Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৯

পৃষ্ঠা ২৯২ ঠিক করুন


দিলেন ৷ বহুসংখ্যক যোদ্ধা সেখানে গমন করল ৷ সেখানে গিয়ে তারা বিশ ল রসদ সম্ভারের
সমাহার দেখতে পেল যার মাঝে বিভিন্ন প্রকার পণ্য, দ্রব্য ও খাদ্য সামগ্রী ছিল ৷ তারা তা ক্রয়
করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল ৷ কিন্তু, সেই নরপিশাচ যে তাদের জন্য সেখানকার পাহাড়ের আড়ালে
অতর্কিতে আক্রমণের উদ্দেশ্যে সেনাদল লুকিয়ে ব্লেখেছিল তারা তা অনুভব করতে পারল না ৷
এমন সময় হঠাৎ তারা একযোগে বেরিয়ে মুসলিম যোদ্ধাদের আক্রমণ করল ৷ এবং তাদের বহু,

ৎখ্যককে হত্যা করল আর অ শেককে বন্দী করল ৷৩ তাদের স্বল্পসৎখ্যবইি মাসলামার কাছে ফিরে ,
যেতে সক্ষম হয়েছিল ৷ ইন্ন৷ লিল্লাহি ওয়৷ ইন্ন৷ ইলায়হি রাজিউন ৷ এ ঘটনার পর মাসলামাহ্
তার ভাই খলীফ৷ সুলায়মান ইবন আবদুল মালিককে তা অবহিত করে পত্র লিখলেন ৷ তিনি
বিপুলসৎখ্যক যোদ্ধার বিশাল এক বাহিনী পাঠালেন ৷ যার সঙ্গে ছিলেন উল্লিখিত এই শারাহীল
ইবন উবায়দা ৷ আর তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিলেন প্রথমে কনট্যান্টিনোপল-উপসাগর পার
হয়ে বুরজান রাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার, তারপর মাসলামার কাছে ফিরে আসার ৷ তারা ঐ
সকল উপসাগর ও প্রণালী পাড়ি দিয়ে প্রথমে বুরজান ভুখণ্ডে গমন করলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে
প্রচণ্ড যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন ৷ আল্লাহর হুকুমে মুসলমানগণ তাদেরকে পরাজিত করলেন এবং

তাদের বিপুলসৎখ্যক যোদ্ধাকে হত্যা করলেন, বহুসৎখ্যককে বন্দী করলেন এবং মুসলিম
বন্দীদের উদ্ধার করলেন ৷ এরপর তারা এসে মাসলামার সাথে মিলিত হলেন ৷ এরপর তারা
তার তত্ত্বাবধানে অবস্থান করলেন ৷ অবশেষে রোমকদের ধুর্ততা, বিশ্বাসঘাতকতা এবং
নিজেদের রসদ স্বল্পতার কারণে ৷পরবর্তী খলীফ৷ উমর ইবন আবদুল আযীয তাদের সকলকে
ফিরিয়ে আনলেন ৷ আর ফিরে আসার পুর্বেত তারা সেখানে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেছিলেন ৷
আল্লাহ্ তা আলা তাদেরকে উপযুক্ত ছাওয়াব ও বিনিময়৷ দা ন করুন ৷

উমর ইবন আবদুল আযীয-এর খিলাফত

ইতোপুর্বে বর্ণিত হয়েছে যে, এ বছরের অর্থাৎ নিরানব্বই হিজরীর সফর মাসের দশ কিৎবা
বিশ তারিখ শুক্রবার সুলায়মান ইবন আবদুল মালিকের মৃত্যুর দিনে তারই ফরমানে নিজের
অজ্ঞ৷ তসারে উমর ইবন আবদুল আযীয খিলাফতে র জন্য মনোনীত হন এবং তার খিলাফতের
অনুকুলে বায়আত গ্রহণ করা হয় ৷ যেমন, আমরা ইতোপুর্বে উল্লেখ করেছি ৷ খিলাফতে তর দায়িত্ব
গ্রহণের পর তার প্রথম পদক্ষেপ থেকে তার সাথে আল্লাহ্ভীতি, ধর্মপরায়ণতার,
বিলাসবিমুখতা, সচ্চরিত্র ও চারিত্রিক পবিত্রতার লক্ষণসমুহ পরিস্ফুট হয়ে উঠে, যেমনত তিনি
খলীফা ৷র জন্য নির্ধারিত সুসজ্জিত বাহনে আরোহণ করতে অস্বীকৃতি তজানান এবং নিজের পুর্বের
বাহনে আরোহণ করেই এ পর্বের ইতি টানেন ৷ অরুপ খলীফার রাজকীয় বাসভবনের পরিবর্তে
তিনি নিজের বাসগৃহকেই বেছে নেন ৷ বর্ণিত আছে, খিলাফরুত তর দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি
লোকদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিয়ে বলেন, হে লোক সকল, আমার মন অতি তউচ্চ ৷কাতফী, যখনই
যে কোন মান-মর্যাদা বা শান-শওকত লাভ করে, তখনই সে তার চেয়ে উত্কৃষ্টতরের প্রতি
আগ্রহী হয়ে উঠে ৷ত তাই যখনই আমাকে খিলাফতের৷ দ ৷য়িতৃ প্রদান করা হয়েছে, তখন থােইে
আমার মন তার চেয়ে উত্তম ও উৎকৃষ্টতরের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছে আর তা হলো জান্ন৷ ত ৷
কাজেই, তোমরা আমাকে আমার এ আকাক্ষে৷ পুরণে সাহায্য কর ৷ আল্লাহ তোমাদেরকে রহম
করুন ৷ ইনশাআ ৷ল্লাহ্ তার ওফাতের আলোচনায় অচিরেই তার জীবনী আসছে ৷ এ বছর উমর
ইবন আবদুল আযীয যে সকল তুরিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তার অন্যতম হলো তিনি রােমক
ভুখণ্ডে অবস্থানরত কনট্যান্টিনােপল অবরোধকারী মাসলাম৷ ইবন আবদুল মালিক ও তার
অধীনস্থ মুসলিম ফৌজকে ফিরিয়ে অ ৷নেন ৷ কেননা, এ সময় তারা প্রতিকুল ও কঠিন অবস্থার
সম্মুখীন হয়ে কােণঠাসা হয়ে পড়েন ৷ তাদের রসদ সং ৎকট দেখা দেয় ৷ কেননা, তাদের সৎথ্যা

০০ ৷৷া



পৃষ্ঠা ২৯৩ ঠিক করুন


ছিল বিপুল ৷ত তাই তিনি তাদের শামে ফিরে আসার লিখিত নির্দেশ প্রদান করেন ৷ এ সময়
তিনিত তাদের জন্য বিপুল পরিমাণ রসদ সামগ্রী এবং বহুসংখ্যক উৎকৃষ্টতা তাষী ঘোড়া পাঠান ৷
যোদ্ধার৷ খলীফ৷ ৷র এ আচরণে অত্যন্ত প্রীত হন ৷ শ্

এ বছরেই ইসলামের শত্রু ভুবস্টুরিা১ আযারবাইজান আক্রমণ করে বহুসংখ্যক মুসলমানকে
হত্যা করে ৷ তখন উমর ইবন আবদুল আযীয হাতিম ইবন নু’মান আলবাহিলীর নেতৃত্বে তাদের
বিরুদ্ধে ফৌজ প্রেরণ করেন ৷ তিনি ঐ তুর্কীদেরকে নিধন করেন এবং তাদের অতি
অল্পসংখ্যকই পলায়ন করে বীচতে সক্ষম হয় ৷ এ সময় তিনি তাদের বন্দীদের খানাসিরায়
অবস্থানরত খলীফার কাছে পাঠান ৷ অধিক ব্যস্ত থাকা ৷র ক৷ ৷রণে মুআয্যিনগণ ত৷ ৷দের আযানের
পর পুনরায় তা ৷কে নামাযের ওয়াকতে নৈকট্য এবং ৎকীর্ণতার কথা স্মরণ করিয়ে দিত, যাতে
তিনি পুর্ববর্তী খলীফাদের ন্যায় নামায বিলন্বিত না করেন ৷ আর তারা এটা তার নির্দেশেই

করত ৷ মহান অ ৷ল্লাহ্ অধিক জানেন ৷ এ প্রসঙ্গে ইবন আসাকির জা ৷রীর ইবন উছমান আররাহবী
আল-হিমসীর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন ৷ তিনি (জারীর) বলেন, আমি উমর ইবন আবদুল
আয়ীষের মুআযযিনদের নামাযের সময় এই বলে সালাম করতে শুনেছি ৷ আসৃসালামু আলায়কা
ইয়৷ আমীরাল মু’মিনীন ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ৷ সালাতে আসুন ৷ কল্যাণে আসুন,
সালাতের সময় ঘনিয়ে এসেছে ৷

এ বছরই উমর ইবন আবদুল আযীয ইয়াযীদ ইবন মুহাল্লাবকে ইরাকের গভর্নর পদ হতে
অপসারণ করেন এবং আদী ইবন অ রতাঅ৷ আল-ফাযারীকে বসরার গভর্নর নিয়োগ করে
প্রেরণ করেন ৷ এ সময় তিনি হাসান বসরী (র) কে বসরার কাযীর পদ গ্রহণের অনুরোধ
করেন ৷ কিন্তু তিনি তা হতে অব্যাহতি চাইলে উমর তাকে অব্যাহতি প্রদান করেন ৷ পরবতত
হাসান বসরীর স্থলে প্রখ্যাত তীক্ষ্ণধী ব্যক্তি ইয়াস ইবন মুআবিয়াকে নিয়োগ করেন ৷ এছাড়া
তিনি কুফ৷ ও তার সৎ লগ্ন ভুখণ্ডের জন্য আবদুল হামীদ ইবন আবদুর রহমান ইবন যায়দ ইবন
খাত্তাবকে গভর্নর নিয়োগ করে প্রেরণ করেন এবং আবুয্ যিনাদকে তার বা তিব বা ব্যক্তিগত
সচিবের পদ প্রদান করেন ৷ আর আমির আশশা ’বীকে তার কাযী নিয়োগ করেন ৷ ওয়াকিদী
বলেন, হযরত উমর ইবন আবদুল আয়ীষের খিলাফতকাল পর্যন্ত আমির কুফার কাযী পদে
বহাল ছিলেন ৷ আর তিনি জাবৃরাহ ইবন আবদুল্লাহ্ আল-হাকামীকে থােরাসানের গভর্নর
নিয়োগ করেন ৷ এ সময় পবিত্র মক্কার প্রশাসক ছিলেন আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন
খালিদ ইবন উসায়দ, আর পবিত্র মদীনার দায়িত্বে ছিলেন, আবু বাকর ইবন মুহাম্মাদ ইবন
আমর ইবন হাযম ৷ তিনি এ বছর হজ্জ পরিচালনা করেন ৷ মিসরের গভর্নর পদ হতে আবদুল
মালিক ইবন আবু ওদাআকে অপসারণ করে আয়ুবে ইবন শুরাহ্বীলকে তার স্থলঅভিষিক্ত
করেন ৷ আর ফাতাওয়ায় দায়িত্ব প্রদান করেন জা ফর ইবন রাবীআ ইয়াযীদ ইবন আবু হাবীব,
এবং উবায়দুল্লাহ্ ইবন জা ফরকে ৷ত তাই এরা তিনজনই সকলকে ফাতওয়৷ প্রদান করতেন ৷
আফ্রিকা ও মরক্কো অঞ্চলের জন্য তিনি ইসমাঈল ইবন আবদুল্লাহ আল মাখবুমীকে পর্ভনর
নিয়োগ করেন ৷ ইনি ছিলেন উত্তম স্বভাবের মানুষ ৷ মরক্কো তার শাসনাধীন থা কাকালে
বহুসংখ্যক বর্বর ইসলাম গ্রহণ করে ৷ আর সবকিছুর সঠিক জ্ঞান মহান আল্লাহ্র কাছে ৷ এ বছর
প্রখ্যাত ব্যক্তিগণের মধ্যে যারা ইনতিকাল করেন, তাদের অন্যতম হলেন :
১ তুর্কী দ্বারা এখানে তাতারী বা মঙ্গোলিয়ান উদ্দেশ্য ৷



পৃষ্ঠা ২৯৪ ঠিক করুন

হাসান ইবন মুহাম্মাদ আল হানাফিয়্যাহ্১
বিশিষ্ট তাবিঈ ৷ বলা হয় তিনিই সর্বপ্রথম ইরজ্বা২ বিষয়ে কথা বলেন ৷ আবু উবায়দের এই
বক্তব্য বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি পচানব্বই হিজরীতে ইনৃতিকাল করেন ৷ খলীফা উল্লেখ
করেছেন, তিনি উমর ইবন আবদুল আযীয়ের খিলাফতকালে ইনৃতিকাল করেন ৷ আর আমাদের
শায়খ যাহাবী আলআলাম গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি এ বছর ইনৃতিকাল করেন ৷ মহান
আল্লাহ্ অধিক জানেন ৷

ওৰুাব্দুল্লাহ্ ইবন মৃহায়রীয ইবন জুনাদা ইবন উবায়দং

ইনি আবদুল্লাহ্ ইবন মুহায়রীয ইবন জুনাদা ইবন উবায়দ আল-কুরাশী আল-জুমাহী
আলমাকী ৷ বায়তুল মাকদিসে দীর্ঘ মীআদে ই তিকাফকারী বিশিষ্ট তাবিঈ ৷ ইনি মুয়ায্যিন
আবু মাহবুরার সৎ পিতা হতে এবং উবাদাহ্ ইবনুস সামিত, আবু সাঈদ ও মুআবিয়া প্রমুখ
থেকে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন ৷ আর তার থেকে রিওয়ায়াত করেছেন খালিদ ইবন মাদান,
মাকহ্রল হাসসান ইবন আতিয়্যাহ্, যুহ্রী-ৰু ও অন্যরা ৷ একাধিক ইমাম তাকে নির্ভরযোগ্য আখ্যা
দিয়েছেন এবং একদল তার প্রশংসা করেছেন ৷ এমনকি রাজা ইবন হায়ওয়া তো তার সম্পর্কে
বলেছেন, পবিত্র মদীনাবাসী যদি তাদের আবিদ ইবন উমরকে নিয়ে আমাদের সাথে বড়াই
করে, তাহলে আমরাও আমাদের আবিদ আবদুল্লাহ্ ইবন ঘুহায়রীযকে নিয়ে তাদের সাথে পর্ব
করতে পারি ৷ তার এক ছেলে বলেন, তিনি প্রতি সপ্তাহে একবার কুরআন খতম করতেন ৷ তার
জন্য বিছান ৷ বিছানাে হতো ৷ কিন্তু তিনি তাতে ঘুমাতেন না ৷ ঐতিহাসিকগণ বলেন, তিনি
ছিলেন বাক্সংযমী এবং গােলযােগ, বিশৃগ্রলা পরিহারকারী ৷ তিনি সর্বদা সৎ কাজের আদেশ
দিতেন ও মন্দ কাজে নিষেধ করতেন এবং কখনও নিজের কোন সদগুণের উল্লেখ করতেন না ৷
কোন এক আমীরের পরনে ব্লেশমের পোশাক দেখে তিনি তার সমালোচনা করলেন ৷ সেই
ব্যক্তি আর্মীরুল মু’মিনীন আবদুল মালিক ইবন মারওয়ানের দিকে ইঙ্গিত করে বলল, আমি
তাে এদের ভরের কারণে তা পরিধান করি ৷ তখন ইবন মুহায়রীয তাকে বললেন, কোন
মাখলুকের প্রতি তোমার ভয়কে আল্লাহর প্রতি ৩ভয়ের সমকক্ষ করে৷ না ৷ ইমাম আওযাঈ (র)
বলেন, যদি কেউ কাউকে অনুসরণকরতে চায়, তাহলে তার মত ব্যক্তির অনুসরণ করুক ৷
কেননা-, এমন উষ্মতকে আল্পাহ্ গোমরাহ করতে পারেন না যাদের মাঝে তার মত ব্যক্তি
বিদ্যমান ৷ কেউ কেউ বলেন, তিনি থলীফা ওয়ালীদেয় খিলাফতকালে ইনৃতিকাল করেন ৷ ধ্

১ পুর্বে উল্লিখিত হয়েছে ৷
২ মতবাদ বিশেষ ৷ যার অনুসারীরা কোন মুসলমানের ব্যাপারে চুড়াহুৰু কোন সিদ্ধান্ত প্রদান করে না বরং
তাদের ফায়সালাকে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত বিলম্বিত করে ৷ তাদের ভাষ্য হলো, ঈমান থাকা অবস্থায় কোন
নাফরমানী কোন ক্ষতি করে না এবং কাফির অবস্থায় কোন আনুগত্য কোন উপকার করে না ৷ অনুবাদক
৩ আন-ইসাবা ৬৬৩৩, আল-ইসতীআর্ব ১৬৫২ উসদুলপাবা, ৩২৫২, তারীখুল ইসলাম ন্৪২১ , তারীখুল
বৃখারী ৫১৯৩ তাযকিরাতুল হুফ্ফায ১৬৪ , তাহযীবৃল আলমা ওয়লেলুপাত প্রথম ভাগ প্রথম অংশ ২৮৭,
তাহষীবুত তাহষীব ৬৩২, তাহযীবৃল কামাল পৃ৪ ৩৪০, আলজারহ ওয়াত্তাদীল দ্বিতীয় ভাগ দ্বিতীয়
ভলিউম ১৬৮, আল হিলইয়াহ্৫১৩৮, খুলাসাতু তাহষীবুত তাহষীব ২১৪, শাজারাতুয যাহাব ১১১৬,
তাবাকাতে ইবন সাদ ৭৪৪ ৭ তালকাতু খলফিয়্যা ২৭৫৩, তাবাকাতুল হুফ্ফায আল্লাম৷ সুয়ুতী ২৭,
আলইবার ১১ ১ ৭ আল ইকদুছ ছামীন ৫২৪৬, আলমা রিফা ওয়া ত তারিখ ২৩৩৫-৩৬৪-ক



Execution time: 0.02 render + 0.00 s transfer.