Login | Register

ফতোয়া: জায়েয-নাজায়েজ

ফতোয়া নং: ৪৯৫৮
তারিখ: ২৮/৭/২০১৭
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

কোনো জিনিষ ক্রয়ের পুর্বে তা থেকে কিছু খেয়ে দেখার বিধান ৷

প্রশ্ন
ফল বিক্রেতার কাছ থেকে আঙ্গুর কিনতে গেলে মিষ্টি না টক তা যাচাই করার জন্য খেয়ে দেখতে বলে এবং বলে যে, খেয়ে পছন্দ হলে কিনবেন অন্যথায় নয়। জানার বিষয় হল, আঙ্গুর কেনার পূর্বে ভালো-মন্দ, টক- মিষ্টি ইত্যাদি যাচাই করার জন্য কি খেয়ে দেখা যাবে? কারণ টক বা খারাপ হলে সেক্ষেত্রে তো তার কাছ থেকে কিনা হবে না। তখন তার তো এক দুইটা আঙ্গুর বিনা মূল্যেই চলে গেল।
উত্তর
আঙ্গুরের স্বাদ দেখার জন্য বিক্রেতা খাওয়ার অনুমতি দিলে ক্রেতার জন্য দু- একটি খেয়ে দেখা জায়েয আছে। এবং স্বাদ যাচাইয়ের পর পছন্দ না হলে তার থেকে না কিনলেও অন্যায় হবে না। কিন্তু বাস্তবে যদি ফল ক্রয়ের ইচ্ছা না থাকে বরং ক্রেতার ভান ধরে বিনা পয়সায় অন্যের ফল খাওয়াই উদ্দেশ্য হয়, তাহলে তা জায়েয হবে না। এভাবে খেলে বিক্রেতাকে এর মূল্য দিয়ে দিতে হবে। অথবা তার থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।
-মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস: ২২৫৪৬; ফাতাওয়া রহীমিয়া ৯/১৭৷
উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৷

ফতোয়া নং: ৪৮৭৮
তারিখ: ১২/৫/২০১৭
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

যুবকের অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে চুল-দাড়ি পেকে গেলে কালো খেযাব ব্যবহার করা ৷

প্রশ্ন
হুজুর আমার বয়স ২৪ ৷ আমার মাথার চুল অর্ধেকের বেশি পেকে সাদা হয়ে গেছে ৷ অনেক চিকিৎসা করেও কাজ হচ্ছে না ৷ আপনার নিকট জানতে চাই এখন আমি কালো খেযাব ব্যবহার করতে পারব কি না ?
উত্তর
যুবকের অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে যদি চুল-দাড়ি পাকার বয়সের আগেই সাদা হয়ে যায়, সে কালো খেযাব ব্যবহার করতে পারবে। কারণ হাদীসে কালো খেযাব ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা অন্যদের সামনে বয়স গোপন করা এবং অন্যকে ধোঁকা দেওয়ার কারণে ৷ আর যুবকদের ক্ষেত্রে ধোঁকার এই দিকটি অনুপস্থিত। তাই ফকীহগন যুবকদের জন্য কালো খেযাব জায়েয হওয়ার মত দিয়েছেন। অতএব প্রশ্নে বর্নিত সুরতে আপনি কালো খেযাব ব্যবহার করতে পারবেন ৷
তবে হাদীসে যেহেতু কালো খেযাবকে বিশেষভাবে নিষেধ করা হয়েছে তাই আপনার জন্যও একেবারে কালো খেযাব ব্যবহার না করে লাল কালো মিশ্রিত খেযাব ব্যবহার করা উত্তম।
-ফাতহুল বারী ১০/৩৬৭; হাশিয়া সহীহ বুখারী ১/৫৩০; তুহফাতুল আহওয়াযী ৫/১৫৪; ফায়যুল কাদীর ১/৩৩৬; ইমদাদুল আহকাম ৩/৩৭৬ ৷
উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৷

ফতোয়া নং: ৪৮৭৩
তারিখ: ১২/৫/২০১৭
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

গ্যারান্টি ওয়ারেন্টির শর্তে পন্য ক্রয়-বিক্রয় ও নির্ধারিত সময়ের ভিতরে পন্য ফেরত বা ঠিক করে দেয়া ৷

প্রশ্ন
বর্তমানে অনেক পণ্যের সাথে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য গ্যারান্টি, ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে। গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টির শর্তে ক্রয়বিক্রয় করা জায়েয কি না? এক্ষেত্রে গ্যারান্টিযুক্তমেয়াদের ভিতরে নষ্ট হয়ে গেলে নতুন পণ্য দেওয়া ও ওয়ারেন্টিযুক্ত পন্য নষ্ট হলে পুরাতন পণ্য ঠিক করে দেওয়ার ব্যাপারে বিক্রেতা বাধ্য থাকবে কি না? জানালে উপকৃত হবো ৷
উত্তর
জ্বী হাঁ, গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টির শর্তে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করা শরীয়তে জায়েয আছে । এবং এসব পণ্যে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টির শর্ত অনুযায়ী বিক্রেতা নতুন পণ্য দিতে বা পুরাতন পণ্য ঠিক করে দিতে বাধ্য থাকবে। এক্ষেত্রে ক্রয়-বিক্রয়ের সময় গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টির শর্তাবলি ও নিয়মাবলি সম্পূর্ণভাবে লিখে উভয় পক্ষ স্বাক্ষর করে নিতে হবে। যেন পরবর্তীতে এ নিয়ে কোনো ঝগড়া না হয়।
-তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম ১/৬৩৫ ;শরহুল মাজাল্লাহ ২/৬৪; রদ্দুল মুহতার ৫/৮৮ ৷
মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৷

ফতোয়া নং: ৪৮২৩
তারিখ: ৪/৩/২০১৭
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

চুল ও দাড়িতে খেজাব লাগানো ৷

প্রশ্ন
অনেক আলেম ওলামাকে দেখা যায় চুল, দাড়িতে খেজাব লাগায় ৷ আবার অনেকে সাদা চুল কালো করার জন্য কালো খেজাব লাগায় ৷ তাই জানার বিষয় হলো, চুল দাড়িতে খেজাব দেয়া জায়েয কি না? এবং কোন ধরণের খেজাব লাগানো শরীয়ত অনুমতি দেয় ৷
উত্তর
জ্বী, চুলে দাড়িতে খেজাব দেয়া জায়েয৷ বরং মুস্তাহাব। তবে লাল ও হলুদ অথবা এমন কালো খেজাব যা কিছুটা লালের দিকে ধাবিত এমন খেজাব লাগানো পুরুষ মহিলা সকলের জন্য জায়েয ।
কিন্তু চুল কালো করার জন্য ঘুর কালো খেজাব ব্যবহার করা জায়েয নয় ৷ তবে মুজাহিদের জন্য নিজেকে শত্রুদের সামনে যুবক প্রদর্শনার্থে জায়েয আছে ৷
-আবু দাউদ শরীফ-২/৫৭৮; বজলুল মাজহুদ-৫/৮০; ফাতওয়ায়ে শামী-৯/৬০৪; ফাতওয়ায়ে আলমগীরী- ৫/৩৫৯; ইমদাদুল ফাতওয়া-৪/২১৪৷
মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাক্ষণবাড়িয়া ৷

ফতোয়া নং: ৪৮০৪
তারিখ: ১৪/১/২০১৭
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

বাথরুমে হাই কমোড বানানো ও হাই কমোডে পেশাব পায়খানা করা ৷

প্রশ্ন
হুজুর কিছুদিন আগে এক আত্বীয়ের বাসায় গিয়েছিলাম, ঐ বাসায় প্রতিটা বাথরুমে হাই কমোড বসানো ৷ হাই কমোডে এস্তেঞ্জা করতে হয়েছে৷ জানার বিষয়ে হলো, এসব হাই কমোড বানানো বিধান কি? এবং হাই কমোডে এস্তেঞ্জা করা বৈধ কিনা? অন্য বাথরুম না থাকলে করনীয় কি? জানাবেন প্লীজ ৷
উত্তর
প্রয়োজন ছাড়া ফ্যাশন স্বরূপ বাথরুমে হাই কমোড বানানো মাকরুহে তাহরীমি ৷ তবে প্রয়োজনে হাই কমোড বানানো জায়েয ৷ যেমন কারো জন্য বসে প্রস্রাব পায়খানা কষ্টকর। তাহলে তার জন্য হাই কোমড বানানো ও হাই কমোডে এস্তেঞ্জা করা বৈধ ৷ তাই প্রয়োজন ছাড়া হাই কমোড না বানানো উচিত ৷ আর বসে পেশাব পায়খানা করতে পারে এমন ব্যক্তির জন্য হাই কমোডে এস্তেঞ্জা করাও মাকরুহে তাহরীমি ৷ তবে যদি হাই কমোড ছাড়া আর কোন বাথরুম না থাকে, তাহলে হাই কমোডে এস্তেঞ্জা করতে পারবে ৷
তিরমিযি শরীফ, হাদীসঃ ১২; রদ্দুল মুহতার ১/৩১; ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া ১/৫০; জাদিদ ফিক্বহী মাসায়েল-১/৫৭৷
মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাক্ষণবাড়িয়া ৷

ফতোয়া নং: ৪৭৯১
তারিখ: ২/১/২০১৭
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

হালাল-হারাম মিশ্রিত মালের তৈরি ঘর ব্যবহার ৷

প্রশ্ন
হুুজুর আমার বাবা একটি ঘর বানিয়েছে, যাতে হালাল-হারাম উভয় ধরনের সম্পদ মিশ্রিত ৷ তবে হারাম মালের পরিমাণ কম। জানার বিষয় হলো, সে ঘর ব্যবহার করা বৈধ হবে কি না? বৈধ না হলে বৈধ হওয়ার উপায় কি?
উত্তর
হারাম মাল কম হোক বা বেশি তা ভোগ করা জায়েয নেই। আপনার বাবার ঘর তৈরিতে যেহেতু কম হলেও হারাম মালের মিশ্রণ আছে, তাই তা ব্যবহার করা বৈধ নয় ৷ তবে হালাল পন্থায় ব্যবহার করতে চাইলে যে পরিমাণ হারাম মাল উক্ত ঘরে ব্যয় করা হয়েছে তার মালিক জানা থাকলে তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। আর মালিক জানা না থাকলে তার পক্ষ হতে ঐ পরিমাণ অর্থ সদকা করে দিতে হবে। তাহলে উক্ত ঘর ব্যবহার করা পরিপুর্ন ভাবে বৈধ হয়ে যাবে ৷
মাবসূত সারাখসী ১০/১৯৬; আদ্দুররুল মুখতার ২/২৯২; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩৪২৷
মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাক্ষণবাড়িয়া ৷
01756473393

ফতোয়া নং: ৪৭৮৯
তারিখ: ২/১/২০১৭
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

দাড়ি রাখা, দাড়ি কাটা ও এক মুষ্ঠির পরিমান ৷

প্রশ্ন
আমার প্রশ্ন হলো, দাড়ি রাখার হুকুম কি? এক মুষ্ঠি পরিমান হলে নাকি দাড়ি কাটা যায়, এই এক মুষ্ঠির পরিমান কি? তা কি চার আঙ্গুল পরিমান নাকি আরো বেশি? উত্তর দিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।
উত্তর
এক মুষ্ঠি পরিমান দাড়ি রাখা ওয়াজিব ৷ কিন্তু মুষ্ঠি আর চার আঙ্গুল এক কথা নয়। হাতের মুষ্ঠি চার আঙ্গুলের চেয়ে লম্বা হয়। হাদীসে এক মুষ্ঠি দাড়ির অতিরিক্ত অংশ কাটার কথা আছে। তাই থুতনির নিচ থেকে দাড়ি মুঠ করে ধরার পর মুঠের নিচ পর্যন্ত এক মুষ্ঠি ৷ এই মুষ্ঠির নিচের দাড়ি কাটা জায়েয।
সহীহ বুখারী হাদীস : ৫৮৯২;উমদাতুল কারী ২২/৪৭; ফাতহুল বারীস১০/৩৬২ ; আদ্দুররুল মুখতার ৬/৪০৭; ফাতহুল মুলহিম ১/৪২১ ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩৫৮; ৮/২০৪৷
মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাক্ষণবাড়িয়া ৷
01756473393

ফতোয়া নং: ৪৭৪৮
তারিখ: ৩/১২/২০১৬
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

কুইজ প্রতিযোগিতা ও লটারির মাধ্যমে পুরুষ্কার বিতরন৷

প্রশ্ন
মুফতী সাহেব! কিছু বিষয় জানার ছিল:
১৷ কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা কি জায়েয?
২৷ সঠিক উত্তর দাতা বেশি হয়ে গেলে তাদের মাঝে লটারির মাধ্যমে নির্ধারিত পরিমান বিজয়ীকে যেমন তিন দনকে পুরুষ্কার দেয়া হয়৷ এটা কি শরীয়তসম্মত?
উত্তর
১৷ যদি ইসলামে নিষিদ্ধ কোন কাজের উপস্থিতি না থাকে, প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা জায়েয৷
২৷ প্রতিযোগিদের মাঝে লটারির মাধ্যমে পুরুষ্কার বিতরন করাও শরীয়তসম্মত৷
তবে যদি প্রতিযোগিদের থেকে কুইজ বিক্রি করে ন্যায্য মূল্যের চেয়ে বেশি নেয় বা কুইজের মূল্য দিয়ে পুরুষ্কার প্রদানের উদ্যেশ্য হয়, তাহলে তা বৈধ হবে না৷ কেননা তা জুয়া হিসেবে গন্য হবে৷ যা সম্পুর্ন হারাম৷
মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা ৫/২৮৮; মাবসূত লিস সারাখসী ৫/২১; রদ্দুল মুহতার ৭/১১; ফতওয়ায়ে হিন্দিয়া ৩/৪১৮; জাওয়াহিরুল ফিকহ ২/৩৪৩৷
মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাক্ষণবাড়িয়া
01756473393

ফতোয়া নং: ৪৭৩০
তারিখ: ১/১১/২০১৬
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

পুরুষের জন্য হীরার পাথর বিশিষ্ট রোপার আংটি ব্যবহার করা৷

প্রশ্ন
আমার এক বন্ধু একটি রোপার আংটি দিয়েছে যার উপর হীরার পাথর লাগানো আছে। আমর জানার বিষয় হল, পুরুষের জন্য কি হীরার ঐ আংটি ব্যবহার করা জায়েয আছে? দয়া করে জানিয়ে উপকার করবেন।
উত্তর
হ্যাঁ, হীরার পাথর বিশিষ্ট রোপার আংটি ব্যবহার করা পুরুষের জন্যও জায়েয। -জামে তিরমিযী ৪/২১৮; ফাতহুল কাদীর ৮/৪৫৭; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৫০; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩৩৫৷
ফতোয়া নং: ৪৫৪৩
তারিখ: ১/৯/২০১৬
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

ঢিলা বা টয়লেট টিস্যু থাকা সত্বেও শুধু পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা৷

প্রশ্ন
শুধু পানি দিয়ে বড় ইস্তিঞ্জা করার হুকুম কী? যদি ঢিলা থাকা সত্ত্বেও শুধু পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করে তাহলে পবিত্রতার ক্ষেত্রে কোনো ক্ষতি হবে
কি না?
উত্তর
ঢিলা-কুলুখ বা টয়লেট টিস্যু থাকা সত্ত্বেও ইস্তিঞ্জায় শুধু পানি ব্যবহার করে পবিত্রতা অর্জন করা জায়েয। তবে প্রথমে ঢিলা বা কুলুখ ব্যবহার করে এরপর পানি ব্যবহার করা উত্তম। -আলবাহরুর রায়েক ১/২৪১; ফাতহুল কাদীর ১/১৮৯; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৪৮; আদ্দুররুল মুখতার ১/৩৩৬৷ উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তাহসীন
01756473393
ফতোয়া নং: ৪৫২৪
তারিখ: ১/৯/২০১৬
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

কোন প্রতিষ্ঠানে নিজের দায়িত্ব অন্যকে দিয়ে করানো৷

প্রশ্ন
আমি একটি প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষক। আমার একটি কারখানাও রয়েছে। মাঝে মধ্যে ব্যস্ততার কারণে স্কুলে ক্লাস নিতে যেতে পারি না। তখন আমার ছোট ভাইকে (বি.এ অনার্স) ক্লাস নিতে পাঠাই। প্রশ্ন হল, আমার ভাইকে দিয়ে ক্লাস করালে শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনো সমস্যা আছে কি না?
উত্তর
স্কুল কর্তৃপক্ষ যেহেতু আপনাকে নিয়োগ দিয়েছে তাই আপনাকেই ক্লাস নিতে হবে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ভাই বা অন্য কাউকে দিয়ে ক্লাস করানো জায়েয হবে না
এবং এর দ্বারা আপনি দায়িত্বমুক্ত হতে পারবেন না।
অবশ্য স্কুল কর্তৃপক্ষ যদি আপনার অপারগতায়
আপনার ভাইকে ক্লাস করার অনুমতি দেয় তবে তাকে দিয়ে ক্লাস করানো বৈধ হবে।
-শরহুল মাজাল্লা খালেদ আতাসী ২/৬৭১, মাদ্দাহ
৫৭১; ফাতাওয়া খানিয়া ২/৩২১; আদ্দুররুল মুখতার ৬/১৮৷
উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তাহসীন
01756473393
ফতোয়া নং: ৪১৫১
তারিখ: ১/৫/২০১৬
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

আমরা জানি, গোবর নাপাক। কিন্তু আমাদের এলাকার লোকেরা গোবর জমা...

প্রশ্ন
আমরা জানি, গোবর নাপাক। কিন্তু আমাদের এলাকার লোকেরা গোবর জমা
করে তা বিক্রি করে। হুজুরের কাছে জানতে চাই, এভাবে নাপাক বস্তুর
বেচাকেনা বৈধ কি না?
উত্তর
গোবর নাপাক হলেও তার ব্যবহারের বৈধ ক্ষেত্র রয়েছে। যেমন, জ্বালানী কাজে
ও মাটির সার হিসেবে তা ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তাই গোবর বেচাকেনা করা জায়েয।
-আলজামিউস সগীর ৪৮০; ফাতাওয়া খানিয়া ২/১৩৩; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/১০২; আদ্দুররুল মুখতার
৬/৩৮৫
ফতোয়া নং: ৪১৪৭
তারিখ: ১/৫/২০১৬
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

বাথরুমে একাকী গোসল করার সময় অনাবৃত হওয়া যাবে কি না?

প্রশ্ন
বাথরুমে একাকী গোসল করার সময় অনাবৃত হওয়া যাবে কি না?
উত্তর
আবদ্ধ গোসলখানায় একাকি অনাবৃত হয়ে গোসল করা জায়েয। তবে বিনা প্রয়োজনে
একেবারে পুরো শরীর খুলে ফেলা অনুত্তম।
সহীহ বুখারী, হাদীস ২৭৮; উমদাতুল কারী ৩/২২৮; শরহুল মুনইয়াহ ১/৫১; ইলাউস সুনান ২/১৭০; রদ্দুল মুহতার
১/৪০৪
ফতোয়া নং: ৩২৪৬
তারিখ: ১/৮/২০১৫
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

আমি একটি প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষক। আমার একটি কারখানাও রয়েছে। মাঝে...

প্রশ্ন
আমি একটি প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষক। আমার একটি কারখানাও রয়েছে। মাঝে মধ্যে ব্যস্ততার কারণে স্কুলে ক্লাস নিতে যেতে পারি না। তখন আমার ছোট ভাইকে (বি.এ অনার্স) ক্লাস নিতে পাঠাই। প্রশ্ন হল, আমার ভাইকে দিয়ে ক্লাস করালে শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনো সমস্যা আছে
কি না?
উত্তর
স্কুল কর্তৃপক্ষ যেহেতু আপনাকে নিয়োগ দিয়েছে তাই আপনাকেই ক্লাস নিতে হবে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ভাই বা অন্য কাউকে দিয়ে ক্লাস করানো জায়েয হবে না এবং এর দ্বারা আপনি দায়িত্বমুক্ত হতে পারবেন না। অবশ্য স্কুল কর্তৃপক্ষ যদি আপনার অপারগতায় আপনার ভাইকে ক্লাস করার অনুমতি দেয় তবে তাকে দিয়ে ক্লাস করানো বৈধ হবে। -শরহুল মাজাল্লা খালেদ আতাসী ২/৬৭১, মাদ্দাহ ৫৭১; ফাতাওয়া খানিয়া ২/৩২১; আদ্দুররুল মুখতার ৬/১৮ ১৫৪২ . মাও. হাসান .
ফতোয়া নং: ৩২৩১
তারিখ: ১/৮/২০১৫
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

আমি একটি প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষক। আমার একটি কারখানাও রয়েছে। মাঝে...

প্রশ্ন
আমি একটি প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষক। আমার একটি কারখানাও রয়েছে। মাঝে মধ্যে ব্যস্ততার কারণে স্কুলে ক্লাস নিতে যেতে পারি না। তখন আমার ছোট ভাইকে (বি.এ অনার্স) ক্লাস নিতে পাঠাই। প্রশ্ন হল, আমার ভাইকে দিয়ে ক্লাস করালে শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনো সমস্যা আছে
কি না?
উত্তর
স্কুল কর্তৃপক্ষ যেহেতু আপনাকে নিয়োগ দিয়েছে তাই আপনাকেই ক্লাস নিতে হবে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ভাই বা অন্য কাউকে দিয়ে ক্লাস করানো জায়েয হবে না এবং এর দ্বারা আপনি দায়িত্বমুক্ত হতে পারবেন না। অবশ্য স্কুল কর্তৃপক্ষ যদি আপনার অপারগতায় আপনার ভাইকে ক্লাস করার অনুমতি দেয় তবে তাকে দিয়ে ক্লাস করানো বৈধ হবে। -শরহুল মাজাল্লা খালেদ আতাসী ২/৬৭১, মাদ্দাহ ৫৭১; ফাতাওয়া খানিয়া ২/৩২১; আদ্দুররুল মুখতার ৬/১৮
ফতোয়া নং: ৩২১৬
তারিখ: ১/৮/২০১৫
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

আমাদের গ্রামের বাড়িতে একটি ব্যক্তিগত পুরাতন কবরস্থান রয়েছে। তাতে ১০...

প্রশ্ন
আমাদের গ্রামের বাড়িতে একটি ব্যক্তিগত পুরাতন কবরস্থান রয়েছে। তাতে ১০ থেকে ৩০ বছরের পুরানো কবর আছে। এখন আমি সেখানে বাড়ি নির্মাণ করতে চাচ্ছি। এটি ছাড়া বাড়ি করার উপযোগী আর কোনো স্থান নেই। জানার বিষয় হল, সে স্থানে বাড়ি করতে শরীয়তের কোনো নিষেধ আছে কি না?
উত্তর
প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী ঐ কবরস্থানটি যেহেতু অধিক পুরাতন এবং আপনাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন তাই কবরগুলো সমান করে দিয়ে তাতে বাড়ি নির্মাণ করা জায়েয হবে। -ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৬৭; আলবাহরুর রায়েক ২/১৯৫; আদ্দুররুল মুখতার ২/২৩৮
ফতোয়া নং: ৩২১৫
তারিখ: ১/৮/২০১৫
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

আমাদের গ্রামের বাড়িতে একটি ব্যক্তিগত পুরাতন কবরস্থান রয়েছে। তাতে ১০...

প্রশ্ন
আমাদের গ্রামের বাড়িতে একটি ব্যক্তিগত পুরাতন কবরস্থান রয়েছে। তাতে ১০ থেকে ৩০ বছরের পুরানো কবর আছে। এখন আমি সেখানে বাড়ি নির্মাণ করতে চাচ্ছি। এটি ছাড়া বাড়ি করার উপযোগী আর কোনো স্থান নেই। জানার বিষয় হল, সে স্থানে বাড়ি করতে শরীয়তের কোনো নিষেধ আছে কি না?
উত্তর
প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী ঐ কবরস্থানটি যেহেতু অধিক পুরাতন এবং আপনাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন তাই কবরগুলো সমান করে দিয়ে তাতে বাড়ি নির্মাণ করা জায়েয হবে। -ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৬৭; আলবাহরুর রায়েক ২/১৯৫; আদ্দুররুল মুখতার ২/২৩৮
ফতোয়া নং: ২৮০৯
তারিখ: ১/৪/২০১৫
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

বর্তমানে দেখা যায়, বরপক্ষের না বলার পরও কনেপক্ষ ফার্নিচার ইত্যাদি...

প্রশ্ন
বর্তমানে দেখা যায়, বরপক্ষের না বলার পরও কনেপক্ষ ফার্নিচার
ইত্যাদি দিয়ে থাকে। তাই জানার বিষয় হল, এসব আসবাবপত্র গ্রহণ করা
জায়েয হবে কি?
উত্তর
বরপক্ষের দাবি কিংবা সামাজিক চাপ ছাড়া কনেপক্ষের লোকজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে কনের ঘরে ব্যবহারের জন্য কোনো আসবাবপত্র দিলে তা গ্রহণ করা যাবে।
তবে বরপক্ষের দাবি কিংবা চাপের কারণে
অথবা সামাজিক প্রচলনের কারণে বাধ্য হয়ে কোনো কিছু দিলে তা গ্রহণ করা জায়েয হবে না।
-মুসনাদে আহমদ, হাদীস ১৫৪৮৮; ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/৩৪৮-৩৫৩
ফতোয়া নং: ২৮০১
তারিখ: ১/৪/২০১৫
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

বর্তমানে অনেক পণ্যের সাথে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য গ্যারান্টি দিয়ে থাকে।...

প্রশ্ন
বর্তমানে অনেক পণ্যের সাথে নির্দিষ্ট
মেয়াদের জন্য গ্যারান্টি দিয়ে থাকে। নির্দিষ্ট
সময়ের আগে যদি ঐ জিনিস নষ্ট হয়ে যায় এক্ষেত্রে ক্রেতা কোনো শর্ত লঙ্ঘন না
করলে গ্যারান্টি কার্ডের সাথে ঐ পণ্য নিয়ে
গেলে তা ফেরত নিয়ে নতুন পণ্য দেয়। এবং এক্ষেত্রে বিক্রেতা দিতে বাধ্য থাকে।
আবার অনেক পণ্য ক্রয় করলে নির্দিষ্ট সময়ের
জন্য ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে। তখন নির্দিষ্ট
সময়ের পূর্বে ঐ জিনিস নষ্ট হয়ে গেলে শর্তসাপেক্ষে তা ঠিক করে দেয়।
জানার বিষয় হল, গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টির শর্তে
ক্রয়বিক্রয় করা জায়েয কি না? আর এক্ষেত্রে
বিক্রেতা নতুন পণ্য দেওয়া বা পুরাতন পণ্য ঠিক
করে দেওয়ার ব্যাপারে বাধ্য থাকবে কি না?
উত্তর
হাঁ, গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টির শর্তে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়
করা জায়েয আছে। অতএব এ ধরনের পণ্যে
কোনো ত্রুটি দেখা দিলে গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টির
শর্ত অনুযায়ী বিক্রেতা নতুন পণ্য দিতে বা পুরাতন
পণ্য ঠিক করে দিতে বাধ্য থাকবে। উল্লেখ্য
যে, ক্রয়-বিক্রয়ের সময় গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টির
শর্তাবলি ও নিয়মাবলি সম্পূর্ণভাবে লিখে উভয় পক্ষ
স্বাক্ষর করে নিতে হবে। যেন পরবর্তীতে এ নিয়ে কোনো ঝগড়া বা বিতর্ক না হয়।
শরহুল মাজাল্লাহ ২/৬৪, মাদ্দাহ : ১৮৮; রদ্দুল মুহতার
৫/৮৮; তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম ১/৬৩৫
ফতোয়া নং: ২৫২৬
তারিখ: ১/১/২০১৫
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

স্বর্ণের চামচ ও রূপার গ্লাস ব্যবহার করা কি জায়েয আছে?...

প্রশ্ন
স্বর্ণের চামচ ও রূপার গ্লাস ব্যবহার করা কি জায়েয আছে? নারীদের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার করা তো জায়েয। তাহলে তাদের জন্য এগুলোর ব্যবহার কি জায়েয হবে? এছাড়া আজকাল কিছু কিছু গ্লাস এবং প্লেট এমন পাওয়া যায় যেগুলো স্বর্ণের পানি দ্বারা প্রলেপযুক্ত। উপর থেকে দেখতে স্বর্ণের মতোই লাগে, কিন্তু বাস্তবে স্বর্ণ নয়। এগুলো ব্যবহারের হুকুম কী?
উত্তর
মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার ব্যবহার করা জায়েয হলেও স্বর্ণ-রূপার তৈরি চামচ, গ্লাস ইত্যাদি ব্যবহার করা পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই নাজায়েয। আর স্বর্ণ-চাঁদির পানি দ্বারা প্রলেপযুক্ত আসবাবপত্র ব্যবহার করা জায়েয আছে। এগুলো হাদীসের নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে এগুলোও ব্যবহার না করা উত্তম। কেননা এতে বিজাতিদের সাথে কিছুটা হলেও সাদৃশ্য হয়। -সহীহ বুখারী, হাদীস : ৫৮৩৭; ইলাউস সুনান ১৭/২৯৬; বাদায়েউস সানায়ে ৪/৩১৫; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৪৬.
ফতোয়া নং: ২৫১৮
তারিখ: ১/১/২০১৫
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

আমাদের গ্রামে লোকেরা সাধারণত গাছ থেকে সুপারি পাড়ায় এ শর্তে...

প্রশ্ন
আমাদের গ্রামে লোকেরা সাধারণত গাছ থেকে সুপারি পাড়ায় এ শর্তে যে, এক গাছ
সুপারি পেড়ে দিলে দু গণ্ডা সুপারি দেওয়া হবে।
এক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুম কী?
উত্তর
প্রশ্নোক্ত শর্তে সুপারি পাড়ানো জায়েয।
তবে এক্ষেত্রে তার পাড়া সুপারি থেকেই বিনিময়
দেওয়া হবে এমন শর্ত করা যাবে না এবং বিনিময়
হিসেবে কোন মানের সুপারি দেওয়া হবে তা আগেই
ঠিক করে নিতে হবে। অবশ্য পাড়া সুপারি থেকে দেওয়ার শর্ত না করা হলে পরবর্তীতে ঐ সুপারি থেকেও পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে। -আলমুহীতুল বুরহানী ১১/৩৩৮; শরহুল মাজাল্লাহ, খালিদ আতাসী ২/৫৩৯; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৫/১১৮; ফাতাওয়া খানিয়া ২/৩২৯-৩৩০
ফতোয়া নং: ২৩৪৩
তারিখ: ১/১১/২০১৪
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

পবিত্র অবস্থায় তাওয়াফে যিয়ারাহ আদায় করার পর জনৈকা মহিলার হায়েয...

প্রশ্ন
পবিত্র অবস্থায় তাওয়াফে যিয়ারাহ আদায়
করার পর জনৈকা মহিলার হায়েয শুরু হয়ে যায়।
ফলে সে অপবিত্র অবস্থায় সায়ী করে। উক্ত মহিলার সায়ী কি আদায় হয়েছে? এই জন্য কি তাকে দম দিতে হবে?
উত্তর
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে উক্ত মহিলার সায়ী আদায় হয়েছে। কেননা সায়ীর জন্য পবিত্রতা শর্ত নয়। তাই মহিলাদের জন্য এ অবস্থায় সায়ী করা জায়েয। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. বলেন, তাওয়াফে যিয়ারাহ আদায়ের পর সায়ীর পূর্বে কোনো মহিলার হায়েয এসে গেলে সে যেন (এ অবস্থায়) সাফা- মারওয়ার সায়ী করে নেয়। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ১৪৫৮৩) উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা ও হযরত উম্মে সালামা রা. থেকেও এমন বর্ণনা রয়েছে। -মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, ৮/৪৪১; আলমাবসূত, সারাখসী ৪/৫১; বাদায়েউস সানায়ে ২/৩১৯; যুবদাতুল মানাসিক, ১৪৫
ফতোয়া নং: ২৩৩৭
তারিখ: ১/১১/২০১৪
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

আমাদের বাড়ির পাশে রাস্তায় এক ব্যক্তি বিভিন্ন ধরণের বড়ই বিক্রি...

প্রশ্ন
আমাদের বাড়ির পাশে রাস্তায় এক ব্যক্তি বিভিন্ন ধরণের বড়ই বিক্রি করে। তার কাছ থেকে বড়ই কিনতে গেলে মিষ্টি না টক তা যাচাই করার জন্য খেয়ে দেখতে বলে এবং বলে যে, খেয়ে পছন্দ হলে কিনবেন অন্যথায়
নয়।
এখন তার থেকে বড়ই কেনার পূর্বে ভালো-মন্দ, টক- মিষ্টি ইত্যাদি যাচাই করার জন্য তা থেকে কি খেয়ে দেখতে পারব? কেননা টক বা মন্দ হলে সেক্ষেত্রে তো আমি তার কাছ থেকে কিনব না। এ অবস্থায় তার তো এক দুইটা বড়ই বিনা মূল্যেই চলে গেল।
উত্তর
বিক্রেতা বড়ইয়ের স্বাদ দেখার জন্য খাওয়ার অনুমতি দিলে ক্রেতার জন্য দু- একটি বড়ই খেয়ে দেখা জায়েয আছে। এক্ষেত্রে স্বাদ যাচাইয়ের পর পছন্দ না হলে তার থেকে বড়ই না কিনলেও অন্যায় হবে না। কিন্তু বাসত্মবে যদি ফল ক্রয়ের ইচ্ছা না থাকে; বরং ক্রেতার ভান ধরে বিনা পয়সায় অন্যের ফল খাওয়াই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাহলে তা জায়েয হবে না। এভাবে খেলে বিক্রেতাকে এর মূল্য দিয়ে দিতে হবে। অথবা তার থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। -মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ২২৫৪৬; ফাতাওয়া রহীমিয়া ৯/১৭
ফতোয়া নং: ২০৫৪
তারিখ: ১/৮/২০১৪
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

আমি একটি হাইস্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক। এ হাই স্কুলে অনেক হিন্দু...

প্রশ্ন
আমি একটি হাইস্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক। এ হাই
স্কুলে অনেক হিন্দু ছাত্রও আছে। বিভিন্ন সময় দেখা-সাক্ষাতে হিন্দু ছাত্ররা আমাকে সালাম দেয়। প্রশ্ন হল,
তাদের সালামের জওয়াব দেওয়া কি জায়েয হবে?
উত্তর
হিন্দু বা অমুসলিরা সালাম দিলে উত্তরে শুধু
ওয়া আলাইকুম বলা যাবে। পুরো উত্তর দেওয়া যাবে না। -সহীহ বুখারী, হাদীস : ৬২৫৮; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/২০; আলবাহরুর রায়েক ৮/২০৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩২৫; আদ্দুররুল মুখতার ৬/৪১২


Execution time: 0.02 render + 0.00 s transfer.