Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৯

পৃষ্ঠা ৩৪ ঠিক করুন


এক পিঠে নিজের নাম অৎকন করে ৷ এরপর ইয়াযীদ ইবন আবদুল মালিকের শাসনামলে
ইউসুফ ইবন হুবায়রা মুদ্রা তৈরীতে উৎকর্ষ সাধন করেন ৷ এরপর হিশামের শাসনামলে খালিদ
ইবন আবদুল্লাহ কাসারী মুদ্রার সাথে ও ডিজাইনে আরো উন্নত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন ৷ এরপর
ইউসুফ ইবন উমার সর্বাধিক উন্নত পদ্ধতিতে মুদ্রায় উৎকর্ষ সাধন করেন ৷ এজন্য আব্বাসী
খলীফ৷ মানসুর হুবায়াবিয়্যাহ খালিদিয়া এবং ইউসুফিয়্যাহ মুদ্র৷ ব্যতীত অন্য মুদ্রা গ্রহণ করতেন
না ৷

উল্লেখ্য যে, সে যুগে মুসলিম রাষ্ট্ৰসমুহে বিভিন্ন প্রকারের মুদ্রার প্রচলন ছিল ৷ যেমন
বালিয়্যা দিরহাম এটির মুল্যমান ছিল ৮ দানিক ৷ তাবারিয়্যা দিরহাম এটির মুল্যমান ছিল :
দানিক ৷ ইয়ামানীদিরহাম এটির মুল্যমান ছিল ১ দানিক ৷ হযরত উনার (রা) বালিয়্যা এবং
তাবারিয়ব্র দিরহামকে একত্রিত করে পরে দুভাগেভাণ করে এক দিরহামের মুল্যমান নির্ধারণ
করেছেন ৷ ফলে এক দিরহাম-ই-শারঈ হল ই ৫ ৫ ই) মিছকাল ৷ ঐতিহাসিকপণ বলেন
যে, মিছকালের ওযন পরিবর্তিত হয় না ৷ জাহেলী যুগেও হয়নি ইসলামী যুগেও পরিবর্তন
হয়নি ৷ অবশ্য এই মন্তব্য সন্দেহমুক্ত নয় ৷ আল্লাইে ভাল জানেন ৷

এই সনে মারওয়ান ইবন মুহাম্মদ ইবন মারওয়ান ইবন হাকামের জন্ম হয়; তিনি

মারওয়ান মাল হিমার নামে পরিচিত ৷ তিনি ছিলেন উমাইয়৷ বংশের শেষ খলীফ৷ ৷ তার নিকট
থেকেই আব্বাসীণণ খিলাফত ছিনিয়ে নেন ৷ এই সনে মদীনায় শাসনকর্তা আবান ইবন উছমান
ইবন আফফান ন(রা) হজ্জ পরিচালনা করেন ৷ এই সনে ইরাকের শাসনকর্তা পদে নিয়োজিত
ছিল হাজ্জাজ ৷ খােরাসানে উমাইয়া ইবন আংদুল্লাহ্ ৷ আ ৷ল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷

৭৬ হিজরী সনে ওফ্াতপ্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

আবু উছমান আন নাহ্দী

৭৬ সনে ওফাতপ্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের একজন হলেন আবু উছমান আন নাহ্দী (রা) ৷
তার নাম আবদুর রহমান ইবন মার ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর জীবদ্দশায় তিনি ইসলাম গ্রহণ
করেন ৷ জালুলা,ধ্কাদেসিয়া, তৃসতর, নিহাদওয়ান্দ, আযরবায়জান ও অন্যান্য যুদ্ধে তিনি অংশ
নেন ৷ তিনি খুব ইবাদতগুয়ার লোক ছিলেন ৷ দুনিয়া বিরাগী, জ্ঞান বিশারদ ও সংযমী ছিলেন
আবুউছমান ৷ তিনি দীনের বেলায় রোযা রাখতেন এবং রাতের বেলায় ইবাদতে কাটাতেন ৷
তিনি ১৩০ বছর বয়সে কুফায় ইনৃতিকাল করেন ৷

সাল্লাহ্ ইবন আশীম আদাবী (র)

তিনি বসরার অধিবাসী, বিশিষ্ট তাবিঈদের একজন ছিলেন ৷ তিনি ছিলেন সম্মানিত
পরহেযণার, দুনিয়া বিমুখ ও ইবাদতকারী মানুষ ৷ তীর উপনাম আবু সাহবা ৷ খুব নামাযী
ছিলেন তিনি ৷ নামায পড়তে পড়তে ক্লান্ত হয়ে যেতেন ৷ তারপর বিছানায় আসতেন হামাগুডি
দিয়ে ৷৩ তার বহু গৌরবজনক কীর্তি ৩রয়েছে ৷ যুব সম্প্রদায়কে হাসি-তামাশায় মগ্ন দেখে তিনি
বলতেন, তোমরা বল দেখি এমন কতক লোক মারা বহু দুরে যাবার লক্ষে সফরে বেরিয়েছে ৷
তারপর তারা দিনভর ভুল পথে চলেছে আর রাতভর ঘুমিয়ে কাটিয়েছে, তাহলে কেমন করে
তারা মনযিলে মকসুদে পৌছবে ? একদিন তিনি একথা বলার পর জনৈক যুবক বলল, ওহে
আমার সাথীরা, উনি তে ৷ আমাদের কথা বলেছেন ৷ আমরা দিনভর থেলাধুলায় কাটাচ্ছি আর
রাতের বেলা ঘুমিয়ে কাটাচ্ছি ৷ সেদিন থেকে ওই যুবক সাল্লাহ্ এর সঙ্গ অবলম্বন করে এবং
তার সাথে ইবাদতে নিয়োজিত হয় ৷ ঞ্জোপ্লুর্যত ম্বুবকটি তার সঙ্গ ছাড়েনি ৷

ান্যো৪ য়ুশো০ওো৷৷


Execution time: 0.02 render + 0.00 s transfer.