Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৪

পৃষ্ঠা ১৭২ ঠিক করুন

দ্বিতীয় বদর যুদ্ধ

এটি ছিল সেই প্রতিশ্রুতি যুদ্ধ উহুদ থেকে ফেরার পথে যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল ৷ ইবন
ইসহাক বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) যাতুর রিকা অভিযান শেষে মদীনায় ফিরে এলেন ৷ জুমাদাল উলা
মাসের অবশিষ্ট দিনগুলো, জুমাদাল উখরা মাস এবং রজব মাস তিনি মদীনায় অবস্থান করেন ৷

আবু সুফিয়ানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুদ্ধ মুকাবিলার জন্যে তিনি বদরের উদ্দেশ্যে যাত্রা
করেন শাবান মাসে ৷

ইবন হিশাম বলেন, এ অভিযানকালে মদীনায় দায়িত্বভার দেয়৷ হ্ন্থয়ছিল আবদুল্লাহ্ (রা) ইবন
আবদুল্লাহ ইবন উবাই ইবন সালুলকে ৷ ইবন ইসহাক বলেন, রাসুলুল্লাহ্ ৷ সা) বদর প্রান্তরে এসে
শিবির স্থাপন করেন এবং আবু সুফিয়ানের আগমন অপেক্ষায় ৮ দিন ৷ন্ন্খানে অবস্থান করেন ৷
মক্কাবাসীদেরকে নিয়ে আবু সুফিয়ান যুদ্ধের জন্যে বের হয় ৷ যাহরানের এক পাশে মাজিন্ন৷ নামক
স্থানে এসে তারা শিবির স্থাপন করে ৷ কেউ কেউ বলেছেন যে, তারা উছফান পর্যন্ত এসেছিল ৷
তারপর সে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ৷ সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে সে বলল, হে কুরায়শ সম্প্রদায় ৷
স্বচ্ছলতার বছর ছাড়া যুদ্ধ করা সমীচীন হবে না ৷ বরং যে বছর তৃপ্তি সহকারে পশুপালকে
ঘাসপাত৷ খাওয়াতে পারবে এবং তোমরা ইচ্ছামত দুধ পান করতে পারবে সে বছরই যুদ্ধ করা
ভাল হবে ৷ এই বছরটি বড় দৃর্ভিক্ষের ৷ আমি এখন ফিরে যাচ্ছি তোমরাও ফিরে যাও ৷ ফলে
কুরায়শরা ফিরে গেল ৷ ফিরে যাওয়া সেনাদলকে মক্কাবাসিগণউপহাস করে “ছাতৃবাহিনী” নামে
ডাকত ৷ আর বলত যে, তোমরা তো ছাতৃ খেয়ে খেয়ে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলে ৷

এক পর্যায়ে মাখশা ইবন আমর দিমারী রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট উপস্থিত হয় ৷ ওয়াদ্দান
যুদ্ধের সময় সে বানু দিমারা গোত্রের পক্ষে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে মৈত্রী চুক্তি সম্পাদন
করেছিল ৷ সে বলল, হে মুহাম্মাদ! কুরায়শদের সাথে যুদ্ধ করার জন্যে কি আপনি এখানে
এসেছেন ? রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, ওহে বাবু দিম৷ ৷রা গোত্রের লোক আমরা যুদ্ধ করতে এসেছি ৷
তোমাকে এও জা ৷নিয়ে দিচ্ছি যে, তোমাদের সাথে আমাদের যে চুক্তি ছিল ইচ্ছা ৷করলে তোমরা
তা প্রত্যাহার করে নিতে পার ৷ আর তখন আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব যতক্ষণ না
আল্লাহ্ আমাদের ও তোমাদের মাঝে ফায়সালা করে দেন ৷ সে বলল, না হে মুহাম্মাদ আল্লাহ্র
কসম! ওই চুক্তি প্রত্যাহারের আমাদের কোন প্রয়োজন নেই ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায়
ফিরে আসেন ৷ ফিরতি পথে কোন ষড়যন্ত্র ও প্রতারণার সম্মুখীন হননি ৷

ইবন ইসহাক বলেন, মুসলমানগণ আবু সুফিয়ানের অপেক্ষায় থাকা ৷এবং সৈন্যবাহিনী সহ
আবু সুফিয়ানের ফিরে যাওয়া র ঘটনা সম্পর্কে আবদৃল্লা হ্ ইবন রাওয়াহা (রা) নিম্নের কবিতা আবৃত্তি
করেন ৷ ইবন হিশাম বলেন, আবু যা য়দ আমাকে জানিয়েছেন যে , নিম্নের কবিতাটি আসলে কা ব
ইবন মালিকের ৷ করি বলেন :


আমরা আবু সুফিয়ানকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম বদর প্রান্তরে উপস্থিত হবার ৷ কিন্তু আমরা
তার প্রতিশ্রুতির সত্যতা পাইনি ৷ সে প্রতিশ্রুতি পালনকারী ছিল না ৷


পৃষ্ঠা ১৭৩ ঠিক করুন


আমি কসম করে বলছি, তুমি যদি আমাদের মুখোমুখি হতে তবে অবশ্যই মুখোমুখি হতে
উপযুক্ত প্রতিপক্ষের ৷ তখন তুমি ফিরে যেতে মন্দ ও করুণ অবস্থায় আর হারিয়ে ফেলতে
তোমার সাহায্য সহযোগিতা কারী যোদ্ধাদেরকে ৷

াট্রুএৰুট্টষ্ হুার্ন্তশ্উঠুৰুও এট্রুরু১
আমরা বদর প্রাম্ভরে রেখে গিয়েছিলাম (প্রথম বদর যুদ্ধে ) উতবা ও তার পুত্রের
অঙ্গণ্প্ৰত্যঙ্গ ৷ আমরা সেখানে আরো রেখে এসেছি উমর তথা ৷আবু জাহলের গলিত দেহ ৷
;’পুচুও এর্চু এে১ত্র ’
তোমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর অবাধ্য হয়েছ ৷ ধিক তোমাধ্বদর ধর্মের জন্যে, ধিক তোমাদের
ভ্রান্ত ও মন্দ কর্মকান্ডের জন্যে ৷



তোমরা আমার প্ৰতি বিরুপ আচরণ করলেও আমি নিশ্চিত ভাবে বলি যে, আমার পরিবার-
পরিজন ও ধন-সম্পদ রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর জন্যে নিবেদিত ৷


আমরা তার আনুগ৩ করেছি ৷ তাকে আমরা আমাদের কারো সমান মনে করি না ৷ তিনি

বরং অনন্য ৷ তিনি আমাদের পথ-নির্দেশক ৷ তিনি আমাদের জন্যে অন্ধকার রাতের আলোক
-বর্তিক৷ ৷
ইবন ইসহ৷ ৷ক বলেন, প্রসংগে হাসৃসান ইবন ছাবিত ৩(রা) কবিতায় বলেনঃ


ওরা ছেড়ে দিয়েছে সিরিয়ার শস্যক্ষে৩ তসমুহ ৷ সেগুলোর বিপরীতে রয়েছে বিন্তুত শিলাতুমি
যেন প্রসুতি উব্রীর মুখ ৷

এএ১এে ৷
এমন সব লোকের হাতে ছেড়েছে যারা হিজরত করেছে তাদের প্রতিপালকের দিকে ৷ তারা
প্রকৃত তার সাহায্যকারী এবং তারা ছেড়েছে ফেরেশতাদের হাতে ৷

ঞএে ৰুদ্বুট্রুট্রুা ৷ ৷ ’ ৷ ব্লু ৷
তারা যখন মরুভুমির বালুচর হয়ে নিন্নাঞ্চলের দিকে যাত্রা করবে তখন তাদেরকে বলে দিও
যে, পথ যে দিকে নয় ৷


আমরা রাসৃ পাহাড়ে অবস্থান করেছি আট দিন ৷ সাহসী সেনা দল নিয়ে ৷ সাথে ছিল বড় বড়
উট ঘোড়া ৷


পৃষ্ঠা ১৭৪ ঠিক করুন

আমাদের সাথে ছিল লালষ্কালো মিশ্রিত রংগের ঘোড়া সে গুলোর অর্ধেক দেহ জুড়ে ছিল
রসদ পত্র ৷ সাথে ছিল লম্বা লম্বা তরবা ৷বি বড় বড় ছুরি ৷
হে)ট্রুা
তুমি দেখতে পাবে গলির ন্তুপে, বালি পথে ধীরে চলা উষ্ট্র পালের পদচিহ্ন ৷
শ্ শ্!ংন্ষ্শ্০!ণ্ শ্শ্ শ্ষ্শ্ ;! শ্ শ্ : শ্০প্ন্ ৷০ণ্ ,
আমাদের যাত্রাপথে ও শত্রু অম্বেষণের সময়ে যদি ফুরাত ইবন হাইয়ানের সাথে দেখা ন্থয়ে
যা তবে যেখানে দেখা হবে সেখানেই সে বন্দীতৃ বরণ করবে ৷
আর যদি ইমরাউল কায়সের পুত্র কায়সের সাথে সাক্ষাত হয় তবে তার দেহের কালো রং
আরো কালো হয়ে যাবে ৷ তার দুশ্চিম্ভা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে ৷

ছুঠু ভ্রুষ্
সুতরাং আবুসুফিয়ানকে আমার পক্ষ থেকে একটি বার্তা পৌছিয়ে দাও যে, তুমি হলে প্রসিদ্ধ
একজন মিসকীন ৷

ইবন ইসহাক বলেন, নিম্নো ৷ক্ত কবিতার মাধ্যমে আবু সৃফিয়ান ইবন হারিছ ইবন আবদুল
ষুত্তালির উপরাে ৷ক্ত কবিতার জবাব দিয়েছিল ৷ অবশ্য এ ব্যক্তি পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহণ করেন ৷


ওহে হাসৃসান৷ (হ কাচা খেজুর ভক্ষণকারী মহিলার সন্তান ! তোমার দাদার কসম, আমরা
এভাবেই বোকাদেরকে ধোক৷ দিয়ে থাকি ৷

শ্ ,
আমরাও অভিযানে বের হয়েছিলাম ৷ আমাদের মুখোমুখি হলে আমাদের প্রচণ্ড আক্রমণের
মুখে তোমাদের মত হরিণ গুলো একটাও প্রাণে রক্ষা পেতে না ৷
াট্র ৷
আমরা যদি বিশ্রামস্থুল থেকে উটগুলো তৃলতাম তাহলে তুমি বুঝতে যে আমরা প্রচন্ড যোদ্ধা,
মওসুমে সমবেত সকল লোককে জ্ব ৷লিয়ে-পুড়িয়ে দিতাম ৷


তুমি রাস্ পাহাড়ে অবস্থান নিয়েছিলে আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ৷ অপরদিকে তুমি যদি
আমাদেরকে খুজে পেতে তাহলে খেজুর বাগানে আমাদেরকে রেখে তোমরা পালিয়ে যেতে ৷

, ণ্ ,


পৃষ্ঠা ১৭৫ ঠিক করুন

আমাদের অশ্ব এবং উটেরদল ফসলদি পদদলিত করে চলাচল করে ৷ ওগুলো কোন কঠিন
পাথুরে ভুমি মড়য় না ৷

এগু১ন্থএ ৷ ন্া
আমরাও অভিযানে বেরিয়ে তিনদিন অবস্থান করেছিলাম সালাওফাবি পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে
আমাদের সাথে ছিল হাল্কা পশমের অশ্বদল আ র তারী পা য়ে ঢলাচলকারী উষ্ট্রপা ল ৷

ন্;ব্লুব্লুব্লু
তোমাদের ধ্বংস যখন নিকটবর্তী ছিল তখন তামর নিজেদেরকে খুব শক্তিশালী মনে
করেছিলে ৷ যেমন দুর্বল ও অসুন্থযুবককে তােমরশ ক্তিশা লী মনে করে থাক ৷

সুতরাং হাল্কা পশম বিশিষ্ট অশ্বগুলােকে প্রেরণ করেন ; বরচ্: শক্তি অর্জনকরী মুসিম যেমন
বলেছে তুমিও ওগুলােকে তেমনটি বলে দাও

তাতে তোমরা ভ ল থাকবে এবং অনব ও ভাল থাকবে ৷ ওই অশ্বরেহীদেরকে মনে হচ্ছে
ফিহ্র ইবন মালিকের বংশধর অশ্বারেহী ৷


তুমি যে হিজররুতর কথা বলেছতু তা ওই হিজর৩ কারীদের অন্তর্ভুক্ত ন ও ৷ অর তুমি
দীনেরও অনৃসা রী নও

ইবন হিশম বলেন, অম্ভমিলের বৈপরীতেব্রর কারণে আমরা কতক পৎক্তি বাদ দিয়েছি

মুসা ইবন উকবা যুহরী ও ইবন লাহিয় উর ওয়া ইবন যুবায়র থেকে বর্ণনা করেছেন যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার সহবীগণকে গণ হারে উপস্থিত হবার ডাক দিয়েছিলেন আবু সুফিয়নের
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাকে মুকবিলর লক্ষেব্রু বদর প্রম্ভরে উপস্থিত হবার জন্যে ৷ মুনফিকর
লোকজনকে যুদ্ধে যেতে নিরুৎসাহিত করেছিল ৷ তবে অল্লাহ্ তা আলা তার বন্ধুদেরকে
মুনফিকদের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করেন ৷ ঘুসলমনগণ রসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে বদর প্রাম্ভরের
দিকে য ত্রা করেন ৷ তাদের সাথে ছিল ব্যবসায়িক পুজি তারা বলাবলি করছিল, আবু সুফিয়নকে
উপস্থিত পেলে অমরা তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব অর তাকে না পেলে এ পুজি দিয়ে বদর অঞ্চলের
ম ওসুমী মলপত্র কিনে আনব ৷ এরপর মুসা ইবন উকবা ইবন ইসহাকের ন্যায় আবু সুফিয়নের
মাজিন্ন উপস্থিতি, সেখান থেকে তার প্রত্যাবর্তন, দিমরীর কথাবার্তা ও রাসুলুল্লহ্ (না)-এর পক্ষ
থেকে চুক্তি প্রত্যাহরের প্রস্তাব এবং তার তা প্রত্যাখ্যান বিষয়ক ঘটনাগুলাে উল্লেখ করেছেন ৷

ন্ওয়কিদী বলেন, রসুলুল্লাহ্ (সা) প্রায় ১৫০০ সাহবী নিয়ে বদর অভিমুখে যাত্রা করেছিলেন ৷
মদীনায় শাসনভার দিয়েছিলেন অবদৃল্লাহ্ ইবন রাওয়াহ (র)-কে ৷ তিনি যাত্রা করেছিলেন : র্থ
হিজরী সনের যুল কদ মাসের প্রথম দিকে ৷ বিশুদ্ধ অভিমত হল ইবন ইসহাকের বক্তব্য যে, : র্থ


পৃষ্ঠা ১৭৬ ঠিক করুন

হিজরী সনের শাবান মাসে তিনি এ অভিযানে বের হয়েছিলেন ৷ ইবন ইসহাক ও মুসা ইবন উকবা
এ ব্যাপারে একমত যে, অভিযান পরিচালিত হয়েছিল শাবান মাসে ৷ তবে ইবন ইসহাক
বলেছেন, : র্থ হিজরী সনের শাবান মাস, মুসা ইবন উকবা বলেছেন, ৩য় হিজরীর শাবান মাস ৷
তৃতীয় হিজরী বলাটা নিতাম্ভই ভ্রান্ত ধারণা ৷ কারণ, এই যুদ্ধের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল উহুদ যুদ্ধ
শেষে ৷ আর উহুদ যুদ্ধই অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৩য় হিজরী সনে ৷ এ বিষয়ে পুর্বে আলোচনা হয়েছে ৷

ওয়াকিদী বলেন, তারা সেখানে বদর বাণিজ্য মেলার প্রাক্কালে ৮ দিন অবস্থান করেন ৷ এরপর
তারা ফিরে আসেন ৷ ওই ব্যবসায় তারা ১ দিরহামে ২ দিরহাম হারে মুনাফা অর্জন করেন ৷ অন্যরা
বলেছেন যে, তারা ফিরে এলেন আল্লাহ্র অনুগ্রহ ও দয়া অর্জন করে ৷ এ প্রসংগে আল্লাহ্ তাআলা
বলেছেন :


শ্ fl fl ) : ) fl

৭ ঞ
প্রুন্রুধ্যুস্রাগু
তারপর তারা আল্লাহ্র নিয়মত ও অনুগ্নহসহ ফিরে এসেছিল ৷ কোন অনিষ্ট তাদেরকে স্পর্শ

করেনি ৷ আল্লাহ্ যাতে রায়ী তারা তারই অনুসরণ করেছিল এবং আল্লাহ্ মহা অনুগ্রহশীল ৷ (৩-
আলে ইমরান : ১ ৭৪ ) ৷


পৃষ্ঠা ১৭৭ ঠিক করুন

৪ র্থ হিজরীর অন্যান্য ঘটনা

ইবন জাবীর বলেন, এ বছরের জুমাদাল উলা মাসে হযরত উছমান ইবন আফফান-এর পুত্র
আবদুল্লাহ মারা যান ৷ আবদুল্লাহ ছিলেন রাসুল তনয়৷ ককাইয়ার সত্ন্ত্রান ৷ মৃত্যুর সময় তার বয়স
ছিল ছয় বছর ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার জানাযায় ইমামত করেন ৷ পিত হযরত উছমান তার কবরে
নেমেছিলেন, ওই বছরেই জুমাদ৷ ল উলা মাসে ইনতিকাল কক্রুরন আবু সালাম৷ আবদুল্লাহ ইবন
আবদুল আসাদ ইবন হিলাল ইবন আবদুল্লাহ ইবন উনার ইংহু ন নন্৷ ৷ঘুম বুরান্ মাহ ঘুম : আবু
সালামার মায়ের নাম ছিল৷ ব ৷ররা, ইনি ছিলেন আবদুল মুত্তালিরে র না৷ এবং রাসুলুল্লাহ্ (সা ৷এর
ফুফু ৷ অন্যদিকে আবু সালাম৷ ছিলেন রাসুলুল্লাহ্ (সা) — এর দুধ ভাই ৷ আবু লাহারের দাসী ছুওয়াইবা
র্তাদের দুজনকে দুধ পান কবিয়েছিলেন, আবু সালামা আবু উবায়দা , উসমান ইবন আফফান ও
আরকাম ইবন আবু আরকাম (না) তারা সকলে প্রথম যুগে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তারা
সকলে একই দিনে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৷ আবু সালাম৷ এবং তার শ্রী উম্মু সালাম৷ দৃ’জনেই
আবিসিনিয়ায় হিজরত করেছিলেন ৷ এরপর মক্কায় ফিরে এসেছিলেন ৷ আবিসিনিয়ায় অবস্থান কালে
তাদের একাধিক সত্তান-সম্ভতির জন হয় ৷ তারপর আবু সালাম৷ (রা ) মক্কা থেকে মদীনায়
হিজরত করেন ৷ শ্ৰী উম্মু সালাম৷ (না) ও পরবর্তীকালে হিজরত করেন ৷ উম্মু সালামা যা ইতিপুর্বে
বর্ণিত হয়েছে বদর এবং উহুদ যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন ৷ উহুদ যুদ্ধে তিনি আহত হয়েছিলেন ৷ এই
আঘাতে তার মৃত্যু হয় ৷ মুসীবত ও বিপদাপদের সময়” ইন্নালিল্লাহ্ পাঠ করা সম্পর্কে তীর
একটি হাদীছ রয়েছে ৷ “রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে উম্মু সালামার বিবাহ” সংক্রান্ত আলোচনায়
হাদীছটি আলোচিত হবে ইনশাআল্লাহ ৷

রাতে হযরত ফা৩ ৷তিম৷ (বা) এর গর্ভে হযরত আলীর ৷ রা) পুত্র ইমাম হুসায়ন ( র৷ ) এর জন্ম হয় ৷
এ বছর বমযান মাসে রাসুলুল্লাহ্ (স৷ ) যায়নাব বিনত খুযায়মাকে বিবাহ করেন ৷ যায়নাবের বংশ
লতিকা এরুপ ৷ যায়নাব বিনত থুযায়ম৷ ইবন হাবিছ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আবদুদ
মানাফ ইবন হিল৷ ৷ল ইবন আমির ইবন৷ সাস সাঅ৷ আল হিলালিয়্যা ৷ আবুউমার ইবন আবদুল বার
আলী ইবন আবদুল আযীয সুত্রে বলেন যে, যায়নাব ছিলেন হযরত মায়মুনা ৷বনত হাবিছ এর
বোন ৷ পরে তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে, এ বর্ণনা একান্তই বিরল , অন্য কেউই এ রকম
বর্ণনা করেছেন বলে আমি দেখিনি ৷ ইনি গরীব-দুঃখীদের প্রচুর দান করা এবং তাদের প্ৰতি
সীমাহীন মমতৃরোধ ও কল্যাণ সাধনের প্রেক্ষিতে উম্মুল মাসাকীন ব৷ মিসফীনদের যা নামে খ্যাত !
রাসুলুল্লাহ্ (স৷ ) এর সাথে হযরত যায়নারের (বা ) বিয়ের মাহর ধার্য হয়েছিল সাড়ে বার উকিয়া
৫০০ শ’ দিরহাম ৷৩ তাদের বাসর হয় বমযান মাসেই ৷ এর পুর্বে যায়নাব (রা) )তুফায়ল ইবন
হাবিছের ত্রী ছিলেন ৷ তুফায়েল তাকে তালাক দেন ৷

২৩ —


Execution time: 0.03 render + 0.00 s transfer.