Login | Register

ফতোয়া: হায়েয-নেফাস

ফতোয়া নং: ৪৯২৯
তারিখ: ২৭/৬/২০১৭
বিষয়: হায়েয-নেফাস

ডিএনসির পর রক্তস্রাবের হুকুম ও নামায রোযার বিধান ৷

প্রশ্ন
আমি প্রায় তিন মাসের গর্ভবতী ছিলাম ৷ কিছু দিন আগে আমার গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়। গর্ভটির কোনো অঙ্গ পত্যঙ্গ হয়নি ৷ জমাট রক্ত ছিল ৷ ডিনএনসি করতে হয়েছে ৷ ডিএনসির পর থেকে আজ ১৩ দিন স্রাব চলছে। আমি প্রতিমাসে ৫দিন অপবিত্র থাকি। জানার বিষয় হল, ডিএনসি-এর পর যে রক্তস্রাব দেখা যায় তার কারণে কি নামায রোযা বন্ধ রাখতে হবে? এটা হায়েয নাকি নেফাস? কতদিন পর্যন্ত আমার রোযা বন্ধ রাখতে হবে?
উত্তর
প্রশ্নে বর্নিত সুরতে গর্ভটির যেহেতু কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিল না তাই ডিএনসি পরবর্তী স্রাব হায়েয হিসেবে গন্য হবে। অবশ্য যদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থাকত তাহলে এ স্রাব নেফাস গণ্য হত। অতএব প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিএনসির পর ৫দিন পর্যন্ত হায়েয ধর্তব্য হবে। এবং উক্ত ৫দিন নামায রোযা বন্ধ থাকবে ৷ এরপর থেকে ইস্তিহাযার হুকুমে হবে। তাই প্রথম ৫দিনের পর থেকে স্রাব থাকলেও নিয়মিত রোযা রাখতে হবে এবং নামায পড়তে হবে।
-আলবাহরুর রায়েক ১/২১৯; ফাতহুল কাদীর ১/১৬৫; আলমুহীতুল বুরহানী ১/৪৭০৷
উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৷

ফতোয়া নং: ৪৯২৮
তারিখ: ১১/৬/২০১৭
বিষয়: হায়েয-নেফাস

ডিএনসির পর রক্তস্রাবের হুকুম ও নামায রোযার বিধান ৷

প্রশ্ন
আমি প্রায় তিন মাসের গর্ভবতী ছিলাম ৷ কিছু দিন আগে আমার গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়। গর্ভটির কোনো অঙ্গ পত্যঙ্গ হয়নি ৷ জমাট রক্ত ছিল ৷ ডিনএনসি করতে হয়েছে ৷ ডিএনসির পর থেকে আজ ১৩ দিন স্রাব চলছে। আমি প্রতিমাসে ৫দিন অপবিত্র থাকি। জানার বিষয় হল, ডিএনসি-এর পর যে রক্তস্রাব দেখা যায় তার কারণে কি নামায রোযা বন্ধ রাখতে হবে? এটা হায়েয নাকি নেফাস? কতদিন পর্যন্ত আমার রোযা বন্ধ রাখতে হবে?
উত্তর
প্রশ্নে বর্নিত সুরতে গর্ভটির যেহেতু কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিল না তাই ডিএনসি পরবর্তী স্রাব হায়েয হিসেবে গন্য হবে। অবশ্য যদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থাকত তাহলে এ স্রাব নেফাস গণ্য হত। অতএব প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিএনসির পর ৫দিন পর্যন্ত হায়েয ধর্তব্য হবে। এবং উক্ত ৫দিন নামায রোযা বন্ধ থাকবে ৷ এরপর থেকে ইস্তিহাযার হুকুমে হবে। তাই প্রথম ৫দিনের পর থেকে স্রাব থাকলেও নিয়মিত রোযা রাখতে হবে এবং নামায পড়তে হবে।
-আলবাহরুর রায়েক ১/২১৯; ফাতহুল কাদীর ১/১৬৫; আলমুহীতুল বুরহানী ১/৪৭০৷
উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৷


ফতোয়া নং: ৪৮৮৪
তারিখ: ২০/৫/২০১৭
বিষয়: হায়েয-নেফাস

পিরিয়ড অবস্থায় সিজদার আয়াত শুনলে পবিত্র হয়ে তা আদায় করা ৷

প্রশ্ন
হুজুর আমার একটি প্রশ্ন, আমি একদিন পিরিয়ড চলাকালিন সিজদার আয়াত শুনি, কিন্তু সিজদা দেই নি ৷ পবিত্র হওয়ার পরও দেয়নি ৷ জানতে চাই, পিরিয়ড অবস্থায় মহিলারা সিজদার আয়াত শুনলে পবিত্র হওয়ার পর কি সেই সিজদা আদায় করতে হয় ? আমার সিজদা আদায় করতে হবে কি না?
উত্তর
হায়েয তথা পিরিয়ড অবস্থায় সিজদার আয়াত শুনলে সিজদা ওয়াজিব হয় না। তাই পবিত্র হওয়ার পর সেই সিজদা আদায় করতে হবে না। অতএব প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার সিজদা আদায় করতে হবে না ৷
-বাদায়েউস সানায়ে: ১/৪৩৯; আলমুহীতুল বুরহানী: ২/৩৬৫; আলবাহরুর রায়েক: ২/১১৯ ৷
মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৷

ফতোয়া নং: ৪৮৭৭
তারিখ: ১২/৫/২০১৭
বিষয়: হায়েয-নেফাস

সিজারে সন্তান হলে পরবর্তী স্রাব হায়েজ হিসেবে গন্য হবে নাকি নেফাস হিসেবে?

প্রশ্ন
বর্তমানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মহিলার সিজারের মাধ্যমে সন্তান হয়। তাই জানার বিষয় হলো, সন্তান পরবর্তী যে স্রাব দেখা যায় তা কি নেফাসের রক্ত হিসেবে গণ্য হবে? নাকি হায়েজ হিসেবে? এক্ষেত্রে কতদিন পর্যন্ত স্ত্রী সহবাস হারাম এবং নামায বন্ধ থাকবে?
উত্তর
সন্তান স্বাভাবিক নিয়মে ভূমিষ্ট হোক বা সিজারের মাধ্যমে হোক, ভূমিষ্ট হওয়ার পর মহিলার যে রক্তস্রাব আসে তা নেফাস বলেই গণ্য হবে। হয়েজ হিসেবে নয় ৷ তাই চল্লিশ দিনের ভিতরে স্রাব বন্ধ না হলে স্ত্রী সহবাস হরাম এবং তার নামায পড়তে বন্ধ থাকবে ৷ তবে চল্লিশ দিনের ভিতরে যেদিন-ই স্রাব বন্ধ হবে সেদিন থেকে গোসল করার পর সবকিছু বৈধ হবে ৷
-আলবাহরুর রায়েক ১/২১৮; আদ্দুররুল মুখতার ১/২৯৯; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩৭ ৷
মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৷

ফতোয়া নং: ৪৭০৬
তারিখ: ১/১১/২০১৬
বিষয়: হায়েয-নেফাস

পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করলে করণীয়৷

প্রশ্ন
মুহতারাম, আমার একটা গোনাহ হয়ে গেছে। আমার স্ত্রীর হায়েজ চলাকালীন আমি সহবাস করে ফেলেছি। এখন আমি কী করলে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা
করবেন।
উত্তর
হায়েয অবস্থায় জেনেশুনে স্ত্রী সহবাস করা হারাম। কুরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, তারা আপনাকে হায়েয সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। আপনি বলে দিন, তা অপবিত্রতা। অতএব তোমরা হায়েযের সময় স্ত্রীদের থেকে পৃথক থাক এবং তাদের নিকটবর্তী হয়ো না। যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়।
সূরা বাকারা : ২২২
সুতরাং প্রথমত আপনি আল্লাহ তাআলার কাছে তওবা-ইস্তিগফার করুন। তাছাড়া হায়েযের শুরুর দিকে সহবাস হলে এক দীনার আর শেষ দিকে হলে অর্ধ দীনার সদকা করার কথা কোনো কোনো হাদীসে বর্ণিত
হয়েছে। তাই এক্ষেত্রে তাওবা-ইস্তিগফারের পাশাপাশি উপরোক্ত নিয়মে সদকা করে দেওয়া উত্তম হবে।
প্রকাশ থাকে যে, দীনার একটি স্বর্ণমুদ্রা। যা বর্তমান হিসেবে ৪.৩৭৪ গ্রাম সমপরিমাণ স্বর্ণ।
জামে তিরমিযী, হাদীস ১৩৭; মুসনাদে আহমদ, হাদীস ২২০১; বাযলুল মাজহূদ ২/২৭৮; আলবাহরুর রায়েক ১/১৯৭; ফাতহুল কাদীর ১/১৪৭; আদ্দুররুল মুখতার ১/২৯৮৷
মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাক্ষণবাড়িয়া
01756473393
ফতোয়া নং: ৪৬৩৭
তারিখ: ১/১০/২০১৬
বিষয়: হায়েয-নেফাস

পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব চলাকালে গিলাফ বা কাপড় দিয়ে কুরআন শরীফ স্পর্শ করা৷

প্রশ্ন
ঋতুস্রাব চলাকালে গিলাফ সহকারে বা অন্য কোনো পবিত্র কাপড় দিয়ে কুরআন মজীদ স্পর্শ করতে কোনো সমস্যা আছে কি? জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।
উত্তর
ঋতুকালে বা অপবিত্র অবস্থায় কুরআন মজীদ স্পর্শ করা নাজায়েয। হ্যাঁ, এ অবস্থায় কুরআন মজীদ ধরার প্রয়োজন হলে গিলাফ বা অন্য কোনো পবিত্র কাপড় দিয়ে ধরা যাবে। তবে পরিহিত বস্ত্রের আঁচল বা তার অন্য কোনো অংশ দ্বারা স্পর্শ করা উচিত নয়। -আলমুহীতুল বুরহানী ১/৪০২; রদ্দুল মুহতার ১/২৯৩; আলবাহরুর রায়েক ১/২০১; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩৯৷ উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া মাজহারুল হক দারুল উলুম দেবগ্রাম আখাউড়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া৷
01756473393
ফতোয়া নং: ৪৬১৫
তারিখ: ১/১০/২০১৬
বিষয়: হায়েয-নেফাস

পিরিয়ড বা ঋতুস্রাবগ্রস্থা নারীর কোন অঙ্গ স্পর্শ করা৷

প্রশ্ন
মেয়েদের পিরিয়ডের সময় তাকে কেউ স্পর্শ করতে পারবে কিনা? এবং তার স্বামীর জন্য নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত সমস্ত অঙ্গ স্পর্শ করা জায়েজ আছে কিনা?
উত্তর
পিরিয়ডগ্রস্থা মেয়েকে স্পর্শ করা জায়েয৷ তাকে স্পর্শ করার দ্বারা নাপাক হবে না৷
আর স্বামীর জন্য স্ত্রীর সাথে সম্পর্কের তিন সূরত।
যথা-
১- সহবাস করা। এটি নিঃসন্দেহে হারাম।
২-নাভির উপরের অংশ এবং হাটুর নিচের অংশ স্পর্শ করা জায়েজ। তাতেও কোন মতভেদ নেই।
৩- নাভির নিচ থেকে হাটু পর্যন্ত স্পর্শ করা কাপড়ের উপর দিয়ে।
এটিও জায়েজ আছে। কোন সমস্যা নেই।
তবে নাভির নিচ থেকে হাটু পর্যন্ত কাপড় ছাড়া স্পর্শ করা।তাতে মতভেদ আছে। কারো কারো মতে সহবাস না করলে জায়েজ আছে। বাকি ইমাম আবূ হানীফা রহঃ, ইমাম শাফেয়ী রহঃ, ইমাম মালিক রহঃ সহ অধিকাংশ আলেমদের মতে তা জায়েজ নয়।
তাই কাপড় ছাড়া তা পরিহার করা আবশ্যক৷
দলিলঃ
আউজাযুল মাসালিক ১/৩২৬; ফতওয়ায়ে শামী ১/৪৮৬; ফতওয়াযে হিন্দিয়া ১/৩৯; বাহরুর রায়েক ১/১৯৮৷
উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তাহসীন
01756473393
ফতোয়া নং: ৪৪৫২
তারিখ: ১/৮/২০১৬
বিষয়: হায়েয-নেফাস

মহিলাদের অপবিত্রতার সময় তিলাওয়াতের নিয়ত ব্যতীত দলিল পেশ করার উদ্দেশ্যে...

প্রশ্ন
মহিলাদের অপবিত্রতার সময় তিলাওয়াতের নিয়ত ব্যতীত দলিল পেশ
করার উদ্দেশ্যে এক শ্বাসে অথবা শ্বাস
ছেড়ে ছেড়ে একাধিক আয়াত একসাথে
পড়া যাবে কি ?
উত্তর
না, হায়েয বা নেফাস অবস্থায় দলিল- প্রমাণ পেশ করার উদ্দেশ্যেও এক শ্বাসে বা শ্বাস ছেড়ে ছেড়ে কুরআনের কোনো আয়াত পড়া যাবে না। কেননা হায়েয- নেফাস অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করা জায়েয নয়। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন,ঋতুমতি মহিলা ও গোসল ফরয হয়েছে এমন ব্যক্তি যেন কুরআন মাজীদ না পড়ে। আল ইলাল, ইবনে আবী হাতিম ১/৪৯; রদ্দুল মুহতার ১/২৯৩৷ উত্তর প্রদানে মুফতী মেরাজ তাহসীন
01756473393
ফতোয়া নং: ৪৪৪২
তারিখ: ১/৮/২০১৬
বিষয়: হায়েয-নেফাস

আমার প্রতিবেশী এক লোক এক মাস আগে কাদিয়ানী হয়ে গেছে।...

প্রশ্ন
আমার প্রতিবেশী এক লোক এক মাস আগে কাদিয়ানী হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ।
তার স্ত্রী ও এলাকার লোকজন তাকে
অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছে।
তবুও সে ইসলামে ফিরে আসেনি। তখন
স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যায়। এখন তার
স্ত্রী জানতে চায়, স্বামী কাদিয়ানী হয়ে
যাওয়ার কারণে তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক কি ছিন্ন
হয়ে গেছে ? যদি তাই হয় তাহলে সে
অন্যত্র বিবাহ করতে চাইলে তার করণীয়
কী ? তাকে ইদ্দত পালন করতে হবে কি না?
ইদ্দত পালন করতে হলে কীভাবে পালন
করবে ?
উত্তর
কাদিয়ানী সম্প্রদায় কাফের। সুতরাং প্রশ্নোক্ত
ব্যক্তি কাদিয়ানী হয়ে যাওয়ার কারণে সে মুরতাদ
ও কাফের হয়ে গেছে। এবং কাদিয়ানী হয়ে
যাওয়ার সাথে সাথে তাদের বৈবাহিক সম্পর্কও
ছিন্ন হয়ে গেছে। এখন স্ত্রীকে তালাকের ইদ্দতের মতো ইদ্দত পালন করতে হবে।
অর্থাৎ সে অন্তঃসত্তা হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া
পর্যন্ত আর ঋতুমতী হলে পূর্ণ তিনটি ঋতুস্রাব
শেষ হওয়া পর্যন্ত ইদ্দত পালন করতে হবে। ইদ্দত শেষ হয়ে গেলে সে অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। এর আগে অন্যত্র বিবাহ করা বৈধ হবে না। আলমাবসূত ৫/৪৯; আদ্দুররুল মুখতার ৩/১৯৩;
বাদায়েউস সানায়ে ২/৬৫৫; আলমুহীতুল বুরহানী
৪/১৯৫ আলহীলাতুন নাজিযা ১৮১৷

ফতোয়া নং: ৪১১৮
তারিখ: ১/৫/২০১৬
বিষয়: হায়েয-নেফাস

ডিএনসি-এর পর যে রক্তস্রাব দেখা যায় তারকারণে কি নামায রোযা...

প্রশ্ন
ডিএনসি-এর পর যে রক্তস্রাব দেখা যায় তারকারণে কি নামায
রোযা বন্ধ রাখতে হবে?
এটা হায়েয নাকি নেফাস? 
কিছু দিন আগে আমার গর্ভ
নষ্ট হয়ে যায়। গর্ভ খুব অল্প দিনের।
তাই কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হয়নি। 
জমাট রক্ত ছিল কেবল। ডিএনসির 
পর থেকে আজ ১১ দিন স্রাব চলছে। 
আমি প্রতিমাসে ৮দিন অপবিত্র 
থাকি। এখন আমার করণীয় কী?
উত্তর
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিএনসির পর আট দিন পর্যন্ত হায়েয ধর্তব্য হবে। এরপর থেকে ইস্তিহাযার হুকুমে হবে। তাই প্রথম আট দিনের পর থেকে স্রাব থাকলেও নিয়মিত নামায পড়তে হবে। প্রকাশ থাকে যে, গর্ভটির যেহেতু কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিল না তাই ডিএনসি পরবর্তী স্রাব হায়েযের হুকুমে হয়েছে।যদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থাকত তাহলে এ স্রাব নেফাস গণ্য হত। -আলমুহীতুল বুরহানী ১/৪৭০; ফাতহুল কাদীর ১/১৬৫; আলবাহরুর রায়েক ১/২১৯
ফতোয়া নং: ৩২৪২
তারিখ: ১/৮/২০১৫
বিষয়: হায়েয-নেফাস

মহিলাদের অপবিত্রতার সময় তিলাওয়াতের নিয়ত ব্যতীত দলিল পেশ করার উদ্দেশ্যে...

প্রশ্ন
মহিলাদের অপবিত্রতার সময় তিলাওয়াতের নিয়ত ব্যতীত দলিল পেশ করার উদ্দেশ্যে এক শ্বাসে অথবা শ্বাস ছেড়ে ছেড়ে একাধিক আয়াত একসাথে পড়া
যাবে কি?
উত্তর
না, হায়েয বা নেফাস অবস্থায় দলিল- প্রমাণ পেশ করার উদ্দেশ্যেও এক শ্বাসে বা শ্বাস ছেড়ে ছেড়ে কুরআনের কোনো আয়াত পড়া যাবে না। কেননা হায়েয- নেফাস অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করা জায়েয নয়। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন,ঋতুমতি মহিলা ও গোসল ফরয হয়েছে এমন ব্যক্তি যেন কুরআন মাজীদ না পড়ে। আল ইলাল, ইবনে আবী হাতিম ১/৪৯; রদ্দুল মুহতার ১/২৯৩
ফতোয়া নং: ৩২৩৮
তারিখ: ১/৮/২০১৫
বিষয়: হায়েয-নেফাস

আমার প্রতিবেশী এক লোক এক মাস আগে কাদিয়ানী হয়ে গেছে।...

প্রশ্ন
আমার প্রতিবেশী এক লোক এক মাস আগে কাদিয়ানী হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ। তার স্ত্রী ও এলাকার লোকজন তাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছে। তবুও সে ইসলামে ফিরে আসেনি। তখন স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যায়। এখন তার স্ত্রী জানতে চায়, স্বামী কাদিয়ানী হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক কি ছিন্ন হয়ে গেছে? যদি তাই হয় তাহলে সে অন্যত্র বিবাহ করতে চাইলে তার করণীয় কী? তাকে ইদ্দত পালন করতে হবে কি না? ইদ্দত পালন করতে হলে কীভাবে পালন করবে?
উত্তর
কাদিয়ানী স¤প্রদায় কাফের। সুতরাং প্রশ্নোক্ত ব্যক্তি কাদিয়ানী হয়ে যাওয়ার কারণে সে মুরতাদ ও কাফের হয়ে গেছে। এবং কাদিয়ানী হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে তাদের বৈবাহিক সম্পর্কও ছিন্ন হয়ে গেছে। এখন স্ত্রীকে তালাকের ইদ্দতের মতো ইদ্দত পালন করতে হবে। অর্থাৎ সে অন্তঃসত্তা হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত আর ঋতুমতী হলে পূর্ণ তিনটি ঋতুস্রাব শেষ হওয়া পর্যন্ত ইদ্দত পালন করতে হবে। ইদ্দত শেষ হয়ে গেলে সে অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। এর আগে অন্যত্র বিবাহ করা বৈধ হবে না। আলমাবসূত ৫/৪৯; আদ্দুররুল মুখতার ৩/১৯৩; বাদায়েউস সানায়ে ২/৬৫৫; আলমুহীতুল বুরহানী ৪/১৯৫ আলহীলাতুন নাজিযা ১৮১
ফতোয়া নং: ৩২১২
তারিখ: ১/৮/২০১৫
বিষয়: হায়েয-নেফাস

হায়েয অবস্থায় মহিলারা সিজদার আয়াত শুনলে পবিত্র হওয়ার পর তাদেরকে...

প্রশ্ন
হায়েয অবস্থায় মহিলারা সিজদার আয়াত শুনলে পবিত্র হওয়ার পর তাদেরকে কি সেই সিজদা আদায় করে নিতে হবে? আশা করি উত্তর জানাবেন।
উত্তর
হায়েয অবস্থায় সিজদার আয়াত শুনলে সিজদা ওয়াজিব হয় না। তাই পবিত্র হওয়ার পর তাকে সেই সিজদা আদায় করতে হবে না। মাবসূত, সারাখসী ২/৫; আলমুহীতুল বুরহানী ২/৩৬৫; বাদায়েউস সানায়ে ১/৪৩৯; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/৪৬৬; আলবাহরুর রায়েক
২/১১৯
ফতোয়া নং: ৩০৪১
তারিখ: ১/৬/২০১৫
বিষয়: হায়েয-নেফাস

ডিএনসি-এর পর যে রক্তস্রাব দেখা যায় তারকারণে কি নামায রোযা...

প্রশ্ন
ডিএনসি-এর পর যে রক্তস্রাব দেখা যায় তারকারণে কি নামায রোযা বন্ধ রাখতে হবে? এটা হায়েয নাকি নেফাস? কিছু দিন আগে আমার গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়। গর্ভ খুব অল্প দিনের। তাই কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হয়নি। জমাট রক্ত ছিল কেবল। ডিএনসির পর থেকে আজ ১১ দিন স্রাব চলছে। আমি প্রতিমাসে ৮দিন অপবিত্র থাকি। এখন আমার করণীয় কী?
উত্তর
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিএনসির পর আট দিন পর্যন্ত হায়েয ধর্তব্য হবে। এরপর থেকে ইস্তিহাযার হুকুমে হবে। তাই প্রথম আট দিনের পর থেকে স্রাব থাকলেও নিয়মিত নামায পড়তে হবে। প্রকাশ থাকে যে, গর্ভটির যেহেতু কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিল না তাই ডিএনসি পরবর্তী স্রাব হায়েযের হুকুমে হয়েছে।যদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থাকত তাহলে এ স্রাব নেফাস গণ্য হত। -আলমুহীতুল বুরহানী ১/৪৭০; ফাতহুল কাদীর ১/১৬৫; আলবাহরুর রায়েক ১/২১৯
ফতোয়া নং: ৩০০৬
তারিখ: ১/৬/২০১৫
বিষয়: হায়েয-নেফাস

আজকাল অনেক মহিলার সিজারের মাধ্যমে সন্তান হয়। সন্তান পরবর্তী যে...

প্রশ্ন
আজকাল অনেক মহিলার সিজারের মাধ্যমে সন্তান হয়। সন্তান পরবর্তী যে স্রাব দেখা যায় তা কি নেফাসের রক্ত হিসেবে গণ্য হবে?
উত্তর
সন্তান স্বাভাবিক নিয়মে ভূমিষ্ট হোক বা সিজার করে হোক এরপর মহিলার যে রক্তস্রাব আসে তা নেফাস বলেই গণ্য হবে। -আলবাহরুর রায়েক ১/২১৮; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩৭; আদ্দুররুল মুখতার ১/২৯৯
ফতোয়া নং: ২৮৫৭
তারিখ: ১/৪/২০১৫
বিষয়: হায়েয-নেফাস

আমার প্রতিবেশী সাদেক তার স্ত্রী সুহানাকে বিভিন্ন কারণে একের পর...

প্রশ্ন
আমার প্রতিবেশী সাদেক তার স্ত্রী সুহানাকে বিভিন্ন কারণে একের পর এক তিন তালাক দেয়। তৃতীয় তালাক দেওয়ার পর ইদ্দতের ভেতরেই সুহানাকে আশিক বিয়ে করে। সুহানা বিশ দিন যাবত আশিকের কাছে ছিল। এবং তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীসূলভ আচরণও হয়। বিশ দিন পর আশিক সুহানাকে তালাক দিয়ে দেয়। পরে আশিক জানতে পারে যে, সুহানার সাথে তার বিবাহ ইদ্দতের ভেতরেই সংগঠিত হয়েছিল। জানার বিষয় হল, সুহানার সাথে আশিকের এই বিবাহ কি শুদ্ধ হয়েছিল? যদি শুদ্ধ না হয় তাহলে এখন মহিলাটি ইদ্দত পালন করবে কীভাবে? আর এ বিবাহের কারণে কি সাদেকের জন্য সুহানাকে দ্বিতীয়বার বিবাহ করা বৈধ হবে? আর আশিক মহিলাটির জন্য বিবাহের সময় যে মোহর নির্ধারণ করেছিল তা কি দিতে হবে?
উত্তর
প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী আশিকের সাথে মহিলাটির বিবাহ যেহেতু ইদ্দতের ভেতর হয়েছে তাই এ বিবাহ শুদ্ধ হয়নি। এক্ষেত্রে মহিলাটিকে আশিক থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে পূর্ণ ইদ্দত পালন করতে হবে। যদি অমত্মঃসত্ত্বা হয় তাহলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত, আর অন্তসত্ত্বা না হলে তিনটি ঋতুস্রাব পর্যন্ত ইদ্দত পালন করতে হবে। আর দ্বিতীয় বিবাহ যেহেতু শুদ্ধ হয়নি তাই এক্ষেত্রে ইদ্দত শেষে প্রথম স্বামী সাদেকের সাথে মহিলাটির বিবাহ জায়েয হবে না।
উল্লেখ্য যে, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আশিকের সাথে মহিলাটির বিবাহের সময় যে মোহর ধার্য করা হয়েছিল মহিলা তা পাবে না; বরং ধার্যকৃত ঐ মোহর এবং মোহরে মিসিল (অর্থাৎ মহিলার সমপর্যায়ের পিতৃবংশীয় নারীদের মোহর) এর মধ্যে যেটা কম হবে সেটাই মোহর হিসেবে পাবে।
-সূরা বাকারা ২ : ২৩৫; আহকামুল কুরআন, থানভী রাহ. ১/৫৯৬; আলবাহরুর রায়েক ৪/১৪৩; আদ্দুররুল মুখতার ৩/৪০৯-৪১০; হেদায়া, ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৪৭৩; আদ্দুররুল মুনতাকা ২/৮৯; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩৩০; আলবাহরুর রায়েক ৩/১৭২
ফতোয়া নং: ২৫৩৫
তারিখ: ১/১/২০১৫
বিষয়: হায়েয-নেফাস

জনৈক মহিলার দুই মাসের গর্ভাবস্থায় প্রচন্ড জ্বরের কারণে গর্ভ নষ্ট...

প্রশ্ন
জনৈক মহিলার দুই মাসের গর্ভাবস্থায় প্রচন্ড জ্বরের কারণে গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ডাক্তারের পরামর্শে তা ফেলে দেওয়া হয়। গর্ভটির কোনো আকার আকৃতি হয়নি। তা একটি গোশতের টুকরার মতো। অতপর একদিন পর থেকে তার রক্ত দেখা দেয় এবং তা এক সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে থাকে। প্রশ্ন হল, এ রক্ত কি নেফাস হবে, না ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে? জানালে উপকৃত হব। উল্লেখ্য, উক্ত এক সপ্তাহ সে মহিলা নামায থেকে বিরত ছিল।
উত্তর
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে গর্ভটির যেহেতু কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হয়নি তাই ওই এক সপ্তাহের রক্ত নেফাস হবে না; তবে তা হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। সুতরাং সে সময় নামায না পড়া ঠিকই হয়েছে। -আলমুহীতুল বুরহানী ১/৪৭০; আলবাহরুর রায়েক ১/২১৯; ফাতহুল কাদীর ১/১৬৫-১৬৬;
ফতোয়া নং: ২৩১৩
তারিখ: ১/১১/২০১৪
বিষয়: হায়েয-নেফাস

হায়েয চলাকালীন কাউকে কুরআন শিখানো জায়েয আছে কি এবং এক্ষেত্রে...

প্রশ্ন
হায়েয চলাকালীন কাউকে কুরআন শিখানো জায়েয আছে কি এবং এক্ষেত্রে পূর্ণ আয়াত একত্রে তেলাওয়াত করা যাবে কি?
উত্তর
ঋতুস্রাব অবস্থায় মহিলাদের জন্য কুরআন মজীদ তিলাওয়াত করা, শিক্ষা দেওয়া ও স্পর্শ করা কোনোটিই জায়েয নয়। আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঋতুমতি মহিলা ও গোসল ফরয হয়েছে এমন ব্যক্তি যেন কুরআন মজীদ না পড়ে।-আলইলাল, ইবনে আবী হাতিম
১/৪৯
তাই যে সকল মহিলা কুরআন মজীদ শেখা- শেখানোর সাথে সম্পৃক্ত তারা অপবিত্রতার সময় তা থেকে বিরত থাকবে। প্রয়োজনে অন্য মহিলা দ্বারা কাজ সমাধা করে নিবে। যদি তাও সম্ভব না হয় তাহলে তারা কেবল শিার্থীদের পড়া শুনতে পারবে এবং প্রয়োজনের সময় দু-এক শব্দ বলে দিতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ণ আয়াত একত্রে তিলাওয়াত করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। -মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক, হাদীস : ১৩০৩; মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ১০৯০; আদ্দুররুল মুখতার ১/১৭২; আলবাহরুর রায়েক ১/১৯৯; ফাতহুল কাদীর ১/১৪৮;
ফতোয়া নং: ২৩১২
তারিখ: ১/১১/২০১৪
বিষয়: হায়েয-নেফাস

মহিলাগণ ঋতুস্রাব অবস্থায় হাদীসে বর্ণিত বিভিন্ন প্রকারের দোয়া, যিকির-আযকার এবং...

প্রশ্ন
মহিলাগণ ঋতুস্রাব অবস্থায় হাদীসে বর্ণিত বিভিন্ন প্রকারের দোয়া, যিকির-আযকার এবং তাসবীহ- তাহলীল ইত্যাদি পড়তে পারবে কি?
উত্তর
হ্যাঁ, ঋতুস্রাব অবস্থায় মহিলাগণ হাদীসে বর্ণিত দোয়া, যিকির-আযকার, তাসবীহ-তাহলীল ইত্যাদি পড়তে পারবে। কিন্তু কুরআন মজীদের তিলাওয়াত করতে পারবে না। -আদ্দুররুল মুখতার ১/২৯৩; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩৮; আননাহরুল ফায়েক ১/১৩৩; ফাতহুল কাদীর ১/১৪৯
ফতোয়া নং: ২০০৬
তারিখ: ১/৮/২০১৪
বিষয়: হায়েয-নেফাস

ডিএনসি-এর পর যে রক্তস্রাব দেখা যায় তারকারণে কি নামায রোযা...

প্রশ্ন
ডিএনসি-এর পর যে রক্তস্রাব দেখা যায় তারকারণে কি নামায রোযা বন্ধ রাখতে হবে? এটা হায়েয নাকি নেফাস? কিছু দিন আগে আমার গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়। গর্ভ খুব অল্প দিনের। তাই কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হয়নি। জমাট রক্ত ছিল কেবল। ডিএনসির পর থেকে আজ ১১ দিন স্রাব চলছে। আমি প্রতিমাসে ৮দিন অপবিত্র থাকি। এখন আমার করণীয় কী?
উত্তর
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিএনসির পর আট দিন পর্যন্ত হায়েয ধর্তব্য হবে। এরপর থেকে ইস্তিহাযার হুকুমে হবে। তাই প্রথম আট দিনের পর থেকে স্রাব থাকলেও নিয়মিত নামায পড়তে হবে। প্রকাশ থাকে যে, গর্ভটির যেহেতু কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিল না তাই ডিএনসি পরবর্তী স্রাব হায়েযের হুকুমে হয়েছে।যদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থাকত তাহলে এ স্রাব নেফাস গণ্য হত। -আলমুহীতুল বুরহানী ১/৪৭০; ফাতহুল কাদীর ১/১৬৫; আলবাহরুর রায়েক ১/২১৯


Execution time: 0.02 render + 0.00 s transfer.