Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৯

পৃষ্ঠা ৮১ ঠিক করুন

“মারড আর রাওয এলাকায় যুদ্ধাভিযানে তার মৃত্যু হয় ৷ তখন তার বয়স হয়েছিল ৭৬
বৎসর ৷ তার পুত্র-কন্যারা ছিল দশ জন ৷ তারা হল ইয়াযীদ, যিয়াদ, মুফাদ্দাল, মুদবিক,
হাবীব, মুগীরা কাবীসা, মুহাম্মদ, হিন্দ ও ফাতিমা ৷ ৮ ২ সনের যুলহাজ্জ সালে তার মৃত্যু হয় ৷
তিনি একজন সাহসী যোদ্ধা ছিলেন ৷ তার অনেক কীর্তি ও কৃতিত্ব রয়েছে ৷ আযারিক সম্প্রদায়
এবং অন্যান্য খারিজী উপদলের বিরুদ্ধে তার সফল অভিযানের অনেক বিবরণ ইতিহাসে স্থান
পেয়েছে ৷ তার মৃত্যুর পর থােরাসানের শাসনকর্তা পদ তার পুত্র ইয়াযীদ গ্রহণ করবে বলে
তিনি সিদ্ধান্ত দিয়ে যান ৷ খলীফ৷ আবদুল মালিক ইবন মারওয়ান এবং শাসনকর্তা হাজ্জাজ তা
বহাল রাখেন ৷

আসমা ইবন ধ্ায়িগ্রাস্ট্রহ্ ফ্যােয়ী কুক্ষী,

এই সনে যাদের ওফাত হয় তাদের অন্যতম হলেন, আসমা ইবন খারিজা ফাযারী কুফী ৷
তিনি একজন বিশিষ্ট দানশীল এবং র্কীর্তিমান পুরুষ ছিলেন ৷ একদিন তিনি তার দরযার সম্মুখে
একযুবককে দেখতে পেলেন যে, যে ওখানে বসে আছে ৷ তিনি তাকে ওখানে বসে থাকার
কারণ জিজ্ঞেস করলেন ৷ সে বলল, একটা বিশেষ প্রয়েজ্যোন বসে আছি তবে তা মুখে বলা
যাবে না ৷ তার প্রয়োজনের কথাটি ব্যক্ত করার জন্যে তিনি বার বার চাপ দিচ্ছিলেন ৷ অবশেষে
সে বলল, একটি ক্রীতদাসী আমি দেখেছি এই বাড়ীতে প্রবেশ ৰুন্নেহে ৷ এত সুন্দর যেয়ে আমি
জীবনে কােনদিন দেখিনি ৷ সে আমার হৃদয় ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে ৷ তিনি তাকে হাতে ধরে
অন্দর মহলে নিয়ে গেলেন ৷ তার বাড়ীতে থাকা সকল মেয়েকে একে একে তার সম্মুখে
উপস্থিত করলেন ৷ নিল্টি যেয়েটি আসার পর সে বলল, এই যে, এই ণ্ময়েটিকেই আমি
দেখেছিলাম ৷ আসমা বললেন, তবে এখন তুমি বেরিয়ে যাও ৷ দরযার যেখানে বসেছিলে
ওখানে গিয়ে বস ৷ যুবকঢি বেরিয়ে গেল ৷ পুর্বস্থানে গিয়ে বসল ৷ কিছুক্ষণ পর আসমা ইবন
খারিজা ওই দাসীটিকে নান৷ প্রকারের গহনায় সাজিয়ে সাথে করে যুবকটির নিকট নিয়ে গেলেন
এবং বললেন এই দাসীকে বাড়ির ভিতর তোমার নিকট হস্তান্তর না করার কারণ হল এই যে,
মুলতঃ দাসীটি আমার বোনের ৷ যে এটি বিনা মুল্যে দান করতে রধো ইিস না ৷ তাই আমি
তিন হাজার দিরহামে সেটি কিনে নিয়েছি ৷ এ সব গহনা তাকে পরিয়েহি ৷ এই গহনাসহ
দাসীটি তোমাকে দিয়ে দিলাম ৷ যুবকঢি দাসীটিকে নিয়ে চলে যায় ৷

মুপীন্না ইবন মুহাল্লাৰ

ইবন আবী সুফরা মুগীরা ইবন মুহাল্লাব এই সনে ইনতিকাল করেন ৷ তিনি একজন
দানশীল, সাহসী ও বীরত্বের অধিকারী লোক ছিলেন ৷ তার ৷ঙ্গীয়নে বহ্ কৃতিতুপুর্ণ ঘটনা
ঘটেছে ৷

হারিছ ইবন আবদুল্লাহ (র)

হারিছ ইবন আবদুল্লাহ ইবন রাবীআ মাখযুমী এই সনে ইনৃতিকাল করেন ৷ তিনি কু বা
নামে অধিক পরিচিত ছিলেন ৷ হযরত আবদুল্লাহ ইবন যুৰায়র (রা) এর খিসড়াফতকালে তার
পক্ষে তিনি বসরার শাসনকর্তা নিযুক্ত হয়েছিলেন ৷

মুহাম্মদ ইবন উসামা ইবন যায়দ ইবন হারিহা (র)

মুহাম্মদ ইবন উসামা (র) এই ৮২ সনে ইনৃতিকাল করেন ৷ সাহারা-ই ক্কিন্নামের পরবর্তী
প্রজন্মে তথা তাদের পুত্রদের মধ্যে মুহাম্মদ ইবন উসামা (র) বিশেষ মর্যাদার অধিকারী ও
সম্মানী ব্যক্তিত্ব ছিলেন ৷ তার ওফাত্ত হয় মদীনা শরীফে ৷ জান্নাতুস্ বন্টোতে তাকে দাফন করা
হয় ৷


পৃষ্ঠা ৮২ ঠিক করুন

আবদুল্লাহ ইবন আবু তালহ৷ ইবন আবুল আসওয়াদ (ব)

৮২ সনে যীরা ইনৃতিকাল করেন তাদের একজন হলেন আবদুল্লাহ্ ইবন আবুতালহ৷ ৷
তিনি প্রসিদ্ধ ফকীহ ইসহাকের পিতা ৷ যে রাতে তার মাতা উন্মু সুলায়মের একটি পুত্র মারা
যায়, সে রাতেই আবদুল্লাহ তার মাতার গর্ভে আসেন ৷ ভোরবেলা তার পিতা আবু তালহ৷ (না)
গিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে এই সংবাদ জানান ৷ তখনধ্রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেছিলেন, তোমরা
বাসর উদযাপন করেছ ৷ তোমাদের রাত্রি-যাপনে আল্লাহ তা জানা বরকত দান করুন ৷ হযরত
আবদুল্লাহ (র) জন্মগ্রহণ করার পর রাসুলুল্লাহ্ (সা) খেজুর দিয়ে তার তাহনীক তথা মুখে
খাবার গ্রহণের সুচনা করেন ৷

আবদুল্লাহ ইবন কা ব ইবন মালিক (র)

তিনি হযরত কা ব (রা) এর পথ চলাচলে সাহায্যকারী ছিলেন ৷ হযরত কা ব (বা) যখন
অন্ধ হয়ে পড়েন তখন তার এই পুত্র আবদুল্লাহ্ তাকে ধরে ধরে এখানে সেখানে নিয়ে যেতেন ৷
তার সেরা করতেন ৷ তিনি অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন ৷ এই ৮২ সনে তীর ওফাত হয় ৷

আফুফান ইবন ওয়াহ্ব (বা)

তার প্রসিদ্ধ নাম আবু আয়মান আল খাওলানী মিসরী ৷ তিনি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর
সাহাবী ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না) থেকে হাদীসও বর্ণনা করেছেন ৷ পশ্চিমাঞ্চলীয় যুদ্ধে তিনি অংশ
নিয়াছিলেন ৷ তিনি মিসরে বসবাস করতেন এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয় ৷

জামীল ইবন আবদুল্লাহ (র)
তিনি হলেন জামীল ইবন আবদুল্লাহ ইবন মামার ইবন সাবাহ ইবন যুবয়ান ইবন হাসান ৰু
ইবন রাবীআ ইবন হারাম ইবন দাবৃবা ইবন উবায়দ ইবন কাহীর ইবন আযরাহ ইবন সাদ
ইবন হুযায়ম ইবন যায়দ ইবন লায়ছ ইবন সারহাদ ইবন আসলাম ইবন ইনহাফ ইবন কুদাআ
(র) ৷ তিনি হলেন করি আবু আমর ৷ তিনি বুছায়না এর প্রেমিক ৷ তিনি বুছায়নাকে বিয়ে করার
প্রস্তাব দিয়েছিলেন ৷ বিক্ষ্ম কুছায়না তা প্রত্যাখ্যান করে ৷ এই প্রেক্ষিতে তিনি একটি বিরহ কাব্য
রচনা করেছিলেন এবং ওই কাব্যের মাধ্যমে তার ব্যাপক পরিচিতি ঘটে ৷ তিনি ছিলেন আরবের
প্রসিদ্ধ প্রেমিক ব্যক্তি ৷ তিনি ওয়াদী কুরা নামক স্থানে বসবাস করতেন ৷ তিনি ছিলেন সৎ,
পবিত্র, লজ্জাশীল, দীন অনুসারী এবং ইসলামী করি ৷ তিনি তার যুগের বিশুদ্ধভাষী শ্রেষ্ঠ কবি
ছিলেন ৷ কুছায়িদ্রর আয্যাহ ছিলেন তার শিষ্য ৷ তার কবিতা সংরক্ষণকারী ৷ জামীল নিজে হুদবা
ইবন খাছরাম সুত্রে হাতিআ থেকে যুহায়র ইবন আবু সালামা এবং তার পুত্র কা ব ইবন
যুহায়রের কবিতা বর্ণনা করতেন ৷
কুছ৷ ৷য়িদ্রর আবৃযাহ মন্তব্য করেছেন যে, জামীল ছিলেন আরবের শ্রেষ্ঠ করি ৷ জামীল
বলেছেন

১াইষ্টুছুহ্রাট্রু
তোমরা দু জন তো আমাকে বলেছিলে যে, গ্রীষ্মকাল শেষ হলে লায়লা এসে তায়মা তে
বসবাস করবে ৷

শু;াছু,ট্র

এই যে গ্রীষ্মকালীন মাসগুলো তাে অতিবাহিত হয়ে গেল ৷ তবুও দুরতু ও ব্যবধান
লায়লাকে কেন দুরে নিক্ষেপ করছে?



Execution time: 0.02 render + 0.00 s transfer.