Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৯

পৃষ্ঠা ২৬৫ ঠিক করুন


খলীফা ওয়ালীদ ইবন আবদুল মালিকের খিলাফত কালে আরও যারা মৃত্যুবরণ করেছেন
তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন যিয়াদ ইবন হারিছ আত্তামীমী আদ-দিমাশকী ৷ তার বাড়ী ছিল
হাকাকীদেৱ প্রাসাদের পুর্ব পার্শে ৷ তিনি হাবীব ইবন মাসলামা আল ফিহ্রী হতে হাদীস
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তার বিওয়ায়াতকৃত হাদীসের বিষয়বস্তু হলো, যে ব্যক্তির কাছে
সকাল-সন্ধ্য৷ দুই বেলার পর্যাপ্ত আহার রয়েছে তার অন্যের কাছে কিছু চাওয়া নিষেধ এবং
যুদ্ধলবৃধ সম্পদ বা গনীমত বিষয়েও তার রিওয়ায়াত বিদ্যমান ৷ কেউ কেউ দাবী করেছেন যে,
তিনি সাহাবী কিন্তু সঠিক কথা হলো তিনি একজন তাবেঈ ৷ তার থেকে আতিয়াহ্ ইবন
কায়স, মাকহুল এবং ইউনুস ইবন মায়সারাহ্ ইবন হালবাস হাদীস রিওয়ায়াত করােছা ৷ এ
সত্বেও তার ব্যাপারে আবুহাতিম বলেছেন, তিনি অজ্ঞাতপরিচয় শায়খ ৷ তবে ইমাম নসােঈ ও
ইবন হিবৃবান তাকে নির্ভরযোগ্য আখ্যা দিয়েছেন ৷ ইবন আসাকির বর্ণনা করেছেন যে,
জুমুআহ্র কাি দামেশৃকের পাশে মসজ্যিদ প্রবেশ করে তিনি দেখলেন নামায বিলন্বিত হয়েছে ৷
তখন তিনি বললেন, আল্লাহর কসম ! মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের পর আল্পাহ্
কোন নবী পাঠাননি-যিনি তােমাদেরাক এই জুমুআর নামায এই সময়ে পড়ার নির্দেশ
দিয়েছেন ৷ ইবন আসাকির বলেন, তখন খাযরায় প্রবেশ করিয়ে তার শিরছেদ করা হলো ৷
আর তা হলো ওয়ালীদ ইবন আবদুল ম্ালিফ্তে শাসনামলে ৷

আবদুল্লাহ ইবন উমর ইবন উছমান

তার উপনাম আবু মুহাম্মদ ৷ তিনি ছিলেন পবিত্র মদীনায় কাষী এবং সম্রান্ত, সদাচারী,
বদান্য ও প্রশৎ সাভাজ্জা ৷ আর আল্লাহ অধিক জানেন ৷

সুলায়মান ইবন আবদুল মালিকের খিলাফত
তার ভ্রাতা ওয়ালীদ ইবন আবদুল মালিকের মৃত্যুর দিনই তার অনুকুলে খিলাফতের
বায়আত গৃহীত হয় ৷ আর এটা ছিল ছিয়ানব্বই হিজরীর জুমাদালু উখৃরা মাসের পনের তারিখ
শনিবার ৷ ভইিয়ের মৃত্যুকালে সুলায়মান রামালায় অবস্থানরত ছিল ৷ পিতার ওসিয়ত মুতাবিক
ভইিয়ের মৃত্যুর পর সেই সিৎহাসনের নির্ধারিত উত্তরাধিকারী ছিল ৷
অবশ্য ওয়ালীদ তার মৃত্যুর পুর্বকালে তার ভাই সুলায়মানকে সিৎহাসনের ভাবী
উত্তরাধিকারীয় পদ হতে সরিয়ে পদটি তার ছেলে আবদুল আষীষের জন্য নির্ধারিত করতে
চেয়েছিল ৷ আর তার গভর্নর হাজ্জাজ ইবন ইউসুফ তাকে এ ব্যাপারে প্রন্থরাচনা ও নির্দেশনা
দিয়েছিল ৷ তদ্র্যপ সেনাপতি কুতায়বা ইবন মুসলিম এবং বিশিষ্ট লোকদের একটি দলও তাকে
একই পরামর্শ দিয়েছিল ৷ কবি জারীর ও অন্যরা এ প্রসঙ্গে কবিতাও রচনা করেছে ৷ কিন্তু
বিষয়টি সুসংহত হওয়ার পুকেহ ওয়ালীদ মৃত্যুবরণ করেন৷ তখন সুলায়মানের অনুকুলে
বায়আত গৃহীত হয় ৷ ফলে কুতায়বা ইবন মুসলিম শঙ্কিত হন এবং সুলায়মানের অনুকুলে
বায়আত না করার সিদ্ধান্ত নেন ৷ তখন সুলায়মান তাকে অপসারণ করে ইয়াযীদ ইবন
মুহাল্লাবকে প্রথমে ইরাক তারপর খােরাসানের গভর্নর প্রশাসক নিযুক্ত করেন ৷ এরপর দশ বছর
পর সে তাকে তার পদে পুনর্বহাল করে এবং হাজ্জাজ ইবন ইউসুফের স্বজন পরিজনকে
শাস্তিদানের জন্য তাকে নির্দেশ প্রদান করেন ৷ আর ইতিপুর্বে হাজ্জাজই ইয়াযীদকে খােরাসানের
পভার পদ হতে অপসারণ করেছিল ৷ এবছরের রমযান মাসের তেইশ তারিখে সুলায়মান পবিত্র
মদীনায় গভর্নরের পদ হতে উছুমান ইবন হায়্যানকে অপসারণ করে ৷ এবং আবু বাকৱ ইবন,
মুহাম্মদ ইবন আমর ইবন হায্মকে তার গভর্ণর নিয়োগ করেন যিনি একজ্যা আলিম ছিলেন ৷



Execution time: 0.06 render + 0.00 s transfer.