Login | Register

ফতোয়া: মুফতি মেরাজ তাহসিন

ফতোয়া নং: ৬১৫৯
তারিখ: ২৭/১০/২০১৭
বিষয়: আজান-নামাজ

আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের সূরা-কেরাত শুদ্ধ নয়। মাদরাসার ছাত্র হিসেবে...

প্রশ্ন

আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের সূরা-কেরাত শুদ্ধ নয়। মাদরাসার ছাত্র হিসেবে আমি তা বুঝতে পারি। তাই এ ব্যাপারে তাকে একদিন বললে তিনি আমাকে নামায পড়াতে দেন। কিন্তু গোপনে মুসল্লিদের কাছে তার ঐ অযোগ্যতার কথা অস্বীকার করেন। আর আমি তাদেরকে অনেকবার বলা সত্ত্বেও তারা ইমাম সাহেবকেই প্রাধান্য দেয় এবং আমার কথাকে গ্রাহ্য করে না। এখন আমি ঐ ইমামের পিছনে ইক্তিদা করলে আমার নামায অশুদ্ধ হবে এ ভয়ে আমি মসজিদে না গিয়ে বাড়িতেই একাকী নামায পড়ি। প্রশ্ন হল, এ অবস্থায় আমার বাড়িতে একাকী নামায পড়া সহীহ হচ্ছে কি? যদি না হয় তাহলে কী করণীয়? দলিল-প্রমাণ ও উপদেশসহ জানিয়ে উপকৃত করবেন।

উত্তর

ইমামের তিলাওয়াত কী পরিমাণ অশুদ্ধ প্রশ্নে তা উল্লেখ করা হয়নি। সিফাত ও তাজবীদ ও মাখরাজের সামান্য ভুলের কারণে নামায নষ্ট হয় না। ভুলের কারণে কুফরী অর্থ হয়ে গেলে বা চরমভাবে অর্থের বিকৃতি ঘটলে তখনই নামায ফাসেদ হয়।

আর নিয়মিত মসজিদের জামাত ত্যাগ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

প্রশ্নোক্ত মসজিদে না পড়লে পার্শ্ববর্তী অন্য মসজিদে গিয়ে নামায পড়া উচিত। আর প্রশ্নোক্ত ইমামের পিছনে আপনার নামায পড়া-না পড়ার সিদ্ধান্ত নিজ থেকে না নিয়ে কোনো বিজ্ঞ আলেমকে ইমামের কিরাত শুনিয়ে তার থেকে পরামর্শ নেওয়া কর্তব্য।

জেনে রাখা দরকার, মসজিদের জামাত ত্যাগকারীর উপর হাদীসে কঠোর ধমকী এসেছে। তাই এ ব্যাপারে উদাসীনতা আদৌ ঠিক নয়।

-সহীহ বুখারী, হাদীস : ৬৪৪; রদ্দুল মুহতার ১/৬৩১; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৮১

উত্তর দিয়েছেন : মাসিক আল-কাওসার
এ বিষয়ে আরো ফতোয়া:
আজান-নামাজ এর উপর সকল ফতোয়া >>

Execution time: 0.02 render + 0.00 s transfer.