Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৯

পৃষ্ঠা ১৩০ ঠিক করুন

আবুউমামাতুল ৰাহিলী প্

তার নাম স্বাদা ইবন আজলান ৷ তিনি হিমৃসে বসবাস করেন ৷ তিনি তলকীনে মায়িক্লত
অর্থাৎ দাফনেয় পর মৃত ব্যক্তিকে কালিমা ইত্যাদি স্মরণ করিয়ে দেওয়ার হাদীসটির বর্ণনাকারী ৷
আত-তাবৃরানী এ হাদীসটিন্আদ-দুআ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন ৷ আল-ওয়াফীয়াত নামক
কিতাবেও এর বর্ণনা এসেছে ৷

কাবীসা ইবন যুওয়ায়ব (রা) ,

তিনি হলেন, আবু সুফিয়ান আল-খাযায়ী আল-মড়াদানী ৷ তিনি পবিত্র মক্কা বিজয়ের বছর
জন্মগ্রহণ করেন এবং তার জন্যে দুআ করার নিমিত্তে তাকে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে আনয়ন
করা হয় ৷ তিনি সাহাবায়ে কিরামের একটি বিরাট দল হতে হাদীস বর্ণনা করেন ৷ হড়ার্বাৱ দিন
তার চোখ নষ্ট হয়ে যায় ৷ তিনি পবিত্র মদীনায় ফকীহদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন ৷ খলীফা আবদুল
মালিকের কাছে তার একটি বিশেষ মর্যাদা ছিল এবং অনুমতি ব্যতীত তিনি তার কাছে প্রবেশ
করতেন ৷ দেশের বিভিন্ন শহর হতে পত্র এলে তিনি এগুলো পাঠ বহ্বতেন ৷ তারপর আবদুল
মালিকের দরবারে প্রবেশ করতেন এবং বিভিন্ন শহরে কি ঘটেছে সে সম্বন্ধে আবদুল মালিককে
সংবাদ পরিবেশন করতেন ৷ তিনি তার গোপন তথ্যের সংরক্ষণকারী ৷ দামেশৃক্যে৷ বাবুল বারীদে
তার একটি বাড়ী ছিল ৷ তিনি দামেশৃকে ইনতিকাল করেন ৷

উরওয়া ইবনুস মুগীরা ইবন শু’ৰাহ্

কুফায় তাকে হাজ্জাজের আমীর নিযুক্ত করা হয় ৷ তিনি ছিলেন ড্ড, বুদ্ধিমান এবং
জনগণের কাছে অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় ৷ তিনি ছিলেন টেরা চক্ষুবিশিষ্ট ৷ তিনি কুফায়
ইনতিকাল করেন ৷ তিনি মারজ্ঞে৷ কাযী ছিলেন ৷ তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি কুরআনুল কারীমের
অক্ষরে নুকতার প্রবর্তন করেন ৷ তিনি ছিলেন বিদ্বান ও জ্ঞানী লোকদের অন্যতম ৷ তার সম্পর্কে
বহু ঘটনা ও বিষয়াদি বর্কিং রয়েছে ৷ তিনি ছিলেন বিশুদ্ধ ভাষাবিদদের অন্যতম ৷ তিনি আবুল
আসওয়াদ আদ্ দু ’লী থেকে আ ৷রবী ভাষা শিখেছেন ৷

কায়ী শুরায়হ ইবন আল-হাবিছ ইবন কায়স ,

তিনি জাহিলিয়াণ্ডে র যুগ পেয়েছেন ৷ হযরত উমর (রা) তাকে কুফায় কাযী নিয়োগ
করেন ৷ তিনি সেখানে ৬৫ বছর ক যী ছিলেন ৷ তিনি ছিলেন জ্ঞানী, ন্যায়বিচারক ও অধিক
কল্যাণকামী, সচ্চরিত্রবান ৷ তিনি ছিলেন খুব রঙ্গ রহস্যময়ী ৷ তার ছিল খুব কম দাড়ি ৷
চেহারায় কোন চুল ছিল না ৷ আবদুল্লাহ ইবন আয-যুবায়র আহনাফ ইবন কায়স এবং কায়স
ইবন সাদ ইবন উবাদাহও এরুপ ছিলেন ৷ তার বংশধারা, বয়স ও মৃত্যুর বছর নিয়ে মতভেদ
দেখা যায় ৷ ইবন খাল্লিকান এ বছর তার মৃত্যু হয়েছে বলে অগ্নাধিকার ভিত্তিতে বর্ণনা করেন ৷
আল্লাম৷ ইবন কাহীর (ব) বলেন, আমি ৭৮ হিজরীতে কাযী শুরায়হের মৃত্যু বর্ণনা করে
যেখানে বর্তমান বর্ণনা ব্যতীত বহুকিছু বর্ণনা করেছি ৷

৮৮ হিজরীর প্রাৱশু
এ বছরেই মাসলামাহ ইবন আবদুল মালিক ও তার ভাতিজা আব্বাস ইবন আল ওয়ালীদ
ইবন আবদুল মালিক আস সাইফার যুদ্ধ করেন ৷ তারা মুসলমানদেরকে সাথে নিয়ে এ বছরেই
জুমাদাল্-উলা মাসে তাওয়ান নাহ দুর্গ জয়লাভ করেন ৷ আর এ দুর্গটি ছিল দুর্ভেদ্য ৷ জনগণও তার
সমীপে তুমুল যুদ্ধ করে ৷ তারপর মুসলমানরা খৃস্টানদের উপর হামলা করেন ও তাদেরকে



Execution time: 0.01 render + 0.00 s transfer.