Login | Register

ফতোয়া: মুফতি মেরাজ তাহসিন

ফতোয়া নং: ৬২৯৭
তারিখ: ২৭/১০/২০১৭
বিষয়: জায়েয-নাজায়েজ

একটা ঘটনা শুনেছি যে, হযরত ফাতেমা রা.কে দাফন করার সময়...

প্রশ্ন

একটা ঘটনা শুনেছি যে, হযরত ফাতেমা রা.কে দাফন করার সময় আবু যর গিফারী রা. কবরকে সম্বোধন করে বলেছিলেন, হে কবর! তুমি কি জানো, তোমার উদরে কাকে রাখা হচ্ছে? ইনি হলেন, প্রিয় নবীর কন্যা। এ কথা বলার সাথে সাথে কবর থেকে আওয়াজ এল, আমি কাউকে চিনি না। আমি প্রত্যেকের আমল অনুযায়ী আচরণ করি। এ ঘটনাটি কতটুকু সঠিক? জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত ঘটনাটি সত্য নয়। এটি লোকমুখে প্রচলিত বানানো ঘটনা। হাদীস-আছার ও নির্ভরযোগ্য কোনো ইতিহাস গ্রন্থে এ ঘটনা পাওয়া যায় না।

সুতরাং দলিল-প্রমাণহীন এ কথাগুলো বর্ণনা করা জায়েয হবে না। এ থেকে বিরত থাকা জরুরি।

প্রকাশ থাকে যে, আখেরাতের হিসাব-কিতাবের বিষয়টি যে ঈমান ও আমলের ভিত্তিতেই হবে তা দ্বীনের একটি সর্বজনবিদিত শিক্ষা, যা মুসলমান মাত্রেরই জানা আছে। এজন্য সাহাবায়ে কেরাম কবরকে সম্বোধন করে উপরোক্ত কথা বলতে পারেন এই কল্পনাও মূর্খতা। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জীবদ্দশায়ই প্রিয়তম কন্যা ফাতেমা রা.কে বলে গেছেন, হে ফাতেমা! জাহান্নামের আগুন থেকে নিজেকে রক্ষা কর। কেননা আমি উপকার-অপকারের মালিক নই।-সহীহ মুসলিম ২/১১৪; জামে তিরমিযী, হাদীস : ৩১৮৫

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই সুস্পষ্ট শিক্ষার পর সাহাবীগণ কবরকে উপরোক্ত কথা কীভাবে বলতে পারেন?

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার
এ বিষয়ে আরো ফতোয়া:
জায়েয-নাজায়েজ এর উপর সকল ফতোয়া >>

Execution time: 0.03 render + 0.00 s transfer.