Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৩

পৃষ্ঠা ২২৭ ঠিক করুন


রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর যামানায় চন্দ্র বিদীর্ণ হওয়া

বাসুলুল্লাহ্ (সা) যে হিদায়াত ও সত্য দীন নিয়ে এসেছেন তার স৩ ৷৷য়নে চভ্রুন্দ্রর খাণ্ডত হয়ে
যাওয়াকে আল্লাহ তা ভালো একটি নিদর্শন করে দিয়েছেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা ) এর ইশাবা যার সাথে
সাথে চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় ৷ পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ এ সম্পর্কে বলেন :

০ ’ : ) শ্ ,


# : )

-);;প্রু মেং ৷ এও ) ণ্এ ণ্ ৷ স্পে ৷ ৷ প্রু; ৷ , ৷ ,ন্প্রুদ্বু , )ন্র্দুঞ্জুঠু;

কিয়ামত আসন্ন, চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে ৷ ওরা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং
বলে এটি তো চিরাচরিত জাদু ৷ ওরা সত্য প্ৰতব্লাথ্যান করে এবং নিজ খেয়াল-খুশীর অনুসরণ
করে ৷ আর প্রত্যেক ব্যাপারেই তার লক্ষ্যস্থলে পৌছবে ( ৫৪ : ১ ৩) ৷

প্রিয়নবী (সা) এর জীবদ্দশায় চন্দ্র খণ্ডিত হওয়ার দ্ ন্মো ঘটেছে এ ব্যাপারে দলমত
নির্বিশেষে সকল মুসলমান একমত৷ ৷বহু মুতাওয়াতির হাদীছ এ সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে ৷ হা ৷দীছু
বিশারদ ও হাদীছ গবেষকদের নিকট এ ঘটনা অকাটদ্র সত ৷রুপে প্রমাণিত ৷ আল্লাহ চাহেন তো
আমরা এ বিষয়ে কিছু আলোচনা পেশ করব ৷ তাওয়াক্কুল ও নির্ভরত৷ তা ৷ল্লাহ্র উপর ৷

তাফসীর গ্রন্থে অবশ্য আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি ৷ সেখানে আট হ দীছ
গুলোর সনদ ও ভাষ্য উল্লেখ করেছি ৷ এখানে ওই সনদগুহুলা এবং প্রসিদ্ধ কি৩ বেঃস্পোলার দিকে
ইঙ্গিত করব ৷ এসব হাদীছ বর্ণিত হয়েছে হযরত আনাস ইবন মালিক, জুবায়র ইরন মুতঈন
হুযায়ফা, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস আবদুল্লাহ ইবন উমর ও আবদুল্লাহ ইবন ষাসউদ (রা) প্রমুখ
থেকে

হযরত আনাস (রা) এর হাদীছ সম্পর্কে ইমাম আহমদ ৷;ৰ্া৷ বলেন; আবদুক
রাযযাক আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি অ্যাংন্ৰুশ্ মক্টার অধিবাসিগণ
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর নিকট একটি নিদর্শন দেথাঃনার অনুল্পেল্পি করে ৷ ফলে মোঃ র্চন্দে দু
টুকংরাহয়ে যায় ৷ এ এসহ্গে তিনি এ অযােততিলাওযাতকাচুবন ং ৰু ণ্ শ্ ণ্

( হ্ ষ্ ণ্শ্ ষ্ষ্প্ ষ্ষ্ট্রুৰু;শ্ ষ্;ড্রন্ ষ্কৃ শ্ ষ্ §


ৰু ,হু ষ্ৰ্

তখনই র্চাদ দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় এবং ঘটনাটি দুইবার ঘটে ৷ ইমাম মুসলিম (র) উক্ত হাদীছ
মুহাম্মদ ইবন রাফি সুত্রে আবদুর রাঘৃত্থাক থােক রংহুন৷ করেছেন ৷ এটি হন সাঢ়হ্ন্াবী-গচল্লার
মুরসা ল হাদীছের অন্তর্ভুক্ত ৷ বাহ্যত বুঝা যায় যে বহু থােক সাহাবী থেকে তিনি এই হাদীছ
পেয়েছেন ৷ অথবা সরাসরি নবী করীম (সা) থেকে তিনি এটি শুহুনছেন ৷ অথব৷ সকল সাহাবী
থােক তিনি এটি পেয়েছেন ৷ ইমাম বুখারী ও মুসলিম (র) এ হাদীদুখড়ান্য উদ্ধৃত করেছেন
মোঃাস্ৰু সুত্রে ৷ (ইমাম বুখারী (র) সাঈদ ইবন আৰুট্রু আরুবাৱ নাম এবং ইমমি মুসলিমৃ (ব)
ও যার নাম তপ্টিক্ত ছুয়ার্গ কধোছন ৷) উ৷ ৷র৷ তিন জনৈই ধ্ণ্নাি কগুরছেন কা ৷দা ষ্র্বুত্রে৷ আ নাস
(রা) থােক ৷ ণ্হ:যরতদ্ব আনাস ব্রা) বলোঃন ঘে, নক্কান্ৱ ত্মধিধ্াসিগণ বাসুলুলুঙ্কহ্ ণ্(সাম্বাকে
অর্বুরেধ্যে কম্নেন্থিলোঃত্তিনিঃণ্ যেন ন্তড়াদেরর্ল্ডক একটিৰুনিদগ্র্ণনদেখ্যন, ৷ তিনি ৰুচচন্দ্রাৰুদু’ন্াণ্ডে খঃণ্ডিতহ্রয়ে


পৃষ্ঠা ২২৮ ঠিক করুন


যাওয়ার নিদর্শনটি দেখালেন ৷ তারা র্চাদের উভয় খণ্ডের ম ধ্যখান দিয়ে €হরার পাহাড় দেখতে
পেলেন ৷ এটি সহীহ্ বুখারী গ্রন্থের ভাষ্য ৷

জুবায়র ইবন মুতঈমের হাদীছ প্ৰসংগে ইমাম আহমদ (ব) বলেন, যে তিনি বংনি৷ করেন
যে, রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর যুগে চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হয়ে গিয়েছিল ৷ একখণ্ড এই পাহাড়ের উপর অপর
খণ্ড ওই পাহাড়ের উপর দেখা যাচ্ছিল ৷ এটি দেখে তারা বলেছিল মুহাম্মদ তো আমাদেরকে
জাদু করেছে ৷ তারা এও বলেছিল যে সে আমাদেরকে জাদু করতে পারলেও সকল মানুষকে
জাদু করতে পারবে না ৷ এটি ইমাম আহমদ একাই বনি৷ করেস্ফো ৷ ইবন জারীর হসাইন
থেকে অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷

বায়হা ৷কী (ব ) একজন অতিরিক্ত রাবীর নাম যোগ করে জুবায়র ইবন মুহাম্মদ ইবন জুবায়র
ইবন মু৩ তঈম থেকে হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ৷ আবু নুআয়ম৩ তার দালাইল গ্রন্থে হুযায়ফা ৷ইবন
ইয়ামান সুত্রে বর্ণনা করেন যে একদিন তিনি মাদাই ন নগরীতে একটি জুমুআর খুতবা( দেন ৷

আল্লাহ্ ত ৷আলার প্ৰশং না ও ন্তুতি বর্ণনার পর তিনি এ আয়াত পাঠ করলেন :
পৌ ৷ ৰুহ্রছু£ৰুাপ্রু ব্লু;া;পু ৷ ;;ব্লুব্লুপুট্রা

এবং বললেন, শুনে রেখো কিয়ামত অবশ্যই নিকটবর্তী হয়ে এসেছে ৷ শুনে রেথো চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত
হয়ে গিয়েছে ৷ শুনে রেখো, দুনিয়ার বিদায় ঘণ্টা বেজে গিয়েছে আজ (দুনিয়ায়) হচ্ছে মহড়ার
দিন ৷ আগামীকাল লা(অ ৷খিরাঃ৩ ৩) প্রতিযোগিতার দিন; পরবর্তী জুমৃঅ৷ আমার বাবার সাথে আমি
জুমুআর নামায়ে য ই ৷ সেদিনও তিনি আল্লাহর প্রশং সার পর পৃবদিনের ন্যায় খুতব৷ দিলেন ৷
তবে এতটুকু অতিরিক্ত বললেন, শুনে রেখো, অগ্রগামী যে ব্যক্তি যে আগে আগে জুমুআর
নামাষে আসে ৷ বাড়ী ফেরার পথে আমি আমার বাব ৷ কে বাংলায়, পর ক৷ ণে থাকএে
প্রতিযোগিতায় অগ্রপামীদের প্রতাপ” বক্তব্য দ্বারা উনি কি বুঝাতে চেয়েছেন ? উত্তরে আমার
পিতা বললেন, এর দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন যে, এরা জান্নাতে ৩প্ৰবেশে অগ্রগামী থাকবে ৷

ইবন আববাসের (রা) হাদীছ সম্পর্কে ইমাম বুখারী (র) বলেন, ইয়াহ্ইয়৷ ইবন কাহীর
ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর যুগে চীদ
দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল ৷ ইমাম বুখারী ও মুসলিম (ব) বকর ইবন নাসর সুত্রে জাফর থেকে বর্ণনা
করেছেন যে,



§


আয়াত সম্পর্কে তিনি বলেন, এ ঘটনা ইতোমধ্যেই ঘটে গিয়েছে ৷ হিজরবু৩ র পুর্বে র্চাদ খণ্ডিত
হয়েছিল এবং কুরায়শরা চাদের দুটো খণ্ড স্পষ্ট দেখতে পেয়েছিল ৷ ইব ন আব্বাস (রা) থেকে
আওফীও অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷ এ বর্ণনা আওফীর মুরসাল বর্ণনা সমুহের একটি ৷

হাফিয আবু নুআয়ম বলেন, সুলায়মান ইবন আহমদ ইবন আব্বাস ( রা) থেকে বর্ণিত
স্পো ৷ :;;:;’, নুছুর্চ৷ ৷ ন্ , ৷ আয়াত সম্পর্কে তিনি বলেছেন, মুশরিকদের নেতৃস্থানীয়


পৃষ্ঠা ২২৯ ঠিক করুন


লোকজন একদিন রসুলুল্লাহ্ (সা ) এর নিকট সমবেত হয় ৷ তাদের মধ্যে ওয়লীদ ইবন মুগীরা,
আবু জহ্ল ইবন হিশাম, আস ইবন ওয়ইল, আস ইবন হিশম, অসওয়দ ইবন অবৃদ
ইয়পুছ, আসওয়দ ইবন মুত্তলিব, যানআ ইবন অসওয়দ, নাযর ইবন হ বিছ ও এ জাতীয়
লোকজন অন্তর্ভুক্ত ছিল ৷ তার রাসুলুল্লাহ্ (স) কে বলল, তুমি যদি স৩ বদী হও, তবে
আমাদের সম্মুখে র্চদকে দ্বিখণ্ডিত করে দেখাও ৷ একখণ্ড থাকবে আবু কুবায়স পাহাড়ে আর
অপর খণ্ড থাকবে ক ঈকঅন পাহাড়ে ৷ ব সুপুছুহু (স)৩ দেববেত্ত বললেন, আমি যদি তা করে
দেখই, তবে তোমরা ঈমান অনবে কি ? তার বলল, হ্যা অবশ্যই ওই রাত ছিল পৃ র্ণিমর
রাত ৷ ওদের প্রস্তাব মুতাবিক ঘটনা ঘটিয়ে দেয়ার জন্যে রসুলুল্লাহ (স ) আল্লাহর নিকট দুআ
করলেন ৷ ফলে আকাশ থেকে র্চদ যেন ঝরে পড়েছিল ৷ এর অর্ধেক যেন পড়েছিল আবু কুবয়স
পাহাড়ে আর অর্ধেক যেন পড়েছিল কাঈকাআন পাহাড়ে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) ওদেরকে ডেকে
ডেকে বলেছিলেন, “হে আবু সালাম ইবন আবদুল আসাদ, হে আরকড়াম ইবন আরকড়াম,
দেখ ৷ ৷



এরপর আবু নুআয়ম বলেছেন যে, সুলায়মান ইবন আহমদ ইবন আব্বাস (রা) থেকে
বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, মক্কার অধিবাসীরা একদিন রসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট
উপস্থিত হয়ে বলেছিল যে এমন কোন নিদর্শন আছে কি যা দেখে আমরা বুঝতে পারব যে
আপনি আল্লাহর রাসুল ? এ সময়ে জিবরঈল নেমে এলেন এবং বললেন হে মুহাম্মদ
মক্কাবসীদেরকে আপনি বলে দিন, আজ রাতে তার যেন একস্থনে সমবেত হয় অবিলম্বে তার
এমন একটি নিদর্শন দেখবে য দ্ব রা ত র উপকৃত হবে ৷ জিবর ঈল (আ)-এর বক্তব্য রাসুলুল্লাহ্
(সা) ওদেরকে জানালেন ৷ র্চদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার রাতে অর্থাৎ ওই চন্দ্র মাসের চৌদ্দতম রাতে
তার সকলে বেরিয়ে এল ৷ তখন চীদ দৃতগে বিভক্ত হয়ে পড়ল ৷ অর্ধেক সাফ পাহাড়ে আর
অপর অর্ধেক মরওয় পাহাড়ে সকলে স্কচহ্মে ত প্রত্যক্ষ করলে ৷ এবার তার নিজ নিজ চোখ
রগড়ে নিল এবং পুনরায়৩ তাকিয়ে দেখলে ৷ তারপর আবার চোখ রগড়ে আবার তাকলে ৷
তারপর তার বলল, হে মুহাম্মদ! এটি তে একজন যাজকের জদৃমন্ত্র ৷ এ প্রেক্ষিতে আল্লাহ
তাআলা নাযিল করলেন :
দাহ্হাক ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, কয়েকজন ইয়াহুদী
যাজক রাসুলুল্লাহ্ (স) এর নিকট উপস্থিত হয়েছিল ৷৩ তার বলেছিল আপনি আমাদেরকে একটি
নিদর্শন দেখন,৩ তাহলে আমরা ঈমান অনব ৷ রসৃলুল্লাহ্ (সা) তার প্রতিপলকের নিকট দুআ
করলেন তিনি তাদেরকে র্চদের নিদর্শন দেখলেন যে, সেটি দু’ডাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে ৷
একভাগ সফায় আর অপর ভাগ মরওয়য় ৷ আসবের ওয়ক্ত থেকে মগরিবের ওয়ক্ত পর্যন্ত
এতটুকু সময় পরিমাণ চীদ খণ্ডিত অবস্থায় ছিল ৷৩ তার সবাই ত তাকিয়ে দেখছিল ৷ তারপর
র্চদ অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল ৷ পরক্ষণে তার বলেছিল, এটি তে বনােয় ট জ দু ৷
হাফিয আবুল কাসিম৩ বারানী বলেন আহমদ ইবন অমর ইবন আব্বাস (রা) থেকে
বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (স) এর সময়ে একদিন চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল ৷ তা দেখে
কাফিরর বলেছিল যে, চন্দ্রকে জাদুকর হয়েছে ৷ এ প্রেক্ষিতে নাযিল হয় ৷ং :


পৃষ্ঠা ২৩০ ঠিক করুন





এটি একটি উত্তম সনদ ৷ এই বর্ণনায় এসেছে যে ওই রাতে চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল ৷ সে সুত্রে
রল৷ য়ায়; ওয়, চন্দ্রগ্রহণের রাতেই চন্দ্র বিদীর্ণের ঘটনা ঘটেছিল ৷ এজন্যে পৃথিবীর অনেক
ওলাওকুর নিকট তা অদৃশ্য ছিল ৷৩ তা সত্বেও পৃথিবীর বহু লোকের নিকট তা দৃশ্যমান হয়েছিল ৷
কথ্রিত আ ৷ওছ যে ভারতীয় উপমহাদেশের কোন কোন স্থানে ওই রা৩ ন্টিকে ঐতিহাসিক রাত
হিসেবে ট্রিহ্নি১৩ করা হয়েছে এবং ওই রাতে চন্দ্র বিদীভ্রুর্ণর ঐতিহাসিক স্মারকয় দ্পে একটি
ম্মুনিন্তুম্ভও নিমাণ৷ করা হয় ৷

হয়বওৰুইরন উমর( র(া) এর হাদীছ সম্পর্কে বায়হাকী (র) বলেন আবু আবদুল্লাহ হ ৷ফিয়

মুজাহিদ থেকে লোঃপ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে ৷ মুসলিম বলেন, মুজাহিদু :দর বর্ণনার ন্যায় আবু
ম মার সুত্রে ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে ৷ তিরমিযী বলেন এটি হাসানও ওসহীহ্
হাদীছ ৷ ,

আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (বা ) এর হাদীছ সম্পর্কে ইমাম আহমদ ( ব ) বলেন সৃফিয়ান
ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ্ (সা ) এর যুগে র্চাদ দৃ ভাগে বিভক্ত
গ্লুহহুয় পড়েছিল ৷ কুবাযশহুব৷ তাকিয়ে তাকিয়ে তা দেখেছে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা ) বললেন তোমরা
সাক্ষী, (থহ্রৰুক৷ ৷দুৰুসুফিয়ান ইবন উয়ায়ন৷ থেকে বুখারী ও মুসলিম অনুরুপ উদ্ধৃত করেছেন ৷
অন্যদিকে আমাশ্ ইৰুন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন চন্দ্র বিদীর্ণ হল, আমরা
ত্য়ন রাসুলুল্লাহু (সা) এর সাথে মিনার অবস্থান করছিলাম ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা ) বললেন তোমরা
সাক্ষী ওথওক৷ ৷ চাওদর একটি খণ্ড তখন পাহাড়ের দিকে গিয়ে পড়েছিল ৷ এটি সহীহ্ বুখারীর
ৰু ট্রতাষ্য, ৷ এরপর ইমাম বুয়ারী (র) বলেন আবু দাহ্হাক মাসরুক সুত্রে মক্কায় আবদুল্লাহ থেকে
বর্ণনা কওরওছন ৷ ব্লুহাস্মৃদ হর্ন মুসলিম আবদুল্লাহ থেকে এর সমর্থক হাদীছ বর্ণনা
করেছেন ৷

আবু দাউদ ৷যালিসী আবু য়ুহা আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত হা ৷দীছটির সনদ
উ ল্লেল্;৷ করেছেন ৷, ইরন ম্ক্তৃসউদ (রা ) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা ) এর যুগে চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছিল ৷
তখন কুরায়ওশরৰুৰুঙুল্াওকর৷ রহুলছিল, এটি আবু কাবশার ছেলের জাদু ৷ তারা বলল, সফরে থাকা
প্ লোকজন , ফিওরৰুন৷ ত্না৷সু৷ পর্বৃন্ত, অপেক্ষা কর ওরা কি সংবাদ নিয়ে আসে তা দেখ ৷ মুহাম্মাদ
(সা ) তাে সকল মানয়চুক জ্রাদু করতে পারবে না ৷ সফরে থাকা লোকজন ফিরে এলে তারাও
ঘটনার সভ্যাও তা স্বীক৷ ৷র করল ৷

বায়হাকী কওলন আবু আবদুল্লাহ হাফিয আবদৃল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত
তিনি নবলেন মক্কায় চাদ দু’ টুকরো হয়ে পড়েছিল ৷ তখন কুরড়ায়শ বংশীয় কাফিররা মক্কার
অেধিবাঙ্গীওদরকে রলল এটি তো একটি জাদু ৷ আবু কাবাশা ৷র পুত্র তােমাওদরওক জাদু করেছে ৷
:ন্সকওর থাকা লোকদের কিংর নাআসা পর্যন্ত অপেক্ষা কর ৷ ও৩ তামরা যেমনটি দেখেছ ওরাও
যদি তেমনটি দেখে থাকে; তবে মুহাম্মদ (সা) যা করেছে তা সত্য বটে ৷ আর ওরা যদি


পৃষ্ঠা ২৩১ ঠিক করুন


তেমনটি না দেখে থাকে, তবে এটি নিশ্চিত জাদু, সে ভোমাদেরকে জাদু করেছে ৷ বর্গনাকারী
বলেন, সফরকারীরা ফিরে এল ওরা বিভিন্ন স্থান থেকে চতৃর্দিক থেকে প্রত্যাবর্তন করল ৷
তাদেরকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার যায় তারা সকলে বলল, আমরা তো তা দেখেছি ৷ আবু
নুআয়ম আবদুল্লাহ ইবন মড়াসউদ (বা ) থেকে অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷

ইমাম আহমদ (র) বলেন, মুআম্মাল আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (বা) থেকে বর্ণিত,
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর যুগে র্চাদ বিদীর্ণ হয়ে গিয়েছিল ৷ এমনকি চীদের দু’খণ্ডেব ফাক দিয়ে আমি
পাহাড় দেখতে পেয়েছিলাম ৷ ইবন জারীর (ব) আসবাত সুত্রে সাম্মাক থেকে অনুরুপ বর্ণনা
করেছেন ৷ হাফিয আবু নুআয়ম বলেন, আবু বকর তালাহীৰুআবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ (রা)
থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমরা রাসুলুল্পাহ্ (সা )-এর সাথে মিনায় ছিলাম ৷ তখন র্চাদ বিদীর্ণ
হওয়া দু’খণ্ডে বিভক্ত হয়ে পড়ে ৷ একখণ্ড পাহাড়ের পেছনে ৷ রাসুলুল্লাহ্(সা) বললেন, তোমরা
দেখে নাও ! তোমরা সাক্ষী থেকো !

আবু নুআয়ম, বলেন, সুলায়মান ইবন আহমদ ইবন মাসউদ (রা ) থেকে বর্ণিত
তিনি বলেন, একদিন র্চড়াদ বিদীর্ণ করে গেল ৷ আমরা তখন মক্কায় অবস্থান করছিলাম ৷ আমি
নিজের চোখে দেখেছি যে, চাদের একটি অংশ মিনায় অবস্থিত পাহাড়ে গিয়ে পড়েছে ৷ আমরা
মক্কা থেকে তা দেখছিলাম ৷

আহমদ ইবন ইসহাক আবদুল্লাহ (বা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন মক্কায় র্চড়াদ বিদীর্ণ হয়ে
পড়ে, আমি দেখেছি যে, সেটি দুখণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায় ৷ আলী ইবন সাঈদ আবদুল্লাহ
ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন আল্লাহর কসম আমি চীদকে খণ্ডিত দেখেছি ৷
সেটি দুখণ্ডে দ্বিখণ্ডিত হয়ে পড়েছিল ৷ উভয় খণ্ডের মাঝ দিয়ে হেরা পাহাড় দেখা গিয়েছিল ৷ আবু
নুআয়ম বর্ণনা করেছেন সুদ্দী সাগীর সুত্রে ইবন আব্বাস (রা) থেকে, তিনি বলেন, র্চাদ দু’খণ্ডে
বিভক্ত হয়ে পড়েছিল ৷ একখণ্ড অদৃশ্য হয়ে যায় এবং একখণ্ড অবশিষ্ট থাকে ৷ ইবন মড়াসউদ
(বা) বলেন র্চাদের উভয় খণ্ডের মাঝ দিয়ে আমি হেরা পাহার দেখেছি ৷ একখণ্ড অদৃশ্য হয়ে
যায় ৷ এটা দেখে মক্কাবাসি অবাক হয়ে গিয়েছিল ৷ তারা বলেছিল, এটি একটি কৃত্রিম জাদু,
অবিলম্বে এটির অবসান হবে ৷ লায়ছ ইবন সৃলায়ম বর্ণনা করেছেন, মুজাহিদ থেকে তিনি
বলেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর যুগে র্চড়াদ বিদীর্ণ হয়ে গিয়েছিল ৷ ফলে এটি দু’খণ্ডে বিভক্ত
হয়ে পড়েছিল ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) আবু বকর (রা)-কে বললেন, হে আবু বকর ! দেখে নাও
এবং সাক্ষী থেকো৷ মুশরিকরা বলেছিল, চীদের উপর জাদু করা হয়েছে, যার ফলে এটি বিদীর্ণ
হয়ে গিয়েছে ৷
বস্তুত এগুলো হল চন্দ্র বিদীর্ণ ও খণ্ডিত হওয়া সম্পবিতি হাদীছ ৷ এগুলোর সনদ এত বেশী
ৎখক ও মযবুত যে, এগুলো দ্বারা অকাট্য ও সন্দেহাতীত জ্ঞান অর্জিত হয় ৷ এ সনদগুলােব
বর্ণনাকারীদের চরিত্র ও যোগ্যতা সম্পর্কে যারা গভীর পর্যবেক্ষণ করবেন তারা তা বুঝতে
পারবেন ৷
কতক কড়াহিনীকার বর্ণনা করে যে, র্চাদ আকাশ থেকে মাটিতে পড়ে যায় এবং রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর আমার এক আস্তীনের মধ্যে ঢুকে পড়ে এবং অন্য আস্তীন দিয়ে তা বেরিয়ে পড়ে ৷ এ


পৃষ্ঠা ২৩২ ঠিক করুন


সব কিসৃসা কাহিনীর কোন ভিত্তি নেই ৷ এগুলো সরাসরি মিথ্যা ও বানােয়াট কথা ৷ এগুলো
মোটেই শুদ্ধ নয় ৷ বন্তুত র্চাদ যখন বিদীর্ণ হয়ে গিয়েছিল, তখনও আকাশেই ছিল ৷ তবে
রাসুলুল্লাহ্ (না) যখন সেটির দিকে ইঙ্গিত করলেন, তখন তার ইঙ্গিতে সেটি দৃই খণ্ডে বিভক্ত
হয়ে যায় এবং একখণ্ড চলতে চলতে হেব৷ পাহাড়ের উল্টে৷ দিক বরাবর চলে আসে ৷ তখন
দর্শকর৷ এই খণ্ড আর ওই খণ্ড উভয় খণ্ডের মাঝ দিয়ে হেব৷ পর্বত দেখতে পান ৷ যেমনটি
বলেছেন ইবন মাসউদ (বা) যে, তিনি নিজে তা প্রত্যক্ষ করেছেন ৷ পক্ষান্তরে ঘুসনাদে আহমদ
গ্রন্থে হযরত আনাস (র) সুত্রে যা বর্ণিত হয়েছে যে, মক্কায় চাদ বিদীর্ণ হয়েছে দু’বার বাহ্যত
তা দ্বারা একথা বুঝানো হয়েছে যে, দুবার নয়, বরং বিদীর্ণ হয়ে র্চাদ দু’খণ্ডে বিভক্ত হয়ে
পড়েছিল ৷ আল্লাহ্ই৩ ভাল জানেন ৷

রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর চাচা আবু তালিবের ইনতিকাল

চাচা আবু তালিবের ইনতিকালের পর রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সহধর্মিণী হযরত খাদীজা বিনত
থুওয়াইলিদ (রা) ইনতিকাল করেন ৷ কারো কারো মতে চচ৷ আবু তালিবের পুর্বে হযরত
থাদীজার (রা) ইননিক ল হয় ৷ প্রথম অভিম৩ ই প্রসিদ্ধ ৷ এ দুটো ঘটনা ই বেঃদনাদায়ক ৷ আবু
তালিবের বিয়ােগ অনুভুত হয় বহিরাঙ্গনে খাদীজ র (রা) অনুপন্থিতির প্রতিক্রিয়া হয় মর্মমুলে ;
আবু তালিব ছিলেন কাফির ৷ আর খাদীজা (রা ) ছিলেন ঈমানদার ও সিদ্দীক৷ ৷ আল্লাহ তার
প্রতি প্রসন্ন হোন এবং তাকে সন্তুষ্ট করুন ৷
ইবন ইসহাক বলেন, হযরত খাদীজা (বা ) এবং আবু তালিব দু’জনে একই বছরে
ইনতিকাল করেন ৷ এদের দু’জনের অবর্তমানে বিরামহীনভাবে বিপদাপদ আসতে থাকে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর উপর ৷ সকল বিপদাপদে হযরত খাদীজা (রা) ছিলেন নতার সত্যিকার ও
যোগ্য পরামর্শদাত্রী ৷৩ তার নিকট এসেই রাসুলুল্লাহ্ (সা) শান্তি পাে৩ ন ৷ চাচা আবু তালিব
ছিলেন রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর শক্তি ও সাহায্যকারী, বিপদাপদে রক্ষাকর্তা এবং আপন সম্প্রদায়ের
হাত থেকে নিরাপত্তা প্রদানকারী ৷৩ তাদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে মদীনায় হিজরতের তিন বছর
পর্বে ৷ চাচা আবু তালিবের ইনতিকালের পর কুরায়শী কাফিরের৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা ) এর উপর
এমন অত্যাচার-নির্যা তন শুরু করল যা আবু তালিবের জীবদ্দশায় তারা চিন্তা ও করতে পারত
না ৷ তাদের এক মুর্থ ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর উপর চড়া ও হয় এবং তার মাথায় বুলি নিক্ষেপ
করে ৷ হিশাম ইবন উরওয়া তার পি৩ ৷ থেকে বর্ণনা করেন যে, তারপর ধুলি-ধুসরিত মাথায়
বাড়ী ফিরেন ৷ তখন তার এক কন্যা কেদে কেদে পিতার মাথা ধৃয়ে দিচ্ছিলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা )
বল লন, প্রিয় কন্যা ৷ কেদে৷ না মহান আল্লাহ তোমার পি৩ ৷কে অবশ্যই রক্ষা করবেন ৷ তিনি
তখন এও বলেছিলেন যে, আবু৩৷ তালিবের ইনতিকালের পুর্ব পর্যন্ত কুরায়শর৷ আমার সাথে এমন
কোন আচরণ করতে পারেনি, যা আমাকে কষ্ট দেয় ৷ ইবন ইসহাক আরো উল্লেখ করেছেন যে
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর রান্নাবান্নার সময় তাদের এক দুর্বৃত্ত এ যে ওই ইাড়িতে আবর্জনা নিক্ষেপ
করতো ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) নিজে ল৷ ৷ঠি দিয়ে তা উঠিয়ে নিজের দরজার সম্মুখে ফেলে দিতেন এবং
বলতেন হে আবৃদ মানাফের বং শধরগণ! প্রতিবেশীর সাথে তোমাদের এফী আচরণ তারপর
তিনি ওই ময়লা রাস্তায় ফেলে দিতেন ৷



Execution time: 0.09 render + 0.01 s transfer.