Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৩ : পৃষ্ঠা ৪৩৬

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া খন্ড ৩: পৃষ্ঠা - ৪৩৬


আযহার-এর বাতহা প্রান্তরে একটা বৃক্ষের নীচে অবতরণ করেন ৷ এ স্থানকে বলা হতো যাতুস
সাক ৷ সেখানে নামায আদায় করেন ৷ পরে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করা হয় ৷ সেখানে তার
জন্যে আহার্য তৈয়ার করা হলে তিনি এবং তার সঙ্গীরা আহার করেন ৷ সেখানকার চুলার চিহ্ন
সর্বজন বিদিত ৷ মুশায়রিব নামক কুয়াে থেকে তার জন্য পানি আনা হয় ৷ এরপর তিনি বাংলা
হন খালায়েক স্থানটি র্বায়ে রেখে এবং আবদুল্লাহ পিরিসঙ্কটের পথ ধরে গমন করেন ৷ এরপর
সাববুশ শাদ হয়ে মিলাল’ নামক স্থানে অবতরণ করেন ৷ তিনি সেখানে মুজতামাউয যাবুআ
নামক স্থানে অবস্থান নেন ৷ এরপর ফড়ারশা মিলাল হয়ে বাখীরাতুল ইয়ামাম-এর পথ ধরে
চলেন ৷ তারপর সেখান থেকে পথের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে বাতনে ইয়াম্বু-এর আশীরা নামক
স্থানে অবস্থান নেন এবং জুমাদাল উলা ও জুমাদাল উখরার কিছু দিন কাটান ৷ সেখানে তিনি
বনী মুদলাজ এবং বনী মুদলাজের মিত্রদের সঙ্গে সমঝোতা করে মদীনয় প্রত্যাবর্তন করেন ৷ এ
ক্ষেত্রেও কোন সংঘর্ষ হয়নি ৷

ইমাম বুখারী আবদুল্লাহ সুত্রে আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করে বলেন, আবু ইসহাক

বলেনঃ আমি যায়দ ইবন আরকামের পাশে ছিলাম ৷ তাকে জিজ্ঞেস করা হল, রাসুলুল্লাহ্ (স)
কতটা যুদ্ধে সশরীরে অংশগ্রহণ করেছেন ? তিনি বললেন : ১ ৯টায় ৷ আমি বললাম , আপনি তার
সঙ্গে ক’টাতে শরীক ছিলেন ? তিনি বললেন, ১ ৭টায় ৷ আমি বললাম, এগুলোর মধ্যে কোনটা
প্রথম ছিল ? তিনি বললেন, আল-আশীর বা আল-আসীর ৷ বিষয়টা আমি কাতাদার সঙ্গে
আলোচনা করলে তিনি বললেন, আল-আশীর ৷ এ হাদীস থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, প্রথম
পায্ওযা ছিল আল-আশীরা ৷ এটাকে আশীরা, আসীরা, আশীর এবং আশীরাও বলা হয়ে থাকে ৷

তবে যদি এর অর্থ হয় সে সব গায্ওয়া , যাতে নবী করীম (স) স্বয়ং অংশঃত্ত্বহণ করেছেন, তবে

তার প্রথমটা হল আল-আশীরা ৷ এ যুদ্ধে যায়দ ইবন আরকাম অংশগ্রহণ করেন ৷ তখন আর

তার পুর্বে এমন অন্য অভিযান হওয়াটা নাকচ হবে না যাতে যায়দ ইবন আরকাম অংশগ্রহণ

করেননি ৷ এভাবে মুহাম্মদ ইবন ইসহাকের বর্ণনা এবং এ হাদীসের মধ্যে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠিত

হবে ৷ আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷

মুহাম্মদ ইবন ইসহাক বলেন, এ দিন রাসুলুল্লাহ্ (সা) আলীকে লক্ষ্য করে যা বলার
বলেছিলেন ! ইয়াযীদ ইবন মুহাম্মদ সুত্রে আম্মার ইবন ইয়াসির থেকে তা বর্ণিত হয়েছে এভাবে
যে, আমার বলেন, বাতনে ইয়াম্বু-এর গাবওয়া আল-আশীরায় আমি আলী (রা)-এর সফর-সঙ্গী
ছিলাম ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না) সেখানে অবতরণ করে এক মাস অবস্থান করেন ৷ সেখানে তিনি বনী
মুদলাজ এবং তাদের মিত্র গোত্র বনী যামরার সঙ্গে সন্ধি করেন ৷ তখন আলী ইবন আবু তালিব
আমাকে বলেন, বনী মুদলাজের যেসব লোক একটা কুয়াের কাছে কাজ করছে হে আবুল
ইয়াকযান! আমরা কি তাদের কাছে যেতে পারি না ? সেখানে তারা কেমন কাজ করছে আমরা
তা প্রত্যক্ষ করবো ৷ আমরা তাদের কাছে গেলাম এবং কিছু সময় তাদের কাজ প্রত্যক্ষ
করলাম ৷ এখানে নিদ্র৷ আমাদেরকে আচ্ছন করে এবং আমরা মাটিতে শুয়ে পড়ি ৷ সেখানে
আমরা ঘুমিয়ে পড়ি ৷ আল্লাহর কসম, রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার পবিত্র পা দিয়ে আমাদেরকে নাড়া
দিলে আমরা জাগ্রত হই ৷ আমাদের পায়ে মাটি লেগেছিল ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) আলীকে



Execution time: 0.02 render + 0.00 s transfer.