Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৯

পৃষ্ঠা ৬৩ ঠিক করুন


যাচ্ছিলেন ৷ যখনই তিনি যে অঞ্চল দখল করেছেন সেখানে তার পক্ষে একজন শাসক নিয়োগ

করে যাচ্ছিলেন, আশংকাজনক স্থানে সেনাছাউনি স্থাপন করে আসছিন্মেন ৷ এই যাত্রায় তিনি
রাতবীলের শাসনাধীন বহু শহর নগর দখল করে নেন ৷

ওদের বহু ণ্লাককে তারা বন্দী করে আনেন ৷ গনীমতের মাল হিসেরে বহু ধনসম্পদ
হস্তগত করা হয় ৷ ,

এরপর ইবনুল আশআছ তার লোকজনকে সম্মুখে অগ্নসর হতে বারণ করেন, বরং৩ তিনি
তাদেরকে নির্দেশ দেন যেন তারা বিজিত এলাকা সুন্দরড়াবে আবাদ করে, সেখানকার ষ্লমুল্
ও শস্য ইত্যাদি ভোগ করে নিজেরা কিছুট৷ শক্তি সঞ্চয় করে ৷

অতঃপর পরবর্তী বৎসরে পুনরায় শত্রুর উপর আক্রমণ চালাবে ৷ শহরের পর শহর নগর
দখল করতে করতে পৌছে ষাবে তাদের বড় শহরে ৷ ঘেরাও করে ফেলবে রাতবীল ও তার
সৈন্যদেরকে ৷ হস্তগত করবে ওদের তাবৎ ধনসম্পদ এবং হত্যা করবে ওদের যুদ্ধক্ষম
ব্যক্তিবর্গকে ৷ এই ছিল ইবনুল আশআছের আপাততঃ পরিকল্পনা ও কর্মসুচী ৷

সেনাপতি ইবন আশআছ এই পরিকল্পনার কথা লিখিতভাবে জানান শাসনকর্তা

হাজ্জাজকে ৷ ইতোমধ্যে অর্জিত সাহল্যে ও বিজয়ের কথাও তাকে অবগত করেন ৷

কেউ কেউ বলেন যে, হাজ্জাজ ইতোমধ্যে হিময়ান ইবন আদী সাদুসীকে সশস্ত্র অবস্থায়
কিরমান প্রেরণ করে যাতে সে প্রয়োজনে সিজিস্তান ও সিন্ধুর শাসনকর্তাদ্বয়কে সাহায্য করতে
পারে ৷ কিন্তু হিময়ান ও তার সাথীরা অবিলম্বে হাজ্জাজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে ৷
ওদেরকে দমন করার জন্যে হাজ্জাজ সেনাপতি ইবন আশআছকে প্রেরণ করে ৷ তিনি হিময়ানও
তার সাথীদেরকে পরাজিত করেন ৷ অতঃপর ইবন আশআছ ওহীানেই অবস্থান করছিলেন,
ইতোমধ্যে উবায়দুল্লাহ্ ইবন আবু ৰাকরা-এৱ ইনতিকাল হয় ৷ হাজ্জাজ ইবন আশআছকে
উরায়দৃন্নাহ্-এর স্থলে সিত্তিন্তোনের শাসনকর্তা নিয়োগ করে ৷ নিয়মিত ভাতার অতিরিক্তদুলক্ষ
দিরহ্াম ব্যয় করে ৷ একটি সুসজ্জিত ও সুদক্ষসেনাদল গঠন করে হাজ্জাজ তাদেরকে ইবন
আশআছের নিকট পাঠায় ৷ এই বাহিনী ময়ুর বাহিনী নামে পরিচিত ৷ সে ইবন আশআছকে
রাতবীলের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেয় ৷ ফলে ইবন আশআছ হাজ্জাজ্যো
,আনুগত্য ত্যাগ করা সংক্রান্ত চিঠি পাঠান ৫সনাপতি, মুহাল্লাবের নিকট ৷ ওয়াকিদী ও আবু
মা শাৱ বর্ণনা করেন যে, এই সনে হন্থজ্জ নেতৃত্ব দিয়েছেন আবান ইবন উছমান (রা) ৷ অন্যরা
বলেছেন, না, এই বৎসর বরং হহুজ্জ নেতৃত্ব দিয়েছেন সুলায়মান ইবন আবদুল মালিক ৷ এই
সনে সাইফা অঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন ওয়ালীদ ইবন আবদুল মালিক ৷ মদীনা শরীফের
শাসনকর্তা আবান ইবন উছমান (রা) ৷ পুর্বাঞ্চলীয় সকল এলাকার শাসনকর্তা ছিল হাজ্জাজ ৷
কুকার বিচারকের পদে আবু বুরদাহ্ ইবন আবু মুসা এবং বসরার বিচারকের পদে কর্মরত
ছিলেন মুসা ইবন আনাস ইবন মালিক (রা) ৷ ণ্

৮০ ইিজরী সনে ওন্ন্জ্যোপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

হযরত উমারের (রা) আযাদকুত দাস আসলাম (র)
তিনি হলেন আবু যায়দ ইবন আসলাম ৷ তিনি “আয়নুন নাহ্র যুদ্ধে বন্দী হওয়া লোকের
ৎশধর ৷ ১১ সনে হজ্জ করতে গিয়ে হযরত উমার (রা) তাকে মক্কা শরীফ থেকে কিনে



Execution time: 0.01 render + 0.00 s transfer.