্নাত, লাল আগুনের জাহান্নাম। আর বাস্তবিক পক্ষে তার জাহান্নাম হল জান্নাত। আর তার জান্নাত হল জাহান্নাম। যদি কেউ রুটির পাহাড়ও তার আগুনে নিক্ষেপ করে তাহলে পুড়বে না। আলিয়ার নিকট একবার প্রকাশ পাবে। আরেকবার দামেস্কের বাবে। আরেকবার আবু ফাতরাস নদীর নিকটে। এবং ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. অবতরণ করবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫২৬ ]
___________________________________
نعيم بن حماد - ١٥٢٦
قال الحكم بن نافع وحدثني جراح عمن حدثه
عن كعب قال الدجال
بشر ولدته امرأة ولم ينزل شأنه في التوراة والإنجيل ولكن ذكر في كتب الأنبياء يولد
في قرية بمصر يقال لها قوس يكون بين مولده ومخرجه ثلاثون سنة فإذا ظهر خرج إدريس
وخنوك يصرخان في المدائن والقرى
إن الدجال قد خرج فإذا أقبل أهل الشام لخروجه
توجه نحو المشرق ثم ينزل عند باب دمشق الشرقي ثم يلتمس فلا يقدر عليه ثم يرى عند
المنارة التي عند نهر الكسوة ثم يطلب فلا يدري أين سلك فينسى كره ثم يأتي المشرق
فيظهر ويعدل ثم يعطى الخلافة فيستخلف وذلك عند خروج المسيح ويبريء الأكمه والأبرص
حتى يتعجب الناس ثم يظهر السحر ويدعي النبوة فيفترق عنه الناس
ويفارقه أهل
الشام فيفترق أهل المشرق ثلاث فرق فرقة تلحق بالشام وفرقة تلحق بالأعراب وفرقة تلحق
به فيقبل بمن معه
قال كعب وهم اربعون ألفا وقال بعض العلماء سبعون ألفا ويأتي
الأمم فيستمدهم على أهل الشام فيجيبونه وتجمع اليه اليهود جميعا فيسير نحو الشام
مقدمته العصابة المشرقية معهم أعراب جدس عليهم الطيالسة فيفزع أهل الشام فيهربون
إلى الجبال ومأوى السباع إثنا عشر ألفا من الرجال وسبعة آلاف امرأة عامتهم إلى جبل
البلقاء قد اعتصموا به لا يجدون ما يأكلون غير شجر الملح وتهرب عنهم السباع إلى
السهل ومنهم من يأتي القسطنطينية فيسكنها ثم يتراسلون فيقبلون سراعا حتى ينزلوا
غربي الأردن عن نهر أبي فطرس ينطوي إليهم كل فار من الدجال ويعبؤن مسلحة عند
المنارة التي غربي الأردن ويقبل الدجال فيهبط من عقبة أفيق فينزل شرقي الأردن
فيحصرهم أربعين يوما فيأمر نهر أبي فطرس فيسيل إليه ثم يقول ارجع فيرجع إلى مكانه
ويقول أيبس فييبس ويأمر جبل ثور وجبل طور زيتا أن ينتطحا فينتطحان ويأمر الريح
فتثير السحاب من البحر فتمطر الأرض فتنبت ويأمر إبليس الأكبر ذريته باتباعه فيظهرون
له الكنوز فلا يمرون بخربة ولا أرض فيها كنز إلا نبذ إليه كنزه ومعه قبيل من الجن
فيتشبهون بموتاهم فيقول الحميم لحميمه ألم أمت وقد حييت ويخوض البحر في اليوم ثلاث
خوضات فلا يبلغ حقويه فيتميز المؤمنون والمنافقون والكافرون والهرب عنه خير من
المقام بين يديه للمتكلم يومئذ بكلمة يخلص بها من الأجر كعدد رمل الدنيا ويقاتل
الناس على الكفر فمن قتل منهم أضاءت قبورهم في الليلة المظلمة والليل الدامس
قال كعب فإذا رأى المؤمنون أنهم لا يستطيعون قتله ولا أصحابه
ساروا
غربي الأردن التي ببيت المقدس فيبارك لهم في ثمرها ويشبع الآكل من الشيء اليسير
لعظيم بركتها ويشبعون فيها من الخبز والزيت ويتبعهم الدجال ويأتيه ملكان
فيقول
أنا الرب
فيقول له أحدهما كذبت
ويقول الآخر لصاحبه صدقت
وصفته أنه أفحج
أصهب مختلف الحلق مطموس العين اليمنى إحدى يديه أطول من الأخرى يغمس الطويلة منها
في البحر فيبلغ قعره فتخرج من الحيتان يسير أقصى الأرض وأدناها في يومين خطوته مد
بصره وتسخر له الجبال والأنهار والسحاب ويأتي الجبل فيقوده ويدرك زرعه في يوم ويقول
للجبال تنحي عن الطريق فتفعل ويجيء إلى الأرض فيقول أخرجي ما فيك من الذهب فتلفظه
كاليعاسيب وكأعين الجراد ومعه نهر ماء ونهر نار وجنة خضراء ونار حمراء فناره جنة
وجنته نار وجبل من خبز من ألقاه في ناره لم يحترق يظهر عند عالية مرة وعلى باب دمشق
مرة وعند نهر أبي فطرس مرة وينزل عيسى ابن مريم عليه السلام

Execution time: 0.07 render + 0.00 s transfer.