Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৯

পৃষ্ঠা ১৬ ঠিক করুন

হয়?’ রাসুলুল্লাহ্ (না) বললেন, “নাবীপণ”ন্ ৷ আমি বললাম, “এরপর?” তিনি বললেন, এরপর
লেক্কার তথা সংকর্মর্ণীল ব্যক্তিবর্গ ৷ তারা কেউ কেউ ,এতাে অভাব ও দারিদ্রোর মুখোমুখি হন
যে, সম্পদ ,বর্লতে সতর ঢাকার জানা-কাপড় ব্যতীত তাদের কিছুই থাকে না ৷ তাদের কেউ
ক্লেউ উকুনের উপদ্রবের মুখোমুখি হয় ৷ উকুন বারে বারে পড়ে ৷ তারা সুখে থাকলে যত
আনন্দিত হয়, বিপদের সম্মুখীন হলে তার চাইতে অধিক আনন্দিত হয় ৷

কুতায়বা ইবন সাঈদ বলেন, লায়ছ ইবন সাদ আবু সাঈদ খুদরী (বা) থেকে বর্ণনা করেন
যে, তিনি বলেছেন৪ একদিন তার পরিবারের লোকজন তাদের অভাব-অনটনের কথা তাকে
লাসায় ৷ তাদের জান্য ৱাসুলুল্পাহ্ (সা) এর নিকট আর্থিক সাহায্য চাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বের
হলেন ৷ তিনি গিয়ে দেখলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) মিন্বরে ভাষণ দিচ্ছেন ৷ তিনি বলছেন ং


; ; : ; শ্ £ ;

ন্ ণ্ ! ’ : শ্ : : শ্ # : !) শ্

ন্ ৷

০ :

ছুট্রু৷ দ্ভুষ্টুপ্রু
হে লোক সকল ভিক্ষা চাওয়া ও সাহায্য প্রার্থনা করা থেকে বিরত থাকার সময়
এসেছে ৷ যে নিজেকে তিক্ষাবৃত্তি থেকে পবিত্র রাখবে মহান আল্লাহ তাকে তা থেকে পবিত্র
ধ্াকার ব্যবস্থা করে দিবেন ৷ যে ব্যক্তি নিজেকে পরমুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত রাখতে চায় আল্লাহ
তাকে মুক্ত রাখবেন ৷ মুহাম্মাদের (সা) প্রাণ যে সত্তার হাতে তার কসম৷ সবর ও ধৈর্য অপেক্ষা
অধিক স্বচ্ছেন্দাময়্ কোন দান মহান আল্পাহ্ কাউকে দেননি ৷ অবশ্য এরপরও তোমরা আমার
নিকট হাত পাতলে আমি তোমাদেরকে সাহায্য করব আমি যা পাই তা থেকে ৷” তাবারানী
আতা ইবন ইয়াসার সুত্রে হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে অনুয়াপ বর্ণনা করেছেন ৷

শ্বৰঙ্গুন্নাহ্ ইবন উনার (বা)

তিনি হযরত ড্রাব্দুল্পাহ্ ইবন উনার ইবন খাত্তাব কুরায়শী আদাবী (রা) ৷ তার উপনাম
আবু আবদুর রহমান ৷ তিনি মকী এবং মাদানী ৷ সাবালক হবার পুর্বেই পিতা হযরত উনার
(না)-এর সাথে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন ৷ পিতা পুব্ দু ’জীনই এক সাথে মদীনায় হিজরত
করেন ৷ তখন তার বয়স দশ বছর ৷ উহুদ যুদ্ধের দিবসে অপ্রাপ্তরয়স্ক বিবেচিত হওয়ায় যুদ্ধে
অ্যাংণর অনুমতি পাননি, তবে খন্দকের যুদ্ধে অংশঃাহণের অনুমতি পেয়েছিলেন ৷ তখন
তার বয়স ১৫ বছর ৷ পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে তিনি নিয়মিত অংশঃাহণ করেছেন ৷ উম্মুল মু’মিনীন
হযরত হাকসা (রা) এর তিনি সহোদর ভাই ৷ তাদের উভয়ের মতো হলেন উছম্ান ইবন ,
মাযউনের ণ্বান হযরত যায়নাব বিনুত মাযউন (রা) ৷

, হযরত আবদুল্লাহ (রা) একজন মধ্যম আকারের গাঢ় বাদামী বর্ণের ব্যক্তিতুসম্পন্ন পুরুষ

ছিলেন ৷ তার মাথায় ছিল দু’ র্কাধ পর্যন্ত ঝুলানাে বাবরী চুল ৷ তিনি হৃষ্টপুষ্ট স্বান্থের অধিকারী
হ্যিসন ৷ হলুদ রংয়ের খিযাব লাগাতেন ৷ পোফ কেটে ফেলাতন ৷ প্রতি ওয়াক্ত নানাযের জন্যে
উবু করতেন ৷ চোখের ভেতরে পানি প্রবেশ করাতেন ৷ তৃতীয় খলীফা হযরত উছনান (রা)
তাকে বিচারক পদে নিয়োগ দিতে চেয়েছিলেন ৷ তিনি তাতে রাযী হননি ৷ তার পিতা হযরত
উনার (বা) তাকে অনুরুপ পদে নিযুক্ত করার ইচ্ছা করেছিলেন, কিভু তিনি তাতে সযত হননি ৷
ন্,ইয়ারমুক কাদেসিয়া, জালুলাসহ এই সব যুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে অনুষ্ঠিত সকল পারসিক
বিরোধী যুদ্ধে তিনি অংশ নেন ৷ মিসৱ বিজয় যুদ্ধেও তিনি সক্রিয় অংশঃাহণ করেছিলেন ৷


পৃষ্ঠা ১৭ ঠিক করুন


মিসরে তিনি একটি বাড়ী তৈরী করেছিলেন ৷ পরবম্ভীচিত তিনি বসরা নগরীতে আসেন এবং
পারস্য যুদ্ধে অংশ নেন ৷ তিনি একাধিকবার মাদায়েন আগমন করেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না) যখন
ইনতিকাল করেন, তখন ইৰ্ন উমার (রা)-এর বয়স ছিল ২২ বছর ৷

তার ব্যক্তিগত কোন পসন্দের সম্পদ থাকলে তা আল্পাহ্র পথে সাদকা করে দিতেন ৷ তীর
ক্রীতদসিগণ তার এই বদান্যতার কথা জানত ৷ তাই তাদের কেউ কেউ দীর্ঘক্ষণ যাবত
মসজিদে অবস্থান করত ৷ ইবন উমার (বা) তা দেখে তার প্রতি খুশী হতেন এবং তাকে মুক্ত
করে দিতেন ৷ তাকে বলা হলো যে, ওরা তো আপনার সাথে প্রতারণা করে ৷ উত্তরে তিনি
বললেন, যে আল্লাহ্র নামে আমার সাথে প্রতারণা করে আমি তার জন্য প্রভাবিত হই ৷

তীর একটি ক্রীতদাসী ছিল ৷ তিনি তাকে খুব ভাল বাসতেন ৷ এক পর্যায়ে তিনি তাকে
মুক্ত করে দিলেন এবং তার মুক্ত করা ক্রীতদাস নাফি এর সাথে তাকে বিয়ে দিয়ে দিলেন ৷

প্রসঙ্গত তিনি বললেন, মহান আল্লাহ বলেছেন ৷ ৰু ৷,ন্’ম্বু@ঠু’; :ন্ ণ্ণ্ এ৷ ৷ ৷টুদ্বুঢ়; ট্রুণ্ )
(;,:,;:; তোমরা যা ভালবাস তা হতে ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কখনো পুণ্যলাভ করবে

না ৷ আলে ইমরান ৩£ ৯২) ৷ শ্
একবার তিনি একটি উট ক্রয় করেছিলেন, সেটিতে আরোহণ করার পর সেটি তীর খুব
পসন্দ হয়েছিল ৷ তিনি তার খাদিমকে ডেকে বললেন, হে নাফি ! এটি সাদকার উটগুলাের সাথে
যুক্ত করে দাও ৷ ন্
তার ক্রী তদাস নাফি কে কেনার জন্যে হযরত ইবন জা ফর ১০ হাজার দিরহাম মুল্য দিতে
চেয়েছিলেন ৷ তিনি বললেন, আমি যদি তার চাইতে উত্তম কিছু করি ? বস্তুত এই নাফি কে
আমি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে মুক্ত করে দিলাম ৷ যে এখন থেকে স্বাধীন ৷ প্
একবার তিনি চল্লিশ৷ হাজ ৷র দিরহাম দিয়ে একটি দাস ক্রয় করেছিলেন ৷ এরপর সেটিকে
মুক্ত করে দেন ৷ দাসটি বলল, মালিক! আপনি তো আমাকে স্বাধীন করে দিলেন এখন এমন
কিছু দান করুন যা অবলম্বন করে আমি বেচে থাকতে পারি ৷ তিনি তাকে চল্লিশ হ্াজার
দিরহাম দান করে দিলেন ৷
হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবন উমার (রা) একবার পাচটি দাস ক্রয় করেছিলেন ৷ তিনি নামাযে
দাড়ালেন ৷ তারাও তার পেছনে নামাযে দাড়াল ৷ তিনি ওদেরকে বললেন, কার জন্যে নামায
আদায় করেছ ? তারা বলল, আল্লাহ্র জন্যে ৷ হযরত ইবন উনার (রা) বললেন, তোমরা যার
জন্যে নামায আদায় করেছ, তার খাতিরে ণ্তামরা যুক্ত! তিনি ওদেরকে মুক্তি দিলেন ৷ মোদ্দা
কথা, তিনি যখন মারা যান, তখন তার মুক্ত করা দাসের সংখ্যা হাজারে পৌছে গিয়েছিল ৷
কোন কোন সময় তিনি এক বৈঠকে ৩০টি পর্বত দাস যুক্ত করেছেন ৷ কোন কোন সময়
এক বৈঠকে দান করেছেন ত্রিশ হাজার দিরহাম ৷ এমন অবন্থাও কেটেছে তার, দিনের পর দিন
কেটেছে, মাস কেটেছে কিন্তু কোন ইয়াতীম শিশু সাথে না নিয়ে গােশত আহার করেননি ৷
আমীর মুআবিয়া (বা) যখন ইয়াষীদের বায়আতে তর ব্যাপারে মনস্থু করলেন, তখন তিনি
ট্রুবৃন উমার (রা) এর জন্যে এক লক্ষ দিরহাম হাদিয়৷ প্রেরণ করেন ৷ এক বছর অতিবাত
হতে না হতে ওই বিশাল অর্থের সবই শেষ হয়ে যায় ৷ তিনি বলক্ক তা যে, আমি কারো নিকট
কিছু চাই না ৷ কিন্তু মহান আল্লাহ্ জীবিকা রুপে আমাকে যা দেন তা আমি প্রত্যাখ্যান করি না ৷
মুসলমানদের রাজনৈতিক ফিতনা ও বিপর্যয়ের সময়ে যখন যিনি শাসনকর্তা হয়েছেন
তাদের সবার প্রতি তিনি আনুগত ৷ প্রকাশ করেছেন ৷ সবার ইকতিদায় নামায আদায় করেছেন
এবং সবার নিকট যাকাত পরিশোধ করেছেল্লু৷ জ্জর নিয়ম-কাবুল সম্পর্কে তিনি সবার চাইতে


পৃষ্ঠা ১৮ ঠিক করুন

বেশী অভিজ্ঞ ছিলেন ৷ বিদায় হরুজ্জ রাসুলুল্লাহ্ (না) যেখানে যেখানে নামায আদায় করেছিলেন,
তিনি হাজ্জর সময় সে সকল স্থানে নামায আদায় করতেন ৷ এমনকি বিদায় হাজ্জ রাসুলুল্লাহ্
(সা) একটি বৃক্ষের ছায়ায় যাত্রা বিরতি করেছিলেন এবং অবস্থান করেছিলেন ৷ ইবন উমার
(রা) ওই বৃক্ষের নীচে যেতেন, সেটির গোড়ার পানি দিতেন ৷ কোন দিন ইশার জামাআত ছুটে
গেলে ওই রাতে সারারাত জেগে ইবাদত করতেন ৷ নিয়মিত রাতের অধিকাংশ সময় ইবাদতে
কটিাতেন ৷ বলা হয় যে, ইবন উমার (রা) যখন ইনতিকাল করেন, তখন তিনি তার পিতার
ন্যায় মর্যাদা র অধিকারী হয়েই ইনতিকা ৷ল করেন ৷ যখন তার মৃত্যু হয়, তখন জীবিতদের মধ্যে
তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন ৷ একাধারে ষাট বছর পর্যন্ত তিনি (দশ-বিদেশের
সকল লোকের সমস্যা সমাধানে ফাতওয়৷ দিয়ে গিয়েছেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে
তিনি বহু হাদীস বর্ণনা করেছেন ৷ তিনি হযরত আবু বাকর সিদ্দীক (র), উমার (রা), উছমান
(রা), সাদ (রা), ইবন মাসউদ (রা), হাফসা (রা), আইশা (রা) ও অন্যদের থেকে হাদীস
বর্ণনা করেছেন ৷ত তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেনত তার পুত্র হামযা, বিলাল, যায়দ, সালিম,
আবদুল্লাহ, উবায়দুল্লাহ্, উমার, তার পিতার মুক্ত করা ক্রীতদ স আসলাম, আনাস ইবন
সীরীন, হাসান, সাঈদ ইবন জুবায়র, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব, তউিস, উরওয়া, আতা, ইকরিমা,
মুজাহিদ, ইবন সীরীন , যুহরী এবং তার ক্রীতদাস নাফিসহ বহু লোক ৷

সহীহ হাদীস গ্রন্থে উদ্ধৃত আছে যে, হাফসা (রা) থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ্ (সা)
বলেছেনং ৷ ( নিশ্চয়ই আবদুল্লাহ একজন
ভাল মানুষ ৷ সে যদি রাতে ইবাদত করত, তাহলে আরো ভাল হত !) ৷ এরপর থেকে তিনি
রাত ণ্জাগ ইবাদত করতেন ৷

হযরত ইবন মাসউদ (রা) বলেন, কুরায়শ বংশে সর্বাধিক আত্মসংষমী ও দৃনিয়াবিমুখ ,
যুবক হলেন ইবন উনার (রা) ৷ হযরত জাবির (বা) বলেন, আমাদের মধ্যে যে-ই পার্থিব
সুযোগ পেয়েছে, সে দুনিয়ার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে আর দৃনিয়াও তার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে ৷
একমাত্র ইবন উমার (বা) তার ব্যতিক্রম ৷ আর যে-ই দুনিয়ার সুযোগ ভোগ করেছে আল্লাহর
নিকট তার মর্যাদাহ্রাস পেয়েছে, যদিও মহান আল্লাহ্ তার প্রতি মহানুভবত৷ দেখিয়েছেন ৷

সাইদ ইবন খুসায়াব বলেন, যেদিন ইবন উমার (রা) এর ইনৃতিকাল হয়, সেদিন
আল্লাহর সাক্ষাতে যেতে তার চাইতে অধিক আগ্রহী কেউ ছিল না ৷ এ আগ্রহ ছিল আল্লাহ্ব্র
সন্তুষ্টি বিধানে তার লেক আমলের বদৌলতে ৷ ’ প্

যুহরী বলেন, হযরত আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রা)ত তার রায় ও সিদ্ধান্ত ঘোষণার সত্যচ্যুত
হতেন না ৷ কারণ, রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর ওফাতের পর তিনি ৬০ বছর জীবিত ছিলেন ৷
অন্যদিকে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর এবং তার সাহাবীদের কোন বিষয় তার অজানা ছিল না ৷

ইমাম মালিক বলেন, ইবন উমার (রা) ৮৬ বছর হায়াত পেয়েছিলেন ৷ তার মধ্যে ৬০
বছর তিনি ইসলামী দুনিয়ার ফাতওয়া প্রদান করেছেন ৷ দেশ-বিদ্যেশর বিভিন্ন স্থান থেকে
প্রতিনিধি দল তীর নিকট আগমন করত ৷ ওয়া ৷কিদী প্রমুখ একদল আ ৷লিম বলেছেন, ৭৪ হিজরী
সনে হযরত আবদুল্লাহ ইবন উমার (রা) এর ইনৃতিকাল হয় ৷ যুবায়র ইবন বাক্কার ও
অন্যান্যরা বলেছেন যে, তার ওফ৷ ত হস্তুয়রুছুত্যুঃও১ন্যাক্কুব্লু ব্লুন ৷ আল্লাহ্ই ভাল জা নেন ৷

া৷

পৃষ্ঠা ১৯ ঠিক করুন


উবায়দ ইবন উমায়র

৭৪ সনে শীর্ষস্থানীয় যারা ইনতিক৷ ৷ল করেন তাদের একজন হলেন উবায়দ ইবন উমায়র
ইবন কাতাদা ইবন সা দ ইবন আমির ইবন খানদা ইবন লায়ছ লায়হী খানদাঈ তার উপনায
আবু আসিম যকী ৷ তিনি মক্কার বিচারক রুপে দায়িতু পালন করেছিলেন ৷ ণ্

মুসলিম ইবন হাজ্জাজ বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর জীবদ্দশায় উবায়দের জন্ম হয়,
কেউ কেউ বলেন যে, তিনি রাসুলুল্লাহ্ (সা) কে স্বচক্ষে দেখেছেন ৷ত তার পিতা উমায়র (রা)
থেকে তিনি হাদীস বর্ণনা করেছেন ৷ উমায়র (রা) রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাহাবী ছিলেন ৷ হযরত
উমার (রা), আলী (রা), আবু হুরায়রা (রা), ইবন আব্বাস (রা), ইবন উমার (রা), উম্মু
সাবলামা (বা) এবং অন্যান্যদের বরাতেও উবায়দ হাদীস বর্ণনা করেছেন ৷৩ তাবিঈদের একটি দল

বংঅন্যান্যরা তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন ৷

ইবন মাঈন, আবু যুরআসহ অনেকে তাকে আহু ৷জন হাদীস বর্ণনাকারীরুপে আখ্যায়িত
করেছেন ৷ হযরত আবদুল্লাহ ইবন উনার (বা) তার মজলিসে বসতেন এবং কাদতে ন ৷ উবায়দ
ইবন উমায়রের উপদেশমুলক কথাবার্তা তার ভাল লাগত ৷ উবায়দ একজন সুবক্ত৷ ছিলেন ৷
আল্লাহর তয়ে তিনি র্কাদতেন, খুব র্কাদতেন, তার চোখের পানিতে পাথরকুচি ভিজে যেত ৷

মাহ্দী ইবন মায়মুন গায়লান ইবন জারীর সুত্রে বলেন যে, উবায়দ ইবন উমায়র যখন
কারো সাথে ভ্রাতৃতু সম্পর্ক গড়তেন, তখন তাকে নিয়ে কিবলামুখী র্দাড়াতেন এবং বলতেন, হে
আল্লাহ ! আপনার নবী যা এসেছেন তার বরকতে আমাদেরকে সৌভাগ্যবান করে দিন ৷ মুহাম্মাদ
(সা)-কে আমাদের ঈমানের সাক্ষী বানিয়ে দিন ৷ আপনি তো বিলম্ব ব্যতীত পুর্বেই আমাদের
জন্যে কল্যাণ নির্ধারিত করে দিয়েছেন ৷ আমাদের অম্ভরে যেন কা ৷ঠিন্য না থাকে ৷ আমরা যেন
অসত্য কথা না বলি, যে বিষয়ে আমাদের জ্ঞান নেই, যে বিষয়ে পাল্টা প্রশ্ন না করি ৷

ইমাম বুখায়ী (র) ইবন জুরায়জ সুত্রে বর্ণনা করেছেন যে, হযরত ইবন উমার (রা) এর
পুর্বে উবায়দ ইবন উমায়রের ওফাত হয় ৷

ৰাৰু ম্বুহায়ক্ষা (না)

৭৪ সনে হাদের ওফাত হয় তাদের একজন হলেন হযরত আবু ত্তুহায়ফ৷ ৷ ওয়াবে ইবন
আবদৃল্পাহ্ সাওয়াই (রা) ৷ তিনি সাহাবী ছিলেন স্বচক্ষে রাসুলুল্পাহ্ (না)-কে দেখেছিলেন ৷
রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর ইনৃতিকালের সময় আবু জুহায়ফা (রা) নাবালক ছিলেন ৷ এতদ্সত্বেও
তিনি রাসুলুল্লাহ্ (না) থেকে একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন ৷ হযরত আলী (রা) এবং বারা’
ইবন আবীর (রা) থেকেও তিনি হাদীস বর্ণনা করেছেন ৷ ইসমাঈল ইবন আবু খালিদ, হাকাম,
সালামা ইবন কুহায়ল, শাবী এবং আবু ইসহাক সুবায়ঈসহ অনেক তাবিঈ তার থেকে হাদীস
বর্ণনা করেছেন৷ তিনি কুফায় অবস্থান করতেন, সেখানে একটি বসতবাটি তৈরী করেছিলেন ৷
এই ৭৪ সনে তার ওফাত হয় ৷ কেউ কেউ বলেন যে, ৯৪ হিজরী সনে তার ওফাত হয় ৷
আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷ তিনি হযরত আলী (রা)-এর দেহরক্ষী ছিলেন ৷ হযরত আলী (রা)-এর
ৰুতবা দেয়ার সময় আবু জুহায়যহৃ৷ (না) তার মিম্বরের নীচে দীড়িয়ে থাকতেন ৷

সাশাযা ইবন আকওয়া

তিনি হলেন সালামা ইবন আকওয়া ইবন আমর ইবন সিনান আনসারী ৷ হুদায়বিয়ার
সন্ধির ঘটনায় বৃক্ষ-তলায় যারা রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর হাতে জিহাদের বায়আত করেছিলেন
হযরত সালামা (বা) তাদের একজন ৷ সাহাবীদের মধ্যে তিনি অশ্ব চালনায় খ্যাতি অর্জন



Execution time: 0.02 render + 0.00 s transfer.