Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৪

পৃষ্ঠা ৩৯০ ঠিক করুন

হাবশী লোককে তার সাথে রেখে গেলেন ও তাকে পাহার৷ (করার জন্যে বললেন আর যদি কোন
প্রকার খিয়ানত করে তাহলে তার গর্দান উড়িয়ে দেরারও অনুমতি দিলেন ৷ রাবী বলেন “আমরা
বাতনে কাদীদ’ নামক স্থানে আসরের পর পৌছলাম ৷ সেখানে অভিযান চালাবার জন্যে আমার
সাথীর৷ আমাকে একটি টিলায় পৌছ৷ ৷র লক্ষে৷ প্রেরণ করেন ৷ আমিও টিলায় উঠা ৷র ইচ্ছা পোষণ
করি যাতে করে আমি কারা পানি নিয়ে আসে তা প্রত্যক্ষ করতে পারি ৷ টিলায় উঠে মুখ নিচের
দিকে দিয়ে তথায় আমি শুয়ে পড়লাম ৷ তখন ছিল সুর্যাস্তলগ্ন ৷ শত্রুপক্ষের একজন লোক ঘর
থেকে বের হয়ে আসল এবং আমাকে টিলায় উপর নিচের দিকে মুখ করে ণ্ডইয়ে থ ৷কতে দেখল;
কিন্তু মানুষ বলে সে নিশ্চিত হতে পারলােনা ৷ তাই সেত ৷৩র শ্রীকে বলল, “আমি ঐ টিলায় উপর
যেন একটি মানুষের ছায়া দেখতে পাচ্ছি যা দিনের প্রথম ভাগে দেখি নাই ন্ লক্ষ্য কর কোন
কুকুরত নয় যা তোমার হাড়ি পাত্র থেকে কিছু থেয়ে নিয়েছে” মহিলাটি খোজ নিল এবং বলল,
“না আমার কোন জিনিস হারানো যায়নি বা কোন কিছু কোন প্রাণী থেয়ে নিয়েছে বলেও মনে হচ্ছে
না ৷ লোকটি তার স্তীকে একটি ধনুক ও কোষ হতে ৩দৃইটি তীর প্রদান করার জন্যে নির্দেশ দিল ৷
মহিলা তার হাতে দুইটি তীর তুলে দিল ৷ সে আমার পাজর লক্ষ্য করে একটি তীর নিক্ষেপ
করল, কিৎব৷ রাবী বলেন সে আমার কপাল লক্ষ্য করে একটি তীর নিক্ষেপ করল ৷ আমি তীরটি
আমার শরীর থেকে বের করে নিলাম এবং পাশে রেখে দিলাম ৷ আর কোন প্রকার নড়াচড়া
করলাম না ৷ এরপর সে আমার দিকে দ্বিতীয় তীরটি নিক্ষেপ করল এবং তা আমার বাহুতে বিদ্ধ
হল ৷ আমি এটাও খুলে নিলাম এবং পাশে রেখে দিলাম: কিন্তু কোন নড়াচড়া করলাম না ৷ সে
তার ত্রীকে বলল, আমার দুই দুইটি তীরই তাকে আঘাত করেছে ৷ যদি কোন সন্দেহের বস্তু হত
তাহলে অবশ্যই যে নড়াচড়া করত ৷ যখন ভোর হবে তখন তুমি আমার তীরগুলাে খোজ করে
আনবে ৷ কুকুরের জন্যে আমরা এগুলো অযথ৷ ফেলে রাখব না ৷ গালিব (বা) বলেন, “(
আমাকে প্রচুর সময় দিল ৷ এমনকি যখন তাদের হৈচৈ থেমে গেল তারা দৃধপান করল, মদ পান
করল, নীরব হয়ে পড়ল এবং রাতের একাং ×শ কেটে (পল ৷ তখন আমরা তাদের উপর আক্রমণ
চালালাম ৷ তাদেরকে হত্যা করলাম, তাদের পশুপালকে হাকিয়ে নিয়ে আসতে লাগলাম এবং
আমরা এগুলো নিয়ে ফেরত আমার জন্যে রওয়ান৷ হলাম ৷ এমন সময় বিষয়টি জানাজানি হয়ে
গেলে তাদের সম্প্রদায়ের বাকী লোকজন আমাদের দিকে ছুটে আসল ৷ রাবী বলেন আমরা অতি
দ্রুত দৌড়াতে লাগলাম ৷ হারিছ ইবন মালিক ইবন আল-বারসা ও তার সাথীর স ৷ক্ষাত পেলাম ৷
তাকে আমাদের সাথে নিয়ে নিলাম ৷ লোকজনের হৈচৈ আমাদের কা নে পৌছতে লাগল ৷ তারা
এত অধিক সংখ্যায় আসছিল যে, তাদের মুকাবিল৷ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না ৷ যখন
তাদের মধ্যেও আমাদের মধ্যে শুধুমাত্র কাদীদের উপত্যকা ৷র দুরৎ বিরাজমান ছিল ৷ তখন আল্লাহ

তাআল৷ পানির ঢল প্রেরণ করলেন ৷ বর্তমানে কি×বা অতীতে তও কোন প্রকার বৃষ্টির অস্তিত্ব দেখা
যায়নি ৷ পানির এ ঢলের জন্যে কেউ আর সামনের দিকে অগ্রসর হতে পারল না ৷ আমরা
তাদেরকে থ’ হয়ে র্দ৷ ড়িয়ে থাকতে দেখতে পেলাম ৷ আর তারাও আমাদেরকে দণ্ডায়মান অবস্থায়
দেখতে পেল ৷ তারা ৷শুধু আমাদের দিকে৩ ৷কিয়ে ছিল ৷ সামনে তাঃাসর হওয়া কারো পক্ষে সম্ভব
ছিল না ৷ শত্রু পক্ষের জন্তু আনোয়ার ও অন্যান্য সম্পদসহ অনাপথে দ্রুত রাস্তার দিকে আমরা
অগ্রসর হলাম ৷ শত্রুকে পিছনে ফেলে আমরা দ্রুত গতিতে মদীনায় চলে আসলাম ৷



Execution time: 0.03 render + 0.00 s transfer.