Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৩ : পৃষ্ঠা ৫৪২

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া খন্ড ৩: পৃষ্ঠা - ৫৪২


সে মুশরিকদের পক্ষে উহুদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে পুনরায় বন্দী হয় ৷ এবারও সে রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর একটু অনুগ্রহ প্রার্থনা করে ৷ কিন্তু রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, তোমাকে এ বার ছাড়া
, হবে না ৷ তুমি তাে অনুগ্রহের কথা ভুলে গিয়ে বলবা যে আমি ঘুহান্মদকে দুবার ধৌকা
দিয়েছি ৷ তখন৩ তাকে হত্যা করা হয় ৷ উহুদ যুদ্ধের বর্ণনায় এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে ৷
কথিত আছে, এ ঘটনা প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেছিলেন , ¥; ’ fl :,;,;,fi ৷ ঠুর্তুাট্রু১া
;,: :,; অর্থাৎ মু মিন একই গর্ত থেকে দু ’বার দং শিত হয় না’ ৷ এ প্রবাদ বাক্যটি রাসুলুল্লাহ্র
পুর্বে আর কারও থেকে শোনা ৷যায়নি ৷
ইবন ইসহাক বলেন চ মুহাম্মদ ইবন জা’ফর ইবন যুবায়র আমার নিকট উরওয়৷ ইবন
যুবায়র থেকে বর্ণনা করেছেন যে, বদর যুদ্ধে কুরায়শদের বিপর্যয়ের পর উমায়র ইবন ওয়াহব
জুমাহী এক দিন হাতীমে-কা’বার কাছে সাফওয়ান ইবন উমাইয়ার সা৷,থ বসে ছিল ৷ উমায়র
ছিল কুরায়শদের মধ্যে এক জঘন্যপ্ৰকৃতির দুষ্কৃতকারী নেতা ৷ মক্কায় রাসৃলুল্লাহ্ (না) ও তার
সাহাবাগণকে যর বানির্যাতন করত তাদের সাথে শত্রুত৷ পোষণ করত সে ছিল তাদের
অন্যতম ৷ তার ছেলে ওয়াহব ইবন উমায়র বদর যুদ্ধে বন্দী হয় ৷ ইবন হিশাম বলেন : যুরায়ক
গোত্রের রিফাআ ইবন রাফি’ তাকে বন্দী করেছিলেন ইবন ইসহাক বলেন৪ মুহাম্মদ ইবন
জাফর উরওয়৷ থেকে বর্ণিত ৷ উমায়র বদর যুদ্ধে কুয়োয় নিক্ষিপ্তদের মর্মান্তিক পরিণতির
কথা আলোচনা করলো ৷ বর্ণনা শুনে সাফওয়ান বলল, আল্লাহর কসম ৷ এদের নিহত হওয়ার পর
আমাদের বেচে থাকার কোন সার্থকতা নেই ৷ উমায়র তাকে বলল, তুমি ঠিকই বলেছ ৷ আল্লাহর
কসম! আমার উপর যদি এমন ঋণের বোঝা না থাকতো, যা পরিশোধ করার কোন ব্যবস্থা
আমার সেই ৷ আর যদি আমার সন্তানাদি না থাকতাে আমার অবর্তমানে যাদের ধ্বংস হয়ে
যাওয়ার আশংকা আছে, তবে আমি গিয়ে অবশ্যই মুহাম্মদকে হত্যা করে দিতাম ৷ আরও কারণ
হল, আমার ছেলে তাদের হাতে বন্দী আছে ৷ বর্ণনাকারী বলেন সাফওয়ান ইবন উমাইয়া
সুযোগ বুঝে বলল, তোমার ঋণের দায়িতৃ আমার তামার, পক্ষ থেকে আমি তা পরিশোধ
করবো ৷ তোমার সন্তানর৷ আমার সন্তানদের সাথে থাকবে ৷ যতদিন তারা বেচে থাকবে, আমি
তাদের দেখাশুনা করবো ৷ আমার থাকবে আর তারা পাবে না, এমনটি কখনও হবে না ৷ তখন
উমায়র সাফওয়ানকে বলল, তা হলে বিষয়টি আমার ও তোমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাক ৷
সাফওয়ান বলল, তা-ই করবো ৷ বর্ণনাকারী বলেন, “উমায়র তার তরবারি ধারাল ও বিষাক্ত
করে নিল ৷ তারপর মদীনায় গিয়ে পৌছল ৷ এ সময় হযরত উমর ইবন খাত্তাব (বা) কতিপয়
মুসলমানের সাথে বদর যুদ্ধ সম্পর্কে আলাপ-আলোচনা করছিলেন ৷ এ যুদ্ধে আল্লাহ
মুসলমানদের যে সম্মান দান করেছেন এবং শত্রুদের যে গােচনীয় অবস্থা দেখিয়েছেন, যে
বিষয়গুলো তারা স্মরণ করছিলেন ৷ এমন সময় হযরত উমর দেখতে পেলেন, উমায়র ইবন
ওয়াহব মসজিদের দরজায় তার উট থামিয়েছে এবং কাধে তার তরবারি ঝুলছে ৷ হযরত উমর
(রা) বললেন, এই যে কুকুরটি আল্লাহর দুশমন উমায়র ইবন ওয়াহব, সে কোন অসৎ উদ্দেশ্য
ছাড়া এখানে আসেনি ৷ সেই তো আমাদের মাঝে ফাসাদ সৃষ্টি করেছিল এবং বদর যুদ্ধে
আমাদের সৈন্যসংখ্যা সম্পর্কে অনুমান করে শত্রুদেরকে জানিয়ে দিয়েছিল ৷ এরপর তিনি



Execution time: 0.03 render + 0.00 s transfer.