Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৯

পৃষ্ঠা ১৫৮ ঠিক করুন

যুরাৱাহ্ ইবন আওফা

তার পুর্ণ নাম যুরারাহ ইবন আওফা ইবন হাজির আল-আমিরী ৷ তিনি ছিলেন বসরার
কাষী ৷ তিনি বসরাবানী বড় বড় বিদ্বান ও ণ্নক্কার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন ৷ তার বর্ণনাকৃত
হাদীসের সং খ্যা অনেক ৷ একদিন সালাতে ফজ্যর তিনি সুরায়ে আল মুদৃদাহ্ছির তিলাওয়াত

করেন ৷ যখন তিনি , ন্এএে ৷ মুে ,;; ৷া৷ অর্থাৎ “যেদিন শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে,

সেদিন হয়ে এক সংকটের দিন” ৷ এ আয়াতে পৌছেন, তখন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ৷
তিনি বসরায় ইনতিকাল করেন এবং তার বয়স হয়ে ছিল প্রায় ৭০ বৎসর ৷

খুবায়ব ইবন আবদুল্লাহ

তার পুর্ণ নাম খুবায়ব ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন আয-যুবায় র ৷ আল-ওয়ালীদের নির্দোশ উমর
ইবন আবদুল আযীয তাকে বেত্রাঘাত করেন ৷ ফলে, তিনি ইনৃতিকাল করেন ৷ কিছুদিন পরে
উমর বরখাস্ত হন ৷ তাকে প্ৰহার করার জন্যে তিনি আফসোস করতেন ও মহান আল্পাহ্র
দরবারে কান্নাকাটি করতেন ৷ তিনি পবিত্র মদীনায় ইনৃতিকাল করেন ৷

হাবদৃস ইবন আসিম

তার পুর্ণ নাম হাফ্স ইবন আনিম ইবন উমর ইবনুল খাত্তাব আল-মাদানী ৷ তার বর্ণিত
হাদীসের সংখ্যা অনেক ৷ তিনি সৎ ও যোগ্য বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তিনি পবিত্র
মদীনায় ইনৃতিকাল করেন ৷

সাঈদ ইবন আবদুর রহমান

তার পুর্ণ নাম সাঈদ ইবন আবদুর রহমান ইবন ইতাব ইবন উসায়দ আল উমাবী ৷ তিনি
বসরার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্পের অন্যতম ছিলেন ৷ তিনি ছিলেন দানশীল ও প্রশংসিত ব্যক্তি ৷
বদান্যতায় চিহ্নিত ব্যক্তিদের অন্যতম ৷ কথিত আছে যে, তিনি এক কব্যিক ত্রিশ হাজার মুন্না
দান করেছিলেন ৷

ফারওয়াহ ইবন মুঙ্গাইিদ

কথিত আছে যে, তিনি আবদাল (ওলী আল্লাহ্গণের বিশেষ এক শ্রেণী)-এর অন্তর্ভুক্ত
ছিলেন ৷ একবার তিনি বন্দী হন ৷ তিনি ছিলেন একটি যুদ্ধে ৷ তার সাথে ছিল একটি দল ৷
তাদের কাছে সেখানের বাদশাহ্ আগমন করলেন এবং তাদেরকে একটি জায়গায় আটক ও
বন্দী রাখার জন্যে হুকুম দিলেন ৷ রাত ভোর হওয়া পর্যন্ত তাদের উপর অত্যাচার করতে নির্দেশ
দিলেন ৷ ভোর হওয়ার পর তাদের ক্ষেত্রে তিনি চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন ৷ ফারওয়াহ তাদেরকে
বললেন : আমাদের শহরে আমাদের ফিরে যাওয়া সম্পর্কে তোমাদের কি কোন আপত্তি আছে?
তারা বলল, তুমি তো দেখছ, আমাদের এ ব্যাপারে কোন আপত্তি নেই ৷ তিনি তখন তাদের
হাতে অবস্থিত শিকলগুলাের উপর হাতে স্পর্শ করলেন ৷ অমনি শিকলগুলো তাদের হাত থেকে
উধাও হয়ে গেল ৷ তারপর তিনি কারাগারের দরযায় আগমন করলেন ৷ তা নািজ্যা হাতে স্পর্শ
করলেন অমনি দরযাটি খুলে গেল ৷ তারা এ দরযা দিয়ে বের হয়ে পড়লেন এবং চলে
,আসলেন ৷ শহরে পৌছার পুর্বেই তারা মুসলিম বাহিনীতে মিলিত হয়ে গেলেন ৷

আবু শা’হা জাৰির ইবন যায়দ

তিনি তিনটি কাজে সরকারী রাজস্ব আদায় করতেন না ৷ পবিত্র মক্কায় সফরকালে, আযাদ
বন্যার জন্যে গোলাম খরিদ করার সময় এবং কুরবানীর পশু খরিদকালে ৷ তিনি আরো বলতেন,


পৃষ্ঠা ১৫৯ ঠিক করুন


যে বস্তু দ্বারা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা হয় এটাতে কোন প্রকার রাজস্ব আদায় করবে
না ৷ ইবন সীবীন (র) বলেন, দীনার ও দিবহামের ক্ষেত্রে ট্টআবু শা ছা ছিলেন একজন খাটি
মুসলিম ৷ তার সম্বন্ধে নিম্নবর্গিত কবিতাটি প্রসিদ্ধং :
, আমি তাকে দেখেছি; তাকে অন্য কেউ ধারণা করো না ; তার কাছে দিরহাম হলো

পরহেযপারীর বস্তু ৷ যখন তুমি তা ব্যয় কঃা৷র ক্ষমতা রাখ ৷ তারপর তুমি তা ছেড়ে দিলে অর্থাৎ
ব্যয় করলে না, তাহলে জেনে রেখো তোমার ব্যয় না করার পরহেযগারীই একজন খাটি
মুসলিমের পরহেযগারী ৷

আবু শ৷ ছা বলেনং ইয়াতীম এবং মিসকীনের জন্যে এক দিরহাম সাদকা করা ইসলামের
দৃষ্টিতে হ্যজ্জর পর হজ্জ করার চেয়ে আমার কাছে বেশী প্রিয় ৷ আবু শা ছ৷ শিক্ষিত ব্যক্তিবর্গের
অন্তর্ভুক্ত ছিলেন ৷ তিনি বসরায় ফাতওয়া প্রদান করতেন ৷ জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রা)-এর
ন্যায় কোন সাহাবীকে বসরায় বাসিন্দারা কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলতেন ৷ তোমরা
আমাকে কেমন করে এ প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করছ অথচ ণ্তামাদ্যে৷ মধ্যে রয়েছেন আবু শাছ৷ ?

জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ তাকে বলেন £ হে ইবন যায়দ ! আপনি বসরায় ফকীহগণের
অন্তর্ভুক্ত ৷ আপনিই অদুর ভবিষ্যতে ফাতওয়া প্রদান করবেন ৷ কাংজ্জী আপনি সত্যের প্রবক্তা
হিসেবে পবিত্র কুরআন কিত্ব৷ পুর্বের সুন্নাতের ভিত্তিতে ফাতওয়া দান করুন ৷ আপনি যদি এ
ছাড়া অন্য কাজ করেন তাহলে আপনি নিজে ধ্বংস হবেন এবং অন্যকেও ধ্বংস করবেন ৷

আমর ইবন দীনার বলেন : ফাতওয়া প্রদান সংক্রান্ত ব্যাপারে জাবির ইবন যায়দ হতে
অধিক জ্ঞানী আমি আর কাউকে দেখতে পাইনি ৷

ইয়াস ইবন মুআবিয়৷ বলেন : আমি বসরাবাসিগণকে এমন অবস্থায় পেয়েছি যে, তাদের
মুফতী ছিলেন উমাৰনর বাসিন্দা আল্লাম৷ জাবির ইবন যায়দ ৷ যেদিন জাবির ইবন যায়দকে
দাযপ্স করা হল সেদিন আল্লাম৷ কাতাদা ৪বলেন আজকের দািন দুনিয়াবাসীদের সবচেয়ে বেশী
শিক্ষিত লোককে দাফন বরো হল ৷

সুফিয়ান ইবন উয়ায়নাহ আমর ইবন দীনার হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেনং
আল-হাকাম ইবন আব্যুব কিছুসংখ্যক ব্যক্তিকে কাযীরুপে প্রেরণ করেন ৷ আমি তাদের মধ্যে
একজন ৷ এ ব্যাপারে যদি আমি কখনও কোন সমস্যার সম্মুখীন হতাম, সওয়ার হতাম ও তার
কাছে দৌড়িয়ে যেতাম ৷

আবুস-শা ছা বলতেনং পুণ্যের কার্যগুলাের প্রতি আমি লক্ষ্য করলাম, দেখলাম যে সালাত
শরীরকে কষ্ট দেয় ৷ কিন্তু, সম্পদকে স্পর্শ করে না ৷ সিয়াম সাধনাও অনুরুপ ৷ কিন্তু, হজ্জ
সম্পদ ও শরীর উভয়টাকে শ্রম দিতে বাধ্য করে ৷ তইি আমি সিদ্ধান্তে উপনীত হলাম যে,
এগুলোর মধ্যে হ্জ্জই অধিক মর্যাদার অধিকারী ৷ একদিন তিনি একটি৷ বা গান থেকে এক মুষ্টি
মাটি নিলেন ৷ যখন ভোর হলো তখন তিনি তা বাগানে নিক্ষেপ করলেন আর বা ৷গানঢি ছিল
অন্য এক সম্প্রদায়ের ৷ তারা তখন বলতে লাগল, যদি তিনি যখনই এখান দিয়ে গমন করেন,
এরুপ এক মুষ্টি মাটি নিয়ে নিতেন, তাহলে বাগানের আর কিছুই বাকী থাকত না ৷

আবুস শ৷ ছা বলতেন, যখন তুমি জুমুআর দিন মসজিদে আসবে, দরযায় দা ৷ড়িয়ে পড়বেঃ
হু:াভ্রু;ও ;,;


পৃষ্ঠা ১৬০ ঠিক করুন

অর্থাৎ “হে আল্লাহ! অদ্য যারা তোমার প্রতি ম৫নাযােগী হবে, তাদের মধ্যে আমাকে অধিক
মনােযােগী কর, যারা তোমার নৈকট্য লাভ করবে, তাদের মধ্যে আমাকে অধিক নৈকট্য
অর্জ্যকারী কর, আর যারা তোমাকে ডাক৫ব ও তোমার প্ৰতি আকৃষ্ট হবে, তাদের মধ্যে
আমাকে অধিক সফলকাম কর ৷”

সায়্যার বলেনঃ হাষ্মাদ ইবন যায়দ, আলহাজ্জাজ ইবন আবু উয়ায়নাহ হতে বর্ণনা করেন ৷
তিনি বলেন : জাবির ইবন যায়দ আমাদের সালাত আদায়ের জায়গায় আসজ্যে ৷ তিনি একদিন ;
আমাদের কাছে আগমন করলেন ৷ আর তার পায়ে ছিল একজােড়৷ পুরানো জুতা ৷ তিনি
বললেন, আমার আয়ুর ষাট বছর চলে গেল আমার এ জুতাগুলো আমার কাছে অন্যগুলোর
চেয়ে অধিক প্রিয় ৷ তবে ছুদ্রা, যদি পুর্বে আমি কোন কল্যাণ আঞ্জাম দিয়ে থাকি তা ভিন্ন কথা ৷
সৃালিহ্ আদ-দিহান বলেন জাবির ইবন যায়দের হাতে যদি কোন স৫ ন্দহজনক কিংবা অচল
মুদ্রা এসে ৫যত তিনি তা ধ্বংস করে ফেলে দিতেন যাতে অন্য কোন মুসলিম প্রতারিত না হন ৷

ইমাম আহমদ (র) বর্ণনা করেন : মালিক ইবন দীনার হতে আবু আবদুস সামাদ
আল-আমী আমার কাছে হাদীস বণ্নি৷ করেন ৷ তিনি বলেন৪ একদিন জাবির ইবন যায়দ
আমার ঘরে প্রবেশ করেন, তখন আমি কুরআন শরীফ কাগজে লিখছিলাম ৷ আমি তাকে
বললাম, ৫হ আবু শা ছা! আমার এ ৫পশা কেমন মনে করেন ? তিনি বললেন, ৫তামার এ
পেশা একটি উত্তম ৫পশা ৷ মহান আল্লাহর কিতাব তুমি পৃঠ৷ থেকে পৃঠা, আয়াত থেকে আয়াত
এবং শব্দ থেকে শব্দ কপি করছ ৷ এ হালাল কাজে কোন ক্ষতি ৫নই ৷ মালিক ইবন দীনার
আরো বলেন : আমি তাকে সুরায়ে বনী ইসরাঈলের ৭৫নং আয়াত-এর অর্থ নম্বন্ধে জিজ্ঞাসা

করলাম ৷ আয়াত হলো : ৰু৷ ৷ এ

অর্থ হচ্ছে : তাহলে অবশ্য তোমাকে ইহজীবনে দ্বিগুণ ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন
করাতাম; তখন আমার বিরুদ্ধে তোমার জন্যে কোন সাহায্যকারী পেতে না ৷ ”
সুফিয়ান বলেন : আবু উমায়র আল-হারিছ ইবন উমায়রু আমার কাছে হাদীসন্বণ্নাি
করেন ৷ তিনি বলেন : ঘরের মধ্যে উপস্থিত লোকজন মৃত্যুর সময় জাবির ইবন যায়দ৫ক
বলেন, তোমার মনে কি চায় ? তিনি বলেন৪ হাসানের দিকে নযর করতে মন চ ৷য় ৷ ছাবিত
হতে বর্ণিত বর্ণনায় রয়েছে যে ছাবিত বলেন, যখন জাবির ইবন যায়দের মৃত্যু আসন্ন, তখন
তাকে বলা হলো, তুমি কি চাও ? তিনি বললেন : হাসা৫নর দিকে নযর করতে মন চায় ৷
ছাবিত বলেনহ্র আমি হাসানের কাছে গেলাম ও তাকে অবহিত করলাম ৷ সে তার কাছে
যাওয়ার হয়ে আসল ৷ যখন সে ঘরে ঢুকল তিনি তখন পরিবার পরিজন৫ক বললেন, আমাকে
বসাও ৷ তিনি বললেন এবং বলতে লাগলেন, আমি মহান আল্লাহর কাছে জাহান্নাম ও মন্দ
হিসাব থেকে আশ্রয় চাইছি ৷”
হামাদ ইবন যায়দ বলেন : হাজ্জাজ ইবন আবু উয়ায়নাহ আমার কাছে হাদীস বর্ণনা
করেন ৷ তিনি বলেন, উপস্থিত নারীদের মধ্যে উত্তম, হিন্দ ৰিনৃত আল-মুহাল্লাব ৷ ইবন আবু
সুফরাহ-এর কাছে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ যখন জাবির ইবন আবদুল্লাহ্র কথা উল্লেখ করেন ও তারা
বললেন, তিনি কী আবদুল্লাহ ইবন ইবাদ আত তামীমী আল খারিজীর অনুসারী ছিলেন ? হিন্দ
বললেনং জাবির ইবন যায়দ আমার সাথে ও আমার মায়ের সাথে সম্পুর্ণ বিচ্ছিন্ন ছিল তার
বিরুদ্ধে আমি কিছুই জানি না ৷ যে বস্তুটি আমাকে মহান অ ৷ল্পাহ্র ভৈনকট্য লাভে সাহায্য করবে


পৃষ্ঠা ১৬১ ঠিক করুন


তা পালন করার জন্য সে আমাকে আদেশ করত ৷ আর যে বস্তুটি আমাকে মহান আল্লাহ থেকে
দুরে সরিয়ে দেরে তা থেকে সে আমাকে নিষেধ করত ৷ আমাকে সে আবদুল্লাহ্ ইবনইবাদ
আতশ্তামীমীর অনুসরণ করতে কখনও আহ্বান করেনি এবং এ ব্যাপারে আমাকে আদেশও
করেনি ৷ সে আমাকে হুকুম দিত যে, কোথায় আমি আমার মাথায় ওড়ন৷ রাখব এ কথা বলে
যে নিজের কপালে হাত রাখল ৷ তিনি এক জামাআত সাহাবী থেকে হাদীস বর্ণনা করেন ৷ তার
অধিকাংশ ংহাদীসই আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রা) ও আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত ৷

৯৪ হিজরীর আগমন

এ বছরেই আল-আব্বাস ইবন আল-ওয়ালীদ রোম ভুখণ্ডে যুদ্ধ করেন ৷ কেউ কেউ বলেন,
তিনি ইনতাকীয়া জয় করেন ৷ তার ভাই আবদুল আযীয ইবন আল ওয়ালীদও যুদ্ধ করেন এবং
জয় করতে করতে গাযালাহ পর্বত পৌছে যান ৷ অন্যদিকে আল ওয়ালীদ ইবন হিশাম আল
মুআয়ভী বুরজুলু-হামাম ভুখণ্ড পর্যন্ত পৌছেন ৷ ইয়াযীদ ইবন আবু কাবশাহ সিরিয়া ভুখণ্ড পর্যন্ত
পৌছেন ৷ এ বছরেই লিবিয়ার রাজফাহ বিজয় হয় ৷ এ বছরেই মাসলামাহ ইবন আবদুল মালিক
রোম ভুখণ্ডের সান্দারাহ জয় করেন ৷ আর এ বছরেই আল্লাহ তা আলা আল-ওয়ালীদ ইবন
আবদুল মালিকের আমলে তার আওলাদ ও আত্মীয়-স্বজ্যা এবং আমীরদের মাধ্যমে ইসলামে
অনেক বড় বড় বিজয় দান করেন ৷ এমনকি ইসলামী জিহাদ হযরত উমর ইবনুল খাত্তাবের
যুগের নমুনা ধারণ করেছিল ৷

এ বছরেই মুহাম্মদ ইবন আল-কাসিম ছাকাফী হিন্ভােনেৱ ভুখণ্ড জয় করেন এবং অসীম ও
অবর্ণনীয় সম্পদ গনীমত হিসেবে অর্জন করেন ৷ হিন্দুস্তান বিজয় সম্পর্কে হাদীস এসেছে যা
আল-হাফিয ইবন আসাকির ও অন্যান্যগণ বর্ণনা করেছেন ৷ ৰু

এ বছরেই কুতায়ৰা ইবন মুসলিম আশ-শাশ ও ফারগানাতে যুদ্ধ করে ফারগানাহ-এর
দুটো শহর খৃজান্দাহ ও কাশানপৌছেন ৷ আর এটা সম্ভব হয়েছিল সুগদ ও সমরকন্দ বিজয়
থেকে অবসর গ্রহণ বলার পর ৷ তারপর তিনি এসব শহরে বিজয় অব্যাহত রেখে কাবুল পর্যন্ত
পৌছেন ৷ এরপর কাবুলকে অবরোধ করেন ও জয় করেন ৷ তুর্কী মুশরিকরা বিরাট বিরাট দলে
তার মুকাবিলা করে ৷ কুতায়বা খুজান্দাহর কাছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন ও কয়েকবার
তাদেরকে পরাস্ত করেন এবং পরে সকলকাম হন, শত্রুদের থেকে শহর ছিনিয়ে নেন তাদের
অনেককে হত্যা করেন আনককে বন্দী করেন ও প্রচুর সম্পদ গনীমত হিসেবে অর্জন করেন ৷
ইবন জারীর (র) বলেনল্প চীনের নিবল্টবতী এলাকা খুজ্যন্দাহে অনুষ্ঠিত যুদ্ধের বর্ণনা দিতে
গিয়ে সাহবান ওয়াইল নিম্নবর্ণিত কবিতাগুলো আবৃত্তি করেন

হে আমার সাথী ! অশ্বারোহীদেরাক ধারালে৷ তীর সহকারে তীর ণ্কাষমুক্ত করার জন্যে
খুজান্দাহ প্রেরণ কর ৷ যখন শত্রুদল পরাজিত হবে, তখন কি আমি তাদেরকে একত্রিত করব ও
যুদ্ধে উপস্থাপন করব, না সীমালৎয়নকারীর মাথায় সজােরে প্ৰহার করব ও যোদ্ধাদের জন্যে
অপেক্ষা করব ৷ তুমি তো বনু কায়সের সকলকে প্রচুর গনীমতের সৃসৎ বাদ দিচ্ছ, আমি
কায়সকে মজলিসে ইষ্যত প্রদান করেছি ৷ যেমন তোমার পিতা অতীত দিনগুলােতে ইয্যত
দিয়েছিল ৷ তোমাদের সম্মান ও মর্যাদা পরিপুর্ণতায় পৌছেছে ৷ তোমাদের মান-মর্ষাদা পাহাড়ের
চুভৃায় প্রেমালাপ করছে ৷ পরাজিতদের মধ্যে প্রতিটি ক্ষেত্রে হে বিজিত তোমার ন্যায়পরায়ণতা
প্রকাশ পাছে’ ৷


গ্


Execution time: 0.03 render + 0.01 s transfer.