Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৯

পৃষ্ঠা ৬৭ ঠিক করুন

ভাল জানেন ৷ কেউ কেউ বলেছেন যে, আবদুল মালিক তাকে হত্যা করেছেন এই কাংাটি
অধিকতর সত্য ৷ মহান আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷

৮ ১ হিজয়ী সন

এই সনে আবদুল মালিক ইবন মারওয়ানের পুত্র উবায়দুল্লাহ্ কালিকলা রাজ জয় করে ৷
এবং এই যুদ্ধে মুসলমানগণ বহু গনীমতের মাল অর্জন করে ৷ এই সনে বুকায়র ইবুন বিশাহ
নিহত হয় ৷ বুজায়র ইবন ওয়ারকা সারিমী তাকে হত্যা করে ৷ বুকায়র একজন নামকরা সাহসী
শাসনকর্তা ছিল ৷ এরপর বুকায়র হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার লক্ষে তার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি
প্রস্তুত হয় ৷ তার নাম না না আ ইবন হারব আওফী সারিমী ৷ সে বুকায়রের হত্যাকারী বুজায়র
ইবন ওয়ারকাকে হত্যা করে ৷ বুজায়র তখন সেনাপতি ৩মুহাল্লাবের পাশে বসা ছিল ৷ সা সা আ
তাকে খঞ্জরের আঘাত করে ৷ বুজায়র গুরুতর আহত হয় ৷ তাকে সেখান থেকে তার বাড়ীতে
নিয়ে যাওয়া হয়; তখন তার অবস্থা শেষ পর্যায়ে ৷ মুহাল্লাব সাসাআকে গ্রেপ্তার করেন ৷ তারপর
তাকে আহত বুজায়রের নিকট পাঠিয়ে দেয়৷ হয় ৷ তাৰ্ক নাগালের মধ্যে পেয়েবুজায়র বলল,
ওর মাথাটা আমার পায়ের নিকট চেপে ধর ৷ লোকজন তইি করল ৷ মুমুর্বু বুজায়র তার বর্শা
দিয়ে সাসাআকে বোচা যাবে এবং তাকে হত্যা করে ৷ আর অবিলম্বে বুজায়রও মারা যায় ৷
আনাস ইবন তারিক বুজায়রকে বলেছিন সাসাআকে ছেড়ে দাও, ওকে ক্ষমা করে দাও ৷
কারণ, ভুমি বুকায়রকে হত্যা করেছ বলে সে তোমাকে আঘাত করেছে ৷ কিত্তু সে বলল, না,
তা হবে না ৷ সে যতক্ষণ জীবিত থাকবে ততক্ষণ আমার মৃত্যু হবে না ৷ এরপর সে না না তাকে
হত্যা করে ৷ কেউ কেউ বলেছেন যে, বুজায়রের মৃত্যুর পর সা সাআকে হত্যা করা হয় ৷
আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷

ইবনুল আশআছেঃ বিদ্রোহ

আবু মিখনাফ বলেন যে, এই ৮১ হিজয়ী সালে এই বিদ্রোহের সুচনা হয় ৷ ওয়াকিদী
বলেন, এই বিশৃত্খল৷ শুরু হয় ৮২ সনে ৷ ইবন জারীর এটিকে ৮১ সনের ঘটনা হিসেবে
লিপিবদ্ধ করেছেন ৷ তাই আমরা এটিকে এই সনে উল্লেখ করছি ৷

এই ফিতনা ও বিশৃৎখসার মুল কারণ এই ছিল যে, শাসনকর্তা হাজ্জাজ সেনাপতি ইবন্ল্
আশআছকে ঘৃণা করত ৷ ইবনুল আশআছ তা বুঝতেন কিন্তু বিচক্ষণত৷ হেতু সেটি প্রকাশ
করতেন না ৷ বরং মনে মনে তার প্রতিশোধ ম্পৃহা লালন করতেন ৷ তিনি হাজ্জাজের পদচ্যুতি
কামনা করত ৷ হাজ্জাজ তাকে এক বিশাল সেনাদলের সেনাপতি নিযুক্ত করেছিল ৷ ওই সেনাদল
প্রেরণ করা হয়েছিল তুর্কী বিরোধী অভিযানে ৷ ইতিপুর্বে যে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে ৷ হাজ্জাজ
তাকে তুর্কী সম্রাট রাতবীলের বাজে প্রবেশ করার জন্যে নির্দেশ দিয়েছিল ৷ ইবনুল আশআছ
অগ্রসর হয় এবং অনেক দ্র্কী শহর নগর দখল করে নেন ৷ এরপর তিনি তার অনুপামী
সৈনিকাদর সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেন যে, এই বৎসর তারা এখানে অবস্থান করে বিশ্রাম
নিবে এবং শক্তি বৃদ্ধি করবে ৷ পরবর্তী বৎসর পুনরায় অভিযান চালিয়ে তুর্কী রাজধানীসহ সকল
নগর জনপদ দখল করে নিয়ে ৷

ইবনুল আশআছ তার এই পরিকল্পনার কথা হাজ্জাজকে লিখে জানান ৷ হাজ্জাজ ফিরতি
চিঠিতে তার পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তকে উদ্ভট ও অবাস্তব আখ্যায়িত করে ৷ সে ইবনুল
আশআছকে একজন নির্বোধৃ, ভীতৃ ও কাপুরুষ আখ্যায়িত করে দোষারোপ করে ৷ সে তাকে যুদ্ধ
বিমুখ বলে অপবাদ দেয় ৷ এবং অবিলম্বে অবশ্যই রাতবীলের রাজ্যে প্রবেশের নির্দেশ দেয় ৷ এই
চিঠি পাঠানোর পর হাজ্জাজ অবিলম্বে ২য় এবং তারপর ৩য় চিঠি পাঠিয়ে অভিযানে বের হবার
তাগিদ দেয় ৷



Execution time: 0.01 render + 0.00 s transfer.