Login | Register

আল বিদায়া ওয়ান্নিহায়া - খন্ড ৩

পৃষ্ঠা ১৮০ ঠিক করুন
দ্র,াওন্;প্ ১
কেন তুমি তোমার স্বগােত্রীয়দেব বিরুদ্ধে যাবে ? তারা তোমার প্রতি কোন বিরাট অন্যায়

করেনি এবং ৫৩ ৷মার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হয়ে যুদ্ধলব্ধ মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে কিৎবা তোমার
নিকট থেকে জরিমানা আদায় করেও তোমাকে অপমানিত ও ল ৷ঞ্ছিত করেনি ৷

;

আমাদের প্রতি অবাধ্য হওয়া এবং আমাদের ক্ষতি করার অপরাধে আল্লাহ তা “জানা আবদ
শামস গোত্র, নাওফিল , তায়ম ও মাখয়ুম গোত্রকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করুন ৷

; ষ্শ্

কারণ মায়া মমতা, বন্ধুতু ও প্রীতি বন্ধনের পর তারা আমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে
গিয়েছে ৷ যাতে তারা হারাম ও অন্যায় কাজ করতে পারে ৷

ন্ন্ন্ন্ন্ন্ন্ন্ন্ন্ন্

বায়তুল্লাহ্শ ৷রীফেব কসম, আমরা মুহাম্মাদ (সা) কে ছেড়ে যাব তোমাদের যে ধারণা
মিথ্যে এবং ৫৩ ৷মর৷ আমাদেরকে উপত্যকার নিকট দণ্ডায়মান দেখতে পাবে না তেমন
ধারণাও মিথ্যে ৷

ইবন হিশাম বলেন, এ কবি৩ ৷র আরো একটি পংক্তি রয়েছে আমরা সেটি উল্লেখ করিনি ৷

আবিসিনিয়ার হিজরতের জন্যে হযরত আবু বকর (রা)-এর সিদ্ধান্ত

ইবন ইসহাক বলেন, মুহাম্মদ ইবন মুসলিম উবওয়৷ সুত্রে হযরত আইশা ( রা ) থেকে বর্ণনা
করেছেন যে, মক্কার জীবন যখন হযরত আবু বকর (বা ) এর জন্যে সৎকটময় হয়ে উঠল , তিনি
যখন সেখানে নানা প্রকারের জুলুম-অত্যাচারে জর্জরিত হচ্ছিলেন এবং রাসুলুল্লাহ্ (সা) ও তার
সাহাবীগণের বিরুদ্ধে কুরায়শদের শক্তিমত্তা প্রত্যক্ষ করলেন তখন তিনি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর
নিকট হিজরণ্ডে র অনুমতি চাইলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)৩ র্তাকে অনুমতি দিলেন ৷ হযরত আবু বকর
(রা) আবিসিনিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন ৷ মক্কা থেকে এক দিন কি দু ”দিনের পথ অতিক্রম
করার পর ইবন দাগিন্নার সাথে তার সাক্ষাত হয় ৷ সে ছিল বনু হারিছ ইবন বকর ইবন আবদ
মানাত ইবন কিনানা এর ভাই ৷ তার নাম ছিল হারিছ ইবন ইয়াযীদ ৷ আবৃদ মানাত ইবন
কিনানা গোত্রের বনু বকর উপগােত্রের অন্তর্ভুক্ত ৷ সৃহায়লী বলেন,৩ তার নাম ছিল মালিক ৷ সে
প্ বলল, আবু বকর ধ্ কোথায় যাচ্ছেন ? হযরত আবু বকর (রা) বললেন, আমার সম্প্রদায় তো
আমাকে দেশ থেকে বের করে দিয়েছে ৷ তারা আমাকে নান৷ দুঃখ-কষ্টে জর্জরিত করে তৃলেছে
এবং আমার জীবন সৎকটাপন্ন করে দিয়েছে ৷ সে বলল, ওরা কেন এমনটি করেছে ? আপনি
তো গোত্রের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেন, বিপদে সাহায্য করেন সৎকাজ করেন এবং দীন-দুঃখীদের
জন্যে অর্থ ব্যয় করেন ৷ আপনি ফিরে আসুন, আপনি আমার আশ্রয়ে থাকবেন ৷ হযরত আবু
বকর (বা) তার সাথে ফিরে এলেন ৷ মক্কায় পৌছে ইবন দাগিন্ন৷ তার সাথে দীড়াল এবং ঘোষণা


পৃষ্ঠা ১৮১ ঠিক করুন


দিয়ে বলল ৷ হে কুরায়শ সম্প্রদায় ৷ ইবন আবু কুহাফা অর্থাৎ আবু বকরকে আমি নিরাপত্তা
দিয়েছি, কেউ যেন তড়াৱ প্রতি অসদাচরণ না করে ৷ ফলশ্রুতিতে তারা সকলে তার প্রতি
অসদাচরণ থেকে বিরত থাকে ৷

হযরত আইশা (রা) বলেন, হযরত আবু বকর (রা)-এর একটি মসজিস্তে ছিল সেটি বনু
জুমাহ গোত্রে তার দ্বার প্রান্তে অবস্থিত ছিল ৷ তিনি ওই মসজিদে নামায আদায় করতেন ৷ তিনি
ছিলেন একজন কোমল হৃদয়ের লোক ৷ কুরআন মজীদ পাঠ করার সময় তিনি অনবরত র্কাদতে
থাকতেন ৷ র্তার অবস্থা দেখে অবাক হয়ে নারী-শিশু ও দাস-দাসীরা তার চারিদিকে র্দাড়িয়ে
থাকত ৷ এ অবস্থায় কুরায়শের কতক লোক ইবন দাগিন্নার নিকট উপস্থিত হয়ে বলে, হে ইবন
দাগিন্ন৷ ! আপনি তো নিশ্চয়ই আমাদেরকে কষ্ট দেয়ার জন্যে এ লোককে আশ্রয় দেননি ৷ সে
যখন নামায আদায় করে এবং মুহাম্মদ (সা) যা নিয়ে এসেছে তা পাঠ করে, তখন সে
ভক্তি-শ্রদ্ধা ও ভয়-ভীতিতে বিপলিত হয়ে পড়ে এবং তার মধ্যে একটা অসাধারণ অবস্থার সৃষ্টি
হয় ৷ আমরা তো আশংকা করছি যে, আমাদের নারী-শিশু ও দুর্বল লোকদেরকে সে বিভ্রান্ত
করবে ৷ সুতরাং তুমি তাকে বলে দেবে যে, সে যেন তার ঘরের মধ্যে থাকে এবং সেখানে তার
মন যা চায় তা করে ৷ হযরত আইশা (বা) বলেন, এরপর ইবন দাগিন্নড়া উপস্থিত হয় হযরত
আবু বকর (বা) এর নিকট আসে এবং সে বলে আবু বকর! আপনার সম্প্রদায়ের লোকদেরকে
কষ্ট দেয়ার জন্যে তো আমি আপনাকে আশ্রয় দিইনি ৷ আপনার বর্তমান কর্মকাণ্ড তারা পসন্দ
করছে না ৷ আপনার কারণে তারা কষ্ট বোধ করছে ৷ আপনি বরং আপনার গৃবুহব মধ্যে অবস্থান
করুন এবং সেখানে যা ইচ্ছা তা করুন ৷

হযরত আবু বকর (বা) বললেন, তাহলে আমি কি তোমার আশ্রয় প্রত্যাহার করে আল্পাহ্র
আশ্রয় গ্রহণ করব ? সে বলল, তবে তাই হোক, আপনি আমার আশ্রয় থেকে মুক্ত হয়ে যান ৷
আবু বকর (রা) বললেন, তোমার আশ্রয়জনিত দায়, দায়িত্ব আমি ফিরিয়ে দিলাম ৷ তখন
ইবন দড়াগিন্ন৷ দাড়িয়ে বলল, হে কুরায়শ সম্প্রদায় ৷ ইবন আবু কুহাফা আমার অড়াশ্রয়ে
থাকাজনিত দায়-দায়িতৃ ফিরিয়ে দিয়েছেন, এখন তোমাদের লোকের সাথে তোমাদের যা
করার করতে পার ৷

ইমাম বুখারী (ব) এ বিষয়ক একটি হাদীছ এককভাবে বর্ণনা করেছেন ৷ ওই হাদীছে কিন্তু
আরো সুন্দর ও বর্ধিত বিবরণ রয়েছে ৷ তিনি বলেছেন ইয়াহ্ইয়া ইবন ৰুকায়র রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর সহধর্মিণী আইশা (রা)-এর বরাতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি আমার
বাল্যকাল থেকেই আমার পিতামাতাকে দীনের অনুসারী বলেই দেখে এসেছি ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)
প্রতেব্রক দিন সকাল-বিকাল দু’বার আমাদের বাড়ীতে আসতেন ৷ মুসলমানগণ যখন
কাফির-ঘুশরিকদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছিলেন, তখন আবু বকর (রা) আবিসিনিয়ায় হিজরত
করার উদ্দোশ্য ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন ৷ বারক আল গড়ামাদ নামক স্থানে পৌছার পর ইবন
দাগিন্নড়ার সাথে তীর সাক্ষাত হয় ৷ সে ছিল ওই অঞ্চলের নেতা ৷ সে বলল, আবু বকর ! কোথায়
যাচ্ছেন ? তিনি বললেন, আমার সম্প্রদায়ের লোকেরা আমাকে বের করে দিয়েছে ৷ আমি এখন
সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, দেশে দেশে ঘুরবাে আর আমার প্রতিপালকের ইবাদত করবো ৷ ইবন দড়াগিন্না


পৃষ্ঠা ১৮২ ঠিক করুন


বলল, হে আবু বকর ! আপনার মত জ্ঞানী-গুণী লোককে দেশ থেকে বহিষ্কার করা যায় না এবং
এমন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় দেশ ছেড়ে চলে যেতেও পারে না ৷ আপনি তো দজ্জি ও নিঃস্ব লোকদেরকে
সাহায্য করেন ৷ আত্মীয়তা রক্ষা করেন ৷ অন্যের বোঝা নিজে বহন করেন ৷ মেহমানদেরকে
আদর-আপ্যায়ন করান এবং বিপদাপদে মানুষকে সাহায্য করেন ৷ আমি আপনাকে আশ্রয়
দেয়ার দায়িতু নিলাম ৷ আপনি আপনার গৃহে ফিরে যান এবং আপন প্রতিপালকের ইবাদত
করুন ৷ হযরত আবু বকর (রা) ফিরে এলেন ৷ তার সাথে ইবন দাগিন্নওে ফিরে অড়াসলাে ৷
সল্যাবেলা ইবন দাগিন্না সল্লাম্ভ কুরায়শী লোকদের সাথে সাক্ষাত করে এবং তাদেরকে বলে,
আবু বকরের মত লোককে দেশ থেকে বহিষ্কার করা যায় না ৷ ওই ধরনের লোক স্বেচ্ছায় দেশ
ছেড়ে চলে যেতেও পারে না ৷ তোমরা কি এমন এক লোককে বের করে দিতে চাও, যে লোক
দরিদ্র ও নিঃস্বদেরকে অর্থ উপার্জন করে দেয় ৷ আত্মীয়তা রক্ষা করে ৷ অন্যের বোঝা বহন
করে ৷ যেহমানকে আদর-আপ্যায়ন করে এবং বিপদাপদে মানুষদেরকে সাহায্য করে ?
কুরায়শের লোকেরা ইবন দাগিন্নার আশ্রয় প্রদান বিষয়ক যিষ্মদােরী প্রত্যাখ্যান করলো না ৷ ইবন
দাগিন্নড়াকে তারা বলে যে, তুমি আবু বকরকে বলে দাও সে যেন তার ঘরের মধ্যে নামায আদায়
করে এবং যা ইচ্ছা ঘরের মধ্যেই করে ৷ তার কাজকর্ম যেন প্রকাশ্যে না করে এবং এতদ্বারা
আমাদেরকে যেন বিরত না করে ৷ কারণ, আমরা আশংকা করছি যে, আমাদের নারী ও শিশুরা
তাতে বিভ্রান্ত হতে পারে ৷ ইবন দড়াগিন্না এসব আবু বকর(রা)-কে বলল ৷ এভাবেই আবু বকর
(রা) সেখানে অবস্থান করছিলেন ৷ নিজ ঘরের মধ্যে আপন প্রতিপালকের ইবাদত করতেন ৷
সশব্দে নামায আদায় করতেন না ৷ নিজ গৃহ ব্যতীত অন্যত্র কুরআন পাঠ করতেন না ৷

এরপর আবু বকর (রা)-এর মনে নতুন ভাবের উদয় হয় ৷ তার ঘরের পাশে তিনি একটি
মসজিদ তৈরী করেন ৷ ওই মসজিদে তিনি নামায পড়তে এবং কুরআন তিলাওয়াত করতে
লাগলেন ৷ র্তাকে দেখে মৃশরিক নারী ও শিশুরা অবাক বিস্ময়ে তার প্রতি তাকিয়ে থাকত ৷
হযরত আবু বকর (রা) ছিলেন অত্যন্ত কোমল হৃদয় এবং ক্রন্দনকারী লোক ৷ কুরআন পাঠের
সময় তিনি তার অশ্রু থামিয়ে রাখতে পারতেন না ৷ এ অবস্থা দেখে কুরায়শী সন্নাম্ভ লোকজন
বিচলিত হয়ে পড়ে ৷ তারা ইবন দড়াগিন্নাকে ডেকে পাঠায় ৷ সে তাদের নিকট উপস্থিত হলে তারা
বলল, হে ইবন দড়াগিন্ন৷ ! তোমার আশ্রয়ে আবু বকরের অবস্থান আমরা মেনে নিয়েছিলাম এই
শর্তে যে, সে তার ঘরের মধ্যে তার প্রতিপালকের ইবাদত করবে ৷ এখন সে ওই শর্ত লংঘন
করেছে ৷ গৃহ-প্রড়াঙ্গণ সে একটি মসজিদ তৈরী করেছে ৷ সেখানে সে প্রকাশ্যে নামায আদায় করে
এবং সেখানে কুরআন তিলাওয়াত করে ৷ আমরা আশংকা করছি যে, তাতে আমাদের নারী ও
ছেলেমেয়েরা বিভ্রান্ত হবে ৷ তুমি তাকে এ কাজ থেকে বিরত থাকতে বল ৷ তার ঘরের মধ্যে
থেকে সে যদি নিজ প্রতিপালকের ইবাদত করতে রাষী থাকে, তবে যে তা করবে ৷ আর সে
যদি প্রকাশ্যেই তা করতে চায়, তবে তুমি তাকে বলে দাও তোমার আশ্রয়ে থাকাজনিত
যিম্মাদারী সে যেন ফিরিয়ে দেয় ৷ তোমার আশ্রয় প্রদানের যিম্মাদারীর আমরা অমর্যাদা করতে
চাই না ৷ অন্যদিকে আবু বকর প্রকাশ্যে তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবে যে সুযোগও আমরা তাকে
দিতে পারি না ৷


পৃষ্ঠা ১৮৩ ঠিক করুন


হযরত অইিশা (রা) বলেন, এরপর ইবন দাগিন্নড়া আবু বকর (রা)-এর নিকট এসে বলে, হে
আবু বকর! আপনি তো জানেন, কুরায়শগণ আপনার প্রতি কী শর্ত আরোপ করেছিল ৷ আপনি
হয় ওই শর্ত মুতাবিক আপনার কাজকর্ম সীমাবদ্ধ রাখবেন, নতুবা আমার আশ্রয়দান জনিত
যিম্মড়াদারী আমাকে ফিরিয়ে দিবেন ৷ কারণ, কারো সাথে চুক্তিবদ্ধ হবার পর ওই যিম্মাদারী
পালনে আমি ব্যর্থ হয়েছি আরবরা এমন কথা শুনুক ও বলাবলি করুক আমি তা পসন্দ করি না ৷
হযরত আবু বকর (রা) বললেন, আমি বরং তোমার যিষ্মদোরী তোমার নিকট ফিরিয়ে দিচ্ছি
এবং মহান আল্লাহ্র আশ্রয় নিয়েই আমি সন্তুষ্ট ৷

এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর সঙ্গী হয়ে হযরত আবু বকর (রা)এর মদীনায় হিজরতের পুর্ণ
ঘটনা তিনি বর্ণনা করেন ৷ যা একটু পরেই বিস্তারিতভাবে আলোচিত হবে ৷

ইবন ইসহাক বলেন, আবদুর রহমান ইবন কাসিম আমার নিকট তার পিতা সুত্রে বর্ণনা
করেছেন ৷ তিনি বলেন যে, ইবন দাগিন্নড়ার আশ্রয় থেকে হযরত আবু বকর (রা) বেরিয়ে আসার
পর কুরায়শের এক অজ্ঞ ও মুর্থ ব্যক্তির সাথে তার সাক্ষাত হয় ৷ হযরত আবু বকর (রা) তখন
কাৰাপৃহের দিকে যাচ্ছিলেন ৷ ওই দোকটি হযরত আবু বকর (রা)-এর মাথায় ধুলা নিক্ষেপ
করে ৷ এরপর ওয়ালীদ ইবন মুপীরা কিৎবা আস ইবন ওয়াইল সে পথে যাচ্ছিল ৷ আবু বকর
(রা) তাকে বললেন, এ মুর্থটি কি করলো দেখেছ কি : ওয়াশীদ ইবন মুপীরা কিত্বা আস ইবন
ওয়াইল বলল, ওত্তো নয় বরং তুমিই এজন্যে দায়ী ৷ তখন হযরত আবু বকর (রা) বলছিলেন,
হে প্রতিপালকা আপনি কতইনা ধৈর্যশীল! হে প্রতিপালক, আপনি কতই না ধৈর্যশীল ৷ হে
প্রতিপালক, আপনি কতই না ধৈর্যশীল !

পরিৰেদ

ইবনইসহাক (র) বনু হাশিম ও বনু আবদুল মুত্তালিবের বিরুদ্ধে কুরায়শদের অঙ্গীকারাবদ্ধ
হওয়া, অন্যায় চুক্তি সম্পাদন, তাদেরকে আবু তালিব গিরিসঙ্কটে অবরুদ্ধ রাখা এবং ওই
চুক্তিপত্র ভঙ্গ করার মাঝে একান্তই প্রাসঙ্গিকভাবে উপরেক্তে বংনািগুলাে উল্লেখ করেছেন ৷
এজন্যে ইমাম শাফিঈ (র) বলেছেন, ইসলামের যুদ্ধের ইতিহাস জানতে যে আগ্রহী সে ইবন
ইসহাকের উপর নির্ভরশীল না হয়ে পারে না ৷

চুক্তিনামা বিনষ্টকরণ

ইবন ইসহাক বলেন, বনু হাশিম ও বনু আবদুল মুত্তালিবের লোকেরা সেই স্থানেই অবস্থান
করছিল যেখানে অবস্থানের কথা কুরায়শের দোবেরাে লিখিত চুক্তিনামায় উল্লেখ করেছিল ৷
তারপর কুরায়শ বংশেরই কতক লোক ঐ চুক্তিনামা ভঙ্গ করতে উদ্যোগী হন ৷ এই লক্ষ্য
বাস্তবায়নে হিশাম ইবন আমর ইবন হারিছ ইবন হাবীব ইবন নাসর ইবন মালিক ইবন হাসান
ইবন আমির ইবন লুওয়ইি অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন ৷ হিশাম ছিলেন নাযলা ইবন হিশাম
ইবন আবৃদ মানাফ-এর বৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলে ৷ বনু হাশিম গোত্রের সাথে তার সুসম্পর্ক
ছিল ৷ নিজ সম্প্রদায়ের মধ্যেও তিনি অন্যতম প্রভাবশালী লোক ছিলেন ৷ আমার নিকট বর্ণনা
পৌছেছে যে, বনু হাশিম ও বনু আবদ্মল মুত্তালিব গিরিসঙ্কটে অস্তৰীণ থাকা অবস্থায় হাশিম উট



Execution time: 0.03 render + 0.00 s transfer.