Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৩ : পৃষ্ঠা ১৪২

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া খন্ড ৩: পৃষ্ঠা - ১৪২


এবার রাজা বললেন, তাহলে তোমাদের ধর্ম কি ?৩ তারা বললেন, ইসলাম ৷ রাজা বললেন:
ইসলাম কী ?ত তারা বললেন, আমরা আল্লাহর ইবাদত করি ৷ তার সাথে কা ৷উকে শরীক করি না ৷
তিনি বললেন, এই ধর্ম কে নিয়ে এসেছেন ?ত তারা বললেন, এটি আমাদের নিকট নিয়ে
এসেছেন আমাদের মধ্যকার একজন ৷ আমরা তাকে সম্যক চিনি ৷ তার বংশ পরিচয় জানি ৷
আমাদের পুর্ববর্তী সম্প্রদায়সমুহের প্রতি ৩আল্পাহ তাআলা যেমন রাসুল প্রেরণ করেছেন, তেমনি

তাকে আমাদের প্ৰতি রাসুলরুপে প্রেরণ করেছেন ৷ তিনি আমাদেরকে সততা, সত বােদিতা,
প্রতিজ্ঞা ৷পুরণ ও আমানত রক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন এবং মুর্তিপুজা করতে নিষেধ করেছেন ৷ তিনি
আমাদেরকে আদেশ করেছেন একক লা-শরীক আল্লাহর ইবাদত করতে ৷ আমরা তাকে সত্য
নবী বলে বরণ করে নিয়েছি ৷ আল্লাহর বাণী উপলব্ধি করেছি এবৎ তিনি যা এসেছেন তা যে
আল্লাহর পক্ষ থেকেই এসেছেন তা অনুধাবন করেছি ৷ আমরা এরুপ করার কারণে আমাদের
সম্প্রদায় আমাদের শত্রুতে পরিণত হয়েছে৷ তার৷ সতব্রবাদী নবীর সাথে শত্রুত৷ পোষণ
করেছে ৷ তাকে মিথ্যাবাদী ঠাওরিয়েছে এবং তাকে হত্যার প্রয়াস পেয়েছে ৷ তারা আমাদেরকে
মুর্তিপুজায় ফিরিয়ে নিতে চেয়েছে ৷ ফলে, আমরা আমাদের প্রাণ বীচানাে ও ধর্ম রক্ষার জন্যে
আপনার নিকট পালিয়ে এসেছি ৷

রাজা বললেন, আল্লাহর কসম, এতো সেই জোাতির উৎস থেকে উৎসারিত যেখান থেকে
এসেছিল হযরত মুসা (আ)-এর ধর্ম ৷

হযরত জাফর (বা) বললেন, অভিবাদন সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা) আমাদেরকে বলেছেন
যে, জান্নাতরাসীদের অভিবাদন হল “সালাম” ৷ তিনি আমাদেরকে সালামের মাধ্যমে অভিবাদন

জানানো র নির্দেশ দিয়েছেন ৷ সুতরাং আমরা পরস্পার যে ভ ৷বে অভিবাদন জানাই, আপনাকেও

সে ভ ৷রে অভিবাদন জা ৷নিয়েছি ৷ আর ঈস৷ ইবন মারয়াম (আ) সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হল,
তিনি ভাল ল্লাহ্ তা আলার বান্দ৷ ও রাসুল ৷ তিনি মারয়ামের প্ৰতি নিক্ষিপ্ত অ ৷ল্লাহ্র কালেম৷ ও রুহ
এবং তিনি সতী-সাধবী কুমারী মাতা ৷র পুত্র ৷ এবার রাজা একটি শুষ্ক কা ৷ষ্ঠখণ্ড হাতে তুলে নিলেন
এবং বললেন, এরা যা বলেছে মারয়াম পুত্র ঈসাত ৷র চেয়ে এতর্টুকুও অতিরিক্ত নন ৷ তখন
আবিসিনিয়ার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ বললেন, রাজন হাবশী লোকজন আপনার একথা শুনলে
তার৷ অবশ্যই আপনাকে সিংহাসনচ্যুত করবে ৷ তিনি বললেন, আল্লাহর কলম, আমি ঈস৷ (আ)
সম্পর্কে যা বলেছি কখনােতার ব্যতিক্রম কিছু বলব না ৷ আল্লাহ যখন আমাকে আমার রাজতু
ফিরিয়ে দেন, তখন লোকজন তো আল্লাহর আনুগত্য করেনি ৷ সুতরাং আমিও আল্লাহর দীনের
ব্যাপারে লোকজনের কথা মানবাে না ৷ এ জাতীয় অপকর্ম থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা
করি ৷ ইবন ইসহাক সুত্রে ইউনুস বর্ণনা করেছেন যে, রাজা নাজাশী মহাজিরগণের নিকট লোক
পাঠিয়ে তাদেরকে একত্রিত তহওয়ার নির্দেশ দিলেন ৷ তিনি মুসলমানদের কথা শুনবেন আমর
ইবন আস এবং আবদুল্লাহ ইবন আবু রাবীআর নিকট এর চেয়ে ৫ক্ষাভের বিষয় অন্য কিছু ছিল
না ৷ নাজাশীর দুত আগমন করার পর মুসলমানগণ একত্রিত হলেন এবং পরস্পর আলোচনা
করলেন যে, তারা কী বলবেন ? শেতষে তারা সিদ্ধান্ত নিলেন যে, পরিস্থিতি য ই হোক আল্লাহ্র
কসম ,আমরা ত ৷ই বলব, যা আমরা জানি ৷ আমরা যে দীনের উপর আছি এবং রাসুলুল্লাহ (সা)
আমাদের নিকট যা নিয়ে এস্যেছন, তাই বলবো ৷ তাতে যা হয় হবে ৷



Execution time: 0.22 render + 0.00 s transfer.