Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৭

অধ্যায় পৃষ্ঠা মোট
১। ১৩ হিজরী সাল ১৩
২। ইয়ারমুকের যুদ্ধ ১৭ ২২
৩। ইয়ারমুক যুদ্ধের পর লিবিয়ার শাসনভার খালিদ (বা) হতে অবূ উবায়দা (রা)- এর নিকট হস্তান্তর ৩৮
৪। হযরত খালিদের সিরিয়ার চলে আসার পর ইরাকে যা ঘটেছে ৩৯
৫। হযরত উমর (রা)-এর খিলাফত লাভ ৪২
৬। দামেশক বিজয় ৪৪
৭। অধ্যায় : দামেশক শক্তি প্রয়ােগে না সন্ধির মাধ্যমে বিজিত হয় ৫০
৮। ফিহল-এর যুদ্ধ ৫৩
৯। ইরাকে সংঘটিত যুদ্ধ ৫৪
১০। দামারিকের যুদ্ধ ৫৫
১১। আবূউবায়দা- এর সেতুর যুদ্ধ, মুসলিম প্রধান সেনাপতি ও বহু মুসলিম সৈনিকের শাহাদাত ৫৭
১২। বুওয়ায়ব-এর যুদ্ধ : পারসিকদের উপর মুসলমানদের প্রতিশোধ গ্রহণ ৫৯
১৩। মতবিরোধের পর পারসিকদের সম্রাট হিসেবে ইয়াযদগিরদকে মনোনয়ন - ৬১
১৪। ১৩ হিজরী সনের ঘটনাপঞ্জি ৬৪
১৫। হিজরী ১৩ সালে যাঁরা ইনতিকাল করেছেন ৬৫
১৬। হিজরী ১৪ সন ৭০
১৭। কাদেসিয়ার যুদ্ধ ৭৪ ২২
১৮। ১৪ হিজরী সালে যে সকল প্রসিদ্ধ লোক ইন্তিকাল করেন ৯৫
১৯। ১৪ হিজরী সালে শাহাদতবরণকারী ৯৭
২০। ১৫ হিজরী সন ১০০
২১। হিমসের প্রথম যুদ্ধ ১০১
২২। কিন্নাসরীনের যুদ্ধ ১০১
২৩। কায়সারিয়্যার যুদ্ধ ১০৩
২৪। আজনাদায়নের যুদ্ধ ১০৪
২৫। হযরত উমর ইবন খাত্তাব (রা)-এর হাতে বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয় ১০৭ ১০
২৬। নাহারশীরের যুদ্ধ ১১৬
২৭। ১৫ হিজরী সনে যাঁরা ইনতিকাল করেন ১১৭
২৮। ১৬ হিজরী সাল ১২০
২৯। মাদাইন বিজয় ১২২
৩০। জালূলার যুদ্ধ ১৩০
৩১। হুলওয়ানের যুদ্ধ ১৩৪
৩২। তিকরীত ও মুসেল বিজয় ১৩৪
৩৩। ইরাকের 'মাসিবযান' বিজয় ১৩৬
৩৪। কিরকীসিয়্যাহ ও হীত বিজয় ১৩৬
৩৫। হিজরী ১৭ সাল ১৪০
৩৬। আবূ উবায়দা (রা) : রােমানগণ কর্তৃক হিমসে তাঁর অবরুদ্ধ থাকা এবং খলীফা উমর (রা)-এর সিরিয়া আগমন ১৪১
৩৭। জাযীরা বিজয় ১৪২
৩৮। আমওয়াসে প্লেগ রোগের প্রাদুর্ভাব ১৪৬
৩৯। এই বছরের অস্বাভাবিক ঘটনা ১৫০
৪০। কিন্নাসরীন থেকে হযরত খালিদের অপসারণ ১৫০
৪১। আহওয়ায, মানাযির ও নাহার তায়রী বিজয় ১৫৪
৪২। প্রথম বার তুসতার জয় সন্ধির মাধ্যমে ১৫৫
৪৩। বাহরাইন অঞ্চলের শহরগুলো জয় করার জন্যে যুদ্ধ ১৫৬
৪৪। দ্বিতীয়বার তুসতার জয়, হুরমুযান বন্দী ও খলীফা উমর (রা)-এর দরবারে প্রেরণ ১৫৮
৪৫। সুইস (সূস) বিজয় ১৬১
৪৬। ১৮ হিজরী সাল ১৬৭ ১৪
৪৭। ১৯ হিজরীর প্রারম্ভ ১৮০
৪৮। এ বছরে পরলোকগত মহান ব্যক্তিবর্গের বিবরণ ১৮১
৪৯। ২০ হিজরী সাল ১৮২
৫০। ইবন ইসহাক ও সাইফ হতে বর্ণিত মিসর বিজয়ের রূপরেখা ১৮২
৫১। মিসরের নীলনদের কাহিনী ১৮৭
৫২। এ সনে যেসব মনীষী ইনতিকাল করেন, তাঁদের বর্ণনা ১৮৯
৫৩। ২১ হিজরীর শুরু নেহাওয়ান্দের ঘটনা ১৯৬ ১৪
৫৪। ২১ হিজরীতে যারা ইনতিকাল করেছেন তাঁদের বিবরণ ২০৯ ১৪
৫৫। ২২ হিজরীর প্রারশু ২২২
৫৬। রাই-এর বিজয় ২২৪
৫৭। কােমাস বিজয় ২২৪
৫৮। জুরজানের বিজয় ২২৪
৫৯। আযারবাইজানের বিজয় ২২৪
৬০। আল বারের বিজয় ২২৫
৬১। তুর্কীদের বিরুদ্ধে প্রথম যুদ্ধ ২২৬
৬২। বাধের কাহিনী ২২৭
৬৩। বাধের বিবরণের বাকি অংশ ২২৯
৬৪। ইয়াযদগিরদ ইবন শাহারিয়ার ইবন কিসরার কাহিনী ২৩১
৬৫। আহনাফ ইবন কইসি (রা) ও খুরাসান ২৩২
৬৬। ২৩ হিজরীর সূচনা ২৩৮
৬৭। ফাসা ও দার আবজারদ- এর বিজয় এবং সারীয়া ইবন যুনাইম- এর কাহিনী ২৩৮
৬৮। কিরমান, সিজিস্তান ও মাকরানের বিজয় ২৪১
৬৯। কূর্দীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ২৪২
৭০। সালামাহ ইবন কইসি আল-আশজায়ী ও কুর্দীদের সংবাদ ২৪৩ ১০
৭১। হযরত উমর (রা)-এর আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য ২৫২
৭২। হযরত উমর (রা)-এর স্ত্রী ও সত্তান-সন্ততিগণের বিবরণ ২৫৩
৭৩। হযরত উমর (রা) -এর প্ৰতি উৎসর্গকৃত কিছু গােকগাথার বিবরণ ২৫৫
৭৪। আমীরুল মু’মিনীন হযরত উসমান ইবন আফফান (বা)-এর খিলাফত- ২৪ হিজরী সনের প্রথম দিন ২৬২ ১৩
৭৫। ২৫ হিজরীর প্রারম্ভ ২৭৪
৭৬। ২৬ হিজরীর প্রারম্ভ ২৭৪
৭৭। ২৭ হিজরীর প্রারম্ভ ২৭৫
৭৮। আফ্রিকার যুদ্ধ ২৭৫
৭৯। আন্দুলুসের যুদ্ধ ২৭৫
৮০। বারবারের রজাে জারজীরের ঘটনা ২৭৬
৮১। ২৮ হিজয়ীর প্রারশু সইপ্রাসের বিজয় ২৭৭
৮২। ২৯ হিজরীর প্রারশু ২৭৮
৮৩। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর হিজরতের ৩০ তম বছর ২৮০
৮৪। ৩১ হিজরীর প্রারশু ২৮৪
৮৫। পারস্য সম্রাট ইয়াযদগারাদের নিহত হবার বিবরণ ২৮৬
৮৬। ৩২ হিজরীর প্রারম্ভ ২৮৯
৮৭। এ বছর যেসব ব্যক্তিত্ব ওফাত গ্রহণ করেন তাদের বিবরণ ২৯১
৮৮। ৩৩ হিজরীর প্রারম্ভ ২৯৮
৮৯। ৩৪ হিজরীর প্রারম্ন ৩০০
৯০। ৩৫ হিজরীর আগমন ও হযরত উসমান (রা)-এর নিহত হওয়ার ঘটনা ৩০৭
৯১। দ্বিতীয় বার মিসর থেকে উসমান (রা) -এর কাছে বিভিন্ন দলের আগমন ৩১৩
৯২। আমীরুল মুমিনীন উসমান ইবন আফফান (রা)-এর অবরোধের ঘটনা ৩১৯
৯৩। অবরোধের বিবরণ ৩২৭
৯৪। উসমান (রা) -এর হত্যার বিবরণ ৩৩১
৯৫। উসমান (রা)-এর হত্যার পর সাহাবীগণের প্রতিক্রিয়া ৩৩৯
৯৬। অবরুদ্ধ জীবন, বয়স ও দাফন প্রসঙ্গ ৩৪১
৯৭। উসমান (রা)-এর গুণ ও বৈশিষ্ট্য ৩৪৪
৯৮। উসমান (রা) হত্যার ঘটনা ইসলামে ছিল প্রথম ফিতনা ৩৪৫
৯৯। কতিপয় শোকগাথা ৩৫১
১০০। পরিচ্ছেদ : একটা জিজ্ঞাসা ও তার জবাব ৩৫৪
১০১। উসমান (রা)-এর ফযীলত বিষয়ে কতিপয় হাদীস ৩৫৭
১০২। উসমান (রা)-এর পরিচিতি ৩৫৭ ১০
১০৩। হাফসা সূত্রে অপর এক বর্ণনা ৩৬৬
১০৪। ইব্ন আব্বাস (রা) সূত্রে অপর বর্ণনা ৩৬৬
১০৫। ইব্ন উমর (রা) থেকে ভিন্ন সূত্রের বর্ণনা ৩৬৬
১০৬। ইব্ন উমর (রা) থেকে অন্য এক সূত্রে বণিতি হাদীস ৩৬৯
১০৭। ভিন্ন ভাষায় ইব্ন উমর (রা) থেকে অপর এক বর্ণনা ৩৬৯
১০৮। দ্বিতীয় প্রকার হাদীস, যাতে কেবল উসমান (রা)-এর ফযীলত বর্ণিত হয়েছে ৩৭০
১০৯। ভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হাদীস ৩৭৪
১১০। তালহা সূত্রে আর একটি হাদীস ৩৭৯
১১১। উসমান (রা) এর কিঞ্চিৎ জীবনালেখ্য, যা থেকে তার শ্রেষ্ঠত্ব বৈশিস্ট্রের প্রমাণ পাওয়া যায় ৩৮২
১১২। তাঁর ভাষণের কিছু নমুনা ৩৮৫
১১৩। কতিপয় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ৩৮৭
১১৪। উসমান (বা) এর গুণাবলী ৩৮৮
১১৫। উসমান (রা) এর স্ত্রী, পুত্র-কন্যা প্রসঙ্গ ৩৯২
১১৬। আমীরুল মূ'মিনীন আলী ইবন আবূ তালিব (রা)-এর খিলাফাত ৪০০
১১৭। আলী (রা)-এর হাতে খিলাফতের বায়আত প্রসঙ্গ ৪০৬
১১৮। শুরু হলো হিজরী ৩৬ সাল ৪১১
১১৯। জামাল (উটের) যুদ্ধের সূচনা ৪১২
১২০। শাম- এর পরিবর্তে হযরত আলী (রা) এর মদীনা হতে বসরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিনিধিদের আগমন ৪১৯ ২৩
১২১। উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিনিধীদের আগমন ৪৪১
১২২। পরিচ্ছেদ : জামাল যুদ্ধে উভয় পক্ষের নিহত শ্রেষ্ঠ অভিজাত সাহাবীগণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের আলোচনা ৪৪৩
১২৩। তালহা ইবন ঊবায়দুল্লাহ (রা) ৪৪৩
১২৪। যুবায়র ইবনুল আওয়াম ইবন খুওয়ায়লিদ (রা) ৪৪৭
১২৫। ছত্রিশ হিজরীৱ অপরাপর ঘটনাপঞ্জী ৪৫০
১২৬। পবিচ্ছেদ : ইরাকবাসী ও শামবাসীদের মধ্যে সংঘটিত সিফফীনের যুদ্ধ ৪৫৬
১২৭। হিজরী সাইত্রিশ সনের সূচনা ৪৬৪ ৩০
১২৮। শামীদের পবিত্র কুরআন উত্তোলন ৪৯৩
১২৯। সালিসি ঘটনা ৫০০
১৩০। খারিজী সম্প্রদায়ের উদ্ভব ৫০৩
১৩১। দৃমাতুল জানদালে সালিসদ্বয়ের উপস্থিতি আবূ মূসা ও আমর ইবনুল আস ৫১০
১৩২। খারিজীদের কূফা ত্যাগ ও আলীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ৫১৪
১৩৩। খারিজীদের বিরুদ্ধে আমীরুল মুমিনীন হযরত আলী (রা)- এর অভিযান ৫২০
১৩৪। খারিজী সম্প্রদায় সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে বর্ণিত মাবকূ হাদীসসমূহ ৫২৪ ১০
১৩৫। দ্বিতীয় হাদীস ইবন মাসঊদ বর্ণিত ৫৩৩
১৩৬। তৃতীয় হাদীস : আনাস ইবন মালিক বর্ণিত ৫৩৩
১৩৭। চতুর্থ হাদীস : জাবির ইবন আবদুল্লাহ বর্ণিত ৫৩৪
১৩৮। পঞ্চম হাদীস : বর্ণনাকারী- সা’দ ইবন মালিক ইবন উহাইব যুহরী, অপর নাম সা'দ ইবন আবী ওয়াক্কাস ৫৩৫
১৩৯। ষষ্ঠ হাদীস : বর্ণনাকারী আবূ সাঈদ সা দ ইবন মালিক ইবন সিনান আনসারী, তার থেকে বিভিন্ন সূত্রে এ হাদীস বর্ণিত ৫৩৬
১৪০। অষ্টম হাদীস : বর্ণনাকারী সালমান ফারসী (রা) ৫৪১
১৪১। নবম হাদীস : সড়াহল ইবন হুনাইফ আনসারী বর্ণিত ৫৪১
১৪২। দশম হাদীস : ইবন আব্বাস বর্ণিত ৫৪২
১৪৩। একাদশ হাদীস : ইবন উমর বর্ণিত ৫৪২
১৪৪। দ্বাদশ হাদীস : আবদুল্লাহ্ ইবন উমর বর্ণিত ৫৪৩
১৪৫। ত্রয়োদশ হাদীস : আবূযার (রা) বর্ণিত ৫৪৩
১৪৬। চতুর্দশ হাদীস : উমুল মূমিনীন আয়েশা (রা) বর্ণিত ৫৪৪
১৪৭। দুইজন সাহাবী থেকে বর্ণিত আরও একটি হাদীস ৫৪৫
১৪৮। খারিজীদের বিরুদ্ধে আলীর যুদ্ধ সম্পর্কীয় হাদীস ৫৪৫
১৪৯। এ সম্পর্কে ইবন মাসঊদের হাদীস ৫৪৬
১৫০। আবূ সাঈদের হাদীস ৫৪৬
১৫১। আবূ আইয়ূবের হাদীস ৫৪৭
১৫২। হিঃ ৩৭ সালে যে সব মহান ব্যক্তির মৃত্যু হয় ৫৫৩
১৫৩। হিজরী ৩৮ সন ৫৫৭
১৫৪। হিজরী ৩৮ সালে যে সব সাহাবীর ইনতিকাল হয় ৫৬৫
১৫৫। হিজরী ৩৯ সাল ৫৬৮
১৫৬। এ বছরে যেসব বিশিষ্ট ব্যক্তি ইনতিকাল করেন ৫৭১
১৫৭। হিজরী ৪০ সন ৫৭২
১৫৮। আমীরুল মূমিনীন আলী ইবন আবূ তালিবের শাহাদাত ৫৭৪
১৫৯। এ সম্পকে হাদীসে বর্ণিত ভ্যবিষ্যদ্বাণী ৫৭৪
১৬০। ভিন্ন সুত্র ৫৭৫
১৬১। অপর সূত্র ৫৭৫
১৬২। আলী (রা) থেকে আরেক সূত্র ৫৭৫
১৬৩। আলী ইবনআবু তালিব (রা) থেকে ভিন্ন সূত্র ৫৭৬
১৬৪। ভিন্ন সুত্র ৫৭৬
১৬৫। এ সম্পর্কে আর এক হাদীস ৫৭৭
১৬৬। অনুরূপ অর্থে আর এক হাদীস ৫৭৭
১৬৭। আলী (রা)-এর হত্যার ঘটনা ৫৭৮ ১০
১৬৮। আলী (রা)-এর স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাদের বর্ণনা ৫৮৭
১৬৯। আমীরুল মূ'মিনীন আলী ইবন আবূ তালিবের কতিপয় ফযীলত (বৈশিষ্ট্য) ৫৯০
১৭০। ভ্রাতৃ বন্ধনের বর্ণনা ৫৯৪ ১১
১৭১। আলী (রা)- এর সাথে ফাতিমাতুয যাহরার বিবাহ ৬০৪
১৭২। আরও একটি হাদীস ৬০৫
১৭৩। আর একটি হাদীস ৬০৭
১৭৪। গাদীরে খাম এর ঘটনা ৬১২
১৭৫। পাখির হাদীস ৬১৭
১৭৬। আলী (রা)-এর ফযীলত সম্পর্কে আরও কতিপয় হাদীস ৬২২
১৭৭। রুকূ অবস্থায় আলীর আংটি দান করার হাদীস ৬২৭

Execution time: 0.16 render + 0.01 s transfer.