Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৩

পৃষ্ঠা ২৮৬ ঠিক করুন


সুতরাং তোমাদের যুদ্ধাস্ত্র বিক্রি করে দাও অন্যান্য যুদ্ধবাজ লোকদের নিকট ৷ আর
নিজেদের হিসাব দেয়ার কথা স্মরণ কর ৷ মহান আল্লাহ উত্তম হিসাব গ্রহণকাবী ৷
আল্লাহ তাআলা হলেন মানুষের সাহায্যকারী ৷ তিনি একটি দীন মা;নানীত করেছেন ৷ সে
দীন গ্রহণ করলে নক্ষত্ররাজির মালিক আল্লাহ ছাড়া ণ্তামাদের কোন প্রভু থাকবে না ৷
৷ ,ট্রুশু ৰুও ৷
আপনারা আমাদের জন্যে একটি দীন ই হানীফ ও সরল দীন প্রতিষ্ঠা করে যান এবং
আমাদেরকে এমন চুড়ান্ত অগ্রগতির সাথে সম্পৃক্ত করে যান যা শুধুমাত্র নে৩ তৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ
পেয়ে থাকেন ৷
আপনারা তো এই জনসাধারণের জন্যে আলে৷ ও প্রতিরম্ফকারী ৷ নেতৃস্থানীয় এবং
ধৈর্যশীল ব্যক্তিবর্গ কখনো লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয় না ৷

মানুষের কৃতিতৃ যখন হিসেব করা হয়, তখন আপনারা তাদের মধ্যে মণি-মৃক্তা বলে গণ্য
হন ৷ আরবের নেতৃতৃ ও গ্রেষ্ঠতৃ আপনাদের জন্যেই সংরক্ষিত ৷

মর্যাদাবান সুপ্রাচীনকাল থেকে আভিজাত্যপুর্গ ও কুলীন বং শ-মর্যাদা আপনারা রক্ষা করে
চলেছেন ৷ আপনাদের বংশ, স্ন্তুম্ভে, ভদ্র এবং নির্ভেজাল ৷ কোন প্রকারের অভদ্র মিশ্রণ
আপনাদের বংশে নেই ৷

অভাবী ও সাহায্যপ্রার্থী লোকজন দেখতে পায় যে , অসহায় ও দুর্বল লোকজন সাহায্যের

আশায় আপনাদের বাসস্থানের প্ৰতি অগ্রসর হচ্ছে ৷ তাদেরকে দেখে অন্যান্য সাহায্যণ্প্রার্থীরাও
আপনাদের বাড়ির পথ খুজে পায় ৷

সব লোক জানে যে , আপনাদের গোত্রগুলো সর্বাবস্থায় সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ ৷

এ্াব্লুএ ৷াপ্রুপু, ,;ং ৰুদ্বু’,দ্বুন্া, >া;া, ৷র্দু:া, হ্র;া,



কুজ ৷
কালো কাপড় ৷


পৃষ্ঠা ২৮৭ ঠিক করুন


আপনাদের লোকজন সর্বোত্তম রায় প্রদানকারী, সর্বশেষ্ঠ রীতিনীতির অনুসারী, সর্বাধিক
সত্য বক্তব্য প্রদানকারী এবং মধ্যপন্থা অবলম্বনকারী ৷

!ন্ধ্ণ্শ্০!;শ্ :ব্রশ্ শ্ :’০শ্
গ্রাচুষ্১র্বুা

সুতরাং আপনারা উঠুন, আপনাদের প্ৰতিপালকের উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং মক্কায়
পর্বতদ্বয়ের মাঝে অবস্থিত এই ৷হের স্তম্ভগুলো চুম্বন করুন, স্পর্শ করুন ৷

আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনাদের প্রতি নিআমত ও অনুগ্রহ রয়েছে ৷ আপনাদের প্রতি বিপদ

নেমে এসেছে ৷ বিশেষত সেদিন, যেদিন সেনাবাহিনীর নেতৃতৃ প্রদান করে সেনাপতি আবু
ইয়াকসুম আপনাদের উপর আক্রমণ করেছিল ৷


তার সাধারণ সেনাবাহিনী সম৩ ল ভুমি অতিক্রম করছিল ৷ আর তার পদাতিক বাহিনী ছিল
পর্বতের চুড়ায় পাহাড়ী পথে ৷

ন্ ণ্া’১ষ্টু এ ১১ এ্যা ৷ প্রু১১ ৰুট্রুছুষ্ট্টট্রু ষ্ৰুর্মুন্ং৷ ৷ হে১ ,;; ণ্£ান্ ৷ এে
যখন আপনাদের নিকট আরশের মালিক মহান আল্লাহর সাহায্য এল তখন মহান
মালিকের সেনাবাহিনী আবু ইয়াকসুমের অনুসারীদের পরাজিত করে দিল ৷ ফলে ওদের কতক
ধ্বংস হল আর কতক দ্রুত পালিয়ে গেল ৷
ধ্;ওঢ়ণ্ও ১১১ ;া ই ং ণ্প্রু-ণ্ণ্৷ এ ৷ — ১১;ৰু ন্ত্র১ ;হুরুন্এ দ্রণ্ ৷; ৷দ্বু,া;ৰু;ৰু
ওরা সকলে দ্রুত পলায়ন করে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করলো ৷ মাত্র কয়েকজন ছাড়া ওই হাবশী
লোকদের কেউই নিজ পরিবার-পরিজনের নিকট ফিরে আসতে পারেনি ৷
-;রু১ব্লে ৷১’ওাওএ ১ও
এখন নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ-বিয়হ করে যদি আপনারা ধ্বংস হয়ে যান, তার আমরাও ধ্বং
হয়ে যাব এবং মক্কায় অনুষ্ঠিত হজ্জ সমাবেশ ও অন্যান্য যেলাগুলে৷ লণ্ডভও হয়ে যাবে ৷ এসব
হল একজন সত্যবাদী লোকের কথা যে মিথ্যাবাদী নয় ৷
আবু করেন তার কবিতায় যে দাহিস যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেছে সেটি জাহিলী যুগের
একটি প্রসিদ্ধ যুদ্ধ ৷ আবু উবায়দ মা ’মার ইবন ঘৃছান্ন৷ ও অন্যান্যদের বর্ণনা অনুযায়ী সেটির
করণ এই কায়স ইবন যুহায়র ইবন জুযায়ম৷ ইবন রাওয়াহা গাতফ৷ ৷নীর একটি ঘোড়া ছিল ৷
সেটির নাম ছিল দাহিস ৷ অপরদিকে হুয়ায়ফ৷ ইবন বদর ইবন আমর ইবন জুবা পা৩ ফানীর
একটি ঘোড়া ছিল ৷ সেটির নাম ছিল গাবর৷ ৷ একদিন উভয় ঘোড়ার মাঝে দৌড় প্রতিযোগিতা
অনুষ্ঠিত ৩হয় ৷ প্ৰতিযোগি৩ ৷য় বিজয়ী হয় দাহিস ৷ ক্ষোভেদুঃখে হুযায়ফা৩ তার প্রতিপক্ষ ঘোড়া
দাহিসকে থাপ্পড় মারার জন্যে নির্দেশ দেয় ৷ এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মালিক ইবন যুহায়র উঠে
হুযায়ফার ঘোড়া “গাবরার” মুখে চপেটাঘাত করে ৷


পৃষ্ঠা ২৮৮ ঠিক করুন


হুযায়ফার ভাই হামল ইবন বদর এস মালিকের মুখে চপেটাযাত করে ৷ পরে এক সময়ে
আবু জুনদৃব আবাসী হুযায়ফার পুত্র আওফকে বাগে পেয়ে খুন করে ৷ বনু ফাযার৷ গোত্রের এক
লোক কায়সের ভাই মালিককে খুন করে ৷ এরপর বনু আবস ও বনু ফাযার৷ গোত্রের মধ্যে
নিয়মিত যুদ্ধ চলতে থাকে ৷ যুদ্ধে হুযায়ফা ইবন বদরত রে ভাই হামল ইবন বদরসহ বহু লোক
নিহত হয় ৷ এ যুদ্ধ নিয়ে তারা বহু কবিতা রচনা করেছে যা এখানে উল্লেখ করলে গ্রন্থের
কলেবর বেড়ে যাবে ৷

ইবন হিশাম বলেন, কায়স দাহিস ও গাবর৷ নামক দুটো ঘোড়া প্রেরণ করেছিল আর
হুযায়ফ৷ প্রেরণ করেছিল থাতার ও হানাফ৷ নামক ঘোড়া দুটো ৷ তার প্ৰথমােক্ত বর্ণনা বিশুদ্ধ ৷

হাতিবের যুদ্ধ সম্পর্কে তিনি বলেন যে, হাতির ইবন হারিছ ইবন কায়স ইবন হায়শা ইবন
হারিছ ইবন উমাইয়া ইবন মুআবিয়া ইবন মালিক ইবন আওস ইবন আমর ইবন আওফ ইবন
মালিক ইবন আওফ একদিন এক ইয়াহুদীকে হত্যা করেছিল ৷ ওই; ইয়াহুদী ছিল খাযরাজ
গোত্রের প্রতিবেশী ৷ হত্যাকারী হাতিবকে খুন করার জন্যে খাযরাত্ত৷ ৷;গাত্রের একদল লোক নিয়ে
পথে বের হয় যায়দ ইবন হারিছ ইবন কায়স ইবন মালিক ইবন আহমার ইবন হারিছ৷ ইবন
ছা’লাবা ইবন কাআব ইবন মালিক ইবন কাআব ইবন খাযরাজ ইবন হারিছ ইবন খাযরাজ ৷
যায়দ ইবন হারিছের ডাকনাম ছিল ইবন কাসহাম ৷ নিজ দলের ণ্লাকদেরকে নিয়ে সে হাতিবকে
খুন করে ৷ ফলে আওস এবং খাযরাজ গোত্রের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায় ৷ উভয় গোত্রের মধ্যে প্রচণ্ড
যুদ্ধ হয় ৷ শেষ পর্যন্ত খাযরাজরা বিজয়ী হয় ৷ এই যুদ্ধে আসওয়াদ ইবন সামিত আওসী নিহত
হয় ৷ তাকে হত্যা করে বনু আওফ ইবন খাযরাজ গোত্রের মিত্র ঘুজাযযর ইবন যিয়াদ ৷ এরপর
দীর্ঘদিন যাবত তাদের মধ্যে যুদ্ধ চলেছিল ৷ মাে ৷ট কথা প্রচুর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সত্বেও তা দ্বারা
আবু ক য়স ইবন আসলাত নিজে উপকৃত হতে পারেনি ৷ সে নিজে ঈমান আনয়ন করেনি ৷
হযরত মুসআব ইবন উমায়র (রা) যখন মদীনায় এলেন এবং মদীনায় অধিবাসীদেরকে
ইসলামের দাওয়াত দিলেন, তখন বহু লোক ইসলাম গ্রহণ করেন ৷ এমন কোন পাড়া ও মহল্লা
ছিল না যেখানে অন্তত ৩দু’চার জন মুসলিম নারী পুরুষ ছিলেন ন৷ ৷ কিন্তু আবু কায়সের গোত্র
বনু ওয়াকিফের মহল্লা ছিল এর ব্যতিক্রম ৷ সে তার যহল্লার লোকদেরকে ইসলাম গ্রহণ থেকে
বিরত রেখেছিল ৷ সে বলেছিল :

-এ্টুত্রট্টাঙু ৷রু ’ ৷ স্ন্ ৷ পুাৰুপুণ্প্৷ ,এে ৷ পু ড্রুগ্লুা
হে মানব জাতির প্রতিপালক ! এ কি ঘটনা ঘটল ? এমন কিছু বিষয় নেমে এল যেখানে
কঠোরত৷ আর কােমলত৷ একাকার হয়ে যায় ৷
৷ গ্লুা

হে মানব জাতির প্রতিপালক ৷ আমরা যদি পথভ্রষ্ট হয়ে থাকি তবে আমাদের জন্যে সুপথ
সুগম করে দিন ৷



পৃষ্ঠা ২৮৯ ঠিক করুন


আমাদের প্রতিপালক না থাকলে আমরা ইয়াহুদী হয়ে যেত ৷ম ইযাহুদী ধর্ম বহুরুপীও
জগাখিচুড়ি নয় ৷
এট্ট এে এ১১ ট্রু,ণ্ ওন্ ১এেটুএ ণ্এ — )া;শু; র্দু১’হ্ন এেট্ট প্প১ত্র১
আমাদের প্রতিপালক না থাকলে আমরা খৃক্টান হয়ে যেতাম আর অরণ্যচারী হয়ে
যাজকদের সাথে পাহাড়ে পর্বতে ঘুরে বেড়াতাম ৷

এেফু

তবে আমাদের যখন সৃষ্টি করা হয়েছে তখন সত্যপন্থী ও সরলপন্থীরুভ্রুপ সৃষ্টি করা হয়েছে ৷
আমাদের দীন ধর্ম সকল প্রকারের বক্রত৷ ও ভেজাল থেকে মুক্ত ৷

¢


আমরা মিনাতে যবাহ্ করার জন্যে পশু নিয়ে যইি ৷ সেগুলো অনুগত ভাবে এগিয়ে যায়
দুর্গম পথে ও সেগুলো ঘাড় উচু করে চলতে থাকে ৷

তার বক্তব্যের মুল কথা হল, রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর আবির্ভাবের সংবাদ শুনে সে কিৎকর্তব্য-
বিমুঢ় হয়ে পড়েছিল ৷৩ ৩াই নিজের জ্ঞান ও প্রজ্ঞা সত্বেও সে ইসলামগ্রহণ থেকে বিরত থাকে ৷
প্রথমত, আবদুল্লাহ ইবন উবইি ইবন সালুলত তাকে ইসলামগ্রহণে বাধা দেয় ৷ আবু কায়স নিজে
আবদুল্লাহ ইবন উবাইকে বলেছিল যে, এ রাসুলওে তো সেই রাসুল ইয়াহ্দীরা যার আগমনের

সংবাদ দাি৩ ৷ ৷ ইবন উবাই কৌশলে তাকে ইসলাম গ্রহণ থেকে বিরত রাখে ৷ ইবন ইসহাক
বলে, মক্কা বিজয়ের দিবস পর্যন্ত আবু কায়স ও তার ভাই ইসলামগ্রহণ করেনি ৷ সে শেষ পর্যন্ত
ইসলাম গ্রহণ করেছে এমন মন্তব্য যুবায়র ইবন বাক্কার প্ৰ৩ ব্রুাখ্যান করেন ৷ ওয়াকিদীর
অভিম৩ ও অনুরুপ ৷ ওয়াকিদী বলেন, রাসুলুল্লাহ্ প্রথম তাকে যখন ইসলামের দাওয়াত দেন,
তখন সে ইসলামগ্রহণের সং কল্প করেছিল ৷ এরপর আবদুল্লাহ্ ইবন উবাই এরুপ সংকল্পের
জন্যে তাকে তহ্সন৷ করে ৷ তখন সে শপথ করে যে, এক বছর পর্যন্ত যে ইসলাম গ্রহণ করবে
না ৷ ওই য়্লকা’দা সালে তার মৃত্যু ঘটে ৷

ইবনুল আহীর তীর উসদুল গাবা গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন, কেউ কেউ বলেছেন যে, আবু
কায়সের মৃত্যু যখন ঘনিয়ে আসে, তখন রাসুলুল্লাহ্ তাকে ইসলামগ্রহণের দাওয়াত দেন ৷ তখন
রাসুলুল্লাহ্ তাকে বলতে শুন্যেছন যে, সে বলছে ল৷ ইলাহ৷ ইল্লাল্লাহ্’ ৷

ইমাম আহমদ, আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) এক
অসুস্থ আনসারী লোককে দেখতে গেলেন ৷ তিনি বললেন, মামা বলুন, “লা ইলাহ৷ ইল্লাল্লাহ্” ৷
সে বলল, আপনি কি আমাকে চাচা ডাকেন, নাকি মামা ডাকেন ? রাসুলুল্পাহ্ (সা) বললেন
মামা-ই তো ৷ সে বলল, “লা ইলাহ৷ ইল্পাল্লাহ্ বলা কি মামার জন্যে অধিক কল্যাণকর হবে ?
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, হীা, তা কল্যাণকর হবে৷ ইমাম আহমদ এককভাবে এ হাদীসঢি বর্ণনা
করেছেন ৷ ইকরামা ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন যে, আবু কায়সের মৃত্যুর পর তার পুত্র আবু

কায়সের বিধবা শ্রী ম৷ ন ইবন আ ৷সিমের কন্যা কা ৷বীসাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল ৷ কাবীসা তখন
বিষয়টি রাসুলুল্পাহ্কে জানায় ৷ তখন আল্লাহ তা ভালো না ৷যিল করলেন :


পৃষ্ঠা ২৯০ ঠিক করুন


ৰুাড্রু
“নারীদের মধ্যে ৫৩ামাদের পি৩ তৃপুরুষ যাদেরকে বিয়ে করেছে তোমরা তাদেরকে বিয়ে
করো না ৷ পুর্বে যা হয়েছে হয়েছেই ৷ এটি অশ্লীল,অতিশয় ঘৃণা এবং নিকৃষ্ট আচরণ ৷

ইবন ইসহাক এবং মাগাযী গ্রন্থের লেখক সাঈদ ইবন ইয়াহ্য়া উমাভী উল্লেখ করেছেন যে ৰু
আলোচ্য আবু কায়স জাহিলী যুগে সন্নব্রাসব্র৩ গ্রহণ করেছিল ৷ সে চট পরিধান করাতা ৷
মুর্তি পুজা বর্জন করে চলং৩ তা ৷ নাপাকী থেকে পবিত্রতা অজনের জন্যে গোসল করতো ৷
মহির্লাদের জন্যে হ ইয ও ঋতুস্রাব থেকে পবিত্রতা অর্জনের ব্যবস্থা করতো ৷ খৃন্টধর্ম গ্রহণের
পরিকল্পনা করেছিল ৷ কিন্তু তারপর তা থেকে বিরত থাকে ৷ সে৩ার একটি গৃহে প্রবেশ করে
এবং সেটিকে মসজিদ রুপে নির্ধারণ ৷করে ৷ কে ন ঋতুমভী মহিট্রুৎলাএবং কোন নাপাক ব্যক্তির
সেখানে প্রবেশাধিকার ছিল না ৷ সে বলেছিল, আমি ইব্রাহীম (আ)-এর মা’বুদ ও ইলাহ্-এর
ইবাদত করব ৷ তিনি মুর্তিপুজাকে ত্যাগ করেছিলেন এবং তার প্ৰতি ঘৃণা প্রকাশ করেছিলেন ৷
সে এভাবেই ইবাদত করে যাচ্ছিল ৷ অবশেষে রাসুলুল্লাহ্ (সা ) মদীনায় আগমন করলেন ৷ সে
ইসলাম গ্রহণ করল এবং সে নিষ্ঠার সাথে ইসলামী জীবন যাপন করে ৷ সে ছিল বয়ােবৃদ্ধ
ব্যক্তি ৷ সদা সর্বদা স৩া কথা ব্যক্তকারী ৷ জাহিলী যুগেও যে তাল্লাহ্র প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান নিবেদন
করত ৷ এসব বিষয়ে যে কতক সুন্দর কবিতা রচনা ও আবৃত্তি করেছেং :


আল্লাহ্যুথী হয়ে আবু কায়স বলছে, তোমাদের সাধ্য মুতাবিক তোমরা আমার উপদেশ
কার্যকর কর ৷

ৰুাট্রুা
আমি৫ আমাদেরকে আল্লাহ্ সম্পর্কে উপদেশ দিচ্ছি ৷ আরো উপদেশ দিচ্ছি সৎকর্মের
থোদাভীতির এবং অন্যায় থেকে দুরে থাক কার আর সর্বাগ্রে মহান অাল্লাহ্র আনুগত্য করার ৷

াটুপুর্মুণ্াটুণ্ ওাট্রুর্বু৷ ৷ ট্রু,াংা১’৷ ষ্টুাট্রুণ্ ৷ট্রু’ষ্াটুন্ ন্র্বুটুও ট্রু,াট্রু
তোমাদের সম্প্রদায়ের লোকজন নেতা মনোনীত হলে৫ তোমরা ওদেরকে হিং সা করো না ৷
আর তোমরা নিজেরা নে৩ তত্বের আসনে আসীন হলে তোমরা ন্যায়বিচার করো ৷

৷টুট্রুট্রুৰু£১ ;স্পো ৷ ট্রু,ট্রু১ ংণ্’ধুট্রুন্’ন্ং১১ — ণ্ধুপ্রুব্লুপ্রু ;; ৷ দ্বুএ ৷ < ৰু;১ ৷ ;ন্ট্রুা;(১ ;, ৷ ’,
তোমাদের সম্প্রদায়ের উপর কোন বিপদ নেমে এলে নিজেদের সম্প্রদায়ের লোককে রক্ষা
করার জন্যে নিজেরা ই৩ ধ্া ৩মুকাবিলা করবে ৷

০ ; : ; ,

( আমাদের সম্প্রদায়ের উপর যদি ঋণের বোঝা এসে পচ্ড়, তবে তোমরা তৰুাদের প্রতি ৩সদয়

ও নম্র আচরণ করবে ৷ আর তোমাদের উপর যদি কোন দায় চাপিয়ে দেয়া হয় , তবে তোমরা
সেই দায় দায়িৎ গ্রহণ করো ৷


পৃষ্ঠা ২৯১ ঠিক করুন


৷ এ
যদি তোমরা দরিদ্র ও অভাবী হয়ে যাও তবে৩ ভিক্ষাবৃত্তি থেকে নিজেকে রক্ষা কর ৷ যদি
তোমাদের কোন সম্পদ থাকে, তার তোমরা তা থেকে দান করবে ৷

আবু কড়ায়স আরো বলেছে :
তোমরা আল্লাহ্র মহিমা ঘোষণা করো-তার তাসবীহ পাঠ কর প্ৰতি সকালে যখন সুর্য
উঠে এবং প্রতি সন্ধ্যায় যখন চন্দ্র উদিত হয় ৷
ক্রো১ ষ্ট্রহ্রএ৷ ’ণ্া৷হ্র
মহান আল্পাহ্ প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল বিষয়ে অবগত ৷ আমাদের প্রতিপালকের কোন বাণী
ও কথাই অসতা নয় ৷
পক্ষীকুল র্তারই ৷ সেগুলো বেরিয়ে যায় আর সন্ধ্য৷ বেলায় পর্বতের নিরাপদ স্থানে নিজ নিজ
কুলায় ফিরে আসে-আশ্রয় নেয় ৷

প্রান্তরের বন্য জন্তু তারই ৷ তুমি দেখতে পারে যে, সেগুলো মাঠে-ময়দানে,
প্রান্তরে-উপত্যকায় বিচরণ করে এবং বালি পাহাড়ের ছায়ায় অবস্থান করে ৷




ইয়াহ্রদিরা গুারই অভিমুখী হয়েছে এবং সকল প্রকারের অকল্যাণের আশৎকড়ায় অকল্যাণ
থেকে বাচার জন্যে পরিপুর্ণভা বে দীনের অনুসরণ করেছে ৷

ৰুট্রু
খৃন্টানরা৩ তারই জন্যে রৌদ্র দিবস উদ্য়াপন করে এবং তাদের সকল ঈদ-উৎসব ও
সমাবেশ তারই উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে ৷

শুণ্াঙ্ টু
তুমি দেখতে পাও আত্মসৎযমী সৎসারত্যাগী খৃক্টান ধর্ময়াজককে ৷ সে দীন-হীন ভাবে দুঃখ
কষ্টে জীবন যাপন করে ৷ বন্তুত পুর্বে সে ছিল বিলাসবহুল জীবন যা ৷পনকারী ৷

ধ্া৷ঠুন্া
হে আমার আত্মীয়গণ আত্মীয়৩ ৷ ছিন্ন করে৷ না ৷ (ছ ট বড় সকল আত্মীয় রক্ষা করো ৷
আত্মীয়তার সম্পর্ক অক্ষুপ্ল যায় ৷

এপ্রো


পৃষ্ঠা ২৯২ ঠিক করুন


অসহায় ইয়াতীমদের অধিকার প্রদানের ক্ষেত্রে, তাদের হক আদায়ের ক্ষেত্রে তোমরা
আল্লাহ্কে ভয় কর ৷ তোমরা তাদের সাথে সেই আচরণ করো, যা হালাল ও বৈধ ৷ অবৈধ ও
হারাম আচরণ করে৷ না ৷

স্মরণ রেখো , ইয়াতীমদের একজন অভিভাবক আছেন, যিনি সব বিষয়ে অবগত ৷ কাউকে
জিজ্ঞেস মাত্র না করেই তিনি যথাযোগ্য কাজটি করেন ৷
তোমরা ইয়াভীমের ধন-সম্পদ আত্মসাৎ করে৷ না ৷ একজন শক্তিমান তত্ত্বাবধায়ক
ইয়াভীমের সম্পদের তত্ত্বাবধান করেন ৷
হে প্রতিবেশী পুত্ররা, প্রতিবেশীৎ কে লাঞ্ছিত করে৷ না, অপমানিত করে৷ না ৷ যে ব্যক্তি
প্রতিবেশীতু রক্ষা করে, প্রতিরেশীর হক আদায় করে নিঃসন্দেহে সে বুদ্ধিমান ব্যক্তি ৷
ট্রা

হে কাজের সম্ভানরা ! যুগ-চক্রকে নিরাপদ মনে করে৷ না, যুগের বিপদ সম্পর্কে শংকাহীন
থেকে৷ না ৷ তার চাল সম্পর্কে সজাগ থেকে৷ ৷

স্মরণ রেখো যে, যুগের কাজই হল জগত ধ্বংস করা , পুরাতন নতুন, সব কিছুকে সে শেষ
করে দেয়

শ্প্রো ৷ ১ট্রুাএ ৷ ; ৷ এৰুর্মু;) চে ,ছুন্ ৷ ৷) ,৷ ৷ শ্যুৰু ;’:’,ং’ ৷টুট্রু;ঠু;ছুশ্াট্রু
তোমরা তোমাদের কাজগুলােকে গুছিয়ে নাও এবং পরিচালিত কর সৎকর্মের ভিত্তিতে ৷
তাকওয়া অর্জন, পাপাচার বর্জন ও হালাল গ্রহণের ভিত্তিতে ৷

ইবন ইসহাক বলেন, আল্লাহ্ তা জানা ইসলাম প্রদানের মাধ্যমে এবং তাদের মধ্যে
রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে প্রেরণের মাধ্যমে কুরায়শদের প্রতি যে কৃপা ও অনুগ্রহ দান করেছেন,
তাদেরকে সম্মানিত করেছেন আবু কায়স সারমাহ্ সেগুলো উল্লেখ করে আরো কবিতা রচনা
করেন ৷

×

এেট্রু১ক্ট্র
তিনি (রাসুলুল্লাহ্) দশ বছরের অধিক সময় কুরায়শ গোত্রের মধ্যে অবস্থান করেছেন ৷ এই
সময়ে তিনি উপদেশ প্রদান করতে ন ৷ যদি কোন বন্ধুর বা আগত্তুকের দেখা পেতেন ৷ পরের
দিকে পুর্ণ কবিতা উল্লেখ করা হবে ইনশাঅ৷ ৷ল্লাহ্ ৷


পৃষ্ঠা ২৯৩ ঠিক করুন


আকাৰার দ্বিতীয় শপথ

ইবন ইসহাক বলেন, তারপর মুসআব ইবন উমায়র মক্কায় ফিরে এলেন ৷ তার সাথে
আনসারী হাজীগণ এবং তাদের সম্প্রদায়ের মুশরিক হজ্জ সম্পাদনে ইচ্ছুক ব্যক্তিরাও ৷ র্তারা
সকলে মক্কায় উপস্থিত হলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে তাদের কথাবার্তা হল যে, আইয়ামে
তাশরীকের মধ্যবর্তী দিবসে অর্থাৎ ১ ২ই যিলহাজ্জ তারিখে র্তারা আকাবা নামক স্থানে একত্রিত
হবেন ৷ “তাদেরকে মহিমাম্বিত করার জন্যে, নবী (সা) কে সাহায্য করার জন্যে এবং ইসলাম ও
মুসলমানদেরকে বিজয়ী করার জন্যে আল্লাহ তাআলা এই সময়উি র্তীদের জন্যে নির্ধারিত
করেছিলেন ৷

মাবাদ ইবন কাআব ইবন মালিক আমাকে জানিয়েছেন যে, তার ভাই আবদুল্লাহ ইবন
কাআব তাকে জানিয়েছেন ৷ এই আবদুল্লাহ ছিলেন আনসারীদের একজন বড় আলিম ৷ বন্তুত
আবদুল্লাহ বলেছেন যে, তার পিতা র্তাকে জানিয়েছেন, তিনি আকত্থার শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত
ছিলেন এবং রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর হাতে তখন বড়ায়আত হয়েছিলেন ৷ তিনি বলেছেন, আমাদের
সম্প্রদায়ের মুশরিক হড়াজীদেরকে নিয়ে আমরা সবাই মক্কায় রওনা হলাম ৷ আমরা তখন নামায
পড়তাম এবং দীনের জ্ঞান অত্তনি করতাম ৷ আমাদের সাথে ছিলেন আমাদের বয়ােজেষ্ঠে ও
নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি বারা ইবন মারুর ৷ মদীনা থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে আমরা যখন যাত্রা করলাম,
তখন বাবা (রা) বললেন, হে লোক সকল আমি একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি তোমরা আমার
সাথে একমত হবে কিনা আমি জানি না ৷ আমরা বললাম , “সিদ্ধাস্তটা কী ?” তিনি বললেন
আমি সিদ্ধান্ত গিয়েছি যে , এই গৃহকে অর্থাৎ কাবাগৃহকে আমি পেছনে রাখতে পারব না আমি
বরং ওই কাবাগৃহের দিকে মুখ করেই নামায আদায় করব ৷ আমরা বললাম, আমরা তো আমি
যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) সিরিয়ার দিকে (বায়তৃল মুকাদ্দামের দিকে) মুখ করেই নামায আদায়
করেন ৷ সুতরাং আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর বিপরীত কাজ করব না ৷ বারা’ (রা) বললেন, আমি
কাবাগৃহের দিকে মুখ করেই নামায আদায় করব ৷ আমরা বললাম, আমরা কিন্তু তা করব না ৷
এরপর নামাযের সময় হলে আমরা নামায পড়তড়াম সিরিয়ার (বাযতুল মুকাদ্দাসের) দিকে মুখ
করে আর তিনি নামায আদায় করতেন কাবার দিকে মুখ করে ৷ এভাবে আমরা মক্কা এসে
পৌছি ৷

মক্কায় এসে তিনি আমাকে বললেন, ভাতিজা! তুমি আমাকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
নিকট চল ৷ সফরে আমি যা করেছি সে সম্পর্কে আমি তার কাছে জানতে চইিব ৷ কারণ, আমি
যা করেছি সে সম্পর্কে আমার মনে একটু খটকা সৃষ্টি হয়েছে এজন্যে যে, আমি তোমাদের
সকলের উল্টেড়া কাজ করেছি ৷ বর্ণনাকারী কাআব (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) থেকে বিষয়টি
জানার জন্যে আমরা তার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম ৷ আমরা কিন্তু তখনও র্তাকে চিনতড়াম না এবং
ইতোপুর্বে তাকে কোন দিন দেখিনি ৷ পথে মক্কার এক লোকের সাথে আমাদের দেখা হয় ৷
আমরা তাকে রাসুলুল্লাহ্ (সা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি ৷ সে বলল, আপনারা কি র্তাকে চিবুনন ?
আমরা বললাম, না, র্তাকে আমরা চিনি না ৷ সে বলল, তবে তার চাচা আব্বাস ইবন আবদুল
মুত্তালিবকে চিনেন ? আমরা বললাম, “ইক্রা , আমরা তাকে চিনি ৷ আব্বাস নিয়মিত ব্যবসায়িক





Execution time: 0.07 render + 0.00 s transfer.