Login | Register

ফতোয়া: মুফতি মেরাজ তাহসিন

ফতোয়া নং: ৬৮৩৩
তারিখ: ২৭/১০/২০১৭
বিষয়: ব্যবসা-চাকুরী

আমার একটি ঘর লিজ দিয়েছিলাম এভাবে যে, লিজগ্রহীতা আমাকে ১০,০০,০০০...

প্রশ্ন

আমার একটি ঘর লিজ দিয়েছিলাম এভাবে যে, লিজগ্রহীতা আমাকে ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) টাকা এডভান্স দিবে এবং আমার ঘর সে ব্যবহার করবে। এজন্য আমাকে তার কোনো ভাড়া দিতে হবে না। আলকাউসারের মাধ্যমে জানতে পারলাম, এ পদ্ধতি নাজায়েয। এখন আমার জানার বিষয় হল, ক) এখন আমার কী করণীয়? খ) এ সকল ক্ষেত্রে বৈধ পন্থা কী? কারণ অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন কারণে এ রকম লেনদেনের প্রয়োজন হয়। আশা করি শরয়ী সিদ্ধান্ত জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর

এখন আপনাদের উভয়ের কর্তব্য উক্ত চুক্তি বাতিল করে দেওয়া। আর সামনে থেকে ঐ ঘর ব্যবহার করতে চাইলে শরীয়তসম্মতভাবে ভাড়া চুক্তি করতে হবে । ঋণের চুক্তি করা যাবে না। যেমন, আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনার বাড়িটি যত বছর ভাড়া দিতে হবে একসাথে তত বছরের জন্য বাড়িটি ভাড়া দিয়ে দিবেন এবং তত বছরের ভাড়ার টাকা ভাড়া গ্রহীতা থেকে অগ্রিম নিয়ে নিবেন। যেমন, আপনার বাড়ির মাসিক ভাড়া যদি ২০,০০০/- টাকা হয় তাহলে এক বছরের ভাড়া আসে ২,৪০,০০০/- টাকা। এ হিসেবে যত বছর ভাড়া দিলে আপনার প্রয়োজন পূরণ হবে তত বছরের জন্য বাড়িটি একসাথে ভাড়া দিয়ে দিবেন এবং তত বছরের সমুদয় ভাড়া একত্রে অগ্রিম নিয়ে নিবেন। এক্ষেত্রে ভাড়ার পরিমাণ স্বাভাবিক ভাড়া থেকে প্রয়োজনে কিছুটা কমও নির্ধারণ করা যাবে। আর এটি যেহেতু ভাড়া চুক্তি তাই ভাড়ার মেয়াদ শেষে ভাড়াগ্রহীতা ঐ টাকা আর ফেরত পাবে না। অবশ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই যদি উভয়ে ভাড়া চুক্তি বাতিল করে দিতে চার তাহলে অবশিষ্ট মাসের ভাড়ার টাকা ভাড়াগ্রহীতাকে ফেরত দিতে হবে। আর এ লেনদেনে বাড়িওয়ালা সিকিউরিটি মানি বা ঋণের নামে কোনো কিছু নিতে পারবে না।

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার
এ বিষয়ে আরো ফতোয়া:
ব্যবসা-চাকুরী এর উপর সকল ফতোয়া >>

Execution time: 0.02 render + 0.00 s transfer.