Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৩ : পৃষ্ঠা ৪২৯

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া খন্ড ৩: পৃষ্ঠা - ৪২৯


পায্ওয়া ও সারিয়ার মোট সংখ্যা ৪৩টি ৷ ২৪টি মারিয়া আর ১৯টি গাযুওয়া ৷ এর মধ্যে ৮টিতে
যুদ্ধ হয়েছে ৷ সেগুলো হলো : বদর, উহুদ, আহযাব, মুরায়সী, খায়বর, মক্কা বিজয় এবং
হুনায়ন ৷ আর মুসা ইবন উকবা যুহ্রী সুত্রে বলেন : এগুলো হলো রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর গায্ওয়া ,
যেগুলােতে তিনি শরীক ছিলেন এবং যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে ৷ দ্বিতীয় সনে বদরের যুদ্ধ রমাযান
মাসে ৷ এরপর তৃতীয় সনে শাওয়াল মাসে উহুদে তিনি লড়াই করেন ৷ এরপর তিনি লড়াই
করেন খন্দকের যুদ্ধে ৷ এটাকে আহযাবের যুদ্ধও বলা হয় ৷ ইিজরী ৪র্থ সনের শাওয়াল মাসে
বনী কুরায়যা, এরপর ৫ম সনে শাবান মাসে তিনি বনী মুসৃতালিক ও বনী লিহ্ইয়ানের যুদ্ধে
অংশ্যাহণ করেন ৷ ষষ্ঠ সনে তিনি খায়বর যুদ্ধে অংশ্যাহণ করেন, ৮ম সনে (মক্কা) বিজয়কালে
রমাযান মাসে তিনি অভিযান পরিচালনা করেন ৷ এরপর ৷:-ম সনে শাওয়াল মাসে তিনি
হুনায়নের যুদ্ধ লড়েন ও তারপর তাইফ অবরোধ করেন ৷ আর নবম সনে আবু বকর (রা)-এর
নেতৃত্বে হজ্জ পালিত হয় ৷ আর দশম সনে রাসুলুল্লাহ্ (সা ) বিদায় হজ্জ করেন ৷ আর রাসুলুল্লাহ্
(না) ১ ২টা পায্ওয়ায় অংশগ্রহণ করেন, যেগুলোতে কোন যুদ্ধ হয়নি ৷ প্রথম যে পায্ওয়ায়
রাসুলুল্লাহ্ (সা) অংশ্যাহণ করেন, তা ছিল আবওয়ার অভিযান ৷

হাম্বল ইবন হিলাল যুহ্রীর বরাতে বলেন : যুদ্ধ সম্পর্কে প্রথম যে আয়াতটি নাযিল হয়
তা হলো :াটুট্রুাট্রুা;ৰু

“যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হয়, তাদেরকে অনুমতি দেয়া হল, কারণ, তারা মজলুম”-
আঘাতের শেষ পর্যন্ত ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায় আগমনের পর এ আয়াত নাযিল হয় ৷ আর
সর্বপ্রথম যে যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ্ (সা) শরীক হন, তা ছিল বদর য়ুদ্ধ ১ ৭ রমাযান শুক্রবার ৷ তিনি
বলেন, এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) বনী নাযীরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন ৷ এরপর শাওয়াল মাসে উহুদ
যুদ্ধ করেন অর্থাৎ তৃতীয় সনে ৷ এরপর ৪র্থ সনে শাওয়াল মাসে খন্দক যুদ্ধ করেন ৷ পরে ৫ম
সনে শা’বান মাসে বনী লিহ্ইয়ানের যুদ্ধে অংশ্যাহণ করেন ৷ ৬ষ্ঠ সনে খায়বর যুদ্ধ এবং ৮ম
সনে শাবান মাংস মক্কা বিজয়ের অভিযানে নেতৃতৃ দেন ৷ ৮ম সনে রমাযান মাসে হুনায়নের যুদ্ধ
হয় ৷ আর রাসুলুল্লাহ্ (সা) ১১টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন, যেগুলোতে কোন সংঘর্ষ হয়নি ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) সর্বপ্রথম যে গায্ওয়ায় অংশ নেন, তা হলো আবওয়া, এরপর আল-আশীরা,
তারপর গায্ওয়া গাতফান, তারপর পায্ওয়া বনী সুলায়ম, এরপর পায্ওয়া আল-আবৃওয়া,
এরপর পায্ওয়া বদর আল-উলা (প্রথম বদর যুদ্ধ) , তারপর গাঘৃওয়া তাইফ, তারপর গাঘৃওয়া
হুদায়বিয়া, তারপর পায্ওয়া সাফরা, এরপর গায্ওয়া তাবুক ছিল তার শেষ অভিযান ৷ এরপর
তিনি সারিয়াসমুহের উল্লেখ করেন ৷ হাফিয ইবন আসাকির-এর ইতিহাস গ্রন্থ থেকে নিয়ে আমি
এটি লিপিবদ্ধ করেছি ৷ তবে এটি একটি বিরল বর্ণনা ৷ পরে আমরা ধারাবাহিকভাবে যা লিখবাে,
তা-ই সঠিক ও বিশুদ্ধ ৷

আর সিয়ার ও মাপাযীর বিষয়টা অত্তীব গুরুত্বপুর্ণ ৷ এর প্রতি গুরুতৃ আরোপ করা, এ
থেকে শিক্ষা গ্রহণ এবং এর জন্যে প্রস্তুতি গ্রহণ আবশ্যক ৷ যেমন মুহাম্মদ ইবন উমর
আল-ওয়ড়াকিদী আলী ইবন হুসাইন সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন আমরা কুরআন



Execution time: 0.04 render + 0.00 s transfer.