Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৩ : পৃষ্ঠা ৫৪০

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া খন্ড ৩: পৃষ্ঠা - ৫৪০


হযরত খাদীজা (রা)৩ তার কন্যা যয়নবকে আবুল আসের সাথে বিবাহ দেয়ার জন্যে রাসুলুল্লাহ
(না)-এর নিকট প্রস্তাব করেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) খাদীজাব কোন কথা সাধারণত প্রত্যাখ্যান
করতেন না ৷ এ ছিল ওহী অবতীর্ণ হওয়ার পুর্বের ঘটনা ৷ এ ছাড়া বাসুলুল্লাহ্ (সা) আবু
লাহাবের পুত্র উতবার সাথে তার কন্যা রুকাইয়৷ মত তান্তরে উম্মে কুলছুমকে বিবাহ দেন ৷
(ইসলাম প্রচারের পর) আবু লাহাব কুরায়শদের বলল, তোমরা মুহাম্মদকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত রাখার
ব্যবস্থা কর ৷ এ উদ্দেশে ৷সে তার পুত্র উতবাকে বলল, তুমি মুহাম্মদের কন্যাকে তালাক দাও
পিতার নিদ্যেশ উতবা ত্রীকে বাসর রাতে র পুর্বেই তালাক দিয়ে দেয় ৷ তারপর হযরত উছমান
ইবন আফ্ফান তাকে বিবাহ করেন ৷ এরপর কুরায়শর৷ আবুল আসের কাছে গিয়ে বলল , তুমি
তোমার শ্ৰীকে তালাক দাও ৷ তা’হলে তুমি কৃরায়শদের যে কোন সুন্দরীকে চাও, তার সাথে
তোমাকে বিবাহ দেব ৷ আবুল আস বললেন, আল্লাহর কসম, আমি আমার শ্ৰীকে ত্যাগ করবো
না এবং তার স্থলে অন্য কোন কুরা ৷য়শী শ্ৰীলোককে বিবাহ করা আ ৷মি পসন্দও করি না ৷

ইবন ইসহাক বলেন রাসুলুল্লা হ্ (সা) জামা৩ ৷ হিসেবে আবুল আসের প্রশং সা করতেন ৷
ইবন কা ৷হীর বলেন, আবুল আসের প্রশংসামুলক হাদীছ সহীহ্ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে ৷ পরবর্তীতে
আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করব ৷ ইবন ইসহাক বলেন : মক্কায় রাসুলুল্লাহ্র ক্ষমতা অর্জিত না
হওয়ায় তিনি সেখানে হালাল-হারামের বিধান দিতেন না ৷ যয়নবের ইসলাম গ্রহণের ফলে
আবুল আসের সাথে তার বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায় ৷ কিন্তু রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাদের বিবাহ
বিচ্ছেদ করে দিতে সক্ষম ছিলেন না ৷ (আমি ইবন কাহীর ) বলি , মুশরিকদের সাথে
মুসলমানদের বিবাহ হারাম হওয়ার বিধান ৬ষ্ঠ হিজবীতে হুদাযবিয়ার সন্ধির বছরে প্রবর্তিত হয় ৷
এ বিষয়ে পরে আলোচনা করা হবে ৷ ইবন ইসহাক বলেন০ ং ইয়াহ্ইয়া ইবন আব্বাদ সুত্রে
আইশা (রা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, মক্কাবাসীরা যখন তাদের বন্দীদের ছাড়াবার জন্যে
মুক্তিপণ দিয়ে পাঠ৷ ৷,ল তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কন্যা যয়নব তার স্বামী আবুল আসেয় মুক্তির
জন্যে মুক্তিপণ হিসেবে কিছু মাল দিয়ে পাঠান ৷ ঐ সালের মধ্যে একটা হারও ছিল ৷ হযরত
খাদীজা এ হারটি যয়নবের গলায় পরিয়ে আবুল আসের ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন ৷ আইশা
(বা) বলেন, হারটি দেখে রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর হৃদয় অত্যন্ত তারাক্রান্ত হয়ে ওঠে ৷ তিনি
লোকদেরকে বললেন, যদি তোমরা ভাল মনে কর, তবে যয়নবের বন্দীকে বিনা মুক্তিপণে ছেড়ে
দাও এবং সে যে মাল পাঠিয়েছে তা তাকে ফেরত দিয়ে দাও ৷ সাহাবাগণ বললেন, জী হী৷ ইয়া
রাসুলাল্লাহ্ ! সে রকমই করা হবে৷ এরপর তারা আবুল আসকে মুক্তি দিলেন এবং যয়নবের
প্রেরিত সমস্ত মালামাল ফেরত পাঠালেন ৷ ইবন ইসহাক বলেন : বদরের বন্দীদের মধ্যে যাদের
বিনা মুক্তিপণে রাসুলুল্লাহ্,(সা) অনুগ্রহ করে যুক্তি দিয়েছিলেন, তাদের যে নাম আমাদের কাছে
পৌছেছে তারা হলেন : বনু উমাইয়ার আবুল আস ইবন রাবী’, বনু মাখযুমের মুত্তালিব ইবন
হানতাব ইবন হাবিছ ইবন উবায়দ ইবন উমর ইবন মাখবুম ৷ হাবিছ ইবন খাযরাজ গোত্রের
কোন একজন তাকে বন্দী করে ৷ তাকে তাদের হারুজী ছেড়ে দেয়৷ হয় ৷ কিন্তু তারা তাকে মুক্ত
করে দেয় ৷ এরপর সে তার সম্প্রদায়ের কাছে চলে যায় ৷ ইবন ইসহাক বলেন : রাসুলুল্লাহ্ (সা)



Execution time: 0.03 render + 0.00 s transfer.